প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২।

পদের নাম: প্রধান শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

2. কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গায়ে হলুদ ১. কেন সঠিক: যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। গায়ে হলুদ কথাটিতে গায়ে পদের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে এবং সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও সেই বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাসে বিভক্তির পতন বা লোপ হয় না, তাকে অলুক সমাস বলে। তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, পঞ্চমী, ষষ্ঠী বা সপ্তমী বিভক্তি সমাস করার পরেও বহাল থাকে। গায়ে হলুদ হলো গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, যা সপ্তমী অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘিয়ে ভাজা ব্যাখ্যা: ঘিয়ে পদের 'এ' বিভক্তি লোপ না পেয়ে অলুক তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: কলের গান ব্যাখ্যা: কলের পদের 'এর' ষষ্টি বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহি-নকুল — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ, কারণ এখানে অহি ও নকুল উভয় পদের অর্থের প্রবান্য রয়েছে। B) গায়ে হলুদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের নির্দেশ করে। C) পীতাম্বর — এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যার অর্থ পীত অম্বর বা হলুদ বস্ত্র যার। D) রাজর্ষি — এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য রাজা যিনি ঋষি। ৫ মনে রাখার টিপস: বিভক্তিযুক্ত পদ যদি সমাসের পরেও তার বিভক্তি ধরে রাখে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অলুক সমাস বলবে। তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের বিভক্তি না গেলে তা অলুক তৎপুরুষ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অলুক সমাস মূলত তিন প্রকার যথা অলুক দ্বন্দ্ব, অলুক তৎপুরুষ ও অলুক বহুব্রীহি। পরীক্ষক প্রায়ই গায়ে হলুদ বা ঘিয়ে ভাজার মতো শব্দ দিয়ে অলুক সমাসের প্রকারভেদ জানতে চান।
4. অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আগামীকাল বাড়ি যাব ১. কেন সঠিক: বাক্যটিতে বাড়ি শব্দটি দ্বারা স্থান বা অধিকরণ বুঝিয়েছে এবং এর সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি। সময় বা স্থান নির্দেশক শব্দে সাধারণত অধিকরণ কারক হয় এবং সেখানে প্রায়ই শূন্য বিভক্তির প্রয়োগ ঘটে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ক্রিয়ার আধার বা যে স্থানে, যে সময়ে এবং যে বিষয়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। শব্দকে বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করতে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বিভক্তি বলে এবং কোনো বিভক্তি যুক্ত না হলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে ব্যাখ্যা: বনে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে স্থান বোঝাচ্ছে যা অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে ব্যাখ্যা: সকালে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে সময় বোঝাচ্ছে যা অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমার আহারে রুচি নাই — এখানে আহারে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে এবং এটি ভাবাধিকরণ বা অধিকরণ কারক হলেও শূন্য বিভক্তি নয়। B) আগামীকাল বাড়ি যাব — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি প্রযোজ্য কারণ বাড়ি শব্দটিতে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি নেই যা শূন্য বিভক্তির নির্দেশক। C) আকাশ মেঘে আচ্ছন্ন — এখানে মেঘে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে যা করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। D) কাজে অফুর নিলাম — এখানে কাজে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে যা অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৫ মনে রাখার টিপস: স্থান বা সময় বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হয়। কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থান ও সময়বাচক শব্দে শূন্য বিভক্তির ব্যবহার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে শব্দের রূপ দেখে বিভক্তি নির্ধারণ করতে হবে।
6. 'চঞ্চল' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গম্ভীর ১. কেন সঠিক: - 'চঞ্চল' শব্দের অর্থ অস্থির, যার মন বা আচরণ স্থির নয়। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'গম্ভীর', যার অর্থ স্থির, শান্ত বা ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাবের বিপরীত ভাব প্রকাশকারী শব্দ নির্বাচন করতে হয়। - চঞ্চলতা মানুষের মনের একটি অস্থির অবস্থা, আর গম্ভীরতা হলো মন বা আচরণের স্থিরতা ও পরিপক্বতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চঞ্চল বালকটি আজ হঠাৎ খুব গম্ভীর হয়ে বসে আছে। ব্যাখ্যা: এখানে চঞ্চল ও গম্ভীর শব্দ দুটি বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদীটি চঞ্চল গতির হলেও গভীর অংশে তা অত্যন্ত গম্ভীর। ব্যাখ্যা: এখানে গতির অস্থিরতা এবং প্রকৃতির শান্ত রূপ বোঝাতে শব্দ দুটির বিপরীতার্থক ব্যবহার দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষিপ্র — ক্ষিপ্র শব্দের অর্থ দ্রুত বা চটপটে, যা চঞ্চল শব্দের প্রায় সমার্থক, বিপরীতার্থক নয়। B) গম্ভীর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চঞ্চলের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) রাশভারী — রাশভারী বলতে গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ বোঝায়, যা চঞ্চলের সরাসরি বিপরীতার্থক ব্যাকরণগত শব্দ নয়। D) ঠান্ডা — ঠান্ডা শব্দের অর্থ শীতল বা শান্ত, যা চঞ্চলের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চঞ্চল মানে যে স্থির থাকে না, আর গম্ভীর মানে যে শান্ত ও স্থির থাকে। - মানুষের স্বভাবের দিক থেকে অস্থিরতার বিপরীত হলো গাম্ভীর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থের গভীরতা বুঝতে হবে। - অনেক সময় কাছাকাছি অর্থবোধক শব্দ অপশনে থাকে, তাই সঠিক বিপরীত ভাবটি বেছে নিতে হবে।
10. 'হনন করার ইচ্ছা' এক কথায় কী হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিঘাংসা ১. কেন সঠিক: - 'হনন করার ইচ্ছা' এক কথায় প্রকাশ করলে হয় জিঘাংসা। এখানে জিঘাংসা শব্দের মূল অর্থ হত্যার বা মারার ইচ্ছা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ অত্যন্ত কমন এবং এটি বারবার আসে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার সমৃদ্ধকরণের একটি অংশ। এর মাধ্যমে বড় একটি ভাবকে বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিশেষ ইচ্ছাকে প্রকাশ করতে নির্দিষ্ট কিছু তদ্ধিত বা ক্ত প্রত্যয়ান্ত শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাভ করার ইচ্ছা = লিপ্সা ব্যাখ্যা: কোনো কিছু পাওয়ার বা লাভ করার তীব্র বাসনাকে এক কথায় লিপ্সা বলা হয়। উদাহরণ ২: বেঁচে থাকার ইচ্ছা = জিবিষা ব্যাখ্যা: জীবন ধারণের বা বেঁচে থাকার ক্ষুধাকে এক কথায় জিবিষা বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হননেচ্ছা — এই শব্দটির প্রচলিত প্রমিত রূপ বা ব্যাকরণগত এককথায় প্রকাশ জিঘাংসা হিসেবেই স্বীকৃতি পায়। B) জিঘাংসা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশন নয়। C) হত্যা — হত্যা হলো কোনো জীবকে মেরে ফেলার সম্পন্ন কাজ, কিন্তু প্রশ্ন চাওয়া হয়েছে ইচ্ছা বা বাসনা। D) অদম্য — অদম্য হলো যাকে দমন করা যায় না, যা হনন করার ইচ্ছার সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মারার বা হনন করার ইচ্ছাকে জিঘাংসা এবং বেঁচে থাকার ইচ্ছাকে জিবিষা বলা হয়। এই দুটি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে গুলিয়ে যায়, তাই মিল রেখে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইচ্ছা সংক্রান্ত বাক্য সংকোচন যেমন মুমূর্ষু, জিঘাংসা, বুভুক্ষু প্রায়ই আসে। তাই এই বিশেষ শব্দগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
17. কোনটি Reflexive Pronoun?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Myself কেন সঠিক: - যে Pronoun বা সর্বনাম আত্মবাচক বা নিজকে বোঝাতে Verb-এর পরে বসে এবং Subject ও Object একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, তাকে Reflexive Pronoun বলে। - Myself শব্দটি I-এর Reflexive রূপ, যা এই ব্যাকরণগত নিয়ম সম্পূর্ণভাবে পূরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Each — এটি একটি Distributive Pronoun বা Adjective, যা ব্যক্তি বা বস্তুকে পৃথকভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) Who — এটি একটি Relative বা Interrogative Pronoun, যা প্রশ্ন করতে বা দুটি clause যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। C) Myself — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি Reflexive Pronoun, যা নিজে বা নিজেকে বোঝায়। D) He — এটি একটি Personal Pronoun (Subjective form), যা বাক্যের Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Personal Pronoun-এর শেষে self বা selves যুক্ত থাকলে এবং তা বাক্যের Subject-কে নির্দেশ করলে সেটি Reflexive Pronoun হয়।
18. Who is calling me? বাক্যটির Passive form হবে—
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom am I being called? কেন সঠিক: - Who যুক্ত Interrogative sentence-কে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসে এবং Tense অনুযায়ী am being, is being বা are being ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে Present Continuous Tense থাকায় Subject I-এর পরে am being এবং মূল Verb-এর Past Participle বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom I am being called? — এখানে সাহায্যকারী Verb (am) Subject-এর আগে না বসে পরে বসায় বাক্যটি প্রশ্নবোধক হয়নি। B) By whom I have been called? — এটি Present Perfect Tense-এর গঠন, যা মূল বাক্যের Tense-এর সঙ্গে মেলে না। C) By whom am I being called? — এটি সঠিক নিয়ম ও গঠন অনুসরণ করেছে। D) By whome have I been called? — whome বানানটি ভুল এবং এটি Perfect Tense নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করতে হলে প্রথমে By whom বসিয়ে Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb এবং Sub-এর পরে being যোগ করে মূল Verb-এর V3 বসাতে হয়।
