প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২।

পদের নাম: প্রধান শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

3. ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ-
Created 3 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তোষামোদে ১. কেন সঠিক: 'ঢাকের কাঠি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার বিশেষ অর্থ হলো তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। ঢাক যেমন অন্যর বাজনার তালে তালে নিজে শব্দ করে এবং উৎসবে বিশেষ ভূমিকা রাখে, তেমনি তোষামোদকারী ব্যক্তিরাও নিজেদের স্বার্থে অন্যকে সবসময় সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারার ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের ম্যানেজারের সামনে সবসময় ঢাকের কাঠি সেজে ঘুরে কোনো লাভ নেই। ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা চাটুকার বোঝাতে ঢাকের কাঠি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সে নেতার এত ঢাকের কাঠি নাড়ল যে শেষ পর্যন্ত একটি ভালো পদ পেয়ে গেল। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত তোষামোদ করা অর্থে এখানে বাগধারাটির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোষামোদে — এটি সঠিক কারণ ঢাকের কাঠি বাগধারাটির অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার। B) সাহায্যকারী — সাহায্যকারী বলতে সহযোগীকে বোঝায়, যা ঢাকের কাঠি বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) বাদক — বাদক অর্থ যে বাদ্যযন্ত্র বাজায়, এটি বাগধারার রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) স্বাস্থ্যহীন লোক — স্বাস্থ্যহীন লোক বলতে দুর্বল বা রোগা মানুষকে বোঝায়, যা এই বাগধারার সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: ঢাক যেমন অন্যের হাতের ইশারায় ও তালে বাজে, তেমনি তোষামোদকারী ব্যক্তিরাও অন্যের মন জুগিয়ে চলতে পছন্দ করে। এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষা এই বাগধারার অর্থ সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানব অঙ্গ বা বাদ্যযন্ত্র সংশ্লিষ্ট বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই এ ধরনের রূপক অর্থভিত্তিক বাগধারাগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
5. ‘তাসের ঘর’ এর অর্থ কি?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: - তাসের ঘর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর এবং রূপক অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা সহজেই ভেঙে যায়। - তাস দিয়ে তৈরি ঘর যেমন সামান্য বাতাসে বা একটু নড়াচড়ায় ধসে পড়ে, তেমনি যে বিষয় বা বস্তু সহজে নষ্ট হয় তাকে তাসের ঘর বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - তাসের ঘর বাগধারাটি মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা বা কোনো পরিকল্পনা ও সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী না হওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নীতিগ্রস্ত এই সরকারের ভিত্তি হলো তাসের ঘরের মতো। ব্যাখ্যা: এখানে সরকারের পতন যে কোনো সময় ঘটতে পারে এবং এর ভিত্তি যে মজবুত নয়, তা বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের লোভের ওপর গড়ে ওঠা সুখ তাসের ঘরের মতো দ্রুত ভেঙে যায়। ব্যাখ্যা: লোভের ওপর প্রতিষ্ঠিত সুখ যে স্থায়ী হয় না এবং তা যে কোনো মুহূর্তে ধ্বংস হতে পারে, তা বোঝাতে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশৃঙ্খলা — বিশৃঙ্খলা বলতে নিয়মশৃঙ্খলা না থাকাকে বোঝায়, যা তাসের ঘরের ক্ষণস্থায়ী অর্থের সঙ্গে সরাসরি মিলে না। B) এলোমেলো — এলোমেলো অর্থ অগোছালো অবস্থা, কিন্তু তাসের ঘর নির্দিষ্ট করে কোনো স্থায়ী না থাকাকে নির্দেশ করে। C) ক্ষণস্থায়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাসের তৈরি ঘর খুব অল্প সময়েই ভেঙে যায় এবং স্থায়ী হয় না। D) তাস খেলার ঘর — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থই গ্রহণ করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন তা টিকতে পারে না এবং মুহূর্তেই পড়ে যায়, তেমনি তাসের ঘর দেখলেই মনে রাখবে এর অর্থ ক্ষণস্থায়ী। - বাগধারা মনে রাখার জন্য আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার গভীর অর্থ বা রূপক প্রকাশভঙ্গি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত বাগধারার রূপক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে আলংকারিক বা ভাবগত অর্থ নির্বাচন করতে হয়।
6. কোন বাগধারাটি ‘স্বতন্ত্র’ অর্থ প্রকাশ?
Created 3 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাতেও না পাঁচেও না ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি এমন একটি অবস্থা প্রকাশ করে যেখানে কোনো ব্যক্তি বা বিষয় অন্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন বা নিরপেক্ষ থাকে। - প্রশ্নটিতে এমন বাগধারা চাওয়া হয়েছে যার অর্থ স্বতন্ত্র বা নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - এখানে 'সাতেও না পাঁচেও না' বাগধারাটির মূল ভাব হলো সম্পূর্ণ নির্ঝঞ্ঝাট থাকা বা কোনো দলের অন্তর্ভুক্ত না হওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি ঝামেলার মধ্যে না গিয়ে সাতেও না পাঁচেও না নীতি মেনে চলেন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নিরপেক্ষ বা স্বতন্ত্র থাকার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: দলীয় রাজনীতি থেকে সে সব সময় সাতেও না পাঁচেও না থাকতে ভালোবাসে। ব্যাখ্যা: এখানেও কারও পক্ষে বা বিপক্ষে না থেকে স্বতন্ত্র থাকার ভাব বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদায়-কাঁচকলায় — এই বাগধারাটির অর্থ তীব্র শত্রুতা বা অমিল, যা স্বতন্ত্র অর্থের বিপরীত। B) সাপে-নেউলে — এই বাগধারাটি চিরশত্রুতা বা তীব্র বিরোধ বোঝায়, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না। C) সাতেও না পাঁচেও না — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিরপেক্ষ বা স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশ করে। D) দা-কুমড়া — এই বাগধারাটির অর্থও তীব্র শত্রুতা বা নিত্য ঝগড়া, যা স্বতন্ত্র বা নিরপেক্ষ অর্থ নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাত এবং পাঁচের মতো সাধারণ ঝামেলা থেকে দূরে থাকা ব্যক্তিই হলো সাতেও না পাঁচেও না অর্থাৎ স্বতন্ত্র। - শত্রুতা বোঝাতে প্রাণী বা বস্তুর জোড়া যেমন সাপ-নেউল বা দা-কুমড়া ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নিরপেক্ষতা বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শত্রুতা এবং নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত বাগধারাগুলো প্রায়ই উল্টে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - শত্রুতা সৃষ্টিকারী বাগধারা এবং নিরপেক্ষতা সৃষ্টিকারী বাগধারাগুলোর অর্থ আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
7. ‘অনুগ্রহ’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-
Created 3 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিগ্রহ ১. কেন সঠিক: - ‘অনুগ্রহ’ শব্দের অর্থ কৃপা, দয়া বা অনুকূল আচরণ। এর বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে ‘নিগ্রহ’ শব্দটি। - ‘নিগ্রহ’ শব্দের অর্থ নির্যাতন, প্রপীড়ন, অবহেলা বা প্রতিকূল আচরণ। ইতিবাচক ভাবের শব্দটির বিপরীত হিসেবে নেতিবাচক ভাবের এই শব্দটি সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত শব্দে উপসর্গ বা পরিবর্তন এনে বিপরীত শব্দ গঠিত হয়। - বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদই হয়ে থাকে। এখানে ‘অনুগ্রহ’ ও ‘নিগ্রহ’ উভয়ই বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞতা ও অকৃতজ্ঞতা ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞতা শব্দের অর্থ উপকারের স্বীকার করা এবং অকৃতজ্ঞতা শব্দের অর্থ উপকারের অমর্যাদা করা। উদাহরণ ২: সদয় ও নির্দয় ব্যাখ্যা: সদয় শব্দের অর্থ দয়ালু এবং নির্দয় শব্দের অর্থ নিষ্ঠুর বা দয়াহীন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিগ্রহ — এটি সঠিক উত্তর। B) দয়া — এটি ‘অনুগ্রহ’ শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) বিগ্রহ — এটি ‘বিগ্রহ’ অর্থ মূর্তি বা যুদ্ধ বোঝায়, যা অনুগ্রহের বিপরীত শব্দ নয়। D) প্রতিগ্রহ — এর অর্থ দান গ্রহণ করা, যা অনুগ্রহ শব্দের বিপরীতার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অনুগ্রহ মানে দয়া করা, আর নিগ্রহ মানে শাস্তি বা নির্যাতন দেওয়া। এভাবে দয়া বনাম নির্যাতনের কথা মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
8. ‘বাতাস’ এর সমার্থক শব্দ নয়?
Created 3 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রসূন ১. কেন সঠিক: - 'প্রসূন' শব্দের অর্থ ফুল বা পুষ্প, যা বাতাস বা বায়ুর কোনো সমার্থক শব্দ নয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দের আড়ালে বিপরীতার্থক বা ভিন্নার্থক শব্দ অপশনে দিয়ে পরীক্ষার্থীর মেধা যাচাই করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই রকম কিন্তু গঠন আলাদা। - বাতাস শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে অনিল, পবন, বায়ুমণ্ডল, মারুত ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমীরণ ব্যাখ্যা: সমীরণ শব্দটি বাতাস বা বায়ুর আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: কুসুম ব্যাখ্যা: কুসুম শব্দটি ফুলের সমার্থক, যা প্রসূন শব্দের সমার্থক হলেও বাতাসের নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পবন — পবন হলো বাতাস বা বায়ুর একটি প্রচলিত ও সরাসরি সমার্থক শব্দ। B) অনিল — অনিল সংস্কৃত উৎস থেকে আসা বাতাস বা বায়ুর একটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ। C) প্রসূন — প্রসূন অর্থ ফুল বা পুষ্প, যা বাতাস বা বায়ুর সমার্থক শব্দ নয় বরং ভিন্নার্থক। D) বায়ু — বায়ু হলো বাতাস শব্দের সবচেয়ে সাধারণ ও সরাসরি সমার্থক রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাতাস মানে যা বহে যেমন পবন, বায়ু, অনিল। আর প্রসূন মানে যা ফোটে অর্থাৎ ফুল। - প্রসূন শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এটি ফুলের সমার্থক, বাতাসের নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় প্রশ্নের নেতিবাচক শব্দ যেমন সমার্থক নয় বা অমিল শব্দ ভালোভাবে খেয়াল করতে হয়। - প্রসূন, কুসুম, পুষ্প, মঞ্জরী ইত্যাদি শব্দগুলো সাধারণত ফুলের সমার্থক হিসেবে পরীক্ষায় আসে।
9. কোনটি শুদ্ধ বানান??
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষিজীবী ১. কেন সঠিক: বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী জীব বাজীবী যুক্ত শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হয়। কৃষি শব্দের সাথেজীবী যুক্ত হয়ে কৃষিজীবী শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ যিনি কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানে ই কার ও ঈ কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে জীব বাজীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঈ কার বসে। খাদ্যজীবী, মৎস্যজীবী, শ্রমজীবী ইত্যাদি শব্দে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রমজীবী ব্যাখ্যা: শ্রম শব্দের সাথেজীবী যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মৎস্যজীবী ব্যাখ্যা: মৎস্য শব্দের সাথেজীবী যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষিজীবি — এই অপশনে জিবি অংশে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়মের পরিপন্থী। B) কৃষিজীবী — এটি সঠিক উত্তর। C) কৃষিজিবি — এই অপশনে কৃষি ও জিবি উভয় অংশেই ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। D) কৃষিজিবী — এই অপশনে জি অংশে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: জীব বাজীবী যুক্ত সব শব্দে দীর্ঘ ঈ কার বসে যেমন মৎস্যজীবী ও শ্রমজীবী। পেশা বা জীবিকা বোঝাতেজীবী শব্দের দীর্ঘ ঈ কার মনে রাখা সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পেশাবাচক শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই একই নিয়মেজীবী যুক্ত সব শব্দে দীর্ঘ ঈ কার বসবে তা মনে রাখতে হবে।
10. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গণনা ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের সঠিক নিয়মের কারণে 'গণনা' শব্দটি শুদ্ধ হয়েছে। - তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে যুক্ত ব্যঞ্জন হিসেবে সর্বদা মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ঋ, র, ষ এর পরে ন-ত্ব বিধান অনুসারে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়। - রি, র বা ষ এর পরে অবর্গীয় ধ্বনি কিংবা ক-বর্গ, প-বর্গ বা অন্তস্থ ধ্বনি ছাড়া অন্য ধ্বনি থাকলেও ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ণ বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘণ্টা ব্যাখ্যা: ট-বর্গীয় ধ্বনি 'ঠ'-এর পূর্বে যুক্ত বর্ণ হিসেবে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: ট-বর্গীয় ধ্বনি 'ঠ'-এর পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গননা — বানানে দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ ট-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য-ণ হবে। B) গণপা — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং বানান গঠনের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) গণনা — এই অপশনটি সঠিক বানানের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশ্নের মূল উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। D) গণনা — এই অপশনটিও একই রকম শুদ্ধ বানান এবং মূল উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ট, ঠ, ড, ঢ এর আগে সর্বদা মূর্ধন্য-ণ বসে, এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলে বানান ভুল হবে না। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে কখনো দন্ত্য-ন ব্যবহার করা যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন-ত্ব বিধান ও বানান শুদ্ধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ট-বর্গীয় ধ্বনির আগের বর্ণে সবসময় মূর্ধন্য-ণ বসবে, এই বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
11. ‘আজকে নগদ কালকে ধার’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি (আজকে) কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধিকরণে ২য়া ১. কেন সঠিক: - বাক্যে সময়ের বা কালের উল্লেখ থাকলে তা অধিকরণ কারকের কালবাচক অধিকরণ হয় এবং এর সঙ্গে সাধারণত দ্বিতীয় বা সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়। - এখানে 'আজকে' শব্দ দ্বারা সময় বা কাল বোঝানো হয়েছে এবং শব্দের সঙ্গে 'কে' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার আধার বা স্থান, কাল এবং বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে এবং সময় বোঝালে তাকে কালবাচক অধিকরণ বলা হয়। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দমূলের সঙ্গে 'কে' বা 'রে' বিভক্তি যুক্ত হলে তা মূলত দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এটি স্থান বা কালের আধার বোঝানোর কারণে অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: বর্ষায় বৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: বর্ষা একটি সময় বা কাল নির্দেশ করায় এটি কালবাচক অধিকরণ কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণে ২য়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে কালবাচক অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। B) অপাদানে ৫মী — অপাদান কারক থেকে বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয়ের অর্থ প্রকাশ করে যা এই বাক্যে নেই। C) কর্তায় ২য়া — ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে কর্তা বলে কিন্তু এখানে 'আজকে' কোনো কার্য সম্পাদন করছে না। D) কারগে ২য়া — এই অপশনটি বানানগতভাবে ভুল এবং বাংলা ব্যাকরণে এমন কোনো কারকের নাম নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কখন বা কবে প্রশ্নের উত্তর পেলে তা কালবাচক অধিকরণ কারক হবে। - সময়বাচক শব্দের সঙ্গে কে বা রে বিভক্তি দেখলে নিশ্চিতভাবে অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক শব্দের কারক নির্ণয় প্রায়ই আসে তাই কালবাচক অধিকরণের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করবে। - বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত বর্ণ বা প্রত্যয় আলাদা করে দেখার অভ্যাস করবে।
12. ‘ধন হইতে সুখ হয় না’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি (ধন হইতে) কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 3 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপাদানে ৫মী ১. কেন সঠিক: যাহা হইতে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, তাহাকে অপাদান কারক বলে। এই বাক্যে ধন হইতে সুখ হয় না বোঝাতে ধনের উৎস বা তার থেকে প্রাপ্তির অনুপস্থিতি বুঝিয়েছে, তাই এটি অপাদান কারক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের থেকে বিচ্যুতি বা উৎপন্ন বোঝাতে অপাদান কারক হয়। শব্দটির সঙ্গে হইতে অনুসর্গ যুক্ত থাকায় এটি পঞ্চমী বিভক্তির নির্দেশক হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ হইতে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝানোয় এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: বিপদে মত্ব রক্ষা কর। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া বোঝাতে এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ৭মী - কর্ম কারকে বাক্যে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে বোঝায়, কিন্তু এখানে উৎস বা বিচ্যুতি বোঝানো হয়েছে। B) করণে ৩য়া - করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র বা সহায়কের মাধ্যমে কাজ করা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো যন্ত্রের সাহায্য বোঝানো হয়নি। C) অপাদানে ৫মী - এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উৎস থেকে কিছু না পাওয়ার বা বিচ্যুতির অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) কর্তায় ৭মী - কর্তা কারক বাক্যের সম্পাদনকারীকে বোঝায়, কিন্তু ধন এখানে কর্তা হিসেবে কাজ করছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথাও হইতে কিছু উৎপন্ন, বিচ্যুত, রক্ষিত বা ভয় পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। হীতে, হইতে বা থেকে অনুসর্গ দেখলে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই অনুসর্গযুক্ত কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। বিভক্তি ও অনুসর্গের রূপ চিনে কারক নির্ণয় করলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
14. নিচের কোনটি কর্মধারয় সমাস নয়?
