বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

1. 'রূপসী বাংলার কবি' বলা হয় কাকে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) জীবনানন্দ দাশ কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশ তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রূপসী বাংলা এই উপাধির মূল কারণ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেন জীবনানন্দ দাশ। বাংলার নদী, মাঠ, পাখি ও লতাগুল্ম তার কবিতায় নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। যেমন তার বিখ্যাত পংক্তি হলো আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে এই বাংলায়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তাকে বিশ্বকবি বলা হয় কারণ তিনি বিশ্ব সাহিত্যঙ্গনে অনন্য অবদান রেখেছেন। গ) জসীমউদ্দীন — তাকে পল্লীকবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় গ্রামীণ জীবন ও সংস্কৃতি প্রধান হয়ে উঠেছে। ঘ) আবু ইসহাক — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার, তার বিখ্যাত উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ি। মনে রাখার টিপস: রূপসী বাংলা বললেই মনে রাখবে রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের কথা। তার কবিতায় বাংলার রূপ সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে বলে তাকে এই নামে ডাকা হয়।
2. 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ রচিত-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস কেন সঠিক: ১. শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত এবং অন্যতম সেরা রোমান্টিক উপন্যাস। ২. এই বইটির নাম কবিতা হলেও এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং গদ্যে রচিত উপন্যাস। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় এবং লাবণ্য দত্ত। ২. এটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এর ভেতরে কিছু কবিতাও সংযোজিত আছে। ৩. রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে যোগাযোগ, গোরা এবং চোখের খোব অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — শেষের কবিতা কোনো নাটক নয় কারণ এর চরিত্রগুলো নাট্যমঞ্চের জন্য সংলাপের উদ্দেশ্যে তৈরি হয়নি। B) গল্প — এটি কোনো ছোটগল্প নয় কারণ এর পরিধি ও কাহিনীর বিস্তার একটি ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড়। D) প্রবন্ধ — এটি কোনো প্রবন্ধ নয় কারণ এতে কোনো গবেষণামূলক তথ্য বা তত্ত্ব উপস্থাপন করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১. নামের শেষে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা একটি উপন্যাস তা মনে রাখতে হবে। ২. অমিত ও লাবণ্যের প্রেমের গল্প মনে রাখলেই এটি উপন্যাস হিসেবে সহজে চেনা যায়।
3. বীরত্ব শব্দটি কোন পদ?
Created 2 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বীরত্ব একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ যা কোনো গুণের নাম প্রকাশ করে। - বীর শব্দের সঙ্গে ত্ব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বীরত্ব শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা ভাবের নাম বোঝায় তাকে ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য বলে। - বীরত্ব শব্দটি বীর ব্যক্তির গুণ বা ভাব প্রকাশ করায় এটি বিশেষ্য পদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুরতা ব্যাখ্যা: এটি মধু শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গুণের নাম বোঝাচ্ছে এবং বিশেষ্য পদ হয়েছে। উদাহরণ ২: শৈশব ব্যাখ্যা: এটি শিশু শব্দের সঙ্গে অব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে একটি অবস্থার নাম বোঝাচ্ছে এবং বিশেষ্য পদ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিয়া — এটি দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, যা বীরত্ব শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) সর্বনাম — এটি বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা বীরত্ব শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) বিশেষণ — এটি দোষ, গুণ বা অবস্থা নির্দেশ করে কিন্তু বীরত্ব নিজেই একটি গুণের নাম। D) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বীরত্ব একটি গুণের নামবাচক পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ত্ব, তা, মতা, পান, কি বা প যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভাববাচক বিশেষ্য হয়। - গুণ বা অবস্থার নাম বোঝালেই চোখ বন্ধ করে বিশেষ্য দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্য চেনার কৌশল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব বেশি আসে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য নির্ণয় করার সময় দেখতে হবে শব্দটি নাম বোঝাচ্ছে নাকি দোষগুণ প্রকাশ করছে।
4. 'হাত-ভারী' বাগধারার অর্থ-
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃপণ কেন সঠিক: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে 'হাত-ভারী' বাগধারাটি বিশেষভাবে কৃপণ বা কিপটে স্বভাবের মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। ২. যার হাত সহজে কোনো কিছু দেওয়ার জন্য খোলে না বা দান করতে চায় না, তাকেই এই বিশেষ বাগধারার মাধ্যমে বোঝানো হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব বা অবস্থাকে প্রকাশ করে। ২. বাংলা ব্যাকরণে লোকমান্য এসব প্রবচন ও বাগধারা আমাদের ভাষাকে আকর্ষণীয় ও সমৃদ্ধ করে তোলে। ৩. যেমন 'হাতে খড়ি' অর্থ পড়াশোনার সূচনা, তেমনি 'হাত-ভারী' অর্থ কৃপণতা প্রকাশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাতা — দাতা অর্থ যিনি দান করেন, যা 'হাত-ভারী' বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) ধনী — ধনী অর্থ যার অনেক ধনসম্পদ আছে, কিন্তু ধনী মাত্রই কৃপণ বা হাত-ভারী নাও হতে পারেন। D) দরিদ্র — দরিদ্র অর্থ যার অভাব রয়েছে, কিন্তু কৃপণতার সাথে এর অর্থের কোনো সরাসরি মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ১. টাকা পয়সা দিতে যার হাত নড়ে না বা ভারী হয়ে থাকে, সেই হলো কৃপণ বা হাত-ভারী। ২. এভাবে বিপরীত শব্দ মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
5. কোনটি ক্রমবাচক শব্দ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সপ্তম ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দবাচক ও ক্রমবাচক সংখ্যার শ্রেণিবিভাগের আওতাভুক্ত। - সপ্তম শব্দটি কোনো বস্তুর বা ব্যক্তির ক্রম বা অবস্থান নির্দেশ করে, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রমবাচক বা পূরক সংখ্যাবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সংখ্যাবাচক শব্দ প্রধানত চার প্রকার, যেমন অঙ্কবাচক, পরিমাণবাচক, ক্রমবাচক এবং তারিখবাচক। - ক্রমবাচক বা পূরক সংখ্যাবাচক শব্দ কোনো সারিতে অবস্থান বা ক্রম বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত পদাশ্রিত বা প্রত্যয়যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম ব্যাখ্যা: এটি একটি ক্রমবাচক শব্দ যা কোনো সারির শুরুতে প্রথম অবস্থান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: দশম ব্যাখ্যা: এটি একটি ক্রমবাচক শব্দ যা দশম স্থান বা অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচই — এটি একটি তারিখবাচক শব্দ, যা মাসের নির্দিষ্ট দিন প্রকাশ করে। B) সপ্তম — এটি একটি ক্রমবাচক শব্দ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) এগারো — এটি একটি মূল সংখ্যাবাচক বা অঙ্কবাচক শব্দ, যা পরিমাণ বা সংখ্যা বোঝায়। D) একুশ — এটি একটি মূল সংখ্যাবাচক শব্দ, যা নির্দিষ্ট পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ইত্যাদি শব্দ দেখলে বুঝবে এগুলো ক্রম বা অবস্থান নির্দেশকারী ক্রমবাচক শব্দ। - তারিখবাচক শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত মাসের দিন বোঝাতে ই বা রা প্রত্যয় যুক্ত হয়, যেমন পহেলা, দোসরা, পাঁচই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক শব্দের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল সংখ্যা (এক, দুই, তিন) এবং ক্রমবাচক সংখ্যা (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়) এর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
6. এক কথায় বচনকে কী বলে?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংখ্যার ধারণা কেন সঠিক: ১. বচন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো সংখ্যার ধারণা, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সংখ্যা প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এক বা বহু হওয়ার ধারণাকেই মূলত বচন বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা নির্দেশ করে। ২. এটি বাক্যের পদের সংখ্যাগত রূপ প্রকাশ করে ব্যাকরণের অর্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ৩. যেমন, কলম বলতে একটি কলম বোঝায় এবং কলমগুলো বলতে একাধিক কলম বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণের ধারণা — বর্ণ হলো ভাষার মৌলিক ধ্বনির প্রতীক, যা বচনের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) শব্দের ধারণা — শব্দ হলো অর্থপূর্ণ ধ্বনিসমষ্টি, কিন্তু বচন বিশেষভাবে সংখ্যার প্রকাশ বোঝায়। D) বাক্যের ধারণা — বাক্য হলো পদের সমষ্টি যা মনের ভাব প্রকাশ করে, এটি সংখ্যার ধারণার সাথে সরাসরি যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ১. বচন শব্দটির সাথে সরাসরি 'সংখ্যা' কথাটি মনে রাখবে। ২. বচন মানেই একের বেশি বা একের কম হওয়ার হিসাব বা গণনা।
7. অপ কী ধরনের উপসর্গ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: - অপ একটি খাঁটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। সংস্কৃত উপসর্গগুলো মূলত তৎসম শব্দের সাথেই বেশি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপবাদ ব্যাখ্যা: বাদ শব্দের পূর্বে অপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে নিন্দা বা দুর্নাম অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অপমৃত্যু ব্যাখ্যা: মৃত্যু শব্দের পূর্বে অপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে স্বাভাবিক নয় এমন মৃত্যু অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ অপ হলো কুড়িটি সংস্কৃত উপসর্গের অন্যতম একটি উপসর্গ। B) বাংলা — এই অপশনটি ভুল কারণ অপ কোনো খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি। C) বিদেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ অপ আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি ভাষার কোনো বিদেশি উপসর্গ নয়। D) মিশ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ অপ কোনো মিশ্র উপসর্গ নয়, এটি একটি স্বতন্ত্র সংস্কৃত উপসর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত উপসর্গগুলো মনে রাখার একটি বিখ্যাত ছন্দ হলো প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি। এখানে অপ উপসর্গটি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে। খাঁটি বাংলা এবং সংস্কৃত উপসর্গগুলোর সংখ্যা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
8. মর্সিয়া শব্দের অর্থ কী?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শোক বা আহাজারি কেন সঠিক: ১. মর্সিয়া একটি আরবি শব্দ যার শাব্দিক অর্থ হলো কারো মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা কিংবা বিলাপ করা। ২. ঐতিহাসিক কারবালার বিষাদময় ঘটনার শহিদদের স্মরণে রচিত ও গীত শোকগাথাকেই মূলত মর্সিয়া বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এবং মুসলিম সাহিত্যধারায় শোক প্রকাশমূলক রচনার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. কারবালার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ইসলামি সাহিত্য ধারায় এই পদগুলো অত্যন্ত আবেগঘন ও করুণ সুরে পরিবেশিত হতো। ৩. যেমন দৌলত উজির বাহরাম খানের 'লায়লী মজনু' বা অন্যান্য শোকাবহ কাব্যের মতো মর্সিয়াতেও বেদনার সুর প্রাধান্য পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোক বা আহাজারি — এটি মর্সিয়া শব্দের সঠিক ও মূল অভিধানিক অর্থ নির্দেশ করে। B) দুঃখ — দুঃখ একটি সাধারণ মানসিক অনুভূতি, কিন্তু মর্সিয়া নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ মৃত্যুর শোক বা বিলাপ বোঝায়। C) শোককাব্য — শোককাব্য হলো মর্সিয়া রচনার সাহিত্যের একটি রূপ বা ধারা, কিন্তু সরাসরি শব্দের অর্থ হলো শোক বা আহাজারি। D) বেদনা মিশ্রিত কাব্য — এই অপশনটি কাব্য বা রচনার ধরন প্রকাশ করে, যা মর্সিয়ার শাব্দিক অর্থের সাথে হুবহু মেলে না। মনে রাখার টিপস: ১. মর্সিয়া শব্দটি দেখলে মনে রাখবে ম দিয়ে মত্যু এবং শোক বা আহাজারি। ২. কারবালার শোকাবহ ঘটনা স্মরণ করে যে আহাজারি করা হয়, সেটাই মর্সিয়া।
9. সন্ধি বিচ্ছেদ করুন: অত্যধিক
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতি + অধিক কেন সঠিক: ১. অতি শব্দের অন্তস্থিত ই কার এবং অধিক শব্দের আদিতে থাকা অ কার মিলে য ফলার সৃষ্টি করেছে। ২. স্বরসন্ধির নিয়মে ই বা ঈ এবং ই বা ঈ ব্যতীত অন্য স্বরবর্ণ থাকলে উভয়ে মিলে য ফলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যেখানে ই কারের পর ভিন্ন স্বরবর্ণ যুক্ত হয়। ২. বাংলা ব্যাকরণে একে ই কার বা ঈ কারের পর অ স্বরবর্ণ আসার ফলে য ফলা বা য হওয়ার নিয়ম বলা হয়। ৩. যেমন ইতি + আদি মিলে ইত্যাদি এবং যদি + অপি মিলে যথাক্রমে য্যপি বা যদ্যপি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতি + ধিক — এই সন্ধিতে অধিক শব্দটির পরিবর্তে ধিক যুক্ত হয়েছে যা মূল শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। B) অত্যা + অধিক — এই নিয়মে অত্যা বলে কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই। C) সঠিক উত্তর — এটি মূল শব্দের সঠিক এবং অর্থপূর্ণ দুটি অংশে বিভক্ত রূপ। D) অ + তাধিক — এই বিভাজনে অ এবং তাধিক উভয় অংশের কোনো সঠিক ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দটিতে য ফলা থাকলে সাধারণত সেখানে হ্রস্ব ই কার বা দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত অংশ খুঁজতে হবে। ২. অত্যধিক শব্দটিকে ভেঙে অতি এবং অধিক অংশ আলাদা করলে খুব সহজেই সন্ধিটি আয়ত্ত করা যায়।
11. 'উজবুক' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি কেন সঠিক: ১. উজবুক শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং এর অর্থ হলো নির্বোধ বা বোকা মানুষ। ২. বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দের মধ্যে তুর্কি শব্দ হিসেবে উজবুক বহুল পরিচিত একটি শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বিদেশি শব্দ নানা উৎস থেকে এসেছে এবং তুর্কি ভাষা তার মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ২. বাংলা সাহিত্যে ও কথ্য ভাষায় মানুষের বিভিন্ন মানসিক বৈশিষ্ট্য বোঝাতে এই তুর্কি শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। ৩. যেমন তুর্কি ভাষার অন্যান্য কিছু শব্দের মধ্যে রয়েছে দারোগা, চাকর, বাবুর্চি ও তোপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ ও রোজা শব্দগুলো বাংলায় এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। B) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি ও সাবান শব্দগুলো বাংলায় এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে কলম, কিতাব ও আদালত শব্দগুলো বাংলায় এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। মনে রাখার টিপস: ১. বোকা বা নির্বোধ প্রকৃতির কোনো তুর্কি বন্ধুকে উজবুক বলে ডাকলে শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়। ২. তুর্কি শব্দের তালিকা পড়ার সময় উজবুক শব্দটিকে আলাদাভাবে দাগিয়ে রাখলে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
12. কোনটি মৌলিক স্বরধ্বনি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এ কেন সঠিক: ১. এই ধ্বনি উচ্চারণের সময় অন্য কোনো স্বরধ্বনির সাহায্য নিতে হয় না এবং এটি নিজেই পূর্ণ ও স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি এবং 'এ' তাদের মধ্যে অন্যতম একটি প্রধান ধ্বনি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে স্বরধ্বনিগুলোকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়। ২. বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনির জন্য নির্দিষ্ট বর্ণ থাকলেও উচ্চারণের দিক থেকে এদের সংখ্যা সাতটি নির্ধারিত হয়েছে। ৩. যেমন 'অ', 'আ', 'ই', 'উ', 'এ', 'ও' এবং 'অ্যা' এর মধ্যে 'এ' একটি অন্যতম মৌলিক স্বরধ্বনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঔ — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি কারণ এটি গঠিত হয় অ এবং উ অথবা ও এবং উ এর সম্মিলিত উচ্চারণের মাধ্যমে। B) ঈ — এটি দীর্ঘ স্বরধ্বনি এবং এটি ই ধ্বনির দীর্ঘ রূপ হিসেবে পরিগণিত হয় তাই এটি মৌলিক স্বরধ্বনি নয়। C) ঐ — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা অ এবং ই অথবা ও এবং ই এর মিলিত প্রভাবে উচ্চারিত হয়ে থাকে। D) এ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিজে একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এর কোনো যৌগিক রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: ১. যে স্বরগুলোকে আর ভাঙা যায় না এবং যা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি হিসেবে মনে রাখবে। ২. ঔ এবং ঐ এই দুটি বর্ণ সবসময় যৌগিক স্বরধ্বনি হিসেবে ধরা হয়, তাই এগুলো বাদ দিলেই সঠিক উত্তর পেয়ে যাবে।
16. "মসজিদ এই, মন্দির এই, গির্জা এই হৃদয়" কোন কবিতার চরণ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঐকতান কেন সঠিক: ১. এই চরণটিতে বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয়ের কথা বলা হয়েছে যা বিশ্বমানবতার মিলনের প্রতীক। ২. কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ঐকতান কবিতায় সকল মানুষের হৃদয়ে মিলনের সুর বাজানোর কথা বলেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মানবতাবাদী কবিতা। ২. এই কবিতায় কবি সংকীর্ণতা ভুলে সকল মানুষের সংস্কৃতি ও ধর্মকে এক সূত্রে গাঁথার আহ্বান জানিয়েছেন। ৩. যেমন কবি গেয়েছেন সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে তেমনি এখানেও সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐকতান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল কবিতার চরণ। B) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সর্বধর্ম সাম্যভিত্তিক কবিতা হলেও আলোচ্য চরণটি এই কবিতার নয়। C) তোমার আপন পতাকা — এটি আহসান হাবীবের একটি জনপ্রিয় কবিতা হলেও এই পংক্তিটি এর অন্তর্গত নয়। D) এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে — এটি জীবনানন্দ দাশের লেখা রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি প্রকৃতি বিষয়ক কবিতা। মনে রাখার টিপস: ১. ধর্মীয় মিলনের কথা থাকলে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের কবিতা হলে সাধারণত সেটি ঐকতান হয়। ২. মসজিদ মন্দির গির্জার কথা একসাথে থাকলে রবীন্দ্রনাথের ঐকতান কবিতার কথা মনে রাখবে।
17. বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম বাংলা কোন সালে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩০৬ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি কবি ও সাহিত্যিক পরিচিতি সংক্রান্ত। কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ (ইংরেজি ১৮৯৯ সালের ২৪ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা অন্যতম বিখ্যাত কবিতা যা তাকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে বিদ্রোহী কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০৬ — এটি কবির সঠিক জন্মসাল যা বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ নির্দেশ করে। B) ১৩০৮ — এই সালটি কবির জন্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য। C) ১৩০৯ — এই সালটি ভুল কারণ কবি এর তিন বছর আগেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। D) ১৩১১ — এই সালটি ভুল এবং এটি সঠিক জন্মসালের সঙ্গে মিলছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের জন্মসাল মনে রাখতে ১৩০৬ সাল মনে রাখুন এবং তার দুই বছর পর ১৩০৮ সালে তার বিখ্যাত অগ্নিবীণা প্রকাশের সাল মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় কবির জন্মতারিখ ও সাল প্রায়ই আসে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় সালের তারিখ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
18. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদকের নাম-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী কেন সঠিক: বাংলা চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে এই পত্রিকা প্রকাশ করেন। বাংলা সাহিত্য জগতে নতুন ধারার প্রকাশ ও চিন্তার নবজাগরণ সৃষ্টিতে এই পত্রিকার সম্পাদকের ভূমিকা ছিল অনন্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা গদ্যে সাধু রীতির কৃত্রিমতা দূর করে মুখের ভাষাকে লেখার ভাষায় রূপ দেওয়ায় প্রমথ চৌধুরীর অবদান অপরিসীম। সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লেখা প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় আধুনিক চিন্তা ও মননশীলতার বিস্তার ঘটিয়েছিল। এই পত্রিকার মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক বিখ্যাত গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি এই পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নিয়মিত লেখক হলেও পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি নবযুগের মতো অন্য পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন কিন্তু সবুজপত্রের সম্পাদক ছিলেন না। C) প্রমথনাথ বিশী — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষক হলেও সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি এই পত্রিকার মূল প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক এবং তাঁর সাহিত্যিক নাম ছিল বীরবল। মনে রাখার টিপস: সবুজ পাতা দেখলেই প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখবে কারণ তিনি এর জন্মদাতা। বাংলা চলিত গীতি বা ভাষা মানেই প্রমথ চৌধুরী এবং তাঁর সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা।
20. সমাস ভাষাকে কী করে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপ করে কেন সঠিক: সমাসের মূল কাজ হলো একাধিক পদকে একত্রিত করে একটি মাত্র পদে পরিণত করা। এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং বাক্য গঠন সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাসের আক্ষরিক অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। বাংলা ব্যাকরণে পদের ব্যবহার সহজ ও সাবলীল করার জন্য সমাসের জুড়ি নেই। যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন সমান সিংহাসন, যা একটি বড় বাক্যাংশকে ছোট করে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) বিস্তৃত করে — সমাস বাক্যকে বড় করে না, বরং একাধিক পদকে মিলিয়ে ছোট বা সংক্ষিপ্ত করে তোলে। C) অর্থপূর্ণ করে — পদগুলো আগেই অর্থপূর্ণ থাকে, সমাস কেবল সেগুলোকে একসাথে প্রকাশ করে। D) অর্থের রূপান্তর করে — সমাস পদের মূল অর্থের পরিবর্তন করে না, বরং নতুন পদ তৈরি করে ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সমাস শব্দটির অর্থ মনে রাখলেই বোঝা যায় এটি মূলত কথা বা বাক্যকে ছোট বা সংক্ষেপ করে।
21. ক্রিয়ার মূলকে বলে-
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধাতু ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয় কারণ এটি ক্রিয়াপদের অবিভাজ্য মূল রূপ। কোনো ক্রিয়াপদের শেষ থেকে বিভক্তি বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তা হলো ধাতু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ দিয়ে কোনো কিছু করা বোঝায় তাদের ক্রিয়া বলে এবং ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষবাচক ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + তে = পড়তে ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং তে হলো বিভক্তি। উদাহরণ ২: যা + ই = যাই ব্যাখ্যা: এখানে যা হলো ধাতু এবং ই হলো বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কারক বা কাল বোঝায়, ক্রিয়ার মূল নয়। C) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা হলো কর্ম। D) সমাস — অর্থের সংগতি রক্ষা করার জন্য একাধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়ার মূল মানেই ধাতু, এটি মনে রাখতে ক্রিয়ার মূল ও ধাতুর প্রথম অক্ষর মেলাতে পারো। ধাতু মানেই ক্রিয়ার উৎপত্তির মূল উৎস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ধাতু প্রধানত তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু। এই শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
22. যোগরূঢ় শব্দ কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাখামৃগ ১. কেন সঠিক: - শাখামৃগ শব্দটি যোগরূঢ় শব্দের সঠিক উদাহরণ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি নির্দিষ্ট বিশেষ অর্থ অর্থাৎ বানরকে বোঝায়। - যোগরূঢ় শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সমাস নিষ্পন্ন হয়ে পদের সাধারণ অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা শব্দকে যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। - সমাসের সাহায্যে গঠিত যেসব শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা পঙ্কজ, কিন্তু এটি সাধারণ অর্থে পঙ্কে জন্মায় এমন কিছু না বুঝিয়ে কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়। উদাহরণ ২: রাজপুত ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র রাজপুত, কিন্তু এটি রাজার ছেলেকে না বুঝিয়ে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলম — কলম একটি মৌলিক শব্দ এবং এর কোনো সাধিত বা সমাসবদ্ধ অর্থ নেই যা বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে। B) মলম — মলম একটি বিদেশি শব্দ এবং এটি কোনো সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। C) বাঁশি — বাঁশি একটি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ এবং এটি সাধারণ অর্থে বাঁশ দিয়ে তৈরি বাদ্যযন্ত্র বোঝায়। D) শাখামৃগ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি যোগরূঢ় শব্দের নিয়ম অনুসারে বানর অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যোগরূঢ় শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বহুব্রীহি সমাসের সাহায্যে গঠিত যেসব শব্দ নির্দিষ্ট কোনো প্রজাতি বা বস্তুর নাম বোঝায়, সেগুলোকে যোগরূঢ় হিসেবে চিহ্নিত করা। - পঙ্কজ, রাজপুত এবং শাখামৃগ এই তিনটি শব্দ ভালো করে মনে রাখলে পরীক্ষা উত্তর করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই যোগরূঢ় শব্দ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - সাধারণ অর্থ বাদ দিয়ে যখন কোনো শব্দ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে যোগরূঢ় হিসেবে দাগাতে হবে।
23. বাক্যযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাকে কী বলে?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্ষর কেন সঠিক: ১. মানুষের বাক্যযন্ত্রের একবারের ন্যূনতম প্রচেষ্টায় উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বলা হয়। ২. এটি শব্দের সেই অংশ যা একবারে বা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয় এবং এর উচ্চারণের সময়কাল খুব কম হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে অক্ষর বা স্লেবল হলো বাক্যের বা শব্দের উচ্চারণের একক। ২. এর সাথে লেখার রূপ বা বর্ণমালার সরাসরি সম্পর্ক নেই, এটি সম্পূর্ণভাবে উচ্চারণভিত্তিক। ৩. যেমন, কলম শব্দটিতে দুটি অক্ষর আছে, যা ক ও লম এভাবে উচ্চারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক, যা বাক্যযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে সরাসরি উচ্চারিত হয় না। B) পদ — পদ হলো বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু, যা বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অক্ষর থেকে অনেক বড় একক। D) বিভক্তি — বিভক্তি হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে, এর সাথে উচ্চারণের একক বা অক্ষর মেলানো যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াস বা এক নিঃশ্বাসের উচ্চারণ পেলেই সাথে সাথে অক্ষর বা স্লেবল দাগিয়ে দেবে।
25. Choose the correct one-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Misspell কেন সঠিক: সঠিক ইংরেজি বানানটি হলো মিসস্পেল। এটি উপসর্গ মিস এবং মূল শব্দ স্পেল মিলে গঠিত হয়েছে। এখানে দুটি এস বর্ণ একসাথে বসেছে। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mispel — এই বানানে এস বর্ণ একটি কম আছে তাই এটি ভুল। B) Misspell — এটি সঠিক বানান। C) Misspell — এটি সঠিক বানান এবং অপশন বি এর হুবহু এক। D) Mispel — এই বানানে এস বর্ণ একটি কম আছে তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে মিস এবং স্পেল আলাদা করে ভাবুন। দুটি শব্দ একসাথে লিখলে দুটি এস একসাথে বসে।
26. Choose the correct passive form of- 'I have lost my wallet'
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) My wallet has been lost কেন সঠিক: Active voice টি Present Perfect Tense এ আছে কারণ এখানে have + V3 ব্যবহৃত হয়েছে। Passive voice এ Tense অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং Subject এর পরে has/have been বসে। Object এখানে Subject হয়েছে এবং মূল verb এর Past Participle রূপ বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) My wallet had been lost — এটি Past Perfect Tense এ পরিবর্তিত হয়েছে, যা প্রশ্ন প্রদত্ত Tense এর সাথে মিলছে না। B) এটি সঠিক উত্তর বিধায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) My wallet was lost — এটি Past Indefinite Tense এ রূপান্তরিত হয়েছে, যা মূল বাক্যের Tense পরিবর্তন করে ফেলে। D) My wallet is lost — এটি Present Indefinite Tense এ রূপান্তর করা হয়েছে, যা গঠনগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Active voice এ যে Tense থাকে, Passive voice এ তার auxiliary verb এর রূপ পরিবর্তন হলেও Tense এর মূল ধরন ঠিক রাখতে হয়।
27. Which one is an adjective?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) special কেন সঠিক: special শব্দটির অর্থ বিশেষ, যা সাধারণত কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি বাক্যে noun এর আগে বসে তার দশাকে নির্দেশ করে বিধায় এটি একটি adjective. এটি adjective এর কাজ সম্পূর্ণভাবে সফল করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) crime — এটি একটি noun যার অর্থ অপরাধ এবং এটি কোনো adjective নয়। B) miser — এটি একটি noun যার অর্থ কৃপণ ব্যক্তি এবং এর adjective রূপ হলো miserly. C) special — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপشن হিসেবে অন্য কিছু বোঝানো হয়েছে। D) run — এটি একটি verb বা ক্রিয়া যার অর্থ দৌড়ানো এবং এটি কোনো adjective নয়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো noun বা pronoun এর দোষ বা গুণ বুঝায় এবং কেমন প্রশ্নের উত্তর দেয়, তাকে adjective বলে।
28. The opposite word for 'ally' is-
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Foe কেন সঠিক: Ally শব্দের অর্থ হলো মিত্র বা সহযোগী। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে Foe ব্যবহার করা হয় যার অর্থ শত্রু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Companion — এর অর্থ সঙ্গী বা সাথী, যা Ally শব্দের সমার্থক এবং বন্ধুভাবাপন্ন। B) Friend — এর অর্থ বন্ধু, যা Ally শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে এবং সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। C) Partner — এর অর্থ অংশীদার বা সহযোগী, যা Ally শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Foe — এটি সঠিক অপশন কারণ এর অর্থ শত্রু এবং এটি Ally শব্দের প্রকৃত বিপরীতার্থক। মনে রাখার টিপস: Ally শব্দের শুরু এ দিয়ে এবং এর উল্টো বা শত্রু হলো Foe, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
29. A person who knows several foreign language?
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) polyglot কেন সঠিক: polyglot শব্দের অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি একাধিক বা অনেকগুলো ভাষা জানেন বা বলতে পারেন। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যিনি কয়েকটি বিদেশী ভাষা জানেন, তার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ এটি। এটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ বহু ভাষা জানা। ভাষা সম্পর্কিত বিশেষ দক্ষতার ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spokesman — এই শব্দের অর্থ মুখপাত্র, যিনি কোনো দল বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কথা বলেন। B) linguist — এই শব্দের অর্থ ভাষাবিজ্ঞানী, যিনি ভাষার বিজ্ঞানসম্মত বা তাত্ত্বিক গবেষণা করেন। C) geologist — এই শব্দের অর্থ ভূবিজ্ঞানী, যিনি পৃথিবী এবং তার গঠন নিয়ে পড়াশোনা করেন। D) polyglot — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: poly শব্দের অর্থ বহু এবং glot শব্দের অর্থ ভাষা, তাই দুটি মিলে হয় বহু ভাষায় দক্ষ ব্যক্তি।
30. Which of the following phrases mean 'to tolerate'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Put up with কেন সঠিক: এই ফ্রেজাল ভারบটির অর্থ সহ্য করা বা কোনো কিছু মেনে নেওয়া। প্রশ্নানুসারে 'to tolerate' বা সহ্য করার সাথে এই অর্থটি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Put up with — সঠিক উত্তর বিধায় এটি সহ্য করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। B) Put off — এর অর্থ কোনো কাজ স্থগিত রাখা বা পিছিয়ে দেওয়া। C) Put out — এর অর্থ আগুন নেভানো বা কাউকে বিরক্ত করা। D) Put down — এর অর্থ কোনো কিছু নিচে রাখা বা লিখে নেওয়া। মনে রাখার টিপস: কোথাও টিকে থাকার জন্য যেমন কষ্ট সহ্য করতে হয়, তেমনি Put এর সাথে up with যুক্ত হলে সহ্য করা বোঝায়।
31. The most famous satirist in English literature-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Jonathan Swift কেন সঠিক: জোনাথন সুইফট ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং বিখ্যাত ব্যঙ্গকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তাঁর লেখা 'Gulliver Travels' ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্যের এক অনন্য ও অমর সৃষ্টি। তিনি সমাজের নানা অসঙ্গতি ও রাজনৈতিক দুর্নীতি অত্যন্ত তীব্রভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই অনন্য অবদানের জন্যই তাঁকে ইংরেজি সাহিত্যের সেরা ব্যঙ্গকার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jonathan Swift — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয় বরং প্রশ্নটির মূল উত্তর। B) Alexander pope — তিনি মূলত একজন বিখ্যাত ও প্রখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক কবি ছিলেন, সার্বিকভাবে সেরা গদ্য ব্যঙ্গকার নন। C) Joseph Addison — তিনি একজন বিখ্যাত প্রবন্ধকার ও নাট্যকার ছিলেন, তবে প্রধানত ব্যঙ্গকার হিসেবে পরিচিত নন। D) Richard Steel — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, প্রধান ব্যঙ্গকার হিসেবে তাঁর খ্যাতি নেই। মনে রাখার টিপস: সুইফট মানেই ব্যঙ্গসাহিত্য, আর গালিভার ট্রাভেলস তাঁর সবচেয়ে বড় ব্যঙ্গাত্মক পরিচয়।
32. Find out the correct sentence-
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I sold all of my furniture কেন সঠিক: furniture একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে এস বা ইএস যোগ করে বহুবচন করা যায় না। তাই সঠিক রূপটি হলো ফার্নিচার এবং এর আগে অল অফ বসানো সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: B) B - furniture শব্দের সাথে এস যুক্ত করা হয়েছে যা আনকাউন্টেবল নাউনের নিয়মের সম্পূর্ণ বাইরে। C) C - vegetable একটি কাউন্টেবল নাউন হওয়ায় একে শুধু একবচনে রাখা ভুল এবং এটি ভেজিটেবলস হওয়া উচিত। D) D - কাজের উদ্দেশ্যে কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে ফর ওয়ার্ক না লিখে অন ওয়ার্ক বা টু ওয়ার্ক লেখা উচিত। মনে রাখার টিপস: আনকাউন্টেবল নাউন যেমন ফার্নিচার, ইনফরমেশন, নিউজ ইত্যাদির সাথে কখনো এস বা ইএস যুক্ত হয় না।
33. The younger you are, ______ it is to learn.
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the easier কেন সঠিক: বাকyটিতে 'The + comparative + subject + verb' এর নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে। তাই অপর অংশেও 'the + comparative' গঠন করতে হবে, যার সঠিক রূপ হলো 'the easier'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the easier — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের শূন্যস্থানে নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। B) the easy — এটি তুলনামূলক ডিগ্রি নয়, তাই দ্বৈত পরিবর্তনের নিয়মে এখানে বসবে না। C) the easiest — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যা এই ধরনের সমান্তরাল তুলনার নিয়মের সাথে মেলে না। D) cashier — এটি একটি বিশেষ্য শব্দ এবং এর অর্থ ক্যাশিয়ার, যা ব্যাকরণগতভাবে এখানে সম্পূর্ণ অবান্তর। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'The' এর পরে তুলনামূলক ডিগ্রি (comparative form) থাকলে, কমার পরের অংশেও 'The' এর পরে আরেকটি তুলনামূলক ডিগ্রি বসাতে হয়।
34. Choose the correct sentence-
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The rich are not always happy কেন সঠিক: adjectives-এর আগে definite article বসে সম্পূর্ণ ধনী সম্প্রদায়কে বোঝালে তা plural noun হিসেবে গণ্য হয়। তাই এক্ষেত্রে verb-টি હંમેશા plural form-এর হয় এবং proper word order বজায় থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rich is not always happy — adjective-এর আগে the না থাকায় এটি grammatically অসম্পূর্ণ এবং ভুল। B) The rich is not always happy — subject plural হওয়া সত্ত্বেও singular verb ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল। C) The rich are not always happy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) The rich is not happy always — এখানে verb ভুল এবং word order-এর নিয়ম মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: the-এর সাথে adjective বসলে তা পুরো জাতিকে বোঝায় এবং তার সাথে সর্বদা plural verb বসে।
35. Have you ever been _____ Dhaka?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: কোথাও ভ্রমণ করা বা কোথাও গিয়ে আবার ফিরে আসার ক্ষেত্রে 'go', 'come' বা 'be' verb এর পরে 'to' preposition ব্যবহৃত হয়। ঢাকা একটি বড় শহর হওয়া সত্ত্বেও এখানে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বোঝাতে 'in' না বসে 'to' বসেছে। এখানে মূলত স্থান পরিদর্শনের অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যাওয়া বা থাকার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — সাধারণত ছোট স্থান, গ্রাম বা নির্দিষ্ট ঠিকানার পূর্বে বসে, তাই বড় শহরের ক্ষেত্রে এটি ভুল। B) in — ভেতরে অবস্থান করা বোঝালে 'in' বসে, কিন্তু কোথাও ভ্রমণ করে আসার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না। D) on — কোনো তলের উপরে কিছু অবস্থিত থাকলে বা বার ও তারিখের পূর্বে এটি বসে, তাই স্থানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে সাধারণত have been এর পরে সর্বদা to preposition ব্যবহার করবে।
36. The phrase 'call it a day' means-
Created 2 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) finish work কেন সঠিক: ১. 'call it a day' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ দিন শেষ করা। ২. কর্মক্ষেত্রে এর ভাবার্থ হলো আজকের মতো কাজ শেষ করা বা বন্ধ ঘোষণা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) open an event — এর অর্থ কোনো অনুষ্ঠান শুরু করা, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) fix an appointment — এর অর্থ কোনো সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করা, যার সাথে কাজের সমাপ্তির কোনো সম্পর্ক নেই। C) finish work — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) spend the time — এর অর্থ সময় কাটানো, যা নির্দিষ্টভাবে কোনো কাজ শেষ করার ভাবার্থ বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যায় ঘরে ফেরার সময় আমরা বলি আজ দিনের কাজ শেষ, ঠিক তেমনি 'call it a day' মানে কাজ সমাপ্ত করা।
37. Everybody likes flower, _____?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) don't they কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে Everybody থাকলে তার পরিবর্তে ট্যাগ কোশ্চেনে subject হিসেবে they ব্যবহার করতে হয়। মূল বাক্যে likes থাকায় এবং তা affirmative হওয়ায়, ট্যাগ কোশ্চেনের auxiliary verb হিসেবে don't ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does he — subject হিসেবে he ব্যবহার করলে তা singular বোঝায়, কিন্তু Everybody plural অর্থ প্রকাশ করে। B) doesn't — এখানে শুধু auxiliary verb দেওয়া আছে কিন্তু কোনো সঠিক subject ব্যবহার করা হয়নি। C) can he — বাক্যে can না থাকা সত্ত্বেও এখানে modal auxiliary ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। D) don't they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Everybody বা Everyone থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনের subject সবসময় they হয় এবং verb সাধারণত plural হয়।
38. The phrase 'out and out' means-
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) thoroughly কেন সঠিক: Out and out একটি idioms বা বাগধারা যার বাংলা অর্থ পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে। Thoroughly শব্দটির অর্থও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বা সম্পূর্ণ রূপে, যা প্রদত্ত বাগধারাটির সঠিক ভাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) outside — এটি দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা বাইরে বোঝানো হয়, কিন্তু বাগধারাটির অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই। B) not at all — এর অর্থ মোটেও না, যা সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) to go out — এটি একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ যার অর্থ বাইরে যাওয়া, যা বাগধারাটির ভাবার্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Out and out মানে দুইবার out আছে, যার অর্থ বিষয়টি একেবারে ভেতর-বাহির বা পুরোপুরি পরিষ্কার।
39. Which kind of noun is 'arm'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) common কেন সঠিক: - 'Arm' শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা ইউনিক অঙ্গকে না বুঝিয়ে যেকোনো মানুষের হাতকে সাধারণভাবে বোঝায়। - একই শ্রেণির সাধারণ নাম হওয়ায় এটি Common Noun হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proper — Proper Noun নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায়, কিন্তু 'arm' সাধারণ নাম। B) common — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই জাতীয় সব হাতের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে প্রযোজ্য। C) collective — Collective Noun সমষ্টিগত নাম বোঝায়, কিন্তু 'arm' কোনো সমষ্টি বোঝায় না। D) material — Material Noun উপাদান বা বস্তুবাচক নাম বোঝায়, কিন্তু হাত কোনো উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাম কোনো নির্দিষ্ট একককে না বুঝিয়ে সমজাতীয় সব কিছুকে সাধারণ অর্থে বোঝায়, সেটাই Common Noun।
40. Rupa is _____ taller of two sisters.
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: তুলনামূলক বা comparative degree-এর পূর্বে সাধারণত the বসে না। কিন্তু নির্দিষ্ট করে দুটির মধ্যে তুলনা বোঝালে comparative-এর পূর্বে the বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এখানে নির্দিষ্ট করে দুটির মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে। B) an — vowels দিয়ে শুরু শব্দের আগে an বসে কিন্তু এখানে তুলনা বোঝাতে the হবে। C) a — সাধারণ adjectives-এর পরে a বসে না, নির্দিষ্ট করার জন্য the প্রয়োজন। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করার সময় adjective-এর comparative রূপের আগে the বসে।
41. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট-
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Too many cooks spoil the broth কেন সঠিক: বাংলা প্রবাদ অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট এর ইংরেজি সঠিক রূপ হলো টু মেনি কুকস স্পয়েল দ্য ব্রথ। এখানে অনেক রাঁধুনি একসাথে কাজ করলে খাবার নষ্ট হওয়ার ভাবার্থ প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রবাদের ক্ষেত্রে কুকস শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ব্রথ বা ঝোল নষ্ট করার সাথে প্রবাদটির সরাসরি মিল আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Too many saints spoil the broth — এখানে কুকস এর বদলে সেইন্টস বা সাধু ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক প্রবাদ নয়। B) Too many cooks spoil the broth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) As many cooks spoil the broth — এখানে টু মেনি এর বদলে অ্যাজ মেনি ব্যবহার করায় প্রবাদের ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়েছে। D) As many saints spoil the broth — এখানে ভুল শব্দের সাথে ভুল গঠন ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রবাদের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: রান্নার সাথে যুক্ত কুকস শব্দ দিয়েই এই প্রবাদটি মনে রাখবে।
42. What is the plural form of the word 'Louse'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) lice কেন সঠিক: 'Louse' শব্দটি একটি অনিয়মিত বা irregular plural noun-এর উদাহরণ। তাই এর বহুবচন করার সময় সাধারণ নিয়ম মেনে শেষে s বা es যুক্ত হয় না। বরং ভেতরের স্বরবর্ণ বা vowel পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি রূপ নেয়। এই অনিয়মিত পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী louse শব্দের বহুবচন সবসময় lice হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) louses — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ louse শব্দের শেষে সরাসরি s যুক্ত হয় না। B) lice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি ধরা হবে না। C) lices — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ lice শব্দের শেষে es যুক্ত করার কোনো নিয়ম নেই। D) licess — এই বানানটি সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং ইংরেজি অভিধানে এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: Mouse-এর বহুবচন যেমন mice হয়, ঠিক তেমনি Louse-এর বহুবচন lice হয়।