19. Panic seized the writer বাক্যটির Passive form হবে—
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The writer was seized with panic কেন সঠিক: - Active Voice-এর Subject (Panic) এখানে Passive Voice-এ Preposition 'by'-এর পরিবর্তে 'with' গ্রহণ করেছে। - 'Panic' অমূর্ত বা মানসিক ভাব প্রকাশ করায় এর সাথে 'with' preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The writer was seized by panic — এখানে নিয়মানুযায়ী 'by' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয় কারণ Panic-এর সাথে 'with' বসে। B) The writer was seized with panic — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। C) The writer has been seized by panic — বাক্যটির Tense এবং Preposition উভয়ই মূল Active বাক্যের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) The writer had been seized with panic — মূল বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: মানসিক আবেগ বা ভয় যেমন panic, horror ইত্যাদি বোঝালে Passive Voice-এ by-এর বদলে with বসে।
22. কোনটি Abstract Noun?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Agency কেন সঠিক: - Agency একটি Abstract Noun কারণ এটি কোনো বস্তুগত বা দৃশ্যমান সত্তা নয়, বরং একটি ভাব, অবস্থা বা কার্যনির্বাহী প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। - এটি স্পর্শ করা যায় না, কেবল এর অস্তিত্ব উপলব্ধি করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agency — এটি সঠিক উত্তর। B) Infant — এটি Common Noun কারণ এটি শিশু বা শৈশবকালীন একটি নির্দিষ্ট শ্রেণಿಯನ್ನು বোঝায়। C) Anxious — এটি Adjective কারণ এটি কোনো অবস্থা বা বিশেষণের গুণ প্রকাশ করে। D) Grand — এটি Adjective কারণ এটি কোনো কিছুর চমৎকারিত্ব বা মহান ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যಾವ Noun বা বিশেষ্য দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা, ভাব বা কার্য বোঝায় এবং যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না, তাকে Abstract Noun বলে।
25. নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
Created 2 days ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Let you and me do it কেন সঠিক: - Let এর পর সবসময় প্রোনাউনের অবজেক্টিভ রূপ বসে। - you এবং me উভয়েই এখানে অবজেক্টিভ ফর্মে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am feeling unwell — এটি একটি সাধারণ বাক্য হলেও এখানে let জাতীয় ইমপারেটিভ সেন্টেন্সের কোনো নিয়ম প্রয়োগ হয়নি। B) The sceneries here are very beautiful — Scenery একটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই এর সাথে s বা es যুক্ত হয়ে plural হয় না। C) Let you and I do it — Let এর পর প্রোনাউনের সাবজেক্টিভ রূপ (I) বসে না, অবজেক্টিভ রূপ (me) বসতে হয়। D) Let you and me do it — এটি সঠিক কারণ let এর পর you এবং me দুটি প্রোনাউনই সঠিক অবজেক্টিভ ফর্মে আছে। মনে রাখার টিপস: Let দেখলেই প্রোনাউনের অবজেক্টিভ রূপ (me, him, her, us, them) ব্যবহার করতে হবে।
27. The nurse attended _ the patient. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - Attend verb-এর পর on preposition যুক্ত হলে তার অর্থ হয় সেবা করা বা যত্ন নেওয়া। - এখানে রোগীর সেবা করার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর on হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে রোগীর সেবা করা বা পরিচর্যা করার অর্থ প্রকাশ করায় এটি সঠিক উত্তর। B) to — Attend to অর্থ মনোযোগ দেওয়া বা কোনো কাজে মনোনিবেশ করা, যা রোগীর ক্ষেত্রে সরাসরি সেবা অর্থে প্রযোজ্য নয়। C) in — Attend in সাধারণত কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা রোগীর সেবার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) upon — Attend upon প্রায়শ সেবা করার অর্থে ব্যবহৃত হলেও, standard English-এ রোগীর ক্ষেত্রে attend on বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত নিয়ম। মনে রাখার টিপস: রোগী বা ব্যক্তির সেবা করার ক্ষেত্রে Attend-এর পর সবসময় on প্রিপজিশন বসে।
29. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Brochure কেন সঠিক: - প্রদত্ত বানানটি ফরাসি ভাষার উচ্চারণরীতি থেকে ইংরেজি ভাষায় গৃহীত হয়েছে যার অর্থ বিজ্ঞাপনপত্র বা পুস্তিকা। - এর সঠিক ইংরেজি বানান বিন্যাস হলো বি-আর-ও-সি-এইচ-ইউ-আর-ই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Brochur — এই বানানে শেষের ই অক্ষরটি বাদ পড়েছে যা বানানটিকে অসম্পূর্ণ করে তুলেছে। B) Brochure — এটি প্রশ্নানুসারে একমাত্র নির্ভুল ও মানসম্মত বানান। C) Broshur — এই বানানে সি-এইচ এর পরিবর্তে এস বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) Brosahure — এই বানানে অতিরিক্ত এ বর্ণ যুক্ত হয়েছে যা সঠিক গঠন নয়। মনে রাখার টিপস: ব্রোসিওর বানানের শেষে ইউ-আর-ই হয়, এই অংশটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
32. ১২.৫ এর ৫% কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
36. বার্ষিক শতকরা ৬ টাকা হার সুদে কত সময়ে ৪৫০ টাকার সুদ আসলে ৫৫৮ টাকা হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 minute ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ বছর প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৪৫০ টাকা সুদ-আসল (A) = ৫৫৮ টাকা সুদের হার (r) = ৬% ধরি, সময় = t বছর মোট সুদ (I) = সুদ-আসল − আসল I = ৫৫৮ − ৪৫০ = ১০৮ টাকা অতএব, আমরা জানি, সুদ (I) = (P × r × t) ÷ ১০০ এখানে মান বসিয়ে পাই, ১০৮ = (৪৫০ × ৬ × t) ÷ ১০০ সুতরাং, ১০৮ = ২৭০০t ÷ ১০০ ২৭t = ১০৮ উত্তর: t = ৪ বছর
37. x + ১/x = ৬ হলে, x² + ১/x² এর মান হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪ প্রদত্ত তথ্য: x + ১ تقسیم x = ৬ ধরি, প্রদত্ত রাশিটি হলো x² + ১ تقسیم x² অতএব, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই, x² + ১ تقسیم x² = (x + ১ تقسیم x)² − ২ সুতরাং, মানের পরিবর্তে ৬ বসিয়ে পাই, (৬)² − ২ = ৩৬ − ২ = ৩৪ উত্তর: ৩৪
40. একটি বানর ১৪ মিটার উঁচু পিচ্ছিল বাঁশের মাথায় উঠতে প্রথম সেকেন্ডে ৩ মিটার ওঠে এবং পরবর্তী সেকেন্ডে ১ মিটার নেমে আসে। বাঁশের মাথায় উঠতে বানরটির কত সময় লাগবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের মোট উচ্চতা = ১৪ মিটার প্রথম সেকেন্ডে ওটে = ৩ মিটার পরবর্তী সেকেন্ডে নামে = ১ মিটার ধরি, ২ সেকেন্ড বা ১ জোড়ায় কার্যকরভাবে ওটে = ৩ মিটার − ১ মিটার = ২ মিটার শেষের ১ সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ওটার হিসাব আলাদা করতে হবে অতএব, শেষ ৩ মিটার বাদ দিলে বাকি থাকে = ১৪ মিটার − ৩ মিটার = ১১ মিটার ২ মিটার উঠতে সময় লাগে = ২ সেকেন্ড সুতরাং, ১১ মিটার উঠতে সময় লাগে = (১১ ÷ ২) × ২ সেকেন্ড = ১১ সেকেন্ড শেষ ৩ মিটার উঠতে অতিরিক্ত সময় লাগে = ১ সেকেন্ড উত্তর: ১১ সেকেন্ড + ১ সেকেন্ড = ১২ সেকেন্ড
41. ৩ বছর আগে 'ক' এবং 'খ' এর গড় বয়স ছিল ১৫ বছর। 'ক', 'খ' এবং 'গ' এর বর্তমান গড় বয়স ২০ বছর। ৬ বছর পর 'গ' এর বয়স কত হবে?
Created 2 days ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ বছর প্রদত্ত তথ্য: ৩ বছর আগে ক এবং খ এর গড় বয়স ছিল ১৫ বছর ক, খ এবং গ এর বর্তমান গড় বয়স ২০ বছর ধরি, ৩ বছর আগে ক ও খ এর বয়সের সমষ্টি ছিল ১৫ × ২ = ৩০ বছর বর্তমান ক ও খ এর বয়সের সমষ্টি ৩০ + ৩ + ৩ = ৩৬ বছর অতএব, বর্তমান ক, খ ও গ এর বয়সের সমষ্টি ২০ × ৩ = ৬০ বছর বর্তমান গ এর বয়স ৬০ − ৩৬ = ২৪ বছর সুতরাং, ৬ বছর পর গ এর বয়স হবে ২৪ + ৬ = ৩০ বছর উত্তর: ৩০ বছর
42. পরীক্ষায় ক এর প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৭৫, ৮৫ ও ৮০। চতুর্থ পরীক্ষায় তাকে কত নম্বর পেতে হবে যেন তার গড় প্রাপ্ত নম্বর ৮২ হয়?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম তিনটি পরীক্ষার নম্বর যথাক্রমে ৭৫, ৮৫ ও ৮০ চতুর্থ পরীক্ষায় গড় নম্বর হতে হবে ৮২ ধরি, চারটি পরীক্ষার মোট নম্বর হবে ৮২ × ৪ = ৩২৮ প্রথম তিনটি পরীক্ষার মোট নম্বর = ৭৫ + ৮৫ + ৮০ = ২৪০ অতএব, চতুর্থ পরীক্ষায় নম্বর পেতে হবে = ৩২৮ − ২৪০ বিয়োগ করে পাই ৮৮ সুতরাং, চতুর্থ পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর হবে ৮৮ উত্তর: ৮৮
43. পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর এবং তাদের বয়সের অনুপাত ৭ : ৩। ৮ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত কত ছিল?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ ঃ ০৫ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৬০ বছর পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত = ৭ ঃ ৩ ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ৭ক বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ৩ক বছর অতএব, প্রশ্নমতে, ৭ক + ৩ক = ৬০ ১০ক = ৬০ ক = ৬ সুতরাং, পিতার বর্তমান বয়স = ৭ × ৬ = ৪২ বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ৩ × ৬ = ১৮ বছর উত্তর: ৮ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল (৪২ − ৮) ঃ (১৮ − ৮) = ৩৪ ঃ ১০ = ১৭ ঃ ০৫
48. বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফরিদপুর কেন সঠিক: - ফরিদপুর জেলাকে পাট উৎপাদনের ক্ষেত্রে শীর্ষস্থান অধিকারী হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এখানে পাট চাষের জন্য উপযুক্ত উর্বর দোআঁশ মাটি রয়েছে। - আবহাওয়া এবং অনুকূল পরিবেশের কারণে এই অঞ্চলে উৎপাদিত পাটের মান অত্যন্ত উন্নত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি পাট উৎপাদনের জন্য পরিচিত একটি জেলা হলেও পাট উৎপাদনে শীর্ষস্থান অধিকারকারী জেলা নয়। B) রংপুর — এই জেলায় প্রচুর পাট উৎপাদিত হলেও এটি দেশের সর্বোচ্চ পাট উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) টাঙ্গাইল — এই অঞ্চলে কিছু পরিমাণ পাট উৎপাদিত হলেও উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে এটি শীর্ষে অবস্থান করে না। D) ফরিদপুর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাংলাদেশে সর্বোচ্চ পরিমাণ পাট উৎপাদনকারী জেলা। মনে রাখার টিপস: পাট উৎপাদনে ফ দিয়ে ফরিদপুর মনে রাখতে পারেন।
50. এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণকারী দ্বিতীয় বাংলাদেশি কে?