Created 3 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকণ্ঠ ১. কেন সঠিক: আকণ্ঠ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, কর্মধারয় সমাস নয়। এখানে 'আ' উপসর্গটি পর্যন্ত অর্থে যুক্ত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থেকে তার অর্থই প্রধান হয় এবং সমস্তপদটি অব্যয় পদ রূপে ব্যবহৃত হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। আকণ্ঠ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কণ্ঠ পর্যন্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজীবন। ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত অর্থে এটি অব্যয়ীভাব সমাস। উদাহরণ ২: উপকূল। ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে এটি অব্যয়ীভাব সমাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাসমহল — এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য খাস যে মহল। B) রাজর্ষি — এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য রাজা যিনি ঋষি। C) মৌলভী সাহেব — এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য মৌলভী যে সাহেব। D) আকণ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অব্যয়ীভাব সমাস। ৫. মনে রাখার টিপস: আ, প্রতি, যথা, উপ ইত্যাদি উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে অব্যয়ীভাব সমাসের কথা চিন্তা করবে। যেমন আকণ্ঠ মানে কণ্ঠ পর্যন্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দ দিয়ে অব্যয়ীভাব সমাস কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। তাই উপসর্গ চেনার মাধ্যমে সমাস নির্ণয় করা সহজ হয়।
15. ‘রমনা পার্ক’ গল্পটি কে রচনা করেছেন?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. নীলিমা ইব্রাহিম ১. কেন সঠিক: - ‘রমনা পার্ক’ একটি প্রখ্যাত মননশীল ও স্মৃতিকাতর রচনা যার রচয়িতা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ড. নীলিমা ইব্রাহিম। - এই লেখায় তৎকালীন ঢাকার রমনা পার্ক এবং তার আশেপাশের পরিবেশের ঐতিহাসিক ও সামাজিক রূপ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. নীলিমা ইব্রাহিম একাধারে কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত লাভ করেন। - তাঁর সাহিত্যকর্মে নারী অধিকার, সমাজচিত্র এবং ঐতিহাসিক ঘটনার বাস্তবসম্মত প্রতিফলন দেখা যায় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘আমি বীরঙ্গনা বলছি’ ব্যাখ্যা: এটি ড. নীলিমা ইব্রাহিমের অত্যন্ত পরিচিত একটি ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ‘যে অরণ্যে আলো নেই’ ব্যাখ্যা: এটি ড. নীলিমা ইব্রাহিম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও এই রচনার রচয়িতা নন। B) শাহাদাৎ হোসেন — ইনি একজন কবি ও সাহিত্যিক হলেও রমনা পার্ক শিরোনামের এই নির্দিষ্ট রচনার সঙ্গে যুক্ত নন। C) ড. নীলিমা ইব্রাহিম — এটি সঠিক উত্তর। D) মুনীর চৌধুরী — ইনি প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও এই প্রবন্ধ বা স্মৃতিকথার রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রমনা পার্ক ঢাকার একটি ঐতিহাসিক স্থান আর এই স্থান নিয়ে আবেগময় ও মননশীল রচনা লিখেছেন ড. নীলিমা ইব্রাহিম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ড. নীলিমা ইব্রাহিমের আত্মজীবনীমূলক বা স্মৃতিকথামূলক লেখাগুলো থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
18. The bird sings sweetly বাক্যে Sweetly শব্দটি হচ্ছে-
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) An adverb কেন সঠিক: - 'Sweetly' শব্দটি বাক্যের মূল verb 'sings' কে বিশেষিত করছে বা গান গাওয়ার ধরন বোঝাচ্ছে। - Verb সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদানকারী শব্দকে Adverb বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A conjunction — Conjunction যুক্ত করার কাজ করে, যা এখানে নেই। B) An adjective — Adjective সাধারণত Noun বা Pronoun কে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে Verb কে করেছে। C) An adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) A verb — Verb দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু এটি কাজের ধরন বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: Verb কে কীভাবে (How) প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সাধারণত সেটিই Adverb হয়। যেমন: সে কীভাবে গায়? উত্তর: মিষ্টিভাবে বা sweetly।
20. He said to me, "Which book do you want?" বাক্যের Indirect speech হচ্ছে-
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He asked me which book I wanted কেন সঠিক: - Interrogative sentence-এ Direct speech-কে Indirect করার সময় reporting verb (said to) পরিবর্তন হয়ে asked হয়। - What, which ইত্যাদি Wh-word যুক্ত Interrogative sentence-এ conjunction হিসেবে অতিরিক্ত কোনো that বসে না, বরং ওই Wh-word নিজেই যুক্ত করে। - Indirect speech-এ interrogative বাক্যটি assertive sentence-এ রূপান্তরিত হয় এবং Tense অনুযায়ী verb-এর পরিবর্তন ঘটে (present indefinite থেকে past indefinite)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said to me which book I wanted — Interrogative sentence-এ said to-এর পরিবর্তে asked না ব্যবহার করার কারণে এটি ভুল। B) He asked to me which book I want — asked-এর পর preposition হিসেবে to বসে না এবং Tense পরিবর্তিত হয়নি বিধায় এটি ভুল। C) He said me Which book I wanted — said-এর পর object ব্যবহারের ক্ষেত্রে to না থাকা এবং asked না হওয়ার কারণে এটি ভুল। D) He asked me which book I wanted — এটি শতভাগ ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Wh-word যুক্ত প্রশ্নবোধক বাক্যকে Narration পরিবর্তনের সময় said to-এর বদলে asked বসবে, কোন conjunction লাগবে না এবং বাক্যটি assertive হয়ে Tense পরিবর্তন হবে।
21. The Manager said to the strikers, 'Resume your work' বাক্যের Indirect speech হচ্ছে-
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The manager ordered the strikers to resume their work কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্বটি আদেশমূলক বাক্য বুঝানোয় ordered ব্যবহৃত হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমা উঠে গিয়ে ইনফিনিটিভ to বসেছে। - সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার কারণে ব্যক্তিবর্গের মাঝে কোনো preposition বসেনি এবং প্রথম পুরুষের Pronoun নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The manager request the strikers to resume their work — রিপোর্টিং ভার্বটি Past tense-এ থাকায় request বর্তমান রূপে থাকতে পারে না, এখানে requested হওয়া উচিত ছিল। B) The manager ordered the strikers to resume their work — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) The manager told the strikers to resume their work — told ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে প্রত্যক্ষ আদেশের ক্ষেত্রে ordered শব্দটি বেশি উপযুক্ত ও নিখুঁত। D) The manager requested to the strikers to resume their work — request বা order শব্দের পর সরাসরি অবজেক্ট বসে, মাঝখানে কোনো to preposition বসে না। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এ আদেশ বুঝালে indirect speech-এ told বা requested-এর পরিবর্তে ordered ব্যবহার করা এবং object-এর পূর্বে অতিরিক্ত to না বসানোই নিয়ম।
23. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 3 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sohel is taller than I কেন সঠিক: - তুলনামূলক বাক্যে (Than এর পরে) দুটি সাবজেক্টের তুলনা হলে Subjective Pronoun বসে। - এখানে Sohel এবং I-এর মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে, তাই I সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sohel is taller than I — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক ও ব্যাকরণসম্মত। B) Shohel is taller than me — Than-এর পর Objective Pronoun (me) ব্যবহার করলে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) I did not think it was her — Be verb-এর পর Objective Pronoun (her) ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত ব্যাকরণে সঠিক নয়। D) She is out of her danger — এই বাক্যে out of her danger Idiomatic Use অনুযায়ী ভুল, সঠিক হবে out of danger. মনে রাখার টিপস: Than-এর পরে Pronoun ব্যবহারের সময় মনে মনে বাক্যটি সম্পূর্ণ করে দেখবে (যেমন: taller than I am), এতে ভুল হবে না।
26. Antonym of the word 'Doctrine' is-
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Error কেন সঠিক: - 'Doctrine' শব্দের অর্থ হলো মতবাদ, ধর্মমত বা কোনো নির্দিষ্ট নীতি যা সত্য বলে বিশ্বাস করা হয়। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'Error' শব্দের অর্থ হলো ভুল বা ভ্রান্তি, যা 'Doctrine' শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Belief — এর অর্থ বিশ্বাস, যা 'Doctrine' শব্দের একটি সমার্থক শব্দ এবং এর বিপরীত নয়। B) Faith — এর অর্থ আস্থা বা বিশ্বাস, যা 'Doctrine' বা মতবাদের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Error — এর অর্থ ভুল বা ভ্রান্তি, যা সঠিক উত্তর হিসেবে 'Doctrine' শব্দের বিপরীতার্থক। D) Theory — এর অর্থ তত্ত্ব বা মতবাদ, যা 'Doctrine' শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: মতবাদ বা 'Doctrine' সব সময় সঠিক হয় না, কখনো কখনো সেখানে 'Error' বা ভুল থাকতে পারে।
27. Synonym of the word 'Encounter' is-
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Battle কেন সঠিক: - Encounter শব্দের অর্থ মুখোমুখি হওয়া, সাক্ষাৎ বা লড়াই। - Battle শব্দের অর্থ যুদ্ধ বা লড়াই, যা Encounter শব্দের সঙ্গে অর্থের দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Battle — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ লড়াই বা সংঘর্ষ। B) Part — এর অর্থ অংশ, যা Encounter শব্দের সমার্থক নয়। C) Harmony — এর অর্থ মিল বা সৌহার্দ্য, যা লড়াইয়ের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Concord — এর অর্থ সম্প্রীতি বা চুক্তি, যা Encounter শব্দের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Encounter মানে মুখোমুখি লড়াই, আর Battle মানে যুদ্ধ বা লড়াই।
30. You are not amenable ____ reason.
Created 3 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
32. নিচের কোন সংখ্যাটি ক্ষুদ্রতম?
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ বাই ২১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভগ্নাংশ দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো দুই বাই সাত, তিন বাই ৫, পাঁচ বাই একচল্লিশ এবং এক বাই তিন ধরি, ভগ্নাংশগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করা সহজ হবে প্রথম ভগ্নাংশটি হলো দুই ভাগ সাত অতএব, দুই ভাগ সাত এর মান প্রায় শূন্য দশমিক দুই আট তিন ভাগ পাঁচ এর মান শূন্য দশমিক ছয় পাঁচ ভাগ একচল্লিশ এর মান প্রায় শূন্য দশমিক দুই তিন আট সুতরাং, এক ভাগ তিন এর মান প্রায় শূন্য দশমিক তিন তিন সবগুলোর মধ্যে পাঁচ ভাগ একচল্লিশ এর মান সবচেয়ে কম উত্তর: C) ৫ বাই ২১
33. ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪......... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪ ধরি, এটি একটি ফিবোনাচ্চি ধারা অতএব, প্রতিটি সংখ্যা তার পূর্ববর্তী দুটি সংখ্যার যোগফল নির্দেশ করে সুতরাং, শেষ দুটি সংখ্যা ২১ এবং ৩৪ যোগ করতে হবে উত্তর: ২১ + ৩৪ = ৫৫
37. দুটি রাশির অনুপাত ৮ : ১৫। পূর্ব রাশি ৪০ হলে উত্তর রাশি কত?
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির অনুপাত আট অনুপাত পনেরো পূর্ব রাশি সমান চল্লিশ ধরি, পূর্ব রাশি সমান আট ক উত্তর রাশি সমান পনেরো ক অতএব, আট ক সমান চল্লিশ ক সমান চল্লিশ ভাগ আট ক সমান পাঁচ সুতরাং, উত্তর রাশি সমান পনেরো গুণ পাঁচ উত্তর রাশি সমান পঁচাত্তর উত্তর: ৭৫
40. একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ সেমি হলে এর অতিভুজের মান কত?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ সেমি প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের একটি সমকোণ সংলগ্ন বাহু = ৩ সেমি অপর সমকোণ সংলগ্ন বাহু = ৪ সেমি ধরি, অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ক সেমি অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, ক এর বর্গ = ৩ এর বর্গ + ৪ এর বর্গ ক এর বর্গ = ৯ + ১৬ ক এর বর্গ = ২৫ সুতরাং, ক = √২৫ ক = ৫ উত্তর: ৫ সেমি
41. 9a² + 16b² রাশিটির সাথে কোনটি যোগ করলে পূর্ণ বর্গ হবে?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ab প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৯a² + ১৬b² ধরি, প্রথম পদটিকে a এবং দ্বিতীয় পদটিকে b ধরে পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র প্রয়োগ করতে হবে অতএব, প্রথম পদ ৯a² এর বর্গমূল হলো ৩a এবং এর বর্গ হলো (৩a)² দ্বিতীয় পদ ১৬b² এর বর্গমূল হলো ৪b এবং এর বর্গ হলো (৪b)² সুতরাং, পূর্ণবর্গ হওয়ার জন্য মাঝখানে যোগ করতে হবে ২ × (৩a) × (৪b) উত্তর: ২৪ab
42. একজন দালাল দুটি পুরোনো গাড়ী প্রত্যেকটি ৩৯,১০০ টাকায় বিক্রি করেন। প্রথমটিতে তার ১৫% লাভ হয় কিন্তু দ্বিতীয়টিতে ৭.৫% ক্ষতি হয়। মোটের উপর তার কত টাকা লাভ হয়?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯২৯.৭৩ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম গাড়ির বিক্রয়মূল্য = ৩৯১০০ টাকা লাভ = ১৫% দ্বিতীয় গাড়ির বিক্রয়মূল্য = ৩৯১০০ টাকা ক্ষতি = ৭.৫% ধরি, প্রথম গাড়ির ক্রয়মূল্য = ক টাকা দ্বিতীয় গাড়ির ক্রয়মূল্য = খ টাকা অতএব, ক + (ক × ১৫ ÷ ১০০) = ৩৯১০০ সুতরাং, ক = ৩৪০০০ টাকা খ − (খ × ৭.৫ ÷ ১০০) = ৩৯১০০ সুতরাং, খ = ৪২৩২৬.৮৮ টাকা মোট ক্রয়মূল্য = ৩৪০০০ + ৪২৩২৬.৮৮ = ৭৬৩২৬.৮৮ টাকা মোট বিক্রয়মূল্য = ৩৯১০০ + ৩৯১০০ = ৭৮২০২০ টাকা সুতরাং, মোট লাভ = ৭৮২০২০ − ৭৬৩২৬.৮৮ = ১৯২৯.৭৩ টাকা উত্তর: ১৯২৯.৭৩ টাকা
44. ১৫ টি ভেড়ার মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান। ২ টি গরুর মূল্য ৩,০০০ টাকা হলে ৬ টি ভেড়ার মূল্য কত?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১৫ টি ভেড়ার মূল্য ৫ টি গরুর মূল্যের সমান ২ টি গরুর মূল্য ৩,০০০ টাকা ধরি, ১ টি গরুর মূল্য = ৩,০০০ ÷ ২ = ১,৫০০ টাকা ৫ টি গরুর মূল্য = ১,৫০০ × ৫ = ৭,৫০০ টাকা অতএব, ১৫ টি ভেড়ার মূল্য = ৭,৫০০ টাকা ১ টি ভেড়ার মূল্য = ৭,৫০০ ÷ ১৫ = ৫০০ টাকা সুতরাং, ৬ টি ভেড়ার মূল্য = ৫০০ × ৬ = ৩,০০০ টাকা উত্তর: ৩,০০০ টাকা
47. ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন-
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মির্জা আহমেদ জান কেন সঠিক: - ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক তারা মসজিদটি ১৮ শতকের শুরুতে মির্জা গোলাম পীর নির্মাণ করেছিলেন। - পরবর্তী সময়ে ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে ঢাকার জমিদার মির্জা আহমেদ জান এই মসজিদের সংস্কার ও এর সৌন্দর্য বর্ধন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খান সাহেব আবুল হাসনাত — তিনি এই মসজিদের নির্মাণ বা সংস্কারের সাথে যুক্ত ছিলেন না। C) নওয়াব সলিমুল্লাহ — তিনি ঢাকার একজন বিখ্যাত নওয়াব হলেও এই মসজিদ নির্মাণ বা সংস্কার করেননি। D) শায়েস্তা খান — তিনি সুবাদার ছিলেন এবং তার আমলে ঢাকা বহু মসজিদ নির্মিত হলেও এটি তিনি করেননি। মনে রাখার টিপস: তারা মসজিদের মূল নির্মাতা মির্জা গোলাম পীর হলেও এর রূপ পরিবর্তন ও সংস্কার করেছিলেন মির্জা আহমেদ জান।
48. বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
Created 3 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিজয়পুরে কেন সঠিক: - নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর এলাকায় বাংলাদেশের প্রধান চীনামাটির খনি অবস্থিত। - পাহাড়ি অঞ্চলের এই মাটি থেকে চীনামাটি সংগ্রহ করা হয় যা সিরামিক শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রানীগঞ্জে — এটি কোনো চীনামাটির প্রধান খনি অঞ্চল নয়, এটি অন্য কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক স্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) বিজয়পুরে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) টেক্যেরহাটে — এটি চীনামাটির প্রধান খনি হিসেবে পরিচিত নয়, এটি অন্য কোনো স্থানীয় এলাকার নাম। D) বিয়ানী বাজার — এটি মূলত গ্যাসক্ষেত্র ও সিলেটের একটি উপজেলার জন্য পরিচিত, চীনামাটির জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: চীনামাটি বিজয়ের প্রতীক, তাই বিজয়ের সাথে বিজয়পুর মনে রাখুন।
51. উন্নত প্রথায় শিক্ষা দেয়া বলতে কি বোঝায়?
