প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২ (ডালিয়া সেট ১)।

পদের নাম: প্রধান শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

2. ‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থটির কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি শামসুর রাহমান রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ। - কবি এই কাব্যগ্রন্থে বাংলাদেশের মানুষের আশা, আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন এবং মুক্তি সংগ্রামের সুন্দর শৈল্পিক রূপায়ণ ঘটিয়েছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে বিকশিত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। তিনি নাগরিক জীবন, দেশপ্রেম এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের কবিতা লিখে খ্যাতি অর্জন করেছেন। - তাঁর কবিতায় স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়, স্বৈরাচারবিরোধিতা এবং সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম গভীর শিল্পরূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত ও সাড়া জাগানো কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। উদাহরণ ২: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত শামসুর রাহমানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ঐতিহাসিক একটি কাব্যগ্রন্থ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. আশরাফ সিদ্দিকী — এই সাহিত্যিক প্রধানত লোকসাহিত্য গবেষক ও ছড়াকার হিসেবে পরিচিত, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে তক্ষক ও বিবর্ণ ডায়েরি উল্লেখযোগ্য। B) সৈয়দ আলী আহসান — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, গবেষক ও কবি, তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে এক দিনে দৃশ্যহীন এবং সাজঘর। D) সানাউল হক — ইনি আধুনিক ধারার একজন বিশিষ্ট কবি ও সরকারি কর্মকর্তা, তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো দিবা অন্তহীন এবং নদী ও মানুষের কবিতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বপ্ন এবং দেশপ্রেমের অনুভূতিকে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে, শামসুর রাহমান ছিলেন আমাদের স্বপ্নের স্বাধীনতা ও প্রতিবাদের কবি। - তাঁর নামের সঙ্গে বাংলাদেশ ও স্বপ্ন শব্দটি যুক্ত করে সহজেই কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা গ্রন্থগুলো বারবার আসে। - লেখকদের সাহিত্যকর্ম পড়ার সময় তাদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এবং প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
7. ‘চপল’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গম্ভীর ১. কেন সঠিক: - ‘চপল’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো চঞ্চল, অস্থির বা অপরিণত মনস্ক। এর ঠিক বিপরীত বা প্রতিকূল ভাব প্রকাশ করে ‘গম্ভীর’ শব্দটি, যার অর্থ শান্ত, স্থির ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ভাবার্থ ও প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বিপরীত শব্দ নির্ধারিত হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় পদের রূপ ঠিক রাখতে হয়। ‘চপল’ একটি বিশেষণ পদ এবং এর বিপরীত শব্দ ‘গম্ভীর’ ও একটি বিশেষণ পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চপলতা ও গম্ভীরতা ব্যাখ্যা: ‘চপলতা’ বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ ‘গাম্ভীর্য’, যা মূল পদের ব্যাকরণগত রূপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: চপল বালক ও গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ ব্যাখ্যা: বাক্যে ব্যবহারের মাধ্যমে শব্দের বিপরীতার্থক রূপ সহজে বোঝা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্তব্ধ — ‘স্তব্ধ’ শব্দের অর্থ নীরব বা চলা বন্ধ থাকা, যা ‘চপল’ শব্দের বিপরীত হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) ঠান্ডা — ‘ঠান্ডা’ শব্দের অর্থ শীতল, যা উষ্ণ শব্দের বিপরীত কিন্তু চপলের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। D) রাশভারী — ‘রাশভারী’ শব্দের অর্থ গম্ভীর স্বভাবের হলেও এটি মূলত মানুষের মেজাজ বা চালচলন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে নিখুঁত বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চপল মানে যে বেশি নড়াচড়া করে বা অস্থির, তার উল্টো হলো যে শান্ত বা গম্ভীর থাকে। এভাবে স্বভাবের তুলনা করে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করতে হবে। পরীক্ষার হলে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিল আছে কি না তা যাচাই করে উত্তর দিতে হবে।
9. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিভীষিকা ১. কেন সঠিক: - বিভীষিকা শব্দের অর্থ ভয়ংকর দৃশ্য, আতঙ্ক বা ভয়াবহ পরিস্থিতি। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ এবং হ্রস্ব ই কার ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ও ঈ-কারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়। - বিভীষিকা একটি তৎসম শব্দ এবং এতে প্রত্যয়গত কারণে হ্রস্ব ই কার ও মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমীচীন ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথমটি দীর্ঘ ঈ কার এবং দ্বিতীয়টি হ্রস্ব ই কার হয়। উদাহরণ ২: মরীচিকা ব্যাখ্যা: মরুভূমির তপ্ত বালুকাবেলায় আলোর প্রতিসরণের ফলে সৃষ্ট মায়াকে মরীচিকা বলা হয় এবং এখানেও মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভীষীকা — এই অপশনে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। B) বিভীষিকা — এটি বাংলা একাডেমি অনুমোদিত সম্পূর্ণ সঠিক বানান। C) বীভিষিকা — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। D) বিভীযীকা — এই অপশনে য-ফলা যুক্ত করার কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিভীষিকা শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর ভেতরে থাকা ভী অংশটি দীর্ঘ ঈ হলেও শেষের দিককার শিকা অংশে হ্রস্ব ই কার হয়। - বানানটি নির্ভুল রাখতে শব্দের শেষের অংশটি হ্রস্ব ই কার দিয়ে শেষ করার অভ্যাস করো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান বা ই-কার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - বাংলা বানান শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের মূল রূপ এবং প্রমিত নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করা জরুরি।
11. ‘কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 2 days ago | Updated 44 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মে শূন্য ১. কেন সঠিক: বাক্যে ক্রিয়ার দ্বারা যা কর্ম সম্পন্ন হয় বা যা ত্যাগ করা বোঝায়, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে নয়নের জল বা অশ্রু ত্যাগের মাধ্যমে কপোল বা গাল প্লাবিত হচ্ছে, তাই 'নয়নের জলে' পদটি কর্মকারক। এই পদে কোনো বিভক্তি চিহ্ন বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, আর কর্মকারকে কোনো বিভক্তি না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়। বাক্যটিতে ক্রিয়ার মূল কর্ম হলো জল, যা কপোলে ঝরে পড়ছে। বাক্যটিতে 'জল' শব্দটি স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সাথে কোনো প্রকাশ্য বিভক্তি চিহ্ন (যেমন কে, রে, এ, তে) যুক্ত হয়নি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর আসে ডাক্তারকে, যা কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল তুলছি। ব্যাখ্যা: কী তুলছি উত্তর আসে ফুল, যা কর্মকারক এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে ক্রিয়ার মূল সম্পাদনকারী বা কর্তা নয়নের জল নয়, তাই এটি কর্তা কারক নয়। B) করণে শূন্য — যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণকারক বলে, কিন্তু এখানে জল কোনো মাধ্যম বা যন্ত্র নয় বরং কর্ম। D) কর্মে ৭মী — সপ্তম বিভক্তির চিহ্ন হলো এ, তে, অন্তস্থ অ, যা এখানে যুক্ত নেই কারণ শব্দটি বিভক্তিহীন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি না থাকলে ধরে নেবে সেটি শূন্য বিভক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মকারক চেনার জন্য ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। উৎস বা ত্যাগের অর্থে কর্মকারক ব্যবহারের এই নিয়মটি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
12. ‘পরাজয়ে ডরে না বীর’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপাদানে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি হলো ‘পরাজয়ে’। বীর ব্যক্তি পরাজয়কে ভয় পান না বা পরাজয় থেকে দূরে থাকেন। - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে পরাজয় থেকে ভয়ের সৃষ্টি বা বিমুখতা বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ বোঝাতে শব্দের সঙ্গে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। ‘পরাজয়’ শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘পরাজয়ে’ রূপটি গঠিত হয়েছে। - ভয় পাওয়া, বিরত থাকা, রক্ষা পাওয়া কিংবা পালানোর ভাব প্রকাশ পেলে সাধারণত অপাদান কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলে তৈল হয়। ব্যাখ্যা: তিল থেকে তেল উৎপন্ন হয় বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: বাবাকে ডরাও। ব্যাখ্যা: বাবার প্রতি ভয় প্রকাশ পাওয়ায় এটি অপাদান কারকে ২য়া বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — করণ কারকে কোনো কিছু দ্বারা বা সাহায্যে বোঝায়, যা এখানে নেই। B) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারকে স্থান, কাল বা সময় বোঝায়, যা এখানে প্রকাশ পায়নি। C) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে তা নেই। D) অপাদানে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ভীত হওয়া বা বিমুখ থাকার ভাব প্রকাশিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভয়, মুক্তি, দূরত্ব, জাত বা বিরত থাকা বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক নির্বাচন করবে। - সপ্তমী বিভক্তির জন্য শব্দের শেষে এ, য় বা তে বিভক্তি আছে কি না তা মিলিয়ে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভয় ও বিচ্যুতি সংক্রান্ত বাক্যগুলো বারবার আসে। - একই নিয়মে ‘পাপে নিবর্ত্ত হও’ বাক্যে ‘পাপে’ শব্দটি অপাদানে ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
14. কোনটি নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়ের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যথা ধর্ম তথা জয় ১. কেন সঠিক: - যে অব্যয়গুলো জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়ে একটি বাক্যের অংশের সঙ্গে অন্য অংশের পারস্পরিক বা নিত্য সম্বন্ধ প্রকাশ করে, তাকে নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় বলে। - এখানে যথা এবং তথা শব্দ দুটি জোড়ায় বসে ধর্ম ও জয় এর মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় হলো সেই সমস্ত পদ, যা বাক্যে জোড়ায় জোড়ায় বসে অর্থের পূর্ণতা সাধনে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। - এই অব্যয়গুলো সাধারণত শর্ত, সময়, কারণ বা তুলনা বোঝাতে বাক্যের উভয় অংশে সংযুক্ত হয়ে ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যত গর্জে তত বর্ষে না ব্যাখ্যা: এখানে যত এবং তত জোড়ায় বসে নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়ের কাজ করেছে এবং একটি কার্যের সঙ্গে অন্য কার্যের পরিপূরকতা বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: যেমন কর্ম তেমন ফল ব্যাখ্যা: এখানে যেমন এবং তেমন শব্দ দুটি জোড়ায় ব্যবহৃত হয়ে কর্ম ও ফলের পারস্পরিক নিত্য সম্বন্ধ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ — এটি একটি প্রবাদ প্রবচন, যেখানে কোনো নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় জোড়ার ব্যবহার নেই। B) যথা ধর্ম তথা জয় — এটি সঠিক উত্তর। C) আবার যেতে হবে — এখানে আবার একটি সাধারণ পদ বা অব্যয়, যা কোনো নিত্য সম্বন্ধীয় জোড়া গঠন করেনি। D) হ্যাঁ আমি যাব — এখানে হ্যাঁ একটি সম্মতিকূচক বা ভাববাচক অব্যয়, যা এককভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় চেনার সহজ উপায় হলো জোড়া শব্দগুলো খেয়াল করা। - যথাতথা, যততুত, যেমনতেমন, যদিতু, যত্সামান্য এগুলো দেখলেই নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রবাদ বা জোড়া শব্দযুক্ত বাক্য দেখলে প্রথমে খেয়াল করবে সেখানে কোনো পারস্পরিক নির্ভরতা বা জোড়া অব্যয় আছে কি না।
15. ‘তাপসী’ নাটকটি কে রচনা করেছেন?
