a ALU
b Control unit
c রেজিস্টার সেট
d কোনোটিই নয়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ALU কেন সঠিক: ১. এটি সিপিইউ এর মূল অংশ যা সমস্ত ধরণের গাণিতিক এবং লজিক অপারেশন পরিচালনা করে থাকে। ২. কম্পিউটারের ভেতরে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং তুলনা সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত এই অংশটি গ্রহণ করে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. এর পূর্ণরূপ হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট যা কম্পিউটারের প্রসেসরের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রধান অংশ। ২. এটি মেমোরি থেকে তথ্য নিয়ে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন করে এবং ফলাফল পুনরায় মেমোরিতে ফেরত পাঠায়। ৩. উদাহরণস্বরূপ, কম্পিউটারে দুটি সংখ্যা যোগ করার নির্দেশ দিলে এই অংশটি সেটির গাণিতিক সমাধান করে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ALU হলো সঠিক উত্তর তাই এই অপশনটি সঠিক এবং অন্যান্য অপশনগুলোর সাথে এর কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ আলাদা। B) Control unit হলো সেই অংশ যা কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও নিয়ন্ত্রণ করে। C) রেজিস্টার সেট হলো প্রসেসরের ভেতরের অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের ক্ষুদ্র স্মৃতি ভাণ্ডার বা মেমোরি এলাকা। D) কোনোটিই নয় অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি প্রথম অপশনেই স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. গাণিতিক কাজের ইংরেজি রূপ হলো অ্যারিথমেটিক এবং লজিক, যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো এএলইউ। ২. পরীক্ষার প্রশ্নে গাণিতিক শব্দ পেলেই চোখ বন্ধ করে এএলইউ উত্তরটি নির্বাচন করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a Input
b Output
c উভয়েই
d কোনটিই নয়
0 147 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Input ১. কেন সঠিক: স্ক্যানার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি কোনো কাগজের ওপর থাকা ছবি বা টেক্সটকে কম্পিউটারের বোধগম্য ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। এই যন্ত্রটি বহিরাগত শারীরিক বা অ্যানালগ তথ্য গ্রহণ করে তা প্রসেসিংয়ের জন্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: স্ক্যানার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক পেরিফেরাল ডিভাইস যা আলোক রশ্মির সাহায্যে কোনো দৃশ্যমান বস্তু বা দলিল স্ক্যান করে কম্পিউটারে পাঠায়। কার্যপদ্ধতি: এটি কাগজের ডকুমেন্টের ওপর আলো ফেলে প্রতিফলিত আলোর তীব্রতা পরিমাপ করে একটি ডিজিটাল ইমেজ বা ফাইল তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছবি বা ডকুমেন্ট স্ক্যান করে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা। ব্যাখ্যা: পাসপোর্টের ছবি বা কোনো পুরোনো কাগজ স্ক্যানারে রেখে ডিজিটাল কপি বা পিডিএফ ফাইলে রূপান্তর করা হয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকে চেক প্রসেসিং বা ওএমআর শিট মূল্যায়ন। ব্যাখ্যা: স্ক্যানারের প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব দ্রুত পরীক্ষার খাতা বা ব্যাংকের চেক রিড করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Input — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ক্যানার তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করায়। B) Output — এই অপশন ভুল কারণ স্ক্যানার কোনো ফলাফল প্রদর্শন বা মুদ্রণ করে না, যেমনটি মনিটর বা প্রিন্টার করে। C) উভয়েই — এই অপশন ভুল কারণ স্ক্যানার কখনো আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে না, এটি সম্পূর্ণভাবে ইনপুট ডিভাইস। D) কোনটিই নয় — এই অপশন ভুল কারণ সঠিক উত্তর প্রথম অপশনেই বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: যেসব যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করানো হয়, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। স্ক্যানার কাগজ থেকে তথ্য নিয়ে কম্পিউটারে দেয়, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার পরীক্ষায় প্রায়ই ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। প্রিন্টার হলো আউটপুট ডিভাইস, আর স্ক্যানার হলো ইনপুট ডিভাইস।
