ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে স্টেশন অফিসার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: স্টেশন অফিসার (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

1. ভানুরসিংহ ঠাকুর কে?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - ভানুরসিংহ ঠাকুর হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভণিতা বা ছদ্মনাম। - তিনি কৈশোরে এই ছদ্মনামে পদাবলী রচনা করেছিলেন, যা প্রাচীন বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - তিনি ভানুরসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য রোমান্টিক ধারার সূচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুরসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোরকালীন পদ রচনার একটি বিখ্যাত সংকলন যা ভানুরসিংহ ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যা তিনি সাহিত্য রচনার সময় ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমরেখ মজুমদার — ইনি একজন বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক নন, তাই ভানুরসিংহ ছদ্মনামের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নন। B) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, যার ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। C) বুদ্ধদেব বসু — ইনি বিশ শতকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং কল্লোল যুগের লেখক। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভানুরসিংহ ঠাকুর তাঁরই সাহিত্যিক ছদ্মনাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো ভানুরসিংহ নামটির সঙ্গে ভানু বা সূর্য শব্দকে যুক্ত করা, যা তাঁর নামের তেজ ও আলোর প্রতীক। - বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে লেখা ভানুরসিংহ ঠাকুরের পদগুলো থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, যেমন প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। - লেখকদের ছদ্মনাম ও তাদের আসল নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
6. কোন কবিতাটি লেখার দায়ে কাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল?
Created 2 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনন্দময়ীর আগমনে ১. কেন সঠিক: - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় কাজী নজরুল ইসলাম এই কবিতাটি লিখেছিলেন যা রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়। - এই কবিতার মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যকে তার দীপ্ত পদচারণায় সমৃদ্ধ করেছেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি। - আনন্দময়ীর আগমনে কবিতাটি তার একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী কবিতা যা প্রকাশের পর ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা যেখানে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বার্তা দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দময়ীর আগমনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতা লেখার জন্যই নজরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। B) মানুষ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী চেতনার একটি বিখ্যাত কবিতা তবে এটি লেখার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। C) নারী — এটি সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা যা নারী পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলে। D) কৈফিয়ত — এটি নজরুলের একটি আত্মপক্ষ সমর্থনমূলক কবিতা যা দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের গ্রেপ্তারের সঙ্গে আনন্দময়ীর আগমনে কবিতাটি মনে রাখবে। - আনন্দময়ী মানে দেবী দুর্গা আর তার আগমনকে মুক্তির প্রতীক হিসেবে দেখিয়েছেন নজরুল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক কবিতা ও বাজেয়াপ্ত গ্রন্থগুলোর নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধরনের প্রশ্ন আসে প্রলয়োল্লাস বা বিষের বাঁশি কোন ধরণের রচনা তা নিয়ে।
7. 'হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে' এটি কোন কবির লেখা?
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃত পঙক্তিটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত বনলতা সেন কবিতার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় চরণ। এই চরণে কবির অন্তহীন সময়যাত্রা এবং ক্লান্ত মানুষের চিরন্তন পথ চলার সুর ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা এবং নির্জনতার কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তার বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি এবং এই কবিতার এই লাইনটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সর্বাধিক উদ্ধৃত পঙক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিল মাঠের হাওয়া রাতে এক দীর্ঘশ্বাস ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের কবিতার লাইন যা তার প্রকৃতিপ্রেম প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিগুলোতে কবি জীবনানন্দ দাশের স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগের পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার লেখা নয়। B) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্য সমালোচক হওয়া সত্ত্বেও এই কবিতার রচয়িতা নন। C) নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও আলোচ্য পঙক্তিটি তার কোনো কবিতার অংশ নয়। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত কবিতার স্রষ্টা। ৫ মনে রাখার টিপস: হাজার বছর ধরে হাঁটার কথা বললেই মনে করতে হবে নির্জনতার কবি জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কবিতাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার লাইন তুলে কবির নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন এবং রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের লাইনগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায়।
9. 'পাবক' শব্দের সমার্থক শব্দ-
Created 2 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আগুন ১. কেন সঠিক: - পাবক শব্দের অর্থ আগুন, যা বহ্নি বা অনল হিসেবেও পরিচিত। - এটি সংস্কৃতে আগুনের একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দের আওতাভুক্ত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - প্রমিত বাংলা ভাষায় শব্দের সঠিক অর্থ জানার জন্য তৎসম শব্দের প্রতিশব্দ জানা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: বহ্নি শব্দটি আগুনের একটি অতি পরিচিত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: হুতাশন ব্যাখ্যা: হুতাশন শব্দটি যজ্ঞে আহুতি গ্রহণ করে বলে একে আগুনের সমার্থক হিসেবে ধরা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরুভূমি — মরুভূমি বলতে বালুময় উষর অঞ্চলকে বোঝায়, যার সঙ্গে আগুনের সম্পর্ক নেই। B) সমুদ্র — সমুদ্র হলো বিশাল জলরাশি, যা আগুনের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক উপাদান। D) বাতাস — বাতাস হলো বায়ুর প্রবাহ, যা আগুন জ্বালাতে সাহায্য করলেও নিজে আগুন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাবক শব্দের শেষাংশে বক আছে, মনে রাখতে পারেন আগুন যেন বকের মতো সাদা শিখা ছড়ায়। - অনল, বহ্নি, পাবক ও হুতাশন এগুলো একত্রে মুখস্থ করলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি বা আগুনের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - পাবক, অনল, বহ্নি, শিখা, সর্বভুক এবং হব্যবহন সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে চর্চা করা উচিত।
10. কোন ঘটনাকে উপজীব্য করে 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি রচিত হয়েছে?
Created 2 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ১. কেন সঠিক: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি মূলত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক আন্দোলন এবং সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক উপন্যাস যেখানে ঐতিহাসিক পটভূমির সঙ্গে সাধারণ মানুষের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে মিশে গেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদুল জহিরের 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওমানের 'পরদিন সকালে' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক তথ্য হলেও 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের মূল উপজীব্য ভাষা আন্দোলন নয়, বরং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। B) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি আলোচ্য উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু বা সময়কালকে নির্দেশ করে না। C) ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির সম্পূর্ণ পটভূমি এই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ এই উপন্যাসের সরাসরি পটভূমি নয়, কারণ এটি তার আগের ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের সেপাই মানেই ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। এভাবে মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত উপন্যাসের সংখ্যা মাত্র দুটি, যার একটি 'চিলেকোঠার সেপাই' এবং অন্যটি 'খোয়াবনামা'। - এই ধরনের ঐতিহাসিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
11. "নীলদর্পণ" নাটকটি কে রচনা করেছেন?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দীনবন্ধু মিত্র ১. কেন সঠিক: - নীলদর্পণ নাটকটি দীনবন্ধু মিত্রের অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রথিতযশা একটি সামাজিক নাটক। - ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার নীলকর সাহেবদের দ্বারা চাষীদের উপর চালিত ভয়াবহ নির্যাতন এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট বাঙালি নাট্যকার ও সাহিত্যিক। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম সার্থক সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের নাটক হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নবীন তপস্বিনী ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক কমেডি নাটক। উদাহরণ ২: বিয়ে পাগলা বুড়ো ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন যা সমাজের কুসংস্কারকে বিদ্রূপ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও নীলদর্পণ নাটকটি তিনি রচনা করেননি। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা নন। C) দীনবন্ধু মিত্র — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি ১৮৬০ সালে এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন। D) কাঙাল হরিনাথ — তিনি গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কিন্তু নীলদর্পণ নাটকটি লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - নীল রঙ দেখে নীলকর সাহেবদের কথা মনে রাখবে এবং নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের নাটক মানেই দীনবন্ধু মিত্র। - নাটকটি প্রকাশের সালটি মনে রাখতে ১৮৬০ সাল মনে রাখবে যা সিপাহী বিদ্রোহের ঠিক পরের বছর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা এবং প্রকাশকাল বারবার আসে। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন যা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
13. বাকযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাকে কী বলে?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্ষর ১. কেন সঠিক: বাকযন্ত্রের (ফুসফুস, মুখবিবর, কণ্ঠ, জিহ্বা ইত্যাদি) একবারের প্রচেষ্টায় বা ন্যূনতম প্রয়াসে কোনো শব্দের যে অংশ উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বলে। এটি মূলত উচ্চারণের একক, যার ওপর ভিত্তি করে বাংলা বা অন্য ভাষার শব্দ গঠিত হয় এবং ছন্দের মাত্রা নির্ধারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের যে কমবেশি আয়াস হয়, তার ক্ষুদ্রতম একক হলো অক্ষর। একটি শব্দে এক বা একাধিক অক্ষর থাকতে পারে এবং অক্ষর প্রধানত দুই প্রকার যেমন মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত শব্দটি একবারে উচ্চারিত হয় এবং এটি একটি দল বা অক্ষর। ব্যাখ্যা: এখানে ভাৎ অংশটি এক প্রচেষ্টায় উচ্চারিত হওয়ায় এটি একটি বদ্ধ অক্ষর। উদাহরণ ২: বাবা শব্দটিতে দুটি অক্ষর আছে যথা বা এবং বা। ব্যাখ্যা: প্রতিটি অংশ একবারের উচ্চারিত প্রয়াসে সম্পন্ন হয় এবং এগুলো মুক্তাক্ষর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা বাকযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসের উচ্চারিত রূপ নয়। B) পদ — পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ, যা উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক বা অক্ষর নয়। D) বিভক্তি — বিভক্তি হলো শব্দের সঙ্গে যুক্ত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি, যা কারক বোঝাতে সাহায্য করে কিন্তু অক্ষরের সংজ্ঞা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম প্রয়াস হলো অক্ষর আর ধ্বনির লিখিত রূপ হলো বর্ণ। কথা বলার সময় মুখের যে ঝোঁক বা ধাক্কা একবার লাগে সেটাই অক্ষর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অক্ষর ও বর্ণের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। অক্ষর হলো উচ্চারণের একক এবং বর্ণ হলো লেখার একক।
15. জমিলা চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালসালু ১. কেন সঠিক: - জমিলা চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত লালসালু উপন্যাসের অন্যতম প্রধান ও প্রতিবাদী নারী চরিত্র। - এই উপন্যাসের মজিদের কট্টর ধর্মীয় শোষণের বিরুদ্ধে জমিলা প্রথম সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিবাদ জানায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার যিনি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত লালসালু উপন্যাসটি মূলত গ্রামীণ সমাজের অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার এবং ধর্মের অপব্যবহারের এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খালেক ব্যাপারী ব্যাখ্যা: এটিও লালসালু উপন্যাসের একটি গ্রামীণ মাতব্বর চরিত্র যা সমাজের ক্ষমতাশালী শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ ২: আমেনা ব্যাখ্যা: আমেনা চরিত্রটি লালসালু উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রী, যা তৎকালীন সমাজের নারীর অসহায়ত্বের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেখানে সুদীপ্ত ও তার পরিবারের সংগ্রামের চিত্র রয়েছে কিন্তু জমিলা চরিত্র নেই। B) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে কুবের ও কপিলা প্রধান চরিত্র এবং এর পটভূমি মাছ ধরার জেলে জীবন। D) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি উপন্যাস যেখানে কলকাতার নিচু তলার মানুষের দুঃখ-দারিদ্র্য এবং অন্নবস্ত্রের সমস্যা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: লালসালু উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম মজিদ এবং তার প্রতিবাদী দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম জমিলা যা মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লালসালু উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল এবং এটি লেখকের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
17. কারক প্রধানত কয় প্রকার
Created 2 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ছয় প্রকার ১. কেন সঠিক: বাক্যে ব্যবহৃত ক্রিয়া পদের সঙ্গে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কারক প্রধানত ও মূলত ছয় প্রকার। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য কারককে প্রধানত ছয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এই ছয়টি ভাগ হলো কর্তৃকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদান কারক, অপাদান কারক ও অধিকরণ কারক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছে ফুল ফুটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে কোথায় ফুটেছে তার উত্তর দেওয়ায় এটি অধিকরণ কারক। উদাহরণ ২: বাবা আমাকে একটি কলম দিয়েছেন। ব্যাখ্যা: এখানে কে দিয়েছেন তার উত্তর দেওয়ায় বাবা কর্তৃকারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচ প্রকার — কারকের সংখ্যা পাঁচ নয়, কারণ সংস্কৃতে কারক ছয় প্রকার এবং বাংলাতেও তা অনুসৃত হয়। B) চার প্রকার — কারক চার প্রকার বললে বিভক্তি বা পদের প্রধান সম্পর্কগুলো অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) সাত প্রকার — বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক মূলত ছয় প্রকার, তাই এই সংখ্যাটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: কারকের প্রকারভেদ মনে রাখতে বাক্যের ক্রিয়াপদকে কে, কী, কাকে, কোথা থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করে ছয়টি কারক সহজে চেনা যায়। কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝে নিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কারক কয় প্রকার বা কারকের নাম থেকে প্রশ্ন আসে। বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক যে ছয় প্রকার, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
19. প্রাচীন যুগের প্রধান নিদর্শন-
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক লিখিত দলিল হিসেবে স্বীকৃত। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে এই মহামূল্যবান পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের অর্থাৎ ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দের একমাত্র ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক নিদর্শন। এর ভাষা সান্ধ্য ভাষা বা সন্ধা ভাষা নামে পরিচিত, যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপক্ষপাতী বুদ্ধ নাটকের গান ব্যাখ্যা: চর্যাপদের বিভিন্ন পদে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনপদ্ধতি ও জীবনের নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ডোম বিকচা ও কাহ্নপা রচিত পদসমূহ ব্যাখ্যা: চর্যাপদে চব্বিশজন বা ছাব্বিশজন পদকর্তার পদ রয়েছে যা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খনার বচন — খনার বচন কৃষি ও আবহাওয়া সংক্রান্ত প্রবচন হলেও এটি প্রাচীন যুগের প্রধান লিখিত সাহিত্যিক নিদর্শন বা কাব্যগ্রন্থ নয়। B) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপযুক্ত সাহিত্যিক প্রমাণ রয়েছে। C) বৈষ্ণবপদ — বৈষ্ণবপদ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন, প্রাচীন যুগের নয়। D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের একটি নিদর্শন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের নিদর্শন মানেই চর্যাপদ এবং এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। পরীক্ষার হলে প্রাচীন যুগ দেখলেই চর্যাপদ এবং ১৯০৭ সাল মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশিত হয়। একই ধরনের সাহিত্যিক নিদর্শন থেকে পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
21. বাংলা উপসর্গ নয় কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্র ১. কেন সঠিক: - প্র একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন ভাগে বিভক্ত যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ ও বিদেশী উপসর্গ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি হারের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ ও অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: গতি ব্যাখ্যা: গ উপসর্গের একটি উদাহরণ যেখানে এটি বিশেষ অর্থ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অঘা — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা অঘাছাঁড় শব্দে ব্যবহৃত হয়। B) প্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তৎসম উপসর্গ, বাংলা উপসর্গ নয়। C) অজ — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা অজপাড়াগাঁ শব্দে ব্যবহৃত হয়। D) ইতি — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা ইতিকথা শব্দে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একুশটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি বিখ্যাত ছন্দ হলো অঘা অজ অনা পাতি সর্ সলাপ আ আব সু বি নি ইতি অক কু রাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা এবং তৎসম উপসргаের সংখ্যা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। তৎসম উপসর্গ বিশটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি।
24. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ প্রভাকর ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ও প্রকাশিত প্রথম ও অন্যতম বিখ্যাত বাংলা সংবাদপত্র হলো সংবাদ প্রভাকর। ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে এটি দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক এবং তিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। তার সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য উন্নয়নে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সহ অনেক প্রখ্যাত লেখকের সাহিত্যজীবনের সূচনা এখান থেকেই হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩১ সালে। ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল যা পরে দৈনিক রূপ নেয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম রচনা সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত নতুন ও প্রতিভাবান লেখকদের উৎসাহিত করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাচার দর্পণ — এই পত্রিকাটি জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল, যা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত নয়। B) তত্ত্ববোধিনী — এই পত্রিকাটি অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে ১৮৪৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। D) একটিও না — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মানেই প্রভাকর। প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য, আর বাংলা সাহিত্যাকাশে তিনি প্রভাকরের মতোই সংবাদপত্র জগতে আলো ছড়িয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক এবং ১৮৩৯ সালে দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল জানতে চাওয়া হয়।
26. He used to prevent me ___ doing my duty.
Created 2 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) from কেন সঠিক: Prevent শব্দের পরে সাধারণত from preposition ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো কাজ করা থেকে বিরত রাখাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) against — Prevent শব্দের পরে against বসে না। B) at — এই বাক্যে at preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) with — এই বাক্যে with preposition ব্যবহারের নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: Prevent-এর পরে সবসময় from বসে এবং এরপরে verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
27. 'চোরে চোরে মাসতুতো ভাই' The correct English translation of the sentence is-
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Birds of the same feather, flock together. কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বাক্য যার সঠিক অর্থ হলো স্বভাবের মিল আছে এমন মানুষেরা একসাথে থাকে। বাংলা প্রবাদ চোরে চোরে মাসতুতো ভাই এর ইংরেজি রূপ হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Two thieves are cousins — এটি প্রবাদের আক্ষরিক অনুবাদ যা ব্যাকরণগতভাবে ঠিক হলেও ইংরেজি প্রবাদের মূল ভাব প্রকাশ করে না। B) Birds of the same group fly together — এখানে সঠিক শব্দ feather এর বদলে group ব্যবহার করায় এটি ভুল প্রবাদে পরিণত হয়েছে। C) Birds of the same feather, flock together — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) Thieves will fly together — এটি কোনো প্রচলিত প্রবাদ নয় এবং এর অর্থও মূল প্রবাদের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: একই রকম স্বভাবের মানুষদের বোঝাতে ইংরেজি প্রবাদে feather এবং flock শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।
28. When ___?
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) did they arrive কেন সঠিক: বাক্যটির শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকায় এটি একটি প্রশ্ন এবং শূন্যস্থানের আগে কোনো Wh-শব্দ নেই। তাই সাহায্যকারী verb হিসেবে did ব্যবহার করতে হবে এবং মূল verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) they had arrived — এটি assertive বা বর্ণনামূলক বাক্যের গঠন এবং এখানে had-এর সাথে past participle ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রশ্নবোধক বাক্যের জন্য সঠিক নয়। B) did they arrived — did-এর পরে verb-এর পাস্ট ফর্ম বা ed যুক্ত রূপ বসতে পারে না, সর্বদা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। D) they arrived — এটি সাধারণ assertive বাক্য হওয়ায় এর শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকার নিয়মটি লঙ্ঘন করে এবং কোনো সাহায্যকারী verb নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রশ্নবোধক বাক্যে did ব্যবহার করলে মূল verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হয়।
29. They succeeded by ___?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) working hard কেন সঠিক: preposition 'by' এর পরে verb আসলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়। এখানে 'hard' শব্দটি adverb হিসেবে কাজ করে সফলতা অর্জনের কঠোর পরিশ্রমকে বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) work hardly — preposition এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত করা হয়নি এবং hardly এর অর্থ নেতিবাচক। B) working hardly — 'hardly' এর অর্থ কদাचित বা প্রায় না, যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল। C) hardly work — preposition এর সঠিক নিয়ম মানা হয়নি এবং hardly শব্দের ব্যবহার এখানে অর্থহীন। D) working hard — এটিই সঠিক কারণ এখানে সঠিক নিয়ম ও অর্থ দুটোই মিলে গেছে। মনে রাখার টিপস: Preposition এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing বসে এবং কঠোর পরিশ্রম বোঝাতে hard ব্যবহার করতে হয়, hardly নয়।
30. What is the correct passive form of "Who ate the banana?"
Created 2 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom was the banana eaten? কেন সঠিক: - Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় বাক্যের শুরুতে By whom বসে এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb বসে। - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় Passive করার সময় By whom-এর পরে Was এবং মূল Verb-এর Past Participle বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom was the banana eaten? — এটি সঠিক উত্তর। B) By whom has the banana been eaten? — প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর, তাই Present Perfect Tense-এর সাহায্যকারী verb Has ব্যবহার করা ভুল। C) By whom the banana has been eaten? — এখানে সাহায্যকারী verb বাক্যের সাবজেক্টের আগে বসেনি এবং Tense ভুল আছে। D) By whom the banana was eaten? — প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির নিয়ম অনুযায়ী Subject-এর আগে সাহায্যকারী Verb Was বসেনি। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom এবং Tense অনুযায়ী Was বা Were বসিয়ে বাকি অংশ নিয়মমাফিক পরিবর্তন করতে হয়।
31. ___ gold is a precious metal.
