বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসি'র অধীন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬।

পদের নাম: ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

2. সনেটের প্রথম ভাগে কত লাইন হয়?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ ১. কেন সঠিক: সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম অংশকে অষ্টক বা অক্টেভ বলা হয় এবং এতে আটটি লাইন থাকে। সনেটের মূল ভাব বা সমস্যা এই প্রথম ভাগে প্রবর্তিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক। সনেট সাধারণত চোদ্দটি চরণে গঠিত হয় এবং এর দুটি অংশ থাকে যার প্রথম আট চরণে অষ্টক ও পরের ছয় চরণে ষট্ক বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি একটি সনেট যার প্রথম আট লাইনে কবির আক্ষেপ ও মনের ভাব প্রকাশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সনেট সংকলন সনেটপঞ্চশৎ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত সনেট সংকলন যেখানে সনেটের কাঠামোগত রূপ বজায় রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ — চোদ্দ হলো সনেটের মোট লাইনের সংখ্যা, সনেটের প্রথম ভাগের লাইন সংখ্যা নয়। B) ১২ — বারো কোনো সনেটের নির্দিষ্ট অংশ বা মোট চরণের সংখ্যা নয়। C) ১০ — দশ চরণের কোনো নির্দিষ্ট বিভাগ সনেটে থাকে না। D) ৮ — আট হলো সনেটের প্রথম ভাগ বা অষ্টকের লাইন সংখ্যা, যা সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেট মানে চোদ্দ লাইন যা আট ও ছয় ভাগে বিভক্ত। প্রথমে আট লাইন বা অষ্টক এবং পরে ছয় লাইন বা ষট্ক থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতায় মোট লাইন থাকে চোদ্দটি। প্রথম ভাগে থাকে আট লাইন এবং দ্বিতীয় বা শেষ ভাগে থাকে ছয় লাইন।
6. 'গুরুচণ্ডালী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শবদাহ ১. কেন সঠিক: শবদাহ শব্দটিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের নিখুঁত মেলবন্ধন ঘটেছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ। এখানে মৃতদেহ পোড়ানোর ক্ষেত্রে প্রমিত ও অভিধানসম্মত তৎসম শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, ফলে গুরুচণ্ডালী দোষ থেকে মুক্ত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে দেশি বা বিদেশি শব্দের কিংবা তদ্ভব শব্দের অসামঞ্জস্যপূর্ণ মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়। গুরুচণ্ডালী দোষ এড়াতে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ অথবা তৎসম ও অ-ত্সম শব্দের বেমানান জোড় এড়িয়ে চলতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবান্ধব বনাম সলজ্জ ব্যাখ্যা: সলজ্জ বা সবান্ধব তৎসম শব্দের প্রমিত রূপ, যা গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত। উদাহরণ ২: মড়ার মাথা বনাম মুণ্ডু ব্যাখ্যা: মড়ার মাথা অপ্রমিত মিশ্রণ হলেও শবমুণ্ডু বা মৃতশির প্রমিত রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শবপোড়া — শব হলো তৎসম শব্দ আর পোড়া হলো তদ্ভব শব্দ, তাই এটি তৎসম ও তদ্ভব শব্দের মিশ্রণে গঠিত একটি গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত শব্দ। B) শবদাহ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো গুরুচণ্ডালী দোষ নেই। C) মড়াদাহ — মড়া হলো তদ্ভব শব্দ এবং দাহ হলো তৎসম শব্দ, তাই তদ্ভব ও তৎসম শব্দের অসামঞ্জস্যপূর্ণ মিলনের কারণে এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট। D) শবমড়া — শব এবং মড়া সমার্থক শব্দের দ্বিরুক্তি এবং মিশ্রণজনিত ত্রুটির কারণে এটি অগ্রহণযোগ্য ও ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দ এবং বাংলা শব্দের সঙ্গে বাংলা শব্দ মিলিয়ে ব্যবহার করলে গুরুচণ্ডালী দোষ এড়ানো যায়। শব শব্দের সঙ্গে দাহ যুক্ত হয়ে তৎসম রূপ বজায় থাকে, কিন্তু পোড়া যুক্ত হলে গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের সঙ্গে তদ্ভব বা দেশি শব্দের মিশ্রণজনিত গুরুচণ্ডালী দোষ থেকে প্রশ্ন আসে। শবদাহ, ভোজন, শয়ন ইত্যাদি তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সমার্থক দেশি শব্দ ব্যবহার না করে তৎসম শব্দই ব্যবহার করতে হবে।
7. কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে ১. কেন সঠিক: - 'মাথা খাটিয়ে কাজ করবে' বাক্যে 'মাথা' শব্দটির মাধ্যমে মানুষের মেধা, বুদ্ধি বা চিন্তাশক্তিকে বোঝানো হয়েছে। - এখানে কোনো শারীরিক অঙ্গ হিসেবে মাথা বোঝায়নি, বরং বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করার বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ ও বাগধারাসদৃশ প্রয়োগের একটি বিশেষ দিক যেখানে অঙ্গবাচক শব্দ রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের নাম যেমন মাথা, কান, নাক, বুক ইত্যাদি নানা বিশেষ অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অঙ্কটি করতে বেশ মাথা খাটাতে হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে মাথা খাটানো বলতে গভীর চিন্তা বা বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: সে ক্লাসের সবচেয়ে ব্রেইন বা মাথা ছাত্র। ব্যাখ্যা: এখানে মাথা শব্দটি দিয়ে অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থীকে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনিই সমাজের মাথা — এই বাক্যে 'মাথা' শব্দটি প্রধান বা নেতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, বুদ্ধি অর্থে নয়। B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে মাথা বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। C) লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল — এই বাক্যে 'মাথা কাটা যাওয়া' একটি বাগধারা যার অর্থ লজ্জিত বা অপদস্থ হওয়া। D) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা — এই বাক্যে প্রথম মাথা শারীরিক অংশ এবং দ্বিতীয় মাথা বা ব্যথা বলতে সমস্যা বা গুরুত্বহীন বিষয়কে বোঝানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কাজ সম্পন্ন করার সময় বুদ্ধি বা মেধা ব্যবহারের কথা থাকলে সেখানে মাথা শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়। - শরীর পরিচালনা বা চিন্তার মূল কেন্দ্র হিসেবে বুদ্ধির প্রকাশ ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঙ্গবাচক শব্দের বিভিন্ন রূপক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাক্যের পরিপার্শ্বিকতা অনুযায়ী সঠিক অর্থ নির্ণয় করতে হবে।
9. নিচের কোন শব্দটি 'চিকুর' শব্দের সমার্থক নয়?
Created 1 day ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর ১. কেন সঠিক: 'চিকুর' শব্দের অর্থ চুল, কুন্তল বা কেশ। প্রশ্নটিতে 'চিকুর' শব্দের সমার্থক নয় এমন শব্দ জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক উত্তর 'কর'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। একই অর্থ প্রকাশকারী শব্দগুলোকে সমার্থক শব্দ বলা হয়, যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলক ব্যাখ্যা: এটিও চুল বা চিকুরের একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: মোরধজ ব্যাখ্যা: এটি মাথার চুল বা কেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুল — এটি 'চিকুর' শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ। B) কুন্তল — এটিও 'চিকুর' বা চুলের একটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ। C) কেশ — এটি 'চিকুর' শব্দের অত্যন্ত প্রচলিত একটি সমার্থক শব্দ। D) কর — এটি হাত, শুঁড় বা ট্যাক্স বোঝায়, যা চুল বা চিকুরের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চিকুর, চুল, কুন্তল, কেশ এবং অলক সবগুলোর অর্থ এক। কর শব্দের অর্থ ভিন্ন হওয়ায় এটি আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দগুলোর অর্থ পরিষ্কার থাকলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্ণয় করা যায়।
11. 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত ১. কেন সঠিক: - 'অপমান' শব্দটিতে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ 'মান'-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে 'মান' অর্থ সম্মান এবং তার বিপরীত বা উল্টো অর্থ হলো অসম্মান বা অপমান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি যার মধ্যে 'অপ' একটি অন্যতম প্রধান উপসর্গ যা বিপরীত, কু, অভাব ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপসংস্কৃতি ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ সংস্কৃতির পূর্বে বসে সংস্কৃতির বিপরীত বা বিকৃত একটি ধারাকে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: অপকর্ম ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি কর্ম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে ভালো কাজের বিপরীত অর্থাৎ খারাপ বা নিকৃষ্ট কাজকে নির্দেশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপরীত — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'অপমান' শব্দে 'অপ' উপসর্গটি সম্মানের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। B) নিকৃষ্ট — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' উপসর্গটি নিকৃষ্ট অর্থেও ব্যবহৃত হয় যেমন অপসংস্কৃতি, তবে 'অপমান' শব্দের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে। C) বিকৃত — এই অপশনটি ভুল কারণ বিকৃত অর্থ প্রকাশ করার জন্য 'অপ' উপসর্গ অন্য শব্দে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু 'অপমান' শব্দের ক্ষেত্রে এর মূল কাজ বিপরীত অর্থ দেওয়া। D) অভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ অভাব অর্থে সাধারণত 'নি' বা 'আ' উপসর্গ বেশি ব্যবহৃত হয়, 'অপ' উপসর্গ এখানে অভাব অর্থ প্রকাশ করছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মান মানে সম্মান, তার আগে অপ বসলে হয়ে যায় অপমান অর্থাৎ বিপরীত অর্থ। এভাবে বিপরীতার্থক ক্ষেত্রে 'অপ' উপসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো মূল শব্দের উল্টো অর্থ খোঁজা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কুড়িটি তৎসম উপসর্গের অর্থ ও তাদের উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই উপসর্গ যে বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
16. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কোন মঙ্গল কাব্যধারার কবি?