Created 2 days ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ১. কেন সঠিক: - ‘তাপসী’ নাটকটির রচিয়তা হলেন বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক ধারার নাটক, যা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাট্যশিল্পের অনন্য নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার, যিনি মূলত ঐতিহাসিক ও সামাজিক নাটক রচনার জন্য অমর হয়ে আছেন। - তার নাটকে দেশপ্রেম, রোমান্টিকতা এবং মানবতাবাদের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়, যা তৎকালীন বাঙালি সমাজকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘সাজাহান’ নাটক। ব্যাখ্যা: এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক নাটক, যা মুঘল আমলের ইতিহাস অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: ‘চন্দ্রগুপ্ত’ নাটক। ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র মগধের সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি মূলত ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত, কোনো নাটক রচনার জন্য তিনি প্রধানত বিখ্যাত নন। B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ‘তাপসী’ নাটকের রচয়িতা। C) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিশাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, ‘তাপসী’ নাটকটি তার রচিত নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী সাহিত্যিক এবং বিসর্জন, রাজা ও ডাকঘর এর মতো বিখ্যাত নাটকের রচয়িতা, ‘তাপসী’ নাটকের নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলো মনে রাখার সময় তার সামাজিক ও পৌরাণিক নাটকগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়তে পারো। - ‘তাপসী’ নামটি মাথায় রাখলে মনে রাখবে এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কম পরিচিত একটি নাট্যকর্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের কম পরিচিত নাটক বা কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। - তাই প্রধান লেখার পাশাপাশি লেখকদের অন্যান্য সাহিত্যকর্মের তালিকাও ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
21. He said, “How charming the sight is!” বাক্যের Indirect speech হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He exclaimed that the sight was very charming কেন সঠিক: - Exclamatory sentence-কে Indirect speech করার সময় the sight is charming অংশটি assertive হয়ে the sight was charming হয়। - How দ্বারা বিস্ময় প্রকাশ করায় reporting verb পরিবর্তিত হয়ে exclaimed হয় এবং adjective-এর তীব্রতা বোঝাতে very যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He exclaimed that the sight was very charming — এটি সঠিক উত্তর। B) He exclaimed that the sight was charming — এতে how-এর তীব্রতা বোঝাতে very শব্দটি বাদ পড়েছে। C) He exclaimed that the sight is charming — tense পরিবর্তিত হয়ে present tense রাখা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। D) He exclaimed that the sight was very charming — প্রদত্ত অপশনে একই উত্তর দুবার থাকায় এটিও সঠিক নিয়মে গঠিত। মনে রাখার টিপস: Exclamatory বাক্যে How বা What থাকলে Indirect করার সময় exclaimed ব্যবহার করতে হয় এবং tense পরিবর্তন করে adjective-এর আগে very বসাতে হয়।
23. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He cannot pronounce the word কেন সঠিক: - উচ্চারণ করা অর্থে pronounce verb-এর পর সরাসরি object বসে এবং এর মাঝে কোনো অতিরিক্ত preposition বসে না। - বাক্যের অর্থ হলো, সে শব্দটি উচ্চারণ করতে পারে না, যা ব্যাকরণগত ও আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He cannot pronounce the word — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটিই উত্তর। B) I saw his pulse — নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে saw ব্যবহার না করে feel ব্যবহার করতে হয়, তাই সঠিক বাক্য হতো I felt his pulse। C) Tell me where are you going? — এটি একটি indirect question, তাই subject-এর পরে verb বসবে, সঠিক গঠন হতো where you are going। D) Dog is a faithful animal — singular common noun-এর পূর্বে সাধারণত article বসাতে হয়, সঠিক রূপ হলো A dog is a faithful animal বা The dog is a faithful animal। মনে রাখার টিপস: নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে see না বলে feel বলতে হয় এবং indirect question-এ subject-এর আগে verb বসে না।
26. Antonym of the word ‘Fantasy’ is-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
27. Synonym of the word ‘Vertical’ is-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
30. ‘Your conduct admits _____ no excuse’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - Admit অবিকল পর of প্রিপজিশন যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর অবকাশ বা সুযোগ নেই অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে আপনার আচরণের কোনো ক্ষমা নেই বা ক্ষমার অবকাশ নেই বোঝাতে admits of সঠিক phrasing। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — Admit এর পর at বসে কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার বোঝাতে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। B) for — Admit এর পর for বসে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে গ্রহণ বা ভর্তির ক্ষেত্রে, যা এখানে সঠিক নয়। C) of — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিয়মানুযায়ী 'অবকাশ থাকা' অর্থ প্রকাশ করে। D)fromDate — Admit এর পর from সাধারণত প্রস্থান বা উৎস বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বেমানান। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ের সুযোগ বা অবকাশ নেই বোঝাতে Admit শব্দের পর সবসময় of প্রিপজিশন বসে।
33. ৯, ১১, ১৫, ২৩, ৩৯ ..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
Created 2 days ago | Updated 46 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৯, ১১, ১৫, ২৩, ৩৯ ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ হবে প্রথম ব্যবধান দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে দ্বিতীয় ব্যবধান অতএব, প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদের ব্যবধান = ১১ − ৯ = ২ দ্বিতীয় পদ থেকে তৃতীয় পদের ব্যবধান = ১৫ − ১১ = ৪ সুতরাং, তৃতীয় পদ থেকে চতুর্থ পদের ব্যবধান = ২৩ − ১৫ = ৮ চতুর্থ পদ থেকে পঞ্চম পদের ব্যবধান = ৩৯ − ২৩ = ১৬ উত্তর: ৩৯ + ৩২ = ৭১
35. ৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের ৫ গুণ। বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ। তাহলে পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ বছর, ১২ বছর প্রদত্ত তথ্য: ৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের ৫ গুণ বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ ধরি, বর্তমানে পুত্রের বয়স = ক বছর বর্তমানে পিতার বয়স = ৩ক বছর অতএব, ৫ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৫ বছর ৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৩ক − ৫ বছর সুতরাং, ৩ক − ৫ = ৫ × (ক − ৫) বা, ৩ক − ৫ = ৫ক − ২৫ উত্তর: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স যথাক্রমে ৩৬ বছর ও ১২ বছর
36. দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮:২৭। তাদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.১৭২৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৭ প্রদত্ত তথ্য: দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮:২৭ ধরি, প্রথম গোলকের ব্যাসার্ধ = r১ দ্বিতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = r২ অতএব, আয়তনের অনুপাত = (৪÷৩)×π×(r১ইউটিউব)^৩ ÷ (৪÷৩)×π×(r২ইউটিউব)^৩ = ৮÷২৭ ব্যাসার্ধের অনুপাত (r১÷r২) = ২÷৩ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (r১÷r২)^২ = (২÷৩)^২ = ৪÷৯ উত্তর: ০.১৭২৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৭
38. ক একটি কাজ ৫ দিনে এবং খ তা ১০ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে ১ দিনে এর কত অংশ করতে পারবে?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩/১০ প্রদত্ত তথ্য: ক কাজটি করতে পারে ৫ দিনে খ কাজটি করতে পারে ১০ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ অংশ ধরা হলো অতএব, ক ১ দিনে করে কাজের ১/৫ অংশ খ ১ দিনে করে কাজের ১/১০ অংশ সুতরাং, তারা একত্রে ১ দিনে করে (১/৫ + ১/১০) অংশ = ৩/১০ অংশ উত্তর: ৩/১০ অংশ
39. একটি বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ৬ হলে, বহুভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টি কত হবে?
