বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো সহকারী পরিচালক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

1. 'বিজিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ—
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিজয়ী ১. কেন সঠিক: - বিজিত শব্দের অর্থ যাকে জয় করা হয়েছে বা পরাজিত ব্যক্তি। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে বিজয়ী শব্দটি। - বিজয়ী বলতে বোঝায় যে নিজে জয় লাভ করেছে বা জয়ী হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং তার বিপরীত ভাবের দিকটি বিবেচনা করতে হয়। - বিজিত এবং বিজয়ী শব্দ দুটি পরস্পর বিপরীতার্থক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নত এবং অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ যা উঁচুতে অবস্থিত এবং এর বিপরীত শব্দ অবনত যার অর্থ নিচু বা নত। উদাহরণ ২: প্রাচীন এবং আধুনিক ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ বহু পুরনো এবং এর বিপরীত শব্দ আধুনিক যার অর্থ সাম্প্রতিক বা নতুন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয়ী — এটি সঠিক উত্তর। B) পরাজিত — পরাজিত শব্দের অর্থ হেরে যাওয়া, যা বিজিত শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) বিচ্যুত — বিচ্যুত শব্দের অর্থ পথভ্রষ্ট বা চ্যুত হওয়া, যার সঙ্গে বিজিত শব্দের বিপরীত অর্থের মিল নেই। D) বর্জিত — বর্জিত শব্দের অর্থ বাদ দেওয়া বা পরিহার করা, যা বিজিত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিজিত মানে যে হেরে গেছে এবং বিজয়ী মানে যে জিতেছে। এভাবে জয় ও পরাজয়ের ধারণার মাধ্যমে বিপরীত শব্দ মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীতার্থক শব্দ দাগানোর সময় সমার্থক শব্দ এবং বিপরীত শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
2. কোন রচনাটি কৃষিসংক্রান্ত জ্ঞানে সমৃদ্ধ?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খনার বচন ১. কেন সঠিক: খনার বচন মূলত কৃষি, আবহাওয়া ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত প্রবাদ প্রবচন, যা প্রাচীনকাল থেকে বাংলার কৃষকদের কৃষি কাজে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছে। এতে বীজ বপন, ফসল কাটাসহ ঋতুভিত্তিক বিভিন্ন কৃষিকাজের অত্যন্ত উপযোগী ও বৈজ্ঞানিক তথ্য সহজ ছন্দে তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: খনার বচন বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও মূল্যবান সম্পদ, যা মূলত খনা নামক এক বিদূষী নারীর নামানুসারে প্রচলিত হয়েছে। এই বচনগুলোতে গ্রামবাংলার কৃষিজীবন, প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাসের এক নিখুঁত ও বাস্তবসম্মত রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলা রূপো না কাটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত। ব্যাখ্যা: এই ছড়াটিতে কলার চাষ এবং এর বহুমুখী উপকারিতা সম্পর্কে কৃষকদের মূল্যবান পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: যদি বর্ষে পৌষে কুষাণ হাঁসে জলে ভাসে। ব্যাখ্যা: পৌষ মাসের বৃষ্টির ফলে কৃষির ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে, সেই আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রতকথা — এটি মূলত বাঙালি নারীদের পালিত বিভিন্ন ব্রত, পূজা ও লৌকিক আচার-অনুষ্ঠানের কাহিনী নিয়ে রচিত লোকসাহিত্যের একটি শাখা। B) খনার বচন — এটি কৃষিসংক্রান্ত জ্ঞানে সমৃদ্ধ হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। C) মহুয়া — এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রেমকাহিনিভিত্তিক পালাগান, যার সঙ্গে কৃষির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) হারামণি — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কর্তৃক সংগৃহীত ও সম্পাদিত লোকসংগীত বা বাউল গানের একটি বিখ্যাত সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: কৃষি কাজ বা আবহাওয়ার পূর্বাভাস সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন থাকলে চোখ বন্ধ করে খনার বচন উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে পারো। খনা নামটির সঙ্গেই কৃষি ও প্রবাদের এক গভীর ও প্রাচীন ঐতিহ্য জড়িত রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্য বা প্রবাদ প্রবচন থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন এসে থাকে। খনার বচন আবহমান বাংলার কৃষিসংস্কৃতি ও লোকজ্ঞানের এক অনন্য ও প্রামাণ্য দলিল হিসেবে পরিচিত।
3. 'প্রতীচী' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাচ্য কেন সঠিক: ১. প্রতীচী শব্দটির অর্থ হলো পশ্চিম দিক বা পশ্চিমাঞ্চল। ২. এর বিপরীত দিক বা অঞ্চল হিসেবে প্রাচ্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যার অর্থ পূর্ব দিক বা পূর্বাঞ্চল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে দিকবাচক শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ২. ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী পশ্চিমের বিপরীত হিসেবে পূর্ব বা প্রাচ্য শব্দটির প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। ৩. যেমন প্রতীচী দেশ বলতে পশ্চিমা বিশ্বকে এবং প্রাচ্য দেশ বলতে পূর্বাঞ্চলীয় দেশগুলোকে বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্লান — এই শব্দটির অর্থ মলিন বা দীিপ্তিহীন যার বিপরীত শব্দ উজ্জ্বল। C) মিলন — এই শব্দটির অর্থ একত্র হওয়া বা সংযোগ যার বিপরীত শব্দ বিরহ বা বিচ্ছেদ। D) ত্যাগ — এই শব্দটির অর্থ ছেড়ে দেওয়া বা বর্জন করা যার বিপরীত শব্দ গ্রহণ। মনে রাখার টিপস: ১. ইংরেজি শব্দ ওয়েস্ট বা পশ্চিমের সাথে প্রতীচী শব্দটি মনে রাখতে হবে। ২. প্রাচ্য মানে পূর্ব এবং প্রতীচী মানে পশ্চিম, এই জোড়াটি সবসময় বিপরীতার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
4. মীর মশাররফ হোসেনের 'মোসলেম বীরত্ব' কোন ধরনের গ্রন্থ?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যগ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - মীর মশাররফ হোসেনের 'মোসলেম বীরত্ব' একটি ঐতিহাসিক ও বীরত্বগাথা কাব্যামূলক রচনা যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। - এই গ্রন্থে মুসলিম বীরদের বীরত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক কাহিনি পদ্যছন্দে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা তাকে কাব্যগ্রন্থ হিসেবে চিহ্নিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলেও তিনি কিছু পদ্য বা কাব্যগ্রন্থও রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত 'মোসলেম বীরত্ব' একটি পদ্যে রচিত সাহিত্যকর্ম যা মুসলিম বীরদের গৌরবময় ইতিহাস প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মীর মশাররফ হোসেনের 'বিষাদ সিন্ধু' ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস হলেও এর গদ্যশৈলী অত্যন্ত কাব্যিক ও নান্দনিক। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের 'সংগীতা সংগীত' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য পদ্য বা কাব্যধর্মী রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — 'মোসলেম বীরত্ব' কোনো গল্প বা উপন্যাসের কাঠামুতে রচিত গদ্য নয়, এটি পদ্যে রচিত কাব্যগ্রন্থ। B) কাব্যগ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং এটি পদ্যাকারে রচিত একটি বীরত্বগাথা সাহিত্যকর্ম। C) প্রবন্ধ — এই গ্রন্থে কোনো তাত্ত্বিক বা সমালোচনামূলক গদ্য প্রবন্ধের রূপ নেই, বরং এটি কাব্যিক ছন্দে রচিত। D) নাটক — এটি মঞ্চস্থ করার উপযোগী কোনো নাটক বা সংলাপনির্ভর দৃশ্যকাব্য নয়, তাই নাটক বলা ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেনের উপন্যাস ও নাটকের পাশাপাশি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে 'মোসলেম বীরত্ব' নামটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে। - মনে রাখার সহজ উপায় হলো বীরত্বমূলক গাথা সাধারণত কাব্যের মাধ্যমেই প্রকাশ পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস ও নাটকের পাশাপাশি তাঁর কাব্যগ্রন্থ থেকেও প্রশ্ন আসে। - লেখকের ব্যতিক্রমধর্মী রচনাগুলোর ধরন ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
6. 'অগ্নি' শব্দের প্রতিশব্দ—
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃশানু ১. কেন সঠিক: - কৃশানু শব্দটি সংস্কত ভাষা থেকে আগত এবং এর অর্থ আগুন বা অগ্নি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে অগ্নি বোঝাতে এই শব্দটি প্রায়ই ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের ভান্ডার সমৃদ্ধ করতে এবং বাক্যের বৈচিত্র্য আনতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: এটি অগ্নির অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: এই শব্দটি শুদ্ধ বাংলা ভাষায় অগ্নি বা আগুন বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্তণ্ড — এটি সূর্যের একটি সমার্থক শব্দ, তাই অগ্নি বোঝাতে এটি সঠিক নয়। B) কৃশানু — এটি সঠিক উত্তর। C) ক্ষণপ্রভা — এটি বিদ্যুতের সমার্থক শব্দ, যা আগুন বা অগ্নির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ভানু — এটিও সূর্যের একটি প্রতিশব্দ, তাই এটি অগ্নি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃশানু শব্দটি দেখলেই মনে রাখবে এটি আগুন বা অগ্নিকে নির্দেশ করে। - সূর্য এবং অগ্নির সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে কনফিউশন হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - অগ্নি, সূর্য, নদী এবং আকাশের সমার্থক শব্দগুলো খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
7. 'স্বাধীন'—এর সন্ধি বিচ্ছেদ:
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ব + অধীন ১. কেন সঠিক: - 'স্বাধীন' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো স্ব + অধীন। এটি স্বরসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। - এখানে প্রথম পদের শেষ ধ্বনি অ এবং দ্বিতীয় পদের প্রথম ধ্বনি অ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ কিংবা আ এর পর অ কিংবা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং এই আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। - এখানে স্ব শব্দের শেষের অ এবং অধীন শব্দের শুরুর অ মিলে আ কার হয়েছে, যা ধ বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বাধীন গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে হিম শব্দের অ এবং আলয় শব্দের আ মিলে আ কার হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা শব্দের আ এবং আশয় শব্দের আ মিলে আ কার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ব + অধীন - এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এটি সাধিত হয়েছে। B) স্বা + অধীন - স্বা বলে কোনো অর্থপূর্ণ মূল শব্দ বাংলায় নেই। C) স্বা + ধীন - ধীন অংশটি কোনো স্বাধীন অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং সন্ধির নিয়ম মানেনি। D) স্ব + ধীন - এখানে সন্ধির মূল নিয়ম অ এবং অ মিলে আ হওয়ার প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বরসন্ধির অ যোগ অ সমান আ সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে সমাধান করা যায়। - স্বাধীন শব্দটিকে ভাঙলে স্ব এবং অধীন দুটি অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘসন্ধি বা স্বরসন্ধির নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অর্থপূর্ণ শব্দ আলাদা করতে পারলে সন্ধি বিচ্ছেদ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
8. 'শবনম' উপন্যাস কার লেখা?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ মুজতবা আলী ১. কেন সঠিক: - 'শবনম' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস এবং এর রচয়িতা প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী। - ফার্সি শব্দ শবনম এর অর্থ শিশির, যা উপন্যাসের নামকরণে এবং এর ভেতরের স্নিগ্ধ রোমান্টিক আবহে গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি রম্যলেখক, প্রাবন্ধিক ও পর্যটক। - তাঁর রচনায় বহুমুখী পাণ্ডিত্য, প্রখর রসিকতা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির এক অপূর্ব সমন্বয় দেখতে পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে বিদেশে ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী, যা কাবুলের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: চাচা কাহিনী ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত একটি বিখ্যাত রম্যরচনা ও গল্পসংকলন, যা কথাসাহিত্যে অনন্য স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'শবনম' উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ক্রীতদাসের হাসি ও জননী। B) সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ — সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি লেখক হলেও তিনি 'শবনম' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হলো অলীক মানুষ। C) জহির রায়হান — জহির রায়হান প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও 'শবনম' তাঁর উপন্যাস নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো আরেক ফাল্গুন ও বরফ গলা নদী। D) সৈয়দ মুজতবা আলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'শবনম' উপন্যাসটি সৈয়দ মুজতবা আলীরই অমর সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: - শবনম শব্দের অর্থ শিশির এবং এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস। - মুজতবা আলীর নামের সাথে শবনম উপন্যাসের নাম মিলিয়ে মনে রাখা যায় যে প্রাবন্ধিক ও ভ্রমণকাহিনী লেখকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনীর নাম প্রায়ই আসে। - তাঁর লেখা দেশে বিদেশে এবং শবনম উভয় গ্রন্থই বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার প্রশ্ন হিসেবে এসেছে।
9. "নানান দেশে নানান ভাষা/বিনে স্বদেশী ভাষা পূরে কি আশা?"— এ পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রামনিধি গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - উক্ত পঙক্তিটি বাংলা টপ্পা গানের জনক রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবুর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত গানের অংশ। - নিজের মাতৃভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দেশপ্রেম এই পঙক্তিটির মূল ভাব ও তাৎপর্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামনিধি গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একজন বিখ্যাত গীতিলেখক ও সুরকার। - তিনি বাংলা ভাষায় টপ্পা গানের প্রবর্তন করেন এবং নিধুবাবুর টপ্পা হিসেবে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নানা দেশের নানা ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা। ব্যাখ্যা: এটি উক্ত পঙক্তিটির সামান্য রূপান্তরিত পাঠ যা বিভিন্ন সংকলনে পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন। ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মাতৃভাষা প্রীতিমূলক আরেকটি বিখ্যাত কবিতা বঙ্গভাষা এর পঙক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতুলপ্রসাদ সেন - তিনি দেশপ্রেম ও ভক্তিগীতির জন্য বিখ্যাত হলেও এই পঙক্তির রচয়িতা নন। B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় - তিনি ঐতিহাসিক নাটক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য পরিচিত হলেও এই পঙক্তিটি তার নয়। C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত - তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত এবং এই পঙক্তিটির সঙ্গে তার রচনার মিল নেই। D) রামনিধি গুপ্ত - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মাতৃভাষার প্রতি আকুলতা প্রকাশ করা নিধুবাবুর টপ্পার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। টপ্পা গান ও মাতৃভাষার টান একসঙ্গে মনে রাখলেই রামনিধি গুপ্ত নামটি সহজে মনে আসবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গানে টপ্পা ধারার প্রবক্তা কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। মাতৃভাষাপ্রীতি সম্পর্কিত বিখ্যাত উদ্ধৃতিগুলো সাহিত্য অংশে বারবার পরীক্ষাতে জানতে চাওয়া হয়।
10. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুরঙ্গ ১. কেন সঠিক: - চতুরঙ্গ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন মতাদর্শ, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং মানব মনের জটিল সম্পর্কের রূপায়ন করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - চতুরঙ্গ উপন্যাসে শচীশ, শ্রীবিলাস, দামিনী ও নিমাইবাবু চরিত্রগুলোর মাধ্যমে জীবনদর্শন ও বিশ্বাসের দ্বন্দ্ব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ভিন্নধর্মী রোমান্টিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাখ ঠাকুরের কোনো বিখ্যাত উপন্যাস নয়, তবে তার নানা রচনায় চোখের রূপক ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুরঙ্গ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) চতুর্দশী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো মৌলিক গ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, তাই এটি ভুল। C) চতুষ্কোণ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো সাহিত্যকর্মের নাম নয়, তাই এটি ভুল। D) চতুষ্পাঠী — এটি প্রাচীনকালের টোল বা সংস্কৃত শিক্ষার শিক্ষাকেন্দ্র বোঝায়, রবীন্দ্রনাথের রচনা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে পড়তে পারো যেমন চোখের বাইরে নৌকাডুবি ও চতুরঙ্গ। - উপন্যাসের নামগুলোর সঙ্গে নামের মিল দেখে গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর নাম ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - চতুরঙ্গ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখবে।
12. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদের অমাবস্যা কেন সঠিক: - চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে বাংলা সাহিত্যে এই গ্রন্থটির বিশেষ ও স্বতন্ত্র একটি স্থান রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের মধ্যভাগের আধুনিক বাংলা উপন্যাসের এক অন্যতম প্রধান স্রষ্টা। - তাঁর উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, অপরাধবোধ ও অস্তিত্ববাদ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। - তাঁর রচিত লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসগুলোও বাংলা সাহিত্যে সমানভাবে জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চাঁদের অমাবস্যা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত একটি উপন্যাস। - B) খোয়াবনামা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নয়, বরং এটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। - C) কাশবনের কন্যা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস নয়, বরং এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক শামসুদ্দীন আবুল কালামের লেখা একটি উপন্যাস। - D) জননী — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সৃষ্টি নয়, এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর মোট উপন্যাস মাত্র তিনটি, যথা লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা এবং কাঁদো নদী কাঁদো। - লেখকের এই স্বল্পসংখ্যক উপন্যাসগুলো ভালোভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
13. কোনটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নেকড়ে অরণ্য ১. কেন সঠিক: - নেকড়ে অরণ্য উপন্যাসটি সরাসরি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। - এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন এবং বাঙালির সশস্ত্র সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নেকড়ে অরণ্য উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বেশ কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনা করে বাংলা সাহিত্যে অনন্য অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: জলাঙ্গি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার প্রেক্ষাপট গ্রামীণ সমাজ ও বাঙালি জাতির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম। B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যার মূল পটভূমি ঊনসত্তরের গণঅভুথ্যান। C) হাজার বছর ধরে — এটি জহির রায়হান রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও কুসংস্কার নিয়ে রচিত। D) নেকড়ে অরণ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের নাম পেলেই মাথায় রাখবে তার দুটি প্রধান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো নেকড়ে অরণ্য এবং জাহান্নাম হইতে বিদায়। - পরীক্ষার হলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম মিলিয়ে ছক করে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - অন্য লেখকদের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেমন সেলিনা হোসেনের হাঙ্গর নদী গ্রেনেড বা রাবেয়া খাতুনের মেঘের পর মেঘ ভালো করে পড়ে রাখবে।
15. 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের পটভূমি—
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ভাষা আন্দোলন কারণ এই উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু হলো একুশে ফেব্রুয়ারি এবং ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট। - উপন্যাসের নাম 'আরেক ফাল্গুন' যার মাধ্যমে বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে বাষ্পীয় ও জীবন্ত করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান। - ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিচারণ ও তার পরবর্তী রাজনৈতিক আন্দোলন চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জননী' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ভিন্ন পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ পটভূমিতে জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'আরেক ফাল্গুন' নয়, বরং 'বরফ গলা নদী' বা 'হাজার বছর ধরে' আলাদা প্রেক্ষাপটের, আর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো 'হাজার বছর ধরে' বা অন্য লেখকের 'রাইফেল রোটি আওরাত'। B) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর। C) দেশভাগ — দেশভাগ পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লাল সালু' বা আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাসসমূহ। D) গণঅভ্যুত্থান — গণঅভ্যুত্থান এই উপন্যাসের সরাসরি মূল পটভূমি নয়, মূল পটভূমি হলো বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফাল্গুন মাসেই একুশে ফেব্রুয়ারি তথা ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল, তাই 'আরেক ফাল্গুন' বললেই ভাষা আন্দোলন মনে রাখবে। - জহির রায়হান মানেই ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের নিবেদিতপ্রাণ সাহিত্যিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জহির রায়হানের প্রথম উপন্যাস 'শেষ বিকেলের মেয়ে' এবং বিখ্যাত চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেয়া'। - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে।
17. 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটির মধ্যে রয়েছে—
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষ্‌ + গ কেন সঠিক: বাংলা যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণের নিয়ম অনুযায়ী 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয় মূর্ধন্য ষ এবং গ এর যোগফলের মাধ্যমে। এখানে মূর্ধন্য ষ এর নিচে হসন্ত থাকে এবং এর সাথে গ যুক্ত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বর্ণের সাথে বর্ণ মিলে যুক্তবর্ণ গঠিত হয় যেখানে প্রথম বর্ণটি সাধারণত অর্ধমাত্রা বা হসন্তযুক্ত থাকে। সংস্কৃত ও তৎসম শব্দে এই যুক্তবর্ণটির ব্যবহার বহুলভাবে দেখা যায়, যা সঠিক উচ্চারণের জন্য জানা জরুরি। উদাহরণস্বরূপ আমরা উষ্ণ, কৃষ্ণ এবং তৃষ্ণা শব্দগুলোতে এই যুক্তবর্ণটির উপস্থিতি লক্ষ্য করতে পারি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষ + ঞ — এই যুক্তবর্ণটি ভুল কারণ এতে নাসিক্য বর্ণ ঞ রয়েছে যা মূল গঠনে অনুপস্থিত। B) ষ + ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু মূল শব্দে গ রয়েছে। C) ঞ্‌ + ষ — এটি ভুল বিন্যাস কারণ প্রথম বর্ণ হিসেবে এখানে ঞ ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। D) ষ্‌ + গ — এটি সঠিক অপশন এবং মূল প্রশ্নের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: উষ্ণ বা কৃষ্ণ বানান মনে রাখলে সহজেই বোঝা যায় যে ষ এর সাথে গ যুক্ত হয়। যুক্তবর্ণ ভাঙার সময় প্রথম বর্ণে হসন্ত এবং দ্বিতীয় বর্ণটি পূর্ণরূপ হিসেবে বসে তা মনে রাখবে।
18. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন—
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী এবং এটি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। - এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে গদ্যের ক্ষেত্রে সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত বা কথ্য রীতির প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং তাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল। - ১৯১৪ সালের বৈশাখ মাসে প্রকাশিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা তাঁর চলিত ভাষারীতিতে রচিত। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা একটি জনপ্রিয় বাংলা ছোটগল্প সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সবুজপত্র' পত্রিকার নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সবুজপত্র' পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও লেখক হলেও এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। C) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম 'ধূমকেতু' ও 'লাঙল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সবুজপত্র'-এর সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল না। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটির সম্পাদনা শুরু করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবুজ রঙের পাতা অর্থাৎ সবুজপত্র উল্টালে বীরবলের মতো বুদ্ধি আসে, এভাবে প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ও পত্রিকা মনে রাখা যায়। - চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী আর সবুজপত্র তাঁরই মুখপত্র হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশের সন ও সম্পাদকের নাম বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রচারে এই পত্রিকার অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
19. বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস বইয়ের নাম কী?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য কেন সঠিক: ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন রচিত এই গ্রন্থটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯০১ সালে প্রকাশিত এই বইটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে গবেষণার প্রথম নির্ভরযোগ্য দলিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ইতিহাস গ্রন্থে প্রাচীন চর্যাপদ থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের সাহিত্যিকদের জীবন ও কর্মের পরিচয় তুলে ধরা হয়। ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রামতনু লাহিড়ী গবেষণা অধ্যাপক হিসেবে এই বিশাল কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন। এই গ্রন্থের মাধ্যমেই বিদেশি গবেষকদের পাশাপাশি বাঙালিরাও নিজেদের সাহিত্যের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে পরিগণিত। B) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত — এটি পরবর্তী সময়ে রচিত একটি সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ হলেও প্রথম গ্রন্থ নয়। C) বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা — এই নামের কোনো প্রামাণ্য প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যে নেই। D) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — সুকুমার সেন বা অন্য লেখকদের এই নামে গ্রন্থ রয়েছে যা অনেক পরের রচনা। মনে রাখার টিপস: দীনেশচন্দ্র সেনের লেখা 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস। নামটি মনে রাখতে 'ব' দিয়ে শুরু হওয়া দুটি প্রধান শব্দের কথা মনে রাখতে পারো।
20. 'ছেলে কাঁদে'—এখানে 'ছেলে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার বা যারা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তা বলে এবং কর্তায় যে কারক হয় তাকে কর্তৃকারক বলে। এখানে 'কাঁদে' ক্রিয়ার কাজটি 'ছেলে' নিজে সম্পাদন করছে, তাই 'ছেলে' পদটি কর্তৃকারক এবং এর সাথে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়ার সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে এবং কারক নির্ণয়ের জন্য পদের সাথে বিভক্তি যুক্ত থাকে। যে শব্দ বা বর্ণ গুচ্ছ শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝায় তাকে বিভক্তি বলে এবং কোনো বিভক্তি প্রকাশ না পেলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা অ বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে ওড়ার কাজটি পাখি নিজে করছে, তাই পাখি পদটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: শিক্ষক আমাদের পড়ান। ব্যাখ্যা: এখানে পড়ানোর কাজটি শিক্ষক করছেন, তাই শিক্ষক পদটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি — ৭মী বিভক্তি হতে হলে শব্দের সাথে এ, য়, তে ইত্যাদি চিহ্ন থাকতে হতো, কিন্তু এখানে তা নেই। B) কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি — কর্মকারক ও ৭মী বিভক্তি দুটির কোনোটিই এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয় কারণ এটি কর্মকারক নয়। D) কর্তৃকারকে ২য়া বিভক্তি — ২য়া বিভক্তি বলতে কে বা রে বিভক্তি বোঝায়, কিন্তু এখানে এই বিভক্তির কোনো চিহ্ন নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: কে বা কারা দিয়ে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্তৃকারক এবং শব্দের শেষে কোনো বিভক্তির চিহ্ন না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য প্রথমে ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করে কর্তা এবং কী বা কাাকে দিয়ে প্রশ্ন করে কর্ম নির্ণয় করতে হবে।
21. 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?'—উক্তিটি কে করেছেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পংক্তিটি অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়ের অন্নদামঙ্গল কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে। - এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো বড় কোনো বিপদে পড়লে সাধারণ বা নিরপরাধ মানুষও তার আক্রমণ থেকে রক্ষা পায় না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় ছিলেন মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি এবং অষ্টাদশ শতকের সবচেয়ে প্রতিভাবান কবি। - রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি হিসেবে তিনি মহারাজের আদেশে অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন এবং তাঁকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন। ব্যাখ্যা: অপরাধী যতই চতুর হোক না কেন, একদিন সে ধরা পড়বেই, যা এই প্রবাদের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। ব্যাখ্যা: নিজের অদক্ষতা বা ব্যর্থতা ঢাকতে অন্য কোনো অজুহাত বা ত্রুটি ধরার প্রবৃত্তি এর দ্বারা প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর কাব্যের নয়। B) ভারতচন্দ্র রায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা ওপরে দেওয়া হয়েছে। C) চণ্ডীদাস — ইনি পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পদকর্তা এবং তাঁর রচিত কোনো কাব্যে এই পংক্তিটি পাওয়া যায় না। D) বড়ু চণ্ডীদাস — ইনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা, যা প্রাক-চৈতন্য যুগের নিদর্শন এবং এর সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতের দেবালয় বা মন্দির পুড়লে তা সহজে এড়ানো যায় না, এভাবে ভারতচন্দ্র রায় নামটি মনে রাখতে পারো। অন্নদামঙ্গল কাব্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় পংক্তিগুলোর মধ্যে এটি একটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রবাদপ্রবচনমূলক পংক্তি কোন কবির রচিত তা জানতে চাওয়া হয়। মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়ের ছন্দের কারুকাজ ও শব্দচয়ন খুব বিখ্যাত।
22. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিরীক্ষণ ১. কেন সঠিক: নিরীক্ষণ শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এটি তৎসম শব্দ যেখানে ই কারান্ত উপসর্গের পর ক বর্ণ থাকার কারণে নিয়ম অনুযায়ী দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলা বানানরীতির প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ণি বা নি উপসর্গের পর যদি ক বর্গীয় বা প বর্গীয় ধ্বনি থাকে, তবে পরবর্তী দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের বানান শুদ্ধ করার জন্য নত্ব বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় যেখানে নির্দিষ্ট কিছু নিয়মে ন-এর পরিবর্তে ণ লেখার বিধান রয়েছে। প্রি, নি, বি ইত্যাদি উপসর্গ কিংবা ঋ-কার, র-কার ও ষ-এর পরে সাধারণত দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ পরিণত হয়, যা শব্দের অর্থ ও রূপ শুদ্ধ রাখতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে নিয়মের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে সঠিক বানান নিশ্চিত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরিচ্ছেদ ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে তৎসম শব্দের বানানরীতি রক্ষা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুসূয়া — এই বানানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ শুদ্ধ বানানে অনুসূয়া শব্দে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করতে হয়। B) স্বচ্ছল — এই বানানে ছ-এর সাথে ফল হিসেবে ল যুক্ত হয়েছে, কিন্তু প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি সচ্ছল হবে যেখানে চ-এর সাথে ছ যুক্ত থাকে। D) সম্পূর্ণ — এই বানানে ম-এর সাথে প যুক্ত হয়েছে, অথচ সঠিক তৎসম বানানে ম-এর সাথে ফ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তৎসম শব্দে নি উপসর্গের সাথে ক বা প বর্গীয় বর্ণ যুক্ত হলে সাধারণত মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হয়। বানান শেখার সময় হ্রস্ব স্বরবর্ণ এবং দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার সতর্কতার সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধানের নিয়ম থেকে প্রায়ই শুদ্ধ বানানের প্রশ্ন এসে থাকে। উপসর্গযুক্ত তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার এবং হ্রস্ব উ-কারের ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
24. 'শূন্যপুরাণ' কাব্য কার রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামাই পণ্ডিত ১. কেন সঠিক: 'শূন্যপুরাণ' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ গদ্য-পদ্যে রচিত স্মৃতিকাবর্ম। রামাই পণ্ডিত এই গ্রন্থের রচয়িতা এবং এটি মূলত ধর্মপূজা পদ্ধতির নির্দেশক একটি গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামাই পণ্ডিত প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নাথধর্ম ও ধর্মপূজা সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একজন বিশিষ্ট সাধক ও কবি। শূন্যপুরাণ গ্রন্থে সৃষ্টিতত্ত্ব, শূন্যবাদ এবং ধর্মঠাকুরের পূজাপদ্ধতি বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিরঞ্জনের রুষা ব্যাখ্যা: শূন্যপুরাণ কাব্যের একটি বিখ্যাত ও আলোচিত অংশ হলো নিরঞ্জনের রুষা, যেখানে তৎকালীন সমাজের ধর্মীয় দ্বন্দ্বের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: ধর্মপূজা বিধান ব্যাখ্যা: এই কাব্যের মাধ্যমে প্রাচীন বাংলায় প্রচলিত লোকায়ত ধর্মবিশ্বাস ও সংস্কারের ইতিহাস জানা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হর্ষবর্ধন — হর্ষবর্ধন প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত সংস্কৃত নাট্যকার ও সম্রাট ছিলেন, বাংলা সাহিত্যের শূন্যপুরাণের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস বৈষ্ণব পদাবলীর একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, যিনি শ্রীকৃষ্ণের ভজন ও পদ রচনার জন্য পরিচিত। C) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শূন্যপুরাণ গ্রন্থের একমাত্র প্রামাণিক রচয়িতা হিসেবে স্বীকৃত। D) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিল ভাষার কবি হলেও বাংলা বৈষ্ণব পদাবলীতে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে, তিনি শূন্যপুরাণ রচনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্যতা মানেই ফাঁকা, আর ফাঁকা মনে পণ্ডিত মানুষ গান বা পুরাণ লেখেন, এভাবে মনে রাখতে পারো শূন্যপুরাণ মানেই রামাই পণ্ডিত। মধ্যযুগের শূন্যবাদ ও ধর্মঠাকুরের পূজার কথা মনে এলেই রামাই পণ্ডিতের নাম মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্যপুরাণ কোন যুগের রচনা এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একইভাবে অন্যান্য ধর্মীয় ও লোকসাহিত্য যেমন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা নাথসাহিত্য কার রচনা, তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
25. 'কোকিল' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কলকন্ঠ ১. কেন সঠিক: - 'কোকিল' শব্দের একটি সুন্দর ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ হলো 'কলকন্ঠ', কারণ এর মিষ্টি বা সুমধুর কণ্ঠের জন্য কোকিলকে এই নামে ডাকা হয়। - কোকিলের কুহুতান বা মধুর স্বরকে বোঝাতেই মূলত কলকন্ঠ শব্দটি ব্যবহার করা হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে এবং একটি শব্দের পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করা যায়। - কোকিলের অন্যান্য জনপ্রিয় সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে পিক, পরভৃত, বসন্তদূত, পিকরাজ এবং কোকিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বসন্তকালে কোকিলের কুহুতান শোনা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে কোকিলের উপস্থিতি বোঝাতে তার স্বভাবসুলভ ডাকের কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: বনভূমিতে আজ পিক ও কলকন্ঠের মধুর ডাক শোনা যাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পিক এবং কলকন্ঠ সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহি — মহি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ভূতল, যা কোকিলের সমার্থক শব্দ নয়। B) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ, যা কোকিলের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। C) কলকন্ঠ — এটি কোকিলের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং মিষ্টি কণ্ঠ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) ইন্দু — ইন্দু শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র, যা কোকিলের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোকিল মানে যার কন্ঠ খুব মিষ্টি, তাই কোকিল থেকে কলকন্ঠ কথাটি মনে রাখা সহজ। - বসন্তকালে কোকিল ডাকে এবং এর সুরকে কলকন্ঠ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাখি ও প্রকৃতির সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই আসে। - কোকিলের সমার্থক শব্দ হিসেবে পিক এবং পরভৃত শব্দ দুটি বারবার পরীক্ষণে দেখা যায়।
26. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম নিদর্শন কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চর্যাপদ হলো প্রাচীনতম নিদর্শন যা হাজার বছরের পুরানো বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যসংকলন হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। মহাপণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান যা সান্ধ ভাষায় রচিত হয়েছিল। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ অর্থাৎ সপ্তম শতক থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যকার একমাত্র প্রামাণিক সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার একটি ঐতিহাসিক সৃষ্টি যা সাহিত্যের বিভিন্ন যুগের বিবর্তন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ — এটি সংস্কৃত ভাষার একটি মহাকাব্য এবং পরে বাংলায় অনূদিত হয়, যা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন নয়। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের একটি কাব্য যা চর্যাপদের অনেক পরের রচনা। C) শূন্যপুরাণ — এটি রামাই পণ্ডিত রচিত একটি ধর্মীয় গ্রন্থ যা মধ্যযুগের নাথ সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রাচীন নিদর্শন নয়। D) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলার প্রথম পদ মানেই চর্যাপদ মনে রাখবে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে এটি আবিষ্কার করেছিলেন এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল এবং এর ভাষা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চর্যাপদের পদকর্তা সংখ্যা এবং টীকাভাষ্যকার মুনি দত্ত সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
27. 'আপনারে বড় বলে, বড় সেই নর/লোকে যারে বড় বলে, বড় সেই হয়'—কার উক্তি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হরিশচন্দ্র মিত্র ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি হরিশচন্দ্র মিত্রের একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে। - আত্মপ্রচারের মাধ্যমে বড় হওয়া যায় না, বরং মানুষের কল্যাণ ও গুণের মাধ্যমেই প্রকৃত বড় হওয়া যায়—এই শাশ্বত নৈতিক কথাই এখানে প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হরিশচন্দ্র মিত্র উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার ছিলেন যিনি নীতিগর্ভ কবিতার জন্য পরিচিত। - এই ধরনের নৈতিক ও প্রবচনমূলক পঙ্‌ক্তি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিক উদ্ধৃতি হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মপ্রচারের চেয়ে কর্মের মূল্যায়ন সব সময় বেশি স্থায়ী হয়। ব্যাখ্যা: মানুষ তার কাজের মাধ্যমেই সমাজে স্মরণীয় হয়ে থাকে, মুখের বড় কথায় নয়। উদাহরণ ২: কীর্তিমানের মৃত্যু নাই। ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত প্রবচন, যা মানুষের সৎকর্ম ও গুণের চিরন্তন সত্তাকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামিনী রায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম প্রখ্যাত নারীবাদী কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্‌ক্তির রচয়িতা নন। B) সুভাষ মুখোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন মার্ক্সবাদী কবি ও সাহিত্যিক, যার সঙ্গে এই উনিশ শতকী পঙ্‌ক্তিটি সম্পর্কিত নয়। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী চেতনার লেখক, যিনি বিংশ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। D) হরিশচন্দ্র মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নৈতিক শিক্ষামূলক এই পঙ্‌ক্তির প্রকৃত রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বড় হওয়ার মাপকাঠি নিয়ে নীতিবাক্যমূলক কবিতা বললে হরিশচন্দ্র মিত্রের নাম স্মরণ করতে পারো। - বিখ্যাত কবি ও প্রবচনগুলো মনে রাখার জন্য নোট খাতায় আলাদা তালিকা তৈরি করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উদ্ধৃতি কার লেখা তা জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য উক্তির মূল ভাব এবং সংশ্লিষ্ট কবির সাধারণ সাহিত্যধারা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
29. Translate from English to Bengali: Misfortune never comes alone.
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিপদ কখনও একা আসে না কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ বাক্য Misfortune never comes alone-এর আক্ষরিক ও ভাবানুবাদ হলো বিপদ কখনও একা আসে না। - এর অর্থ হলো একটি বিপদ আসলে সাধারণত তার সাথে আরও নানা ধরনের বিপদ বা সমস্যা নিয়ে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপদ সবার জীবনে আসে — বাক্যটির ইংরেজি হতে পারে Misfortune comes to everyone's life, যা প্রদত্ত প্রবাদের সঠিক অনুবাদ নয়। B) বিপদ কখনও একা আসে না — এটি প্রদত্ত প্রবাদ বাক্যটির নিখুঁত ও প্রমিত বাংলা অনুবাদ। C) বিপদ কখনও ভাগ্যের প্রতীক নয় — এই বাক্যটির ইংরেজি অর্থ প্রবাদের ভাবার্থ বা শব্দের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। D) বিপদ কখনও আসে না — বাক্যটির ইংরেজি অর্থ দাঁড়ায় Misfortune never comes, যা মূল বাক্যটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: alone শব্দের অর্থ একা এবং misfortune শব্দের অর্থ দুর্ভাগ্য বা বিপদ, তাই শব্দগুলোকে মিলিয়ে অনুবাদ করলে সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
30. All collective nouns are ______ gender.
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) neuter কেন সঠিক: কালেক্টিভ নাউন দ্বারা প্রাণহীন বস্তু বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এদের মূলত ক্লিভ লিঙ্গ বা ইতর প্রাণ হিসেবে ধরা হয়। তাই সব কালেক্টিভ নাউন সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী নিউটার জেন্ডার হয়। এরা মানুষের মতো পুরুষ বা নারীবাচক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) masculine — এটি শুধু পুরুষবাচক প্রাণী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা কালেক্টিভ নাউনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) feminine — এটি শুধু স্ত্রীবাচক প্রাণী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা কালেক্টিভ নাউনের ক্ষেত্রে খাটে না। C) common — এটি পুরুষ বা নারী উভয়কে বোঝায় কিন্তু কালেক্টিভ নাউনের ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণ আলাদা। D) neuter — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালেক্টিভ নাউন সমষ্টিগতভাবে অপ্রাণীবাসক বা ইতরবাচক সত্তা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: দল বা সমষ্টি বোঝালে এবং তা প্রাণহীন বা অচেতন হলে চোখ বন্ধ করে নিউটার জেন্ডার দাগাবে।
31. Which of the following nouns has two plural forms?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) brother কেন সঠিক: 'Brother' নাউনের দুটি বহুবচন রূপ রয়েছে যা হলো 'brothers' এবং 'brethren'। রক্তসম্পর্কের ভাই বোঝাতে 'brothers' এবং ধর্মীয় বা সমাজের ভাই বোঝাতে 'brethren' ব্যবহার করা হয়। আধুনিক ইংরেজিতে এর দুটি রূপই সঠিক বলে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) father — এর শুধুমাত্র একটি বহুবচন রূপ 'fathers' আছে। B) mother — এর শুধুমাত্র একটি বহুবচন রূপ 'mothers' আছে। C) sister — এর শুধুমাত্র একটি বহুবচন রূপ 'সisters' আছে। D) brother — এটি সঠিক কারণ এর দুটি বহুবচন রূপ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: পরিবারের ভাইদের বোঝাতে 'brothers' আর বিশেষ অর্থে 'brethren' মনে রাখবে।
32. The Idiom 'a piece of cake' means-
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a thing that is very easy to do কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'a piece of cake' একটি জনপ্রিয় ইডিয়ম বা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বুঝতে হয়। কোনো কাজ অত্যন্ত সহজ বা অনায়াসসাধ্য বোঝাতে এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a slice of cake — এটি কোনো রূপক অর্থ প্রকাশ করে না বরং কেকের একটি টুকরো বোঝায়, যা ইডিয়মের নিয়মের বাইরে। B) a thing that is very easy to do — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) an inexperienced person — এর অর্থ হলো একজন অভিজ্ঞতাহীন ব্যক্তি, যা এই ইডিয়মের সাথে মেলে না। D) a hidden or secret thing — এর অর্থ হলো কোনো গোপন বিষয়, যা এই ইডিয়মের ব্যাখ্যার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কেক খাওয়া যেমন অত্যন্ত সহজ ও আনন্দের কাজ, তেমনি কোনো কাজ খুব সহজ হলে তাকে কেকের টুকরোর সাথে তুলনা করা হয়।
33. Which of the following does not add 'ves' in the plural form?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) roof কেন সঠিক: সাধারণত যেসকল Noun এর শেষে f বা fe থাকে, তাদের বহুবচন করতে হলে f বা fe তুলে দিয়ে ves যোগ করা হয়। কিন্তু roof শব্দটির শেষে f থাকা সত্ত্বেও এই নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটে এবং শুধু s যোগ করে roofs লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) roof — এই শব্দের শেষে f থাকলেও এর সঠিক বহুবচন হলো roofs এবং এতে নিয়মবহির্ভূতভাবে ves যুক্ত হয় না। B) wife — এই শব্দের শেষে fe থাকায় এর সঠিক বহুবচন করতে হলে fe বাদ দিয়ে ves যুক্ত করে wives লিখতে হয়। C) shelf — এই শব্দের শেষে f থাকায় এর সঠিক বহুবচন করতে হলে f বাদ দিয়ে ves যুক্ত করে shelves লিখতে হয়। D) wolf — এই শব্দের শেষে f থাকায় এর সঠিক বহুবচন করতে হলে f বাদ দিয়ে ves যুক্ত করে wolves লিখতে হয়। মনে রাখার টিপস: কিছু শব্দের শেষে f বা fe থাকলেও ves না হয়ে কেবল s যোগ হয়, যেমন roof, chief, safe ইত্যাদি।
34. The noun form of 'replete' is-
Created 3 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) repletion কেন সঠিক: Replete শব্দটির অর্থ পরিপূর্ণ বা ভরপুর। এর সঠিক নাউন রূপ হলো repletion যার অর্থ পরিপূর্ণতা। শব্দের শেষে tion যুক্ত করে সাধারণত অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) repletation — এই ধরনের কোনো অর্থবহ ইংরেজি শব্দ বা সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ ব্যাকরণে নেই। B) repletence — এই বানানটি ভুল এবং এর কোনো সঠিক শব্দগত ভিত্তি ইংরেজি অভিধানে পাওয়া যায় না। C) replecacy — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে গঠিত নয় এবং এর কোনো অর্থ ইংরেজি ভাষায় নেই। D) repletion — এটি সঠিক কারণ এর বানান এবং প্রত্যয় নিয়ম অনুযায়ী নিখুঁত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি te দিয়ে শেষ হওয়া অনেক adjectives শব্দের শেষে tion যুক্ত করে noun এ রূপান্তর করা হয়।
35. Which one is the correct spelling?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) aquarium কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো a-q-u-a-r-i-u-m যার অর্থ মীনশালা বা জলাধার। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক অক্ষর বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) assasination - সঠিক বানান assassination হবে যেখানে অতিরিক্ত 's' এবং 'n' এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। B) aquarium - এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ জলাধার বা মাছের চৌবাচ্চা। C) armatur - সঠিক বানান armature হবে যার শেষে একটি অতিরিক্ত 'e' যুক্ত থাকে। D) assylum - সঠিক বানান asylum হবে যেখানে একটি মাত্র 's' ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Aquarium বানানে aqua শব্দটির সাথে rium যুক্ত করে সহজে মনে রাখা যায়।
36. The number of COVID-19 related death ______.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has overwhelmed world কেন সঠিক: বাক্যের Subject হলো "The number of", যার অর্থ কোনো কিছুর সংখ্যা। এটি সবসময় Singular হিসেবে গণ্য হয় এবং এর পর Singular Verb বসে। তাই এখানে সঠিক Verb হলো "has", এবং বাক্যটির অর্থ পূর্ণ করতে Active Voice এর "has overwhelmed" ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are overwhelming the world — এখানে Subject Singular হওয়া সত্ত্বেও Plural Verb "are" ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটি ভুল। B) have overwhelmed the world — "The number of" এর পর Plural Verb "have" বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল। C) has overwhelmed world — এটি সঠিক উত্তর। D) has been overwhelmed the world — এখানে Passive Voice ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থপূর্ণ নয় কারণ ভাইরাসটি নিজেই বিশ্বকে আক্রান্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: "The number of" থাকলে Verb সবসময় Singular হয়, কিন্তু "A number of" থাকলে Verb Plural হয়।
37. "She enjoyed herself immensely at the party"—Which of the following option is the closest to the above sentence?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She had a terrific time at the party. কেন সঠিক: মূল বাক্যে "enjoyed immensely" দ্বারা পার্টিতে প্রচণ্ড আনন্দ পাওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে। অপশন এ তে থাকা "terrific time" কথাটির অর্থও খুব চমৎকার বা আনন্দদায়ক সময় কাটানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She had a terrific time at the party — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) She had a terrible time at the party — এখানে "terrible" শব্দের অর্থ ভয়ংকর বা খারাপ, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) She had a horrible time at the party — এখানে "horrible" শব্দের অর্থ অত্যন্ত খারাপ বা বিরক্তিকর, যা আনন্দের সাথে মেলে না। D) She had a horrific time at the party — এখানে "horrific" শব্দের অর্থ ভীতিকর বা আতঙ্কজনক, যা এখানে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রশ্নে কোনো ইতিবাচক শব্দের সমার্থক খুঁজতে গেলে সবসময় ভালো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ বেছে নিতে হবে।
38. A concrete noun is not the name of an object that can be-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) felt কেন সঠিক: Concrete noun হলো এমন সব বস্তুর নাম যা বাহ্যিক পঞ্চইন্দ্রিয় দিয়ে সরাসরি উপলব্ধি করা যায়। felt শব্দটি অনুভূতি বা আবেগকে বোঝায়, যা কোনো বস্তুগত বা দৃশ্যমান বিষয় নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) felt — এটি সঠিক উত্তর কারণ অনুভূতি কেবল মনের ব্যাপার, কোনো বস্তুগত বা দৃশ্যমান কংক্রিট নাউন নয়। B) tasted — এটি ভুল কারণ স্বাদ গ্রহণ করা যায় এমন বস্তু কংক্রিট নাউনের অন্তর্ভুক্ত। C) seen — এটি ভুল কারণ দেখা যায় এমন বস্তু বা প্রাণীকে কংক্রিট নাউন বলা হয়। D) touched — এটি ভুল কারণ স্পর্শ করা যায় এমন পদার্থ বা বস্তুই কংক্রিট নাউন। মনে রাখার টিপস: যে নাউনগুলোকে ছোঁয়া, দেখা, শোনা, ঘ্রাণ বা স্বাদ নেওয়া যায়, সেগুলোকে Concrete noun বলে।
39. Choose the correct antonym of the word "macho"?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) modest কেন সঠিক: macho শব্দটির অর্থ পুরুষালি অহংকার বা ভনিতা যা অতিরিক্ত আত্মপ্রদর্শনের প্রকাশ ঘটায়। modest শব্দটির অর্থ বিনয়ী বা নিরহংকার যা এর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) arrogant — এটি macho শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ অহংকারী বা উদ্ধত। B) haughty — এটিও macho শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ ভাব বা অহংকার। C) modest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) machismo — এটি macho শব্দেরই অন্য একটি রূপ বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: macho মানুষের মধ্যে থাকে অতিরিক্ত অহংকার আর modest মানুষের মধ্যে থাকে নম্রতা ও বিনয়।
40. The problem is anything but easy. — Here 'but' is a/an:
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preposition কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি except বা ব্যাতীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পরে easy adjective টি বসেছে। preposition সাধারণত noun বা adjective এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) conjunction — conjunction দুটি স্বাধীন clause বা শব্দকে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে but কোনো সংযোগের কাজ করছে না। B) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, কিন্তু এখানে but কোনো কিছু modify করছে না। C) preposition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) pronoun — pronoun কোনো noun এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু here but কোনো noun এর পরিবর্তে বসেছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে but এর অর্থ যদি except বা বাদে হয়, তবে তা সাধারণত preposition হিসেবে কাজ করে।
41. Which of the following is a synonym of "diminutive"?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) petite কেন সঠিক: - Diminutive শব্দটির অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র বা ছোট আকৃতির, যা Petite শব্দটির সমার্থক। - Petite সাধারণত কোনো নারী বা বস্তুর ক্ষুদ্র ও সুন্দর গঠন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) petite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ক্ষুদ্র বা খাটো, যা diminutive শব্দের সমার্থক। B) large — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশাল বা বৃহৎ, যা diminutive শব্দের বিপরীতার্থক। C) pigmy — এটি ভুল কারণ পিগমি বলতে নির্দিষ্ট একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে বোঝায়, সাধারণ ছোট অর্থে এটি প্রযোজ্য নয়। D) short — এই অপশনটি ভুল কারণ short মূলত উচ্চতা বা দৈর্ঘ্য কম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা diminutive শব্দের সম্পূর্ণ প্রতিশব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Diminutive ও Petite দুটি শব্দই ছোট বা ক্ষুদ্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এদের একত্রে সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
42. A burnt child dreads the fire. — Here "burnt" is a-
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) past participle কেন সঠিক: এখানে 'burnt' শব্দটি মূল verb 'burn' এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি একই সাথে verb এর কাজ শেষ হওয়া এবং adjective এর মতো noun 'child' কে বিশেষিত করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করে, কিন্তু 'burnt' কোনো ing যুক্ত শব্দ নয়। B) past participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়। C) finite verbs — এটি বাক্যের মূল সমাপিকা ক্রিয়া নয়, কারণ মূল verb হলো 'dreads'। D) present participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ভাব প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: Verb এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ যখন noun এর আগে বসে তার অবস্থা বুঝায় এবং Adjective এর কাজ করে, তখন তা Past Participle হয়।
43. Fill in the blank: Economics ___ my favourite subject.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: Economics দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা শাস্ত্রের নাম। তাই এর সাথে সবসময় একবচন বা singular verb ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — এটি plural verb হওয়ায় singular সাবজেক্ট Economics এর সাথে বসে না। B) সঠিক উত্তর — এটি singular verb যা বিষয়ের নামের সাথে সঠিক হয়। C) had been — বাক্যটি সাধারণ বর্তমান কালের, তাই অতীতকালের perfect continuous tense এখানে বেমানান। D) are — এটি plural verb হওয়ায় singular বিষয়ের নামের সাথে ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: যেসব বিষয়ের নামের শেষে s থাকে যেমন Economics বা Physics, সেগুলো দেখতে plural হলেও সবসময় singular verb গ্রহণ করে।
44. Change into indirect speech: "Are you alone, my son?" asked a soft voice close behind me.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Addressing me as his son a soft voice asked if I was alone. কেন সঠিক: প্রতিবেদনটিতে রিপোর্টেড স্পিচে সম্বোধন থাকলে 'Addressing as' দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয় এবং 'my son' থাকার কারণে 'Addressing me as his son' ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় ইনডাইরেক্ট করার সময় 'asked' বসে এবং 'if' বা 'whether' যুক্ত করতে হয়। এখানে রিপোর্টেড स्पीচটি প্রেজেন্ট টেন্সে থাকায় ইনডাইরেক্ট করার সময় তা পাস্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়ে 'was' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল কারণ — এটি প্রশ্নটির সঠিক গ্রামার ও অর্থ অনুসরণ করেনি এবং ভয়েস চেঞ্জের ভুল নিয়ম ব্যবহার করেছে। B) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি করা হয়েছে। C) ভুল কারণ — এখানে 'told me as his son' ব্যবহার করা হয়েছে যা ন্যারেশনের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) ভুল কারণ — এটি 'my son' সম্বোধনটিকে বাদ দিয়েছে এবং বাক্যের স্ট্রাকচার ভুল রেখেছে। মনে রাখার টিপস: ন্যাসেশনের সময় বাক্যে 'my son' বা কাউকে কিছু বলে সম্বোধন করা থাকলে 'Addressing as' দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয় এবং ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে 'if' ব্যবহার করতে হয়।
45. What is the antonym for 'delete'?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) insert কেন সঠিক: Delete শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। এর বিপরীত শব্দ হলো কোনো কিছু যোগ করা বা প্রবেশ করানো। তাই insert শব্দটি সঠিক উত্তর। এটি delete শব্দের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) delay — এর অর্থ দেরি করা, যা delete শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) injure — এর অর্থ আহত করা, যা delete শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) insert — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) trap — এর অর্থ ফাঁদে ফেলা, যা delete শব্দের বিপরীত অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: Delete মানে মুছে ফেলা আর Insert মানে ভেতরে প্রবেশ করানো। এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
46. Which one has the identical singular and plural form?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) dozen কেন সঠিক: - ডজন (dozen) শব্দটির একবচন (singular) এবং বহুবচন (plural) রূপ একই থাকে। - এর আগে নির্দিষ্ট সংখ্যা বসালেও এর সাথে এস যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) memento — এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো mementos বা mementoes। B) dozen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বহুবচন রূপ dozen ই থাকে। C) alumnus — এটি একটি ল্যাটিন শব্দ এবং এর বহুবচন রূপ alumni। D) basis — এটি একটি গ্রিক শব্দ এবং এর বহুবচন রূপ bases। মনে রাখার টিপস: ডজন, স্কোর, হান্ড্রেড এবং থাউজেন্ড শব্দগুলোর singular ও plural একই হয়।
47. The word 'plebiscite' is related to-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) politics কেন সঠিক: Plebiscite শব্দের অর্থ জনমত বা গণভোট, যা সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনা এবং সরকারের সাথে যুক্ত। এটি একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে দেশের জনগণ কোনো গুরুত্বপূর্ণ নীতি বা আইন নিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করে। এই শব্দটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত পরিচিত অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) music — মিউজিক বা সংগীত শব্দটির সাথে জনভোট বা রাজনৈতিক মতামতের কোনো সম্পর্ক নেই। B) art — আর্ট বা শিল্পকলা মানুষের সৃজনশীলতার প্রকাশ, যা রাজনৈতিক ভোট বা জনমতের সাথে মেলে না। C) theology — থিওলজি বা ধর্মতত্ত্ব হলো ধর্মীয় বিশ্বাসের আলোচনা, যার সাথে রাজনৈতিক গণভোটের কোনো মিল নেই। D) politics — পলিটিক্স বা রাজনীতি হলো সেই ক্ষেত্র যেখানে সরকারের নীতিনির্ধারণের জন্য এমন জনমত বা গণভোটের আয়োজন করা হয়। মনে রাখার টিপস: Plebiscite শব্দটিতে ভোট বা মতামত দেওয়ার ব্যাপার থাকে, তাই এটি রাজনীতি বা politics এর সাথে সম্পর্কিত।
48. Which gender is the word 'spouse'?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Common কেন সঠিক: - 'Spouse' শব্দটি এমন একটি নাউন যা স্বামী বা স্ত্রী উভয়কে বোঝাতে পারে। - নারী বা পুরুষ নির্দিষ্ট করে না বুঝিয়ে উভয় লিঙ্গকে নির্দেশ করায় এটি Common Gender। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক বিশেষ্যকে বোঝায়, যা spouse শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রযোজ্য নয়। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক বিশেষ্যকে বোঝায়, তাই এটি একা সঠিক উত্তর হতে পারে না। C) Common — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি পুরুষ ও নারী উভয়কেই সমানভাবে নির্দেশ করে। D) Neuter — এটি জড়বস্তু বা অজীবিত বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যেই শব্দগুলো দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, যেমন spouse, baby, student, সেগুলো সবসময় Common Gender হয়।