a প্রাতিপদিক
b অপিনিহিতি
c অভিশ্রুতি
d ধ্বনি- বিপর্যয়
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে বাংলা ব্যাকরণের একটি রূপতাত্ত্বিক বিষয় আসা সত্ত্বেও, এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান এবং আইসিটি বা কম্পিউটার বিজ্ঞানের বাংলা ভাষা প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত। - প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন শব্দমূল বা নামশব্দ, যা ধ্বনি-পরিবর্তনের কোনো প্রক্রিয়া বা উদাহরণ নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ধ্বনি-পরিবর্তন হলো শব্দের উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের আদি, মধ্য বা অন্ত্য ধ্বনির পরিবর্তন ঘটার প্রক্রিয়া। - কার্যপদ্ধতি: মানুষের মুখে ভাষা ব্যবহারের সময় উচ্চারণের ত্রুটি বা সহজকরণের জন্য ধ্বনি পরিবর্তিত হয়, যা প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপিনিহিতির উদাহরণ ব্যাখ্যা: আজি থেকে আইজ, যেখানে ই-কার উচ্চারণের আগেই চলে এসেছে। উদাহরণ ২: অভিশ্রুতির উদাহরণ ব্যাখ্যা: শুনিয়া থেকে শুনে, যা অপিনিহিতির পরবর্তী রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাতিপদিক — এটি ধ্বনি-পরিবর্তনের কোনো প্রক্রিয়া বা উদাহরণ নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। B) অপিনিহিতি — এটি একটি সুপরিচিত ধ্বনি-পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, যেখানে পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হয়। C) অভিশ্রুতি — এটি ধ্বনি-পরিবর্তনের একটি মাধ্যম, যেখানে অপিনিহিতির পরবর্তী পরিবর্তিত রূপ প্রকাশ পায়। D) ধ্বনি- বিপর্যয় — এটি শব্দের ভেতর দুটি ধ্বনির পরস্পর স্থান পরিবর্তন করার একটি ধ্বনি-পরিবর্তনের প্রক্রিয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান রূপগুলো হলো অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও ধ্বনি-বিপর্যয়। - প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল রূপ, তাই এটি ধ্বনি পরিবর্তনের ভেতর পড়ে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি পরিবর্তন এবং রূপতত্ত্ব অংশ থেকে আইসিটি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণে এই ব্যাকরণগত নিয়মগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a আলুমিনিইয়াম
b প্লাসটিক
c সিলিকন
d কোনটিই নয়
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিলিকন ১. কেন সঠিক: কম্পিউটারের মূল মেমরী বা প্রসেসর তৈরিতে সিলিকন সেমিকন্ডাক্টর উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সিলিকন অর্ধপরিবাহী হওয়ায় এটি প্রয়োজনমতো বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে বা রোধ করতে পারে যা কম্পিউটারের লজিক গেট তৈরিতে অপরিহার্য। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিলিকন হলো একটি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর উপাদান যা আধুনিক ইলেকট্রনিক্স শিল্পে মাইক্রোচিপ তৈরিতে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: সিলিকনের সাথে বিভিন্ন ভেজাল মিশিয়ে পি টাইপ ও এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করে ট্রানজিস্টর ও ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট গঠন করা হয়। বৈশিষ্ট্য: সিলিকন খুব সহজে চিপ আকারে কাটা যায় এবং এটি উচ্চ তাপমাত্রায়ও 안정ভাবে কাজ করতে সক্ষম। ব্যবহার: র‍্যাম, রম, মাইক্রোপ্রসেসর এবং বিভিন্ন মাদারবোর্ডের আইসি তৈরিতে সিলিকন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুঠোফোনের প্রসেসর ব্যাখ্যা: আমাদের স্মার্টফোনের ভেতরে থাকা স্ন্যাপড্রাগন বা অ্যাপল বায়োনিক চিপ সিলিকন দিয়েই তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটার মাদারবোর্ড ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে থাকা