a কর্তায় শূন্য
b করণে শূন্য
c কর্মে শূন্য
d কর্মে ৭মী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মে শূন্য ১. কেন সঠিক: বাক্যে ক্রিয়ার দ্বারা যা কর্ম সম্পন্ন হয় বা যা ত্যাগ করা বোঝায়, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে নয়নের জল বা অশ্রু ত্যাগের মাধ্যমে কপোল বা গাল প্লাবিত হচ্ছে, তাই 'নয়নের জলে' পদটি কর্মকারক। এই পদে কোনো বিভক্তি চিহ্ন বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, আর কর্মকারকে কোনো বিভক্তি না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়। বাক্যটিতে ক্রিয়ার মূল কর্ম হলো জল, যা কপোলে ঝরে পড়ছে। বাক্যটিতে 'জল' শব্দটি স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সাথে কোনো প্রকাশ্য বিভক্তি চিহ্ন (যেমন কে, রে, এ, তে) যুক্ত হয়নি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর আসে ডাক্তারকে, যা কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল তুলছি। ব্যাখ্যা: কী তুলছি উত্তর আসে ফুল, যা কর্মকারক এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে ক্রিয়ার মূল সম্পাদনকারী বা কর্তা নয়নের জল নয়, তাই এটি কর্তা কারক নয়। B) করণে শূন্য — যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণকারক বলে, কিন্তু এখানে জল কোনো মাধ্যম বা যন্ত্র নয় বরং কর্ম। D) কর্মে ৭মী — সপ্তম বিভক্তির চিহ্ন হলো এ, তে, অন্তস্থ অ, যা এখানে যুক্ত নেই কারণ শব্দটি বিভক্তিহীন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি না থাকলে ধরে নেবে সেটি শূন্য বিভক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মকারক চেনার জন্য ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। উৎস বা ত্যাগের অর্থে কর্মকারক ব্যবহারের এই নিয়মটি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0