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None of above কেন সঠিক: গোল্ড বা স্বর্ণ একটি ম্যাটেরিয়াল নাউন বা বস্তুবাচক বিশেষ্য। তাই এর আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি একটি অনির্দিষ্ট কাউন্টেবল নাউনের আগে বসে। গোল্ড আনকাউন্টেবল হওয়ায় এটি ভুল। B) an — এটি ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু কাউন্টেবল নাউনের আগে বসে। গোল্ডের আগে এটি বসে না। C) the — নির্দিষ্ট করে বোঝালে বসত, কিন্তু এখানে সাধারণ সত্য বোঝাতে আর্টিকেল প্রয়োজন নেই। D) None of above — শূন্যস্থান পূরণে কোনো আর্টিকেল দরকার নেই বলে এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বস্তুবাচক বা আনকাউন্টেবল নাউনের সাধারণ ব্যবহারের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না।
32. Which of the following is masculine gender?
Created 2 weeks ago | Updated 53 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) buck কেন সঠিক: buck শব্দের অর্থ হলো পুরুষ হরিণ বা ছাগল, যা সরাসরি পুরুষবাচক বা মাসকুলিন জেন্ডার নির্দেশ করে। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি প্রাণী জগতের পুরুষবাচক শব্দের একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) buck — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ। B) doe — এটি স্ত্রী হরিণ বোঝায়, তাই এটি ফেমিনিন জেন্ডার। C) mare — এটি স্ত্রী ঘোড়া বোঝায়, তাই এটি ফেমিনিন জেন্ডার। D) ewe — এটি ভেড়া বোঝায়, তাই এটি ফেমিনিন জেন্ডার। মনে রাখার টিপস: হরিণের ক্ষেত্রে পুরুষকে buck এবং স্ত্রীকে doe বলা হয়, যা জেন্ডার নির্ণয়ে মনে রাখতে হবে।
33. Both Rahim and Habib ___ fit for the job.
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) are কেন সঠিক: বাক্যে 'Both Rahim and Habib' সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। and দিয়ে দুটি ভিন্ন ব্যক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি বহুবচন হয়েছে। তাই এখানে সবসময় বহুবচন ভারบ বা are বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি একবচন ভারব হওয়ায় বহুবচন সাবজেক্টের সাথে বসে না। B) was — এটি অতীতকালের একবচন ভারব হওয়ায় বর্তমানের বহুবচন সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) has been — এটি তৃতীয় পুরুষ একবচন সাবজেক্টের সাথে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) are — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: and দিয়ে দুটি আলাদা সাবজেক্ট যুক্ত হলে ভারব সবসময় বহুবচন হয়।
34. Which one is in plural number?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) formulae কেন সঠিক: formulae শব্দটির শেষ অক্ষর a আছে যা বহুবচন বোঝায়। এর একবচন রূপ হলো formula এবং এটি ল্যাটিন থেকে আসা একটি শব্দ। এটি গণিত বা বিজ্ঞানে বিভিন্ন নিয়ম বোঝাতে বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত -um বা -is দিয়ে শেষ হওয়া শব্দের বহুবচন -a হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) datum — এই শব্দটির শেষে -um আছে যা একটি একবচন শব্দ নির্দেশ করে। এর বহুবচন রূপ হলো data। B) goose — এই শব্দটির বানান দেখে বোঝা যায় এটি একটি পাখির একবচন রূপ। এর বহুবচন হলো geese। C) basis — এই শব্দটির শেষে -is আছে যা একটি একবচন বিশেষ্য পদ। এর বহুবচন রূপ হলো bases। D) formulae — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি বহুবচন শব্দ। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন এবং গ্রিক থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে a থাকে সেগুলো সাধারণত বহুবচন হয়।
35. Find out the correct sentence-
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ruma, you and I are guilty কেন সঠিক: সাধারণ বা দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সাজানোর নিয়ম হলো প্রথমে থার্ড পারসন, তারপর সেকেন্ড পারসন এবং শেষে ফার্স্ট পারসন বসবে। একাধিক প্রোনাউন বা নাউন একসাথে থাকলে ভার্বটি সবসময় প্লুরাল বা বহুবচন হয়, তাই এখানে are ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I, you and Ruma are guilty — এখানে পারসন সাজানোর নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং ফার্স্ট পারসনকে প্রথমে রাখা হয়েছে। B) Ruma, you and I are guilty — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) Ruma, I and you are guilty — এখানে সেকেন্ড পারসনকে সবার শেষে রাখা হয়েছে যা ইংরেজি গ্রামারের নিয়মের বিরুদ্ধে। D) I, you and Ruma is guilty — এখানে পারসন সাজানোর ভুল ছাড়াও সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়া সত্ত্বেও singular verb is ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে ৩, ২, ১ অর্থাৎ থার্ড পারসন, সেকেন্ড পারসন এবং ফার্স্ট পারসন এই ক্রমানুসারে সাবജect সাজাতে হয়।
36. This is the book I lost. Here 'I lost' is-
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an adjective clause কেন সঠিক: এখানে 'I lost' অংশটি আগের noun 'book' কে modify করছে বা দোষ গুণ প্রকাশ করছে। এটি একটি subordinate clause যা adjective এর মতো কাজ করায় একে adjective clause বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun clause — এটি বাক্যে noun এর কাজ করছে না কারণ এখানে একটি নির্দিষ্ট noun এর পরে বসে তার দোষ গুণ প্রকাশ করছে। B) an adverbial clause — এটি সময়, স্থান বা কারণ বোঝাচ্ছে না বরং সরাসরি আগের noun কে নির্দেশ করছে। C) an adjective clause — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। D) a co-ordinate clause — এটি কোনো স্বাধীন clause নয় যা and বা but দিয়ে যুক্ত হয়েছে, এটি একটি নির্ভরশীল clause। মনে রাখার টিপস: noun এর ঠিক পরেই বসে যদি সেই noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়, তবে সেটি সাধারণত adjective clause হয়।
37. Which one is a modal verb?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Might কেন সঠিক: Might একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব যা প্রধান ভার্বের পূর্বে বসে সম্ভাবনা প্রকাশ করে। এটি বাক্যে tense বা subject এর পরিবর্তনের সাথে নিজের রূপ পরিবর্তন করে না। এটি একা স্বাধীনভাবে প্রধান ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Want — এটি একটি সাধারণ মূল ভার্ব বা lexical verb যার অর্থ চাওয়া। B) Wish — এটি একটি সাধারণ মূল ভার্ব যা ইচ্ছা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। C) Pray — এটি একটি সাধারণ মূল ভার্ব যা প্রার্থনা করা বোঝায়। D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: can, could, may, might, shall, should, will, would এবং must হলো প্রধান মডাল ভার্ব।
38. They all have been friends ___ their first tournament as a team.
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) since কেন সঠিক: - বাক্যে হ্যাভ বিন (have been) থাকায় এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স নির্দেশ করছে। - অতীতকালের কোনো নির্দিষ্ট সময় থেকে কাজ শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চললে তার আগে সিন্স (since) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) since — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় (their first tournament) বোঝানো হয়েছে। B) for — এটি ভুল কারণ ফোর (for) সাধারণত সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, নির্দিষ্ট পয়েন্ট বোঝাতে নয়। C) from — এটি ভুল কারণ ফ্রম (from) সাধারণত ফিউচার বা পাস্ট টেন্সে নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে বসে, তবে পারফেক্ট টেন্সে পয়েন্ট বোঝাতে সিন্স ব্যবহার করা হয়। D) during — এটি ভুল কারণ ডিউরিং (during) কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা বা সময়ের মধ্যে কোনোকিছু ঘটা বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা শুরুর বিন্দু (Point of time) বোঝালে সিন্স (since) এবং সময়ের স্থায়িত্ব বা ব্যাপ্তি (Period of time) বোঝালে ফর (for) বসে।
39. We protested ___ his tyranny.
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) against কেন সঠিক: প্রতিবাদ করা বা কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করা বোঝাতে protest শব্দের পর against preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে তার স্বেচ্ছাচারিতা বা tyranny এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — on preposition সাধারণত কোনো কিছুর উপরে বা স্পর্শ করে আছে এমন অবস্থা বোঝাতে বসে। B) over — over preposition সাধারণত কোনো কিছুর উপরে ঝুলন্ত বা অধিক Is বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) against — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয় বরং এটিই এখানে প্রযোজ্য। D) at — at preposition সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা ছোট সময় বোঝাতে বসে। মনে রাখার টিপস: কোথাও অন্যায় বা কোনো কিছুর প্রতিবাদ করা বোঝালে protest এর পরে সব সময় against preposition বসবে।
40. 'People are better educated now'. What is 'better' in the sentence?
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adverb কেন সঠিক: এখানে better শব্দটি educated (Adjective) কে মডিফাই করছে। Adjective কে বিশেষিত করায় এটি Adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — better শব্দটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা নাম বোঝাচ্ছে না তাই এটি Noun হতে পারে না। B) Adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun এর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না তাই এটি Adjective নয়। C) Adverb — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Verb — better শব্দটির দ্বারা কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝাচ্ছে না তাই এটি Verb নয়। মনে রাখার টিপস: Adjective এর আগে বসে যখন কোনো শব্দ তার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, তখন সেটি Adverb হয়।
41. Be careful, don't ___ your keys.
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) lose কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে don't আছে যা do not-এর সংক্ষিপ্ত রূপ এবং এর পরে সবসময় verb-এর বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। এখানে lose হলো একটি verb যার অর্থ হারানো এবং বাক্যটির অর্থ হলো সাবধানে থেকো, তোমার চাবিগুলো হারিয়ে ফেলো না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lose — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি verb যা এখানে প্রয়োজন। B) loose — এটি একটি adjective যার অর্থ ঢিলা বা আলগা, তাই এখানে বসা grammatically ভুল। C) loss — এটি একটি noun যার অর্থ ক্ষতি, তাই auxiliary verb-এর পর সরাসরি বসতে পারে না। D) lost — এটি verb-এর past বা past participle ফর্ম, তাই don't-এর পর এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: lose বানানটিতে একটি o আছে যা verb এবং এর অর্থ হারানো, আর loose বানানটিতে দুটি o আছে যা adjective এবং এর অর্থ ঢিলা।
42. Do you know ___?
Created 2 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Who I am কেন সঠিক: জটিল বাক্যের ক্ষেত্রে সাবordinate clause-এ প্রথমে wh-word এবং পরে subject এবং verb বসে। মূল বাক্যের verb 'Do you know' present tense হওয়ায় শেষের অংশে 'Who I am' সঠিক গঠন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who am I — interrogative structure হওয়ায় এটি বাক্যের মাঝে ব্যবহার করা যায় না। B) Who I am — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Who was I — বাক্যের অর্থ এবং tense উভয় দিক থেকেই এটি বর্তমান কালের সাথে মিলছে না। D) Who is I — 'I' pronoun-এর সাথে 'is' verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মাঝে প্রশ্নবোধক শব্দ থাকলে তার পরে সাবজেক্ট এবং তারপর ভার্ব বসে।
43. I ___ Rabindranath when I was 12 years old.
Created 2 weeks ago | Updated 3 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) read কেন সঠিক: - বাক্যে when I was ১২ years old দ্বারা অতীতের নির্দিষ্ট সময় নির্দেশ করায় মূল verb-এর Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়েছে। - read verb-এর Present, Past এবং Past Participle রূপ বানান এক হলেও উচ্চারণের পার্থক্যের কারণে এখানে এটি Past Form-এ আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have read — Present Perfect Tense হওয়ায় এটি অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে বসে না। B) have been reading — Present Perfect Continuous Tense হওয়ায় এটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানে চলা কাজ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) had been read — এটি Past Perfect Tense-এর Passive Form, যা এই বাক্যের Active কাঠামোর সঙ্গে সংগত নয়। D) read — এটি Past Indefinite Tense-এর সঠিক রূপ হওয়ায় এটিই এই প্রশ্নের উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাক্যে when বা at that time এর সাথে অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ থাকলে verb-এর Past Form বা Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হবে।
44. The store remains open ___ eight to eight.
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) from কেন সঠিক: ইংরেজিতে সময় বা সীমার শুরু বোঝাতে from preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে আটটা থেকে আটটা পর্যন্ত খোলা থাকে বোঝাতে from বসেছে। সাধারণত from এর সাথে to যুক্ত হয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্দেশ করে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে from সঠিক বিকল্প হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — নির্দিষ্ট কোনো মুহূর্ত বা সময় বোঝাতে at বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) between — সাধারণত দুটি নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে বোঝাতে between বসে, কিন্তু এখানে দুটি to ব্যবহার থাকায় from বসে। C) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) during — কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা কালব্যাপী বোঝাতে during বসে, যা এই বাক্যের গঠনে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে from থাকলে সাধারণত তার সাথে to বা till থাকে, যা নির্দিষ্ট সময়সীমা মনে রাখতে সাহায্য করে।
45. Synonym of the word 'scrupulous'
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Careful কেন সঠিক: - Scrupulous শব্দের অর্থ অত্যন্ত সতর্ক, খুঁতখুঁতে এবং সৎ বা নীতিবান। - Careful শব্দের অর্থও সতর্ক বা যত্নবান, যা scrupulous শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mean — এর অর্থ কুৎসিত, কৃপণ বা অর্থহীন, যা scrupulous শব্দের সমার্থক নয়। B) Wicked — এর অর্থ দুষ্ট, পাপিষ্ঠ বা বদমাশ, যা সততা ও সতর্কতার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Careful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Corrupt — এর অর্থ দুর্নীতিগ্রস্ত বা অসৎ, যা scrupulous বা নীতিবান শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Scrupulous শব্দটিতে Screw শব্দের মতো উচ্চারণ আছে। স্ক্রু যেমন খুব সাবধানে টাইট দিতে হয়, তেমনি scrupulous ব্যক্তিরাও খুব সাবধানে ও সততার সাথে কাজ করেন।
46. She won't dance in the party, ___ ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) will she কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের মূল অংশটি 'won't' বা 'will not' থাকার কারণে নেতিবাচক বা negative অর্থে রয়েছে। তাই এর ট্যাগ কোশ্চেনটি সবসময় ইতিবাচক বা affirmative হবে। মূল বাক্যের সাহায্যকারী ভারب বা auxiliary verb হলো 'will'। তাই সঠিক ট্যাগ কোশ্চেন হিসেবে 'will she' ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will she — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটির সঠিক ট্যাগ গঠন করেছে। B) wouldn't she — বাক্যটি নেতিবাচক হওয়ায় ট্যাগটি নেতিবাচক হতে পারে না এবং টেন্সের মিল নেই। C) would she — মূল বাক্যে 'will' থাকলেও এখানে 'would' ব্যবহার করায় টেন্সের সঠিক মিল হয়নি। D) will not she — ট্যাগ কোশ্চেনে কখনো পরপর দুইবার 'not' বা নেতিবাচক শব্দ ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্যটি নেতিবাচক হলে ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় ইতিবাচক হবে এবং মূল ভার্ব অনুযায়ী auxiliary verb বসাতে হবে।
47. Pronoun that identify or points at nouns are ___ pronoun.
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) demonstrative কেন সঠিক: demonstrative pronoun মূলত কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ বা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি ব্যাকরণে this, that, these এবং those হলো demonstrative pronoun এর প্রধান উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) emphatic — এটি কোনো বিশেষ noun এর ওপর জোর বা গুরুত্ব আরোপ করতে ব্যবহৃত হয়। B) interrogative — এটি মূলত কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার কাজে ব্যবহার করা হয়। C) demonstrative — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) relative — এটি দুটি বাক্যকে যুক্ত করতে এবং আগের noun কে নির্দেশ করতে বসে। মনে রাখার টিপস: Demonstrate শব্দের অর্থ প্রদর্শন করা, তাই যে pronoun কোনো কিছু আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় সেটাই demonstrative pronoun।
48. My father along with my brother ___ coming to meet me.
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: বাক্যের মূল সাবজেক্ট হলো My father, যা singular. along with দ্বারা যুক্ত হলে পরের noun বা pronoun অনুযায়ী verb বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক কারণ সাবজেক্ট singular হওয়ায় singular verb বসেছে। B) are — এটি ভুল কারণ are হলো plural verb, যা singular সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) has — এটি ভুল কারণ coming শব্দটির সাথে has বসালে বাক্যের অর্থ ও গঠন ঠিক থাকে না। D) have — এটি ভুল কারণ have হলো plural verb এবং এটি present continuous tense-এর নিয়ম মানে না। মনে রাখার টিপস: along with এর আগের noun অনুযায়ী verb বসে।
49. Lots of people are allergic ___ prawn.
Created 2 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: ইংরেজি গ্রামার অনুযায়ী allergic শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় to বসে। কোনো জিনিসের প্রতি শারীরিক অস্বস্তি বা এলার্জি বোঝাতে allergic to ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — allergic শব্দের পরে কখনো of বসে না তাই এটি ভুল। B) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। C) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে from বসে যা এলার্জির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) with — সাধারণত কোনো সঙ্গী বা উপকরণ বোঝাতে with বসে। মনে রাখার টিপস: allergic শব্দের সাথে সবসময় to যুক্ত হয় এটি মুখস্ত রাখবে।
50. The verb form of the word 'friend' is-
Created 2 weeks ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Befriend কেন সঠিক: - 'Friend' নাউনটির আগে 'Be-' উপসর্গ যুক্ত করে এটিকে ভার্বে রূপান্তর করা হয়েছে। - 'Befriend' শব্দের অর্থ বন্ধুসুলভ আচরণ করা বা কারো বন্ধু হওয়া, যা একটি সঠিক ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Befriend — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'friend' শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ। B) Enfriend — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি শব্দ বা সঠিক ভার্ব রূপ নয়। C) Friendship — এটি একটি নাউন, যার অর্থ বন্ধুত্ব; এটি ভার্ব নয়। D) Friendly — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন; এটি ভার্ব নয়। মনে রাখার টিপস: noun বা adjective-এর আগে 'be' যোগ করে অনেক সময় verb তৈরি করা হয়, যেমন friend থেকে befriend।
51. একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ ১৪ সেন্টিমিটার হলে এর ক্ষেত্রফল কত?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৯ বর্গ সেমি প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৪ সেন্টিমিটার ধরি, ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য প্রতিটির মান = ক সেন্টিমিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে পাই, ক এর বর্গ + ক এর বর্গ = অতিভুজের বর্গ বা, ২ × (ক এর বর্গ) = ১৪ এর বর্গ বা, ২ × (ক এর বর্গ) = ১৯৬ সুতরাং, ক এর বর্গ = ১৯৬ ÷ ২ ক এর বর্গ = ৯৮ উত্তর: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ক এর বর্গ = (১ ÷ ২) × ৯৮ = ৪৯ বর্গ সেমি
52. এক ঝুড়ি আম ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৪৫ টাকা বেশী হলে ৫% লাভ হতো। এক ঝুড়ি আমের দাম কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ ১০% দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লাভের পরিমাণ ৫% বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ৪৫ টাকা ধরি, আমের ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৫ − ৯০ = ১৫ টাকা পার্থক্য ১৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা পার্থক্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ ÷ ১৫ টাকা সুতরাং, পার্থক্য ৪৫ টাকা হলে আমের দাম = ১০০ × ৪৫ ÷ ১৫ = ৩০০ টাকা উত্তর: ৩০০ টাকা
53. নিচের কোনটি সবচেয়ে ছোট?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২/১৩ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ২/১১, ৩/১১, ২/১৩ এবং ৮/১৫ ধরি, প্রথম দুটি ভগ্নাংশের লব সমান কিন্তু হর ভিন্ন শেষ দুটি ভগ্নাংশের তুলনার জন্য হর আলাদা অতএব, ২/১১ এবং ২/১৩ এর মধ্যে ২/১৩ ছোট কারণ এর হর বড় ৩/১১ এবং ৮/১৫ এর মান যথাক্রমে প্রায় ০.২৭ এবং ০.৫৩ সুতরাং, সবগুলোর মান তুলনা করে দেখা যায় সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি হলো দুই তেরোমাংশ উত্তর: C) ২/১৩
54. 3cm, 4.5cm এবং 5.5cm বাহুবিশিষ্ট ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৭৫ cm² প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহু তিনটি ৩ cm, ৪.৫ cm এবং ৫.৫ cm ধরি, বাহুগুলো a = ৩, b = ৪.৫ এবং c = ৫.৫ অর্ধপরিসীমা s = (৩ + ৪.৫ + ৫.৫) ÷ ২ অতএব, s = ১৩ ÷ ২ = ৬.৫ s − a = ৬.৫ − ৩ = ৩.৫ s − b = ৬.৫ − ৪.৫ = ২ সুতরাং, s − c = ৬.৫ − ৫.৫ = ১ ক্ষেত্রফল = √(৬.৫ × ৩.৫ × ২ × ১) = √৪৫.৫০ = ৬.৭৪৫ উত্তর: ৬.৭৫ cm²
55. x² - 8x - 8y + 16 + y² এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ হবে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 2xy প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x^2 − 8x − 8y + 16 + y^2 ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যাক x^2 − 8x + 16 + y^2 − 8y অতএব, প্রথম অংশটি একটি পূর্ণবর্গ (x − 4)^2 গঠন করে দ্বিতীয় অংশটি y^2 − 8y আকারে থাকে সুতরাং, পূর্ণবর্গ করতে হলে মাঝের পদের সাথে 2xy যোগ করতে হবে উত্তর: 2xy
56. log_√3 (81) এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং যার লগারিদম নির্ণয় করতে হবে তা হলো ৮১ ধরি, লগ এর মানটি হলো x তাহলে লেখা যায় √৩ এর পাওয়ার x সমান ৮১ অতএব, √৩ কে লেখা যায় ৩ এর পাওয়ার ১ ভাগ ২ তাহলে ৩ এর পাওয়ার x ভাগ ২ সমান ৮১ সুতরাং, ৮১ হলো ৩ এর পাওয়ার ৪ তাই x ভাগ ২ সমান ৪ উত্তর: x সমান ৮ গুণ ৪ ভাগ ২ অর্থাৎ ৮
57. ΔABC একটি বৃত্তস্থ ত্রিভুজ, যার AB বাহুকে E পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ∠CBE = 80° হলে ∠ABC = ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC একটি বৃত্তস্থ ত্রিভুজ AB বাহুকে E পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে এবং বহিঃস্থ কোণ CBE = ৮০° ধরি, কোণ ABC এবং কোণ CBE একটি সরলরেখার উপর অবস্থিত সংলগ্ন কোণ অতএব, কোণ ABC + কোণ CBE = ১৮০° (সরলকোণ) সুতরাং, কোণ ABC + ৮০° = ১৮০° কোণ ABC = ১৮০° − ৮০° উত্তর: ১০০°
58. কোন সংখ্যার 2/5 অংশের সাথে 20 যোগ করলে সংখ্যাটির 2/3 অংশের সমান হয়। সংখ্যাটি কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দুই-পঞ্চমাংশের সাথে কুড়ি যোগ করলে তা সংখ্যাটির দুই-তৃতীয়াংশের সমান হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, শর্তানুযায়ী লেখা যায় (২×ক)÷৫ + ২০ = (২×ক)÷৩ সুতরাং, সমীকরণ সমাধান করে পাই (২×ক)÷৩ − (২×ক)÷৫ = ২০ উত্তর: ৭৫
59. BOOK শব্দের বর্ণগুলোকে মোট কতভাবে বিন্যস্ত করা যায়?
Created 2 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: BOOK শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে ৪টি এখানে O বর্ণটি আছে ২টি ধরি, মোট বর্ণের সংখ্যা = ৪ একই বর্ণের সংখ্যা = ২ অতএব, বিন্যাসের সূত্র হবে মোট বর্ণের ফ্যাক্টরিয়ালকে একই বর্ণের ফ্যাক্টরিয়াল দ্বারা ভাগ এখানে ৪ এর ফ্যাক্টরিয়াল = ১ × ২ × ৩ × ৪ = ২৪ সুতরাং, মোট বিন্যাস সংখ্যা = ২৪ ÷ ২ = ১২ উত্তর: ১২
60. কোন সংখ্যার দ্বিগুন এর সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটির চেয়ে ৭ বেশী হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দ্বিগুন এর সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটির চেয়ে ৭ বেশী হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, প্রশ্নমতে, সংখ্যাটির দ্বিগুন হলো ২ক এবং সংখ্যাটির সাথে ৩ যোগ করলে হয় ২ক + ৩ সুতরাং, সমীকরণটি হলো, ২ক + ৩ = ক + ৭ সমাধান করে পাই, ক = ৭ − ৩ অর্থাৎ, ক = ৪ উত্তর: ৮
61. ক : খ = ২ : ৩ এবং খ : গ = ৪ : ৫ হলে ক : খ : গ = ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ঃ১২ঃ১৫ প্রদত্ত তথ্য: ক অনুপাত খ = ২ অনুপাত ৩ খ অনুপাত গ = ৪ অনুপাত ৫ ধরি, প্রথম অনুপাতকে ৪ দিয়ে গুণ করি দ্বিতীয় অনুপাতকে ৩ দিয়ে গুণ করি অতএব, ক অনুপাত খ = (২ × ৪) অনুপাত (৩ × ৪) = ৮ অনুপাত ১২ খ অনুপাত গ = (৪ × ৩) অনুপাত (৫ × ৩) = ১২ অনুপাত ১৫ সুতরাং, ক অনুপাত খ অনুপাত গ = ৮ অনুপাত ১২ অনুপাত ১৫ উত্তর: A) ৮ঃ১২ঃ১৫
62. ১০% হার মুনাফাতে ২,০০০ টাকার ৯ মাসের মুনাফা কত?
