বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসি'র অধীন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুপারিনটেনডেন্ট পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পদের নাম: সুপারিনটেনডেন্ট (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

4. বাক্যে অব্যয় পদ পরিবর্তন হয় না অর্থাৎ যা অপরিবর্তনীয় শব্দ তা-ই অব্যয়। বাক্যে হৃদয়াবেগ প্রকাশে কোন চিহ্নটি বসে?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: যে পদের কোনো লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তি হয় না এবং যা বাক্যে ব্যবহারের সময় রূপের কোনো পরিবর্তন ঘটে না, তাকে অব্যয় পদ বলে। বাক্যে বিভিন্ন ধরনের ভাব যেমন আনন্দ, বিষাদ, ঘৃণা, ভয় বা হৃদয়াবেগ প্রকাশ করতে বিভিন্ন ধরনের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অব্যয় পদ মূলত বাক্যে পদের শোভা বর্ধন করে অথবা সংযোগ স্থাপন করে কিংবা মনের বিভিন্ন ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে। গঠন বা অর্থের দিক থেকে অব্যয় পদগুলো সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে এবং স্বাধীনভাবে বাক্যের সৌন্দর্য রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাহ! কী সুন্দর পাখি। ব্যাখ্যা: এখানে বাহ শব্দটির মাধ্যমে মনের আনন্দ বা উল্লাস প্রকাশ পেয়েছে, যা একটি আবেগবাচক অব্যয়। উদাহরণ ২: ছি! তুমি এমন কাজ করলে। ব্যাখ্যা: এখানে ছি শব্দটির মাধ্যমে ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করা হয়েছে, যা হৃদয়াবেগ প্রকাশকারী অব্যয় পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, যা বাক্যে লিঙ্গ ও বচনের ভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে এবং এর রূপ পরিবর্তন হতে পারে। C) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় এবং বচন ও কারকভেদে এর রূপ পরিবর্তিত হয়। D) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ অব্যয় পদ অপরিবর্তনীয় এবং হৃদয়াবেগ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: অব্যয় শব্দের অর্থ যা ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না। তাই যে পদের কোনো পরিবর্তন হয় না, চোখ বন্ধ করে তাকে অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ প্রকরণ থেকে প্রশ্ন আসে। আবেগ প্রকাশ করতে আবেগবাচক অব্যয় এবং বাক্যকে দীর্ঘ করতে সমুচ্চয়ী বা অনন্বয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখবে।
5. 'ণ - ত্ব' বিধান কোন শ্রেণির শব্দের জন্য প্রযোজ্য?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎসম ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্যই ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহারের সময় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বানান অপরিবর্তিত থাকে বিধায় এই বিধান কেবল তৎসম শব্দেই কার্যকর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের বানানে ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ রূপান্তরিত হওয়ার ব্যাকরণগত নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে। - ঋ, র, ষ এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় এবং ট ও ঠ এর পূর্বে সর্বদা মূর্ধন্য ণ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণম ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের পর নম ধাতুর ন মূর্ধন্য ণ এ পরিবর্তিত হয়ে প্রণম শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘণ্টা ব্যাখ্যা: ট বর্গীয় ধ্বনি ঠ এর পূর্বে দন্ত্য ন পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে বলে এগুলোতে তৎসম ব্যাকরণের নিয়ম যেমন ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হয় না। B) দেশি — আদিবাসীদের ভাষা থেকে আগত দেশি শব্দে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম বা ণ-ত্ব বিধানের কোনো প্রভাব নেই। C) বিদেশি — আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা অন্যান্য বিদেশি শব্দে বাংলা ব্যাকরণের ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাপ খায় না। D) তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই শ্রেণির শব্দেই কেবল ণ-ত্ব বিধানের নিয়মগুলো সরাসরি কার্যকর হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তৎসম মানে সংস্কৃত, আর ণ-ত্ব বিধানের সম্পর্ক শুধু সংস্কৃত শব্দের সঙ্গেই। - ঋ, র, ষ এবং ট বর্গীয় ধ্বনির নিয়মগুলো মাথায় রাখলে তৎসম শব্দের বানান সহজে চেনা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দভিত্তিক ব্যাকরণের নিয়ম জানতে চাওয়া হয়। - তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের উৎস চেনার মাধ্যমে এ ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
7. বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংকলন ও নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন, যা বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ অনুধাবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন। এর রচয়িতাগণ পদকর্তা বা সিদ্ধাচার্য নামে পরিচিত এবং এর ভাষাকে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বঙ্গকামরূপী বা প্রাচীন বাংলা বলে অভিহিত করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের একটি প্রাচীন বা বিশেষ ধারা ও প্রকাশের নিদর্শন, যা ভাষার ঐতিহাসিক ক্রমবিকাশ বুঝতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম প্রাপ্ত নিদর্শন, যা চর্যাপদের পরবর্তী ভাষার রূপ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি জনপ্রিয় ধারা, যা চর্যাপদের অনেক পরের সৃষ্টি এবং এর প্রাচীন নিদর্শন নয়। B) মনসামঙ্গল — এটিও মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত, যা প্রাচীন ভাষার নিদর্শন নয়। C) চর্যাপদ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। D) অন্নদামঙ্গল — এটি অষ্টাদশ শতকে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্যের ধারা, যা প্রাচীন যুগের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে পুরনো বা আদি নিদর্শন। এটি মনে রাখতে চর্যাপদের প আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং আবিষ্কার সাল ১৯০৭ সাল মনে রাখা জরুরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল এবং পদকর্তাদের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
8. বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক দ্বিতীয় গ্রন্থের নাম কী?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কারাগারের রোজনামচা ১. কেন সঠিক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক বা কারাগারের দিনলিপির ওপর ভিত্তি করে রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থাকাকালীন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা ও দিনলিপি তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গ্রন্থটির রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং এটি ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থটিতে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও ঐতিহাসিক ছয় দফাভিত্তিক সংগ্রামের সময়কার কারাজীবনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত তৃতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি বিজয় দেখেছি — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত বা আত্মজীবনীমূলক কোনো গ্রন্থ নয়। B) অসমাপ্ত আত্মজীবনী — এটি বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক প্রথম গ্রন্থ, দ্বিতীয় গ্রন্থ নয়। C) আমি শেখ মুজিব বলছি — এটি বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক কোনো মৌলিক গ্রন্থ বা প্রামাণ্য দলিল নয়। D) কারাগারের রোজনামচা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলো প্রকাশের ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো প্রথমে অসমাপ্ত আত্মজীবনী যা প্রথম, এরপর কারাগারের রোজনামচা যা দ্বিতীয় এবং সবশেষে আমার দেখা নয়াচীন যা তৃতীয় গ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বঙ্গবন্ধুর গ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশের সাল বা ক্রম জানতে চাওয়া হয়। তাই গ্রন্থগুলোর সঠিক ক্রম ও নাম মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
10. ভাষার মূল উপাদান হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: ভাষার মূল উপাদান বা মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি, কারণ ধ্বনি দ্বারাই মানুষের মুখের কথা বা ভাষার সৃষ্টি হয়। মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত বোধগম্য আওয়াজ বা ধ্বনিই হলো ভাষার প্রাণ এবং এর মাধ্যমেই ভাষার রূপ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ এবং বাক্যের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং ভাষার মূল উপাদানের সংজ্ঞা। ভাষা মূলত ধ্বনিভিত্তিক, কারণ লিখিত রূপ আসার বহু আগেই মানুষের মুখে ভাষা ধ্বনির মাধ্যমে প্রচলিত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি ও বর্ণ, যা দিয়ে শব্দ তৈরি হয়। উদাহরণ ২: মা, বাবা ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি মিলিত হয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ গঠন করে, যা ভাষার মূল উপাদান ধ্বনির ফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — শব্দ ভাষার একটি উপাদান হলেও এটি ধ্বনির পরে গঠিত হয়, তাই এটি ভাষার মূল বা আদি উপাদান নয়। B) ধ্বনি — সঠিক উত্তর। C) বাক্য — বাক্য ভাষার সর্বোচ্চ একক বা উপাদান, যা শব্দ ও ধ্বনির মিলনে গঠিত হয়। D) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, কিন্তু ধ্বনি হলো মানুষের মুখের উচ্চারিত মৌলিক একক। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা শোনার বিষয়, তাই মনে রাখবেন ভাষা শুরু হয় কান দিয়ে অর্থাৎ ধ্বনি দিয়ে। ধ্বনি হলো ভাষার ইট, আর বাক্য হলো সম্পূর্ণ বাড়ি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা মূল উপাদান হলো ধ্বনি এবং ভাষার মূল ভিত্তি হলো অর্থপূর্ণ বাক্য। পরীক্ষায় ভাষার মূল উপাদান চাইলে সবসময় ধ্বনি দাগাতে হবে।
14. 'গীতাঞ্জলি' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গীত + অঞ্জলি ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে স্বরসন্ধির ক্ষেত্রে অ কিংবা আ এর পর অ কিংবা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয়। এখানে 'গীত' শব্দের শেষে অ এবং 'অঞ্জলি' শব্দের শুরুতে অ রয়েছে, যা মিলে আ কার গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির নিয়মে অকারের পর অকার যুক্ত হয়ে আকার গঠিত হয়। এই শব্দটিতে শব্দের অর্থ এবং উচ্চারণের মাধুর্য রক্ষা করার জন্য সন্ধি নিয়ম নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ কার তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে আ কার তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিত + অঞ্জলি — এখানে 'গিত' বানানটি ভুল কারণ বাংলা প্রমিত বানানে ত ব্যবহৃত হয় থ নয়। B) গীত + অঞ্জলি — এটি সঠিক উত্তর। C) গীত + আঞ্জলি — এখানে 'আঞ্জলি' শব্দটির শুরুতে আ ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) গীতা + অঞ্জলি — এখানে 'গীতা' শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার এবং অতিরিক্ত আ থাকায় এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখবে মূল শব্দটির বানান যেন সঠিক থাকে। অঞ্জলি শব্দে সবসময় হ্রস্ব ই কার বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। শব্দের মূল রূপ ঠিক রেখে সন্ধি বিচ্ছেদ করতে হয়।
16. 'গোঁফ খেজুরে' কোন সমাস?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - যে বহুব্রীহি সমাসের প্রথম পদটি এবং দ্বিতীয় পদটি কোনোটিই যদি বিশেষ্য পদ না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন কারক বোঝায়, তাকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে। - এখানে গোঁফে খেজুরা যার, অর্থাৎ গোঁফ ও খেজুরা দুটি ভিন্ন পদ যুক্ত হয়ে এমন এক অবস্থা বুঝিয়েছে যা অন্য কোনো বিশেষ্য পদকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝানো হয়। - ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েই ভিন্ন ভিন্ন বিভক্তি বা কারকযুক্ত হয়, যেমন গোঁফ (সপ্তমী বিভক্তি) এবং খেজুরা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতে মরে যে - শীতমুরে ব্যাখ্যা: এটিও ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের একটি প্রচলিত উদাহরণ যেখানে বিভক্তির ভিন্নতা রয়েছে। উদাহরণ ২: কথায় পটু যে - কথপটু ব্যাখ্যা: এখানেও পূর্বপদে ও পরপদে ভিন্ন কারক ও বিভক্তি যুক্ত হয়ে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ব্যতিহার বহুব্রীহি — এই সমাসে একই শব্দের পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়, যা গোঁফ খেজুরে শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পূর্বপদ ও পরপদ ভিন্ন ভিন্ন কারক বা বিভক্তিযুক্ত। D) দ্বিগু — এই সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বোঝায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্যের শেষে 'যাহার' বা 'যার' থাকে এবং পূর্বপদ ও পরপদ যদি ভিন্ন কারকের হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি দাগাবে। - গোঁফে খেজুরা যার, এই গঠনে বিভক্তির ভিন্নতা লক্ষ্য করলেই উত্তর সহজ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - গোঁফ খেজুরে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বারবার আসা বাগধারাভিত্তিক সমাস।