Created 3 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও শিক্ষা সংক্রান্ত সঠিক উত্তর: C) ক্লাসে প্রশ্ন করা ও পরীক্ষা নেওয়া কেন সঠিক: - আধুনিক ও উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে শিক্ষার্থীর চিন্তন দক্ষতা ও মূল্যায়নের ওপর জোর দেয়। - ক্লাসে প্রশ্ন করা এবং পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞানের সঠিক মূল্যায়ন ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষা গ্রহণে সাহায্য — এটি শিক্ষার একটি সাধারণ প্রক্রিয়া হলেও উন্নত প্রথার সুনির্দিষ্ট মূল্যায়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) ছাত্রদের তৈরি ও পাসের সাহায্য — এটি মূলত গতানুগতিক পাসমুখী শিক্ষার অংশ, যা গভীর জ্ঞান অর্জনের চেয়ে কেবল ফলফলের ওপর গুরুত্ব দেয়। C) ক্লাসে প্রশ্ন করা ও পরীক্ষা নেওয়া — এটি সঠিক উত্তর। D) পাঠ্য বইয়ে যা আছে সে সম্পর্কে বলা — এটি একমুখী শিক্ষক-কেন্দ্রিক পদ্ধতি, যা আধুনিক ও উন্নত শিক্ষাদানের ধারণার পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: উন্নত শিক্ষা মানেই কেবল পাঠদান নয়, বরং প্রশ্ন ও পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মেধার সঠিক যাচাই।
52. বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী কি ছিল?
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিপাহী কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে সিপাহী পদে কর্মরত ছিলেন। - ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই চা বাগান এলাকায় পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে তিনি শহীদ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাপ্টেন — এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি কমিশনপ্রাপ্ত পদের নাম, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবীর সঙ্গে মিলে না। B) হাবিলদার — এটি সেনাবাহিনীর একটি নন-কমিশন্ড অফিসার পদ, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী ছিল না। C) সিপাহী — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে তার পদবী ছিল সিপাহী। D) ল্যান্স নায়েক — এটি সেনাবাহিনীর আরেকটি পদ, যা বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের পদবী ছিল। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে কনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান পদবীর দিক থেকে সবচেয়ে সাধারণ পদ অর্থাৎ সিপাহী ছিলেন।
53. মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য কয়জনকে সর্বোচ্চ সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাব দেয়া হয়?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকারের পক্ষ থেকে সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বমোট চার ধরনের বীরত্বসূচক খেতাব দেওয়া হয়, যার মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ হলো প্রথম ও সর্বোচ্চ খেতাব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ জন — বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কোনো ক্যাটাগরিতেই ৮ জন বীর খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি নেই, এটি সঠিক তথ্যের সাথে মেলে না। B) ৭ জন — এটি সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা ৭ জন। C) ১০ জন — মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা ১০ জন নয়, বরং সর্বমোট খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন। D) ৯ জন — মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ খেতাবপ্রাপ্ত বীরদের সংখ্যা ৯ জন নয়, সঠিক সংখ্যাটি হলো ৭ জন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের নামের প্রথম অক্ষরগুলো মনে রাখতে পারেন, এভাবে সাজিয়ে: রু র শি মো হা ম মু অর্থাৎ রুহুল, রুস্তম, হামিদ, মতিউর, মহিউদ্দিন, মোস্তফা ও নূর মোহাম্মদ।
55. যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক-
Created 3 days ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জর্জ ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - জর্জ ওয়াশিংটন আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ঔপনিবেশিকContinental Army এর সর্বাধিনায়ক ছিলেন। - তিনি ১৭৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশটির জন্মলগ্নে নেতৃত্ব দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ও প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। B) আব্রাহাম লিঙ্কন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং গৃহযুদ্ধ ও দাসপ্রথা বিলোপের সঙ্গে যুক্ত। C) রুজভেল্ট — ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট বিংশ শতকের যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যিনি মহামন্দা ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নেতৃত্ব দেন। D) কলম্বাস — ক্রিস্টফম কলম্বাস আমেরিকা মহাদেশের জলপথ আবিষ্কার করেছিলেন, কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের সেনাপতি হলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
56. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কোন সালে-
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৪ কেন সঠিক: - ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রান্সিস ফার্দিনান্দ নিহত হওয়ার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। - এই যুদ্ধ ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৪ — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়নি, এটি বিশ্বযুদ্ধের আগের সময়কাল। B) ১৯১৪ — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সঠিক সাল। C) ১৯১৫ — এই সালে যুদ্ধ চলাকালীন গ্যালিপলি যুদ্ধ ও লুসিটানিয়া ডোবার মতো ঘটনা ঘটেছিল, তবে এটি যুদ্ধের সূচনার সাল নয়। D) ১৯১৬ — এই সালে ভারদাঁ ও সমি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যা যুদ্ধের সূচনার সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯১৪ সালটি মনে রাখতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর সাল হিসেবে ১৯১৪ মুখস্থ রাখুন।
58. ইসলামী সম্মেলন (বর্তমান সহযোগিতা) সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায়?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেদ্দা কেন সঠিক: - ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার বর্তমান প্রধান কার্যালয় বা সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত। - ১৯৭৪ সালে লাহোর শীর্ষ সম্মেলনে ওআইসি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর জেদ্দাকে এর স্থায়ী সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেদ্দা — এটি ওআইসি সংস্থার প্রধান কার্যালয় এবং সচিবালয় হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত শহর। B) তেهران — এটি ইরানের রাজধানী হলেও ওআইসির প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত নয়। C) কায়রো — এটি মিসরের রাজধানী এবং আরব লীগের প্রধান কার্যালয় হলেও ওআইসির সদর দপ্তর নয়। D) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও ওআইসির প্রধান কার্যালয় জেদ্দায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ওআইসির জন্ম সৌদি আরবে, তাই এর সদর দপ্তরও সৌদি আরবের বাণিজ্যিক শহর জেদ্দাতেই অবস্থিত।
59. ‘ডেইলি মিরর’ পত্রিকা কোথায় থেকে প্রকাশিত হয়?
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লন্ডন কেন সঠিক: - ডেইলি মিরর একটি বিখ্যাত ব্রিটিশ দৈনিক পত্রিকা যা লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়। - এটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী, ডেইলি মিররের প্রকাশনাস্থল নয়। B) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী, ডেইলি মিরর এখান থেকে প্রকাশিত হয় না। D) মার্কিন — এটি কোনো শহর নয় বরং একটি দেশের নাম বোঝানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মিরর মানে আয়না, আর ব্রিটিশরা লন্ডনে বসে এই আয়নায় বিশ্ব সংবাদ দেখে।
60. বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন-
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মার্কনি ১. কেন সঠিক: - গুলিয়েলমো মার্কনি ১৮৯৫ সালে প্রথম সফলভাবে বেতার তরঙ্গ বা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে বার্তা প্রেরণে সক্ষম হন। - তিনি বিশ্বজুড়ে প্রথম বাণিজ্যিক বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেন এবং একে বাস্তব প্রযুক্তিতে রূপ দেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বেতার যন্ত্র তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে মহাশূন্যের মধ্য দিয়ে শব্দ বা সংকেত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রেরণ করে। - কার্যপ্রণালি: প্রেরক যন্ত্র তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ তৈরি করে অ্যান্টেনার মাধ্যমে আকাশে পাঠায় এবং গ্রাহক যন্ত্র সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে শব্দে রূপান্তর করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বর্তমান যুগের এফএম রেডিও, টেলিভিশন সম্প্রচার এবং মোবাইল যোগাযোগ এই বেতার প্রযুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের রেডিওতে গান শোনার সময় অদৃশ্য বেতার তরঙ্গ আমাদের কানের কাছে পৌঁছে যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বেতার তরঙ্গের চলাচলের জন্য কোনো তারের প্রয়োজন হয় না। উদাহরণ ২: পুলিশের ওয়াকিটকি ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করা। ব্যাখ্যা: এটি বেতার যন্ত্রের একটি দ্বিমুখী যোগাযোগের আধুনিক ও বাস্তব রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগদীশচন্দ্র বসু — তিনি বেতার তরঙ্গ আবিষ্কার ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা রাখলেও বাণিজ্যিক বেতার যন্ত্র আবিষ্কারের পেটেন্ট মার্কনি লাভ করেন। B) ফ্যারাডে — মাইকেল ফ্যারাডে তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশ আবিষ্কার করেন যা আধুনিক জেনারেটর ও মোটরের মূল ভিত্তি। C) গ্রাহাম বেল — আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন যা তারের মাধ্যমে শব্দ প্রেরণ করে। D) মার্কনি — তিনি প্রথম সফলভাবে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে বেতার বার্তা প্রেরণের যন্ত্র তৈরি ও বাণিজ্যিক রূপ দেন। ৫. মনে রাখার টিপস: তারহীন বা বেতার যোগাযোগের ক্ষেত্রে মার্কনির নাম সবার আগে আসে কারণ তিনি একে বাজারজাত করেছিলেন। মনে রাখার কৌশল: মারকনি মানেই মার্ক করা বা চিহ্নিত করা, যিনি তারবিহীন বিশ্বকে মার্ক বা চিহ্নিত করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু মার্কনির আগেই অদৃশ্য আলো বা বেতার তরঙ্গ নিয়ে পরীক্ষা সফল করেছিলেন। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে প্রথম বেতার তরঙ্গ কে আবিষ্কার করেন, যার উত্তর জগদীশচন্দ্র বসু কিন্তু যন্ত্র আবিষ্কারক মার্কনি।
65. ‘অর্কিড’ কি ধরনের উদ্ভিদ?
Created 3 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরাশ্রয়ী ১. কেন সঠিক: - অর্কিড গাছ অন্য উদ্ভিদের ওপর জন্মায় কিন্তু পুষ্টির জন্য তাদের ওপর নির্ভর করে না। - এরা কেবল আশ্রয়ের জন্য বড় গাছের কাণ্ড বা ডাল ব্যবহার করে এবং নিজেদের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরাশ্রয়ী বা এপিফাইট উদ্ভিদ এমন উদ্ভিদ যা অন্য গাছের ওপর জন্মে বায়ুমণ্ডল থেকে আর্দ্রতা ও পুষ্টি গ্রহণ করে। - কার্যপ্রণালি: এদের বিশেষ ধরনের বায়বীয় মূল বা ভেলামেন থাকে যা বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শোষণ করতে পারে। - কারণ ও ফলাফল: আশ্রয়দাতা গাছ থেকে এরা কোনো খাদ্য বা পানি শোষণ করে না, ফলে আশ্রয়দাতা গাছের কোনো ক্ষতি হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাসনা উদ্ভিদ ব্যাখ্যা: এটি গাছের ডালে জন্মে বাতাসে ঝুলে থাকে এবং পরিবেশ থেকে আর্দ্রতা নিয়ে বেঁচে থাকে। উদাহরণ ২: বিভিন্ন প্রজাতির অর্কিড যেমন ভ্যান্ডা অর্কিড ব্যাখ্যা: এগুলো বনের বড় গাছের উচ্চ ডালে রোদ ও বাতাস পাওয়ার জন্য জন্মায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃতজীবী — মৃতজীবী উদ্ভিদ মৃত ও পচা জৈব পদার্থ থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে, যা অর্কিডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) পরাশ্রয়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্কিড আশ্রয়ের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করে। C) মিথোজীবী — মিথোজীবী জীব একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যৌথভাবে জীবন ধারণ করে, যা অর্কিডের পূর্ণ বৈশিষ্ট্য নয়। D) সবগুলোই সত্য — যেহেতু প্রথম ও তৃতীয় অপশন ভুল, তাই এই অপশনটি সঠিক হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্কিড মানেই পরজীবী নয়, এরা শুধু আশ্রয় নেয় তাই পরাশ্রয়ী। - ভেলামেন মূল থাকলে বুঝবে সেটি পরাশ্রয়ী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরাশ্রয়ী উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের ভেলামেনযুক্ত বায়বীয় মূল থাকে। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উদ্ভিদজগতের পারস্পরিক সম্পর্ক থেকে আসে।
66. ধানের বাদামি দাগ রোগ হয়-
Created 3 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছত্রাক দ্বারা ১. কেন সঠিক: ধানের বাদামি দাগ রোগটি একটি নির্দিষ্ট ছত্রাকের আক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। এই ছত্রাক ধানের পাতার কোষে প্রবেশ করে খাদ্য তৈরি ও পরিবহনে বাধা দেয় ফলে ফলন কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বা প্ল্যান্ট প্যাথোলজি অনুসারে ছত্রাকজনিত রোগ উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। কার্যপ্রণালি: ছত্রাকের স্পোর বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনুকূল পরিবেশে ধানের পাতা ও শিষে সংক্রমণ ঘটায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলুর বিলম্বিত ধসা রোগ। ব্যাখ্যা: এটিও ছত্রাকের কারণে হয় এবং আলুর চাষে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। উদাহরণ ২: গমের ব্লাস্ট রোগ। ব্যাখ্যা: এটি ছত্রাকঘটিত আরেকটি মারাত্মক রোগ যা গমের শীষ পুড়িয়ে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাইরাস দ্বারা — ভাইরাস উদ্ভিদে মোজাইক রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু বাদামি দাগ রোগ করে না। B) ব্যাকটেরিয়া দ্বারা — ব্যাকটেরিয়া ধানের ব্যাকটেরিয়াল ব্লাইট রোগ সৃষ্টি করে। C) ব্যাকটেরিওফাজ দ্বারা — এটি এমন এক প্রকার ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে। D) ছত্রাক দ্বারা — এই অপশনটি সঠিক কারণ ধানের বাদামি দাগ রোগ ছত্রাকের আক্রমণেই ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: ধানের বাদামি দাগ বা ব্রাউন স্পট রোগটি হেল্মিন্থোস্পোরিয়াম ওরাইজি নামক ছত্রাক দ্বারা হয়। ছত্রাকজনিত রোগ সহজে মনে রাখতে ধানের পাতার বাদামি দাগের সাথে ছত্রাকের নাম মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গকালের বিখ্যাত দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ ছিল ১৯৪৩ সালের ধানের বাদামি দাগ রোগজনিত মহামারী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উদ্ভিদ রোগের জীবাণুর নাম বা ধরণ জানতে চাওয়া হয়।
68. কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লোহা ১. কেন সঠিক: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে মাধ্যম ভেদ করে চলে। মাধ্যমের কণার ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা যত বেশি হয়, শব্দের বেগ তত বেশি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে এবং এটি কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি, তরলে মাঝারি এবং বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম হয়। কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের কণাগুলো একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে কম্পন এক কণা থেকে অন্য কণায় দ্রুত স্থানান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেললাইনের পাতে কান পাতলে অনেক দূর থেকে ট্রেন আসার শব্দ শোনা যায়। ব্যাখ্যা: লোহার তৈরি রেললাইনের মধ্য দিয়ে শব্দ বাতাসের চেয়ে অনেক দ্রুত ভ্রমণ করে আমাদের কানে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: জলের নিচে সাঁতার কাটার সময় ডলফিনের শব্দ খুব স্পষ্টভাবে শোনা যায়। ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যম হওয়ায় জল বাতাস অপেক্ষা দ্রুত শব্দ পরিবহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতাস — বাতাস একটি গ্যাসীয় মাধ্যম যেখানে কণাগুলোর দূরত্ব বেশি থাকায় শব্দের বেগ কম হয়। B) লোহা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহা একটি কঠিন মাধ্যম এবং এর কণার স্থিতিস্থাপকতা অনেক বেশি। C) পানি — পানি একটি তরল মাধ্যম, যার শব্দের বেগ বাতাস অপেক্ষা বেশি হলেও লোহা বা কঠিন মাধ্যমের চেয়ে কম। D) শূন্যতায় — শব্দ চলার জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, তাই শূন্য মাধ্যমে বা বায়ুশূন্য স্থানে কোনো শব্দ চলাচল করতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের বেগ মনে রাখার সহজ নিয়ম হলো কঠিন থেকে তরল এবং তরল থেকে গ্যাসে গেলে বেগ কমে যায়, তাই লোহা হলো কঠিন মাধ্যম বলে গতি সবচেয়ে বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাতাসে শব্দের সাধারণ বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার। একই রকম অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে, কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম।
69. তামার সাথে নিচের কোনটি মিশালে পিতল হয়?