Created 2 weeks ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল = ২০০০ টাকা মুনাফার হার = ১০% সময় = ৯ মাস ধরি, সময় বছর = ৯ ÷ ১২ বছর আসল = ২০০০ টাকা অতএব, মুনাফা = আসল × সময় × হার মুনাফা = ২০০০ × (৯ ÷ ১২) × (১০ ÷ ১০০) সুতরাং, মুনাফা = ২০০০ × (৩ ÷ ৪) × (১ ÷ ১০) মুনাফা = ১৫০ টাকা উত্তর: ১৫০ টাকা
63. সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা হলো যে সংখ্যা ১ এবং শুধু সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য। সবচেয়ে ছোট ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যাগুলোর তালিকা হলো ০, ১, ২, ৩। ধরি, সংখ্যাটি মৌলিক হওয়ার জন্য তার ঠিক দুটি ভিন্ন উৎপাদক থাকতে হবে। ১ এর উৎপাদক কেবল একটি, তাই এটি মৌলিক নয়। অতএব, ০ এবং ১ কোনোটিই মৌলিক সংখ্যা নয়। ২ সংখ্যাটির উৎপাদক হলো ১ এবং ২। সুতরাং, ২ এর মাত্র দুটি উৎপাদক থাকায় এটি সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা। উত্তর: ২
64. 2 + 4 + 8 + 16 ......... ধারাটির সপ্তম (৭ম) পদ কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২৮ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো দুই যোগ চার যোগ আট যোগ ষোলো এভাবে চলতে থাকে ধরি, এটি একটি গুণোত্তর ধারা যার প্রথম পদ এ সমান দুই অতএব, ধারাটির সাধারণ অনুপাত আর সমান চার ভাগ দুই সমান দুই আমরা জানি গুণোত্তর ধারার এন তম পদের সূত্র হলো প্রথম পদ গুণ আর এর পাওয়ার এন বিয়োগ এক সুতরাং, সপ্তম পদটি হবে দুই গুণ দুই এর পাওয়ার সাত বিয়োগ এক উত্তর: ১২৮
65. 3^((x+1)/2) = √3^(2x - 1) হলে x এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩ এর পাওয়ার (এক্স + ১) ভাগ ২ সমান রুট ৩ এর পাওয়ার (২এক্স − ১) ধরি, রুট ওভার চিহ্নের মান হলো পাওয়ার বা ঘাত হিসেবে এক ভাগ দুই অতএব, বামপক্ষের ভিত্তি এবং ডানপক্ষের ভিত্তি একই হওয়ায় উভয় পক্ষের ভিত্তি বাদ দেওয়া যায় সমীকরণের দুইপাশে সূচকের মানগুলো সমান লেখা যায় সুতরাং, পাওয়ার দুটি সমান করে লেখা যায় (এক্স + ১) ভাগ ২ সমান (২এক্স − ১) ভাগ ২ উত্তর: ২
66. দুইটি সম্পূরক কোণের সমষ্টি কত?
Created 2 weeks ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: দুটি কোণ পরস্পর সম্পূরক ধরি, প্রথম কোণটি ক ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণটি খ ডিগ্রি অতএব, সম্পূরক কোণদ্বয়ের সংজ্ঞা অনুযায়ী তাদের যোগফল নির্দিষ্ট থাকে সুতরাং, ক + খ = ১৮০° উত্তর: ১৮০°
67. যদি a + b = √3 এবং a - b = √2 হয়, তবে ab এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১/৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = √৩ a - b = √২ ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে হবে অতএব, আমরা জানি, ab এর সূত্র হলো (প্লাস ব্র্যাকেট ভাগ দুই) এর হোল স্কয়ার বিয়োগ (মাইনাস ব্র্যাকেট ভাগ দুই) এর হোল স্কয়ার সুতরাং, ab = ((a + b) ÷ ২) স্কয়ার − ((a - b) ÷ ২) স্কয়ার উত্তর: ১/৪
68. x + y = 6 এবং xy = 8 হলে, (x - y)² এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল x + y = ৬ দুটি রাশির গুণফল xy = ৮ ধরি, আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে (x − y)² এর অতএব, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই, (x − y)² = (x + y)² − ৪xy সুতরাং, মানের পরিবর্তে সংখ্যা বসিয়ে পাই, (৬)² − (৪ × ৮) উত্তর: ৩৬ − ৩২ = ৪
73. বাংলাদেশের সাথে ভারতের কয়টি জেলার সীমানা রয়েছে?
Created 2 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫টি কেন সঠিক: - ভারতের ৫টি রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ১০টি জেলা এবং আসামের ৫টি জেলা অবস্থিত। - এছাড়া মেঘালয়ের ১২টি, ত্রিপুরার ৪টি এবং মিজোরামের ৪টি জেলার সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে, যা যোগ করলে মোট ৩৫টি জেলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর মোট সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। B) ২৫টি — এই সংখ্যাটি ভারতের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর সঠিক হিসাব নয়, এটি কম গণনা করা হয়েছে। সি অপশনটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়। D) ৩২টি — এই সংখ্যাটি প্রকৃত হিসাবের চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ভারতের ৫ রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলার মোট সংখ্যা মনে রাখতে ৫ এবং ৭ এর হিসাব মাথায় রাখতে পারো, যেখানে ৫ গুণ ৭ সমান ৩৫ হয়।
75. রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ কত সালে শুরু হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০২২ কেন সঠিক: - রাশিয়া ইউক্রেনের ওপর সামরিক আক্রমণ শুরু করে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি। - আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সমসাময়িক সাধারণ জ্ঞানের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২১ — এই বছর রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে উত্তেজনা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ সামরিক আক্রমণ শুরু হয়নি। B) ২০২২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। C) ২০২৩ — এই বছর যুদ্ধ চললেও যুদ্ধ শুরু হওয়ার বছর এটি নয়। D) ২০২৪ — এই বছর যুদ্ধ চলমান থাকলেও যুদ্ধ শুরুর সাল এটি নয়। মনে রাখার টিপস: কোভিড মহামারি কাটিয়ে ওঠার ঠিক পরের বছর, অর্থাৎ ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে।
76. WTO এর কাজ কি?
Created 2 weeks ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্ব বাণিজ্য সহায়তাকরণ কেন সঠিক: - ডব্লিউটিও বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তৈরি ও বাস্তবায়ন করে। - এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যকার বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি করে বিশ্ব বাণিজ্যকে সহজ ও গতিশীল করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা — এই কাজটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নয়, এটি মূলত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান দায়িত্ব। B) জলবায়ু বিষয়ক সমাধান — জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মূল কাজ নয়, এটি পরিবেশ বিষয়ক সংস্থাগুলোর কাজ। C) বিশ্ব বাণিজ্য সহায়তাকরণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ — মানবাধিকার রক্ষা বা পর্যবেক্ষণ করা এই সংস্থার কাজ নয়, এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দায়িত্ব। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউটিও বা ডব্লিউটিও এর নামের ভেতরই ট্রেড বা বাণিজ্য শব্দ যুক্ত আছে, তাই এটি বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত।
77. প্রতি বছর বাংলাদেশে বেশি মানুষ মারা যায় কোনটির ফলে?
Created 2 weeks ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোড এক্সিডেন্ট কেন সঠিক: - বেপরোয়া গতি, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং অপরিকল্পিত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায়। - প্রাকৃতিক দুর্যোগের তুলনায় বর্তমানে সড়ক দুর্ঘটনাজনিত অকাল মৃত্যুর হার সামগ্রিকভাবে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোড এক্সিডেন্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে বাংলাদেশে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান মানবসৃষ্ট কারণ। B) সাইক্লোন — এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা ক্ষয়ক্ষতি করলেও প্রতি বছর এর কারণে সড়ক দুর্ঘটনার চেয়ে কম মানুষ মারা যায়। C) বন্যা — এটি মৌসুমী প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও এটি সরাসরি মৃত্যুর চেয়ে পানিবাহিত রোগ ও অন্যান্য জটিলতা সৃষ্টি করে এবং সড়ক দুর্ঘটনার মতো নিয়মিত প্রাণহানি ঘটায় না। D) নদী ভাঙ্গন — এটি বসতবাড়ি ও আবাদি জমির ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে, তবে সরাসরি জীবনহানির ক্ষেত্রে এটি সড়ক দুর্ঘটনার তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে মানবসৃষ্ট অসচেতনতা তথা সড়ক দুর্ঘটনাতেই বাংলাদেশে প্রতি বছর সর্বাধিক প্রাণহানি ঘটে।
78. টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য (SDG) এর এক নম্বর লক্ষ্য কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য বা এসডিজি এর মোট ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথম লক্ষ্য হলো সব ধরনের চরম দারিদ্র্যের অবসান ঘটানো। - অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এই লক্ষ্যের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব — এটি এসডিজির এক নম্বর লক্ষ্য হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব — এটি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রার দুই নম্বর লক্ষ্য, এক নম্বর নয়। C) সবার জন্য শিক্ষা — এটি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে এসডিজির চার নম্বর লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) পরিবেশ রক্ষা — এটি জলবায়ু ও স্থলজ জীবন রক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন লক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত, যা এক নম্বর লক্ষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: এসডিজি অর্জনের শুরুতেই মানুষের পেটে ভাত ও পকেটে টাকা দরকার, তাই এক নম্বরে রাখা হয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন।
79. কোন দেশ থেকে আরব বসন্তের শুরু হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টিউনিশিয়া কেন সঠিক: - ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে টিউনিশিয়ার এক তরিতরকারি বিক্রেতা মোহামেদ বুয়াজিজি আত্মাহুতি দিলে দেশটিতে তীব্র গণআন্দোলন শুরু হয়। - এই আন্দোলনের ফলে দীর্ঘদিনের শাসক জয়নুল আবেদীন বেন আলী ক্ষমতাচ্যুত হন এবং এই ধারা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে যা আরব বসন্ত নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং আরব বসন্তের সূচনাস্থল নয়, যদিও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্দোলনে দেশটির গণমাধ্যম ভূমিকা রেখেছিল। B) মিশর — এটি আরব বসন্তের অন্যতম প্রধান ভুক্তভোগী দেশ হলেও আন্দোলন এখানে শুরু হয়নি, বরং টিউনিশিয়ার পর হোসনি মোবারকের বিরুদ্ধে এখানে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল। C) সৌদি আরব — এটি আরব বসন্তের প্রভাবে সরাসরি বড় ধরনের সরকার পরিবর্তনের শিকার হয়নি এবং এখান থেকে এই আন্দোলনের সূচনাও হয়নি। D) টিউনিশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই প্রথম আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটেছিল এবং শাসক পতন ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে টিউনিশিয়ার বসন্ত, কারণ ফুল বা বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল এই দেশটি থেকেই।
80. Blue Economy কিসের সাথে সম্পর্কিত?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্রসম্পদ কেন সঠিক: - ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি মূলত সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, সম্পদ আহরণ এবং টেকসই উন্নয়নকে বোঝায়। - এটি সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর জোর দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খনিবিদ্যা — এটি মূলত ভূগর্ভস্থ খনিজ সম্পদ উত্তোলন সম্পর্কিত হলেও ব্লু ইকোনমির মূল ভিত্তি সমুদ্রসম্পদ। B) অর্থনীতি — এটি একটি সামগ্রিক বৃহত্তর ক্ষেত্র, তবে নির্দিষ্ট করে কেবল সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক খাতকে ব্লু ইকোনমি বলে। C) সমুদ্রসম্পদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্লু ইকোনমি সরাসরি সমুদ্রের সম্পদ এবং তার টেকসই ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত। D) শেয়ার বাজার — এটি পুঁজিবাজার ও আর্থিক বিনিয়োগের সাথে সম্পর্কিত, যার সাথে সমুদ্র বা ব্লু ইকোনমির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ব্লু ইকোনমির 'ব্লু' বা নীল রঙটি মূলত সমুদ্রের নীল জলরাশি এবং এর ভেতরের মূল্যবান সম্পদকে নির্দেশ করে।
82. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্য হেগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার মতো গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করে থাকে। - এই আদালতের প্রধান কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও রেড ক্রসের প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের নয়। B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত, কিন্তু আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদর দপ্তর এখানে নয়। D) দ্য হেগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আনুষ্ঠানিক সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের এই শহরেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকাজ ও বিচারালয় সংক্রান্ত বেশিরভাগ প্রধান কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরেই অবস্থিত।
83. এশিয়া মহাদেশের মধ্যে ধনী দেশ কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাতার কেন সঠিক: - মাথাপিছু জিডিপি বা ক্রয়ক্ষমতার সমতার (PPP) ভিত্তিতে কাতার বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ এবং এশিয়া মহাদেশেও এর অবস্থান শীর্ষে। - দেশটির বিশাল প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামের ভাণ্ডার এর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন মোট জিডিপির দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতি হলেও মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে কাতারের মতো ধনী দেশ নয়। B) ভারত — ভারত একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক দেশ হলেও বিশাল জনসংখ্যার কারণে মাথাপিছু আয়ে কাতারের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। C) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি এশিয়ার সবচেয়ে ধনী দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। D) মালয়েশিয়া — এটি একটি মধ্যম আয়ের উন্নত উন্নয়নশীল দেশ, যা কাতারের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বা মাথাপিছু আয়ের কাছাকাছি নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার ধনী দেশ মনে রাখতে গ্যাসের জন্য বিখ্যাত মধ্যপ্রাচ্যের ছোট দেশ কাতার কথাটি মনে রাখতে পারো।
84. উদ্ভিদ কোন অঙ্গের মাধ্যমে খাদ্য প্রস্তুত করে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 minute ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: উদ্ভিদবিজ্ঞান সঠিক উত্তর: C) পাতা ১. কেন সঠিক: উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রiyar মাধ্যমে খাদ্য প্রস্তুত করে এবং এই প্রক্রিয়ার প্রধান কেন্দ্র হলো পাতা। পাতার কোষে থাকা ক্লোরোপ্লাস্ট নামক অঙ্গাণুর মধ্যে থাকা ক্লোরোফিল সূর্যালোক শোষণ করে খাদ্য তৈরিতে সহায়তা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোক, জল এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে গ্লুকোজ বা শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। কার্যপ্রণালি: পাতার মেসোফিল টিস্যুতে প্রচুর ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে যা সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে। পাতা বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং মূলের মাধ্যমে শোষিত জল একত্রিত করে খাদ্য তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম গাছের পাতা সবুজ থাকার কারণে এটি নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে। ব্যাখ্যা: ক্লোরোফিলের উপস্থিতির কারণে পাতা সূর্যালোকে সালোকসংশ্লেষণ চালিয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপাদন করে। উদাহরণ ২: কচুরিপানার পাতা জলে ভেসে থেকে খাদ্য প্রস্তুত করে। ব্যাখ্যা: এর বিস্তৃত পাতার উপরিভাগ সূর্যালোক গ্রহণ করে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সালোকসংশ্লেষণ সম্পন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল — মূল উদ্ভিদকে মাটিতে আবদ্ধ রাখে এবং জল ও খনিজ লবণ শোষণ করে, খাদ্য প্রস্তুত করে না। B) কাণ্ড — কাণ্ড জল ও পুষ্টি উপাদান পরিবহন করে এবং গাছকে সোজা রাখতে সাহায্য করে, তবে প্রধান খাদ্য প্রস্তুতকারী অঙ্গ পাতা। C) পাতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাতার কোষে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। D) ফুল — ফুল উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ যা বীজ ও ফল উৎপাদনে অংশ নেয়, খাদ্য প্রস্তুতি এর কাজ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয় পাতাকে। রান্নাঘরে যেমন রান্নার সব উপাদান একত্রিত হয়, তেমনি পাতায় সূর্যালোক, জল ও গ্যাস মিলে খাদ্য তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে অক্সিজেন নির্গত হয় যা প্রাণীকুলের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। এই টপিক থেকে উদ্ভিদের কোন অঙ্গ গ্যাস বিনিময় করে বা স্টোমাটা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
85. সূর্যের প্রধান উপাদান কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম ১. কেন সঠিক: সূর্য মূলত গ্যাসীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত একটি বিশাল গোলক যার প্রায় চব্বাত্তর শতাংশ হলো হাইড্রোজেন এবং চব্বিশ শতাংশ হলো হিলিয়াম। সূর্যের কেন্দ্রস্থলে প্রচণ্ড চাপ ও তাপমাত্রার কারণে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ঘটে, যেখানে হাইড্রোজেন পরমাণু একত্রিত হয়ে হিলিয়ামে পরিণত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং নক্ষত্রের গঠন সংক্রান্ত আলোচনায় সূর্যের উপাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কার্যপ্রণালি: সূর্যের কেন্দ্রভাগে চার লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু মিলিত হয়ে একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠন করে। কারণ ও ফলাফল: এই ফিউশন প্রক্রিয়ার সময় ভরের একটি অংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় যা আলো ও তাপ হিসেবে মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যের এই শক্তির উৎস থেকেই পৃথিবীতে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে এবং সমস্ত জীবকুল বেঁচে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড্রোজেন বোমা ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন বোমা ঠিক সূর্যের ভেতরের এই নিউক্লিয়ার ফিউশন নীতির ওপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয় যা প্রচণ্ড শক্তি উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: অন্যান্য নক্ষত্র ব্যাখ্যা: আমাদের মহাবিশ্বের বেশিরভাগ নক্ষত্রই মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা গঠিত এবং এভাবেই তারা শক্তি উৎপন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও সূর্যের মূল উপাদান নয়। B) কার্বন-ডাই-অক্সাইড — এটি সূর্যের প্রধান উপাদান নয়, তবে এটি পৃথিবী ও শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলে পাওয়া যায়। C) হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম — এটি সূর্যের প্রধান উপাদান এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও সূর্যের মূল উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: সূর্যের নাম মনে রাখতে মনে রাখবে সূর্য মানেই মহাশূন্যের একটি বিশাল গ্যাসপিণ্ড যার শুরু হয় হাইড্রোজেন দিয়ে এবং যার ভেতরে তৈরি হয় হিলিয়াম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্যের শক্তির মূল উৎস নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া এবং এর বাইরের অংশকে করোনা বলা হয়। একই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে যে সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে কত সময় লাগে।
86. কোনটির গতি সবচেয়ে বেশি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলো ১. কেন সঠিক: - শূন্য মাধ্যমে আলোর গতি মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তুতরঙ্গ ও শক্তির মধ্যে সর্বাধিক। - আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব অনুযায়ী কোনো বস্তুর গতি আলোর গতির সমান বা বেশি হতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলো হলো এক প্রকার তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ যা চলাচলের জন্য কোনো মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে না। - কার্যপ্রণালি: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সর্বদা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বা ৩০ কোটি মিটার হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে মাত্র আট মিনিট কুড়ি সেকেন্ড সময় লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যগ্রহণ ব্যাখ্যা: সূর্য থেকে আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে সময় লাগলেও একই সময়ে মহাকাশে ঘটে যাওয়া শব্দ আমরা শুনতে পাই না কারণ আলোর গতি শব্দের চেয়ে অনেক বেশি। উদাহরণ ২: বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানো ব্যাখ্যা: আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর আলো আমরা সাথে সাথে দেখতে পেলেও তার গর্জন বা শব্দ কিছু পরে শুনতে পাই যা আলোর উচ্চ গতির প্রমাণ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুলেট — এটি একটি কঠিন বস্তু যার গতি শব্দের চেয়ে বেশি হতে পারে কিন্তু আলোর গতির তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। B) বিমান — আধুনিক সুপারসনিক বিমান শব্দের চেয়ে দ্রুত চলতে পারলেও আলোর গতির ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারে না। C) শব্দ — এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ যার চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয় এবং এর গতি আলোর গতির তুলনায় অত্যন্ত কম। D) আলো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর গতিবেগ প্রকৃতির অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাবিশ্বে সবচেয়ে দ্রুতগামী হলো আলো তাই যেকোনো সর্বোচ্চ গতির প্রশ্নে আলো উত্তর হবে। - মনে রাখবে শব্দের গতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার আর আলোর গতি সেকেন্ডে ৩০ কোটি মিটার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ নির্দিষ্ট এবং এর মান প্রতি সেকেন্ডে ৩ গুণ ১০ এর পাওয়ার ৮ মিটার। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আলোর গতি এবং শব্দের গতির তুলনামূলক প্রশ্ন আসে।
87. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming) রোধে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ কী?