18. 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসটি কার রচনা?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের আদিগুরু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় সার্থক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা, যেখানে মানব মনের জটিল প্রবৃত্তি ও রোমান্টিক আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী। - কপালকুণ্ডলা একটি সার্থক রোমান্সধর্মী উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি ছিল সপ্তদশ শতাব্দীর উড়িষ্যা ও বাংলার উপকূলীয় অঞ্চল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সামাজিক উপন্যাস বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে দেশীয় সমাজের পারিবারিক জীবন ও পরকীয়া প্রেমের পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুসূদন দত্ত — ইনি মূলত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা, কোনো উপন্যাস লেখেননি। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনিই কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের রচয়িতা। C) রামমোহন রায় — ইনি বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ এবং বেদান্তসার ও আত্মীয় সভা গ্রন্থের রচয়িতা, উপন্যাসিক নন। D) নবীন চন্দ্র সেন — ইনি পলাশী যুদ্ধ ও রৈবতক মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত একজন প্রখ্যাত কবি, উপন্যাস রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো কপাল পুড়ে দুর্গেশনন্দিনী বিষবৃক্ষের আগুনে। - এর মাধ্যমে দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা ও বিষবৃক্ষ উপন্যাসগুলোকে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের নাম ও প্রকাশকাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - লেখকের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা এই তথ্যটি বারবার পরীক্ষায় আসে।
19. 'অক্ষির সমীপে' এর সংক্ষেপ হলো-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমক্ষ ১. কেন সঠিক: - অক্ষির সমীপে এর বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো সমক্ষ। - এখানে অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ বা দৃষ্টি এবং সমীপে শব্দের অর্থ নিকটে বা সামনে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির গোচরে = প্রত্যক্ষ ব্যাখ্যা: কোনো কিছু চোখের সামনে বা গোচরে ঘটলে তাকে প্রত্যক্ষ বলা হয়। উদাহরণ ২: অক্ষির অগোচরে = পরোক্ষ ব্যাখ্যা: কোনো কিছু চোখের আড়ালে বা অগোচরে ঘটলে তাকে পরোক্ষ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যক্ষ — এটি চোখের সামনে বা গোচরে থাকা বোঝায়, যা অক্ষির সমীপে এর সঠিক সংকোচন নয়। B) নিরপেক্ষ — এটি কোনো পক্ষ অবলম্বন না করা বা উদাসীন থাকা বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। C) সমক্ষ — এটি অক্ষির সমীপে এর সঠিক সংকোচন। D) পরোক্ষ — এটি চোখের আড়ালে বা অগোচরে থাকা বোঝায়, যা অক্ষির সমীপে এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অক্ষির সমীপে মানে চোখের সামনে বা নিকটে, তাই এর সংকোচন হবে সমক্ষ। - সমীপে শব্দের অর্থ নিকটে আর সমক্ষ শব্দের অর্থ সামনে বা নিকটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে অক্ষি সংক্রান্ত শব্দগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। - অক্ষির সমীপে সমক্ষ এবং চোখের সামনে প্রত্যক্ষ এই পার্থক্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
23. 'তিনি বাড়ী নেই' কোন কারক?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণে শূন্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'বাড়ী' পদটি স্থান বা অধিকরণ বোঝাচ্ছে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। - ক্রিয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং বিভক্তিহীন শব্দে শূন্য বিভক্তি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে এবং শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'তিনি কোথায় নেই' প্রশ্ন করলে 'বাড়ী' উত্তর আসে যা স্থান নির্দেশ করে এবং এর সাথে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি চিহ্ন নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে ব্যাখ্যা: বনে পদটি স্থান বোঝানোয় এটি অধিকরণে সপ্তমী কারক। উদাহরণ ২: শিকারে কেউ যায় না ব্যাখ্যা: শিকারে পদটি সময় বা বিষয় বোঝানোয় অধিকরণে সপ্তমী কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণে ৭মী — 'বাড়ি' পদে কোনো ৭মী বিভক্তি (এ, য়, তে) যুক্ত নেই তাই এটি ভুল। B) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হতে হলে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হওয়া বোঝাতে হয় যা এখানে নেই। C) অধিকরণে শূন্য — এটি সঠিক কারণ স্থান বোঝালেও কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি নেই। D) কর্মে শূন্য — বাক্যের কর্তা 'তিনি' অনুপস্থিতির স্থান বোঝাচ্ছে, তাই এটি কর্ম কারক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্থান বা সময় বোঝালে এবং শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি না থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণে শূন্য দাগাবে। - কোথায় বা কখন প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা অধিকরণ কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্থানবাচক শব্দে বিভক্তি না থাকলে তা সর্বদা অধিকরণে শূন্য হয়। - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়ার সাথে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তি চিনতে হয়।
24. 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ। - এই কাব্যগ্রন্থে মূলত বাংলার প্রকৃতি, রূপ, রূপান্তর এবং বাংলার ইতিহাসের নানা উপাদান অত্যন্ত নিবিড়ভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৯৫১ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় বাংলার নিসর্গ সৌন্দর্য এবং আবহমান বাংলার রূপ অসাধারণ ব্যঞ্জনায় ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ঝরা পালক' ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যজীবনের প্রাথমিক কাব্যিকরীতির পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সঞ্চিতা' ও 'অগ্নিবীণা', তাই এটি ভুল। B) বুদ্ধদেব বসু — বুদ্ধদেব বসু বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা ও সম্পাদক, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বন্দীর বন্দনা', তাই এটি ভুল। D) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'লোক লোকান্তর', তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলার রূপ যিনি জীবন্ত করে গেছেন, তিনি হলেন রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলার কবিতা মানেই বাংলার নিসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'রূপসী বাংলা' সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
26. নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ শামসুল হক রচিত পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিককাব্যনাটক। - এই নাটকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচার এবং এর বিপরীতে মানুষের প্রতিরোধ ও মুক্তির আকুতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক জননন্দিত কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি কবিতা, নাটক ও উপন্যাসে সমান পারদর্শী ছিলেন। - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে কাব্যনাটক হিসেবে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কি নওরঙীন কি আশার ছলনা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের অন্যতম পরিচিত সাহিত্যকর্ম যা তার কাব্যিক ভাষার অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে বিশেষভাবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একদিন প্রতিদিন — এটি মৃণাল সেন পরিচালিত একটি বিখ্যাত বাংলা চলচ্চিত্র, কোনো মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক নয়। B) নুরুলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা কৃষক বিদ্রোহ ও নুরুলদীনের জীবনভিত্তিক কিন্তু সরাসরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক নয়। C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) বহুব্রীহি — এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক ও উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক মনে রাখার জন্য পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নামটি মাথায় রাখবে। - কাব্যনাটক বললেই সৈয়দ শামসুল হকের এই নাটকটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও উপন্যাসের নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হয়। - নাটকের রচয়িতা কে, কাব্যনাটক নাকি গদ্যনাটক—এই বিষয়গুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
27. 'Dead Lock' এর বাংলা-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অচল অবস্থা ১. কেন সঠিক: - 'Dead Lock' একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে কোনো আলোচনা, সমঝোতা বা কার্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। - বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী দুটি পক্ষের অনমনীয়তার ফলে উদ্ভূত অচলাবস্থা বোঝাতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ইংরেজি প্রশাসনিক, আইনগত বা প্রযুক্তিগত শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তরকে পারিভাষিক শব্দ বলা হয়। - বাংলা ভাষায় ইংরেজি Technical Term-এর ভাবার্থ রক্ষা করে এই ধরনের মানসম্মত পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংসদীয় রাজনীতিতে দুই দলের অনমনীয় অবস্থানের কারণে এক ধরনের ডেডলক তৈরি হয়েছে। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা বা ডেডলক পরিস্থিতি বোঝাতে শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে মালিকপক্ষের দীর্ঘ বৈঠকে কোনো সমাধান না আসায় শেষ পর্যন্ত ডেডলক সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এখানে পক্ষদ্বয়ের সমঝোতার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করতে শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মারা যাওয়া — এটি Dead শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ, কিন্তু Dead Lock একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহনকারী পারিভাষিক শব্দ। B) অচল অবস্থা — এটি সঠিক উত্তর। C) তারাবদ্ধ — এটি Lock শব্দের আক্ষরিক অর্থ বা তালাবদ্ধ অবস্থা বোঝায়, যা সম্পূর্ণ শব্দগুচ্ছের ভাবার্থ প্রকাশ করে না। D) অন্ধকার — এটি Dead শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি অর্থহীন অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - Dead শব্দের অর্থ মৃত বা বন্ধ এবং Lock শব্দের অর্থ তালা বা আবদ্ধ। দুয়ে মিলে তালাবদ্ধ বা বন্ধ থেকে আসে অচল অবস্থা। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে এর ভাবার্থ ও ব্যবহারের ক্ষেত্র মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BCS ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে অন্যান্য পারিভাষিক শব্দ যেমন Dead Letter বা Dead Weight ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
30. What is the plural form of 'Mr.'?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
31. Which one of following was a romantic poet?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) P. B. Shelley কেন সঠিক: - পার্সি বিশি শেলি (P. B. Shelley) ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত ও বিদ্রোহী কবি। - তার বিখ্যাত কবিতাগুলোর মধ্যে ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড এবং টু এ স্কাইলার্ক রোমান্টিক সাহিত্যের অনন্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mathew Arnold — ম্যাথু আর্নল্ড ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি ও প্রাবন্ধিক, তাই তিনি রোমান্টিক কবি নন। B) P. B. Shelley — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Alfred Tennyson — লর্ড আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি, রোমান্টিক যুগের কবি নন। D) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের নাট্যধর্মী কবিতার জন্য বিখ্যাত কবি। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের কবিদের মনে রাখতে ডব্লিউ ডব্লিউ এস (Wordsworth, Shelley, Keats) সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো।
33. The past participle form of the verb 'spread' is-
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) spread কেন সঠিক: - 'Spread' একটি শক্তিশালী বা অনিয়মিত ভার্ব (Irregular Verb), যার প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই থাকে। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই ভার্বটির পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হিসেবেও 'spread' ই ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spreatlen — এটি একটি ভুল ও কাল্পনিক শব্দ, ইংরেজি ব্যাকরণে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। B) spread — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভার্বের তিনটি রূপই বানান ও উচ্চারণে একই থাকে। C) spreadended — এই বানানটি ভুল এবং ভার্বটির সাথে অপ্রাসঙ্গিক অংশ যুক্ত করা হয়েছে। D) spteaded — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ এবং ইংরেজি অভিধানে এর কোনো ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: কিছু ভার্বের প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই হয়, যেমন- spread, cut, put। এদের শেষের রূপ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না।
35. 'Honesty is the best policy' in this sentence 'honesty' is-
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an abstract noun কেন সঠিক: - honesty শব্দটি কোনো গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। - ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী যে নাউন দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায়, তা abstract noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a common noun — common noun হলো একই জাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম, কিন্তু honesty কোনো সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তি নয়। B) a collective noun — collective noun হলো সমজাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিগত নাম, কিন্তু honesty কোনো সমষ্টি নির্দেশ করে না। C) an abstract noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ honesty একটি গুণের নাম। D) a proper noun — proper noun হলো নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম, কিন্তু honesty কোনো নির্দিষ্ট নাম নয়। মনে রাখার টিপস: যেসব নাউন ধরা, ছোঁয়া বা দেখা যায় না কিন্তু কেবল অনুভব করা যায়, যেমন সততা বা দয়া, সেগুলোই abstract noun।
