a ক্ষিপ্র
b গম্ভীর
c রাশভারী
d ঠান্ডা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গম্ভীর ১. কেন সঠিক: - 'চঞ্চল' শব্দের অর্থ অস্থির, যার মন বা আচরণ স্থির নয়। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'গম্ভীর', যার অর্থ স্থির, শান্ত বা ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাবের বিপরীত ভাব প্রকাশকারী শব্দ নির্বাচন করতে হয়। - চঞ্চলতা মানুষের মনের একটি অস্থির অবস্থা, আর গম্ভীরতা হলো মন বা আচরণের স্থিরতা ও পরিপক্বতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চঞ্চল বালকটি আজ হঠাৎ খুব গম্ভীর হয়ে বসে আছে। ব্যাখ্যা: এখানে চঞ্চল ও গম্ভীর শব্দ দুটি বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদীটি চঞ্চল গতির হলেও গভীর অংশে তা অত্যন্ত গম্ভীর। ব্যাখ্যা: এখানে গতির অস্থিরতা এবং প্রকৃতির শান্ত রূপ বোঝাতে শব্দ দুটির বিপরীতার্থক ব্যবহার দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষিপ্র — ক্ষিপ্র শব্দের অর্থ দ্রুত বা চটপটে, যা চঞ্চল শব্দের প্রায় সমার্থক, বিপরীতার্থক নয়। B) গম্ভীর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চঞ্চলের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) রাশভারী — রাশভারী বলতে গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ বোঝায়, যা চঞ্চলের সরাসরি বিপরীতার্থক ব্যাকরণগত শব্দ নয়। D) ঠান্ডা — ঠান্ডা শব্দের অর্থ শীতল বা শান্ত, যা চঞ্চলের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চঞ্চল মানে যে স্থির থাকে না, আর গম্ভীর মানে যে শান্ত ও স্থির থাকে। - মানুষের স্বভাবের দিক থেকে অস্থিরতার বিপরীত হলো গাম্ভীর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থের গভীরতা বুঝতে হবে। - অনেক সময় কাছাকাছি অর্থবোধক শব্দ অপশনে থাকে, তাই সঠিক বিপরীত ভাবটি বেছে নিতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0