Created 2 days ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আট সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ন = ৬ অতএব, অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টির সূত্র = (ন − ২) × দুই সমকোণ সুতরাং, (৬ − ২) × দুই সমকোণ = ৪ × দুই সমকোণ = আট সমকোণ উত্তর: আট সমকোণ
41. a + b = 5 এবং a - b = 3 হলে, ab এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
43. x - (1/x) = 2 হলে, x⁴ + (1/x⁴) = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ২ ধরি, প্রথমে বর্গের মান বের করতে হবে এরপর আবার বর্গ করতে হবে অতএব, x − (১ ÷ x) স্কয়ার = ২ স্কয়ার x স্কয়ার − ২ + (১ ÷ x স্কয়ার) = ৪ সুতরাং, x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) = ৪ + ২ = ৬ অতএব, আবার উভয়পক্ষকে বর্গ করে পাই x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) স্কয়ার = ৬ স্কয়ার সুতরাং, x টু্য দ্য পাওয়ার ফোর + ২ + (১ ÷ x টু্য দ্য পাওয়ার ফোর) = ৩৬ অতএব, x টু্য দ্য পাওয়ার ফোর + (১ ÷ x টু্য দ্য পাওয়ার ফোর) = ৩৬ − ২ উত্তর: ৩৪
44. একজন পুরুষ যে কাজ ১ দিনে করতে পারে ঐ কাজ ৩ জন স্ত্রীলোকের করতে ৩ দিন লাগে। একটি কাজ ১৫ জন পুরুষ ১ দিনে করতে পারে। ঐ কাজ একদিনে করতে কতজন স্ত্রীলোকের প্রয়োজন-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ৩ জন স্ত্রীলোকের ৩ দিনের কাজ ১৫ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ সম্পন্ন করার ক্ষমতা আছে ধরি, ১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ক অতএব, ৩ জন স্ত্রীলোকের ৩ দিনের কাজ = ১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ ১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ৯ জন স্ত্রীলোকের ১ দিনের কাজ সুতরাং, ১৫ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ১৫ × ৯ জন স্ত্রীলোকের ১ দিনের কাজ উত্তর: ১৩৫ জন স্ত্রীলোক (এখানে প্রশ্নানুসারে একদিনে করার জন্য সঠিক সমতা অনুযায়ী সঠিক উত্তর ৪৫ জন হবে)
46. প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর কোন স্থানে অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড়েই গড়ে উঠেছিল। - এটি মৌর্য, গুপ্ত ও সেন আমলের পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী ছিল এবং ঐতিহাসিক গ্রন্থে এর নাম পুণ্ড্রনগর বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরের ধ্বংসাবশেষ অবস্থিত। B) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত, যা প্রাচীন পুণ্ড্রনগর নয়। C) ময়নামতি — এটি কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন, যা প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অন্তর্গত। D) বিক্রমপুর — এটি মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন চন্দ্র ও সেন রাজবংশের রাজধানী এবং সাহিত্য সংস্কৃতির কেন্দ্র। মনে রাখার টিপস: পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার মহাস্থানগড়, যা বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন প্রাচীনতম নগরী।
49. তৈমুরলং ভারত আক্রমণ করেন-
Created 2 days ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৯৮ সালে কেন সঠিক: - তৈমুরলং ১৩৯৮ সালে ভারত আক্রমণ করেন এবং তৎকালীন দিল্লির সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ তুঘলককে পরাজিত করেন। - তার এই অভিযانের মূল উদ্দেশ্য ছিল দিল্লি দখল করা এবং বিপুল ধনসম্পদ লুটে নিজের রাজধানী সমরকন্দে নিয়ে যাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৯৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই তৈমুরলং ভারত আক্রমণ করে দিল্লি দখল করেছিলেন। B) ১৫৫৮ সালে — এটি মুঘল সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের সাল, তৈমুরলংয়ের আক্রমণের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ১৩৯৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর এবং অপশন এ ও সি একই হওয়ায় উভয়ই সঠিক হিসেবে গণ্য হবে। D) ১২৯৮ সালে — এই সালে সুলতান আলাউদ্দিন খলজির সময় মঙ্গোলরা ভারত আক্রমণ করেছিল, তৈমুরলং নন। মনে রাখার টিপস: তৈমুরলং ভারত আক্রমণ করেন ১৩৯৮ সালে, এভাবে মনে রাখুন যে তেরো শ আটানব্বই সালে দিল্লির সোনালী সম্পদ লুটের ঘটনা ঘটেছিল।
51. ‘লীগ অব নেশনস’ এর জন্ম -
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২০ সালে কেন সঠিক: - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি লীগ অব নেশনস আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। - ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই লীগ অব নেশনস আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছিল। B) ১৯২১ সালে — এই সালে সংগঠনটির কোনো প্রতিষ্ঠাতা কার্যক্রম বা জন্ম হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৯২২ সালে — এই সালে লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়। D) ১৯২৪ সালে — এই সালে সংগঠনটির জন্ম হয়নি, ফলে এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষের ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯২০ সালে লীগ অব নেশনস গঠিত হয়।
54. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপটি ডিজাইন বা পরিমার্জন করেছিলেন। - তাঁর নকশায় সবুজ মাঠের মাঝে লাল বৃত্তের ভেতরে মানচিত্রটি সংযোজিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে মানচিত্র বাদ দিয়ে বর্তমান পতাকায় রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসেম খান — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও জাতীয় পতাকার মূল ডিজাইনার নন, তবে তিনি পতাকা কমিটির সদস্য ছিলেন। B) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার মুক্ষ্য পুরুষ ও চিত্রশিল্পী, তবে তিনি জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। C) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। D) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত ডিজাইনার হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পতাকা হাতে পটুয়া কামরুল হাসান এগিয়ে যান, এই কথাটি মনে রাখলে পতাকার ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসানকে সহজেই মনে রাখা যায়।
57. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ৩৫ জন কেন সঠিক: - ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার বাঙালি সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে এই মামলা দায়ের করে। - মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য, যেখানে মোট আসামির সংখ্যা ছিল ৩৫ জন এবং প্রধান আসামি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৫ জন — এটি মামলার প্রকৃত আসামির সংখ্যা এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে এই মামলার মাধ্যমেই শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যদের অভিযুক্ত করা হয়। B) ৪৪ জন — এটি ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির সংখ্যা, যা বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এবং এই মামলার আসামিসংখ্যা নয়। C) ৫৪ জন — এটি যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভের পর গঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম দফার মন্ত্রীর সংখ্যা বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সংখ্যা। D) ২৪ জন — এটি পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের পূর্ব পাকিস্তানের আসনসংখ্যা বা অন্য কোনো প্রশাসনিক সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: মামলাটি স্মরণ রাখতে আগরতলা শব্দের প্রথম অংশ আগর এবং ৩৫ সংখ্যাটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে এখানে আসামি ছিলেন ৩৫ জন।
58. ইন্টারপোল সংস্থার সদর দপ্তর কোথায়?
Created 2 days ago | Updated 16 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিওঁ কেন সঠিক: - ইন্টারপোল হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা যার বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে অবস্থিত। - অপরাধ দমনে বিশ্বব্যাপী পুলিশের সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য এই শহর থেকেই সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দি নেদারল্যান্ডস — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত হলেও ইন্টারপোলের সদর দপ্তর এখানে নয়। B) রাশিয়া — রাশিয়া এই সংস্থার সদস্য দেশ হলেও এর সদর দপ্তর মস্কো বা রাশিয়ার অন্য কোনো শহরে অবস্থিত নয়। C) লিওঁ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এখানেই ইন্টারপোলের মূল কার্যালয় অবস্থিত। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী হলেও ইন্টারপোলের সদর দপ্তর প্যারিসে নয়, বরং লিওঁ শহরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইন্টারপোল বা আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার সদর দপ্তর ফ্রান্সের 'লিওঁ' শহরে অবস্থিত, যেখানে লা দিয়ে শুরু হয়।
59. ‘রয়টার্স’ কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
Created 2 days ago | Updated 43 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত একটি বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা। - এটি ১৮৫১ সালে পল জুলিয়াস রয়টার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং রয়টার্স সংবাদ সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের দেশ এবং ফ্রান্সের প্রধান সংবাদ সংস্থার নাম এএফপি (AFP)। C) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের লন্ডনে রয়টার্স সংবাদ সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি উত্তর আমেরিকার দেশ এবং এখানকার প্রধান সংবাদ সংস্থা হলো অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)। মনে রাখার টিপস: রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা, যা লন্ডনে অবস্থিত।
62. মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেন-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউটন ১. কেন সঠিক: স্যার আইজ্যাক নিউটন ১৬৮৭ সালে তার বিখ্যাত প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা গ্রন্থে মহাকর্ষ সূত্র প্রকাশ করেন। তিনি দেখান যে মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে এবং আপেল পড়ার ঘটনার মাধ্যমে তিনি এই শক্তি বা বলের ধারণা দেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মহাকর্ষ হলো মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বল। সূত্র বা তত্ত্ব: নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী, বল বস্তুর ভরের সমানুপাতিক এবং দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। বাস্তব প্রয়োগ: এই বলের কারণেই পৃথিবী আমাদের নিজের দিকে টেনে রাখে এবং আমরা মাটিতে হেঁটে বেড়াতে পারি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছের পাকা ফল বা আপেল বোঁটা আলগা হয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে পৃথিবী বস্তুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে। উদাহরণ ২: সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে বেড়ানো। ব্যাখ্যা: সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যকার মহাকর্ষ বলের কারণেই পৃথিবী মহাশূন্যে ছিটকে যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যালিলিও — গ্যালিলিও দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার এবং মুক্তভাবে পতনশীল বস্তুর গতিসূত্র প্রদান করেন। তবে তিনি মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেননি। B) নিউটন — নিউটন মহাকর্ষ সূত্র এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেন। তাই এটি সঠিক অপশন। C) আইনস্টাইন — আইনস্টাইন ১৯১৫ সালে আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব প্রদান করেন। এটি মহাকর্ষকে স্থান-কালের বক্রতা হিসেবে ব্যাখ্যা করে। D) মার্কনী — গুলিয়েলমো মার্কনী বেতার তরঙ্গ বা রেডিও যোগাযোগের সফল উদ্ভাবক। তার সঙ্গে মহাকর্ষের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: আপেল গাছ থেকে মাটিতে পড়ার বিখ্যাত গল্পটি মনে রাখলেই নিউটনের নাম মাথায় আসবে। মহাকর্ষ ও নিউটন নাম দুটি বিজ্ঞানে সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউটন তার গতিসূত্র এবং মহাকর্ষ সূত্রের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রিন্সিপিয়া গ্রন্থটি কার লেখা।
64. কোন খনিজের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়?
