a অধিকরণে ২য়া
b অপাদানে ৫মী
c কর্তায় ২য়া
d কারগে ২য়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধিকরণে ২য়া ১. কেন সঠিক: - বাক্যে সময়ের বা কালের উল্লেখ থাকলে তা অধিকরণ কারকের কালবাচক অধিকরণ হয় এবং এর সঙ্গে সাধারণত দ্বিতীয় বা সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়। - এখানে 'আজকে' শব্দ দ্বারা সময় বা কাল বোঝানো হয়েছে এবং শব্দের সঙ্গে 'কে' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার আধার বা স্থান, কাল এবং বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে এবং সময় বোঝালে তাকে কালবাচক অধিকরণ বলা হয়। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দমূলের সঙ্গে 'কে' বা 'রে' বিভক্তি যুক্ত হলে তা মূলত দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এটি স্থান বা কালের আধার বোঝানোর কারণে অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: বর্ষায় বৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: বর্ষা একটি সময় বা কাল নির্দেশ করায় এটি কালবাচক অধিকরণ কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণে ২য়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে কালবাচক অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। B) অপাদানে ৫মী — অপাদান কারক থেকে বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয়ের অর্থ প্রকাশ করে যা এই বাক্যে নেই। C) কর্তায় ২য়া — ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে কর্তা বলে কিন্তু এখানে 'আজকে' কোনো কার্য সম্পাদন করছে না। D) কারগে ২য়া — এই অপশনটি বানানগতভাবে ভুল এবং বাংলা ব্যাকরণে এমন কোনো কারকের নাম নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কখন বা কবে প্রশ্নের উত্তর পেলে তা কালবাচক অধিকরণ কারক হবে। - সময়বাচক শব্দের সঙ্গে কে বা রে বিভক্তি দেখলে নিশ্চিতভাবে অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক শব্দের কারক নির্ণয় প্রায়ই আসে তাই কালবাচক অধিকরণের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করবে। - বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত বর্ণ বা প্রত্যয় আলাদা করে দেখার অভ্যাস করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0