Created 2 days ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এম. এ মুহিত কেন সঠিক: - এম. এ মুহিত ২০১১ সালের ২১ মে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন এবং তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। - তিনি ২০১০ সালে প্রথমবার এভারেস্টে ব্যর্থ হলেও ২০১১ সালে সফলভাবে চূড়ায় পৌঁছান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুসা ইব্রাহিম — ইনি ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছিলেন, দ্বিতীয় নন। B) নিশাত মজুমদার — ইনি ২০১২ সালের ১৯ মে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন। C) ওয়াসফিয়া নাজরীন — ইনি ২০১২ সালের ২৬ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন। D) এম. এ মুহিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুসা প্রথম এবং মুহিত দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এভারেস্ট জয় করেন।
51. ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী কত খ্রীষ্টাব্দে বঙ্গ জয় করেন?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০৪ খ্রি. কেন সঠিক: - ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে নদীয়া আক্রমণ করে লক্ষণ সেনকে পরাজিত করেন এবং বাংলা জয় করেন। - বাংলার মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এই সালটি ঐতিহাসিক ও পরীক্ষামূলকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০৪ খ্রি. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বখতিয়ার খিলজী নদীয়া জয় করেন। B) ১২০৫ খ্রি. — এই সালে নদীয়া জয় করা হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১২০৬ খ্রি. — এটি বখতিয়ার খিলজীর তিব্বত অভিযানের সাল, বঙ্গ জয়ের সাল নয়। D) ১২০৮ খ্রি. — এই সালের সঙ্গে বঙ্গ জয়ের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বখতিয়ার খিলজী ১২০৪ সালে বাংলায় আসেন, এভাবে মনে রাখুন বখতিয়ার মানেই ১২০৪।
52. বাংলাদেশের জ্বালানি তেল শোধনাগারটি কোথায় অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত। - দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে এই শোধনাগারটি আমদানিকৃত ক্রুড অয়েল বা আউড তেল পরিশোধন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশের প্রধান জ্বালানি তেল শোধনাগারটি এখানেই অবস্থিত। B) নারায়ণগঞ্জ — নারায়ণগঞ্জ ভারী শিল্প ও নদী বন্দরের জন্য পরিচিত হলেও এখানে কোনো তেল শোধনাগার নেই। C) পার্বতীপুর — পার্বতীপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল জংশন ও তেল ডিপো এলাকা, তবে এখানে কোনো তেল শোধনাগার নেই। D) চন্দ্রঘোনা — চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের জন্য বিখ্যাত, এটি কোনো তেল শোধনাগার নয়। মনে রাখার টিপস: তেল শোধনাগার বলতে বন্দর নগরী চট্টগ্রামকে মনে রাখবে কারণ সমুদ্রপথে আমদানیکৃত তেল খালাসের জন্য এটি সবচেয়ে সুবিধাজনক স্থান।
53. বাংলাদেশের রণসংগীতটির সুরকার কে?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে ব্যবহৃত 'চল চল চল' গানটির রচয়িতা ও সুরকার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার এই গানটিকে সামরিক বাহিনীর রণসংগীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলার রচয়িতা ও সুরকার, রণসংগীতের নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) সমর দাস — তিনি বাংলাদেশের অনেকগুলো মুক্তিসংগীত ও যন্ত্রসংগীতের সুরকার হলেও এই রণসংগীতের সুরকার নন। D) শেখ লুৎফর রহমান — তিনি বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের একজন বিখ্যাত সুরকার হলেও এই গানটির সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের রণসংগীত চল চল চল লিখেছিলেন এবং এর সুরও তিনিই করেছিলেন।
54. 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসাবে ঘোষণা করা হয় কোন তারিখ?
Created 2 days ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ জুন তারিখটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। - ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বে পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ এপ্রিল — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয় এবং এই তারিখে আন্তর্জাতিকভাবে পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো প্রধান দিবস পালন করা হয় না। B) ৫ মে — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয়, এটি মূলত আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ বা ধাত্রী দিবস হিসেবে পরিচিত। C) ৫ জুন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) ৫ জুলাই — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয়, এই তারিখে সাধারণত পরিবেশ বিষয়ক কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক দিবস থাকে না। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় জুনের ৫ তারিখ মনে রাখতে 'পাচের জুন, পরিবেশের গুণ' এই কথাটি মনে রাখতে পারো।
55. সাধারণ পরিষদের বার্ষিক নিয়মিত অধিবেশন শুরু হয় কখন থেকে?
Created 2 days ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার থেকে কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক নিয়মিত অধিবেশন প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সদর দফতরে শুরু হয়। - জাতিসংঘ সনদের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ পরিষদের এই নিয়মিত অধিবেশন বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে আহ্বান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগস্ট মাসের দ্বিতীয় মঙ্গলবার থেকে — এই সময়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন শুরু হওয়ার কোনো সাংবিধানিক বা নিয়ম নির্ধারিত নেই। B) আগস্ট মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার থেকে — এটি ভুল তথ্য কারণ আগস্ট মাসে সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন বসার নিয়ম নেই। C) সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় মঙ্গলবার থেকে — এটি ভুল কারণ অধিবেশন শুরুর সঠিক দিনটি সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নয়, বরং তৃতীয় সপ্তাহে নির্ধারিত। D) সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার থেকে — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিন থেকেই সাধারণত বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহণে সাধারণ বিতর্ক শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের অধিবেশন শুরুর নিয়ম মনে রাখতে সেপ্টেম্বর মাস এবং তৃতীয় মঙ্গলবার এই দুটি তথ্য মনে রাখবে।
56. জাতিসংঘ মহাসচিবের মেয়াদকাল কত বছর?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ বছর প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী সাধারণ পরিষদের সুপারিশে নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে মহাসচিব নির্বাচিত হন। - বর্তমান বিধান অনুসারে জাতিসংঘের মহাসচিবের চাকরির মেয়াদকাল ৫ বছর এবং তিনি পুনঃনির্বাচিত হতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ বছর — এটি আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের কিছু পদের মেয়াদ হলেও জাতিসংঘের মহাসচিবের পদের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ৪ বছর — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ৪ বছর, যা জাতিসংঘের মহাসচিব পদের সঙ্গে মেলে না। C) ৫ বছর — এটি নির্ধারিত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ৬ বছর — জাতিসংঘের অনেক বিচারক বা পদের মেয়াদ ৬ বছর হলেও মহাসচিবের ক্ষেত্রে এটি ৫ বছর। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের মহাসচিবের ৫ অক্ষর এবং তাঁর মেয়াদকালও ৫ বছর।
57. ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান। - ১৯৫৬ সালে তৎকালীন সরকারের সহযোগিতায় তিনি এই ঐতিহাসিক শহীদ মিনারের নকশা তৈরি ও নির্মাণের কাজ শুরু করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং ঢাকা চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ মিনারের স্থপতি নন। B) হামিদুর রহমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) এস এম সুলতান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ও বিশ্বনন্দিত চিত্রশিল্পী, যিনি গ্রামীণ জীবন ও কৃষক সমাজ নিয়ে ছবি এঁকেছেন। D) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশাকার। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমানকে মনে রাখতে "শ" দিয়ে "শহীদ মিনার" এবং "হ" দিয়ে "হামিদুর রহমান" মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
58. ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁন এর জন্মস্থান কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কেন সঠিক: - ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুরকার ও বহুমুখী প্রতিভাধর সংগীতশিল্পী ছিলেন। - তার জন্ম তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাঙ্গাইল — এটি ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁনের জন্মস্থান নয়, এটি অন্য একটি জেলা। B) কুমিল্লা — এটি ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁনের জন্মস্থান নয়, যদিও এটি তার কর্মজীবনের সঙ্গে কিছুটা সম্পর্কিত হতে পারে। C) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি এই জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। D) কলিকাতা — এটি ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁনের জন্মস্থান নয়, এটি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী ও একটি ভিন্ন শহর। মনে রাখার টিপস: ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁন সুরের জাদুকর এবং তার জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়ীয়া মনে রাখতে 'আলাউদ্দিন ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া' একত্রে স্মরণ রাখুন।
59. বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
Created 2 days ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এ এন হামিদুল্লাহ কেন সঠিক: - এ এন হামিদুল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর হিসেবে ১৯৭২ সালের ১২ই জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার অনুযায়ী দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ এন হামিদুল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন। B) মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিন — তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সপ্তম গভর্নর ছিলেন, প্রথম নন। C) ফেরদৌস হোসেন — তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন না। D) খোরশেদ আলম — তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর হলেন হামিদুল্লাহ, যা মনে রাখতে প্রথম নামের প্রথম অক্ষর 'এ' এবং হামিদুল্লাহর 'হ' দিয়ে 'আহ' বা প্রথম ব্যক্তি হিসেবে মাথায় রাখতে পারেন।
63. বাড়িতে ব্যবহৃত ফ্রিজ হিমায়করূপে ব্যবহৃত হয়—
Created 2 days ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রিয়ন/অ্যামোনিয়া ১. কেন সঠিক: - রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজে হিমায়ক হিসেবে এমন পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা খুব সহজে বাষ্পীভূত হতে পারে এবং চারপাশ থেকে তাপ শোষণ করে শীতলতা তৈরি করতে পারে। - ফ্রিয়ন গ্যাস এবং অ্যামোনিয়া তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হওয়ার সময় প্রচুর সুপ্ততাপ শোষণ করে, যা ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রাকে কমিয়ে রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হিমায়ক বা রেফ্রিজারেন্ট হলো এমন একটি রাসায়নিক পদার্থ যা কম স্ফুটনাঙ্কের কারণে বদ্ধ সিস্টেমে সংনচন ও প্রসারণের মাধ্যমে ঠান্ডা উৎপন্ন করতে পারে। - কার্যপ্রণালি: কম্প্রেসার হিমায়ক গ্যাসকে সংকুচিত করে উচ্চ চাপ ও উষ্ণতা সৃষ্টি করে, যা পরে ঘনীভবন কয়েলের মাধ্যমে তাপ ছেড়ে তরলে পরিণত হয় এবং ঠান্ডা করে। - বাস্তব প্রয়োগ: গৃহস্থালির রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং শিল্প কারখানার কোল্ড স্টোরেজে এই নীতি ব্যবহার করে খাদ্যদ্রব্য ও ঔষধি সামগ্রী সংরক্ষণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গৃহস্থালির রেফ্রিজারেটর। ব্যাখ্যা: এর ভেতরে থাকা কয়েলের মধ্য দিয়ে ফ্রিয়ন গ্যাস প্রবাহিত হওয়ার সময় ফ্রিজের ভেতরের খাবার থেকে তাপ শোষণ করে বাইরে বের করে দেয়, ফলে ফ্রিজ ঠান্ডা থাকে। উদাহরণ ২: এয়ার কন্ডিশনার বা এসি। ব্যাখ্যা: এসির ভেতরের হিমায়ক ঘরের গরম বাতাস থেকে তাপ শোষণ করে তা বাইরে পাঠিয়ে দেয় এবং ঠান্ডা বাতাস ঘরে ছড়িয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিয়ান — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা বৈদ্যুতিক বাল্ব এবং সাইনবোর্ডে ব্যবহৃত হয় কিন্তু হিমায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। B) ফ্রিয়ন/অ্যামোনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পদার্থগুলোর তাপ শোষণ ক্ষমতা ও বাষ্পীভবন বৈশিষ্ট্য হিমায়ক হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী। C) স্পিরিট — এটি একটি উদ্বায়ী তরল যা ত্বক ঠান্ডা করতে পারে, তবে ফ্রিজের কমপ্রেসর সিস্টেমে দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর হিমায়ক হিসেবে এটি উপযুক্ত নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফ্রিজে ঠান্ডা করার জন্য বিশেষ গ্যাস বা তরল লাগে, যার নাম ফ্রিয়ন বা অ্যামোনিয়া। - ফ্রিজের হিমায়ক মনে রাখতে এফ অক্ষরটি দিয়ে ফ্রিয়ন এবং এ অক্ষরটি দিয়ে অ্যামোনিয়া মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশের সুরক্ষায় বর্তমানে ওজোন স্তর ধ্বংসকারী ফ্রিয়ন গ্যাসের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব হাইড্রোফ্লোরোকার্বন ব্যবহার করা হয়। - এই প্রশ্নটি তাপগতিবিদ্যা এবং দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োগ অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।
