a অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ
b যথা ধর্ম তথা জয়
c আবার যেতে হবে
d হ্যাঁ আমি যাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যথা ধর্ম তথা জয় ১. কেন সঠিক: - যে অব্যয়গুলো জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়ে একটি বাক্যের অংশের সঙ্গে অন্য অংশের পারস্পরিক বা নিত্য সম্বন্ধ প্রকাশ করে, তাকে নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় বলে। - এখানে যথা এবং তথা শব্দ দুটি জোড়ায় বসে ধর্ম ও জয় এর মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় হলো সেই সমস্ত পদ, যা বাক্যে জোড়ায় জোড়ায় বসে অর্থের পূর্ণতা সাধনে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। - এই অব্যয়গুলো সাধারণত শর্ত, সময়, কারণ বা তুলনা বোঝাতে বাক্যের উভয় অংশে সংযুক্ত হয়ে ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যত গর্জে তত বর্ষে না ব্যাখ্যা: এখানে যত এবং তত জোড়ায় বসে নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়ের কাজ করেছে এবং একটি কার্যের সঙ্গে অন্য কার্যের পরিপূরকতা বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: যেমন কর্ম তেমন ফল ব্যাখ্যা: এখানে যেমন এবং তেমন শব্দ দুটি জোড়ায় ব্যবহৃত হয়ে কর্ম ও ফলের পারস্পরিক নিত্য সম্বন্ধ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ — এটি একটি প্রবাদ প্রবচন, যেখানে কোনো নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় জোড়ার ব্যবহার নেই। B) যথা ধর্ম তথা জয় — এটি সঠিক উত্তর। C) আবার যেতে হবে — এখানে আবার একটি সাধারণ পদ বা অব্যয়, যা কোনো নিত্য সম্বন্ধীয় জোড়া গঠন করেনি। D) হ্যাঁ আমি যাব — এখানে হ্যাঁ একটি সম্মতিকূচক বা ভাববাচক অব্যয়, যা এককভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় চেনার সহজ উপায় হলো জোড়া শব্দগুলো খেয়াল করা। - যথাতথা, যততুত, যেমনতেমন, যদিতু, যত্সামান্য এগুলো দেখলেই নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রবাদ বা জোড়া শব্দযুক্ত বাক্য দেখলে প্রথমে খেয়াল করবে সেখানে কোনো পারস্পরিক নির্ভরতা বা জোড়া অব্যয় আছে কি না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0