Created 3 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দস্তা ১. কেন সঠিক: তামার সাথে দস্তা বা জিংক মিশালে পিতল উৎপন্ন হয়। এটি মূলত দুটি ভিন্ন ধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ বা সংকর ধাতু তৈরির একটি প্রক্রিয়া। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলে। কার্যপ্রণালি: গলিত তামার সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে দস্তা গলিয়ে মিশ্রিত করা হয় এবং পরবর্তীতে তা ঠান্ডা করে পিতল তৈরি করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: পিতল অত্যন্ত শক্ত ও টেকসই হওয়ায় এটি দিয়ে ঘরের তৈজসপত্র, বাদ্যযন্ত্র এবং কার্তুজ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট বা হর্ন। ব্যাখ্যা: পিতলের শব্দ ধারণ ক্ষমতা ও স্থায়িত্ব ভালো থাকায় এটি বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: পিতলের তৈরি প্রাচীন মুদ্রা বা পূজার থালা। ব্যাখ্যা: পিতলে সহজে জং ধরে না এবং এর ঔজ্জ্বল্য অনেক দিন বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিকেল — তামার সাথে নিকেল মিশালে কুপ্রোনিকেল বা জার্মান সিলভার তৈরি হয়, পিতল নয়। B) টিন — তামার সাথে টিন মিশালে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা উৎপন্ন হয়, পিতল নয়। C) দস্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তামা ও দস্তার সংকর হলো পিতল। D) সীসা — তামার সাথে সীসা মিশালে বেয়ারিং মেটাল বা বিশেষ ধরনের সোল্ডারিং ধাতু তৈরি হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পিতল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পিতা শব্দটিকে মনে রাখা, যেখানে পি তে পিতল এবং তা তে তামা বোঝায়। অর্থাৎ তামা প্রধান উপাদান এবং এর সাথে দস্তা যুক্ত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তামা ও টিনের মিশ্রণে কাঁসা তৈরি হয়, এই তথ্যটি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় নিয়মিত আসে।
70. নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
Created 3 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ ১. কেন সঠিক: বায়ু কোনো একটি নির্দিষ্ট উপাদান দিয়ে গঠিত নয়, বরং এটি বিভিন্ন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত। এতে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে না, তাই উপাদানগুলো তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক পদার্থ কোনো নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত না হয়ে পাশাপাশি থাকলে তাকে মিশ্রণ বলে। কারণ ও ফলাফল: বায়ুতে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্পের মতো উপাদানগুলোর নিজস্ব রাসায়নিক ধর্ম অপরিবর্তিত থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: গাছপালা বায়ু থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড নিয়ে সালোকসংশ্লেষণ চালায় এবং প্রাণীকুল অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমুদ্রের পানি লবণ এবং পানির একটি মিশ্রণ। ব্যাখ্যা: এখানে লবণ ও পানির কোনো নতুন রাসায়নিক বন্ধন তৈরি হয় না এবং উভয়ের ধর্ম বজায় থাকে। উদাহরণ ২: চাল এবং ডালের মিশ্রণ। ব্যাখ্যা: চাল ও ডাল মিশিয়ে দিলেও চাল চালের মতো এবং ডাল ডালের মতো আলাদা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ — ভুল, কারণ যৌগিক পদার্থের উপাদানগুলো নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত থাকে। B) বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ — ভুল, কারণ মৌলিক পদার্থ শুধুমাত্র একটি উপাদান দিয়ে গঠিত এবং একে ভেঙে অন্য পদার্থ পাওয়া যায় না। C) বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের মিশ্রণকে বোঝায় — ভুল, কারণ বায়ুতে শুধু এই দুটি গ্যাস ছাড়াও আর্গন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প থাকে। D) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ — সঠিক, এটি একাধিক গ্যাস ও উপাদানের ভৌত মিশ্রণ। ৫. মনে রাখার টিপস: মিশ্রণে উপাদানগুলোর অনুপাত নির্দিষ্ট থাকে না এবং এদের সহজে আলাদা করা যায়। বায়ুর মূল উপাদান নাইট্রোজেন প্রায় আটাত্তর শতাংশ এবং অক্সিজেন প্রায় একবিংশ শতাংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মিশ্রণের উপাদানগুলোকে ভৌত প্রক্রিয়ায় আলাদা করা যায়, কিন্তু যৌগের উপাদানগুলোকে রাসায়নিক প্রক্রিয়া ছাড়া আলাদা করা যায় না। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে।
71. দুষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে?
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার্বন মনোক্সাইড ১. কেন সঠিক: - কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস মানবদেহের রক্তের হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের চেয়ে প্রায় দুইশত গুণ বেশি শক্তভাবে যুক্ত হয়। - এর ফলে রক্তে কার্বক্সিহেমোগ্লোবিন তৈরি হয় এবং রক্তের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো রক্তে থাকা একটি প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে সারা দেহে সরবরাহ করে। - কার্যপ্রণালি: বায়ুতে কার্বন মনোক্সাইড থাকলে ফুসফুস তা অক্সিজেনের পরিবর্তে দ্রুত শোষণ করে এবং রক্তে মিশিয়ে দেয়। - কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেনের অভাবে কোষগুলো শক্তি উৎপাদন করতে পারে না, ফলে মাথা ঘোরানো, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং মৃত্যু ঘটতে পারে। - বাস্তব প্রয়োগ: বদ্ধ ঘরে কয়লার চুলা জ্বালানো বা জানলা বন্ধ রেখে গাড়ি স্টার্ট করে রাখলে এই বিষাক্ত গ্যাস জমে বিপদ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে বন্ধ ঘরে কয়লার আগুন পোহানো। ব্যাখ্যা: অপর্যাপ্ত অক্সিজেনের কারণে কয়লা পুড়ে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয় এবং মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। উদাহরণ ২: ব্যস্ত রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ জ্যামে আটকে থাকা মোটরযানের ধোঁয়া। ব্যাখ্যা: ইঞ্জিন থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড পথচারী ও চালকদের দেহে প্রবেশ করে মৃদু বিষক্রিয়া বা ক্লান্তি সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি রক্তের অক্সিজেন ক্ষমতা সরাসরি খর্ব করে না, বরং এর উচ্চমাত্রা দেহে শ্বাসকষ্ট ও দীর্ঘশ্বাস ত্বরান্বিত করে। B) কার্বন মনোক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে স্থায়ী বন্ধন তৈরি করে অক্সিজেন পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। C) সালফার ডাই-অক্সাইড — এটি মূলত মানুষের শ্বাসনালীতে তীব্র জ্বালাপোড়া, এলার্জি এবং এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী একটি ক্ষতিকর গ্যাস। D) নাইট্রিক অক্সাইড — এটি শরীরের রক্তনালী প্রসারণে সাহায্য করে, তবে এর অতি উচ্চমাত্রা ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রক্তে অক্সিজেন চুরির মূল হোতা হলো কার্বন মনোক্সাইড, যার রাসায়নিক সংকেত সিও। - মনোক্সাইড শব্দের অর্থ এক অণু অক্সিজেন থাকা, যা হিমোগ্লোবিনকে ফাঁকি দিয়ে তার সঙ্গে স্থায়ীভাবে আটকে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বা সাইলেন্ট কিলার বলা হয় কারণ এটি বর্ণহীন, গন্ধহীন ও স্বাদহীন। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন গ্যাস হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে সবচেয়ে দ্রুত ও শক্তভাবে যুক্ত হয়।
72. কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইনসুলিন ১. কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত ইনসুলিন হরমোনের অপর্যাপ্ততার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। - ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজকে কোষের ভেতরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে শক্তি উৎপাদনে ভূমিকা রাখে এবং অতিরিক্ত গ্লুকোজকে যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডায়াবেটিস মেলিটাস হলো এমন একটি বিপাকীয় রোগ যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না অথবা উৎপাদিত ইনসুলিন কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়। - কার্যপ্রণালি: খাবার হজমের পর শর্করা ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয় এবং রক্তে মেশে, তখন ইনসুলিন চাবির মতো কাজ করে কোষের দরজা খুলে দেয় যাতে গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ করতে পারে। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অভাবে কোষ গ্লুকোজ গ্রহণ করতে পারে না, ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় এবং তা প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার পর সুস্থ মানুষের অগ্ন্যাশয় থেকে দ্রুত ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্য ইনসুলিন একটি অপরিহার্য হরমোন। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করলে উপবাস অবস্থায় প্রতি ডেসিলিটারে সাত মিলিগ্রামের বেশি গ্লুকোজ পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এটি দেহে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বা ঘাটতির বহিঃপ্রকাশ যা পরীক্ষাগারে সহজেই শনাক্ত করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই হরমোনের ঘাটতি বা অকার্যকারিতাই ডায়াবেটিস রোগের মূল কারণ। B) গ্লুকোজ — এটি কোনো হরমোন নয়, এটি হলো এক ধরনের সরল শর্করা যা রক্তে পরিবাহিত হয়ে শরীরের কোষে শক্তি সরবরাহ করে। C) থাইরক্সিন — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন যা শরীরের বিপাকক্রিয়া এবং শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। D) এড্রিনালিন — এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত জরুরি হরমোন যা ভীতি বা উত্তেজনার সময় হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইনসুলিনের সাথে অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ এবং ডায়াবেটিস শব্দ তিনটি একসাথে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর চিনে নেওয়া সহজ হবে। - মনে রাখবে শর্করা বিপাকের সাথে ইনসুলিন জড়িত আর থাইরক্সিন জড়িত বিপাক হার বা মেটাবলিজমের সাথে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের কোন অঙ্গের কোষ হরমোন উৎপাদন করে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ইনসুলিন কোন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়, যার উত্তর হবে অগ্ন্যাশয়।
75. মেরু রেখা বা অক্ষের উত্তর প্রান্ত বিন্দুকে বলা হয়-
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুমেরু ১. কেন সঠিক: পৃথিবীর ভৌগোলিক অক্ষ বা মেরু রেখার উত্তর প্রান্ত বিন্দুকে সুমেরু বা উত্তর মেরু বলা হয়। এটি এমন একটি বিন্দু যেখানে পৃথিবীর কাল্পনিক ঘূর্ণন অক্ষ উত্তর গোলার্ধের পৃষ্ঠকে স্পর্শ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি উত্তর গোলার্ধের সর্বউত্তরে অবস্থিত এবং আর্কটিক মহাসাগরের মধ্যভাগে এর অবস্থান। বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের ওপরের আকাশ রাতের বেলা ধ্রুবতারার ঠিক নিচে অবস্থান করে এবং এখানে বছরের ছয় মাস দিন ও ছয় মাস রাত থাকে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সুমেরু বৃত্ত বা আর্কটিক সার্কেল। ব্যাখ্যা: সুমেরু বিন্দুর কাছাকাছি অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমারেখা নির্ধারণ করতে সুমেরু বৃত্ত ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ধ্রুবতারা। ব্যাখ্যা: সুমেরু বিন্দুর ঠিক লম্বালম্বি ওপরে আকাশে এই তারাটি অবস্থান করায় নাবিকেরা উত্তর দিক চিনতে এটি ব্যবহার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমেরু — এটি মেরু রেখা বা অক্ষের দক্ষিণ প্রান্ত বিন্দুকে বোঝায়, উত্তর প্রান্তকে নয়। B) বিষুব রেখা — এটি পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক বৃত্ত, কোনো প্রান্তবিন্দু নয়। D) দ্রাঘিমা — এটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী কাল্পনিক অর্ধবৃত্ত, কোনো প্রান্তবিন্দু নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উত্তর মানে সুমেরু এবং দক্ষিণ মানে কুমেরু, এই সাধারণ সূত্রটি মনে রাখলেই উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের পার্থক্য সহজে বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেরু রেখা ও অক্ষের প্রান্তবিন্দু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে দক্ষিণ প্রান্ত বিন্দু সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
77. এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে-
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্কট ক্রান্তি রেখা ১. কেন সঠিক: - কর্কট ক্রান্তি রেখা বা ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ ভাগ অতিক্রম করেছে। - এই রেখাটি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের ওপর দিয়ে বিস্তৃত হয়ে অঞ্চলটির জলবায়ু ও ঋতু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশ এবং বাংলাদেশের মধ্যভাগ। - বৈশিষ্ট্য: এটি এমন একটি কাল্পনিক রেখা যেখানে উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকালে সূর্য ঠিক মাথার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কট ক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় দেশটি ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভারত ব্যাখ্যা: ভারতের আটটি রাজ্যের ওপর দিয়ে এই রেখাটি অতিক্রম করায় দেশটির জলবায়ুতে ক্রান্তীয় প্রভাব স্পষ্ট দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল মধ্য রেখা — এটি লন্ডনের গ্রিনউইচ অবজারভেটরির ওপর দিয়ে যাওয়া দ্রাঘিমা রেখা যা এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ অতিক্রম করে না। B) কর্কট ক্রান্তি রেখা — এটি সঠিক উত্তর। C) মকর ক্রান্তি রেখা — এটি ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ যা অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ অংশ অতিক্রম করে, এশিয়ায় নেই। D) বিষুব রেখা — এটি ০ ডিগ্রি অক্ষাংশ যা এশিয়ার মূল ভূখণ্ড অতিক্রম না করে ইন্দোনেশিয়ার কিছু দ্বীপ অতিক্রম করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - এশিয়া মহাদেশের মাঝখান দিয়ে কর্কট ক্রান্তি রেখা এবং বাংলাদেশ এর মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে—এই মিলটি মনে রাখলে উত্তর সহজ হয়। - বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের ওপর দিয়েই কর্কট ক্রান্তি রেখা গিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্কট ক্রান্তি রেখা সংক্রান্ত দেশ ও অঞ্চলের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - একই ধারণা থেকে কোন কোন দেশের ওপর দিয়ে কর্কট ক্রান্তি রেখা গিয়েছে, সেই সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
78. চন্দ্র ও সূর্য জল ও স্থলকে আকর্ষণ করে বলে পানি ফুলে ওঠে; পানির এ ফুলে ওঠাকে বলে-
Created 3 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জোয়ার ১. কেন সঠিক: চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর জলরাশি একদিকে ফুলে ওঠে এবং এর ফলে সমুদ্রের পানি উপকূলের দিকে ধাবিত হয়, যাকে জোয়ার বলা হয়। এই আকর্ষণ মূলত মহাকর্ষ বল এবং কেন্দ্রাতিগ বলের যৌথ প্রভাবে ঘটে থাকে, যা পৃথিবীর আহ্নিক গতির ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: এটি একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ঘটায়। কারণ ও প্রভাব: চাঁদ পৃথিবীর নিকটবর্তী হওয়ায় এর আকর্ষণ বল বেশি থাকে এবং এর প্রভাবে মুখ্য জোয়ার সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পূর্ণিমার জোয়ার ব্যাখ্যা: পূর্ণিমার দিনে সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে, ফলে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি হয়। উদাহরণ ২: মরা কটাল ব্যাখ্যা: চাঁদের প্রথম ও অষ্টমী তিথিতে সমকোণে অবস্থানের কারণে জোয়ারের পানি কম ফুলে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জোয়ার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমেই সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠে। B) ভাটা — ফুলে ওঠা পানির আবার সমুদ্রের দিকে নেমে যাওয়া বা নেমে যাওয়া অবস্থাকে ভাটা বলা হয়। C) স্রোত — নদীর পানি বা সমুদ্রের পানির নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার গতিকে স্রোত বলা হয়। ডি) বাণ — নদীর মোহনায় হঠাৎ প্রবল বেগে জোয়ারের পানি প্রবেশ করলে তাকে বান বা জোয়ারের বান বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পানি ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং পানি নেমে যাওয়াকে ভাটা মনে রাখবে। চাঁদ ও সূর্যের টানে পানি ফুলে ওঠে এই মূল সূত্রটি মাথায় রাখলে সহজে উত্তর করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জোয়ার-ভাটার কারণ এবং পূর্ণিমা বা অমাবস্যার জোয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই চন্দ্র ও সূর্যের অবস্থান এবং তাদের আকর্ষণ বলের প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।

মোট প্রশ্ন (15)

3. ‘রমনা পার্ক’ গল্পটি কে রচনা করেছেন?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. নীলিমা ইব্রাহিম ১. কেন সঠিক: - ‘রমনা পার্ক’ একটি প্রখ্যাত মননশীল ও স্মৃতিকাতর রচনা যার রচয়িতা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ড. নীলিমা ইব্রাহিম। - এই লেখায় তৎকালীন ঢাকার রমনা পার্ক এবং তার আশেপাশের পরিবেশের ঐতিহাসিক ও সামাজিক রূপ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. নীলিমা ইব্রাহিম একাধারে কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত লাভ করেন। - তাঁর সাহিত্যকর্মে নারী অধিকার, সমাজচিত্র এবং ঐতিহাসিক ঘটনার বাস্তবসম্মত প্রতিফলন দেখা যায় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘আমি বীরঙ্গনা বলছি’ ব্যাখ্যা: এটি ড. নীলিমা ইব্রাহিমের অত্যন্ত পরিচিত একটি ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ‘যে অরণ্যে আলো নেই’ ব্যাখ্যা: এটি ড. নীলিমা ইব্রাহিম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও এই রচনার রচয়িতা নন। B) শাহাদাৎ হোসেন — ইনি একজন কবি ও সাহিত্যিক হলেও রমনা পার্ক শিরোনামের এই নির্দিষ্ট রচনার সঙ্গে যুক্ত নন। C) ড. নীলিমা ইব্রাহিম — এটি সঠিক উত্তর। D) মুনীর চৌধুরী — ইনি প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও এই প্রবন্ধ বা স্মৃতিকথার রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রমনা পার্ক ঢাকার একটি ঐতিহাসিক স্থান আর এই স্থান নিয়ে আবেগময় ও মননশীল রচনা লিখেছেন ড. নীলিমা ইব্রাহিম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ড. নীলিমা ইব্রাহিমের আত্মজীবনীমূলক বা স্মৃতিকথামূলক লেখাগুলো থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
4. নিচের কোনটি কর্মধারয় সমাস নয়?
