প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২ (বাগানবিলাস সেট ১)

পদের নাম: প্রধান শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

3. কোনটি করণ কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ কর ১. কেন সঠিক: বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ কর বাক্যে বুদ্ধি শব্দের সাহায্যে কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যম বা উপায় বোঝানো হয়েছে। কোন মাধ্যম বা উপায়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হলে তাকে করণ কারক বলে এবং এই শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে বা যার সাহায্যে কর্তা কোনো ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে করণ কারক বলে। করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়। কর্মে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তিকে ব্যাকরণে শূন্য বিভক্তি বা অ বিভক্তি বলা হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে কলম হলো লেখার মাধ্যম, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: মা বশে রান্না করেন। ব্যাখ্যা: এখানে বশে শব্দের মাধ্যমে রান্নার উপায় প্রকাশ পেয়েছে, যা করণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালির দাগ সহজে ওঠে না — কালির দাগ অপাদান কারক, কারণ এখানে দাগ ছিটকে যাওয়া বা বিচ্যুতির অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। C) দুধ থেকে দই হয় — দুধ থেকে অপাদান কারক, কারণ এখানে উৎপন্ন বা বিচ্যুত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) এ বৎসর খুব বন্যা হয়েছে — এ বৎসর অধিকরণ কারক, কারণ এটি সময় বা কাল নির্দেশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক। শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক নির্ধারণ করতে হবে এবং পরে শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি আছে কি না তা দেখতে হবে। মাধ্যম বুঝালে করণ কারক এবং উৎস বা বিচ্যুতি বুঝালে অপাদান কারক হবে।
4. কোনটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। কোথায় মেঘ গর্জন করছে, এই প্রশ্নের উত্তরে গগনে স্থানটি নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক এবং গগনে শব্দের অন্তে এ বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা সময় বোঝায় তাকে অধিকরণ কারক বলে। শব্দ বা পদের সাথে এ, য়, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনে একটি স্থান নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: এ সময়ে বৃষ্টি নামে। ব্যাখ্যা: এ সময়ে একটি কাল বা সময় নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোকে কি না বলে — এটি কর্তায় ৭মী বিভক্তি, কারণ এখানে লোকে বা লোকজন কাজটি করছে। B) তুমি যে আমার কবিতা — এটি অধিকরণ কারক নয়, এটি সম্বন্ধ পদ ও বিশেষ্য পদের উদাহরণ। C) গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি স্থানবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি। D) জলে বাষ্প হয় — এটি উৎপাদনে অধিকরণ কারক নয়, এটি মূলত অপাদান কারকের উদাহরণ। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথায় এবং কখন প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা অধিকরণ কারক হয়। স্থান বা সময় বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থান বা কাল বোঝালে সর্বদা অধিকরণ কারক হবে। বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের শেষে এ, য়, তে চিহ্নগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
5. কোনটি 'পুষ্প' এর সমার্থক শব্দ?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
**সঠিক উত্তর:** D) উৎপল **১. কেন সঠিক:** - প্রদত্ত প্রশ্নটি সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত। এখানে 'পুষ্প' শব্দের সমার্থক শব্দ চাওয়া হয়েছে এবং 'উৎপল' হলো পুষ্প বা ফুলের একটি প্রমিত সমার্থক শব্দ। - 'পুষ্প' শব্দের অর্থ ফুল, কুসুম, প্রসূন ইত্যাদি। অন্যদিকে 'উৎপল' শব্দের সাধারণ অর্থ নীল পদ্ম বা সাধারণভাবে পদ্মফুল, যা ফুলেরই একটি বিশেষ রূপ হওয়ায় এটি সমার্থক হিসেবে গৃহিত হয়। **২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:** - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা গুণের একাধিক নাম থাকতে পারে, যা শব্দের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। - সংস্কৃতে 'উৎপল' শব্দটি পদ্ম বা ফুল অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। বাংলা কবিতায় ও সাহিত্যে ফুলের বিভিন্ন প্রতিশব্দ হিসেবে পুষ্প, কুসুম, সুমন, প্রসূন, উৎপল ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। **৩. উদাহরণ:** উদাহরণ ১: কুসুম ব্যাখ্যা: কুসুম হলো পুষ্প বা ফুলের অন্যতম একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: প্রসূন ব্যাখ্যা: প্রসূন শব্দটির অর্থও ফুল বা পুষ্প, যা বাংলা কাব্যে প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। **৪. বাকি অপশন কেন ভুল:** A) দ্বিপ — দ্বিপ শব্দের অর্থ যা দুবার জন্ম নেয় অর্থাৎ পাখি, দাঁত বা হস্তী। এটি পুষ্প শব্দের সমার্থক নয়। B) রঞ্জন — রঞ্জন শব্দের অর্থ রঞ্জিত করা, আনন্দদানকারী বা লাল বর্ণ করা। এটি পুষ্প শব্দের সমার্থক নয়। C) অঘুন — অঘুন বা অগ্রহায়ণ হলো বাংলা বছরের অষ্টম মাস। এটি পুষ্প শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) উৎপল — উৎপল শব্দের অর্থ পদ্মফুল বা ফুল, যা পুষ্প শব্দের সঠিক সমার্থক। (প্রদত্ত উত্তরে ভুলবশত রঞ্জন বলা হলেও সঠিক উত্তর উৎপল হবে)। **৫ মনে রাখার টিপস:** - ফুল বোঝাতে পুষ্প, কুসুম, সুমন, প্রসূন এবং উৎপল শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। - উৎপল দেখলে মনে রাখবে এটি পদ্ম বা ফুলকে নির্দেশ করে। **৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:** - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - একই শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ তালিকা আকারে পড়লে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হয়।
7. কোনটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাতাহাতি (হাতে হাতে যে যুদ্ধ) ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে সমস্তপদের পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটিরই অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে 'ব্যিহারে' বা পারস্পরিক বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। - হাতাহাতি শব্দটিতে হাতে হাতে যে যুদ্ধ বোঝানো হয়েছে, যা দুটি হাতের পারস্পরিক বা ব্যতিহার ক্রিয়া প্রকাশ করে এবং এটি একটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসে একই পদের দ্বিরুক্তি ঘটে এবং মাঝখানে 'আ' বা 'ই' যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বোঝায়। - এই সমাসের ব্যাসবাক্য সাধারণত 'পূর্বপদে এ বিভক্তি + পূর্বপদে এ বিভক্তি + যে + ক্রিয়াপদ' এভাবে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কানাকানি (কানে কানে যে কথা) ব্যাখ্যা: এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে দুটি কানের মাধ্যমে পারস্পরিক গোপন কথা বলার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: চুলাচুলি (চুলে চুলে যে লড়াই) ব্যাখ্যা: এটিও ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে চুলে চুল ধরে পারস্পরিক লড়াই বা ঝগড়া বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একাদশ (এক অধিক দশ) — এটি নিত্য সমাসের উদাহরণ কারণ এর কোনো ব্যাসবাক্য হয় না এবং পদগুলো নিত্যকাল সমাসবদ্ধ থাকে। B) হাতাহাতি (হাতে হাতে যে যুদ্ধ) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। C) মানানের অভাব (বেমানান) — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে অভাব অর্থে 'বে' উপসর্গ যোগে অব্যয় পদ গঠিত হয়েছে। D) দুখাতীত (দুঃখকে অতীত) — এটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে কর্মকারকে 'কে' বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পারস্পরিক বোঝাপড়া, মারামারি, কথা কাটাকাটি বা গলাগলি জাতীয় শব্দ দেখলে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - শব্দের মাঝে আ বা ই ধ্বনি এবং একই শব্দের পুনরাবৃত্তি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের প্রধান চাবিকাঠি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাতাহাতি, কানাকানি, গালাগালি জাতীয় শব্দগুলো প্রায়ই ব্যতিহার বহুব্রীহি হিসেবে আসে। - নিত্য সমাস ও অব্যয়ীভাব সমাসের পার্থক্য ভালো করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
9. ‘এ আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন, পাথরের টুকরোর মতন ডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে বছর-তিনেক আগে কাক-ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে’ - পংক্তিগুলো কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃত পংক্তিগুলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। তার কবিতায় নগরজীবনের বিষণ্নতা, স্বজন হারানোর বেদনা এবং মধ্যবিত্ত জীবনের চালচিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে ওঠে, যা এই পংক্তিগুলোতেও প্রতিফলিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি ও সাংবাদিক। তার কাব্যে নাগরিক চেতনা, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ব্যক্তিগত জীবনের দুঃখ-বেদনা সুন্দরভাবে রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসাদের শার্ট ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত কবিতা, যা গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলাখ্যাত কবি হলেও এই পংক্তিটি তার নয়, তার কবিতার সুর ও প্রকৃতি আলাদা। B) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি ও অধ্যাপক হলেও এই পংক্তিটি তার কোনো পরিচিত কবিতার অংশ নয়। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি ও দ্রোহের কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তার লেখার ধরন ও বিষয়বস্তু এই পংক্তির সঙ্গে মেলে না। D) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ পংক্তিগুলো তার নিজস্ব কাব্যশৈলী ও ভাবনার পরিচায়ক। ৫ মনে রাখার টিপস: শোক বা স্মৃতিকাতরতামূলক ব্যক্তিগত পংক্তি বা পরিবারের কাউকে নিয়ে লেখা মর্মস্পর্শী আধুনিক কবিতা দেখলে শামসুর রাহমানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তার কবিতায় শহরের মধ্যবিত্ত জীবনের সুখ-দুঃখ এবং ব্যক্তিগত শোকের প্রকাশ খুব চমৎকারভাবে পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের বিখ্যাত কবিতার পংক্তি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই কবি শামসুর রাহমান, জীবনানন্দ দাশ ও আল মাহমুদের জনপ্রিয় কবিতাগুলোর প্রথম বা বিখ্যাত চরণগুলো ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
11. 'বিশ্বজনের হিতকর' এক কথায় কী হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশ্বজনীন ১. কেন সঠিক: - বিশ্বজনের হিতকর বা বিশ্বজনের পক্ষে কল্যাণকর অর্থ প্রকাশ করতে বিশ্বজনীন শব্দটি ব্যবহৃত হয়। - বিশ্বজন শব্দের সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষণের রূপটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের শব্দার্থ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বড় বাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। - প্রত্যয় যোগ করে এবং শব্দের ভাবগত অর্থ ঠিক রেখে এই ধরনের বাক্য সংকোচন তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবার জন্য হিতকর = সর্বজনীন ব্যাখ্যা: সকল জনের হিতকর বোঝালে সর্বজনীন শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: সকলের জানা উচিত এমন = সর্বজনগ্রাহ্য ব্যাখ্যা: কোনো বিষয় সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হলে তাকে এই এককথায় প্রকাশ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বজনীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বজনের হিতকর অর্থ প্রকাশ করে। B) সর্বজনীন — এটি সবার জন্য প্রযোজ্য বা সকলের অধিকারভুক্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা বিশ্বজনের হিতকরের সঠিক বিকল্প নয়। C) সার্বজনীন — এটি সর্বজনীন শব্দের বানানগত ভিন্ন রূপ বা কথ্য প্রয়োগ হিসেবে আসে, যা প্রমিত অর্থে অন্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) হিতৈষী — এর অর্থ কল্যাণকামী বা মঙ্গলকামী, যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির হিতাকাঙ্ক্ষাকে বোঝায় বিশ্বজনকে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বজনের জন্য হিতকর থাকলে বিশ্বজনীন এবং সবার জন্য প্রযোজ্য হলে সর্বজনীন নির্বাচন করবে। - শব্দের মূল অংশ মিলিয়ে এককথায় প্রকাশের সঠিক রূপ মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বজনীন এবং সর্বজনীন শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - শব্দের অর্থ গভীরভাবে বুঝে বাক্য সংকোচন চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
12. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনোহারিণী ১. কেন সঠিক: - মনোহারিণী শব্দটির অর্থ যা মন হরণ করে বা সুন্দর। - এই শব্দটি গঠনে মনঃ শব্দের সঙ্গে হারি প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে এবং স্ত্রীবাচক অর্থে ঈ প্রত্যয় যোগ হয়ে সঠিক বানানটি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধি এবং প্রত্যয় যোগের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দ গঠিত হয়। - মনঃ শব্দের বিসর্গ ও-কার হয়ে মনোহর এবং তার সঙ্গে হারি ও স্ত্রীবাচক ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মনোহারিণী রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিরোমণি ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান। উদাহরণ ২: প্রতিযোগिणी ব্যাখ্যা: এটি ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ প্রতিযোগী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনহারিাণ — বানানটিতে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং এটি প্রমিত বানানরীতিসম্মত নয়। B) মনোহারিণী — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত বানান। C) মনোহরিনি — এখানে বানানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) মনোহাৰিাণ — এই অপশনে অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনোহর শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক মনোহারিণী বানানটি মনে রাখতে হবে। - শেষের বর্ণটি সর্বদা মূর্ধন্য ণ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্ত্রীবাচক ও প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই আসে। - বানানের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কার এর সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
14. 'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটির লেখক কে?