49. Complete the sentence: 'If I had much money, I ______.'
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) would build an orphanage কেন সঠিক: এটি একটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা অবাস্তব শর্তযুক্ত বাক্য। প্রথমাংশে past indefinite tense থাকায় পরের অংশে would এবং verb-এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would build an orphanage — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে would-এর পর verb-এর base form বসেছে। B) would have built an orphanage — এটি থার্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা বাক্যটির প্রথমাংশের সাথে মিলছে না। C) might have built an orphanage — এটিও থার্ড কন্ডিশনাল নির্দেশ করে, তাই এই বাক্যটিতে এটি ব্যবহার করা যায় না। D) should have built an orphanage — এটি অতীতকালের অনুশোচনা বোঝায়, যা এই অবাস্তব শর্তের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: If-এর পর past tense থাকলে পরের অংশে would বসিয়ে verb-এর present form লিখতে হয়।
50. Identify the right option to fill in the gap: We have had tasty and ______ meals.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) nutritious কেন সঠিক: শূন্যস্থানের ঠিক আগে and conjunction থাকায় এর উভয় পাশে সমজাতীয় Parts of Speech বসে। এখানে meals হলো একটি Noun, যা একটি খাবারের নাম বোঝাচ্ছে এবং এর আগে একটি Adjective দরকার। Nutritious শব্দটির অর্থ পুষ্টিকর, যা খাবারের গুণ বোঝাতে সবচেয়ে উপযুক্ত adjective হিসেবে কাজ করে। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় আমরা সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার খেয়েছি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nutritive — এটিও একটি Adjective হলেও এটি সাধারণত পুষ্টিবিজ্ঞান বা গবেষণার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়। B) nutritious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) nutritional — এটি Noun এর সাথে যুক্ত একটি Adjective যা পুষ্টি সংক্রান্ত বিষয় বোঝাতে বসে। D) nutrient — এটি মূলত Noun হিসেবে পুষ্টি উপাদান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: খাবার সুস্বাদু বা পুষ্টিকর বোঝাতে সবসময় nutritious ব্যবহার করবে, আর পুষ্টি সংক্রান্ত বা খাদ্য বিজ্ঞান বোঝাতে nutritional ব্যবহার করবে।
51. Select the sentence in which 'home' is an adjective:
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Have a happy home life. কেন সঠিক: এখানে 'home' শব্দটি 'life' নাউনের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। তাই এই বাক্যে 'home' একটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have good home. — এখানে 'home' নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর আগে ভুলভাবে আর্টিকেল বাদ দেওয়া হয়েছে। B) He went home. — এখানে 'home' একটি অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এটি ভার্বকে নির্দেশ করছে। C) Have a happy home life. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Is he home yet? — এখানে 'home' স্থান নির্দেশক অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ নাউনের আগে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে তা অ্যাডজেক্টিভ হয়।
52. Fill in the blank: English ______ the language of modern technology.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is কেন সঠিক: বাক্যটিতে বর্তমান সময়ের একটি সার্বজনীন সত্য বা সাধারণ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তাই এখানে বর্তমান কালের রূপ হিসেবে 'is' ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। English শব্দটি একটি singular noun বা একবচন বিষয়। তাই এর পরে verb এর singular রূপ হিসেবে 'is' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি অতীতের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বর্তমান প্রযুক্তির কথা বলা হয়েছে বলে এটি ভুল। B) were — এটি plural বা বহুবচনের ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু English একটি singular বিষয় হওয়ায় এটি ভুল। C) is — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। D) will be — এটি ভবিষ্যৎকালের কথা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা বর্তমানের সার্বজনীন সত্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: কোনো চিরন্তন সত্য বা বর্তমান অবস্থার কথা বোঝালে সাধারণত present tense বা 'is' ব্যবহার করতে হয়।
53. Translate from Bengali to English: 'টাকায় টাকা আনে'
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Money begets money. কেন সঠিক: প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদ না করে নির্দিষ্ট প্রবাদটিই ব্যবহার করতে হয়। এখানে 'টাকায় টাকা আনে' এর উপযুক্ত ইংরেজি প্রবাদ হলো Money begets money. 'Begets' শব্দটি প্রজনন বা সৃষ্টি করা অর্থে এখানে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রবাদের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট গঠন ছাড়া অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Money grows money. — 'Grows' শব্দটি টাকা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রবাদ হিসেবে সঠিক নয়। B) Money produce money. — এখানে 'produce' এর সাথে subject অনুযায়ী s যুক্ত করা হয়নি। C) Money begets money. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Money gives birth to money. — টাকার ক্ষেত্রে জন্ম দেওয়া বোঝাতে এই বড় বাক্যটি প্রবাদ হিসেবে ভুল। মনে রাখার টিপস: টাকায় টাকা আনে বোঝালে সবসময় 'Money begets money' প্রবাদটি মুখস্থ রাখবে।
54. Which of the following verbs changes its base form in past and past participle forms?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) breed কেন সঠিক: breed ভার্বটির বেজ ফর্ম, পাস্ট ফর্ম এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম সম্পূর্ণ আলাদা হয়। এর রূপগুলো হলো breed, bred এবং bred। এটি অনিয়মিত ভার্বের একটি চমৎকার উদাহরণ। এই ভার্বটি পরিবর্তনের সময় বানান ও উচ্চারণ দুটোই বদলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) read — এই ভার্বটির বানান এক থাকলেও পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মে উচ্চারণের পরিবর্তন ঘটে। B) breed — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বেজ ফর্ম পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মে পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়। C) spread — এই ভার্বটির বেজ, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মের কোনো পরিবর্তন হয় না। D) hurt — এই ভার্বটির তিনটি রূপই এক থাকে এবং এর কোনো পরিবর্তন হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব ভার্বের শেষে eed থাকে, সাধারণত পাস্ট করার সময় সেগুলোর বানান বদলে ed যুক্ত হয়।
55. Complete the following proverb: Fools rush in where ______.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) angels fear to tread কেন সঠিক: প্রবচনটি একটি সার্বজনীন সত্য প্রকাশ করে যেখানে বহুবচনবাচক subject ব্যবহার করা হয়। তাই এখানে singular বা অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an angel fear to tread — এখানে 'an angel' একবচন হওয়ায় মূল verb-এর সাথে s বা es থাকা উচিত ছিল। B) all angels fear to tread — প্রবচনের নির্দিষ্ট রূপের সাথে 'all' শব্দটি অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। C) every angel fears to tread — প্রবচনের মূল গঠনে 'every' শব্দটি ব্যবহার করার নিয়ম নেই। D) angels fear to tread — এটি প্রবচনের শতভাগ সঠিক ও মূল রূপ যা সার্বজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: প্রবচন বা প্রবাদ বাক্যগুলো সবসময় অপরিবর্তিত থাকে, তাই এগুলো মুখস্থ রাখাই সবচেয়ে ভালো উপায়।
56. Come on, it's time to go home. — Here "home" is a/an:
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverb কেন সঠিক: এখানে home শব্দটি go verb-টিকে modify করছে এবং কোথায় যেতে হবে তার স্থান নির্দেশ করছে। তাই এটি একটি adverb of place হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বা বাক্যের subject বা object নয়, তাই noun হতে পারে না। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই adjective নয়। C) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝায় না, তাই verb হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: go বা come-এর পর home থাকলে তা সাধারণত adverb হয়।
57. x^(x√x) = (x√x)^x হলে, x = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯/৮ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর পাওয়ার x গুণ x এর বর্গমূল সমান x গুণ x এর বর্গমূলের সম্পূর্ণ পাওয়ার x ধরি, x এর মান ধনাত্মক বাস্তব সংখ্যা এবং x এর মান ১ এর সমান নয় অতএব, সমীকরণের বামপক্ষের সূচক হয় x গুণ x এর পাওয়ার এক বাই দুই যা যোগ করলে হয় x এর পাওয়ার তিন বাই দুই সুতরাং, বামপক্ষের মোট সূচক দাঁড়ায় x গুণ x এর পাওয়ার তিন বাই দুই অতএব, ডানপক্ষের ভিতরের অংশ হয় x এর পাওয়ার তিন বাই দুই এবং সম্পূর্ণ ডানপক্ষ হয় x এর পাওয়ার তিন বাই দুই গুণ x অতএব, উভয় পক্ষের সূচক তুলনা করে পাই x গুণ তিন বাই দুই সমান তিন বাই দুই গুণ x এখান থেকে সমাধান করলে x এর সঠিক মান পাওয়া যায় উত্তর: ৯/৮
58. 5¼ ও 2⅛-এর ল.সা.গু—
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫৭/৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৫ এবং ১/৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ২ এবং ১/৮ ধরি, প্রথম মিশ্র ভগ্নাংশটি = ২১/৪ দ্বিতীয় মিশ্র ভগ্নাংশটি = ১৭/৮ অতএব, ভগ্নাংশ দুটির লসাগু নির্ণয়ের সূত্র হলো লবগুলোর লসাগু ভাগ হরগুলোর গসাগু এখানে, লবগুলোর (২১ ও ১৭) লসাগু = ৩৫৭ হরগুলোর (৪ ও ৮) গসাগু = ৪ সুতরাং, নির্ণেয় লসাগু = ৩৫৭ ÷ ৪ উত্তর: ৩৫৭/৪
59. ৩০,০০০ টাকার যৌগিক মুনাফা ১২% হারে ২ বছর পর মুনাফা কত টাকা হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৬৩২ প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৩০০০০ টাকা মুনাফার হার (r) = ১২% বা ০.১২ সময় (n) = ২ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = I অতএব, C = P × (১ + r) এর পাওয়ার n C = ৩০০০০ × (১ + ০.১২) এর পাওয়ার ২ C = ৩০০০০ × (১.১২) এর পাওয়ার ২ সুতরাং, C = ৩০০০০ × ১.২৫৪৪ C = ৩৭৬৩২ টাকা উত্তর: মুনাফা I = ৩৭৬৩২ − ৩০০০০ = ৭৬৩২ টাকা
60. k এর মান কত হলে x² − 3x + 2 + k = 0 সমীকরণের একটি উৎপাদক (x − 3) হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − 3x + 2 + k = 0 একটি উৎপাদক হলো (x − 3) ধরি, বহুপদী ফাংশন f(x) = x² − 3x + 2 + k উৎপাদক উপপাদ্য অনুসারে x − 3 = 0 হলে x = 3 হবে অতএব, f(3) = 0 হলে সমীকরণটি সিদ্ধ হবে x এর মান ৩ বসিয়ে পাই, (3)² − 3(3) + 2 + k = 0 সুতরাং, 9 − 9 + 2 + k = 0 2 + k = 0 উত্তর: k = −২
61. কোনটি মূলদ সংখ্যা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √3/√108 প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে বিভিন্ন অমূলদ ও মূলদ সংখ্যা দেওয়া আছে আমাদের নির্ণয় করতে হবে কোনটি মূলদ সংখ্যা ধরি, প্রদত্ত সংখ্যাটি হলো √3/√108 অতএব, সংখ্যাটিকে লেখা যায় √3 ÷ √(36 × 3) অথবা লেখা যায় √3 ÷ (6 × √3) সুতরাং, লব ও হর থেকে √3 কেটে দিলে থাকে ১ ÷ ৬ উত্তর: ১ ÷ ৬, যা একটি মূলদ সংখ্যা
62. একটি পঞ্চভুজের মৌলিক কর্ণগুলোর সাহায্যে উৎপন্ন ত্রিভুজের সংখ্যা-
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: পঞ্চভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫ কৌণিক বিন্দুর সংখ্যা = ৫ ধরি, যেকোনো শীর্ষবিন্দু থেকে অঙ্কিত মৌলিক কর্ণের সাহায্যে ত্রিভুজ গঠিত হয় মৌলিক কর্ণগুলো পঞ্চভুজটিকে মোট ত্রিভুজে বিভক্ত করে অতএব, ত্রিভুজের সংখ্যা বের করার সূত্র হলো বাহুর সংখ্যা থেকে দুই বিয়োগ করা ৫ বাহু বিশিষ্ট পঞ্চভুজের ক্ষেত্রে ত্রিভুজ সংখ্যা = ৫ − ২ = ৩ সুতরাং, মৌলিক কর্ণগুলোর সাহায্যে উৎপন্ন ত্রিভুজের মোট সংখ্যা = ১০ উত্তর: ১০
63. ২০ থেকে ৪০ পর্যন্ত সংখ্যার মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪টি প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো কুড়ি থেকে চল্লিশ পর্যন্ত এদের মধ্যে থেকে মৌলিক সংখ্যাগুলো আলাদা করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলোর তালিকা শুরু হয় কুড়ি থেকে সংখ্যাগুলোর তালিকা শেষ হয় চল্লিশে অতএব, কুড়ি থেকে ত্রিশ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো তেইশ এবং উনত্রিশ ত্রিশ থেকে চল্লিশ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো একত্রিশ এবং সাঁইত্রিশ সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো দুই যোগ দুই সমান চার উত্তর: ৪টি
64. কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৬ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন ভগ্নাংশ দেওয়া আছে ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/৬, ১/৫, ১/৬ এবং ৩/৭ ধরি, হরগুলোর লসাগু বের করে মান তুলনা করা সহজ হবে অথবা দশমিক মানে রূপান্তর করে তুলনা করা যায় অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ ৫/৬ এর মান প্রায় ০.৮৩ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ ১/৫ এর মান ০.২০ তৃতীয় ভগ্নাংশ ১/৬ এর মান প্রায় ০.১৬ সুতরাং, চতুর্থ ভগ্নাংশ ৩/৭ এর মান প্রায় ০.৪২ প্রাপ্ত মানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট মান ০.১৬ উত্তর: C) ১/৬
65. x/y-এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল y/x?
Created 3 weeks ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (y² − x²) / xy প্রدত্ত তথ্য: ভগ্নাংশ দুটি হলো x ÷ y এবং y ÷ x ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি হলো a অতএব, প্রশ্নমতে, (x ÷ y) + a = y ÷ x সুতরাং, a = (y ÷ x) − (x ÷ y) উত্তর: (y² − x²) / xy
66. সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ সেমি. হলে ত্রিভুজের লম্বের দৈর্ঘ্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ সেমি. ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ৪ সেমি. আমরা জানি, সমবাহু ত্রিভুজের লম্ব বা উচ্চতার সূত্র = (√৩ ÷ ২) × ক অতএব, লম্বের দৈর্ঘ্য = (√৩ ÷ ২) × ৪ দুই দিয়ে চার কে কাটাকাটি করলে পাই = ২ সুতরাং লম্বের দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় = ২√৩ সেমি. উত্তর: ৪√৩ সেমি.
67. ৭ + ১৩ + ১৯ + ২৫ + ............ ধারাটির প্রথম ২০টি পদের যোগফল কত?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২৮০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ a = ৭ সাধারণ পার্থক্য d = ১৩ − ৭ = ৬ ধরি, পদের সংখ্যা n = ২০ শেষ পদ বের করার সূত্রটি হলো a + (n − ১)d অতএব, ধারাটির ২০তম পদ = ৭ + (২০ − ১) × ৬ ২০তম পদ = ৭ + ১৯ × ৬ ২০তম পদ = ৭ + ১১৪ = ১২১ সুতরাং, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র হলো n ÷ ২ গুণ (প্রথম পদ + শেষ পদ) প্রথম ২০টি পদের যোগফল = ২০ ÷ ২ গুণ (৭ + ১২১) উত্তর: ১০ গুণ ১২৮ = ১২৮০
68. (⁵√5)^(5x−2) = (∛5)^(2x+1) সমীকরণের সমাধান কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭/৯ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (⁵√5)^(5x−2) = (∛5)^(2x+1) ধরি, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ৫ এর ওপর মূলগুলোকে ঘাত হিসেবে লেখা যায় প্রথম পক্ষের ঘাত সমান (৫x−2) ÷ ৫ দ্বিতীয় পক্ষের ঘাত সমান (2x+1) ÷ ৩ অতএব, সমীকরণের উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৫ বাদ দেওয়া যায় তাই লেখা যায় (৫x−2) ÷ ৫ = (2x+1) ÷ ৩ সুতরাং, কোনাকোনি গুণ করে পাই ১৫x − ৬ = ১০x + ৫ পক্ষান্তর করে পাই ৫x = ১১ উত্তর: x = ৭/৯
69. f(x) = (4x−7)/(2x−4) একটি ফাংশন হলে f(−1/2) কত?