র‍্যাম এবং প্রসেসরের মূল চিপগুলো সিলিকন ওয়েফারের ওপর তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলুমিনিইয়াম — অ্যালুমিনিয়াম একটি ভালো পরিবাহী ধাতু যা ফয়েল বা তার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সেমিকন্ডাক্টর বা কম্পিউটারের মূল মেমরী তৈরির উপাদান নয়। B) প্লাসটিক — প্লাস্টিক একটি কুপরিবাহী পদার্থ যা মূলত বৈদ্যুতিক তারের আবরণ বা কেসিং তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, মেমরী চিপ তৈরিতে নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সিলিকন অপশনে উপস্থিত রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের চিপ মানেই সিলিকন এবং এই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রর বিখ্যাত প্রযুক্তি অঞ্চলের নাম রাখা হয়েছে সিলিকন ভ্যালি। অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টরের রাজা বলা হয় সিলিকনকে, যা মেমরী ও প্রসেসরের মূল ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত প্রথম সেমিকন্ডাক্টর উপাদান ছিল জার্মেনিয়াম, তবে বর্তমানে সিলিকন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি তৈরিতে প্রধানত কী ব্যবহৃত হয়, যার উত্তর সিলিকন।
a নির্ধারিত ফাইল কপি করা
b আগের প্রােগ্রামে ফিরে যাওয়া
c সর্বশেষ পরিবর্তন Undo করা
d কোনটিই নয়
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় (প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে সঠিক, কারণ আসল ব্যাকআপ প্রোগ্রাম হলো ফাইল বা ডাটা নিরাপদে সংরক্ষণ করা) ১. কেন সঠিক: - ব্যাকআপ প্রোগ্রাম বলতে কোনো নির্দিষ্ট ফাইল কপি করা, আগের প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়া বা সর্বশেষ পরিবর্তন আনডু করা বোঝায় না। - ব্যাকআপ হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মূল ডাটা বা ফাইলের একটি অতিরিক্ত অনুলিপি বা কপি অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা, যেন মূল ডাটা নষ্ট হলে তা পুনরুদ্ধার করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্যাকআপ সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম হলো এমন একটি বিশেষ অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের ফাইল, ফোল্ডার বা ডাটাবেজের অনুলিপি তৈরি করে ভিন্ন কোনো ড্রাইভ, এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক বা ক্লাউডে সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি নির্ধারিত ডাটা স্ক্যান করে এবং ব্যবহারকারীর নিদের্শ অনুযায়ী সেগুলোর একটি জিপ বা নিরাপদ ফাইল কপি তৈরি করে অন্য স্থানে পাঠায়। - ব্যবহার: হার্ডওয়্যার নষ্ট হওয়া, ভাইরাস আক্রমণ বা ফাইল মুছে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ব্যাকআপ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগলের ক্লাউড ড্রাইভে ফোনের ছবি ও কন্টাক্ট সেভ করে রাখা। ব্যাখ্যা: ফোনের ডাটা হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে গুগল ড্রাইভ থেকে ব্যাকআপ ফাইলের মাধ্যমে সেই ডাটা আবার ফিরিয়ে আনা যায়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ অফিশিয়াল ফাইল একটি এক্সটার্নাল পেনড্রাইভে কপি করে রাখা। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক নষ্ট হলেও পেনড্রাইভের ব্যাকআপ থেকে ফাইলগুলো নিরাপদ থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্ধারিত ফাইল কপি করা — এটি ব্যাকআপের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু ব্যাকআপ প্রক্রিয়ায় শুধু কপি করা ছাড়াও ডাটা জিপ করা, রিস্টোর করার ব্যবস্থা এবং সময় নির্ধারণের কাজ থাকে। B) আগের প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়া — এটি সিস্টেম রিস্টোর বা সফটওয়্যার ডাউনগ্রেড করার কাজ, ব্যাকআপ প্রোগ্রাম সরাসরি আগের প্রোগ্রামে ফিরিয়ে নেয় না। C) সর্বশেষ পরিবর্তন Undo করা — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য এডিটিং সফটওয়্যারের একটি কমান্ড, যা ব্যাকআপ প্রোগ্রামের মূল কাজ নয়। D) কোনটিই নয় — ব্যাকআপ প্রোগ্রামের আসল কাজ হলো ডাটার নিরাপদ অনুলিপি সংরক্ষণ করা, যা উপরের অপশনগুলোর কোনোটির সঙ্গেই পুরোপুরি মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাকআপ মানে হলো নিরপত্তার জন্য মূল ফাইলের অতিরিক্ত কপি তৈরি করে রাখা। - পরীক্ষার হলে কোনো নির্দিষ্ট কমান্ড যেমন আন্ডু বা রিডু-কে ব্যাকআপের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডাটা সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা অত্যন্ত জরুরি। - রিমোট সার্ভার বা ক্লাউডে ডাটা ব্যাকআপ রাখাকে ক্লাউড ব্যাকআপ বলা হয়।
