a চতুর
b প্রাচীন
c নবীন
d সরল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নবীন ১. কেন সঠিক: 'অর্বাচীন' একটি তৎসম শব্দ যার শাব্দিক অর্থ হলো অনুন্নত বা আধুনিক কিন্তু ব্যাকরণ ও প্রয়োগের দিক থেকে এর মূল অর্থ হলো নবীন বা অপ্রাচীন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দটি সাধারণত বিপরীতার্থক শব্দ বা শব্দের অর্থ নির্ণয় করার জন্য বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দটির উৎস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি কালগত দিক থেকে বর্তমান বা নতুন কালকে নির্দেশ করে। বাংলা ব্যাকরণে এই জাতীয় শব্দের সঠিক অর্থ অনুধাবন করতে হলে শব্দের উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার ভালোভাবে জানতে হবে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজ সংস্কারে অর্বাচীন যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'অর্বাচীন' শব্দটি নবীন বা তরুণ প্রজন্মকে বোঝাতে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অর্বাচীনদের ভুলত্রুটি মুরুব্বিরা অনেক সময় ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'অর্বাচীন' বলতে কম অভিজ্ঞ বা নতুনদের বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর — চতুর অর্থ চালাক বা বুদ্ধিমান, যা অর্বাচীন শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) প্রাচীন — প্রাচীন হলো অর্বাচীন শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ, সমার্থক শব্দ নয়। C) নবীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্বাচীন ও নবীন সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) সরল — সরল অর্থ সোজা বা কুটিলতাহীন, যা অর্বাচীন শব্দের অর্থের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: অর্বাচীন শব্দের প্রথম অক্ষর অ দিয়ে শুরু এবং প্রাচীন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাই অ দিয়ে নতুন বা নবীন মনে রাখা সহজ। পরীক্ষায় প্রাচীন ও অর্বাচীন শব্দের বিপরীতার্থক জোড় প্রায়ই কনফিউশন তৈরি করে, তাই এটি ভালোভাবে লক্ষ্য রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয়ে শব্দের সঠিক উৎস ও অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। একই ধরনের শব্দ যেমন প্রাচীন শব্দের বিপরীত অর্বাচীন এবং আধুনিক শব্দের বিপরীত প্রাচীন ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0