Created 3 weeks ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯/৫ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = (৪x − ৭) ÷ (২x − ৪) মান বের করতে হবে f(−১ ÷ ২) এর ধরি, x এর মান হলো −১ ÷ ২ অতএব, লবের অংশ = ৪ × (−১ ÷ ২) − ৭ = −২ − ৭ = −৯ হরের অংশ = ২ × (−১ ÷ ২) − ৪ = −১ − ৪ = −৫ সুতরাং, f(−১ ÷ ২) = (−৯) ÷ (−৫) = ৯ ÷ ৫ উত্তর: ৯/৫
70. x² − (a + b)x + ab = 0 সমীকরণের সমাধান সেট হবে—
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a,b প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x² − (a + b)x + ab = 0 ধরি, সমীকরণটির উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, মিডল টার্ম ভেঙে পাই x² − ax − bx + ab = 0 সুতরাং, কমন নিয়ে পাই x(x − a) − b(x − a) = 0 উত্তর: a, b
71. 1/p = √6 + 2 হলে p এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (√৬−২)÷২ প্রদত্ত তথ্য: ১ ÷ p = √৬ + ২ ধরি, p এর মান বের করতে হবে অতএব, p = ১ ÷ (√৬ + ২) হরকে বিপরীত চিহ্ন দ্বারা গুণ করি, p = (√৬ − ২) ÷ ((√৬ + ২) × (√৬ − ২)) হর এর হিসাব করি, p = (√৬ − ২) ÷ ((√৬)² − ২²) লব ও হরের মান বসাই, p = (√৬ − ২) ÷ (৬ − ৪) সুতরাং, p = (√৬ − ২) ÷ ২ উত্তর: (√৬−২)÷২
72. 2x − 2/x = 3 হলে 8(x³ − 1/x³) = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৩ প্রদত্ত তথ্য: ২x − (২ ÷ x) = ৩ মান নির্ণয় করতে হবে ৮(x³ − (১ ÷ x³)) এর ধরি, প্রদত্ত সমীকরণ থেকে ২ কমন নিলে পাই x − (১ ÷ x) = ৩ ÷ ২ এখন x − (১ ÷ x) এর মান পেলাম ১.৫ বা তিনের দুই অংশ অতএব, আমরা জানি a³ − b³ এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a − b)³ + ৩ab(a − b) এখানে x − (১ ÷ x) এর মান ৩ ÷ ২ বসিয়ে পাই এখন, (৩ ÷ ২) এর হোল কিউব হলো ২৭ ÷ ৮ এবং তিনের সাথে তিন গুণ করলে হয় নয় ÷ দুই সুতরাং, বন্ধনীর ভেতরের মান যোগ করে আট দিয়ে গুণ করলে পাই তেষট্টি তাই নির্ণয় মান হলো ৬৩ উত্তর: C) ৬৩
73. একটি লোহার ফাঁপা গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সেমি. ও ২ সেমি. হলে, গোলকের ফাঁপা অংশের আয়তন কত ঘন সেমি.?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬π প্রদত্ত তথ্য: গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সেমি এবং ভেতরের ব্যাস ২ সেমি ধরি, বাইরের ব্যাসার্ধ R = ১০ ÷ ২ = ৫ সেমি ভেতরের ব্যাসার্ধ r = ২ ÷ ২ = ১ সেমি অতএব, বাইরের আয়তন = ৪ ÷ ৩ × π × ৫ এর কিউব ভেতরের আয়তন = ৪ ÷ ৩ × π × ১ এর কিউব সুতরাং, ফাঁপা অংশের আয়তন = (৪ ÷ ৩ × π × ১২৫) − (৪ ÷ ৩ × π × ১) উত্তর: ৩৬π ঘন সেমি
74. ৫০০ এর চেয়ে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০৩ প্রদত্ত তথ্য: ৫০০ এর চেয়ে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে অপশনগুলোতে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো ৫৩৯, ৫০৭, ৫০৩, এবং ৫০১ ধরি, সংখ্যাগুলো হলো ৫৩৯, ৫০৭, ৫০৩ এবং ৫০১ মৌলিক সংখ্যা মানে যে সংখ্যাকে ১ এবং সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না অতএব, ৫৩৯ সংখ্যাটিকে ৭ দিয়ে ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক সংখ্যা নয় ৫০৭ সংখ্যাটিকে ৩ দিয়ে ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক সংখ্যা নয় ৫০১ সংখ্যাটিকে ৩ দিয়ে ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক সংখ্যা নয় সুতরাং, ৫০৩ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫০৩ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না উত্তর: ৫০৩
75. কোন রঙের কাপড়ে চা বেশি সময় গরম থাকে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাদা ১. কেন সঠিক: - সাদা রং ভালো বিকিরক বা প্রতিফলক হওয়ায় কাপের ভেতরের তাপ বাইরে বের হতে পারে না। - তাপ বিকিরণের মাধ্যমে কাপের ভেতরের চা দীর্ঘক্ষণ গরম থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তাপ বিকিরণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো মাধ্যম ছাড়াই তাপ তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে। - কার্যপ্রণালি: হালকা বা সাদা রং তাপ শোষণ কম করে এবং ভেতরের তাপ বাইরে বিকিরণ করতে বাধা দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: তাপ ধরে রাখতে থার্মোফ্লাস্ক বা গরম পানির পাত্র সাধারণত সাদা বা উজ্জ্বল রঙের করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গরমের দিনে সাদা রঙের পোশাক পরা। ব্যাখ্যা: সাদা পোশাক সূর্যের তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করে, ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে। উদাহরণ ২: বাড়ির ছাদে সাদা চুন বা রঙের প্রলেপ দেওয়া। ব্যাখ্যা: সাদা প্রলেপ সূর্যের তাপ প্রতিফলিত করায় ঘরের ভেতর গরম কম অনুভূত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাদা রং তাপ বিকিরণ কম করে এবং চা গরম রাখে। B) কালো — কালো রং তাপের ভালো শোষক ও বিকিরক হওয়ায় কালো কাপ থেকে দ্রুত তাপ বাইরে চলে যায় এবং চা দ্রুত ঠান্ডা হয়। C) নীল — নীল একটি ঘাড় বা রঙিন বস্তু যা সাদা রঙের তুলনায় বেশি তাপ শোষণ ও বিকিরণ করে। D) সকল রঙের কাপড়ে সমান — রঙের পার্থক্যের কারণে তাপ শোষণ ও বিকিরণের হার ভিন্ন হয়, তাই সব কাপড়ে চা সমান সময় গরম থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাদা রং তাপ আটকে রাখে বা প্রতিফলিত করে, আর কালো রং তাপ শোষণ ও বর্জন করে। - চা গরম রাখতে চাইলে সাদা বা উজ্জ্বল রঙের কাপ ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃষ্ণকায় বস্তু বা কালো বস্তু ভালো শোষক এবং ভালো বিকিরক। - এই একই ধারণা থেকে স্টোভের কড়াই বা তাপ বিকিরণ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
76. ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যালুমিনিয়াম ১. কেন সঠিক: ভূপৃষ্ঠে বা ভূত্বকে বিভিন্ন ধরনের মৌল বা উপাদান মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। এর মধ্যে ওজনের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা ধাতব উপাদান হলো অ্যালুমিনিয়াম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভূত্বক মূলত অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম এবং লোহাসহ নানা মৌলের যৌগ নিয়ে গঠিত। রাসায়নিক পরিচয়: অ্যালুমিনিয়াম একটি সক্রিয় ধাতু যার পারমাণবিক সংখ্যা ১৩ এবং প্রতীক Al। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার কাজে ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়ামের পাতিল। ব্যাখ্যা: এটি হালকা ও টেকসই হওয়ায় দৈনন্দিন জীবনে রান্নার পাত্র তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উড়োজাহাজের বডি তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম শিট। ব্যাখ্যা: ধাতু হিসেবে হালকা অথচ শক্ত হওয়ার কারণে বিমান শিল্পে এর ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যালুমিনিয়াম - এটি ভূত্বকে সর্বাধিক প্রাপ্ত ধাতু এবং এর পরিমাণ প্রায় আট শতাংশ। B) লোহা - লোহা ভূপৃষ্ঠে দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত ধাতু এবং এর পরিমাণ প্রায় পাঁচ শতাংশ। C) তামা - তামা বা কপার ভূত্বকে তুলনামূলকভাবে অনেক কম পরিমাণে থাকা একটি স্বল্পপ্রাচুর্যময় ধাতু। D) জিংক - জিংক বা দস্তা ভূত্বকে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে বিদ্যমান একটি ভারী ধাতু। ৫ মনে রাখার টিপস: ভূত্বকের প্রধান ধাতুগুলোর পরিমাণ মনে রাখার জন্য 'আ ল ক না' ছন্দ মনে রাখতে পারো। এখানে আ তে অ্যালুমিনিয়াম এবং ল তে লোহা বোঝানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভূপৃষ্ঠে সামগ্রিকভাবে সবচেয়ে বেশি থাকা মৌল হলো অক্সিজেন এবং ধাতু হিসেবে সর্বোচ্চ হলো অ্যালুমিনিয়াম। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি তথ্যের মধ্যে প্যাচ লাগানোর জন্য প্রশ্ন আসে।
77. কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাগরে কেন সঠিক: ১. সাগরের পানিতে বিভিন্ন লবণের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে যা পানির ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়। ২. পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে মানুষের শরীর সহজেই পানির ওপরে ভেসে থাকতে পারে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. আর্কিমিডিসের প্লবতা সূত্র অনুসারে তরল পদার্থ বস্তুর ওপর ওপরের দিকে একটি ধাক্কা দেয় যাকে প্লবতা বলে। ২. সাগরের লবণাক্ত পানির ঘনত্ব সাধারণ মিষ্টি পানির চেয়ে বেশি হওয়ায় প্লবতা বলও বেশি প্রয়োগ হয়। ৩. মৃত সাগরে অতিরিক্ত লবণের কারণে মানুষ কোনো চেষ্টা ছাড়াই খুব সহজে জলের ওপর শুয়ে থাকতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইমিংপুলে — এখানে পরিশোধিত মিষ্টি পানি ব্যবহার করা হয় যার ঘনত্ব সাগরের পানির তুলনায় বেশ কম। B) পুকুরে — পুকুরের পানি সম্পূর্ণ মিষ্টি পানি হওয়ায় এর প্লবতা বা ভাসিয়ে রাখার ক্ষমতা কম থাকে। C) নদীতে — নদীর পানি সাধারণত বৃষ্টির ও পাহাড়ি ঢলের মিষ্টি পানি হওয়ায় এতে সাঁতার কাটা একটু তুলনামূলক কঠিন। D) সাগরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাগরের লোনা পানির ঘনত্ব বেশি থাকায় সাঁতার কাটা অনেক সহজ হয়। মনে রাখার টিপস: পানির ঘনত্ব যত বেশি হবে, সাঁতার কাটা ততই সহজ হবে। লবণ মেশালে পানির ঘনত্ব বাড়ে, তাই সাগরে সাঁতার কাটা সবচেয়ে সহজ।
78. লোহার মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় কতগুণ দ্রুত চলে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ সঠিক উত্তর: B) ১৮ গুণ ১. কেন সঠিক: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে এবং এটি কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে দ্রুত চলে। বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার, আর লোহায় শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫৯৬০ মিটার, যা বাতাসের গতির প্রায় ১৮ গুণ বেশি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতা এবং ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। মাধ্যম যত বেশি স্থিতিস্থাপক হয়, কণার পারস্পরিক আকর্ষণ তত বেশি থাকে এবং শব্দের বেগও তত বৃদ্ধি পায়। কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের অণুগুলো বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর তুলনায় অনেক কাছাকাছি থাকে। এর ফলে শব্দ তরঙ্গ এক অণু থেকে অন্য অণুতে খুব দ্রুত শক্তি স্থানান্তর করতে পারে এবং দ্রুত এগিয়ে যায়। বাস্তব প্রয়োগ: রেললাইনের পাতে কান পাতলে বহুদূর থেকে ট্রেন আসার শব্দ বাতাসের আগে শোনা যায়। এটি প্রমাণ করে যে কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে অনেক বেশি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির নিচে ডুবুরি বা জলজ প্রাণীরা বাতাসের চেয়ে অনেক দ্রুত শব্দ শুনতে পায়। ব্যাখ্যা: পানি একটি তরল মাধ্যম এবং এর ঘনত্ব বাতাসের চেয়ে বেশি, তাই পানিতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে চার গুণ বেশি হয়। উদাহরণ ২: রেললাইনের লোহার গায়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে অপর প্রান্ত থেকে খুব দ্রুত শব্দ শোনা যায়। ব্যাখ্যা: লোহা অত্যন্ত স্থিতিস্থাপক কঠিন মাধ্যম হওয়ায় শব্দ তরঙ্গ ন্যূনতম বাধায় দ্রুত যাতায়াত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ গুণ — এটি একটি কাছাকাছি মান হলেও বৈজ্ঞানিকভাবে লোহায় শব্দের বেগ বাতাসের ঠিক কুড়ি গুণ নয়। C) ১৫ গুণ — প্রদত্ত প্রশ্নে এই উত্তরটি ভুল কারণ পরীক্ষামূলক মাপে লোহায় শব্দের বেগ বাতাসের তুলনায় প্রায় আঠারো গুণ পাওয়া গেছে। D) ১২ গুণ — এই মানটি অনেক কম এবং এটি অন্য কোনো কম ঘনত্বের ধাতু বা তরল মাধ্যমের শব্দের বেগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: লোহায় শব্দ ছড়ায় আঠারো গুণ গতিতে, বাতাসের সাথে তুলনা করলে এই সংখ্যাটি মনে রাখা সহজ। কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সর্বদা বায়ুর বেগের চেয়ে অনেক বেশি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ থেকে ৩৪৩ মিটার। এই তথ্যটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান অংশে প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
81. কোনটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 7 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেপাটাইটিস ১. কেন সঠিক: - হেপাটাইটিস রোগটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা নয়, বরং ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়। - এটি প্রধানত যকৃত বা লিভারের প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হেপাটাইটিস একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা লিভারের কোষগুলোকে আক্রমণ করে নষ্ট করে দেয়। - কার্যপ্রণালি: হেপাটাইটিস ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে যকৃতের কোষে বংশবৃদ্ধি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। - কারণ ও ফলাফল: হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই ভাইরাসের আক্রমণে জন্ডিস, ক্ষুধামন্দা ও যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আক্রান্ত সিরিঞ্জ বা রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যাখ্যা: এটি যকৃতের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি এবং সিরোসিস রোগ সৃষ্টি করতে পারে। উদাহরণ ২: হেপাটাইটিস এ ভাইরাস সাধারণত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যাখ্যা: এটি সাধারণত তীব্র সংক্রমণ ঘটালেও সঠিক বিশ্রামে অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেপাটাইটিস — এটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) গনোরিয়া — এটি নাইসেরিয়া গনোরি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি যৌনবাহিত রোগ। C) কুষ্ঠ — এটি মাইকোহ্যাক্টেরিয়াম লেপ্রি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি দীর্ঘমেয়াদি ত্বক ও স্নায়ুর রোগ। D) টাইফয়েড জ্বর — এটি সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট পানিবাহিত রোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হেপাটাইটিস শব্দটি লিভারের সাথে যুক্ত এবং এটি ভাইরাস ঘটিত রোগ হিসেবে মনে রাখবে। - ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ মনে রাখার জন্য গনোরিয়া, কুষ্ঠ এবং টাইফয়েড এই নামগুলো তালিকাভুক্ত করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবাণুর ধরন ভিত্তিক রোগ শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের তালিকা আলাদা করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
82. থাইমাস গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইরক্সিন কেন সঠিক: ১. থাইমাস গ্রন্থি মানবদেহের অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরাসরি কাজ করে থাকে। ২. এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন থাইরক্সিন শরীরের লিম্ফোসাইট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি রক্তে মিশে শরীরের বিভিন্ন বিপাকীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ২. থাইমাস গ্রন্থির কোষে উৎপাদিত হরমোন রক্তনালীর মাধ্যমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে কোষীয় অনাক্রম্যতা নিয়ন্ত্রণ করে। ৩. উদাহরণস্বরূপ, মানুষের শৈশবকালে এই গ্রন্থি আকারে বড় থাকে এবং রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইরক্সিন — এটি থাইমাস গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হলেও অপশনে সামান্য বিভ্রান্তি রাখা হয়েছে যা মূল গ্রন্থির নাম নির্দেশ করে। B) প্যারাথাইরক্সিন — এই হরমোনটি প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। C) থাইমোক্সিন — এটি কোনো স্বীকৃত মানব হরমোন নয় বরং প্রশ্নটিকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি একটি কাল্পনিক নাম। D) থাইরোট্রপিন — এটি পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হওয়া একটি হরমোন যা থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। মনে রাখার টিপস: ১. থাইমাস শব্দের সাথে মিল রেখেই থাইরক্সিন হরমোন নামটি সহজে মনে রাখা সম্ভব। ২. থাইমাস গ্রন্থি অনাক্রম্যতা বাড়ায় এবং থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে।
84. একটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর কী ঘটার সম্ভাবনা থাকে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুনামি কেন সঠিক: ১. সমুদ্রের নিচে টেকটনিক প্লেটের হঠাৎ নড়াচড়ার ফলে সৃষ্ট বিশাল জলরাশি তীরভূমির দিকে ধেয়ে আসে। ২. বড় মাপের ভূমিকম্পের ঠিক পরেই সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রচণ্ড আলোড়ন তৈরি হয়ে এই ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. ভূত্বকের নিচে অবস্থিত প্লেটগুলোর সাডেন স্লিপ বা হচচট খাওয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি পানির নিচে মুক্তি পায়। ২. এই শক্তির প্রভাবে সমুদ্রের তলদেশে উল্লম্ব Displacement ঘটে এবং বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক ঢেউয়ের জন্ম হয়। ৩. ভারত মহাসাগরে দুই হাজার চার সালের সুনামির মতো বড় বড় ভূমিকম্পের পর এমন ভয়াবহ দুর্যোগ অতীতেও বহুবার দেখা গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলোচ্ছ্বাস — এটি মূলত শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ বা ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে সাময়িকভাবে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাওয়া বোঝায়। B) বন্যা — অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বা নদীর পানি উপচে পড়ার কারণে এটি ঘটে যা সরাসরি ভূমিকম্পের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ঘূর্ণিঝড় — এটি বায়ুমণ্ডলের নিম্নচাপের ফলে সৃষ্টি হয় এবং এর সাথে ভূগর্ভস্থ ভূকম্পন প্রক্রিয়ার কোনো প্রত্যক্ষ সংযোগ নেই। D) সুনামি — এটি একটি সঠিক অপশন যা সরাসরি সমুদ্রের নিচের ভূমিকম্পের সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: ১. ভূগর্ভে কম্পন হলে পানি কেঁপে ওঠে, আর জলের সেই দানবীয় রূপই হলো সুনামি। ২. মনে রাখবে, বড় ভূকম্পন মানেই সমুদ্রের তলায় বড় বিপদের ঘণ্টা বাজা।
85. বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ মার্চ ১৯৭৩ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের সাংবিধানিক যাত্রাকে সুদৃঢ় করতে এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই নির্বাচন আয়োজন করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর করা হয়। এই সংবিধানের অধীনে প্রথম সাধারণ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। তারিখ ও স্থান: নির্বাচনটি সমগ্র বাংলাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে সাধারণ ৩০০টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার নির্বাচিত হন মোহাম্মদ ক্যাশেম আলী এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসন লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ছিল, যার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল এবং যা ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের ভিত্তি তৈরি করেছিল। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন ব্যাখ্যা: এই সংবিধানের মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সংসদ নির্বাচনের আইনি ভিত্তি ও সাংবিধানিক কাঠামো তৈরি হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, বরং এটি ভুল একটি তারিখ। B) ৭ জানুয়ারি ১৯৭৩ — এটি নির্বাচনের সঠিক তারিখ নয় এবং এই সময় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কিত অন্য কোনো বড় সরকারি ঘোষণা ছিল না। D) ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ — এটি নির্বাচনের তারিখ নয়, কারণ এর আগেই ৭ মার্চ নির্বাচন সম্পন্ন হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর প্রথম সংসদ নির্বাচন ঐতিহাসিক ৭ মার্চেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং ৭ মার্চের নির্বাচন একই দিনে অর্থাৎ ৭ মার্চ তারিখের সাথে সম্পর্কিত করে খুব সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই নির্বাচন থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে, প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসন পেয়েছিল অথবা প্রথম স্পিকার কে ছিলেন। একই বিষয় থেকে সংসদ সদস্যের বয়সসীমা বা সংসদের মেয়াদ সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
86. সোমপুর মহাবিহার বাংলার কোন শাসনামলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাল ১. কেন সঠিক: সোমপুর মহাবিহার পাল রাজবংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল। প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধ স্থাপত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: অষ্টম শতাব্দীতে পাল রাজবংশের আমলে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে এবং এই সময়ে বেশ কিছু বিহার ও মহাবিহার গড়ে ওঠে। তারিখ ও স্থান: এটি বর্তমান বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর নামক স্থানে অবস্থিত। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: পাল রাজা ধর্মপাল এই মহাবিহারের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত এবং এটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়নামতির শালবন বিহার। ব্যাখ্যা: এটিও পাল রাজবংশের আমলের একটি বৌদ্ধ স্থাপত্য নিদর্শন যা কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত। উদাহরণ ২: বিক্রমপুর বিহার। ব্যাখ্যা: এটি মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত আরেকটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার যা পাল ও চন্দ্র রাজবংশের সময়ের ইতিহাস বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌর্য — মৌর্য আমলে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার ঘটলেও সোমপুর মহাবিহারের মতো এত বিশাল স্থাপত্য তখন নির্মিত হয়নি। B) পাল — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি পাল রাজবংশের স্থাপত্য কীর্তি হিসেবে সর্বস্বীকৃত। C) গুপ্ত — গুপ্ত রাজবংশ হিন্দু ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিল এবং সেসময় বাংলায় বৌদ্ধ মহাবিহার নির্মাণের প্রচলন ছিল না। D) চন্দ্র — চন্দ্র রাজবংশ পরবর্তীতে ক্ষমতায় এসেছিল কিন্তু সোমপুর মহাবিহার তাদের নির্মিত কীর্তি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পাল রাজাদের নাম মনে রাখলেই তাদের আমলের বিখ্যাত স্থাপত্য যেমন পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার সহজে মনে রাখা যায়। ধর্মপাল ছিলেন এর নির্মাতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলার স্থাপত্য ও রাজা ধর্মপাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই টপিক থেকে নির্মাণকারী রাজা এবং স্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন বেশি দেখা যায়।
89. বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট কয়টি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৭ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা ব্রি এ পর্যন্ত মোট ১২৭ টি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। - কৃষিক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত জাতগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২. কৃষি, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠা: ১৯৭০ সালে জয়দেবপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। - অবদান: দেশের খাদ্য ঘাটতি মেটাতে এই ইনস্টিটিউট দেশের মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী ধান উদ্ভাবন করে আসছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রি ধান ২৯ ব্যাখ্যা: এটি এই ইনস্টিটিউটের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বোরো মৌসুমের উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত। উদাহরণ ২: ব্রি ধান ৮৯ ব্যাখ্যা: এটি তুলনামূলক কম সময়ে অধিক ফলন দেয় যা কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৩ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি বর্তমান অফিসিয়াল উপাত্তের সঙ্গে মেলে না। B) ১২৭ টি — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের সঠিক সংখ্যা। C) ১২১ টি — এই সংখ্যাটি পুরোনো উপাত্ত নির্দেশ করে যা বর্তমানে পরিবর্তিত হয়েছে। D) ১০১৯ টি — এটি অনেক কম সংখ্যা এবং ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রকৃত অর্জনের চেয়ে বেশ নিচে অবস্থান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত ১২৭ টি জাত উপহার দিয়েছে। - সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য ১২৭ সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট মাইলফলক হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃষি সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান প্রায়ই আসে। - ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রথম উদ্ভাবিত জাত এবং সর্বশেষ জাতের নাম সম্পর্কেও ধারণা রাখা প্রয়োজন।
90. বিশ্বে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩য় ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক কৃষি সংস্থার সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। - অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর পলিমাটি এবং কৃষকদের নিরলস প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশে ধানের বাম্পার ফলন হয়ে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ এবং ধান আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ধান উৎপাদনের নতুন জাত উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমন ধান ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ধান যা বর্ষাকালে উৎপাদিত হয় এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বোরো ধান ব্যাখ্যা: সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদিত এই ধান দেশের মোট ধান উৎপাদনের একটি বড় অংশ দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ম — বিশ্বে ধান উৎপাদনে চীন প্রথম স্থান অধিকার করে আছে এবং বাংলাদেশ প্রথম নয়। B) ২য় — বিশ্বে ধান উৎপাদনে ভারত দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং বাংলাদেশ এই অবস্থানে নেই। C) ৩য় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বমঞ্চে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। D) ৪র্থ — ভিয়েতনাম বা ইন্দোনেশিয়া ধান উৎপাদনে এই অবস্থানে থাকলেও বাংলাদেশ চতুর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধানের উৎপাদনে প্রথম চীন, দ্বিতীয় ভারত এবং বাংলাদেশ হলো তৃতীয়। - এই ক্রমটি মনে রাখলে BCS বা ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে কৃষির অন্যান্য ফসল যেমন পাট বা আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
92. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০১২ কেন সঠিক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ এটি। ২০১২ সালের জুন মাসে দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড ইউপিএল থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ তথ্য: বঙ্গবন্ধুর লেখা এই গ্রন্থটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং ভাষা আন্দোলনের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে সংবিধান ও ইতিহাস গবেষকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ধার করা ডায়েরির খাতা এবং বঙ্গবন্ধুর নিজের হাতের লেখা খসড়ার ওপর ভিত্তি করে গ্রন্থটি প্রকাশ করা হয়। এই বইটি প্রকাশের মাধ্যমে বাঙালি জাতি ভাষা আন্দোলন এবং স্বাধিকার সংগ্রামের অনেক অজানা ঐতিহাসিক সত্য সম্পর্কে জানতে পেরেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি কারণ পান্ডুলিপি সংগ্রহ ও সম্পাদনার কাজ তখনও সম্পূর্ণ শেষ হয়নি। B) সঠিক উত্তর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ২০১২ সালেই বইটি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। C) ২০১৭ — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি কারণ এটি ২০১২ সালের অনেক পরের একটি সাল। D) ২০১৯ — এই সালটিও ভুল কারণ এর অনেক আগেই ২০১২ সালে বইটি বাজারে আসে। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের ষাট বছর পূর্তির বছর অর্থাৎ ২০১২ সালে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়। সংখ্যাটি মনে রাখতে দ্বিজল বা ২০১২ সাল এভাবে মনে রাখতে পারো।
94. পলাশীর যুদ্ধ কবে হয়েছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জুন ১৭৫৭ কেন সঠিক: - এই দিনে নদীমাতৃক বাংলার পলাশীর আমবাগানে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে ঐতিহাসিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। - মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে এই যুদ্ধে নবাবের পতন ঘটে এবং বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের সূচনা হয়। বাংলাদেশ তথ্য: - এই যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলা তার স্বাধীনতা হারায় এবং ব্রিটিশরা ধীরে ধীরে পুরো ভারতীয় উপমহাদেশ দখল করে নেয়। - পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশী নামক ঐতিহাসিক স্থানে এই যুদ্ধটি সংঘটিত হয়েছিল। - এই পরাজয়ের ফলে বাঙালি জাতির দীর্ঘ ২০০ বছরের পরাধীনতার ইতিহাস শুরু হয় যা ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জুন ১৭৫৭ — এই তারিখে যুদ্ধ শুরু হয়নি কারণ উভয় পক্ষের সেনাবাহিনী কেবল পলাশীর প্রান্তরে এসে শিবির স্থাপন করেছিল। B) ২৪ জুন ১৭৫৭ — এই তারিখটি ভুল কারণ ২৩ জুন দুপুরের মধ্যেই যুদ্ধ শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। D) ২৫ জুন ১৭৫৭ — এই তারিখটি ভুল কারণ যুদ্ধের ফলাফল অনেক আগেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল এবং মীর জাফর নবাবের রাজধানী দখল করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: - ১৭৫৭ সালের জুন মাসের তেইশ তারিখ মনে রাখলে পলাশীর যুদ্ধের সঠিক তারিখ সহজে বলা যায়। - ইতিহাসের এই দিনটি বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত যাওয়ার দিন হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।
97. বাংলাদেশ কবে New Development Bank-এর সদস্যপদ লাভ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০২১ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে। - ব্রিকস ব্যাংক হিসেবে পরিচিত এই সংস্থার প্রথম সম্প্রসারণ পর্বে বাংলাদেশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এনডিবি হলো ব্রিকস দেশগুলোর মাধ্যমে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। - তারিখ: ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকটির সদস্যপদ গ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে চুক্তি অনুমোদন করে। - প্রেক্ষাপট: উন্নয়নশীল দেশের অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ব্রিকস এই ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২১ সালে — এই তথ্যটি সঠিক কারণ এই বছরেই বাংলাদেশ এনডিবির সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) ২০২২ সালে — এই বছরটি ভুল কারণ এর আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সদস্যপদ আনুষ্ঠানিকভাবে লাভ করে। C) ২০২৩ সালে — এই বছরটি ভুল কারণ বাংলাদেশ তারও আগে একুশ সালেই এই সংস্থার সাথে যুক্ত হয়। D) ২০২৪ সালে — এই বছরটি ভুল কারণ সাম্প্রতিক সময়ে নয় বরং বাংলাদেশ তিন বছর আগেই এর সদস্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ব্রিকস ব্যাংক বা এনডিবি প্রতিষ্ঠার কিছু সময় পরই বাংলাদেশ একুশ সালে এর সদস্য হয়। ২০২১ সাল এবং নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক একসাথে মনে রাখলেই সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে।
98. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'Secretary of State' কে ছিলেন?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইলিয়াম পি. রজার্স (William P. Rogers) ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা সেক্রেটারি অব স্টেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন উইলিয়াম পি. রজার্স। - সে সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিলেও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কিছু কর্মকর্তা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রজার্স কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির চেষ্টা করেছিলেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও কূটনীতি: - প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন নীতিনির্ধারকরা পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার পক্ষে ছিলেন এবং ভারতকে ঠেকাতে চীন-আমেরিকা অক্ষ তৈরি করেছিলেন। - গুরুত্ব: তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন নীতিগতভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন করলেও আন্তর্জাতিক জনমত এবং কংগ্রেসে রজার্স ও তার দপ্তরের ভূমিকা ছিল ভিন্ন ধারার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেনরি কিসিঞ্জার ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৭১ সালে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার তীব্র বিরোধিতা করে পাকিস্তানকে গোপন সামরিক সহায়তা দিয়েছিলেন। উদাহরণ ২: রিচার্ড নিক্সন ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৭১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তার নির্দেশেই মার্কিন সপ্তম নৌবহর বঙ্গোপসাগরের দিকে পাঠানো হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইলিয়াম পি. রজার্স (William P. Rogers) — ১৯৭১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) হেনরি কিসিঞ্জার — তিনি সে সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা সেক্রেটারি অব স্টেট ছিলেন না। C) চার্লস লি — ইনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন। D) এন্থনি রিংকেন — ইনি ১৯৭১ সালের মার্কিন কূটনীতি বা পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত কোনো পরিচিত নীতিনির্ধারক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সেক্রেটারি অব স্টেট মানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ১৯৭১ সালে এই পদে ছিলেন রজার্স, আর কিসিঞ্জার ছিলেন নিরাপত্তা উপদেষ্টা। - রজার্স ও কিসিঞ্জারের দায়িত্বের এই পার্থক্যটি মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির নাম প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, ১৯৭১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন।
99. 'এস ৪০০' ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া ১. কেন সঠিক: - এস ৪০০ হলো রাশিয়ার তৈরি একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। - বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেমের অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. সামরিক প্রযুক্তি ও ভূরাজনীতি: - দেশ: রাশিয়া, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক দেশ। - প্রেক্ষাপট: এটি সোভিয়েত আমলের এস ৩০০ সিস্টেমের উন্নত সংস্করণ হিসেবে তৈরি করা হয় এবং দুই হাজার সাত সাল থেকে রাশিয়ান সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হয়। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: শত্রুর যুদ্ধবিমান, ক্রুজ মিসাইল এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আকাশে ধ্বংস করা এর মূল কাজ। - ফলাফল ও প্রভাব: এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয়ের কারণে ন্যাটোর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তুরস্কের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুরস্ক এবং এস ৪০০ চুক্তি ব্যাখ্যা: ন্যাটো জোটের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তুরস্ক রাশিয়া থেকে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করায় যুক্তরাষ্ট্র ক্ষুব্ধ হয় এবং তুরস্ককে এফ পঁয়ত্রিশ যুদ্ধবিমান প্রকল্প থেকে বাদ দেয়। উদাহরণ ২: ভারত এবং এস ৪০০ চুক্তি ব্যাখ্যা: ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক সমীকরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুলগেরিয়া — এটি পূর্ব ইউরোপের একটি দেশ এবং সামরিক প্রযুক্তিতে এই ধরনের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উৎপাদনের জন্য পরিচিত নয়। B) ইসরায়েল — এটি অত্যন্ত উন্নত সামরিক প্রযুক্তির দেশ এবং তাদের নিজস্ব আয়রন ডোম বা অ্যারো সিস্টেম রয়েছে, তবে এস ৪০০ তাদের উৎপাদিত নয়। C) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই এস ৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উদ্ভাবিত ও উৎপাদিত হয়েছে। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের অন্যতম সামরিক পরাশক্তি হলেও তারা প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম তৈরি করে, এস ৪০০ তাদের প্রযুক্তি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - এস ৪০০ হলো রাশিয়ার বিশ্বখ্যাত মিসাইল সিস্টেম। - নামের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে এটি মস্কোর বা রাশিয়ার প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান প্রতীক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এস ৪০০ হলো একটি ভূমধ্যঘাতী ও আকাশ প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ব্যবস্থা। - এই টপিক থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে এস ৪০০ কোন দেশের তৈরি অথবা কোন দেশ এই অস্ত্র কেনার কারণে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিল।

মোট প্রশ্ন (28)

2. 'প্রতীচী' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাচ্য কেন সঠিক: ১. প্রতীচী শব্দটির অর্থ হলো পশ্চিম দিক বা পশ্চিমাঞ্চল। ২. এর বিপরীত দিক বা অঞ্চল হিসেবে প্রাচ্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যার অর্থ পূর্ব দিক বা পূর্বাঞ্চল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে দিকবাচক শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ২. ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী পশ্চিমের বিপরীত হিসেবে পূর্ব বা প্রাচ্য শব্দটির প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। ৩. যেমন প্রতীচী দেশ বলতে পশ্চিমা বিশ্বকে এবং প্রাচ্য দেশ বলতে পূর্বাঞ্চলীয় দেশগুলোকে বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্লান — এই শব্দটির অর্থ মলিন বা দীিপ্তিহীন যার বিপরীত শব্দ উজ্জ্বল। C) মিলন — এই শব্দটির অর্থ একত্র হওয়া বা সংযোগ যার বিপরীত শব্দ বিরহ বা বিচ্ছেদ। D) ত্যাগ — এই শব্দটির অর্থ ছেড়ে দেওয়া বা বর্জন করা যার বিপরীত শব্দ গ্রহণ। মনে রাখার টিপস: ১. ইংরেজি শব্দ ওয়েস্ট বা পশ্চিমের সাথে প্রতীচী শব্দটি মনে রাখতে হবে। ২. প্রাচ্য মানে পূর্ব এবং প্রতীচী মানে পশ্চিম, এই জোড়াটি সবসময় বিপরীতার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
3. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুরঙ্গ ১. কেন সঠিক: - চতুরঙ্গ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন মতাদর্শ, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং মানব মনের জটিল সম্পর্কের রূপায়ন করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - চতুরঙ্গ উপন্যাসে শচীশ, শ্রীবিলাস, দামিনী ও নিমাইবাবু চরিত্রগুলোর মাধ্যমে জীবনদর্শন ও বিশ্বাসের দ্বন্দ্ব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ভিন্নধর্মী রোমান্টিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাখ ঠাকুরের কোনো বিখ্যাত উপন্যাস নয়, তবে তার নানা রচনায় চোখের রূপক ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুরঙ্গ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) চতুর্দশী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো মৌলিক গ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, তাই এটি ভুল। C) চতুষ্কোণ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো সাহিত্যকর্মের নাম নয়, তাই এটি ভুল। D) চতুষ্পাঠী — এটি প্রাচীনকালের টোল বা সংস্কৃত শিক্ষার শিক্ষাকেন্দ্র বোঝায়, রবীন্দ্রনাথের রচনা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে পড়তে পারো যেমন চোখের বাইরে নৌকাডুবি ও চতুরঙ্গ। - উপন্যাসের নামগুলোর সঙ্গে নামের মিল দেখে গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর নাম ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - চতুরঙ্গ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখবে।
4. 'স্বাধীন'—এর সন্ধি বিচ্ছেদ:
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্ব + অধীন ১. কেন সঠিক: - 'স্বাধীন' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো স্ব + অধীন। এটি স্বরসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। - এখানে প্রথম পদের শেষ ধ্বনি অ এবং দ্বিতীয় পদের প্রথম ধ্বনি অ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ কিংবা আ এর পর অ কিংবা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং এই আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। - এখানে স্ব শব্দের শেষের অ এবং অধীন শব্দের শুরুর অ মিলে আ কার হয়েছে, যা ধ বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বাধীন গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে হিম শব্দের অ এবং আলয় শব্দের আ মিলে আ কার হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা শব্দের আ এবং আশয় শব্দের আ মিলে আ কার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ব + অধীন - এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এটি সাধিত হয়েছে। B) স্বা + অধীন - স্বা বলে কোনো অর্থপূর্ণ মূল শব্দ বাংলায় নেই। C) স্বা + ধীন - ধীন অংশটি কোনো স্বাধীন অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং সন্ধির নিয়ম মানেনি। D) স্ব + ধীন - এখানে সন্ধির মূল নিয়ম অ এবং অ মিলে আ হওয়ার প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বরসন্ধির অ যোগ অ সমান আ সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে সমাধান করা যায়। - স্বাধীন শব্দটিকে ভাঙলে স্ব এবং অধীন দুটি অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘসন্ধি বা স্বরসন্ধির নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অর্থপূর্ণ শব্দ আলাদা করতে পারলে সন্ধি বিচ্ছেদ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
5. 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটির মধ্যে রয়েছে—
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষ্‌ + গ কেন সঠিক: বাংলা যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণের নিয়ম অনুযায়ী 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয় মূর্ধন্য ষ এবং গ এর যোগফলের মাধ্যমে। এখানে মূর্ধন্য ষ এর নিচে হসন্ত থাকে এবং এর সাথে গ যুক্ত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বর্ণের সাথে বর্ণ মিলে যুক্তবর্ণ গঠিত হয় যেখানে প্রথম বর্ণটি সাধারণত অর্ধমাত্রা বা হসন্তযুক্ত থাকে। সংস্কৃত ও তৎসম শব্দে এই যুক্তবর্ণটির ব্যবহার বহুলভাবে দেখা যায়, যা সঠিক উচ্চারণের জন্য জানা জরুরি। উদাহরণস্বরূপ আমরা উষ্ণ, কৃষ্ণ এবং তৃষ্ণা শব্দগুলোতে এই যুক্তবর্ণটির উপস্থিতি লক্ষ্য করতে পারি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষ + ঞ — এই যুক্তবর্ণটি ভুল কারণ এতে নাসিক্য বর্ণ ঞ রয়েছে যা মূল গঠনে অনুপস্থিত। B) ষ + ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু মূল শব্দে গ রয়েছে। C) ঞ্‌ + ষ — এটি ভুল বিন্যাস কারণ প্রথম বর্ণ হিসেবে এখানে ঞ ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। D) ষ্‌ + গ — এটি সঠিক অপশন এবং মূল প্রশ্নের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: উষ্ণ বা কৃষ্ণ বানান মনে রাখলে সহজেই বোঝা যায় যে ষ এর সাথে গ যুক্ত হয়। যুক্তবর্ণ ভাঙার সময় প্রথম বর্ণে হসন্ত এবং দ্বিতীয় বর্ণটি পূর্ণরূপ হিসেবে বসে তা মনে রাখবে।
7. মীর মশাররফ হোসেনের 'মোসলেম বীরত্ব' কোন ধরনের গ্রন্থ?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যগ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - মীর মশাররফ হোসেনের 'মোসলেম বীরত্ব' একটি ঐতিহাসিক ও বীরত্বগাথা কাব্যামূলক রচনা যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। - এই গ্রন্থে মুসলিম বীরদের বীরত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক কাহিনি পদ্যছন্দে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা তাকে কাব্যগ্রন্থ হিসেবে চিহ্নিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলেও তিনি কিছু পদ্য বা কাব্যগ্রন্থও রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত 'মোসলেম বীরত্ব' একটি পদ্যে রচিত সাহিত্যকর্ম যা মুসলিম বীরদের গৌরবময় ইতিহাস প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মীর মশাররফ হোসেনের 'বিষাদ সিন্ধু' ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস হলেও এর গদ্যশৈলী অত্যন্ত কাব্যিক ও নান্দনিক। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের 'সংগীতা সংগীত' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য পদ্য বা কাব্যধর্মী রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — 'মোসলেম বীরত্ব' কোনো গল্প বা উপন্যাসের কাঠামুতে রচিত গদ্য নয়, এটি পদ্যে রচিত কাব্যগ্রন্থ। B) কাব্যগ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং এটি পদ্যাকারে রচিত একটি বীরত্বগাথা সাহিত্যকর্ম। C) প্রবন্ধ — এই গ্রন্থে কোনো তাত্ত্বিক বা সমালোচনামূলক গদ্য প্রবন্ধের রূপ নেই, বরং এটি কাব্যিক ছন্দে রচিত। D) নাটক — এটি মঞ্চস্থ করার উপযোগী কোনো নাটক বা সংলাপনির্ভর দৃশ্যকাব্য নয়, তাই নাটক বলা ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেনের উপন্যাস ও নাটকের পাশাপাশি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে 'মোসলেম বীরত্ব' নামটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে। - মনে রাখার সহজ উপায় হলো বীরত্বমূলক গাথা সাধারণত কাব্যের মাধ্যমেই প্রকাশ পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস ও নাটকের পাশাপাশি তাঁর কাব্যগ্রন্থ থেকেও প্রশ্ন আসে। - লেখকের ব্যতিক্রমধর্মী রচনাগুলোর ধরন ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
8. 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?'—উক্তিটি কে করেছেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পংক্তিটি অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়ের অন্নদামঙ্গল কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে। - এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো বড় কোনো বিপদে পড়লে সাধারণ বা নিরপরাধ মানুষও তার আক্রমণ থেকে রক্ষা পায় না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় ছিলেন মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি এবং অষ্টাদশ শতকের সবচেয়ে প্রতিভাবান কবি। - রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি হিসেবে তিনি মহারাজের আদেশে অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন এবং তাঁকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন। ব্যাখ্যা: অপরাধী যতই চতুর হোক না কেন, একদিন সে ধরা পড়বেই, যা এই প্রবাদের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। ব্যাখ্যা: নিজের অদক্ষতা বা ব্যর্থতা ঢাকতে অন্য কোনো অজুহাত বা ত্রুটি ধরার প্রবৃত্তি এর দ্বারা প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর কাব্যের নয়। B) ভারতচন্দ্র রায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা ওপরে দেওয়া হয়েছে। C) চণ্ডীদাস — ইনি পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পদকর্তা এবং তাঁর রচিত কোনো কাব্যে এই পংক্তিটি পাওয়া যায় না। D) বড়ু চণ্ডীদাস — ইনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা, যা প্রাক-চৈতন্য যুগের নিদর্শন এবং এর সঙ্গে এই উদ্ধৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতের দেবালয় বা মন্দির পুড়লে তা সহজে এড়ানো যায় না, এভাবে ভারতচন্দ্র রায় নামটি মনে রাখতে পারো। অন্নদামঙ্গল কাব্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় পংক্তিগুলোর মধ্যে এটি একটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রবাদপ্রবচনমূলক পংক্তি কোন কবির রচিত তা জানতে চাওয়া হয়। মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়ের ছন্দের কারুকাজ ও শব্দচয়ন খুব বিখ্যাত।
9. 'শূন্যপুরাণ' কাব্য কার রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামাই পণ্ডিত ১. কেন সঠিক: 'শূন্যপুরাণ' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ গদ্য-পদ্যে রচিত স্মৃতিকাবর্ম। রামাই পণ্ডিত এই গ্রন্থের রচয়িতা এবং এটি মূলত ধর্মপূজা পদ্ধতির নির্দেশক একটি গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামাই পণ্ডিত প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নাথধর্ম ও ধর্মপূজা সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একজন বিশিষ্ট সাধক ও কবি। শূন্যপুরাণ গ্রন্থে সৃষ্টিতত্ত্ব, শূন্যবাদ এবং ধর্মঠাকুরের পূজাপদ্ধতি বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিরঞ্জনের রুষা ব্যাখ্যা: শূন্যপুরাণ কাব্যের একটি বিখ্যাত ও আলোচিত অংশ হলো নিরঞ্জনের রুষা, যেখানে তৎকালীন সমাজের ধর্মীয় দ্বন্দ্বের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: ধর্মপূজা বিধান ব্যাখ্যা: এই কাব্যের মাধ্যমে প্রাচীন বাংলায় প্রচলিত লোকায়ত ধর্মবিশ্বাস ও সংস্কারের ইতিহাস জানা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হর্ষবর্ধন — হর্ষবর্ধন প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত সংস্কৃত নাট্যকার ও সম্রাট ছিলেন, বাংলা সাহিত্যের শূন্যপুরাণের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস বৈষ্ণব পদাবলীর একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, যিনি শ্রীকৃষ্ণের ভজন ও পদ রচনার জন্য পরিচিত। C) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শূন্যপুরাণ গ্রন্থের একমাত্র প্রামাণিক রচয়িতা হিসেবে স্বীকৃত। D) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিল ভাষার কবি হলেও বাংলা বৈষ্ণব পদাবলীতে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে, তিনি শূন্যপুরাণ রচনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্যতা মানেই ফাঁকা, আর ফাঁকা মনে পণ্ডিত মানুষ গান বা পুরাণ লেখেন, এভাবে মনে রাখতে পারো শূন্যপুরাণ মানেই রামাই পণ্ডিত। মধ্যযুগের শূন্যবাদ ও ধর্মঠাকুরের পূজার কথা মনে এলেই রামাই পণ্ডিতের নাম মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্যপুরাণ কোন যুগের রচনা এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একইভাবে অন্যান্য ধর্মীয় ও লোকসাহিত্য যেমন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা নাথসাহিত্য কার রচনা, তা ভালোভাবে পড়তে হবে।
10. 'কোকিল' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কলকন্ঠ ১. কেন সঠিক: - 'কোকিল' শব্দের একটি সুন্দর ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ হলো 'কলকন্ঠ', কারণ এর মিষ্টি বা সুমধুর কণ্ঠের জন্য কোকিলকে এই নামে ডাকা হয়। - কোকিলের কুহুতান বা মধুর স্বরকে বোঝাতেই মূলত কলকন্ঠ শব্দটি ব্যবহার করা হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে এবং একটি শব্দের পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করা যায়। - কোকিলের অন্যান্য জনপ্রিয় সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে পিক, পরভৃত, বসন্তদূত, পিকরাজ এবং কোকিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বসন্তকালে কোকিলের কুহুতান শোনা যায়। ব্যাখ্যা: এখানে কোকিলের উপস্থিতি বোঝাতে তার স্বভাবসুলভ ডাকের কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: বনভূমিতে আজ পিক ও কলকন্ঠের মধুর ডাক শোনা যাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পিক এবং কলকন্ঠ সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহি — মহি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ভূতল, যা কোকিলের সমার্থক শব্দ নয়। B) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চাঁদ, যা কোকিলের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। C) কলকন্ঠ — এটি কোকিলের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং মিষ্টি কণ্ঠ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) ইন্দু — ইন্দু শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র, যা কোকিলের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোকিল মানে যার কন্ঠ খুব মিষ্টি, তাই কোকিল থেকে কলকন্ঠ কথাটি মনে রাখা সহজ। - বসন্তকালে কোকিল ডাকে এবং এর সুরকে কলকন্ঠ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাখি ও প্রকৃতির সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই আসে। - কোকিলের সমার্থক শব্দ হিসেবে পিক এবং পরভৃত শব্দ দুটি বারবার পরীক্ষণে দেখা যায়।
12. 'আপনারে বড় বলে, বড় সেই নর/লোকে যারে বড় বলে, বড় সেই হয়'—কার উক্তি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হরিশচন্দ্র মিত্র ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি হরিশচন্দ্র মিত্রের একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে। - আত্মপ্রচারের মাধ্যমে বড় হওয়া যায় না, বরং মানুষের কল্যাণ ও গুণের মাধ্যমেই প্রকৃত বড় হওয়া যায়—এই শাশ্বত নৈতিক কথাই এখানে প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হরিশচন্দ্র মিত্র উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার ছিলেন যিনি নীতিগর্ভ কবিতার জন্য পরিচিত। - এই ধরনের নৈতিক ও প্রবচনমূলক পঙ্‌ক্তি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিক উদ্ধৃতি হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মপ্রচারের চেয়ে কর্মের মূল্যায়ন সব সময় বেশি স্থায়ী হয়। ব্যাখ্যা: মানুষ তার কাজের মাধ্যমেই সমাজে স্মরণীয় হয়ে থাকে, মুখের বড় কথায় নয়। উদাহরণ ২: কীর্তিমানের মৃত্যু নাই। ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত প্রবচন, যা মানুষের সৎকর্ম ও গুণের চিরন্তন সত্তাকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামিনী রায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম প্রখ্যাত নারীবাদী কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্‌ক্তির রচয়িতা নন। B) সুভাষ মুখোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন মার্ক্সবাদী কবি ও সাহিত্যিক, যার সঙ্গে এই উনিশ শতকী পঙ্‌ক্তিটি সম্পর্কিত নয়। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী চেতনার লেখক, যিনি বিংশ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। D) হরিশচন্দ্র মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নৈতিক শিক্ষামূলক এই পঙ্‌ক্তির প্রকৃত রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বড় হওয়ার মাপকাঠি নিয়ে নীতিবাক্যমূলক কবিতা বললে হরিশচন্দ্র মিত্রের নাম স্মরণ করতে পারো। - বিখ্যাত কবি ও প্রবচনগুলো মনে রাখার জন্য নোট খাতায় আলাদা তালিকা তৈরি করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উদ্ধৃতি কার লেখা তা জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য উক্তির মূল ভাব এবং সংশ্লিষ্ট কবির সাধারণ সাহিত্যধারা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
13. "নানান দেশে নানান ভাষা/বিনে স্বদেশী ভাষা পূরে কি আশা?"— এ পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রামনিধি গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - উক্ত পঙক্তিটি বাংলা টপ্পা গানের জনক রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবুর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত গানের অংশ। - নিজের মাতৃভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দেশপ্রেম এই পঙক্তিটির মূল ভাব ও তাৎপর্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামনিধি গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একজন বিখ্যাত গীতিলেখক ও সুরকার। - তিনি বাংলা ভাষায় টপ্পা গানের প্রবর্তন করেন এবং নিধুবাবুর টপ্পা হিসেবে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নানা দেশের নানা ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা। ব্যাখ্যা: এটি উক্ত পঙক্তিটির সামান্য রূপান্তরিত পাঠ যা বিভিন্ন সংকলনে পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন। ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মাতৃভাষা প্রীতিমূলক আরেকটি বিখ্যাত কবিতা বঙ্গভাষা এর পঙক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতুলপ্রসাদ সেন - তিনি দেশপ্রেম ও ভক্তিগীতির জন্য বিখ্যাত হলেও এই পঙক্তির রচয়িতা নন। B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় - তিনি ঐতিহাসিক নাটক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য পরিচিত হলেও এই পঙক্তিটি তার নয়। C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত - তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত এবং এই পঙক্তিটির সঙ্গে তার রচনার মিল নেই। D) রামনিধি গুপ্ত - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মাতৃভাষার প্রতি আকুলতা প্রকাশ করা নিধুবাবুর টপ্পার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। টপ্পা গান ও মাতৃভাষার টান একসঙ্গে মনে রাখলেই রামনিধি গুপ্ত নামটি সহজে মনে আসবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গানে টপ্পা ধারার প্রবক্তা কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। মাতৃভাষাপ্রীতি সম্পর্কিত বিখ্যাত উদ্ধৃতিগুলো সাহিত্য অংশে বারবার পরীক্ষাতে জানতে চাওয়া হয়।
14. 'বিজিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ—
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিজয়ী ১. কেন সঠিক: - বিজিত শব্দের অর্থ যাকে জয় করা হয়েছে বা পরাজিত ব্যক্তি। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে বিজয়ী শব্দটি। - বিজয়ী বলতে বোঝায় যে নিজে জয় লাভ করেছে বা জয়ী হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং তার বিপরীত ভাবের দিকটি বিবেচনা করতে হয়। - বিজিত এবং বিজয়ী শব্দ দুটি পরস্পর বিপরীতার্থক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নত এবং অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ যা উঁচুতে অবস্থিত এবং এর বিপরীত শব্দ অবনত যার অর্থ নিচু বা নত। উদাহরণ ২: প্রাচীন এবং আধুনিক ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ বহু পুরনো এবং এর বিপরীত শব্দ আধুনিক যার অর্থ সাম্প্রতিক বা নতুন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয়ী — এটি সঠিক উত্তর। B) পরাজিত — পরাজিত শব্দের অর্থ হেরে যাওয়া, যা বিজিত শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) বিচ্যুত — বিচ্যুত শব্দের অর্থ পথভ্রষ্ট বা চ্যুত হওয়া, যার সঙ্গে বিজিত শব্দের বিপরীত অর্থের মিল নেই। D) বর্জিত — বর্জিত শব্দের অর্থ বাদ দেওয়া বা পরিহার করা, যা বিজিত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিজিত মানে যে হেরে গেছে এবং বিজয়ী মানে যে জিতেছে। এভাবে জয় ও পরাজয়ের ধারণার মাধ্যমে বিপরীত শব্দ মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীতার্থক শব্দ দাগানোর সময় সমার্থক শব্দ এবং বিপরীত শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
15. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিরীক্ষণ ১. কেন সঠিক: নিরীক্ষণ শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এটি তৎসম শব্দ যেখানে ই কারান্ত উপসর্গের পর ক বর্ণ থাকার কারণে নিয়ম অনুযায়ী দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলা বানানরীতির প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ণি বা নি উপসর্গের পর যদি ক বর্গীয় বা প বর্গীয় ধ্বনি থাকে, তবে পরবর্তী দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের বানান শুদ্ধ করার জন্য নত্ব বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় যেখানে নির্দিষ্ট কিছু নিয়মে ন-এর পরিবর্তে ণ লেখার বিধান রয়েছে। প্রি, নি, বি ইত্যাদি উপসর্গ কিংবা ঋ-কার, র-কার ও ষ-এর পরে সাধারণত দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ পরিণত হয়, যা শব্দের অর্থ ও রূপ শুদ্ধ রাখতে সহায়তা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে নিয়মের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে সঠিক বানান নিশ্চিত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরিচ্ছেদ ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে তৎসম শব্দের বানানরীতি রক্ষা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুসূয়া — এই বানানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ শুদ্ধ বানানে অনুসূয়া শব্দে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করতে হয়। B) স্বচ্ছল — এই বানানে ছ-এর সাথে ফল হিসেবে ল যুক্ত হয়েছে, কিন্তু প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি সচ্ছল হবে যেখানে চ-এর সাথে ছ যুক্ত থাকে। D) সম্পূর্ণ — এই বানানে ম-এর সাথে প যুক্ত হয়েছে, অথচ সঠিক তৎসম বানানে ম-এর সাথে ফ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তৎসম শব্দে নি উপসর্গের সাথে ক বা প বর্গীয় বর্ণ যুক্ত হলে সাধারণত মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হয়। বানান শেখার সময় হ্রস্ব স্বরবর্ণ এবং দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার সতর্কতার সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধানের নিয়ম থেকে প্রায়ই শুদ্ধ বানানের প্রশ্ন এসে থাকে। উপসর্গযুক্ত তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার এবং হ্রস্ব উ-কারের ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
16. 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের পটভূমি—
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ভাষা আন্দোলন কারণ এই উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু হলো একুশে ফেব্রুয়ারি এবং ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট। - উপন্যাসের নাম 'আরেক ফাল্গুন' যার মাধ্যমে বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে বাষ্পীয় ও জীবন্ত করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান। - ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিচারণ ও তার পরবর্তী রাজনৈতিক আন্দোলন চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জননী' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ভিন্ন পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধ পটভূমিতে জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'আরেক ফাল্গুন' নয়, বরং 'বরফ গলা নদী' বা 'হাজার বছর ধরে' আলাদা প্রেক্ষাপটের, আর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো 'হাজার বছর ধরে' বা অন্য লেখকের 'রাইফেল রোটি আওরাত'। B) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর। C) দেশভাগ — দেশভাগ পটভূমিতে রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লাল সালু' বা আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাসসমূহ। D) গণঅভ্যুত্থান — গণঅভ্যুত্থান এই উপন্যাসের সরাসরি মূল পটভূমি নয়, মূল পটভূমি হলো বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফাল্গুন মাসেই একুশে ফেব্রুয়ারি তথা ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল, তাই 'আরেক ফাল্গুন' বললেই ভাষা আন্দোলন মনে রাখবে। - জহির রায়হান মানেই ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের নিবেদিতপ্রাণ সাহিত্যিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জহির রায়হানের প্রথম উপন্যাস 'শেষ বিকেলের মেয়ে' এবং বিখ্যাত চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেয়া'। - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে।
18. কোনটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নেকড়ে অরণ্য ১. কেন সঠিক: - নেকড়ে অরণ্য উপন্যাসটি সরাসরি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। - এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন এবং বাঙালির সশস্ত্র সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নেকড়ে অরণ্য উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বেশ কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনা করে বাংলা সাহিত্যে অনন্য অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: জলাঙ্গি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার প্রেক্ষাপট গ্রামীণ সমাজ ও বাঙালি জাতির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম। B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যার মূল পটভূমি ঊনসত্তরের গণঅভুথ্যান। C) হাজার বছর ধরে — এটি জহির রায়হান রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও কুসংস্কার নিয়ে রচিত। D) নেকড়ে অরণ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের নাম পেলেই মাথায় রাখবে তার দুটি প্রধান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো নেকড়ে অরণ্য এবং জাহান্নাম হইতে বিদায়। - পরীক্ষার হলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম মিলিয়ে ছক করে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - অন্য লেখকদের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেমন সেলিনা হোসেনের হাঙ্গর নদী গ্রেনেড বা রাবেয়া খাতুনের মেঘের পর মেঘ ভালো করে পড়ে রাখবে।
19. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদের অমাবস্যা কেন সঠিক: - চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে বাংলা সাহিত্যে এই গ্রন্থটির বিশেষ ও স্বতন্ত্র একটি স্থান রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের মধ্যভাগের আধুনিক বাংলা উপন্যাসের এক অন্যতম প্রধান স্রষ্টা। - তাঁর উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, অপরাধবোধ ও অস্তিত্ববাদ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। - তাঁর রচিত লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসগুলোও বাংলা সাহিত্যে সমানভাবে জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চাঁদের অমাবস্যা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত একটি উপন্যাস। - B) খোয়াবনামা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নয়, বরং এটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। - C) কাশবনের কন্যা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস নয়, বরং এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক শামসুদ্দীন আবুল কালামের লেখা একটি উপন্যাস। - D) জননী — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সৃষ্টি নয়, এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর মোট উপন্যাস মাত্র তিনটি, যথা লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা এবং কাঁদো নদী কাঁদো। - লেখকের এই স্বল্পসংখ্যক উপন্যাসগুলো ভালোভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
20. 'শবনম' উপন্যাস কার লেখা?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ মুজতবা আলী ১. কেন সঠিক: - 'শবনম' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস এবং এর রচয়িতা প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী। - ফার্সি শব্দ শবনম এর অর্থ শিশির, যা উপন্যাসের নামকরণে এবং এর ভেতরের স্নিগ্ধ রোমান্টিক আবহে গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি রম্যলেখক, প্রাবন্ধিক ও পর্যটক। - তাঁর রচনায় বহুমুখী পাণ্ডিত্য, প্রখর রসিকতা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির এক অপূর্ব সমন্বয় দেখতে পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে বিদেশে ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী, যা কাবুলের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: চাচা কাহিনী ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত একটি বিখ্যাত রম্যরচনা ও গল্পসংকলন, যা কথাসাহিত্যে অনন্য স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'শবনম' উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ক্রীতদাসের হাসি ও জননী। B) সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ — সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি লেখক হলেও তিনি 'শবনম' উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হলো অলীক মানুষ। C) জহির রায়হান — জহির রায়হান প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও 'শবনম' তাঁর উপন্যাস নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো আরেক ফাল্গুন ও বরফ গলা নদী। D) সৈয়দ মুজতবা আলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'শবনম' উপন্যাসটি সৈয়দ মুজতবা আলীরই অমর সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: - শবনম শব্দের অর্থ শিশির এবং এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস। - মুজতবা আলীর নামের সাথে শবনম উপন্যাসের নাম মিলিয়ে মনে রাখা যায় যে প্রাবন্ধিক ও ভ্রমণকাহিনী লেখকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনীর নাম প্রায়ই আসে। - তাঁর লেখা দেশে বিদেশে এবং শবনম উভয় গ্রন্থই বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার প্রশ্ন হিসেবে এসেছে।
21. 'অগ্নি' শব্দের প্রতিশব্দ—
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃশানু ১. কেন সঠিক: - কৃশানু শব্দটি সংস্কত ভাষা থেকে আগত এবং এর অর্থ আগুন বা অগ্নি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে অগ্নি বোঝাতে এই শব্দটি প্রায়ই ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দের ভান্ডার সমৃদ্ধ করতে এবং বাক্যের বৈচিত্র্য আনতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: এটি অগ্নির অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: এই শব্দটি শুদ্ধ বাংলা ভাষায় অগ্নি বা আগুন বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্তণ্ড — এটি সূর্যের একটি সমার্থক শব্দ, তাই অগ্নি বোঝাতে এটি সঠিক নয়। B) কৃশানু — এটি সঠিক উত্তর। C) ক্ষণপ্রভা — এটি বিদ্যুতের সমার্থক শব্দ, যা আগুন বা অগ্নির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ভানু — এটিও সূর্যের একটি প্রতিশব্দ, তাই এটি অগ্নি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃশানু শব্দটি দেখলেই মনে রাখবে এটি আগুন বা অগ্নিকে নির্দেশ করে। - সূর্য এবং অগ্নির সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে কনফিউশন হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - অগ্নি, সূর্য, নদী এবং আকাশের সমার্থক শব্দগুলো খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
23. কোন রচনাটি কৃষিসংক্রান্ত জ্ঞানে সমৃদ্ধ?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খনার বচন ১. কেন সঠিক: খনার বচন মূলত কৃষি, আবহাওয়া ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত প্রবাদ প্রবচন, যা প্রাচীনকাল থেকে বাংলার কৃষকদের কৃষি কাজে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছে। এতে বীজ বপন, ফসল কাটাসহ ঋতুভিত্তিক বিভিন্ন কৃষিকাজের অত্যন্ত উপযোগী ও বৈজ্ঞানিক তথ্য সহজ ছন্দে তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: খনার বচন বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন ও মূল্যবান সম্পদ, যা মূলত খনা নামক এক বিদূষী নারীর নামানুসারে প্রচলিত হয়েছে। এই বচনগুলোতে গ্রামবাংলার কৃষিজীবন, প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাসের এক নিখুঁত ও বাস্তবসম্মত রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলা রূপো না কাটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত। ব্যাখ্যা: এই ছড়াটিতে কলার চাষ এবং এর বহুমুখী উপকারিতা সম্পর্কে কৃষকদের মূল্যবান পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: যদি বর্ষে পৌষে কুষাণ হাঁসে জলে ভাসে। ব্যাখ্যা: পৌষ মাসের বৃষ্টির ফলে কৃষির ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে, সেই আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রতকথা — এটি মূলত বাঙালি নারীদের পালিত বিভিন্ন ব্রত, পূজা ও লৌকিক আচার-অনুষ্ঠানের কাহিনী নিয়ে রচিত লোকসাহিত্যের একটি শাখা। B) খনার বচন — এটি কৃষিসংক্রান্ত জ্ঞানে সমৃদ্ধ হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। C) মহুয়া — এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রেমকাহিনিভিত্তিক পালাগান, যার সঙ্গে কৃষির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) হারামণি — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কর্তৃক সংগৃহীত ও সম্পাদিত লোকসংগীত বা বাউল গানের একটি বিখ্যাত সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: কৃষি কাজ বা আবহাওয়ার পূর্বাভাস সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন থাকলে চোখ বন্ধ করে খনার বচন উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে পারো। খনা নামটির সঙ্গেই কৃষি ও প্রবাদের এক গভীর ও প্রাচীন ঐতিহ্য জড়িত রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্য বা প্রবাদ প্রবচন থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন এসে থাকে। খনার বচন আবহমান বাংলার কৃষিসংস্কৃতি ও লোকজ্ঞানের এক অনন্য ও প্রামাণ্য দলিল হিসেবে পরিচিত।
24. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম নিদর্শন কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চর্যাপদ হলো প্রাচীনতম নিদর্শন যা হাজার বছরের পুরানো বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যসংকলন হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। মহাপণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান যা সান্ধ ভাষায় রচিত হয়েছিল। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ অর্থাৎ সপ্তম শতক থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যকার একমাত্র প্রামাণিক সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবুজের অভিযান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার একটি ঐতিহাসিক সৃষ্টি যা সাহিত্যের বিভিন্ন যুগের বিবর্তন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ — এটি সংস্কৃত ভাষার একটি মহাকাব্য এবং পরে বাংলায় অনূদিত হয়, যা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন নয়। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের একটি কাব্য যা চর্যাপদের অনেক পরের রচনা। C) শূন্যপুরাণ — এটি রামাই পণ্ডিত রচিত একটি ধর্মীয় গ্রন্থ যা মধ্যযুগের নাথ সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রাচীন নিদর্শন নয়। D) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলার প্রথম পদ মানেই চর্যাপদ মনে রাখবে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে এটি আবিষ্কার করেছিলেন এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল এবং এর ভাষা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চর্যাপদের পদকর্তা সংখ্যা এবং টীকাভাষ্যকার মুনি দত্ত সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
25. বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস বইয়ের নাম কী?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য কেন সঠিক: ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন রচিত এই গ্রন্থটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯০১ সালে প্রকাশিত এই বইটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে গবেষণার প্রথম নির্ভরযোগ্য দলিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ইতিহাস গ্রন্থে প্রাচীন চর্যাপদ থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের সাহিত্যিকদের জীবন ও কর্মের পরিচয় তুলে ধরা হয়। ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রামতনু লাহিড়ী গবেষণা অধ্যাপক হিসেবে এই বিশাল কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন। এই গ্রন্থের মাধ্যমেই বিদেশি গবেষকদের পাশাপাশি বাঙালিরাও নিজেদের সাহিত্যের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে পরিগণিত। B) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত — এটি পরবর্তী সময়ে রচিত একটি সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ হলেও প্রথম গ্রন্থ নয়। C) বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা — এই নামের কোনো প্রামাণ্য প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যে নেই। D) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — সুকুমার সেন বা অন্য লেখকদের এই নামে গ্রন্থ রয়েছে যা অনেক পরের রচনা। মনে রাখার টিপস: দীনেশচন্দ্র সেনের লেখা 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস। নামটি মনে রাখতে 'ব' দিয়ে শুরু হওয়া দুটি প্রধান শব্দের কথা মনে রাখতে পারো।
27. 'ছেলে কাঁদে'—এখানে 'ছেলে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার বা যারা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তা বলে এবং কর্তায় যে কারক হয় তাকে কর্তৃকারক বলে। এখানে 'কাঁদে' ক্রিয়ার কাজটি 'ছেলে' নিজে সম্পাদন করছে, তাই 'ছেলে' পদটি কর্তৃকারক এবং এর সাথে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়ার সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে এবং কারক নির্ণয়ের জন্য পদের সাথে বিভক্তি যুক্ত থাকে। যে শব্দ বা বর্ণ গুচ্ছ শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝায় তাকে বিভক্তি বলে এবং কোনো বিভক্তি প্রকাশ না পেলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা অ বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে ওড়ার কাজটি পাখি নিজে করছে, তাই পাখি পদটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: শিক্ষক আমাদের পড়ান। ব্যাখ্যা: এখানে পড়ানোর কাজটি শিক্ষক করছেন, তাই শিক্ষক পদটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি — ৭মী বিভক্তি হতে হলে শব্দের সাথে এ, য়, তে ইত্যাদি চিহ্ন থাকতে হতো, কিন্তু এখানে তা নেই। B) কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি — কর্মকারক ও ৭মী বিভক্তি দুটির কোনোটিই এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয় কারণ এটি কর্মকারক নয়। D) কর্তৃকারকে ২য়া বিভক্তি — ২য়া বিভক্তি বলতে কে বা রে বিভক্তি বোঝায়, কিন্তু এখানে এই বিভক্তির কোনো চিহ্ন নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: কে বা কারা দিয়ে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্তৃকারক এবং শব্দের শেষে কোনো বিভক্তির চিহ্ন না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য প্রথমে ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করে কর্তা এবং কী বা কাাকে দিয়ে প্রশ্ন করে কর্ম নির্ণয় করতে হবে।
28. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন—
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী এবং এটি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। - এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে গদ্যের ক্ষেত্রে সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত বা কথ্য রীতির প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং তাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল। - ১৯১৪ সালের বৈশাখ মাসে প্রকাশিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা তাঁর চলিত ভাষারীতিতে রচিত। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা একটি জনপ্রিয় বাংলা ছোটগল্প সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সবুজপত্র' পত্রিকার নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সবুজপত্র' পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও লেখক হলেও এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। C) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম 'ধূমকেতু' ও 'লাঙল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সবুজপত্র'-এর সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল না। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটির সম্পাদনা শুরু করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবুজ রঙের পাতা অর্থাৎ সবুজপত্র উল্টালে বীরবলের মতো বুদ্ধি আসে, এভাবে প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ও পত্রিকা মনে রাখা যায়। - চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী আর সবুজপত্র তাঁরই মুখপত্র হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশের সন ও সম্পাদকের নাম বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রচারে এই পত্রিকার অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (28)

1. The noun form of 'replete' is-
Created 3 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) repletion কেন সঠিক: Replete শব্দটির অর্থ পরিপূর্ণ বা ভরপুর। এর সঠিক নাউন রূপ হলো repletion যার অর্থ পরিপূর্ণতা। শব্দের শেষে tion যুক্ত করে সাধারণত অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) repletation — এই ধরনের কোনো অর্থবহ ইংরেজি শব্দ বা সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ ব্যাকরণে নেই। B) repletence — এই বানানটি ভুল এবং এর কোনো সঠিক শব্দগত ভিত্তি ইংরেজি অভিধানে পাওয়া যায় না। C) replecacy — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে গঠিত নয় এবং এর কোনো অর্থ ইংরেজি ভাষায় নেই। D) repletion — এটি সঠিক কারণ এর বানান এবং প্রত্যয় নিয়ম অনুযায়ী নিখুঁত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি te দিয়ে শেষ হওয়া অনেক adjectives শব্দের শেষে tion যুক্ত করে noun এ রূপান্তর করা হয়।
2. A burnt child dreads the fire. — Here "burnt" is a-
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) past participle কেন সঠিক: এখানে 'burnt' শব্দটি মূল verb 'burn' এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি একই সাথে verb এর কাজ শেষ হওয়া এবং adjective এর মতো noun 'child' কে বিশেষিত করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করে, কিন্তু 'burnt' কোনো ing যুক্ত শব্দ নয়। B) past participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়। C) finite verbs — এটি বাক্যের মূল সমাপিকা ক্রিয়া নয়, কারণ মূল verb হলো 'dreads'। D) present participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ভাব প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: Verb এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ যখন noun এর আগে বসে তার অবস্থা বুঝায় এবং Adjective এর কাজ করে, তখন তা Past Participle হয়।
3. Change into indirect speech: "Are you alone, my son?" asked a soft voice close behind me.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Addressing me as his son a soft voice asked if I was alone. কেন সঠিক: প্রতিবেদনটিতে রিপোর্টেড স্পিচে সম্বোধন থাকলে 'Addressing as' দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয় এবং 'my son' থাকার কারণে 'Addressing me as his son' ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় ইনডাইরেক্ট করার সময় 'asked' বসে এবং 'if' বা 'whether' যুক্ত করতে হয়। এখানে রিপোর্টেড स्पीচটি প্রেজেন্ট টেন্সে থাকায় ইনডাইরেক্ট করার সময় তা পাস্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়ে 'was' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল কারণ — এটি প্রশ্নটির সঠিক গ্রামার ও অর্থ অনুসরণ করেনি এবং ভয়েস চেঞ্জের ভুল নিয়ম ব্যবহার করেছে। B) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে তৈরি করা হয়েছে। C) ভুল কারণ — এখানে 'told me as his son' ব্যবহার করা হয়েছে যা ন্যারেশনের নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) ভুল কারণ — এটি 'my son' সম্বোধনটিকে বাদ দিয়েছে এবং বাক্যের স্ট্রাকচার ভুল রেখেছে। মনে রাখার টিপস: ন্যাসেশনের সময় বাক্যে 'my son' বা কাউকে কিছু বলে সম্বোধন করা থাকলে 'Addressing as' দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয় এবং ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে 'if' ব্যবহার করতে হয়।
4. Complete the sentence: 'If I had much money, I ______.'
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) would build an orphanage কেন সঠিক: এটি একটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা অবাস্তব শর্তযুক্ত বাক্য। প্রথমাংশে past indefinite tense থাকায় পরের অংশে would এবং verb-এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would build an orphanage — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে would-এর পর verb-এর base form বসেছে। B) would have built an orphanage — এটি থার্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা বাক্যটির প্রথমাংশের সাথে মিলছে না। C) might have built an orphanage — এটিও থার্ড কন্ডিশনাল নির্দেশ করে, তাই এই বাক্যটিতে এটি ব্যবহার করা যায় না। D) should have built an orphanage — এটি অতীতকালের অনুশোচনা বোঝায়, যা এই অবাস্তব শর্তের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: If-এর পর past tense থাকলে পরের অংশে would বসিয়ে verb-এর present form লিখতে হয়।
5. Which of the following verbs changes its base form in past and past participle forms?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) breed কেন সঠিক: breed ভার্বটির বেজ ফর্ম, পাস্ট ফর্ম এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম সম্পূর্ণ আলাদা হয়। এর রূপগুলো হলো breed, bred এবং bred। এটি অনিয়মিত ভার্বের একটি চমৎকার উদাহরণ। এই ভার্বটি পরিবর্তনের সময় বানান ও উচ্চারণ দুটোই বদলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) read — এই ভার্বটির বানান এক থাকলেও পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মে উচ্চারণের পরিবর্তন ঘটে। B) breed — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বেজ ফর্ম পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মে পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়। C) spread — এই ভার্বটির বেজ, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মের কোনো পরিবর্তন হয় না। D) hurt — এই ভার্বটির তিনটি রূপই এক থাকে এবং এর কোনো পরিবর্তন হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব ভার্বের শেষে eed থাকে, সাধারণত পাস্ট করার সময় সেগুলোর বানান বদলে ed যুক্ত হয়।
6. Complete the following proverb: Fools rush in where ______.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) angels fear to tread কেন সঠিক: প্রবচনটি একটি সার্বজনীন সত্য প্রকাশ করে যেখানে বহুবচনবাচক subject ব্যবহার করা হয়। তাই এখানে singular বা অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an angel fear to tread — এখানে 'an angel' একবচন হওয়ায় মূল verb-এর সাথে s বা es থাকা উচিত ছিল। B) all angels fear to tread — প্রবচনের নির্দিষ্ট রূপের সাথে 'all' শব্দটি অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। C) every angel fears to tread — প্রবচনের মূল গঠনে 'every' শব্দটি ব্যবহার করার নিয়ম নেই। D) angels fear to tread — এটি প্রবচনের শতভাগ সঠিক ও মূল রূপ যা সার্বজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: প্রবচন বা প্রবাদ বাক্যগুলো সবসময় অপরিবর্তিত থাকে, তাই এগুলো মুখস্থ রাখাই সবচেয়ে ভালো উপায়।
7. Choose the correct antonym of the word "macho"?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) modest কেন সঠিক: macho শব্দটির অর্থ পুরুষালি অহংকার বা ভনিতা যা অতিরিক্ত আত্মপ্রদর্শনের প্রকাশ ঘটায়। modest শব্দটির অর্থ বিনয়ী বা নিরহংকার যা এর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) arrogant — এটি macho শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ অহংকারী বা উদ্ধত। B) haughty — এটিও macho শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ ভাব বা অহংকার। C) modest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) machismo — এটি macho শব্দেরই অন্য একটি রূপ বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: macho মানুষের মধ্যে থাকে অতিরিক্ত অহংকার আর modest মানুষের মধ্যে থাকে নম্রতা ও বিনয়।
8. Which of the following is a synonym of "diminutive"?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) petite কেন সঠিক: - Diminutive শব্দটির অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র বা ছোট আকৃতির, যা Petite শব্দটির সমার্থক। - Petite সাধারণত কোনো নারী বা বস্তুর ক্ষুদ্র ও সুন্দর গঠন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) petite — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ক্ষুদ্র বা খাটো, যা diminutive শব্দের সমার্থক। B) large — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বিশাল বা বৃহৎ, যা diminutive শব্দের বিপরীতার্থক। C) pigmy — এটি ভুল কারণ পিগমি বলতে নির্দিষ্ট একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে বোঝায়, সাধারণ ছোট অর্থে এটি প্রযোজ্য নয়। D) short — এই অপশনটি ভুল কারণ short মূলত উচ্চতা বা দৈর্ঘ্য কম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা diminutive শব্দের সম্পূর্ণ প্রতিশব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Diminutive ও Petite দুটি শব্দই ছোট বা ক্ষুদ্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এদের একত্রে সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
9. Come on, it's time to go home. — Here "home" is a/an:
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverb কেন সঠিক: এখানে home শব্দটি go verb-টিকে modify করছে এবং কোথায় যেতে হবে তার স্থান নির্দেশ করছে। তাই এটি একটি adverb of place হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বা বাক্যের subject বা object নয়, তাই noun হতে পারে না। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই adjective নয়। C) adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝায় না, তাই verb হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: go বা come-এর পর home থাকলে তা সাধারণত adverb হয়।
10. Which one is the correct spelling?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) aquarium কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো a-q-u-a-r-i-u-m যার অর্থ মীনশালা বা জলাধার। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক অক্ষর বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) assasination - সঠিক বানান assassination হবে যেখানে অতিরিক্ত 's' এবং 'n' এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। B) aquarium - এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ জলাধার বা মাছের চৌবাচ্চা। C) armatur - সঠিক বানান armature হবে যার শেষে একটি অতিরিক্ত 'e' যুক্ত থাকে। D) assylum - সঠিক বানান asylum হবে যেখানে একটি মাত্র 's' ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Aquarium বানানে aqua শব্দটির সাথে rium যুক্ত করে সহজে মনে রাখা যায়।
11. "She enjoyed herself immensely at the party"—Which of the following option is the closest to the above sentence?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She had a terrific time at the party. কেন সঠিক: মূল বাক্যে "enjoyed immensely" দ্বারা পার্টিতে প্রচণ্ড আনন্দ পাওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে। অপশন এ তে থাকা "terrific time" কথাটির অর্থও খুব চমৎকার বা আনন্দদায়ক সময় কাটানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She had a terrific time at the party — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) She had a terrible time at the party — এখানে "terrible" শব্দের অর্থ ভয়ংকর বা খারাপ, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) She had a horrible time at the party — এখানে "horrible" শব্দের অর্থ অত্যন্ত খারাপ বা বিরক্তিকর, যা আনন্দের সাথে মেলে না। D) She had a horrific time at the party — এখানে "horrific" শব্দের অর্থ ভীতিকর বা আতঙ্কজনক, যা এখানে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রশ্নে কোনো ইতিবাচক শব্দের সমার্থক খুঁজতে গেলে সবসময় ভালো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ বেছে নিতে হবে।
12. The problem is anything but easy. — Here 'but' is a/an:
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preposition কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি except বা ব্যাতীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর পরে easy adjective টি বসেছে। preposition সাধারণত noun বা adjective এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) conjunction — conjunction দুটি স্বাধীন clause বা শব্দকে যুক্ত করে, কিন্তু এখানে but কোনো সংযোগের কাজ করছে না। B) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, কিন্তু এখানে but কোনো কিছু modify করছে না। C) preposition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) pronoun — pronoun কোনো noun এর পরিবর্তে বসে, কিন্তু here but কোনো noun এর পরিবর্তে বসেছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে but এর অর্থ যদি except বা বাদে হয়, তবে তা সাধারণত preposition হিসেবে কাজ করে।
13. Which of the following nouns has two plural forms?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) brother কেন সঠিক: 'Brother' নাউনের দুটি বহুবচন রূপ রয়েছে যা হলো 'brothers' এবং 'brethren'। রক্তসম্পর্কের ভাই বোঝাতে 'brothers' এবং ধর্মীয় বা সমাজের ভাই বোঝাতে 'brethren' ব্যবহার করা হয়। আধুনিক ইংরেজিতে এর দুটি রূপই সঠিক বলে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) father — এর শুধুমাত্র একটি বহুবচন রূপ 'fathers' আছে। B) mother — এর শুধুমাত্র একটি বহুবচন রূপ 'mothers' আছে। C) sister — এর শুধুমাত্র একটি বহুবচন রূপ 'সisters' আছে। D) brother — এটি সঠিক কারণ এর দুটি বহুবচন রূপ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: পরিবারের ভাইদের বোঝাতে 'brothers' আর বিশেষ অর্থে 'brethren' মনে রাখবে।
14. All collective nouns are ______ gender.
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) neuter কেন সঠিক: কালেক্টিভ নাউন দ্বারা প্রাণহীন বস্তু বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এদের মূলত ক্লিভ লিঙ্গ বা ইতর প্রাণ হিসেবে ধরা হয়। তাই সব কালেক্টিভ নাউন সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী নিউটার জেন্ডার হয়। এরা মানুষের মতো পুরুষ বা নারীবাচক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) masculine — এটি শুধু পুরুষবাচক প্রাণী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা কালেক্টিভ নাউনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) feminine — এটি শুধু স্ত্রীবাচক প্রাণী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা কালেক্টিভ নাউনের ক্ষেত্রে খাটে না। C) common — এটি পুরুষ বা নারী উভয়কে বোঝায় কিন্তু কালেক্টিভ নাউনের ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণ আলাদা। D) neuter — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালেক্টিভ নাউন সমষ্টিগতভাবে অপ্রাণীবাসক বা ইতরবাচক সত্তা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: দল বা সমষ্টি বোঝালে এবং তা প্রাণহীন বা অচেতন হলে চোখ বন্ধ করে নিউটার জেন্ডার দাগাবে।
15. Fill in the blank: Economics ___ my favourite subject.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: Economics দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা শাস্ত্রের নাম। তাই এর সাথে সবসময় একবচন বা singular verb ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — এটি plural verb হওয়ায় singular সাবজেক্ট Economics এর সাথে বসে না। B) সঠিক উত্তর — এটি singular verb যা বিষয়ের নামের সাথে সঠিক হয়। C) had been — বাক্যটি সাধারণ বর্তমান কালের, তাই অতীতকালের perfect continuous tense এখানে বেমানান। D) are — এটি plural verb হওয়ায় singular বিষয়ের নামের সাথে ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: যেসব বিষয়ের নামের শেষে s থাকে যেমন Economics বা Physics, সেগুলো দেখতে plural হলেও সবসময় singular verb গ্রহণ করে।
16. The number of COVID-19 related death ______.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has overwhelmed world কেন সঠিক: বাক্যের Subject হলো "The number of", যার অর্থ কোনো কিছুর সংখ্যা। এটি সবসময় Singular হিসেবে গণ্য হয় এবং এর পর Singular Verb বসে। তাই এখানে সঠিক Verb হলো "has", এবং বাক্যটির অর্থ পূর্ণ করতে Active Voice এর "has overwhelmed" ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are overwhelming the world — এখানে Subject Singular হওয়া সত্ত্বেও Plural Verb "are" ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটি ভুল। B) have overwhelmed the world — "The number of" এর পর Plural Verb "have" বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল। C) has overwhelmed world — এটি সঠিক উত্তর। D) has been overwhelmed the world — এখানে Passive Voice ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থপূর্ণ নয় কারণ ভাইরাসটি নিজেই বিশ্বকে আক্রান্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: "The number of" থাকলে Verb সবসময় Singular হয়, কিন্তু "A number of" থাকলে Verb Plural হয়।
17. A concrete noun is not the name of an object that can be-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) felt কেন সঠিক: Concrete noun হলো এমন সব বস্তুর নাম যা বাহ্যিক পঞ্চইন্দ্রিয় দিয়ে সরাসরি উপলব্ধি করা যায়। felt শব্দটি অনুভূতি বা আবেগকে বোঝায়, যা কোনো বস্তুগত বা দৃশ্যমান বিষয় নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) felt — এটি সঠিক উত্তর কারণ অনুভূতি কেবল মনের ব্যাপার, কোনো বস্তুগত বা দৃশ্যমান কংক্রিট নাউন নয়। B) tasted — এটি ভুল কারণ স্বাদ গ্রহণ করা যায় এমন বস্তু কংক্রিট নাউনের অন্তর্ভুক্ত। C) seen — এটি ভুল কারণ দেখা যায় এমন বস্তু বা প্রাণীকে কংক্রিট নাউন বলা হয়। D) touched — এটি ভুল কারণ স্পর্শ করা যায় এমন পদার্থ বা বস্তুই কংক্রিট নাউন। মনে রাখার টিপস: যে নাউনগুলোকে ছোঁয়া, দেখা, শোনা, ঘ্রাণ বা স্বাদ নেওয়া যায়, সেগুলোকে Concrete noun বলে।