a অর্থ সাশ্রয়
b স্থানের সাশ্রয়
c সময় সাশ্রয়
d উপরের সবকটি
0 157 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার নেটওয়ার্কে রিসোর্স বা ডিভাইস শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের খরচ, স্থান এবং সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। - সেন্ট্রাল প্রিন্টার বা স্টোরেজ ব্যবহারের ফলে প্রতিটি ইউজারের জন্য আলাদা ডিভাইস ক্রয়ের প্রয়োজন হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একাধিক কম্পিউটার ও পেরিফেরাল ডিভাইস পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: কেন্দ্রীয় একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত ডিভাইসগুলো নিজেদের মধ্যে ডেটা ও হার্ডওয়্যার রিসোর্স আদান-প্রদান করে। - ব্যবহার: অফিস আদালতে একটি মাত্র প্রিন্টার পুরো নেটওয়ার্কের সব কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিস নেটওয়ার্কে একটি মাত্র লেজার প্রিন্টার সংযুক্ত করা। ব্যাখ্যা: প্রতিষ্ঠানের দশটি কম্পিউটারের জন্য আলাদা দশটি প্রিন্টার না কিনে একটি প্রিন্টার নেটওয়ার্কে শেয়ার করলে আর্থিক সাশ্রয় হয়। উদাহরণ ২: নেটওয়ার্ক স্টোরেজ বা ফাইল সার্ভার ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: সবার কম্পিউটারে আলাদা হার্ডডিস্কের পরিবর্তে একটি সেন্ট্রাল ড্রাইভ ব্যবহার করলে স্থানের সাশ্রয় ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ সাশ্রয় — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি এককভাবে সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) স্থানের সাশ্রয় — একাধিক ডিভাইস না রেখে একটিমাত্র ডিভাইস শেয়ার করার ফলে অফিস কক্ষে অনেক স্থান বেঁচে যায়। C) সময় সাশ্রয় — একই কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হওয়ায় এটিও সঠিক, তবে অন্যান্য সুবিধাও এর সঙ্গে যুক্ত। D) উপরের সবকটি — নেটওয়ার্কে ডিভাইস শেয়ার করার ফলে অর্থ, স্থান এবং সময় তিনটিরই সাশ্রয় ঘটে, তাই এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - নেটওয়ার্কের মূল লক্ষ্য হলো রিসোর্স শেয়ারিং, যার প্রধান সুবিধাগুলো হলো অর্থ, স্থান এবং সময়ের সাশ্রয়। - একে একসাথে বলা যায় খরছ কমাও, জায়গা বাঁচাও এবং সময় বাঁচাও নীতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নেটওয়ার্কের সুবিধা ও পেরিফেরাল শেয়ারিং সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - হার্ডওয়্যার শেয়ারিং বলতে মূলত প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এক্সটার্নাল ড্রাইভ শেয়ার করাকে বোঝায়।
a ekanei.com
b google.com
c Olx.com
d Amazon.com
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) google.com ১. কেন সঠিক: - google.com একটি বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইট, যা তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি কোনো পণ্য কেনা-বেচার ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। - ব্যবহার: ইন্টারনেটে কোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও খুঁজতে গুগল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: amazon.com ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুজাতিক ই-কমার্স সাইট যার মাধ্যমে সরাসরি পণ্য কেনা-বেচা করা যায়। উদাহরণ ২: olx.com ব্যাখ্যা: এটি একটি অনলাইন ক্লাসিফাইড মার্কেটপ্লেস যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে পুরনো বা নতুন পণ্য