Created 3 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকণ্ঠ ১. কেন সঠিক: আকণ্ঠ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, কর্মধারয় সমাস নয়। এখানে 'আ' উপসর্গটি পর্যন্ত অর্থে যুক্ত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থেকে তার অর্থই প্রধান হয় এবং সমস্তপদটি অব্যয় পদ রূপে ব্যবহৃত হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। আকণ্ঠ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কণ্ঠ পর্যন্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজীবন। ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত অর্থে এটি অব্যয়ীভাব সমাস। উদাহরণ ২: উপকূল। ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে এটি অব্যয়ীভাব সমাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাসমহল — এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য খাস যে মহল। B) রাজর্ষি — এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য রাজা যিনি ঋষি। C) মৌলভী সাহেব — এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য মৌলভী যে সাহেব। D) আকণ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অব্যয়ীভাব সমাস। ৫. মনে রাখার টিপস: আ, প্রতি, যথা, উপ ইত্যাদি উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে অব্যয়ীভাব সমাসের কথা চিন্তা করবে। যেমন আকণ্ঠ মানে কণ্ঠ পর্যন্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দ দিয়ে অব্যয়ীভাব সমাস কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। তাই উপসর্গ চেনার মাধ্যমে সমাস নির্ণয় করা সহজ হয়।
6. ‘ধন হইতে সুখ হয় না’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি (ধন হইতে) কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 3 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপাদানে ৫মী ১. কেন সঠিক: যাহা হইতে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, তাহাকে অপাদান কারক বলে। এই বাক্যে ধন হইতে সুখ হয় না বোঝাতে ধনের উৎস বা তার থেকে প্রাপ্তির অনুপস্থিতি বুঝিয়েছে, তাই এটি অপাদান কারক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের থেকে বিচ্যুতি বা উৎপন্ন বোঝাতে অপাদান কারক হয়। শব্দটির সঙ্গে হইতে অনুসর্গ যুক্ত থাকায় এটি পঞ্চমী বিভক্তির নির্দেশক হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ হইতে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝানোয় এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: বিপদে মত্ব রক্ষা কর। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া বোঝাতে এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ৭মী - কর্ম কারকে বাক্যে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে বোঝায়, কিন্তু এখানে উৎস বা বিচ্যুতি বোঝানো হয়েছে। B) করণে ৩য়া - করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র বা সহায়কের মাধ্যমে কাজ করা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো যন্ত্রের সাহায্য বোঝানো হয়নি। C) অপাদানে ৫মী - এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উৎস থেকে কিছু না পাওয়ার বা বিচ্যুতির অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) কর্তায় ৭মী - কর্তা কারক বাক্যের সম্পাদনকারীকে বোঝায়, কিন্তু ধন এখানে কর্তা হিসেবে কাজ করছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথাও হইতে কিছু উৎপন্ন, বিচ্যুত, রক্ষিত বা ভয় পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। হীতে, হইতে বা থেকে অনুসর্গ দেখলে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই অনুসর্গযুক্ত কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। বিভক্তি ও অনুসর্গের রূপ চিনে কারক নির্ণয় করলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
7. ‘আজকে নগদ কালকে ধার’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি (আজকে) কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধিকরণে ২য়া ১. কেন সঠিক: - বাক্যে সময়ের বা কালের উল্লেখ থাকলে তা অধিকরণ কারকের কালবাচক অধিকরণ হয় এবং এর সঙ্গে সাধারণত দ্বিতীয় বা সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়। - এখানে 'আজকে' শব্দ দ্বারা সময় বা কাল বোঝানো হয়েছে এবং শব্দের সঙ্গে 'কে' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার আধার বা স্থান, কাল এবং বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে এবং সময় বোঝালে তাকে কালবাচক অধিকরণ বলা হয়। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দমূলের সঙ্গে 'কে' বা 'রে' বিভক্তি যুক্ত হলে তা মূলত দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এটি স্থান বা কালের আধার বোঝানোর কারণে অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: বর্ষায় বৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: বর্ষা একটি সময় বা কাল নির্দেশ করায় এটি কালবাচক অধিকরণ কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণে ২য়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে কালবাচক অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। B) অপাদানে ৫মী — অপাদান কারক থেকে বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয়ের অর্থ প্রকাশ করে যা এই বাক্যে নেই। C) কর্তায় ২য়া — ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে কর্তা বলে কিন্তু এখানে 'আজকে' কোনো কার্য সম্পাদন করছে না। D) কারগে ২য়া — এই অপশনটি বানানগতভাবে ভুল এবং বাংলা ব্যাকরণে এমন কোনো কারকের নাম নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কখন বা কবে প্রশ্নের উত্তর পেলে তা কালবাচক অধিকরণ কারক হবে। - সময়বাচক শব্দের সঙ্গে কে বা রে বিভক্তি দেখলে নিশ্চিতভাবে অধিকরণে দ্বিতীয় বিভক্তি দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক শব্দের কারক নির্ণয় প্রায়ই আসে তাই কালবাচক অধিকরণের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করবে। - বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত বর্ণ বা প্রত্যয় আলাদা করে দেখার অভ্যাস করবে।
8. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গণনা ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের সঠিক নিয়মের কারণে 'গণনা' শব্দটি শুদ্ধ হয়েছে। - তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে যুক্ত ব্যঞ্জন হিসেবে সর্বদা মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ঋ, র, ষ এর পরে ন-ত্ব বিধান অনুসারে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়। - রি, র বা ষ এর পরে অবর্গীয় ধ্বনি কিংবা ক-বর্গ, প-বর্গ বা অন্তস্থ ধ্বনি ছাড়া অন্য ধ্বনি থাকলেও ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য-ণ বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘণ্টা ব্যাখ্যা: ট-বর্গীয় ধ্বনি 'ঠ'-এর পূর্বে যুক্ত বর্ণ হিসেবে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: ট-বর্গীয় ধ্বনি 'ঠ'-এর পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গননা — বানানে দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ ট-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য-ণ হবে। B) গণপা — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং বানান গঠনের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ অর্থহীন। C) গণনা — এই অপশনটি সঠিক বানানের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশ্নের মূল উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। D) গণনা — এই অপশনটিও একই রকম শুদ্ধ বানান এবং মূল উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ট, ঠ, ড, ঢ এর আগে সর্বদা মূর্ধন্য-ণ বসে, এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলে বানান ভুল হবে না। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে কখনো দন্ত্য-ন ব্যবহার করা যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ন-ত্ব বিধান ও বানান শুদ্ধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ট-বর্গীয় ধ্বনির আগের বর্ণে সবসময় মূর্ধন্য-ণ বসবে, এই বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
9. কোনটি শুদ্ধ বানান??
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষিজীবী ১. কেন সঠিক: বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী জীব বাজীবী যুক্ত শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হয়। কৃষি শব্দের সাথেজীবী যুক্ত হয়ে কৃষিজীবী শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ যিনি কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানে ই কার ও ঈ কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে জীব বাজীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঈ কার বসে। খাদ্যজীবী, মৎস্যজীবী, শ্রমজীবী ইত্যাদি শব্দে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রমজীবী ব্যাখ্যা: শ্রম শব্দের সাথেজীবী যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মৎস্যজীবী ব্যাখ্যা: মৎস্য শব্দের সাথেজীবী যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষিজীবি — এই অপশনে জিবি অংশে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়মের পরিপন্থী। B) কৃষিজীবী — এটি সঠিক উত্তর। C) কৃষিজিবি — এই অপশনে কৃষি ও জিবি উভয় অংশেই ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। D) কৃষিজিবী — এই অপশনে জি অংশে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: জীব বাজীবী যুক্ত সব শব্দে দীর্ঘ ঈ কার বসে যেমন মৎস্যজীবী ও শ্রমজীবী। পেশা বা জীবিকা বোঝাতেজীবী শব্দের দীর্ঘ ঈ কার মনে রাখা সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পেশাবাচক শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই একই নিয়মেজীবী যুক্ত সব শব্দে দীর্ঘ ঈ কার বসবে তা মনে রাখতে হবে।
10. ‘বাতাস’ এর সমার্থক শব্দ নয়?
Created 3 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রসূন ১. কেন সঠিক: - 'প্রসূন' শব্দের অর্থ ফুল বা পুষ্প, যা বাতাস বা বায়ুর কোনো সমার্থক শব্দ নয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দের আড়ালে বিপরীতার্থক বা ভিন্নার্থক শব্দ অপশনে দিয়ে পরীক্ষার্থীর মেধা যাচাই করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই রকম কিন্তু গঠন আলাদা। - বাতাস শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে অনিল, পবন, বায়ুমণ্ডল, মারুত ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমীরণ ব্যাখ্যা: সমীরণ শব্দটি বাতাস বা বায়ুর আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: কুসুম ব্যাখ্যা: কুসুম শব্দটি ফুলের সমার্থক, যা প্রসূন শব্দের সমার্থক হলেও বাতাসের নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পবন — পবন হলো বাতাস বা বায়ুর একটি প্রচলিত ও সরাসরি সমার্থক শব্দ। B) অনিল — অনিল সংস্কৃত উৎস থেকে আসা বাতাস বা বায়ুর একটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ। C) প্রসূন — প্রসূন অর্থ ফুল বা পুষ্প, যা বাতাস বা বায়ুর সমার্থক শব্দ নয় বরং ভিন্নার্থক। D) বায়ু — বায়ু হলো বাতাস শব্দের সবচেয়ে সাধারণ ও সরাসরি সমার্থক রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাতাস মানে যা বহে যেমন পবন, বায়ু, অনিল। আর প্রসূন মানে যা ফোটে অর্থাৎ ফুল। - প্রসূন শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এটি ফুলের সমার্থক, বাতাসের নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় প্রশ্নের নেতিবাচক শব্দ যেমন সমার্থক নয় বা অমিল শব্দ ভালোভাবে খেয়াল করতে হয়। - প্রসূন, কুসুম, পুষ্প, মঞ্জরী ইত্যাদি শব্দগুলো সাধারণত ফুলের সমার্থক হিসেবে পরীক্ষায় আসে।
11. ‘অনুগ্রহ’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-
Created 3 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিগ্রহ ১. কেন সঠিক: - ‘অনুগ্রহ’ শব্দের অর্থ কৃপা, দয়া বা অনুকূল আচরণ। এর বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে ‘নিগ্রহ’ শব্দটি। - ‘নিগ্রহ’ শব্দের অর্থ নির্যাতন, প্রপীড়ন, অবহেলা বা প্রতিকূল আচরণ। ইতিবাচক ভাবের শব্দটির বিপরীত হিসেবে নেতিবাচক ভাবের এই শব্দটি সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত শব্দে উপসর্গ বা পরিবর্তন এনে বিপরীত শব্দ গঠিত হয়। - বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদই হয়ে থাকে। এখানে ‘অনুগ্রহ’ ও ‘নিগ্রহ’ উভয়ই বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞতা ও অকৃতজ্ঞতা ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞতা শব্দের অর্থ উপকারের স্বীকার করা এবং অকৃতজ্ঞতা শব্দের অর্থ উপকারের অমর্যাদা করা। উদাহরণ ২: সদয় ও নির্দয় ব্যাখ্যা: সদয় শব্দের অর্থ দয়ালু এবং নির্দয় শব্দের অর্থ নিষ্ঠুর বা দয়াহীন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিগ্রহ — এটি সঠিক উত্তর। B) দয়া — এটি ‘অনুগ্রহ’ শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) বিগ্রহ — এটি ‘বিগ্রহ’ অর্থ মূর্তি বা যুদ্ধ বোঝায়, যা অনুগ্রহের বিপরীত শব্দ নয়। D) প্রতিগ্রহ — এর অর্থ দান গ্রহণ করা, যা অনুগ্রহ শব্দের বিপরীতার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অনুগ্রহ মানে দয়া করা, আর নিগ্রহ মানে শাস্তি বা নির্যাতন দেওয়া। এভাবে দয়া বনাম নির্যাতনের কথা মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
12. কোন বাগধারাটি ‘স্বতন্ত্র’ অর্থ প্রকাশ?