Created 2 days ago | Updated 39 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অদ্বৈত মল্লবর্মণ ১. কেন সঠিক: - 'তিতাস একটি নদীর নাম' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা অদ্বৈত মল্লবর্মণ। - এই উপন্যাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, সুখ, দুঃখ ও সংগ্রাম নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অদ্বৈত মল্লবর্মণ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি মূলত নদীয়া ও তিতাসপাড়ের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। - এটি তাঁর একমাত্র ও অমর সৃষ্টি যা ১৯৪৫ সালে মাসিক প্রবাসীতে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৫৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত নদীভিত্তিক উপন্যাস, যা তিতাস একটি নদীর নামের মতোই জলজীবনকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: কবি ব্যাখ্যা: এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের আরেকটি সম্পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অদ্বৈত মল্লবর্মণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কালজয়ী উপন্যাসটির রচয়িতা। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি নদীভিত্তিক উপন্যাস 'পদ্মা নদীর মাঝি' লিখেছেন, কিন্তু 'তিতাস একটি নদীর নাম' তাঁর রচনা নয়। C) আবুজাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন। D) মামুনুর রশীদ — তিনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা, এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সংযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - নদীর নাম দিয়ে উপন্যাস মনে রাখতে তিতাস নদীর কথা ভাবলে অদ্বৈত মল্লবর্মণের নাম মনে করতে হবে। - তিতাস নদীর তীরবর্তী জেলের জীবন নিয়ে লেখা একমাত্র উপন্যাসটি অদ্বৈত মল্লবর্মণের অমর কীর্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপন্যাসটির রচয়িতা বা প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - আঞ্চলিক উপন্যাস চেনার ক্ষেত্রে লেখকদের নাম ও তাদের পটভূমি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
15. মুনীর চৌধুরী রচিত 'মুখরা রমণী বশীকরণ' একটি -
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুবাদ নাটক ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরী বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের 'দ্য টেমিং অফ দ্য শ্রিউ' নাটকটি বাংলায় অনুবাদ করেন। - শেক্সপিয়ারের এই বিখ্যাত কমেডি বা প্রহসনমূলক নাটকটি বাংলায় 'মুখরা রমণী বশীকরণ' নামে রূপান্তরিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী একাধারে প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, অনুবাদক এবং ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন এবং তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। - তার মৌলিক নাটকের মধ্যে 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ও 'চিঠি' অত্যন্ত বিখ্যাত এবং একাঙ্ক নাটকে তিনি বিশেষ নৈপুণ্যের পরিচয় দিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী রচিত মৌলিক নাটক রক্তাক্ত প্রান্তর ব্যাখ্যা: এই ঐতিহাসিক নাটকটি পানিপাতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ও ট্র্যাজেডিধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরী অনূদিত আরও একটি গ্রন্থ কেউ কিছু বলতে পারে না ব্যাখ্যা: জর্জ বার্নার্ড শ এর 'ইউ নেভার ক্যান টেল' নাটকের এটি অসাধারণ একটি বাংলা অনুবাদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — মুখরা রমণী বশীকরণ কোনো গল্প নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক। B) উপন্যাস — এটি কোনো উপন্যাস বা কল্পকাহিনিমূলক গদ্যশিল্প নয়। C) প্রবন্ধ — এটি কোনো মননশীল গবেষণামূলক বা তাত্ত্বিক প্রবন্ধ নয়। D) অনুবাদ নাটক — উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নাটকের সফল অনুবাদ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ নাটক মনে রাখার কৌশল হলো শেক্সপিয়ারের মুখরা রমণীকে তিনি বাংলায় বশ করেছিলেন। - মৌলিক নাটক মনে রাখতে মনে রাখবে তিনি রণে অর্থাৎ রক্তাক্ত প্রান্তরে গিয়ে চিঠি লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি নাটকের অনুবাদক হিসেবে মুনীর চৌধুরীর নাম প্রায়ই আসে। - শেক্সপিয়ারের নাটকগুলোর বাংলা অনুবাদ ও নাট্যকারদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ রাখা উচিত।
17. কোনটি Common Noun?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Pirate কেন সঠিক: - Pirate একটি Common Noun কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট জলদস্যুর নাম না বুঝিয়ে সমগ্র জলদস্যু সম্প্রদায়কে বোঝায়। - এটি একই জাতীয় ব্যক্তি বা প্রাণীর সাধারণ নাম যা গণনা করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Roguery — এটি Abstract Noun কারণ এটি একটি অবস্থা বা গুণের নাম যা দেখা যায় না, কেবল উপলব্ধি করা যায়। B) Pirate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই শ্রেণীর প্রাণীর সাধারণ নাম বা Common Noun। C) Human — এটি Common Noun হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Pirate অধিক উপযোগী হিসেবে Common Noun হিসেবে ধরা হয়। D) Starve — এটি Verb কারণ এটি একটি কাজের নাম বা উপবাস থাকা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেসকল নাম কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে সমজাতীয় সকলকে বোঝায় এবং গণনা করা যায়, তাকে Common Noun বলে।
22. কোনটি Abstract Noun?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Humanity কেন সঠিক: - Humanity শব্দের অর্থ মানবতা, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নাম নয় বরং একটি গুণ বা অবস্থার নাম। - যে নাউন দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় এবং যাকে স্পর্শ বা দেখা যায় না, তাকে Abstract Noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) City — এটি একটি Common Noun কারণ এটি নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট কোনো শহরকে সামগ্রিকভাবে বোঝায়। B) Boy — এটি একটি Common Noun কারণ এটি নির্দিষ্ট কোনো বালককে না বুঝিয়ে সমগ্র বালক সম্প্রদায়কে বোঝায়। C) Obey — এটি একটি Verb বা ক্রিয়া শব্দ, যার অর্থ মান্য করা; এটি কোনো Noun নয়। D) Humanity — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি মানুষের গুণ বা অবস্থাকে নির্দেশকারী একটি Abstract Noun। মনে রাখার টিপস: যেসব noun বা বিশেষ্য চোখে দেখা যায় না কিন্তু অনুভব করা যায়, যেমন গুণ বা দোষ, সেগুলোই সাধারণত Abstract Noun হয়।
24. কোনটি 'Alight' শব্দটির সমার্থক শব্দ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Descend কেন সঠিক: - 'Alight' শব্দটির অর্থ হলো নেমে আসা বা অবতরণ করা, যার সঙ্গে 'Descend' শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়। - উভয় শব্দই সাধারণত কোনো বাহন থেকে নিচে নামা বা উঁচুতে থাকা অবস্থা থেকে নিচে নামার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Descend — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নিচে নামা বা অবতরণ করা। B) Glaze — এর অর্থ চকচকে করা বা কাঁচের মতো আস্তরণ দেওয়া, যা আলিগট শব্দের সমার্থক নয়। C) Flight — এর অর্থ উড়ান বা পলায়ণ, যা অবতরণ করার বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। D) Mount — এর অর্থ চড়া বা ওপরে ওঠা, যা নামার বিপরীত প্রক্রিয়া নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Alight' শব্দের শুরুতে থাকা 'A' এবং 'Descend' শব্দের অর্থ নিচে নামা মনে রেখে এভাবে ভাবুন, ওপর থেকে নিচে নামাকেই ইংরেজিতে 'Descend' বলে।
25. নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
Created 2 days ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The doctor feels the pulse of the patient কেন সঠিক: - কোনো পেশাদার কাজ বা শারীরিক পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে বিশেষ ক্রিয়া হিসেবে feel the pulse ব্যবহার করা হয়। - চিকিৎসকের ক্ষেত্রে রোগীর নাড়ি দেখা অর্থে feel the pulse প্রমিত ও সঠিক ইংরেজি ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He denied to help me — Deny শব্দের পর ইনফিনিটিভ (to help) বসে না, জিরান্ড (helping) বসে। সঠিক বাক্য হতো He denied helping me। B) The doctor feels the pulse of the patient — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং চিকিৎসকের নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে সঠিক প্রয়োগ। C) Honesty and truthfulness are necessary for happiness — এখানে একাধিক singular subject 'and' দ্বারা যুক্ত হওয়ায় verb plural (are) হয়েছে, যা সঠিক। তবে মূল প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নের উত্তর হিসেবে অপশন বি অধিক গ্রহণযোগ্য ধরা হয়। D) He along with his friends have come — Along with দ্বারা দুটি subject যুক্ত হলে প্রথম subject (He) অনুযায়ী verb singular (has) হবে, কিন্তু এখানে have ব্যবহার করায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ডাক্তার কখনো নাড়ি অনুভব করেন না, বরং নাড়ি দেখেন বা পরীক্ষা করেন। তাই ইংরেজি অনুবাদে feel the pulse মনে রাখবে।
26. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He called me a coward কেন সঠিক: - coward শব্দটি noun হওয়া সত্ত্বেও এখানে Object Complement হিসেবে সঠিক grammatically ব্যবহৃত হয়েছে। - call verb-এর পর noun সরাসরি বসতে পারে, যা কাউকে কোনো উপাধিতে ভূষিত করা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) There is no place for doubt — place-এর জায়গায় room বা scope ব্যবহার করা উচিত, কারণ এখানে স্থান বোঝায় না। B) I went to my house — নিজস্ব বাড়ি বোঝাতে house-এর আগে possessive pronoun (my) বসে না, শুধু home বসে। C) All passengers must show their ticket — ticket শব্দটি countable হওয়ায় এখানে plural form tickets হওয়া উচিত ছিল। D) He called me a coward — এটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: call verb-এর পর coward nounটি কোনো article ছাড়াই সরাসরি বসে Object Complement হিসেবে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
28. I count _____ your help. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে -
Created 2 days ago | Updated 38 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - Count on একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ নির্ভর করা বা ভরসা করা। - বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি তোমার সাহায্যের ওপর নির্ভর করছি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on - এটি সঠিক উত্তর কারণ count on অর্থ নির্ভর করা। B) for - count for অর্থ কোনো কিছুর মূল্য বা গুরুত্ব থাকা, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়। C) in - count in অর্থ কোনো দলে বা কাজে অন্তর্ভুক্ত করা, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মিলে না। D) with - count with কোনো প্রচলিত গ্রুপ ভার্ব বা সঠিক প্রিপোজিশন নয়। মনে রাখার টিপস: ভরসা করা বা নির্ভর করা অর্থে Count verb-এর পরে সবসময় on প্রিপোজিশন বসে।
29. কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) explanation কেন সঠিক: - 'explain' ভার্ব বা ক্রিয়াপদের সাথে 'ation' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বিশেষ্য বা নাউন 'explanation' গঠিত হয়েছে। - বানানের নিয়মে এখানে 'i' এর পরিবর্তে 'a' ব্যবহার করা হয় এবং বানানটি হয় 'explanation'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) explenation — এই বানানে 'a' এর স্থলে ভুলভাবে 'e' ব্যবহার করা হয়েছে। B) explanation — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্ন অনুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর। C) explaination — এখানে অতিরিক্ত একটি 'i' যুক্ত করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। D) explenetion — এই বানানে সঠিক স্বরবর্ণের পরিবর্তে ভুলভাবে 'e' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: 'explain' শব্দের শেষে সরাসরি 'ation' যোগ করে 'explanation' বানানটি মনে রাখতে হবে।
31. নিচের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/৪ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ৩/৪, ৫/৯, ৭/১২ এবং ১১/১৮ ধরি, হরগুলোর লসাগু হলো ৩৬ অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ২৭/৩৬ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২০/৩৬ সুতরাং, তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২১/৩৬ চতুর্থ ভগ্নাংশ = ২২/৩৬ উত্তর: ৩/৪
32. ১৫.৬ এর ৮% কত?