Created 1 day ago | Updated 59 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের ধারার একজন শ্রেষ্ঠ কবি। - তাঁর রচিত 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় নিদর্শন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি এবং তাঁকে কঙ্কণচণ্ডী উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। - তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অপর নাম কবিকঙ্কণচণ্ডী এবং এতে ব্যাধ ও খেচর সমাজের বাস্তব জীবনের চিত্রফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যান। ব্যাখ্যা: এই উপাখ্যানে মধ্যযুগের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও সংগ্রামের নিখুঁত বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: দ্বিজ মাধবের চণ্ডীমঙ্গল। ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ছাড়াও এই ধারার অন্য একজন বিখ্যাত কবি হলেন দ্বিজ মাধব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই মঙ্গল কাব্যধারার সঙ্গেই যুক্ত। B) মনসামঙ্গল — এই মঙ্গল কাব্যধারার প্রধান কবি হলেন কানহাদত্ত, বিজয় গুপ্ত ও নারায়ন দেব। C) ধর্মমঙ্গল — এই ধারার বিখ্যাত কবি হলেন রূপরাম চক্রবর্তী ও সীতারাম দাস। D) অন্নদামঙ্গল — এই মঙ্গল কাব্যধারার শেষ এবং অত্যন্ত বিখ্যাত কবি হলেন ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুকুন্দরাম মানেই চণ্ডীমঙ্গল এবং তাঁর উপাধি ছিল কবিকঙ্কণ। - কবির নামের সঙ্গে তাঁর উপাধি ও কাব্য মনে রাখলে পরীক্ষাগুলা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারা এবং প্রধান কবিদের নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - কবির উপাধি ও তাঁদের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মের নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
18. 'চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা' -বাক্যটি কার রচনা?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃতিটি উনিশ শতকের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের একটি বিখ্যাত কবিতার অংশ। তাঁর কবিতায় সমাজসংস্কার, দেশপ্রেম এবং নীতিশিক্ষা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যা এই পংক্তিতেও প্রতিফলিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত আধুনিক বাংলা কবিতার সংক্রামক যুগের অন্যতম প্রধান কবি এবং যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং বাংলা কবিতায় দেশীয় ঐতিহ্য ও সমাজচিত্র তুলে ধরার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমারেই যেন ভালোবাসিলাম, আপনারে তবে ভুলিতে দিলাম। ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নীতিগর্ভ ও দেশপ্রেমমূলক কবিতার আরেকটি বিখ্যাত পংক্তি। উদাহরণ ২: বাঁচিতে কে চায় বল সুন্দর ভুবনে। ব্যাখ্যা: এই পংক্তিটিতেও কবির মানবজীবন ও সমাজের প্রতি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — আলাওল মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার কবি হলেও এই আধুনিক নৈতিক পংক্তিটি তাঁর নয়। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেও এই পংক্তিটি তাঁর কোনো রচনার নয়। D) শাহাদাৎ হোসেন — শাহাদাৎ হোসেন আধুনিক যুগের কবি হলেও এই উদ্ধৃতিটি তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্গত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনের আশা বা নৈতিকতার কথা থাকলে এবং যুগসন্ধিক্ষণের কোনো পংক্তি মনে হলে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে মনে রাখতে পারো। তাঁর কবিতায় নীতিশিক্ষা ও উপদেশমূলক পংক্তির প্রাচুর্য রয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে অন্যতম সফল সম্পাদক হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর রচিত পংক্তি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার নাম প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
26. 'হাত-হদাই' একটি-
Created 1 day ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটক ১. কেন সঠিক: হাত-হদাই হলো বাংলা সাহিত্যের একটি পরিচিত নাটক, যা মঞ্চায়ন ও পাঠের দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু এবং চরিত্রগুলোর বিন্যাস নাট্যসাহিত্যের কাঠামোগত সকল বৈশিষ্ট্য সফলভাবে রক্ষা করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন যা সমাজের নির্দিষ্ট কোনো চিত্র বা মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলে। নাটক মূলত দৃশ্যকাব্য, যা মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী করে রচিত হয় এবং সংলাপের মাধ্যমে এর কাহিনী এগিয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত নাটক, যা মঞ্চনাটক হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর তরঙ্গবহুল ব্যাখ্যা: এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক নাটক, যা নাট্যসাহিত্যে ভিন্ন ধারার সূচনা করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — হাত-হদাই কোনো পদ্য বা কবিতার সংকলন নয়, তাই এটি কাব্যগ্রন্থ হতে পারে না। B) উপন্যাস — এটি দীর্ঘ আকৃতির কোনো গদ্যকাহিনী বা উপন্যাস নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) গল্পগ্রন্থ — এটি ছোটগল্পের সংকলন বা গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কোনো সৃষ্টি নয়। D) নাটক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নাটকের সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: নাটক মঞ্চে অভিনীত হয় এবং এর মূল চাবিকাঠি হলো সংলাপ, আর হাত-হদাই একটি নাট্যধর্মী রচনা হিসেবে মনে রাখা সহজ। নাট্যকার ও তাদের নাটক মনে রাখার জন্য চরিত্রের নাম এবং সংলাপ মুখস্থ করার অভ্যাস করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত নাটক এবং নাট্যকারদের নাম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল পাঠের বাইরেও সাহিত্যকর্মের ধরন চেনা জরুরি। কোনো সাহিত্যকর্ম উপন্যাস, নাটক নাকি কাব্যগ্রন্থ তা নির্ধারণ করতে তার গঠনশৈলী ও সংলাপের উপস্থিতি লক্ষ্য করতে হবে।
27. 'একাত্তরের ডায়েরী' কার লেখা?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুফিয়া কামাল ১. কেন সঠিক: - 'একাত্তরের ডায়েরী' মূলত বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ের একটি ঐতিহাসিক দিনলিপি বা ডায়েরি। - প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও জননী সাহসিকা সুফিয়া কামাল ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিজের ডায়েরিতে যুদ্ধদিনের নানা ঘটনার কথা লিখেছিলেন, যা পরবর্তীতে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম সুফিয়া কামাল বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত। - তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়া, মন ও জীবন এবং আত্মজীবনীমূলক রচনা একালায় আমাদের কাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত দিনলিপি, যা গুলতেকিন খান বা অন্য কোনো লেখক নয় বরং শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামালের 'সাঁঝের মায়া' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যার জন্য তিনি কাজী নজরুল ইসলামের ভূয়সী প্রশংসা লাভ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহানারা ইমাম — ইনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত দিনলিপি 'একাত্তরের দিনগুলি'-র রচয়িতা, 'একাত্তরের ডায়েরী'-র লেখক নন। B) সুফিয়া কামাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। C) শওকত ওসমান — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, যাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি ও জলাঙ্গী অন্যতম। D) আবু ইসহাক — ইনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার, যিনি বাংলা সাহিত্যে সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাসের জন্য অমর হয়ে আছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের ডায়েরি লেখার নাম 'একাত্তরের ডায়েরী' এবং জাহানারা ইমামের দিনলিপির নাম 'একাত্তরের দিনগুলি' এভাবে নামের সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে। - পরীক্ষার হলে কনফিউশন এড়ানোর জন্য ডায়েরি শব্দের সঙ্গে সুফিয়া কামাল এবং দিনগুলি শব্দের সঙ্গে জাহানারা ইমামকে মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দিনলিপি, আত্মজীবনী এবং উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের মূল সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস কিংবা দিনলিপি আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
