a সীতাকুণ্ড
b খাগড়াছড়ি
c টেকনাফ
d বান্দরবান
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সীতাকুণ্ড কেন সঠিক: চন্দ্রনাথ পাহাড় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত। এটি পাহাড়ি এলাকার একটি বিখ্যাত তীর্থস্থান এবং পর্যটন কেন্দ্র। ভৌগোলিক তথ্য: এটি সীতাকুণ্ড বাজারের উত্তর-পূর্ব দিকে বঙ্গোপসাগরের উপকূলের কাছাকাছি অবস্থিত। এই পাহাড়ের চূড়ায় বিখ্যাত চন্দ্রনাথ মন্দির রয়েছে যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এখানে প্রতি বছর শিব চতুর্দশী উপলক্ষে বড় ধরনের ধর্মীয় মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীতাকুণ্ড — এই অপশনটি সঠিক কারণ চন্দ্রনাথ পাহাড় এখানেই অবস্থিত। B) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পাহাড়ি জেলা হলেও এখানে চন্দ্রনাথ পাহাড় অবস্থিত নয়। C) টেকনাফ — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় অঞ্চল যা চন্দ্রনাথ পাহাড় থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) বান্দরবান — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতমালা সমৃদ্ধ জেলা হলেও চন্দ্রনাথ পাহাড় এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় তীর্থযাত্রীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। সীতাকুণ্ড বললেই মাথায় রাখতে হবে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের নাম।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a বন্যা
b খরা
c ঘূর্ণিঝড়
d ভূমিধস
0 172 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বন্যা কেন সঠিক: - বন্যা মূলত অতিবৃষ্টি, নদী ভাঙন এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন জলবায়ুগত প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে থাকে যা জলবায়ু বিজ্ঞানের আওতাভুক্ত। - হাইড্রোমেটিওরোলজিক্যাল বা বারি-বায়ুমণ্ডলীয় দুর্যোগ বলতে পানি এবং আবহাওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত প্রাকৃতিক বিপযয়কে বোঝানো হয়। ভৌগোলিক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান ও আয়তন বলতে নদীমাতৃক দেশ এবং নিচু প্লাবনভূমি অঞ্চলকে বোঝায় যেখানে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের সমস্যা বেশি থাকে। - এর বিশেষত্ব হলো এটি নদী অববাহিকা এবং উপকূলীয় অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে এবং জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তোলে। - উদাহরণস্বরূপ, প্রতি বছর বর্ষাকালে বাংলাদেশের বদ্বীপ অঞ্চলে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে মারাত্মক বন্যা দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বন্যা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি জলবায়ু ও পানির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - B) খরা — এটি জলবায়ু সংক্রান্ত হলেও পানি সংকট জনিত দুর্যোগ হিসেবে আলাদাভাবে আবহাওয়া বিজ্ঞান ও জলবায়ু বিজ্ঞানের আওতায় পঠিত হয়। - C) ঘূর্ণিঝড় — এটি আবহাওয়া সংক্রান্ত বা মেটিওরোলজিক্যাল দুর্যোগ হিসেবে গণ্য হয় তবে তা শুধুমাত্র বায়ুমণ্ডলের ওপর বেশি নির্ভরশীল। - D) ভূমিধস — এটি মূলত ভূতাত্ত্বিক বা জিওলজিক্যাল এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পাহাড়ি অঞ্চলে সংঘটিত একটি দুর্যোগ। মনে রাখার টিপস: - হাইড্রো শব্দের অর্থ পানি এবং মেটিওরোলজি শব্দের অর্থ আবহাওয়া। - তাই পানি এবং আবহাওয়া মিলে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, তার প্রধান উদাহরণ হলো বন্যা।
a বান্দরবন
b কুষ্টিয়া
c কুমিল্লা
d বরিশাল
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুমিল্লা কেন সঠিক: কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় এলাকা প্লাইস্টোসিন কালের সোপান বা উঁচু ভূমির অন্তর্ভুক্ত। ভূমিতাত্ত্বিক বিচারে প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত হওয়ার কারণে এই অঞ্চলের মাটি সাধারণত লালচে ও পলিযুক্ত হয়ে থাকে। ভৌগোলিক তথ্য: কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় অঞ্চল প্লাইস্টোসিন চত্বর বা সোপান হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চলগুলো প্লাবনভূমির চেয়ে কিছুটা উঁচু এবং এটি বরেন্দ্রভূমি ও মধুপুর গড়ের সমসাময়িক। বাংলাদেশের মোট ভূভাগের প্রায় আট শতাংশ এলাকা জুড়েই মূলত এই প্লাইস্টোসিন সোপানগুলো বিস্তৃত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবন — এটি মূলত পাহাড়ি অঞ্চল এবং বাংলাদেশের পাহাড়ি সমভূমি বা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অন্তর্ভুক্ত। B) কুষ্টিয়া — এটি প্লাইস্টোসিন সোপান নয়, বরং বর্তমানকালের নদী দ্বারা গঠিত সাম্প্রতিক প্লাবনভূমির অন্তর্গত। C) কুমিল্লা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং এখানে প্লাইস্টোসিন কালের সোপান অবস্থিত। D) বরিশাল — এটি প্লাইস্টোসিন সোপান নয়, বরং নদী ও জোয়ারভাটার পলি দ্বারা গঠিত প্লাবনভূমি অঞ্চলের অংশ। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিন সোপান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর গড় এবং ময়নামতি পাহাড় বা লালমাই পাহাড়।
a চীন
b পাকিস্তান
c থাইল্যান্ড
d মিয়ানমার
0 181 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিয়ানমার কেন সঠিক: ১. মিয়ানমার দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যা বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমানা জুড়ে অবস্থান করছে। ২. বাংলাদেশের সাথে কেবল ভারত এবং মিয়ানমার এই দুটি দেশের সরাসরি আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত রয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. মিয়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ২. এই দেশটির সাথে বাংলাদেশের প্রায় ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক স্থল ও নদী সীমান্ত রয়েছে। ৩. বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমানার মধ্য দিয়ে নাফ নদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন এশিয়ার একটি বিশাল দেশ হলেও ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে এর সাথে বাংলাদেশের কোনো সরাসরি সীমানা নেই। B) পাকিস্তান — পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হলেও ১৯৭১ সালের পর এর সাথে বাংলাদেশের কোনো ভৌগোলিক সীমানা বা সংযোগ নেই। C) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যা বাংলাদেশ থেকে ভৌগোলিক ও দূরত্বের দিক থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) মিয়ানমার — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশের সাথে সরাসরি আন্তর্জাতিক সীমানা ভাগ করে নেওয়া অন্যতম একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখবে বাংলাদেশ তার মানচিত্রের তিন দিক ভারত এবং এক দিক মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত। ২. মিয়ানমার হলো একমাত্র দেশ যার সাথে ভারত ছাড়া বাংলাদেশের স্থল ও সমুদ্র সীমানা উভয়ই যুক্ত আছে।
a দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
b পশ্চিমাঞ্চল
c উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
d উত্তর-পূর্বাঞ্চল
0 155 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর-পূর্বাঞ্চল কেন সঠিক: - এই অঞ্চলে মেঘালয় ও আসামের পাহাড়ি ঢাল থেকে নেমে আসা পাহাড়ি নদীর তীব্র স্রোতের কারণে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পায়। - ভারতের চেরাপুঞ্জির মতো অতিবৃষ্টির অঞ্চল কাছাকাছি থাকায় আকস্মিক ও দ্রুত পানি জমে প্লাবনের সৃষ্টি হয়। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর অববাহিকা পরিবেষ্টিত হাওড় অঞ্চল। - বিশেষত্ব: এই অঞ্চলের ভূমি থালার মতো নিচু এবং নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ায় পানি ধারণক্ষমতা খুবই কম। - তথ্য/উদাহরণ: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলায় প্রায় প্রতি বছরই বর্ষাকালে এমন আকস্মিক বন্যা দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল — এই অঞ্চলে জোয়ার-ভাটা এবং ঘূর্ণিঝড় প্রভাবিত উপকূলীয় প্লাবন ঘটে কিন্তু পাহাড়ি ঢলের আকস্মিক বন্যা হয় না। B) পশ্চিমাঞ্চল — এই অঞ্চল গঙ্গা অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানে সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী নদী বন্যা দেখা যায়। C) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল — তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ার কারণে এখানে মৌসুমি বন্যা হয় তবে তা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মতো আকস্মিক নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের ঢাল আর হাওড়ের দেশ উত্তর-পূর্বাঞ্চল, যেখানে বৃষ্টি নামলেই হঠাৎ জল আসে পলকহীন।