43. What is the feminine gender of 'Host'?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hostess কেন সঠিক: Host শব্দটির সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ বা feminine gender হলো Hostess। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দের শেষে ess যোগ করে স্ত্রীবাচক করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hosten — এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল গঠন এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এমন কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। B) Hosts — এটি Host শব্দের বহুবচন বা plural রূপ, কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। C) Hostess — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Hostes — বানানে ভুল থাকার কারণে এটি একটি অগ্রহণযোগ্য শব্দ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক পুরুষবাচক শব্দের শেষে ess যোগ করে খুব সহজেই স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা যায়।
44. The word 'Lunar' is related to-
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Moon কেন সঠিক: Lunar শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Luna থেকে এসেছে যার অর্থ চাঁদ। তাই চাঁদের সাথে সম্পর্কিত কোনো কিছু বোঝাতে Lunar শব্দটি ব্যবহার করা হয়। যেমন চাঁদের আলো বা চন্দ্রগ্রহণ বোঝাতে লুনার শব্দটি আসে। এটি সরাসরি চাঁদের সাথে সম্পর্কিত একমাত্র সঠিক অপশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sun — সূর্যের সাথে সম্পর্কিত শব্দ হলো Solar যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Planet — গ্রহের সাথে সম্পর্কিত সাধারণ শব্দ Planet বা Planetary। C) Moon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Water — পানির সাথে সম্পর্কিত শব্দ হলো Aquatic বা Hydro। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Solar মানে সূর্য এবং Lunar মানে চাঁদ, বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো।
45. What is the past participle of 'do'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) done কেন সঠিক: - ইংরেজি 'do' verb-টির Past Participle রূপ হলো 'done', যা Perfect Tense গঠনে ব্যবহৃত হয়। - এটি verb-টির V৩ ফর্ম নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) did — এটি 'do' verb-টির Past (V২) রূপ, তাই এটি সঠিক নয়। B) done — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'do' verb-টির Past Participle (V৩) রূপ। C) undone — এটি 'undo' verb-টির Past Participle রূপ এবং এর অর্থ বিপরীত, তাই এটি ভুল। D) undo — এটি মূল verb-এর Base Form বা V১ রূপ, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Do-Did-Done এভাবে verb-টির তিনটি রূপ ছড়ার মতো মুখস্ত রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
46. 'I water the plants' -Here the word 'water' is used as-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Verb কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে water শব্দটি সাবজেক্ট I-এর পরে মূল কাজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ গাছে পানি দেওয়া। ২. ইংরেজি Grammar-এ কোনো noun যখন কাজের কাজ বোঝায়, তখন সেটি verb হয়ে যায়। ৩. এখানে water শব্দটির নিজস্ব কাজ বা action প্রকাশ পাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে water কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজ করা বোঝাচ্ছে। B) Verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Adverb — Adverb সাধারণত verb বা adjective-কে মডিফাই করে, কিন্তু এখানে water নিজে একটি কাজ হিসেবে বসেছে। D) Pronoun — Pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে যা বসে, কিন্তু water কোনো কিছুর পরিবর্তে বসেনি। মনে রাখার টিপস: কোনো noun যেমন water, book বা pen যদি বাক্যে সরাসরি কোনো কাজ করা বোঝায়, তবে তা সর্বদা verb হিসেবে গণ্য হয়।
47. Be aware _____ lies.
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: - Be aware শব্দটির পর নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে অব বসে। - এর অর্থ কোনো বিষয়ে সচেতন থাকা বা সতর্ক হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সঠিক প্রিপজিশন নয় কারণ aware শব্দের পর অ্যাট বসে না। B) of — এটি সঠিক কারণ aware of একটি স্থির প্রিপজিশন গুচ্ছ। C) about — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান ও অপ্রযুক্ত। D) to — এটি সঠিক নয় কারণ aware শব্দের সঙ্গে টু বসে না। মনে রাখার টিপস: সচেতন অর্থে Aware শব্দের পর সবসময় অব প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
48. What is the synonym of 'pardon'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Forgive কেন সঠিক: 'Pardon' শব্দটির অর্থ হলো কাউকে ক্ষমা করা বা মাফ করে দেওয়া। ঠিক একই অর্থে 'Forgive' শব্দটি ব্যবহার করা হয় বলে এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Condemn — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো কাজের জন্য তীব্র নিন্দা করা বা দোষী সাব্যস্ত করা। B) Accuse — এই শব্দটির অর্থ হলো কারো বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা। C) Forgive — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) Convict — এই শব্দটির অর্থ হলো আদালতে কাউকে অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করা। মনে রাখার টিপস: পি-এ-আর-ডি-ও-এন (Pardon) মানে ক্ষমা, আর এফ-ও-আর-জি-আই-ভি-ই (Forgive) মানেও ক্ষমা করা।
49. Last night I _____ there.
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) went কেন সঠিক: বাক্যে last night কথাটি অতীত নির্দেশ করে। তাই এখানে মূল verb এর past form বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — এটি present form হওয়ায় অতীত নির্দেশক বাক্যে বসে না। B) gone — এটি past participle form এবং এর আগে কোনো auxiliary verb নেই। C) went — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে موجود থাকায় এটি হবে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে last night, yesterday বা ago থাকলে verb সবসময় past form হয়।
50. x² – 4x – 1 = 0 হলে x – 1/x এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৪x − ১ = ০ আমাদের মান বের করতে হবে x − (১ ÷ x) এর ধরি, প্রদত্ত সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই x − ৪ − (১ ÷ x) = ০ অতএব, পক্ষান্তর করে পাই x − (১ ÷ x) = ৪ সুতরাং, নির্ণীয় মানটি সরাসরি পাওয়া গেল x − (১ ÷ x) এর মান হলো ৪ উত্তর: ৪
51. শিল্প বিপ্লব হয়েছিল-
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৬০-১৮৩০ খ্রি. কেন সঠিক: - এই সময়ে যুক্তরাজ্যে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয় এবং জল ও বাষ্পীয় শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। - হস্তশিল্পের পরিবর্তে কারখানায় যন্ত্রের সাহায্যে ব্যাপক উৎপাদন শুরু হওয়ার এটিই মূল সময়কাল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০০-১৯৫০ খ্রি. — এটি দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়কাল এবং বিশ্বযুদ্ধের যুগ। B) ১৭৬০-১৮৩০ খ্রি. — এটি প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূচনার ঐতিহাসিক সময়কাল। C) ১৮৫০-১৯২০ খ্রি. — এটি দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব বা প্রযুক্তিগত প্রসারের সময়কাল। D) ১৫৬০-১৭২৯ খ্রি. — এটি শিল্প বিপ্লবের আগের সময়কাল যখন ইউরোপে মূলত কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি ছিল। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যে ১৭৬০ থেকে ১৮৩০ সালের মধ্যে বাষ্পীয় ইঞ্জিন ও কারখানার যুগে প্রথম শিল্প বিপ্লব ঘটেছিল।
53. টিটিকাকা কী?
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হ্রদ কেন সঠিক: টিটিকাকা হলো দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত একটি বিশাল প্রাকৃতিক হ্রদ। এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত নাব্য হ্রদ হিসেবে পরিচিত। পেরু ও বলিভিয়ার সীমান্তে এই হ্রদটি অবস্থিত। এটি দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাখি — এটি কোনো পাখি নয় বরং এটি একটি ভৌগোলিক জলাশয়। B) গাছ — এটি কোনো উদ্ভিদ বা গাছ নয় বরং একটি প্রাকৃতিক জলের উৎস। C) শহর — এটি কোনো শহর বা জনবসতিপূর্ণ এলাকা নয়। D) হ্রদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি বিখ্যাত পর্বতবেষ্টিত হ্রদ। মনে রাখার টিপস: টিটিকাকা নামটির সাথে হ্রদ শব্দটি মনে রাখবে কারণ এটি আন্দিজ পর্বতের উঁচুতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত জলাশয়।
54. ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বুট কে লাভ করেন?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কিলিয়ান এমবাপ্পে কেন সঠিক: তিনি ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে সর্বাধিক গোল করে গোল্ডেন বুট অর্জন করেছেন। তার অসাধারণ গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিং দলকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছিল। ফাইনাল ও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তার গোল করার ক্ষমতা ছিল অতুলনীয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যারি কেন — তিনি ভালো খেললেও এমবাপ্পের মতো সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারেননি। B) কিলিয়ান এমবাপ্পে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) লিওনেল মেসি — এই আসরে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে ব্যর্থ হয়েছেন। D) রোনালদো — বয়স ও ফর্মের কারণে তিনি এই টুর্নামেন্টে গোল্ডেন বুট পাননি। মনে রাখার টিপস: ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল করে এমবাপ্পে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন।
55. কোন ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন 'কে' কেন সঠিক: ১. মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় এই ভিটামিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ২. কোথাও কেটে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে এটি প্রোটিন উৎপাদনে সাহায্য করে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. যকৃতে প্রোথ্রোম্বিন নামক রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান তৈরিতে এটি সাহায্য করে। ২. শরীরে এই ভিটামিনের অভাব ঘটলে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় এবং ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হতে চায় না। ৩. সবুজ শাকসবজি যেমন পালং শাক এবং বাঁধাকপিতে এটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন 'এ' — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং কোষের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, রক্ত জমাট বাঁধায় এর কোনো ভূমিকা নেই। B) ভিটামিন 'সি' — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ত্বক ও দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখতে প্রধানত কাজ করে। C) ভিটামিন 'ডি' — এটি শরীর গঠনে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে এবং হাড় মজবুত রাখে। D) ভিটামিন 'কে' — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও কেটে গেলে রক্ত ক্লোট বা জমাট বাঁধতে সাহায্য করে বলেই একে কোয়াগুলেশন ভিটামিন বা ভিটামিন 'কে' বলা হয়।
56. নিচের কোনটি 'output device' নয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Microphone কেন সঠিক: মাইক্রোফোন হলো একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি আমাদের কণ্ঠস্বর বা শব্দকে কম্পিউটার বা অন্য কোনো যন্ত্রে গ্রহণ করে। এটি আউটপুট ডিভাইস নয় কারণ এটি কম্পিউটার থেকে কোনো ডেটা বা তথ্য বাইরে প্রকাশ করে না। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যন্ত্র যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায়। মাইক্রোফোন আমাদের গলার স্বরের অ্যানালগ শব্দ তরঙ্গকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এর সাধারণ ব্যবহার হলো অডিও রেকর্ডিং, অনলাইন কথা বলা, ভয়েস সার্চ এবং গান গাওয়ার সময়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Monitor — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতরের প্রসেস করা ফলাফল বা ছবি স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। B) Microphone — এটি ইনপুট ডিভাইস হওয়ায় প্রশ্নানুসারে এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) Printer — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতরের নরম কপি বা ডকুমেন্টকে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ড কপি আকারে বের করে দেয়। D) Speaker — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটার থেকে আসা ইলেকট্রনিক সিগন্যালকে আমাদের শোনার উপযোগী শব্দে রূপান্তর করে বাইরে বের করে। মনে রাখার টিপস: যা দিয়ে কম্পিউটারে কিছু প্রবেশ করানো হয় তা ইনপুট এবং যা দিয়ে কম্পিউটার থেকে ফলাফল বাইরে আসে তা আউটপুট ডিভাইস। মুখে কথা বললে ভেতরে ঢোকে তাই মাইক্রোফোন ইনপুট, আর স্পিকার দিয়ে শব্দ বাইরে বের হয় তাই তা আউটপুট।
57. 1 বাইটে বিটের সংখ্যা কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 8 ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হলো বিট (Bit)। আর আটটি বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় এক বাইট (Byte), যা একটি অক্ষর বা ক্যারেক্টার নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বাইট হলো কম্পিউটারের মেমোরিতে ডেটা স্টোরেজ পরিমাপের একটি আদর্শ একক। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের প্রসেসর বাইনারি সংখ্যা শূন্য ও এক নিয়ে কাজ করে এবং এই আটটি বিটের বিভিন্ন বিন্যাসের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটা সংরক্ষণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষর এ লেখার জন্য আটটি বিট বা এক বাইট মেমোরি জায়গার প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রতিটি বর্ণ সংরক্ষণ করতে আটটি বাইনারি অঙ্ক লাগে, যা এক বাইট হিসেবে গণনা করা হয়। উদাহরণ ২: একটি স্ট্যান্ডার্ড পাসওয়ার্ডে আটটি অক্ষর থাকলে তার মেমোরি সাইজ হয় আট বাইট। ব্যাখ্যা: প্রতি অক্ষরে এক বাইট হিসেবে মোট আটটি অক্ষরের জন্য আট বাইট বা চৌষট্টি বিট ডেটা খরচ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 — চার বিটকে একসঙ্গে নিবল বলা হয়, এক বাইট বলা হয় না। B) 8 — এটি সঠিক উত্তর। C) 16 — ষোল বিটকে দুই বাইট বা এক ওয়ার্ড বলা হয়, এক বাইট নয়। D) 32 — বত্রিশ বিট হলো চার বাইটের সমান, যা আধুনিক প্রসেসরের ওয়ার্ড সাইজ। ৫ মনে রাখার টিপস: আট বিটে এক বাইট মনে রাখার জন্য আটের সঙ্গে বাইটের সম্পর্ক মুখস্থ রাখা যায়। বিট হলো বাইনারি ডিজিটের সংক্ষিপ্ত রূপ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এক কিলোবাইট সমান এক হাজার চব্বিশ বাইট এবং আট বিটে এক বাইট এই মৌলিক সম্পর্কগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
58. What is 'LINUX'?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Operating System ১. কেন সঠিক: - লিনাক্স একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যকার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। - এটি ওপেন সোর্স প্রকৃতির হওয়ায় এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং বিনামূল্যে পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একগুচ্ছ সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের বিভিন্ন সম্পদ পরিচালনা করে এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালানোর পরিবেশ তৈরি করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং কার্নেলের মাধ্যমে সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি মাল্টিটাস্কিং, মাল্টিইউজার এবং অত্যন্ত নিরাপদ একটি অপারেটিং সিস্টেম যা সার্ভার থেকে শুরু করে পার্সোনাল কম্পিউটারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উবুন্টু (Ubuntu) ব্যাখ্যা: উবুন্টু হলো লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যবহারবান্ধব অপারেটিং সিস্টেম। উদাহরণ ২: রেড হ্যাট এন্টারপ্রাইজ লিনাক্স (RHEL) ব্যাখ্যা: এটি বড় বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও সার্ভারে ডেটা সুরক্ষা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত একটি লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Malware — ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার, যা সিস্টেমের ক্ষতি করার জন্য তৈরি হয়, আর লিনাক্স সম্পূর্ণ নিরাপদ একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। B) Operating System — এটি সঠিক উত্তর কারণ লিনাক্স কম্পিউটার সিস্টেম পরিচালনার মূল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। C) Application program — অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য তৈরি হয়, যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, কিন্তু লিনাক্স পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে। D) Firmware — ফার্মওয়্যার হলো হার্ডওয়্যারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত সফটওয়্যার, যেমন বায়োস (BIOS), যা লিনাক্সের মতো পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - লিনাক্সের লোগো পেঙ্গুইন (Tux) এবং এটি লিনুস তোরভাল্ডস কর্তৃক ১৯৯১ সালে তৈরি হয়। - উইন্ডোজ ও ম্যাকওএসের মতো লিনাক্সও একটি শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লিনাক্স কার্নেলের জনক লিনুস তোরভাল্ডস। - এটি ইউনিক্স (Unix) অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
59. সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেইনফ্রেম ১. কেন সঠিক: কম্পিউটারের আকার, প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এবং কাজের পরিধির ওপর ভিত্তি করে একে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। সুপার কম্পিউটার হলো সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতির কম্পিউটার, যার ঠিক পরেই আকারে ও ক্ষমতায় ছোট কম্পিউটার হলো মেইনফ্রেম কম্পিউটার। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মেইনফ্রেম কম্পিউটার হলো অত্যন্ত শক্তিশালী ও বড় আকৃতির কম্পিউটার যা একসঙ্গে হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে সেবা দিতে পারে। কার্যপদ্ধতি: এটি একসাথে বহু কাজ বা মাল্টিটাস্কিং করতে পারে এবং এর প্রধান মেমোরি ও ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা অত্যন্ত উচ্চমানের হয়। ব্যবহার: বড় বড় ব্যাংক, বিমান সংস্থা এবং সরকারি সংস্থায় বিশাল ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিমান টিকিটের সংরক্ষণ ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: বিশ্বজুড়ে বিমানের হাজার হাজার যাত্রী একসঙ্গে টিকিট কাটার সময় মেইনফ্রেম কম্পিউটার সেই বিশাল ডেটা নিখুঁতভাবে প্রক্রিয়াজাত করে। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং খাতের কেন্দ্রীয় হিসাব রক্ষণ। ব্যাখ্যা: একটি দেশের সব ব্যাংকের শাখা থেকে আসা দৈনিক কোটি কোটি লেনদেনের হিসাব মেইনফ্রেম কম্পিউটারের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইব্রিড — হাইব্রিড কম্পিউটার হলো অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ ধরনের কম্পিউটার যা এই আকারের শ্রেণিবিভাগের মধ্যে পড়ে না। B) পার্সোনাল — পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি আকারে অনেক ছোট এবং এটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি, যা সুপার কম্পিউটারের তুলনায় অনেক নিচে অবস্থান করে। C) মেইনফ্রেম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট কিন্তু মিনি বা মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে বড়। D) মিনিফ্রেম — মিনি কম্পিউটার বা মিনিফ্রেম কম্পিউটার হলো মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়েও ছোট এবং মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকৃতির কম্পিউটার। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্ষমতা ও আকারের ক্রম মনে রাখার সহজ নিয়ম হলো সুপার কম্পিউটার সবার ওপরে, এরপর মেইনফ্রেম, তারপর মিনি কম্পিউটার এবং সবশেষে পার্সোনাল কম্পিউটার বা মাইক্রো কম্পিউটার। আকার বড় থেকে ছোট হওয়ার এই ধারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার হলো সুপার কম্পিউটার এবং এর ক্ষমতা পরিমাপের একক হলো ফ্লপস। মেইনফ্রেম কম্পিউটার মূলত সেন্ট্রলাইজড ডেটা প্রসেসিং এবং বড় প্রতিষ্ঠানের সার্ভার হিসেবে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
60. নিচের কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যাপল ১. কেন সঠিক: অ্যাপল কোনো অপারেটিং সিস্টেমের নাম নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি প্রযুক্তি উৎপাদনকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির নাম। অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের প্রধান অংশ যা কম্পিউটারের সমস্ত সম্পদ ও কার্যক্রম পরিচালনা করে। বৈশিষ্ট্য: এটি মেমোরি ব্যবস্থাপনা, প্রসেসর নিয়ন্ত্রণ, ফাইল ম্যানেজমেন্ট এবং ইনপুট আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। ব্যবহার: স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং পার্সোনাল কম্পিউটারে হার্ডওয়্যার সচল রাখতে এটি অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: এটি মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্সোনাল কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম। উদাহরণ ২: অ্যান্ড্রয়েড ব্যাখ্যা: এটি গুগল কোম্পানির তৈরি মোবাইল ও স্মার্ট ডিভাইসের জন্য ব্যবহৃত বহুল প্রচলিত একটি অপারেটিং সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যান্ড্রয়েড — এটি একটি জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যা গুগলের তৈরি। B) অ্যাপল — এটি একটি প্রযুক্তি পণ্যের কোম্পানি বা ব্র্যান্ডের নাম, কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) মাইক্রোসফট — এটি একটি বিখ্যাত সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে। D) ম্যাক — এটি অ্যাপল কোম্পানির কম্পিউটারগুলোর জন্য তৈরি করা একটি অপারেটিং সিস্টেমের নাম, যার পূর্ণরূপ ম্যাকিনটশ। ৫. মনে রাখার টিপস: অ্যাপল হলো হার্ডওয়্যার ও ডিভাইস তৈরিকারী কোম্পানি, আর তাদের অপারেটিং সিস্টেমের নাম হলো ম্যাক ওএস বা আইওএস। কোম্পানি আর অপারেটিং সিস্টেমের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাপল কোম্পানির তৈরি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের নাম ম্যাক ওএস এবং মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের নাম আইওএস। মাইক্রোসফটের তৈরি প্রধান অপারেটিং সিস্টেমের নাম উইন্ডোজ।
61. কিন্ডল (Kindle) কী?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ই-বুক রিডারের নাম ১. কেন সঠিক: কিন্ডল হলো বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের তৈরি একটি ই-বুক রিডার ডিভাইস। এটি বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে চোখের ওপর চাপ না দিয়ে ডিজিটাল বই পড়ার সুযোগ করে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কিন্ডল হলো ইলেকট্রনিক কালি প্রযুক্তিভিত্তিক একটি পোর্টেবল ডিভাইস যা ডিজিটাল বই পড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: ই-ইংক প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি কাগজের মতো আলো প্রতিফলিত করে বই পড়ার পরিবেশ তৈরি করে। বৈশিষ্ট্য: এর স্ক্রিন চোখের জন্য আরামদায়ক এবং ব্যাটারি চার্জ দীর্ঘস্থায়ী হয়। ব্যবহার: ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই ডাউনলোড করে যেকোনো স্থানে সহজে পড়ার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজের বইয়ের পরিবর্তে ডিজিটাল ফরম্যাটে উপন্যাস পড়া। ব্যাখ্যা: কিন্ডল ডিভাইসে হাজার হাজার বই একসঙ্গে সংরক্ষণ করে যেকোনো সময় পড়া যায়। উদাহরণ ২: দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষণীয় পিডিএফ বা টেক্সট ফাইল পড়া। ব্যাখ্যা: ট্যাবলেটের নীল আলোর বিপরীতে কিন্ডল স্ক্রিন চোখকে ক্লান্ত হতে দেয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠানের নাম — কিন্ডল কোনো স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান নয়, এটি অ্যামাজন কোম্পানির একটি নির্দিষ্ট পণ্যের ব্র্যান্ড নাম। B) কার্টুনের নাম — কিন্ডল কোনো অ্যানিমেশন বা কার্টুন চরিত্র নয়, এটি একটি বাস্তব ইলেকট্রনিক ডিভাইস। D) সার্চ ইঞ্জিনের নাম — কিন্ডল কোনো তথ্য খোঁজার সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি মূলত পড়ার মাধ্যম। ৫. মনে রাখার টিপস: কিন্ডল শব্দটি শুনলেই অ্যামাজনের বই পড়ার ইলেকট্রনিক ডিভাইসের কথা মনে রাখবে। পড়ার সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এটি ই-বুক রিডার হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কিন্ডল ডিভাইসটি ই-ইংক প্রযুক্তির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় গ্যাজেট ও তার প্রস্তুতকারক বা কাজের ধরন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
62. নিচের কোনটি Application Software?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) VLC Player ১. কেন সঠিক: - VLC Player হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কোনো কাজ যেমন ভিডিও বা অডিও চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি সরাসরি অপারেটিং সিস্টেমের অধীনে থেকে মাল্টিমিডিয়া ফাইল প্রসেস করে ব্যবহারকারীকে বিনোদন বা কাজের সুবিধা দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান বা বিনোদনের কাজ সম্পন্ন করে তাকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলে। - কার্যপদ্ধতি: এটি সিস্টেম সফটওয়্যারের সাহায্যে কম্পিউটারের হার্ডওয়ারে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ফাইল ডিকোড করে আউটপুট দেয়। - ব্যবহার: গান শোনা, সিনেমা দেখা, বা অফিসিয়াল কাজের জন্য এমএস অফিস ও ব্রাউজার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যাখ্যা: এটি একটি ডকুমেন্ট প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা দিয়ে লেখালেখির কাজ করা হয়। উদাহরণ ২: গুগল ক্রোম ব্যাখ্যা: এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য দেখতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DOS — এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার, কোনো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়। B) VLC Player — এটি সঠিক উত্তর এবং একটি মিডিয়া প্লেয়ার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। C) UNIX — এটি একটি জনপ্রিয় মাল্টি-ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার। D) Windows XP — এটি একটি গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার চালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার এবং কাজের সফটওয়্যার হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। - উইন্ডোজ বা ডস হলো ঘর তৈরির ভিত্তি, আর ভিএলসি বা ওয়ার্ড হলো ঘরের আসবাবপত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটার পরিচালনা করে আর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর কাজ করে। - অপারেটিং সিস্টেমের নামগুলো চিনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
63. কোনটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রম (ROM) ১. কেন সঠিক: - রম বা Read Only Memory হলো কম্পিউটারের এমন একটি স্থায়ী স্মৃতি যেখানে প্রস্তুতকারক কর্তৃক স্থায়ীভাবে ডেটা ও নির্দেশাবলি সংরক্ষণ করা হয়। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও এই মেমোরিতে থাকা তথ্য মুছে যায় না, তাই একে নন-ভলাটাইল মেমোরি বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ROM-এর পূর্ণরূপ Read Only Memory বা পঠনযোগ্য স্মৃতি, যা কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালুর সময় প্রয়োজনীয় বায়োস বা বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম এই স্মৃতি থেকে নির্দেশ গ্রহণ করে হার্ডওয়্যার সচল করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত স্থায়ী স্মৃতি এবং এতে সাধারণ ব্যবহারকারী নতুন করে কোনো ডেটা সংরক্ষণ বা পরিবর্তন করতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে যুক্ত বায়োস চিপ। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার চালু করার প্রথম মুহূর্তে যে নির্দেশনা প্রয়োজন হয় তা এই চিপে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার। ব্যাখ্যা: মোবাইল ফোন চালু করার অপারেটিং সিস্টেমের মূল বুট ফাইলগুলো এই স্থায়ী স্মৃতিতে সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) র‍্যাম — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, যা বিদ্যুৎ চলে গেলে তথ্য মুছে ফেলে। B) রম — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি। C) ক্যাশ — এটি প্রসেসরের খুব দ্রুতগতির কিন্তু অত্যন্ত অস্থায়ী ও সীমিত আকারের মেমোরি। D) হার্ডডিস্ক — এটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ বা স্থায়ী সংরক্ষণের মাধ্যম, তবে প্রচলিত কম্পিউটার বিজ্ঞান পরিভাষায় রমকে সরাসরি প্রাইমারি স্থায়ী স্মৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ROM মানে Read Only Memory, যা শুধু পড়া যায় এবং বিদ্যুৎ না থাকলেও তথ্য মুছে যায় না। - RAM মানে Random Access Memory, যা বিদ্যুৎ চলে গেলেই সব তথ্য মুছে ফেলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়োস হলো রম-এর সবচেয়ে ভালো বাস্তব উদাহরণ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভোলাটাইল ও নন-ভলাটাইল মেমোরির পার্থক্য প্রায়ই আসে।
64. প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা কোথায় থাকে?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Clipboard ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে কোনো লেখা বা ছবি কপি (Copy) বা কাট (Cut) করার পর তা সাময়িকভাবে যে স্থানে জমা থাকে, তাকে ক্লিপবোর্ড বলে। এটি অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ মেমোরি অঞ্চল, যা ডেটা স্থানান্তরের কাজটি সম্পন্ন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লিপবোর্ড হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অস্থায়ী স্টোরেজ এলাকা, যা ব্যবহারকারীকে এক স্থান থেকে ডেটা কপি বা কাট করে অন্য স্থানে পেস্ট করতে সহায়তা করে। কার্যপদ্ধতি: যখন কোনো টেক্সট সিলেক্ট করে কপি কমান্ড দেওয়া হয়, তখন অপারেটিং সিস্টেম সেই ডেটা ক্লিপবোর্ডে জমা রাখে এবং পেস্ট কমান্ড দিলে সেখান থেকে ডেটা পুনরুদ্ধার করে গন্তব্য স্থানে বসিয়ে দেয়। বৈশিষ্ট্য: ক্লিপবোর্ড সাধারণত অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে এবং কম্পিউটার রিস্টার্ট করলে বা নতুন কোনো ডেটা আবার কপি করলে আগের ডেটা সাধারণত মুছে যায়। ব্যবহার: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো বাক্য কপি করে অন্য পাতায় বা অন্য ডকুমেন্টে নেওয়ার সময় ক্লিপবোর্ড কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে একটি প্যারাগ্রাফ কপি করে ইমেইলের বডিতে পেস্ট করা। ব্যাখ্যা: প্যারাগ্রাফটি কপি করার সাথে সাথে তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয় এবং পেস্ট করার মাধ্যমে ইমেইলে স্থানান্তরিত হয়। উদাহরণ ২: একটি ওয়েবসাইট থেকে কোনো তথ্য বা ছবি কপি করে ফটোশপে নিয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: ওয়েবসাইট থেকে ছবি বা লেখা কপি করার পর ক্লিপবোর্ড সেটিকে ধারণ করে, যা পরে ফটোশপে পেস্ট করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের মূল বা প্রাইমারি মেমোরি, যা চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা নিয়ে কাজ করে। যদিও ক্লিপবোর্ড প্রযুক্তিগতভাবে র‍্যামেরই একটি অংশ ব্যবহার করে, তবে সুনির্দিষ্টভাবে কপি করা ডেটা ধারণকারী জায়গাকে র‍্যাম না বলে ক্লিপবোর্ড বলা হয়। B) Terminal — এটি একটি টেক্সট-ভিত্তিক ইন্টারফেস, যার মাধ্যমে কমান্ড লিখে অপারেটিং সিস্টেমকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এর সাথে কপি করা ডেটা জমার কোনো সম্পর্ক নেই। D) Hard Disk — এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যেখানে দীর্ঘ সময়ের জন্য ফাইল, সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম সংরক্ষিত থাকে। ক্লিপবোর্ডের ডেটা স্থায়ী হার্ড ডিস্কে জমা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু কাট বা কপি করলেই তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ক্লিপবোর্ড ইতিহাস দেখতে উইন্ডোজ কি এবং ভি একসাথে চাপতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লিপবোর্ড কম্পিউটারের এমন একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা স্থানান্তরে (Copy-Paste) সহায়তা করে। চাকরি পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কপি করা ডেটা কোথায় সংরক্ষিত থাকে, যার সঠিক উত্তর ক্লিপবোর্ড।
65. MS Excel -এ split কোন মেনুর অধীন?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) View কেন সঠিক: ১. এমএস এক্সেলে স্প্লিট অপশনটি স্প্রেডশিটের কাজের সুবিধা অনুযায়ী উইন্ডোকে আলাদা ভাগে ভাগ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. উইন্ডো সংক্রান্ত এই ধরনের কাজের জন্য ভিউ মেনুটি নির্ধারিত থাকে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. স্প্লিট হলো এমএস এক্সেলে একটি উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট টুল যা একই ওয়ার্কশিটকে একাধিক দৃশ্যমান অংশে ভাগ করে। ২. এটি মূলত একটি বড় ডেটাসেট নিয়ে কাজ করার সময় স্ক্রোল করার ঝামেলা এড়াতে সাহায্য করে। ৩. যেমন একটি শিটের প্রথম সারির শিরোনাম ঠিক রেখে শেষের ডেটা দেখার জন্য এই কমান্ড ব্যবহার করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Review — এই মেনুটি বানান বানান পরীক্ষণ, কমেন্ট এবং স্প্রেডশিট সুরক্ষার কাজের সাথে সম্পর্কিত। B) Tools — এমএস এক্সেলের আধুনিক সংস্করণে এই নামে কোনো মূল মেনু থাকে না। C) Insert — এই মেনুটি নতুন রো, কলাম, চার্ট বা ছবি ওয়ার্কশিটে যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) View — এই অপশনটি সঠিক কারণ উইন্ডো প্রদর্শন সংক্রান্ত সব কমান্ড এখানে থাকে। মনে রাখার টিপস: ১. স্ক্রিন দেখা বা সাজানোর কাজ সবসময় ভিউ মেনুতে থাকে। ২. তাই স্প্লিট বা জুম জাতীয় কাজের জন্য ভিউ মেনু নির্বাচন করতে হবে।
66. JPG কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Image file কেন সঠিক: JPG ফাইল ফরম্যাট মূলত ডিজিটাল ছবি সংরক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি ইন্টারমিডিয়েট বা প্রফেশনাল ফটোগ্রাফির ছবি সংরক্ষণ করতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: JPG হলো ডিজিটাল ছবি বা গ্রাফিক্স ফাইল সংরক্ষণের একটি জনপ্রিয় ফরম্যাট। এটি লসি কম্প্রেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফাইলের সাইজ কমায় এবং মান ঠিক রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) System file — এই ফাইলগুলো অপারেটিং সিস্টেমের মূল কার্যক্রম পরিচালনা করে, ছবি সংরক্ষণের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) Animation/Movie file — অ্যানিমেশন বা ভিডিও ফাইলের জন্য আলাদা ফরম্যাট যেমন এমপিফোর বা জিআইএফ ব্যবহার করা হয়। C) Image file — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) MS Encarta document — এটি একটি পুরনো মাল্টিমিডিয়া এনসাইক্লোপিডিয়া সফটওয়্যারের নিজস্ব ডকুমেন্ট ফরম্যাট। মনে রাখার টিপস: জেপিজি নামের শেষের পিজি অংশটি ছবি বোঝাতে ফোটোগ্রাফিক গ্রাফিক্স এক্সপার্ট গ্রুপ থেকে এসেছে।
67. Ransomware কীভাবে কাজ করে?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ দাবি করে কেন সঠিক: ১. এটি ম্যালওয়্যার হিসেবে ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ ফাইল কোড বা এনক্রিপ্ট করে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়। ২. ফাইল ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত হিসেবে হ্যাকাররা সাধারণত অর্থ বা মুক্তিপণ দাবি করে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. এটি এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া কম্পিউটারে প্রবেশ করে। ২. এটি ক্রিপ্টোগ্রাফি অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ফাইলগুলো এমনভাবে লক করে যা সঠিক চাবি ছাড়া খোলা অসম্ভব। ৩. এর বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ওয়ানা ক্রাই বা পেটিয়া র‍্যানসমওয়্যারের নাম উল্লেখ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারনেট সংযোগ ধীর করে দেয় — এটি ম্যালওয়্যারের গৌণ প্রভাব হতে পারে, তবে র‍্যানসমওয়্যারের মূল কাজ ফাইল লক করা। B) ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ দাবি করে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) কম্পিউটারে নতুন অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করে — র‍্যানসমওয়্যার সাধারণত নতুন অ্যাপ ইনস্টল করে না, বরং থাকা ফাইল নষ্ট করে। D) ওয়েবসাইটের কার্যক্ষমতা বাড়ায় — র‍্যানসমওয়্যার কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় না, বরং অকার্যকর করে দেয়। মনে রাখার টিপস: র‍্যানসম শব্দটির অর্থ মুক্তিপণ এবং ওয়্যার মানে সফটওয়্যার, তাই যে সফটওয়্যার মুক্তিপণ চায় সেটাই র‍্যানসমওয়্যার।
68. What is the shortcut key for spelling check in a document?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) F7 ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য অফিস ডকুমেন্টে বানান ও ব্যাকরণ পরীক্ষা বা স্পেলিং চেক করার জন্য এফ সেভেন কি ব্যবহার করা হয়। এই শর্টকাট কি ব্যবহারের মাধ্যমে পুরো ডকুমেন্টে কোনো বানান ভুল বা গ্রামার সংক্রান্ত ত্রুটি থাকলে তা সহজে শনাক্ত ও সংশোধন করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: স্পেলিং চেক হলো একটি সফটওয়্যার ফিচার যা ডকুমেন্টের প্রতিটি শব্দকে তার নিজস্ব অভিধান বা ডিকশনারির সাথে মিলিয়ে দেখে। ভুল শব্দ পেলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিকল্প সঠিক বানান বা সাজেশন প্রদান করে যা ব্যবহারকারী গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো ইংরেজি অনুচ্ছেদ টাইপ করার সময় ভুল বানানযুক্ত শব্দের নিচে লাল রঙের ডেড লাইন আসলে এফ সেভেন চাপলে সংশোধনের প্যানেল আসবে। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে দ্রুত ভুল সংশোধন করে একটি ত্রুটিমুক্ত পেশাদার ডকুমেন্ট তৈরি করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ইমেল লেখার সময় বা প্রেজেন্টেশন স্লাইড তৈরি করার সময় টেক্সট এডিটর সফটওয়্যারে বানান যাচাই করতে এই ফাংশন কি কাজ করে। ব্যাখ্যা: এটি কাজের গতি বৃদ্ধি করে এবং বানান সংক্রান্ত ভুল এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) F7 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি ডকুমেন্টের বানান ও ব্যাকরণ পরীক্ষা করার নির্ধারিত শর্টকাট কি। B) shift + F7 — এই কম্বিনেশনটি থিসরাস বা সমার্থক শব্দ খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয় যা বানান পরীক্ষার কাজ করে না। C) Ctrl + F7 — এটি ডকুমেন্টে সাধারণত উইন্ডো রিসাইজ বা বিশেষ প্যানেল খোলার কাজে ব্যবহৃত হয়, বানান চেক করতে নয়। D) Alt + F7 — এই শর্টকাট কি সাধারণত কোনো ডকুমেন্টে বানান বা ব্যাকরণের পরবর্তী ভুল খুঁজে বের করার কাজে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল স্পেলিং চেক উইন্ডো খোলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ফাংশন কিগুলোর মধ্যে এফ সেভেন শুধু সেভেন সংখ্যাটি মনে রাখলেই স্পেলিং চেকের শর্টকাট সহজে মনে রাখা যায়। বানান বা স্পেলিং শব্দটিতে সাতটি অক্ষর রয়েছে এবং এফ সেভেন কি এর সাথে এর একটি সুন্দর মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাইক্রোসফট অফিসের শর্টকাট কি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই এফ কি গুলোর কাজ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। থিসরাসের শর্টকাট শিফট প্লাস এফ সেভেন এবং বানান চেকের শর্টকাট শুধু এফ সেভেন এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
69. QR Code -এর পূর্ণরূপ হলো:
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Quick Response Code কেন সঠিক: ১. কিউআর কোডের পুরো নাম হলো কুইক রেসপন্স কোড। ২. এটি খুব দ্রুত স্ক্যান করা যায় বলে এর নাম এমন রাখা হয়েছে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. কিউআর কোড হলো দুই মাত্রার বারকোড যা সহজে তথ্য পড়তে পারে। ২. এটি ম্যাট্রিক্স আকারে সাজানো থাকে এবং ক্যামেরা দিয়ে এটি পড়া যায়। ৩. পণ্য কেনাকাটা বা ওয়েবসাইট লিংকের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quality Response Code — এই নামে কোনো প্রযুক্তিগত কোড নেই। B) Quick Report Code — এটি ভুল তথ্য বহন করে এবং অপ্রচলিত। C) Quick Response Code — এটি মূল সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য। D) Quality Report Code — এটি সঠিক আইসিটি পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: ১. দ্রুত উত্তর পাওয়ার জন্য এর নামের শুরুতে কুইক শব্দটি মনে রাখবে। ২. রেসপন্স শব্দের অর্থ উত্তর দেওয়া বা সাড়া দেওয়া।
70. কম্পিউটারের CPU এর কোন অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ALU কেন সঠিক: ১. এটি সিপিইউ এর মূল অংশ যা সমস্ত ধরণের গাণিতিক এবং লজিক অপারেশন পরিচালনা করে থাকে। ২. কম্পিউটারের ভেতরে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং তুলনা সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত এই অংশটি গ্রহণ করে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. এর পূর্ণরূপ হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট যা কম্পিউটারের প্রসেসরের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রধান অংশ। ২. এটি মেমোরি থেকে তথ্য নিয়ে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন করে এবং ফলাফল পুনরায় মেমোরিতে ফেরত পাঠায়। ৩. উদাহরণস্বরূপ, কম্পিউটারে দুটি সংখ্যা যোগ করার নির্দেশ দিলে এই অংশটি সেটির গাণিতিক সমাধান করে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ALU হলো সঠিক উত্তর তাই এই অপশনটি সঠিক এবং অন্যান্য অপশনগুলোর সাথে এর কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ আলাদা। B) Control unit হলো সেই অংশ যা কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও নিয়ন্ত্রণ করে। C) রেজিস্টার সেট হলো প্রসেসরের ভেতরের অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের ক্ষুদ্র স্মৃতি ভাণ্ডার বা মেমোরি এলাকা। D) কোনোটিই নয় অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি প্রথম অপশনেই স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. গাণিতিক কাজের ইংরেজি রূপ হলো অ্যারিথমেটিক এবং লজিক, যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো এএলইউ। ২. পরীক্ষার প্রশ্নে গাণিতিক শব্দ পেলেই চোখ বন্ধ করে এএলইউ উত্তরটি নির্বাচন করবে।
71. বার কোড রিডার কি ধরনের ডিভাইস?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Input ১. কেন সঠিক: - বার কোড রিডার একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি কোনো বস্তু বা পণ্যের গায়ে থাকা বার কোড স্ক্যান করে কম্পিউটারে উপাত্ত বা ডেটা পাঠায়। - এটি আলোক সংকেত ব্যবহার করে কোডগুলো পড়ে এবং তা প্রসেস করার জন্য সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটে প্রেরণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বার কোড রিডার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা আলোকীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে সমান্তরাল কালো ও সাদা দাগযুক্ত কোড পড়ে বুঝতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডিভাইসটির লেজার বা এলইডি আলো ব্যবহার করে বার কোডের ওপর আলো ফেলে এবং প্রতিফলিত আলোর তারতম্য বিশ্লেষণ করে ডেটা তৈরি করে। - ব্যবহার: সুপারশামারে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ, গুদামে পণ্যের স্টক হিসাব এবং হাসপাতালে রোগীর ফাইল ব্যবস্থাপনায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপারশামারে কেনাকাটার সময় পণ্যের গায়ে লাগানো দাগ স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: ক্যাশ কাউন্টারে বিক্রয়কর্মী বার কোড রিডার দিয়ে পণ্যের কোড স্ক্যান করলে কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পণ্যের দাম ও নাম চলে আসে। উদাহরণ ২: কুরিয়ার সার্ভিসে পার্সেল ট্র্যাকিং করা। ব্যাখ্যা: পার্সেলের গায়ে থাকা বার কোড রিডার দিয়ে স্ক্যান করার মাধ্যমে পার্সেলের বর্তমান অবস্থান ও গন্তব্যের তথ্য সিস্টেমে আপডেট করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Output — আউটপুট ডিভাইস হলো সেই যন্ত্র যা কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াকরণ করা ফলাফল ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে, যেমন মনিটর বা প্রিন্টার। বার কোড রিডার ডেটা প্রদর্শন না করে কম্পিউটারে পাঠায়। B) Input — এই অপশনটি সঠিক কারণ বার কোড রিডার তথ্য কম্পিউটারের ভেতর প্রবেশ করায়। C) Storage — স্টোরেজ ডিভাইস হলো এমন মাধ্যম যেখানে ডেটা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়, যেমন হার্ড ডিস্ক বা পেন ড্রাইভ। বার কোড রিডার কোনো ডেটা সংরক্ষণ করে না। D) Memory — মেমোরি হলো কম্পিউটারের অস্থায়ী তথ্য ধারণের স্থান, যেমন র‍্যাম। বার কোড রিডার কোনো মেমোরি চিপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইনপুট মানে ভেতরের দিকে প্রবেশ করানো। বার কোড রিডার বাইরের তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে পাঠায় তাই এটি ইনপুট ডিভাইস। - রিডার বা স্ক্যানার জাতীয় ডিভাইস সাধারণত ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বার কোড প্রথম উদ্ভাবন করেন নরমাল জোসেফ উডল্যান্ড এবং বার্নি সিলভার। - ওএমআর (OMR) এবং এমআইসিআর (MICR) ও ইনপুট ডিভাইসের অন্তর্ভুক্ত।
72. কী-বোর্ডের Shift, Ctrl, Alt Key গুলোকে বলা হয়-
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Modifier Key কেন সঠিক: Shift, Ctrl এবং Alt কি-বোর্ডের সাধারণ অক্ষর টাইপ করার কাজে সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। এগুলো অন্য কোনো কি-এর সাথে একসাথে চেপে ধরে বিশেষ কোনো কমান্ড কার্যকর করা হয়। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: যেসব কি একা কাজ না করে অন্য কি-র কাজের ধরন বদলে দেয় তাদের মডিফায়ার কি বলে। এগুলো সাধারণত অন্য কোনো অক্ষরের সাথে যুক্ত হয়ে শর্টকাট কমান্ড তৈরি করে। যেমন Ctrl এর সাথে C চাপলে কপি এবং V চাপলে পেস্ট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Function Key — এফ ১ থেকে এফ ১২ পর্যন্ত কিগুলোকে ফাংশন কি বলা হয়। এগুলোর কাজ আলাদা এবং নির্দিষ্ট সফটওয়্যারে বিশেষ নির্দেশ দিতে ব্যবহৃত হয়। B) Numeric Key — কি-বোর্ডের ডানপাশে থাকা ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যাভিত্তিক কিগুলোকে বোঝায়। এগুলো হিসাব-নিকাশ এবং দ্রুত সংখ্যা টাইপ করার কাজে ব্যবহার করা হয়। C) Space Key — এটি কি-বোর্ডের সবচেয়ে লম্বা কি যা শব্দের মাঝে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে। এর প্রধান কাজ দুটি শব্দের মাঝে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বা স্পেস তৈরি করা। D) Modifier Key — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল অপশন নেই। এটি অন্য অপশনের মতো সাধারণ কোনো কি নয় বরং কমান্ড পরিবর্তনকারী বিশেষ কি। মনে রাখার টিপস: মডিফাই শব্দটির অর্থ পরিবর্তন করা। যে কিগুলো অন্য কি-র কাজ পরিবর্তন করে তাদের মডিফায়ার কি বলে।
73. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ কেন সঠিক: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবল দুটি মৌলিক প্রতীক বা অঙ্ক ব্যবহৃত হয়। এই দুটি অঙ্ক হলো শূন্য এবং এক, যা কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা নির্ধারণ করে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: বাইনারি হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি হলো দুই এবং এটি দুটি মাত্র অংক ব্যবহার করে। কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ সার্কিট বিদ্যুতের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতি তথা অন এবং অফ এর ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। কম্পিউটার প্রযুক্তিতে সকল ডেটা প্রসেসিং এবং সংরক্ষণের জন্য এই বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) আট — এটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি নির্দেশ করে যেখানে আটটি অঙ্ক থাকে। C) দশ — এটি দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি নির্দেশ করে যা আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি। D) ষোল — এটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি নির্দেশ করে যেখানে ষোলটি প্রতীক থাকে। মনে রাখার টিপস: বাই শব্দের অর্থ দুই, তাই বাইনারি মানেই হলো যার ভিত্তি দুই।
74. কোনটি নিউমেরিক কোড?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) BCD ১. কেন সঠিক: BCD যার পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal, একটি নিউমেরিক কোড। এই কোডে প্রতিটি দশমিক অংককে প্রকাশ করার জন্য চার বিটের বাইনারি সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে কোডের মাধ্যমে শুধুমাত্র সংখ্যা বা দশমিক অংকগুলোকে বাইনারি রূপান্তর করা হয় তাকে নিউমেরিক কোড বলে। কার্যপদ্ধতি: দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে আলাদাভাবে চার বিটের বাইনারি কোড দ্বারা প্রতিস্থাপন করে এটি কাজ করে। ব্যবহার: প্রাচীন কম্পিউটার এবং ডিজিটাল ক্যালকুলেটরে দশমিক হিসাব নিখুঁতভাবে প্রদর্শনের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দশমিক সংখ্যা ৫ এর বিসিডি কোড হলো ০১০১। ব্যাখ্যা: দশমিক ৫ কে চার বিটের বাইনারি কোডে রূপান্তর করলে এই মান পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: দশমিক সংখ্যা ৯৮ এর বিসিডি কোড হলো ১০০১ ১০১৮। ব্যাখ্যা: ৯ এর জন্য ১০০১ এবং ৮ এর জন্য ১০০০ পাশাপাশি বসিয়ে এই কোড তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) BCD — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শুধুমাত্র সংখ্যা নিয়ে কাজ করে। B) ASCII — এটি একটি আলফানিউমেরিক কোড যা বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন নিয়ে কাজ করে। C) EBCDIC — এটি একটি আলফানিউমেরিক কোড যা প্রধানত মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। D) Unicode — এটি একটি সার্বজনীন আলফানিউমেরিক কোড যা পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ নিয়ে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিউমেরিক কোডের ক্ষেত্রে শুধু মনে রাখবে এটি দশমিক সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করে। বিসিডি এর পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড দশমিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিডি কোড কখনো মৌলিক বাইনারি সংখ্যা নয়, এটি দশমিকের প্রতিটি অঙ্ককে আলাদা কোড রূপ দেয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আলফানিউমেরিক ও নিউমেরিক কোডের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
75. কম্পিউটারে কাজের গতি কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ন্যানোসেকেন্ড কেন সঠিক: কম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করে থাকে। এই কারণে এর কাজের গতি পরিমাপের একক হিসেবে ন্যানোসেকেন্ড ব্যবহার করা হয়। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ন্যানোসেকেন্ড হলো সময়ের একটি অতি ক্ষুদ্র একক। এটি সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের এক ভাগ সময়কে নির্দেশ করে। কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ ইলেকট্রনিক সংকেত স্থানান্তরের সময় পরিমাপে এই একক ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিনিট — এটি সময়ের একটি বড় একক এবং কম্পিউটারের প্রসেসিং গতির মতো সূক্ষ্ম বিষয় পরিমাপে এটি ব্যবহার করা যায় না। B) ন্যানোসেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) সেকেন্ড — এটি সাধারণ সময় পরিমাপের একক হলেও কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতি দ্রুত গতির কাজের জন্য এটি অনেক বড় একক। D) ঘণ্টা — এটি দীর্ঘ সময় পরিমাপের একক এবং কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি প্রকাশের জন্য এটি সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার চলে আলোর গতিতে আর সময় মাপে ছোট এককে। ন্যানোসেকেন্ড মনে রাখলেই কম্পিউটারের গতি সহজে বোঝা যায়।
76. একটি ডোমেইনের নামের এক্সটেনশন কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) .com ১. কেন সঠিক: ডোমেইন নেম এক্সটেনশন হলো একটি ওয়েবসাইটের ঠিকানার শেষ অংশ, যা ডোমেইনের ধরন বা শ্রেণী নির্দেশ করে। .com হলো কমার্শিয়াল বা বাণিজ্যিক প্রকৃতির ওয়েবসাইট বোঝাতে ব্যবহৃত সবচেয়ে জনপ্রিয় শীর্ষস্থানীয় ডোমেইন বা Top-Level Domain। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডোমেইন নেম এক্সটেনশন হলো ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট শনাক্তকরণ ঠিকানার শেষ অংশ যা ডট চিহ্নের পরে বসে। কার্যপদ্ধতি: এটি ডিএনএস বা ডোমেইন নেম সিস্টেমের মাধ্যমে আইপি ঠিকানাকে সহজে ব্যবহারযোগ্য নাম হিসেবে রূপান্তর করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: google.com ব্যাখ্যা: এটি একটি বাণিজ্যিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বোঝাতে .com এক্সটেনশন ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: bd.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান বোঝাতে .gov এক্সটেনশন ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) .exe হলো এক্সিকিউটেবল ফাইল বা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রাম ফাইলের এক্সটেনশন। B) .doc হলো মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টের ফাইল ফরম্যাট বা এক্সটেনশন। D) .pdf হলো পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাটের ফাইল এক্সটেনশন যা ডকুমেন্ট রিডিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডট কম বা .com শব্দটি কমার্শিয়াল বা বাণিজ্যিক শব্দ থেকে এসেছে যা সাধারণত ব্যবসায়িক সাইটে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন এক্সটেনশন যেমন .org হলো অর্গানাইজেশন এবং .edu হলো এডুকেশনাল প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট সম্পর্কিত পরীক্ষায় বিভিন্ন ডোমেইন এক্সটেনশন এবং তাদের কাজের ধরন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। .com হলো প্রথম জেনারেশনের জেনেরিক টপ লেভেল ডোমেইনগুলোর একটি যা ইন্টারনেটের শুরুর দিক থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
77. ক্লাউড কম্পিউটারে নিচের কোনটি ক্লাউড হিসেবে চিহ্নিত হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Internet ১. কেন সঠিক: ক্লাউড কম্পিউটিং মূলত ইন্টারনেটভিত্তিক সেবার একটি অবকাঠামো যা দূরবর্তী সার্ভারে ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রসেস করে। ইন্টারনেট না থাকলে ক্লাউড সার্ভারের সঙ্গে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের যোগাযোগ স্থাপন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে ডেটা ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারে ডেটা না রেখে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড প্রোভাইডারের সার্ভারে তা প্রসেস ও সংরক্ষণ করে। ব্যবহার: গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্সে ফাইল ব্যাকআপ রাখা এবং রিমোট সার্ভার থেকে সফটওয়্যার সেবা গ্রহণ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে ফাইল ডাউনলোড বা আপলোড করা। ব্যাখ্যা: এখানে গুগল ড্রাইভ একটি ক্লাউড সেবা এবং ইন্টারনেট হলো মাধ্যম যার মাধ্যমে ক্লাউড সেবাটি পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভার থেকে ডেটা স্ট্রিম হওয়া। ব্যাখ্যা: ভিডিওগুলো ব্যবহারকারীর ডিভাইসে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে না বরং ক্লাউড সার্ভার থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Internet — এটি সঠিক কারণ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল ভিত্তি এবং মাধ্যম হলো ইন্টারনেট। B) Web application — এটি ক্লাউড কম্পিউটারের একটি সেবা বা অংশ মাত্র, পুরো ক্লাউড অবকাঠামো নয়। C) Hadoop — এটি মূলত বিগ ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত একটি ফ্রেমওয়ার্ক, কোনো ক্লাউড অবকাঠামো নয়। D) All — যেহেতু Web application এবং Hadoop সরাসরি ক্লাউড হিসেবে চিহ্নিত হয় না, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইংরেজি আক্ষরিক অর্থ মেঘ হলেও প্রযুক্তিগতভাবে এর অর্থ হলো ইন্টারনেট। ইন্টারনেট হলো সেই আকাশ যার নিচে সব ক্লাউড সেবাগুলো পরিচালিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার প্রধান তিনটি ধরন হলো IaaS, PaaS এবং SaaS। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্লাউড সেবার মডেল এবং এর ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
78. e-GP এর পূর্ণরূপ কী?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Electronic Government Procurement কেন সঠিক: ১. এই শব্দটিতে সরকারি কেনাকাটা বা প্রকিউরমেন্ট বোঝানো হয়েছে, যা ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২. সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই পূর্ণরূপটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. এটি এমন একটি ডিজিটাল পদ্ধতি যার মাধ্যমে সরকারের সকল কেনাকাটা অনলাইনে সম্পাদিত হয়। ২. ইন্টারনেট ব্যবহার করে টেন্ডার আহ্বান থেকে শুরু করে ঠিকাদার নির্বাচন পর্যন্ত সব কাজ করা হয়। ৩. বাংলাদেশে সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই পোর্টাল ব্যবহার করে দুর্নীতির সুযোগ কমানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Electric Government Procedure — এই শব্দগুচ্ছটি আইসিটি বা সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। B) Electronic Government Procedure — এখানে প্রসিডিউর শব্দ থাকার কারণে এটি সঠিক পরিভাষা হয়নি। C) Electronic Government Procurement — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Electronic Grameen Phone — গ্রামীণফোন একটি বেসরকারি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ১. শেষ শব্দ হিসেবে প্রকিউরমেন্ট বা কেনাকাটা শব্দটি মনে রাখলে সঠিক উত্তর সহজে বের করা যাবে। ২. ই-জিপিপি বলতে সরকারি ক্রয়ের অনলাইন ব্যবস্থাকে বোঝায়।
80. সতীদাহ প্রথা কে বিলোপ করেন?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজা রামমোহন রায় কেন সঠিক: রাজা রামমোহন রায় এই প্রথার বিরুদ্ধে তীব্র সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন এবং সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর আইন পাস করে এই প্রথা নিষিদ্ধ করেন। বাংলাদেশ তথ্য: এই ঐতিহাসিক সামাজিক সংস্কারটি অবিভক্ত বাংলার সমাজ সংস্কার আন্দোলনের অন্তর্ভুক্ত এবং নারী মুক্তির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৮২৯ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সিতে এই আইন কার্যকর করা হয় যা বাংলার সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি মূলত বিধবা বিবাহ আইন পাস এবং নারী শিক্ষা প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। B) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং ধর্মীয় সংস্কারে অবদান রাখেন কিন্তু প্রথাটি তিনি বিলোপ করেননি। C) রাজা রামমোহন রায় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি সমাজের নানা অসঙ্গতি উপন্যাসে তুলে ধরেছেন। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা বিলোপের সাথে রাজা রামমোহন রায়ের নাম মনে রাখতে "রামমোহন মানেই সতীদাহ প্রথার অবসান" এই কথাটি মনে রাখবে। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংকের সাথে রাজা রামমোহন রায়ের নাম যুগলবন্দী হিসেবে মনে রাখলে সহজে উত্তর মনে থাকে।
81. বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নারায়ণগঞ্জ কেন সঠিক: বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘরটি ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ে অবস্থিত যা লোকসংস্কৃতির কেন্দ্র। এই জাদুঘরটি প্রাচীন বাংলার লোকশিল্প সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ তথ্য: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ এই লোকশিল্প জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ঐতিহাসিক পানাম নগর এবং মইক্ষম এলাকার কাছাকাছি সোনারগাঁয়ে অবস্থিত। এই প্রতিষ্ঠানটি আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও শিল্প সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে মহাস্থানগড় অবস্থিত কিন্তু লোকশিল্প জাদুঘর নেই। B) রাজশাহী — এটি সিল্ক ও আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত জেলা তবে এখানে লোকশিল্প জাদুঘর নেই। D) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও লোকশিল্প জাদুঘর এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সোনারগাঁয়ের প্রাচীন ঐতিহ্য মনে রাখলেই লোকশিল্প জাদুঘরের নারায়ণগঞ্জ জেলা সহজেই মনে থাকবে।
82. তাজিংডং পর্বতশৃঙ্গের অপর নাম কী?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিজয় ১. কেন সঠিক: তাজিংডং পর্বতশৃঙ্গ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত এবং এর স্থানীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক অপর নাম বিজয়। এই শৃঙ্গটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং ভূতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক বিচারে এটি বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সর্বউচ্চ বিন্দু। ২. ভৌগোলিক ও ভূপ্রাকৃতিক প্রেক্ষাপট: অবস্থান: বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলার রেমাক্রি প্রাংসসা ইউনিয়নে তাজিংডং অবস্থিত। উচ্চতা: এর আনুমানিক উচ্চতা প্রায় ১,২৮০ মিটার বা ৪,১৯৮ ফুট। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেওক্রাডং ব্যাখ্যা: অতীতে কেওক্রাডংকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মনে করা হলেও আধুনিক পরিমাপে তাজিংডং বা বিজয়কে সর্বোচ্চ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: সাকাফাহং ব্যাখ্যা: সাম্প্রতিক গবেষণায় সাকাফাহং নামের আরেকটি পাহাড়ের উচ্চতা নিয়ে আলোচনা থাকলেও সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যবইয়ে তাজিংডং বা বিজয়কেই সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ধরা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় — এটি তাজিংডং পর্বতশৃঙ্গের অফিসিয়াল ও সর্বসম্মত অপর নাম। B) কালাপাহাড় — এটি বান্দরবানের একটি বিখ্যাত পাহাড় হলেও তাজিংডংয়ের অপর নাম নয়। C) চিম্বুক — এটি বান্দরবানের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ও পাহাড়, যার উচ্চতা তাজিংডংয়ের চেয়ে কম। D) মাথার তাজ — এটি তাজিংডং নামের আক্ষরিক অর্থ হতে পারে, কিন্তু পাহাড়টির দাপ্তরিক অপর নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পাহাড়ে উঠে বিজয় অর্জন করতে হয়, তাই তাজিংডংয়ের অপর নাম বিজয়। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া মানেই বিজয়ের নিশানা ও বিজয় নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক উচ্চতা ও পর্বতমালা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাজিংডং কোন জেলায় অবস্থিত এবং এর উচ্চতা কত, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
83. শোলাকিয়া ঈদগাহ কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিশোরগঞ্জ কেন সঠিক: ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলায় নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী ঈদ জামাতের জন্য দেশজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। বাংলাদেশ তথ্য: এই ঈদগাহ ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮২৮ সালে এবং এখানে একসঙ্গে লক্ষাধিক মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। উপমহাদেশের মধ্যে এটি অন্যতম বৃহত্তম ঈদের জামাত হিসেবে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় তাৎপর্য বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেত্রকোনা — এটি ময়মনসিংহ বিভাগের একটি জেলা হলেও এখানে শোলাকিয়া ঈদগাহ অবস্থিত নয়। B) ময়মনসিংহ — এটি একটি বিভাগীয় শহর এবং কিশোরগঞ্জ এর পার্শ্ববর্তী জেলা, তাই এই উত্তর সঠিক নয়। D) ভোলা — এটি বরিশাল বিভাগের একটি দ্বীপ জেলা যা কিশোরগঞ্জ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত শোলাকিয়া মাঠে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
84. বাংলাদেশের দেশের কোড (Country calling code) কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) +৮৮০ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন কর্তৃক নির্ধারিত কান্ট্রি कॉलिंग কোড বা দেশের কোড হলো +৮৮০। - বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টেলিফোন বা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের সময় এই কোডটি ব্যবহার করতে হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভূগোলের অবস্থান ও প্রযুক্তি: আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতিটি দেশের একটি নির্দিষ্ট কান্ট্রি কোড থাকে যা ডায়ালিংয়ের সময় মূল নম্বরের আগে যোগ করতে হয়। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন এই কান্ট্রি কোডগুলো নির্ধারণ ও বরাদ্দ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতের কান্ট্রি কোড +৯১। ব্যাখ্যা: দেশের বাইরে থেকে ভারতে ফোন করতে হলে এই কোডটি ব্যবহার করতে হয়। উদাহরণ ২: পাকিস্তানের কান্ট্রি কোড +৯২। ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশিয়ার আরেকটি দেশের আন্তর্জাতিক কলিং কোডের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) +০১৭ — এটি বাংলাদেশের একটি মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের প্রিফিক্স বা নম্বর শুরুর কোড, দেশের কোড নয়। B) +৮৮০ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিফোন কোড। C) +০২ — এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ল্যান্ডফোন বা টেলিফোন ব্যবহারের এরিয়া কোড। D) +০১৮ — এটি বাংলাদেশের একটি মোবাইল অপারেটর রবির প্রিফিক্স বা নম্বর শুরুর কোড। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কান্ট্রি কোড মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে আমাদের দেশের সংগীতাংশ বা পরিচিতির সঙ্গে +৮৮০ যুক্ত থাকে। - মোবাইল অপারেটরের কোড এবং দেশের কোড এক নয়, এটি পরীক্ষার হলে সতর্ক থাকতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন দেশের কান্ট্রি কোড বা রাজধানী ও মুদ্রার নাম আসে। - আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার এই কোডগুলো জানা থাকলে বাস্তব জীবনেও সহজে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়।
85. দেশের একমাত্র সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কক্সবাজারের রামুতে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নে অবস্থিত। - সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ, গবেষণা এবং সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক সম্পদ: বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মৎস্য ও খনিজ সম্পদ গবেষণার জন্য এই ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। - প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট বা বোরি দেশের সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্যাখ্যা: এটি চাঁদপুরে অবস্থিত এবং দেশের মিঠাপানির মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ব্যাখ্যা: এটি ঢাকায় অবস্থিত এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রদানে কাজ করে যা সমুদ্র গবেষণার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কক্সবাজারের রামুতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট এখানেই অবস্থিত। B) কক্সবাজারের টেকনাফে — টেকনাফ কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা হলেও এখানে মূল সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়। C) কক্সবাজার সদর উপজেলায় — কক্সবাজার সদর পর্যটন কেন্দ্র হলেও দেশের একমাত্র সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে — বাঁশখালী চট্টগ্রামের একটি উপজেলা, যা সামুদ্রিক এলাকা হলেও এই নির্দিষ্ট গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্র গবেষণা ও রামুর প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো সামুদ্রিক গবেষণার প্রথম কেন্দ্র রামুর মাটিতে। - টেকনাফ বা কক্সবাজার সদর ভেবে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না, সঠিক উত্তর রামু উপজেলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সমুদ্র অর্থনীতির প্রসারে এই গবেষণা ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রশ্ন ভবিষ্যতে আসতে পারে।
86. বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৪ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের কল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে। - জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন এই অধিদপ্তরটি সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান: - আইন ও প্রতিষ্ঠা: ২০০৪ সালের বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। - কার্যক্রম: মৃত সরকারি কর্মচারীর পরিবারকে আর্থিক অনুদান, শিক্ষা বৃত্তি এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা এর মূল কাজ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডার ব্যাখ্যা: এটি সরকারের নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করে এবং কল্যাণ বোর্ডের সাথে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ ব্যাখ্যা: এটি সরকারি কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলার পাশাপাশি কল্যাণমূলক সুবিধার আইনি ভিত্তি প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০২ — এই সালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই এটি ভুল উত্তর। B) ২০০৩ — এই সালটি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ২০০৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে বোর্ডটি আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। D) ২০০৬ — এই সালটি বোর্ডের প্রতিষ্ঠার বছর নয়, এটি ভুল অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ২০০৪ সালটি মনে রাখার জন্য স্মরণ করতে পারেন যে, এই বছরেই সরকারি কর্মচারীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিশেষ বোর্ড গঠিত হয়। - চার অঙ্কের এই সালের শেষ দুটি সংখ্যা অর্থাৎ শূন্য চার বা চার মনে রাখলেই সালটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠার সাল জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন কাজ করে।
87. ১৯৪৭ সালের সীমানা কমিশন কোন নামে পরিচিত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) র‍্যাডক্লিফ কমিশন কেন সঠিক: ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভক্তির সময় বাংলা ও পাঞ্জাবের সীমানা নির্ধারণের জন্য এই কমিশন গঠন করা হয়েছিল। স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ এই সীমানা কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন বলে এটি তাঁর নামানুসারে পরিচিত হয়। বাংলাদেশ তথ্য: এই কমিশনের রায়ের মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অংশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট এই সীমানা নির্ধারণী রোয়েদাদ বা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) র‍্যাডক্লিফ কমিশন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সীমানা নির্ধারণ করেছিল। B) মাউন্টব্যাটেন কমিশন — এমন নামে ১৯৪৭ সালে কোনো সীমানা কমিশন গঠিত হয়নি, এটি লর্ড মাউন্টব্যাটেনের পরিকল্পনা ছিল। C) দুরান্ড কমিশন — এটি ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণ করেছিল। D) ম্যাকমোহন কমিশন — এটি ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বতের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: ভারত ও পাকিস্তান বিভক্তির সীমানা মানেই র‍্যাডক্লিফের কাটাছেঁড়া, তাই একে র‍্যাডক্লিফ লাইন বা কমিশন বলা হয়।
88. কে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ প্রদান করেন। জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনে যে দল বা জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, সেই দলের সংসদীয় দলের নেতাকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। বাংলাদেশ তথ্য: সংবিধানের ছাপ্পান্ন অনুচ্ছেদের তিন নম্বর উপধারায় স্পষ্টভাবে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের এই সাংবিধানিক ধারাটি স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় বলবৎ আছে। এই নিয়মটি সংসদীয় গণতন্ত্রের মূলনীতি বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনগণ — জনগণ সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেয় না, তারা কেবল সংসদ সদস্য নির্বাচন করে। B) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পড়ায় না বা সরাসরি নিয়োগপত্র দেয় না, নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। C) রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল তথ্য প্রযোজ্য নয়। D) সরকারি দল — সরকারি দল কেবল তাদের নেতা নির্বাচন করে, কিন্তু সাংবিধানিকভাবে নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার শুধু রাষ্ট্রপতির রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংসদ সদস্য বানান জনগণ, নেতা বানায় দল, আর প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দেন কেবল দেশের রাষ্ট্রপতি।
89. জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ আগস্ট কেন সঠিক: ১. ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা সরকারের পতন ঘটে। ২. এই দিনটিকে স্মরণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৫ আগস্টকে জাতীয়ভাবে বিশেষ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বাংলাদেশ তথ্য: ১. ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। ২. এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ সারা দেশের রাজপথ এবং এর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় ৫ আগস্ট ঢাকায়। ৩. ছাত্র জনতার এই রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের ফলে দেশে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও রাষ্ট্র সংস্কারের পথ উন্মুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জুলাই — এই তারিখে কোনো নির্দিষ্ট বা চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়নি বরং কোটা সংস্কার আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের প্রস্তুতিপর্ব চলছিল। C) ১ জুলাই — এই তারিখ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। D) ১১ জুলাই — এই দিনটিতে আন্দোলন চলাকালীন বিভিন্ন বিশবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি ও পুলিশের সাথে নানা উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: কোটা আন্দোলন শুরু হয়েছিল জুলাই মাসের ১ তারিখে এবং চুড়ান্ত সফলতা বা সরকার পতন ঘটেছিল আগস্ট মাসের ৫ তারিখে।
90. 'Operation Midnight Hammer' কী?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা ১. কেন সঠিক: - অপারেশন মিডনাইট হ্যামার হলো যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে লক্ষ্য করে পরিচালিত একটি সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের কোড নেম। - মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম এবং আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার রোধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের সামরিক কৌশলের কথা বিবেচনা করে আসছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ/সংস্থা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। - প্রেক্ষাপট: ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি রোধ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র বিশেষ করে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এই ধরনের সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে ধ্বংস বা বহু বছর পিছিয়ে দেওয়া। - ফলাফল/প্রভাব: এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে একটি সর্বাত্মক আঞ্চলিক যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেশন মিডনাইট হারকিউলিস ব্যাখ্যা: বিভিন্ন সামরিক অভিযানের নামকরণ বা কোড নেম নির্ধারণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের কৌশলগত নাম ব্যবহার করে থাকে। উদাহরণ ২: স্টাক্সনেট ওয়্যার্ম আক্রমণ ব্যাখ্যা: এর আগে সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনার সেন্ট্রিফিউজ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল, যা প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূরাজনৈতিক বিরোধ মেটানোর এক অনন্য উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। B) ইসরাইল কর্তৃক তেহরানে হামলা — এটি পৃথক কোনো সামরিক বা গোয়েন্দা অভিযান হতে পারে, যা সরাসরি এই কোড নেমের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ইরান কর্তৃক তেল আবিবে হামলা — ইরান সাধারণত প্রক্সি বাহিনী বা সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ইসরাইলকে টার্গেট করলেও এই কোড নেম তার নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইয়েমেনে হামলা — যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হামলা চালালেও তার কোড নেম আলাদা যেমন অপারেশন পোসেইডন আর্চার। ৫ মনে রাখার টিপস: - মিডনাইট হ্যামার বা মধ্যরাতের হাতুড়ি নামটি মনে রাখলে সহজেই বোঝা যায় এটি রাতের আঁধারে কোনো গোপন ও ধ্বংসাত্মক সামরিক বিমান হামলা বা বিশেষ অভিযানকে নির্দেশ করে। - মধ্যপ্রাচ্যের পারমাণবিক সংঘাত বললেই ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার গোপন বা প্রকাশ্য সামরিক পরিকল্পনাগুলোর কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের কোড নেম এবং সংশ্লিষ্ট দেশ সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি, পারমাণবিক কূটনীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
91. কোনটি নিরস্ত্রীকরণ (Disarmament) এর সাথে সম্পৃক্ত নয়?
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) NATO ১. কেন সঠিক: - ন্যাটো কোনো নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা নয়, এটি একটি সামরিক জোট। - এই প্রশ্নটি পারমাণবিক অস্ত্র ও নিরস্ত্রীকরণ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা সংক্রান্ত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: NATO (North Atlantic Treaty Organization) প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী লিগ অব নেশনস নিরস্ত্রীকরণের উদ্যোগ নিয়েছিল। ব্যাখ্যা: নিরস্ত্রীকরণ হলো বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। উদাহরণ ২: স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ব্যাখ্যা: পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাসের মাধ্যমে বিশ্বকে নিরাপদ করা এর মূল লক্ষ্য ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) NATO — এটি একটি সামরিক জোট এবং পারস্পরিক প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত, যা নিরস্ত্রীকরণের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। B) SALT — Strategic Arms Limitation Talks, যা যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র সীমিতকরণের চুক্তি। C) NPT — Nuclear Non-Proliferation Treaty, যা পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে কাজ করে। D) CTBT — Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty, যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ন্যাটো নামের শেষ অক্ষর ও দিয়ে অর্গানাইজেশন বোঝায়, যা একটি সামরিক জোট। - এসএএলটি, এনপিটি এবং সিটিবিটি শব্দগুলো অস্ত্র কমানোর সাথে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সামরিক জোট আর নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য দেখতে হবে।
92. জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটন এলাকায় অবস্থিত। ১৯৪৬ সাল থেকে এই স্থানটি জাতিসংঘের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক তথ্য: যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই সংস্থাটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে জাতিসংঘের ইউরোপীয় কার্যালয় অবস্থিত। B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত নয়। C) নিউইয়র্ক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) চীন — এটি একটি দেশ, কোনো শহর নয় এবং এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে এর মূল কার্যালয় তৈরি করা হয়। বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরকে জাতিসংঘের সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
93. কোন দেশকে হিমালয় কন্যা বলা হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেপাল কেন সঠিক: - নেপাল দেশটি এশিয়ার হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত। - এই দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হিমালয় পর্বতমালা। আন্তর্জাতিক তথ্য: - নেপাল এশিয়া মহাদেশের একটি দক্ষিণ এশীয় স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। - এই দেশটিকে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — বিশাল ভূখণ্ড ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে একে উপমহাদেশ বলা হয়। B) নেপাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। C) চীন — বিশাল আয়তন ও প্রাচীন সভ্যতার কারণে একে প্রাচ্যের দেশ বলা হয়। D) ভুটান — পাহাড়ঘেরা এই দেশকে বজ্রপাতের দেশ নামে অভিহিত করা হয়। মনে রাখার টিপস: - হিমালয়ের কন্যা হিসেবে নেপাল পরিচিত কারণ এর উত্তর সীমানায় হিমালয় রয়েছে।
94. আয়ারল্যান্ডের রাজধানী কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডাবলিন কেন সঠিক: ডাবলিন আয়ারল্যান্ডের বৃহত্তম শহর এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় রাজধানী হিসেবে স্বীকৃত। এই শহরটিতে আয়ারল্যান্ডের সরকারের প্রধান কার্যালয় এবং সংসদ ভবন অবস্থিত। আন্তর্জাতিক তথ্য: আয়ারল্যান্ড ইউরোপ মহাদেশের একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। ১৯২২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর ডাবলিন দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাবলিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং আয়ারল্যান্ডের রাজধানী হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) বেলফাস্ট — এটি আয়ারল্যান্ড দ্বীপের উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী, যা যুক্তরাজ্যের অংশ। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্য এবং ইংল্যান্ডের রাজধানী, যা আয়ারল্যান্ডের রাজধানী নয়। D) রোম — এটি ইতালি রাষ্ট্রের রাজধানী এবং ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক শহর। মনে রাখার টিপস: আইরিশ সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে মনে রাখবেন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী হলো ডাবলিন। বেলফাস্ট যুক্তরাজ্যভুক্ত উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী, তাই এই দুটি শহর গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
95. নিচের কোন নদীর উৎপত্তি ও সমাপ্তি বাংলাদেশে?
Created 2 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হালদা কেন সঠিক: ১. এই নদীটি খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট পয়েন্টে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। ২. নদীটির পুরো গতিপথটিই বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে অবস্থিত হওয়ায় এর উৎপত্তি ও সমাপ্তি সম্পূর্ণ দেশেই সীমাবদ্ধ। ভৌগোলিক তথ্য: ১. হালদা নদীটি চট্টগ্রাম জেলার পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণ দিকে গিয়ে কর্ণফুলীতে মিশেছে। ২. এটি বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ারভাটা প্রভাবিত নদী যেখান থেকে রুই জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক ডিম সংগ্রহ করা হয়। ৩. এই নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮১ কিলোমিটার এবং এর অববাহিকা অঞ্চলটি স্থানীয় কৃষি ও মৎস্য চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ণফুলী — এই নদীটি ভারতের মিজোরাম রাজ্য থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। B) মহানন্দা — এই নদীটি ভারতের হিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপত্তি লাভ করে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ হয়ে গঙ্গা নদীর সাথে মিশেছে। C) হালদা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং এটি প্রশ্ন অনুযায়ী বাংলাদেশেই উৎপন্ন ও শেষ হয়েছে। D) গোমতী — এই নদীটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে উৎপত্তি লাভ করে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে একমাত্র হালদা নদীর জন্ম ও মৃত্যু বা সমাপ্তি দেশের ভেতরেই হয়েছে তা মনে রাখবে। ২. হালদা মানেই চট্টগ্রামের বিখ্যাত নদী যেখান থেকে রুই মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয় এবং এটি দেশেই সীমাবদ্ধ।
96. কিলিমানজারো পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তানজানিয়া কেন সঠিক: ১. কিলিমানজারো পর্বতটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার উত্তর-পূর্ব অংশে কেনিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত। ২. এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম প্রধান ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমানার মধ্যে তানজানিয়ার ভূখণ্ডে পুরোপুরি অবস্থিত। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি তানজানিয়ার উত্তর-পূর্ব সীমান্তে কেনিয়ার ঠিক পাশেই পূর্ব আফ্রিকান মালভূমিতে অবস্থিত। ২. এটি আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এবং এর উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার। ৩. এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি যা তিনটি প্রধান শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত এবং এর চূড়ায় বরফ জমে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোজাম্বিক — এই দেশটি আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং এখানে কিলিমানজারো পর্বত নেই। B) রুয়ান্ডা — এটি মধ্য আফ্রিকার একটি ছোট দেশ যা মূলত পাহাড়ের দেশ হিসেবে পরিচিত কিন্তু এখানে কিলিমানজারো নেই। C) তানজানিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ কিলিমানজারো পর্বতটি এই দেশেই অবস্থিত এবং এখানেই এর সর্বোচ্চ চূড়া রয়েছে। D) কেনগো — এই দেশটি মধ্য আফ্রিকায় অবস্থিত এবং এর ভূপ্রকৃতি ও ভৌগোলিক অবস্থান কিলিমানজারো পর্বতের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: তানজানিয়ার টি এবং ট দিয়ে কিলিমানজারোর সর্বোচ্চ চূড়া উহুরু পয়েন্ট মনে রাখতে পারো। আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে তানজানিয়ার নাম সবার আগে মাথায় রাখবে।
97. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত আছে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: রাঙ্গামাটি জেলার পূর্ব দিকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য এবং দক্ষিণ পূর্বে মিয়ানমার দেশ অবস্থিত। এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে জেলাটির সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত যুক্ত হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের আয়তনগত দিক থেকে বৃহত্তম জেলা যার মোট আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার। এটি পাহাড়ি অঞ্চল এবং এখানে দেশের বিখ্যাত কাপ্তাই হ্রদ ও ঝুলন্ত সেতু অবস্থিত। এই জেলাটি মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত ভাগ করা বাংলাদেশের একমাত্র দুটি জেলার একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এই জেলার সাথে শুধু মিয়ানমারের সীমান্ত আছে কিন্তু ভারতের কোনো সীমান্ত নেই। B) কক্সবাজার — এই জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমান্ত থাকলেও ভারতের সাথে কোনো সীমান্ত নেই। C) খাগড়াছড়ি — এই জেলার সাথে শুধু ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত আছে কিন্তু মিয়ানমারের সীমান্ত নেই। D) রাঙ্গামাটি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয় কারণ এটি উভয় দেশের সীমান্ত স্পর্শ করেছে। মনে রাখার টিপস: রাঙ্গামাটি হলো সেই বিশেষ জেলা যা ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে মিলে একটি আন্তর্জাতিক সংযোগ তৈরি করেছে। বান্দরবান শুধু মিয়ানমার আর খাগড়াছড়ি শুধু ভারতের সাথে যুক্ত, তাই রাঙ্গামাটিই একমাত্র ব্যতিক্রমী উত্তর।
98. পায়রা সমুদ্র বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পটুয়াখালী কেন সঠিক: পায়রা সমুদ্র বন্দরটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত। এটি রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত হওয়ায় সামুদ্রিক জাহাজের চলাচলের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি বন্দর। ভৌগোলিক তথ্য: এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর যা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। এই বন্দরটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর হিসেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর কার্যক্রম ২০১৪ সালে শুরু হয় এবং এটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা একটি দ্বীপ জেলা হলেও এখানে পায়রা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত নয়। B) বরিশাল — বরিশাল বিভাগের প্রধান জেলা এটি, তবে পায়রা সমুদ্র বন্দর এখানে অবস্থিত নয়। C) পটুয়াখালী — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) খুলনা — খুলনা জেলায় মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত, পায়রা বন্দর নয়। মনে রাখার টিপস: পায়রা বন্দরের নামের সাথে পটুয়াখালী জেলার প্রথম অক্ষর বা কলাপাড়া উপজেলার অবস্থান মিলিয়ে মনে রাখা যায়। দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালী জেলা পায়রা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় বন্দরটির নাম ও অবস্থান সহজে মনে রাখা সম্ভব।
99. চন্দ্রনাথ পাহাড় কোথায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সীতাকুণ্ড কেন সঠিক: চন্দ্রনাথ পাহাড় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত। এটি পাহাড়ি এলাকার একটি বিখ্যাত তীর্থস্থান এবং পর্যটন কেন্দ্র। ভৌগোলিক তথ্য: এটি সীতাকুণ্ড বাজারের উত্তর-পূর্ব দিকে বঙ্গোপসাগরের উপকূলের কাছাকাছি অবস্থিত। এই পাহাড়ের চূড়ায় বিখ্যাত চন্দ্রনাথ মন্দির রয়েছে যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এখানে প্রতি বছর শিব চতুর্দশী উপলক্ষে বড় ধরনের ধর্মীয় মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীতাকুণ্ড — এই অপশনটি সঠিক কারণ চন্দ্রনাথ পাহাড় এখানেই অবস্থিত। B) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পাহাড়ি জেলা হলেও এখানে চন্দ্রনাথ পাহাড় অবস্থিত নয়। C) টেকনাফ — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় অঞ্চল যা চন্দ্রনাথ পাহাড় থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) বান্দরবান — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতমালা সমৃদ্ধ জেলা হলেও চন্দ্রনাথ পাহাড় এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় তীর্থযাত্রীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। সীতাকুণ্ড বললেই মাথায় রাখতে হবে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের নাম।
100. আয়তনের দিক থেকে আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ-
Created 2 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিচেলিস কেন সঠিক: - সিচেলিস আফ্রিকা মহাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে দূরে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যার মোট আয়তন অত্যন্ত কম। - মহাদেশীয় আফ্রিকা এবং এর আশপাশের দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে তুলনামূলক বিচারে সিচেলিসের ভূখণ্ড সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম। ভৌগোলিক তথ্য: - এটি ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাংশে পূর্ব আফ্রিকার উপকূলে মাদাগাস্কারের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ। - এটি মূলত একশোটিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র যা পর্যটনের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। - এর মোট আয়তন মাত্র প্রায় চারশো পঞ্চান্ন বর্গকিলোমিটার যা একে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সিচেলিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ। - B) বতসোয়ানা — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং এর আয়তন সিচেলিসের চেয়ে অনেক বেশি। - C) তিউনিসিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ যার ভূখণ্ড সিচেলিসের তুলনার বহু গুণ বড়। - D) বেনিন — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র এবং এর আয়তন সিচেলিস অপেক্ষা অনেক বিশাল। মনে রাখার টিপস: - আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে সিচেলিস নামটি মাথায় রাখবে যা ভারত মহাসাগরের একটি ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র।

