a উষ্ণধ্বনি
b জিহ্বামূলীয় ধ্বনি
c পরাশ্রয়ী ধ্বনি
d স্পর্শধ্বনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্পর্শধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ক থেকে ম পর্যন্ত মোট পঁচিশটি ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গ যেমন জিভ, তালু, মূর্ধা, দন্ত বা ওষ্ঠ পরস্পরের সঙ্গে স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়। - বাংলা বর্ণমালায় ক থেকে ম পর্যন্ত বর্ণগুলোকে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে এবং এই কারণে এদের বর্গীয় বর্ণ বা স্পর্শধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনিতাত্ত্বিক শ্রেণিবিভাগে স্পর্শধ্বনি বা স্পৃষ্টধ্বনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। - ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ এবং প-বর্গ এই পাঁচটি ভাগে সাজানো হয় এবং প্রতি বর্গে পাঁচটি করে বর্ণ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক ব্যাখ্যা: ক বর্ণটি উচ্চারণ করার সময় জিহ্বামূল কোমল তালুকে স্পর্শ করে, যা স্পর্শধ্বনির একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: প ব্যাখ্যা: প বর্ণটি উচ্চারণ করার সময় দুটি ঠোঁট পরস্পরের সংস্পর্শে আসে, যা স্পর্শধ্বনি বা ওষ্ঠ্যধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উষ্ণধ্বনি — উষ্ণধ্বনি বলতে শ, ষ, স, হ বর্ণগুলোকে বোঝানো হয়, যা ক থেকে ম পর্যন্ত ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত নয়। B) জিহ্বামূলীয় ধ্বনি — জিহ্বামূলীয় ধ্বনি হলো সেই ধ্বনিগুলো যা জিহ্বার মূল বা পেছনের অংশ দিয়ে উচ্চারিত হয়, যা কেবল ক বর্গের ধ্বনির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) পরাশ্রয়ী ধ্বনি — পরাশ্রয়ী ধ্বনি বলতে অনুস্বার, বিসর্গ এবং চন্দ্রবিন্দুকে বোঝানো হয়, কারণ এরা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না। D) স্পর্শধ্বনি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণ উচ্চারণের সময় বাকযন্ত্রের কোনো না কোনো অংশ স্পর্শ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে মনে রাখার জন্য বর্গের হিসাব মনে রাখা যায় কারণ ৫ গুণ ৫ সমান ২৫ টি বর্ণ হলো স্পর্শধ্বনি। - স্পর্শধ্বনি মানেই হলো বাকযন্ত্রের স্পর্শের মাধ্যমে উচ্চারিত ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণমালা থেকে প্রায়ই স্পর্শধ্বনি বা বর্গীয় বর্ণের সংখ্যা কত তা জানতে চাওয়া হয়। - এই পঁচিশটি বর্ণের বাইরে অন্তস্থ ধ্বনি এবং উষ্ম ধ্বনিগুলোর পরিচিতিও ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0