a একটি দেশের নাম
b ম্যানগ্রোভ বন
c একটি দ্বীপ
d সাবমেরিন ক্যানিয়ন
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাবমেরিন ক্যানিয়ন কেন সঠিক: এটি বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত একটি বিশাল ও গভীর খাদ বা গিরিখাত। এটি মূলত নদী দ্বারা সৃষ্ট জলের নিচের উপত্যকা যা সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপ গঠন করে। ভৌগোলিক তথ্য: এটি সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে অবস্থিত। এর গভীরতা অনেক বেশি এবং এটি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি দেশের নাম — সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কোনো স্বাধীন বা সার্বভৌম দেশ নয়। B) ম্যানগ্রোভ বন — এটি সুন্দরবনের মতো উপকূলীয় উদ্ভিদ বা বনভূমি নয় বরং সমুদ্রের তলদেশের খাদ। C) একটি দ্বীপ — এটি সমুদ্রের উপরে জেগে থাকা কোনো ভূখণ্ড বা দ্বীপ নয়। D) সাবমেরিন ক্যানিয়ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সমুদ্রের তলদেশের একটি গভীর গিরিখাত। মনে রাখার টিপস: সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড শুনলেই মনে রাখবে এটি সমুদ্রের নিচের এক ধরণের গভীর খাদ বা ক্যানিয়ন।
a বোয়ালমারী
b নড়িয়া
c আলমডাঙ্গা
d নিকলি
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নড়িয়া কেন সঠিক: পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনের কারণে এই উপজেলাটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ। নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং পানির স্রোতের প্রবল চাপের কারণে এখানে প্রতি বছর প্রচুর বসতি নদীগর্ভে বিলীন হয়। ভৌগোলিক তথ্য: শরীয়তপুর জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হলো নড়িয়া। পদ্মা নদীর ডান তীরের ভাঙনপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে এটি জাতীয়ভাবে পরিচিত। গত কয়েক দশকে এই উপজেলার বহু ঐতিহাসিক হাটবাজার ও জনপদ নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোয়ালমারী — এটি ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত এবং এখানে নদীভাঙ্গনের মাত্রা নড়িয়ার মতো তীব্র নয়। C) আলমডাঙ্গা — এটি চুয়াডাঙ্গা জেলায় অবস্থিত এবং এটি মূলত খরস্রোতা নদী বা তীব্র ভাঙনের আওতাধীন নয়। D) নিকলি — এটি কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এটি হাওড় অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় এখানে নদীভাঙ্গন তুলনামূলক কম। মনে রাখার টিপস: পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত নড়িয়া মানেই নদীভাঙ্গনের সবচেয়ে বড় শিকার। ন দিয়ে নড়িয়া এবং ন দিয়েই নদীভাঙ্গনের সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র মনে রাখা যায়।
a পার্বত্য বন
b শালবন
c মধুপুর বন
d ম্যানগ্রোভ বন
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ম্যানগ্রোভ বন কেন সঠিক: - এই বনাঞ্চল উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রের লবণাক্ত জোয়ারের পানির নিচে প্রায় প্রতিদিন তলিয়ে যায়। - এখানকার গাছপালা অতিরিক্ত লবণাক্ত পরিবেশ সহ্য করে বেঁচে থাকার বিশেষ শারীরিক ক্ষমতা রাখে। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান/আয়তন: এই বন সাধারণত নদী ও সমুদ্রের সংযোগস্থলে পলিথমাযুক্ত উপকূলীয় এলাকায় জন্ম নেয়। - বিশেষত্ব: গাছের শেকড় মাটির উপরে উঠে আসে যাকে শ্বাসমূল বা নিউমাটোপোর বলে। - তথ্য/উদাহরণ: বাংলাদেশের সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়ী বন — এই বন উচ্চভূমি ও পাহাড়ি এলাকায় গড়ে ওঠে যেখানে লবণাক্ত পানির কোনো যোগাযোগ থাকে না। B) শালবন — এটি মূলত উচ্চভূমির শুষ্ক পর্ণমোচী বন যেখানে মাটি ও পানি সম্পূর্ণ মিষ্টি প্রকৃতির হয়। C) মধুপুর বন — এটি দেশের মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত এক ধরনের ঐতিহাসিক শালবন যা সাধু পানির ওপর নির্ভরশীল। D) ম্যানগ্রোভ বন — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় ভুল হিসেবে গণ্য হবে না কারণ এটি লবণাক্ত পানির বন। মনে রাখার টিপস: - লবণাক্ত পানি বা জোয়ার ভাটার উপকূলীয় বন মানেই চোখ বন্ধ করে ম্যানগ্রোভ বন নির্বাচন করবে।
a নিঝুমদ্বীপ
b সেন্ট মার্টিনস