69. কোনটি চা-গাছে রোগ সৃষ্টি করে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছত্রাক ১. কেন সঠিক: চা-গাছে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির জন্য মূলত ছত্রাক দায়ী। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত রোগটি হলো লাল মরচে রোগ, যা এক ধরনের ছত্রাকের আক্রমণে চা-পাতায় দেখা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও অণুজীববিজ্ঞানের আলোচনায় ছত্রাক উদ্ভিদের নানা ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টি করে। চা-গাছে ছত্রাক আক্রমণ করে পাতার কোষে পুষ্টি উপাদান শোষণ করে এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চা-গাছের লাল মরচে রোগ। ব্যাখ্যা: এই রোগে চা-পাতায় বাদামি বা লাল রঙের ছোপ দেখা যায়, যা মূলত ছত্রাক সংক্রমণের কারণে ঘটে। উদাহরণ ২: চা-গাছের ব্লাট ব্লাইট রোগ। ব্যাখ্যা: এটিও একটি ছত্রাকজনিত রোগ, যা চা পাতার ব্যাপক ক্ষতি করে এবং চা পাতার উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈবাল — শৈবাল সাধারণত স্বভোজী এবং এরা সরাসরি চা-গাছে এ ধরনের রোগ সৃষ্টি করে না, তবে কিছু শৈবাল পাতার উপরিভাগে জন্মাতে পারে। B) ছত্রাক — এই অপশনটি সঠিক কারণ চা-গাছে রোগ সৃষ্টির পেছনে প্রধানত ছত্রাকের সংক্রমণ কাজ করে। C) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া উদ্ভিদে রোগ সৃষ্টি করলেও চা-গাছে প্রধান বা সর্বাধিক পরিচিত রোগগুলো ছত্রাক দ্বারাই হয়ে থাকে। D) ভাইরাস — ভাইরাসের আক্রমণ চা-গাছে হতে পারে, তবে পরীক্ষার প্রশ্ন অনুযায়ী চা-গাছের প্রধান রোগ সৃষ্টিকারী হিসেবে ছত্রাককেই গণ্য করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চা পাতা সবুজ রাখতে হয় চকচকে, আর চা গাছের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ছত্রাক। চা পাতার রোগ মানেই ছত্রাকের আক্রমণ এটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদ রোগ ও অণুজীবের নাম প্রায়ই আসে। চা-গাছের লাল মরচে রোগ কোন অণুজীবের কারণে হয়, এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার দেখা যায়।
71. বাতাসের আর্দ্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র—
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাইগ্রোমিটার ১. কেন সঠিক: - হাইগ্রোমিটার এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে বাতাসে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আর্দ্রতা সরাসরি মাপা যায়। - আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণের জন্য বায়ুমণ্ডলের এই আর্দ্রতা নিখুঁতভাবে জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাপের জন্য হাইগ্রোমিটার ব্যবহার করা হয়। - কার্যপ্রণালি: এই যন্ত্রটি বিভিন্ন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যেমন শুকনা ও ভেজা বাল্ব থার্মোমিটার বা চুলভিত্তিক হাইগ্রোমিটার। - বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়া অফিস বৃষ্টির পূর্বাভাস দিতে এবং গ্রিনহাউসে উদ্ভিদের সঠিক পরিবেশ বজায় রাখতে এই যন্ত্র ব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়া দপ্তর ব্যাখ্যা: আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে যখন বলা হয় বাতাসের আর্দ্রতা ৮০%, তখন তা হাইগ্রোমিটারের মাধ্যমেই পরিমাপ করা হয়। উদাহরণ ২: আবহাওয়া ও কৃষি ব্যাখ্যা: কৃষিক্ষেত্রে গাছের সঠিক বৃদ্ধির জন্য বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা কত থাকা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করতে হাইগ্রোমিটার সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাদোমিটার — ফ্যাদোমিটার হলো সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করার যন্ত্র, যা আর্দ্রতা মাপে না। B) হাইগ্রোমিটার — বাতাসের আর্দ্রতা নির্ণয় করার সঠিক যন্ত্র হলো এই হাইগ্রোমিটার। C) ব্যারোমিটার — ব্যারোমিটার হলো বায়ুমণ্ডলের চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র, আর্দ্রতা নয়। D) অ্যামিটার — অ্যামিটার হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহমাত্রা পরিমাপ করার যন্ত্র, যা আবহাওয়ার সঙ্গে যুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হাই শব্দের সঙ্গে আর্দ্রতার সম্পর্ক মনে রাখতে পারো। বাতাসে হাইড্রেটেড বা জলীয় বাষ্প থাকে, তাই হাইগ্রোমিটার মানে আর্দ্রতা মাপা যন্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্রের নাম আসে। যেমন, উচ্চতা মাপার যন্ত্র অল্টিমিটার এবং বাতাসের গতি মাপার যন্ত্র অ্যানিমোমিটার।
73. কম্পিউটারের মেমোরি ভাগ করা হয়েছে—
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন ভাগে ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার স্থাপত্য বা মেমোরি সংগঠনের দিক থেকে প্রধান মেমোরিকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো প্রাইমারি মেমোরি, সেকেন্ডারি মেমোরি এবং ক্যাশ মেমোরি যা প্রসেসর ও মূল মেমোরির মধ্যে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটারের মেমোরি হলো এমন একটি মাধ্যম যেখানে ডেটা, নির্দেশাবলি এবং ফলাফল সংরক্ষিত থাকে। কার্যপদ্ধতি: ক্যাশ মেমোরি দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করে, প্রাইমারি মেমোরি বর্তমান কাজের ডেটা ধরে রাখে এবং সেকেন্ডারি মেমোরি দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণের কাজ করে। ব্যবহার: কাজের গতি বৃদ্ধি এবং বিপুল পরিমাণ ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করার জন্য মেমোরির এই বিভাগগুলো ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: র‍্যাম ব্যাখ্যা: এটি প্রাইমারি মেমোরির অংশ যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় বর্তমান কাজের ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। উদাহরণ ২: হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ ব্যাখ্যা: এটি সেকেন্ডারি মেমোরির অংশ যা সফটওয়্যার এবং ফাইল চিরতরে বা ব্যবহারকারী মুছে না ফেলা পর্যন্ত সংরক্ষণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই ভাগে — মেমোরিকে শুধু দুই ভাগে (যেমন প্রধান ও সহকারী) ভাগ করা আধুনিক কম্পিউটার স্থাপত্যে সম্পূর্ণ নয় কারণ ক্যাশ মেমোরির গুরুত্ব অপরিসীম। B) তিন ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেমোরিকে প্রধানত ক্যাশ, প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। C) চার ভাগে — মেমোরির প্রচলিত প্রাথমিক শ্রেণিবিন্যাস চার ভাগে করা হয় না, তাই এটি সঠিক নয়। D) পাঁচ ভাগে — মেমোরিকে পাঁচ ভাগে ভাগ করার কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা স্বীকৃত কম্পিউটার বিজ্ঞানভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার মেমোরির মূল ভাগ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো তিন সি.পি.এস অর্থাৎ ক্যাশ, প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ক্যাশ মেমোরি কোন দুটি উপাদানের মাঝে কাজ করে, যার উত্তর হলো সিপিইউ এবং প্রধান মেমোরি।
74. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাড়িয়াভাঙ্গা ১. কেন সঠিক: - দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ অঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার নিকটবর্তী হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। - নদীটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে এবং এর পলি জমে এই দ্বীপটি গঠিত হয়েছিল। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী বঙ্গোপসাগরের মোহনায় হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মুখে অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ। - বৈশিষ্ট্য: সামুদ্রিক স্রোত ও নদীর পলি জমার মাধ্যমে সৃষ্ট এই দ্বীপটি প্রাকৃতিক ক্ষয় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বর্তমানে সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভোলা দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ যা মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে গঠিত হয়েছে এবং নদীর ভাঙন ও গড়ার প্রক্রিয়ার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: নিঝুম দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার কাছে মেঘনার মোহনায় জেগে ওঠা একটি পলিদ্বীপ যা উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুশিয়ারা — এটি সুরমা নদীর একটি শাখা নদী যা সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এর মোহনায় কোনো দ্বীপ নেই। B) আড়িয়াল খাঁ — এটি পদ্মা নদীর একটি শাখা নদী যা মাদারীপুর ও বরিশাল অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিশখালী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। D) ফেনী — এটি মূলত ফেনী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি নদী যা বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে কিন্তু এর মোহনায় দক্ষিণ তালপট্টি অবস্থিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর নাম মনে রাখলেই দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অবস্থান সহজে চিহ্নিত করা যায় কারণ এটি ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোহনায় অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক সীমানা ও নদীভিত্তিক দ্বীপের অবস্থান থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - আন্তর্জাতিক নদী ও সীমান্তসংলগ্ন দ্বীপগুলোর বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
76. যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে বলে—
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিয়ত বায়ু ১. কেন সঠিক: উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ুর স্বাভাবিক প্রবাহই হলো নিয়ত বায়ু। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে বায়ুচাপের যে স্থায়ী পার্থক্য তৈরি হয়, তার ফলেই এই বায়ু সারা বছর নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: পৃথিবীর স্থায়ী বায়ুচাপ বলয়গুলোর মধ্যে সারা বছর একই দিকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়। কারণ ও প্রভাব: পৃথিবীর আহ্নিক গতি এবং তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে বায়ুর চাপ বলয় সৃষ্টি হয়, যা বিশ্বজুড়ে জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: অয়ন বায়ু ব্যাখ্যা: এটি এক প্রকার নিয়ত বায়ু যা কর্কট ও মকর উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। উদাহরণ ২: পশ্চিমা বায়ু ব্যাখ্যা: এটিও নিয়ত বায়ুর একটি উদাহরণ যা ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্তীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অয়ন বায়ু — এটি নিয়ত বায়ুর একটি নির্দিষ্ট প্রকার মাত্র, সমগ্র বায়ুপ্রবাহের সাধারণ নাম নয়। B) প্রত্যয়ন বায়ু — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক বা ভৌগোলিক বায়ুপ্রবাহের নাম নয়, বরং এটি একটি ভুল শব্দ। C) নিয়ত বায়ু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সব সময় উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। D) মৌসুমী বায়ু — এটি নিয়ত বায়ু নয়, বরং এটি ঋতু পরিবর্তনের সাথে দিক পরিবর্তনকারী বায়ুপ্রবাহ। ৫. মনে রাখার টিপস: নিয়ত মানে যা নিয়মিত বা সব সময় একই নিয়মে চলে। উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে বাতাস সব সময় এক নিয়মেই বয় বলে একে নিয়ত বায়ু বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়ত বায়ুর শ্রেণিবিভাগ যেমন অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বায়ুচাপ বলয়গুলোর অবস্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
80. পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ—
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলে প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী চীনকে পেছনে ফেলে ভারত বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটির উর্বর সমভূমি ও অনুকূল জলবায়ু জনঘনত্ব বৃদ্ধির প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়া মহাদেশের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত এবং এর উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা ঘেরা। বৈশিষ্ট্য: বিশাল গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার উর্বর পলিমাটি এবং নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু ঘন জনবসতির প্রধান কারণ। সংশ্লিষ্ট তথ্য: বর্তমান জনমিতি বিশ্লেষণ অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটির অধিক এবং এই ধারা এখনও ঊর্ধ্বমুখী। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: গঙ্গা সমভূমি অঞ্চল। ব্যাখ্যা: উর্বর মাটি ও পর্যাপ্ত পানির সুব্যবস্থার কারণে এই অঞ্চলে ভারতের সর্বোচ্চ জনঘনত্ব লক্ষ করা যায়। উদাহরণ ২: থর মরুভূমি অঞ্চল। ব্যাখ্যা: প্রতিকূল জলবায়ু ও পানির স্বল্পতার কারণে এই অঞ্চলে জনবসতি অত্যন্ত বিরল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এর সাইবেরিয়া অঞ্চলের চরম ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের তৃতীয় জনবহুল দেশ এবং উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি উন্নত রাষ্ট্র। D) চীন — এটি দীর্ঘকাল বিশ্বের শীর্ষ জনবহুল দেশ ছিল, তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে ভারত একে অতিক্রম করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যায় এখন শীর্ষে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, দুই নম্বরে পূর্ব এশিয়ার চীন। এভাবে মনে রাখলে কখনোই ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক জনসংখ্যা পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে দ্বিতীয় জনবহুল দেশ বা সবচেয়ে জনবহুল মহাদেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (15)