মোট প্রশ্ন (24)

2. 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ রচিত-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস কেন সঠিক: ১. শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত এবং অন্যতম সেরা রোমান্টিক উপন্যাস। ২. এই বইটির নাম কবিতা হলেও এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং গদ্যে রচিত উপন্যাস। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় এবং লাবণ্য দত্ত। ২. এটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এর ভেতরে কিছু কবিতাও সংযোজিত আছে। ৩. রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে যোগাযোগ, গোরা এবং চোখের খোব অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — শেষের কবিতা কোনো নাটক নয় কারণ এর চরিত্রগুলো নাট্যমঞ্চের জন্য সংলাপের উদ্দেশ্যে তৈরি হয়নি। B) গল্প — এটি কোনো ছোটগল্প নয় কারণ এর পরিধি ও কাহিনীর বিস্তার একটি ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড়। D) প্রবন্ধ — এটি কোনো প্রবন্ধ নয় কারণ এতে কোনো গবেষণামূলক তথ্য বা তত্ত্ব উপস্থাপন করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১. নামের শেষে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা একটি উপন্যাস তা মনে রাখতে হবে। ২. অমিত ও লাবণ্যের প্রেমের গল্প মনে রাখলেই এটি উপন্যাস হিসেবে সহজে চেনা যায়।
3. বীরত্ব শব্দটি কোন পদ?
Created 2 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বীরত্ব একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ যা কোনো গুণের নাম প্রকাশ করে। - বীর শব্দের সঙ্গে ত্ব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বীরত্ব শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ দ্বারা কোনো গুণ, অবস্থা বা ভাবের নাম বোঝায় তাকে ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য বলে। - বীরত্ব শব্দটি বীর ব্যক্তির গুণ বা ভাব প্রকাশ করায় এটি বিশেষ্য পদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধুরতা ব্যাখ্যা: এটি মধু শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গুণের নাম বোঝাচ্ছে এবং বিশেষ্য পদ হয়েছে। উদাহরণ ২: শৈশব ব্যাখ্যা: এটি শিশু শব্দের সঙ্গে অব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে একটি অবস্থার নাম বোঝাচ্ছে এবং বিশেষ্য পদ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিয়া — এটি দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, যা বীরত্ব শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) সর্বনাম — এটি বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা বীরত্ব শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) বিশেষণ — এটি দোষ, গুণ বা অবস্থা নির্দেশ করে কিন্তু বীরত্ব নিজেই একটি গুণের নাম। D) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বীরত্ব একটি গুণের নামবাচক পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ত্ব, তা, মতা, পান, কি বা প যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভাববাচক বিশেষ্য হয়। - গুণ বা অবস্থার নাম বোঝালেই চোখ বন্ধ করে বিশেষ্য দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্য চেনার কৌশল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব বেশি আসে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য নির্ণয় করার সময় দেখতে হবে শব্দটি নাম বোঝাচ্ছে নাকি দোষগুণ প্রকাশ করছে।
4. 'হাত-ভারী' বাগধারার অর্থ-
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃপণ কেন সঠিক: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে 'হাত-ভারী' বাগধারাটি বিশেষভাবে কৃপণ বা কিপটে স্বভাবের মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। ২. যার হাত সহজে কোনো কিছু দেওয়ার জন্য খোলে না বা দান করতে চায় না, তাকেই এই বিশেষ বাগধারার মাধ্যমে বোঝানো হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব বা অবস্থাকে প্রকাশ করে। ২. বাংলা ব্যাকরণে লোকমান্য এসব প্রবচন ও বাগধারা আমাদের ভাষাকে আকর্ষণীয় ও সমৃদ্ধ করে তোলে। ৩. যেমন 'হাতে খড়ি' অর্থ পড়াশোনার সূচনা, তেমনি 'হাত-ভারী' অর্থ কৃপণতা প্রকাশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাতা — দাতা অর্থ যিনি দান করেন, যা 'হাত-ভারী' বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) ধনী — ধনী অর্থ যার অনেক ধনসম্পদ আছে, কিন্তু ধনী মাত্রই কৃপণ বা হাত-ভারী নাও হতে পারেন। D) দরিদ্র — দরিদ্র অর্থ যার অভাব রয়েছে, কিন্তু কৃপণতার সাথে এর অর্থের কোনো সরাসরি মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ১. টাকা পয়সা দিতে যার হাত নড়ে না বা ভারী হয়ে থাকে, সেই হলো কৃপণ বা হাত-ভারী। ২. এভাবে বিপরীত শব্দ মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
5. কোনটি ক্রমবাচক শব্দ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সপ্তম ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দবাচক ও ক্রমবাচক সংখ্যার শ্রেণিবিভাগের আওতাভুক্ত। - সপ্তম শব্দটি কোনো বস্তুর বা ব্যক্তির ক্রম বা অবস্থান নির্দেশ করে, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রমবাচক বা পূরক সংখ্যাবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সংখ্যাবাচক শব্দ প্রধানত চার প্রকার, যেমন অঙ্কবাচক, পরিমাণবাচক, ক্রমবাচক এবং তারিখবাচক। - ক্রমবাচক বা পূরক সংখ্যাবাচক শব্দ কোনো সারিতে অবস্থান বা ক্রম বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত পদাশ্রিত বা প্রত্যয়যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম ব্যাখ্যা: এটি একটি ক্রমবাচক শব্দ যা কোনো সারির শুরুতে প্রথম অবস্থান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: দশম ব্যাখ্যা: এটি একটি ক্রমবাচক শব্দ যা দশম স্থান বা অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচই — এটি একটি তারিখবাচক শব্দ, যা মাসের নির্দিষ্ট দিন প্রকাশ করে। B) সপ্তম — এটি একটি ক্রমবাচক শব্দ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) এগারো — এটি একটি মূল সংখ্যাবাচক বা অঙ্কবাচক শব্দ, যা পরিমাণ বা সংখ্যা বোঝায়। D) একুশ — এটি একটি মূল সংখ্যাবাচক শব্দ, যা নির্দিষ্ট পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ইত্যাদি শব্দ দেখলে বুঝবে এগুলো ক্রম বা অবস্থান নির্দেশকারী ক্রমবাচক শব্দ। - তারিখবাচক শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত মাসের দিন বোঝাতে ই বা রা প্রত্যয় যুক্ত হয়, যেমন পহেলা, দোসরা, পাঁচই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক শব্দের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল সংখ্যা (এক, দুই, তিন) এবং ক্রমবাচক সংখ্যা (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়) এর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
6. এক কথায় বচনকে কী বলে?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংখ্যার ধারণা কেন সঠিক: ১. বচন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো সংখ্যার ধারণা, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সংখ্যা প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের এক বা বহু হওয়ার ধারণাকেই মূলত বচন বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা নির্দেশ করে। ২. এটি বাক্যের পদের সংখ্যাগত রূপ প্রকাশ করে ব্যাকরণের অর্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ৩. যেমন, কলম বলতে একটি কলম বোঝায় এবং কলমগুলো বলতে একাধিক কলম বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণের ধারণা — বর্ণ হলো ভাষার মৌলিক ধ্বনির প্রতীক, যা বচনের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) শব্দের ধারণা — শব্দ হলো অর্থপূর্ণ ধ্বনিসমষ্টি, কিন্তু বচন বিশেষভাবে সংখ্যার প্রকাশ বোঝায়। D) বাক্যের ধারণা — বাক্য হলো পদের সমষ্টি যা মনের ভাব প্রকাশ করে, এটি সংখ্যার ধারণার সাথে সরাসরি যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ১. বচন শব্দটির সাথে সরাসরি 'সংখ্যা' কথাটি মনে রাখবে। ২. বচন মানেই একের বেশি বা একের কম হওয়ার হিসাব বা গণনা।
7. অপ কী ধরনের উপসর্গ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: - অপ একটি খাঁটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। সংস্কৃত উপসর্গগুলো মূলত তৎসম শব্দের সাথেই বেশি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপবাদ ব্যাখ্যা: বাদ শব্দের পূর্বে অপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে নিন্দা বা দুর্নাম অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অপমৃত্যু ব্যাখ্যা: মৃত্যু শব্দের পূর্বে অপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে স্বাভাবিক নয় এমন মৃত্যু অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ অপ হলো কুড়িটি সংস্কৃত উপসর্গের অন্যতম একটি উপসর্গ। B) বাংলা — এই অপশনটি ভুল কারণ অপ কোনো খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি। C) বিদেশি — এই অপশনটি ভুল কারণ অপ আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি ভাষার কোনো বিদেশি উপসর্গ নয়। D) মিশ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ অপ কোনো মিশ্র উপসর্গ নয়, এটি একটি স্বতন্ত্র সংস্কৃত উপসর্গ। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত উপসর্গগুলো মনে রাখার একটি বিখ্যাত ছন্দ হলো প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি। এখানে অপ উপসর্গটি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে। খাঁটি বাংলা এবং সংস্কৃত উপসর্গগুলোর সংখ্যা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
8. মর্সিয়া শব্দের অর্থ কী?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শোক বা আহাজারি কেন সঠিক: ১. মর্সিয়া একটি আরবি শব্দ যার শাব্দিক অর্থ হলো কারো মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা কিংবা বিলাপ করা। ২. ঐতিহাসিক কারবালার বিষাদময় ঘটনার শহিদদের স্মরণে রচিত ও গীত শোকগাথাকেই মূলত মর্সিয়া বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এবং মুসলিম সাহিত্যধারায় শোক প্রকাশমূলক রচনার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. কারবালার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ইসলামি সাহিত্য ধারায় এই পদগুলো অত্যন্ত আবেগঘন ও করুণ সুরে পরিবেশিত হতো। ৩. যেমন দৌলত উজির বাহরাম খানের 'লায়লী মজনু' বা অন্যান্য শোকাবহ কাব্যের মতো মর্সিয়াতেও বেদনার সুর প্রাধান্য পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোক বা আহাজারি — এটি মর্সিয়া শব্দের সঠিক ও মূল অভিধানিক অর্থ নির্দেশ করে। B) দুঃখ — দুঃখ একটি সাধারণ মানসিক অনুভূতি, কিন্তু মর্সিয়া নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ মৃত্যুর শোক বা বিলাপ বোঝায়। C) শোককাব্য — শোককাব্য হলো মর্সিয়া রচনার সাহিত্যের একটি রূপ বা ধারা, কিন্তু সরাসরি শব্দের অর্থ হলো শোক বা আহাজারি। D) বেদনা মিশ্রিত কাব্য — এই অপশনটি কাব্য বা রচনার ধরন প্রকাশ করে, যা মর্সিয়ার শাব্দিক অর্থের সাথে হুবহু মেলে না। মনে রাখার টিপস: ১. মর্সিয়া শব্দটি দেখলে মনে রাখবে ম দিয়ে মত্যু এবং শোক বা আহাজারি। ২. কারবালার শোকাবহ ঘটনা স্মরণ করে যে আহাজারি করা হয়, সেটাই মর্সিয়া।
9. সন্ধি বিচ্ছেদ করুন: অত্যধিক
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতি + অধিক কেন সঠিক: ১. অতি শব্দের অন্তস্থিত ই কার এবং অধিক শব্দের আদিতে থাকা অ কার মিলে য ফলার সৃষ্টি করেছে। ২. স্বরসন্ধির নিয়মে ই বা ঈ এবং ই বা ঈ ব্যতীত অন্য স্বরবর্ণ থাকলে উভয়ে মিলে য ফলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যেখানে ই কারের পর ভিন্ন স্বরবর্ণ যুক্ত হয়। ২. বাংলা ব্যাকরণে একে ই কার বা ঈ কারের পর অ স্বরবর্ণ আসার ফলে য ফলা বা য হওয়ার নিয়ম বলা হয়। ৩. যেমন ইতি + আদি মিলে ইত্যাদি এবং যদি + অপি মিলে যথাক্রমে য্যপি বা যদ্যপি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতি + ধিক — এই সন্ধিতে অধিক শব্দটির পরিবর্তে ধিক যুক্ত হয়েছে যা মূল শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। B) অত্যা + অধিক — এই নিয়মে অত্যা বলে কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই। C) সঠিক উত্তর — এটি মূল শব্দের সঠিক এবং অর্থপূর্ণ দুটি অংশে বিভক্ত রূপ। D) অ + তাধিক — এই বিভাজনে অ এবং তাধিক উভয় অংশের কোনো সঠিক ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দটিতে য ফলা থাকলে সাধারণত সেখানে হ্রস্ব ই কার বা দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত অংশ খুঁজতে হবে। ২. অত্যধিক শব্দটিকে ভেঙে অতি এবং অধিক অংশ আলাদা করলে খুব সহজেই সন্ধিটি আয়ত্ত করা যায়।
11. 'উজবুক' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তুর্কি কেন সঠিক: ১. উজবুক শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং এর অর্থ হলো নির্বোধ বা বোকা মানুষ। ২. বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দের মধ্যে তুর্কি শব্দ হিসেবে উজবুক বহুল পরিচিত একটি শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বিদেশি শব্দ নানা উৎস থেকে এসেছে এবং তুর্কি ভাষা তার মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ২. বাংলা সাহিত্যে ও কথ্য ভাষায় মানুষের বিভিন্ন মানসিক বৈশিষ্ট্য বোঝাতে এই তুর্কি শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। ৩. যেমন তুর্কি ভাষার অন্যান্য কিছু শব্দের মধ্যে রয়েছে দারোগা, চাকর, বাবুর্চি ও তোপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ ও রোজা শব্দগুলো বাংলায় এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। B) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে আনারস, চাবি ও সাবান শব্দগুলো বাংলায় এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে কলম, কিতাব ও আদালত শব্দগুলো বাংলায় এসেছে কিন্তু উজবুক আসেনি। মনে রাখার টিপস: ১. বোকা বা নির্বোধ প্রকৃতির কোনো তুর্কি বন্ধুকে উজবুক বলে ডাকলে শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়। ২. তুর্কি শব্দের তালিকা পড়ার সময় উজবুক শব্দটিকে আলাদাভাবে দাগিয়ে রাখলে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
12. কোনটি মৌলিক স্বরধ্বনি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এ কেন সঠিক: ১. এই ধ্বনি উচ্চারণের সময় অন্য কোনো স্বরধ্বনির সাহায্য নিতে হয় না এবং এটি নিজেই পূর্ণ ও স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি এবং 'এ' তাদের মধ্যে অন্যতম একটি প্রধান ধ্বনি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে স্বরধ্বনিগুলোকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়। ২. বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনির জন্য নির্দিষ্ট বর্ণ থাকলেও উচ্চারণের দিক থেকে এদের সংখ্যা সাতটি নির্ধারিত হয়েছে। ৩. যেমন 'অ', 'আ', 'ই', 'উ', 'এ', 'ও' এবং 'অ্যা' এর মধ্যে 'এ' একটি অন্যতম মৌলিক স্বরধ্বনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঔ — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি কারণ এটি গঠিত হয় অ এবং উ অথবা ও এবং উ এর সম্মিলিত উচ্চারণের মাধ্যমে। B) ঈ — এটি দীর্ঘ স্বরধ্বনি এবং এটি ই ধ্বনির দীর্ঘ রূপ হিসেবে পরিগণিত হয় তাই এটি মৌলিক স্বরধ্বনি নয়। C) ঐ — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা অ এবং ই অথবা ও এবং ই এর মিলিত প্রভাবে উচ্চারিত হয়ে থাকে। D) এ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিজে একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এর কোনো যৌগিক রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: ১. যে স্বরগুলোকে আর ভাঙা যায় না এবং যা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি হিসেবে মনে রাখবে। ২. ঔ এবং ঐ এই দুটি বর্ণ সবসময় যৌগিক স্বরধ্বনি হিসেবে ধরা হয়, তাই এগুলো বাদ দিলেই সঠিক উত্তর পেয়ে যাবে।
13. 'রূপসী বাংলার কবি' বলা হয় কাকে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) জীবনানন্দ দাশ কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশ তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রূপসী বাংলা এই উপাধির মূল কারণ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেন জীবনানন্দ দাশ। বাংলার নদী, মাঠ, পাখি ও লতাগুল্ম তার কবিতায় নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। যেমন তার বিখ্যাত পংক্তি হলো আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে এই বাংলায়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তাকে বিশ্বকবি বলা হয় কারণ তিনি বিশ্ব সাহিত্যঙ্গনে অনন্য অবদান রেখেছেন। গ) জসীমউদ্দীন — তাকে পল্লীকবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় গ্রামীণ জীবন ও সংস্কৃতি প্রধান হয়ে উঠেছে। ঘ) আবু ইসহাক — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার, তার বিখ্যাত উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ি। মনে রাখার টিপস: রূপসী বাংলা বললেই মনে রাখবে রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের কথা। তার কবিতায় বাংলার রূপ সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে বলে তাকে এই নামে ডাকা হয়।
17. বাক্যযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাকে কী বলে?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্ষর কেন সঠিক: ১. মানুষের বাক্যযন্ত্রের একবারের ন্যূনতম প্রচেষ্টায় উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বলা হয়। ২. এটি শব্দের সেই অংশ যা একবারে বা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয় এবং এর উচ্চারণের সময়কাল খুব কম হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে অক্ষর বা স্লেবল হলো বাক্যের বা শব্দের উচ্চারণের একক। ২. এর সাথে লেখার রূপ বা বর্ণমালার সরাসরি সম্পর্ক নেই, এটি সম্পূর্ণভাবে উচ্চারণভিত্তিক। ৩. যেমন, কলম শব্দটিতে দুটি অক্ষর আছে, যা ক ও লম এভাবে উচ্চারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক, যা বাক্যযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে সরাসরি উচ্চারিত হয় না। B) পদ — পদ হলো বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু, যা বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অক্ষর থেকে অনেক বড় একক। D) বিভক্তি — বিভক্তি হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে, এর সাথে উচ্চারণের একক বা অক্ষর মেলানো যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াস বা এক নিঃশ্বাসের উচ্চারণ পেলেই সাথে সাথে অক্ষর বা স্লেবল দাগিয়ে দেবে।
18. যোগরূঢ় শব্দ কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাখামৃগ ১. কেন সঠিক: - শাখামৃগ শব্দটি যোগরূঢ় শব্দের সঠিক উদাহরণ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি নির্দিষ্ট বিশেষ অর্থ অর্থাৎ বানরকে বোঝায়। - যোগরূঢ় শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সমাস নিষ্পন্ন হয়ে পদের সাধারণ অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা শব্দকে যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। - সমাসের সাহায্যে গঠিত যেসব শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা পঙ্কজ, কিন্তু এটি সাধারণ অর্থে পঙ্কে জন্মায় এমন কিছু না বুঝিয়ে কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়। উদাহরণ ২: রাজপুত ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র রাজপুত, কিন্তু এটি রাজার ছেলেকে না বুঝিয়ে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলম — কলম একটি মৌলিক শব্দ এবং এর কোনো সাধিত বা সমাসবদ্ধ অর্থ নেই যা বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে। B) মলম — মলম একটি বিদেশি শব্দ এবং এটি কোনো সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। C) বাঁশি — বাঁশি একটি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ এবং এটি সাধারণ অর্থে বাঁশ দিয়ে তৈরি বাদ্যযন্ত্র বোঝায়। D) শাখামৃগ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি যোগরূঢ় শব্দের নিয়ম অনুসারে বানর অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যোগরূঢ় শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বহুব্রীহি সমাসের সাহায্যে গঠিত যেসব শব্দ নির্দিষ্ট কোনো প্রজাতি বা বস্তুর নাম বোঝায়, সেগুলোকে যোগরূঢ় হিসেবে চিহ্নিত করা। - পঙ্কজ, রাজপুত এবং শাখামৃগ এই তিনটি শব্দ ভালো করে মনে রাখলে পরীক্ষা উত্তর করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই যোগরূঢ় শব্দ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - সাধারণ অর্থ বাদ দিয়ে যখন কোনো শব্দ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে যোগরূঢ় হিসেবে দাগাতে হবে।
19. ক্রিয়ার মূলকে বলে-
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধাতু ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয় কারণ এটি ক্রিয়াপদের অবিভাজ্য মূল রূপ। কোনো ক্রিয়াপদের শেষ থেকে বিভক্তি বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তা হলো ধাতু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ দিয়ে কোনো কিছু করা বোঝায় তাদের ক্রিয়া বলে এবং ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষবাচক ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + তে = পড়তে ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং তে হলো বিভক্তি। উদাহরণ ২: যা + ই = যাই ব্যাখ্যা: এখানে যা হলো ধাতু এবং ই হলো বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কারক বা কাল বোঝায়, ক্রিয়ার মূল নয়। C) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা হলো কর্ম। D) সমাস — অর্থের সংগতি রক্ষা করার জন্য একাধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়ার মূল মানেই ধাতু, এটি মনে রাখতে ক্রিয়ার মূল ও ধাতুর প্রথম অক্ষর মেলাতে পারো। ধাতু মানেই ক্রিয়ার উৎপত্তির মূল উৎস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ধাতু প্রধানত তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু। এই শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
20. সমাস ভাষাকে কী করে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপ করে কেন সঠিক: সমাসের মূল কাজ হলো একাধিক পদকে একত্রিত করে একটি মাত্র পদে পরিণত করা। এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং বাক্য গঠন সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাসের আক্ষরিক অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। বাংলা ব্যাকরণে পদের ব্যবহার সহজ ও সাবলীল করার জন্য সমাসের জুড়ি নেই। যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন সমান সিংহাসন, যা একটি বড় বাক্যাংশকে ছোট করে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) বিস্তৃত করে — সমাস বাক্যকে বড় করে না, বরং একাধিক পদকে মিলিয়ে ছোট বা সংক্ষিপ্ত করে তোলে। C) অর্থপূর্ণ করে — পদগুলো আগেই অর্থপূর্ণ থাকে, সমাস কেবল সেগুলোকে একসাথে প্রকাশ করে। D) অর্থের রূপান্তর করে — সমাস পদের মূল অর্থের পরিবর্তন করে না, বরং নতুন পদ তৈরি করে ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সমাস শব্দটির অর্থ মনে রাখলেই বোঝা যায় এটি মূলত কথা বা বাক্যকে ছোট বা সংক্ষেপ করে।
22. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদকের নাম-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী কেন সঠিক: বাংলা চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে এই পত্রিকা প্রকাশ করেন। বাংলা সাহিত্য জগতে নতুন ধারার প্রকাশ ও চিন্তার নবজাগরণ সৃষ্টিতে এই পত্রিকার সম্পাদকের ভূমিকা ছিল অনন্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা গদ্যে সাধু রীতির কৃত্রিমতা দূর করে মুখের ভাষাকে লেখার ভাষায় রূপ দেওয়ায় প্রমথ চৌধুরীর অবদান অপরিসীম। সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লেখা প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় আধুনিক চিন্তা ও মননশীলতার বিস্তার ঘটিয়েছিল। এই পত্রিকার মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক বিখ্যাত গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি এই পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নিয়মিত লেখক হলেও পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি নবযুগের মতো অন্য পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন কিন্তু সবুজপত্রের সম্পাদক ছিলেন না। C) প্রমথনাথ বিশী — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষক হলেও সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি এই পত্রিকার মূল প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক এবং তাঁর সাহিত্যিক নাম ছিল বীরবল। মনে রাখার টিপস: সবুজ পাতা দেখলেই প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখবে কারণ তিনি এর জন্মদাতা। বাংলা চলিত গীতি বা ভাষা মানেই প্রমথ চৌধুরী এবং তাঁর সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা।
23. বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম বাংলা কোন সালে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩০৬ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি কবি ও সাহিত্যিক পরিচিতি সংক্রান্ত। কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ (ইংরেজি ১৮৯৯ সালের ২৪ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা অন্যতম বিখ্যাত কবিতা যা তাকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার মধ্যে বিদ্রোহী কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০৬ — এটি কবির সঠিক জন্মসাল যা বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ নির্দেশ করে। B) ১৩০৮ — এই সালটি কবির জন্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য। C) ১৩০৯ — এই সালটি ভুল কারণ কবি এর তিন বছর আগেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। D) ১৩১১ — এই সালটি ভুল এবং এটি সঠিক জন্মসালের সঙ্গে মিলছে না। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের জন্মসাল মনে রাখতে ১৩০৬ সাল মনে রাখুন এবং তার দুই বছর পর ১৩০৮ সালে তার বিখ্যাত অগ্নিবীণা প্রকাশের সাল মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় কবির জন্মতারিখ ও সাল প্রায়ই আসে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় সালের তারিখ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
24. "মসজিদ এই, মন্দির এই, গির্জা এই হৃদয়" কোন কবিতার চরণ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঐকতান কেন সঠিক: ১. এই চরণটিতে বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয়ের কথা বলা হয়েছে যা বিশ্বমানবতার মিলনের প্রতীক। ২. কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ঐকতান কবিতায় সকল মানুষের হৃদয়ে মিলনের সুর বাজানোর কথা বলেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মানবতাবাদী কবিতা। ২. এই কবিতায় কবি সংকীর্ণতা ভুলে সকল মানুষের সংস্কৃতি ও ধর্মকে এক সূত্রে গাঁথার আহ্বান জানিয়েছেন। ৩. যেমন কবি গেয়েছেন সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে তেমনি এখানেও সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐকতান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল কবিতার চরণ। B) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সর্বধর্ম সাম্যভিত্তিক কবিতা হলেও আলোচ্য চরণটি এই কবিতার নয়। C) তোমার আপন পতাকা — এটি আহসান হাবীবের একটি জনপ্রিয় কবিতা হলেও এই পংক্তিটি এর অন্তর্গত নয়। D) এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে — এটি জীবনানন্দ দাশের লেখা রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি প্রকৃতি বিষয়ক কবিতা। মনে রাখার টিপস: ১. ধর্মীয় মিলনের কথা থাকলে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের কবিতা হলে সাধারণত সেটি ঐকতান হয়। ২. মসজিদ মন্দির গির্জার কথা একসাথে থাকলে রবীন্দ্রনাথের ঐকতান কবিতার কথা মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (25)

