ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- যে পদের কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না, অর্থাৎ যার লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা কালভেদে কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন ঘটে না, তাকে অব্যয় পদ বলে।
- 'না' শব্দটি বাক্যে না-সূচক ভাব, অস্বীকৃতি বা নিষেধ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার, যার মধ্যে অব্যয় পদ অন্যতম।
- অব্যয় পদ বাক্যকে দীর্ঘ করে, শব্দের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে এবং বাক্যের ভাব স্পষ্ট করতে অস্বীকৃতি সূচক হিসেবে কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমি যাব না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'না' শব্দটি ক্রিয়ার কাজকে অস্বীকার করতে অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: না বলো না।
ব্যাখ্যা: প্রথম 'না' নিষেধ অর্থে এবং দ্বিতীয় 'না' অস্বীকৃতি অর্থে অব্যয় হিসেবে বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সর্বনাম — বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম বলে, কিন্তু 'না' কোনো নামের পরিবর্তে বসে না।
B) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর।
C) ক্রিয়া — যে পদ দ্বারা কোনো কিছু করা বা হওয়া বোঝায় তাকে ক্রিয়া বলে, কিন্তু 'না' কোনো কাজ সম্পন্ন করে না।
D) বিশেষণ — যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়ার দোষ, গুণ, সংখ্যা বা অবস্থা প্রকাশ করে, 'না' তা করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে শব্দগুলোর সঙ্গে বচন, লিঙ্গ বা বিভক্তি যোগ করে রূপ পরিবর্তন করা যায় না, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- 'না', 'হ্যাঁ', 'যদি', 'তবে' হলো বাংলা ভাষার পরিচিত কিছু অব্যয় শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় না-সূচক শব্দগুলো প্রায়ই কোন পদ তা জানতে চাওয়া হয়।
- বাক্যে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করতে 'না', 'নয়', 'ਨੀ' ইত্যাদি অব্যয় পদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।