7. 'হনন করার ইচ্ছা' এক কথায় কী হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিঘাংসা ১. কেন সঠিক: - 'হনন করার ইচ্ছা' এক কথায় প্রকাশ করলে হয় জিঘাংসা। এখানে জিঘাংসা শব্দের মূল অর্থ হত্যার বা মারার ইচ্ছা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ অত্যন্ত কমন এবং এটি বারবার আসে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার সমৃদ্ধকরণের একটি অংশ। এর মাধ্যমে বড় একটি ভাবকে বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিশেষ ইচ্ছাকে প্রকাশ করতে নির্দিষ্ট কিছু তদ্ধিত বা ক্ত প্রত্যয়ান্ত শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাভ করার ইচ্ছা = লিপ্সা ব্যাখ্যা: কোনো কিছু পাওয়ার বা লাভ করার তীব্র বাসনাকে এক কথায় লিপ্সা বলা হয়। উদাহরণ ২: বেঁচে থাকার ইচ্ছা = জিবিষা ব্যাখ্যা: জীবন ধারণের বা বেঁচে থাকার ক্ষুধাকে এক কথায় জিবিষা বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হননেচ্ছা — এই শব্দটির প্রচলিত প্রমিত রূপ বা ব্যাকরণগত এককথায় প্রকাশ জিঘাংসা হিসেবেই স্বীকৃতি পায়। B) জিঘাংসা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশন নয়। C) হত্যা — হত্যা হলো কোনো জীবকে মেরে ফেলার সম্পন্ন কাজ, কিন্তু প্রশ্ন চাওয়া হয়েছে ইচ্ছা বা বাসনা। D) অদম্য — অদম্য হলো যাকে দমন করা যায় না, যা হনন করার ইচ্ছার সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মারার বা হনন করার ইচ্ছাকে জিঘাংসা এবং বেঁচে থাকার ইচ্ছাকে জিবিষা বলা হয়। এই দুটি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে গুলিয়ে যায়, তাই মিল রেখে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইচ্ছা সংক্রান্ত বাক্য সংকোচন যেমন মুমূর্ষু, জিঘাংসা, বুভুক্ষু প্রায়ই আসে। তাই এই বিশেষ শব্দগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
11. কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গায়ে হলুদ ১. কেন সঠিক: যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। গায়ে হলুদ কথাটিতে গায়ে পদের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে এবং সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও সেই বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাসে বিভক্তির পতন বা লোপ হয় না, তাকে অলুক সমাস বলে। তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, পঞ্চমী, ষষ্ঠী বা সপ্তমী বিভক্তি সমাস করার পরেও বহাল থাকে। গায়ে হলুদ হলো গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, যা সপ্তমী অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘিয়ে ভাজা ব্যাখ্যা: ঘিয়ে পদের 'এ' বিভক্তি লোপ না পেয়ে অলুক তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: কলের গান ব্যাখ্যা: কলের পদের 'এর' ষষ্টি বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহি-নকুল — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ, কারণ এখানে অহি ও নকুল উভয় পদের অর্থের প্রবান্য রয়েছে। B) গায়ে হলুদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের নির্দেশ করে। C) পীতাম্বর — এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যার অর্থ পীত অম্বর বা হলুদ বস্ত্র যার। D) রাজর্ষি — এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য রাজা যিনি ঋষি। ৫ মনে রাখার টিপস: বিভক্তিযুক্ত পদ যদি সমাসের পরেও তার বিভক্তি ধরে রাখে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অলুক সমাস বলবে। তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের বিভক্তি না গেলে তা অলুক তৎপুরুষ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অলুক সমাস মূলত তিন প্রকার যথা অলুক দ্বন্দ্ব, অলুক তৎপুরুষ ও অলুক বহুব্রীহি। পরীক্ষক প্রায়ই গায়ে হলুদ বা ঘিয়ে ভাজার মতো শব্দ দিয়ে অলুক সমাসের প্রকারভেদ জানতে চান।
13. অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আগামীকাল বাড়ি যাব ১. কেন সঠিক: বাক্যটিতে বাড়ি শব্দটি দ্বারা স্থান বা অধিকরণ বুঝিয়েছে এবং এর সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি। সময় বা স্থান নির্দেশক শব্দে সাধারণত অধিকরণ কারক হয় এবং সেখানে প্রায়ই শূন্য বিভক্তির প্রয়োগ ঘটে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ক্রিয়ার আধার বা যে স্থানে, যে সময়ে এবং যে বিষয়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। শব্দকে বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করতে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বিভক্তি বলে এবং কোনো বিভক্তি যুক্ত না হলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে ব্যাখ্যা: বনে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে স্থান বোঝাচ্ছে যা অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে ব্যাখ্যা: সকালে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে সময় বোঝাচ্ছে যা অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমার আহারে রুচি নাই — এখানে আহারে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে এবং এটি ভাবাধিকরণ বা অধিকরণ কারক হলেও শূন্য বিভক্তি নয়। B) আগামীকাল বাড়ি যাব — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি প্রযোজ্য কারণ বাড়ি শব্দটিতে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি নেই যা শূন্য বিভক্তির নির্দেশক। C) আকাশ মেঘে আচ্ছন্ন — এখানে মেঘে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে যা করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। D) কাজে অফুর নিলাম — এখানে কাজে শব্দটিতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে যা অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৫ মনে রাখার টিপস: স্থান বা সময় বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হয়। কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থান ও সময়বাচক শব্দে শূন্য বিভক্তির ব্যবহার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে শব্দের রূপ দেখে বিভক্তি নির্ধারণ করতে হবে।
15. 'চঞ্চল' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গম্ভীর ১. কেন সঠিক: - 'চঞ্চল' শব্দের অর্থ অস্থির, যার মন বা আচরণ স্থির নয়। - এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'গম্ভীর', যার অর্থ স্থির, শান্ত বা ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাবের বিপরীত ভাব প্রকাশকারী শব্দ নির্বাচন করতে হয়। - চঞ্চলতা মানুষের মনের একটি অস্থির অবস্থা, আর গম্ভীরতা হলো মন বা আচরণের স্থিরতা ও পরিপক্বতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চঞ্চল বালকটি আজ হঠাৎ খুব গম্ভীর হয়ে বসে আছে। ব্যাখ্যা: এখানে চঞ্চল ও গম্ভীর শব্দ দুটি বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদীটি চঞ্চল গতির হলেও গভীর অংশে তা অত্যন্ত গম্ভীর। ব্যাখ্যা: এখানে গতির অস্থিরতা এবং প্রকৃতির শান্ত রূপ বোঝাতে শব্দ দুটির বিপরীতার্থক ব্যবহার দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষিপ্র — ক্ষিপ্র শব্দের অর্থ দ্রুত বা চটপটে, যা চঞ্চল শব্দের প্রায় সমার্থক, বিপরীতার্থক নয়। B) গম্ভীর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চঞ্চলের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) রাশভারী — রাশভারী বলতে গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ বোঝায়, যা চঞ্চলের সরাসরি বিপরীতার্থক ব্যাকরণগত শব্দ নয়। D) ঠান্ডা — ঠান্ডা শব্দের অর্থ শীতল বা শান্ত, যা চঞ্চলের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চঞ্চল মানে যে স্থির থাকে না, আর গম্ভীর মানে যে শান্ত ও স্থির থাকে। - মানুষের স্বভাবের দিক থেকে অস্থিরতার বিপরীত হলো গাম্ভীর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থের গভীরতা বুঝতে হবে। - অনেক সময় কাছাকাছি অর্থবোধক শব্দ অপশনে থাকে, তাই সঠিক বিপরীত ভাবটি বেছে নিতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

2. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Brochure কেন সঠিক: - প্রদত্ত বানানটি ফরাসি ভাষার উচ্চারণরীতি থেকে ইংরেজি ভাষায় গৃহীত হয়েছে যার অর্থ বিজ্ঞাপনপত্র বা পুস্তিকা। - এর সঠিক ইংরেজি বানান বিন্যাস হলো বি-আর-ও-সি-এইচ-ইউ-আর-ই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Brochur — এই বানানে শেষের ই অক্ষরটি বাদ পড়েছে যা বানানটিকে অসম্পূর্ণ করে তুলেছে। B) Brochure — এটি প্রশ্নানুসারে একমাত্র নির্ভুল ও মানসম্মত বানান। C) Broshur — এই বানানে সি-এইচ এর পরিবর্তে এস বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) Brosahure — এই বানানে অতিরিক্ত এ বর্ণ যুক্ত হয়েছে যা সঠিক গঠন নয়। মনে রাখার টিপস: ব্রোসিওর বানানের শেষে ইউ-আর-ই হয়, এই অংশটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
4. The nurse attended _ the patient. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - Attend verb-এর পর on preposition যুক্ত হলে তার অর্থ হয় সেবা করা বা যত্ন নেওয়া। - এখানে রোগীর সেবা করার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর on হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে রোগীর সেবা করা বা পরিচর্যা করার অর্থ প্রকাশ করায় এটি সঠিক উত্তর। B) to — Attend to অর্থ মনোযোগ দেওয়া বা কোনো কাজে মনোনিবেশ করা, যা রোগীর ক্ষেত্রে সরাসরি সেবা অর্থে প্রযোজ্য নয়। C) in — Attend in সাধারণত কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা রোগীর সেবার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) upon — Attend upon প্রায়শ সেবা করার অর্থে ব্যবহৃত হলেও, standard English-এ রোগীর ক্ষেত্রে attend on বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত নিয়ম। মনে রাখার টিপস: রোগী বা ব্যক্তির সেবা করার ক্ষেত্রে Attend-এর পর সবসময় on প্রিপজিশন বসে।
6. নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
Created 2 days ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Let you and me do it কেন সঠিক: - Let এর পর সবসময় প্রোনাউনের অবজেক্টিভ রূপ বসে। - you এবং me উভয়েই এখানে অবজেক্টিভ ফর্মে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am feeling unwell — এটি একটি সাধারণ বাক্য হলেও এখানে let জাতীয় ইমপারেটিভ সেন্টেন্সের কোনো নিয়ম প্রয়োগ হয়নি। B) The sceneries here are very beautiful — Scenery একটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই এর সাথে s বা es যুক্ত হয়ে plural হয় না। C) Let you and I do it — Let এর পর প্রোনাউনের সাবজেক্টিভ রূপ (I) বসে না, অবজেক্টিভ রূপ (me) বসতে হয়। D) Let you and me do it — এটি সঠিক কারণ let এর পর you এবং me দুটি প্রোনাউনই সঠিক অবজেক্টিভ ফর্মে আছে। মনে রাখার টিপস: Let দেখলেই প্রোনাউনের অবজেক্টিভ রূপ (me, him, her, us, them) ব্যবহার করতে হবে।
9. Who is calling me? বাক্যটির Passive form হবে—
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom am I being called? কেন সঠিক: - Who যুক্ত Interrogative sentence-কে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসে এবং Tense অনুযায়ী am being, is being বা are being ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে Present Continuous Tense থাকায় Subject I-এর পরে am being এবং মূল Verb-এর Past Participle বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom I am being called? — এখানে সাহায্যকারী Verb (am) Subject-এর আগে না বসে পরে বসায় বাক্যটি প্রশ্নবোধক হয়নি। B) By whom I have been called? — এটি Present Perfect Tense-এর গঠন, যা মূল বাক্যের Tense-এর সঙ্গে মেলে না। C) By whom am I being called? — এটি সঠিক নিয়ম ও গঠন অনুসরণ করেছে। D) By whome have I been called? — whome বানানটি ভুল এবং এটি Perfect Tense নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করতে হলে প্রথমে By whom বসিয়ে Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb এবং Sub-এর পরে being যোগ করে মূল Verb-এর V3 বসাতে হয়।
10. Panic seized the writer বাক্যটির Passive form হবে—
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The writer was seized with panic কেন সঠিক: - Active Voice-এর Subject (Panic) এখানে Passive Voice-এ Preposition 'by'-এর পরিবর্তে 'with' গ্রহণ করেছে। - 'Panic' অমূর্ত বা মানসিক ভাব প্রকাশ করায় এর সাথে 'with' preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The writer was seized by panic — এখানে নিয়মানুযায়ী 'by' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয় কারণ Panic-এর সাথে 'with' বসে। B) The writer was seized with panic — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। C) The writer has been seized by panic — বাক্যটির Tense এবং Preposition উভয়ই মূল Active বাক্যের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) The writer had been seized with panic — মূল বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: মানসিক আবেগ বা ভয় যেমন panic, horror ইত্যাদি বোঝালে Passive Voice-এ by-এর বদলে with বসে।
13. কোনটি Abstract Noun?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Agency কেন সঠিক: - Agency একটি Abstract Noun কারণ এটি কোনো বস্তুগত বা দৃশ্যমান সত্তা নয়, বরং একটি ভাব, অবস্থা বা কার্যনির্বাহী প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। - এটি স্পর্শ করা যায় না, কেবল এর অস্তিত্ব উপলব্ধি করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agency — এটি সঠিক উত্তর। B) Infant — এটি Common Noun কারণ এটি শিশু বা শৈশবকালীন একটি নির্দিষ্ট শ্রেণಿಯನ್ನು বোঝায়। C) Anxious — এটি Adjective কারণ এটি কোনো অবস্থা বা বিশেষণের গুণ প্রকাশ করে। D) Grand — এটি Adjective কারণ এটি কোনো কিছুর চমৎকারিত্ব বা মহান ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যಾವ Noun বা বিশেষ্য দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা, ভাব বা কার্য বোঝায় এবং যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না, তাকে Abstract Noun বলে।
14. কোনটি Reflexive Pronoun?