1. Choose the correct one-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Misspell কেন সঠিক: সঠিক ইংরেজি বানানটি হলো মিসস্পেল। এটি উপসর্গ মিস এবং মূল শব্দ স্পেল মিলে গঠিত হয়েছে। এখানে দুটি এস বর্ণ একসাথে বসেছে। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mispel — এই বানানে এস বর্ণ একটি কম আছে তাই এটি ভুল। B) Misspell — এটি সঠিক বানান। C) Misspell — এটি সঠিক বানান এবং অপশন বি এর হুবহু এক। D) Mispel — এই বানানে এস বর্ণ একটি কম আছে তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে মিস এবং স্পেল আলাদা করে ভাবুন। দুটি শব্দ একসাথে লিখলে দুটি এস একসাথে বসে।
2. The phrase 'call it a day' means-
Created 2 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) finish work কেন সঠিক: ১. 'call it a day' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ দিন শেষ করা। ২. কর্মক্ষেত্রে এর ভাবার্থ হলো আজকের মতো কাজ শেষ করা বা বন্ধ ঘোষণা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) open an event — এর অর্থ কোনো অনুষ্ঠান শুরু করা, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) fix an appointment — এর অর্থ কোনো সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করা, যার সাথে কাজের সমাপ্তির কোনো সম্পর্ক নেই। C) finish work — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) spend the time — এর অর্থ সময় কাটানো, যা নির্দিষ্টভাবে কোনো কাজ শেষ করার ভাবার্থ বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: সন্ধ্যায় ঘরে ফেরার সময় আমরা বলি আজ দিনের কাজ শেষ, ঠিক তেমনি 'call it a day' মানে কাজ সমাপ্ত করা।
3. Have you ever been _____ Dhaka?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: কোথাও ভ্রমণ করা বা কোথাও গিয়ে আবার ফিরে আসার ক্ষেত্রে 'go', 'come' বা 'be' verb এর পরে 'to' preposition ব্যবহৃত হয়। ঢাকা একটি বড় শহর হওয়া সত্ত্বেও এখানে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বোঝাতে 'in' না বসে 'to' বসেছে। এখানে মূলত স্থান পরিদর্শনের অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যাওয়া বা থাকার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — সাধারণত ছোট স্থান, গ্রাম বা নির্দিষ্ট ঠিকানার পূর্বে বসে, তাই বড় শহরের ক্ষেত্রে এটি ভুল। B) in — ভেতরে অবস্থান করা বোঝালে 'in' বসে, কিন্তু কোথাও ভ্রমণ করে আসার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না। D) on — কোনো তলের উপরে কিছু অবস্থিত থাকলে বা বার ও তারিখের পূর্বে এটি বসে, তাই স্থানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে সাধারণত have been এর পরে সর্বদা to preposition ব্যবহার করবে।
4. Everybody likes flower, _____?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) don't they কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে Everybody থাকলে তার পরিবর্তে ট্যাগ কোশ্চেনে subject হিসেবে they ব্যবহার করতে হয়। মূল বাক্যে likes থাকায় এবং তা affirmative হওয়ায়, ট্যাগ কোশ্চেনের auxiliary verb হিসেবে don't ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does he — subject হিসেবে he ব্যবহার করলে তা singular বোঝায়, কিন্তু Everybody plural অর্থ প্রকাশ করে। B) doesn't — এখানে শুধু auxiliary verb দেওয়া আছে কিন্তু কোনো সঠিক subject ব্যবহার করা হয়নি। C) can he — বাক্যে can না থাকা সত্ত্বেও এখানে modal auxiliary ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। D) don't they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Everybody বা Everyone থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনের subject সবসময় they হয় এবং verb সাধারণত plural হয়।
5. Choose the correct sentence-
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The rich are not always happy কেন সঠিক: adjectives-এর আগে definite article বসে সম্পূর্ণ ধনী সম্প্রদায়কে বোঝালে তা plural noun হিসেবে গণ্য হয়। তাই এক্ষেত্রে verb-টি હંમેશા plural form-এর হয় এবং proper word order বজায় থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rich is not always happy — adjective-এর আগে the না থাকায় এটি grammatically অসম্পূর্ণ এবং ভুল। B) The rich is not always happy — subject plural হওয়া সত্ত্বেও singular verb ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল। C) The rich are not always happy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) The rich is not happy always — এখানে verb ভুল এবং word order-এর নিয়ম মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: the-এর সাথে adjective বসলে তা পুরো জাতিকে বোঝায় এবং তার সাথে সর্বদা plural verb বসে।
6. The younger you are, ______ it is to learn.
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the easier কেন সঠিক: বাকyটিতে 'The + comparative + subject + verb' এর নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে। তাই অপর অংশেও 'the + comparative' গঠন করতে হবে, যার সঠিক রূপ হলো 'the easier'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the easier — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের শূন্যস্থানে নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। B) the easy — এটি তুলনামূলক ডিগ্রি নয়, তাই দ্বৈত পরিবর্তনের নিয়মে এখানে বসবে না। C) the easiest — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যা এই ধরনের সমান্তরাল তুলনার নিয়মের সাথে মেলে না। D) cashier — এটি একটি বিশেষ্য শব্দ এবং এর অর্থ ক্যাশিয়ার, যা ব্যাকরণগতভাবে এখানে সম্পূর্ণ অবান্তর। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'The' এর পরে তুলনামূলক ডিগ্রি (comparative form) থাকলে, কমার পরের অংশেও 'The' এর পরে আরেকটি তুলনামূলক ডিগ্রি বসাতে হয়।
7. Find out the correct sentence-
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I sold all of my furniture কেন সঠিক: furniture একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে এস বা ইএস যোগ করে বহুবচন করা যায় না। তাই সঠিক রূপটি হলো ফার্নিচার এবং এর আগে অল অফ বসানো সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: B) B - furniture শব্দের সাথে এস যুক্ত করা হয়েছে যা আনকাউন্টেবল নাউনের নিয়মের সম্পূর্ণ বাইরে। C) C - vegetable একটি কাউন্টেবল নাউন হওয়ায় একে শুধু একবচনে রাখা ভুল এবং এটি ভেজিটেবলস হওয়া উচিত। D) D - কাজের উদ্দেশ্যে কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে ফর ওয়ার্ক না লিখে অন ওয়ার্ক বা টু ওয়ার্ক লেখা উচিত। মনে রাখার টিপস: আনকাউন্টেবল নাউন যেমন ফার্নিচার, ইনফরমেশন, নিউজ ইত্যাদির সাথে কখনো এস বা ইএস যুক্ত হয় না।
8. The most famous satirist in English literature-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Jonathan Swift কেন সঠিক: জোনাথন সুইফট ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং বিখ্যাত ব্যঙ্গকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তাঁর লেখা 'Gulliver Travels' ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্যের এক অনন্য ও অমর সৃষ্টি। তিনি সমাজের নানা অসঙ্গতি ও রাজনৈতিক দুর্নীতি অত্যন্ত তীব্রভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই অনন্য অবদানের জন্যই তাঁকে ইংরেজি সাহিত্যের সেরা ব্যঙ্গকার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jonathan Swift — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয় বরং প্রশ্নটির মূল উত্তর। B) Alexander pope — তিনি মূলত একজন বিখ্যাত ও প্রখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক কবি ছিলেন, সার্বিকভাবে সেরা গদ্য ব্যঙ্গকার নন। C) Joseph Addison — তিনি একজন বিখ্যাত প্রবন্ধকার ও নাট্যকার ছিলেন, তবে প্রধানত ব্যঙ্গকার হিসেবে পরিচিত নন। D) Richard Steel — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, প্রধান ব্যঙ্গকার হিসেবে তাঁর খ্যাতি নেই। মনে রাখার টিপস: সুইফট মানেই ব্যঙ্গসাহিত্য, আর গালিভার ট্রাভেলস তাঁর সবচেয়ে বড় ব্যঙ্গাত্মক পরিচয়।
9. Which of the following phrases mean 'to tolerate'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Put up with কেন সঠিক: এই ফ্রেজাল ভারบটির অর্থ সহ্য করা বা কোনো কিছু মেনে নেওয়া। প্রশ্নানুসারে 'to tolerate' বা সহ্য করার সাথে এই অর্থটি পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Put up with — সঠিক উত্তর বিধায় এটি সহ্য করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। B) Put off — এর অর্থ কোনো কাজ স্থগিত রাখা বা পিছিয়ে দেওয়া। C) Put out — এর অর্থ আগুন নেভানো বা কাউকে বিরক্ত করা। D) Put down — এর অর্থ কোনো কিছু নিচে রাখা বা লিখে নেওয়া। মনে রাখার টিপস: কোথাও টিকে থাকার জন্য যেমন কষ্ট সহ্য করতে হয়, তেমনি Put এর সাথে up with যুক্ত হলে সহ্য করা বোঝায়।
10. A person who knows several foreign language?
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) polyglot কেন সঠিক: polyglot শব্দের অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি একাধিক বা অনেকগুলো ভাষা জানেন বা বলতে পারেন। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যিনি কয়েকটি বিদেশী ভাষা জানেন, তার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ এটি। এটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ বহু ভাষা জানা। ভাষা সম্পর্কিত বিশেষ দক্ষতার ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spokesman — এই শব্দের অর্থ মুখপাত্র, যিনি কোনো দল বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কথা বলেন। B) linguist — এই শব্দের অর্থ ভাষাবিজ্ঞানী, যিনি ভাষার বিজ্ঞানসম্মত বা তাত্ত্বিক গবেষণা করেন। C) geologist — এই শব্দের অর্থ ভূবিজ্ঞানী, যিনি পৃথিবী এবং তার গঠন নিয়ে পড়াশোনা করেন। D) polyglot — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: poly শব্দের অর্থ বহু এবং glot শব্দের অর্থ ভাষা, তাই দুটি মিলে হয় বহু ভাষায় দক্ষ ব্যক্তি।
11. The opposite word for 'ally' is-
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Foe কেন সঠিক: Ally শব্দের অর্থ হলো মিত্র বা সহযোগী। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে Foe ব্যবহার করা হয় যার অর্থ শত্রু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Companion — এর অর্থ সঙ্গী বা সাথী, যা Ally শব্দের সমার্থক এবং বন্ধুভাবাপন্ন। B) Friend — এর অর্থ বন্ধু, যা Ally শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে এবং সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। C) Partner — এর অর্থ অংশীদার বা সহযোগী, যা Ally শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Foe — এটি সঠিক অপশন কারণ এর অর্থ শত্রু এবং এটি Ally শব্দের প্রকৃত বিপরীতার্থক। মনে রাখার টিপস: Ally শব্দের শুরু এ দিয়ে এবং এর উল্টো বা শত্রু হলো Foe, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
12. Which one is an adjective?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) special কেন সঠিক: special শব্দটির অর্থ বিশেষ, যা সাধারণত কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি বাক্যে noun এর আগে বসে তার দশাকে নির্দেশ করে বিধায় এটি একটি adjective. এটি adjective এর কাজ সম্পূর্ণভাবে সফল করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) crime — এটি একটি noun যার অর্থ অপরাধ এবং এটি কোনো adjective নয়। B) miser — এটি একটি noun যার অর্থ কৃপণ ব্যক্তি এবং এর adjective রূপ হলো miserly. C) special — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপشن হিসেবে অন্য কিছু বোঝানো হয়েছে। D) run — এটি একটি verb বা ক্রিয়া যার অর্থ দৌড়ানো এবং এটি কোনো adjective নয়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো noun বা pronoun এর দোষ বা গুণ বুঝায় এবং কেমন প্রশ্নের উত্তর দেয়, তাকে adjective বলে।
13. Choose the correct passive form of- 'I have lost my wallet'
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) My wallet has been lost কেন সঠিক: Active voice টি Present Perfect Tense এ আছে কারণ এখানে have + V3 ব্যবহৃত হয়েছে। Passive voice এ Tense অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং Subject এর পরে has/have been বসে। Object এখানে Subject হয়েছে এবং মূল verb এর Past Participle রূপ বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) My wallet had been lost — এটি Past Perfect Tense এ পরিবর্তিত হয়েছে, যা প্রশ্ন প্রদত্ত Tense এর সাথে মিলছে না। B) এটি সঠিক উত্তর বিধায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) My wallet was lost — এটি Past Indefinite Tense এ রূপান্তরিত হয়েছে, যা মূল বাক্যের Tense পরিবর্তন করে ফেলে। D) My wallet is lost — এটি Present Indefinite Tense এ রূপান্তর করা হয়েছে, যা গঠনগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Active voice এ যে Tense থাকে, Passive voice এ তার auxiliary verb এর রূপ পরিবর্তন হলেও Tense এর মূল ধরন ঠিক রাখতে হয়।
14. Which kind of noun is 'arm'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) common কেন সঠিক: - 'Arm' শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা ইউনিক অঙ্গকে না বুঝিয়ে যেকোনো মানুষের হাতকে সাধারণভাবে বোঝায়। - একই শ্রেণির সাধারণ নাম হওয়ায় এটি Common Noun হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proper — Proper Noun নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায়, কিন্তু 'arm' সাধারণ নাম। B) common — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই জাতীয় সব হাতের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে প্রযোজ্য। C) collective — Collective Noun সমষ্টিগত নাম বোঝায়, কিন্তু 'arm' কোনো সমষ্টি বোঝায় না। D) material — Material Noun উপাদান বা বস্তুবাচক নাম বোঝায়, কিন্তু হাত কোনো উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাম কোনো নির্দিষ্ট একককে না বুঝিয়ে সমজাতীয় সব কিছুকে সাধারণ অর্থে বোঝায়, সেটাই Common Noun।
15. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট-
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Too many cooks spoil the broth কেন সঠিক: বাংলা প্রবাদ অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট এর ইংরেজি সঠিক রূপ হলো টু মেনি কুকস স্পয়েল দ্য ব্রথ। এখানে অনেক রাঁধুনি একসাথে কাজ করলে খাবার নষ্ট হওয়ার ভাবার্থ প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রবাদের ক্ষেত্রে কুকস শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ব্রথ বা ঝোল নষ্ট করার সাথে প্রবাদটির সরাসরি মিল আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Too many saints spoil the broth — এখানে কুকস এর বদলে সেইন্টস বা সাধু ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক প্রবাদ নয়। B) Too many cooks spoil the broth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) As many cooks spoil the broth — এখানে টু মেনি এর বদলে অ্যাজ মেনি ব্যবহার করায় প্রবাদের ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়েছে। D) As many saints spoil the broth — এখানে ভুল শব্দের সাথে ভুল গঠন ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রবাদের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: রান্নার সাথে যুক্ত কুকস শব্দ দিয়েই এই প্রবাদটি মনে রাখবে।
16. The phrase 'out and out' means-
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) thoroughly কেন সঠিক: Out and out একটি idioms বা বাগধারা যার বাংলা অর্থ পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে। Thoroughly শব্দটির অর্থও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বা সম্পূর্ণ রূপে, যা প্রদত্ত বাগধারাটির সঠিক ভাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) outside — এটি দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা বাইরে বোঝানো হয়, কিন্তু বাগধারাটির অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই। B) not at all — এর অর্থ মোটেও না, যা সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) to go out — এটি একটি সাধারণ শব্দগুচ্ছ যার অর্থ বাইরে যাওয়া, যা বাগধারাটির ভাবার্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Out and out মানে দুইবার out আছে, যার অর্থ বিষয়টি একেবারে ভেতর-বাহির বা পুরোপুরি পরিষ্কার।
17. Last night I _____ there.
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) went কেন সঠিক: বাক্যে last night কথাটি অতীত নির্দেশ করে। তাই এখানে মূল verb এর past form বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — এটি present form হওয়ায় অতীত নির্দেশক বাক্যে বসে না। B) gone — এটি past participle form এবং এর আগে কোনো auxiliary verb নেই। C) went — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে موجود থাকায় এটি হবে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে last night, yesterday বা ago থাকলে verb সবসময় past form হয়।
18. What is the synonym of 'pardon'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Forgive কেন সঠিক: 'Pardon' শব্দটির অর্থ হলো কাউকে ক্ষমা করা বা মাফ করে দেওয়া। ঠিক একই অর্থে 'Forgive' শব্দটি ব্যবহার করা হয় বলে এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Condemn — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো কাজের জন্য তীব্র নিন্দা করা বা দোষী সাব্যস্ত করা। B) Accuse — এই শব্দটির অর্থ হলো কারো বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা। C) Forgive — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) Convict — এই শব্দটির অর্থ হলো আদালতে কাউকে অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করা। মনে রাখার টিপস: পি-এ-আর-ডি-ও-এন (Pardon) মানে ক্ষমা, আর এফ-ও-আর-জি-আই-ভি-ই (Forgive) মানেও ক্ষমা করা।
19. Be aware _____ lies.
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: - Be aware শব্দটির পর নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে অব বসে। - এর অর্থ কোনো বিষয়ে সচেতন থাকা বা সতর্ক হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সঠিক প্রিপজিশন নয় কারণ aware শব্দের পর অ্যাট বসে না। B) of — এটি সঠিক কারণ aware of একটি স্থির প্রিপজিশন গুচ্ছ। C) about — এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে বেমানান ও অপ্রযুক্ত। D) to — এটি সঠিক নয় কারণ aware শব্দের সঙ্গে টু বসে না। মনে রাখার টিপস: সচেতন অর্থে Aware শব্দের পর সবসময় অব প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
20. 'I water the plants' -Here the word 'water' is used as-
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Verb কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে water শব্দটি সাবজেক্ট I-এর পরে মূল কাজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ গাছে পানি দেওয়া। ২. ইংরেজি Grammar-এ কোনো noun যখন কাজের কাজ বোঝায়, তখন সেটি verb হয়ে যায়। ৩. এখানে water শব্দটির নিজস্ব কাজ বা action প্রকাশ পাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে water কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজ করা বোঝাচ্ছে। B) Verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Adverb — Adverb সাধারণত verb বা adjective-কে মডিফাই করে, কিন্তু এখানে water নিজে একটি কাজ হিসেবে বসেছে। D) Pronoun — Pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে যা বসে, কিন্তু water কোনো কিছুর পরিবর্তে বসেনি। মনে রাখার টিপস: কোনো noun যেমন water, book বা pen যদি বাক্যে সরাসরি কোনো কাজ করা বোঝায়, তবে তা সর্বদা verb হিসেবে গণ্য হয়।
21. What is the past participle of 'do'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) done কেন সঠিক: - ইংরেজি 'do' verb-টির Past Participle রূপ হলো 'done', যা Perfect Tense গঠনে ব্যবহৃত হয়। - এটি verb-টির V৩ ফর্ম নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) did — এটি 'do' verb-টির Past (V২) রূপ, তাই এটি সঠিক নয়। B) done — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'do' verb-টির Past Participle (V৩) রূপ। C) undone — এটি 'undo' verb-টির Past Participle রূপ এবং এর অর্থ বিপরীত, তাই এটি ভুল। D) undo — এটি মূল verb-এর Base Form বা V১ রূপ, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Do-Did-Done এভাবে verb-টির তিনটি রূপ ছড়ার মতো মুখস্ত রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
22. The word 'Lunar' is related to-
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Moon কেন সঠিক: Lunar শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Luna থেকে এসেছে যার অর্থ চাঁদ। তাই চাঁদের সাথে সম্পর্কিত কোনো কিছু বোঝাতে Lunar শব্দটি ব্যবহার করা হয়। যেমন চাঁদের আলো বা চন্দ্রগ্রহণ বোঝাতে লুনার শব্দটি আসে। এটি সরাসরি চাঁদের সাথে সম্পর্কিত একমাত্র সঠিক অপশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sun — সূর্যের সাথে সম্পর্কিত শব্দ হলো Solar যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Planet — গ্রহের সাথে সম্পর্কিত সাধারণ শব্দ Planet বা Planetary। C) Moon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Water — পানির সাথে সম্পর্কিত শব্দ হলো Aquatic বা Hydro। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Solar মানে সূর্য এবং Lunar মানে চাঁদ, বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো।
23. What is the feminine gender of 'Host'?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Hostess কেন সঠিক: Host শব্দটির সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ বা feminine gender হলো Hostess। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দের শেষে ess যোগ করে স্ত্রীবাচক করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hosten — এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল গঠন এবং ইংরেজি ব্যাকরণে এমন কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। B) Hosts — এটি Host শব্দের বহুবচন বা plural রূপ, কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। C) Hostess — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Hostes — বানানে ভুল থাকার কারণে এটি একটি অগ্রহণযোগ্য শব্দ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক পুরুষবাচক শব্দের শেষে ess যোগ করে খুব সহজেই স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা যায়।
24. What is the plural form of the word 'Louse'?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) lice কেন সঠিক: 'Louse' শব্দটি একটি অনিয়মিত বা irregular plural noun-এর উদাহরণ। তাই এর বহুবচন করার সময় সাধারণ নিয়ম মেনে শেষে s বা es যুক্ত হয় না। বরং ভেতরের স্বরবর্ণ বা vowel পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি রূপ নেয়। এই অনিয়মিত পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী louse শব্দের বহুবচন সবসময় lice হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) louses — ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ louse শব্দের শেষে সরাসরি s যুক্ত হয় না। B) lice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি ধরা হবে না। C) lices — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ lice শব্দের শেষে es যুক্ত করার কোনো নিয়ম নেই। D) licess — এই বানানটি সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং ইংরেজি অভিধানে এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: Mouse-এর বহুবচন যেমন mice হয়, ঠিক তেমনি Louse-এর বহুবচন lice হয়।
25. Rupa is _____ taller of two sisters.
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: তুলনামূলক বা comparative degree-এর পূর্বে সাধারণত the বসে না। কিন্তু নির্দিষ্ট করে দুটির মধ্যে তুলনা বোঝালে comparative-এর পূর্বে the বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এখানে নির্দিষ্ট করে দুটির মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে। B) an — vowels দিয়ে শুরু শব্দের আগে an বসে কিন্তু এখানে তুলনা বোঝাতে the হবে। C) a — সাধারণ adjectives-এর পরে a বসে না, নির্দিষ্ট করার জন্য the প্রয়োজন। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করার সময় adjective-এর comparative রূপের আগে the বসে।