c হাতিয়া
d কুতুবদিয়া
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেন্ট মার্টিনস কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা প্রবাল প্যাথ দিয়ে গঠিত। - এই দ্বীপের ভূপ্রকৃতি এবং জীববৈচিত্র্য সামুদ্রিক প্রবালের উপর নির্ভরশীল। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে টেকনাফ থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। - বিশেষত্ব: এখানে সামুদ্রিক কচ্ছপ এবং বৈচিত্র্যময় প্রবাল ও শামুক ঝিনুক পাওয়া যায়। - তথ্য: এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণাংশের ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুমদ্বীপ — এটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি পলিগঠিত চর এলাকা। B) সেন্ট মার্টিনস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) হাতিয়া — এটি মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে গঠিত একটি বৃহৎ নদীদ্বীপ। D) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় দ্বীপ যা ভাঙনপ্রবণ। মনে রাখার টিপস: সেন্ট মার্টিনস নামের প্রবাল দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরের বুকে এক টুকরো প্রবালের রাজ্য হিসেবে মনে রাখবে।
a সিলেট
b কুমিল্লা
c রাজশাহী
d দিনাজপুর
0 146 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দিনাজপুর কেন সঠিক: ১. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও প্রধান কয়লখনিগুলো যেমন বড়পুকুরিয়া ও ফুলবাড়ী এই জেলায় অবস্থিত। ২. এই অঞ্চলের ভূগর্ভে প্রচুর পরিমাণে উন্নত মানের বিটুমিনাস কয়লার মজুদ পাওয়া গেছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ জেলা। ২. এই জেলাটি তিস্তা ও আত্রাই নদীর অববাহিকায় গঠিত সমতল ভূমি এবং উর্বর কৃষি অঞ্চলের জন্য পরিচিত। ৩. এখানে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলা খনি এবং বড়পুকুরিয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এই জেলাটি খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও কয়লার জন্য প্রধান নয়। B) কুমিল্লা — এই জেলাটি মূলত লালমাই পাহাড়ি এলাকা এবং কৃষি উৎপাদনের জন্য পরিচিত, কয়লা সমৃদ্ধ নয়। C) রাজশাহী — এই জেলাটি প্রধানত সিল্ক বা রেশম এবং আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, কয়লা খনি নেই। D) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি একমাত্র প্রধান কয়লা সমৃদ্ধ জেলা। মনে রাখার টিপস: উত্তরটি মনে রাখতে ড দিয়ে দিনাজপুর এবং ড দিয়ে কয়লা সমৃদ্ধ বড়পুকুরিয়া খনির কথা একসাথে মনে রাখবে।
a ভূমিকম্প
b ভূমিধম
c টর্নেডো
d খড়া
0 149 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভূমিকম্প কেন সঠিক: বাংলাদেশ ভূকম্পনপ্রবণ অঞ্চলের ওপর অবস্থিত হওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের প্রধান প্রধান ফল্ট লাইন বা চ্যুতিগুলোতে ভূগর্ভস্থ শক্তির সঞ্চয় এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে এই ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশ ভারতীয় ইউরেশিয়ান এবং বার্মিজ এই তিনটি সক্রিয় টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত। এই ভূখণ্ডটি প্রধানত নরম পলিগঠিত বদ্বীপ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখানে ভূকম্পনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা খুব বেশি থাকে। সাম্প্রতিক ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় মধুপুর ও ডাউকি ফল্টসহ দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে শক্তিশালী বিচ্যুতির সক্রিয়তা লক্ষ করা গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিকম্প — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ভূমিধম — পাহাড়ি অঞ্চলে এটি ঘটে থাকে এবং এর ঝুঁকি মূলত নির্দিষ্ট কিছু এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। C) টর্নেডো — এটি একটি স্থানীয় ক্ষণস্থায়ী ঝড় এবং এর ঝুঁকি সাম্প্রতিককালে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়নি। D) খরা — বরেন্দ্র অঞ্চলে এর প্রভাব কিছুটা থাকলেও এর সার্বিক ঝুঁকি ভূমিকম্পের মতো এভাবে বাড়েনি। মনে রাখার টিপস: বদ্বীপ অঞ্চলে পলিমাটি বেশি থাকায় এবং প্লেটের নড়াচড়ার কারণে বর্তমানে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হলো ভূমিকম্প।