Created 2 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Myself কেন সঠিক: - যে Pronoun বা সর্বনাম আত্মবাচক বা নিজকে বোঝাতে Verb-এর পরে বসে এবং Subject ও Object একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, তাকে Reflexive Pronoun বলে। - Myself শব্দটি I-এর Reflexive রূপ, যা এই ব্যাকরণগত নিয়ম সম্পূর্ণভাবে পূরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Each — এটি একটি Distributive Pronoun বা Adjective, যা ব্যক্তি বা বস্তুকে পৃথকভাবে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) Who — এটি একটি Relative বা Interrogative Pronoun, যা প্রশ্ন করতে বা দুটি clause যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। C) Myself — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি Reflexive Pronoun, যা নিজে বা নিজেকে বোঝায়। D) He — এটি একটি Personal Pronoun (Subjective form), যা বাক্যের Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Personal Pronoun-এর শেষে self বা selves যুক্ত থাকলে এবং তা বাক্যের Subject-কে নির্দেশ করলে সেটি Reflexive Pronoun হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

2. পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর এবং তাদের বয়সের অনুপাত ৭ : ৩। ৮ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত কত ছিল?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ ঃ ০৫ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৬০ বছর পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত = ৭ ঃ ৩ ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ৭ক বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ৩ক বছর অতএব, প্রশ্নমতে, ৭ক + ৩ক = ৬০ ১০ক = ৬০ ক = ৬ সুতরাং, পিতার বর্তমান বয়স = ৭ × ৬ = ৪২ বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ৩ × ৬ = ১৮ বছর উত্তর: ৮ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল (৪২ − ৮) ঃ (১৮ − ৮) = ৩৪ ঃ ১০ = ১৭ ঃ ০৫
3. পরীক্ষায় ক এর প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৭৫, ৮৫ ও ৮০। চতুর্থ পরীক্ষায় তাকে কত নম্বর পেতে হবে যেন তার গড় প্রাপ্ত নম্বর ৮২ হয়?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম তিনটি পরীক্ষার নম্বর যথাক্রমে ৭৫, ৮৫ ও ৮০ চতুর্থ পরীক্ষায় গড় নম্বর হতে হবে ৮২ ধরি, চারটি পরীক্ষার মোট নম্বর হবে ৮২ × ৪ = ৩২৮ প্রথম তিনটি পরীক্ষার মোট নম্বর = ৭৫ + ৮৫ + ৮০ = ২৪০ অতএব, চতুর্থ পরীক্ষায় নম্বর পেতে হবে = ৩২৮ − ২৪০ বিয়োগ করে পাই ৮৮ সুতরাং, চতুর্থ পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর হবে ৮৮ উত্তর: ৮৮
4. ৩ বছর আগে 'ক' এবং 'খ' এর গড় বয়স ছিল ১৫ বছর। 'ক', 'খ' এবং 'গ' এর বর্তমান গড় বয়স ২০ বছর। ৬ বছর পর 'গ' এর বয়স কত হবে?
Created 2 days ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ বছর প্রদত্ত তথ্য: ৩ বছর আগে ক এবং খ এর গড় বয়স ছিল ১৫ বছর ক, খ এবং গ এর বর্তমান গড় বয়স ২০ বছর ধরি, ৩ বছর আগে ক ও খ এর বয়সের সমষ্টি ছিল ১৫ × ২ = ৩০ বছর বর্তমান ক ও খ এর বয়সের সমষ্টি ৩০ + ৩ + ৩ = ৩৬ বছর অতএব, বর্তমান ক, খ ও গ এর বয়সের সমষ্টি ২০ × ৩ = ৬০ বছর বর্তমান গ এর বয়স ৬০ − ৩৬ = ২৪ বছর সুতরাং, ৬ বছর পর গ এর বয়স হবে ২৪ + ৬ = ৩০ বছর উত্তর: ৩০ বছর
5. একটি বানর ১৪ মিটার উঁচু পিচ্ছিল বাঁশের মাথায় উঠতে প্রথম সেকেন্ডে ৩ মিটার ওঠে এবং পরবর্তী সেকেন্ডে ১ মিটার নেমে আসে। বাঁশের মাথায় উঠতে বানরটির কত সময় লাগবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের মোট উচ্চতা = ১৪ মিটার প্রথম সেকেন্ডে ওটে = ৩ মিটার পরবর্তী সেকেন্ডে নামে = ১ মিটার ধরি, ২ সেকেন্ড বা ১ জোড়ায় কার্যকরভাবে ওটে = ৩ মিটার − ১ মিটার = ২ মিটার শেষের ১ সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ওটার হিসাব আলাদা করতে হবে অতএব, শেষ ৩ মিটার বাদ দিলে বাকি থাকে = ১৪ মিটার − ৩ মিটার = ১১ মিটার ২ মিটার উঠতে সময় লাগে = ২ সেকেন্ড সুতরাং, ১১ মিটার উঠতে সময় লাগে = (১১ ÷ ২) × ২ সেকেন্ড = ১১ সেকেন্ড শেষ ৩ মিটার উঠতে অতিরিক্ত সময় লাগে = ১ সেকেন্ড উত্তর: ১১ সেকেন্ড + ১ সেকেন্ড = ১২ সেকেন্ড
10. ১২.৫ এর ৫% কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
11. x + ১/x = ৬ হলে, x² + ১/x² এর মান হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪ প্রদত্ত তথ্য: x + ১ تقسیم x = ৬ ধরি, প্রদত্ত রাশিটি হলো x² + ১ تقسیم x² অতএব, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই, x² + ১ تقسیم x² = (x + ১ تقسیم x)² − ২ সুতরাং, মানের পরিবর্তে ৬ বসিয়ে পাই, (৬)² − ২ = ৩৬ − ২ = ৩৪ উত্তর: ৩৪
15. বার্ষিক শতকরা ৬ টাকা হার সুদে কত সময়ে ৪৫০ টাকার সুদ আসলে ৫৫৮ টাকা হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 minute ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ বছর প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৪৫০ টাকা সুদ-আসল (A) = ৫৫৮ টাকা সুদের হার (r) = ৬% ধরি, সময় = t বছর মোট সুদ (I) = সুদ-আসল − আসল I = ৫৫৮ − ৪৫০ = ১০৮ টাকা অতএব, আমরা জানি, সুদ (I) = (P × r × t) ÷ ১০০ এখানে মান বসিয়ে পাই, ১০৮ = (৪৫০ × ৬ × t) ÷ ১০০ সুতরাং, ১০৮ = ২৭০০t ÷ ১০০ ২৭t = ১০৮ উত্তর: t = ৪ বছর

মোট প্রশ্ন (15)

1. 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসাবে ঘোষণা করা হয় কোন তারিখ?
Created 2 days ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ জুন তারিখটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। - ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বে পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ এপ্রিল — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয় এবং এই তারিখে আন্তর্জাতিকভাবে পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো প্রধান দিবস পালন করা হয় না। B) ৫ মে — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয়, এটি মূলত আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ বা ধাত্রী দিবস হিসেবে পরিচিত। C) ৫ জুন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) ৫ জুলাই — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয়, এই তারিখে সাধারণত পরিবেশ বিষয়ক কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক দিবস থাকে না। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় জুনের ৫ তারিখ মনে রাখতে 'পাচের জুন, পরিবেশের গুণ' এই কথাটি মনে রাখতে পারো।
4. বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফরিদপুর কেন সঠিক: - ফরিদপুর জেলাকে পাট উৎপাদনের ক্ষেত্রে শীর্ষস্থান অধিকারী হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এখানে পাট চাষের জন্য উপযুক্ত উর্বর দোআঁশ মাটি রয়েছে। - আবহাওয়া এবং অনুকূল পরিবেশের কারণে এই অঞ্চলে উৎপাদিত পাটের মান অত্যন্ত উন্নত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি পাট উৎপাদনের জন্য পরিচিত একটি জেলা হলেও পাট উৎপাদনে শীর্ষস্থান অধিকারকারী জেলা নয়। B) রংপুর — এই জেলায় প্রচুর পাট উৎপাদিত হলেও এটি দেশের সর্বোচ্চ পাট উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) টাঙ্গাইল — এই অঞ্চলে কিছু পরিমাণ পাট উৎপাদিত হলেও উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে এটি শীর্ষে অবস্থান করে না। D) ফরিদপুর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাংলাদেশে সর্বোচ্চ পরিমাণ পাট উৎপাদনকারী জেলা। মনে রাখার টিপস: পাট উৎপাদনে ফ দিয়ে ফরিদপুর মনে রাখতে পারেন।
6. এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণকারী দ্বিতীয় বাংলাদেশি কে?