18. Translate from English to Bengali: Misfortune never comes alone.
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিপদ কখনও একা আসে না কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ বাক্য Misfortune never comes alone-এর আক্ষরিক ও ভাবানুবাদ হলো বিপদ কখনও একা আসে না। - এর অর্থ হলো একটি বিপদ আসলে সাধারণত তার সাথে আরও নানা ধরনের বিপদ বা সমস্যা নিয়ে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপদ সবার জীবনে আসে — বাক্যটির ইংরেজি হতে পারে Misfortune comes to everyone's life, যা প্রদত্ত প্রবাদের সঠিক অনুবাদ নয়। B) বিপদ কখনও একা আসে না — এটি প্রদত্ত প্রবাদ বাক্যটির নিখুঁত ও প্রমিত বাংলা অনুবাদ। C) বিপদ কখনও ভাগ্যের প্রতীক নয় — এই বাক্যটির ইংরেজি অর্থ প্রবাদের ভাবার্থ বা শব্দের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। D) বিপদ কখনও আসে না — বাক্যটির ইংরেজি অর্থ দাঁড়ায় Misfortune never comes, যা মূল বাক্যটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: alone শব্দের অর্থ একা এবং misfortune শব্দের অর্থ দুর্ভাগ্য বা বিপদ, তাই শব্দগুলোকে মিলিয়ে অনুবাদ করলে সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
19. Which of the following does not add 'ves' in the plural form?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) roof কেন সঠিক: সাধারণত যেসকল Noun এর শেষে f বা fe থাকে, তাদের বহুবচন করতে হলে f বা fe তুলে দিয়ে ves যোগ করা হয়। কিন্তু roof শব্দটির শেষে f থাকা সত্ত্বেও এই নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটে এবং শুধু s যোগ করে roofs লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) roof — এই শব্দের শেষে f থাকলেও এর সঠিক বহুবচন হলো roofs এবং এতে নিয়মবহির্ভূতভাবে ves যুক্ত হয় না। B) wife — এই শব্দের শেষে fe থাকায় এর সঠিক বহুবচন করতে হলে fe বাদ দিয়ে ves যুক্ত করে wives লিখতে হয়। C) shelf — এই শব্দের শেষে f থাকায় এর সঠিক বহুবচন করতে হলে f বাদ দিয়ে ves যুক্ত করে shelves লিখতে হয়। D) wolf — এই শব্দের শেষে f থাকায় এর সঠিক বহুবচন করতে হলে f বাদ দিয়ে ves যুক্ত করে wolves লিখতে হয়। মনে রাখার টিপস: কিছু শব্দের শেষে f বা fe থাকলেও ves না হয়ে কেবল s যোগ হয়, যেমন roof, chief, safe ইত্যাদি।
20. The Idiom 'a piece of cake' means-
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a thing that is very easy to do কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'a piece of cake' একটি জনপ্রিয় ইডিয়ম বা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বুঝতে হয়। কোনো কাজ অত্যন্ত সহজ বা অনায়াসসাধ্য বোঝাতে এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a slice of cake — এটি কোনো রূপক অর্থ প্রকাশ করে না বরং কেকের একটি টুকরো বোঝায়, যা ইডিয়মের নিয়মের বাইরে। B) a thing that is very easy to do — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) an inexperienced person — এর অর্থ হলো একজন অভিজ্ঞতাহীন ব্যক্তি, যা এই ইডিয়মের সাথে মেলে না। D) a hidden or secret thing — এর অর্থ হলো কোনো গোপন বিষয়, যা এই ইডিয়মের ব্যাখ্যার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কেক খাওয়া যেমন অত্যন্ত সহজ ও আনন্দের কাজ, তেমনি কোনো কাজ খুব সহজ হলে তাকে কেকের টুকরোর সাথে তুলনা করা হয়।
21. Translate from Bengali to English: 'টাকায় টাকা আনে'
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Money begets money. কেন সঠিক: প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদ না করে নির্দিষ্ট প্রবাদটিই ব্যবহার করতে হয়। এখানে 'টাকায় টাকা আনে' এর উপযুক্ত ইংরেজি প্রবাদ হলো Money begets money. 'Begets' শব্দটি প্রজনন বা সৃষ্টি করা অর্থে এখানে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রবাদের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট গঠন ছাড়া অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Money grows money. — 'Grows' শব্দটি টাকা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রবাদ হিসেবে সঠিক নয়। B) Money produce money. — এখানে 'produce' এর সাথে subject অনুযায়ী s যুক্ত করা হয়নি। C) Money begets money. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Money gives birth to money. — টাকার ক্ষেত্রে জন্ম দেওয়া বোঝাতে এই বড় বাক্যটি প্রবাদ হিসেবে ভুল। মনে রাখার টিপস: টাকায় টাকা আনে বোঝালে সবসময় 'Money begets money' প্রবাদটি মুখস্থ রাখবে।
22. Fill in the blank: English ______ the language of modern technology.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is কেন সঠিক: বাক্যটিতে বর্তমান সময়ের একটি সার্বজনীন সত্য বা সাধারণ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তাই এখানে বর্তমান কালের রূপ হিসেবে 'is' ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। English শব্দটি একটি singular noun বা একবচন বিষয়। তাই এর পরে verb এর singular রূপ হিসেবে 'is' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি অতীতের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বর্তমান প্রযুক্তির কথা বলা হয়েছে বলে এটি ভুল। B) were — এটি plural বা বহুবচনের ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু English একটি singular বিষয় হওয়ায় এটি ভুল। C) is — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। D) will be — এটি ভবিষ্যৎকালের কথা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা বর্তমানের সার্বজনীন সত্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: কোনো চিরন্তন সত্য বা বর্তমান অবস্থার কথা বোঝালে সাধারণত present tense বা 'is' ব্যবহার করতে হয়।
23. Select the sentence in which 'home' is an adjective:
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Have a happy home life. কেন সঠিক: এখানে 'home' শব্দটি 'life' নাউনের ঠিক পূর্বে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। তাই এই বাক্যে 'home' একটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have good home. — এখানে 'home' নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর আগে ভুলভাবে আর্টিকেল বাদ দেওয়া হয়েছে। B) He went home. — এখানে 'home' একটি অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এটি ভার্বকে নির্দেশ করছে। C) Have a happy home life. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Is he home yet? — এখানে 'home' স্থান নির্দেশক অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ নাউনের আগে বসে তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে তা অ্যাডজেক্টিভ হয়।
24. Identify the right option to fill in the gap: We have had tasty and ______ meals.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) nutritious কেন সঠিক: শূন্যস্থানের ঠিক আগে and conjunction থাকায় এর উভয় পাশে সমজাতীয় Parts of Speech বসে। এখানে meals হলো একটি Noun, যা একটি খাবারের নাম বোঝাচ্ছে এবং এর আগে একটি Adjective দরকার। Nutritious শব্দটির অর্থ পুষ্টিকর, যা খাবারের গুণ বোঝাতে সবচেয়ে উপযুক্ত adjective হিসেবে কাজ করে। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় আমরা সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার খেয়েছি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nutritive — এটিও একটি Adjective হলেও এটি সাধারণত পুষ্টিবিজ্ঞান বা গবেষণার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়। B) nutritious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) nutritional — এটি Noun এর সাথে যুক্ত একটি Adjective যা পুষ্টি সংক্রান্ত বিষয় বোঝাতে বসে। D) nutrient — এটি মূলত Noun হিসেবে পুষ্টি উপাদান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: খাবার সুস্বাদু বা পুষ্টিকর বোঝাতে সবসময় nutritious ব্যবহার করবে, আর পুষ্টি সংক্রান্ত বা খাদ্য বিজ্ঞান বোঝাতে nutritional ব্যবহার করবে।
25. Which gender is the word 'spouse'?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Common কেন সঠিক: - 'Spouse' শব্দটি এমন একটি নাউন যা স্বামী বা স্ত্রী উভয়কে বোঝাতে পারে। - নারী বা পুরুষ নির্দিষ্ট করে না বুঝিয়ে উভয় লিঙ্গকে নির্দেশ করায় এটি Common Gender। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক বিশেষ্যকে বোঝায়, যা spouse শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রযোজ্য নয়। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক বিশেষ্যকে বোঝায়, তাই এটি একা সঠিক উত্তর হতে পারে না। C) Common — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি পুরুষ ও নারী উভয়কেই সমানভাবে নির্দেশ করে। D) Neuter — এটি জড়বস্তু বা অজীবিত বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যেই শব্দগুলো দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, যেমন spouse, baby, student, সেগুলো সবসময় Common Gender হয়।
26. The word 'plebiscite' is related to-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) politics কেন সঠিক: Plebiscite শব্দের অর্থ জনমত বা গণভোট, যা সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনা এবং সরকারের সাথে যুক্ত। এটি একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে দেশের জনগণ কোনো গুরুত্বপূর্ণ নীতি বা আইন নিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করে। এই শব্দটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত পরিচিত অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) music — মিউজিক বা সংগীত শব্দটির সাথে জনভোট বা রাজনৈতিক মতামতের কোনো সম্পর্ক নেই। B) art — আর্ট বা শিল্পকলা মানুষের সৃজনশীলতার প্রকাশ, যা রাজনৈতিক ভোট বা জনমতের সাথে মেলে না। C) theology — থিওলজি বা ধর্মতত্ত্ব হলো ধর্মীয় বিশ্বাসের আলোচনা, যার সাথে রাজনৈতিক গণভোটের কোনো মিল নেই। D) politics — পলিটিক্স বা রাজনীতি হলো সেই ক্ষেত্র যেখানে সরকারের নীতিনির্ধারণের জন্য এমন জনমত বা গণভোটের আয়োজন করা হয়। মনে রাখার টিপস: Plebiscite শব্দটিতে ভোট বা মতামত দেওয়ার ব্যাপার থাকে, তাই এটি রাজনীতি বা politics এর সাথে সম্পর্কিত।
27. Which one has the identical singular and plural form?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) dozen কেন সঠিক: - ডজন (dozen) শব্দটির একবচন (singular) এবং বহুবচন (plural) রূপ একই থাকে। - এর আগে নির্দিষ্ট সংখ্যা বসালেও এর সাথে এস যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) memento — এর সঠিক বহুবচন রূপ হলো mementos বা mementoes। B) dozen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বহুবচন রূপ dozen ই থাকে। C) alumnus — এটি একটি ল্যাটিন শব্দ এবং এর বহুবচন রূপ alumni। D) basis — এটি একটি গ্রিক শব্দ এবং এর বহুবচন রূপ bases। মনে রাখার টিপস: ডজন, স্কোর, হান্ড্রেড এবং থাউজেন্ড শব্দগুলোর singular ও plural একই হয়।
28. What is the antonym for 'delete'?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) insert কেন সঠিক: Delete শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। এর বিপরীত শব্দ হলো কোনো কিছু যোগ করা বা প্রবেশ করানো। তাই insert শব্দটি সঠিক উত্তর। এটি delete শব্দের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) delay — এর অর্থ দেরি করা, যা delete শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) injure — এর অর্থ আহত করা, যা delete শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) insert — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) trap — এর অর্থ ফাঁদে ফেলা, যা delete শব্দের বিপরীত অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: Delete মানে মুছে ফেলা আর Insert মানে ভেতরে প্রবেশ করানো। এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (18)

1. 2x − 2/x = 3 হলে 8(x³ − 1/x³) = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৩ প্রদত্ত তথ্য: ২x − (২ ÷ x) = ৩ মান নির্ণয় করতে হবে ৮(x³ − (১ ÷ x³)) এর ধরি, প্রদত্ত সমীকরণ থেকে ২ কমন নিলে পাই x − (১ ÷ x) = ৩ ÷ ২ এখন x − (১ ÷ x) এর মান পেলাম ১.৫ বা তিনের দুই অংশ অতএব, আমরা জানি a³ − b³ এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a − b)³ + ৩ab(a − b) এখানে x − (১ ÷ x) এর মান ৩ ÷ ২ বসিয়ে পাই এখন, (৩ ÷ ২) এর হোল কিউব হলো ২৭ ÷ ৮ এবং তিনের সাথে তিন গুণ করলে হয় নয় ÷ দুই সুতরাং, বন্ধনীর ভেতরের মান যোগ করে আট দিয়ে গুণ করলে পাই তেষট্টি তাই নির্ণয় মান হলো ৬৩ উত্তর: C) ৬৩
2. কোনটি মূলদ সংখ্যা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √3/√108 প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে বিভিন্ন অমূলদ ও মূলদ সংখ্যা দেওয়া আছে আমাদের নির্ণয় করতে হবে কোনটি মূলদ সংখ্যা ধরি, প্রদত্ত সংখ্যাটি হলো √3/√108 অতএব, সংখ্যাটিকে লেখা যায় √3 ÷ √(36 × 3) অথবা লেখা যায় √3 ÷ (6 × √3) সুতরাং, লব ও হর থেকে √3 কেটে দিলে থাকে ১ ÷ ৬ উত্তর: ১ ÷ ৬, যা একটি মূলদ সংখ্যা
3. k এর মান কত হলে x² − 3x + 2 + k = 0 সমীকরণের একটি উৎপাদক (x − 3) হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − 3x + 2 + k = 0 একটি উৎপাদক হলো (x − 3) ধরি, বহুপদী ফাংশন f(x) = x² − 3x + 2 + k উৎপাদক উপপাদ্য অনুসারে x − 3 = 0 হলে x = 3 হবে অতএব, f(3) = 0 হলে সমীকরণটি সিদ্ধ হবে x এর মান ৩ বসিয়ে পাই, (3)² − 3(3) + 2 + k = 0 সুতরাং, 9 − 9 + 2 + k = 0 2 + k = 0 উত্তর: k = −২
4. x^(x√x) = (x√x)^x হলে, x = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯/৮ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর পাওয়ার x গুণ x এর বর্গমূল সমান x গুণ x এর বর্গমূলের সম্পূর্ণ পাওয়ার x ধরি, x এর মান ধনাত্মক বাস্তব সংখ্যা এবং x এর মান ১ এর সমান নয় অতএব, সমীকরণের বামপক্ষের সূচক হয় x গুণ x এর পাওয়ার এক বাই দুই যা যোগ করলে হয় x এর পাওয়ার তিন বাই দুই সুতরাং, বামপক্ষের মোট সূচক দাঁড়ায় x গুণ x এর পাওয়ার তিন বাই দুই অতএব, ডানপক্ষের ভিতরের অংশ হয় x এর পাওয়ার তিন বাই দুই এবং সম্পূর্ণ ডানপক্ষ হয় x এর পাওয়ার তিন বাই দুই গুণ x অতএব, উভয় পক্ষের সূচক তুলনা করে পাই x গুণ তিন বাই দুই সমান তিন বাই দুই গুণ x এখান থেকে সমাধান করলে x এর সঠিক মান পাওয়া যায় উত্তর: ৯/৮
5. ৩০,০০০ টাকার যৌগিক মুনাফা ১২% হারে ২ বছর পর মুনাফা কত টাকা হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৬৩২ প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৩০০০০ টাকা মুনাফার হার (r) = ১২% বা ০.১২ সময় (n) = ২ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = I অতএব, C = P × (১ + r) এর পাওয়ার n C = ৩০০০০ × (১ + ০.১২) এর পাওয়ার ২ C = ৩০০০০ × (১.১২) এর পাওয়ার ২ সুতরাং, C = ৩০০০০ × ১.২৫৪৪ C = ৩৭৬৩২ টাকা উত্তর: মুনাফা I = ৩৭৬৩২ − ৩০০০০ = ৭৬৩২ টাকা
6. 5¼ ও 2⅛-এর ল.সা.গু—
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫৭/৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৫ এবং ১/৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ২ এবং ১/৮ ধরি, প্রথম মিশ্র ভগ্নাংশটি = ২১/৪ দ্বিতীয় মিশ্র ভগ্নাংশটি = ১৭/৮ অতএব, ভগ্নাংশ দুটির লসাগু নির্ণয়ের সূত্র হলো লবগুলোর লসাগু ভাগ হরগুলোর গসাগু এখানে, লবগুলোর (২১ ও ১৭) লসাগু = ৩৫৭ হরগুলোর (৪ ও ৮) গসাগু = ৪ সুতরাং, নির্ণেয় লসাগু = ৩৫৭ ÷ ৪ উত্তর: ৩৫৭/৪
7. একটি পঞ্চভুজের মৌলিক কর্ণগুলোর সাহায্যে উৎপন্ন ত্রিভুজের সংখ্যা-
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: পঞ্চভুজের বাহুর সংখ্যা = ৫ কৌণিক বিন্দুর সংখ্যা = ৫ ধরি, যেকোনো শীর্ষবিন্দু থেকে অঙ্কিত মৌলিক কর্ণের সাহায্যে ত্রিভুজ গঠিত হয় মৌলিক কর্ণগুলো পঞ্চভুজটিকে মোট ত্রিভুজে বিভক্ত করে অতএব, ত্রিভুজের সংখ্যা বের করার সূত্র হলো বাহুর সংখ্যা থেকে দুই বিয়োগ করা ৫ বাহু বিশিষ্ট পঞ্চভুজের ক্ষেত্রে ত্রিভুজ সংখ্যা = ৫ − ২ = ৩ সুতরাং, মৌলিক কর্ণগুলোর সাহায্যে উৎপন্ন ত্রিভুজের মোট সংখ্যা = ১০ উত্তর: ১০
8. ৫০০ এর চেয়ে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০৩ প্রদত্ত তথ্য: ৫০০ এর চেয়ে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে অপশনগুলোতে দেওয়া সংখ্যাগুলো হলো ৫৩৯, ৫০৭, ৫০৩, এবং ৫০১ ধরি, সংখ্যাগুলো হলো ৫৩৯, ৫০৭, ৫০৩ এবং ৫০১ মৌলিক সংখ্যা মানে যে সংখ্যাকে ১ এবং সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না অতএব, ৫৩৯ সংখ্যাটিকে ৭ দিয়ে ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক সংখ্যা নয় ৫০৭ সংখ্যাটিকে ৩ দিয়ে ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক সংখ্যা নয় ৫০১ সংখ্যাটিকে ৩ দিয়ে ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক সংখ্যা নয় সুতরাং, ৫০৩ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫০৩ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না উত্তর: ৫০৩
9. একটি লোহার ফাঁপা গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সেমি. ও ২ সেমি. হলে, গোলকের ফাঁপা অংশের আয়তন কত ঘন সেমি.?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬π প্রদত্ত তথ্য: গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সেমি এবং ভেতরের ব্যাস ২ সেমি ধরি, বাইরের ব্যাসার্ধ R = ১০ ÷ ২ = ৫ সেমি ভেতরের ব্যাসার্ধ r = ২ ÷ ২ = ১ সেমি অতএব, বাইরের আয়তন = ৪ ÷ ৩ × π × ৫ এর কিউব ভেতরের আয়তন = ৪ ÷ ৩ × π × ১ এর কিউব সুতরাং, ফাঁপা অংশের আয়তন = (৪ ÷ ৩ × π × ১২৫) − (৪ ÷ ৩ × π × ১) উত্তর: ৩৬π ঘন সেমি
10. কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৬ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন ভগ্নাংশ দেওয়া আছে ভগ্নাংশগুলো হলো ৫/৬, ১/৫, ১/৬ এবং ৩/৭ ধরি, হরগুলোর লসাগু বের করে মান তুলনা করা সহজ হবে অথবা দশমিক মানে রূপান্তর করে তুলনা করা যায় অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ ৫/৬ এর মান প্রায় ০.৮৩ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ ১/৫ এর মান ০.২০ তৃতীয় ভগ্নাংশ ১/৬ এর মান প্রায় ০.১৬ সুতরাং, চতুর্থ ভগ্নাংশ ৩/৭ এর মান প্রায় ০.৪২ প্রাপ্ত মানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট মান ০.১৬ উত্তর: C) ১/৬
11. 1/p = √6 + 2 হলে p এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (√৬−২)÷২ প্রদত্ত তথ্য: ১ ÷ p = √৬ + ২ ধরি, p এর মান বের করতে হবে অতএব, p = ১ ÷ (√৬ + ২) হরকে বিপরীত চিহ্ন দ্বারা গুণ করি, p = (√৬ − ২) ÷ ((√৬ + ২) × (√৬ − ২)) হর এর হিসাব করি, p = (√৬ − ২) ÷ ((√৬)² − ২²) লব ও হরের মান বসাই, p = (√৬ − ২) ÷ (৬ − ৪) সুতরাং, p = (√৬ − ২) ÷ ২ উত্তর: (√৬−২)÷২
12. x² − (a + b)x + ab = 0 সমীকরণের সমাধান সেট হবে—
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a,b প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x² − (a + b)x + ab = 0 ধরি, সমীকরণটির উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, মিডল টার্ম ভেঙে পাই x² − ax − bx + ab = 0 সুতরাং, কমন নিয়ে পাই x(x − a) − b(x − a) = 0 উত্তর: a, b
13. f(x) = (4x−7)/(2x−4) একটি ফাংশন হলে f(−1/2) কত?
Created 3 weeks ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯/৫ প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = (৪x − ৭) ÷ (২x − ৪) মান বের করতে হবে f(−১ ÷ ২) এর ধরি, x এর মান হলো −১ ÷ ২ অতএব, লবের অংশ = ৪ × (−১ ÷ ২) − ৭ = −২ − ৭ = −৯ হরের অংশ = ২ × (−১ ÷ ২) − ৪ = −১ − ৪ = −৫ সুতরাং, f(−১ ÷ ২) = (−৯) ÷ (−৫) = ৯ ÷ ৫ উত্তর: ৯/৫
14. (⁵√5)^(5x−2) = (∛5)^(2x+1) সমীকরণের সমাধান কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭/৯ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (⁵√5)^(5x−2) = (∛5)^(2x+1) ধরি, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ৫ এর ওপর মূলগুলোকে ঘাত হিসেবে লেখা যায় প্রথম পক্ষের ঘাত সমান (৫x−2) ÷ ৫ দ্বিতীয় পক্ষের ঘাত সমান (2x+1) ÷ ৩ অতএব, সমীকরণের উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৫ বাদ দেওয়া যায় তাই লেখা যায় (৫x−2) ÷ ৫ = (2x+1) ÷ ৩ সুতরাং, কোনাকোনি গুণ করে পাই ১৫x − ৬ = ১০x + ৫ পক্ষান্তর করে পাই ৫x = ১১ উত্তর: x = ৭/৯
15. ২০ থেকে ৪০ পর্যন্ত সংখ্যার মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪টি প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো কুড়ি থেকে চল্লিশ পর্যন্ত এদের মধ্যে থেকে মৌলিক সংখ্যাগুলো আলাদা করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলোর তালিকা শুরু হয় কুড়ি থেকে সংখ্যাগুলোর তালিকা শেষ হয় চল্লিশে অতএব, কুড়ি থেকে ত্রিশ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো তেইশ এবং উনত্রিশ ত্রিশ থেকে চল্লিশ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো একত্রিশ এবং সাঁইত্রিশ সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো দুই যোগ দুই সমান চার উত্তর: ৪টি
16. ৭ + ১৩ + ১৯ + ২৫ + ............ ধারাটির প্রথম ২০টি পদের যোগফল কত?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২৮০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ a = ৭ সাধারণ পার্থক্য d = ১৩ − ৭ = ৬ ধরি, পদের সংখ্যা n = ২০ শেষ পদ বের করার সূত্রটি হলো a + (n − ১)d অতএব, ধারাটির ২০তম পদ = ৭ + (২০ − ১) × ৬ ২০তম পদ = ৭ + ১৯ × ৬ ২০তম পদ = ৭ + ১১৪ = ১২১ সুতরাং, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র হলো n ÷ ২ গুণ (প্রথম পদ + শেষ পদ) প্রথম ২০টি পদের যোগফল = ২০ ÷ ২ গুণ (৭ + ১২১) উত্তর: ১০ গুণ ১২৮ = ১২৮০
17. সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ সেমি. হলে ত্রিভুজের লম্বের দৈর্ঘ্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ সেমি. ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ৪ সেমি. আমরা জানি, সমবাহু ত্রিভুজের লম্ব বা উচ্চতার সূত্র = (√৩ ÷ ২) × ক অতএব, লম্বের দৈর্ঘ্য = (√৩ ÷ ২) × ৪ দুই দিয়ে চার কে কাটাকাটি করলে পাই = ২ সুতরাং লম্বের দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় = ২√৩ সেমি. উত্তর: ৪√৩ সেমি.
18. x/y-এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল y/x?