Created 2 days ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়োডিন ১. কেন সঠিক: শরীরে আয়োডিনের ঘাটতি হলে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় এবং গলগণ্ড রোগ দেখা দেয়। আয়োডিনের অভাবে হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে যা এই রোগ সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ হলো থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করা যার জন্য আয়োডিন অপরিহার্য। কার্যপ্রণালি: পর্যাপ্ত আয়োডিনের অভাবে গ্রন্থি অতিরিক্ত কাজ করে আকারে বড় হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের খাবারে আয়োডিনের অভাব থাকায় গলগণ্ড বেশি হয়। ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক খাবার থেকে দূরে থাকায় এসব এলাকার মানুষ আয়োডিনের ঘাটতিতে ভোগে। উদাহরণ ২: আয়োডিনযুক্ত লবণ নিয়মিত খাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি দেহে দৈনিক আয়োডিনের চাহিদা পূরণ করে গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ - লৌহের অভাবে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগ হয়। এটি হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে। B) আয়োডিন - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। শরীরে এই খনিজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। C) ফসফরাস - ফসফরাসের অভাবে হাড় ও দাঁত দুর্বল হয়ে যায়। এটি শরীরের শক্তি উৎপাদনেও অংশ নেয়। D) ক্যালসিয়াম - ক্যালসিয়ামের অভাবে রিকেটস ও হাড়ের ক্ষয় রোগ হয়। এটি পেশি সংকোচন ও স্নায়ু সঞ্চালনে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: গ গ গলগণ্ড আ তে আয়োডিন মনে রাখবে। থাইরয়েড গ্রন্থির সঙ্গে আয়োডিনের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গলগণ্ড রোগকে হাইপোথাইরয়েডিজমের একটি লক্ষণ হিসেবেও গণ্য করা হয়। ভবিষ্যতে পরীক্ষায় থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদনে কোন খনিজ লাগে তা আসতে পারে।
66. আমাদের দেশে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির প্রায় গড় ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন-
Created 2 days ago | Updated 46 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫০০ ক্যালরি ১. কেন সঠিক: - একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম এবং শারীরিক শক্তি বজায় রাখার জন্য প্রায় ২৫০০ কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। - এটি মানুষের বেসাল মেটাবলিক রেট এবং শারীরিক পরিশ্রমের সম্মিলিত শক্তির চাহিদা নির্দেশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: খাদ্য শক্তির একক হলো ক্যালরি, যা মানবদেহে বিপাকীয় কার্য পরিচালনা ও তাপ উৎপাদনে খরচ হয়। - কার্যপ্রণালি: খাদ্য গ্রহণের পর পরিপাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা, আমিষ ও চর্বি ভেঙে এটি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: বেশি পরিশ্রমী মানুষের ক্ষেত্রে এই শক্তির চাহিদা আরও বেশি হতে পারে এবং অলস জীবনে কম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন নির্মাণ শ্রমিক যিনি সারাদিন ভারী কাজ করেন। ব্যাখ্যা: তার শারীরিক পরিশ্রম বেশি হওয়ায় স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে বেশি ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। উদাহরণ ২: একজন অফিস কর্মী যিনি সারাদিন চেয়ারে বসে কাজ করেন। ব্যাখ্যা: তার শারীরিক নড়াচড়া কম থাকায় শক্তির চাহিদা কিছুটা কম থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫০০ ক্যালরি — এটি পূর্ণবয়স্ক মানুষের গড় দৈনিক শক্তির চাহিদার মান হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। B) ২০০০ ক্যালরি — এটি সাধারণত কম শারীরিক পরিশ্রমী নারী বা হালকা কাজের জন্য প্রযোজ্য, গড় পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য নয়। C) ১৫০০ ক্যালরি — এটি সাধারণত উপবাসের সময় বা কঠোর ওজন কমানোর ডায়েটে ন্যূনতম শক্তির চাহিদা নির্দেশ করে। D) ১০০০ ক্যালরি — এটি মানুষের বেঁচে থাকার ন্যূনতম বেসাল মেটাবলিক চাহিদার চেয়েও কম এবং অপুষ্টির লক্ষণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনন্দিন কাজের জ্বালানি হলো খাবার, যার গড় মান প্রায় আড়াই হাজার বা ২৫০০ ক্যালরি। - সংখ্যাটি মনে রাখতে ২৫ এবং দুটি শূন্যের কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - খাদ্য ও পুষ্টি অধ্যায়ের জন্য এই মানটি বিসিএস পরীক্ষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। - এখান থেকে বিএমআর বা ক্যালরি ঘাটতি সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
67. ফনোগ্রাফ কে আবিষ্কার করেন?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এডিসন ১. কেন সঠিক: - থমাস আলভা এডিসন ১৮৭৭ সালে ফনোগ্রাফ যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন, যা শব্দ রেকর্ড ও পুনরুৎপাদন করতে পারত। - এটি মানব ইতিহাসে প্রথম এমন একটি প্রযুক্তি ছিল, যার মাধ্যমে মানুষের কণ্ঠস্বর বা যেকোনো শব্দ সংরক্ষণ করে তা পরবর্তীতে শোনানো সম্ভব হয়েছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফনোগ্রাফ হলো এমন একটি যান্ত্রিক ডিভাইস, যা শব্দ তরঙ্গকে গ্রুভ বা খাঁজ আকারে কোনো মাধ্যমে ধারণ করে এবং পরবর্তীতে সেই খাঁজ থেকে আবার শব্দ তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: শব্দ তরঙ্গ একটি ডায়াফ্রামকে কাঁপায়, যার সাথে যুক্ত থাকা একটি সূক্ষ্ম সুই ঘূর্ণায়মান সিলিন্ডারের ওপর মোমের স্তরে খাঁজ কাটে। পরবর্তীতে ঠিক উল্টো প্রক্রিয়ায় ওই খাঁজের ওপর দিয়ে সুই চালিয়ে মূল শব্দ পুনরুৎপাদন করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক অডিও রেকর্ডিং, গ্রামোফোন রেকর্ড এবং আজকের ডিজিটাল মিউজিক প্রযুক্তির প্রাথমিক ভিত্তি হলো এই ফনোগ্রাফ আবিষ্কার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোমের সিলিন্ডারে মানুষের কথা রেকর্ড করা। ব্যাখ্যা: এডিসন তার নিজের গাওয়া মেরি হ্যাড অ্যা লিটল ল্যাম্ব ছড়াটি ফনোগ্রাফে রেকর্ড করে সফলভাবে শুনিয়েছিলেন। উদাহরণ ২: গ্রামোফোন রেকর্ড বা ভিনাইল ডিস্ক। ব্যাখ্যা: ফনোগ্রাফের মূল প্রযুক্তি উন্নত করে পরবর্তীতে গান শোনার জন্য গোল ডিস্ক বা গ্রামোফোন রেকর্ড তৈরি করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কনী — এটি ভুল অপশন কারণ গুলিয়েলমো মার্কনী বেতার বা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে যোগাযোগের মাধ্যম বা রেডিও আবিষ্কার করেছিলেন। B) ফ্যারাডে — এটি ভুল অপশন কারণ মাইকেল ফ্যারাডে তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ এবং বৈদ্যুতিক জেনারেটর আবিষ্কার করেছিলেন। C) রন্টজেন — এটি ভুল অপশন কারণ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রে বা এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেছিলেন, যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছিল। D) এডিসন — এটি সঠিক অপশন কারণ থমাস আলভা এডিসনই প্রথম সফলভাবে ফনোগ্রাফ যন্ত্রটি আবিষ্কার করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - এডিসনের নাম মনে রাখতে পারো তার সবচেয়ে বিখ্যাত আবিষ্কার বৈদ্যুতিক বাতি এবং ফনোগ্রাফ দিয়ে। - শব্দ রেকর্ড করার প্রথম ধাপ ফনোগ্রাফ আর এর আবিষ্কারক এডিসন, দুটোই স্বরবর্ণ অ দিয়ে শুরু হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও আবিষ্কারকদের নাম প্রায়ই আসে। - টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ ছাড়াও বৈদ্যুতিক বাল্ব ও কিনেটস্কোপ বা চলচ্চিত্র উৎপাদনের প্রাথমিক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছিলেন।
78. পৃথিবীতে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর-
Created 2 days ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আটলান্টিক মহাসাগর ১. কেন সঠিক: - আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর মোট জলভাগের প্রায় ২০% অংশ জুড়ে অবস্থান করে এবং এর আয়তন প্রায় আট কোটি ষাট লক্ষ বর্গকিলোমিটার। - এটি আমেরিকা মহাদেশকে ইউরোপ ও আফ্রিকা থেকে আলাদা করেছে এবং এর এস আকৃতির তলদেশ ও মধ্য-আটলান্টিক শৈলশিরা এটিকে অনন্য বৈশিষ্ট্য দান করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পূর্বে এবং ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিমে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক রুট এবং এর উপকূলীয় অঞ্চলে বিশ্বের প্রধান প্রধান বন্দর গড়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: টাইটানিক জাহাজের দুর্ঘটনা ব্যাখ্যা: ১৯১২ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে আইসবারগের সাথে ধাক্কা খেয়ে টাইটানিক জাহাজ ডুবে যায়, যা এই মহাসাগরের প্রতিকূল আবহাওয়া ও হিমশৈলের উপস্থিতি প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল ব্যাখ্যা: আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত এই রহস্যময় এলাকায় বেশ কিছু জাহাজ ও বিমান রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছে বলে প্রচলিত আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ মহাসাগর — এটি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশকে ঘিরে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মহাসাগর। B) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের পরেই পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর হিসেবে স্বীকৃত। C) ভারত মহাসাগর — এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর নামকরণ করা হয়েছে একমাত্র দেশের নামানুসারে। D) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তরপশ্চিম অংশ এবং এটি কোনো মহাসাগর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহাসাগরগুলোর আয়তন অনুসারে বড় থেকে ছোট ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো প্রশান্ত, আটলান্টিক, ভারত, দক্ষিণ ও আর্কটিক। - এর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর বৃহত্তম এবং আটলান্টিক মহাসাগর দ্বিতীয় বৃহত্তম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাসাগরগুলোর আয়তন ও অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে কোন মহাসাগর এস আকৃতির অথবা কোন মহাসাগর সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

1. ‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থটির কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি শামসুর রাহমান রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ। - কবি এই কাব্যগ্রন্থে বাংলাদেশের মানুষের আশা, আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন এবং মুক্তি সংগ্রামের সুন্দর শৈল্পিক রূপায়ণ ঘটিয়েছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে বিকশিত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। তিনি নাগরিক জীবন, দেশপ্রেম এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের কবিতা লিখে খ্যাতি অর্জন করেছেন। - তাঁর কবিতায় স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়, স্বৈরাচারবিরোধিতা এবং সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম গভীর শিল্পরূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত ও সাড়া জাগানো কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। উদাহরণ ২: বন্দী শিবির থেকে ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত শামসুর রাহমানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ঐতিহাসিক একটি কাব্যগ্রন্থ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. আশরাফ সিদ্দিকী — এই সাহিত্যিক প্রধানত লোকসাহিত্য গবেষক ও ছড়াকার হিসেবে পরিচিত, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে তক্ষক ও বিবর্ণ ডায়েরি উল্লেখযোগ্য। B) সৈয়দ আলী আহসান — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, গবেষক ও কবি, তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে এক দিনে দৃশ্যহীন এবং সাজঘর। D) সানাউল হক — ইনি আধুনিক ধারার একজন বিশিষ্ট কবি ও সরকারি কর্মকর্তা, তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো দিবা অন্তহীন এবং নদী ও মানুষের কবিতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বপ্ন এবং দেশপ্রেমের অনুভূতিকে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে, শামসুর রাহমান ছিলেন আমাদের স্বপ্নের স্বাধীনতা ও প্রতিবাদের কবি। - তাঁর নামের সঙ্গে বাংলাদেশ ও স্বপ্ন শব্দটি যুক্ত করে সহজেই কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা গ্রন্থগুলো বারবার আসে। - লেখকদের সাহিত্যকর্ম পড়ার সময় তাদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এবং প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
3. ‘তাপসী’ নাটকটি কে রচনা করেছেন?