মোট প্রশ্ন (1)

1. x² – 4x – 1 = 0 হলে x – 1/x এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৪x − ১ = ০ আমাদের মান বের করতে হবে x − (১ ÷ x) এর ধরি, প্রদত্ত সমীকরণের উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে পাই x − ৪ − (১ ÷ x) = ০ অতএব, পক্ষান্তর করে পাই x − (১ ÷ x) = ৪ সুতরাং, নির্ণীয় মানটি সরাসরি পাওয়া গেল x − (১ ÷ x) এর মান হলো ৪ উত্তর: ৪

মোট প্রশ্ন (4)

1. টিটিকাকা কী?
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হ্রদ কেন সঠিক: টিটিকাকা হলো দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত একটি বিশাল প্রাকৃতিক হ্রদ। এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত নাব্য হ্রদ হিসেবে পরিচিত। পেরু ও বলিভিয়ার সীমান্তে এই হ্রদটি অবস্থিত। এটি দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাখি — এটি কোনো পাখি নয় বরং এটি একটি ভৌগোলিক জলাশয়। B) গাছ — এটি কোনো উদ্ভিদ বা গাছ নয় বরং একটি প্রাকৃতিক জলের উৎস। C) শহর — এটি কোনো শহর বা জনবসতিপূর্ণ এলাকা নয়। D) হ্রদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি বিখ্যাত পর্বতবেষ্টিত হ্রদ। মনে রাখার টিপস: টিটিকাকা নামটির সাথে হ্রদ শব্দটি মনে রাখবে কারণ এটি আন্দিজ পর্বতের উঁচুতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত জলাশয়।
2. শিল্প বিপ্লব হয়েছিল-
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৬০-১৮৩০ খ্রি. কেন সঠিক: - এই সময়ে যুক্তরাজ্যে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয় এবং জল ও বাষ্পীয় শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। - হস্তশিল্পের পরিবর্তে কারখানায় যন্ত্রের সাহায্যে ব্যাপক উৎপাদন শুরু হওয়ার এটিই মূল সময়কাল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০০-১৯৫০ খ্রি. — এটি দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়কাল এবং বিশ্বযুদ্ধের যুগ। B) ১৭৬০-১৮৩০ খ্রি. — এটি প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূচনার ঐতিহাসিক সময়কাল। C) ১৮৫০-১৯২০ খ্রি. — এটি দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব বা প্রযুক্তিগত প্রসারের সময়কাল। D) ১৫৬০-১৭২৯ খ্রি. — এটি শিল্প বিপ্লবের আগের সময়কাল যখন ইউরোপে মূলত কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি ছিল। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যে ১৭৬০ থেকে ১৮৩০ সালের মধ্যে বাষ্পীয় ইঞ্জিন ও কারখানার যুগে প্রথম শিল্প বিপ্লব ঘটেছিল।
3. ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বুট কে লাভ করেন?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কিলিয়ান এমবাপ্পে কেন সঠিক: তিনি ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে সর্বাধিক গোল করে গোল্ডেন বুট অর্জন করেছেন। তার অসাধারণ গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিং দলকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছিল। ফাইনাল ও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তার গোল করার ক্ষমতা ছিল অতুলনীয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যারি কেন — তিনি ভালো খেললেও এমবাপ্পের মতো সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারেননি। B) কিলিয়ান এমবাপ্পে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) লিওনেল মেসি — এই আসরে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে ব্যর্থ হয়েছেন। D) রোনালদো — বয়স ও ফর্মের কারণে তিনি এই টুর্নামেন্টে গোল্ডেন বুট পাননি। মনে রাখার টিপস: ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল করে এমবাপ্পে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন।

মোট প্রশ্ন (1)

1. কোন ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন 'কে' কেন সঠিক: ১. মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় এই ভিটামিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ২. কোথাও কেটে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে এটি প্রোটিন উৎপাদনে সাহায্য করে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. যকৃতে প্রোথ্রোম্বিন নামক রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান তৈরিতে এটি সাহায্য করে। ২. শরীরে এই ভিটামিনের অভাব ঘটলে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় এবং ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হতে চায় না। ৩. সবুজ শাকসবজি যেমন পালং শাক এবং বাঁধাকপিতে এটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন 'এ' — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং কোষের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, রক্ত জমাট বাঁধায় এর কোনো ভূমিকা নেই। B) ভিটামিন 'সি' — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ত্বক ও দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখতে প্রধানত কাজ করে। C) ভিটামিন 'ডি' — এটি শরীর গঠনে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে এবং হাড় মজবুত রাখে। D) ভিটামিন 'কে' — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও কেটে গেলে রক্ত ক্লোট বা জমাট বাঁধতে সাহায্য করে বলেই একে কোয়াগুলেশন ভিটামিন বা ভিটামিন 'কে' বলা হয়।

মোট প্রশ্ন (23)