Created 2 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবাশ্ম জ্বালানী কম ব্যবহার ১. কেন সঠিক: - বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি। - জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়লে প্রচুর পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস নির্গত হয় যা পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো কার্বনের বিশাল ভাণ্ডার যা পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। - কার্যপ্রণালি: এই গ্যাসগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রাখে যাকে গ্রিনহাউস প্রভাব বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: ব্যক্তিগত যানবাহনের বদলে পায়ে হাঁটা বা গণপরিবহন ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানির দহন কমে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে বাইসাইকেল ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এটি যাতায়াতে কোনো পেট্রোল বা ডিজেল খরচ করে না ফলে বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন বন্ধ থাকে। উদাহরণ ২: এসির ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক বাতাস ও ফ্যানের ব্যবহার বাড়ানো। ব্যাখ্যা: বিদ্যুতের মূল উৎস জীবাশ্ম জ্বালানি হওয়ায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে পরোক্ষভাবে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো কমে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো — এটি সামুদ্রিক দূষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ। তবে এটি সরাসরি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান একক কারণ নয়। B) বন উজাড় রোধ করা — বন উজাড় রোধ করা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্যতম বড় কৌশল। তবে প্রশ্নকর্তার মতে এবং সার্বিক বিবেচনায় এটি পরোক্ষভাবে সহায়ক। C) জীবাশ্ম জ্বালানী কম ব্যবহার — এটি সরাসরি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মূল কারণ কার্বন নির্গমন কমানোর সবচেয়ে সরাসরি এবং কার্যকর ব্যক্তিগত পদক্ষেপ। D) বিদ্যুৎ অপচয় রোধ — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি কমাতে সাহায্য করে তবে জীবাশ্ম জ্বালানির প্রত্যক্ষ ব্যবহার রোধ করা সরাসরি উষ্ণায়ন কমায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উষ্ণায়ন কমাতে হলে জ্বালানি পোড়ানো কমাও এই মন্ত্র মনে রাখবে। - জীবাশ্ম জ্বালানি মানেই কার্বন নির্গমন এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী গ্যাস হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড। - পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাস বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য প্রধানত দায়ী যার উত্তর কার্বন ডাই-অক্সাইড।
91. টেলিভিশনে রঙিন ছবি তৈরিতে কতটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০৩টি ১. কেন সঠিক: - টেলিভিশনে রঙিন ছবি তৈরির জন্য তিনটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং ব্যবহার করা হয়। - এই তিনটি মৌলিক রং হলো লাল, সবুজ ও নীল, যা মানুষের চোখের আলোর প্রতি সংবেদনশীলতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর প্রাথমিক রংগুলোকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্য যেকোনো রং তৈরি করা যায়। - কার্যপ্রণালি: রঙিন টেলিভিশনের পর্দায় বা মনিটরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পিক্সেল থাকে যা লাল, সবুজ ও নীল আলো নির্গত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার মনিটর এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে এই ত্রি-বর্ণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেলিভিশন বা মোবাইলের স্ক্রিন খুব কাছ থেকে দেখলে ছোট ছোট লাল, সবুজ ও নীল বিন্দু দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এই বিন্দুগুলোর তীব্রতা পরিবর্তন করে পর্দায় হাজার হাজার রঙের ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। উদাহরণ ২: ক্যামেরা বা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সময়ও এই তিনটি রং প্রধান হিসেবে কাজ করে। ব্যাখ্যা: ডিজিটাল ক্যামেরা সেন্সর আলো গ্রহণ করার সময় লাল, সবুজ ও নীল ফিল্টার ব্যবহার করে ছবি ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — চার রঙের প্রিন্টিং প্রযুক্তি আলাদা, যা সায়ান, ম্যাজেন্টা, ইয়েলো ও ব্ল্যাক বা সিএমওয়াইকে নামে পরিচিত এবং এটি কাগজের ছাপার কাজে লাগে। B) ০৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রঙিন ছবি বা ডিসপ্লের ক্ষেত্রে লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়। C) ৭টি — সাতটি রং দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন রামধনু বা প্রিজমের মাধ্যমে আলোর বিচ্ছুরণের ফলে সৃষ্ট সাতটি রং। ডি) ২৫৬টি — ২৫৬ সংখ্যাটি সাধারণত কম্পিউটারের গ্রাফিক্সে একটি চ্যানেলের রঙের গভীরতা বা বিট গভীরতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, মৌলিক রঙের সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং মনে রাখার সহজ মাধ্যম হলো সমাস বা প্রথম অক্ষর দিয়ে গঠিত শব্দ গুচ্ছ। - লাল, সবুজ ও নীল বা আরজিবি হিসেবে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলোর মৌলিক রং এবং প্রিন্টিং বা মুদ্রণের মৌলিক রং এক নয়। - পরীক্ষার জন্য মনে রাখতে হবে আলোর মৌলিক রং তিনটি, আর মুদ্রণের মৌলিক রং চারডি।
92. কোন অঙ্গ মানুষের শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন করে?
Created 2 weeks ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যানক্রিয়াস ১. কেন সঠিক: প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় মানবদেহের একটি মিশ্র গ্রন্থি যা থেকে ইনসুলিন নামক হরমোন উৎপাদিত হয়। এই হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সরাসরি সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইনসুলিন হলো প্রোটিন জাতীয় হরমোন যা প্যানক্রিয়াসের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষের বিটা কোষ থেকে তৈরি হয়। কার্যপ্রণালি: প্যানক্রিয়াস রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনসুলিন নিঃসরণ করে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে। বাস্তব প্রয়োগ: প্যানক্রিয়াস সঠিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ব্যাখ্যা: প্যানক্রিয়াস তখন অতিরিক্ত ইনসুলিন নিঃসরণ করে রক্তের শর্করা কোষে পৌঁছে দেয় এবং ভারসাম্য রক্ষা করে। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর শরীরে কৃত্রিম ইনসুলিন ইনজেকশন দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি রোগীর প্যানক্রিয়াস পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারার ঘাটতি পূরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যানক্রিয়াস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থিটিই মানবদেহে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদন করে। B) লিভার — এটি মানুষের শরীরের বৃহত্তম গ্রন্থি যা পিত্তরস তৈরি করে এবং বিপাক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। C) কিডনি — এটি মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করে। D) হার্ট — এটি একটি পেশল অঙ্গ যা সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সারা দেহে রক্ত পাম্প করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনসুলিনের সাথে প্যানক্রিয়াসের নাম মনে রাখতে প এবং ই বর্ণ দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো। প্যানক্রিয়াসের বিটা কোষ ইনসুলিন তৈরি করে, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্যানক্রিয়াসকে অন্তক্ষরা ও বহিঃক্ষরা উভয় গ্রন্থি বা মিশ্র গ্রন্থি বলা হয় কারণ এটি হরমোন ও এনজাইম উভয়ই তৈরি করে। আলফা কোষ থেকে গ্লুকাগন এবং বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়—এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
93. হীরাকে বায়ুতে পোড়ালে কী উৎপন্ন হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CO2 ১. কেন সঠিক: - হীরা মূলত বিশুদ্ধ কার্বনের একটি স্ফটিক রূপ। বায়ুতে উপস্থিত অক্সিজেনের সঙ্গে উত্তপ্ত করলে এটি পুড়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে। - কার্বন এবং অক্সিজেন রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে এই গ্যাস তৈরি করে এবং কোনো অবশিষ্ট কঠিন পদার্থ বা ছাই থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কার্বনের দহন বিক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কার্বন অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি করে। - রাসায়নিক সমীকরণ: কার্বন যোগ অক্সিজেন সমান কার্বন ডাই-অক্সাইড। - কার্যপ্রণালি: হীরাকে উচ্চ তাপমাত্রায় বায়ুতে উত্তপ্ত করলে এর ভেতরের কার্বন পরমাণুগুলো বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে বায়বীয় পদার্থে রূপান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: গ্রাফাইট বা হীরার মতো কার্বনের রূপভেদগুলো পুড়িয়ে যে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়, তা থেকে প্রমাণ করা যায় যে এগুলোর মূল উপাদান কার্বন। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: কয়লা বা কাঠ পুড়লে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: কয়লা ও কাঠ কার্বনের উৎস হওয়ায় বাতাসের অক্সিজেনে পুড়ে ঠিক একই রকম গ্যাসীয় পদার্থ তৈরি করে। - উদাহরণ ২: মোমবাতি জ্বালানো। ব্যাখ্যা: মোমের মধ্যে থাকা কার্বন বায়ুর অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প উৎপন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কোক — কোক হলো কয়লা থেকে উৎপাদিত এক ধরনের কার্বন, যা হীরা পোড়ালে উৎপন্ন হয় না কারণ হীরা পুরোপুরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। - B) কঠিন গ্যাস — এটি একটি বৈজ্ঞানিক অবান্তর শব্দ কারণ কোনো পদার্থ একই সঙ্গে কঠিন ও গ্যাসীয় হতে পারে না। - C) ছাই — ছাই হলো অপদ্রব্য বা খনিজ পদার্থের অবশিষ্টাংশ, কিন্তু হীরা বিশুদ্ধ কার্বন হওয়ায় এর দহনে কোনো ছাই অবশেষ থাকে না। - D) CO2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ হীরা বায়ুতে পোড়লে সম্পূর্ণভাবে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসে পরিণত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হীরা মানে খাঁটি কার্বন এবং কার্বন পুড়লে সবসময় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। হীরা যেহেতু গ্যাসীয় অবস্থায় উবে যায়, তাই এর কোনো ছাই থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হীরা এবং গ্রাফাইট উভয়েই কার্বনের রূপভেদ, তাই উভয়েই বায়ুতে পুড়লে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
95. ঝিনুকের প্রদাহের ফল কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তা ১. কেন সঠিক: মুক্তা হলো মূলত ঝিনুকের ভেতরে সৃষ্ট প্রদাহের একটি জৈবিক ফলাফল। যখন কোনো বিদেশি কণা যেমন বালুকণা বা পরজীবী ঝিনুকের নরম অংশে প্রবেশ করে, তখন ঝিনুক তা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এক ধরনের প্রদাহের প্রতিক্রিয়া দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মুক্তা হলো ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এবং কনকোলিনের একটি জৈব-খনিজ পদার্থ যা মলাস্ক বা কম্বোজ শ্রেণির প্রাণীদের দেহে তৈরি হয়। কার্যপ্রণালি: বিদেশি কণাটি ঝিনুকের ম্যান্টল টিস্যুতে আঘাত করলে ঝিনুক মুক্তার উপাদান বা নেকার ক্ষরণ করে কণাটিকে বারবার ঢেকে ফেলতে শুরু করে এবং কালক্রমে তা মুক্তায় পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের ভেতরে কোনো ময়লা গেলে যেমন চোখ থেকে জল বেরিয়ে ময়লা দূর করার চেষ্টা করে, ঝিনুকও ঠিক তেমনি বিদেশি বস্তুর চারপাশে আস্তরণ তৈরি করে প্রদাহ কমায়। ব্যাখ্যা: এটি জীবদেহের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার একটি চমৎকার জৈবিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: কৃত্রিম উপায়ে ঝিনুকের মধ্যে মুক্তা চাষ করা হয়। ব্যাখ্যা: মানুষেরা ঝিনুকের ভেতরে সূক্ষ্ম নিউক্লিয়াস প্রবেশ করিয়ে এই প্রাকৃতিক প্রদাহের প্রক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিক মুক্তা উৎপাদন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাল — প্রবাল কোনো প্রদাহের ফল নয়, বরং এটি সামুদ্রিক পলিপ নামক ক্ষুদ্র প্রাণীর ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে তৈরি কঙ্কাল। B) স্বর্ণ — স্বর্ণ একটি প্রাকৃতিক মৌলিক ধাতু যা খনি থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং এটি জীবদেহের কোনো জৈবিক প্রতিক্রিয়ার ফল নয়। C) হীরক — হীরক হলো কার্বনের একটি বিশুদ্ধ স্ফটিক রূপ যা ভূগর্ভে প্রচণ্ড চাপ ও তাপে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়। D) মুক্তা — মুক্তা হলো ঝিনুকের নরম অংশে বিদেশি কণার কারণে সৃষ্ট প্রদাহের ফলে তৈরি হওয়া মূল্যবান রত্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: ঝিনুকে প্রদাহ মানেই মুক্তার উৎপাদন। মনে রাখবে ঝিনুক কষ্ট পেয়ে রত্ন তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুক্তার প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো ক্যালসিয়াম কার্বোনেট। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণিবিজ্ঞান ও মৎস্য বিজ্ঞানের অংশ হিসেবে প্রায়ই আসে।
96. কোনটি অসংক্রামক রোগ?
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়াবেটিস ১. কেন সঠিক: ডায়াবেটিস একটি অসংক্রামক রোগ কারণ এটি একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় না। আমাদের শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি বা এর কার্যকারিতার অভাবের কারণে এই রোগ দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অসংক্রামক রোগ হলো সেই রোগ যা ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের মতো কোনো জীবাণুর মাধ্যমে ছড়ায় না। কারণ ও ফলাফল: অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদিত না হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন। ব্যাখ্যা: এটিও একটি অসংক্রামক রোগ যা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও মানসিক চাপের কারণে হয় এবং একজনের থেকে অন্যজনে ছড়ায় না। উদাহরণ ২: ক্যানসার। ব্যাখ্যা: এটি কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলে হয় এবং এটিও কোনো ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলেরা — এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ব্যাকটেরিয়া জনিত পানির মাধ্যমে ছড়ায়। B) ডায়াবেটিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিপাকীয়জনিত অসংক্রামক রোগ। C) টাইফয়েড — এটি সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ। D) আমাশয় — এটি ব্যাকটেরিয়া বা অ্যামিবা দ্বারা আক্রান্ত হওয়া একটি সংক্রামক রোগ। ৫. মনে রাখার টিপস: সংক্রামক রোগগুলো সাধারণত জীবাণু দিয়ে ছড়ায়, আর ডায়াবেটিস বা ক্যানসার হলো শরীরের ভেতরের বিপাকীয় বা কোষীয় ত্রুটিজনিত অসংক্রামক রোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে ডায়াবেটিস, ক্যানসার এবং হৃদরোগ অন্যতম প্রধান মৃত্যুর কারণ। পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি সংক্রামক বা অসংক্রামক রোগ তা আলাদা করতে বলা হয়।
97. মানচিত্র ও স্কেচের মধ্যে পার্থক্য কি?
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানচিত্রে স্কেল থাকে, স্কেচে স্কেল থাকে না কেন সঠিক: ১. মানচিত্র অঙ্কনের সময় নির্দিষ্ট অনুপাত বা স্কেল মেনে বাস্তব এলাকার দূরত্ব ছোট করে নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়। ২. স্কেচ হলো মূলত অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হাতের আঁকা নকশা যেখানে কোনো নির্দিষ্ট পরিমাপ বা স্কেল থাকে না। ভৌগোলিক তথ্য: ১. মানচিত্র তৈরিতে কার্টোগ্রাফি বিদ্যা ব্যবহার করা হয় এবং এর মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো গোলার্ধের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করা যায়। ২. মানচিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এতে দিক নির্দেশক বা উত্তর দিক এবং যথাযথ প্রতীক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. যেমন একটি দেশের মানচিত্রে নির্দিষ্ট স্কেল ব্যবহার করে জেলা ও দেশের সীমানা নিখুঁতভাবে দেখানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানচিত্রে স্কেল থাকে, স্কেচে স্কেল থাকে না — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মানচিত্র ও স্কেচের মূল পার্থক্যের সত্যতা প্রমাণ করে। B) মানচিত্রে স্কেল থাকে না, স্কেচে স্কেল থাকে — এই অপশনটি ভুল কারণ মানচিত্র সবসময় স্কেল মেনে তৈরি হয় এবং স্কেচে কোনো স্কেল থাকে না। C) মানচিত্রে বড় স্কেল ও স্কেচে ছোট স্কেল থাকে — এই অপশনটি ভুল কারণ স্কেচে কোনো ধরনের স্কেল বা পরিমাপের বালাই থাকে না। D) উভয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই — এই অপশনটি ভুল কারণ মানচিত্র ও স্কেচ গঠন ও ব্যবহারের দিক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা দুটি বিষয়। মনে রাখার টিপস: মানচিত্রে ম আছে যার অর্থ মাপ বা স্কেল থাকে আর স্কেচে স্কেল থাকে না এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
98. সাইক্লোন ও টর্নেডোর মধ্যে পার্থক্য কি?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাইক্লোন পানিতে সৃষ্টি, টর্নেডো ভূমিতে সৃষ্টি হয় কেন সঠিক: ১. সাইক্লোন সাধারণত উষ্ণ সমুদ্রের পানির ওপরে সৃষ্টি হয় এবং পরে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে। ২. টর্নেডো প্রধানত স্থলভাগে বা ভূমির ওপরে তীব্র বায়ুমণ্ডলীয় অস্থিরতার কারণে সৃষ্টি হয়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. সাইক্লোন বিশাল এলাকা জুড়ে শত শত কিলোমিটার স্থান দখল করে বিস্তার লাভ করে। ২. সাইক্লোনের কেন্দ্রস্থলকে বলা হয় এর চোখ এবং এতে বাতাসের গতিবেগ থাকে তুলনামূলক কম। ৩. বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন আমাদের দেশে প্রায়ই আঘাত হানে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপশন এ — সাইক্লোনের গতি সবসময় কম এবং টর্নেডোর গতি বেশি হয় না কারণ সাইক্লোনেও তীব্র গতি থাকতে পারে। B) অপশন বি — সাইক্লোনের গতি কম এবং টর্নেডোর গতি বেশি এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ উভয়ের গতিই অনেক বেশি হতে পারে। C) অপশন সি — এটি সঠিক কারণ সাইক্লোন সাগর বা মহাসাগরে জন্ম নেয় এবং টর্নেডো জন্ম নেয় ডাঙায় বা ভূমিতে। D) অপশন ডি — উভয়ের মধ্যে পার্থক্য নেই এই কথাটি ভুল কারণ এদের উৎপত্তি ও প্রকৃতি সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: সাইক্লোন মানে সাগর থেকে আসা বড় ঝড় এবং টর্নেডো মানে ভূমিতে ওঠা ছোট কিন্তু তীব্র ঘূর্ণি ঝড়।
99. বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?
Created 2 weeks ago | Updated 55 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০°৩৪' - ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' - ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা কেন সঠিক: বাংলাদেশের সঠিক অক্ষাংশগত বিস্তার হলো কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ২০°৩৪' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ। এর দ্রাঘিমাগত বিস্তার হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সিলেট পর্যন্ত ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যার মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার এবং এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এই ভূখণ্ডটি মূলত গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পলি দ্বারা গঠিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এর উত্তরে ভারত, পূর্বে ভারত ও মিয়ানমার, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য দ্বারা সম্পূর্ণরূপে বেষ্টিত। বাকি অপশন কেন ভুল: B) অপশন বি — এখানে অক্ষাংশের মানগুলো উল্টো করে অর্থাৎ ২৬°৩৪' থেকে শুরু করা হয়েছে যা ভৌগোলিকভাবে সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। C) অপশন সি — এই অপশনে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমার পরিমাপ দুটিই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যা বাংলাদেশের সীমানার সাথে মেলে না। D) অপশন ডি — বাংলাদেশ সম্পূর্ণভাবে উত্তর গোলার্ধ ও পূর্ব গোলার্ধে অবস্থিত, তাই এখানে পশ্চিম অক্ষাংশ বলা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: অক্ষরেখার ক্ষেত্রে মনে রাখবে ২০ থেকে ২৬ এবং দ্রাঘিমার ক্ষেত্রে ৮৮ থেকে ৯২, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করবে। উত্তর অক্ষাংশ এবং পূর্ব দ্রাঘিমা এই দুটি শব্দ ভালোভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে কখনো ভুল হবে না।
100. আয়তনে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জেলা কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - রাঙ্গামাটি জেলা ভৌগোলিক আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সব জেলার চেয়ে বড়। - পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের এই জেলাটির ভূপ্রকৃতি পাহাড়ি ও বিস্তীর্ণ হওয়ায় এর আয়তন সবচেয়ে বেশি হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: - রাঙ্গামাটি জেলার আয়তন প্রায় ছয় হাজার একান্ন বর্গকিলোমিটার। - এটি মূলত পাহাড়ি বনাঞ্চল, হ্রদ এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত একটি বৈচিত্র্যময় অঞ্চল। - এই জেলায় বিখ্যাত কাপ্তাই হ্রদ অবস্থিত যা দেশের বৃহত্তম মানবসৃষ্ট জলাধার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। B) বান্দরবান — এটি আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা এবং এর আয়তন রাঙ্গামাটির চেয়ে কম। C) চট্টগ্রাম — এটি একটি প্রধান বিভাগীয় শহর হলেও আয়তনে রাঙ্গামাটির মতো এত বিশাল নয়। D) কুমিল্লা — এটি ঢাকা বিভাগের একটি জনবহুল জেলা কিন্তু আয়তনে রাঙ্গামাটির তুলনায় অনেক ছোট। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ি জেলার মধ্যে রাঙ্গামাটি সবচেয়ে বড়, তাই মনে রাখবে রা মানে রাঙ্গামাটি আর রা মানে রাজস্ব বা বিশালতা।

মোট প্রশ্ন (25)

1. 'হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে' এটি কোন কবির লেখা?