কেনা-বেচা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ekanei.com — এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স ও কেনা-বেচার ক্লাসিফাইড সাইট ছিল, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) google.com — এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং তথ্য খোঁজার মাধ্যম, কেনা-বেচার সাইট নয়। C) Olx.com — এটি একটি আন্তর্জাতিক কেনা-বেচার প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) Amazon.com — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স ও কেনা-বেচার সাইট, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুগল হলো তথ্যের সমুদ্র (সার্চ ইঞ্জিন), আর আমাজন বা ওএলএক্স হলো বাজারের দোকান (কেনা-বেচা)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্চ ইঞ্জিন এবং ই-কমার্স সাইটের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
a Taskbar
b Menu bar
c Notification area
d Web browser
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Web browser ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেট বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে প্রবেশ করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখার জন্য ওয়েব ব্রাউজার একটি অপরিহার্য সফটওয়্যার। এটি ইন্টারনেটের ডেটা ব্যবহারকারী উপযোগী গ্রাফিক্যাল পেজে রূপান্তর করে, যা ব্রাউজার ছাড়া সহজে সম্ভব নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেটের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বিভিন্ন পাতা বা ওয়েবপেজ দেখতে সাহায্য করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কমান্ড নিয়ে রিমোট সার্ভার থেকে এইচটিটিপি প্রোটোকলের মাধ্যমে তথ্য এনে স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করে ইউটিউব বা ফেসবুক ব্রাউজ করা। ব্যাখ্যা: এই সফটওয়্যারগুলো না থাকলে সরাসরি ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে ইন্টারনেটে প্রবেশ করা অত্যন্ত জটিল হতো। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে সাফাডী ব্রাউজার ব্যবহার করে সংবাদ পড়া। ব্যাখ্যা: ব্রাউজার ইন্টারনেটের অদৃশ্য ডেটাকে আমাদের পড়ার উপযোগী দৃশ্যমান রূপ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taskbar — এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি উপাদান, যা চলমান অ্যাপগুলো পরিচালনা করতে সাহায্য করে কিন্তু ইন্টারনেটে প্রবেশের প্রধান মাধ্যম নয়। B) Menu bar — এটি যেকোনো সফটওয়্যারের ইন্টারফেসের অংশ বিশেষ, যা বিভিন্ন কমান্ডের তালিকা দেখায় কিন্তু নিজে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারে না। C) Notification area — এটি অপারেটিং সিস্টেমের টাস্কবারের একটি অংশ, যা সিস্টেমের সময় ও বিভিন্ন বার্তার নোটিফিকেশন দেখায়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটে প্রবেশ করতে গেলে দরজার মতো একটি মাধ্যম দরকার, আর সেটি হলো ব্রাউজার। ব্রাউজার হলো উইন্ডো বা জানালার মতো, যা দিয়ে ইন্টারনেটের বিশাল দুনিয়া দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, মাইক্রোসফট এজ এবং সাফারি। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার এবং কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, সেক্ষেত্রে ব্রাউজার সবসময় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
a Read-out
b Read from
c Read
d উপরের সবগুলােই
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Read from ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস থেকে সংরক্ষিত উপাত্ত বা ডাটা খুঁজে বের করে তা প্রসেসর বা অন্য কোনো অংশে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে মেমোরি অপারেশন বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট ঠিকানা বা অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডাটা সংগ্রহ করা হয়, যাকে কম্পিউটার আর্কিটেকচারের ভাষায় Read from বা মেমোরি থেকে ডাটা রিড করা বোঝায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস থেকে সংরক্ষিত তথ্য পুনরুদ্ধার করার প্রক্রিয়াকে রিড অপারেশন বা মেমোরি থেকে ডাটা সংগ্রহ বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর মেমোরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেস বাস ব্যবহার করে লোকেশন নির্ধারণ করে এবং কন্ট্রোল সিগন্যালের মাধ্যমে ডাটা রিড বা পাঠ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্ড ডিস্ক বা এসএসডি থেকে কোনো গান বা ভিডিও ফাইল ওপেন করা। ব্যাখ্যা: ফাইলটি যখন চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়, তখন সিস্টেম স্টোরেজ ডিভাইস থেকে ডাটা রিড করে মেমোরিতে নিয়ে আসে। উদাহরণ ২: র‍্যাম থেকে ক্যাশ মেমোরিতে ডাটা স্থানান্তর করা। ব্যাখ্যা: প্রসেসরের দ্রুত কাজ করার জন্য র‍্যামে থাকা সংরক্ষিত নির্দেশনাগুলো রিড করে প্রসেসরের কাছাকাছি আনা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Read-out — এটি সাধারণত কোনো যন্ত্রের ডিসপ্লে বা আউটপুট ডিভাইস থেকে ফলাফল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি মেমোরি রিড করার প্রথাগত নাম এটি নয়। B) Read from — এটি সঠিক উত্তর কারণ মেমোরি বা উৎস থেকে ডাটা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ফ্রম বা উৎস নির্দেশ করার জন্য এই পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়। C) Read — এটি একটি সাধারণ ক্রিয়া যা ডাটা পড়ার কাজ বোঝায়, তবে মেমোরি থেকে উত্তোলনের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিগত নাম হিসেবে রিড ফ্রম বা রিড অপারেশন বেশি উপযোগী। D) উপরের সবগুলাই — যেহেতু সব অপশন প্রযুক্তিগতভাবে মেমোরি উত্তোলনের সঠিক পরিভাষা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: মেমোরি থেকে ডাটা আনতে হলে উৎস থেকে আনতে হয়, তাই উৎস বোঝাতে From শব্দটি যুক্ত থাকে। রিড মানে পড়া বা দেখা, আর রিড ফ্রম মানে কোনো নির্দিষ্ট উৎস বা মেমোরি থেকে পড়ে নেওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার মেমোরিতে মূলত দুটি প্রধান অপারেশন পরিচালিত হয়, একটি হলো রিড বা ডাটা পড়া এবং অন্যটি হলো রাইট বা ডাটা লেখা। নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে মেমোরি অপারেশন সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের সঠিক ইংরেজি পরিভাষা প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
a Magnetic Ink Character Reader
b Magnetic Ink Case Reader
c Magnetic Ink Code Reader
d কোনটিই নয়
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Magnetic Ink Character Recognition ১. কেন সঠিক: MICR হলো একটি বিশেষ ইনপুট ডিভাইস প্রযুক্তি যার পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition। এটি চৌম্বকীয় কালি দিয়ে মুদ্রিত বিশেষ অক্ষর বা কোড অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পড়তে সক্ষম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: চৌম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত ইনপুট প্রযুক্তিকে MICR বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: এই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত বিশেষ কালিতে আয়রন অক্সাইড থাকে, যা চুম্বকায়িত করে অক্ষরের আকৃতি রিডারের মাধ্যমে স্ক্যান করা হয়। ব্যবহার: ব্যাংক খাতের চেক প্রসেসিং এবং লেনদেনের নথিপত্র দ্রুত ও নিরাপদভাবে যাচাই করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকের চেক বই। ব্যাখ্যা: চেকের নিচের অংশে এমআইসিআর প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যাংকের রাউটিং নম্বর ও অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রিন্ট করা থাকে, যা দ্রুত স্ক্যান করা যায়। উদাহরণ ২: আর্থিক লেনদেনের দলিল। ব্যাখ্যা: জালিয়াতি রোধ এবং দ্রুত কোটি কোটি চেক স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেস করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Magnetic Ink Character Reader — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ট্যান্ডার্ড পরিভাষা হিসেবে একে অনেক সময় রিডারও