Created 2 days ago | Updated 40 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
33. 9x² + 30x এর সাথে কত যোগ করলে যোগফলটি পূর্ণ বর্গ হবে?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৯x² + ৩০x ধরি, রাশিটিকে পূর্ণ বর্গ করার জন্য একটি ধ্রুবক সংখ্যা যোগ করতে হবে অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী পূর্ণ বর্গ রাশির রূপ হলো (a + b)² = a² + ২ab + b² এখানে প্রথম পদ a² = ৯x² হলে, a = ৩x সুতরাং, দ্বিতীয় পদ ২ab = ৩০x এখানে ২ × (৩x) × b = ৩০x উত্তর: ৬b = ৩০, তাই b = ৫ এবং b² = ২৫
34. কোনো ত্রিভুজের তিন কোণের দ্বিখণ্ডকগুলো যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে বলে-
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্তঃকেন্দ্র প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণ এবং তাদের অভ্যন্তরীণ কোণগুলোর দ্বিখণ্ডক ধরি, ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু তিনটি হলো ক, খ এবং গ অতএব, ক কোণের দ্বিখণ্ডক, খ কোণের দ্বিখণ্ডক এবং গ কোণের দ্বিখণ্ডক অঙ্কন করি সুতরাং, এই তিনটি দ্বিখণ্ডক যে সাধারণ বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র বলে উত্তর: অন্তঃকেন্দ্র
37. x - (1/x) = 7 হলে, x² + (1/x²) এর মান হবে-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫১ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ৭ ধরি, প্রদত্ত রাশিটি হলো x² + (১ ÷ x²) অতএব, আমরা জানি সূত্র হলো a² + b² = (a − b)² + ২ab সুতরাং, x² + (১ ÷ x²) = (x − (১ ÷ x))² + ২ × x × (১ ÷ x) উত্তর: ৭² + ২ = ৪৯ + ২ = ৫১
38. পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২০১০ সালে চালের মূল্য ১০% বৃদ্ধি পায়। ২০১১ সালে চালের মূল্য ৫% হ্রাস পায়। ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১১ সালে চালের মূল্য কত বৃদ্ধি পেয়েছে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪.৫% প্রদত্ত তথ্য: ২০১০ সালে চালের মূল্য বৃদ্ধি পায় ১০% ২০১১ সালে চালের মূল্য হ্রাস পায় ৫% ধরি, ২০০৯ সালে চালের ১০০ টাকার চালের দাম ১০০ টাকা ছিল অতএব, ২০১০ সালে চালের মূল্য হয় ১০০ টাকার ১০% বৃদ্ধিতে ১১০ টাকা ২০১১ সালে চালের মূল্য কমে ১১০ টাকার ৫% হ্রাসে ১০৪.৫ টাকা সুতরাং, ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১১ সালে চালের মূল্য বৃদ্ধি পায় ১০৪.৫ টাকা − ১০০ টাকা = ৪.৫ টাকা উত্তর: ৪.৫%
44. যদি ক : খ = ৪ : ৫ এবং ক : গ = ৩ : ৫ হয়, তবে গ : খ = ?
Created 2 days ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ ঃ১৫ প্রদত্ত তথ্য: ক অনুপাত খ = ৪ অনুপাত ৫ ক অনুপাত গ = ৩ অনুপাত ৫ ধরি, ক এর মান = ১২ ধরা যাক খ এর মান = ১৫ হিসাব করে পাই অতএব, প্রথম অনুপাত থেকে পাই, খ = ১২ × ৫ ÷ ৪ = ১৫ দ্বিতীয় অনুপাত থেকে পাই, গ = ১২ × ৫ ÷ ৩ = ২০ সুতরাং, গ অনুপাত খ = ২০ অনুপাত ১৫ উত্তর: ২০ ঃ১৫
47. পৃথিবীর দ্বিতীয় সবচেয়ে জনবহুল দেশ-
Created 2 days ago | Updated 19 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ও বিশ্ব জনসংখ্যা তহবিলের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ভারত বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ। - চীন জনসংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে আসায় ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় নয়, বরং প্রথম জনবহুল দেশ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে চীন উল্লেখ করা হয়েছে, যা বর্তমান হালনাগাদ তথ্যের আলোדে ভুল এবং সঠিক উত্তর হবে ভারত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি অতীতে প্রথম জনবহুল দেশ থাকলেও বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল রাষ্ট্র। B) রাশিয়া — এটি আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও জনসংখ্যায় শীর্ষ দেশগুলোর অনেক পেছনে রয়েছে। C) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের তৃতীয় জনবহুল দেশ, দ্বিতীয় জনবহুল দেশ নয়। D) ভারত — এটি বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যার দিক থেকে ভারত এখন বিশ্বে প্রথম এবং চীন দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
49. ২০১২ সালে এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাকিস্তান কেন সঠিক: - ২০১২ সালের এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে পাকিস্তান বাংলাদেশ দলকে মাত্র ২ রানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। - শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে বাংলাদেশ দলের হৃদয়ভাঙা পরাজয় ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ নয়, বরং একটি মহাদেশ যার নামানুসারে টুর্নামেন্টের নামকরণ করা হয়েছে। B) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারা ফাইনালে জয়লাভ করে ট্রফি অর্জন করেছিল। C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ ফাইনালে দারুণ খেললেও পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২ রানে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল। D) ভারত — ভারত ফাইনালে উঠতে পারেনি এবং টুর্নামেন্টের লিগ পর্বেই বিদায় নিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ২০১২ সালের এশিয়া কাপ ফাইনালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিস্তান মাত্র ২ রানে জিতেছিল।
50. ওয়াসফিয়া নাজরীন কত তারিখে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬ মে ২০১২ কেন সঠিক: - ওয়াসফিয়া নাজরীন ২০১২ সালের ২৬ মে তারিখে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। - তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় নারী হিসেবে সেভেন সামিট বা সাত মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ মে ২০১২ — নিশাত মজুমদার প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন, ওয়াসফিয়া নাজরীন নন। B) ২৪ মে ২০১২ — এই তারিখে ওয়াসফিয়া নাজরীন এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছাননি, এটি একটি ভুল তারিখ। C) ২৫ মে ২০১২ — এই তারিখটি ওয়াসফিয়া নজরীনের এভারেস্ট জয়ের ঐতিহাসিক দিনের সঙ্গে মিল নেই। D) ২৬ মে ২০১২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই তিনি সফলভাবে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন। মনে রাখার টিপস: নিশাত মজুমদার ২৩ মে ২০১২ এবং ওয়াসফিয়া নাজরীন তার ঠিক তিন দিন পর ২৬ মে ২০১২ এভারেস্ট জয় করেন।
51. সুলতান মাহমুদ কত বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ বার কেন সঠিক: - গজনি রাজ্যের শাসক সুলতান মাহমুদ ঐতিহাসিকদের মতে মোট ১৭ বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেছিলেন। - ভারতের সমৃদ্ধশালী মন্দির ও ধনসম্পদ লুট করাই ছিল তাঁর এই অভিযانগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ বার — এটি ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মেলে না কারণ সঠিক সংখ্যাটি এর চেয়ে বেশি। B) ১৭ বার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী তিনি ঠিক এই সংখ্যক বার আক্রমণ করেছিলেন। C) ১৮ বার — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ গবেষকদের মতে তিনি ১৮ বার আক্রমণ করেননি। D) ২০ বার — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা ঐতিহাসিক প্রমাণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: সুলতান মাহমুদের ভারত আক্রমণের সংখ্যা মনে রাখতে মাহমুদ শব্দের ম অক্ষরটি সতেরো সংখ্যার স এর সঙ্গে মিলিয়ে সতেরো বার মনে রাখতে পারো।
52. বাংলাদেশ কমনওয়েলথের কততম সদস্য?
Created 2 days ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩২তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ই এপ্রিল কমনওয়েলথের ত্রয়োদশ সদস্য হিসেবে যোগদান করে। - তবে বর্তমান সদস্য সংখ্যা এবং ক্রমানুসারে বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম স্বাধীন সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০তম — এটি বাংলাদেশের কমনওয়েলথ সদস্যপদ অর্জনের সঠিক ক্রম নয়। B) ৩১তম — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের সদস্যপদের ক্রমের সঙ্গে মিল রাখে না। C) ৩২তম — এই অপশনটি সঠিক এবং পরীক্ষিত ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মিলে যায়। D) ৩৩তম — এটি ভুল ক্রম নির্দেশ করে, যা সঠিক উত্তরের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্যপদ লাভ করে, সংখ্যাটি মনে রাখতে ৩২ সংখ্যাটি স্মরণ করুন।
53. বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের সুরকার কে?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খন্দকার নূরুল আলম কেন সঠিক: - খন্দকার নূরুল আলম বিখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক যিনি বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের সুর সৃষ্টি করেছেন। - তাঁর সুর করা এই সংগীতটি দেশের খেলাধুলা ও ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রেরণা জোগাতে জাতীয়ভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত, ক্রীড়া সংগীতের সুরকার নন। B) খন্দকার নূরুল আলম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) সত্য সাহা — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র সংগীত পরিচালক ও সুরকার হলেও ক্রীড়া সংগীতের সুর করেননি। D) সমর দাস — তিনি বিশিষ্ট সুরকার ও মুক্তিযোদ্ধা হলেও তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের বাদ্যযন্ত্রের বিন্যাস এবং অন্যান্য দেশীয় গানের সুরকার, ক্রীড়া সংগীতের নন। মনে রাখার টিপস: খেলার মাঠে নূর ছড়ায়, তাই ক্রীড়া সংগীতের সুরকার খন্দকার নূরুল আলম।
54. নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশ কয়টি?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। - এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়। B) ১৩টি — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের গঠন কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। সি) ১৪টি — নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কখনো চৌদ্দটি ছিল না। D) ১৫টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয় বরং সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য মনে রাখতে ৫ যোগ ১০ সমান ১৫ সূত্রটি মনে রাখুন।
57. বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার কে ছিলেন?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাহ আব্দুল হামিদ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে তিনি স্পিকার নির্বাচিত হন। - তিনি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদেরও স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ — তিনি প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন না, তবে তিনি একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও গণপরিষদ সদস্য ছিলেন। B) শাহ আব্দুল হামিদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী — তিনি পরবর্তীতে পঞ্চম জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন, প্রথম সংসদের নন। D) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সংসদের স্পিকার ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর সংসদের হাল ধরেছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
58. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল ইংরেজি কত সালে?
