ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০৩টি
১. কেন সঠিক:
- টেলিভিশনে রঙিন ছবি তৈরির জন্য তিনটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং ব্যবহার করা হয়।
- এই তিনটি মৌলিক রং হলো লাল, সবুজ ও নীল, যা মানুষের চোখের আলোর প্রতি সংবেদনশীলতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: আলোর প্রাথমিক রংগুলোকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্য যেকোনো রং তৈরি করা যায়।
- কার্যপ্রণালি: রঙিন টেলিভিশনের পর্দায় বা মনিটরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পিক্সেল থাকে যা লাল, সবুজ ও নীল আলো নির্গত করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার মনিটর এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে এই ত্রি-বর্ণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: টেলিভিশন বা মোবাইলের স্ক্রিন খুব কাছ থেকে দেখলে ছোট ছোট লাল, সবুজ ও নীল বিন্দু দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: এই বিন্দুগুলোর তীব্রতা পরিবর্তন করে পর্দায় হাজার হাজার রঙের ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়।
উদাহরণ ২: ক্যামেরা বা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সময়ও এই তিনটি রং প্রধান হিসেবে কাজ করে।
ব্যাখ্যা: ডিজিটাল ক্যামেরা সেন্সর আলো গ্রহণ করার সময় লাল, সবুজ ও নীল ফিল্টার ব্যবহার করে ছবি ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — চার রঙের প্রিন্টিং প্রযুক্তি আলাদা, যা সায়ান, ম্যাজেন্টা, ইয়েলো ও ব্ল্যাক বা সিএমওয়াইকে নামে পরিচিত এবং এটি কাগজের ছাপার কাজে লাগে।
B) ০৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রঙিন ছবি বা ডিসপ্লের ক্ষেত্রে লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়।
C) ৭টি — সাতটি রং দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন রামধনু বা প্রিজমের মাধ্যমে আলোর বিচ্ছুরণের ফলে সৃষ্ট সাতটি রং।
ডি) ২৫৬টি — ২৫৬ সংখ্যাটি সাধারণত কম্পিউটারের গ্রাফিক্সে একটি চ্যানেলের রঙের গভীরতা বা বিট গভীরতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, মৌলিক রঙের সংখ্যা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং মনে রাখার সহজ মাধ্যম হলো সমাস বা প্রথম অক্ষর দিয়ে গঠিত শব্দ গুচ্ছ।
- লাল, সবুজ ও নীল বা আরজিবি হিসেবে এটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আলোর মৌলিক রং এবং প্রিন্টিং বা মুদ্রণের মৌলিক রং এক নয়।
- পরীক্ষার জন্য মনে রাখতে হবে আলোর মৌলিক রং তিনটি, আর মুদ্রণের মৌলিক রং চারডি।