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃত পঙক্তিটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত বনলতা সেন কবিতার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় চরণ। এই চরণে কবির অন্তহীন সময়যাত্রা এবং ক্লান্ত মানুষের চিরন্তন পথ চলার সুর ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা এবং নির্জনতার কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। তার বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি এবং এই কবিতার এই লাইনটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সর্বাধিক উদ্ধৃত পঙক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিল মাঠের হাওয়া রাতে এক দীর্ঘশ্বাস ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের কবিতার লাইন যা তার প্রকৃতিপ্রেম প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিগুলোতে কবি জীবনানন্দ দাশের স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগের পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার লেখা নয়। B) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্য সমালোচক হওয়া সত্ত্বেও এই কবিতার রচয়িতা নন। C) নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও আলোচ্য পঙক্তিটি তার কোনো কবিতার অংশ নয়। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত কবিতার স্রষ্টা। ৫ মনে রাখার টিপস: হাজার বছর ধরে হাঁটার কথা বললেই মনে করতে হবে নির্জনতার কবি জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কবিতাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার লাইন তুলে কবির নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন এবং রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের লাইনগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায়।
7. ভানুরসিংহ ঠাকুর কে?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - ভানুরসিংহ ঠাকুর হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভণিতা বা ছদ্মনাম। - তিনি কৈশোরে এই ছদ্মনামে পদাবলী রচনা করেছিলেন, যা প্রাচীন বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - তিনি ভানুরসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য রোমান্টিক ধারার সূচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুরসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোরকালীন পদ রচনার একটি বিখ্যাত সংকলন যা ভানুরসিংহ ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যা তিনি সাহিত্য রচনার সময় ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমরেখ মজুমদার — ইনি একজন বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক নন, তাই ভানুরসিংহ ছদ্মনামের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নন। B) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, যার ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। C) বুদ্ধদেব বসু — ইনি বিশ শতকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং কল্লোল যুগের লেখক। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভানুরসিংহ ঠাকুর তাঁরই সাহিত্যিক ছদ্মনাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো ভানুরসিংহ নামটির সঙ্গে ভানু বা সূর্য শব্দকে যুক্ত করা, যা তাঁর নামের তেজ ও আলোর প্রতীক। - বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে লেখা ভানুরসিংহ ঠাকুরের পদগুলো থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, যেমন প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। - লেখকদের ছদ্মনাম ও তাদের আসল নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
9. কারক প্রধানত কয় প্রকার
Created 2 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ছয় প্রকার ১. কেন সঠিক: বাক্যে ব্যবহৃত ক্রিয়া পদের সঙ্গে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কারক প্রধানত ও মূলত ছয় প্রকার। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য কারককে প্রধানত ছয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এই ছয়টি ভাগ হলো কর্তৃকারক, কর্মকারক, করণকারক, সম্প্রদান কারক, অপাদান কারক ও অধিকরণ কারক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছে ফুল ফুটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে কোথায় ফুটেছে তার উত্তর দেওয়ায় এটি অধিকরণ কারক। উদাহরণ ২: বাবা আমাকে একটি কলম দিয়েছেন। ব্যাখ্যা: এখানে কে দিয়েছেন তার উত্তর দেওয়ায় বাবা কর্তৃকারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচ প্রকার — কারকের সংখ্যা পাঁচ নয়, কারণ সংস্কৃতে কারক ছয় প্রকার এবং বাংলাতেও তা অনুসৃত হয়। B) চার প্রকার — কারক চার প্রকার বললে বিভক্তি বা পদের প্রধান সম্পর্কগুলো অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) সাত প্রকার — বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক মূলত ছয় প্রকার, তাই এই সংখ্যাটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: কারকের প্রকারভেদ মনে রাখতে বাক্যের ক্রিয়াপদকে কে, কী, কাকে, কোথা থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করে ছয়টি কারক সহজে চেনা যায়। কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝে নিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কারক কয় প্রকার বা কারকের নাম থেকে প্রশ্ন আসে। বিভক্তি সাত প্রকার হলেও কারক যে ছয় প্রকার, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
12. "নীলদর্পণ" নাটকটি কে রচনা করেছেন?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দীনবন্ধু মিত্র ১. কেন সঠিক: - নীলদর্পণ নাটকটি দীনবন্ধু মিত্রের অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রথিতযশা একটি সামাজিক নাটক। - ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার নীলকর সাহেবদের দ্বারা চাষীদের উপর চালিত ভয়াবহ নির্যাতন এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট বাঙালি নাট্যকার ও সাহিত্যিক। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম সার্থক সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের নাটক হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নবীন তপস্বিনী ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক কমেডি নাটক। উদাহরণ ২: বিয়ে পাগলা বুড়ো ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন যা সমাজের কুসংস্কারকে বিদ্রূপ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও নীলদর্পণ নাটকটি তিনি রচনা করেননি। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা নন। C) দীনবন্ধু মিত্র — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি ১৮৬০ সালে এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন। D) কাঙাল হরিনাথ — তিনি গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কিন্তু নীলদর্পণ নাটকটি লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - নীল রঙ দেখে নীলকর সাহেবদের কথা মনে রাখবে এবং নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের নাটক মানেই দীনবন্ধু মিত্র। - নাটকটি প্রকাশের সালটি মনে রাখতে ১৮৬০ সাল মনে রাখবে যা সিপাহী বিদ্রোহের ঠিক পরের বছর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা এবং প্রকাশকাল বারবার আসে। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন যা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
14. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ প্রভাকর ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ও প্রকাশিত প্রথম ও অন্যতম বিখ্যাত বাংলা সংবাদপত্র হলো সংবাদ প্রভাকর। ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে এটি দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক এবং তিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। তার সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য উন্নয়নে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সহ অনেক প্রখ্যাত লেখকের সাহিত্যজীবনের সূচনা এখান থেকেই হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩১ সালে। ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল যা পরে দৈনিক রূপ নেয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম রচনা সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত নতুন ও প্রতিভাবান লেখকদের উৎসাহিত করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাচার দর্পণ — এই পত্রিকাটি জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল, যা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত নয়। B) তত্ত্ববোধিনী — এই পত্রিকাটি অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে ১৮৪৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। D) একটিও না — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মানেই প্রভাকর। প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য, আর বাংলা সাহিত্যাকাশে তিনি প্রভাকরের মতোই সংবাদপত্র জগতে আলো ছড়িয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক এবং ১৮৩৯ সালে দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল জানতে চাওয়া হয়।
16. কোন কবিতাটি লেখার দায়ে কাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল?
Created 2 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনন্দময়ীর আগমনে ১. কেন সঠিক: - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় কাজী নজরুল ইসলাম এই কবিতাটি লিখেছিলেন যা রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়। - এই কবিতার মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যকে তার দীপ্ত পদচারণায় সমৃদ্ধ করেছেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি। - আনন্দময়ীর আগমনে কবিতাটি তার একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী কবিতা যা প্রকাশের পর ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা যেখানে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বার্তা দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দময়ীর আগমনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতা লেখার জন্যই নজরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। B) মানুষ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী চেতনার একটি বিখ্যাত কবিতা তবে এটি লেখার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। C) নারী — এটি সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা যা নারী পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলে। D) কৈফিয়ত — এটি নজরুলের একটি আত্মপক্ষ সমর্থনমূলক কবিতা যা দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের গ্রেপ্তারের সঙ্গে আনন্দময়ীর আগমনে কবিতাটি মনে রাখবে। - আনন্দময়ী মানে দেবী দুর্গা আর তার আগমনকে মুক্তির প্রতীক হিসেবে দেখিয়েছেন নজরুল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক কবিতা ও বাজেয়াপ্ত গ্রন্থগুলোর নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধরনের প্রশ্ন আসে প্রলয়োল্লাস বা বিষের বাঁশি কোন ধরণের রচনা তা নিয়ে।
17. 'পাবক' শব্দের সমার্থক শব্দ-
Created 2 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আগুন ১. কেন সঠিক: - পাবক শব্দের অর্থ আগুন, যা বহ্নি বা অনল হিসেবেও পরিচিত। - এটি সংস্কৃতে আগুনের একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দের আওতাভুক্ত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - প্রমিত বাংলা ভাষায় শব্দের সঠিক অর্থ জানার জন্য তৎসম শব্দের প্রতিশব্দ জানা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: বহ্নি শব্দটি আগুনের একটি অতি পরিচিত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: হুতাশন ব্যাখ্যা: হুতাশন শব্দটি যজ্ঞে আহুতি গ্রহণ করে বলে একে আগুনের সমার্থক হিসেবে ধরা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরুভূমি — মরুভূমি বলতে বালুময় উষর অঞ্চলকে বোঝায়, যার সঙ্গে আগুনের সম্পর্ক নেই। B) সমুদ্র — সমুদ্র হলো বিশাল জলরাশি, যা আগুনের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক উপাদান। D) বাতাস — বাতাস হলো বায়ুর প্রবাহ, যা আগুন জ্বালাতে সাহায্য করলেও নিজে আগুন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাবক শব্দের শেষাংশে বক আছে, মনে রাখতে পারেন আগুন যেন বকের মতো সাদা শিখা ছড়ায়। - অনল, বহ্নি, পাবক ও হুতাশন এগুলো একত্রে মুখস্থ করলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি বা আগুনের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - পাবক, অনল, বহ্নি, শিখা, সর্বভুক এবং হব্যবহন সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে চর্চা করা উচিত।
18. কোন ঘটনাকে উপজীব্য করে 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি রচিত হয়েছে?
Created 2 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ১. কেন সঠিক: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি মূলত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক আন্দোলন এবং সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক উপন্যাস যেখানে ঐতিহাসিক পটভূমির সঙ্গে সাধারণ মানুষের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে মিশে গেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদুল জহিরের 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওমানের 'পরদিন সকালে' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিতেও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক তথ্য হলেও 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের মূল উপজীব্য ভাষা আন্দোলন নয়, বরং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। B) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি আলোচ্য উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু বা সময়কালকে নির্দেশ করে না। C) ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির সম্পূর্ণ পটভূমি এই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। D) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ এই উপন্যাসের সরাসরি পটভূমি নয়, কারণ এটি তার আগের ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের সেপাই মানেই ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। এভাবে মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত উপন্যাসের সংখ্যা মাত্র দুটি, যার একটি 'চিলেকোঠার সেপাই' এবং অন্যটি 'খোয়াবনামা'। - এই ধরনের ঐতিহাসিক উপন্যাস থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
19. বাকযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাকে কী বলে?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্ষর ১. কেন সঠিক: বাকযন্ত্রের (ফুসফুস, মুখবিবর, কণ্ঠ, জিহ্বা ইত্যাদি) একবারের প্রচেষ্টায় বা ন্যূনতম প্রয়াসে কোনো শব্দের যে অংশ উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বলে। এটি মূলত উচ্চারণের একক, যার ওপর ভিত্তি করে বাংলা বা অন্য ভাষার শব্দ গঠিত হয় এবং ছন্দের মাত্রা নির্ধারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের যে কমবেশি আয়াস হয়, তার ক্ষুদ্রতম একক হলো অক্ষর। একটি শব্দে এক বা একাধিক অক্ষর থাকতে পারে এবং অক্ষর প্রধানত দুই প্রকার যেমন মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত শব্দটি একবারে উচ্চারিত হয় এবং এটি একটি দল বা অক্ষর। ব্যাখ্যা: এখানে ভাৎ অংশটি এক প্রচেষ্টায় উচ্চারিত হওয়ায় এটি একটি বদ্ধ অক্ষর। উদাহরণ ২: বাবা শব্দটিতে দুটি অক্ষর আছে যথা বা এবং বা। ব্যাখ্যা: প্রতিটি অংশ একবারের উচ্চারিত প্রয়াসে সম্পন্ন হয় এবং এগুলো মুক্তাক্ষর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা বাকযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসের উচ্চারিত রূপ নয়। B) পদ — পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ, যা উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক বা অক্ষর নয়। D) বিভক্তি — বিভক্তি হলো শব্দের সঙ্গে যুক্ত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি, যা কারক বোঝাতে সাহায্য করে কিন্তু অক্ষরের সংজ্ঞা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম প্রয়াস হলো অক্ষর আর ধ্বনির লিখিত রূপ হলো বর্ণ। কথা বলার সময় মুখের যে ঝোঁক বা ধাক্কা একবার লাগে সেটাই অক্ষর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অক্ষর ও বর্ণের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। অক্ষর হলো উচ্চারণের একক এবং বর্ণ হলো লেখার একক।
21. জমিলা চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালসালু ১. কেন সঠিক: - জমিলা চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত লালসালু উপন্যাসের অন্যতম প্রধান ও প্রতিবাদী নারী চরিত্র। - এই উপন্যাসের মজিদের কট্টর ধর্মীয় শোষণের বিরুদ্ধে জমিলা প্রথম সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিবাদ জানায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার যিনি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত লালসালু উপন্যাসটি মূলত গ্রামীণ সমাজের অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার এবং ধর্মের অপব্যবহারের এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খালেক ব্যাপারী ব্যাখ্যা: এটিও লালসালু উপন্যাসের একটি গ্রামীণ মাতব্বর চরিত্র যা সমাজের ক্ষমতাশালী শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ ২: আমেনা ব্যাখ্যা: আমেনা চরিত্রটি লালসালু উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রী, যা তৎকালীন সমাজের নারীর অসহায়ত্বের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেখানে সুদীপ্ত ও তার পরিবারের সংগ্রামের চিত্র রয়েছে কিন্তু জমিলা চরিত্র নেই। B) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে কুবের ও কপিলা প্রধান চরিত্র এবং এর পটভূমি মাছ ধরার জেলে জীবন। D) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি উপন্যাস যেখানে কলকাতার নিচু তলার মানুষের দুঃখ-দারিদ্র্য এবং অন্নবস্ত্রের সমস্যা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: লালসালু উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম মজিদ এবং তার প্রতিবাদী দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম জমিলা যা মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লালসালু উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল এবং এটি লেখকের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
23. প্রাচীন যুগের প্রধান নিদর্শন-
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক লিখিত দলিল হিসেবে স্বীকৃত। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে এই মহামূল্যবান পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের অর্থাৎ ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দের একমাত্র ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক নিদর্শন। এর ভাষা সান্ধ্য ভাষা বা সন্ধা ভাষা নামে পরিচিত, যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপক্ষপাতী বুদ্ধ নাটকের গান ব্যাখ্যা: চর্যাপদের বিভিন্ন পদে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনপদ্ধতি ও জীবনের নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ডোম বিকচা ও কাহ্নপা রচিত পদসমূহ ব্যাখ্যা: চর্যাপদে চব্বিশজন বা ছাব্বিশজন পদকর্তার পদ রয়েছে যা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খনার বচন — খনার বচন কৃষি ও আবহাওয়া সংক্রান্ত প্রবচন হলেও এটি প্রাচীন যুগের প্রধান লিখিত সাহিত্যিক নিদর্শন বা কাব্যগ্রন্থ নয়। B) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপযুক্ত সাহিত্যিক প্রমাণ রয়েছে। C) বৈষ্ণবপদ — বৈষ্ণবপদ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান নিদর্শন, প্রাচীন যুগের নয়। D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের একটি নিদর্শন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের নিদর্শন মানেই চর্যাপদ এবং এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। পরীক্ষার হলে প্রাচীন যুগ দেখলেই চর্যাপদ এবং ১৯০৭ সাল মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশিত হয়। একই ধরনের সাহিত্যিক নিদর্শন থেকে পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
24. বাংলা উপসর্গ নয় কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্র ১. কেন সঠিক: - প্র একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন ভাগে বিভক্ত যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ ও বিদেশী উপসর্গ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি হারের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ ও অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: গতি ব্যাখ্যা: গ উপসর্গের একটি উদাহরণ যেখানে এটি বিশেষ অর্থ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অঘা — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা অঘাছাঁড় শব্দে ব্যবহৃত হয়। B) প্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তৎসম উপসর্গ, বাংলা উপসর্গ নয়। C) অজ — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা অজপাড়াগাঁ শব্দে ব্যবহৃত হয়। D) ইতি — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা ইতিকথা শব্দে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একুশটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি বিখ্যাত ছন্দ হলো অঘা অজ অনা পাতি সর্ সলাপ আ আব সু বি নি ইতি অক কু রাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা এবং তৎসম উপসргаের সংখ্যা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। তৎসম উপসর্গ বিশটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি।

মোট প্রশ্ন (25)

1. ___ gold is a precious metal.
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None of above কেন সঠিক: গোল্ড বা স্বর্ণ একটি ম্যাটেরিয়াল নাউন বা বস্তুবাচক বিশেষ্য। তাই এর আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি একটি অনির্দিষ্ট কাউন্টেবল নাউনের আগে বসে। গোল্ড আনকাউন্টেবল হওয়ায় এটি ভুল। B) an — এটি ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু কাউন্টেবল নাউনের আগে বসে। গোল্ডের আগে এটি বসে না। C) the — নির্দিষ্ট করে বোঝালে বসত, কিন্তু এখানে সাধারণ সত্য বোঝাতে আর্টিকেল প্রয়োজন নেই। D) None of above — শূন্যস্থান পূরণে কোনো আর্টিকেল দরকার নেই বলে এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বস্তুবাচক বা আনকাউন্টেবল নাউনের সাধারণ ব্যবহারের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না।
2. I ___ Rabindranath when I was 12 years old.
Created 2 weeks ago | Updated 3 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) read কেন সঠিক: - বাক্যে when I was ১২ years old দ্বারা অতীতের নির্দিষ্ট সময় নির্দেশ করায় মূল verb-এর Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়েছে। - read verb-এর Present, Past এবং Past Participle রূপ বানান এক হলেও উচ্চারণের পার্থক্যের কারণে এখানে এটি Past Form-এ আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have read — Present Perfect Tense হওয়ায় এটি অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে বসে না। B) have been reading — Present Perfect Continuous Tense হওয়ায় এটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানে চলা কাজ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) had been read — এটি Past Perfect Tense-এর Passive Form, যা এই বাক্যের Active কাঠামোর সঙ্গে সংগত নয়। D) read — এটি Past Indefinite Tense-এর সঠিক রূপ হওয়ায় এটিই এই প্রশ্নের উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাক্যে when বা at that time এর সাথে অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ থাকলে verb-এর Past Form বা Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হবে।
3. She won't dance in the party, ___ ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) will she কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের মূল অংশটি 'won't' বা 'will not' থাকার কারণে নেতিবাচক বা negative অর্থে রয়েছে। তাই এর ট্যাগ কোশ্চেনটি সবসময় ইতিবাচক বা affirmative হবে। মূল বাক্যের সাহায্যকারী ভারب বা auxiliary verb হলো 'will'। তাই সঠিক ট্যাগ কোশ্চেন হিসেবে 'will she' ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will she — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটির সঠিক ট্যাগ গঠন করেছে। B) wouldn't she — বাক্যটি নেতিবাচক হওয়ায় ট্যাগটি নেতিবাচক হতে পারে না এবং টেন্সের মিল নেই। C) would she — মূল বাক্যে 'will' থাকলেও এখানে 'would' ব্যবহার করায় টেন্সের সঠিক মিল হয়নি। D) will not she — ট্যাগ কোশ্চেনে কখনো পরপর দুইবার 'not' বা নেতিবাচক শব্দ ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্যটি নেতিবাচক হলে ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় ইতিবাচক হবে এবং মূল ভার্ব অনুযায়ী auxiliary verb বসাতে হবে।
4. The verb form of the word 'friend' is-
Created 2 weeks ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Befriend কেন সঠিক: - 'Friend' নাউনটির আগে 'Be-' উপসর্গ যুক্ত করে এটিকে ভার্বে রূপান্তর করা হয়েছে। - 'Befriend' শব্দের অর্থ বন্ধুসুলভ আচরণ করা বা কারো বন্ধু হওয়া, যা একটি সঠিক ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Befriend — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'friend' শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ। B) Enfriend — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি শব্দ বা সঠিক ভার্ব রূপ নয়। C) Friendship — এটি একটি নাউন, যার অর্থ বন্ধুত্ব; এটি ভার্ব নয়। D) Friendly — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন; এটি ভার্ব নয়। মনে রাখার টিপস: noun বা adjective-এর আগে 'be' যোগ করে অনেক সময় verb তৈরি করা হয়, যেমন friend থেকে befriend।
5. We protested ___ his tyranny.
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) against কেন সঠিক: প্রতিবাদ করা বা কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করা বোঝাতে protest শব্দের পর against preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে তার স্বেচ্ছাচারিতা বা tyranny এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — on preposition সাধারণত কোনো কিছুর উপরে বা স্পর্শ করে আছে এমন অবস্থা বোঝাতে বসে। B) over — over preposition সাধারণত কোনো কিছুর উপরে ঝুলন্ত বা অধিক Is বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) against — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয় বরং এটিই এখানে প্রযোজ্য। D) at — at preposition সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা ছোট সময় বোঝাতে বসে। মনে রাখার টিপস: কোথাও অন্যায় বা কোনো কিছুর প্রতিবাদ করা বোঝালে protest এর পরে সব সময় against preposition বসবে।
6. Which of the following is masculine gender?
Created 2 weeks ago | Updated 53 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) buck কেন সঠিক: buck শব্দের অর্থ হলো পুরুষ হরিণ বা ছাগল, যা সরাসরি পুরুষবাচক বা মাসকুলিন জেন্ডার নির্দেশ করে। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি প্রাণী জগতের পুরুষবাচক শব্দের একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) buck — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ। B) doe — এটি স্ত্রী হরিণ বোঝায়, তাই এটি ফেমিনিন জেন্ডার। C) mare — এটি স্ত্রী ঘোড়া বোঝায়, তাই এটি ফেমিনিন জেন্ডার। D) ewe — এটি ভেড়া বোঝায়, তাই এটি ফেমিনিন জেন্ডার। মনে রাখার টিপস: হরিণের ক্ষেত্রে পুরুষকে buck এবং স্ত্রীকে doe বলা হয়, যা জেন্ডার নির্ণয়ে মনে রাখতে হবে।
7. They succeeded by ___?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) working hard কেন সঠিক: preposition 'by' এর পরে verb আসলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়। এখানে 'hard' শব্দটি adverb হিসেবে কাজ করে সফলতা অর্জনের কঠোর পরিশ্রমকে বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) work hardly — preposition এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত করা হয়নি এবং hardly এর অর্থ নেতিবাচক। B) working hardly — 'hardly' এর অর্থ কদাचित বা প্রায় না, যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল। C) hardly work — preposition এর সঠিক নিয়ম মানা হয়নি এবং hardly শব্দের ব্যবহার এখানে অর্থহীন। D) working hard — এটিই সঠিক কারণ এখানে সঠিক নিয়ম ও অর্থ দুটোই মিলে গেছে। মনে রাখার টিপস: Preposition এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing বসে এবং কঠোর পরিশ্রম বোঝাতে hard ব্যবহার করতে হয়, hardly নয়।