Created 2 days ago | Updated 18 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৭০ সালে কেন সঠিক: - বাংলা ১১৭৬ সনে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ায় এই মন্বন্তরের নামকরণ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর করা হয়েছিল। - বাংলা ১১৭৬ সাল ইংরেজি ১৭৭০ সালের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় এই মন্বন্তর ১৭৭০ সালে সংঘটিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৬৮ সালে — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজস্বনীতির প্রাথমিক প্রভাব শুরু হলেও বিখ্যাত মন্বন্তর ঘটেনি। B) ১৭৬৯ সালে — এই বছর থেকে বঙ্গে তীব্র খরা ও খাদ্য সংকট শুরু হলেও মন্বন্তরটি চূড়ান্ত রূপ নেয় পরের বছর। C) ১৭৭০ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ১৭৭২ সালে — এই সালে ওয়ারেন হেস্টিংস গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যা মন্বন্তরের সময়কালের পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: বাংলা সন ১১৭৬ থেকে ৭৬ সংখ্যাটি নিয়ে একে ইংরেজি ১৭৭০ সালের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে হবে।
63. কোন শিখা লোহা গলিয়ে জোড়া লাগাতে সাহায্য করে-
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখা ১. কেন সঠিক: - অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখা অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা উৎপন্ন করতে পারে, যা লোহা বা অন্যান্য ধাতু গলানোর জন্য আদর্শ। - এই শিখার তাপমাত্রা প্রায় তিন হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা ধাতুকে সহজেই তরল করে জোড়া লাগাতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপশক্তি ব্যবহার করে ধাতু কাটা বা জোড়া লাগানোর পদ্ধতিকে গ্যাস কাটিং বা ওয়েল্ডিং বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: অক্সিজেনের উপস্থিতিতে অ্যাসিটিলিন গ্যাস পুড়ে কার্বন ডাই অক্সাইড, জলীয় বাষ্প এবং প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: কারখানার ভারী যন্ত্রপাতি মেরামত, জাহাজ নির্মাণ এবং রেললাইন জোড়া লাগানোর কাজে এই শিখা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোটরগাড়ির গ্যারেজে ভাঙা চ্যাসিস বা ভারী লোহার অংশ মেরামতের সময় এই শিখা ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি নিখুঁতভাবে লোহাকে গলিয়ে দুটি টুকরাকে স্থায়ীভাবে একসাথে যুক্ত করতে পারে। উদাহরণ ২: জাহাজ ভাঙার ইয়ার্ডে বড় বড় লোহার কাঠামো কেটে টুকরা করার কাজে এই শিখার ব্যবহার দেখা যায়। ব্যাখ্যা: উচ্চ তাপমাত্রার কারণে এটি পুরু লোহার প্লেট দ্রুত গলিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সি-হাইড্রোজেন শিখা — এটি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের মিশ্রণে তৈরি হয় এবং এর তাপমাত্রা তুলনামূলক কম হওয়ায় ভারী লোহা গলানোর জন্য এটি পর্যাপ্ত নয়। B) অক্সি-নাইট্রোজেন শিখা — নাইট্রোজেন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে কাজ করায় এটি কাঙ্ক্ষিত উচ্চ তাপমাত্রা উৎপন্ন করতে পারে না। C) অক্সি-অ্যামোনিয়া শিখা — অ্যামোনিয়ার দহন প্রক্রিয়া লোহা গলানোর মতো উচ্চ তাপ উৎপন্ন করতে পারে না। D) অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখা — এটি সঠিক কারণ এটি সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ও তীব্র শিখা তৈরি করে লোহা গলাতে সক্ষম। ৫ মনে রাখার টিপস: - লোহা জোড়া লাগানোর জন্য অ্যাসিটিলিন গ্যাসের সাথে অক্সিজেন মিশিয়ে উচ্চ তাপ তৈরি করা হয়। - এসিটিলিন শব্দের সাথে কাটিং বা ওয়েল্ডিং শব্দটি মনে রাখলে উত্তর বের করা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় তিন হাজার দুইশত ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে। - এই প্রক্রিয়ায় অ্যাসিটিলিন গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত হলো সি টু এইচ টু।
64. ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলভার ব্রোমাইডের ১. কেন সঠিক: ফটোগ্রাফিক প্লেট বা ফিল্মের মূল কাজ হলো আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা দেখানো। সিলভার ব্রোমাইড আলো পড়লে রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে ছবি তোলার উপযোগী দৃশ্যমান অবয়ব তৈরি করতে পারে। সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণার মাধ্যমে আলোক সংবেদনশীল যৌগের ভূমিকা পরীক্ষাগারে এবং বাস্তব জীবনে সংরক্ষিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সিলভার ব্রোমাইড একটি আলোক সংবেদনশীল লবণ যা আলোর সংস্পর্শে এলে রূপান্তর ঘটে। রাসায়নিক সংকেত: এজিবিআর। কার্যপ্রণালি: ক্যামেরার লেন্সের মাধ্যমে আলো এসে যখন এই যৌগের ওপর পড়ে, তখন সিলভার আয়ন বিজারিত হয়ে ধাতব সিলভারে পরিণত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: ঐতিহ্যবাহী ক্যামেরা ফিল্ম এবং পুরোনো দিনের ফটোগ্রাফিক প্লেট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যানালগ ক্যামেরা ফিল্ম। ব্যাখ্যা: ফিল্মে সিলভার ব্রোমাইডের আস্তরণ থাকে যা ফ্ল্যাশ লাইট বা সূর্যালোকের সংস্পর্শে ছবি ধারণ করে। উদাহরণ ২: এক্স-রে প্লেট তৈরির প্রাথমিক প্রযুক্তি। ব্যাখ্যা: চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত কিছু পুরোনো এক্স-রে প্লেটেও আলো বা বিকিরণ সংবেদনশীল উপাদান ব্যবহৃত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলভার ব্রোমাইডের — এটি সঠিক কারণ এটি আলোক সংবেদনশীল এবং ফটোগ্রাফিক প্লেটের মূল আস্তরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) সিলভার ক্লোরাইডের — এটি আলোক সংবেদনশীল হলেও সিলভার ব্রোমাইডের মতো উচ্চ সংবেদনশীলতা প্রদর্শন করে না তাই ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। C) সিলভার সালফেটের — এটি মূলত পানিতে দ্রবণীয়তা এবং অন্যান্য রাসায়নিক ব্যবহারের জন্য পরিচিত কিন্তু ফটোগ্রাফিক প্লেটের আস্তরণ তৈরিতে এটি উপযোগী নয়। D) সিলভার নাইট্রেটের — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক যৌগ এবং এটি দিয়ে সিলভার ব্রোমাইড তৈরি করা হয় তবে নিজে সরাসরি ফিল্মের আস্তরণ হিসেবে কাজ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ছবি তোলার সময় ব্রাইট আলো লাগে, তাই ব্রাইট থেকে মনে রাখবে সিলভার ব্রোমাইড। এভাবে সিলভার ব্রোমাইড শব্দটি দীর্ঘস্থায়ীভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রসায়নের ব্যবহারিক প্রয়োগ অংশে বারবার আসে। আলোক সংবেদনশীল হ্যালোজেন যৌগ হিসেবে সিলভার ব্রোমাইডের ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
66. সকল সপুষ্পক উদ্ভিদ হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বভোজী ১. কেন সঠিক: - সপুষ্পক উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে বলে তারা স্বভোজী। - এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্যালোক, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানির সাহায্যে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে সকল জীব ক্লোরোফিলের সাহায্যে অজৈব উপাদান থেকে জৈব খাদ্য প্রস্তুত করে তাদের স্বভোজী বা অটোট্রফ বলে। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের পাতায় উপস্থিত ক্লোরোপ্লাস্ট সূর্যালোকের শক্তি শোষণ করে এবং তা রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে খাদ্য তৈরি সম্পন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম গাছ ব্যাখ্যা: আম গাছ ফুল ফুটিয়ে বীজ উৎপাদন করে এবং পাতার সাহায্যে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে, তাই এটি স্বভোজী। উদাহরণ ২: ধান গাছ ব্যাখ্যা: ধান গাছ একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে জীবন ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরজীবী — পরজীবী উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না এবং খাদ্যের জন্য অন্য জীবের ওপর নির্ভর করে। B) স্বভোজী — এটি সঠিক উত্তর কারণ সপুষ্পক উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে সক্ষম। C) পরভোজী — পরভোজী জীবরা খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্য জীবের ওপর নির্ভরশীল। D) মিথোজীবী — মিথোজীবী জীবরা পরস্পরের সাহায্যে পুষ্টি গ্রহণ করে, যা সব সপুষ্পক উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সপুষ্পক উদ্ভিদের ফুল থাকে এবং ফুল মানেই ফল ও বীজ। নিজের খাবার নিজে তৈরি করতে পারে বলে এরা স্বভোজী বা অটোট্রফ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজ উদ্ভিদ মাত্রই স্বভোজী কারণ তাদের কোষে ক্লোরোফিল থাকে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে।
67. কোনটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডিপথেরিয়া ১. কেন সঠিক: - ডিপথেরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রামক রোগ যা করিনব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়। - এই ব্যাকটেরিয়া মানবদেহের শ্বাসনালীতে আক্রমণ করে এবং বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে ঝিল্লি সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অংশ হিসেবে ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী অণুজীব যা কোষে নিউক্লিয়াস বিহীন। - কার্যপ্রণালি: ডিপথেরিয়া ব্যাকটেরিয়া সাধারণত হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এবং গলায় সংক্রমণ ঘটায়। - কারণ ও ফলাফল: এর ফলে গলা ব্যথা, জ্বর এবং শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যক্ষ্মা বা টিবি হলো আরেকটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে ফুসফুসে আক্রমণ করে। ব্যাখ্যা: এটি থেকে বোঝা যায় যে নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়া মানবদেহের নির্দিষ্ট অঙ্গের কোষ ও টিস্যুকে আক্রমণ করে রোগ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: ধনুষ্টংকার বা টিটানাস ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটানি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায় যা ক্ষতস্থানের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোলিও — পোলিও একটি ভাইরোজেনিত রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে পক্ষাঘাত তৈরি করে। B) হাম — হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাল রোগ যা মিজিলস ভাইরাস দ্বারা ছড়ায় এবং চামড়ায় লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। C) জলাতঙ্ক — জলাতঙ্ক বা রেবিস একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক রোগ যা সংক্রামিত প্রাণীর লালার মাধ্যমে ছড়ায়। D) ডিপথেরিয়া — এটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো ডিপথেরিয়া, যক্ষ্মা, টাইফয়েড, কলেরা এবং টিটানাস হলো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ। - ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে ভাইরাস সম্পূর্ণ কোষী নয় কিন্তু ব্যাকটেরিয়া পূর্ণাঙ্গ এককোষী জীব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরোজাতীয় রোগ আলাদা করতে বলা হয়। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা জানতে পারে কোন রোগটি কোন জীবাণুর কারণে হয়, যা রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত জরুরি।
68. সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মূলে ১. কেন সঠিক: - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য সূর্যালোকে উদ্ভিদের সবুজ অংশে ক্লোরোফিল থাকা আবশ্যক। উদ্ভিদের মূল সাধারণত মাটির নিচে অন্ধকারে থাকে বিধায় সেখানে ক্লোরোফিল বা সবুজ বর্ণকণিকা তৈরি হয় না। - মূলের প্রধান কাজ হলো মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করা এবং উদ্ভিদকে মাটির সাথে শক্তভাবে আটকে রাখা, খাদ্য তৈরি করা নয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানির সাহায্যে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে এবং অক্সিজেন নির্গত করে। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের কোষে থাকা ক্লোরোপ্লাস্ট নামক প্লাস্টিডের মধ্যে ক্লোরোফিল সূর্যালোকের ফোটন কণা শোষণ করে এই রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: উদ্ভিদের সবুজ পাতা এবং কচি কান্ডে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এরা খাদ্য উৎপাদনে সক্ষম, যা সমগ্র জীবজগতের পুষ্টির মূল উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম গাছের পাতা ও সবুজ কান্ড। ব্যাখ্যা: এগুলোতে পর্যাপ্ত ক্লোরোফিল ও সূর্যালোক পাওয়ার সুযোগ থাকায় এরা নিয়মিত সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রiyায় শর্করা প্রস্তুত করে। উদাহরণ ২: মূল জাতীয় উদ্ভিদ যেমন মূলা বা গাজর। ব্যাখ্যা: এদের মূল মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত হয় বটে, কিন্তু তা সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নয়, বরং পাতার তৈরি খাদ্য পরিবহনের মাধ্যমে সঞ্চিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাতায় — এটি ভুল উত্তর নয় কারণ পাতাই উদ্ভিদের প্রধান সালোকসংশ্লেষণ অঙ্গ এবং এখানে প্রচুর ক্লোরোফিল থাকে। B) শাখা-প্রশাকায় — এটি ভুল উত্তর নয় কারণ কচি ও সবুজ শাখা-প্রশাখায় ক্লোরোফিল থাকায় সেখানেও সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। C) সবুজ কান্ডে — এটি ভুল উত্তর নয় কারণ অনেক উদ্ভিদের সবুজ কান্ড সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণ করে। D) মূলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল সাধারণত ক্লোরোফিলহীন ও অন্ধকারে থাকে, তাই সেখানে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবুজ মানেই ক্লোরোফিল এবং ক্লোরোফিল মানেই সালোকসংশ্লেষণ। মূল যেহেতু সাধারণত সবুজ হয় না এবং মাটির নিচে থাকে, তাই মূলে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সালোকসংশ্লেষণ উদ্ভিদের একমাত্র সবুজ প্লাস্টিডযুক্ত কোষে ঘটে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই উদ্ভিদ অঙ্গের কাজ এবং সালোকসংশ্লেষণের শর্ত সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
80. পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম খাল কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্র্যান্ড খাল ১. কেন সঠিক: - গ্র্যান্ড খাল হলো বিশ্বের দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম কৃত্রিম জলপথ বা খাল। - এটি চীনের প্রাচীন প্রকৌশলবিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন যা উত্তর ও দক্ষিণ চীনকে যুক্ত করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: চীন, পূর্ব এশিয়া। - বৈশিষ্ট্য: এটি মানুষের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন ও দীর্ঘতম জলপথ। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১,৭৯৪ কিলোমিটার এবং এটি বেইজিংকে হাংচৌ শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: চীনের ইয়াংসি নদী এবং পীত নদী। ব্যাখ্যা: গ্র্যান্ড খালটি এই দুটি প্রধান প্রাকৃতিক নদীকে সংযুক্ত করেছে যা বাণিজ্যে বিপ্লব ঘটিয়েছিল। উদাহরণ ২: প্রাচীন বাণিজ্য পথ। ব্যাখ্যা: এটি মূলত শস্য ও পণ্য পরিবহনের জন্য উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুয়েজ খাল — এটি কৃত্রিম খাল হলেও বিশ্বের দীর্ঘতম নয়, এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে। B) পানামা খাল — এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে কিন্তু গ্র্যান্ড খালের চেয়ে অনেক ছোট। C) বাল্টিক খাল — এটি বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগরকে সংযোগকারী একটি অপেক্ষাকৃত ছোট কৃত্রিম খাল। D) গ্র্যান্ড খাল — এটি বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম খাল এবং সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্র্যান্ড মানে বড়, তাই বৃহত্তম খাল বললে গ্র্যান্ড খাল মনে রাখবে যা চীনে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের দীর্ঘতম কৃত্রিম জলপথ কোনটি এবং এটি কোন দেশে অবস্থিত, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

মোট প্রশ্ন (15)

1. ‘এ আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন, পাথরের টুকরোর মতন ডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে বছর-তিনেক আগে কাক-ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে’ - পংক্তিগুলো কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃত পংক্তিগুলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। তার কবিতায় নগরজীবনের বিষণ্নতা, স্বজন হারানোর বেদনা এবং মধ্যবিত্ত জীবনের চালচিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে ওঠে, যা এই পংক্তিগুলোতেও প্রতিফলিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি ও সাংবাদিক। তার কাব্যে নাগরিক চেতনা, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ব্যক্তিগত জীবনের দুঃখ-বেদনা সুন্দরভাবে রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসাদের শার্ট ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমানের একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত কবিতা, যা গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলাখ্যাত কবি হলেও এই পংক্তিটি তার নয়, তার কবিতার সুর ও প্রকৃতি আলাদা। B) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান — মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি ও অধ্যাপক হলেও এই পংক্তিটি তার কোনো পরিচিত কবিতার অংশ নয়। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি ও দ্রোহের কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তার লেখার ধরন ও বিষয়বস্তু এই পংক্তির সঙ্গে মেলে না। D) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ পংক্তিগুলো তার নিজস্ব কাব্যশৈলী ও ভাবনার পরিচায়ক। ৫ মনে রাখার টিপস: শোক বা স্মৃতিকাতরতামূলক ব্যক্তিগত পংক্তি বা পরিবারের কাউকে নিয়ে লেখা মর্মস্পর্শী আধুনিক কবিতা দেখলে শামসুর রাহমানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তার কবিতায় শহরের মধ্যবিত্ত জীবনের সুখ-দুঃখ এবং ব্যক্তিগত শোকের প্রকাশ খুব চমৎকারভাবে পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের বিখ্যাত কবিতার পংক্তি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই কবি শামসুর রাহমান, জীবনানন্দ দাশ ও আল মাহমুদের জনপ্রিয় কবিতাগুলোর প্রথম বা বিখ্যাত চরণগুলো ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
2. মুনীর চৌধুরী রচিত 'মুখরা রমণী বশীকরণ' একটি -
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুবাদ নাটক ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরী বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের 'দ্য টেমিং অফ দ্য শ্রিউ' নাটকটি বাংলায় অনুবাদ করেন। - শেক্সপিয়ারের এই বিখ্যাত কমেডি বা প্রহসনমূলক নাটকটি বাংলায় 'মুখরা রমণী বশীকরণ' নামে রূপান্তরিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী একাধারে প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, অনুবাদক এবং ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন এবং তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। - তার মৌলিক নাটকের মধ্যে 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ও 'চিঠি' অত্যন্ত বিখ্যাত এবং একাঙ্ক নাটকে তিনি বিশেষ নৈপুণ্যের পরিচয় দিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী রচিত মৌলিক নাটক রক্তাক্ত প্রান্তর ব্যাখ্যা: এই ঐতিহাসিক নাটকটি পানিপাতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ও ট্র্যাজেডিধর্মী নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরী অনূদিত আরও একটি গ্রন্থ কেউ কিছু বলতে পারে না ব্যাখ্যা: জর্জ বার্নার্ড শ এর 'ইউ নেভার ক্যান টেল' নাটকের এটি অসাধারণ একটি বাংলা অনুবাদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — মুখরা রমণী বশীকরণ কোনো গল্প নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক। B) উপন্যাস — এটি কোনো উপন্যাস বা কল্পকাহিনিমূলক গদ্যশিল্প নয়। C) প্রবন্ধ — এটি কোনো মননশীল গবেষণামূলক বা তাত্ত্বিক প্রবন্ধ নয়। D) অনুবাদ নাটক — উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নাটকের সফল অনুবাদ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ নাটক মনে রাখার কৌশল হলো শেক্সপিয়ারের মুখরা রমণীকে তিনি বাংলায় বশ করেছিলেন। - মৌলিক নাটক মনে রাখতে মনে রাখবে তিনি রণে অর্থাৎ রক্তাক্ত প্রান্তরে গিয়ে চিঠি লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি নাটকের অনুবাদক হিসেবে মুনীর চৌধুরীর নাম প্রায়ই আসে। - শেক্সপিয়ারের নাটকগুলোর বাংলা অনুবাদ ও নাট্যকারদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ রাখা উচিত।
3. 'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটির লেখক কে?
Created 2 days ago | Updated 39 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অদ্বৈত মল্লবর্মণ ১. কেন সঠিক: - 'তিতাস একটি নদীর নাম' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা অদ্বৈত মল্লবর্মণ। - এই উপন্যাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, সুখ, দুঃখ ও সংগ্রাম নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অদ্বৈত মল্লবর্মণ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি মূলত নদীয়া ও তিতাসপাড়ের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। - এটি তাঁর একমাত্র ও অমর সৃষ্টি যা ১৯৪৫ সালে মাসিক প্রবাসীতে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৫৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত নদীভিত্তিক উপন্যাস, যা তিতাস একটি নদীর নামের মতোই জলজীবনকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: কবি ব্যাখ্যা: এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের আরেকটি সম্পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অদ্বৈত মল্লবর্মণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কালজয়ী উপন্যাসটির রচয়িতা। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি নদীভিত্তিক উপন্যাস 'পদ্মা নদীর মাঝি' লিখেছেন, কিন্তু 'তিতাস একটি নদীর নাম' তাঁর রচনা নয়। C) আবুজাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন। D) মামুনুর রশীদ — তিনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা, এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সংযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - নদীর নাম দিয়ে উপন্যাস মনে রাখতে তিতাস নদীর কথা ভাবলে অদ্বৈত মল্লবর্মণের নাম মনে করতে হবে। - তিতাস নদীর তীরবর্তী জেলের জীবন নিয়ে লেখা একমাত্র উপন্যাসটি অদ্বৈত মল্লবর্মণের অমর কীর্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপন্যাসটির রচয়িতা বা প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - আঞ্চলিক উপন্যাস চেনার ক্ষেত্রে লেখকদের নাম ও তাদের পটভূমি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
5. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনোহারিণী ১. কেন সঠিক: - মনোহারিণী শব্দটির অর্থ যা মন হরণ করে বা সুন্দর। - এই শব্দটি গঠনে মনঃ শব্দের সঙ্গে হারি প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে এবং স্ত্রীবাচক অর্থে ঈ প্রত্যয় যোগ হয়ে সঠিক বানানটি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধি এবং প্রত্যয় যোগের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দ গঠিত হয়। - মনঃ শব্দের বিসর্গ ও-কার হয়ে মনোহর এবং তার সঙ্গে হারি ও স্ত্রীবাচক ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মনোহারিণী রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিরোমণি ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান। উদাহরণ ২: প্রতিযোগिणी ব্যাখ্যা: এটি ভুল বানান, এর শুদ্ধ রূপ প্রতিযোগী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনহারিাণ — বানানটিতে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং এটি প্রমিত বানানরীতিসম্মত নয়। B) মনোহারিণী — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত বানান। C) মনোহরিনি — এখানে বানানে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) মনোহাৰিাণ — এই অপশনে অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনোহর শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক মনোহারিণী বানানটি মনে রাখতে হবে। - শেষের বর্ণটি সর্বদা মূর্ধন্য ণ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্ত্রীবাচক ও প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই আসে। - বানানের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কার এর সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
6. 'বিশ্বজনের হিতকর' এক কথায় কী হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশ্বজনীন ১. কেন সঠিক: - বিশ্বজনের হিতকর বা বিশ্বজনের পক্ষে কল্যাণকর অর্থ প্রকাশ করতে বিশ্বজনীন শব্দটি ব্যবহৃত হয়। - বিশ্বজন শব্দের সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষণের রূপটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের শব্দার্থ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বড় বাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। - প্রত্যয় যোগ করে এবং শব্দের ভাবগত অর্থ ঠিক রেখে এই ধরনের বাক্য সংকোচন তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবার জন্য হিতকর = সর্বজনীন ব্যাখ্যা: সকল জনের হিতকর বোঝালে সর্বজনীন শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: সকলের জানা উচিত এমন = সর্বজনগ্রাহ্য ব্যাখ্যা: কোনো বিষয় সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হলে তাকে এই এককথায় প্রকাশ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বজনীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশ্বজনের হিতকর অর্থ প্রকাশ করে। B) সর্বজনীন — এটি সবার জন্য প্রযোজ্য বা সকলের অধিকারভুক্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা বিশ্বজনের হিতকরের সঠিক বিকল্প নয়। C) সার্বজনীন — এটি সর্বজনীন শব্দের বানানগত ভিন্ন রূপ বা কথ্য প্রয়োগ হিসেবে আসে, যা প্রমিত অর্থে অন্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) হিতৈষী — এর অর্থ কল্যাণকামী বা মঙ্গলকামী, যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির হিতাকাঙ্ক্ষাকে বোঝায় বিশ্বজনকে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বজনের জন্য হিতকর থাকলে বিশ্বজনীন এবং সবার জন্য প্রযোজ্য হলে সর্বজনীন নির্বাচন করবে। - শব্দের মূল অংশ মিলিয়ে এককথায় প্রকাশের সঠিক রূপ মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বজনীন এবং সর্বজনীন শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - শব্দের অর্থ গভীরভাবে বুঝে বাক্য সংকোচন চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
10. কোনটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাতাহাতি (হাতে হাতে যে যুদ্ধ) ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে সমস্তপদের পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটিরই অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে 'ব্যিহারে' বা পারস্পরিক বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। - হাতাহাতি শব্দটিতে হাতে হাতে যে যুদ্ধ বোঝানো হয়েছে, যা দুটি হাতের পারস্পরিক বা ব্যতিহার ক্রিয়া প্রকাশ করে এবং এটি একটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসে একই পদের দ্বিরুক্তি ঘটে এবং মাঝখানে 'আ' বা 'ই' যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বোঝায়। - এই সমাসের ব্যাসবাক্য সাধারণত 'পূর্বপদে এ বিভক্তি + পূর্বপদে এ বিভক্তি + যে + ক্রিয়াপদ' এভাবে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কানাকানি (কানে কানে যে কথা) ব্যাখ্যা: এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে দুটি কানের মাধ্যমে পারস্পরিক গোপন কথা বলার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: চুলাচুলি (চুলে চুলে যে লড়াই) ব্যাখ্যা: এটিও ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে চুলে চুল ধরে পারস্পরিক লড়াই বা ঝগড়া বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একাদশ (এক অধিক দশ) — এটি নিত্য সমাসের উদাহরণ কারণ এর কোনো ব্যাসবাক্য হয় না এবং পদগুলো নিত্যকাল সমাসবদ্ধ থাকে। B) হাতাহাতি (হাতে হাতে যে যুদ্ধ) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। C) মানানের অভাব (বেমানান) — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে অভাব অর্থে 'বে' উপসর্গ যোগে অব্যয় পদ গঠিত হয়েছে। D) দুখাতীত (দুঃখকে অতীত) — এটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে কর্মকারকে 'কে' বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পারস্পরিক বোঝাপড়া, মারামারি, কথা কাটাকাটি বা গলাগলি জাতীয় শব্দ দেখলে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - শব্দের মাঝে আ বা ই ধ্বনি এবং একই শব্দের পুনরাবৃত্তি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের প্রধান চাবিকাঠি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাতাহাতি, কানাকানি, গালাগালি জাতীয় শব্দগুলো প্রায়ই ব্যতিহার বহুব্রীহি হিসেবে আসে। - নিত্য সমাস ও অব্যয়ীভাব সমাসের পার্থক্য ভালো করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