Created 2 days ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এম. এ মুহিত কেন সঠিক: - এম. এ মুহিত ২০১১ সালের ২১ মে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন এবং তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। - তিনি ২০১০ সালে প্রথমবার এভারেস্টে ব্যর্থ হলেও ২০১১ সালে সফলভাবে চূড়ায় পৌঁছান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুসা ইব্রাহিম — ইনি ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছিলেন, দ্বিতীয় নন। B) নিশাত মজুমদার — ইনি ২০১২ সালের ১৯ মে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন। C) ওয়াসফিয়া নাজরীন — ইনি ২০১২ সালের ২৬ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন। D) এম. এ মুহিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুসা প্রথম এবং মুহিত দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এভারেস্ট জয় করেন।
7. ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী কত খ্রীষ্টাব্দে বঙ্গ জয় করেন?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০৪ খ্রি. কেন সঠিক: - ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে নদীয়া আক্রমণ করে লক্ষণ সেনকে পরাজিত করেন এবং বাংলা জয় করেন। - বাংলার মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এই সালটি ঐতিহাসিক ও পরীক্ষামূলকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০৪ খ্রি. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বখতিয়ার খিলজী নদীয়া জয় করেন। B) ১২০৫ খ্রি. — এই সালে নদীয়া জয় করা হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১২০৬ খ্রি. — এটি বখতিয়ার খিলজীর তিব্বত অভিযানের সাল, বঙ্গ জয়ের সাল নয়। D) ১২০৮ খ্রি. — এই সালের সঙ্গে বঙ্গ জয়ের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বখতিয়ার খিলজী ১২০৪ সালে বাংলায় আসেন, এভাবে মনে রাখুন বখতিয়ার মানেই ১২০৪।
8. বাংলাদেশের জ্বালানি তেল শোধনাগারটি কোথায় অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চট্টগ্রাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত। - দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে এই শোধনাগারটি আমদানিকৃত ক্রুড অয়েল বা আউড তেল পরিশোধন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশের প্রধান জ্বালানি তেল শোধনাগারটি এখানেই অবস্থিত। B) নারায়ণগঞ্জ — নারায়ণগঞ্জ ভারী শিল্প ও নদী বন্দরের জন্য পরিচিত হলেও এখানে কোনো তেল শোধনাগার নেই। C) পার্বতীপুর — পার্বতীপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল জংশন ও তেল ডিপো এলাকা, তবে এখানে কোনো তেল শোধনাগার নেই। D) চন্দ্রঘোনা — চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের জন্য বিখ্যাত, এটি কোনো তেল শোধনাগার নয়। মনে রাখার টিপস: তেল শোধনাগার বলতে বন্দর নগরী চট্টগ্রামকে মনে রাখবে কারণ সমুদ্রপথে আমদানیکৃত তেল খালাসের জন্য এটি সবচেয়ে সুবিধাজনক স্থান।
9. বাংলাদেশের রণসংগীতটির সুরকার কে?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে ব্যবহৃত 'চল চল চল' গানটির রচয়িতা ও সুরকার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার এই গানটিকে সামরিক বাহিনীর রণসংগীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলার রচয়িতা ও সুরকার, রণসংগীতের নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) সমর দাস — তিনি বাংলাদেশের অনেকগুলো মুক্তিসংগীত ও যন্ত্রসংগীতের সুরকার হলেও এই রণসংগীতের সুরকার নন। D) শেখ লুৎফর রহমান — তিনি বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের একজন বিখ্যাত সুরকার হলেও এই গানটির সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের রণসংগীত চল চল চল লিখেছিলেন এবং এর সুরও তিনিই করেছিলেন।
10. সাধারণ পরিষদের বার্ষিক নিয়মিত অধিবেশন শুরু হয় কখন থেকে?
Created 2 days ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার থেকে কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক নিয়মিত অধিবেশন প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সদর দফতরে শুরু হয়। - জাতিসংঘ সনদের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ পরিষদের এই নিয়মিত অধিবেশন বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে আহ্বান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগস্ট মাসের দ্বিতীয় মঙ্গলবার থেকে — এই সময়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন শুরু হওয়ার কোনো সাংবিধানিক বা নিয়ম নির্ধারিত নেই। B) আগস্ট মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার থেকে — এটি ভুল তথ্য কারণ আগস্ট মাসে সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন বসার নিয়ম নেই। C) সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় মঙ্গলবার থেকে — এটি ভুল কারণ অধিবেশন শুরুর সঠিক দিনটি সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নয়, বরং তৃতীয় সপ্তাহে নির্ধারিত। D) সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার থেকে — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিন থেকেই সাধারণত বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহণে সাধারণ বিতর্ক শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের অধিবেশন শুরুর নিয়ম মনে রাখতে সেপ্টেম্বর মাস এবং তৃতীয় মঙ্গলবার এই দুটি তথ্য মনে রাখবে।
11. জাতিসংঘ মহাসচিবের মেয়াদকাল কত বছর?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ বছর প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী সাধারণ পরিষদের সুপারিশে নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে মহাসচিব নির্বাচিত হন। - বর্তমান বিধান অনুসারে জাতিসংঘের মহাসচিবের চাকরির মেয়াদকাল ৫ বছর এবং তিনি পুনঃনির্বাচিত হতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ বছর — এটি আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের কিছু পদের মেয়াদ হলেও জাতিসংঘের মহাসচিবের পদের জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ৪ বছর — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ৪ বছর, যা জাতিসংঘের মহাসচিব পদের সঙ্গে মেলে না। C) ৫ বছর — এটি নির্ধারিত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) ৬ বছর — জাতিসংঘের অনেক বিচারক বা পদের মেয়াদ ৬ বছর হলেও মহাসচিবের ক্ষেত্রে এটি ৫ বছর। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের মহাসচিবের ৫ অক্ষর এবং তাঁর মেয়াদকালও ৫ বছর।
12. ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান। - ১৯৫৬ সালে তৎকালীন সরকারের সহযোগিতায় তিনি এই ঐতিহাসিক শহীদ মিনারের নকশা তৈরি ও নির্মাণের কাজ শুরু করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং ঢাকা চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ মিনারের স্থপতি নন। B) হামিদুর রহমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) এস এম সুলতান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ও বিশ্বনন্দিত চিত্রশিল্পী, যিনি গ্রামীণ জীবন ও কৃষক সমাজ নিয়ে ছবি এঁকেছেন। D) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশাকার। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমানকে মনে রাখতে "শ" দিয়ে "শহীদ মিনার" এবং "হ" দিয়ে "হামিদুর রহমান" মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
13. ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁন এর জন্মস্থান কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কেন সঠিক: - ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুরকার ও বহুমুখী প্রতিভাধর সংগীতশিল্পী ছিলেন। - তার জন্ম তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাঙ্গাইল — এটি ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁনের জন্মস্থান নয়, এটি অন্য একটি জেলা। B) কুমিল্লা — এটি ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁনের জন্মস্থান নয়, যদিও এটি তার কর্মজীবনের সঙ্গে কিছুটা সম্পর্কিত হতে পারে। C) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি এই জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। D) কলিকাতা — এটি ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁনের জন্মস্থান নয়, এটি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী ও একটি ভিন্ন শহর। মনে রাখার টিপস: ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁন সুরের জাদুকর এবং তার জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়ীয়া মনে রাখতে 'আলাউদ্দিন ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া' একত্রে স্মরণ রাখুন।
14. বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
Created 2 days ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এ এন হামিদুল্লাহ কেন সঠিক: - এ এন হামিদুল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর হিসেবে ১৯৭২ সালের ১২ই জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার অনুযায়ী দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ এন হামিদুল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন। B) মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিন — তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সপ্তম গভর্নর ছিলেন, প্রথম নন। C) ফেরদৌস হোসেন — তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন না। D) খোরশেদ আলম — তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর হলেন হামিদুল্লাহ, যা মনে রাখতে প্রথম নামের প্রথম অক্ষর 'এ' এবং হামিদুল্লাহর 'হ' দিয়ে 'আহ' বা প্রথম ব্যক্তি হিসেবে মাথায় রাখতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (12)

1. বাড়িতে ব্যবহৃত ফ্রিজ হিমায়করূপে ব্যবহৃত হয়—
Created 2 days ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রিয়ন/অ্যামোনিয়া ১. কেন সঠিক: - রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজে হিমায়ক হিসেবে এমন পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা খুব সহজে বাষ্পীভূত হতে পারে এবং চারপাশ থেকে তাপ শোষণ করে শীতলতা তৈরি করতে পারে। - ফ্রিয়ন গ্যাস এবং অ্যামোনিয়া তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হওয়ার সময় প্রচুর সুপ্ততাপ শোষণ করে, যা ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রাকে কমিয়ে রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হিমায়ক বা রেফ্রিজারেন্ট হলো এমন একটি রাসায়নিক পদার্থ যা কম স্ফুটনাঙ্কের কারণে বদ্ধ সিস্টেমে সংনচন ও প্রসারণের মাধ্যমে ঠান্ডা উৎপন্ন করতে পারে। - কার্যপ্রণালি: কম্প্রেসার হিমায়ক গ্যাসকে সংকুচিত করে উচ্চ চাপ ও উষ্ণতা সৃষ্টি করে, যা পরে ঘনীভবন কয়েলের মাধ্যমে তাপ ছেড়ে তরলে পরিণত হয় এবং ঠান্ডা করে। - বাস্তব প্রয়োগ: গৃহস্থালির রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং শিল্প কারখানার কোল্ড স্টোরেজে এই নীতি ব্যবহার করে খাদ্যদ্রব্য ও ঔষধি সামগ্রী সংরক্ষণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গৃহস্থালির রেফ্রিজারেটর। ব্যাখ্যা: এর ভেতরে থাকা কয়েলের মধ্য দিয়ে ফ্রিয়ন গ্যাস প্রবাহিত হওয়ার সময় ফ্রিজের ভেতরের খাবার থেকে তাপ শোষণ করে বাইরে বের করে দেয়, ফলে ফ্রিজ ঠান্ডা থাকে। উদাহরণ ২: এয়ার কন্ডিশনার বা এসি। ব্যাখ্যা: এসির ভেতরের হিমায়ক ঘরের গরম বাতাস থেকে তাপ শোষণ করে তা বাইরে পাঠিয়ে দেয় এবং ঠান্ডা বাতাস ঘরে ছড়িয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিয়ান — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা বৈদ্যুতিক বাল্ব এবং সাইনবোর্ডে ব্যবহৃত হয় কিন্তু হিমায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। B) ফ্রিয়ন/অ্যামোনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পদার্থগুলোর তাপ শোষণ ক্ষমতা ও বাষ্পীভবন বৈশিষ্ট্য হিমায়ক হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী। C) স্পিরিট — এটি একটি উদ্বায়ী তরল যা ত্বক ঠান্ডা করতে পারে, তবে ফ্রিজের কমপ্রেসর সিস্টেমে দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর হিমায়ক হিসেবে এটি উপযুক্ত নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফ্রিজে ঠান্ডা করার জন্য বিশেষ গ্যাস বা তরল লাগে, যার নাম ফ্রিয়ন বা অ্যামোনিয়া। - ফ্রিজের হিমায়ক মনে রাখতে এফ অক্ষরটি দিয়ে ফ্রিয়ন এবং এ অক্ষরটি দিয়ে অ্যামোনিয়া মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশের সুরক্ষায় বর্তমানে ওজোন স্তর ধ্বংসকারী ফ্রিয়ন গ্যাসের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব হাইড্রোফ্লোরোকার্বন ব্যবহার করা হয়। - এই প্রশ্নটি তাপগতিবিদ্যা এবং দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োগ অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।
