a সমাচার দর্পণ
b তত্ত্ববোধিনী
c সংবাদ প্রভাকর
d একটিও না
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ প্রভাকর ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ও প্রকাশিত প্রথম ও অন্যতম বিখ্যাত বাংলা সংবাদপত্র হলো সংবাদ প্রভাকর। ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে এটি দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক এবং তিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। তার সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্য উন্নয়নে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সহ অনেক প্রখ্যাত লেখকের সাহিত্যজীবনের সূচনা এখান থেকেই হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩১ সালে। ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল যা পরে দৈনিক রূপ নেয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম রচনা সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত নতুন ও প্রতিভাবান লেখকদের উৎসাহিত করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাচার দর্পণ — এই পত্রিকাটি জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল, যা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত নয়। B) তত্ত্ববোধিনী — এই পত্রিকাটি অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র হিসেবে ১৮৪৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। D) একটিও না — সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মানেই প্রভাকর। প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য, আর বাংলা সাহিত্যাকাশে তিনি প্রভাকরের মতোই সংবাদপত্র জগতে আলো ছড়িয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক এবং ১৮৩৯ সালে দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সাল জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0