33. The bag is too heavy _____ to carry.
Created 1 day ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for him কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী too...to কাঠামোর ক্ষেত্রে infinitive এর আগে একটি for-preposition যুক্ত noun বা pronoun বসে। - এখানে bag টি heavy হওয়ার কারণে কাজটি করার জন্য একটি subject-এর উল্লেখ দরকার, তাই for him ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for him — এটি সঠিক কারণ too...to কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী infinitive phrase-এর আগে subject বোঝাতে for-pronoun ব্যবহার করতে হয়। B) to him — এই preposition ব্যবহার করলে অর্থ অসংগত হয় এবং এটি too...to গঠনের ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মিলে না। C) by him — এই preposition সাধারণত passive voice-এ agent বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) on him — এই preposition উপরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানের অর্থ ও ব্যাকরণের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: too...to কাঠামোর মাঝখানে adjective এবং পরে infinitive থাকলে মাঝের ব্যক্তির আগে সবসময় for বসে।
34. Check the beast _____ you.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
40. Death is preferable _____ humiliation.
Created 1 day ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
41. The sinner will suffer _____.
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) in the long run কেন সঠিক: - 'In the long run' একটি ইংরেজি ফ্রেজ যার অর্থ পরিশেষে বা দীর্ঘমেয়াদে। - পাপের শাস্তি দেরিতে হলেও পরিশেষে ভোগ করতে হয়, এই ভাব প্রকাশ করতে এখানে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in the long run — এটি সঠিক ফ্রেজ এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। B) on the long run — ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী 'on' প্রিপজিশনটি এই ফ্রেজের সাথে ব্যবহার করা হয় না, নিয়ম অনুযায়ী 'in' বসে। C) after the long run — এই ধরনের কোনো প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ বা সঠিক ফ্রেজ বা ধারা প্রচলিত নেই। D) before the long run — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল প্রবাদ বা ভাবার্থের সাথে এটি মিলে না। মনে রাখার টিপস: দীর্ঘমেয়াদে বোঝাতে 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার করে 'in the long run' বলতে হয়।
44. It _____ a hot day; we remained in the tent.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
45. Everybody likes flowers, _____?
Created 1 day ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) don't they কেন সঠিক: - বাক্যের Subject যদি everybody বা everyone হয়, তবে Tag Question-এ Subject হিসেবে they ব্যবহৃত হয়। - মূল বাক্যটি Affirmative (হাঁ-বোধক) হওয়ায় Tag Question-টি Negative (না-বোধক) হবে এবং don't বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does he — Everybody plural অর্থ প্রকাশ করায় singular pronoun 'he' এবং affirmative 'does' ব্যবহার করা ভুল। B) doesn't — Everybody-র জন্য singular verb 'doesn't' এবং singular pronoun 'he' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) can he — বাক্যে modal auxiliary verb না থাকায় 'can' ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই Tense-এর জন্য প্রযোজ্য নয়। D) don't they — এই অপশনটি সঠিক, কারণ everybody-র পরিবর্তে 'they' এবং present indefinite tense-এর জন্য 'don't' বসেছে। মনে রাখার টিপস: Everybody বা everyone থাকলে Tag Question-এ pronoun সবসময় they হয় এবং Tense অনুযায়ী don't বা aren't বসে।
46. Times have changed and so _____.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
49. Which of the following phrases means ‘to tolerate’?
Created 1 day ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) put up with কেন সঠিক: - 'Put up with' একটি পরিচিত গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সহ্য করা বা মানিয়ে নেওয়া। - এটি সাধারণত কোনো কষ্টের পরিস্থিতি বা অপ্রীতিকর আচরণ ধৈর্য ধরে মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) put up with — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ সহ্য করা। B) put off — এর অর্থ কোনো কিছু স্থগিত করা বা পেছানো। C) put out — এর অর্থ আগুন নেভানো বা কাউকে বিরক্ত করা। D) put down — এর অর্থ লিখে রাখা বা কোনো কিছু নিচে নামানো। মনে রাখার টিপস: কোনো ঝামেলা বা কষ্ট সহ্য করতে হলে মনকে আপ (up) করে উইথ (with) নিতে হবে, এভাবে 'put up with' মানে সহ্য করা মনে রাখা যায়।
56. একজন ব্যাটসম্যান প্রথম তিনটি T-20 খেলায় ৮২, ৮৫ ও ৯২ রান করেন। চতুর্থ খেলায় কত রান করলে; তার গড় রান ৮৭ হবে?
Created 1 day ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম তিনটি খেলায় রান যথাক্রমে ৮২, ৮৫ ও ৯২ চারটি খেলায় গড় রান হতে হবে ৮৭ ধরি, চতুর্থ খেলায় রান করতে হবে ক অতএব, চারটি খেলার মোট রান = ৮৭ × ৪ = ৩৪৮ প্রথম তিনটি খেলার মোট রান = ৮২ + ৮৫ + ৯২ = ২৫৯ সুতরাং, ক = ৩৪৮ − ২৫৯ = ৮৯ উত্তর: ৮৯
58. x + (2/x) = 3 হলে x^3 + (`8/x^3) = কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
64. মূল বিন্দু হতে (- 5, 5) এবং (5, k) বিন্দুদ্বয়ের দূরত্ব সমান হলে k এর মান কত?
Created 1 day ago | Updated 31 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রদত্ত তথ্য: মূল বিন্দু (০, ০) হতে (- ৫, ৫) এবং (৫, k) বিন্দুদ্বয়ের দূরত্ব সমান ধরি, মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = (- ৫) এর বর্গ + ৫ এর বর্গ মূল বিন্দু থেকে দ্বিতীয় বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ৫ এর বর্গ + k এর বর্গ অতএব, (- ৫) এর বর্গ + ৫ এর বর্গ = ৫ এর বর্গ + k এর বর্গ ২৫ + ২৫ = ২৫ + k এর বর্গ সুতরাং, ৫০ = ২৫ + k এর বর্গ k এর বর্গ = ২৫ উত্তর: k = ৫
65. একটি বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল ২০২৫ বর্গমিটার। এর চারিদিকে বেড়া দেওয়া আছে। বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য কত?