36. Identify the correct passive form : 'Let me write a letter.'
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Let a letter be written by me. কেন সঠিক: - Imperative sentence-এর Active voice-কে Passive করার নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে এবং Direct objectটি Subject রূপে আসে। - Object-এর পরে be বসে এবং মূল Verb-এর Past participle form (written) বসে। - সবশেষে Preposition বসে Subject-এর Objective form (me) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let a letter is written by me — Let-যুক্ত Imperative বাক্যের Passive-এ be-এর পরিবর্তে is ব্যবহার করার নিয়ম নেই। B) Let letter to write by me — এখানে article এবং be verb-এর ঘাটতি রয়েছে এবং Verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি। C) Let a letter write by me — এখানে be verb এবং Verb-এর Past participle form-এর পরিবর্তে Base form ব্যবহৃত হয়েছে। D) Let a letter be written by me — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: Let-যুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার গঠনটি হলো: Let + object-এর subject form + be + verb-এর V3 + by + subject-এর object form।
37. Fill in the blank with the right word: 'A man is known by the ___ he keeps.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) company কেন সঠিক: - 'A man is known by the company he keeps' একটি বিখ্যাত প্রবাদ যার অর্থ মানুষ তার সঙ্গ দেখে চেনা যায়। - এই প্রবাদে প্রথাগতভাবে 'company' শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ এখানে সঙ্গ বা সংঘ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cattle — এটি গবাদিপশু বোঝায়, যা মানুষের প্রবাদের ক্ষেত্রে অর্থহীন ও অপ্রাসঙ্গিক। B) servants — এটি চাকর বা ভৃত্য বোঝায়, যা মানুষের সামগ্রিক সঙ্গ বা বন্ধুত্বের ব্যাপক অর্থ প্রকাশ করে না। সি) friends — এটি বন্ধু বোঝায়, কিন্তু প্রবাদের নির্দিষ্ট ও প্রচলিত রূপটি 'company', তাই এটি সঠিক নয়। D) company — এটি সঠিক অপশন কারণ প্রবাদটির আক্ষরিক ও ভাবার্থ অনুযায়ী মানুষের সঙ্গ বোঝাতে এই শব্দটিই ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে সঙ্গ বা সংঘ বোঝাতে সবসময় 'company' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাই 'known by the company' অংশটি মনে রাখতে হবে।
38. The word 'hardly' means-
Created 2 days ago | Updated 10 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
42. The tense of verb is mainly related to -
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) time কেন সঠিক: - টেন্স বা কাল মূলত সময়ের ধারণার সাথে সম্পর্কিত যা কাজের সংঘটিত হওয়ার সময় নির্দেশ করে। - ব্যাকরণগতভাবে ক্রিয়া বা ভার্বের রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়ার সময়কেই টেন্স বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) degree — ডিগ্রি বা মাত্রা মূলত এডজেক্টিভ বা রূপের তারতম্য প্রকাশ করে, যা টেন্সের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) quantity — পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে নাউন বা প্রোনাউনের মাত্রা, যা ভার্বের কালের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। C) time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) noun — নাউন হলো কোনো কিছুর নাম, যা টেন্স বা কাল নির্দেশ করার সরাসরি কোনো একক বা সূচক নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Tense এসেছে ল্যাটিন শব্দ Tempus থেকে যার অর্থ হলো Time বা সময়।
43. 'She has been reading the book since morning.' This is example of-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Present perfect continuous tense কেন সঠিক: - বাক্যে Subject এর পর have/has + been এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত রয়েছে। - কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলমান থাকা বোঝাতে since ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Present continuous tense — এতে শুধু am/is/are এবং verb এর সাথে ing থাকে, কোনো নির্দিষ্ট সময় বা since/for থাকে না। B) Present perfect tense — এতে have/has এর পর verb এর past participle রূপ থাকে, কোনো continuous রূপ বা সময়ের উল্লেখ থাকে না। C) Present perfect continuous tense — এটি প্রদত্ত বাক্যের সাথে মিলে যায় কারণ এতে have been এবং verb এর সাথে ing আছে। D) Past perfect tense — এতে had এবং verb এর past participle রূপ থাকে, যা বর্তমানকালের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে have/has + been + verb এর সাথে ing এবং since বা for দেখলে চোখ বন্ধ করে Present perfect continuous tense দাগাবে।
44. Select the correct sentence :
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Did he come home yesterday? কেন সঠিক: - বাক্যে 'yesterday' থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে এবং প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির জন্য 'did' সাহায্যকারী ভাব্ব ব্যবহার করতে হয়। - 'did' ব্যবহার করার পর মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম (come) বসে, যা এই অপশনে সঠিকভাবে নিয়ম মেনে ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Has he come home yesterday — 'yesterday' অতীত নির্দেশক হওয়ায় এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স (has) ব্যবহার করা ভুল। B) Was he come home yesterday — পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের প্রশ্নবোধক বাক্যে 'was' এর সাথে মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে না, 'did' বসাতে হয়। C) Did he come home yesterday — এটি সঠিক উত্তর, কারণ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে 'did' এর পর মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। D) He come home yesterday — এটি কোনো সঠিক প্রশ্নবোধক বাক্য নয় কারণ বাক্যের শুরুতে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব নেই। মনে রাখার টিপস: অতীতের নির্দিষ্ট সময় (yesterday, ago) থাকলে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয় এবং ইন্টারোগেটিভ বাক্যে Did এর পর সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
48. Which one of the following is a plural noun?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) crises কেন সঠিক: - crisis শব্দটির বহুবচন হলো crises, যার শেষে es যুক্ত হয়ে প্লুরাল রূপ গঠন করেছে। - এটি গ্রিক বা ল্যাটিন উৎসের বিশেষ্য, যার একবচনে is এবং বহুবচনে es ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mathematics — এটি দেখতে প্লুরালের মতো হলেও মূলত একটি সিঙ্গुलर বা একবচন নাউন, কারণ এটি একটি বিষয়ের নাম। B) crises — এটি সঠিক বহুবচন হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়, এটিই মূল উত্তর। C) economics — এটিও বিষয়ের নাম এবং দেখতে প্লুরালের মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি সিঙ্গুলার নাউন। D) news — শব্দের শেষে s থাকলেও এটি মূলত একটি আনকাউন্টেবল এবং সিঙ্গুলার নাউন। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে is থাকলে প্লুরাল করার সময় is এর জায়গায় es বসাতে হয়, যেমন crisis থেকে crises।
49. Which one of the following is wrongly spelt ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) facination কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটির বানান ভুল, এর সঠিক বানান হলো fascination যেখানে একটি অতিরিক্ত c এর বদলে s ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত যেসব শব্দের বানানে ডাবল লেটার বা কাছাকাছি উচ্চারণ থাকে, তা থেকে প্রশ্ন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lieutenant — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ লেফট্যানেন্ট বা সামরিক পদাধিকারী। B) diarrheas — এটি ডায়রিয়া শব্দের বহুবচন রূপ এবং এর বানান সম্পূর্ণ সঠিক। D) anesthesia — এটি একটি সঠিক চিকিৎসা বিষয়ক বানান যার অর্থ অবশ করার প্রক্রিয়া। মনে রাখার টিপস: fascinating বা fascination শব্দে s অক্ষরটি আসে c এর জায়গায়, তাই বানানের ক্ষেত্রে সবসময় double c এড়িয়ে চলুন।
50. William Shakespeare was born in-
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1564 কেন সঠিক: - ইংরেজি সাহিত্যের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি উইলিয়াম শেক্সপিয়র ১৫৬৪ সালের ২৩ এপ্রিল ইংল্যান্ডের স্ট্রাটফোর্ড-আপন-এভন নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। - তাকে ইংল্যান্ডের জাতীয় কবি এবং বার্ড অব অ্যাভন নামেও অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1564 — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের জন্মসাল এবং সঠিক উত্তর। B) 1616 — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের মৃত্যুর সাল, জন্মসাল নয়। C) 1761 — এটি শেক্সপিয়রের জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বছর নয়। D) 1546 — এটি শেক্সপিয়রের জন্মসাল নয়, এটি ভুলভাবে উল্টে দেওয়া একটি সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের জন্ম ১৫৬৪ সাল এবং মৃত্যু ১৬১৬ সালে, অর্থাৎ সংখ্যা দুটি খেয়াল রাখলে সহজে মনে রাখা যায়।
51. 'He is poor but honest.' Which one is conjunction in this sentence?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) but কেন সঠিক: - 'but' এখানে একটি কনজাংশন বা সংযোজক পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা দুটি বিপরীতধর্মী ক্লজ বা বাক্যংশকে যুক্ত করেছে। - 'He is poor' এবং 'he is honest' এই দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poor — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যা সাবজেক্টের দোষ বা গুণ প্রকাশ করে না বরং তার আর্থিক অবস্থা বুঝায়। B) but — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করার কাজ করেছে। C) honest — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যা মানুষের সততা বা গুণ প্রকাশ করে। D) he — এটি একটি প্রোনাউন বা সর্বনাম, যা বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দুটি ভিন্নধর্মী বাক্যংশ বা শব্দকে যুক্ত করে, তাকে কনজাংশন বলে। যেমনঃ and, but, or ইত্যাদি।
55. x - y = 1, x + y = 3 হলে, (x, y) = কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (2, 1) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x − y = 1 দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x + y = 3 ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x = 1 + y এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই অতএব, 1 + y + y = 3 2y = 3 − 1 সুতরাং, 2y = 2 y = 1 উত্তর: (2, 1)
56. 2(a² + b²) = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (a + b)² + (a - b)² প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের বর্গের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে এখানে দুটি সংখ্যার বর্গের যোগফল নির্ণয় করতে বলা হয়েছে ধরি, প্রথম রাশি = (a + b)² দ্বিতীয় রাশি = (a - b)² অতএব, (a + b)² এর বিস্তার হলো a² + 2ab + b² (a - b)² এর বিস্তার হলো a² − 2ab + b² সুতরাং, দুটি রাশি যোগ করলে পাই (a + b)² + (a - b)² = a² + 2ab + b² + a² − 2ab + b² = 2a² + 2b² = 2(a² + b²) উত্তর: A) (a + b)² + (a - b)²
58. a - 1/a = √3 হলে, a² + 1/a² = কত?
Created 2 days ago | Updated 7 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a − (১ ÷ a) = √৩ ধরি, প্রথমাংশ হলো a − (১ ÷ a) দ্বিতীয় অংশ হলো a² + (১ ÷ a²) অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই, (a − (১ ÷ a))² = (√৩)² সুতরাং, a² − ২ × a × (১ ÷ a) + (১ ÷ a²) = ৩ a² − ২ + (১ ÷ a²) = ৩ উত্তর: a² + (১ ÷ a²) = ৩ + ২ = ৫
59. একটি ত্রিভুজের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ সে. মি. হলে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল-
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪√৩ বর্গ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ সে. মি. ধরি, বাহুর দৈর্ঘ্য a = ৪ সে. মি. অতএব, ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)^২ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (৪)^২ = (√৩ ÷ ৪) × ১৬ উত্তর: ৪√৩ বর্গ সে. মি.
61. Cos120° এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
63. একটি গরু ৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। গরুটি আরও ৫০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৫% লাভ হতো। গরুটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য আরও ৫০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৫% লাভ হতো ধরি, গরুটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক − (ক এর ৫%) ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক + (ক এর ৫%) সুতরাং, শর্তমতে, (ক + ক এর ৫%) − (ক − ক এর ৫%) = ৫০০ উত্তর: ক = ৫০০০০ টাকা
64. টাকায় ১০টি দরে লেবু ক্রয় করে ৮টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ১০টি দরে লেবু ক্রয় টাকায় ৮টি দরে লেবু বিক্রয় ধরি, ১০টি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ টাকা ৮টি লেবু বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, ১টি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ১০ টাকা ১টি লেবু বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৮ টাকা সুতরাং, লাভ = (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১০) টাকা = ২ ÷ ৮০ টাকা = ১ ÷ ৪০ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = (১ ÷ ৪০) × ১০ টাকা × ১০০ = ২৫%
65. একটি গাড়ীর চাকা ৩০ মিনিটে ২০০০ বার ঘুরে ১০ কিমি পথ অতিক্রম করলে চাকার পরিধি কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫মি প্রদত্ত তথ্য: চাকাটি ২০০০ বার ঘুরেছে চাকাটি মোট পথ অতিক্রম করেছে ১০ কিমি ধরি, চাকার পরিধি = ক মিটার মোট অতিক্রান্ত পথ = ১০ কিমি = ১০০০৫০ মিটার অতএব, ২০০০ বার ঘোরার মোট দূরত্ব = ২০০০ × ক মিটার শর্তমতে, ২০০০ × ক = ১০০০০ সুতরাং, ক = ১০০০০ ÷ ২০০০ ক = ৫ উত্তর: ৫ মিটার
66. ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টির গড় × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: ট্রাপিজিয়ামের দুটি সমান্তরাল বাহু থাকে এবং তাদের মধ্যকার লম্ব দূরত্ব বা উচ্চতা থাকে ধরি, সমান্তরাল বাহু দুটি সমান ক এবং খ তাদের মধ্যবর্তী উচ্চতা সমান গ অতএব, সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টি সমান ক + খ সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের গড় সমান (ক + খ) ÷ ২ সুতরাং, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল সমান (ক + খ) ÷ ২ × গ উত্তর: সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টির গড় × উচ্চতা
69. করিম সাহেব মাসিক বেতন থেকে প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য শতকরা ১০ ভাগ কাটার পর তিনি ২৭০০ টাকা পান। তার মাসিক বেতন কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০০০ প্রদত্ত তথ্য: প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য কাটেন ১০% অবশিষ্ট টাকা পান ২৭০০ টাকা ধরি, মোট মাসিক বেতন = ১০০% অতএব, প্রভিডেন্ট ফান্ডে কাটার পর অবশিষ্ট থাকে = ১০০% − ১০% অবশিষ্ট টাকার পরিমাণ = ৯০% সুতরাং, ৯০% সমান সমান ২৭০০ টাকা ১% সমান সমান ২৭০০ ÷ ৯০ = ৩০ টাকা উত্তর: ১০০% সমান সমান ৩০ × ১০০ = ৩০০০ টাকা
75. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তৎকালীন কোন সংস্থার ওয়ারলেসের সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন ইপিআর বা ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের ওয়ারলেস ট্রান্সমিটার ব্যবহার করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বার্তা প্রচার করেন। - পিলখানায় অবস্থিত তৎকালীন ইপিআর সদর দপ্তরের ওয়ারলেস যন্ত্রের মাধ্যমে এই বার্তা চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ব পাকিস্তান নৌবাহিনী — এটি পাকিস্তান নৌবাহিনীর একটি আঞ্চলিক শাখা ছিল এবং এই ঘোষণার সময় তাদের ওয়ারলেস ব্যবস্থার ব্যবহার করা হয়নি। B) পূর্ব পাকিস্তান বিমান বাহিনী — এটি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় শাখা ছিল এবং স্বাধীনতা ঘোষণার ওয়ারলেস বার্তা প্রেরণে এদের কোনো ভূমিকা ছিল না। C) ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাহিনীর ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয়েছিল। D) পূর্ব পাকিস্তান সেনাবাহিনী — এটি তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড ছিল এবং তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা বাঙালি প্রতিরোধ যোদ্ধারা ব্যবহার করেননি। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণার ওয়ারলেস বার্তা প্রচারের সাথে পিলখানার ইপিআর বাহিনী সরাসরি যুক্ত ছিল।
78. থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম কী
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাথ কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় ও প্রচলিত মুদ্রার নাম থাই বাথ, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ব্যবহৃত হয়। - এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মধ্যে থাইল্যান্ডের এই মুদ্রাটি অর্থনৈতিকভাবে বেশ পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাই ডলার — থাইল্যান্ডে কখনো ডলার মুদ্রা হিসেবে প্রচলিত নয়, এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের মুদ্রা। B) রিঙ্গিত — এটি মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিক মুদ্রা, যা থাইল্যান্ডের মুদ্রা নয়। C) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের সঠিক ও প্রচলিত মুদ্রা। D) রুপি — এটি ভারত, পাকিস্তান ও নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মুদ্রা। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের সাথে 'বাথ' বা গোসলের মিল রেখে মনে রাখতে পারেন থাইল্যান্ডে গেলে মানুষ বাথ বা গোসল করতে পছন্দ করে।
79. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে অন্য দেশের সীমানা নেই?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফরিদপুর কেন সঠিক: - ফরিদপুর জেলাটি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর চতুর্দিকে অন্য কোনো দেশের সীমানা বা আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই। - এটি সম্পূর্ণভাবে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত জেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এই জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত রয়েছে। B) বান্দরবান — এই জেলার সাথে মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। C) ফরিদপুর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর কোনো আন্তর্জাতিক সীমানা নেই। D) ময়মনসিংহ — এই জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মধ্য অঞ্চলের জেলা যেমন ফরিদপুর বা মাদারীপুরের কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
81. বাংলাদেশের কোন জেলায় চা বাগান বেশি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগ মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। - শ্রীমঙ্গল উপজেলাকে চায়ের রাজধানী বলা হয় এবং এখানে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক চা বাগান ও চা উৎপাদিত হয়। B) হবিগঞ্জ — এই জেলায় বেশ কিছু চা বাগান থাকলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় সংখ্যায় কম। C) পঞ্চগড় — এটি উত্তরাঞ্চলের প্রধান চা উৎপাদক জেলা হলেও মোট চা বাগানের সংখ্যার দিক থেকে প্রথম নয়। D) সিলেট — এই জেলায় চা বাগান রয়েছে, তবে মৌলভীবাজারের মতো এত বেশি সংখ্যক চা বাগান এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত, তাই চা বাগান বেশি মানেই মৌলভীবাজার।
82. 'শালবন বিহার' কোথায় অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ময়নামতি কেন সঠিক: - শালবন বিহার বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ময়নামতি পাহাড়ের লালমাই পাহাড় অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। - এটি অষ্টম শতাব্দীতে দেব রাজবংশের রাজা শ্রীভবদেব কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল এবং এটি দেশের অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাভার — সাভার ঢাকা জেলায় অবস্থিত এবং এটি স্মৃতিসৌধের জন্য পরিচিত হলেও শালবন বিহারের অবস্থান এখানে নয়। B) বান্দরবান — বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি পাহাড়ি জেলা, যা বিভিন্ন আদিবাসী সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত কিন্তু ঐতিহাসিক শালবন বিহার এখানে নেই। C) ময়নামতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ শালবন বিহার কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড় এলাকায় অবস্থিত। D) গাজীপুর — গাজীপুর ঢাকা বিভাগের একটি জেলা এবং এটি ভাওয়াল গড় ও জাতীয় উদ্যানের জন্য পরিচিত, ঐতিহাসিক শালবন বিহার এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: কুমিল্লার ক দিয়ে শুরু না হলেও শালবন বিহারের অবস্থান মনে রাখতে ময়নামতি ও কুমিল্লার নামটি একসঙ্গে মনে রাখুন।
85. বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কবে উৎক্ষেপন করা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১২ মে, ২০১৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১২ মে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। - এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের তারিখ নয়। B) ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯০ — এটি বাংলাদেশের স্বৈরাচার পতন ও গণঅভ্যুত্থানের একটি ঐতিহাসিক দিন। D) ৫ জানুয়ারি, ২০১৪ — এটি বাংলাদেশের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয় ২০১৮ সালের মে মাসের ১২ তারিখে, যা দেশের প্রযুক্তি খাতের একটি বড় অর্জন।
87. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭০ সালে পটুয়া কামরুল হাসান নামে পরিচিত এবং তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপ ও নকশা তৈরি করেছিলেন। - শিবনারায়ন দাসের তৈরি প্রাথমিক পতাকার নকশাকে পরিমার্জন করে পতাকার মাঝখানের লাল বৃত্তের মাপ ও তার সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা আর্ট কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) হাসেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও জাতীয় পতাকার নকশা তৈরির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। D) হামিদুল রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা মানেই তো কামরুল হাসানের ড্রয়িং, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
88. বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতির নাম কী
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাজমুন আরা সুলতানা কেন সঠিক: - বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম নারী বিচারক ও প্রথম নারী বিচারপতি হিসেবে সুপ্রীম কোর্টে নিয়োগ পান। - তিনি প্রথমে হাইকোর্ট বিভাগে এবং পরবর্তীতে আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাজমুন আরা সুলতানা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পিকার, সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি নন। C) চিত্র ভট্টাচার্য — এই নামে বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের কোনো নারী বিচারপতি নেই। D) জেসমিন আরা — এই নামে বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের কোনো বিচারপতি নেই। মনে রাখার টিপস: সুপ্রীম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি হলেন নাজমুন আরা সুলতানা, নামের প্রথম অংশ 'নাজমুন' দিয়ে মনে রাখতে পারেন নারী বিচারপতির নাম।
89. নড়াইল জেলা শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিত্রা কেন সঠিক: - নড়াইল জেলা শহর চিত্রা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এই নদীর নামানুসারে নড়াইলের সাংস্কৃতিক পরিচিতি রয়েছে। - বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জন্মস্থান এই চিত্রা নদীর তীরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপোতাক্ষ — এটি মূলত যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার একটি ঐতিহাসিক নদী, নড়াইল জেলা শহরের সঙ্গে এর সংযোগ নেই। B) কাজলা — এটি নড়াইল জেলার একটি ছোট নদী বা শাখা নদী হলেও মূল জেলা শহর এর তীরে গড়ে ওঠেনি। C) মধুমতি — এটি নড়াইল জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী হলেও জেলা শহরটি মধুমতির তীরে অবস্থিত নয়। D) চিত্রা — এটি সঠিক উত্তর কারণ নড়াইল জেলা শহর চিত্রা নদীর তীরেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নড়াইল চিত্রা নদীর তীরে এবং শিল্পী এস এম সুলতান চিত্রার পাড়েই তাঁর শৈশব কাটিয়েছেন।
91. বাংলাদেশের ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী নদীর নাম কী?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) নাফ কেন সঠিক: - নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত নির্ধারণ করেছে। - এই নদীটি কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পাশ দিয়ে প্রবহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাফ — এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী নদী এবং সঠিক উত্তর। B) গোমতী — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। C) কর্ণফুলী — এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। D) ধলেশ্বরী — এটি যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি অভ্যন্তরীণ নদী। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারে যেতে গেলে নাফ নদী পার হতে হয়, তাই মিয়ানমার সীমান্ত মানেই নাফ নদী।
93. অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী কোথায়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্যানবেরা কেন সঠিক: - ক্যানবেরা অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল রাজধানী এবং দেশটির বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ শহর। - সিডনি ও মেলবোর্ন শহরের মধ্যকার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য ১৯০৮ সালে আপস মীমাংসা হিসেবে ক্যানবেরাকে রাজধানী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেলবোর্ন — এটি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের রাজধানী এবং দেশের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, তবে দেশের জাতীয় রাজধানী নয়। B) ক্যানবেরা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং অস্ট্রেলিয়ার নির্ধারিত প্রশাসনিক রাজধানী। C) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়া দেশের রাজধানী, যা ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বিভ্রান্ত করা হয়। D) সিডনী — এটি নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, তবে এটি অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী নয়। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী মনে রাখতে মনে রাখুন, দেশের বড় বড় দুই শহর সিডনি ও মেলবোর্নের ঝগড়ার মীমাংসা করতে মাঝখান থেকে ক্যানবেরা রাজধানী হলো।
96. কোনটি শক্তির অনবায়নযোগ্য উৎস?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কয়লা ১. কেন সঠিক: - কয়লা প্রকৃতির এমন একটি শক্তির উৎস যা সীমিত এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে তা চিরতরে শেষ হয়ে যায়। - ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি বছর ধরে ভূত্বকের নিচে মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণী জমা হয়ে কয়লা সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অনবায়নযোগ্য শক্তি বলতে এমন উৎস বোঝায় যা একবার ব্যবহার করলে সহজে পুনরুৎপাদন করা যায় না এবং যার মজুদ সীমিত। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশেষ উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রার প্রভাবে লাখ লাখ বছর ধরে পরিবর্তিত হয়ে কয়লা ও পেট্রোলিয়ামে পরিণত হয়। - কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে কয়লার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, ফলে এর মজুদ ফুরিয়ে আসছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার। ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে উৎপন্ন তাপশক্তি দিয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করা হয়, যা টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: ইটের ভাটায় জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যবহার। ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে উচ্চ তাপ উৎপন্ন করা হয় যা ইট পোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এটি নিঃশেষযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানির স্রোত — এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ নদীর স্রোত প্রাকৃতিকভাবে অবিরাম প্রবাহিত হতে থাকে। B) সৌর শক্তি — এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ সূর্য থেকে অ ফুরন্ত আলো ও তাপশক্তি পাওয়া যায়। C) কয়লা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। D) বায়ু — এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ বাতাসের প্রবাহ কখনও শেষ হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে শক্তিগুলো প্রাকৃতিকভাবে ফুরিয়ে যায় না যেমন সূর্য, বায়ু ও পানি, সেগুলো নবায়নযোগ্য এবং যা ফুরিয়ে যায় যেমন কয়লা ও তেল, তা অনবায়নযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য শক্তির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম এবং কয়লা হলো প্রধান অনবায়নযোগ্য জীবাশ্ম জ্বালানি।
98. নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টি করে কোন ব্যাকটেরিয়া?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কক্কাস ১. কেন সঠিক: নিউমোনিয়া একটি মারাত্মক ফুসফুসের সংক্রমণ যা প্রধানত স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিয়া নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর আকৃতি গোলাকার হওয়ায় এদের কক্কাস ব্যাকটেরিয়া হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ব্যাকটেরিয়াকে তাদের আকৃতির ভিত্তিতে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে গোলাকার আকৃতির ব্যাকটেরিয়া হলো কক্কাস। কার্যপ্রণালি: কক্কাস ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুতলীতে আক্রমণ করে এবং সেখানে তরল জমিয়ে প্রদাহ সৃষ্টি করে। বাস্তব প্রয়োগ: এই রোগাক্রান্ত জীবাণুগুলো হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায় এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে সুস্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্রেপ থ্রোট বা গলার সংক্রমণ ব্যাখ্যা: কক্কাস গোত্রের ব্যাকটেরিয়া গলাতেও প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে যা এই জীবাণুর রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষমতার একটি সাধারণ উদাহরণ। উদাহরণ ২: ত্বকের ফোঁড়া বা ইনফেকশন ব্যাখ্যা: স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক কক্কাস ব্যাকটেরিয়া মানবদেহের ত্বকে নানা ধরনের পুঁজযুক্ত প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমা — কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া হলো বিভ্রিও, যা কলেরা রোগ সৃষ্টি করে। এটি নিউমোনিয়ার জন্য দায়ী নয়। B) কক্কাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়ার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলো আকৃতিতে গোলাকার হয়। C) ব্যাসিলাস — ব্যাসিলাস হলো দণ্ডাকার ব্যাকটেরিয়া, যা অ্যানথ্রাক্স বা যক্ষ্মার মতো রোগ সৃষ্টি করে। D) স্পাইরিলাস — স্পাইরিলাস হলো পেঁচানো বা স্পাইরাল আকৃতির ব্যাকটেরিয়া, যা সাধারণত বিভিন্ন জলবাহিত রোগ ছড়ায়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিউমোনিয়া মানে ফুসফুসে গোল গোল গোলমাল, আর গোল ব্যাকটেরিয়া মানেই কক্কাস। কক্কাস শব্দটির সঙ্গে গোল আকৃতির মিল রেখে খুব সহজেই এটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউমোনিয়া হলো একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত ফুসফুসের রোগ যা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে নিরাময় করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকটেরিয়ার আকৃতিভিত্তিক নাম এবং সংশ্লিষ্ট রোগ প্রায়ই এমসিকিউ প্রশ্নে আসে।

মোট প্রশ্ন (27)

1. বাক্যে অব্যয় পদ পরিবর্তন হয় না অর্থাৎ যা অপরিবর্তনীয় শব্দ তা-ই অব্যয়। বাক্যে হৃদয়াবেগ প্রকাশে কোন চিহ্নটি বসে?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: যে পদের কোনো লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তি হয় না এবং যা বাক্যে ব্যবহারের সময় রূপের কোনো পরিবর্তন ঘটে না, তাকে অব্যয় পদ বলে। বাক্যে বিভিন্ন ধরনের ভাব যেমন আনন্দ, বিষাদ, ঘৃণা, ভয় বা হৃদয়াবেগ প্রকাশ করতে বিভিন্ন ধরনের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অব্যয় পদ মূলত বাক্যে পদের শোভা বর্ধন করে অথবা সংযোগ স্থাপন করে কিংবা মনের বিভিন্ন ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে। গঠন বা অর্থের দিক থেকে অব্যয় পদগুলো সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে এবং স্বাধীনভাবে বাক্যের সৌন্দর্য রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাহ! কী সুন্দর পাখি। ব্যাখ্যা: এখানে বাহ শব্দটির মাধ্যমে মনের আনন্দ বা উল্লাস প্রকাশ পেয়েছে, যা একটি আবেগবাচক অব্যয়। উদাহরণ ২: ছি! তুমি এমন কাজ করলে। ব্যাখ্যা: এখানে ছি শব্দটির মাধ্যমে ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করা হয়েছে, যা হৃদয়াবেগ প্রকাশকারী অব্যয় পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, যা বাক্যে লিঙ্গ ও বচনের ভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে এবং এর রূপ পরিবর্তন হতে পারে। C) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় এবং বচন ও কারকভেদে এর রূপ পরিবর্তিত হয়। D) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ অব্যয় পদ অপরিবর্তনীয় এবং হৃদয়াবেগ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: অব্যয় শব্দের অর্থ যা ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না। তাই যে পদের কোনো পরিবর্তন হয় না, চোখ বন্ধ করে তাকে অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ প্রকরণ থেকে প্রশ্ন আসে। আবেগ প্রকাশ করতে আবেগবাচক অব্যয় এবং বাক্যকে দীর্ঘ করতে সমুচ্চয়ী বা অনন্বয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখবে।
3. 'গীতাঞ্জলি' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গীত + অঞ্জলি ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে স্বরসন্ধির ক্ষেত্রে অ কিংবা আ এর পর অ কিংবা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয়। এখানে 'গীত' শব্দের শেষে অ এবং 'অঞ্জলি' শব্দের শুরুতে অ রয়েছে, যা মিলে আ কার গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির নিয়মে অকারের পর অকার যুক্ত হয়ে আকার গঠিত হয়। এই শব্দটিতে শব্দের অর্থ এবং উচ্চারণের মাধুর্য রক্ষা করার জন্য সন্ধি নিয়ম নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ কার তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে আ কার তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিত + অঞ্জলি — এখানে 'গিত' বানানটি ভুল কারণ বাংলা প্রমিত বানানে ত ব্যবহৃত হয় থ নয়। B) গীত + অঞ্জলি — এটি সঠিক উত্তর। C) গীত + আঞ্জলি — এখানে 'আঞ্জলি' শব্দটির শুরুতে আ ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) গীতা + অঞ্জলি — এখানে 'গীতা' শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার এবং অতিরিক্ত আ থাকায় এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখবে মূল শব্দটির বানান যেন সঠিক থাকে। অঞ্জলি শব্দে সবসময় হ্রস্ব ই কার বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। শব্দের মূল রূপ ঠিক রেখে সন্ধি বিচ্ছেদ করতে হয়।
5. বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংকলন ও নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন, যা বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ অনুধাবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন। এর রচয়িতাগণ পদকর্তা বা সিদ্ধাচার্য নামে পরিচিত এবং এর ভাষাকে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বঙ্গকামরূপী বা প্রাচীন বাংলা বলে অভিহিত করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের একটি প্রাচীন বা বিশেষ ধারা ও প্রকাশের নিদর্শন, যা ভাষার ঐতিহাসিক ক্রমবিকাশ বুঝতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম প্রাপ্ত নিদর্শন, যা চর্যাপদের পরবর্তী ভাষার রূপ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল — এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি জনপ্রিয় ধারা, যা চর্যাপদের অনেক পরের সৃষ্টি এবং এর প্রাচীন নিদর্শন নয়। B) মনসামঙ্গল — এটিও মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত, যা প্রাচীন ভাষার নিদর্শন নয়। C) চর্যাপদ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। D) অন্নদামঙ্গল — এটি অষ্টাদশ শতকে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্যের ধারা, যা প্রাচীন যুগের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে পুরনো বা আদি নিদর্শন। এটি মনে রাখতে চর্যাপদের প আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং আবিষ্কার সাল ১৯০৭ সাল মনে রাখা জরুরি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল এবং পদকর্তাদের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
6. 'Dead Lock' এর বাংলা-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অচল অবস্থা ১. কেন সঠিক: - 'Dead Lock' একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে কোনো আলোচনা, সমঝোতা বা কার্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। - বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী দুটি পক্ষের অনমনীয়তার ফলে উদ্ভূত অচলাবস্থা বোঝাতে এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ইংরেজি প্রশাসনিক, আইনগত বা প্রযুক্তিগত শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তরকে পারিভাষিক শব্দ বলা হয়। - বাংলা ভাষায় ইংরেজি Technical Term-এর ভাবার্থ রক্ষা করে এই ধরনের মানসম্মত পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংসদীয় রাজনীতিতে দুই দলের অনমনীয় অবস্থানের কারণে এক ধরনের ডেডলক তৈরি হয়েছে। ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা বা ডেডলক পরিস্থিতি বোঝাতে শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে মালিকপক্ষের দীর্ঘ বৈঠকে কোনো সমাধান না আসায় শেষ পর্যন্ত ডেডলক সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এখানে পক্ষদ্বয়ের সমঝোতার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করতে শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মারা যাওয়া — এটি Dead শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ, কিন্তু Dead Lock একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহনকারী পারিভাষিক শব্দ। B) অচল অবস্থা — এটি সঠিক উত্তর। C) তারাবদ্ধ — এটি Lock শব্দের আক্ষরিক অর্থ বা তালাবদ্ধ অবস্থা বোঝায়, যা সম্পূর্ণ শব্দগুচ্ছের ভাবার্থ প্রকাশ করে না। D) অন্ধকার — এটি Dead শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি অর্থহীন অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - Dead শব্দের অর্থ মৃত বা বন্ধ এবং Lock শব্দের অর্থ তালা বা আবদ্ধ। দুয়ে মিলে তালাবদ্ধ বা বন্ধ থেকে আসে অচল অবস্থা। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে এর ভাবার্থ ও ব্যবহারের ক্ষেত্র মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BCS ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে অন্যান্য পারিভাষিক শব্দ যেমন Dead Letter বা Dead Weight ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
7. 'তিনি বাড়ী নেই' কোন কারক?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণে শূন্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'বাড়ী' পদটি স্থান বা অধিকরণ বোঝাচ্ছে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। - ক্রিয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং বিভক্তিহীন শব্দে শূন্য বিভক্তি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে এবং শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'তিনি কোথায় নেই' প্রশ্ন করলে 'বাড়ী' উত্তর আসে যা স্থান নির্দেশ করে এবং এর সাথে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি চিহ্ন নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে ব্যাখ্যা: বনে পদটি স্থান বোঝানোয় এটি অধিকরণে সপ্তমী কারক। উদাহরণ ২: শিকারে কেউ যায় না ব্যাখ্যা: শিকারে পদটি সময় বা বিষয় বোঝানোয় অধিকরণে সপ্তমী কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণে ৭মী — 'বাড়ি' পদে কোনো ৭মী বিভক্তি (এ, য়, তে) যুক্ত নেই তাই এটি ভুল। B) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হতে হলে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হওয়া বোঝাতে হয় যা এখানে নেই। C) অধিকরণে শূন্য — এটি সঠিক কারণ স্থান বোঝালেও কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি নেই। D) কর্মে শূন্য — বাক্যের কর্তা 'তিনি' অনুপস্থিতির স্থান বোঝাচ্ছে, তাই এটি কর্ম কারক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্থান বা সময় বোঝালে এবং শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি না থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণে শূন্য দাগাবে। - কোথায় বা কখন প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা অধিকরণ কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্থানবাচক শব্দে বিভক্তি না থাকলে তা সর্বদা অধিকরণে শূন্য হয়। - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়ার সাথে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তি চিনতে হয়।
8. ভাষার মূল উপাদান হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: ভাষার মূল উপাদান বা মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি, কারণ ধ্বনি দ্বারাই মানুষের মুখের কথা বা ভাষার সৃষ্টি হয়। মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত বোধগম্য আওয়াজ বা ধ্বনিই হলো ভাষার প্রাণ এবং এর মাধ্যমেই ভাষার রূপ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ এবং বাক্যের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং ভাষার মূল উপাদানের সংজ্ঞা। ভাষা মূলত ধ্বনিভিত্তিক, কারণ লিখিত রূপ আসার বহু আগেই মানুষের মুখে ভাষা ধ্বনির মাধ্যমে প্রচলিত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি ও বর্ণ, যা দিয়ে শব্দ তৈরি হয়। উদাহরণ ২: মা, বাবা ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি মিলিত হয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ গঠন করে, যা ভাষার মূল উপাদান ধ্বনির ফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — শব্দ ভাষার একটি উপাদান হলেও এটি ধ্বনির পরে গঠিত হয়, তাই এটি ভাষার মূল বা আদি উপাদান নয়। B) ধ্বনি — সঠিক উত্তর। C) বাক্য — বাক্য ভাষার সর্বোচ্চ একক বা উপাদান, যা শব্দ ও ধ্বনির মিলনে গঠিত হয়। D) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, কিন্তু ধ্বনি হলো মানুষের মুখের উচ্চারিত মৌলিক একক। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা শোনার বিষয়, তাই মনে রাখবেন ভাষা শুরু হয় কান দিয়ে অর্থাৎ ধ্বনি দিয়ে। ধ্বনি হলো ভাষার ইট, আর বাক্য হলো সম্পূর্ণ বাড়ি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা মূল উপাদান হলো ধ্বনি এবং ভাষার মূল ভিত্তি হলো অর্থপূর্ণ বাক্য। পরীক্ষায় ভাষার মূল উপাদান চাইলে সবসময় ধ্বনি দাগাতে হবে।
10. 'গোঁফ খেজুরে' কোন সমাস?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - যে বহুব্রীহি সমাসের প্রথম পদটি এবং দ্বিতীয় পদটি কোনোটিই যদি বিশেষ্য পদ না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন কারক বোঝায়, তাকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে। - এখানে গোঁফে খেজুরা যার, অর্থাৎ গোঁফ ও খেজুরা দুটি ভিন্ন পদ যুক্ত হয়ে এমন এক অবস্থা বুঝিয়েছে যা অন্য কোনো বিশেষ্য পদকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝানো হয়। - ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েই ভিন্ন ভিন্ন বিভক্তি বা কারকযুক্ত হয়, যেমন গোঁফ (সপ্তমী বিভক্তি) এবং খেজুরা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতে মরে যে - শীতমুরে ব্যাখ্যা: এটিও ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের একটি প্রচলিত উদাহরণ যেখানে বিভক্তির ভিন্নতা রয়েছে। উদাহরণ ২: কথায় পটু যে - কথপটু ব্যাখ্যা: এখানেও পূর্বপদে ও পরপদে ভিন্ন কারক ও বিভক্তি যুক্ত হয়ে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ব্যতিহার বহুব্রীহি — এই সমাসে একই শব্দের পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়, যা গোঁফ খেজুরে শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পূর্বপদ ও পরপদ ভিন্ন ভিন্ন কারক বা বিভক্তিযুক্ত। D) দ্বিগু — এই সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বোঝায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্যের শেষে 'যাহার' বা 'যার' থাকে এবং পূর্বপদ ও পরপদ যদি ভিন্ন কারকের হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি দাগাবে। - গোঁফে খেজুরা যার, এই গঠনে বিভক্তির ভিন্নতা লক্ষ্য করলেই উত্তর সহজ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - গোঁফ খেজুরে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বারবার আসা বাগধারাভিত্তিক সমাস।