Created 3 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাতেও না পাঁচেও না ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি এমন একটি অবস্থা প্রকাশ করে যেখানে কোনো ব্যক্তি বা বিষয় অন্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন বা নিরপেক্ষ থাকে। - প্রশ্নটিতে এমন বাগধারা চাওয়া হয়েছে যার অর্থ স্বতন্ত্র বা নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - এখানে 'সাতেও না পাঁচেও না' বাগধারাটির মূল ভাব হলো সম্পূর্ণ নির্ঝঞ্ঝাট থাকা বা কোনো দলের অন্তর্ভুক্ত না হওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি ঝামেলার মধ্যে না গিয়ে সাতেও না পাঁচেও না নীতি মেনে চলেন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নিরপেক্ষ বা স্বতন্ত্র থাকার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: দলীয় রাজনীতি থেকে সে সব সময় সাতেও না পাঁচেও না থাকতে ভালোবাসে। ব্যাখ্যা: এখানেও কারও পক্ষে বা বিপক্ষে না থেকে স্বতন্ত্র থাকার ভাব বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদায়-কাঁচকলায় — এই বাগধারাটির অর্থ তীব্র শত্রুতা বা অমিল, যা স্বতন্ত্র অর্থের বিপরীত। B) সাপে-নেউলে — এই বাগধারাটি চিরশত্রুতা বা তীব্র বিরোধ বোঝায়, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না। C) সাতেও না পাঁচেও না — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিরপেক্ষ বা স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশ করে। D) দা-কুমড়া — এই বাগধারাটির অর্থও তীব্র শত্রুতা বা নিত্য ঝগড়া, যা স্বতন্ত্র বা নিরপেক্ষ অর্থ নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাত এবং পাঁচের মতো সাধারণ ঝামেলা থেকে দূরে থাকা ব্যক্তিই হলো সাতেও না পাঁচেও না অর্থাৎ স্বতন্ত্র। - শত্রুতা বোঝাতে প্রাণী বা বস্তুর জোড়া যেমন সাপ-নেউল বা দা-কুমড়া ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নিরপেক্ষতা বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শত্রুতা এবং নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত বাগধারাগুলো প্রায়ই উল্টে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - শত্রুতা সৃষ্টিকারী বাগধারা এবং নিরপেক্ষতা সৃষ্টিকারী বাগধারাগুলোর অর্থ আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
13. ‘তাসের ঘর’ এর অর্থ কি?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: - তাসের ঘর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর এবং রূপক অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা সহজেই ভেঙে যায়। - তাস দিয়ে তৈরি ঘর যেমন সামান্য বাতাসে বা একটু নড়াচড়ায় ধসে পড়ে, তেমনি যে বিষয় বা বস্তু সহজে নষ্ট হয় তাকে তাসের ঘর বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - তাসের ঘর বাগধারাটি মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা বা কোনো পরিকল্পনা ও সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী না হওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নীতিগ্রস্ত এই সরকারের ভিত্তি হলো তাসের ঘরের মতো। ব্যাখ্যা: এখানে সরকারের পতন যে কোনো সময় ঘটতে পারে এবং এর ভিত্তি যে মজবুত নয়, তা বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের লোভের ওপর গড়ে ওঠা সুখ তাসের ঘরের মতো দ্রুত ভেঙে যায়। ব্যাখ্যা: লোভের ওপর প্রতিষ্ঠিত সুখ যে স্থায়ী হয় না এবং তা যে কোনো মুহূর্তে ধ্বংস হতে পারে, তা বোঝাতে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশৃঙ্খলা — বিশৃঙ্খলা বলতে নিয়মশৃঙ্খলা না থাকাকে বোঝায়, যা তাসের ঘরের ক্ষণস্থায়ী অর্থের সঙ্গে সরাসরি মিলে না। B) এলোমেলো — এলোমেলো অর্থ অগোছালো অবস্থা, কিন্তু তাসের ঘর নির্দিষ্ট করে কোনো স্থায়ী না থাকাকে নির্দেশ করে। C) ক্ষণস্থায়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাসের তৈরি ঘর খুব অল্প সময়েই ভেঙে যায় এবং স্থায়ী হয় না। D) তাস খেলার ঘর — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থই গ্রহণ করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন তা টিকতে পারে না এবং মুহূর্তেই পড়ে যায়, তেমনি তাসের ঘর দেখলেই মনে রাখবে এর অর্থ ক্ষণস্থায়ী। - বাগধারা মনে রাখার জন্য আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার গভীর অর্থ বা রূপক প্রকাশভঙ্গি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত বাগধারার রূপক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে আলংকারিক বা ভাবগত অর্থ নির্বাচন করতে হয়।
15. ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ-
Created 3 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তোষামোদে ১. কেন সঠিক: 'ঢাকের কাঠি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার বিশেষ অর্থ হলো তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। ঢাক যেমন অন্যর বাজনার তালে তালে নিজে শব্দ করে এবং উৎসবে বিশেষ ভূমিকা রাখে, তেমনি তোষামোদকারী ব্যক্তিরাও নিজেদের স্বার্থে অন্যকে সবসময় সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারার ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের ম্যানেজারের সামনে সবসময় ঢাকের কাঠি সেজে ঘুরে কোনো লাভ নেই। ব্যাখ্যা: এখানে তোষামোদকারী বা চাটুকার বোঝাতে ঢাকের কাঠি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সে নেতার এত ঢাকের কাঠি নাড়ল যে শেষ পর্যন্ত একটি ভালো পদ পেয়ে গেল। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত তোষামোদ করা অর্থে এখানে বাগধারাটির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোষামোদে — এটি সঠিক কারণ ঢাকের কাঠি বাগধারাটির অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার। B) সাহায্যকারী — সাহায্যকারী বলতে সহযোগীকে বোঝায়, যা ঢাকের কাঠি বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) বাদক — বাদক অর্থ যে বাদ্যযন্ত্র বাজায়, এটি বাগধারার রূপক অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) স্বাস্থ্যহীন লোক — স্বাস্থ্যহীন লোক বলতে দুর্বল বা রোগা মানুষকে বোঝায়, যা এই বাগধারার সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: ঢাক যেমন অন্যের হাতের ইশারায় ও তালে বাজে, তেমনি তোষামোদকারী ব্যক্তিরাও অন্যের মন জুগিয়ে চলতে পছন্দ করে। এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষা এই বাগধারার অর্থ সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানব অঙ্গ বা বাদ্যযন্ত্র সংশ্লিষ্ট বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই এ ধরনের রূপক অর্থভিত্তিক বাগধারাগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

1. You are not amenable ____ reason.
Created 3 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
5. Synonym of the word 'Encounter' is-
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Battle কেন সঠিক: - Encounter শব্দের অর্থ মুখোমুখি হওয়া, সাক্ষাৎ বা লড়াই। - Battle শব্দের অর্থ যুদ্ধ বা লড়াই, যা Encounter শব্দের সঙ্গে অর্থের দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Battle — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ লড়াই বা সংঘর্ষ। B) Part — এর অর্থ অংশ, যা Encounter শব্দের সমার্থক নয়। C) Harmony — এর অর্থ মিল বা সৌহার্দ্য, যা লড়াইয়ের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Concord — এর অর্থ সম্প্রীতি বা চুক্তি, যা Encounter শব্দের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Encounter মানে মুখোমুখি লড়াই, আর Battle মানে যুদ্ধ বা লড়াই।
6. Antonym of the word 'Doctrine' is-
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Error কেন সঠিক: - 'Doctrine' শব্দের অর্থ হলো মতবাদ, ধর্মমত বা কোনো নির্দিষ্ট নীতি যা সত্য বলে বিশ্বাস করা হয়। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'Error' শব্দের অর্থ হলো ভুল বা ভ্রান্তি, যা 'Doctrine' শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Belief — এর অর্থ বিশ্বাস, যা 'Doctrine' শব্দের একটি সমার্থক শব্দ এবং এর বিপরীত নয়। B) Faith — এর অর্থ আস্থা বা বিশ্বাস, যা 'Doctrine' বা মতবাদের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) Error — এর অর্থ ভুল বা ভ্রান্তি, যা সঠিক উত্তর হিসেবে 'Doctrine' শব্দের বিপরীতার্থক। D) Theory — এর অর্থ তত্ত্ব বা মতবাদ, যা 'Doctrine' শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: মতবাদ বা 'Doctrine' সব সময় সঠিক হয় না, কখনো কখনো সেখানে 'Error' বা ভুল থাকতে পারে।
9. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 3 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sohel is taller than I কেন সঠিক: - তুলনামূলক বাক্যে (Than এর পরে) দুটি সাবজেক্টের তুলনা হলে Subjective Pronoun বসে। - এখানে Sohel এবং I-এর মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে, তাই I সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sohel is taller than I — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক ও ব্যাকরণসম্মত। B) Shohel is taller than me — Than-এর পর Objective Pronoun (me) ব্যবহার করলে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) I did not think it was her — Be verb-এর পর Objective Pronoun (her) ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রমিত ব্যাকরণে সঠিক নয়। D) She is out of her danger — এই বাক্যে out of her danger Idiomatic Use অনুযায়ী ভুল, সঠিক হবে out of danger. মনে রাখার টিপস: Than-এর পরে Pronoun ব্যবহারের সময় মনে মনে বাক্যটি সম্পূর্ণ করে দেখবে (যেমন: taller than I am), এতে ভুল হবে না।
11. The Manager said to the strikers, 'Resume your work' বাক্যের Indirect speech হচ্ছে-
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The manager ordered the strikers to resume their work কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্বটি আদেশমূলক বাক্য বুঝানোয় ordered ব্যবহৃত হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমা উঠে গিয়ে ইনফিনিটিভ to বসেছে। - সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার কারণে ব্যক্তিবর্গের মাঝে কোনো preposition বসেনি এবং প্রথম পুরুষের Pronoun নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The manager request the strikers to resume their work — রিপোর্টিং ভার্বটি Past tense-এ থাকায় request বর্তমান রূপে থাকতে পারে না, এখানে requested হওয়া উচিত ছিল। B) The manager ordered the strikers to resume their work — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) The manager told the strikers to resume their work — told ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে প্রত্যক্ষ আদেশের ক্ষেত্রে ordered শব্দটি বেশি উপযুক্ত ও নিখুঁত। D) The manager requested to the strikers to resume their work — request বা order শব্দের পর সরাসরি অবজেক্ট বসে, মাঝখানে কোনো to preposition বসে না। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এ আদেশ বুঝালে indirect speech-এ told বা requested-এর পরিবর্তে ordered ব্যবহার করা এবং object-এর পূর্বে অতিরিক্ত to না বসানোই নিয়ম।
12. He said to me, "Which book do you want?" বাক্যের Indirect speech হচ্ছে-
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He asked me which book I wanted কেন সঠিক: - Interrogative sentence-এ Direct speech-কে Indirect করার সময় reporting verb (said to) পরিবর্তন হয়ে asked হয়। - What, which ইত্যাদি Wh-word যুক্ত Interrogative sentence-এ conjunction হিসেবে অতিরিক্ত কোনো that বসে না, বরং ওই Wh-word নিজেই যুক্ত করে। - Indirect speech-এ interrogative বাক্যটি assertive sentence-এ রূপান্তরিত হয় এবং Tense অনুযায়ী verb-এর পরিবর্তন ঘটে (present indefinite থেকে past indefinite)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said to me which book I wanted — Interrogative sentence-এ said to-এর পরিবর্তে asked না ব্যবহার করার কারণে এটি ভুল। B) He asked to me which book I want — asked-এর পর preposition হিসেবে to বসে না এবং Tense পরিবর্তিত হয়নি বিধায় এটি ভুল। C) He said me Which book I wanted — said-এর পর object ব্যবহারের ক্ষেত্রে to না থাকা এবং asked না হওয়ার কারণে এটি ভুল। D) He asked me which book I wanted — এটি শতভাগ ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Wh-word যুক্ত প্রশ্নবোধক বাক্যকে Narration পরিবর্তনের সময় said to-এর বদলে asked বসবে, কোন conjunction লাগবে না এবং বাক্যটি assertive হয়ে Tense পরিবর্তন হবে।
14. The bird sings sweetly বাক্যে Sweetly শব্দটি হচ্ছে-
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) An adverb কেন সঠিক: - 'Sweetly' শব্দটি বাক্যের মূল verb 'sings' কে বিশেষিত করছে বা গান গাওয়ার ধরন বোঝাচ্ছে। - Verb সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদানকারী শব্দকে Adverb বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A conjunction — Conjunction যুক্ত করার কাজ করে, যা এখানে নেই। B) An adjective — Adjective সাধারণত Noun বা Pronoun কে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে Verb কে করেছে। C) An adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) A verb — Verb দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু এটি কাজের ধরন বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: Verb কে কীভাবে (How) প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সাধারণত সেটিই Adverb হয়। যেমন: সে কীভাবে গায়? উত্তর: মিষ্টিভাবে বা sweetly।

মোট প্রশ্ন (15)

2. একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ সেমি হলে এর অতিভুজের মান কত?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ সেমি প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের একটি সমকোণ সংলগ্ন বাহু = ৩ সেমি অপর সমকোণ সংলগ্ন বাহু = ৪ সেমি ধরি, অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ক সেমি অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, ক এর বর্গ = ৩ এর বর্গ + ৪ এর বর্গ ক এর বর্গ = ৯ + ১৬ ক এর বর্গ = ২৫ সুতরাং, ক = √২৫ ক = ৫ উত্তর: ৫ সেমি
3. 9a² + 16b² রাশিটির সাথে কোনটি যোগ করলে পূর্ণ বর্গ হবে?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ab প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৯a² + ১৬b² ধরি, প্রথম পদটিকে a এবং দ্বিতীয় পদটিকে b ধরে পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র প্রয়োগ করতে হবে অতএব, প্রথম পদ ৯a² এর বর্গমূল হলো ৩a এবং এর বর্গ হলো (৩a)² দ্বিতীয় পদ ১৬b² এর বর্গমূল হলো ৪b এবং এর বর্গ হলো (৪b)² সুতরাং, পূর্ণবর্গ হওয়ার জন্য মাঝখানে যোগ করতে হবে ২ × (৩a) × (৪b) উত্তর: ২৪ab
5. একজন দালাল দুটি পুরোনো গাড়ী প্রত্যেকটি ৩৯,১০০ টাকায় বিক্রি করেন। প্রথমটিতে তার ১৫% লাভ হয় কিন্তু দ্বিতীয়টিতে ৭.৫% ক্ষতি হয়। মোটের উপর তার কত টাকা লাভ হয়?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯২৯.৭৩ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম গাড়ির বিক্রয়মূল্য = ৩৯১০০ টাকা লাভ = ১৫% দ্বিতীয় গাড়ির বিক্রয়মূল্য = ৩৯১০০ টাকা ক্ষতি = ৭.৫% ধরি, প্রথম গাড়ির ক্রয়মূল্য = ক টাকা দ্বিতীয় গাড়ির ক্রয়মূল্য = খ টাকা অতএব, ক + (ক × ১৫ ÷ ১০০) = ৩৯১০০ সুতরাং, ক = ৩৪০০০ টাকা খ − (খ × ৭.৫ ÷ ১০০) = ৩৯১০০ সুতরাং, খ = ৪২৩২৬.৮৮ টাকা মোট ক্রয়মূল্য = ৩৪০০০ + ৪২৩২৬.৮৮ = ৭৬৩২৬.৮৮ টাকা মোট বিক্রয়মূল্য = ৩৯১০০ + ৩৯১০০ = ৭৮২০২০ টাকা সুতরাং, মোট লাভ = ৭৮২০২০ − ৭৬৩২৬.৮৮ = ১৯২৯.৭৩ টাকা উত্তর: ১৯২৯.৭৩ টাকা
8. ১৫ টি ভেড়ার মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান। ২ টি গরুর মূল্য ৩,০০০ টাকা হলে ৬ টি ভেড়ার মূল্য কত?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১৫ টি ভেড়ার মূল্য ৫ টি গরুর মূল্যের সমান ২ টি গরুর মূল্য ৩,০০০ টাকা ধরি, ১ টি গরুর মূল্য = ৩,০০০ ÷ ২ = ১,৫০০ টাকা ৫ টি গরুর মূল্য = ১,৫০০ × ৫ = ৭,৫০০ টাকা অতএব, ১৫ টি ভেড়ার মূল্য = ৭,৫০০ টাকা ১ টি ভেড়ার মূল্য = ৭,৫০০ ÷ ১৫ = ৫০০ টাকা সুতরাং, ৬ টি ভেড়ার মূল্য = ৫০০ × ৬ = ৩,০০০ টাকা উত্তর: ৩,০০০ টাকা
9. দুটি রাশির অনুপাত ৮ : ১৫। পূর্ব রাশি ৪০ হলে উত্তর রাশি কত?
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির অনুপাত আট অনুপাত পনেরো পূর্ব রাশি সমান চল্লিশ ধরি, পূর্ব রাশি সমান আট ক উত্তর রাশি সমান পনেরো ক অতএব, আট ক সমান চল্লিশ ক সমান চল্লিশ ভাগ আট ক সমান পাঁচ সুতরাং, উত্তর রাশি সমান পনেরো গুণ পাঁচ উত্তর রাশি সমান পঁচাত্তর উত্তর: ৭৫
14. ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪......... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪ ধরি, এটি একটি ফিবোনাচ্চি ধারা অতএব, প্রতিটি সংখ্যা তার পূর্ববর্তী দুটি সংখ্যার যোগফল নির্দেশ করে সুতরাং, শেষ দুটি সংখ্যা ২১ এবং ৩৪ যোগ করতে হবে উত্তর: ২১ + ৩৪ = ৫৫
15. নিচের কোন সংখ্যাটি ক্ষুদ্রতম?
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ বাই ২১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভগ্নাংশ দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো দুই বাই সাত, তিন বাই ৫, পাঁচ বাই একচল্লিশ এবং এক বাই তিন ধরি, ভগ্নাংশগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করা সহজ হবে প্রথম ভগ্নাংশটি হলো দুই ভাগ সাত অতএব, দুই ভাগ সাত এর মান প্রায় শূন্য দশমিক দুই আট তিন ভাগ পাঁচ এর মান শূন্য দশমিক ছয় পাঁচ ভাগ একচল্লিশ এর মান প্রায় শূন্য দশমিক দুই তিন আট সুতরাং, এক ভাগ তিন এর মান প্রায় শূন্য দশমিক তিন তিন সবগুলোর মধ্যে পাঁচ ভাগ একচল্লিশ এর মান সবচেয়ে কম উত্তর: C) ৫ বাই ২১

মোট প্রশ্ন (14)

2. মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য কয়জনকে সর্বোচ্চ সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাব দেয়া হয়?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকারের পক্ষ থেকে সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বমোট চার ধরনের বীরত্বসূচক খেতাব দেওয়া হয়, যার মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ হলো প্রথম ও সর্বোচ্চ খেতাব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ জন — বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কোনো ক্যাটাগরিতেই ৮ জন বীর খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি নেই, এটি সঠিক তথ্যের সাথে মেলে না। B) ৭ জন — এটি সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা ৭ জন। C) ১০ জন — মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা ১০ জন নয়, বরং সর্বমোট খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন। D) ৯ জন — মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ খেতাবপ্রাপ্ত বীরদের সংখ্যা ৯ জন নয়, সঠিক সংখ্যাটি হলো ৭ জন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের নামের প্রথম অক্ষরগুলো মনে রাখতে পারেন, এভাবে সাজিয়ে: রু র শি মো হা ম মু অর্থাৎ রুহুল, রুস্তম, হামিদ, মতিউর, মহিউদ্দিন, মোস্তফা ও নূর মোহাম্মদ।
3. বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী কি ছিল?