Created 1 day ago | Updated 3 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ২০২৫ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার বাগানের প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার অতএব, ক × ক = ২০২৫ ক = √২০২৫ ক = ৪৫ সুতরাং, বাগানের পরিসীমা বা বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য = ৪ × ৪৫ মিটার বা, বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য = ১৮০ মিটার উত্তর: ১৮০ মিটার
69. প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ কোন জেলায় রয়েছে?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - প্রাচীন গৌড় নগরীর ঐতিহাসিক ধ্বংসাবশেষ বা অংশবিশেষ বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। - মধ্যযুগে গৌড় ছিল বাংলা ও বিহারের রাজধানী এবং এর ঐতিহাসিক কীর্তিগুলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ হলেও প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশ এখানে অবস্থিত নয়। B) খুলনা — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা যা প্রাচীন গৌড় অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে পড়ে না। C) কুষ্টিয়া — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীবিধৌত একটি জেলা যার সাথে প্রাচীন গৌড় নগরীর কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো এই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: গৌড়ের আমড়াওয়ালা ও ঐতিহাসিক স্থানগুলোর জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিখ্যাত, এভাবে মনে রাখতে পারেন গৌড় মানেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
70. বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুটান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - এর ঠিক পরপরই একই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, যা ভুটান ও ভারতের পরে। B) ভারত — ভুটানের স্বীকৃতিদানের কয়েক ঘণ্টা পর ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, তাই এটি প্রথম নয়। C) ভুটান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ। ডি) জাপান — জাপান অনেক পরে ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় পাহাড় ঘেরা ছোট দেশ ভুটান, আর দ্বিতীয় দেশ হলো পরম বন্ধু ভারত।
74. WHO এর সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
Created 1 day ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। - এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর নয়। B) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঠিক সদর দপ্তর। C) ভিয়েনা — এটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়। D) অসলো — এটি নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানকারী শহর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মানুষ জেনে যায়, তাই ডব্লিউএইচও বা স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
75. বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
Created 1 day ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেবা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সেবা খাতের জিডিপি অবদান সবচেয়ে বেশি এবং এটি প্রায় ৫১ শতাংশের বেশি অংশ দখল করে আছে। - পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, পরিবহন এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম এই খাতের প্রধান চালিকাশক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেবা — এটি সঠিক উত্তর কারণ জিডিপিতে এর অবদান সর্বাধিক। B) কৃষি — বর্তমানে জিডিপিতে কৃষির অবদান দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে এবং এর অংশ প্রায় ১১ থেকে ১২ শতাংশ। C) শিল্প — এই খাতের অবদান উল্লেখযোগ্য হলেও তা সেবা খাতের পরেই অবস্থান করছে এবং এর অংশ প্রায় ৩৫ শতাংশ। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি মনে রাখতে এস অক্ষরটি মনে রাখতে পারেন, কারণ সেবা এবং সবচেয়ে বড় এই দুটি শব্দই প্রধান।
80. বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি হয় কোন দেশে?
Created 1 day ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশে ওষুধ রপ্তানি করে থাকে। - এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা USA-তেই সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি ওষুধ রপ্তানি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — এটি বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির একটি বড় বাজার হলেও বর্তমানে শীর্ষস্থানে নেই। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) জাপান — এটি বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির অন্যতম বাজার হলেও রপ্তানি পরিমাণে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই অবস্থান করে। D) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এবং বাংলাদেশের ওষুধ বাজারে এটি শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতির শীর্ষ দেশ, তাই বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানিতেও প্রথম স্থানে রয়েছে।
83. 'শিখা অনির্বাণ' কোথায় অবস্থিত?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা সেনানিবাসে কেন সঠিক: - শিখা অনির্বাণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি শিখা। - এটি রাজধানী ঢাকার ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এবং এখানে নিয়মিত রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে — এটি ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে 'শিখা চিরন্তন' অবস্থিত, 'শিখা অনির্বাণ' নয়। B) মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত কবরস্থান, তবে এখানে শিখা অনির্বাণ নেই। C) ঢাকা সেনানিবাসে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই শিখা অনির্বাণ অবস্থিত। D) মুজিবনগরে — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক স্থান, শিখা অনির্বাণ এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: অনির্বাণ মানে যা নিভে না, আর আমাদের বীর শহীদদের স্মৃতি ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণ হয়ে জ্বলে আছে।
96. সিদ্ধ চালে কী পরিমাণ শ্বেতসার থাকে?
Created 1 day ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 79% ১. কেন সঠিক: সিদ্ধ চালে শ্বেতসারের পরিমাণ প্রায় ঊনআশি শতাংশ বা উনআশি ভাগ হয়ে থাকে। ধান সিদ্ধ করার প্রক্রিয়ায় চালের ভেতরের শ্বেতসার বা স্টার্চ কণাগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে জেলিটিনাইজড হয়, যা পুষ্টির মান বাড়ায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শ্বেতসার বা কার্বোহাইড্রেট হলো উদ্ভিদের শক্তি সঞ্চয়ের প্রধান মাধ্যম এবং পলিস্যাকারাইড জাতীয় খাদ্য উপাদান। কার্যপ্রণালি: ধান সিদ্ধ করার সময় তাপ ও জলের প্রভাবে চালের ভেতরের শ্বেতসার কণার গঠন পরিবর্তিত হয়ে সহজে হজমযোগ্য রূপে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত খাওয়ার পর শরীরে দ্রুত শক্তির জোগান পাওয়া। ব্যাখ্যা: ভাত উপস্থিত শ্বেতসার ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং রক্তে মিশে শক্তি উৎপাদনে অংশ নেয়। উদাহরণ ২: আলু বা চালে আয়োডিন দ্রবণ দেওয়া। ব্যাখ্যা: শ্বেতসারের উপস্থিতির কারণে আয়োডিনের সংস্পর্শে চাল বা আলু নীল রঙ ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 71% — এই পরিমাণটি সিদ্ধ চালে থাকে না, এটি অন্য কোনো খাদ্য উপাদানের ক্ষেত্রে বা আতপ চালের কিছু নির্দিষ্ট পুষ্টির হারের কাছাকাছি হতে পারে। B) 73% — এই মানটি সিদ্ধ চালের প্রধান পুষ্টি উপাদান শ্বেতসারের প্রকৃত বৈজ্ঞানিক পরিমাপের চেয়ে কম। C) 78% — এই সংখ্যাটি ৭৯ শতাংশের খুব কাছাকাছি হলেও খাদ্য পুষ্টি বিজ্ঞান ও শস্য উপাত্ত অনুযায়ী সিদ্ধ চালের স্টার্চের সঠিক মান নয়। D) 79% — এটি খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান অনুযায়ী সিদ্ধ চালে উপস্থিত শ্বেতসারের সঠিক ও পরীক্ষিত পরিমাণ। ৫ মনে রাখার টিপস: সিদ্ধ চালে শক্তি বা শ্বেতসার সবচেয়ে বেশি থাকে, যা আশি শতাংশের ঠিক এক ভাগ কম অর্থাৎ উনআশি শতাংশ। চাল সিদ্ধ করলেই তার ভেতরে শক্তির ভাণ্ডার পূর্ণাঙ্গভাবে উন্মুক্ত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রধান খাদ্য উপাদানের শতকরা হার প্রায়ই আসে। আতপ চাল এবং সিদ্ধ চালের পুষ্টি উপাদানের পার্থক্যের ওপর অন্যান্য বহু নির্বাচনী প্রশ্ন হতে পারে।
99. লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করেছে কোন মহাদেশ থেকে?
