a অদ্বৈত মল্লবর্মণ
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c আবুজাফর শামসুদ্দীন
d মামুনুর রশীদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অদ্বৈত মল্লবর্মণ ১. কেন সঠিক: - 'তিতাস একটি নদীর নাম' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা অদ্বৈত মল্লবর্মণ। - এই উপন্যাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, সুখ, দুঃখ ও সংগ্রাম নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অদ্বৈত মল্লবর্মণ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি মূলত নদীয়া ও তিতাসপাড়ের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। - এটি তাঁর একমাত্র ও অমর সৃষ্টি যা ১৯৪৫ সালে মাসিক প্রবাসীতে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৫৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত নদীভিত্তিক উপন্যাস, যা তিতাস একটি নদীর নামের মতোই জলজীবনকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: কবি ব্যাখ্যা: এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের আরেকটি সম্পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অদ্বৈত মল্লবর্মণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কালজয়ী উপন্যাসটির রচয়িতা। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি নদীভিত্তিক উপন্যাস 'পদ্মা নদীর মাঝি' লিখেছেন, কিন্তু 'তিতাস একটি নদীর নাম' তাঁর রচনা নয়। C) আবুজাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন। D) মামুনুর রশীদ — তিনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা, এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সংযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - নদীর নাম দিয়ে উপন্যাস মনে রাখতে তিতাস নদীর কথা ভাবলে অদ্বৈত মল্লবর্মণের নাম মনে করতে হবে। - তিতাস নদীর তীরবর্তী জেলের জীবন নিয়ে লেখা একমাত্র উপন্যাসটি অদ্বৈত মল্লবর্মণের অমর কীর্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপন্যাসটির রচয়িতা বা প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - আঞ্চলিক উপন্যাস চেনার ক্ষেত্রে লেখকদের নাম ও তাদের পটভূমি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0