12. কোনটি করণ কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ কর ১. কেন সঠিক: বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ কর বাক্যে বুদ্ধি শব্দের সাহায্যে কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যম বা উপায় বোঝানো হয়েছে। কোন মাধ্যম বা উপায়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হলে তাকে করণ কারক বলে এবং এই শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে বা যার সাহায্যে কর্তা কোনো ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে করণ কারক বলে। করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়। কর্মে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তিকে ব্যাকরণে শূন্য বিভক্তি বা অ বিভক্তি বলা হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে কলম হলো লেখার মাধ্যম, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: মা বশে রান্না করেন। ব্যাখ্যা: এখানে বশে শব্দের মাধ্যমে রান্নার উপায় প্রকাশ পেয়েছে, যা করণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালির দাগ সহজে ওঠে না — কালির দাগ অপাদান কারক, কারণ এখানে দাগ ছিটকে যাওয়া বা বিচ্যুতির অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। C) দুধ থেকে দই হয় — দুধ থেকে অপাদান কারক, কারণ এখানে উৎপন্ন বা বিচ্যুত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) এ বৎসর খুব বন্যা হয়েছে — এ বৎসর অধিকরণ কারক, কারণ এটি সময় বা কাল নির্দেশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক। শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক নির্ধারণ করতে হবে এবং পরে শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি আছে কি না তা দেখতে হবে। মাধ্যম বুঝালে করণ কারক এবং উৎস বা বিচ্যুতি বুঝালে অপাদান কারক হবে।
13. কোনটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। কোথায় মেঘ গর্জন করছে, এই প্রশ্নের উত্তরে গগনে স্থানটি নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক এবং গগনে শব্দের অন্তে এ বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা সময় বোঝায় তাকে অধিকরণ কারক বলে। শব্দ বা পদের সাথে এ, য়, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনে একটি স্থান নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: এ সময়ে বৃষ্টি নামে। ব্যাখ্যা: এ সময়ে একটি কাল বা সময় নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোকে কি না বলে — এটি কর্তায় ৭মী বিভক্তি, কারণ এখানে লোকে বা লোকজন কাজটি করছে। B) তুমি যে আমার কবিতা — এটি অধিকরণ কারক নয়, এটি সম্বন্ধ পদ ও বিশেষ্য পদের উদাহরণ। C) গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি স্থানবাচক অধিকরণে ৭মী বিভক্তি। D) জলে বাষ্প হয় — এটি উৎপাদনে অধিকরণ কারক নয়, এটি মূলত অপাদান কারকের উদাহরণ। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথায় এবং কখন প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা অধিকরণ কারক হয়। স্থান বা সময় বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থান বা কাল বোঝালে সর্বদা অধিকরণ কারক হবে। বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের শেষে এ, য়, তে চিহ্নগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
14. কোনটি 'পুষ্প' এর সমার্থক শব্দ?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
**সঠিক উত্তর:** D) উৎপল **১. কেন সঠিক:** - প্রদত্ত প্রশ্নটি সমার্থক শব্দ সম্পর্কিত। এখানে 'পুষ্প' শব্দের সমার্থক শব্দ চাওয়া হয়েছে এবং 'উৎপল' হলো পুষ্প বা ফুলের একটি প্রমিত সমার্থক শব্দ। - 'পুষ্প' শব্দের অর্থ ফুল, কুসুম, প্রসূন ইত্যাদি। অন্যদিকে 'উৎপল' শব্দের সাধারণ অর্থ নীল পদ্ম বা সাধারণভাবে পদ্মফুল, যা ফুলেরই একটি বিশেষ রূপ হওয়ায় এটি সমার্থক হিসেবে গৃহিত হয়। **২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:** - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়। বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা গুণের একাধিক নাম থাকতে পারে, যা শব্দের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। - সংস্কৃতে 'উৎপল' শব্দটি পদ্ম বা ফুল অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। বাংলা কবিতায় ও সাহিত্যে ফুলের বিভিন্ন প্রতিশব্দ হিসেবে পুষ্প, কুসুম, সুমন, প্রসূন, উৎপল ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। **৩. উদাহরণ:** উদাহরণ ১: কুসুম ব্যাখ্যা: কুসুম হলো পুষ্প বা ফুলের অন্যতম একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: প্রসূন ব্যাখ্যা: প্রসূন শব্দটির অর্থও ফুল বা পুষ্প, যা বাংলা কাব্যে প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। **৪. বাকি অপশন কেন ভুল:** A) দ্বিপ — দ্বিপ শব্দের অর্থ যা দুবার জন্ম নেয় অর্থাৎ পাখি, দাঁত বা হস্তী। এটি পুষ্প শব্দের সমার্থক নয়। B) রঞ্জন — রঞ্জন শব্দের অর্থ রঞ্জিত করা, আনন্দদানকারী বা লাল বর্ণ করা। এটি পুষ্প শব্দের সমার্থক নয়। C) অঘুন — অঘুন বা অগ্রহায়ণ হলো বাংলা বছরের অষ্টম মাস। এটি পুষ্প শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) উৎপল — উৎপল শব্দের অর্থ পদ্মফুল বা ফুল, যা পুষ্প শব্দের সঠিক সমার্থক। (প্রদত্ত উত্তরে ভুলবশত রঞ্জন বলা হলেও সঠিক উত্তর উৎপল হবে)। **৫ মনে রাখার টিপস:** - ফুল বোঝাতে পুষ্প, কুসুম, সুমন, প্রসূন এবং উৎপল শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। - উৎপল দেখলে মনে রাখবে এটি পদ্ম বা ফুলকে নির্দেশ করে। **৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:** - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - একই শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ তালিকা আকারে পড়লে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

2. কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) explanation কেন সঠিক: - 'explain' ভার্ব বা ক্রিয়াপদের সাথে 'ation' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বিশেষ্য বা নাউন 'explanation' গঠিত হয়েছে। - বানানের নিয়মে এখানে 'i' এর পরিবর্তে 'a' ব্যবহার করা হয় এবং বানানটি হয় 'explanation'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) explenation — এই বানানে 'a' এর স্থলে ভুলভাবে 'e' ব্যবহার করা হয়েছে। B) explanation — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্ন অনুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর। C) explaination — এখানে অতিরিক্ত একটি 'i' যুক্ত করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। D) explenetion — এই বানানে সঠিক স্বরবর্ণের পরিবর্তে ভুলভাবে 'e' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: 'explain' শব্দের শেষে সরাসরি 'ation' যোগ করে 'explanation' বানানটি মনে রাখতে হবে।
3. I count _____ your help. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে -
Created 2 days ago | Updated 38 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - Count on একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ নির্ভর করা বা ভরসা করা। - বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি তোমার সাহায্যের ওপর নির্ভর করছি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on - এটি সঠিক উত্তর কারণ count on অর্থ নির্ভর করা। B) for - count for অর্থ কোনো কিছুর মূল্য বা গুরুত্ব থাকা, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়। C) in - count in অর্থ কোনো দলে বা কাজে অন্তর্ভুক্ত করা, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মিলে না। D) with - count with কোনো প্রচলিত গ্রুপ ভার্ব বা সঠিক প্রিপোজিশন নয়। মনে রাখার টিপস: ভরসা করা বা নির্ভর করা অর্থে Count verb-এর পরে সবসময় on প্রিপোজিশন বসে।
5. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He called me a coward কেন সঠিক: - coward শব্দটি noun হওয়া সত্ত্বেও এখানে Object Complement হিসেবে সঠিক grammatically ব্যবহৃত হয়েছে। - call verb-এর পর noun সরাসরি বসতে পারে, যা কাউকে কোনো উপাধিতে ভূষিত করা বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) There is no place for doubt — place-এর জায়গায় room বা scope ব্যবহার করা উচিত, কারণ এখানে স্থান বোঝায় না। B) I went to my house — নিজস্ব বাড়ি বোঝাতে house-এর আগে possessive pronoun (my) বসে না, শুধু home বসে। C) All passengers must show their ticket — ticket শব্দটি countable হওয়ায় এখানে plural form tickets হওয়া উচিত ছিল। D) He called me a coward — এটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: call verb-এর পর coward nounটি কোনো article ছাড়াই সরাসরি বসে Object Complement হিসেবে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
6. নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
Created 2 days ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The doctor feels the pulse of the patient কেন সঠিক: - কোনো পেশাদার কাজ বা শারীরিক পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে বিশেষ ক্রিয়া হিসেবে feel the pulse ব্যবহার করা হয়। - চিকিৎসকের ক্ষেত্রে রোগীর নাড়ি দেখা অর্থে feel the pulse প্রমিত ও সঠিক ইংরেজি ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He denied to help me — Deny শব্দের পর ইনফিনিটিভ (to help) বসে না, জিরান্ড (helping) বসে। সঠিক বাক্য হতো He denied helping me। B) The doctor feels the pulse of the patient — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং চিকিৎসকের নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে সঠিক প্রয়োগ। C) Honesty and truthfulness are necessary for happiness — এখানে একাধিক singular subject 'and' দ্বারা যুক্ত হওয়ায় verb plural (are) হয়েছে, যা সঠিক। তবে মূল প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নের উত্তর হিসেবে অপশন বি অধিক গ্রহণযোগ্য ধরা হয়। D) He along with his friends have come — Along with দ্বারা দুটি subject যুক্ত হলে প্রথম subject (He) অনুযায়ী verb singular (has) হবে, কিন্তু এখানে have ব্যবহার করায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ডাক্তার কখনো নাড়ি অনুভব করেন না, বরং নাড়ি দেখেন বা পরীক্ষা করেন। তাই ইংরেজি অনুবাদে feel the pulse মনে রাখবে।
7. কোনটি 'Alight' শব্দটির সমার্থক শব্দ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Descend কেন সঠিক: - 'Alight' শব্দটির অর্থ হলো নেমে আসা বা অবতরণ করা, যার সঙ্গে 'Descend' শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়। - উভয় শব্দই সাধারণত কোনো বাহন থেকে নিচে নামা বা উঁচুতে থাকা অবস্থা থেকে নিচে নামার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Descend — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ নিচে নামা বা অবতরণ করা। B) Glaze — এর অর্থ চকচকে করা বা কাঁচের মতো আস্তরণ দেওয়া, যা আলিগট শব্দের সমার্থক নয়। C) Flight — এর অর্থ উড়ান বা পলায়ণ, যা অবতরণ করার বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। D) Mount — এর অর্থ চড়া বা ওপরে ওঠা, যা নামার বিপরীত প্রক্রিয়া নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Alight' শব্দের শুরুতে থাকা 'A' এবং 'Descend' শব্দের অর্থ নিচে নামা মনে রেখে এভাবে ভাবুন, ওপর থেকে নিচে নামাকেই ইংরেজিতে 'Descend' বলে।
13. কোনটি Abstract Noun?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Humanity কেন সঠিক: - Humanity শব্দের অর্থ মানবতা, যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নাম নয় বরং একটি গুণ বা অবস্থার নাম। - যে নাউন দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় এবং যাকে স্পর্শ বা দেখা যায় না, তাকে Abstract Noun বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) City — এটি একটি Common Noun কারণ এটি নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট কোনো শহরকে সামগ্রিকভাবে বোঝায়। B) Boy — এটি একটি Common Noun কারণ এটি নির্দিষ্ট কোনো বালককে না বুঝিয়ে সমগ্র বালক সম্প্রদায়কে বোঝায়। C) Obey — এটি একটি Verb বা ক্রিয়া শব্দ, যার অর্থ মান্য করা; এটি কোনো Noun নয়। D) Humanity — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি মানুষের গুণ বা অবস্থাকে নির্দেশকারী একটি Abstract Noun। মনে রাখার টিপস: যেসব noun বা বিশেষ্য চোখে দেখা যায় না কিন্তু অনুভব করা যায়, যেমন গুণ বা দোষ, সেগুলোই সাধারণত Abstract Noun হয়।
14. কোনটি Common Noun?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Pirate কেন সঠিক: - Pirate একটি Common Noun কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট জলদস্যুর নাম না বুঝিয়ে সমগ্র জলদস্যু সম্প্রদায়কে বোঝায়। - এটি একই জাতীয় ব্যক্তি বা প্রাণীর সাধারণ নাম যা গণনা করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Roguery — এটি Abstract Noun কারণ এটি একটি অবস্থা বা গুণের নাম যা দেখা যায় না, কেবল উপলব্ধি করা যায়। B) Pirate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই শ্রেণীর প্রাণীর সাধারণ নাম বা Common Noun। C) Human — এটি Common Noun হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Pirate অধিক উপযোগী হিসেবে Common Noun হিসেবে ধরা হয়। D) Starve — এটি Verb কারণ এটি একটি কাজের নাম বা উপবাস থাকা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেসকল নাম কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে সমজাতীয় সকলকে বোঝায় এবং গণনা করা যায়, তাকে Common Noun বলে।

মোট প্রশ্ন (15)

1. যদি ক : খ = ৪ : ৫ এবং ক : গ = ৩ : ৫ হয়, তবে গ : খ = ?
Created 2 days ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ ঃ১৫ প্রদত্ত তথ্য: ক অনুপাত খ = ৪ অনুপাত ৫ ক অনুপাত গ = ৩ অনুপাত ৫ ধরি, ক এর মান = ১২ ধরা যাক খ এর মান = ১৫ হিসাব করে পাই অতএব, প্রথম অনুপাত থেকে পাই, খ = ১২ × ৫ ÷ ৪ = ১৫ দ্বিতীয় অনুপাত থেকে পাই, গ = ১২ × ৫ ÷ ৩ = ২০ সুতরাং, গ অনুপাত খ = ২০ অনুপাত ১৫ উত্তর: ২০ ঃ১৫
7. পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২০১০ সালে চালের মূল্য ১০% বৃদ্ধি পায়। ২০১১ সালে চালের মূল্য ৫% হ্রাস পায়। ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১১ সালে চালের মূল্য কত বৃদ্ধি পেয়েছে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪.৫% প্রদত্ত তথ্য: ২০১০ সালে চালের মূল্য বৃদ্ধি পায় ১০% ২০১১ সালে চালের মূল্য হ্রাস পায় ৫% ধরি, ২০০৯ সালে চালের ১০০ টাকার চালের দাম ১০০ টাকা ছিল অতএব, ২০১০ সালে চালের মূল্য হয় ১০০ টাকার ১০% বৃদ্ধিতে ১১০ টাকা ২০১১ সালে চালের মূল্য কমে ১১০ টাকার ৫% হ্রাসে ১০৪.৫ টাকা সুতরাং, ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১১ সালে চালের মূল্য বৃদ্ধি পায় ১০৪.৫ টাকা − ১০০ টাকা = ৪.৫ টাকা উত্তর: ৪.৫%
9. নিচের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩/৪ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ৩/৪, ৫/৯, ৭/১২ এবং ১১/১৮ ধরি, হরগুলোর লসাগু হলো ৩৬ অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ২৭/৩৬ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২০/৩৬ সুতরাং, তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২১/৩৬ চতুর্থ ভগ্নাংশ = ২২/৩৬ উত্তর: ৩/৪
10. ১৫.৬ এর ৮% কত?
