a চণ্ডীমঙ্গল
b মনসামঙ্গল
c ধর্মমঙ্গল
d অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের ধারার একজন শ্রেষ্ঠ কবি। - তাঁর রচিত 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় নিদর্শন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি এবং তাঁকে কঙ্কণচণ্ডী উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। - তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অপর নাম কবিকঙ্কণচণ্ডী এবং এতে ব্যাধ ও খেচর সমাজের বাস্তব জীবনের চিত্রফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যান। ব্যাখ্যা: এই উপাখ্যানে মধ্যযুগের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও সংগ্রামের নিখুঁত বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: দ্বিজ মাধবের চণ্ডীমঙ্গল। ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ছাড়াও এই ধারার অন্য একজন বিখ্যাত কবি হলেন দ্বিজ মাধব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই মঙ্গল কাব্যধারার সঙ্গেই যুক্ত। B) মনসামঙ্গল — এই মঙ্গল কাব্যধারার প্রধান কবি হলেন কানহাদত্ত, বিজয় গুপ্ত ও নারায়ন দেব। C) ধর্মমঙ্গল — এই ধারার বিখ্যাত কবি হলেন রূপরাম চক্রবর্তী ও সীতারাম দাস। D) অন্নদামঙ্গল — এই মঙ্গল কাব্যধারার শেষ এবং অত্যন্ত বিখ্যাত কবি হলেন ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুকুন্দরাম মানেই চণ্ডীমঙ্গল এবং তাঁর উপাধি ছিল কবিকঙ্কণ। - কবির নামের সঙ্গে তাঁর উপাধি ও কাব্য মনে রাখলে পরীক্ষাগুলা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারা এবং প্রধান কবিদের নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - কবির উপাধি ও তাঁদের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মের নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0