a মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
b ভারতচন্দ্র রায়
c চণ্ডীদাস
d বড়ু চণ্ডীদাস
0 49 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পংক্তিটি অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়ের অন্নদামঙ্গল কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে। - এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো বড় কোনো বিপদে পড়লে সাধারণ বা নিরপরাধ মানুষও তার আক্রমণ থেকে রক্ষা পায় না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় ছিলেন মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি এবং অষ্টাদশ শতকের সবচেয়ে প্রতিভাবান কবি। - রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি হিসেবে তিনি মহারাজের আদেশে অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন এবং তাঁকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন। ব্যাখ্যা: অপরাধী যতই চতুর হোক না কেন, একদিন সে ধরা পড়বেই, যা এই প্রবাদের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। ব্যাখ্যা: নিজের অদক্ষতা বা ব্যর্থতা ঢাকতে অন্য কোনো অজুহাত বা ত্রুটি ধরার প্রবৃত্তি এর দ্বারা প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর কাব্যের নয়। B) ভারতচন্দ্র রায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা ওপরে দেওয়া হয়েছে। C) চণ্ডীদাস — ইনি পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পদকর্তা এবং তাঁর রচিত কোনো কাব্যে এই পংক্তিটি পাওয়া যায় না। D) বড়ু চণ্ডীদাস — ইনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা, যা প্রাক-চৈতন্য যুগের নিদর্শন এবং এর সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতের দেবালয় বা মন্দির পুড়লে তা সহজে এড়ানো যায় না, এভাবে ভারতচন্দ্র রায় নামটি মনে রাখতে পারো। অন্নদামঙ্গল কাব্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় পংক্তিগুলোর মধ্যে এটি একটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রবাদপ্রবচনমূলক পংক্তি কোন কবির রচিত তা জানতে চাওয়া হয়। মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়ের ছন্দের কারুকাজ ও শব্দচয়ন খুব বিখ্যাত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 179 0 0