Created 2 days ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ১. কেন সঠিক: - ‘তাপসী’ নাটকটির রচিয়তা হলেন বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক ধারার নাটক, যা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাট্যশিল্পের অনন্য নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার, যিনি মূলত ঐতিহাসিক ও সামাজিক নাটক রচনার জন্য অমর হয়ে আছেন। - তার নাটকে দেশপ্রেম, রোমান্টিকতা এবং মানবতাবাদের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়, যা তৎকালীন বাঙালি সমাজকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘সাজাহান’ নাটক। ব্যাখ্যা: এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক নাটক, যা মুঘল আমলের ইতিহাস অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: ‘চন্দ্রগুপ্ত’ নাটক। ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র মগধের সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি মূলত ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত, কোনো নাটক রচনার জন্য তিনি প্রধানত বিখ্যাত নন। B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ‘তাপসী’ নাটকের রচয়িতা। C) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিশাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, ‘তাপসী’ নাটকটি তার রচিত নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী সাহিত্যিক এবং বিসর্জন, রাজা ও ডাকঘর এর মতো বিখ্যাত নাটকের রচয়িতা, ‘তাপসী’ নাটকের নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলো মনে রাখার সময় তার সামাজিক ও পৌরাণিক নাটকগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়তে পারো। - ‘তাপসী’ নামটি মাথায় রাখলে মনে রাখবে এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কম পরিচিত একটি নাট্যকর্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের কম পরিচিত নাটক বা কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। - তাই প্রধান লেখার পাশাপাশি লেখকদের অন্যান্য সাহিত্যকর্মের তালিকাও ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।
4. কোনটি নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়ের উদাহরণ?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যথা ধর্ম তথা জয় ১. কেন সঠিক: - যে অব্যয়গুলো জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়ে একটি বাক্যের অংশের সঙ্গে অন্য অংশের পারস্পরিক বা নিত্য সম্বন্ধ প্রকাশ করে, তাকে নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় বলে। - এখানে যথা এবং তথা শব্দ দুটি জোড়ায় বসে ধর্ম ও জয় এর মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় হলো সেই সমস্ত পদ, যা বাক্যে জোড়ায় জোড়ায় বসে অর্থের পূর্ণতা সাধনে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। - এই অব্যয়গুলো সাধারণত শর্ত, সময়, কারণ বা তুলনা বোঝাতে বাক্যের উভয় অংশে সংযুক্ত হয়ে ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যত গর্জে তত বর্ষে না ব্যাখ্যা: এখানে যত এবং তত জোড়ায় বসে নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়ের কাজ করেছে এবং একটি কার্যের সঙ্গে অন্য কার্যের পরিপূরকতা বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: যেমন কর্ম তেমন ফল ব্যাখ্যা: এখানে যেমন এবং তেমন শব্দ দুটি জোড়ায় ব্যবহৃত হয়ে কর্ম ও ফলের পারস্পরিক নিত্য সম্বন্ধ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ — এটি একটি প্রবাদ প্রবচন, যেখানে কোনো নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় জোড়ার ব্যবহার নেই। B) যথা ধর্ম তথা জয় — এটি সঠিক উত্তর। C) আবার যেতে হবে — এখানে আবার একটি সাধারণ পদ বা অব্যয়, যা কোনো নিত্য সম্বন্ধীয় জোড়া গঠন করেনি। D) হ্যাঁ আমি যাব — এখানে হ্যাঁ একটি সম্মতিকূচক বা ভাববাচক অব্যয়, যা এককভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় চেনার সহজ উপায় হলো জোড়া শব্দগুলো খেয়াল করা। - যথাতথা, যততুত, যেমনতেমন, যদিতু, যত্সামান্য এগুলো দেখলেই নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রবাদ বা জোড়া শব্দযুক্ত বাক্য দেখলে প্রথমে খেয়াল করবে সেখানে কোনো পারস্পরিক নির্ভরতা বা জোড়া অব্যয় আছে কি না।
6. ‘পরাজয়ে ডরে না বীর’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপাদানে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি হলো ‘পরাজয়ে’। বীর ব্যক্তি পরাজয়কে ভয় পান না বা পরাজয় থেকে দূরে থাকেন। - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে পরাজয় থেকে ভয়ের সৃষ্টি বা বিমুখতা বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ বোঝাতে শব্দের সঙ্গে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। ‘পরাজয়’ শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘পরাজয়ে’ রূপটি গঠিত হয়েছে। - ভয় পাওয়া, বিরত থাকা, রক্ষা পাওয়া কিংবা পালানোর ভাব প্রকাশ পেলে সাধারণত অপাদান কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলে তৈল হয়। ব্যাখ্যা: তিল থেকে তেল উৎপন্ন হয় বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: বাবাকে ডরাও। ব্যাখ্যা: বাবার প্রতি ভয় প্রকাশ পাওয়ায় এটি অপাদান কারকে ২য়া বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — করণ কারকে কোনো কিছু দ্বারা বা সাহায্যে বোঝায়, যা এখানে নেই। B) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারকে স্থান, কাল বা সময় বোঝায়, যা এখানে প্রকাশ পায়নি। C) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে তা নেই। D) অপাদানে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ভীত হওয়া বা বিমুখ থাকার ভাব প্রকাশিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভয়, মুক্তি, দূরত্ব, জাত বা বিরত থাকা বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক নির্বাচন করবে। - সপ্তমী বিভক্তির জন্য শব্দের শেষে এ, য় বা তে বিভক্তি আছে কি না তা মিলিয়ে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভয় ও বিচ্যুতি সংক্রান্ত বাক্যগুলো বারবার আসে। - একই নিয়মে ‘পাপে নিবর্ত্ত হও’ বাক্যে ‘পাপে’ শব্দটি অপাদানে ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
7. ‘কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে’ বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 2 days ago | Updated 44 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মে শূন্য ১. কেন সঠিক: বাক্যে ক্রিয়ার দ্বারা যা কর্ম সম্পন্ন হয় বা যা ত্যাগ করা বোঝায়, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে নয়নের জল বা অশ্রু ত্যাগের মাধ্যমে কপোল বা গাল প্লাবিত হচ্ছে, তাই 'নয়নের জলে' পদটি কর্মকারক। এই পদে কোনো বিভক্তি চিহ্ন বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, আর কর্মকারকে কোনো বিভক্তি না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়। বাক্যটিতে ক্রিয়ার মূল কর্ম হলো জল, যা কপোলে ঝরে পড়ছে। বাক্যটিতে 'জল' শব্দটি স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সাথে কোনো প্রকাশ্য বিভক্তি চিহ্ন (যেমন কে, রে, এ, তে) যুক্ত হয়নি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর আসে ডাক্তারকে, যা কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল তুলছি। ব্যাখ্যা: কী তুলছি উত্তর আসে ফুল, যা কর্মকারক এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে ক্রিয়ার মূল সম্পাদনকারী বা কর্তা নয়নের জল নয়, তাই এটি কর্তা কারক নয়। B) করণে শূন্য — যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণকারক বলে, কিন্তু এখানে জল কোনো মাধ্যম বা যন্ত্র নয় বরং কর্ম। D) কর্মে ৭মী — সপ্তম বিভক্তির চিহ্ন হলো এ, তে, অন্তস্থ অ, যা এখানে যুক্ত নেই কারণ শব্দটি বিভক্তিহীন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি না থাকলে ধরে নেবে সেটি শূন্য বিভক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মকারক চেনার জন্য ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। উৎস বা ত্যাগের অর্থে কর্মকারক ব্যবহারের এই নিয়মটি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
9. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিভীষিকা ১. কেন সঠিক: - বিভীষিকা শব্দের অর্থ ভয়ংকর দৃশ্য, আতঙ্ক বা ভয়াবহ পরিস্থিতি। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ এবং হ্রস্ব ই কার ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ও ঈ-কারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়। - বিভীষিকা একটি তৎসম শব্দ এবং এতে প্রত্যয়গত কারণে হ্রস্ব ই কার ও মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমীচীন ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথমটি দীর্ঘ ঈ কার এবং দ্বিতীয়টি হ্রস্ব ই কার হয়। উদাহরণ ২: মরীচিকা ব্যাখ্যা: মরুভূমির তপ্ত বালুকাবেলায় আলোর প্রতিসরণের ফলে সৃষ্ট মায়াকে মরীচিকা বলা হয় এবং এখানেও মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভীষীকা — এই অপশনে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। B) বিভীষিকা — এটি বাংলা একাডেমি অনুমোদিত সম্পূর্ণ সঠিক বানান। C) বীভিষিকা — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। D) বিভীযীকা — এই অপশনে য-ফলা যুক্ত করার কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিভীষিকা শব্দটি লেখার সময় মনে রাখবে এর ভেতরে থাকা ভী অংশটি দীর্ঘ ঈ হলেও শেষের দিককার শিকা অংশে হ্রস্ব ই কার হয়। - বানানটি নির্ভুল রাখতে শব্দের শেষের অংশটি হ্রস্ব ই কার দিয়ে শেষ করার অভ্যাস করো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান বা ই-কার সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - বাংলা বানান শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের মূল রূপ এবং প্রমিত নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করা জরুরি।
