a রাইফেল রোটি আওরাত
b পদ্মা নদীর মাঝি
c লালসালু
d মৃত্যুক্ষুধা
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালসালু ১. কেন সঠিক: - জমিলা চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত লালসালু উপন্যাসের অন্যতম প্রধান ও প্রতিবাদী নারী চরিত্র। - এই উপন্যাসের মজিদের কট্টর ধর্মীয় শোষণের বিরুদ্ধে জমিলা প্রথম সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিবাদ জানায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার যিনি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত লালসালু উপন্যাসটি মূলত গ্রামীণ সমাজের অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার এবং ধর্মের অপব্যবহারের এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খালেক ব্যাপারী ব্যাখ্যা: এটিও লালসালু উপন্যাসের একটি গ্রামীণ মাতব্বর চরিত্র যা সমাজের ক্ষমতাশালী শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ ২: আমেনা ব্যাখ্যা: আমেনা চরিত্রটি লালসালু উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রী, যা তৎকালীন সমাজের নারীর অসহায়ত্বের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেখানে সুদীপ্ত ও তার পরিবারের সংগ্রামের চিত্র রয়েছে কিন্তু জমিলা চরিত্র নেই। B) পদ্মা নদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে কুবের ও কপিলা প্রধান চরিত্র এবং এর পটভূমি মাছ ধরার জেলে জীবন। D) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি উপন্যাস যেখানে কলকাতার নিচু তলার মানুষের দুঃখ-দারিদ্র্য এবং অন্নবস্ত্রের সমস্যা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: লালসালু উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম মজিদ এবং তার প্রতিবাদী দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম জমিলা যা মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লালসালু উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল এবং এটি লেখকের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0