বলা হয়। B) Magnetic Ink Case Reader — কেস বা কেস রিডার বলে কোনো তথ্যপ্রযুক্তি শব্দ বা মানসম্মত পূর্ণরূপ নেই। C) Magnetic Ink Code Reader — কোড রিডার বলতে বারকিড বা কিউআর কোড রিডার বোঝায়, এটি এমআইসিআর-এর সঠিক নাম নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: MICR-এর ক্ষেত্রে মনে রাখবে এটি কালির চুম্বকত্ব নিয়ে কাজ করে। শব্দটি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো এম-এ-জি-এন-ই-টি-আই-সি আই-এন-কে সি-এইচ-এ-আর-অ্যান্ড-সি-টি-ই-আর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি হিসেবে MICR প্রায়ই আসে। কাগজের নথিপত্র ও চেক স্বয়ংক্রিয়করণের ক্ষেত্রে ওএমআর বা বারকোডের পাশাপাশি এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
a Data Definition Language
b Query Language
c Data Manipulation Language
d উপরের সবগুলােই
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলােই ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তর হিসেবে C কে চিহ্নিত করা হলেও, এটি একটি ভুল উত্তর। সঠিক উত্তর হবে D কারণ ডেটাবেজ ল্যাংগুয়েজ বা ডাটাবেজ ভাষা মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত। - এই তিনটি ভাগ হলো ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ, কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ডেটাবেজ পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার ভাষা যা ডেটাবেজে ডেটা তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন এবং পুনরুদ্ধার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এই ভাষা ব্যবহার করে ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা ব্যবহারকারী ডেটাবেজের সাথে যোগাযোগ করেন এবং বিভিন্ন কমান্ডের মাধ্যমে ডেটা প্রসেস করেন। - ব্যবহার: এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এবং ই-কমার্স সিস্টেমে বিশাল পরিমাণ ডেটা নিরাপদে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DDL ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহার করে ডেটাবেজের স্ট্রাকচার বা কাঠামো তৈরি করা হয়, যেমন নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য CREATE কমান্ড ব্যবহার করা। উদাহরণ ২: ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DML ব্যাখ্যা: এটি দিয়ে ডেটাবেজের টেবিলের ভেতরের ডেটা নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন নতুন ডেটা যোগ করার জন্য INSERT কমান্ড ব্যবহার করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Data Definition Language — এটি সঠিক হলেও ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের একমাত্র অংশ নয়, কারণ এর সাথে কুয়েরি এবং ম্যানিপুলেশন ভাষাও ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের অন্তর্ভুক্ত। B) Query Language — এটিও সঠিক ডেটাবেজ ভাষা যা দিয়ে ডেটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজা হয়, তবে এটি একা সমগ্র ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ নির্দেশ করে না। C) Data Manipulation Language — প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হলেও এটি ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের একটি সাব-সেট বা অংশ মাত্র, সম্পূর্ণ ডেটাবেজ ভাষা নয়। D) উপরের সবগুলােই — এটিই প্রকৃত সঠিক উত্তর কারণ DDL, QL এবং DML সবগুলো মিলেই ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন ডি এর সমাহার মনে রাখা, যেখানে ডিডিএল, ডিকিউএল এবং ডিএমএল অন্তর্ভুক্ত। - পূর্ণরূপগুলো ভালো করে মনে রাখবে যেমন DDL মানে ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এবং DML মানে ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের প্রকারভেদ বা এসকিউএল কমান্ড সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - এসকিউএল বা স্ট্রাকচার্ড কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ এই সবগুলো ল্যাঙ্গুয়েজের সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেজ ভাষা।