11. ‘চপল’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গম্ভীর ১. কেন সঠিক: - ‘চপল’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো চঞ্চল, অস্থির বা অপরিণত মনস্ক। এর ঠিক বিপরীত বা প্রতিকূল ভাব প্রকাশ করে ‘গম্ভীর’ শব্দটি, যার অর্থ শান্ত, স্থির ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ভাবার্থ ও প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বিপরীত শব্দ নির্ধারিত হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় পদের রূপ ঠিক রাখতে হয়। ‘চপল’ একটি বিশেষণ পদ এবং এর বিপরীত শব্দ ‘গম্ভীর’ ও একটি বিশেষণ পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চপলতা ও গম্ভীরতা ব্যাখ্যা: ‘চপলতা’ বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ ‘গাম্ভীর্য’, যা মূল পদের ব্যাকরণগত রূপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণ ২: চপল বালক ও গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ ব্যাখ্যা: বাক্যে ব্যবহারের মাধ্যমে শব্দের বিপরীতার্থক রূপ সহজে বোঝা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্তব্ধ — ‘স্তব্ধ’ শব্দের অর্থ নীরব বা চলা বন্ধ থাকা, যা ‘চপল’ শব্দের বিপরীত হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) ঠান্ডা — ‘ঠান্ডা’ শব্দের অর্থ শীতল, যা উষ্ণ শব্দের বিপরীত কিন্তু চপলের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। D) রাশভারী — ‘রাশভারী’ শব্দের অর্থ গম্ভীর স্বভাবের হলেও এটি মূলত মানুষের মেজাজ বা চালচলন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে নিখুঁত বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চপল মানে যে বেশি নড়াচড়া করে বা অস্থির, তার উল্টো হলো যে শান্ত বা গম্ভীর থাকে। এভাবে স্বভাবের তুলনা করে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করতে হবে। পরীক্ষার হলে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিল আছে কি না তা যাচাই করে উত্তর দিতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

1. ‘Your conduct admits _____ no excuse’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - Admit অবিকল পর of প্রিপজিশন যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর অবকাশ বা সুযোগ নেই অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে আপনার আচরণের কোনো ক্ষমা নেই বা ক্ষমার অবকাশ নেই বোঝাতে admits of সঠিক phrasing। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — Admit এর পর at বসে কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার বোঝাতে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। B) for — Admit এর পর for বসে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে গ্রহণ বা ভর্তির ক্ষেত্রে, যা এখানে সঠিক নয়। C) of — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিয়মানুযায়ী 'অবকাশ থাকা' অর্থ প্রকাশ করে। D)fromDate — Admit এর পর from সাধারণত প্রস্থান বা উৎস বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বেমানান। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ের সুযোগ বা অবকাশ নেই বোঝাতে Admit শব্দের পর সবসময় of প্রিপজিশন বসে।
5. Synonym of the word ‘Vertical’ is-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
6. Antonym of the word ‘Fantasy’ is-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
9. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He cannot pronounce the word কেন সঠিক: - উচ্চারণ করা অর্থে pronounce verb-এর পর সরাসরি object বসে এবং এর মাঝে কোনো অতিরিক্ত preposition বসে না। - বাক্যের অর্থ হলো, সে শব্দটি উচ্চারণ করতে পারে না, যা ব্যাকরণগত ও আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He cannot pronounce the word — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটিই উত্তর। B) I saw his pulse — নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে saw ব্যবহার না করে feel ব্যবহার করতে হয়, তাই সঠিক বাক্য হতো I felt his pulse। C) Tell me where are you going? — এটি একটি indirect question, তাই subject-এর পরে verb বসবে, সঠিক গঠন হতো where you are going। D) Dog is a faithful animal — singular common noun-এর পূর্বে সাধারণত article বসাতে হয়, সঠিক রূপ হলো A dog is a faithful animal বা The dog is a faithful animal। মনে রাখার টিপস: নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে see না বলে feel বলতে হয় এবং indirect question-এ subject-এর আগে verb বসে না।
11. He said, “How charming the sight is!” বাক্যের Indirect speech হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He exclaimed that the sight was very charming কেন সঠিক: - Exclamatory sentence-কে Indirect speech করার সময় the sight is charming অংশটি assertive হয়ে the sight was charming হয়। - How দ্বারা বিস্ময় প্রকাশ করায় reporting verb পরিবর্তিত হয়ে exclaimed হয় এবং adjective-এর তীব্রতা বোঝাতে very যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He exclaimed that the sight was very charming — এটি সঠিক উত্তর। B) He exclaimed that the sight was charming — এতে how-এর তীব্রতা বোঝাতে very শব্দটি বাদ পড়েছে। C) He exclaimed that the sight is charming — tense পরিবর্তিত হয়ে present tense রাখা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। D) He exclaimed that the sight was very charming — প্রদত্ত অপশনে একই উত্তর দুবার থাকায় এটিও সঠিক নিয়মে গঠিত। মনে রাখার টিপস: Exclamatory বাক্যে How বা What থাকলে Indirect করার সময় exclaimed ব্যবহার করতে হয় এবং tense পরিবর্তন করে adjective-এর আগে very বসাতে হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

1. একটি বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ৬ হলে, বহুভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টি কত হবে?
Created 2 days ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আট সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ন = ৬ অতএব, অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টির সূত্র = (ন − ২) × দুই সমকোণ সুতরাং, (৬ − ২) × দুই সমকোণ = ৪ × দুই সমকোণ = আট সমকোণ উত্তর: আট সমকোণ
3. a + b = 5 এবং a - b = 3 হলে, ab এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
4. x - (1/x) = 2 হলে, x⁴ + (1/x⁴) = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ২ ধরি, প্রথমে বর্গের মান বের করতে হবে এরপর আবার বর্গ করতে হবে অতএব, x − (১ ÷ x) স্কয়ার = ২ স্কয়ার x স্কয়ার − ২ + (১ ÷ x স্কয়ার) = ৪ সুতরাং, x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) = ৪ + ২ = ৬ অতএব, আবার উভয়পক্ষকে বর্গ করে পাই x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) স্কয়ার = ৬ স্কয়ার সুতরাং, x টু্য দ্য পাওয়ার ফোর + ২ + (১ ÷ x টু্য দ্য পাওয়ার ফোর) = ৩৬ অতএব, x টু্য দ্য পাওয়ার ফোর + (১ ÷ x টু্য দ্য পাওয়ার ফোর) = ৩৬ − ২ উত্তর: ৩৪
7. ক একটি কাজ ৫ দিনে এবং খ তা ১০ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে ১ দিনে এর কত অংশ করতে পারবে?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩/১০ প্রদত্ত তথ্য: ক কাজটি করতে পারে ৫ দিনে খ কাজটি করতে পারে ১০ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ অংশ ধরা হলো অতএব, ক ১ দিনে করে কাজের ১/৫ অংশ খ ১ দিনে করে কাজের ১/১০ অংশ সুতরাং, তারা একত্রে ১ দিনে করে (১/৫ + ১/১০) অংশ = ৩/১০ অংশ উত্তর: ৩/১০ অংশ
8. একজন পুরুষ যে কাজ ১ দিনে করতে পারে ঐ কাজ ৩ জন স্ত্রীলোকের করতে ৩ দিন লাগে। একটি কাজ ১৫ জন পুরুষ ১ দিনে করতে পারে। ঐ কাজ একদিনে করতে কতজন স্ত্রীলোকের প্রয়োজন-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ৩ জন স্ত্রীলোকের ৩ দিনের কাজ ১৫ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ সম্পন্ন করার ক্ষমতা আছে ধরি, ১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ক অতএব, ৩ জন স্ত্রীলোকের ৩ দিনের কাজ = ১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ ১ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ৯ জন স্ত্রীলোকের ১ দিনের কাজ সুতরাং, ১৫ জন পুরুষের ১ দিনের কাজ = ১৫ × ৯ জন স্ত্রীলোকের ১ দিনের কাজ উত্তর: ১৩৫ জন স্ত্রীলোক (এখানে প্রশ্নানুসারে একদিনে করার জন্য সঠিক সমতা অনুযায়ী সঠিক উত্তর ৪৫ জন হবে)
10. দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮:২৭। তাদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.১৭২৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৭ প্রদত্ত তথ্য: দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮:২৭ ধরি, প্রথম গোলকের ব্যাসার্ধ = r১ দ্বিতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = r২ অতএব, আয়তনের অনুপাত = (৪÷৩)×π×(r১ইউটিউব)^৩ ÷ (৪÷৩)×π×(r২ইউটিউব)^৩ = ৮÷২৭ ব্যাসার্ধের অনুপাত (r১÷r২) = ২÷৩ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (r১÷r২)^২ = (২÷৩)^২ = ৪÷৯ উত্তর: ০.১৭২৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৭
12. ৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের ৫ গুণ। বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ। তাহলে পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ বছর, ১২ বছর প্রদত্ত তথ্য: ৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের ৫ গুণ বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ ধরি, বর্তমানে পুত্রের বয়স = ক বছর বর্তমানে পিতার বয়স = ৩ক বছর অতএব, ৫ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৫ বছর ৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৩ক − ৫ বছর সুতরাং, ৩ক − ৫ = ৫ × (ক − ৫) বা, ৩ক − ৫ = ৫ক − ২৫ উত্তর: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স যথাক্রমে ৩৬ বছর ও ১২ বছর
14. ৯, ১১, ১৫, ২৩, ৩৯ ..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
Created 2 days ago | Updated 46 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৯, ১১, ১৫, ২৩, ৩৯ ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ হবে প্রথম ব্যবধান দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে দ্বিতীয় ব্যবধান অতএব, প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদের ব্যবধান = ১১ − ৯ = ২ দ্বিতীয় পদ থেকে তৃতীয় পদের ব্যবধান = ১৫ − ১১ = ৪ সুতরাং, তৃতীয় পদ থেকে চতুর্থ পদের ব্যবধান = ২৩ − ১৫ = ৮ চতুর্থ পদ থেকে পঞ্চম পদের ব্যবধান = ৩৯ − ২৩ = ১৬ উত্তর: ৩৯ + ৩২ = ৭১