Created 1 day ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকা ১. কেন সঠিক: লোহিত সাগর এবং সুয়েজ খাল একত্রে এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে ভৌগোলিকভাবে পৃথক করেছে। সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং এর ফলে আফ্রিকা এশিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি পৃথক স্থলভাগে পরিণত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: লোহিত সাগর আরব উপদ্বীপ ও আফ্রিকার সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত কৃত্রিম সামুদ্রিক জলপথ যা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল খননকাজ সম্পন্ন হয় এবং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: জিব্রাল্টার প্রণালি ব্যাখ্যা: এটি যেমন ইউরোপকে আফ্রিকা থেকে আলাদা করেছে, তেমনি সুয়েজ খাল ও লোহিত সাগর এশিয়াকে আফ্রিকা থেকে আলাদা করেছে। উদাহরণ ২: পানামা খাল ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে বিচ্ছিন্ন করে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এই মহাদেশটিকে এশিয়া থেকে আলাদা করেছে। B) ইউরোপ — ইউরোপ এশিয়া মহাদেশের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত এবং ইউরাল পর্বতমালা ও ইউরাল নদী দ্বারা এশিয়া থেকে আলাদা হয়েছে। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি স্বাধীন মহাদেশীয় ভূখণ্ড যা এশিয়া থেকে মহাসাগর দ্বারা বিচ্ছিন্ন। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা ও এশিয়াকে আলাদা করেছে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল, আর এই দুটি নাম মনে রাখলে উত্তর সহজেই নিশ্চিত করা যায়। সুয়েজ খাল মিশরে অবস্থিত যা আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণে এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন প্রণালি বা খাল কোন দুটি ভূখণ্ডকে আলাদা করেছে তা জানতে চাওয়া হয়। সুয়েজ খালের ভৌগোলিক অবস্থান এবং এটি কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (27)

2. 'একাত্তরের ডায়েরী' কার লেখা?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুফিয়া কামাল ১. কেন সঠিক: - 'একাত্তরের ডায়েরী' মূলত বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ের একটি ঐতিহাসিক দিনলিপি বা ডায়েরি। - প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও জননী সাহসিকা সুফিয়া কামাল ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিজের ডায়েরিতে যুদ্ধদিনের নানা ঘটনার কথা লিখেছিলেন, যা পরবর্তীতে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম সুফিয়া কামাল বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত। - তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়া, মন ও জীবন এবং আত্মজীবনীমূলক রচনা একালায় আমাদের কাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত দিনলিপি, যা গুলতেকিন খান বা অন্য কোনো লেখক নয় বরং শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামালের 'সাঁঝের মায়া' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যার জন্য তিনি কাজী নজরুল ইসলামের ভূয়সী প্রশংসা লাভ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহানারা ইমাম — ইনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত দিনলিপি 'একাত্তরের দিনগুলি'-র রচয়িতা, 'একাত্তরের ডায়েরী'-র লেখক নন। B) সুফিয়া কামাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। C) শওকত ওসমান — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, যাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি ও জলাঙ্গী অন্যতম। D) আবু ইসহাক — ইনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার, যিনি বাংলা সাহিত্যে সূর্যদীঘল বাড়ি উপন্যাসের জন্য অমর হয়ে আছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের ডায়েরি লেখার নাম 'একাত্তরের ডায়েরী' এবং জাহানারা ইমামের দিনলিপির নাম 'একাত্তরের দিনগুলি' এভাবে নামের সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে। - পরীক্ষার হলে কনফিউশন এড়ানোর জন্য ডায়েরি শব্দের সঙ্গে সুফিয়া কামাল এবং দিনগুলি শব্দের সঙ্গে জাহানারা ইমামকে মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দিনলিপি, আত্মজীবনী এবং উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের মূল সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস কিংবা দিনলিপি আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
3. 'হাত-হদাই' একটি-
Created 1 day ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটক ১. কেন সঠিক: হাত-হদাই হলো বাংলা সাহিত্যের একটি পরিচিত নাটক, যা মঞ্চায়ন ও পাঠের দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু এবং চরিত্রগুলোর বিন্যাস নাট্যসাহিত্যের কাঠামোগত সকল বৈশিষ্ট্য সফলভাবে রক্ষা করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন যা সমাজের নির্দিষ্ট কোনো চিত্র বা মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলে। নাটক মূলত দৃশ্যকাব্য, যা মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী করে রচিত হয় এবং সংলাপের মাধ্যমে এর কাহিনী এগিয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত নাটক, যা মঞ্চনাটক হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর তরঙ্গবহুল ব্যাখ্যা: এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক নাটক, যা নাট্যসাহিত্যে ভিন্ন ধারার সূচনা করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — হাত-হদাই কোনো পদ্য বা কবিতার সংকলন নয়, তাই এটি কাব্যগ্রন্থ হতে পারে না। B) উপন্যাস — এটি দীর্ঘ আকৃতির কোনো গদ্যকাহিনী বা উপন্যাস নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) গল্পগ্রন্থ — এটি ছোটগল্পের সংকলন বা গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কোনো সৃষ্টি নয়। D) নাটক — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নাটকের সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: নাটক মঞ্চে অভিনীত হয় এবং এর মূল চাবিকাঠি হলো সংলাপ, আর হাত-হদাই একটি নাট্যধর্মী রচনা হিসেবে মনে রাখা সহজ। নাট্যকার ও তাদের নাটক মনে রাখার জন্য চরিত্রের নাম এবং সংলাপ মুখস্থ করার অভ্যাস করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত নাটক এবং নাট্যকারদের নাম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল পাঠের বাইরেও সাহিত্যকর্মের ধরন চেনা জরুরি। কোনো সাহিত্যকর্ম উপন্যাস, নাটক নাকি কাব্যগ্রন্থ তা নির্ধারণ করতে তার গঠনশৈলী ও সংলাপের উপস্থিতি লক্ষ্য করতে হবে।
11. 'চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা' -বাক্যটি কার রচনা?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃতিটি উনিশ শতকের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের একটি বিখ্যাত কবিতার অংশ। তাঁর কবিতায় সমাজসংস্কার, দেশপ্রেম এবং নীতিশিক্ষা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যা এই পংক্তিতেও প্রতিফলিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত আধুনিক বাংলা কবিতার সংক্রামক যুগের অন্যতম প্রধান কবি এবং যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং বাংলা কবিতায় দেশীয় ঐতিহ্য ও সমাজচিত্র তুলে ধরার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমারেই যেন ভালোবাসিলাম, আপনারে তবে ভুলিতে দিলাম। ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নীতিগর্ভ ও দেশপ্রেমমূলক কবিতার আরেকটি বিখ্যাত পংক্তি। উদাহরণ ২: বাঁচিতে কে চায় বল সুন্দর ভুবনে। ব্যাখ্যা: এই পংক্তিটিতেও কবির মানবজীবন ও সমাজের প্রতি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — আলাওল মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার কবি হলেও এই আধুনিক নৈতিক পংক্তিটি তাঁর নয়। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেও এই পংক্তিটি তাঁর কোনো রচনার নয়। D) শাহাদাৎ হোসেন — শাহাদাৎ হোসেন আধুনিক যুগের কবি হলেও এই উদ্ধৃতিটি তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্গত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনের আশা বা নৈতিকতার কথা থাকলে এবং যুগসন্ধিক্ষণের কোনো পংক্তি মনে হলে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে মনে রাখতে পারো। তাঁর কবিতায় নীতিশিক্ষা ও উপদেশমূলক পংক্তির প্রাচুর্য রয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে অন্যতম সফল সম্পাদক হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর রচিত পংক্তি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার নাম প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
13. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কোন মঙ্গল কাব্যধারার কবি?