1. What is the shortcut key for spelling check in a document?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) F7 ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য অফিস ডকুমেন্টে বানান ও ব্যাকরণ পরীক্ষা বা স্পেলিং চেক করার জন্য এফ সেভেন কি ব্যবহার করা হয়। এই শর্টকাট কি ব্যবহারের মাধ্যমে পুরো ডকুমেন্টে কোনো বানান ভুল বা গ্রামার সংক্রান্ত ত্রুটি থাকলে তা সহজে শনাক্ত ও সংশোধন করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: স্পেলিং চেক হলো একটি সফটওয়্যার ফিচার যা ডকুমেন্টের প্রতিটি শব্দকে তার নিজস্ব অভিধান বা ডিকশনারির সাথে মিলিয়ে দেখে। ভুল শব্দ পেলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিকল্প সঠিক বানান বা সাজেশন প্রদান করে যা ব্যবহারকারী গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো ইংরেজি অনুচ্ছেদ টাইপ করার সময় ভুল বানানযুক্ত শব্দের নিচে লাল রঙের ডেড লাইন আসলে এফ সেভেন চাপলে সংশোধনের প্যানেল আসবে। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহারকারীকে দ্রুত ভুল সংশোধন করে একটি ত্রুটিমুক্ত পেশাদার ডকুমেন্ট তৈরি করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ইমেল লেখার সময় বা প্রেজেন্টেশন স্লাইড তৈরি করার সময় টেক্সট এডিটর সফটওয়্যারে বানান যাচাই করতে এই ফাংশন কি কাজ করে। ব্যাখ্যা: এটি কাজের গতি বৃদ্ধি করে এবং বানান সংক্রান্ত ভুল এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) F7 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি ডকুমেন্টের বানান ও ব্যাকরণ পরীক্ষা করার নির্ধারিত শর্টকাট কি। B) shift + F7 — এই কম্বিনেশনটি থিসরাস বা সমার্থক শব্দ খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয় যা বানান পরীক্ষার কাজ করে না। C) Ctrl + F7 — এটি ডকুমেন্টে সাধারণত উইন্ডো রিসাইজ বা বিশেষ প্যানেল খোলার কাজে ব্যবহৃত হয়, বানান চেক করতে নয়। D) Alt + F7 — এই শর্টকাট কি সাধারণত কোনো ডকুমেন্টে বানান বা ব্যাকরণের পরবর্তী ভুল খুঁজে বের করার কাজে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল স্পেলিং চেক উইন্ডো খোলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ফাংশন কিগুলোর মধ্যে এফ সেভেন শুধু সেভেন সংখ্যাটি মনে রাখলেই স্পেলিং চেকের শর্টকাট সহজে মনে রাখা যায়। বানান বা স্পেলিং শব্দটিতে সাতটি অক্ষর রয়েছে এবং এফ সেভেন কি এর সাথে এর একটি সুন্দর মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাইক্রোসফট অফিসের শর্টকাট কি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই এফ কি গুলোর কাজ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। থিসরাসের শর্টকাট শিফট প্লাস এফ সেভেন এবং বানান চেকের শর্টকাট শুধু এফ সেভেন এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
2. e-GP এর পূর্ণরূপ কী?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Electronic Government Procurement কেন সঠিক: ১. এই শব্দটিতে সরকারি কেনাকাটা বা প্রকিউরমেন্ট বোঝানো হয়েছে, যা ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২. সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই পূর্ণরূপটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. এটি এমন একটি ডিজিটাল পদ্ধতি যার মাধ্যমে সরকারের সকল কেনাকাটা অনলাইনে সম্পাদিত হয়। ২. ইন্টারনেট ব্যবহার করে টেন্ডার আহ্বান থেকে শুরু করে ঠিকাদার নির্বাচন পর্যন্ত সব কাজ করা হয়। ৩. বাংলাদেশে সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই পোর্টাল ব্যবহার করে দুর্নীতির সুযোগ কমানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Electric Government Procedure — এই শব্দগুচ্ছটি আইসিটি বা সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। B) Electronic Government Procedure — এখানে প্রসিডিউর শব্দ থাকার কারণে এটি সঠিক পরিভাষা হয়নি। C) Electronic Government Procurement — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Electronic Grameen Phone — গ্রামীণফোন একটি বেসরকারি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ১. শেষ শব্দ হিসেবে প্রকিউরমেন্ট বা কেনাকাটা শব্দটি মনে রাখলে সঠিক উত্তর সহজে বের করা যাবে। ২. ই-জিপিপি বলতে সরকারি ক্রয়ের অনলাইন ব্যবস্থাকে বোঝায়।
3. ক্লাউড কম্পিউটারে নিচের কোনটি ক্লাউড হিসেবে চিহ্নিত হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Internet ১. কেন সঠিক: ক্লাউড কম্পিউটিং মূলত ইন্টারনেটভিত্তিক সেবার একটি অবকাঠামো যা দূরবর্তী সার্ভারে ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রসেস করে। ইন্টারনেট না থাকলে ক্লাউড সার্ভারের সঙ্গে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের যোগাযোগ স্থাপন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে ডেটা ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারে ডেটা না রেখে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড প্রোভাইডারের সার্ভারে তা প্রসেস ও সংরক্ষণ করে। ব্যবহার: গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্সে ফাইল ব্যাকআপ রাখা এবং রিমোট সার্ভার থেকে সফটওয়্যার সেবা গ্রহণ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে ফাইল ডাউনলোড বা আপলোড করা। ব্যাখ্যা: এখানে গুগল ড্রাইভ একটি ক্লাউড সেবা এবং ইন্টারনেট হলো মাধ্যম যার মাধ্যমে ক্লাউড সেবাটি পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভার থেকে ডেটা স্ট্রিম হওয়া। ব্যাখ্যা: ভিডিওগুলো ব্যবহারকারীর ডিভাইসে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে না বরং ক্লাউড সার্ভার থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Internet — এটি সঠিক কারণ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল ভিত্তি এবং মাধ্যম হলো ইন্টারনেট। B) Web application — এটি ক্লাউড কম্পিউটারের একটি সেবা বা অংশ মাত্র, পুরো ক্লাউড অবকাঠামো নয়। C) Hadoop — এটি মূলত বিগ ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত একটি ফ্রেমওয়ার্ক, কোনো ক্লাউড অবকাঠামো নয়। D) All — যেহেতু Web application এবং Hadoop সরাসরি ক্লাউড হিসেবে চিহ্নিত হয় না, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইংরেজি আক্ষরিক অর্থ মেঘ হলেও প্রযুক্তিগতভাবে এর অর্থ হলো ইন্টারনেট। ইন্টারনেট হলো সেই আকাশ যার নিচে সব ক্লাউড সেবাগুলো পরিচালিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার প্রধান তিনটি ধরন হলো IaaS, PaaS এবং SaaS। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্লাউড সেবার মডেল এবং এর ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
4. একটি ডোমেইনের নামের এক্সটেনশন কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) .com ১. কেন সঠিক: ডোমেইন নেম এক্সটেনশন হলো একটি ওয়েবসাইটের ঠিকানার শেষ অংশ, যা ডোমেইনের ধরন বা শ্রেণী নির্দেশ করে। .com হলো কমার্শিয়াল বা বাণিজ্যিক প্রকৃতির ওয়েবসাইট বোঝাতে ব্যবহৃত সবচেয়ে জনপ্রিয় শীর্ষস্থানীয় ডোমেইন বা Top-Level Domain। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডোমেইন নেম এক্সটেনশন হলো ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট শনাক্তকরণ ঠিকানার শেষ অংশ যা ডট চিহ্নের পরে বসে। কার্যপদ্ধতি: এটি ডিএনএস বা ডোমেইন নেম সিস্টেমের মাধ্যমে আইপি ঠিকানাকে সহজে ব্যবহারযোগ্য নাম হিসেবে রূপান্তর করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: google.com ব্যাখ্যা: এটি একটি বাণিজ্যিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বোঝাতে .com এক্সটেনশন ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: bd.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান বোঝাতে .gov এক্সটেনশন ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) .exe হলো এক্সিকিউটেবল ফাইল বা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রাম ফাইলের এক্সটেনশন। B) .doc হলো মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টের ফাইল ফরম্যাট বা এক্সটেনশন। D) .pdf হলো পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাটের ফাইল এক্সটেনশন যা ডকুমেন্ট রিডিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডট কম বা .com শব্দটি কমার্শিয়াল বা বাণিজ্যিক শব্দ থেকে এসেছে যা সাধারণত ব্যবসায়িক সাইটে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন এক্সটেনশন যেমন .org হলো অর্গানাইজেশন এবং .edu হলো এডুকেশনাল প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট সম্পর্কিত পরীক্ষায় বিভিন্ন ডোমেইন এক্সটেনশন এবং তাদের কাজের ধরন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। .com হলো প্রথম জেনারেশনের জেনেরিক টপ লেভেল ডোমেইনগুলোর একটি যা ইন্টারনেটের শুরুর দিক থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
5. কম্পিউটারে কাজের গতি কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ন্যানোসেকেন্ড কেন সঠিক: কম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করে থাকে। এই কারণে এর কাজের গতি পরিমাপের একক হিসেবে ন্যানোসেকেন্ড ব্যবহার করা হয়। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ন্যানোসেকেন্ড হলো সময়ের একটি অতি ক্ষুদ্র একক। এটি সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের এক ভাগ সময়কে নির্দেশ করে। কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ ইলেকট্রনিক সংকেত স্থানান্তরের সময় পরিমাপে এই একক ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিনিট — এটি সময়ের একটি বড় একক এবং কম্পিউটারের প্রসেসিং গতির মতো সূক্ষ্ম বিষয় পরিমাপে এটি ব্যবহার করা যায় না। B) ন্যানোসেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) সেকেন্ড — এটি সাধারণ সময় পরিমাপের একক হলেও কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতি দ্রুত গতির কাজের জন্য এটি অনেক বড় একক। D) ঘণ্টা — এটি দীর্ঘ সময় পরিমাপের একক এবং কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি প্রকাশের জন্য এটি সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার চলে আলোর গতিতে আর সময় মাপে ছোট এককে। ন্যানোসেকেন্ড মনে রাখলেই কম্পিউটারের গতি সহজে বোঝা যায়।
6. কোনটি নিউমেরিক কোড?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) BCD ১. কেন সঠিক: BCD যার পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal, একটি নিউমেরিক কোড। এই কোডে প্রতিটি দশমিক অংককে প্রকাশ করার জন্য চার বিটের বাইনারি সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে কোডের মাধ্যমে শুধুমাত্র সংখ্যা বা দশমিক অংকগুলোকে বাইনারি রূপান্তর করা হয় তাকে নিউমেরিক কোড বলে। কার্যপদ্ধতি: দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে আলাদাভাবে চার বিটের বাইনারি কোড দ্বারা প্রতিস্থাপন করে এটি কাজ করে। ব্যবহার: প্রাচীন কম্পিউটার এবং ডিজিটাল ক্যালকুলেটরে দশমিক হিসাব নিখুঁতভাবে প্রদর্শনের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দশমিক সংখ্যা ৫ এর বিসিডি কোড হলো ০১০১। ব্যাখ্যা: দশমিক ৫ কে চার বিটের বাইনারি কোডে রূপান্তর করলে এই মান পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: দশমিক সংখ্যা ৯৮ এর বিসিডি কোড হলো ১০০১ ১০১৮। ব্যাখ্যা: ৯ এর জন্য ১০০১ এবং ৮ এর জন্য ১০০০ পাশাপাশি বসিয়ে এই কোড তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) BCD — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শুধুমাত্র সংখ্যা নিয়ে কাজ করে। B) ASCII — এটি একটি আলফানিউমেরিক কোড যা বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন নিয়ে কাজ করে। C) EBCDIC — এটি একটি আলফানিউমেরিক কোড যা প্রধানত মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। D) Unicode — এটি একটি সার্বজনীন আলফানিউমেরিক কোড যা পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ নিয়ে কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিউমেরিক কোডের ক্ষেত্রে শুধু মনে রাখবে এটি দশমিক সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করে। বিসিডি এর পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড দশমিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিডি কোড কখনো মৌলিক বাইনারি সংখ্যা নয়, এটি দশমিকের প্রতিটি অঙ্ককে আলাদা কোড রূপ দেয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আলফানিউমেরিক ও নিউমেরিক কোডের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
7. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ কেন সঠিক: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবল দুটি মৌলিক প্রতীক বা অঙ্ক ব্যবহৃত হয়। এই দুটি অঙ্ক হলো শূন্য এবং এক, যা কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা নির্ধারণ করে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: বাইনারি হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি হলো দুই এবং এটি দুটি মাত্র অংক ব্যবহার করে। কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ সার্কিট বিদ্যুতের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতি তথা অন এবং অফ এর ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। কম্পিউটার প্রযুক্তিতে সকল ডেটা প্রসেসিং এবং সংরক্ষণের জন্য এই বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) আট — এটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি নির্দেশ করে যেখানে আটটি অঙ্ক থাকে। C) দশ — এটি দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি নির্দেশ করে যা আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি। D) ষোল — এটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি নির্দেশ করে যেখানে ষোলটি প্রতীক থাকে। মনে রাখার টিপস: বাই শব্দের অর্থ দুই, তাই বাইনারি মানেই হলো যার ভিত্তি দুই।
8. সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেইনফ্রেম ১. কেন সঠিক: কম্পিউটারের আকার, প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এবং কাজের পরিধির ওপর ভিত্তি করে একে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। সুপার কম্পিউটার হলো সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতির কম্পিউটার, যার ঠিক পরেই আকারে ও ক্ষমতায় ছোট কম্পিউটার হলো মেইনফ্রেম কম্পিউটার। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মেইনফ্রেম কম্পিউটার হলো অত্যন্ত শক্তিশালী ও বড় আকৃতির কম্পিউটার যা একসঙ্গে হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে সেবা দিতে পারে। কার্যপদ্ধতি: এটি একসাথে বহু কাজ বা মাল্টিটাস্কিং করতে পারে এবং এর প্রধান মেমোরি ও ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা অত্যন্ত উচ্চমানের হয়। ব্যবহার: বড় বড় ব্যাংক, বিমান সংস্থা এবং সরকারি সংস্থায় বিশাল ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিমান টিকিটের সংরক্ষণ ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: বিশ্বজুড়ে বিমানের হাজার হাজার যাত্রী একসঙ্গে টিকিট কাটার সময় মেইনফ্রেম কম্পিউটার সেই বিশাল ডেটা নিখুঁতভাবে প্রক্রিয়াজাত করে। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং খাতের কেন্দ্রীয় হিসাব রক্ষণ। ব্যাখ্যা: একটি দেশের সব ব্যাংকের শাখা থেকে আসা দৈনিক কোটি কোটি লেনদেনের হিসাব মেইনফ্রেম কম্পিউটারের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইব্রিড — হাইব্রিড কম্পিউটার হলো অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ ধরনের কম্পিউটার যা এই আকারের শ্রেণিবিভাগের মধ্যে পড়ে না। B) পার্সোনাল — পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি আকারে অনেক ছোট এবং এটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি, যা সুপার কম্পিউটারের তুলনায় অনেক নিচে অবস্থান করে। C) মেইনফ্রেম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট কিন্তু মিনি বা মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে বড়। D) মিনিফ্রেম — মিনি কম্পিউটার বা মিনিফ্রেম কম্পিউটার হলো মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়েও ছোট এবং মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকৃতির কম্পিউটার। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্ষমতা ও আকারের ক্রম মনে রাখার সহজ নিয়ম হলো সুপার কম্পিউটার সবার ওপরে, এরপর মেইনফ্রেম, তারপর মিনি কম্পিউটার এবং সবশেষে পার্সোনাল কম্পিউটার বা মাইক্রো কম্পিউটার। আকার বড় থেকে ছোট হওয়ার এই ধারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার হলো সুপার কম্পিউটার এবং এর ক্ষমতা পরিমাপের একক হলো ফ্লপস। মেইনফ্রেম কম্পিউটার মূলত সেন্ট্রলাইজড ডেটা প্রসেসিং এবং বড় প্রতিষ্ঠানের সার্ভার হিসেবে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
9. কী-বোর্ডের Shift, Ctrl, Alt Key গুলোকে বলা হয়-
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Modifier Key কেন সঠিক: Shift, Ctrl এবং Alt কি-বোর্ডের সাধারণ অক্ষর টাইপ করার কাজে সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। এগুলো অন্য কোনো কি-এর সাথে একসাথে চেপে ধরে বিশেষ কোনো কমান্ড কার্যকর করা হয়। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: যেসব কি একা কাজ না করে অন্য কি-র কাজের ধরন বদলে দেয় তাদের মডিফায়ার কি বলে। এগুলো সাধারণত অন্য কোনো অক্ষরের সাথে যুক্ত হয়ে শর্টকাট কমান্ড তৈরি করে। যেমন Ctrl এর সাথে C চাপলে কপি এবং V চাপলে পেস্ট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Function Key — এফ ১ থেকে এফ ১২ পর্যন্ত কিগুলোকে ফাংশন কি বলা হয়। এগুলোর কাজ আলাদা এবং নির্দিষ্ট সফটওয়্যারে বিশেষ নির্দেশ দিতে ব্যবহৃত হয়। B) Numeric Key — কি-বোর্ডের ডানপাশে থাকা ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যাভিত্তিক কিগুলোকে বোঝায়। এগুলো হিসাব-নিকাশ এবং দ্রুত সংখ্যা টাইপ করার কাজে ব্যবহার করা হয়। C) Space Key — এটি কি-বোর্ডের সবচেয়ে লম্বা কি যা শব্দের মাঝে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে। এর প্রধান কাজ দুটি শব্দের মাঝে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বা স্পেস তৈরি করা। D) Modifier Key — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল অপশন নেই। এটি অন্য অপশনের মতো সাধারণ কোনো কি নয় বরং কমান্ড পরিবর্তনকারী বিশেষ কি। মনে রাখার টিপস: মডিফাই শব্দটির অর্থ পরিবর্তন করা। যে কিগুলো অন্য কি-র কাজ পরিবর্তন করে তাদের মডিফায়ার কি বলে।
10. বার কোড রিডার কি ধরনের ডিভাইস?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Input ১. কেন সঠিক: - বার কোড রিডার একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি কোনো বস্তু বা পণ্যের গায়ে থাকা বার কোড স্ক্যান করে কম্পিউটারে উপাত্ত বা ডেটা পাঠায়। - এটি আলোক সংকেত ব্যবহার করে কোডগুলো পড়ে এবং তা প্রসেস করার জন্য সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটে প্রেরণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বার কোড রিডার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা আলোকীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে সমান্তরাল কালো ও সাদা দাগযুক্ত কোড পড়ে বুঝতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ডিভাইসটির লেজার বা এলইডি আলো ব্যবহার করে বার কোডের ওপর আলো ফেলে এবং প্রতিফলিত আলোর তারতম্য বিশ্লেষণ করে ডেটা তৈরি করে। - ব্যবহার: সুপারশামারে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ, গুদামে পণ্যের স্টক হিসাব এবং হাসপাতালে রোগীর ফাইল ব্যবস্থাপনায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপারশামারে কেনাকাটার সময় পণ্যের গায়ে লাগানো দাগ স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: ক্যাশ কাউন্টারে বিক্রয়কর্মী বার কোড রিডার দিয়ে পণ্যের কোড স্ক্যান করলে কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পণ্যের দাম ও নাম চলে আসে। উদাহরণ ২: কুরিয়ার সার্ভিসে পার্সেল ট্র্যাকিং করা। ব্যাখ্যা: পার্সেলের গায়ে থাকা বার কোড রিডার দিয়ে স্ক্যান করার মাধ্যমে পার্সেলের বর্তমান অবস্থান ও গন্তব্যের তথ্য সিস্টেমে আপডেট করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Output — আউটপুট ডিভাইস হলো সেই যন্ত্র যা কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াকরণ করা ফলাফল ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে, যেমন মনিটর বা প্রিন্টার। বার কোড রিডার ডেটা প্রদর্শন না করে কম্পিউটারে পাঠায়। B) Input — এই অপশনটি সঠিক কারণ বার কোড রিডার তথ্য কম্পিউটারের ভেতর প্রবেশ করায়। C) Storage — স্টোরেজ ডিভাইস হলো এমন মাধ্যম যেখানে ডেটা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়, যেমন হার্ড ডিস্ক বা পেন ড্রাইভ। বার কোড রিডার কোনো ডেটা সংরক্ষণ করে না। D) Memory — মেমোরি হলো কম্পিউটারের অস্থায়ী তথ্য ধারণের স্থান, যেমন র‍্যাম। বার কোড রিডার কোনো মেমোরি চিপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইনপুট মানে ভেতরের দিকে প্রবেশ করানো। বার কোড রিডার বাইরের তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে পাঠায় তাই এটি ইনপুট ডিভাইস। - রিডার বা স্ক্যানার জাতীয় ডিভাইস সাধারণত ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বার কোড প্রথম উদ্ভাবন করেন নরমাল জোসেফ উডল্যান্ড এবং বার্নি সিলভার। - ওএমআর (OMR) এবং এমআইসিআর (MICR) ও ইনপুট ডিভাইসের অন্তর্ভুক্ত।
11. কম্পিউটারের CPU এর কোন অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ALU কেন সঠিক: ১. এটি সিপিইউ এর মূল অংশ যা সমস্ত ধরণের গাণিতিক এবং লজিক অপারেশন পরিচালনা করে থাকে। ২. কম্পিউটারের ভেতরে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং তুলনা সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত এই অংশটি গ্রহণ করে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. এর পূর্ণরূপ হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট যা কম্পিউটারের প্রসেসরের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রধান অংশ। ২. এটি মেমোরি থেকে তথ্য নিয়ে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন করে এবং ফলাফল পুনরায় মেমোরিতে ফেরত পাঠায়। ৩. উদাহরণস্বরূপ, কম্পিউটারে দুটি সংখ্যা যোগ করার নির্দেশ দিলে এই অংশটি সেটির গাণিতিক সমাধান করে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ALU হলো সঠিক উত্তর তাই এই অপশনটি সঠিক এবং অন্যান্য অপশনগুলোর সাথে এর কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ আলাদা। B) Control unit হলো সেই অংশ যা কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও নিয়ন্ত্রণ করে। C) রেজিস্টার সেট হলো প্রসেসরের ভেতরের অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের ক্ষুদ্র স্মৃতি ভাণ্ডার বা মেমোরি এলাকা। D) কোনোটিই নয় অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি প্রথম অপশনেই স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. গাণিতিক কাজের ইংরেজি রূপ হলো অ্যারিথমেটিক এবং লজিক, যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো এএলইউ। ২. পরীক্ষার প্রশ্নে গাণিতিক শব্দ পেলেই চোখ বন্ধ করে এএলইউ উত্তরটি নির্বাচন করবে।
12. QR Code -এর পূর্ণরূপ হলো:
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Quick Response Code কেন সঠিক: ১. কিউআর কোডের পুরো নাম হলো কুইক রেসপন্স কোড। ২. এটি খুব দ্রুত স্ক্যান করা যায় বলে এর নাম এমন রাখা হয়েছে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. কিউআর কোড হলো দুই মাত্রার বারকোড যা সহজে তথ্য পড়তে পারে। ২. এটি ম্যাট্রিক্স আকারে সাজানো থাকে এবং ক্যামেরা দিয়ে এটি পড়া যায়। ৩. পণ্য কেনাকাটা বা ওয়েবসাইট লিংকের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quality Response Code — এই নামে কোনো প্রযুক্তিগত কোড নেই। B) Quick Report Code — এটি ভুল তথ্য বহন করে এবং অপ্রচলিত। C) Quick Response Code — এটি মূল সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য। D) Quality Report Code — এটি সঠিক আইসিটি পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: ১. দ্রুত উত্তর পাওয়ার জন্য এর নামের শুরুতে কুইক শব্দটি মনে রাখবে। ২. রেসপন্স শব্দের অর্থ উত্তর দেওয়া বা সাড়া দেওয়া।
13. কোনটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রম (ROM) ১. কেন সঠিক: - রম বা Read Only Memory হলো কম্পিউটারের এমন একটি স্থায়ী স্মৃতি যেখানে প্রস্তুতকারক কর্তৃক স্থায়ীভাবে ডেটা ও নির্দেশাবলি সংরক্ষণ করা হয়। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও এই মেমোরিতে থাকা তথ্য মুছে যায় না, তাই একে নন-ভলাটাইল মেমোরি বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ROM-এর পূর্ণরূপ Read Only Memory বা পঠনযোগ্য স্মৃতি, যা কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালুর সময় প্রয়োজনীয় বায়োস বা বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম এই স্মৃতি থেকে নির্দেশ গ্রহণ করে হার্ডওয়্যার সচল করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত স্থায়ী স্মৃতি এবং এতে সাধারণ ব্যবহারকারী নতুন করে কোনো ডেটা সংরক্ষণ বা পরিবর্তন করতে পারে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে যুক্ত বায়োস চিপ। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার চালু করার প্রথম মুহূর্তে যে নির্দেশনা প্রয়োজন হয় তা এই চিপে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার। ব্যাখ্যা: মোবাইল ফোন চালু করার অপারেটিং সিস্টেমের মূল বুট ফাইলগুলো এই স্থায়ী স্মৃতিতে সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) র‍্যাম — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, যা বিদ্যুৎ চলে গেলে তথ্য মুছে ফেলে। B) রম — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি। C) ক্যাশ — এটি প্রসেসরের খুব দ্রুতগতির কিন্তু অত্যন্ত অস্থায়ী ও সীমিত আকারের মেমোরি। D) হার্ডডিস্ক — এটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ বা স্থায়ী সংরক্ষণের মাধ্যম, তবে প্রচলিত কম্পিউটার বিজ্ঞান পরিভাষায় রমকে সরাসরি প্রাইমারি স্থায়ী স্মৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ROM মানে Read Only Memory, যা শুধু পড়া যায় এবং বিদ্যুৎ না থাকলেও তথ্য মুছে যায় না। - RAM মানে Random Access Memory, যা বিদ্যুৎ চলে গেলেই সব তথ্য মুছে ফেলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়োস হলো রম-এর সবচেয়ে ভালো বাস্তব উদাহরণ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভোলাটাইল ও নন-ভলাটাইল মেমোরির পার্থক্য প্রায়ই আসে।
14. Ransomware কীভাবে কাজ করে?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ দাবি করে কেন সঠিক: ১. এটি ম্যালওয়্যার হিসেবে ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ ফাইল কোড বা এনক্রিপ্ট করে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়। ২. ফাইল ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত হিসেবে হ্যাকাররা সাধারণত অর্থ বা মুক্তিপণ দাবি করে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. এটি এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া কম্পিউটারে প্রবেশ করে। ২. এটি ক্রিপ্টোগ্রাফি অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ফাইলগুলো এমনভাবে লক করে যা সঠিক চাবি ছাড়া খোলা অসম্ভব। ৩. এর বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ওয়ানা ক্রাই বা পেটিয়া র‍্যানসমওয়্যারের নাম উল্লেখ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারনেট সংযোগ ধীর করে দেয় — এটি ম্যালওয়্যারের গৌণ প্রভাব হতে পারে, তবে র‍্যানসমওয়্যারের মূল কাজ ফাইল লক করা। B) ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ দাবি করে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) কম্পিউটারে নতুন অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করে — র‍্যানসমওয়্যার সাধারণত নতুন অ্যাপ ইনস্টল করে না, বরং থাকা ফাইল নষ্ট করে। D) ওয়েবসাইটের কার্যক্ষমতা বাড়ায় — র‍্যানসমওয়্যার কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় না, বরং অকার্যকর করে দেয়। মনে রাখার টিপস: র‍্যানসম শব্দটির অর্থ মুক্তিপণ এবং ওয়্যার মানে সফটওয়্যার, তাই যে সফটওয়্যার মুক্তিপণ চায় সেটাই র‍্যানসমওয়্যার।
15. JPG কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Image file কেন সঠিক: JPG ফাইল ফরম্যাট মূলত ডিজিটাল ছবি সংরক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি ইন্টারমিডিয়েট বা প্রফেশনাল ফটোগ্রাফির ছবি সংরক্ষণ করতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: JPG হলো ডিজিটাল ছবি বা গ্রাফিক্স ফাইল সংরক্ষণের একটি জনপ্রিয় ফরম্যাট। এটি লসি কম্প্রেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফাইলের সাইজ কমায় এবং মান ঠিক রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) System file — এই ফাইলগুলো অপারেটিং সিস্টেমের মূল কার্যক্রম পরিচালনা করে, ছবি সংরক্ষণের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) Animation/Movie file — অ্যানিমেশন বা ভিডিও ফাইলের জন্য আলাদা ফরম্যাট যেমন এমপিফোর বা জিআইএফ ব্যবহার করা হয়। C) Image file — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) MS Encarta document — এটি একটি পুরনো মাল্টিমিডিয়া এনসাইক্লোপিডিয়া সফটওয়্যারের নিজস্ব ডকুমেন্ট ফরম্যাট। মনে রাখার টিপস: জেপিজি নামের শেষের পিজি অংশটি ছবি বোঝাতে ফোটোগ্রাফিক গ্রাফিক্স এক্সপার্ট গ্রুপ থেকে এসেছে।
16. MS Excel -এ split কোন মেনুর অধীন?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) View কেন সঠিক: ১. এমএস এক্সেলে স্প্লিট অপশনটি স্প্রেডশিটের কাজের সুবিধা অনুযায়ী উইন্ডোকে আলাদা ভাগে ভাগ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. উইন্ডো সংক্রান্ত এই ধরনের কাজের জন্য ভিউ মেনুটি নির্ধারিত থাকে। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ১. স্প্লিট হলো এমএস এক্সেলে একটি উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট টুল যা একই ওয়ার্কশিটকে একাধিক দৃশ্যমান অংশে ভাগ করে। ২. এটি মূলত একটি বড় ডেটাসেট নিয়ে কাজ করার সময় স্ক্রোল করার ঝামেলা এড়াতে সাহায্য করে। ৩. যেমন একটি শিটের প্রথম সারির শিরোনাম ঠিক রেখে শেষের ডেটা দেখার জন্য এই কমান্ড ব্যবহার করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Review — এই মেনুটি বানান বানান পরীক্ষণ, কমেন্ট এবং স্প্রেডশিট সুরক্ষার কাজের সাথে সম্পর্কিত। B) Tools — এমএস এক্সেলের আধুনিক সংস্করণে এই নামে কোনো মূল মেনু থাকে না। C) Insert — এই মেনুটি নতুন রো, কলাম, চার্ট বা ছবি ওয়ার্কশিটে যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) View — এই অপশনটি সঠিক কারণ উইন্ডো প্রদর্শন সংক্রান্ত সব কমান্ড এখানে থাকে। মনে রাখার টিপস: ১. স্ক্রিন দেখা বা সাজানোর কাজ সবসময় ভিউ মেনুতে থাকে। ২. তাই স্প্লিট বা জুম জাতীয় কাজের জন্য ভিউ মেনু নির্বাচন করতে হবে।
17. প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা কোথায় থাকে?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Clipboard ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে কোনো লেখা বা ছবি কপি (Copy) বা কাট (Cut) করার পর তা সাময়িকভাবে যে স্থানে জমা থাকে, তাকে ক্লিপবোর্ড বলে। এটি অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ মেমোরি অঞ্চল, যা ডেটা স্থানান্তরের কাজটি সম্পন্ন করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লিপবোর্ড হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অস্থায়ী স্টোরেজ এলাকা, যা ব্যবহারকারীকে এক স্থান থেকে ডেটা কপি বা কাট করে অন্য স্থানে পেস্ট করতে সহায়তা করে। কার্যপদ্ধতি: যখন কোনো টেক্সট সিলেক্ট করে কপি কমান্ড দেওয়া হয়, তখন অপারেটিং সিস্টেম সেই ডেটা ক্লিপবোর্ডে জমা রাখে এবং পেস্ট কমান্ড দিলে সেখান থেকে ডেটা পুনরুদ্ধার করে গন্তব্য স্থানে বসিয়ে দেয়। বৈশিষ্ট্য: ক্লিপবোর্ড সাধারণত অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে এবং কম্পিউটার রিস্টার্ট করলে বা নতুন কোনো ডেটা আবার কপি করলে আগের ডেটা সাধারণত মুছে যায়। ব্যবহার: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো বাক্য কপি করে অন্য পাতায় বা অন্য ডকুমেন্টে নেওয়ার সময় ক্লিপবোর্ড কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে একটি প্যারাগ্রাফ কপি করে ইমেইলের বডিতে পেস্ট করা। ব্যাখ্যা: প্যারাগ্রাফটি কপি করার সাথে সাথে তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয় এবং পেস্ট করার মাধ্যমে ইমেইলে স্থানান্তরিত হয়। উদাহরণ ২: একটি ওয়েবসাইট থেকে কোনো তথ্য বা ছবি কপি করে ফটোশপে নিয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: ওয়েবসাইট থেকে ছবি বা লেখা কপি করার পর ক্লিপবোর্ড সেটিকে ধারণ করে, যা পরে ফটোশপে পেস্ট করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের মূল বা প্রাইমারি মেমোরি, যা চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা নিয়ে কাজ করে। যদিও ক্লিপবোর্ড প্রযুক্তিগতভাবে র‍্যামেরই একটি অংশ ব্যবহার করে, তবে সুনির্দিষ্টভাবে কপি করা ডেটা ধারণকারী জায়গাকে র‍্যাম না বলে ক্লিপবোর্ড বলা হয়। B) Terminal — এটি একটি টেক্সট-ভিত্তিক ইন্টারফেস, যার মাধ্যমে কমান্ড লিখে অপারেটিং সিস্টেমকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এর সাথে কপি করা ডেটা জমার কোনো সম্পর্ক নেই। D) Hard Disk — এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যেখানে দীর্ঘ সময়ের জন্য ফাইল, সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম সংরক্ষিত থাকে। ক্লিপবোর্ডের ডেটা স্থায়ী হার্ড ডিস্কে জমা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু কাট বা কপি করলেই তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ক্লিপবোর্ড ইতিহাস দেখতে উইন্ডোজ কি এবং ভি একসাথে চাপতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লিপবোর্ড কম্পিউটারের এমন একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা স্থানান্তরে (Copy-Paste) সহায়তা করে। চাকরি পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কপি করা ডেটা কোথায় সংরক্ষিত থাকে, যার সঠিক উত্তর ক্লিপবোর্ড।
18. নিচের কোনটি Application Software?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) VLC Player ১. কেন সঠিক: - VLC Player হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কোনো কাজ যেমন ভিডিও বা অডিও চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি সরাসরি অপারেটিং সিস্টেমের অধীনে থেকে মাল্টিমিডিয়া ফাইল প্রসেস করে ব্যবহারকারীকে বিনোদন বা কাজের সুবিধা দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান বা বিনোদনের কাজ সম্পন্ন করে তাকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলে। - কার্যপদ্ধতি: এটি সিস্টেম সফটওয়্যারের সাহায্যে কম্পিউটারের হার্ডওয়ারে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ফাইল ডিকোড করে আউটপুট দেয়। - ব্যবহার: গান শোনা, সিনেমা দেখা, বা অফিসিয়াল কাজের জন্য এমএস অফিস ও ব্রাউজার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যাখ্যা: এটি একটি ডকুমেন্ট প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা দিয়ে লেখালেখির কাজ করা হয়। উদাহরণ ২: গুগল ক্রোম ব্যাখ্যা: এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য দেখতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DOS — এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার, কোনো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়। B) VLC Player — এটি সঠিক উত্তর এবং একটি মিডিয়া প্লেয়ার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। C) UNIX — এটি একটি জনপ্রিয় মাল্টি-ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার। D) Windows XP — এটি একটি গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার চালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার এবং কাজের সফটওয়্যার হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। - উইন্ডোজ বা ডস হলো ঘর তৈরির ভিত্তি, আর ভিএলসি বা ওয়ার্ড হলো ঘরের আসবাবপত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটার পরিচালনা করে আর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর কাজ করে। - অপারেটিং সিস্টেমের নামগুলো চিনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
19. কিন্ডল (Kindle) কী?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ই-বুক রিডারের নাম ১. কেন সঠিক: কিন্ডল হলো বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের তৈরি একটি ই-বুক রিডার ডিভাইস। এটি বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে চোখের ওপর চাপ না দিয়ে ডিজিটাল বই পড়ার সুযোগ করে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কিন্ডল হলো ইলেকট্রনিক কালি প্রযুক্তিভিত্তিক একটি পোর্টেবল ডিভাইস যা ডিজিটাল বই পড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: ই-ইংক প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি কাগজের মতো আলো প্রতিফলিত করে বই পড়ার পরিবেশ তৈরি করে। বৈশিষ্ট্য: এর স্ক্রিন চোখের জন্য আরামদায়ক এবং ব্যাটারি চার্জ দীর্ঘস্থায়ী হয়। ব্যবহার: ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই ডাউনলোড করে যেকোনো স্থানে সহজে পড়ার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজের বইয়ের পরিবর্তে ডিজিটাল ফরম্যাটে উপন্যাস পড়া। ব্যাখ্যা: কিন্ডল ডিভাইসে হাজার হাজার বই একসঙ্গে সংরক্ষণ করে যেকোনো সময় পড়া যায়। উদাহরণ ২: দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষণীয় পিডিএফ বা টেক্সট ফাইল পড়া। ব্যাখ্যা: ট্যাবলেটের নীল আলোর বিপরীতে কিন্ডল স্ক্রিন চোখকে ক্লান্ত হতে দেয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিষ্ঠানের নাম — কিন্ডল কোনো স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান নয়, এটি অ্যামাজন কোম্পানির একটি নির্দিষ্ট পণ্যের ব্র্যান্ড নাম। B) কার্টুনের নাম — কিন্ডল কোনো অ্যানিমেশন বা কার্টুন চরিত্র নয়, এটি একটি বাস্তব ইলেকট্রনিক ডিভাইস। D) সার্চ ইঞ্জিনের নাম — কিন্ডল কোনো তথ্য খোঁজার সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি মূলত পড়ার মাধ্যম। ৫. মনে রাখার টিপস: কিন্ডল শব্দটি শুনলেই অ্যামাজনের বই পড়ার ইলেকট্রনিক ডিভাইসের কথা মনে রাখবে। পড়ার সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এটি ই-বুক রিডার হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কিন্ডল ডিভাইসটি ই-ইংক প্রযুক্তির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জনপ্রিয় গ্যাজেট ও তার প্রস্তুতকারক বা কাজের ধরন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
20. নিচের কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যাপল ১. কেন সঠিক: অ্যাপল কোনো অপারেটিং সিস্টেমের নাম নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি প্রযুক্তি উৎপাদনকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির নাম। অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের প্রধান অংশ যা কম্পিউটারের সমস্ত সম্পদ ও কার্যক্রম পরিচালনা করে। বৈশিষ্ট্য: এটি মেমোরি ব্যবস্থাপনা, প্রসেসর নিয়ন্ত্রণ, ফাইল ম্যানেজমেন্ট এবং ইনপুট আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। ব্যবহার: স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং পার্সোনাল কম্পিউটারে হার্ডওয়্যার সচল রাখতে এটি অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: এটি মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্সোনাল কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম। উদাহরণ ২: অ্যান্ড্রয়েড ব্যাখ্যা: এটি গুগল কোম্পানির তৈরি মোবাইল ও স্মার্ট ডিভাইসের জন্য ব্যবহৃত বহুল প্রচলিত একটি অপারেটিং সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যান্ড্রয়েড — এটি একটি জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যা গুগলের তৈরি। B) অ্যাপল — এটি একটি প্রযুক্তি পণ্যের কোম্পানি বা ব্র্যান্ডের নাম, কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। C) মাইক্রোসফট — এটি একটি বিখ্যাত সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে। D) ম্যাক — এটি অ্যাপল কোম্পানির কম্পিউটারগুলোর জন্য তৈরি করা একটি অপারেটিং সিস্টেমের নাম, যার পূর্ণরূপ ম্যাকিনটশ। ৫. মনে রাখার টিপস: অ্যাপল হলো হার্ডওয়্যার ও ডিভাইস তৈরিকারী কোম্পানি, আর তাদের অপারেটিং সিস্টেমের নাম হলো ম্যাক ওএস বা আইওএস। কোম্পানি আর অপারেটিং সিস্টেমের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাপল কোম্পানির তৈরি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের নাম ম্যাক ওএস এবং মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের নাম আইওএস। মাইক্রোসফটের তৈরি প্রধান অপারেটিং সিস্টেমের নাম উইন্ডোজ।
21. 1 বাইটে বিটের সংখ্যা কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 8 ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হলো বিট (Bit)। আর আটটি বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় এক বাইট (Byte), যা একটি অক্ষর বা ক্যারেক্টার নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বাইট হলো কম্পিউটারের মেমোরিতে ডেটা স্টোরেজ পরিমাপের একটি আদর্শ একক। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের প্রসেসর বাইনারি সংখ্যা শূন্য ও এক নিয়ে কাজ করে এবং এই আটটি বিটের বিভিন্ন বিন্যাসের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটা সংরক্ষণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষর এ লেখার জন্য আটটি বিট বা এক বাইট মেমোরি জায়গার প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রতিটি বর্ণ সংরক্ষণ করতে আটটি বাইনারি অঙ্ক লাগে, যা এক বাইট হিসেবে গণনা করা হয়। উদাহরণ ২: একটি স্ট্যান্ডার্ড পাসওয়ার্ডে আটটি অক্ষর থাকলে তার মেমোরি সাইজ হয় আট বাইট। ব্যাখ্যা: প্রতি অক্ষরে এক বাইট হিসেবে মোট আটটি অক্ষরের জন্য আট বাইট বা চৌষট্টি বিট ডেটা খরচ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 — চার বিটকে একসঙ্গে নিবল বলা হয়, এক বাইট বলা হয় না। B) 8 — এটি সঠিক উত্তর। C) 16 — ষোল বিটকে দুই বাইট বা এক ওয়ার্ড বলা হয়, এক বাইট নয়। D) 32 — বত্রিশ বিট হলো চার বাইটের সমান, যা আধুনিক প্রসেসরের ওয়ার্ড সাইজ। ৫ মনে রাখার টিপস: আট বিটে এক বাইট মনে রাখার জন্য আটের সঙ্গে বাইটের সম্পর্ক মুখস্থ রাখা যায়। বিট হলো বাইনারি ডিজিটের সংক্ষিপ্ত রূপ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এক কিলোবাইট সমান এক হাজার চব্বিশ বাইট এবং আট বিটে এক বাইট এই মৌলিক সম্পর্কগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
22. নিচের কোনটি 'output device' নয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Microphone কেন সঠিক: মাইক্রোফোন হলো একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি আমাদের কণ্ঠস্বর বা শব্দকে কম্পিউটার বা অন্য কোনো যন্ত্রে গ্রহণ করে। এটি আউটপুট ডিভাইস নয় কারণ এটি কম্পিউটার থেকে কোনো ডেটা বা তথ্য বাইরে প্রকাশ করে না। টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যন্ত্র যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায়। মাইক্রোফোন আমাদের গলার স্বরের অ্যানালগ শব্দ তরঙ্গকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এর সাধারণ ব্যবহার হলো অডিও রেকর্ডিং, অনলাইন কথা বলা, ভয়েস সার্চ এবং গান গাওয়ার সময়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Monitor — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতরের প্রসেস করা ফলাফল বা ছবি স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। B) Microphone — এটি ইনপুট ডিভাইস হওয়ায় প্রশ্নানুসারে এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) Printer — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটারের ভেতরের নরম কপি বা ডকুমেন্টকে কাগজে প্রিন্ট করে হার্ড কপি আকারে বের করে দেয়। D) Speaker — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস কারণ এটি কম্পিউটার থেকে আসা ইলেকট্রনিক সিগন্যালকে আমাদের শোনার উপযোগী শব্দে রূপান্তর করে বাইরে বের করে। মনে রাখার টিপস: যা দিয়ে কম্পিউটারে কিছু প্রবেশ করানো হয় তা ইনপুট এবং যা দিয়ে কম্পিউটার থেকে ফলাফল বাইরে আসে তা আউটপুট ডিভাইস। মুখে কথা বললে ভেতরে ঢোকে তাই মাইক্রোফোন ইনপুট, আর স্পিকার দিয়ে শব্দ বাইরে বের হয় তাই তা আউটপুট।
23. What is 'LINUX'?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Operating System ১. কেন সঠিক: - লিনাক্স একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যকার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। - এটি ওপেন সোর্স প্রকৃতির হওয়ায় এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং বিনামূল্যে পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একগুচ্ছ সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের বিভিন্ন সম্পদ পরিচালনা করে এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালানোর পরিবেশ তৈরি করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং কার্নেলের মাধ্যমে সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি মাল্টিটাস্কিং, মাল্টিইউজার এবং অত্যন্ত নিরাপদ একটি অপারেটিং সিস্টেম যা সার্ভার থেকে শুরু করে পার্সোনাল কম্পিউটারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উবুন্টু (Ubuntu) ব্যাখ্যা: উবুন্টু হলো লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যবহারবান্ধব অপারেটিং সিস্টেম। উদাহরণ ২: রেড হ্যাট এন্টারপ্রাইজ লিনাক্স (RHEL) ব্যাখ্যা: এটি বড় বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও সার্ভারে ডেটা সুরক্ষা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত একটি লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Malware — ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার, যা সিস্টেমের ক্ষতি করার জন্য তৈরি হয়, আর লিনাক্স সম্পূর্ণ নিরাপদ একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। B) Operating System — এটি সঠিক উত্তর কারণ লিনাক্স কম্পিউটার সিস্টেম পরিচালনার মূল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। C) Application program — অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য তৈরি হয়, যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, কিন্তু লিনাক্স পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে। D) Firmware — ফার্মওয়্যার হলো হার্ডওয়্যারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত সফটওয়্যার, যেমন বায়োস (BIOS), যা লিনাক্সের মতো পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - লিনাক্সের লোগো পেঙ্গুইন (Tux) এবং এটি লিনুস তোরভাল্ডস কর্তৃক ১৯৯১ সালে তৈরি হয়। - উইন্ডোজ ও ম্যাকওএসের মতো লিনাক্সও একটি শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লিনাক্স কার্নেলের জনক লিনুস তোরভাল্ডস। - এটি ইউনিক্স (Unix) অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

