a সমরেখ মজুমদার
b প্যারীচাঁদ মিত্র
c বুদ্ধদেব বসু
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - ভানুরসিংহ ঠাকুর হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভণিতা বা ছদ্মনাম। - তিনি কৈশোরে এই ছদ্মনামে পদাবলী রচনা করেছিলেন, যা প্রাচীন বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - তিনি ভানুরসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য রোমান্টিক ধারার সূচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুরসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোরকালীন পদ রচনার একটি বিখ্যাত সংকলন যা ভানুরসিংহ ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যা তিনি সাহিত্য রচনার সময় ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমরেখ মজুমদার — ইনি একজন বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক নন, তাই ভানুরসিংহ ছদ্মনামের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নন। B) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, যার ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। C) বুদ্ধদেব বসু — ইনি বিশ শতকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং কল্লোল যুগের লেখক। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভানুরসিংহ ঠাকুর তাঁরই সাহিত্যিক ছদ্মনাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো ভানুরসিংহ নামটির সঙ্গে ভানু বা সূর্য শব্দকে যুক্ত করা, যা তাঁর নামের তেজ ও আলোর প্রতীক। - বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে লেখা ভানুরসিংহ ঠাকুরের পদগুলো থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, যেমন প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। - লেখকদের ছদ্মনাম ও তাদের আসল নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0