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিপাহী কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে সিপাহী পদে কর্মরত ছিলেন। - ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই চা বাগান এলাকায় পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে তিনি শহীদ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাপ্টেন — এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি কমিশনপ্রাপ্ত পদের নাম, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবীর সঙ্গে মিলে না। B) হাবিলদার — এটি সেনাবাহিনীর একটি নন-কমিশন্ড অফিসার পদ, যা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী ছিল না। C) সিপাহী — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে তার পদবী ছিল সিপাহী। D) ল্যান্স নায়েক — এটি সেনাবাহিনীর আরেকটি পদ, যা বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের পদবী ছিল। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে কনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান পদবীর দিক থেকে সবচেয়ে সাধারণ পদ অর্থাৎ সিপাহী ছিলেন।
4. উন্নত প্রথায় শিক্ষা দেয়া বলতে কি বোঝায়?
Created 3 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও শিক্ষা সংক্রান্ত সঠিক উত্তর: C) ক্লাসে প্রশ্ন করা ও পরীক্ষা নেওয়া কেন সঠিক: - আধুনিক ও উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে শিক্ষার্থীর চিন্তন দক্ষতা ও মূল্যায়নের ওপর জোর দেয়। - ক্লাসে প্রশ্ন করা এবং পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞানের সঠিক মূল্যায়ন ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিক্ষা গ্রহণে সাহায্য — এটি শিক্ষার একটি সাধারণ প্রক্রিয়া হলেও উন্নত প্রথার সুনির্দিষ্ট মূল্যায়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) ছাত্রদের তৈরি ও পাসের সাহায্য — এটি মূলত গতানুগতিক পাসমুখী শিক্ষার অংশ, যা গভীর জ্ঞান অর্জনের চেয়ে কেবল ফলফলের ওপর গুরুত্ব দেয়। C) ক্লাসে প্রশ্ন করা ও পরীক্ষা নেওয়া — এটি সঠিক উত্তর। D) পাঠ্য বইয়ে যা আছে সে সম্পর্কে বলা — এটি একমুখী শিক্ষক-কেন্দ্রিক পদ্ধতি, যা আধুনিক ও উন্নত শিক্ষাদানের ধারণার পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: উন্নত শিক্ষা মানেই কেবল পাঠদান নয়, বরং প্রশ্ন ও পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মেধার সঠিক যাচাই।
7. ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন-
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মির্জা আহমেদ জান কেন সঠিক: - ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক তারা মসজিদটি ১৮ শতকের শুরুতে মির্জা গোলাম পীর নির্মাণ করেছিলেন। - পরবর্তী সময়ে ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে ঢাকার জমিদার মির্জা আহমেদ জান এই মসজিদের সংস্কার ও এর সৌন্দর্য বর্ধন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খান সাহেব আবুল হাসনাত — তিনি এই মসজিদের নির্মাণ বা সংস্কারের সাথে যুক্ত ছিলেন না। C) নওয়াব সলিমুল্লাহ — তিনি ঢাকার একজন বিখ্যাত নওয়াব হলেও এই মসজিদ নির্মাণ বা সংস্কার করেননি। D) শায়েস্তা খান — তিনি সুবাদার ছিলেন এবং তার আমলে ঢাকা বহু মসজিদ নির্মিত হলেও এটি তিনি করেননি। মনে রাখার টিপস: তারা মসজিদের মূল নির্মাতা মির্জা গোলাম পীর হলেও এর রূপ পরিবর্তন ও সংস্কার করেছিলেন মির্জা আহমেদ জান।
8. বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
Created 3 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিজয়পুরে কেন সঠিক: - নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর এলাকায় বাংলাদেশের প্রধান চীনামাটির খনি অবস্থিত। - পাহাড়ি অঞ্চলের এই মাটি থেকে চীনামাটি সংগ্রহ করা হয় যা সিরামিক শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রানীগঞ্জে — এটি কোনো চীনামাটির প্রধান খনি অঞ্চল নয়, এটি অন্য কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক স্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) বিজয়পুরে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) টেক্যেরহাটে — এটি চীনামাটির প্রধান খনি হিসেবে পরিচিত নয়, এটি অন্য কোনো স্থানীয় এলাকার নাম। D) বিয়ানী বাজার — এটি মূলত গ্যাসক্ষেত্র ও সিলেটের একটি উপজেলার জন্য পরিচিত, চীনামাটির জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: চীনামাটি বিজয়ের প্রতীক, তাই বিজয়ের সাথে বিজয়পুর মনে রাখুন।
10. যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক-
Created 3 days ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জর্জ ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - জর্জ ওয়াশিংটন আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ঔপনিবেশিকContinental Army এর সর্বাধিনায়ক ছিলেন। - তিনি ১৭৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশটির জন্মলগ্নে নেতৃত্ব দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ও প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। B) আব্রাহাম লিঙ্কন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং গৃহযুদ্ধ ও দাসপ্রথা বিলোপের সঙ্গে যুক্ত। C) রুজভেল্ট — ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট বিংশ শতকের যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যিনি মহামন্দা ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নেতৃত্ব দেন। D) কলম্বাস — ক্রিস্টফম কলম্বাস আমেরিকা মহাদেশের জলপথ আবিষ্কার করেছিলেন, কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের সেনাপতি হলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
11. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কোন সালে-
Created 3 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৪ কেন সঠিক: - ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রান্সিস ফার্দিনান্দ নিহত হওয়ার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। - এই যুদ্ধ ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৪ — এই সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়নি, এটি বিশ্বযুদ্ধের আগের সময়কাল। B) ১৯১৪ — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সঠিক সাল। C) ১৯১৫ — এই সালে যুদ্ধ চলাকালীন গ্যালিপলি যুদ্ধ ও লুসিটানিয়া ডোবার মতো ঘটনা ঘটেছিল, তবে এটি যুদ্ধের সূচনার সাল নয়। D) ১৯১৬ — এই সালে ভারদাঁ ও সমি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যা যুদ্ধের সূচনার সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯১৪ সালটি মনে রাখতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর সাল হিসেবে ১৯১৪ মুখস্থ রাখুন।
13. ইসলামী সম্মেলন (বর্তমান সহযোগিতা) সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায়?
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেদ্দা কেন সঠিক: - ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার বর্তমান প্রধান কার্যালয় বা সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত। - ১৯৭৪ সালে লাহোর শীর্ষ সম্মেলনে ওআইসি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর জেদ্দাকে এর স্থায়ী সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেদ্দা — এটি ওআইসি সংস্থার প্রধান কার্যালয় এবং সচিবালয় হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত শহর। B) তেهران — এটি ইরানের রাজধানী হলেও ওআইসির প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত নয়। C) কায়রো — এটি মিসরের রাজধানী এবং আরব লীগের প্রধান কার্যালয় হলেও ওআইসির সদর দপ্তর নয়। D) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও ওআইসির প্রধান কার্যালয় জেদ্দায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ওআইসির জন্ম সৌদি আরবে, তাই এর সদর দপ্তরও সৌদি আরবের বাণিজ্যিক শহর জেদ্দাতেই অবস্থিত।
14. ‘ডেইলি মিরর’ পত্রিকা কোথায় থেকে প্রকাশিত হয়?
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লন্ডন কেন সঠিক: - ডেইলি মিরর একটি বিখ্যাত ব্রিটিশ দৈনিক পত্রিকা যা লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়। - এটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী, ডেইলি মিররের প্রকাশনাস্থল নয়। B) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী, ডেইলি মিরর এখান থেকে প্রকাশিত হয় না। D) মার্কিন — এটি কোনো শহর নয় বরং একটি দেশের নাম বোঝানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মিরর মানে আয়না, আর ব্রিটিশরা লন্ডনে বসে এই আয়নায় বিশ্ব সংবাদ দেখে।

মোট প্রশ্ন (13)

1. কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইনসুলিন ১. কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত ইনসুলিন হরমোনের অপর্যাপ্ততার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। - ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজকে কোষের ভেতরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে শক্তি উৎপাদনে ভূমিকা রাখে এবং অতিরিক্ত গ্লুকোজকে যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ডায়াবেটিস মেলিটাস হলো এমন একটি বিপাকীয় রোগ যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না অথবা উৎপাদিত ইনসুলিন কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়। - কার্যপ্রণালি: খাবার হজমের পর শর্করা ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয় এবং রক্তে মেশে, তখন ইনসুলিন চাবির মতো কাজ করে কোষের দরজা খুলে দেয় যাতে গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ করতে পারে। - কারণ ও ফলাফল: ইনসুলিনের অভাবে কোষ গ্লুকোজ গ্রহণ করতে পারে না, ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় এবং তা প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার পর সুস্থ মানুষের অগ্ন্যাশয় থেকে দ্রুত ইনসুলিন নিঃসৃত হয়ে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্য ইনসুলিন একটি অপরিহার্য হরমোন। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করলে উপবাস অবস্থায় প্রতি ডেসিলিটারে সাত মিলিগ্রামের বেশি গ্লুকোজ পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এটি দেহে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বা ঘাটতির বহিঃপ্রকাশ যা পরীক্ষাগারে সহজেই শনাক্ত করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই হরমোনের ঘাটতি বা অকার্যকারিতাই ডায়াবেটিস রোগের মূল কারণ। B) গ্লুকোজ — এটি কোনো হরমোন নয়, এটি হলো এক ধরনের সরল শর্করা যা রক্তে পরিবাহিত হয়ে শরীরের কোষে শক্তি সরবরাহ করে। C) থাইরক্সিন — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন যা শরীরের বিপাকক্রিয়া এবং শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। D) এড্রিনালিন — এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত জরুরি হরমোন যা ভীতি বা উত্তেজনার সময় হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইনসুলিনের সাথে অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ এবং ডায়াবেটিস শব্দ তিনটি একসাথে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর চিনে নেওয়া সহজ হবে। - মনে রাখবে শর্করা বিপাকের সাথে ইনসুলিন জড়িত আর থাইরক্সিন জড়িত বিপাক হার বা মেটাবলিজমের সাথে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের কোন অঙ্গের কোষ হরমোন উৎপাদন করে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ইনসুলিন কোন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়, যার উত্তর হবে অগ্ন্যাশয়।
2. দুষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে?
Created 3 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার্বন মনোক্সাইড ১. কেন সঠিক: - কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস মানবদেহের রক্তের হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের চেয়ে প্রায় দুইশত গুণ বেশি শক্তভাবে যুক্ত হয়। - এর ফলে রক্তে কার্বক্সিহেমোগ্লোবিন তৈরি হয় এবং রক্তের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো রক্তে থাকা একটি প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে সারা দেহে সরবরাহ করে। - কার্যপ্রণালি: বায়ুতে কার্বন মনোক্সাইড থাকলে ফুসফুস তা অক্সিজেনের পরিবর্তে দ্রুত শোষণ করে এবং রক্তে মিশিয়ে দেয়। - কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেনের অভাবে কোষগুলো শক্তি উৎপাদন করতে পারে না, ফলে মাথা ঘোরানো, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং মৃত্যু ঘটতে পারে। - বাস্তব প্রয়োগ: বদ্ধ ঘরে কয়লার চুলা জ্বালানো বা জানলা বন্ধ রেখে গাড়ি স্টার্ট করে রাখলে এই বিষাক্ত গ্যাস জমে বিপদ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতকালে বন্ধ ঘরে কয়লার আগুন পোহানো। ব্যাখ্যা: অপর্যাপ্ত অক্সিজেনের কারণে কয়লা পুড়ে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয় এবং মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। উদাহরণ ২: ব্যস্ত রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ জ্যামে আটকে থাকা মোটরযানের ধোঁয়া। ব্যাখ্যা: ইঞ্জিন থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড পথচারী ও চালকদের দেহে প্রবেশ করে মৃদু বিষক্রিয়া বা ক্লান্তি সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি রক্তের অক্সিজেন ক্ষমতা সরাসরি খর্ব করে না, বরং এর উচ্চমাত্রা দেহে শ্বাসকষ্ট ও দীর্ঘশ্বাস ত্বরান্বিত করে। B) কার্বন মনোক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে স্থায়ী বন্ধন তৈরি করে অক্সিজেন পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। C) সালফার ডাই-অক্সাইড — এটি মূলত মানুষের শ্বাসনালীতে তীব্র জ্বালাপোড়া, এলার্জি এবং এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী একটি ক্ষতিকর গ্যাস। D) নাইট্রিক অক্সাইড — এটি শরীরের রক্তনালী প্রসারণে সাহায্য করে, তবে এর অতি উচ্চমাত্রা ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রক্তে অক্সিজেন চুরির মূল হোতা হলো কার্বন মনোক্সাইড, যার রাসায়নিক সংকেত সিও। - মনোক্সাইড শব্দের অর্থ এক অণু অক্সিজেন থাকা, যা হিমোগ্লোবিনকে ফাঁকি দিয়ে তার সঙ্গে স্থায়ীভাবে আটকে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বা সাইলেন্ট কিলার বলা হয় কারণ এটি বর্ণহীন, গন্ধহীন ও স্বাদহীন। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন গ্যাস হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে সবচেয়ে দ্রুত ও শক্তভাবে যুক্ত হয়।
3. নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
Created 3 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ ১. কেন সঠিক: বায়ু কোনো একটি নির্দিষ্ট উপাদান দিয়ে গঠিত নয়, বরং এটি বিভিন্ন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত। এতে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে না, তাই উপাদানগুলো তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক পদার্থ কোনো নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত না হয়ে পাশাপাশি থাকলে তাকে মিশ্রণ বলে। কারণ ও ফলাফল: বায়ুতে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্পের মতো উপাদানগুলোর নিজস্ব রাসায়নিক ধর্ম অপরিবর্তিত থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: গাছপালা বায়ু থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড নিয়ে সালোকসংশ্লেষণ চালায় এবং প্রাণীকুল অক্সিজেন গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমুদ্রের পানি লবণ এবং পানির একটি মিশ্রণ। ব্যাখ্যা: এখানে লবণ ও পানির কোনো নতুন রাসায়নিক বন্ধন তৈরি হয় না এবং উভয়ের ধর্ম বজায় থাকে। উদাহরণ ২: চাল এবং ডালের মিশ্রণ। ব্যাখ্যা: চাল ও ডাল মিশিয়ে দিলেও চাল চালের মতো এবং ডাল ডালের মতো আলাদা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ — ভুল, কারণ যৌগিক পদার্থের উপাদানগুলো নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত থাকে। B) বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ — ভুল, কারণ মৌলিক পদার্থ শুধুমাত্র একটি উপাদান দিয়ে গঠিত এবং একে ভেঙে অন্য পদার্থ পাওয়া যায় না। C) বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের মিশ্রণকে বোঝায় — ভুল, কারণ বায়ুতে শুধু এই দুটি গ্যাস ছাড়াও আর্গন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প থাকে। D) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ — সঠিক, এটি একাধিক গ্যাস ও উপাদানের ভৌত মিশ্রণ। ৫. মনে রাখার টিপস: মিশ্রণে উপাদানগুলোর অনুপাত নির্দিষ্ট থাকে না এবং এদের সহজে আলাদা করা যায়। বায়ুর মূল উপাদান নাইট্রোজেন প্রায় আটাত্তর শতাংশ এবং অক্সিজেন প্রায় একবিংশ শতাংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মিশ্রণের উপাদানগুলোকে ভৌত প্রক্রিয়ায় আলাদা করা যায়, কিন্তু যৌগের উপাদানগুলোকে রাসায়নিক প্রক্রিয়া ছাড়া আলাদা করা যায় না। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে।
4. তামার সাথে নিচের কোনটি মিশালে পিতল হয়?