Created 1 day ago | Updated 59 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের ধারার একজন শ্রেষ্ঠ কবি। - তাঁর রচিত 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় নিদর্শন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি এবং তাঁকে কঙ্কণচণ্ডী উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। - তাঁর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অপর নাম কবিকঙ্কণচণ্ডী এবং এতে ব্যাধ ও খেচর সমাজের বাস্তব জীবনের চিত্রফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যান। ব্যাখ্যা: এই উপাখ্যানে মধ্যযুগের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও সংগ্রামের নিখুঁত বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: দ্বিজ মাধবের চণ্ডীমঙ্গল। ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ছাড়াও এই ধারার অন্য একজন বিখ্যাত কবি হলেন দ্বিজ মাধব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই মঙ্গল কাব্যধারার সঙ্গেই যুক্ত। B) মনসামঙ্গল — এই মঙ্গল কাব্যধারার প্রধান কবি হলেন কানহাদত্ত, বিজয় গুপ্ত ও নারায়ন দেব। C) ধর্মমঙ্গল — এই ধারার বিখ্যাত কবি হলেন রূপরাম চক্রবর্তী ও সীতারাম দাস। D) অন্নদামঙ্গল — এই মঙ্গল কাব্যধারার শেষ এবং অত্যন্ত বিখ্যাত কবি হলেন ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুকুন্দরাম মানেই চণ্ডীমঙ্গল এবং তাঁর উপাধি ছিল কবিকঙ্কণ। - কবির নামের সঙ্গে তাঁর উপাধি ও কাব্য মনে রাখলে পরীক্ষাগুলা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারা এবং প্রধান কবিদের নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - কবির উপাধি ও তাঁদের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মের নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
15. সনেটের প্রথম ভাগে কত লাইন হয়?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ ১. কেন সঠিক: সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম অংশকে অষ্টক বা অক্টেভ বলা হয় এবং এতে আটটি লাইন থাকে। সনেটের মূল ভাব বা সমস্যা এই প্রথম ভাগে প্রবর্তিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক। সনেট সাধারণত চোদ্দটি চরণে গঠিত হয় এবং এর দুটি অংশ থাকে যার প্রথম আট চরণে অষ্টক ও পরের ছয় চরণে ষট্ক বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের বঙ্গভাষা কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি একটি সনেট যার প্রথম আট লাইনে কবির আক্ষেপ ও মনের ভাব প্রকাশিত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সনেট সংকলন সনেটপঞ্চশৎ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত সনেট সংকলন যেখানে সনেটের কাঠামোগত রূপ বজায় রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ — চোদ্দ হলো সনেটের মোট লাইনের সংখ্যা, সনেটের প্রথম ভাগের লাইন সংখ্যা নয়। B) ১২ — বারো কোনো সনেটের নির্দিষ্ট অংশ বা মোট চরণের সংখ্যা নয়। C) ১০ — দশ চরণের কোনো নির্দিষ্ট বিভাগ সনেটে থাকে না। D) ৮ — আট হলো সনেটের প্রথম ভাগ বা অষ্টকের লাইন সংখ্যা, যা সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেট মানে চোদ্দ লাইন যা আট ও ছয় ভাগে বিভক্ত। প্রথমে আট লাইন বা অষ্টক এবং পরে ছয় লাইন বা ষট্ক থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতায় মোট লাইন থাকে চোদ্দটি। প্রথম ভাগে থাকে আট লাইন এবং দ্বিতীয় বা শেষ ভাগে থাকে ছয় লাইন।
19. 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত ১. কেন সঠিক: - 'অপমান' শব্দটিতে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ 'মান'-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে 'মান' অর্থ সম্মান এবং তার বিপরীত বা উল্টো অর্থ হলো অসম্মান বা অপমান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি যার মধ্যে 'অপ' একটি অন্যতম প্রধান উপসর্গ যা বিপরীত, কু, অভাব ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপসংস্কৃতি ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ সংস্কৃতির পূর্বে বসে সংস্কৃতির বিপরীত বা বিকৃত একটি ধারাকে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: অপকর্ম ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি কর্ম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে ভালো কাজের বিপরীত অর্থাৎ খারাপ বা নিকৃষ্ট কাজকে নির্দেশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপরীত — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'অপমান' শব্দে 'অপ' উপসর্গটি সম্মানের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। B) নিকৃষ্ট — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' উপসর্গটি নিকৃষ্ট অর্থেও ব্যবহৃত হয় যেমন অপসংস্কৃতি, তবে 'অপমান' শব্দের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে। C) বিকৃত — এই অপশনটি ভুল কারণ বিকৃত অর্থ প্রকাশ করার জন্য 'অপ' উপসর্গ অন্য শব্দে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু 'অপমান' শব্দের ক্ষেত্রে এর মূল কাজ বিপরীত অর্থ দেওয়া। D) অভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ অভাব অর্থে সাধারণত 'নি' বা 'আ' উপসর্গ বেশি ব্যবহৃত হয়, 'অপ' উপসর্গ এখানে অভাব অর্থ প্রকাশ করছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মান মানে সম্মান, তার আগে অপ বসলে হয়ে যায় অপমান অর্থাৎ বিপরীত অর্থ। এভাবে বিপরীতার্থক ক্ষেত্রে 'অপ' উপসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো মূল শব্দের উল্টো অর্থ খোঁজা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কুড়িটি তৎসম উপসর্গের অর্থ ও তাদের উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই উপসর্গ যে বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
21. নিচের কোন শব্দটি 'চিকুর' শব্দের সমার্থক নয়?
Created 1 day ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর ১. কেন সঠিক: 'চিকুর' শব্দের অর্থ চুল, কুন্তল বা কেশ। প্রশ্নটিতে 'চিকুর' শব্দের সমার্থক নয় এমন শব্দ জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক উত্তর 'কর'। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। একই অর্থ প্রকাশকারী শব্দগুলোকে সমার্থক শব্দ বলা হয়, যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলক ব্যাখ্যা: এটিও চুল বা চিকুরের একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: মোরধজ ব্যাখ্যা: এটি মাথার চুল বা কেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুল — এটি 'চিকুর' শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ। B) কুন্তল — এটিও 'চিকুর' বা চুলের একটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ। C) কেশ — এটি 'চিকুর' শব্দের অত্যন্ত প্রচলিত একটি সমার্থক শব্দ। D) কর — এটি হাত, শুঁড় বা ট্যাক্স বোঝায়, যা চুল বা চিকুরের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চিকুর, চুল, কুন্তল, কেশ এবং অলক সবগুলোর অর্থ এক। কর শব্দের অর্থ ভিন্ন হওয়ায় এটি আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দগুলোর অর্থ পরিষ্কার থাকলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্ণয় করা যায়।
23. কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে ১. কেন সঠিক: - 'মাথা খাটিয়ে কাজ করবে' বাক্যে 'মাথা' শব্দটির মাধ্যমে মানুষের মেধা, বুদ্ধি বা চিন্তাশক্তিকে বোঝানো হয়েছে। - এখানে কোনো শারীরিক অঙ্গ হিসেবে মাথা বোঝায়নি, বরং বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করার বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ ও বাগধারাসদৃশ প্রয়োগের একটি বিশেষ দিক যেখানে অঙ্গবাচক শব্দ রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের নাম যেমন মাথা, কান, নাক, বুক ইত্যাদি নানা বিশেষ অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অঙ্কটি করতে বেশ মাথা খাটাতে হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে মাথা খাটানো বলতে গভীর চিন্তা বা বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: সে ক্লাসের সবচেয়ে ব্রেইন বা মাথা ছাত্র। ব্যাখ্যা: এখানে মাথা শব্দটি দিয়ে অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থীকে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনিই সমাজের মাথা — এই বাক্যে 'মাথা' শব্দটি প্রধান বা নেতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, বুদ্ধি অর্থে নয়। B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে মাথা বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। C) লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল — এই বাক্যে 'মাথা কাটা যাওয়া' একটি বাগধারা যার অর্থ লজ্জিত বা অপদস্থ হওয়া। D) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা — এই বাক্যে প্রথম মাথা শারীরিক অংশ এবং দ্বিতীয় মাথা বা ব্যথা বলতে সমস্যা বা গুরুত্বহীন বিষয়কে বোঝানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কাজ সম্পন্ন করার সময় বুদ্ধি বা মেধা ব্যবহারের কথা থাকলে সেখানে মাথা শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়। - শরীর পরিচালনা বা চিন্তার মূল কেন্দ্র হিসেবে বুদ্ধির প্রকাশ ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঙ্গবাচক শব্দের বিভিন্ন রূপক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাক্যের পরিপার্শ্বিকতা অনুযায়ী সঠিক অর্থ নির্ণয় করতে হবে।
24. 'গুরুচণ্ডালী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শবদাহ ১. কেন সঠিক: শবদাহ শব্দটিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের নিখুঁত মেলবন্ধন ঘটেছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ। এখানে মৃতদেহ পোড়ানোর ক্ষেত্রে প্রমিত ও অভিধানসম্মত তৎসম শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, ফলে গুরুচণ্ডালী দোষ থেকে মুক্ত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে দেশি বা বিদেশি শব্দের কিংবা তদ্ভব শব্দের অসামঞ্জস্যপূর্ণ মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়। গুরুচণ্ডালী দোষ এড়াতে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ অথবা তৎসম ও অ-ত্সম শব্দের বেমানান জোড় এড়িয়ে চলতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবান্ধব বনাম সলজ্জ ব্যাখ্যা: সলজ্জ বা সবান্ধব তৎসম শব্দের প্রমিত রূপ, যা গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত। উদাহরণ ২: মড়ার মাথা বনাম মুণ্ডু ব্যাখ্যা: মড়ার মাথা অপ্রমিত মিশ্রণ হলেও শবমুণ্ডু বা মৃতশির প্রমিত রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শবপোড়া — শব হলো তৎসম শব্দ আর পোড়া হলো তদ্ভব শব্দ, তাই এটি তৎসম ও তদ্ভব শব্দের মিশ্রণে গঠিত একটি গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত শব্দ। B) শবদাহ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো গুরুচণ্ডালী দোষ নেই। C) মড়াদাহ — মড়া হলো তদ্ভব শব্দ এবং দাহ হলো তৎসম শব্দ, তাই তদ্ভব ও তৎসম শব্দের অসামঞ্জস্যপূর্ণ মিলনের কারণে এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট। D) শবমড়া — শব এবং মড়া সমার্থক শব্দের দ্বিরুক্তি এবং মিশ্রণজনিত ত্রুটির কারণে এটি অগ্রহণযোগ্য ও ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দ এবং বাংলা শব্দের সঙ্গে বাংলা শব্দ মিলিয়ে ব্যবহার করলে গুরুচণ্ডালী দোষ এড়ানো যায়। শব শব্দের সঙ্গে দাহ যুক্ত হয়ে তৎসম রূপ বজায় থাকে, কিন্তু পোড়া যুক্ত হলে গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের সঙ্গে তদ্ভব বা দেশি শব্দের মিশ্রণজনিত গুরুচণ্ডালী দোষ থেকে প্রশ্ন আসে। শবদাহ, ভোজন, শয়ন ইত্যাদি তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সমার্থক দেশি শব্দ ব্যবহার না করে তৎসম শব্দই ব্যবহার করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