8. Both Rahim and Habib ___ fit for the job.
Created 2 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) are কেন সঠিক: বাক্যে 'Both Rahim and Habib' সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। and দিয়ে দুটি ভিন্ন ব্যক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি বহুবচন হয়েছে। তাই এখানে সবসময় বহুবচন ভারบ বা are বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি একবচন ভারব হওয়ায় বহুবচন সাবজেক্টের সাথে বসে না। B) was — এটি অতীতকালের একবচন ভারব হওয়ায় বর্তমানের বহুবচন সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) has been — এটি তৃতীয় পুরুষ একবচন সাবজেক্টের সাথে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) are — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: and দিয়ে দুটি আলাদা সাবজেক্ট যুক্ত হলে ভারব সবসময় বহুবচন হয়।
9. Which one is in plural number?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) formulae কেন সঠিক: formulae শব্দটির শেষ অক্ষর a আছে যা বহুবচন বোঝায়। এর একবচন রূপ হলো formula এবং এটি ল্যাটিন থেকে আসা একটি শব্দ। এটি গণিত বা বিজ্ঞানে বিভিন্ন নিয়ম বোঝাতে বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত -um বা -is দিয়ে শেষ হওয়া শব্দের বহুবচন -a হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) datum — এই শব্দটির শেষে -um আছে যা একটি একবচন শব্দ নির্দেশ করে। এর বহুবচন রূপ হলো data। B) goose — এই শব্দটির বানান দেখে বোঝা যায় এটি একটি পাখির একবচন রূপ। এর বহুবচন হলো geese। C) basis — এই শব্দটির শেষে -is আছে যা একটি একবচন বিশেষ্য পদ। এর বহুবচন রূপ হলো bases। D) formulae — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি বহুবচন শব্দ। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন এবং গ্রিক থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে a থাকে সেগুলো সাধারণত বহুবচন হয়।
10. Find out the correct sentence-
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ruma, you and I are guilty কেন সঠিক: সাধারণ বা দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সাজানোর নিয়ম হলো প্রথমে থার্ড পারসন, তারপর সেকেন্ড পারসন এবং শেষে ফার্স্ট পারসন বসবে। একাধিক প্রোনাউন বা নাউন একসাথে থাকলে ভার্বটি সবসময় প্লুরাল বা বহুবচন হয়, তাই এখানে are ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I, you and Ruma are guilty — এখানে পারসন সাজানোর নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং ফার্স্ট পারসনকে প্রথমে রাখা হয়েছে। B) Ruma, you and I are guilty — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) Ruma, I and you are guilty — এখানে সেকেন্ড পারসনকে সবার শেষে রাখা হয়েছে যা ইংরেজি গ্রামারের নিয়মের বিরুদ্ধে। D) I, you and Ruma is guilty — এখানে পারসন সাজানোর ভুল ছাড়াও সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়া সত্ত্বেও singular verb is ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে ৩, ২, ১ অর্থাৎ থার্ড পারসন, সেকেন্ড পারসন এবং ফার্স্ট পারসন এই ক্রমানুসারে সাবജect সাজাতে হয়।
11. They all have been friends ___ their first tournament as a team.
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) since কেন সঠিক: - বাক্যে হ্যাভ বিন (have been) থাকায় এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স নির্দেশ করছে। - অতীতকালের কোনো নির্দিষ্ট সময় থেকে কাজ শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চললে তার আগে সিন্স (since) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) since — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় (their first tournament) বোঝানো হয়েছে। B) for — এটি ভুল কারণ ফোর (for) সাধারণত সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, নির্দিষ্ট পয়েন্ট বোঝাতে নয়। C) from — এটি ভুল কারণ ফ্রম (from) সাধারণত ফিউচার বা পাস্ট টেন্সে নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে বসে, তবে পারফেক্ট টেন্সে পয়েন্ট বোঝাতে সিন্স ব্যবহার করা হয়। D) during — এটি ভুল কারণ ডিউরিং (during) কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা বা সময়ের মধ্যে কোনোকিছু ঘটা বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা শুরুর বিন্দু (Point of time) বোঝালে সিন্স (since) এবং সময়ের স্থায়িত্ব বা ব্যাপ্তি (Period of time) বোঝালে ফর (for) বসে।
12. Which one is a modal verb?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Might কেন সঠিক: Might একটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব যা প্রধান ভার্বের পূর্বে বসে সম্ভাবনা প্রকাশ করে। এটি বাক্যে tense বা subject এর পরিবর্তনের সাথে নিজের রূপ পরিবর্তন করে না। এটি একা স্বাধীনভাবে প্রধান ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Want — এটি একটি সাধারণ মূল ভার্ব বা lexical verb যার অর্থ চাওয়া। B) Wish — এটি একটি সাধারণ মূল ভার্ব যা ইচ্ছা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। C) Pray — এটি একটি সাধারণ মূল ভার্ব যা প্রার্থনা করা বোঝায়। D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: can, could, may, might, shall, should, will, would এবং must হলো প্রধান মডাল ভার্ব।
13. This is the book I lost. Here 'I lost' is-
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an adjective clause কেন সঠিক: এখানে 'I lost' অংশটি আগের noun 'book' কে modify করছে বা দোষ গুণ প্রকাশ করছে। এটি একটি subordinate clause যা adjective এর মতো কাজ করায় একে adjective clause বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun clause — এটি বাক্যে noun এর কাজ করছে না কারণ এখানে একটি নির্দিষ্ট noun এর পরে বসে তার দোষ গুণ প্রকাশ করছে। B) an adverbial clause — এটি সময়, স্থান বা কারণ বোঝাচ্ছে না বরং সরাসরি আগের noun কে নির্দেশ করছে। C) an adjective clause — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। D) a co-ordinate clause — এটি কোনো স্বাধীন clause নয় যা and বা but দিয়ে যুক্ত হয়েছে, এটি একটি নির্ভরশীল clause। মনে রাখার টিপস: noun এর ঠিক পরেই বসে যদি সেই noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়, তবে সেটি সাধারণত adjective clause হয়।
14. 'চোরে চোরে মাসতুতো ভাই' The correct English translation of the sentence is-
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Birds of the same feather, flock together. কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বাক্য যার সঠিক অর্থ হলো স্বভাবের মিল আছে এমন মানুষেরা একসাথে থাকে। বাংলা প্রবাদ চোরে চোরে মাসতুতো ভাই এর ইংরেজি রূপ হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Two thieves are cousins — এটি প্রবাদের আক্ষরিক অনুবাদ যা ব্যাকরণগতভাবে ঠিক হলেও ইংরেজি প্রবাদের মূল ভাব প্রকাশ করে না। B) Birds of the same group fly together — এখানে সঠিক শব্দ feather এর বদলে group ব্যবহার করায় এটি ভুল প্রবাদে পরিণত হয়েছে। C) Birds of the same feather, flock together — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) Thieves will fly together — এটি কোনো প্রচলিত প্রবাদ নয় এবং এর অর্থও মূল প্রবাদের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: একই রকম স্বভাবের মানুষদের বোঝাতে ইংরেজি প্রবাদে feather এবং flock শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।
15. What is the correct passive form of "Who ate the banana?"
Created 2 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom was the banana eaten? কেন সঠিক: - Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় বাক্যের শুরুতে By whom বসে এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb বসে। - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় Passive করার সময় By whom-এর পরে Was এবং মূল Verb-এর Past Participle বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom was the banana eaten? — এটি সঠিক উত্তর। B) By whom has the banana been eaten? — প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর, তাই Present Perfect Tense-এর সাহায্যকারী verb Has ব্যবহার করা ভুল। C) By whom the banana has been eaten? — এখানে সাহায্যকারী verb বাক্যের সাবজেক্টের আগে বসেনি এবং Tense ভুল আছে। D) By whom the banana was eaten? — প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির নিয়ম অনুযায়ী Subject-এর আগে সাহায্যকারী Verb Was বসেনি। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom এবং Tense অনুযায়ী Was বা Were বসিয়ে বাকি অংশ নিয়মমাফিক পরিবর্তন করতে হয়।
16. When ___?
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) did they arrive কেন সঠিক: বাক্যটির শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকায় এটি একটি প্রশ্ন এবং শূন্যস্থানের আগে কোনো Wh-শব্দ নেই। তাই সাহায্যকারী verb হিসেবে did ব্যবহার করতে হবে এবং মূল verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) they had arrived — এটি assertive বা বর্ণনামূলক বাক্যের গঠন এবং এখানে had-এর সাথে past participle ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রশ্নবোধক বাক্যের জন্য সঠিক নয়। B) did they arrived — did-এর পরে verb-এর পাস্ট ফর্ম বা ed যুক্ত রূপ বসতে পারে না, সর্বদা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। D) they arrived — এটি সাধারণ assertive বাক্য হওয়ায় এর শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকার নিয়মটি লঙ্ঘন করে এবং কোনো সাহায্যকারী verb নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রশ্নবোধক বাক্যে did ব্যবহার করলে মূল verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হয়।
17. He used to prevent me ___ doing my duty.
Created 2 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) from কেন সঠিক: Prevent শব্দের পরে সাধারণত from preposition ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো কাজ করা থেকে বিরত রাখাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) against — Prevent শব্দের পরে against বসে না। B) at — এই বাক্যে at preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) with — এই বাক্যে with preposition ব্যবহারের নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: Prevent-এর পরে সবসময় from বসে এবং এরপরে verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
18. Pronoun that identify or points at nouns are ___ pronoun.
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) demonstrative কেন সঠিক: demonstrative pronoun মূলত কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ বা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি ব্যাকরণে this, that, these এবং those হলো demonstrative pronoun এর প্রধান উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) emphatic — এটি কোনো বিশেষ noun এর ওপর জোর বা গুরুত্ব আরোপ করতে ব্যবহৃত হয়। B) interrogative — এটি মূলত কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার কাজে ব্যবহার করা হয়। C) demonstrative — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) relative — এটি দুটি বাক্যকে যুক্ত করতে এবং আগের noun কে নির্দেশ করতে বসে। মনে রাখার টিপস: Demonstrate শব্দের অর্থ প্রদর্শন করা, তাই যে pronoun কোনো কিছু আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় সেটাই demonstrative pronoun।
19. 'People are better educated now'. What is 'better' in the sentence?
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adverb কেন সঠিক: এখানে better শব্দটি educated (Adjective) কে মডিফাই করছে। Adjective কে বিশেষিত করায় এটি Adverb হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — better শব্দটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা নাম বোঝাচ্ছে না তাই এটি Noun হতে পারে না। B) Adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun এর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না তাই এটি Adjective নয়। C) Adverb — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Verb — better শব্দটির দ্বারা কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝাচ্ছে না তাই এটি Verb নয়। মনে রাখার টিপস: Adjective এর আগে বসে যখন কোনো শব্দ তার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, তখন সেটি Adverb হয়।
20. My father along with my brother ___ coming to meet me.
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: বাক্যের মূল সাবজেক্ট হলো My father, যা singular. along with দ্বারা যুক্ত হলে পরের noun বা pronoun অনুযায়ী verb বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক কারণ সাবজেক্ট singular হওয়ায় singular verb বসেছে। B) are — এটি ভুল কারণ are হলো plural verb, যা singular সাবজেক্টের সাথে বসে না। C) has — এটি ভুল কারণ coming শব্দটির সাথে has বসালে বাক্যের অর্থ ও গঠন ঠিক থাকে না। D) have — এটি ভুল কারণ have হলো plural verb এবং এটি present continuous tense-এর নিয়ম মানে না। মনে রাখার টিপস: along with এর আগের noun অনুযায়ী verb বসে।
21. Lots of people are allergic ___ prawn.
Created 2 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: ইংরেজি গ্রামার অনুযায়ী allergic শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় to বসে। কোনো জিনিসের প্রতি শারীরিক অস্বস্তি বা এলার্জি বোঝাতে allergic to ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — allergic শব্দের পরে কখনো of বসে না তাই এটি ভুল। B) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। C) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে from বসে যা এলার্জির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) with — সাধারণত কোনো সঙ্গী বা উপকরণ বোঝাতে with বসে। মনে রাখার টিপস: allergic শব্দের সাথে সবসময় to যুক্ত হয় এটি মুখস্ত রাখবে।
22. Synonym of the word 'scrupulous'
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Careful কেন সঠিক: - Scrupulous শব্দের অর্থ অত্যন্ত সতর্ক, খুঁতখুঁতে এবং সৎ বা নীতিবান। - Careful শব্দের অর্থও সতর্ক বা যত্নবান, যা scrupulous শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mean — এর অর্থ কুৎসিত, কৃপণ বা অর্থহীন, যা scrupulous শব্দের সমার্থক নয়। B) Wicked — এর অর্থ দুষ্ট, পাপিষ্ঠ বা বদমাশ, যা সততা ও সতর্কতার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Careful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Corrupt — এর অর্থ দুর্নীতিগ্রস্ত বা অসৎ, যা scrupulous বা নীতিবান শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Scrupulous শব্দটিতে Screw শব্দের মতো উচ্চারণ আছে। স্ক্রু যেমন খুব সাবধানে টাইট দিতে হয়, তেমনি scrupulous ব্যক্তিরাও খুব সাবধানে ও সততার সাথে কাজ করেন।
23. The store remains open ___ eight to eight.
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) from কেন সঠিক: ইংরেজিতে সময় বা সীমার শুরু বোঝাতে from preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে আটটা থেকে আটটা পর্যন্ত খোলা থাকে বোঝাতে from বসেছে। সাধারণত from এর সাথে to যুক্ত হয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্দেশ করে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে from সঠিক বিকল্প হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — নির্দিষ্ট কোনো মুহূর্ত বা সময় বোঝাতে at বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) between — সাধারণত দুটি নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে বোঝাতে between বসে, কিন্তু এখানে দুটি to ব্যবহার থাকায় from বসে। C) from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। D) during — কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা কালব্যাপী বোঝাতে during বসে, যা এই বাক্যের গঠনে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে from থাকলে সাধারণত তার সাথে to বা till থাকে, যা নির্দিষ্ট সময়সীমা মনে রাখতে সাহায্য করে।
24. Do you know ___?
Created 2 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Who I am কেন সঠিক: জটিল বাক্যের ক্ষেত্রে সাবordinate clause-এ প্রথমে wh-word এবং পরে subject এবং verb বসে। মূল বাক্যের verb 'Do you know' present tense হওয়ায় শেষের অংশে 'Who I am' সঠিক গঠন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who am I — interrogative structure হওয়ায় এটি বাক্যের মাঝে ব্যবহার করা যায় না। B) Who I am — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Who was I — বাক্যের অর্থ এবং tense উভয় দিক থেকেই এটি বর্তমান কালের সাথে মিলছে না। D) Who is I — 'I' pronoun-এর সাথে 'is' verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের মাঝে প্রশ্নবোধক শব্দ থাকলে তার পরে সাবজেক্ট এবং তারপর ভার্ব বসে।
25. Be careful, don't ___ your keys.
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) lose কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে don't আছে যা do not-এর সংক্ষিপ্ত রূপ এবং এর পরে সবসময় verb-এর বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। এখানে lose হলো একটি verb যার অর্থ হারানো এবং বাক্যটির অর্থ হলো সাবধানে থেকো, তোমার চাবিগুলো হারিয়ে ফেলো না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lose — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি verb যা এখানে প্রয়োজন। B) loose — এটি একটি adjective যার অর্থ ঢিলা বা আলগা, তাই এখানে বসা grammatically ভুল। C) loss — এটি একটি noun যার অর্থ ক্ষতি, তাই auxiliary verb-এর পর সরাসরি বসতে পারে না। D) lost — এটি verb-এর past বা past participle ফর্ম, তাই don't-এর পর এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: lose বানানটিতে একটি o আছে যা verb এবং এর অর্থ হারানো, আর loose বানানটিতে দুটি o আছে যা adjective এবং এর অর্থ ঢিলা।

মোট প্রশ্ন (18)

1. 2 + 4 + 8 + 16 ......... ধারাটির সপ্তম (৭ম) পদ কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২৮ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো দুই যোগ চার যোগ আট যোগ ষোলো এভাবে চলতে থাকে ধরি, এটি একটি গুণোত্তর ধারা যার প্রথম পদ এ সমান দুই অতএব, ধারাটির সাধারণ অনুপাত আর সমান চার ভাগ দুই সমান দুই আমরা জানি গুণোত্তর ধারার এন তম পদের সূত্র হলো প্রথম পদ গুণ আর এর পাওয়ার এন বিয়োগ এক সুতরাং, সপ্তম পদটি হবে দুই গুণ দুই এর পাওয়ার সাত বিয়োগ এক উত্তর: ১২৮
2. log_√3 (81) এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং যার লগারিদম নির্ণয় করতে হবে তা হলো ৮১ ধরি, লগ এর মানটি হলো x তাহলে লেখা যায় √৩ এর পাওয়ার x সমান ৮১ অতএব, √৩ কে লেখা যায় ৩ এর পাওয়ার ১ ভাগ ২ তাহলে ৩ এর পাওয়ার x ভাগ ২ সমান ৮১ সুতরাং, ৮১ হলো ৩ এর পাওয়ার ৪ তাই x ভাগ ২ সমান ৪ উত্তর: x সমান ৮ গুণ ৪ ভাগ ২ অর্থাৎ ৮
3. একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ ১৪ সেন্টিমিটার হলে এর ক্ষেত্রফল কত?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৯ বর্গ সেমি প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৪ সেন্টিমিটার ধরি, ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য প্রতিটির মান = ক সেন্টিমিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে পাই, ক এর বর্গ + ক এর বর্গ = অতিভুজের বর্গ বা, ২ × (ক এর বর্গ) = ১৪ এর বর্গ বা, ২ × (ক এর বর্গ) = ১৯৬ সুতরাং, ক এর বর্গ = ১৯৬ ÷ ২ ক এর বর্গ = ৯৮ উত্তর: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ক এর বর্গ = (১ ÷ ২) × ৯৮ = ৪৯ বর্গ সেমি
4. দুইটি সম্পূরক কোণের সমষ্টি কত?
Created 2 weeks ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: দুটি কোণ পরস্পর সম্পূরক ধরি, প্রথম কোণটি ক ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণটি খ ডিগ্রি অতএব, সম্পূরক কোণদ্বয়ের সংজ্ঞা অনুযায়ী তাদের যোগফল নির্দিষ্ট থাকে সুতরাং, ক + খ = ১৮০° উত্তর: ১৮০°
5. কোন সংখ্যার দ্বিগুন এর সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটির চেয়ে ৭ বেশী হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দ্বিগুন এর সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটির চেয়ে ৭ বেশী হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, প্রশ্নমতে, সংখ্যাটির দ্বিগুন হলো ২ক এবং সংখ্যাটির সাথে ৩ যোগ করলে হয় ২ক + ৩ সুতরাং, সমীকরণটি হলো, ২ক + ৩ = ক + ৭ সমাধান করে পাই, ক = ৭ − ৩ অর্থাৎ, ক = ৪ উত্তর: ৮
6. এক ঝুড়ি আম ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৪৫ টাকা বেশী হলে ৫% লাভ হতো। এক ঝুড়ি আমের দাম কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ ১০% দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লাভের পরিমাণ ৫% বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ৪৫ টাকা ধরি, আমের ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৫ − ৯০ = ১৫ টাকা পার্থক্য ১৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা পার্থক্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ ÷ ১৫ টাকা সুতরাং, পার্থক্য ৪৫ টাকা হলে আমের দাম = ১০০ × ৪৫ ÷ ১৫ = ৩০০ টাকা উত্তর: ৩০০ টাকা
7. নিচের কোনটি সবচেয়ে ছোট?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২/১৩ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ২/১১, ৩/১১, ২/১৩ এবং ৮/১৫ ধরি, প্রথম দুটি ভগ্নাংশের লব সমান কিন্তু হর ভিন্ন শেষ দুটি ভগ্নাংশের তুলনার জন্য হর আলাদা অতএব, ২/১১ এবং ২/১৩ এর মধ্যে ২/১৩ ছোট কারণ এর হর বড় ৩/১১ এবং ৮/১৫ এর মান যথাক্রমে প্রায় ০.২৭ এবং ০.৫৩ সুতরাং, সবগুলোর মান তুলনা করে দেখা যায় সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি হলো দুই তেরোমাংশ উত্তর: C) ২/১৩
8. ক : খ = ২ : ৩ এবং খ : গ = ৪ : ৫ হলে ক : খ : গ = ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ঃ১২ঃ১৫ প্রদত্ত তথ্য: ক অনুপাত খ = ২ অনুপাত ৩ খ অনুপাত গ = ৪ অনুপাত ৫ ধরি, প্রথম অনুপাতকে ৪ দিয়ে গুণ করি দ্বিতীয় অনুপাতকে ৩ দিয়ে গুণ করি অতএব, ক অনুপাত খ = (২ × ৪) অনুপাত (৩ × ৪) = ৮ অনুপাত ১২ খ অনুপাত গ = (৪ × ৩) অনুপাত (৫ × ৩) = ১২ অনুপাত ১৫ সুতরাং, ক অনুপাত খ অনুপাত গ = ৮ অনুপাত ১২ অনুপাত ১৫ উত্তর: A) ৮ঃ১২ঃ১৫
9. ১০% হার মুনাফাতে ২,০০০ টাকার ৯ মাসের মুনাফা কত?