Created 2 days ago | Updated 40 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
11. x - (1/x) = 7 হলে, x² + (1/x²) এর মান হবে-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫১ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ৭ ধরি, প্রদত্ত রাশিটি হলো x² + (১ ÷ x²) অতএব, আমরা জানি সূত্র হলো a² + b² = (a − b)² + ২ab সুতরাং, x² + (১ ÷ x²) = (x − (১ ÷ x))² + ২ × x × (১ ÷ x) উত্তর: ৭² + ২ = ৪৯ + ২ = ৫১
12. 9x² + 30x এর সাথে কত যোগ করলে যোগফলটি পূর্ণ বর্গ হবে?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৯x² + ৩০x ধরি, রাশিটিকে পূর্ণ বর্গ করার জন্য একটি ধ্রুবক সংখ্যা যোগ করতে হবে অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী পূর্ণ বর্গ রাশির রূপ হলো (a + b)² = a² + ২ab + b² এখানে প্রথম পদ a² = ৯x² হলে, a = ৩x সুতরাং, দ্বিতীয় পদ ২ab = ৩০x এখানে ২ × (৩x) × b = ৩০x উত্তর: ৬b = ৩০, তাই b = ৫ এবং b² = ২৫
13. কোনো ত্রিভুজের তিন কোণের দ্বিখণ্ডকগুলো যে বিন্দুতে ছেদ করে তাকে বলে-
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্তঃকেন্দ্র প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণ এবং তাদের অভ্যন্তরীণ কোণগুলোর দ্বিখণ্ডক ধরি, ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু তিনটি হলো ক, খ এবং গ অতএব, ক কোণের দ্বিখণ্ডক, খ কোণের দ্বিখণ্ডক এবং গ কোণের দ্বিখণ্ডক অঙ্কন করি সুতরাং, এই তিনটি দ্বিখণ্ডক যে সাধারণ বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র বলে উত্তর: অন্তঃকেন্দ্র

মোট প্রশ্ন (14)

4. ২০১২ সালে এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাকিস্তান কেন সঠিক: - ২০১২ সালের এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে পাকিস্তান বাংলাদেশ দলকে মাত্র ২ রানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। - শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে বাংলাদেশ দলের হৃদয়ভাঙা পরাজয় ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ নয়, বরং একটি মহাদেশ যার নামানুসারে টুর্নামেন্টের নামকরণ করা হয়েছে। B) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারা ফাইনালে জয়লাভ করে ট্রফি অর্জন করেছিল। C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ ফাইনালে দারুণ খেললেও পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২ রানে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল। D) ভারত — ভারত ফাইনালে উঠতে পারেনি এবং টুর্নামেন্টের লিগ পর্বেই বিদায় নিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ২০১২ সালের এশিয়া কাপ ফাইনালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিস্তান মাত্র ২ রানে জিতেছিল।
5. ওয়াসফিয়া নাজরীন কত তারিখে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬ মে ২০১২ কেন সঠিক: - ওয়াসফিয়া নাজরীন ২০১২ সালের ২৬ মে তারিখে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। - তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় নারী হিসেবে সেভেন সামিট বা সাত মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ মে ২০১২ — নিশাত মজুমদার প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন, ওয়াসফিয়া নাজরীন নন। B) ২৪ মে ২০১২ — এই তারিখে ওয়াসফিয়া নাজরীন এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছাননি, এটি একটি ভুল তারিখ। C) ২৫ মে ২০১২ — এই তারিখটি ওয়াসফিয়া নজরীনের এভারেস্ট জয়ের ঐতিহাসিক দিনের সঙ্গে মিল নেই। D) ২৬ মে ২০১২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই তিনি সফলভাবে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন। মনে রাখার টিপস: নিশাত মজুমদার ২৩ মে ২০১২ এবং ওয়াসফিয়া নাজরীন তার ঠিক তিন দিন পর ২৬ মে ২০১২ এভারেস্ট জয় করেন।
6. সুলতান মাহমুদ কত বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ বার কেন সঠিক: - গজনি রাজ্যের শাসক সুলতান মাহমুদ ঐতিহাসিকদের মতে মোট ১৭ বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেছিলেন। - ভারতের সমৃদ্ধশালী মন্দির ও ধনসম্পদ লুট করাই ছিল তাঁর এই অভিযانগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ বার — এটি ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মেলে না কারণ সঠিক সংখ্যাটি এর চেয়ে বেশি। B) ১৭ বার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী তিনি ঠিক এই সংখ্যক বার আক্রমণ করেছিলেন। C) ১৮ বার — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ গবেষকদের মতে তিনি ১৮ বার আক্রমণ করেননি। D) ২০ বার — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা ঐতিহাসিক প্রমাণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: সুলতান মাহমুদের ভারত আক্রমণের সংখ্যা মনে রাখতে মাহমুদ শব্দের ম অক্ষরটি সতেরো সংখ্যার স এর সঙ্গে মিলিয়ে সতেরো বার মনে রাখতে পারো।
7. বাংলাদেশ কমনওয়েলথের কততম সদস্য?
Created 2 days ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩২তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ই এপ্রিল কমনওয়েলথের ত্রয়োদশ সদস্য হিসেবে যোগদান করে। - তবে বর্তমান সদস্য সংখ্যা এবং ক্রমানুসারে বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম স্বাধীন সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০তম — এটি বাংলাদেশের কমনওয়েলথ সদস্যপদ অর্জনের সঠিক ক্রম নয়। B) ৩১তম — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের সদস্যপদের ক্রমের সঙ্গে মিল রাখে না। C) ৩২তম — এই অপশনটি সঠিক এবং পরীক্ষিত ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মিলে যায়। D) ৩৩তম — এটি ভুল ক্রম নির্দেশ করে, যা সঠিক উত্তরের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্যপদ লাভ করে, সংখ্যাটি মনে রাখতে ৩২ সংখ্যাটি স্মরণ করুন।
8. বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের সুরকার কে?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খন্দকার নূরুল আলম কেন সঠিক: - খন্দকার নূরুল আলম বিখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক যিনি বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের সুর সৃষ্টি করেছেন। - তাঁর সুর করা এই সংগীতটি দেশের খেলাধুলা ও ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রেরণা জোগাতে জাতীয়ভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত, ক্রীড়া সংগীতের সুরকার নন। B) খন্দকার নূরুল আলম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) সত্য সাহা — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র সংগীত পরিচালক ও সুরকার হলেও ক্রীড়া সংগীতের সুর করেননি। D) সমর দাস — তিনি বিশিষ্ট সুরকার ও মুক্তিযোদ্ধা হলেও তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের বাদ্যযন্ত্রের বিন্যাস এবং অন্যান্য দেশীয় গানের সুরকার, ক্রীড়া সংগীতের নন। মনে রাখার টিপস: খেলার মাঠে নূর ছড়ায়, তাই ক্রীড়া সংগীতের সুরকার খন্দকার নূরুল আলম।
9. নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশ কয়টি?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। - এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়। B) ১৩টি — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের গঠন কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। সি) ১৪টি — নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কখনো চৌদ্দটি ছিল না। D) ১৫টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয় বরং সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য মনে রাখতে ৫ যোগ ১০ সমান ১৫ সূত্রটি মনে রাখুন।
12. বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার কে ছিলেন?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শাহ আব্দুল হামিদ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে তিনি স্পিকার নির্বাচিত হন। - তিনি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদেরও স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ — তিনি প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন না, তবে তিনি একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও গণপরিষদ সদস্য ছিলেন। B) শাহ আব্দুল হামিদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী — তিনি পরবর্তীতে পঞ্চম জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন, প্রথম সংসদের নন। D) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সংসদের স্পিকার ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর সংসদের হাল ধরেছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
13. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল ইংরেজি কত সালে?
Created 2 days ago | Updated 18 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৭০ সালে কেন সঠিক: - বাংলা ১১৭৬ সনে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ায় এই মন্বন্তরের নামকরণ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর করা হয়েছিল। - বাংলা ১১৭৬ সাল ইংরেজি ১৭৭০ সালের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় এই মন্বন্তর ১৭৭০ সালে সংঘটিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৬৮ সালে — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজস্বনীতির প্রাথমিক প্রভাব শুরু হলেও বিখ্যাত মন্বন্তর ঘটেনি। B) ১৭৬৯ সালে — এই বছর থেকে বঙ্গে তীব্র খরা ও খাদ্য সংকট শুরু হলেও মন্বন্তরটি চূড়ান্ত রূপ নেয় পরের বছর। C) ১৭৭০ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ১৭৭২ সালে — এই সালে ওয়ারেন হেস্টিংস গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যা মন্বন্তরের সময়কালের পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: বাংলা সন ১১৭৬ থেকে ৭৬ সংখ্যাটি নিয়ে একে ইংরেজি ১৭৭০ সালের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে হবে।
14. পৃথিবীর দ্বিতীয় সবচেয়ে জনবহুল দেশ-
Created 2 days ago | Updated 19 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ও বিশ্ব জনসংখ্যা তহবিলের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ভারত বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ। - চীন জনসংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে আসায় ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় নয়, বরং প্রথম জনবহুল দেশ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে চীন উল্লেখ করা হয়েছে, যা বর্তমান হালনাগাদ তথ্যের আলোדে ভুল এবং সঠিক উত্তর হবে ভারত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি অতীতে প্রথম জনবহুল দেশ থাকলেও বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল রাষ্ট্র। B) রাশিয়া — এটি আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও জনসংখ্যায় শীর্ষ দেশগুলোর অনেক পেছনে রয়েছে। C) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের তৃতীয় জনবহুল দেশ, দ্বিতীয় জনবহুল দেশ নয়। D) ভারত — এটি বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যার দিক থেকে ভারত এখন বিশ্বে প্রথম এবং চীন দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

মোট প্রশ্ন (13)

3. কোন শিখা লোহা গলিয়ে জোড়া লাগাতে সাহায্য করে-
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখা ১. কেন সঠিক: - অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখা অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা উৎপন্ন করতে পারে, যা লোহা বা অন্যান্য ধাতু গলানোর জন্য আদর্শ। - এই শিখার তাপমাত্রা প্রায় তিন হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা ধাতুকে সহজেই তরল করে জোড়া লাগাতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপশক্তি ব্যবহার করে ধাতু কাটা বা জোড়া লাগানোর পদ্ধতিকে গ্যাস কাটিং বা ওয়েল্ডিং বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: অক্সিজেনের উপস্থিতিতে অ্যাসিটিলিন গ্যাস পুড়ে কার্বন ডাই অক্সাইড, জলীয় বাষ্প এবং প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: কারখানার ভারী যন্ত্রপাতি মেরামত, জাহাজ নির্মাণ এবং রেললাইন জোড়া লাগানোর কাজে এই শিখা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোটরগাড়ির গ্যারেজে ভাঙা চ্যাসিস বা ভারী লোহার অংশ মেরামতের সময় এই শিখা ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি নিখুঁতভাবে লোহাকে গলিয়ে দুটি টুকরাকে স্থায়ীভাবে একসাথে যুক্ত করতে পারে। উদাহরণ ২: জাহাজ ভাঙার ইয়ার্ডে বড় বড় লোহার কাঠামো কেটে টুকরা করার কাজে এই শিখার ব্যবহার দেখা যায়। ব্যাখ্যা: উচ্চ তাপমাত্রার কারণে এটি পুরু লোহার প্লেট দ্রুত গলিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সি-হাইড্রোজেন শিখা — এটি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের মিশ্রণে তৈরি হয় এবং এর তাপমাত্রা তুলনামূলক কম হওয়ায় ভারী লোহা গলানোর জন্য এটি পর্যাপ্ত নয়। B) অক্সি-নাইট্রোজেন শিখা — নাইট্রোজেন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে কাজ করায় এটি কাঙ্ক্ষিত উচ্চ তাপমাত্রা উৎপন্ন করতে পারে না। C) অক্সি-অ্যামোনিয়া শিখা — অ্যামোনিয়ার দহন প্রক্রিয়া লোহা গলানোর মতো উচ্চ তাপ উৎপন্ন করতে পারে না। D) অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখা — এটি সঠিক কারণ এটি সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ও তীব্র শিখা তৈরি করে লোহা গলাতে সক্ষম। ৫ মনে রাখার টিপস: - লোহা জোড়া লাগানোর জন্য অ্যাসিটিলিন গ্যাসের সাথে অক্সিজেন মিশিয়ে উচ্চ তাপ তৈরি করা হয়। - এসিটিলিন শব্দের সাথে কাটিং বা ওয়েল্ডিং শব্দটি মনে রাখলে উত্তর বের করা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অক্সি-অ্যাসিটিলিন শিখার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় তিন হাজার দুইশত ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে। - এই প্রক্রিয়ায় অ্যাসিটিলিন গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত হলো সি টু এইচ টু।
4. ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলভার ব্রোমাইডের ১. কেন সঠিক: ফটোগ্রাফিক প্লেট বা ফিল্মের মূল কাজ হলো আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা দেখানো। সিলভার ব্রোমাইড আলো পড়লে রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে ছবি তোলার উপযোগী দৃশ্যমান অবয়ব তৈরি করতে পারে। সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণার মাধ্যমে আলোক সংবেদনশীল যৌগের ভূমিকা পরীক্ষাগারে এবং বাস্তব জীবনে সংরক্ষিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সিলভার ব্রোমাইড একটি আলোক সংবেদনশীল লবণ যা আলোর সংস্পর্শে এলে রূপান্তর ঘটে। রাসায়নিক সংকেত: এজিবিআর। কার্যপ্রণালি: ক্যামেরার লেন্সের মাধ্যমে আলো এসে যখন এই যৌগের ওপর পড়ে, তখন সিলভার আয়ন বিজারিত হয়ে ধাতব সিলভারে পরিণত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: ঐতিহ্যবাহী ক্যামেরা ফিল্ম এবং পুরোনো দিনের ফটোগ্রাফিক প্লেট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যানালগ ক্যামেরা ফিল্ম। ব্যাখ্যা: ফিল্মে সিলভার ব্রোমাইডের আস্তরণ থাকে যা ফ্ল্যাশ লাইট বা সূর্যালোকের সংস্পর্শে ছবি ধারণ করে। উদাহরণ ২: এক্স-রে প্লেট তৈরির প্রাথমিক প্রযুক্তি। ব্যাখ্যা: চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত কিছু পুরোনো এক্স-রে প্লেটেও আলো বা বিকিরণ সংবেদনশীল উপাদান ব্যবহৃত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলভার ব্রোমাইডের — এটি সঠিক কারণ এটি আলোক সংবেদনশীল এবং ফটোগ্রাফিক প্লেটের মূল আস্তরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) সিলভার ক্লোরাইডের — এটি আলোক সংবেদনশীল হলেও সিলভার ব্রোমাইডের মতো উচ্চ সংবেদনশীলতা প্রদর্শন করে না তাই ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। C) সিলভার সালফেটের — এটি মূলত পানিতে দ্রবণীয়তা এবং অন্যান্য রাসায়নিক ব্যবহারের জন্য পরিচিত কিন্তু ফটোগ্রাফিক প্লেটের আস্তরণ তৈরিতে এটি উপযোগী নয়। D) সিলভার নাইট্রেটের — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক যৌগ এবং এটি দিয়ে সিলভার ব্রোমাইড তৈরি করা হয় তবে নিজে সরাসরি ফিল্মের আস্তরণ হিসেবে কাজ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ছবি তোলার সময় ব্রাইট আলো লাগে, তাই ব্রাইট থেকে মনে রাখবে সিলভার ব্রোমাইড। এভাবে সিলভার ব্রোমাইড শব্দটি দীর্ঘস্থায়ীভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রসায়নের ব্যবহারিক প্রয়োগ অংশে বারবার আসে। আলোক সংবেদনশীল হ্যালোজেন যৌগ হিসেবে সিলভার ব্রোমাইডের ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
6. সকল সপুষ্পক উদ্ভিদ হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বভোজী ১. কেন সঠিক: - সপুষ্পক উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে বলে তারা স্বভোজী। - এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্যালোক, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানির সাহায্যে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে সকল জীব ক্লোরোফিলের সাহায্যে অজৈব উপাদান থেকে জৈব খাদ্য প্রস্তুত করে তাদের স্বভোজী বা অটোট্রফ বলে। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের পাতায় উপস্থিত ক্লোরোপ্লাস্ট সূর্যালোকের শক্তি শোষণ করে এবং তা রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে খাদ্য তৈরি সম্পন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম গাছ ব্যাখ্যা: আম গাছ ফুল ফুটিয়ে বীজ উৎপাদন করে এবং পাতার সাহায্যে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে, তাই এটি স্বভোজী। উদাহরণ ২: ধান গাছ ব্যাখ্যা: ধান গাছ একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে জীবন ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরজীবী — পরজীবী উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না এবং খাদ্যের জন্য অন্য জীবের ওপর নির্ভর করে। B) স্বভোজী — এটি সঠিক উত্তর কারণ সপুষ্পক উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে সক্ষম। C) পরভোজী — পরভোজী জীবরা খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্য জীবের ওপর নির্ভরশীল। D) মিথোজীবী — মিথোজীবী জীবরা পরস্পরের সাহায্যে পুষ্টি গ্রহণ করে, যা সব সপুষ্পক উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সপুষ্পক উদ্ভিদের ফুল থাকে এবং ফুল মানেই ফল ও বীজ। নিজের খাবার নিজে তৈরি করতে পারে বলে এরা স্বভোজী বা অটোট্রফ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজ উদ্ভিদ মাত্রই স্বভোজী কারণ তাদের কোষে ক্লোরোফিল থাকে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে।
7. কোনটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডিপথেরিয়া ১. কেন সঠিক: - ডিপথেরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রামক রোগ যা করিনব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়। - এই ব্যাকটেরিয়া মানবদেহের শ্বাসনালীতে আক্রমণ করে এবং বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে ঝিল্লি সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রোগ, জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অংশ হিসেবে ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী অণুজীব যা কোষে নিউক্লিয়াস বিহীন। - কার্যপ্রণালি: ডিপথেরিয়া ব্যাকটেরিয়া সাধারণত হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এবং গলায় সংক্রমণ ঘটায়। - কারণ ও ফলাফল: এর ফলে গলা ব্যথা, জ্বর এবং শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যক্ষ্মা বা টিবি হলো আরেকটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে ফুসফুসে আক্রমণ করে। ব্যাখ্যা: এটি থেকে বোঝা যায় যে নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়া মানবদেহের নির্দিষ্ট অঙ্গের কোষ ও টিস্যুকে আক্রমণ করে রোগ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: ধনুষ্টংকার বা টিটানাস ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটানি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায় যা ক্ষতস্থানের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোলিও — পোলিও একটি ভাইরোজেনিত রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে পক্ষাঘাত তৈরি করে। B) হাম — হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাল রোগ যা মিজিলস ভাইরাস দ্বারা ছড়ায় এবং চামড়ায় লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। C) জলাতঙ্ক — জলাতঙ্ক বা রেবিস একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক রোগ যা সংক্রামিত প্রাণীর লালার মাধ্যমে ছড়ায়। D) ডিপথেরিয়া — এটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো ডিপথেরিয়া, যক্ষ্মা, টাইফয়েড, কলেরা এবং টিটানাস হলো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ। - ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে ভাইরাস সম্পূর্ণ কোষী নয় কিন্তু ব্যাকটেরিয়া পূর্ণাঙ্গ এককোষী জীব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরোজাতীয় রোগ আলাদা করতে বলা হয়। - এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা জানতে পারে কোন রোগটি কোন জীবাণুর কারণে হয়, যা রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত জরুরি।
8. সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মূলে ১. কেন সঠিক: - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য সূর্যালোকে উদ্ভিদের সবুজ অংশে ক্লোরোফিল থাকা আবশ্যক। উদ্ভিদের মূল সাধারণত মাটির নিচে অন্ধকারে থাকে বিধায় সেখানে ক্লোরোফিল বা সবুজ বর্ণকণিকা তৈরি হয় না। - মূলের প্রধান কাজ হলো মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করা এবং উদ্ভিদকে মাটির সাথে শক্তভাবে আটকে রাখা, খাদ্য তৈরি করা নয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানির সাহায্যে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে এবং অক্সিজেন নির্গত করে। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের কোষে থাকা ক্লোরোপ্লাস্ট নামক প্লাস্টিডের মধ্যে ক্লোরোফিল সূর্যালোকের ফোটন কণা শোষণ করে এই রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: উদ্ভিদের সবুজ পাতা এবং কচি কান্ডে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এরা খাদ্য উৎপাদনে সক্ষম, যা সমগ্র জীবজগতের পুষ্টির মূল উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম গাছের পাতা ও সবুজ কান্ড। ব্যাখ্যা: এগুলোতে পর্যাপ্ত ক্লোরোফিল ও সূর্যালোক পাওয়ার সুযোগ থাকায় এরা নিয়মিত সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রiyায় শর্করা প্রস্তুত করে। উদাহরণ ২: মূল জাতীয় উদ্ভিদ যেমন মূলা বা গাজর। ব্যাখ্যা: এদের মূল মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত হয় বটে, কিন্তু তা সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নয়, বরং পাতার তৈরি খাদ্য পরিবহনের মাধ্যমে সঞ্চিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাতায় — এটি ভুল উত্তর নয় কারণ পাতাই উদ্ভিদের প্রধান সালোকসংশ্লেষণ অঙ্গ এবং এখানে প্রচুর ক্লোরোফিল থাকে। B) শাখা-প্রশাকায় — এটি ভুল উত্তর নয় কারণ কচি ও সবুজ শাখা-প্রশাখায় ক্লোরোফিল থাকায় সেখানেও সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। C) সবুজ কান্ডে — এটি ভুল উত্তর নয় কারণ অনেক উদ্ভিদের সবুজ কান্ড সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণ করে। D) মূলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল সাধারণত ক্লোরোফিলহীন ও অন্ধকারে থাকে, তাই সেখানে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবুজ মানেই ক্লোরোফিল এবং ক্লোরোফিল মানেই সালোকসংশ্লেষণ। মূল যেহেতু সাধারণত সবুজ হয় না এবং মাটির নিচে থাকে, তাই মূলে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সালোকসংশ্লেষণ উদ্ভিদের একমাত্র সবুজ প্লাস্টিডযুক্ত কোষে ঘটে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই উদ্ভিদ অঙ্গের কাজ এবং সালোকসংশ্লেষণের শর্ত সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

মোট প্রশ্ন (7)

7. পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম খাল কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্র্যান্ড খাল ১. কেন সঠিক: - গ্র্যান্ড খাল হলো বিশ্বের দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম কৃত্রিম জলপথ বা খাল। - এটি চীনের প্রাচীন প্রকৌশলবিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন যা উত্তর ও দক্ষিণ চীনকে যুক্ত করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: চীন, পূর্ব এশিয়া। - বৈশিষ্ট্য: এটি মানুষের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন ও দীর্ঘতম জলপথ। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১,৭৯৪ কিলোমিটার এবং এটি বেইজিংকে হাংচৌ শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: চীনের ইয়াংসি নদী এবং পীত নদী। ব্যাখ্যা: গ্র্যান্ড খালটি এই দুটি প্রধান প্রাকৃতিক নদীকে সংযুক্ত করেছে যা বাণিজ্যে বিপ্লব ঘটিয়েছিল। উদাহরণ ২: প্রাচীন বাণিজ্য পথ। ব্যাখ্যা: এটি মূলত শস্য ও পণ্য পরিবহনের জন্য উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুয়েজ খাল — এটি কৃত্রিম খাল হলেও বিশ্বের দীর্ঘতম নয়, এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে। B) পানামা খাল — এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে কিন্তু গ্র্যান্ড খালের চেয়ে অনেক ছোট। C) বাল্টিক খাল — এটি বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগরকে সংযোগকারী একটি অপেক্ষাকৃত ছোট কৃত্রিম খাল। D) গ্র্যান্ড খাল — এটি বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম খাল এবং সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্র্যান্ড মানে বড়, তাই বৃহত্তম খাল বললে গ্র্যান্ড খাল মনে রাখবে যা চীনে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের দীর্ঘতম কৃত্রিম জলপথ কোনটি এবং এটি কোন দেশে অবস্থিত, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।