11. 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ। - এই কাব্যগ্রন্থে মূলত বাংলার প্রকৃতি, রূপ, রূপান্তর এবং বাংলার ইতিহাসের নানা উপাদান অত্যন্ত নিবিড়ভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৯৫১ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় বাংলার নিসর্গ সৌন্দর্য এবং আবহমান বাংলার রূপ অসাধারণ ব্যঞ্জনায় ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ঝরা পালক' ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যজীবনের প্রাথমিক কাব্যিকরীতির পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সঞ্চিতা' ও 'অগ্নিবীণা', তাই এটি ভুল। B) বুদ্ধদেব বসু — বুদ্ধদেব বসু বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা ও সম্পাদক, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বন্দীর বন্দনা', তাই এটি ভুল। D) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'লোক লোকান্তর', তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলার রূপ যিনি জীবন্ত করে গেছেন, তিনি হলেন রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলার কবিতা মানেই বাংলার নিসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'রূপসী বাংলা' সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
14. বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক দ্বিতীয় গ্রন্থের নাম কী?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কারাগারের রোজনামচা ১. কেন সঠিক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক বা কারাগারের দিনলিপির ওপর ভিত্তি করে রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থাকাকালীন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা ও দিনলিপি তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গ্রন্থটির রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং এটি ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থটিতে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও ঐতিহাসিক ছয় দফাভিত্তিক সংগ্রামের সময়কার কারাজীবনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত তৃতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি বিজয় দেখেছি — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রচিত বা আত্মজীবনীমূলক কোনো গ্রন্থ নয়। B) অসমাপ্ত আত্মজীবনী — এটি বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক প্রথম গ্রন্থ, দ্বিতীয় গ্রন্থ নয়। C) আমি শেখ মুজিব বলছি — এটি বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক কোনো মৌলিক গ্রন্থ বা প্রামাণ্য দলিল নয়। D) কারাগারের রোজনামচা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলো প্রকাশের ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো প্রথমে অসমাপ্ত আত্মজীবনী যা প্রথম, এরপর কারাগারের রোজনামচা যা দ্বিতীয় এবং সবশেষে আমার দেখা নয়াচীন যা তৃতীয় গ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বঙ্গবন্ধুর গ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশের সাল বা ক্রম জানতে চাওয়া হয়। তাই গ্রন্থগুলোর সঠিক ক্রম ও নাম মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
15. 'অক্ষির সমীপে' এর সংক্ষেপ হলো-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমক্ষ ১. কেন সঠিক: - অক্ষির সমীপে এর বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো সমক্ষ। - এখানে অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ বা দৃষ্টি এবং সমীপে শব্দের অর্থ নিকটে বা সামনে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাষা সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির গোচরে = প্রত্যক্ষ ব্যাখ্যা: কোনো কিছু চোখের সামনে বা গোচরে ঘটলে তাকে প্রত্যক্ষ বলা হয়। উদাহরণ ২: অক্ষির অগোচরে = পরোক্ষ ব্যাখ্যা: কোনো কিছু চোখের আড়ালে বা অগোচরে ঘটলে তাকে পরোক্ষ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যক্ষ — এটি চোখের সামনে বা গোচরে থাকা বোঝায়, যা অক্ষির সমীপে এর সঠিক সংকোচন নয়। B) নিরপেক্ষ — এটি কোনো পক্ষ অবলম্বন না করা বা উদাসীন থাকা বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। C) সমক্ষ — এটি অক্ষির সমীপে এর সঠিক সংকোচন। D) পরোক্ষ — এটি চোখের আড়ালে বা অগোচরে থাকা বোঝায়, যা অক্ষির সমীপে এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অক্ষির সমীপে মানে চোখের সামনে বা নিকটে, তাই এর সংকোচন হবে সমক্ষ। - সমীপে শব্দের অর্থ নিকটে আর সমক্ষ শব্দের অর্থ সামনে বা নিকটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে অক্ষি সংক্রান্ত শব্দগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। - অক্ষির সমীপে সমক্ষ এবং চোখের সামনে প্রত্যক্ষ এই পার্থক্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
17. 'ণ - ত্ব' বিধান কোন শ্রেণির শব্দের জন্য প্রযোজ্য?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎসম ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্যই ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহারের সময় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বানান অপরিবর্তিত থাকে বিধায় এই বিধান কেবল তৎসম শব্দেই কার্যকর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের বানানে ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ রূপান্তরিত হওয়ার ব্যাকরণগত নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে। - ঋ, র, ষ এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় এবং ট ও ঠ এর পূর্বে সর্বদা মূর্ধন্য ণ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণম ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের পর নম ধাতুর ন মূর্ধন্য ণ এ পরিবর্তিত হয়ে প্রণম শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘণ্টা ব্যাখ্যা: ট বর্গীয় ধ্বনি ঠ এর পূর্বে দন্ত্য ন পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে বলে এগুলোতে তৎসম ব্যাকরণের নিয়ম যেমন ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হয় না। B) দেশি — আদিবাসীদের ভাষা থেকে আগত দেশি শব্দে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম বা ণ-ত্ব বিধানের কোনো প্রভাব নেই। C) বিদেশি — আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা অন্যান্য বিদেশি শব্দে বাংলা ব্যাকরণের ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাপ খায় না। D) তৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই শ্রেণির শব্দেই কেবল ণ-ত্ব বিধানের নিয়মগুলো সরাসরি কার্যকর হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তৎসম মানে সংস্কৃত, আর ণ-ত্ব বিধানের সম্পর্ক শুধু সংস্কৃত শব্দের সঙ্গেই। - ঋ, র, ষ এবং ট বর্গীয় ধ্বনির নিয়মগুলো মাথায় রাখলে তৎসম শব্দের বানান সহজে চেনা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দভিত্তিক ব্যাকরণের নিয়ম জানতে চাওয়া হয়। - তৎসম, তদ্ভব ও দেশি শব্দের উৎস চেনার মাধ্যমে এ ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
22. 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসটি কার রচনা?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের আদিগুরু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় সার্থক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা, যেখানে মানব মনের জটিল প্রবৃত্তি ও রোমান্টিক আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী। - কপালকুণ্ডলা একটি সার্থক রোমান্সধর্মী উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি ছিল সপ্তদশ শতাব্দীর উড়িষ্যা ও বাংলার উপকূলীয় অঞ্চল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সামাজিক উপন্যাস বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে দেশীয় সমাজের পারিবারিক জীবন ও পরকীয়া প্রেমের পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুসূদন দত্ত — ইনি মূলত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা, কোনো উপন্যাস লেখেননি। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনিই কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের রচয়িতা। C) রামমোহন রায় — ইনি বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ এবং বেদান্তসার ও আত্মীয় সভা গ্রন্থের রচয়িতা, উপন্যাসিক নন। D) নবীন চন্দ্র সেন — ইনি পলাশী যুদ্ধ ও রৈবতক মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত একজন প্রখ্যাত কবি, উপন্যাস রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো কপাল পুড়ে দুর্গেশনন্দিনী বিষবৃক্ষের আগুনে। - এর মাধ্যমে দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা ও বিষবৃক্ষ উপন্যাসগুলোকে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের নাম ও প্রকাশকাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - লেখকের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা এই তথ্যটি বারবার পরীক্ষায় আসে।
25. নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ শামসুল হক রচিত পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিককাব্যনাটক। - এই নাটকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচার এবং এর বিপরীতে মানুষের প্রতিরোধ ও মুক্তির আকুতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক জননন্দিত কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি কবিতা, নাটক ও উপন্যাসে সমান পারদর্শী ছিলেন। - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে কাব্যনাটক হিসেবে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কি নওরঙীন কি আশার ছলনা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের অন্যতম পরিচিত সাহিত্যকর্ম যা তার কাব্যিক ভাষার অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে বিশেষভাবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একদিন প্রতিদিন — এটি মৃণাল সেন পরিচালিত একটি বিখ্যাত বাংলা চলচ্চিত্র, কোনো মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক নয়। B) নুরুলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা কৃষক বিদ্রোহ ও নুরুলদীনের জীবনভিত্তিক কিন্তু সরাসরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক নয়। C) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) বহুব্রীহি — এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক ও উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক মনে রাখার জন্য পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নামটি মাথায় রাখবে। - কাব্যনাটক বললেই সৈয়দ শামসুল হকের এই নাটকটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও উপন্যাসের নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হয়। - নাটকের রচয়িতা কে, কাব্যনাটক নাকি গদ্যনাটক—এই বিষয়গুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মোট প্রশ্ন (25)

2. 'He is poor but honest.' Which one is conjunction in this sentence?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) but কেন সঠিক: - 'but' এখানে একটি কনজাংশন বা সংযোজক পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা দুটি বিপরীতধর্মী ক্লজ বা বাক্যংশকে যুক্ত করেছে। - 'He is poor' এবং 'he is honest' এই দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poor — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যা সাবজেক্টের দোষ বা গুণ প্রকাশ করে না বরং তার আর্থিক অবস্থা বুঝায়। B) but — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করার কাজ করেছে। C) honest — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যা মানুষের সততা বা গুণ প্রকাশ করে। D) he — এটি একটি প্রোনাউন বা সর্বনাম, যা বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দুটি ভিন্নধর্মী বাক্যংশ বা শব্দকে যুক্ত করে, তাকে কনজাংশন বলে। যেমনঃ and, but, or ইত্যাদি।
7. Select the correct sentence :
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Did he come home yesterday? কেন সঠিক: - বাক্যে 'yesterday' থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে এবং প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির জন্য 'did' সাহায্যকারী ভাব্ব ব্যবহার করতে হয়। - 'did' ব্যবহার করার পর মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম (come) বসে, যা এই অপশনে সঠিকভাবে নিয়ম মেনে ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Has he come home yesterday — 'yesterday' অতীত নির্দেশক হওয়ায় এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স (has) ব্যবহার করা ভুল। B) Was he come home yesterday — পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের প্রশ্নবোধক বাক্যে 'was' এর সাথে মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে না, 'did' বসাতে হয়। C) Did he come home yesterday — এটি সঠিক উত্তর, কারণ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে 'did' এর পর মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। D) He come home yesterday — এটি কোনো সঠিক প্রশ্নবোধক বাক্য নয় কারণ বাক্যের শুরুতে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব নেই। মনে রাখার টিপস: অতীতের নির্দিষ্ট সময় (yesterday, ago) থাকলে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয় এবং ইন্টারোগেটিভ বাক্যে Did এর পর সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
8. 'She has been reading the book since morning.' This is example of-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Present perfect continuous tense কেন সঠিক: - বাক্যে Subject এর পর have/has + been এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত রয়েছে। - কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলমান থাকা বোঝাতে since ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Present continuous tense — এতে শুধু am/is/are এবং verb এর সাথে ing থাকে, কোনো নির্দিষ্ট সময় বা since/for থাকে না। B) Present perfect tense — এতে have/has এর পর verb এর past participle রূপ থাকে, কোনো continuous রূপ বা সময়ের উল্লেখ থাকে না। C) Present perfect continuous tense — এটি প্রদত্ত বাক্যের সাথে মিলে যায় কারণ এতে have been এবং verb এর সাথে ing আছে। D) Past perfect tense — এতে had এবং verb এর past participle রূপ থাকে, যা বর্তমানকালের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে have/has + been + verb এর সাথে ing এবং since বা for দেখলে চোখ বন্ধ করে Present perfect continuous tense দাগাবে।
9. The tense of verb is mainly related to -
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) time কেন সঠিক: - টেন্স বা কাল মূলত সময়ের ধারণার সাথে সম্পর্কিত যা কাজের সংঘটিত হওয়ার সময় নির্দেশ করে। - ব্যাকরণগতভাবে ক্রিয়া বা ভার্বের রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়ার সময়কেই টেন্স বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) degree — ডিগ্রি বা মাত্রা মূলত এডজেক্টিভ বা রূপের তারতম্য প্রকাশ করে, যা টেন্সের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) quantity — পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে নাউন বা প্রোনাউনের মাত্রা, যা ভার্বের কালের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। C) time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) noun — নাউন হলো কোনো কিছুর নাম, যা টেন্স বা কাল নির্দেশ করার সরাসরি কোনো একক বা সূচক নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Tense এসেছে ল্যাটিন শব্দ Tempus থেকে যার অর্থ হলো Time বা সময়।
13. The word 'hardly' means-
Created 2 days ago | Updated 10 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