Created 2 weeks ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল = ২০০০ টাকা মুনাফার হার = ১০% সময় = ৯ মাস ধরি, সময় বছর = ৯ ÷ ১২ বছর আসল = ২০০০ টাকা অতএব, মুনাফা = আসল × সময় × হার মুনাফা = ২০০০ × (৯ ÷ ১২) × (১০ ÷ ১০০) সুতরাং, মুনাফা = ২০০০ × (৩ ÷ ৪) × (১ ÷ ১০) মুনাফা = ১৫০ টাকা উত্তর: ১৫০ টাকা
10. 3cm, 4.5cm এবং 5.5cm বাহুবিশিষ্ট ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৭৫ cm² প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহু তিনটি ৩ cm, ৪.৫ cm এবং ৫.৫ cm ধরি, বাহুগুলো a = ৩, b = ৪.৫ এবং c = ৫.৫ অর্ধপরিসীমা s = (৩ + ৪.৫ + ৫.৫) ÷ ২ অতএব, s = ১৩ ÷ ২ = ৬.৫ s − a = ৬.৫ − ৩ = ৩.৫ s − b = ৬.৫ − ৪.৫ = ২ সুতরাং, s − c = ৬.৫ − ৫.৫ = ১ ক্ষেত্রফল = √(৬.৫ × ৩.৫ × ২ × ১) = √৪৫.৫০ = ৬.৭৪৫ উত্তর: ৬.৭৫ cm²
11. x + y = 6 এবং xy = 8 হলে, (x - y)² এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল x + y = ৬ দুটি রাশির গুণফল xy = ৮ ধরি, আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে (x − y)² এর অতএব, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই, (x − y)² = (x + y)² − ৪xy সুতরাং, মানের পরিবর্তে সংখ্যা বসিয়ে পাই, (৬)² − (৪ × ৮) উত্তর: ৩৬ − ৩২ = ৪
12. ΔABC একটি বৃত্তস্থ ত্রিভুজ, যার AB বাহুকে E পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ∠CBE = 80° হলে ∠ABC = ?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC একটি বৃত্তস্থ ত্রিভুজ AB বাহুকে E পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে এবং বহিঃস্থ কোণ CBE = ৮০° ধরি, কোণ ABC এবং কোণ CBE একটি সরলরেখার উপর অবস্থিত সংলগ্ন কোণ অতএব, কোণ ABC + কোণ CBE = ১৮০° (সরলকোণ) সুতরাং, কোণ ABC + ৮০° = ১৮০° কোণ ABC = ১৮০° − ৮০° উত্তর: ১০০°
13. যদি a + b = √3 এবং a - b = √2 হয়, তবে ab এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১/৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = √৩ a - b = √২ ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে হবে অতএব, আমরা জানি, ab এর সূত্র হলো (প্লাস ব্র্যাকেট ভাগ দুই) এর হোল স্কয়ার বিয়োগ (মাইনাস ব্র্যাকেট ভাগ দুই) এর হোল স্কয়ার সুতরাং, ab = ((a + b) ÷ ২) স্কয়ার − ((a - b) ÷ ২) স্কয়ার উত্তর: ১/৪
14. 3^((x+1)/2) = √3^(2x - 1) হলে x এর মান কত?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩ এর পাওয়ার (এক্স + ১) ভাগ ২ সমান রুট ৩ এর পাওয়ার (২এক্স − ১) ধরি, রুট ওভার চিহ্নের মান হলো পাওয়ার বা ঘাত হিসেবে এক ভাগ দুই অতএব, বামপক্ষের ভিত্তি এবং ডানপক্ষের ভিত্তি একই হওয়ায় উভয় পক্ষের ভিত্তি বাদ দেওয়া যায় সমীকরণের দুইপাশে সূচকের মানগুলো সমান লেখা যায় সুতরাং, পাওয়ার দুটি সমান করে লেখা যায় (এক্স + ১) ভাগ ২ সমান (২এক্স − ১) ভাগ ২ উত্তর: ২
15. সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ প্রদত্ত তথ্য: মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা হলো যে সংখ্যা ১ এবং শুধু সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য। সবচেয়ে ছোট ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যাগুলোর তালিকা হলো ০, ১, ২, ৩। ধরি, সংখ্যাটি মৌলিক হওয়ার জন্য তার ঠিক দুটি ভিন্ন উৎপাদক থাকতে হবে। ১ এর উৎপাদক কেবল একটি, তাই এটি মৌলিক নয়। অতএব, ০ এবং ১ কোনোটিই মৌলিক সংখ্যা নয়। ২ সংখ্যাটির উৎপাদক হলো ১ এবং ২। সুতরাং, ২ এর মাত্র দুটি উৎপাদক থাকায় এটি সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা। উত্তর: ২
16. BOOK শব্দের বর্ণগুলোকে মোট কতভাবে বিন্যস্ত করা যায়?
Created 2 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: BOOK শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে ৪টি এখানে O বর্ণটি আছে ২টি ধরি, মোট বর্ণের সংখ্যা = ৪ একই বর্ণের সংখ্যা = ২ অতএব, বিন্যাসের সূত্র হবে মোট বর্ণের ফ্যাক্টরিয়ালকে একই বর্ণের ফ্যাক্টরিয়াল দ্বারা ভাগ এখানে ৪ এর ফ্যাক্টরিয়াল = ১ × ২ × ৩ × ৪ = ২৪ সুতরাং, মোট বিন্যাস সংখ্যা = ২৪ ÷ ২ = ১২ উত্তর: ১২
17. কোন সংখ্যার 2/5 অংশের সাথে 20 যোগ করলে সংখ্যাটির 2/3 অংশের সমান হয়। সংখ্যাটি কত?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দুই-পঞ্চমাংশের সাথে কুড়ি যোগ করলে তা সংখ্যাটির দুই-তৃতীয়াংশের সমান হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, শর্তানুযায়ী লেখা যায় (২×ক)÷৫ + ২০ = (২×ক)÷৩ সুতরাং, সমীকরণ সমাধান করে পাই (২×ক)÷৩ − (২×ক)÷৫ = ২০ উত্তর: ৭৫
18. x² - 8x - 8y + 16 + y² এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ হবে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 2xy প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x^2 − 8x − 8y + 16 + y^2 ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যাক x^2 − 8x + 16 + y^2 − 8y অতএব, প্রথম অংশটি একটি পূর্ণবর্গ (x − 4)^2 গঠন করে দ্বিতীয় অংশটি y^2 − 8y আকারে থাকে সুতরাং, পূর্ণবর্গ করতে হলে মাঝের পদের সাথে 2xy যোগ করতে হবে উত্তর: 2xy

মোট প্রশ্ন (15)

1. রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ কত সালে শুরু হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০২২ কেন সঠিক: - রাশিয়া ইউক্রেনের ওপর সামরিক আক্রমণ শুরু করে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি। - আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সমসাময়িক সাধারণ জ্ঞানের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২১ — এই বছর রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে উত্তেজনা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ সামরিক আক্রমণ শুরু হয়নি। B) ২০২২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। C) ২০২৩ — এই বছর যুদ্ধ চললেও যুদ্ধ শুরু হওয়ার বছর এটি নয়। D) ২০২৪ — এই বছর যুদ্ধ চলমান থাকলেও যুদ্ধ শুরুর সাল এটি নয়। মনে রাখার টিপস: কোভিড মহামারি কাটিয়ে ওঠার ঠিক পরের বছর, অর্থাৎ ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে।
2. কোন দেশ থেকে আরব বসন্তের শুরু হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টিউনিশিয়া কেন সঠিক: - ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে টিউনিশিয়ার এক তরিতরকারি বিক্রেতা মোহামেদ বুয়াজিজি আত্মাহুতি দিলে দেশটিতে তীব্র গণআন্দোলন শুরু হয়। - এই আন্দোলনের ফলে দীর্ঘদিনের শাসক জয়নুল আবেদীন বেন আলী ক্ষমতাচ্যুত হন এবং এই ধারা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে যা আরব বসন্ত নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং আরব বসন্তের সূচনাস্থল নয়, যদিও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্দোলনে দেশটির গণমাধ্যম ভূমিকা রেখেছিল। B) মিশর — এটি আরব বসন্তের অন্যতম প্রধান ভুক্তভোগী দেশ হলেও আন্দোলন এখানে শুরু হয়নি, বরং টিউনিশিয়ার পর হোসনি মোবারকের বিরুদ্ধে এখানে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল। C) সৌদি আরব — এটি আরব বসন্তের প্রভাবে সরাসরি বড় ধরনের সরকার পরিবর্তনের শিকার হয়নি এবং এখান থেকে এই আন্দোলনের সূচনাও হয়নি। D) টিউনিশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই প্রথম আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটেছিল এবং শাসক পতন ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: আরব বসন্ত মানে টিউনিশিয়ার বসন্ত, কারণ ফুল বা বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল এই দেশটি থেকেই।
3. Blue Economy কিসের সাথে সম্পর্কিত?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্রসম্পদ কেন সঠিক: - ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি মূলত সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, সম্পদ আহরণ এবং টেকসই উন্নয়নকে বোঝায়। - এটি সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর জোর দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খনিবিদ্যা — এটি মূলত ভূগর্ভস্থ খনিজ সম্পদ উত্তোলন সম্পর্কিত হলেও ব্লু ইকোনমির মূল ভিত্তি সমুদ্রসম্পদ। B) অর্থনীতি — এটি একটি সামগ্রিক বৃহত্তর ক্ষেত্র, তবে নির্দিষ্ট করে কেবল সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক খাতকে ব্লু ইকোনমি বলে। C) সমুদ্রসম্পদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্লু ইকোনমি সরাসরি সমুদ্রের সম্পদ এবং তার টেকসই ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত। D) শেয়ার বাজার — এটি পুঁজিবাজার ও আর্থিক বিনিয়োগের সাথে সম্পর্কিত, যার সাথে সমুদ্র বা ব্লু ইকোনমির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ব্লু ইকোনমির 'ব্লু' বা নীল রঙটি মূলত সমুদ্রের নীল জলরাশি এবং এর ভেতরের মূল্যবান সম্পদকে নির্দেশ করে।
4. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্য হেগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার মতো গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করে থাকে। - এই আদালতের প্রধান কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও রেড ক্রসের প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের নয়। B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত, কিন্তু আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদর দপ্তর এখানে নয়। D) দ্য হেগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আনুষ্ঠানিক সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের এই শহরেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকাজ ও বিচারালয় সংক্রান্ত বেশিরভাগ প্রধান কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরেই অবস্থিত।
5. এশিয়া মহাদেশের মধ্যে ধনী দেশ কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাতার কেন সঠিক: - মাথাপিছু জিডিপি বা ক্রয়ক্ষমতার সমতার (PPP) ভিত্তিতে কাতার বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ এবং এশিয়া মহাদেশেও এর অবস্থান শীর্ষে। - দেশটির বিশাল প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামের ভাণ্ডার এর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন মোট জিডিপির দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতি হলেও মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে কাতারের মতো ধনী দেশ নয়। B) ভারত — ভারত একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক দেশ হলেও বিশাল জনসংখ্যার কারণে মাথাপিছু আয়ে কাতারের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। C) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি এশিয়ার সবচেয়ে ধনী দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। D) মালয়েশিয়া — এটি একটি মধ্যম আয়ের উন্নত উন্নয়নশীল দেশ, যা কাতারের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বা মাথাপিছু আয়ের কাছাকাছি নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার ধনী দেশ মনে রাখতে গ্যাসের জন্য বিখ্যাত মধ্যপ্রাচ্যের ছোট দেশ কাতার কথাটি মনে রাখতে পারো।
7. টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য (SDG) এর এক নম্বর লক্ষ্য কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য বা এসডিজি এর মোট ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথম লক্ষ্য হলো সব ধরনের চরম দারিদ্র্যের অবসান ঘটানো। - অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এই লক্ষ্যের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব — এটি এসডিজির এক নম্বর লক্ষ্য হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব — এটি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রার দুই নম্বর লক্ষ্য, এক নম্বর নয়। C) সবার জন্য শিক্ষা — এটি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে এসডিজির চার নম্বর লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) পরিবেশ রক্ষা — এটি জলবায়ু ও স্থলজ জীবন রক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন লক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত, যা এক নম্বর লক্ষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: এসডিজি অর্জনের শুরুতেই মানুষের পেটে ভাত ও পকেটে টাকা দরকার, তাই এক নম্বরে রাখা হয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন।
8. প্রতি বছর বাংলাদেশে বেশি মানুষ মারা যায় কোনটির ফলে?
Created 2 weeks ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোড এক্সিডেন্ট কেন সঠিক: - বেপরোয়া গতি, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং অপরিকল্পিত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায়। - প্রাকৃতিক দুর্যোগের তুলনায় বর্তমানে সড়ক দুর্ঘটনাজনিত অকাল মৃত্যুর হার সামগ্রিকভাবে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোড এক্সিডেন্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে বাংলাদেশে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান মানবসৃষ্ট কারণ। B) সাইক্লোন — এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা ক্ষয়ক্ষতি করলেও প্রতি বছর এর কারণে সড়ক দুর্ঘটনার চেয়ে কম মানুষ মারা যায়। C) বন্যা — এটি মৌসুমী প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও এটি সরাসরি মৃত্যুর চেয়ে পানিবাহিত রোগ ও অন্যান্য জটিলতা সৃষ্টি করে এবং সড়ক দুর্ঘটনার মতো নিয়মিত প্রাণহানি ঘটায় না। D) নদী ভাঙ্গন — এটি বসতবাড়ি ও আবাদি জমির ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে, তবে সরাসরি জীবনহানির ক্ষেত্রে এটি সড়ক দুর্ঘটনার তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে মানবসৃষ্ট অসচেতনতা তথা সড়ক দুর্ঘটনাতেই বাংলাদেশে প্রতি বছর সর্বাধিক প্রাণহানি ঘটে।
9. WTO এর কাজ কি?
Created 2 weeks ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্ব বাণিজ্য সহায়তাকরণ কেন সঠিক: - ডব্লিউটিও বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তৈরি ও বাস্তবায়ন করে। - এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যকার বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি করে বিশ্ব বাণিজ্যকে সহজ ও গতিশীল করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা — এই কাজটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নয়, এটি মূলত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান দায়িত্ব। B) জলবায়ু বিষয়ক সমাধান — জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মূল কাজ নয়, এটি পরিবেশ বিষয়ক সংস্থাগুলোর কাজ। C) বিশ্ব বাণিজ্য সহায়তাকরণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ — মানবাধিকার রক্ষা বা পর্যবেক্ষণ করা এই সংস্থার কাজ নয়, এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দায়িত্ব। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউটিও বা ডব্লিউটিও এর নামের ভেতরই ট্রেড বা বাণিজ্য শব্দ যুক্ত আছে, তাই এটি বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত।
15. বাংলাদেশের সাথে ভারতের কয়টি জেলার সীমানা রয়েছে?
Created 2 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫টি কেন সঠিক: - ভারতের ৫টি রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ১০টি জেলা এবং আসামের ৫টি জেলা অবস্থিত। - এছাড়া মেঘালয়ের ১২টি, ত্রিপুরার ৪টি এবং মিজোরামের ৪টি জেলার সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে, যা যোগ করলে মোট ৩৫টি জেলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ভারতের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর মোট সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। B) ২৫টি — এই সংখ্যাটি ভারতের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর সঠিক হিসাব নয়, এটি কম গণনা করা হয়েছে। সি অপশনটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়। D) ৩২টি — এই সংখ্যাটি প্রকৃত হিসাবের চেয়ে কম, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ভারতের ৫ রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলার মোট সংখ্যা মনে রাখতে ৫ এবং ৭ এর হিসাব মাথায় রাখতে পারো, যেখানে ৫ গুণ ৭ সমান ৩৫ হয়।

মোট প্রশ্ন (13)

1. উদ্ভিদ কোন অঙ্গের মাধ্যমে খাদ্য প্রস্তুত করে?
Created 2 weeks ago | Updated 1 minute ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: উদ্ভিদবিজ্ঞান সঠিক উত্তর: C) পাতা ১. কেন সঠিক: উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রiyar মাধ্যমে খাদ্য প্রস্তুত করে এবং এই প্রক্রিয়ার প্রধান কেন্দ্র হলো পাতা। পাতার কোষে থাকা ক্লোরোপ্লাস্ট নামক অঙ্গাণুর মধ্যে থাকা ক্লোরোফিল সূর্যালোক শোষণ করে খাদ্য তৈরিতে সহায়তা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোক, জল এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে গ্লুকোজ বা শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। কার্যপ্রণালি: পাতার মেসোফিল টিস্যুতে প্রচুর ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে যা সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে। পাতা বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং মূলের মাধ্যমে শোষিত জল একত্রিত করে খাদ্য তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম গাছের পাতা সবুজ থাকার কারণে এটি নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে। ব্যাখ্যা: ক্লোরোফিলের উপস্থিতির কারণে পাতা সূর্যালোকে সালোকসংশ্লেষণ চালিয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপাদন করে। উদাহরণ ২: কচুরিপানার পাতা জলে ভেসে থেকে খাদ্য প্রস্তুত করে। ব্যাখ্যা: এর বিস্তৃত পাতার উপরিভাগ সূর্যালোক গ্রহণ করে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সালোকসংশ্লেষণ সম্পন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল — মূল উদ্ভিদকে মাটিতে আবদ্ধ রাখে এবং জল ও খনিজ লবণ শোষণ করে, খাদ্য প্রস্তুত করে না। B) কাণ্ড — কাণ্ড জল ও পুষ্টি উপাদান পরিবহন করে এবং গাছকে সোজা রাখতে সাহায্য করে, তবে প্রধান খাদ্য প্রস্তুতকারী অঙ্গ পাতা। C) পাতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাতার কোষে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। D) ফুল — ফুল উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ যা বীজ ও ফল উৎপাদনে অংশ নেয়, খাদ্য প্রস্তুতি এর কাজ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয় পাতাকে। রান্নাঘরে যেমন রান্নার সব উপাদান একত্রিত হয়, তেমনি পাতায় সূর্যালোক, জল ও গ্যাস মিলে খাদ্য তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে অক্সিজেন নির্গত হয় যা প্রাণীকুলের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। এই টপিক থেকে উদ্ভিদের কোন অঙ্গ গ্যাস বিনিময় করে বা স্টোমাটা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
2. কোনটির গতি সবচেয়ে বেশি?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলো ১. কেন সঠিক: - শূন্য মাধ্যমে আলোর গতি মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তুতরঙ্গ ও শক্তির মধ্যে সর্বাধিক। - আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব অনুযায়ী কোনো বস্তুর গতি আলোর গতির সমান বা বেশি হতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলো হলো এক প্রকার তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ যা চলাচলের জন্য কোনো মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে না। - কার্যপ্রণালি: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সর্বদা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বা ৩০ কোটি মিটার হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে মাত্র আট মিনিট কুড়ি সেকেন্ড সময় লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যগ্রহণ ব্যাখ্যা: সূর্য থেকে আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে সময় লাগলেও একই সময়ে মহাকাশে ঘটে যাওয়া শব্দ আমরা শুনতে পাই না কারণ আলোর গতি শব্দের চেয়ে অনেক বেশি। উদাহরণ ২: বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানো ব্যাখ্যা: আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর আলো আমরা সাথে সাথে দেখতে পেলেও তার গর্জন বা শব্দ কিছু পরে শুনতে পাই যা আলোর উচ্চ গতির প্রমাণ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুলেট — এটি একটি কঠিন বস্তু যার গতি শব্দের চেয়ে বেশি হতে পারে কিন্তু আলোর গতির তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। B) বিমান — আধুনিক সুপারসনিক বিমান শব্দের চেয়ে দ্রুত চলতে পারলেও আলোর গতির ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারে না। C) শব্দ — এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ যার চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয় এবং এর গতি আলোর গতির তুলনায় অত্যন্ত কম। D) আলো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর গতিবেগ প্রকৃতির অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাবিশ্বে সবচেয়ে দ্রুতগামী হলো আলো তাই যেকোনো সর্বোচ্চ গতির প্রশ্নে আলো উত্তর হবে। - মনে রাখবে শব্দের গতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার আর আলোর গতি সেকেন্ডে ৩০ কোটি মিটার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ নির্দিষ্ট এবং এর মান প্রতি সেকেন্ডে ৩ গুণ ১০ এর পাওয়ার ৮ মিটার। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আলোর গতি এবং শব্দের গতির তুলনামূলক প্রশ্ন আসে।
6. কোন অঙ্গ মানুষের শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন করে?