মোট প্রশ্ন (11)

1. সতীদাহ প্রথা কে বিলোপ করেন?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজা রামমোহন রায় কেন সঠিক: রাজা রামমোহন রায় এই প্রথার বিরুদ্ধে তীব্র সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন এবং সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর আইন পাস করে এই প্রথা নিষিদ্ধ করেন। বাংলাদেশ তথ্য: এই ঐতিহাসিক সামাজিক সংস্কারটি অবিভক্ত বাংলার সমাজ সংস্কার আন্দোলনের অন্তর্ভুক্ত এবং নারী মুক্তির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৮২৯ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সিতে এই আইন কার্যকর করা হয় যা বাংলার সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি মূলত বিধবা বিবাহ আইন পাস এবং নারী শিক্ষা প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। B) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং ধর্মীয় সংস্কারে অবদান রাখেন কিন্তু প্রথাটি তিনি বিলোপ করেননি। C) রাজা রামমোহন রায় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি সমাজের নানা অসঙ্গতি উপন্যাসে তুলে ধরেছেন। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা বিলোপের সাথে রাজা রামমোহন রায়ের নাম মনে রাখতে "রামমোহন মানেই সতীদাহ প্রথার অবসান" এই কথাটি মনে রাখবে। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংকের সাথে রাজা রামমোহন রায়ের নাম যুগলবন্দী হিসেবে মনে রাখলে সহজে উত্তর মনে থাকে।
2. বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নারায়ণগঞ্জ কেন সঠিক: বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘরটি ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ে অবস্থিত যা লোকসংস্কৃতির কেন্দ্র। এই জাদুঘরটি প্রাচীন বাংলার লোকশিল্প সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ তথ্য: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ এই লোকশিল্প জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ঐতিহাসিক পানাম নগর এবং মইক্ষম এলাকার কাছাকাছি সোনারগাঁয়ে অবস্থিত। এই প্রতিষ্ঠানটি আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও শিল্প সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে মহাস্থানগড় অবস্থিত কিন্তু লোকশিল্প জাদুঘর নেই। B) রাজশাহী — এটি সিল্ক ও আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত জেলা তবে এখানে লোকশিল্প জাদুঘর নেই। D) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও লোকশিল্প জাদুঘর এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সোনারগাঁয়ের প্রাচীন ঐতিহ্য মনে রাখলেই লোকশিল্প জাদুঘরের নারায়ণগঞ্জ জেলা সহজেই মনে থাকবে।
3. তাজিংডং পর্বতশৃঙ্গের অপর নাম কী?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিজয় ১. কেন সঠিক: তাজিংডং পর্বতশৃঙ্গ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত এবং এর স্থানীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক অপর নাম বিজয়। এই শৃঙ্গটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং ভূতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক বিচারে এটি বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সর্বউচ্চ বিন্দু। ২. ভৌগোলিক ও ভূপ্রাকৃতিক প্রেক্ষাপট: অবস্থান: বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলার রেমাক্রি প্রাংসসা ইউনিয়নে তাজিংডং অবস্থিত। উচ্চতা: এর আনুমানিক উচ্চতা প্রায় ১,২৮০ মিটার বা ৪,১৯৮ ফুট। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেওক্রাডং ব্যাখ্যা: অতীতে কেওক্রাডংকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মনে করা হলেও আধুনিক পরিমাপে তাজিংডং বা বিজয়কে সর্বোচ্চ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: সাকাফাহং ব্যাখ্যা: সাম্প্রতিক গবেষণায় সাকাফাহং নামের আরেকটি পাহাড়ের উচ্চতা নিয়ে আলোচনা থাকলেও সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যবইয়ে তাজিংডং বা বিজয়কেই সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ধরা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় — এটি তাজিংডং পর্বতশৃঙ্গের অফিসিয়াল ও সর্বসম্মত অপর নাম। B) কালাপাহাড় — এটি বান্দরবানের একটি বিখ্যাত পাহাড় হলেও তাজিংডংয়ের অপর নাম নয়। C) চিম্বুক — এটি বান্দরবানের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ও পাহাড়, যার উচ্চতা তাজিংডংয়ের চেয়ে কম। D) মাথার তাজ — এটি তাজিংডং নামের আক্ষরিক অর্থ হতে পারে, কিন্তু পাহাড়টির দাপ্তরিক অপর নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পাহাড়ে উঠে বিজয় অর্জন করতে হয়, তাই তাজিংডংয়ের অপর নাম বিজয়। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া মানেই বিজয়ের নিশানা ও বিজয় নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক উচ্চতা ও পর্বতমালা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাজিংডং কোন জেলায় অবস্থিত এবং এর উচ্চতা কত, তা ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
4. শোলাকিয়া ঈদগাহ কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কিশোরগঞ্জ কেন সঠিক: ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলায় নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী ঈদ জামাতের জন্য দেশজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। বাংলাদেশ তথ্য: এই ঈদগাহ ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮২৮ সালে এবং এখানে একসঙ্গে লক্ষাধিক মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। উপমহাদেশের মধ্যে এটি অন্যতম বৃহত্তম ঈদের জামাত হিসেবে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় তাৎপর্য বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেত্রকোনা — এটি ময়মনসিংহ বিভাগের একটি জেলা হলেও এখানে শোলাকিয়া ঈদগাহ অবস্থিত নয়। B) ময়মনসিংহ — এটি একটি বিভাগীয় শহর এবং কিশোরগঞ্জ এর পার্শ্ববর্তী জেলা, তাই এই উত্তর সঠিক নয়। D) ভোলা — এটি বরিশাল বিভাগের একটি দ্বীপ জেলা যা কিশোরগঞ্জ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত শোলাকিয়া মাঠে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
6. দেশের একমাত্র সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কক্সবাজারের রামুতে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নে অবস্থিত। - সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ, গবেষণা এবং সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক সম্পদ: বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মৎস্য ও খনিজ সম্পদ গবেষণার জন্য এই ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। - প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট বা বোরি দেশের সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্যাখ্যা: এটি চাঁদপুরে অবস্থিত এবং দেশের মিঠাপানির মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ব্যাখ্যা: এটি ঢাকায় অবস্থিত এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রদানে কাজ করে যা সমুদ্র গবেষণার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কক্সবাজারের রামুতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট এখানেই অবস্থিত। B) কক্সবাজারের টেকনাফে — টেকনাফ কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা হলেও এখানে মূল সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়। C) কক্সবাজার সদর উপজেলায় — কক্সবাজার সদর পর্যটন কেন্দ্র হলেও দেশের একমাত্র সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে — বাঁশখালী চট্টগ্রামের একটি উপজেলা, যা সামুদ্রিক এলাকা হলেও এই নির্দিষ্ট গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্র গবেষণা ও রামুর প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো সামুদ্রিক গবেষণার প্রথম কেন্দ্র রামুর মাটিতে। - টেকনাফ বা কক্সবাজার সদর ভেবে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না, সঠিক উত্তর রামু উপজেলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সমুদ্র অর্থনীতির প্রসারে এই গবেষণা ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রশ্ন ভবিষ্যতে আসতে পারে।
7. বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৪ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের কল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে। - জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন এই অধিদপ্তরটি সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান: - আইন ও প্রতিষ্ঠা: ২০০৪ সালের বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। - কার্যক্রম: মৃত সরকারি কর্মচারীর পরিবারকে আর্থিক অনুদান, শিক্ষা বৃত্তি এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা এর মূল কাজ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডার ব্যাখ্যা: এটি সরকারের নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করে এবং কল্যাণ বোর্ডের সাথে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ ব্যাখ্যা: এটি সরকারি কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলার পাশাপাশি কল্যাণমূলক সুবিধার আইনি ভিত্তি প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০২ — এই সালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই এটি ভুল উত্তর। B) ২০০৩ — এই সালটি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ২০০৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে বোর্ডটি আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। D) ২০০৬ — এই সালটি বোর্ডের প্রতিষ্ঠার বছর নয়, এটি ভুল অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ২০০৪ সালটি মনে রাখার জন্য স্মরণ করতে পারেন যে, এই বছরেই সরকারি কর্মচারীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিশেষ বোর্ড গঠিত হয়। - চার অঙ্কের এই সালের শেষ দুটি সংখ্যা অর্থাৎ শূন্য চার বা চার মনে রাখলেই সালটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠার সাল জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন কাজ করে।
8. ১৯৪৭ সালের সীমানা কমিশন কোন নামে পরিচিত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) র‍্যাডক্লিফ কমিশন কেন সঠিক: ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভক্তির সময় বাংলা ও পাঞ্জাবের সীমানা নির্ধারণের জন্য এই কমিশন গঠন করা হয়েছিল। স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ এই সীমানা কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন বলে এটি তাঁর নামানুসারে পরিচিত হয়। বাংলাদেশ তথ্য: এই কমিশনের রায়ের মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অংশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট এই সীমানা নির্ধারণী রোয়েদাদ বা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) র‍্যাডক্লিফ কমিশন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সীমানা নির্ধারণ করেছিল। B) মাউন্টব্যাটেন কমিশন — এমন নামে ১৯৪৭ সালে কোনো সীমানা কমিশন গঠিত হয়নি, এটি লর্ড মাউন্টব্যাটেনের পরিকল্পনা ছিল। C) দুরান্ড কমিশন — এটি ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণ করেছিল। D) ম্যাকমোহন কমিশন — এটি ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বতের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: ভারত ও পাকিস্তান বিভক্তির সীমানা মানেই র‍্যাডক্লিফের কাটাছেঁড়া, তাই একে র‍্যাডক্লিফ লাইন বা কমিশন বলা হয়।
9. জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ আগস্ট কেন সঠিক: ১. ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা সরকারের পতন ঘটে। ২. এই দিনটিকে স্মরণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৫ আগস্টকে জাতীয়ভাবে বিশেষ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বাংলাদেশ তথ্য: ১. ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। ২. এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ সারা দেশের রাজপথ এবং এর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় ৫ আগস্ট ঢাকায়। ৩. ছাত্র জনতার এই রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের ফলে দেশে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও রাষ্ট্র সংস্কারের পথ উন্মুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জুলাই — এই তারিখে কোনো নির্দিষ্ট বা চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়নি বরং কোটা সংস্কার আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের প্রস্তুতিপর্ব চলছিল। C) ১ জুলাই — এই তারিখ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। D) ১১ জুলাই — এই দিনটিতে আন্দোলন চলাকালীন বিভিন্ন বিশবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি ও পুলিশের সাথে নানা উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: কোটা আন্দোলন শুরু হয়েছিল জুলাই মাসের ১ তারিখে এবং চুড়ান্ত সফলতা বা সরকার পতন ঘটেছিল আগস্ট মাসের ৫ তারিখে।
10. কে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ প্রদান করেন। জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনে যে দল বা জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, সেই দলের সংসদীয় দলের নেতাকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। বাংলাদেশ তথ্য: সংবিধানের ছাপ্পান্ন অনুচ্ছেদের তিন নম্বর উপধারায় স্পষ্টভাবে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের এই সাংবিধানিক ধারাটি স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় বলবৎ আছে। এই নিয়মটি সংসদীয় গণতন্ত্রের মূলনীতি বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনগণ — জনগণ সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেয় না, তারা কেবল সংসদ সদস্য নির্বাচন করে। B) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পড়ায় না বা সরাসরি নিয়োগপত্র দেয় না, নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। C) রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল তথ্য প্রযোজ্য নয়। D) সরকারি দল — সরকারি দল কেবল তাদের নেতা নির্বাচন করে, কিন্তু সাংবিধানিকভাবে নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার শুধু রাষ্ট্রপতির রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংসদ সদস্য বানান জনগণ, নেতা বানায় দল, আর প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দেন কেবল দেশের রাষ্ট্রপতি।
11. বাংলাদেশের দেশের কোড (Country calling code) কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) +৮৮০ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন কর্তৃক নির্ধারিত কান্ট্রি कॉलिंग কোড বা দেশের কোড হলো +৮৮০। - বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টেলিফোন বা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের সময় এই কোডটি ব্যবহার করতে হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভূগোলের অবস্থান ও প্রযুক্তি: আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতিটি দেশের একটি নির্দিষ্ট কান্ট্রি কোড থাকে যা ডায়ালিংয়ের সময় মূল নম্বরের আগে যোগ করতে হয়। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন এই কান্ট্রি কোডগুলো নির্ধারণ ও বরাদ্দ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতের কান্ট্রি কোড +৯১। ব্যাখ্যা: দেশের বাইরে থেকে ভারতে ফোন করতে হলে এই কোডটি ব্যবহার করতে হয়। উদাহরণ ২: পাকিস্তানের কান্ট্রি কোড +৯২। ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশিয়ার আরেকটি দেশের আন্তর্জাতিক কলিং কোডের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) +০১৭ — এটি বাংলাদেশের একটি মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের প্রিফিক্স বা নম্বর শুরুর কোড, দেশের কোড নয়। B) +৮৮০ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিফোন কোড। C) +০২ — এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ল্যান্ডফোন বা টেলিফোন ব্যবহারের এরিয়া কোড। D) +০১৮ — এটি বাংলাদেশের একটি মোবাইল অপারেটর রবির প্রিফিক্স বা নম্বর শুরুর কোড। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কান্ট্রি কোড মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে আমাদের দেশের সংগীতাংশ বা পরিচিতির সঙ্গে +৮৮০ যুক্ত থাকে। - মোবাইল অপারেটরের কোড এবং দেশের কোড এক নয়, এটি পরীক্ষার হলে সতর্ক থাকতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন দেশের কান্ট্রি কোড বা রাজধানী ও মুদ্রার নাম আসে। - আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার এই কোডগুলো জানা থাকলে বাস্তব জীবনেও সহজে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়।

মোট প্রশ্ন (5)

1. আয়ারল্যান্ডের রাজধানী কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডাবলিন কেন সঠিক: ডাবলিন আয়ারল্যান্ডের বৃহত্তম শহর এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় রাজধানী হিসেবে স্বীকৃত। এই শহরটিতে আয়ারল্যান্ডের সরকারের প্রধান কার্যালয় এবং সংসদ ভবন অবস্থিত। আন্তর্জাতিক তথ্য: আয়ারল্যান্ড ইউরোপ মহাদেশের একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। ১৯২২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর ডাবলিন দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাবলিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং আয়ারল্যান্ডের রাজধানী হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) বেলফাস্ট — এটি আয়ারল্যান্ড দ্বীপের উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী, যা যুক্তরাজ্যের অংশ। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্য এবং ইংল্যান্ডের রাজধানী, যা আয়ারল্যান্ডের রাজধানী নয়। D) রোম — এটি ইতালি রাষ্ট্রের রাজধানী এবং ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক শহর। মনে রাখার টিপস: আইরিশ সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে মনে রাখবেন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী হলো ডাবলিন। বেলফাস্ট যুক্তরাজ্যভুক্ত উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী, তাই এই দুটি শহর গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
2. কোন দেশকে হিমালয় কন্যা বলা হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেপাল কেন সঠিক: - নেপাল দেশটি এশিয়ার হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত। - এই দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হিমালয় পর্বতমালা। আন্তর্জাতিক তথ্য: - নেপাল এশিয়া মহাদেশের একটি দক্ষিণ এশীয় স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। - এই দেশটিকে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — বিশাল ভূখণ্ড ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে একে উপমহাদেশ বলা হয়। B) নেপাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। C) চীন — বিশাল আয়তন ও প্রাচীন সভ্যতার কারণে একে প্রাচ্যের দেশ বলা হয়। D) ভুটান — পাহাড়ঘেরা এই দেশকে বজ্রপাতের দেশ নামে অভিহিত করা হয়। মনে রাখার টিপস: - হিমালয়ের কন্যা হিসেবে নেপাল পরিচিত কারণ এর উত্তর সীমানায় হিমালয় রয়েছে।
3. জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটন এলাকায় অবস্থিত। ১৯৪৬ সাল থেকে এই স্থানটি জাতিসংঘের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক তথ্য: যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই সংস্থাটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে জাতিসংঘের ইউরোপীয় কার্যালয় অবস্থিত। B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত নয়। C) নিউইয়র্ক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) চীন — এটি একটি দেশ, কোনো শহর নয় এবং এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে এর মূল কার্যালয় তৈরি করা হয়। বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরকে জাতিসংঘের সদর দপ্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
4. কোনটি নিরস্ত্রীকরণ (Disarmament) এর সাথে সম্পৃক্ত নয়?
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) NATO ১. কেন সঠিক: - ন্যাটো কোনো নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা নয়, এটি একটি সামরিক জোট। - এই প্রশ্নটি পারমাণবিক অস্ত্র ও নিরস্ত্রীকরণ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা সংক্রান্ত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: NATO (North Atlantic Treaty Organization) প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী লিগ অব নেশনস নিরস্ত্রীকরণের উদ্যোগ নিয়েছিল। ব্যাখ্যা: নিরস্ত্রীকরণ হলো বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। উদাহরণ ২: স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ব্যাখ্যা: পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাসের মাধ্যমে বিশ্বকে নিরাপদ করা এর মূল লক্ষ্য ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) NATO — এটি একটি সামরিক জোট এবং পারস্পরিক প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত, যা নিরস্ত্রীকরণের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। B) SALT — Strategic Arms Limitation Talks, যা যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র সীমিতকরণের চুক্তি। C) NPT — Nuclear Non-Proliferation Treaty, যা পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে কাজ করে। D) CTBT — Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty, যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ন্যাটো নামের শেষ অক্ষর ও দিয়ে অর্গানাইজেশন বোঝায়, যা একটি সামরিক জোট। - এসএএলটি, এনপিটি এবং সিটিবিটি শব্দগুলো অস্ত্র কমানোর সাথে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সামরিক জোট আর নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য দেখতে হবে।
5. 'Operation Midnight Hammer' কী?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা ১. কেন সঠিক: - অপারেশন মিডনাইট হ্যামার হলো যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে লক্ষ্য করে পরিচালিত একটি সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের কোড নেম। - মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম এবং আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার রোধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের সামরিক কৌশলের কথা বিবেচনা করে আসছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ/সংস্থা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। - প্রেক্ষাপট: ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি রোধ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র বিশেষ করে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এই ধরনের সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে ধ্বংস বা বহু বছর পিছিয়ে দেওয়া। - ফলাফল/প্রভাব: এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে একটি সর্বাত্মক আঞ্চলিক যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেশন মিডনাইট হারকিউলিস ব্যাখ্যা: বিভিন্ন সামরিক অভিযানের নামকরণ বা কোড নেম নির্ধারণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের কৌশলগত নাম ব্যবহার করে থাকে। উদাহরণ ২: স্টাক্সনেট ওয়্যার্ম আক্রমণ ব্যাখ্যা: এর আগে সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনার সেন্ট্রিফিউজ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল, যা প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূরাজনৈতিক বিরোধ মেটানোর এক অনন্য উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। B) ইসরাইল কর্তৃক তেহরানে হামলা — এটি পৃথক কোনো সামরিক বা গোয়েন্দা অভিযান হতে পারে, যা সরাসরি এই কোড নেমের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ইরান কর্তৃক তেল আবিবে হামলা — ইরান সাধারণত প্রক্সি বাহিনী বা সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ইসরাইলকে টার্গেট করলেও এই কোড নেম তার নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইয়েমেনে হামলা — যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হামলা চালালেও তার কোড নেম আলাদা যেমন অপারেশন পোসেইডন আর্চার। ৫ মনে রাখার টিপস: - মিডনাইট হ্যামার বা মধ্যরাতের হাতুড়ি নামটি মনে রাখলে সহজেই বোঝা যায় এটি রাতের আঁধারে কোনো গোপন ও ধ্বংসাত্মক সামরিক বিমান হামলা বা বিশেষ অভিযানকে নির্দেশ করে। - মধ্যপ্রাচ্যের পারমাণবিক সংঘাত বললেই ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার গোপন বা প্রকাশ্য সামরিক পরিকল্পনাগুলোর কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের কোড নেম এবং সংশ্লিষ্ট দেশ সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি, পারমাণবিক কূটনীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।

মোট প্রশ্ন (6)

1. পায়রা সমুদ্র বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পটুয়াখালী কেন সঠিক: পায়রা সমুদ্র বন্দরটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত। এটি রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত হওয়ায় সামুদ্রিক জাহাজের চলাচলের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি বন্দর। ভৌগোলিক তথ্য: এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর যা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। এই বন্দরটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর হিসেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর কার্যক্রম ২০১৪ সালে শুরু হয় এবং এটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা একটি দ্বীপ জেলা হলেও এখানে পায়রা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত নয়। B) বরিশাল — বরিশাল বিভাগের প্রধান জেলা এটি, তবে পায়রা সমুদ্র বন্দর এখানে অবস্থিত নয়। C) পটুয়াখালী — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) খুলনা — খুলনা জেলায় মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত, পায়রা বন্দর নয়। মনে রাখার টিপস: পায়রা বন্দরের নামের সাথে পটুয়াখালী জেলার প্রথম অক্ষর বা কলাপাড়া উপজেলার অবস্থান মিলিয়ে মনে রাখা যায়। দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালী জেলা পায়রা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় বন্দরটির নাম ও অবস্থান সহজে মনে রাখা সম্ভব।
2. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত আছে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: রাঙ্গামাটি জেলার পূর্ব দিকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য এবং দক্ষিণ পূর্বে মিয়ানমার দেশ অবস্থিত। এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে জেলাটির সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত যুক্ত হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: রাঙ্গামাটি বাংলাদেশের আয়তনগত দিক থেকে বৃহত্তম জেলা যার মোট আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার। এটি পাহাড়ি অঞ্চল এবং এখানে দেশের বিখ্যাত কাপ্তাই হ্রদ ও ঝুলন্ত সেতু অবস্থিত। এই জেলাটি মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত ভাগ করা বাংলাদেশের একমাত্র দুটি জেলার একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এই জেলার সাথে শুধু মিয়ানমারের সীমান্ত আছে কিন্তু ভারতের কোনো সীমান্ত নেই। B) কক্সবাজার — এই জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমান্ত থাকলেও ভারতের সাথে কোনো সীমান্ত নেই। C) খাগড়াছড়ি — এই জেলার সাথে শুধু ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত আছে কিন্তু মিয়ানমারের সীমান্ত নেই। D) রাঙ্গামাটি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয় কারণ এটি উভয় দেশের সীমান্ত স্পর্শ করেছে। মনে রাখার টিপস: রাঙ্গামাটি হলো সেই বিশেষ জেলা যা ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে মিলে একটি আন্তর্জাতিক সংযোগ তৈরি করেছে। বান্দরবান শুধু মিয়ানমার আর খাগড়াছড়ি শুধু ভারতের সাথে যুক্ত, তাই রাঙ্গামাটিই একমাত্র ব্যতিক্রমী উত্তর।
3. নিচের কোন নদীর উৎপত্তি ও সমাপ্তি বাংলাদেশে?
Created 2 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হালদা কেন সঠিক: ১. এই নদীটি খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট পয়েন্টে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। ২. নদীটির পুরো গতিপথটিই বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে অবস্থিত হওয়ায় এর উৎপত্তি ও সমাপ্তি সম্পূর্ণ দেশেই সীমাবদ্ধ। ভৌগোলিক তথ্য: ১. হালদা নদীটি চট্টগ্রাম জেলার পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণ দিকে গিয়ে কর্ণফুলীতে মিশেছে। ২. এটি বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ারভাটা প্রভাবিত নদী যেখান থেকে রুই জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক ডিম সংগ্রহ করা হয়। ৩. এই নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮১ কিলোমিটার এবং এর অববাহিকা অঞ্চলটি স্থানীয় কৃষি ও মৎস্য চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ণফুলী — এই নদীটি ভারতের মিজোরাম রাজ্য থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। B) মহানন্দা — এই নদীটি ভারতের হিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপত্তি লাভ করে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ হয়ে গঙ্গা নদীর সাথে মিশেছে। C) হালদা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং এটি প্রশ্ন অনুযায়ী বাংলাদেশেই উৎপন্ন ও শেষ হয়েছে। D) গোমতী — এই নদীটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে উৎপত্তি লাভ করে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে একমাত্র হালদা নদীর জন্ম ও মৃত্যু বা সমাপ্তি দেশের ভেতরেই হয়েছে তা মনে রাখবে। ২. হালদা মানেই চট্টগ্রামের বিখ্যাত নদী যেখান থেকে রুই মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয় এবং এটি দেশেই সীমাবদ্ধ।
4. কিলিমানজারো পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তানজানিয়া কেন সঠিক: ১. কিলিমানজারো পর্বতটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার উত্তর-পূর্ব অংশে কেনিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত। ২. এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম প্রধান ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমানার মধ্যে তানজানিয়ার ভূখণ্ডে পুরোপুরি অবস্থিত। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি তানজানিয়ার উত্তর-পূর্ব সীমান্তে কেনিয়ার ঠিক পাশেই পূর্ব আফ্রিকান মালভূমিতে অবস্থিত। ২. এটি আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এবং এর উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার। ৩. এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি যা তিনটি প্রধান শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত এবং এর চূড়ায় বরফ জমে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোজাম্বিক — এই দেশটি আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং এখানে কিলিমানজারো পর্বত নেই। B) রুয়ান্ডা — এটি মধ্য আফ্রিকার একটি ছোট দেশ যা মূলত পাহাড়ের দেশ হিসেবে পরিচিত কিন্তু এখানে কিলিমানজারো নেই। C) তানজানিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ কিলিমানজারো পর্বতটি এই দেশেই অবস্থিত এবং এখানেই এর সর্বোচ্চ চূড়া রয়েছে। D) কেনগো — এই দেশটি মধ্য আফ্রিকায় অবস্থিত এবং এর ভূপ্রকৃতি ও ভৌগোলিক অবস্থান কিলিমানজারো পর্বতের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: তানজানিয়ার টি এবং ট দিয়ে কিলিমানজারোর সর্বোচ্চ চূড়া উহুরু পয়েন্ট মনে রাখতে পারো। আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে তানজানিয়ার নাম সবার আগে মাথায় রাখবে।
5. আয়তনের দিক থেকে আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ-
Created 2 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিচেলিস কেন সঠিক: - সিচেলিস আফ্রিকা মহাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে দূরে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যার মোট আয়তন অত্যন্ত কম। - মহাদেশীয় আফ্রিকা এবং এর আশপাশের দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে তুলনামূলক বিচারে সিচেলিসের ভূখণ্ড সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম। ভৌগোলিক তথ্য: - এটি ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাংশে পূর্ব আফ্রিকার উপকূলে মাদাগাস্কারের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ। - এটি মূলত একশোটিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র যা পর্যটনের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। - এর মোট আয়তন মাত্র প্রায় চারশো পঞ্চান্ন বর্গকিলোমিটার যা একে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সিচেলিস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ। - B) বতসোয়ানা — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং এর আয়তন সিচেলিসের চেয়ে অনেক বেশি। - C) তিউনিসিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ যার ভূখণ্ড সিচেলিসের তুলনার বহু গুণ বড়। - D) বেনিন — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র এবং এর আয়তন সিচেলিস অপেক্ষা অনেক বিশাল। মনে রাখার টিপস: - আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে সিচেলিস নামটি মাথায় রাখবে যা ভারত মহাসাগরের একটি ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র।
6. চন্দ্রনাথ পাহাড় কোথায় অবস্থিত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সীতাকুণ্ড কেন সঠিক: চন্দ্রনাথ পাহাড় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত। এটি পাহাড়ি এলাকার একটি বিখ্যাত তীর্থস্থান এবং পর্যটন কেন্দ্র। ভৌগোলিক তথ্য: এটি সীতাকুণ্ড বাজারের উত্তর-পূর্ব দিকে বঙ্গোপসাগরের উপকূলের কাছাকাছি অবস্থিত। এই পাহাড়ের চূড়ায় বিখ্যাত চন্দ্রনাথ মন্দির রয়েছে যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এখানে প্রতি বছর শিব চতুর্দশী উপলক্ষে বড় ধরনের ধর্মীয় মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীতাকুণ্ড — এই অপশনটি সঠিক কারণ চন্দ্রনাথ পাহাড় এখানেই অবস্থিত। B) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পাহাড়ি জেলা হলেও এখানে চন্দ্রনাথ পাহাড় অবস্থিত নয়। C) টেকনাফ — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় অঞ্চল যা চন্দ্রনাথ পাহাড় থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) বান্দরবান — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতমালা সমৃদ্ধ জেলা হলেও চন্দ্রনাথ পাহাড় এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় তীর্থযাত্রীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। সীতাকুণ্ড বললেই মাথায় রাখতে হবে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের নাম।