7. কোনটি চা-গাছে রোগ সৃষ্টি করে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছত্রাক ১. কেন সঠিক: চা-গাছে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির জন্য মূলত ছত্রাক দায়ী। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত রোগটি হলো লাল মরচে রোগ, যা এক ধরনের ছত্রাকের আক্রমণে চা-পাতায় দেখা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও অণুজীববিজ্ঞানের আলোচনায় ছত্রাক উদ্ভিদের নানা ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টি করে। চা-গাছে ছত্রাক আক্রমণ করে পাতার কোষে পুষ্টি উপাদান শোষণ করে এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চা-গাছের লাল মরচে রোগ। ব্যাখ্যা: এই রোগে চা-পাতায় বাদামি বা লাল রঙের ছোপ দেখা যায়, যা মূলত ছত্রাক সংক্রমণের কারণে ঘটে। উদাহরণ ২: চা-গাছের ব্লাট ব্লাইট রোগ। ব্যাখ্যা: এটিও একটি ছত্রাকজনিত রোগ, যা চা পাতার ব্যাপক ক্ষতি করে এবং চা পাতার উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈবাল — শৈবাল সাধারণত স্বভোজী এবং এরা সরাসরি চা-গাছে এ ধরনের রোগ সৃষ্টি করে না, তবে কিছু শৈবাল পাতার উপরিভাগে জন্মাতে পারে। B) ছত্রাক — এই অপশনটি সঠিক কারণ চা-গাছে রোগ সৃষ্টির পেছনে প্রধানত ছত্রাকের সংক্রমণ কাজ করে। C) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া উদ্ভিদে রোগ সৃষ্টি করলেও চা-গাছে প্রধান বা সর্বাধিক পরিচিত রোগগুলো ছত্রাক দ্বারাই হয়ে থাকে। D) ভাইরাস — ভাইরাসের আক্রমণ চা-গাছে হতে পারে, তবে পরীক্ষার প্রশ্ন অনুযায়ী চা-গাছের প্রধান রোগ সৃষ্টিকারী হিসেবে ছত্রাককেই গণ্য করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চা পাতা সবুজ রাখতে হয় চকচকে, আর চা গাছের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ছত্রাক। চা পাতার রোগ মানেই ছত্রাকের আক্রমণ এটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদ রোগ ও অণুজীবের নাম প্রায়ই আসে। চা-গাছের লাল মরচে রোগ কোন অণুজীবের কারণে হয়, এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার দেখা যায়।
9. বাতাসের আর্দ্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র—
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাইগ্রোমিটার ১. কেন সঠিক: - হাইগ্রোমিটার এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে বাতাসে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আর্দ্রতা সরাসরি মাপা যায়। - আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণের জন্য বায়ুমণ্ডলের এই আর্দ্রতা নিখুঁতভাবে জানা অত্যন্ত জরুরি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাপের জন্য হাইগ্রোমিটার ব্যবহার করা হয়। - কার্যপ্রণালি: এই যন্ত্রটি বিভিন্ন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যেমন শুকনা ও ভেজা বাল্ব থার্মোমিটার বা চুলভিত্তিক হাইগ্রোমিটার। - বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়া অফিস বৃষ্টির পূর্বাভাস দিতে এবং গ্রিনহাউসে উদ্ভিদের সঠিক পরিবেশ বজায় রাখতে এই যন্ত্র ব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়া দপ্তর ব্যাখ্যা: আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে যখন বলা হয় বাতাসের আর্দ্রতা ৮০%, তখন তা হাইগ্রোমিটারের মাধ্যমেই পরিমাপ করা হয়। উদাহরণ ২: আবহাওয়া ও কৃষি ব্যাখ্যা: কৃষিক্ষেত্রে গাছের সঠিক বৃদ্ধির জন্য বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা কত থাকা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করতে হাইগ্রোমিটার সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাদোমিটার — ফ্যাদোমিটার হলো সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করার যন্ত্র, যা আর্দ্রতা মাপে না। B) হাইগ্রোমিটার — বাতাসের আর্দ্রতা নির্ণয় করার সঠিক যন্ত্র হলো এই হাইগ্রোমিটার। C) ব্যারোমিটার — ব্যারোমিটার হলো বায়ুমণ্ডলের চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র, আর্দ্রতা নয়। D) অ্যামিটার — অ্যামিটার হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহমাত্রা পরিমাপ করার যন্ত্র, যা আবহাওয়ার সঙ্গে যুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হাই শব্দের সঙ্গে আর্দ্রতার সম্পর্ক মনে রাখতে পারো। বাতাসে হাইড্রেটেড বা জলীয় বাষ্প থাকে, তাই হাইগ্রোমিটার মানে আর্দ্রতা মাপা যন্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্রের নাম আসে। যেমন, উচ্চতা মাপার যন্ত্র অল্টিমিটার এবং বাতাসের গতি মাপার যন্ত্র অ্যানিমোমিটার।

মোট প্রশ্ন (1)

1. কম্পিউটারের মেমোরি ভাগ করা হয়েছে—
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন ভাগে ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার স্থাপত্য বা মেমোরি সংগঠনের দিক থেকে প্রধান মেমোরিকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো প্রাইমারি মেমোরি, সেকেন্ডারি মেমোরি এবং ক্যাশ মেমোরি যা প্রসেসর ও মূল মেমোরির মধ্যে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটারের মেমোরি হলো এমন একটি মাধ্যম যেখানে ডেটা, নির্দেশাবলি এবং ফলাফল সংরক্ষিত থাকে। কার্যপদ্ধতি: ক্যাশ মেমোরি দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করে, প্রাইমারি মেমোরি বর্তমান কাজের ডেটা ধরে রাখে এবং সেকেন্ডারি মেমোরি দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণের কাজ করে। ব্যবহার: কাজের গতি বৃদ্ধি এবং বিপুল পরিমাণ ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করার জন্য মেমোরির এই বিভাগগুলো ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: র‍্যাম ব্যাখ্যা: এটি প্রাইমারি মেমোরির অংশ যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় বর্তমান কাজের ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। উদাহরণ ২: হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ ব্যাখ্যা: এটি সেকেন্ডারি মেমোরির অংশ যা সফটওয়্যার এবং ফাইল চিরতরে বা ব্যবহারকারী মুছে না ফেলা পর্যন্ত সংরক্ষণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই ভাগে — মেমোরিকে শুধু দুই ভাগে (যেমন প্রধান ও সহকারী) ভাগ করা আধুনিক কম্পিউটার স্থাপত্যে সম্পূর্ণ নয় কারণ ক্যাশ মেমোরির গুরুত্ব অপরিসীম। B) তিন ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেমোরিকে প্রধানত ক্যাশ, প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। C) চার ভাগে — মেমোরির প্রচলিত প্রাথমিক শ্রেণিবিন্যাস চার ভাগে করা হয় না, তাই এটি সঠিক নয়। D) পাঁচ ভাগে — মেমোরিকে পাঁচ ভাগে ভাগ করার কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা স্বীকৃত কম্পিউটার বিজ্ঞানভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার মেমোরির মূল ভাগ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো তিন সি.পি.এস অর্থাৎ ক্যাশ, প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে ক্যাশ মেমোরি কোন দুটি উপাদানের মাঝে কাজ করে, যার উত্তর হলো সিপিইউ এবং প্রধান মেমোরি।

মোট প্রশ্ন (7)

1. যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে বলে—
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিয়ত বায়ু ১. কেন সঠিক: উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ুর স্বাভাবিক প্রবাহই হলো নিয়ত বায়ু। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে বায়ুচাপের যে স্থায়ী পার্থক্য তৈরি হয়, তার ফলেই এই বায়ু সারা বছর নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: পৃথিবীর স্থায়ী বায়ুচাপ বলয়গুলোর মধ্যে সারা বছর একই দিকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়। কারণ ও প্রভাব: পৃথিবীর আহ্নিক গতি এবং তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে বায়ুর চাপ বলয় সৃষ্টি হয়, যা বিশ্বজুড়ে জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: অয়ন বায়ু ব্যাখ্যা: এটি এক প্রকার নিয়ত বায়ু যা কর্কট ও মকর উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। উদাহরণ ২: পশ্চিমা বায়ু ব্যাখ্যা: এটিও নিয়ত বায়ুর একটি উদাহরণ যা ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্তীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অয়ন বায়ু — এটি নিয়ত বায়ুর একটি নির্দিষ্ট প্রকার মাত্র, সমগ্র বায়ুপ্রবাহের সাধারণ নাম নয়। B) প্রত্যয়ন বায়ু — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক বা ভৌগোলিক বায়ুপ্রবাহের নাম নয়, বরং এটি একটি ভুল শব্দ। C) নিয়ত বায়ু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সব সময় উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। D) মৌসুমী বায়ু — এটি নিয়ত বায়ু নয়, বরং এটি ঋতু পরিবর্তনের সাথে দিক পরিবর্তনকারী বায়ুপ্রবাহ। ৫. মনে রাখার টিপস: নিয়ত মানে যা নিয়মিত বা সব সময় একই নিয়মে চলে। উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে বাতাস সব সময় এক নিয়মেই বয় বলে একে নিয়ত বায়ু বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়ত বায়ুর শ্রেণিবিভাগ যেমন অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বায়ুচাপ বলয়গুলোর অবস্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
3. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাড়িয়াভাঙ্গা ১. কেন সঠিক: - দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ অঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার নিকটবর্তী হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। - নদীটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে এবং এর পলি জমে এই দ্বীপটি গঠিত হয়েছিল। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী বঙ্গোপসাগরের মোহনায় হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মুখে অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ। - বৈশিষ্ট্য: সামুদ্রিক স্রোত ও নদীর পলি জমার মাধ্যমে সৃষ্ট এই দ্বীপটি প্রাকৃতিক ক্ষয় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বর্তমানে সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভোলা দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ যা মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে গঠিত হয়েছে এবং নদীর ভাঙন ও গড়ার প্রক্রিয়ার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: নিঝুম দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার কাছে মেঘনার মোহনায় জেগে ওঠা একটি পলিদ্বীপ যা উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুশিয়ারা — এটি সুরমা নদীর একটি শাখা নদী যা সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এর মোহনায় কোনো দ্বীপ নেই। B) আড়িয়াল খাঁ — এটি পদ্মা নদীর একটি শাখা নদী যা মাদারীপুর ও বরিশাল অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিশখালী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। D) ফেনী — এটি মূলত ফেনী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি নদী যা বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে কিন্তু এর মোহনায় দক্ষিণ তালপট্টি অবস্থিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর নাম মনে রাখলেই দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অবস্থান সহজে চিহ্নিত করা যায় কারণ এটি ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোহনায় অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভৌগোলিক সীমানা ও নদীভিত্তিক দ্বীপের অবস্থান থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - আন্তর্জাতিক নদী ও সীমান্তসংলগ্ন দ্বীপগুলোর বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
7. পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ—
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলে প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী চীনকে পেছনে ফেলে ভারত বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটির উর্বর সমভূমি ও অনুকূল জলবায়ু জনঘনত্ব বৃদ্ধির প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়া মহাদেশের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত এবং এর উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা ঘেরা। বৈশিষ্ট্য: বিশাল গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার উর্বর পলিমাটি এবং নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু ঘন জনবসতির প্রধান কারণ। সংশ্লিষ্ট তথ্য: বর্তমান জনমিতি বিশ্লেষণ অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটির অধিক এবং এই ধারা এখনও ঊর্ধ্বমুখী। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: গঙ্গা সমভূমি অঞ্চল। ব্যাখ্যা: উর্বর মাটি ও পর্যাপ্ত পানির সুব্যবস্থার কারণে এই অঞ্চলে ভারতের সর্বোচ্চ জনঘনত্ব লক্ষ করা যায়। উদাহরণ ২: থর মরুভূমি অঞ্চল। ব্যাখ্যা: প্রতিকূল জলবায়ু ও পানির স্বল্পতার কারণে এই অঞ্চলে জনবসতি অত্যন্ত বিরল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এর সাইবেরিয়া অঞ্চলের চরম ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের তৃতীয় জনবহুল দেশ এবং উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি উন্নত রাষ্ট্র। D) চীন — এটি দীর্ঘকাল বিশ্বের শীর্ষ জনবহুল দেশ ছিল, তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে ভারত একে অতিক্রম করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যায় এখন শীর্ষে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, দুই নম্বরে পূর্ব এশিয়ার চীন। এভাবে মনে রাখলে কখনোই ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক জনসংখ্যা পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে দ্বিতীয় জনবহুল দেশ বা সবচেয়ে জনবহুল মহাদেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।