15. Identify the correct passive form : 'Let me write a letter.'
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Let a letter be written by me. কেন সঠিক: - Imperative sentence-এর Active voice-কে Passive করার নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে এবং Direct objectটি Subject রূপে আসে। - Object-এর পরে be বসে এবং মূল Verb-এর Past participle form (written) বসে। - সবশেষে Preposition বসে Subject-এর Objective form (me) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let a letter is written by me — Let-যুক্ত Imperative বাক্যের Passive-এ be-এর পরিবর্তে is ব্যবহার করার নিয়ম নেই। B) Let letter to write by me — এখানে article এবং be verb-এর ঘাটতি রয়েছে এবং Verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি। C) Let a letter write by me — এখানে be verb এবং Verb-এর Past participle form-এর পরিবর্তে Base form ব্যবহৃত হয়েছে। D) Let a letter be written by me — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: Let-যুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার গঠনটি হলো: Let + object-এর subject form + be + verb-এর V3 + by + subject-এর object form।
16. 'Honesty is the best policy' in this sentence 'honesty' is-
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an abstract noun কেন সঠিক: - honesty শব্দটি কোনো গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। - ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী যে নাউন দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায়, তা abstract noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a common noun — common noun হলো একই জাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম, কিন্তু honesty কোনো সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তি নয়। B) a collective noun — collective noun হলো সমজাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিগত নাম, কিন্তু honesty কোনো সমষ্টি নির্দেশ করে না। C) an abstract noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ honesty একটি গুণের নাম। D) a proper noun — proper noun হলো নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম, কিন্তু honesty কোনো নির্দিষ্ট নাম নয়। মনে রাখার টিপস: যেসব নাউন ধরা, ছোঁয়া বা দেখা যায় না কিন্তু কেবল অনুভব করা যায়, যেমন সততা বা দয়া, সেগুলোই abstract noun।
17. The past participle form of the verb 'spread' is-
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) spread কেন সঠিক: - 'Spread' একটি শক্তিশালী বা অনিয়মিত ভার্ব (Irregular Verb), যার প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই থাকে। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই ভার্বটির পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হিসেবেও 'spread' ই ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spreatlen — এটি একটি ভুল ও কাল্পনিক শব্দ, ইংরেজি ব্যাকরণে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। B) spread — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভার্বের তিনটি রূপই বানান ও উচ্চারণে একই থাকে। C) spreadended — এই বানানটি ভুল এবং ভার্বটির সাথে অপ্রাসঙ্গিক অংশ যুক্ত করা হয়েছে। D) spteaded — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ এবং ইংরেজি অভিধানে এর কোনো ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: কিছু ভার্বের প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই হয়, যেমন- spread, cut, put। এদের শেষের রূপ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না।
18. What is the plural form of 'Mr.'?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
19. Which one of following was a romantic poet?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) P. B. Shelley কেন সঠিক: - পার্সি বিশি শেলি (P. B. Shelley) ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত ও বিদ্রোহী কবি। - তার বিখ্যাত কবিতাগুলোর মধ্যে ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড এবং টু এ স্কাইলার্ক রোমান্টিক সাহিত্যের অনন্য নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mathew Arnold — ম্যাথু আর্নল্ড ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি ও প্রাবন্ধিক, তাই তিনি রোমান্টিক কবি নন। B) P. B. Shelley — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Alfred Tennyson — লর্ড আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি, রোমান্টিক যুগের কবি নন। D) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের নাট্যধর্মী কবিতার জন্য বিখ্যাত কবি। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের কবিদের মনে রাখতে ডব্লিউ ডব্লিউ এস (Wordsworth, Shelley, Keats) সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো।
20. Fill in the blank with the right word: 'A man is known by the ___ he keeps.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) company কেন সঠিক: - 'A man is known by the company he keeps' একটি বিখ্যাত প্রবাদ যার অর্থ মানুষ তার সঙ্গ দেখে চেনা যায়। - এই প্রবাদে প্রথাগতভাবে 'company' শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ এখানে সঙ্গ বা সংঘ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cattle — এটি গবাদিপশু বোঝায়, যা মানুষের প্রবাদের ক্ষেত্রে অর্থহীন ও অপ্রাসঙ্গিক। B) servants — এটি চাকর বা ভৃত্য বোঝায়, যা মানুষের সামগ্রিক সঙ্গ বা বন্ধুত্বের ব্যাপক অর্থ প্রকাশ করে না। সি) friends — এটি বন্ধু বোঝায়, কিন্তু প্রবাদের নির্দিষ্ট ও প্রচলিত রূপটি 'company', তাই এটি সঠিক নয়। D) company — এটি সঠিক অপশন কারণ প্রবাদটির আক্ষরিক ও ভাবার্থ অনুযায়ী মানুষের সঙ্গ বোঝাতে এই শব্দটিই ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে সঙ্গ বা সংঘ বোঝাতে সবসময় 'company' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাই 'known by the company' অংশটি মনে রাখতে হবে।
22. Which one of the following is a plural noun?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) crises কেন সঠিক: - crisis শব্দটির বহুবচন হলো crises, যার শেষে es যুক্ত হয়ে প্লুরাল রূপ গঠন করেছে। - এটি গ্রিক বা ল্যাটিন উৎসের বিশেষ্য, যার একবচনে is এবং বহুবচনে es ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mathematics — এটি দেখতে প্লুরালের মতো হলেও মূলত একটি সিঙ্গुलर বা একবচন নাউন, কারণ এটি একটি বিষয়ের নাম। B) crises — এটি সঠিক বহুবচন হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়, এটিই মূল উত্তর। C) economics — এটিও বিষয়ের নাম এবং দেখতে প্লুরালের মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি সিঙ্গুলার নাউন। D) news — শব্দের শেষে s থাকলেও এটি মূলত একটি আনকাউন্টেবল এবং সিঙ্গুলার নাউন। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে is থাকলে প্লুরাল করার সময় is এর জায়গায় es বসাতে হয়, যেমন crisis থেকে crises।
24. Which one of the following is wrongly spelt ?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) facination কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটির বানান ভুল, এর সঠিক বানান হলো fascination যেখানে একটি অতিরিক্ত c এর বদলে s ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত যেসব শব্দের বানানে ডাবল লেটার বা কাছাকাছি উচ্চারণ থাকে, তা থেকে প্রশ্ন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lieutenant — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ লেফট্যানেন্ট বা সামরিক পদাধিকারী। B) diarrheas — এটি ডায়রিয়া শব্দের বহুবচন রূপ এবং এর বানান সম্পূর্ণ সঠিক। D) anesthesia — এটি একটি সঠিক চিকিৎসা বিষয়ক বানান যার অর্থ অবশ করার প্রক্রিয়া। মনে রাখার টিপস: fascinating বা fascination শব্দে s অক্ষরটি আসে c এর জায়গায়, তাই বানানের ক্ষেত্রে সবসময় double c এড়িয়ে চলুন।
25. William Shakespeare was born in-
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1564 কেন সঠিক: - ইংরেজি সাহিত্যের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কবি উইলিয়াম শেক্সপিয়র ১৫৬৪ সালের ২৩ এপ্রিল ইংল্যান্ডের স্ট্রাটফোর্ড-আপন-এভন নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। - তাকে ইংল্যান্ডের জাতীয় কবি এবং বার্ড অব অ্যাভন নামেও অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1564 — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের জন্মসাল এবং সঠিক উত্তর। B) 1616 — এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের মৃত্যুর সাল, জন্মসাল নয়। C) 1761 — এটি শেক্সপিয়রের জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বছর নয়। D) 1546 — এটি শেক্সপিয়রের জন্মসাল নয়, এটি ভুলভাবে উল্টে দেওয়া একটি সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের জন্ম ১৫৬৪ সাল এবং মৃত্যু ১৬১৬ সালে, অর্থাৎ সংখ্যা দুটি খেয়াল রাখলে সহজে মনে রাখা যায়।

মোট প্রশ্ন (20)

2. Cos120° এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
3. একটি গাড়ীর চাকা ৩০ মিনিটে ২০০০ বার ঘুরে ১০ কিমি পথ অতিক্রম করলে চাকার পরিধি কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫মি প্রদত্ত তথ্য: চাকাটি ২০০০ বার ঘুরেছে চাকাটি মোট পথ অতিক্রম করেছে ১০ কিমি ধরি, চাকার পরিধি = ক মিটার মোট অতিক্রান্ত পথ = ১০ কিমি = ১০০০৫০ মিটার অতএব, ২০০০ বার ঘোরার মোট দূরত্ব = ২০০০ × ক মিটার শর্তমতে, ২০০০ × ক = ১০০০০ সুতরাং, ক = ১০০০০ ÷ ২০০০ ক = ৫ উত্তর: ৫ মিটার
4. টাকায় ১০টি দরে লেবু ক্রয় করে ৮টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ১০টি দরে লেবু ক্রয় টাকায় ৮টি দরে লেবু বিক্রয় ধরি, ১০টি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ টাকা ৮টি লেবু বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, ১টি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ১০ টাকা ১টি লেবু বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৮ টাকা সুতরাং, লাভ = (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১০) টাকা = ২ ÷ ৮০ টাকা = ১ ÷ ৪০ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = (১ ÷ ৪০) × ১০ টাকা × ১০০ = ২৫%
7. a - 1/a = √3 হলে, a² + 1/a² = কত?
Created 2 days ago | Updated 7 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a − (১ ÷ a) = √৩ ধরি, প্রথমাংশ হলো a − (১ ÷ a) দ্বিতীয় অংশ হলো a² + (১ ÷ a²) অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই, (a − (১ ÷ a))² = (√৩)² সুতরাং, a² − ২ × a × (১ ÷ a) + (১ ÷ a²) = ৩ a² − ২ + (১ ÷ a²) = ৩ উত্তর: a² + (১ ÷ a²) = ৩ + ২ = ৫
9. একটি ত্রিভুজের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ সে. মি. হলে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল-
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪√৩ বর্গ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ সে. মি. ধরি, বাহুর দৈর্ঘ্য a = ৪ সে. মি. অতএব, ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)^২ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (৪)^২ = (√৩ ÷ ৪) × ১৬ উত্তর: ৪√৩ বর্গ সে. মি.
10. x - y = 1, x + y = 3 হলে, (x, y) = কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (2, 1) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x − y = 1 দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x + y = 3 ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x = 1 + y এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই অতএব, 1 + y + y = 3 2y = 3 − 1 সুতরাং, 2y = 2 y = 1 উত্তর: (2, 1)
12. করিম সাহেব মাসিক বেতন থেকে প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য শতকরা ১০ ভাগ কাটার পর তিনি ২৭০০ টাকা পান। তার মাসিক বেতন কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০০০ প্রদত্ত তথ্য: প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য কাটেন ১০% অবশিষ্ট টাকা পান ২৭০০ টাকা ধরি, মোট মাসিক বেতন = ১০০% অতএব, প্রভিডেন্ট ফান্ডে কাটার পর অবশিষ্ট থাকে = ১০০% − ১০% অবশিষ্ট টাকার পরিমাণ = ৯০% সুতরাং, ৯০% সমান সমান ২৭০০ টাকা ১% সমান সমান ২৭০০ ÷ ৯০ = ৩০ টাকা উত্তর: ১০০% সমান সমান ৩০ × ১০০ = ৩০০০ টাকা
15. একটি গরু ৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। গরুটি আরও ৫০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৫% লাভ হতো। গরুটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য আরও ৫০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৫% লাভ হতো ধরি, গরুটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক − (ক এর ৫%) ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক + (ক এর ৫%) সুতরাং, শর্তমতে, (ক + ক এর ৫%) − (ক − ক এর ৫%) = ৫০০ উত্তর: ক = ৫০০০০ টাকা
16. ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টির গড় × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: ট্রাপিজিয়ামের দুটি সমান্তরাল বাহু থাকে এবং তাদের মধ্যকার লম্ব দূরত্ব বা উচ্চতা থাকে ধরি, সমান্তরাল বাহু দুটি সমান ক এবং খ তাদের মধ্যবর্তী উচ্চতা সমান গ অতএব, সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টি সমান ক + খ সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের গড় সমান (ক + খ) ÷ ২ সুতরাং, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল সমান (ক + খ) ÷ ২ × গ উত্তর: সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টির গড় × উচ্চতা
20. 2(a² + b²) = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (a + b)² + (a - b)² প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের বর্গের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে এখানে দুটি সংখ্যার বর্গের যোগফল নির্ণয় করতে বলা হয়েছে ধরি, প্রথম রাশি = (a + b)² দ্বিতীয় রাশি = (a - b)² অতএব, (a + b)² এর বিস্তার হলো a² + 2ab + b² (a - b)² এর বিস্তার হলো a² − 2ab + b² সুতরাং, দুটি রাশি যোগ করলে পাই (a + b)² + (a - b)² = a² + 2ab + b² + a² − 2ab + b² = 2a² + 2b² = 2(a² + b²) উত্তর: A) (a + b)² + (a - b)²

মোট প্রশ্ন (21)

4. থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম কী
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাথ কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় ও প্রচলিত মুদ্রার নাম থাই বাথ, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ব্যবহৃত হয়। - এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মধ্যে থাইল্যান্ডের এই মুদ্রাটি অর্থনৈতিকভাবে বেশ পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাই ডলার — থাইল্যান্ডে কখনো ডলার মুদ্রা হিসেবে প্রচলিত নয়, এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের মুদ্রা। B) রিঙ্গিত — এটি মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিক মুদ্রা, যা থাইল্যান্ডের মুদ্রা নয়। C) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের সঠিক ও প্রচলিত মুদ্রা। D) রুপি — এটি ভারত, পাকিস্তান ও নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মুদ্রা। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের সাথে 'বাথ' বা গোসলের মিল রেখে মনে রাখতে পারেন থাইল্যান্ডে গেলে মানুষ বাথ বা গোসল করতে পছন্দ করে।
6. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তৎকালীন কোন সংস্থার ওয়ারলেসের সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন ইপিআর বা ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের ওয়ারলেস ট্রান্সমিটার ব্যবহার করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বার্তা প্রচার করেন। - পিলখানায় অবস্থিত তৎকালীন ইপিআর সদর দপ্তরের ওয়ারলেস যন্ত্রের মাধ্যমে এই বার্তা চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ব পাকিস্তান নৌবাহিনী — এটি পাকিস্তান নৌবাহিনীর একটি আঞ্চলিক শাখা ছিল এবং এই ঘোষণার সময় তাদের ওয়ারলেস ব্যবস্থার ব্যবহার করা হয়নি। B) পূর্ব পাকিস্তান বিমান বাহিনী — এটি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় শাখা ছিল এবং স্বাধীনতা ঘোষণার ওয়ারলেস বার্তা প্রেরণে এদের কোনো ভূমিকা ছিল না। C) ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাহিনীর ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয়েছিল। D) পূর্ব পাকিস্তান সেনাবাহিনী — এটি তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড ছিল এবং তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা বাঙালি প্রতিরোধ যোদ্ধারা ব্যবহার করেননি। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণার ওয়ারলেস বার্তা প্রচারের সাথে পিলখানার ইপিআর বাহিনী সরাসরি যুক্ত ছিল।
7. বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতির নাম কী
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাজমুন আরা সুলতানা কেন সঠিক: - বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম নারী বিচারক ও প্রথম নারী বিচারপতি হিসেবে সুপ্রীম কোর্টে নিয়োগ পান। - তিনি প্রথমে হাইকোর্ট বিভাগে এবং পরবর্তীতে আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাজমুন আরা সুলতানা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পিকার, সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি নন। C) চিত্র ভট্টাচার্য — এই নামে বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের কোনো নারী বিচারপতি নেই। D) জেসমিন আরা — এই নামে বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের কোনো বিচারপতি নেই। মনে রাখার টিপস: সুপ্রীম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি হলেন নাজমুন আরা সুলতানা, নামের প্রথম অংশ 'নাজমুন' দিয়ে মনে রাখতে পারেন নারী বিচারপতির নাম।
8. অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী কোথায়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্যানবেরা কেন সঠিক: - ক্যানবেরা অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল রাজধানী এবং দেশটির বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ শহর। - সিডনি ও মেলবোর্ন শহরের মধ্যকার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য ১৯০৮ সালে আপস মীমাংসা হিসেবে ক্যানবেরাকে রাজধানী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেলবোর্ন — এটি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের রাজধানী এবং দেশের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, তবে দেশের জাতীয় রাজধানী নয়। B) ক্যানবেরা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং অস্ট্রেলিয়ার নির্ধারিত প্রশাসনিক রাজধানী। C) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়া দেশের রাজধানী, যা ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বিভ্রান্ত করা হয়। D) সিডনী — এটি নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, তবে এটি অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী নয়। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী মনে রাখতে মনে রাখুন, দেশের বড় বড় দুই শহর সিডনি ও মেলবোর্নের ঝগড়ার মীমাংসা করতে মাঝখান থেকে ক্যানবেরা রাজধানী হলো।
10. বাংলাদেশের ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী নদীর নাম কী?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) নাফ কেন সঠিক: - নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত নির্ধারণ করেছে। - এই নদীটি কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পাশ দিয়ে প্রবহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাফ — এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী নদী এবং সঠিক উত্তর। B) গোমতী — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। C) কর্ণফুলী — এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। D) ধলেশ্বরী — এটি যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি অভ্যন্তরীণ নদী। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারে যেতে গেলে নাফ নদী পার হতে হয়, তাই মিয়ানমার সীমান্ত মানেই নাফ নদী।
13. নড়াইল জেলা শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিত্রা কেন সঠিক: - নড়াইল জেলা শহর চিত্রা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এই নদীর নামানুসারে নড়াইলের সাংস্কৃতিক পরিচিতি রয়েছে। - বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জন্মস্থান এই চিত্রা নদীর তীরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপোতাক্ষ — এটি মূলত যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার একটি ঐতিহাসিক নদী, নড়াইল জেলা শহরের সঙ্গে এর সংযোগ নেই। B) কাজলা — এটি নড়াইল জেলার একটি ছোট নদী বা শাখা নদী হলেও মূল জেলা শহর এর তীরে গড়ে ওঠেনি। C) মধুমতি — এটি নড়াইল জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী হলেও জেলা শহরটি মধুমতির তীরে অবস্থিত নয়। D) চিত্রা — এটি সঠিক উত্তর কারণ নড়াইল জেলা শহর চিত্রা নদীর তীরেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নড়াইল চিত্রা নদীর তীরে এবং শিল্পী এস এম সুলতান চিত্রার পাড়েই তাঁর শৈশব কাটিয়েছেন।
14. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে অন্য দেশের সীমানা নেই?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফরিদপুর কেন সঠিক: - ফরিদপুর জেলাটি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর চতুর্দিকে অন্য কোনো দেশের সীমানা বা আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই। - এটি সম্পূর্ণভাবে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত জেলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এই জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত রয়েছে। B) বান্দরবান — এই জেলার সাথে মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। C) ফরিদপুর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর কোনো আন্তর্জাতিক সীমানা নেই। D) ময়মনসিংহ — এই জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মধ্য অঞ্চলের জেলা যেমন ফরিদপুর বা মাদারীপুরের কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
15. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭০ সালে পটুয়া কামরুল হাসান নামে পরিচিত এবং তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপ ও নকশা তৈরি করেছিলেন। - শিবনারায়ন দাসের তৈরি প্রাথমিক পতাকার নকশাকে পরিমার্জন করে পতাকার মাঝখানের লাল বৃত্তের মাপ ও তার সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা আর্ট কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) হাসেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও জাতীয় পতাকার নকশা তৈরির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। D) হামিদুল রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা মানেই তো কামরুল হাসানের ড্রয়িং, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
17. বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কবে উৎক্ষেপন করা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১২ মে, ২০১৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১২ মে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। - এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের তারিখ নয়। B) ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯০ — এটি বাংলাদেশের স্বৈরাচার পতন ও গণঅভ্যুত্থানের একটি ঐতিহাসিক দিন। D) ৫ জানুয়ারি, ২০১৪ — এটি বাংলাদেশের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয় ২০১৮ সালের মে মাসের ১২ তারিখে, যা দেশের প্রযুক্তি খাতের একটি বড় অর্জন।
20. 'শালবন বিহার' কোথায় অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ময়নামতি কেন সঠিক: - শালবন বিহার বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ময়নামতি পাহাড়ের লালমাই পাহাড় অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। - এটি অষ্টম শতাব্দীতে দেব রাজবংশের রাজা শ্রীভবদেব কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল এবং এটি দেশের অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাভার — সাভার ঢাকা জেলায় অবস্থিত এবং এটি স্মৃতিসৌধের জন্য পরিচিত হলেও শালবন বিহারের অবস্থান এখানে নয়। B) বান্দরবান — বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি পাহাড়ি জেলা, যা বিভিন্ন আদিবাসী সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত কিন্তু ঐতিহাসিক শালবন বিহার এখানে নেই। C) ময়নামতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ শালবন বিহার কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড় এলাকায় অবস্থিত। D) গাজীপুর — গাজীপুর ঢাকা বিভাগের একটি জেলা এবং এটি ভাওয়াল গড় ও জাতীয় উদ্যানের জন্য পরিচিত, ঐতিহাসিক শালবন বিহার এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: কুমিল্লার ক দিয়ে শুরু না হলেও শালবন বিহারের অবস্থান মনে রাখতে ময়নামতি ও কুমিল্লার নামটি একসঙ্গে মনে রাখুন।
21. বাংলাদেশের কোন জেলায় চা বাগান বেশি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগ মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। - শ্রীমঙ্গল উপজেলাকে চায়ের রাজধানী বলা হয় এবং এখানে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক চা বাগান ও চা উৎপাদিত হয়। B) হবিগঞ্জ — এই জেলায় বেশ কিছু চা বাগান থাকলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় সংখ্যায় কম। C) পঞ্চগড় — এটি উত্তরাঞ্চলের প্রধান চা উৎপাদক জেলা হলেও মোট চা বাগানের সংখ্যার দিক থেকে প্রথম নয়। D) সিলেট — এই জেলায় চা বাগান রয়েছে, তবে মৌলভীবাজারের মতো এত বেশি সংখ্যক চা বাগান এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত, তাই চা বাগান বেশি মানেই মৌলভীবাজার।

মোট প্রশ্ন (6)

2. কোনটি শক্তির অনবায়নযোগ্য উৎস?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কয়লা ১. কেন সঠিক: - কয়লা প্রকৃতির এমন একটি শক্তির উৎস যা সীমিত এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে তা চিরতরে শেষ হয়ে যায়। - ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি বছর ধরে ভূত্বকের নিচে মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণী জমা হয়ে কয়লা সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অনবায়নযোগ্য শক্তি বলতে এমন উৎস বোঝায় যা একবার ব্যবহার করলে সহজে পুনরুৎপাদন করা যায় না এবং যার মজুদ সীমিত। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশেষ উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রার প্রভাবে লাখ লাখ বছর ধরে পরিবর্তিত হয়ে কয়লা ও পেট্রোলিয়ামে পরিণত হয়। - কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে কয়লার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, ফলে এর মজুদ ফুরিয়ে আসছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার। ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে উৎপন্ন তাপশক্তি দিয়ে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করা হয়, যা টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: ইটের ভাটায় জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যবহার। ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে উচ্চ তাপ উৎপন্ন করা হয় যা ইট পোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এটি নিঃশেষযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানির স্রোত — এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ নদীর স্রোত প্রাকৃতিকভাবে অবিরাম প্রবাহিত হতে থাকে। B) সৌর শক্তি — এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ সূর্য থেকে অ ফুরন্ত আলো ও তাপশক্তি পাওয়া যায়। C) কয়লা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। D) বায়ু — এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ বাতাসের প্রবাহ কখনও শেষ হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে শক্তিগুলো প্রাকৃতিকভাবে ফুরিয়ে যায় না যেমন সূর্য, বায়ু ও পানি, সেগুলো নবায়নযোগ্য এবং যা ফুরিয়ে যায় যেমন কয়লা ও তেল, তা অনবায়নযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য শক্তির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম এবং কয়লা হলো প্রধান অনবায়নযোগ্য জীবাশ্ম জ্বালানি।
4. নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টি করে কোন ব্যাকটেরিয়া?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কক্কাস ১. কেন সঠিক: নিউমোনিয়া একটি মারাত্মক ফুসফুসের সংক্রমণ যা প্রধানত স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিয়া নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর আকৃতি গোলাকার হওয়ায় এদের কক্কাস ব্যাকটেরিয়া হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ব্যাকটেরিয়াকে তাদের আকৃতির ভিত্তিতে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে গোলাকার আকৃতির ব্যাকটেরিয়া হলো কক্কাস। কার্যপ্রণালি: কক্কাস ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুতলীতে আক্রমণ করে এবং সেখানে তরল জমিয়ে প্রদাহ সৃষ্টি করে। বাস্তব প্রয়োগ: এই রোগাক্রান্ত জীবাণুগুলো হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায় এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে সুস্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্রেপ থ্রোট বা গলার সংক্রমণ ব্যাখ্যা: কক্কাস গোত্রের ব্যাকটেরিয়া গলাতেও প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে যা এই জীবাণুর রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষমতার একটি সাধারণ উদাহরণ। উদাহরণ ২: ত্বকের ফোঁড়া বা ইনফেকশন ব্যাখ্যা: স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক কক্কাস ব্যাকটেরিয়া মানবদেহের ত্বকে নানা ধরনের পুঁজযুক্ত প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমা — কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া হলো বিভ্রিও, যা কলেরা রোগ সৃষ্টি করে। এটি নিউমোনিয়ার জন্য দায়ী নয়। B) কক্কাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়ার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলো আকৃতিতে গোলাকার হয়। C) ব্যাসিলাস — ব্যাসিলাস হলো দণ্ডাকার ব্যাকটেরিয়া, যা অ্যানথ্রাক্স বা যক্ষ্মার মতো রোগ সৃষ্টি করে। D) স্পাইরিলাস — স্পাইরিলাস হলো পেঁচানো বা স্পাইরাল আকৃতির ব্যাকটেরিয়া, যা সাধারণত বিভিন্ন জলবাহিত রোগ ছড়ায়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিউমোনিয়া মানে ফুসফুসে গোল গোল গোলমাল, আর গোল ব্যাকটেরিয়া মানেই কক্কাস। কক্কাস শব্দটির সঙ্গে গোল আকৃতির মিল রেখে খুব সহজেই এটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউমোনিয়া হলো একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত ফুসফুসের রোগ যা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে নিরাময় করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকটেরিয়ার আকৃতিভিত্তিক নাম এবং সংশ্লিষ্ট রোগ প্রায়ই এমসিকিউ প্রশ্নে আসে।