a বিপরীত
b নিকৃষ্ট
c বিকৃত
d অভাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত ১. কেন সঠিক: - 'অপমান' শব্দটিতে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ 'মান'-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে 'মান' অর্থ সম্মান এবং তার বিপরীত বা উল্টো অর্থ হলো অসম্মান বা অপমান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি যার মধ্যে 'অপ' একটি অন্যতম প্রধান উপসর্গ যা বিপরীত, কু, অভাব ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপসংস্কৃতি ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ সংস্কৃতির পূর্বে বসে সংস্কৃতির বিপরীত বা বিকৃত একটি ধারাকে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: অপকর্ম ব্যাখ্যা: এখানে 'অপ' উপসর্গটি কর্ম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে ভালো কাজের বিপরীত অর্থাৎ খারাপ বা নিকৃষ্ট কাজকে নির্দেশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপরীত — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'অপমান' শব্দে 'অপ' উপসর্গটি সম্মানের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। B) নিকৃষ্ট — এই অপশনটি ভুল কারণ 'অপ' উপসর্গটি নিকৃষ্ট অর্থেও ব্যবহৃত হয় যেমন অপসংস্কৃতি, তবে 'অপমান' শব্দের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে। C) বিকৃত — এই অপশনটি ভুল কারণ বিকৃত অর্থ প্রকাশ করার জন্য 'অপ' উপসর্গ অন্য শব্দে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু 'অপমান' শব্দের ক্ষেত্রে এর মূল কাজ বিপরীত অর্থ দেওয়া। D) অভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ অভাব অর্থে সাধারণত 'নি' বা 'আ' উপসর্গ বেশি ব্যবহৃত হয়, 'অপ' উপসর্গ এখানে অভাব অর্থ প্রকাশ করছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মান মানে সম্মান, তার আগে অপ বসলে হয়ে যায় অপমান অর্থাৎ বিপরীত অর্থ। এভাবে বিপরীতার্থক ক্ষেত্রে 'অপ' উপসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো মূল শব্দের উল্টো অর্থ খোঁজা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কুড়িটি তৎসম উপসর্গের অর্থ ও তাদের উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই উপসর্গ যে বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0