Created 3 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দস্তা ১. কেন সঠিক: তামার সাথে দস্তা বা জিংক মিশালে পিতল উৎপন্ন হয়। এটি মূলত দুটি ভিন্ন ধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ বা সংকর ধাতু তৈরির একটি প্রক্রিয়া। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলে। কার্যপ্রণালি: গলিত তামার সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে দস্তা গলিয়ে মিশ্রিত করা হয় এবং পরবর্তীতে তা ঠান্ডা করে পিতল তৈরি করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: পিতল অত্যন্ত শক্ত ও টেকসই হওয়ায় এটি দিয়ে ঘরের তৈজসপত্র, বাদ্যযন্ত্র এবং কার্তুজ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট বা হর্ন। ব্যাখ্যা: পিতলের শব্দ ধারণ ক্ষমতা ও স্থায়িত্ব ভালো থাকায় এটি বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: পিতলের তৈরি প্রাচীন মুদ্রা বা পূজার থালা। ব্যাখ্যা: পিতলে সহজে জং ধরে না এবং এর ঔজ্জ্বল্য অনেক দিন বজায় থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিকেল — তামার সাথে নিকেল মিশালে কুপ্রোনিকেল বা জার্মান সিলভার তৈরি হয়, পিতল নয়। B) টিন — তামার সাথে টিন মিশালে ব্রোঞ্জ বা কাঁসা উৎপন্ন হয়, পিতল নয়। C) দস্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তামা ও দস্তার সংকর হলো পিতল। D) সীসা — তামার সাথে সীসা মিশালে বেয়ারিং মেটাল বা বিশেষ ধরনের সোল্ডারিং ধাতু তৈরি হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পিতল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পিতা শব্দটিকে মনে রাখা, যেখানে পি তে পিতল এবং তা তে তামা বোঝায়। অর্থাৎ তামা প্রধান উপাদান এবং এর সাথে দস্তা যুক্ত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: তামা ও টিনের মিশ্রণে কাঁসা তৈরি হয়, এই তথ্যটি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় নিয়মিত আসে।
5. কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
Created 3 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লোহা ১. কেন সঠিক: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে মাধ্যম ভেদ করে চলে। মাধ্যমের কণার ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা যত বেশি হয়, শব্দের বেগ তত বেশি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে এবং এটি কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি, তরলে মাঝারি এবং বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম হয়। কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের কণাগুলো একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে কম্পন এক কণা থেকে অন্য কণায় দ্রুত স্থানান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেললাইনের পাতে কান পাতলে অনেক দূর থেকে ট্রেন আসার শব্দ শোনা যায়। ব্যাখ্যা: লোহার তৈরি রেললাইনের মধ্য দিয়ে শব্দ বাতাসের চেয়ে অনেক দ্রুত ভ্রমণ করে আমাদের কানে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: জলের নিচে সাঁতার কাটার সময় ডলফিনের শব্দ খুব স্পষ্টভাবে শোনা যায়। ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যম হওয়ায় জল বাতাস অপেক্ষা দ্রুত শব্দ পরিবহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতাস — বাতাস একটি গ্যাসীয় মাধ্যম যেখানে কণাগুলোর দূরত্ব বেশি থাকায় শব্দের বেগ কম হয়। B) লোহা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহা একটি কঠিন মাধ্যম এবং এর কণার স্থিতিস্থাপকতা অনেক বেশি। C) পানি — পানি একটি তরল মাধ্যম, যার শব্দের বেগ বাতাস অপেক্ষা বেশি হলেও লোহা বা কঠিন মাধ্যমের চেয়ে কম। D) শূন্যতায় — শব্দ চলার জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, তাই শূন্য মাধ্যমে বা বায়ুশূন্য স্থানে কোনো শব্দ চলাচল করতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের বেগ মনে রাখার সহজ নিয়ম হলো কঠিন থেকে তরল এবং তরল থেকে গ্যাসে গেলে বেগ কমে যায়, তাই লোহা হলো কঠিন মাধ্যম বলে গতি সবচেয়ে বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাতাসে শব্দের সাধারণ বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার। একই রকম অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে, কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম।
7. ধানের বাদামি দাগ রোগ হয়-
Created 3 days ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছত্রাক দ্বারা ১. কেন সঠিক: ধানের বাদামি দাগ রোগটি একটি নির্দিষ্ট ছত্রাকের আক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। এই ছত্রাক ধানের পাতার কোষে প্রবেশ করে খাদ্য তৈরি ও পরিবহনে বাধা দেয় ফলে ফলন কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বা প্ল্যান্ট প্যাথোলজি অনুসারে ছত্রাকজনিত রোগ উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। কার্যপ্রণালি: ছত্রাকের স্পোর বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনুকূল পরিবেশে ধানের পাতা ও শিষে সংক্রমণ ঘটায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলুর বিলম্বিত ধসা রোগ। ব্যাখ্যা: এটিও ছত্রাকের কারণে হয় এবং আলুর চাষে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। উদাহরণ ২: গমের ব্লাস্ট রোগ। ব্যাখ্যা: এটি ছত্রাকঘটিত আরেকটি মারাত্মক রোগ যা গমের শীষ পুড়িয়ে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাইরাস দ্বারা — ভাইরাস উদ্ভিদে মোজাইক রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু বাদামি দাগ রোগ করে না। B) ব্যাকটেরিয়া দ্বারা — ব্যাকটেরিয়া ধানের ব্যাকটেরিয়াল ব্লাইট রোগ সৃষ্টি করে। C) ব্যাকটেরিওফাজ দ্বারা — এটি এমন এক প্রকার ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে। D) ছত্রাক দ্বারা — এই অপশনটি সঠিক কারণ ধানের বাদামি দাগ রোগ ছত্রাকের আক্রমণেই ঘটে। ৫ মনে রাখার টিপস: ধানের বাদামি দাগ বা ব্রাউন স্পট রোগটি হেল্মিন্থোস্পোরিয়াম ওরাইজি নামক ছত্রাক দ্বারা হয়। ছত্রাকজনিত রোগ সহজে মনে রাখতে ধানের পাতার বাদামি দাগের সাথে ছত্রাকের নাম মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গকালের বিখ্যাত দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ ছিল ১৯৪৩ সালের ধানের বাদামি দাগ রোগজনিত মহামারী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উদ্ভিদ রোগের জীবাণুর নাম বা ধরণ জানতে চাওয়া হয়।
8. ‘অর্কিড’ কি ধরনের উদ্ভিদ?
Created 3 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরাশ্রয়ী ১. কেন সঠিক: - অর্কিড গাছ অন্য উদ্ভিদের ওপর জন্মায় কিন্তু পুষ্টির জন্য তাদের ওপর নির্ভর করে না। - এরা কেবল আশ্রয়ের জন্য বড় গাছের কাণ্ড বা ডাল ব্যবহার করে এবং নিজেদের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরাশ্রয়ী বা এপিফাইট উদ্ভিদ এমন উদ্ভিদ যা অন্য গাছের ওপর জন্মে বায়ুমণ্ডল থেকে আর্দ্রতা ও পুষ্টি গ্রহণ করে। - কার্যপ্রণালি: এদের বিশেষ ধরনের বায়বীয় মূল বা ভেলামেন থাকে যা বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শোষণ করতে পারে। - কারণ ও ফলাফল: আশ্রয়দাতা গাছ থেকে এরা কোনো খাদ্য বা পানি শোষণ করে না, ফলে আশ্রয়দাতা গাছের কোনো ক্ষতি হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাসনা উদ্ভিদ ব্যাখ্যা: এটি গাছের ডালে জন্মে বাতাসে ঝুলে থাকে এবং পরিবেশ থেকে আর্দ্রতা নিয়ে বেঁচে থাকে। উদাহরণ ২: বিভিন্ন প্রজাতির অর্কিড যেমন ভ্যান্ডা অর্কিড ব্যাখ্যা: এগুলো বনের বড় গাছের উচ্চ ডালে রোদ ও বাতাস পাওয়ার জন্য জন্মায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃতজীবী — মৃতজীবী উদ্ভিদ মৃত ও পচা জৈব পদার্থ থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে, যা অর্কিডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) পরাশ্রয়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্কিড আশ্রয়ের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করে। C) মিথোজীবী — মিথোজীবী জীব একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যৌথভাবে জীবন ধারণ করে, যা অর্কিডের পূর্ণ বৈশিষ্ট্য নয়। D) সবগুলোই সত্য — যেহেতু প্রথম ও তৃতীয় অপশন ভুল, তাই এই অপশনটি সঠিক হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্কিড মানেই পরজীবী নয়, এরা শুধু আশ্রয় নেয় তাই পরাশ্রয়ী। - ভেলামেন মূল থাকলে বুঝবে সেটি পরাশ্রয়ী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরাশ্রয়ী উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের ভেলামেনযুক্ত বায়বীয় মূল থাকে। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উদ্ভিদজগতের পারস্পরিক সম্পর্ক থেকে আসে।
9. বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন-
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মার্কনি ১. কেন সঠিক: - গুলিয়েলমো মার্কনি ১৮৯৫ সালে প্রথম সফলভাবে বেতার তরঙ্গ বা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে বার্তা প্রেরণে সক্ষম হন। - তিনি বিশ্বজুড়ে প্রথম বাণিজ্যিক বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করেন এবং একে বাস্তব প্রযুক্তিতে রূপ দেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বেতার যন্ত্র তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে মহাশূন্যের মধ্য দিয়ে শব্দ বা সংকেত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রেরণ করে। - কার্যপ্রণালি: প্রেরক যন্ত্র তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ তৈরি করে অ্যান্টেনার মাধ্যমে আকাশে পাঠায় এবং গ্রাহক যন্ত্র সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে শব্দে রূপান্তর করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বর্তমান যুগের এফএম রেডিও, টেলিভিশন সম্প্রচার এবং মোবাইল যোগাযোগ এই বেতার প্রযুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের রেডিওতে গান শোনার সময় অদৃশ্য বেতার তরঙ্গ আমাদের কানের কাছে পৌঁছে যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বেতার তরঙ্গের চলাচলের জন্য কোনো তারের প্রয়োজন হয় না। উদাহরণ ২: পুলিশের ওয়াকিটকি ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করা। ব্যাখ্যা: এটি বেতার যন্ত্রের একটি দ্বিমুখী যোগাযোগের আধুনিক ও বাস্তব রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগদীশচন্দ্র বসু — তিনি বেতার তরঙ্গ আবিষ্কার ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা রাখলেও বাণিজ্যিক বেতার যন্ত্র আবিষ্কারের পেটেন্ট মার্কনি লাভ করেন। B) ফ্যারাডে — মাইকেল ফ্যারাডে তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশ আবিষ্কার করেন যা আধুনিক জেনারেটর ও মোটরের মূল ভিত্তি। C) গ্রাহাম বেল — আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন যা তারের মাধ্যমে শব্দ প্রেরণ করে। D) মার্কনি — তিনি প্রথম সফলভাবে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে বেতার বার্তা প্রেরণের যন্ত্র তৈরি ও বাণিজ্যিক রূপ দেন। ৫. মনে রাখার টিপস: তারহীন বা বেতার যোগাযোগের ক্ষেত্রে মার্কনির নাম সবার আগে আসে কারণ তিনি একে বাজারজাত করেছিলেন। মনে রাখার কৌশল: মারকনি মানেই মার্ক করা বা চিহ্নিত করা, যিনি তারবিহীন বিশ্বকে মার্ক বা চিহ্নিত করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু মার্কনির আগেই অদৃশ্য আলো বা বেতার তরঙ্গ নিয়ে পরীক্ষা সফল করেছিলেন। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে প্রথম বেতার তরঙ্গ কে আবিষ্কার করেন, যার উত্তর জগদীশচন্দ্র বসু কিন্তু যন্ত্র আবিষ্কারক মার্কনি।

মোট প্রশ্ন (6)

1. চন্দ্র ও সূর্য জল ও স্থলকে আকর্ষণ করে বলে পানি ফুলে ওঠে; পানির এ ফুলে ওঠাকে বলে-
Created 3 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জোয়ার ১. কেন সঠিক: চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর জলরাশি একদিকে ফুলে ওঠে এবং এর ফলে সমুদ্রের পানি উপকূলের দিকে ধাবিত হয়, যাকে জোয়ার বলা হয়। এই আকর্ষণ মূলত মহাকর্ষ বল এবং কেন্দ্রাতিগ বলের যৌথ প্রভাবে ঘটে থাকে, যা পৃথিবীর আহ্নিক গতির ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: এটি একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ঘটায়। কারণ ও প্রভাব: চাঁদ পৃথিবীর নিকটবর্তী হওয়ায় এর আকর্ষণ বল বেশি থাকে এবং এর প্রভাবে মুখ্য জোয়ার সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পূর্ণিমার জোয়ার ব্যাখ্যা: পূর্ণিমার দিনে সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে, ফলে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি হয়। উদাহরণ ২: মরা কটাল ব্যাখ্যা: চাঁদের প্রথম ও অষ্টমী তিথিতে সমকোণে অবস্থানের কারণে জোয়ারের পানি কম ফুলে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জোয়ার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমেই সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠে। B) ভাটা — ফুলে ওঠা পানির আবার সমুদ্রের দিকে নেমে যাওয়া বা নেমে যাওয়া অবস্থাকে ভাটা বলা হয়। C) স্রোত — নদীর পানি বা সমুদ্রের পানির নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার গতিকে স্রোত বলা হয়। ডি) বাণ — নদীর মোহনায় হঠাৎ প্রবল বেগে জোয়ারের পানি প্রবেশ করলে তাকে বান বা জোয়ারের বান বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পানি ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং পানি নেমে যাওয়াকে ভাটা মনে রাখবে। চাঁদ ও সূর্যের টানে পানি ফুলে ওঠে এই মূল সূত্রটি মাথায় রাখলে সহজে উত্তর করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জোয়ার-ভাটার কারণ এবং পূর্ণিমা বা অমাবস্যার জোয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই চন্দ্র ও সূর্যের অবস্থান এবং তাদের আকর্ষণ বলের প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
2. এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে-
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্কট ক্রান্তি রেখা ১. কেন সঠিক: - কর্কট ক্রান্তি রেখা বা ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ ভাগ অতিক্রম করেছে। - এই রেখাটি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের ওপর দিয়ে বিস্তৃত হয়ে অঞ্চলটির জলবায়ু ও ঋতু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশ এবং বাংলাদেশের মধ্যভাগ। - বৈশিষ্ট্য: এটি এমন একটি কাল্পনিক রেখা যেখানে উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকালে সূর্য ঠিক মাথার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কট ক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় দেশটি ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভারত ব্যাখ্যা: ভারতের আটটি রাজ্যের ওপর দিয়ে এই রেখাটি অতিক্রম করায় দেশটির জলবায়ুতে ক্রান্তীয় প্রভাব স্পষ্ট দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল মধ্য রেখা — এটি লন্ডনের গ্রিনউইচ অবজারভেটরির ওপর দিয়ে যাওয়া দ্রাঘিমা রেখা যা এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ অতিক্রম করে না। B) কর্কট ক্রান্তি রেখা — এটি সঠিক উত্তর। C) মকর ক্রান্তি রেখা — এটি ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ যা অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ অংশ অতিক্রম করে, এশিয়ায় নেই। D) বিষুব রেখা — এটি ০ ডিগ্রি অক্ষাংশ যা এশিয়ার মূল ভূখণ্ড অতিক্রম না করে ইন্দোনেশিয়ার কিছু দ্বীপ অতিক্রম করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - এশিয়া মহাদেশের মাঝখান দিয়ে কর্কট ক্রান্তি রেখা এবং বাংলাদেশ এর মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে—এই মিলটি মনে রাখলে উত্তর সহজ হয়। - বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের ওপর দিয়েই কর্কট ক্রান্তি রেখা গিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্কট ক্রান্তি রেখা সংক্রান্ত দেশ ও অঞ্চলের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - একই ধারণা থেকে কোন কোন দেশের ওপর দিয়ে কর্কট ক্রান্তি রেখা গিয়েছে, সেই সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
4. মেরু রেখা বা অক্ষের উত্তর প্রান্ত বিন্দুকে বলা হয়-
Created 3 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুমেরু ১. কেন সঠিক: পৃথিবীর ভৌগোলিক অক্ষ বা মেরু রেখার উত্তর প্রান্ত বিন্দুকে সুমেরু বা উত্তর মেরু বলা হয়। এটি এমন একটি বিন্দু যেখানে পৃথিবীর কাল্পনিক ঘূর্ণন অক্ষ উত্তর গোলার্ধের পৃষ্ঠকে স্পর্শ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি উত্তর গোলার্ধের সর্বউত্তরে অবস্থিত এবং আর্কটিক মহাসাগরের মধ্যভাগে এর অবস্থান। বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের ওপরের আকাশ রাতের বেলা ধ্রুবতারার ঠিক নিচে অবস্থান করে এবং এখানে বছরের ছয় মাস দিন ও ছয় মাস রাত থাকে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সুমেরু বৃত্ত বা আর্কটিক সার্কেল। ব্যাখ্যা: সুমেরু বিন্দুর কাছাকাছি অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমারেখা নির্ধারণ করতে সুমেরু বৃত্ত ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ধ্রুবতারা। ব্যাখ্যা: সুমেরু বিন্দুর ঠিক লম্বালম্বি ওপরে আকাশে এই তারাটি অবস্থান করায় নাবিকেরা উত্তর দিক চিনতে এটি ব্যবহার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমেরু — এটি মেরু রেখা বা অক্ষের দক্ষিণ প্রান্ত বিন্দুকে বোঝায়, উত্তর প্রান্তকে নয়। B) বিষুব রেখা — এটি পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক বৃত্ত, কোনো প্রান্তবিন্দু নয়। D) দ্রাঘিমা — এটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী কাল্পনিক অর্ধবৃত্ত, কোনো প্রান্তবিন্দু নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উত্তর মানে সুমেরু এবং দক্ষিণ মানে কুমেরু, এই সাধারণ সূত্রটি মনে রাখলেই উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের পার্থক্য সহজে বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেরু রেখা ও অক্ষের প্রান্তবিন্দু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে দক্ষিণ প্রান্ত বিন্দু সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।