a স্তব্ধ
b ঠান্ডা
c গম্ভীর
d রাশভারী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গম্ভীর ১. কেন সঠিক: - ‘চপল’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো চঞ্চল, অস্থির বা অপরিণত মনস্ক। এর ঠিক বিপরীত বা প্রতিকূল ভাব প্রকাশ করে ‘গম্ভীর’ শব্দটি, যার অর্থ শান্ত, স্থির ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ভাবার্থ ও প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বিপরীত শব্দ নির্ধারিত হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় পদের রূপ ঠিক রাখতে হয়। ‘চপল’ একটি বিশেষণ পদ এবং এর বিপরীত শব্দ ‘গম্ভীর’ ও একটি বিশেষণ পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চপলতা ও গম্ভীরতা ব্যাখ্যা: ‘চপলতা’ বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ ‘গাম্ভীর্য’, যা মূল পদের ব্যাকরণগত রূপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: চপল বালক ও গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ ব্যাখ্যা: বাক্যে ব্যবহারের মাধ্যমে শব্দের বিপরীতার্থক রূপ সহজে বোঝা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্তব্ধ — ‘স্তব্ধ’ শব্দের অর্থ নীরব বা চলা বন্ধ থাকা, যা ‘চপল’ শব্দের বিপরীত হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) ঠান্ডা — ‘ঠান্ডা’ শব্দের অর্থ শীতল, যা উষ্ণ শব্দের বিপরীত কিন্তু চপলের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। D) রাশভারী — ‘রাশভারী’ শব্দের অর্থ গম্ভীর স্বভাবের হলেও এটি মূলত মানুষের মেজাজ বা চালচলন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে নিখুঁত বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চপল মানে যে বেশি নড়াচড়া করে বা অস্থির, তার উল্টো হলো যে শান্ত বা গম্ভীর থাকে। এভাবে স্বভাবের তুলনা করে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করতে হবে। পরীক্ষার হলে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিল আছে কি না তা যাচাই করে উত্তর দিতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0