5. The bag is too heavy _____ to carry.
Created 1 day ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for him কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী too...to কাঠামোর ক্ষেত্রে infinitive এর আগে একটি for-preposition যুক্ত noun বা pronoun বসে। - এখানে bag টি heavy হওয়ার কারণে কাজটি করার জন্য একটি subject-এর উল্লেখ দরকার, তাই for him ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for him — এটি সঠিক কারণ too...to কাঠামোর নিয়ম অনুযায়ী infinitive phrase-এর আগে subject বোঝাতে for-pronoun ব্যবহার করতে হয়। B) to him — এই preposition ব্যবহার করলে অর্থ অসংগত হয় এবং এটি too...to গঠনের ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে মিলে না। C) by him — এই preposition সাধারণত passive voice-এ agent বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) on him — এই preposition উপরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানের অর্থ ও ব্যাকরণের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: too...to কাঠামোর মাঝখানে adjective এবং পরে infinitive থাকলে মাঝের ব্যক্তির আগে সবসময় for বসে।
6. Check the beast _____ you.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
12. Death is preferable _____ humiliation.
Created 1 day ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
13. The sinner will suffer _____.
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) in the long run কেন সঠিক: - 'In the long run' একটি ইংরেজি ফ্রেজ যার অর্থ পরিশেষে বা দীর্ঘমেয়াদে। - পাপের শাস্তি দেরিতে হলেও পরিশেষে ভোগ করতে হয়, এই ভাব প্রকাশ করতে এখানে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in the long run — এটি সঠিক ফ্রেজ এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। B) on the long run — ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী 'on' প্রিপজিশনটি এই ফ্রেজের সাথে ব্যবহার করা হয় না, নিয়ম অনুযায়ী 'in' বসে। C) after the long run — এই ধরনের কোনো প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ বা সঠিক ফ্রেজ বা ধারা প্রচলিত নেই। D) before the long run — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল প্রবাদ বা ভাবার্থের সাথে এটি মিলে না। মনে রাখার টিপস: দীর্ঘমেয়াদে বোঝাতে 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার করে 'in the long run' বলতে হয়।
16. It _____ a hot day; we remained in the tent.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
17. Everybody likes flowers, _____?
Created 1 day ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) don't they কেন সঠিক: - বাক্যের Subject যদি everybody বা everyone হয়, তবে Tag Question-এ Subject হিসেবে they ব্যবহৃত হয়। - মূল বাক্যটি Affirmative (হাঁ-বোধক) হওয়ায় Tag Question-টি Negative (না-বোধক) হবে এবং don't বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does he — Everybody plural অর্থ প্রকাশ করায় singular pronoun 'he' এবং affirmative 'does' ব্যবহার করা ভুল। B) doesn't — Everybody-র জন্য singular verb 'doesn't' এবং singular pronoun 'he' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) can he — বাক্যে modal auxiliary verb না থাকায় 'can' ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই Tense-এর জন্য প্রযোজ্য নয়। D) don't they — এই অপশনটি সঠিক, কারণ everybody-র পরিবর্তে 'they' এবং present indefinite tense-এর জন্য 'don't' বসেছে। মনে রাখার টিপস: Everybody বা everyone থাকলে Tag Question-এ pronoun সবসময় they হয় এবং Tense অনুযায়ী don't বা aren't বসে।
18. Times have changed and so _____.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
21. Which of the following phrases means ‘to tolerate’?
Created 1 day ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) put up with কেন সঠিক: - 'Put up with' একটি পরিচিত গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সহ্য করা বা মানিয়ে নেওয়া। - এটি সাধারণত কোনো কষ্টের পরিস্থিতি বা অপ্রীতিকর আচরণ ধৈর্য ধরে মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) put up with — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ সহ্য করা। B) put off — এর অর্থ কোনো কিছু স্থগিত করা বা পেছানো। C) put out — এর অর্থ আগুন নেভানো বা কাউকে বিরক্ত করা। D) put down — এর অর্থ লিখে রাখা বা কোনো কিছু নিচে নামানো। মনে রাখার টিপস: কোনো ঝামেলা বা কষ্ট সহ্য করতে হলে মনকে আপ (up) করে উইথ (with) নিতে হবে, এভাবে 'put up with' মানে সহ্য করা মনে রাখা যায়।

মোট প্রশ্ন (15)

3. একজন ব্যাটসম্যান প্রথম তিনটি T-20 খেলায় ৮২, ৮৫ ও ৯২ রান করেন। চতুর্থ খেলায় কত রান করলে; তার গড় রান ৮৭ হবে?
Created 1 day ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম তিনটি খেলায় রান যথাক্রমে ৮২, ৮৫ ও ৯২ চারটি খেলায় গড় রান হতে হবে ৮৭ ধরি, চতুর্থ খেলায় রান করতে হবে ক অতএব, চারটি খেলার মোট রান = ৮৭ × ৪ = ৩৪৮ প্রথম তিনটি খেলার মোট রান = ৮২ + ৮৫ + ৯২ = ২৫৯ সুতরাং, ক = ৩৪৮ − ২৫৯ = ৮৯ উত্তর: ৮৯
6. x + (2/x) = 3 হলে x^3 + (`8/x^3) = কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
12. মূল বিন্দু হতে (- 5, 5) এবং (5, k) বিন্দুদ্বয়ের দূরত্ব সমান হলে k এর মান কত?
Created 1 day ago | Updated 31 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রদত্ত তথ্য: মূল বিন্দু (০, ০) হতে (- ৫, ৫) এবং (৫, k) বিন্দুদ্বয়ের দূরত্ব সমান ধরি, মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = (- ৫) এর বর্গ + ৫ এর বর্গ মূল বিন্দু থেকে দ্বিতীয় বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ৫ এর বর্গ + k এর বর্গ অতএব, (- ৫) এর বর্গ + ৫ এর বর্গ = ৫ এর বর্গ + k এর বর্গ ২৫ + ২৫ = ২৫ + k এর বর্গ সুতরাং, ৫০ = ২৫ + k এর বর্গ k এর বর্গ = ২৫ উত্তর: k = ৫
13. একটি বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল ২০২৫ বর্গমিটার। এর চারিদিকে বেড়া দেওয়া আছে। বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য কত?
Created 1 day ago | Updated 3 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ২০২৫ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার বাগানের প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার অতএব, ক × ক = ২০২৫ ক = √২০২৫ ক = ৪৫ সুতরাং, বাগানের পরিসীমা বা বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য = ৪ × ৪৫ মিটার বা, বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য = ১৮০ মিটার উত্তর: ১৮০ মিটার

মোট প্রশ্ন (18)

5. 'শিখা অনির্বাণ' কোথায় অবস্থিত?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা সেনানিবাসে কেন সঠিক: - শিখা অনির্বাণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি শিখা। - এটি রাজধানী ঢাকার ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এবং এখানে নিয়মিত রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে — এটি ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে 'শিখা চিরন্তন' অবস্থিত, 'শিখা অনির্বাণ' নয়। B) মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত কবরস্থান, তবে এখানে শিখা অনির্বাণ নেই। C) ঢাকা সেনানিবাসে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই শিখা অনির্বাণ অবস্থিত। D) মুজিবনগরে — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক স্থান, শিখা অনির্বাণ এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: অনির্বাণ মানে যা নিভে না, আর আমাদের বীর শহীদদের স্মৃতি ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণ হয়ে জ্বলে আছে।
8. বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি হয় কোন দেশে?