Created 2 weeks ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যানক্রিয়াস ১. কেন সঠিক: প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় মানবদেহের একটি মিশ্র গ্রন্থি যা থেকে ইনসুলিন নামক হরমোন উৎপাদিত হয়। এই হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সরাসরি সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ইনসুলিন হলো প্রোটিন জাতীয় হরমোন যা প্যানক্রিয়াসের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষের বিটা কোষ থেকে তৈরি হয়। কার্যপ্রণালি: প্যানক্রিয়াস রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনসুলিন নিঃসরণ করে কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে। বাস্তব প্রয়োগ: প্যানক্রিয়াস সঠিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ব্যাখ্যা: প্যানক্রিয়াস তখন অতিরিক্ত ইনসুলিন নিঃসরণ করে রক্তের শর্করা কোষে পৌঁছে দেয় এবং ভারসাম্য রক্ষা করে। উদাহরণ ২: ডায়াবেটিস রোগীর শরীরে কৃত্রিম ইনসুলিন ইনজেকশন দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি রোগীর প্যানক্রিয়াস পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারার ঘাটতি পূরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যানক্রিয়াস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থিটিই মানবদেহে ইনসুলিন হরমোন উৎপাদন করে। B) লিভার — এটি মানুষের শরীরের বৃহত্তম গ্রন্থি যা পিত্তরস তৈরি করে এবং বিপাক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। C) কিডনি — এটি মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করে। D) হার্ট — এটি একটি পেশল অঙ্গ যা সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সারা দেহে রক্ত পাম্প করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনসুলিনের সাথে প্যানক্রিয়াসের নাম মনে রাখতে প এবং ই বর্ণ দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো। প্যানক্রিয়াসের বিটা কোষ ইনসুলিন তৈরি করে, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্যানক্রিয়াসকে অন্তক্ষরা ও বহিঃক্ষরা উভয় গ্রন্থি বা মিশ্র গ্রন্থি বলা হয় কারণ এটি হরমোন ও এনজাইম উভয়ই তৈরি করে। আলফা কোষ থেকে গ্লুকাগন এবং বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়—এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
7. হীরাকে বায়ুতে পোড়ালে কী উৎপন্ন হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CO2 ১. কেন সঠিক: - হীরা মূলত বিশুদ্ধ কার্বনের একটি স্ফটিক রূপ। বায়ুতে উপস্থিত অক্সিজেনের সঙ্গে উত্তপ্ত করলে এটি পুড়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে। - কার্বন এবং অক্সিজেন রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে এই গ্যাস তৈরি করে এবং কোনো অবশিষ্ট কঠিন পদার্থ বা ছাই থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কার্বনের দহন বিক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কার্বন অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি করে। - রাসায়নিক সমীকরণ: কার্বন যোগ অক্সিজেন সমান কার্বন ডাই-অক্সাইড। - কার্যপ্রণালি: হীরাকে উচ্চ তাপমাত্রায় বায়ুতে উত্তপ্ত করলে এর ভেতরের কার্বন পরমাণুগুলো বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে বায়বীয় পদার্থে রূপান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: গ্রাফাইট বা হীরার মতো কার্বনের রূপভেদগুলো পুড়িয়ে যে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়, তা থেকে প্রমাণ করা যায় যে এগুলোর মূল উপাদান কার্বন। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: কয়লা বা কাঠ পুড়লে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: কয়লা ও কাঠ কার্বনের উৎস হওয়ায় বাতাসের অক্সিজেনে পুড়ে ঠিক একই রকম গ্যাসীয় পদার্থ তৈরি করে। - উদাহরণ ২: মোমবাতি জ্বালানো। ব্যাখ্যা: মোমের মধ্যে থাকা কার্বন বায়ুর অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প উৎপন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কোক — কোক হলো কয়লা থেকে উৎপাদিত এক ধরনের কার্বন, যা হীরা পোড়ালে উৎপন্ন হয় না কারণ হীরা পুরোপুরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। - B) কঠিন গ্যাস — এটি একটি বৈজ্ঞানিক অবান্তর শব্দ কারণ কোনো পদার্থ একই সঙ্গে কঠিন ও গ্যাসীয় হতে পারে না। - C) ছাই — ছাই হলো অপদ্রব্য বা খনিজ পদার্থের অবশিষ্টাংশ, কিন্তু হীরা বিশুদ্ধ কার্বন হওয়ায় এর দহনে কোনো ছাই অবশেষ থাকে না। - D) CO2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ হীরা বায়ুতে পোড়লে সম্পূর্ণভাবে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসে পরিণত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হীরা মানে খাঁটি কার্বন এবং কার্বন পুড়লে সবসময় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। হীরা যেহেতু গ্যাসীয় অবস্থায় উবে যায়, তাই এর কোনো ছাই থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হীরা এবং গ্রাফাইট উভয়েই কার্বনের রূপভেদ, তাই উভয়েই বায়ুতে পুড়লে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
9. ঝিনুকের প্রদাহের ফল কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তা ১. কেন সঠিক: মুক্তা হলো মূলত ঝিনুকের ভেতরে সৃষ্ট প্রদাহের একটি জৈবিক ফলাফল। যখন কোনো বিদেশি কণা যেমন বালুকণা বা পরজীবী ঝিনুকের নরম অংশে প্রবেশ করে, তখন ঝিনুক তা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এক ধরনের প্রদাহের প্রতিক্রিয়া দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মুক্তা হলো ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এবং কনকোলিনের একটি জৈব-খনিজ পদার্থ যা মলাস্ক বা কম্বোজ শ্রেণির প্রাণীদের দেহে তৈরি হয়। কার্যপ্রণালি: বিদেশি কণাটি ঝিনুকের ম্যান্টল টিস্যুতে আঘাত করলে ঝিনুক মুক্তার উপাদান বা নেকার ক্ষরণ করে কণাটিকে বারবার ঢেকে ফেলতে শুরু করে এবং কালক্রমে তা মুক্তায় পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের ভেতরে কোনো ময়লা গেলে যেমন চোখ থেকে জল বেরিয়ে ময়লা দূর করার চেষ্টা করে, ঝিনুকও ঠিক তেমনি বিদেশি বস্তুর চারপাশে আস্তরণ তৈরি করে প্রদাহ কমায়। ব্যাখ্যা: এটি জীবদেহের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার একটি চমৎকার জৈবিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: কৃত্রিম উপায়ে ঝিনুকের মধ্যে মুক্তা চাষ করা হয়। ব্যাখ্যা: মানুষেরা ঝিনুকের ভেতরে সূক্ষ্ম নিউক্লিয়াস প্রবেশ করিয়ে এই প্রাকৃতিক প্রদাহের প্রক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিক মুক্তা উৎপাদন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাল — প্রবাল কোনো প্রদাহের ফল নয়, বরং এটি সামুদ্রিক পলিপ নামক ক্ষুদ্র প্রাণীর ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে তৈরি কঙ্কাল। B) স্বর্ণ — স্বর্ণ একটি প্রাকৃতিক মৌলিক ধাতু যা খনি থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং এটি জীবদেহের কোনো জৈবিক প্রতিক্রিয়ার ফল নয়। C) হীরক — হীরক হলো কার্বনের একটি বিশুদ্ধ স্ফটিক রূপ যা ভূগর্ভে প্রচণ্ড চাপ ও তাপে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়। D) মুক্তা — মুক্তা হলো ঝিনুকের নরম অংশে বিদেশি কণার কারণে সৃষ্ট প্রদাহের ফলে তৈরি হওয়া মূল্যবান রত্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: ঝিনুকে প্রদাহ মানেই মুক্তার উৎপাদন। মনে রাখবে ঝিনুক কষ্ট পেয়ে রত্ন তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুক্তার প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো ক্যালসিয়াম কার্বোনেট। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণিবিজ্ঞান ও মৎস্য বিজ্ঞানের অংশ হিসেবে প্রায়ই আসে।
10. সূর্যের প্রধান উপাদান কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম ১. কেন সঠিক: সূর্য মূলত গ্যাসীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত একটি বিশাল গোলক যার প্রায় চব্বাত্তর শতাংশ হলো হাইড্রোজেন এবং চব্বিশ শতাংশ হলো হিলিয়াম। সূর্যের কেন্দ্রস্থলে প্রচণ্ড চাপ ও তাপমাত্রার কারণে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ঘটে, যেখানে হাইড্রোজেন পরমাণু একত্রিত হয়ে হিলিয়ামে পরিণত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং নক্ষত্রের গঠন সংক্রান্ত আলোচনায় সূর্যের উপাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কার্যপ্রণালি: সূর্যের কেন্দ্রভাগে চার লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু মিলিত হয়ে একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠন করে। কারণ ও ফলাফল: এই ফিউশন প্রক্রিয়ার সময় ভরের একটি অংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় যা আলো ও তাপ হিসেবে মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যের এই শক্তির উৎস থেকেই পৃথিবীতে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে এবং সমস্ত জীবকুল বেঁচে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড্রোজেন বোমা ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন বোমা ঠিক সূর্যের ভেতরের এই নিউক্লিয়ার ফিউশন নীতির ওপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয় যা প্রচণ্ড শক্তি উৎপন্ন করে। উদাহরণ ২: অন্যান্য নক্ষত্র ব্যাখ্যা: আমাদের মহাবিশ্বের বেশিরভাগ নক্ষত্রই মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা গঠিত এবং এভাবেই তারা শক্তি উৎপন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও সূর্যের মূল উপাদান নয়। B) কার্বন-ডাই-অক্সাইড — এটি সূর্যের প্রধান উপাদান নয়, তবে এটি পৃথিবী ও শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলে পাওয়া যায়। C) হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম — এটি সূর্যের প্রধান উপাদান এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও সূর্যের মূল উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: সূর্যের নাম মনে রাখতে মনে রাখবে সূর্য মানেই মহাশূন্যের একটি বিশাল গ্যাসপিণ্ড যার শুরু হয় হাইড্রোজেন দিয়ে এবং যার ভেতরে তৈরি হয় হিলিয়াম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সূর্যের শক্তির মূল উৎস নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া এবং এর বাইরের অংশকে করোনা বলা হয়। একই ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে যে সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে কত সময় লাগে।
11. কোনটি অসংক্রামক রোগ?
Created 2 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়াবেটিস ১. কেন সঠিক: ডায়াবেটিস একটি অসংক্রামক রোগ কারণ এটি একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় না। আমাদের শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি বা এর কার্যকারিতার অভাবের কারণে এই রোগ দেখা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অসংক্রামক রোগ হলো সেই রোগ যা ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের মতো কোনো জীবাণুর মাধ্যমে ছড়ায় না। কারণ ও ফলাফল: অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদিত না হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন। ব্যাখ্যা: এটিও একটি অসংক্রামক রোগ যা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও মানসিক চাপের কারণে হয় এবং একজনের থেকে অন্যজনে ছড়ায় না। উদাহরণ ২: ক্যানসার। ব্যাখ্যা: এটি কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলে হয় এবং এটিও কোনো ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলেরা — এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ব্যাকটেরিয়া জনিত পানির মাধ্যমে ছড়ায়। B) ডায়াবেটিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিপাকীয়জনিত অসংক্রামক রোগ। C) টাইফয়েড — এটি সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ। D) আমাশয় — এটি ব্যাকটেরিয়া বা অ্যামিবা দ্বারা আক্রান্ত হওয়া একটি সংক্রামক রোগ। ৫. মনে রাখার টিপস: সংক্রামক রোগগুলো সাধারণত জীবাণু দিয়ে ছড়ায়, আর ডায়াবেটিস বা ক্যানসার হলো শরীরের ভেতরের বিপাকীয় বা কোষীয় ত্রুটিজনিত অসংক্রামক রোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে ডায়াবেটিস, ক্যানসার এবং হৃদরোগ অন্যতম প্রধান মৃত্যুর কারণ। পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি সংক্রামক বা অসংক্রামক রোগ তা আলাদা করতে বলা হয়।
12. টেলিভিশনে রঙিন ছবি তৈরিতে কতটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়?
Created 2 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০৩টি ১. কেন সঠিক: - টেলিভিশনে রঙিন ছবি তৈরির জন্য তিনটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং ব্যবহার করা হয়। - এই তিনটি মৌলিক রং হলো লাল, সবুজ ও নীল, যা মানুষের চোখের আলোর প্রতি সংবেদনশীলতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর প্রাথমিক রংগুলোকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্য যেকোনো রং তৈরি করা যায়। - কার্যপ্রণালি: রঙিন টেলিভিশনের পর্দায় বা মনিটরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পিক্সেল থাকে যা লাল, সবুজ ও নীল আলো নির্গত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার মনিটর এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে এই ত্রি-বর্ণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেলিভিশন বা মোবাইলের স্ক্রিন খুব কাছ থেকে দেখলে ছোট ছোট লাল, সবুজ ও নীল বিন্দু দেখা যায়। ব্যাখ্যা: এই বিন্দুগুলোর তীব্রতা পরিবর্তন করে পর্দায় হাজার হাজার রঙের ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। উদাহরণ ২: ক্যামেরা বা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সময়ও এই তিনটি রং প্রধান হিসেবে কাজ করে। ব্যাখ্যা: ডিজিটাল ক্যামেরা সেন্সর আলো গ্রহণ করার সময় লাল, সবুজ ও নীল ফিল্টার ব্যবহার করে ছবি ধারণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — চার রঙের প্রিন্টিং প্রযুক্তি আলাদা, যা সায়ান, ম্যাজেন্টা, ইয়েলো ও ব্ল্যাক বা সিএমওয়াইকে নামে পরিচিত এবং এটি কাগজের ছাপার কাজে লাগে। B) ০৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রঙিন ছবি বা ডিসপ্লের ক্ষেত্রে লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়। C) ৭টি — সাতটি রং দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন রামধনু বা প্রিজমের মাধ্যমে আলোর বিচ্ছুরণের ফলে সৃষ্ট সাতটি রং। ডি) ২৫৬টি — ২৫৬ সংখ্যাটি সাধারণত কম্পিউটারের গ্রাফিক্সে একটি চ্যানেলের রঙের গভীরতা বা বিট গভীরতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, মৌলিক রঙের সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং মনে রাখার সহজ মাধ্যম হলো সমাস বা প্রথম অক্ষর দিয়ে গঠিত শব্দ গুচ্ছ। - লাল, সবুজ ও নীল বা আরজিবি হিসেবে এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলোর মৌলিক রং এবং প্রিন্টিং বা মুদ্রণের মৌলিক রং এক নয়। - পরীক্ষার জন্য মনে রাখতে হবে আলোর মৌলিক রং তিনটি, আর মুদ্রণের মৌলিক রং চারডি।
13. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming) রোধে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ কী?
Created 2 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবাশ্ম জ্বালানী কম ব্যবহার ১. কেন সঠিক: - বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি। - জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়লে প্রচুর পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস নির্গত হয় যা পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো কার্বনের বিশাল ভাণ্ডার যা পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। - কার্যপ্রণালি: এই গ্যাসগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রাখে যাকে গ্রিনহাউস প্রভাব বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: ব্যক্তিগত যানবাহনের বদলে পায়ে হাঁটা বা গণপরিবহন ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানির দহন কমে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে বাইসাইকেল ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: এটি যাতায়াতে কোনো পেট্রোল বা ডিজেল খরচ করে না ফলে বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন বন্ধ থাকে। উদাহরণ ২: এসির ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক বাতাস ও ফ্যানের ব্যবহার বাড়ানো। ব্যাখ্যা: বিদ্যুতের মূল উৎস জীবাশ্ম জ্বালানি হওয়ায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে পরোক্ষভাবে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো কমে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো — এটি সামুদ্রিক দূষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ। তবে এটি সরাসরি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান একক কারণ নয়। B) বন উজাড় রোধ করা — বন উজাড় রোধ করা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্যতম বড় কৌশল। তবে প্রশ্নকর্তার মতে এবং সার্বিক বিবেচনায় এটি পরোক্ষভাবে সহায়ক। C) জীবাশ্ম জ্বালানী কম ব্যবহার — এটি সরাসরি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মূল কারণ কার্বন নির্গমন কমানোর সবচেয়ে সরাসরি এবং কার্যকর ব্যক্তিগত পদক্ষেপ। D) বিদ্যুৎ অপচয় রোধ — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি কমাতে সাহায্য করে তবে জীবাশ্ম জ্বালানির প্রত্যক্ষ ব্যবহার রোধ করা সরাসরি উষ্ণায়ন কমায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উষ্ণায়ন কমাতে হলে জ্বালানি পোড়ানো কমাও এই মন্ত্র মনে রাখবে। - জীবাশ্ম জ্বালানি মানেই কার্বন নির্গমন এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী গ্যাস হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড। - পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাস বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য প্রধানত দায়ী যার উত্তর কার্বন ডাই-অক্সাইড।

মোট প্রশ্ন (4)

1. সাইক্লোন ও টর্নেডোর মধ্যে পার্থক্য কি?
Created 2 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাইক্লোন পানিতে সৃষ্টি, টর্নেডো ভূমিতে সৃষ্টি হয় কেন সঠিক: ১. সাইক্লোন সাধারণত উষ্ণ সমুদ্রের পানির ওপরে সৃষ্টি হয় এবং পরে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে। ২. টর্নেডো প্রধানত স্থলভাগে বা ভূমির ওপরে তীব্র বায়ুমণ্ডলীয় অস্থিরতার কারণে সৃষ্টি হয়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. সাইক্লোন বিশাল এলাকা জুড়ে শত শত কিলোমিটার স্থান দখল করে বিস্তার লাভ করে। ২. সাইক্লোনের কেন্দ্রস্থলকে বলা হয় এর চোখ এবং এতে বাতাসের গতিবেগ থাকে তুলনামূলক কম। ৩. বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন আমাদের দেশে প্রায়ই আঘাত হানে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপশন এ — সাইক্লোনের গতি সবসময় কম এবং টর্নেডোর গতি বেশি হয় না কারণ সাইক্লোনেও তীব্র গতি থাকতে পারে। B) অপশন বি — সাইক্লোনের গতি কম এবং টর্নেডোর গতি বেশি এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ উভয়ের গতিই অনেক বেশি হতে পারে। C) অপশন সি — এটি সঠিক কারণ সাইক্লোন সাগর বা মহাসাগরে জন্ম নেয় এবং টর্নেডো জন্ম নেয় ডাঙায় বা ভূমিতে। D) অপশন ডি — উভয়ের মধ্যে পার্থক্য নেই এই কথাটি ভুল কারণ এদের উৎপত্তি ও প্রকৃতি সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: সাইক্লোন মানে সাগর থেকে আসা বড় ঝড় এবং টর্নেডো মানে ভূমিতে ওঠা ছোট কিন্তু তীব্র ঘূর্ণি ঝড়।
2. বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?
Created 2 weeks ago | Updated 55 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০°৩৪' - ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' - ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা কেন সঠিক: বাংলাদেশের সঠিক অক্ষাংশগত বিস্তার হলো কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ২০°৩৪' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ। এর দ্রাঘিমাগত বিস্তার হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সিলেট পর্যন্ত ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যার মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার এবং এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এই ভূখণ্ডটি মূলত গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পলি দ্বারা গঠিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এর উত্তরে ভারত, পূর্বে ভারত ও মিয়ানমার, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য দ্বারা সম্পূর্ণরূপে বেষ্টিত। বাকি অপশন কেন ভুল: B) অপশন বি — এখানে অক্ষাংশের মানগুলো উল্টো করে অর্থাৎ ২৬°৩৪' থেকে শুরু করা হয়েছে যা ভৌগোলিকভাবে সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। C) অপশন সি — এই অপশনে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমার পরিমাপ দুটিই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যা বাংলাদেশের সীমানার সাথে মেলে না। D) অপশন ডি — বাংলাদেশ সম্পূর্ণভাবে উত্তর গোলার্ধ ও পূর্ব গোলার্ধে অবস্থিত, তাই এখানে পশ্চিম অক্ষাংশ বলা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: অক্ষরেখার ক্ষেত্রে মনে রাখবে ২০ থেকে ২৬ এবং দ্রাঘিমার ক্ষেত্রে ৮৮ থেকে ৯২, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করবে। উত্তর অক্ষাংশ এবং পূর্ব দ্রাঘিমা এই দুটি শব্দ ভালোভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে কখনো ভুল হবে না।
3. আয়তনে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জেলা কোনটি?
Created 2 weeks ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি কেন সঠিক: - রাঙ্গামাটি জেলা ভৌগোলিক আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সব জেলার চেয়ে বড়। - পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের এই জেলাটির ভূপ্রকৃতি পাহাড়ি ও বিস্তীর্ণ হওয়ায় এর আয়তন সবচেয়ে বেশি হয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: - রাঙ্গামাটি জেলার আয়তন প্রায় ছয় হাজার একান্ন বর্গকিলোমিটার। - এটি মূলত পাহাড়ি বনাঞ্চল, হ্রদ এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত একটি বৈচিত্র্যময় অঞ্চল। - এই জেলায় বিখ্যাত কাপ্তাই হ্রদ অবস্থিত যা দেশের বৃহত্তম মানবসৃষ্ট জলাধার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। B) বান্দরবান — এটি আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা এবং এর আয়তন রাঙ্গামাটির চেয়ে কম। C) চট্টগ্রাম — এটি একটি প্রধান বিভাগীয় শহর হলেও আয়তনে রাঙ্গামাটির মতো এত বিশাল নয়। D) কুমিল্লা — এটি ঢাকা বিভাগের একটি জনবহুল জেলা কিন্তু আয়তনে রাঙ্গামাটির তুলনায় অনেক ছোট। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ি জেলার মধ্যে রাঙ্গামাটি সবচেয়ে বড়, তাই মনে রাখবে রা মানে রাঙ্গামাটি আর রা মানে রাজস্ব বা বিশালতা।
4. মানচিত্র ও স্কেচের মধ্যে পার্থক্য কি?
Created 2 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানচিত্রে স্কেল থাকে, স্কেচে স্কেল থাকে না কেন সঠিক: ১. মানচিত্র অঙ্কনের সময় নির্দিষ্ট অনুপাত বা স্কেল মেনে বাস্তব এলাকার দূরত্ব ছোট করে নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়। ২. স্কেচ হলো মূলত অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হাতের আঁকা নকশা যেখানে কোনো নির্দিষ্ট পরিমাপ বা স্কেল থাকে না। ভৌগোলিক তথ্য: ১. মানচিত্র তৈরিতে কার্টোগ্রাফি বিদ্যা ব্যবহার করা হয় এবং এর মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো গোলার্ধের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করা যায়। ২. মানচিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এতে দিক নির্দেশক বা উত্তর দিক এবং যথাযথ প্রতীক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. যেমন একটি দেশের মানচিত্রে নির্দিষ্ট স্কেল ব্যবহার করে জেলা ও দেশের সীমানা নিখুঁতভাবে দেখানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানচিত্রে স্কেল থাকে, স্কেচে স্কেল থাকে না — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মানচিত্র ও স্কেচের মূল পার্থক্যের সত্যতা প্রমাণ করে। B) মানচিত্রে স্কেল থাকে না, স্কেচে স্কেল থাকে — এই অপশনটি ভুল কারণ মানচিত্র সবসময় স্কেল মেনে তৈরি হয় এবং স্কেচে কোনো স্কেল থাকে না। C) মানচিত্রে বড় স্কেল ও স্কেচে ছোট স্কেল থাকে — এই অপশনটি ভুল কারণ স্কেচে কোনো ধরনের স্কেল বা পরিমাপের বালাই থাকে না। D) উভয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই — এই অপশনটি ভুল কারণ মানচিত্র ও স্কেচ গঠন ও ব্যবহারের দিক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা দুটি বিষয়। মনে রাখার টিপস: মানচিত্রে ম আছে যার অর্থ মাপ বা স্কেল থাকে আর স্কেচে স্কেল থাকে না এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।