মোট প্রশ্ন (14)

3. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপটি ডিজাইন বা পরিমার্জন করেছিলেন। - তাঁর নকশায় সবুজ মাঠের মাঝে লাল বৃত্তের ভেতরে মানচিত্রটি সংযোজিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে মানচিত্র বাদ দিয়ে বর্তমান পতাকায় রূপ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসেম খান — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও জাতীয় পতাকার মূল ডিজাইনার নন, তবে তিনি পতাকা কমিটির সদস্য ছিলেন। B) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার মুক্ষ্য পুরুষ ও চিত্রশিল্পী, তবে তিনি জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। C) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। D) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত ডিজাইনার হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পতাকা হাতে পটুয়া কামরুল হাসান এগিয়ে যান, এই কথাটি মনে রাখলে পতাকার ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসানকে সহজেই মনে রাখা যায়।
7. প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর কোন স্থানে অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড়েই গড়ে উঠেছিল। - এটি মৌর্য, গুপ্ত ও সেন আমলের পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী ছিল এবং ঐতিহাসিক গ্রন্থে এর নাম পুণ্ড্রনগর বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরের ধ্বংসাবশেষ অবস্থিত। B) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত, যা প্রাচীন পুণ্ড্রনগর নয়। C) ময়নামতি — এটি কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন, যা প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অন্তর্গত। D) বিক্রমপুর — এটি মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন চন্দ্র ও সেন রাজবংশের রাজধানী এবং সাহিত্য সংস্কৃতির কেন্দ্র। মনে রাখার টিপস: পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার মহাস্থানগড়, যা বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন প্রাচীনতম নগরী।
9. তৈমুরলং ভারত আক্রমণ করেন-
Created 2 days ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৯৮ সালে কেন সঠিক: - তৈমুরলং ১৩৯৮ সালে ভারত আক্রমণ করেন এবং তৎকালীন দিল্লির সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ তুঘলককে পরাজিত করেন। - তার এই অভিযانের মূল উদ্দেশ্য ছিল দিল্লি দখল করা এবং বিপুল ধনসম্পদ লুটে নিজের রাজধানী সমরকন্দে নিয়ে যাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৯৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই তৈমুরলং ভারত আক্রমণ করে দিল্লি দখল করেছিলেন। B) ১৫৫৮ সালে — এটি মুঘল সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের সাল, তৈমুরলংয়ের আক্রমণের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ১৩৯৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর এবং অপশন এ ও সি একই হওয়ায় উভয়ই সঠিক হিসেবে গণ্য হবে। D) ১২৯৮ সালে — এই সালে সুলতান আলাউদ্দিন খলজির সময় মঙ্গোলরা ভারত আক্রমণ করেছিল, তৈমুরলং নন। মনে রাখার টিপস: তৈমুরলং ভারত আক্রমণ করেন ১৩৯৮ সালে, এভাবে মনে রাখুন যে তেরো শ আটানব্বই সালে দিল্লির সোনালী সম্পদ লুটের ঘটনা ঘটেছিল।
11. ‘লীগ অব নেশনস’ এর জন্ম -
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২০ সালে কেন সঠিক: - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি লীগ অব নেশনস আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। - ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই লীগ অব নেশনস আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছিল। B) ১৯২১ সালে — এই সালে সংগঠনটির কোনো প্রতিষ্ঠাতা কার্যক্রম বা জন্ম হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৯২২ সালে — এই সালে লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়। D) ১৯২৪ সালে — এই সালে সংগঠনটির জন্ম হয়নি, ফলে এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষের ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯২০ সালে লীগ অব নেশনস গঠিত হয়।
12. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ৩৫ জন কেন সঠিক: - ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার বাঙালি সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে এই মামলা দায়ের করে। - মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য, যেখানে মোট আসামির সংখ্যা ছিল ৩৫ জন এবং প্রধান আসামি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৫ জন — এটি মামলার প্রকৃত আসামির সংখ্যা এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে এই মামলার মাধ্যমেই শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যদের অভিযুক্ত করা হয়। B) ৪৪ জন — এটি ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির সংখ্যা, যা বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এবং এই মামলার আসামিসংখ্যা নয়। C) ৫৪ জন — এটি যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভের পর গঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম দফার মন্ত্রীর সংখ্যা বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সংখ্যা। D) ২৪ জন — এটি পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের পূর্ব পাকিস্তানের আসনসংখ্যা বা অন্য কোনো প্রশাসনিক সংখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: মামলাটি স্মরণ রাখতে আগরতলা শব্দের প্রথম অংশ আগর এবং ৩৫ সংখ্যাটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে এখানে আসামি ছিলেন ৩৫ জন।
13. ইন্টারপোল সংস্থার সদর দপ্তর কোথায়?
Created 2 days ago | Updated 16 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিওঁ কেন সঠিক: - ইন্টারপোল হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা যার বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে অবস্থিত। - অপরাধ দমনে বিশ্বব্যাপী পুলিশের সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য এই শহর থেকেই সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দি নেদারল্যান্ডস — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত হলেও ইন্টারপোলের সদর দপ্তর এখানে নয়। B) রাশিয়া — রাশিয়া এই সংস্থার সদস্য দেশ হলেও এর সদর দপ্তর মস্কো বা রাশিয়ার অন্য কোনো শহরে অবস্থিত নয়। C) লিওঁ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এখানেই ইন্টারপোলের মূল কার্যালয় অবস্থিত। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী হলেও ইন্টারপোলের সদর দপ্তর প্যারিসে নয়, বরং লিওঁ শহরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইন্টারপোল বা আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার সদর দপ্তর ফ্রান্সের 'লিওঁ' শহরে অবস্থিত, যেখানে লা দিয়ে শুরু হয়।
14. ‘রয়টার্স’ কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
Created 2 days ago | Updated 44 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত একটি বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা। - এটি ১৮৫১ সালে পল জুলিয়াস রয়টার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং রয়টার্স সংবাদ সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের দেশ এবং ফ্রান্সের প্রধান সংবাদ সংস্থার নাম এএফপি (AFP)। C) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের লন্ডনে রয়টার্স সংবাদ সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি উত্তর আমেরিকার দেশ এবং এখানকার প্রধান সংবাদ সংস্থা হলো অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)। মনে রাখার টিপস: রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা, যা লন্ডনে অবস্থিত।

মোট প্রশ্ন (16)

9. ফনোগ্রাফ কে আবিষ্কার করেন?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এডিসন ১. কেন সঠিক: - থমাস আলভা এডিসন ১৮৭৭ সালে ফনোগ্রাফ যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন, যা শব্দ রেকর্ড ও পুনরুৎপাদন করতে পারত। - এটি মানব ইতিহাসে প্রথম এমন একটি প্রযুক্তি ছিল, যার মাধ্যমে মানুষের কণ্ঠস্বর বা যেকোনো শব্দ সংরক্ষণ করে তা পরবর্তীতে শোনানো সম্ভব হয়েছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফনোগ্রাফ হলো এমন একটি যান্ত্রিক ডিভাইস, যা শব্দ তরঙ্গকে গ্রুভ বা খাঁজ আকারে কোনো মাধ্যমে ধারণ করে এবং পরবর্তীতে সেই খাঁজ থেকে আবার শব্দ তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: শব্দ তরঙ্গ একটি ডায়াফ্রামকে কাঁপায়, যার সাথে যুক্ত থাকা একটি সূক্ষ্ম সুই ঘূর্ণায়মান সিলিন্ডারের ওপর মোমের স্তরে খাঁজ কাটে। পরবর্তীতে ঠিক উল্টো প্রক্রিয়ায় ওই খাঁজের ওপর দিয়ে সুই চালিয়ে মূল শব্দ পুনরুৎপাদন করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আধুনিক অডিও রেকর্ডিং, গ্রামোফোন রেকর্ড এবং আজকের ডিজিটাল মিউজিক প্রযুক্তির প্রাথমিক ভিত্তি হলো এই ফনোগ্রাফ আবিষ্কার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোমের সিলিন্ডারে মানুষের কথা রেকর্ড করা। ব্যাখ্যা: এডিসন তার নিজের গাওয়া মেরি হ্যাড অ্যা লিটল ল্যাম্ব ছড়াটি ফনোগ্রাফে রেকর্ড করে সফলভাবে শুনিয়েছিলেন। উদাহরণ ২: গ্রামোফোন রেকর্ড বা ভিনাইল ডিস্ক। ব্যাখ্যা: ফনোগ্রাফের মূল প্রযুক্তি উন্নত করে পরবর্তীতে গান শোনার জন্য গোল ডিস্ক বা গ্রামোফোন রেকর্ড তৈরি করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কনী — এটি ভুল অপশন কারণ গুলিয়েলমো মার্কনী বেতার বা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে যোগাযোগের মাধ্যম বা রেডিও আবিষ্কার করেছিলেন। B) ফ্যারাডে — এটি ভুল অপশন কারণ মাইকেল ফ্যারাডে তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ এবং বৈদ্যুতিক জেনারেটর আবিষ্কার করেছিলেন। C) রন্টজেন — এটি ভুল অপশন কারণ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রে বা এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেছিলেন, যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছিল। D) এডিসন — এটি সঠিক অপশন কারণ থমাস আলভা এডিসনই প্রথম সফলভাবে ফনোগ্রাফ যন্ত্রটি আবিষ্কার করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - এডিসনের নাম মনে রাখতে পারো তার সবচেয়ে বিখ্যাত আবিষ্কার বৈদ্যুতিক বাতি এবং ফনোগ্রাফ দিয়ে। - শব্দ রেকর্ড করার প্রথম ধাপ ফনোগ্রাফ আর এর আবিষ্কারক এডিসন, দুটোই স্বরবর্ণ অ দিয়ে শুরু হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও আবিষ্কারকদের নাম প্রায়ই আসে। - টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ ছাড়াও বৈদ্যুতিক বাল্ব ও কিনেটস্কোপ বা চলচ্চিত্র উৎপাদনের প্রাথমিক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছিলেন।
12. মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেন-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউটন ১. কেন সঠিক: স্যার আইজ্যাক নিউটন ১৬৮৭ সালে তার বিখ্যাত প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা গ্রন্থে মহাকর্ষ সূত্র প্রকাশ করেন। তিনি দেখান যে মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে এবং আপেল পড়ার ঘটনার মাধ্যমে তিনি এই শক্তি বা বলের ধারণা দেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মহাকর্ষ হলো মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বল। সূত্র বা তত্ত্ব: নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী, বল বস্তুর ভরের সমানুপাতিক এবং দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। বাস্তব প্রয়োগ: এই বলের কারণেই পৃথিবী আমাদের নিজের দিকে টেনে রাখে এবং আমরা মাটিতে হেঁটে বেড়াতে পারি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছের পাকা ফল বা আপেল বোঁটা আলগা হয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে পৃথিবী বস্তুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে। উদাহরণ ২: সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে বেড়ানো। ব্যাখ্যা: সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যকার মহাকর্ষ বলের কারণেই পৃথিবী মহাশূন্যে ছিটকে যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যালিলিও — গ্যালিলিও দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার এবং মুক্তভাবে পতনশীল বস্তুর গতিসূত্র প্রদান করেন। তবে তিনি মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেননি। B) নিউটন — নিউটন মহাকর্ষ সূত্র এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেন। তাই এটি সঠিক অপশন। C) আইনস্টাইন — আইনস্টাইন ১৯১৫ সালে আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব প্রদান করেন। এটি মহাকর্ষকে স্থান-কালের বক্রতা হিসেবে ব্যাখ্যা করে। D) মার্কনী — গুলিয়েলমো মার্কনী বেতার তরঙ্গ বা রেডিও যোগাযোগের সফল উদ্ভাবক। তার সঙ্গে মহাকর্ষের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: আপেল গাছ থেকে মাটিতে পড়ার বিখ্যাত গল্পটি মনে রাখলেই নিউটনের নাম মাথায় আসবে। মহাকর্ষ ও নিউটন নাম দুটি বিজ্ঞানে সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউটন তার গতিসূত্র এবং মহাকর্ষ সূত্রের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রিন্সিপিয়া গ্রন্থটি কার লেখা।
14. কোন খনিজের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়?
Created 2 days ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়োডিন ১. কেন সঠিক: শরীরে আয়োডিনের ঘাটতি হলে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় এবং গলগণ্ড রোগ দেখা দেয়। আয়োডিনের অভাবে হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে যা এই রোগ সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ হলো থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করা যার জন্য আয়োডিন অপরিহার্য। কার্যপ্রণালি: পর্যাপ্ত আয়োডিনের অভাবে গ্রন্থি অতিরিক্ত কাজ করে আকারে বড় হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের খাবারে আয়োডিনের অভাব থাকায় গলগণ্ড বেশি হয়। ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক খাবার থেকে দূরে থাকায় এসব এলাকার মানুষ আয়োডিনের ঘাটতিতে ভোগে। উদাহরণ ২: আয়োডিনযুক্ত লবণ নিয়মিত খাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি দেহে দৈনিক আয়োডিনের চাহিদা পূরণ করে গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ - লৌহের অভাবে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগ হয়। এটি হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে। B) আয়োডিন - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। শরীরে এই খনিজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। C) ফসফরাস - ফসফরাসের অভাবে হাড় ও দাঁত দুর্বল হয়ে যায়। এটি শরীরের শক্তি উৎপাদনেও অংশ নেয়। D) ক্যালসিয়াম - ক্যালসিয়ামের অভাবে রিকেটস ও হাড়ের ক্ষয় রোগ হয়। এটি পেশি সংকোচন ও স্নায়ু সঞ্চালনে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: গ গ গলগণ্ড আ তে আয়োডিন মনে রাখবে। থাইরয়েড গ্রন্থির সঙ্গে আয়োডিনের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গলগণ্ড রোগকে হাইপোথাইরয়েডিজমের একটি লক্ষণ হিসেবেও গণ্য করা হয়। ভবিষ্যতে পরীক্ষায় থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদনে কোন খনিজ লাগে তা আসতে পারে।
16. আমাদের দেশে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির প্রায় গড় ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন-
Created 2 days ago | Updated 47 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫০০ ক্যালরি ১. কেন সঠিক: - একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম এবং শারীরিক শক্তি বজায় রাখার জন্য প্রায় ২৫০০ কিলোক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। - এটি মানুষের বেসাল মেটাবলিক রেট এবং শারীরিক পরিশ্রমের সম্মিলিত শক্তির চাহিদা নির্দেশ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: খাদ্য শক্তির একক হলো ক্যালরি, যা মানবদেহে বিপাকীয় কার্য পরিচালনা ও তাপ উৎপাদনে খরচ হয়। - কার্যপ্রণালি: খাদ্য গ্রহণের পর পরিপাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা, আমিষ ও চর্বি ভেঙে এটি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: বেশি পরিশ্রমী মানুষের ক্ষেত্রে এই শক্তির চাহিদা আরও বেশি হতে পারে এবং অলস জীবনে কম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন নির্মাণ শ্রমিক যিনি সারাদিন ভারী কাজ করেন। ব্যাখ্যা: তার শারীরিক পরিশ্রম বেশি হওয়ায় স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে বেশি ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়। উদাহরণ ২: একজন অফিস কর্মী যিনি সারাদিন চেয়ারে বসে কাজ করেন। ব্যাখ্যা: তার শারীরিক নড়াচড়া কম থাকায় শক্তির চাহিদা কিছুটা কম থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫০০ ক্যালরি — এটি পূর্ণবয়স্ক মানুষের গড় দৈনিক শক্তির চাহিদার মান হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। B) ২০০০ ক্যালরি — এটি সাধারণত কম শারীরিক পরিশ্রমী নারী বা হালকা কাজের জন্য প্রযোজ্য, গড় পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য নয়। C) ১৫০০ ক্যালরি — এটি সাধারণত উপবাসের সময় বা কঠোর ওজন কমানোর ডায়েটে ন্যূনতম শক্তির চাহিদা নির্দেশ করে। D) ১০০০ ক্যালরি — এটি মানুষের বেঁচে থাকার ন্যূনতম বেসাল মেটাবলিক চাহিদার চেয়েও কম এবং অপুষ্টির লক্ষণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনন্দিন কাজের জ্বালানি হলো খাবার, যার গড় মান প্রায় আড়াই হাজার বা ২৫০০ ক্যালরি। - সংখ্যাটি মনে রাখতে ২৫ এবং দুটি শূন্যের কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - খাদ্য ও পুষ্টি অধ্যায়ের জন্য এই মানটি বিসিএস পরীক্ষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। - এখান থেকে বিএমআর বা ক্যালরি ঘাটতি সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (4)

3. পৃথিবীতে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর-
Created 2 days ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আটলান্টিক মহাসাগর ১. কেন সঠিক: - আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর মোট জলভাগের প্রায় ২০% অংশ জুড়ে অবস্থান করে এবং এর আয়তন প্রায় আট কোটি ষাট লক্ষ বর্গকিলোমিটার। - এটি আমেরিকা মহাদেশকে ইউরোপ ও আফ্রিকা থেকে আলাদা করেছে এবং এর এস আকৃতির তলদেশ ও মধ্য-আটলান্টিক শৈলশিরা এটিকে অনন্য বৈশিষ্ট্য দান করেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পূর্বে এবং ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিমে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক রুট এবং এর উপকূলীয় অঞ্চলে বিশ্বের প্রধান প্রধান বন্দর গড়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: টাইটানিক জাহাজের দুর্ঘটনা ব্যাখ্যা: ১৯১২ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে আইসবারগের সাথে ধাক্কা খেয়ে টাইটানিক জাহাজ ডুবে যায়, যা এই মহাসাগরের প্রতিকূল আবহাওয়া ও হিমশৈলের উপস্থিতি প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল ব্যাখ্যা: আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর অংশে অবস্থিত এই রহস্যময় এলাকায় বেশ কিছু জাহাজ ও বিমান রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছে বলে প্রচলিত আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ মহাসাগর — এটি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশকে ঘিরে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মহাসাগর। B) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের পরেই পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর হিসেবে স্বীকৃত। C) ভারত মহাসাগর — এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর নামকরণ করা হয়েছে একমাত্র দেশের নামানুসারে। D) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তরপশ্চিম অংশ এবং এটি কোনো মহাসাগর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহাসাগরগুলোর আয়তন অনুসারে বড় থেকে ছোট ক্রম মনে রাখার কৌশল হলো প্রশান্ত, আটলান্টিক, ভারত, দক্ষিণ ও আর্কটিক। - এর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর বৃহত্তম এবং আটলান্টিক মহাসাগর দ্বিতীয় বৃহত্তম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাসাগরগুলোর আয়তন ও অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে কোন মহাসাগর এস আকৃতির অথবা কোন মহাসাগর সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়।