Created 1 day ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশে ওষুধ রপ্তানি করে থাকে। - এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা USA-তেই সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি ওষুধ রপ্তানি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — এটি বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির একটি বড় বাজার হলেও বর্তমানে শীর্ষস্থানে নেই। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) জাপান — এটি বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির অন্যতম বাজার হলেও রপ্তানি পরিমাণে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই অবস্থান করে। D) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এবং বাংলাদেশের ওষুধ বাজারে এটি শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতির শীর্ষ দেশ, তাই বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানিতেও প্রথম স্থানে রয়েছে।
13. বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
Created 1 day ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেবা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সেবা খাতের জিডিপি অবদান সবচেয়ে বেশি এবং এটি প্রায় ৫১ শতাংশের বেশি অংশ দখল করে আছে। - পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, পরিবহন এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম এই খাতের প্রধান চালিকাশক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেবা — এটি সঠিক উত্তর কারণ জিডিপিতে এর অবদান সর্বাধিক। B) কৃষি — বর্তমানে জিডিপিতে কৃষির অবদান দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে এবং এর অংশ প্রায় ১১ থেকে ১২ শতাংশ। C) শিল্প — এই খাতের অবদান উল্লেখযোগ্য হলেও তা সেবা খাতের পরেই অবস্থান করছে এবং এর অংশ প্রায় ৩৫ শতাংশ। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি মনে রাখতে এস অক্ষরটি মনে রাখতে পারেন, কারণ সেবা এবং সবচেয়ে বড় এই দুটি শব্দই প্রধান।
14. WHO এর সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
Created 1 day ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। - এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর নয়। B) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঠিক সদর দপ্তর। C) ভিয়েনা — এটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়। D) অসলো — এটি নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানকারী শহর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মানুষ জেনে যায়, তাই ডব্লিউএইচও বা স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
15. প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ কোন জেলায় রয়েছে?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - প্রাচীন গৌড় নগরীর ঐতিহাসিক ধ্বংসাবশেষ বা অংশবিশেষ বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। - মধ্যযুগে গৌড় ছিল বাংলা ও বিহারের রাজধানী এবং এর ঐতিহাসিক কীর্তিগুলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ হলেও প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশ এখানে অবস্থিত নয়। B) খুলনা — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা যা প্রাচীন গৌড় অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে পড়ে না। C) কুষ্টিয়া — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীবিধৌত একটি জেলা যার সাথে প্রাচীন গৌড় নগরীর কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো এই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: গৌড়ের আমড়াওয়ালা ও ঐতিহাসিক স্থানগুলোর জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিখ্যাত, এভাবে মনে রাখতে পারেন গৌড় মানেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
18. বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুটান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - এর ঠিক পরপরই একই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, যা ভুটান ও ভারতের পরে। B) ভারত — ভুটানের স্বীকৃতিদানের কয়েক ঘণ্টা পর ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, তাই এটি প্রথম নয়। C) ভুটান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ। ডি) জাপান — জাপান অনেক পরে ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় পাহাড় ঘেরা ছোট দেশ ভুটান, আর দ্বিতীয় দেশ হলো পরম বন্ধু ভারত।

মোট প্রশ্ন (12)

5. সিদ্ধ চালে কী পরিমাণ শ্বেতসার থাকে?
Created 1 day ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 79% ১. কেন সঠিক: সিদ্ধ চালে শ্বেতসারের পরিমাণ প্রায় ঊনআশি শতাংশ বা উনআশি ভাগ হয়ে থাকে। ধান সিদ্ধ করার প্রক্রিয়ায় চালের ভেতরের শ্বেতসার বা স্টার্চ কণাগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে জেলিটিনাইজড হয়, যা পুষ্টির মান বাড়ায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শ্বেতসার বা কার্বোহাইড্রেট হলো উদ্ভিদের শক্তি সঞ্চয়ের প্রধান মাধ্যম এবং পলিস্যাকারাইড জাতীয় খাদ্য উপাদান। কার্যপ্রণালি: ধান সিদ্ধ করার সময় তাপ ও জলের প্রভাবে চালের ভেতরের শ্বেতসার কণার গঠন পরিবর্তিত হয়ে সহজে হজমযোগ্য রূপে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত খাওয়ার পর শরীরে দ্রুত শক্তির জোগান পাওয়া। ব্যাখ্যা: ভাত উপস্থিত শ্বেতসার ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং রক্তে মিশে শক্তি উৎপাদনে অংশ নেয়। উদাহরণ ২: আলু বা চালে আয়োডিন দ্রবণ দেওয়া। ব্যাখ্যা: শ্বেতসারের উপস্থিতির কারণে আয়োডিনের সংস্পর্শে চাল বা আলু নীল রঙ ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 71% — এই পরিমাণটি সিদ্ধ চালে থাকে না, এটি অন্য কোনো খাদ্য উপাদানের ক্ষেত্রে বা আতপ চালের কিছু নির্দিষ্ট পুষ্টির হারের কাছাকাছি হতে পারে। B) 73% — এই মানটি সিদ্ধ চালের প্রধান পুষ্টি উপাদান শ্বেতসারের প্রকৃত বৈজ্ঞানিক পরিমাপের চেয়ে কম। C) 78% — এই সংখ্যাটি ৭৯ শতাংশের খুব কাছাকাছি হলেও খাদ্য পুষ্টি বিজ্ঞান ও শস্য উপাত্ত অনুযায়ী সিদ্ধ চালের স্টার্চের সঠিক মান নয়। D) 79% — এটি খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান অনুযায়ী সিদ্ধ চালে উপস্থিত শ্বেতসারের সঠিক ও পরীক্ষিত পরিমাণ। ৫ মনে রাখার টিপস: সিদ্ধ চালে শক্তি বা শ্বেতসার সবচেয়ে বেশি থাকে, যা আশি শতাংশের ঠিক এক ভাগ কম অর্থাৎ উনআশি শতাংশ। চাল সিদ্ধ করলেই তার ভেতরে শক্তির ভাণ্ডার পূর্ণাঙ্গভাবে উন্মুক্ত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রধান খাদ্য উপাদানের শতকরা হার প্রায়ই আসে। আতপ চাল এবং সিদ্ধ চালের পুষ্টি উপাদানের পার্থক্যের ওপর অন্যান্য বহু নির্বাচনী প্রশ্ন হতে পারে।

মোট প্রশ্ন (2)

2. লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করেছে কোন মহাদেশ থেকে?
Created 1 day ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকা ১. কেন সঠিক: লোহিত সাগর এবং সুয়েজ খাল একত্রে এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে ভৌগোলিকভাবে পৃথক করেছে। সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং এর ফলে আফ্রিকা এশিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি পৃথক স্থলভাগে পরিণত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: লোহিত সাগর আরব উপদ্বীপ ও আফ্রিকার সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত কৃত্রিম সামুদ্রিক জলপথ যা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল খননকাজ সম্পন্ন হয় এবং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: জিব্রাল্টার প্রণালি ব্যাখ্যা: এটি যেমন ইউরোপকে আফ্রিকা থেকে আলাদা করেছে, তেমনি সুয়েজ খাল ও লোহিত সাগর এশিয়াকে আফ্রিকা থেকে আলাদা করেছে। উদাহরণ ২: পানামা খাল ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে বিচ্ছিন্ন করে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এই মহাদেশটিকে এশিয়া থেকে আলাদা করেছে। B) ইউরোপ — ইউরোপ এশিয়া মহাদেশের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত এবং ইউরাল পর্বতমালা ও ইউরাল নদী দ্বারা এশিয়া থেকে আলাদা হয়েছে। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি স্বাধীন মহাদেশীয় ভূখণ্ড যা এশিয়া থেকে মহাসাগর দ্বারা বিচ্ছিন্ন। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা ও এশিয়াকে আলাদা করেছে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল, আর এই দুটি নাম মনে রাখলে উত্তর সহজেই নিশ্চিত করা যায়। সুয়েজ খাল মিশরে অবস্থিত যা আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণে এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন প্রণালি বা খাল কোন দুটি ভূখণ্ডকে আলাদা করেছে তা জানতে চাওয়া হয়। সুয়েজ খালের ভৌগোলিক অবস্থান এবং এটি কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।