Created 3 weeks ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (y² − x²) / xy প্রدত্ত তথ্য: ভগ্নাংশ দুটি হলো x ÷ y এবং y ÷ x ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি হলো a অতএব, প্রশ্নমতে, (x ÷ y) + a = y ÷ x সুতরাং, a = (y ÷ x) − (x ÷ y) উত্তর: (y² − x²) / xy

মোট প্রশ্ন (10)

1. থাইমাস গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইরক্সিন কেন সঠিক: ১. থাইমাস গ্রন্থি মানবদেহের অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরাসরি কাজ করে থাকে। ২. এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন থাইরক্সিন শরীরের লিম্ফোসাইট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি রক্তে মিশে শরীরের বিভিন্ন বিপাকীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ২. থাইমাস গ্রন্থির কোষে উৎপাদিত হরমোন রক্তনালীর মাধ্যমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে কোষীয় অনাক্রম্যতা নিয়ন্ত্রণ করে। ৩. উদাহরণস্বরূপ, মানুষের শৈশবকালে এই গ্রন্থি আকারে বড় থাকে এবং রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইরক্সিন — এটি থাইমাস গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হলেও অপশনে সামান্য বিভ্রান্তি রাখা হয়েছে যা মূল গ্রন্থির নাম নির্দেশ করে। B) প্যারাথাইরক্সিন — এই হরমোনটি প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। C) থাইমোক্সিন — এটি কোনো স্বীকৃত মানব হরমোন নয় বরং প্রশ্নটিকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি একটি কাল্পনিক নাম। D) থাইরোট্রপিন — এটি পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হওয়া একটি হরমোন যা থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। মনে রাখার টিপস: ১. থাইমাস শব্দের সাথে মিল রেখেই থাইরক্সিন হরমোন নামটি সহজে মনে রাখা সম্ভব। ২. থাইমাস গ্রন্থি অনাক্রম্যতা বাড়ায় এবং থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে।
4. কোনটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 7 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেপাটাইটিস ১. কেন সঠিক: - হেপাটাইটিস রোগটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা নয়, বরং ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়। - এটি প্রধানত যকৃত বা লিভারের প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হেপাটাইটিস একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা লিভারের কোষগুলোকে আক্রমণ করে নষ্ট করে দেয়। - কার্যপ্রণালি: হেপাটাইটিস ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে যকৃতের কোষে বংশবৃদ্ধি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। - কারণ ও ফলাফল: হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই ভাইরাসের আক্রমণে জন্ডিস, ক্ষুধামন্দা ও যকৃতের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আক্রান্ত সিরিঞ্জ বা রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যাখ্যা: এটি যকৃতের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি এবং সিরোসিস রোগ সৃষ্টি করতে পারে। উদাহরণ ২: হেপাটাইটিস এ ভাইরাস সাধারণত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যাখ্যা: এটি সাধারণত তীব্র সংক্রমণ ঘটালেও সঠিক বিশ্রামে অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেপাটাইটিস — এটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) গনোরিয়া — এটি নাইসেরিয়া গনোরি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি যৌনবাহিত রোগ। C) কুষ্ঠ — এটি মাইকোহ্যাক্টেরিয়াম লেপ্রি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি দীর্ঘমেয়াদি ত্বক ও স্নায়ুর রোগ। D) টাইফয়েড জ্বর — এটি সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট পানিবাহিত রোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হেপাটাইটিস শব্দটি লিভারের সাথে যুক্ত এবং এটি ভাইরাস ঘটিত রোগ হিসেবে মনে রাখবে। - ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ মনে রাখার জন্য গনোরিয়া, কুষ্ঠ এবং টাইফয়েড এই নামগুলো তালিকাভুক্ত করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবাণুর ধরন ভিত্তিক রোগ শনাক্তকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের তালিকা আলাদা করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
5. একটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর কী ঘটার সম্ভাবনা থাকে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুনামি কেন সঠিক: ১. সমুদ্রের নিচে টেকটনিক প্লেটের হঠাৎ নড়াচড়ার ফলে সৃষ্ট বিশাল জলরাশি তীরভূমির দিকে ধেয়ে আসে। ২. বড় মাপের ভূমিকম্পের ঠিক পরেই সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রচণ্ড আলোড়ন তৈরি হয়ে এই ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. ভূত্বকের নিচে অবস্থিত প্লেটগুলোর সাডেন স্লিপ বা হচচট খাওয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি পানির নিচে মুক্তি পায়। ২. এই শক্তির প্রভাবে সমুদ্রের তলদেশে উল্লম্ব Displacement ঘটে এবং বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক ঢেউয়ের জন্ম হয়। ৩. ভারত মহাসাগরে দুই হাজার চার সালের সুনামির মতো বড় বড় ভূমিকম্পের পর এমন ভয়াবহ দুর্যোগ অতীতেও বহুবার দেখা গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলোচ্ছ্বাস — এটি মূলত শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ বা ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে সাময়িকভাবে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাওয়া বোঝায়। B) বন্যা — অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বা নদীর পানি উপচে পড়ার কারণে এটি ঘটে যা সরাসরি ভূমিকম্পের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ঘূর্ণিঝড় — এটি বায়ুমণ্ডলের নিম্নচাপের ফলে সৃষ্টি হয় এবং এর সাথে ভূগর্ভস্থ ভূকম্পন প্রক্রিয়ার কোনো প্রত্যক্ষ সংযোগ নেই। D) সুনামি — এটি একটি সঠিক অপশন যা সরাসরি সমুদ্রের নিচের ভূমিকম্পের সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: ১. ভূগর্ভে কম্পন হলে পানি কেঁপে ওঠে, আর জলের সেই দানবীয় রূপই হলো সুনামি। ২. মনে রাখবে, বড় ভূকম্পন মানেই সমুদ্রের তলায় বড় বিপদের ঘণ্টা বাজা।
6. লোহার মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় কতগুণ দ্রুত চলে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ সঠিক উত্তর: B) ১৮ গুণ ১. কেন সঠিক: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে এবং এটি কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে দ্রুত চলে। বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার, আর লোহায় শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫৯৬০ মিটার, যা বাতাসের গতির প্রায় ১৮ গুণ বেশি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতা এবং ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। মাধ্যম যত বেশি স্থিতিস্থাপক হয়, কণার পারস্পরিক আকর্ষণ তত বেশি থাকে এবং শব্দের বেগও তত বৃদ্ধি পায়। কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের অণুগুলো বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর তুলনায় অনেক কাছাকাছি থাকে। এর ফলে শব্দ তরঙ্গ এক অণু থেকে অন্য অণুতে খুব দ্রুত শক্তি স্থানান্তর করতে পারে এবং দ্রুত এগিয়ে যায়। বাস্তব প্রয়োগ: রেললাইনের পাতে কান পাতলে বহুদূর থেকে ট্রেন আসার শব্দ বাতাসের আগে শোনা যায়। এটি প্রমাণ করে যে কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে অনেক বেশি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির নিচে ডুবুরি বা জলজ প্রাণীরা বাতাসের চেয়ে অনেক দ্রুত শব্দ শুনতে পায়। ব্যাখ্যা: পানি একটি তরল মাধ্যম এবং এর ঘনত্ব বাতাসের চেয়ে বেশি, তাই পানিতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে চার গুণ বেশি হয়। উদাহরণ ২: রেললাইনের লোহার গায়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে অপর প্রান্ত থেকে খুব দ্রুত শব্দ শোনা যায়। ব্যাখ্যা: লোহা অত্যন্ত স্থিতিস্থাপক কঠিন মাধ্যম হওয়ায় শব্দ তরঙ্গ ন্যূনতম বাধায় দ্রুত যাতায়াত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ গুণ — এটি একটি কাছাকাছি মান হলেও বৈজ্ঞানিকভাবে লোহায় শব্দের বেগ বাতাসের ঠিক কুড়ি গুণ নয়। C) ১৫ গুণ — প্রদত্ত প্রশ্নে এই উত্তরটি ভুল কারণ পরীক্ষামূলক মাপে লোহায় শব্দের বেগ বাতাসের তুলনায় প্রায় আঠারো গুণ পাওয়া গেছে। D) ১২ গুণ — এই মানটি অনেক কম এবং এটি অন্য কোনো কম ঘনত্বের ধাতু বা তরল মাধ্যমের শব্দের বেগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: লোহায় শব্দ ছড়ায় আঠারো গুণ গতিতে, বাতাসের সাথে তুলনা করলে এই সংখ্যাটি মনে রাখা সহজ। কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সর্বদা বায়ুর বেগের চেয়ে অনেক বেশি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ থেকে ৩৪৩ মিটার। এই তথ্যটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান অংশে প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
7. ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যালুমিনিয়াম ১. কেন সঠিক: ভূপৃষ্ঠে বা ভূত্বকে বিভিন্ন ধরনের মৌল বা উপাদান মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। এর মধ্যে ওজনের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা ধাতব উপাদান হলো অ্যালুমিনিয়াম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভূত্বক মূলত অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম এবং লোহাসহ নানা মৌলের যৌগ নিয়ে গঠিত। রাসায়নিক পরিচয়: অ্যালুমিনিয়াম একটি সক্রিয় ধাতু যার পারমাণবিক সংখ্যা ১৩ এবং প্রতীক Al। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার কাজে ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়ামের পাতিল। ব্যাখ্যা: এটি হালকা ও টেকসই হওয়ায় দৈনন্দিন জীবনে রান্নার পাত্র তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উড়োজাহাজের বডি তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম শিট। ব্যাখ্যা: ধাতু হিসেবে হালকা অথচ শক্ত হওয়ার কারণে বিমান শিল্পে এর ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যালুমিনিয়াম - এটি ভূত্বকে সর্বাধিক প্রাপ্ত ধাতু এবং এর পরিমাণ প্রায় আট শতাংশ। B) লোহা - লোহা ভূপৃষ্ঠে দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত ধাতু এবং এর পরিমাণ প্রায় পাঁচ শতাংশ। C) তামা - তামা বা কপার ভূত্বকে তুলনামূলকভাবে অনেক কম পরিমাণে থাকা একটি স্বল্পপ্রাচুর্যময় ধাতু। D) জিংক - জিংক বা দস্তা ভূত্বকে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে বিদ্যমান একটি ভারী ধাতু। ৫ মনে রাখার টিপস: ভূত্বকের প্রধান ধাতুগুলোর পরিমাণ মনে রাখার জন্য 'আ ল ক না' ছন্দ মনে রাখতে পারো। এখানে আ তে অ্যালুমিনিয়াম এবং ল তে লোহা বোঝানো হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভূপৃষ্ঠে সামগ্রিকভাবে সবচেয়ে বেশি থাকা মৌল হলো অক্সিজেন এবং ধাতু হিসেবে সর্বোচ্চ হলো অ্যালুমিনিয়াম। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি তথ্যের মধ্যে প্যাচ লাগানোর জন্য প্রশ্ন আসে।
8. কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাগরে কেন সঠিক: ১. সাগরের পানিতে বিভিন্ন লবণের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে যা পানির ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়। ২. পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে মানুষের শরীর সহজেই পানির ওপরে ভেসে থাকতে পারে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: ১. আর্কিমিডিসের প্লবতা সূত্র অনুসারে তরল পদার্থ বস্তুর ওপর ওপরের দিকে একটি ধাক্কা দেয় যাকে প্লবতা বলে। ২. সাগরের লবণাক্ত পানির ঘনত্ব সাধারণ মিষ্টি পানির চেয়ে বেশি হওয়ায় প্লবতা বলও বেশি প্রয়োগ হয়। ৩. মৃত সাগরে অতিরিক্ত লবণের কারণে মানুষ কোনো চেষ্টা ছাড়াই খুব সহজে জলের ওপর শুয়ে থাকতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইমিংপুলে — এখানে পরিশোধিত মিষ্টি পানি ব্যবহার করা হয় যার ঘনত্ব সাগরের পানির তুলনায় বেশ কম। B) পুকুরে — পুকুরের পানি সম্পূর্ণ মিষ্টি পানি হওয়ায় এর প্লবতা বা ভাসিয়ে রাখার ক্ষমতা কম থাকে। C) নদীতে — নদীর পানি সাধারণত বৃষ্টির ও পাহাড়ি ঢলের মিষ্টি পানি হওয়ায় এতে সাঁতার কাটা একটু তুলনামূলক কঠিন। D) সাগরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাগরের লোনা পানির ঘনত্ব বেশি থাকায় সাঁতার কাটা অনেক সহজ হয়। মনে রাখার টিপস: পানির ঘনত্ব যত বেশি হবে, সাঁতার কাটা ততই সহজ হবে। লবণ মেশালে পানির ঘনত্ব বাড়ে, তাই সাগরে সাঁতার কাটা সবচেয়ে সহজ।
10. কোন রঙের কাপড়ে চা বেশি সময় গরম থাকে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাদা ১. কেন সঠিক: - সাদা রং ভালো বিকিরক বা প্রতিফলক হওয়ায় কাপের ভেতরের তাপ বাইরে বের হতে পারে না। - তাপ বিকিরণের মাধ্যমে কাপের ভেতরের চা দীর্ঘক্ষণ গরম থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তাপ বিকিরণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো মাধ্যম ছাড়াই তাপ তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে। - কার্যপ্রণালি: হালকা বা সাদা রং তাপ শোষণ কম করে এবং ভেতরের তাপ বাইরে বিকিরণ করতে বাধা দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: তাপ ধরে রাখতে থার্মোফ্লাস্ক বা গরম পানির পাত্র সাধারণত সাদা বা উজ্জ্বল রঙের করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গরমের দিনে সাদা রঙের পোশাক পরা। ব্যাখ্যা: সাদা পোশাক সূর্যের তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করে, ফলে শরীর ঠান্ডা থাকে। উদাহরণ ২: বাড়ির ছাদে সাদা চুন বা রঙের প্রলেপ দেওয়া। ব্যাখ্যা: সাদা প্রলেপ সূর্যের তাপ প্রতিফলিত করায় ঘরের ভেতর গরম কম অনুভূত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাদা রং তাপ বিকিরণ কম করে এবং চা গরম রাখে। B) কালো — কালো রং তাপের ভালো শোষক ও বিকিরক হওয়ায় কালো কাপ থেকে দ্রুত তাপ বাইরে চলে যায় এবং চা দ্রুত ঠান্ডা হয়। C) নীল — নীল একটি ঘাড় বা রঙিন বস্তু যা সাদা রঙের তুলনায় বেশি তাপ শোষণ ও বিকিরণ করে। D) সকল রঙের কাপড়ে সমান — রঙের পার্থক্যের কারণে তাপ শোষণ ও বিকিরণের হার ভিন্ন হয়, তাই সব কাপড়ে চা সমান সময় গরম থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাদা রং তাপ আটকে রাখে বা প্রতিফলিত করে, আর কালো রং তাপ শোষণ ও বর্জন করে। - চা গরম রাখতে চাইলে সাদা বা উজ্জ্বল রঙের কাপ ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃষ্ণকায় বস্তু বা কালো বস্তু ভালো শোষক এবং ভালো বিকিরক। - এই একই ধারণা থেকে স্টোভের কড়াই বা তাপ বিকিরণ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

মোট প্রশ্ন (12)

1. বিশ্বে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩য় ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক কৃষি সংস্থার সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। - অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর পলিমাটি এবং কৃষকদের নিরলস প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশে ধানের বাম্পার ফলন হয়ে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ এবং ধান আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ধান উৎপাদনের নতুন জাত উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমন ধান ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ধান যা বর্ষাকালে উৎপাদিত হয় এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বোরো ধান ব্যাখ্যা: সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদিত এই ধান দেশের মোট ধান উৎপাদনের একটি বড় অংশ দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ম — বিশ্বে ধান উৎপাদনে চীন প্রথম স্থান অধিকার করে আছে এবং বাংলাদেশ প্রথম নয়। B) ২য় — বিশ্বে ধান উৎপাদনে ভারত দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং বাংলাদেশ এই অবস্থানে নেই। C) ৩য় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বমঞ্চে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। D) ৪র্থ — ভিয়েতনাম বা ইন্দোনেশিয়া ধান উৎপাদনে এই অবস্থানে থাকলেও বাংলাদেশ চতুর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধানের উৎপাদনে প্রথম চীন, দ্বিতীয় ভারত এবং বাংলাদেশ হলো তৃতীয়। - এই ক্রমটি মনে রাখলে BCS বা ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে কৃষির অন্যান্য ফসল যেমন পাট বা আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০১২ কেন সঠিক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ এটি। ২০১২ সালের জুন মাসে দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড ইউপিএল থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ তথ্য: বঙ্গবন্ধুর লেখা এই গ্রন্থটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং ভাষা আন্দোলনের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে সংবিধান ও ইতিহাস গবেষকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ধার করা ডায়েরির খাতা এবং বঙ্গবন্ধুর নিজের হাতের লেখা খসড়ার ওপর ভিত্তি করে গ্রন্থটি প্রকাশ করা হয়। এই বইটি প্রকাশের মাধ্যমে বাঙালি জাতি ভাষা আন্দোলন এবং স্বাধিকার সংগ্রামের অনেক অজানা ঐতিহাসিক সত্য সম্পর্কে জানতে পেরেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি কারণ পান্ডুলিপি সংগ্রহ ও সম্পাদনার কাজ তখনও সম্পূর্ণ শেষ হয়নি। B) সঠিক উত্তর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ২০১২ সালেই বইটি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। C) ২০১৭ — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি কারণ এটি ২০১২ সালের অনেক পরের একটি সাল। D) ২০১৯ — এই সালটিও ভুল কারণ এর অনেক আগেই ২০১২ সালে বইটি বাজারে আসে। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের ষাট বছর পূর্তির বছর অর্থাৎ ২০১২ সালে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়। সংখ্যাটি মনে রাখতে দ্বিজল বা ২০১২ সাল এভাবে মনে রাখতে পারো।
8. বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ মার্চ ১৯৭৩ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের সাংবিধানিক যাত্রাকে সুদৃঢ় করতে এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই নির্বাচন আয়োজন করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর করা হয়। এই সংবিধানের অধীনে প্রথম সাধারণ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। তারিখ ও স্থান: নির্বাচনটি সমগ্র বাংলাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে সাধারণ ৩০০টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার নির্বাচিত হন মোহাম্মদ ক্যাশেম আলী এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসন লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ছিল, যার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল এবং যা ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের ভিত্তি তৈরি করেছিল। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন ব্যাখ্যা: এই সংবিধানের মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সংসদ নির্বাচনের আইনি ভিত্তি ও সাংবিধানিক কাঠামো তৈরি হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, বরং এটি ভুল একটি তারিখ। B) ৭ জানুয়ারি ১৯৭৩ — এটি নির্বাচনের সঠিক তারিখ নয় এবং এই সময় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কিত অন্য কোনো বড় সরকারি ঘোষণা ছিল না। D) ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ — এটি নির্বাচনের তারিখ নয়, কারণ এর আগেই ৭ মার্চ নির্বাচন সম্পন্ন হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর প্রথম সংসদ নির্বাচন ঐতিহাসিক ৭ মার্চেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং ৭ মার্চের নির্বাচন একই দিনে অর্থাৎ ৭ মার্চ তারিখের সাথে সম্পর্কিত করে খুব সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই নির্বাচন থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে, প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসন পেয়েছিল অথবা প্রথম স্পিকার কে ছিলেন। একই বিষয় থেকে সংসদ সদস্যের বয়সসীমা বা সংসদের মেয়াদ সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
10. পলাশীর যুদ্ধ কবে হয়েছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জুন ১৭৫৭ কেন সঠিক: - এই দিনে নদীমাতৃক বাংলার পলাশীর আমবাগানে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে ঐতিহাসিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। - মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে এই যুদ্ধে নবাবের পতন ঘটে এবং বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের সূচনা হয়। বাংলাদেশ তথ্য: - এই যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলা তার স্বাধীনতা হারায় এবং ব্রিটিশরা ধীরে ধীরে পুরো ভারতীয় উপমহাদেশ দখল করে নেয়। - পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশী নামক ঐতিহাসিক স্থানে এই যুদ্ধটি সংঘটিত হয়েছিল। - এই পরাজয়ের ফলে বাঙালি জাতির দীর্ঘ ২০০ বছরের পরাধীনতার ইতিহাস শুরু হয় যা ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জুন ১৭৫৭ — এই তারিখে যুদ্ধ শুরু হয়নি কারণ উভয় পক্ষের সেনাবাহিনী কেবল পলাশীর প্রান্তরে এসে শিবির স্থাপন করেছিল। B) ২৪ জুন ১৭৫৭ — এই তারিখটি ভুল কারণ ২৩ জুন দুপুরের মধ্যেই যুদ্ধ শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। D) ২৫ জুন ১৭৫৭ — এই তারিখটি ভুল কারণ যুদ্ধের ফলাফল অনেক আগেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল এবং মীর জাফর নবাবের রাজধানী দখল করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: - ১৭৫৭ সালের জুন মাসের তেইশ তারিখ মনে রাখলে পলাশীর যুদ্ধের সঠিক তারিখ সহজে বলা যায়। - ইতিহাসের এই দিনটি বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত যাওয়ার দিন হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।
11. বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট কয়টি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৭ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা ব্রি এ পর্যন্ত মোট ১২৭ টি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। - কৃষিক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত জাতগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২. কৃষি, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠা: ১৯৭০ সালে জয়দেবপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। - অবদান: দেশের খাদ্য ঘাটতি মেটাতে এই ইনস্টিটিউট দেশের মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী ধান উদ্ভাবন করে আসছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রি ধান ২৯ ব্যাখ্যা: এটি এই ইনস্টিটিউটের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বোরো মৌসুমের উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত। উদাহরণ ২: ব্রি ধান ৮৯ ব্যাখ্যা: এটি তুলনামূলক কম সময়ে অধিক ফলন দেয় যা কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৩ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ এটি বর্তমান অফিসিয়াল উপাত্তের সঙ্গে মেলে না। B) ১২৭ টি — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের সঠিক সংখ্যা। C) ১২১ টি — এই সংখ্যাটি পুরোনো উপাত্ত নির্দেশ করে যা বর্তমানে পরিবর্তিত হয়েছে। D) ১০১৯ টি — এটি অনেক কম সংখ্যা এবং ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রকৃত অর্জনের চেয়ে বেশ নিচে অবস্থান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত ১২৭ টি জাত উপহার দিয়েছে। - সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য ১২৭ সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট মাইলফলক হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃষি সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান প্রায়ই আসে। - ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রথম উদ্ভাবিত জাত এবং সর্বশেষ জাতের নাম সম্পর্কেও ধারণা রাখা প্রয়োজন।
12. সোমপুর মহাবিহার বাংলার কোন শাসনামলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাল ১. কেন সঠিক: সোমপুর মহাবিহার পাল রাজবংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল। প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধ স্থাপত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: অষ্টম শতাব্দীতে পাল রাজবংশের আমলে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে এবং এই সময়ে বেশ কিছু বিহার ও মহাবিহার গড়ে ওঠে। তারিখ ও স্থান: এটি বর্তমান বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর নামক স্থানে অবস্থিত। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: পাল রাজা ধর্মপাল এই মহাবিহারের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত এবং এটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়নামতির শালবন বিহার। ব্যাখ্যা: এটিও পাল রাজবংশের আমলের একটি বৌদ্ধ স্থাপত্য নিদর্শন যা কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত। উদাহরণ ২: বিক্রমপুর বিহার। ব্যাখ্যা: এটি মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত আরেকটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার যা পাল ও চন্দ্র রাজবংশের সময়ের ইতিহাস বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌর্য — মৌর্য আমলে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার ঘটলেও সোমপুর মহাবিহারের মতো এত বিশাল স্থাপত্য তখন নির্মিত হয়নি। B) পাল — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি পাল রাজবংশের স্থাপত্য কীর্তি হিসেবে সর্বস্বীকৃত। C) গুপ্ত — গুপ্ত রাজবংশ হিন্দু ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিল এবং সেসময় বাংলায় বৌদ্ধ মহাবিহার নির্মাণের প্রচলন ছিল না। D) চন্দ্র — চন্দ্র রাজবংশ পরবর্তীতে ক্ষমতায় এসেছিল কিন্তু সোমপুর মহাবিহার তাদের নির্মিত কীর্তি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পাল রাজাদের নাম মনে রাখলেই তাদের আমলের বিখ্যাত স্থাপত্য যেমন পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার সহজে মনে রাখা যায়। ধর্মপাল ছিলেন এর নির্মাতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলার স্থাপত্য ও রাজা ধর্মপাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই টপিক থেকে নির্মাণকারী রাজা এবং স্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন বেশি দেখা যায়।

মোট প্রশ্ন (4)

2. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'Secretary of State' কে ছিলেন?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইলিয়াম পি. রজার্স (William P. Rogers) ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা সেক্রেটারি অব স্টেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন উইলিয়াম পি. রজার্স। - সে সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিলেও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কিছু কর্মকর্তা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রজার্স কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির চেষ্টা করেছিলেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও কূটনীতি: - প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন নীতিনির্ধারকরা পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার পক্ষে ছিলেন এবং ভারতকে ঠেকাতে চীন-আমেরিকা অক্ষ তৈরি করেছিলেন। - গুরুত্ব: তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন নীতিগতভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন করলেও আন্তর্জাতিক জনমত এবং কংগ্রেসে রজার্স ও তার দপ্তরের ভূমিকা ছিল ভিন্ন ধারার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেনরি কিসিঞ্জার ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৭১ সালে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার তীব্র বিরোধিতা করে পাকিস্তানকে গোপন সামরিক সহায়তা দিয়েছিলেন। উদাহরণ ২: রিচার্ড নিক্সন ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৭১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তার নির্দেশেই মার্কিন সপ্তম নৌবহর বঙ্গোপসাগরের দিকে পাঠানো হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইলিয়াম পি. রজার্স (William P. Rogers) — ১৯৭১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) হেনরি কিসিঞ্জার — তিনি সে সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা সেক্রেটারি অব স্টেট ছিলেন না। C) চার্লস লি — ইনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন। D) এন্থনি রিংকেন — ইনি ১৯৭১ সালের মার্কিন কূটনীতি বা পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত কোনো পরিচিত নীতিনির্ধারক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সেক্রেটারি অব স্টেট মানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ১৯৭১ সালে এই পদে ছিলেন রজার্স, আর কিসিঞ্জার ছিলেন নিরাপত্তা উপদেষ্টা। - রজার্স ও কিসিঞ্জারের দায়িত্বের এই পার্থক্যটি মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির নাম প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, ১৯৭১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন।
3. 'এস ৪০০' ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া ১. কেন সঠিক: - এস ৪০০ হলো রাশিয়ার তৈরি একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। - বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেমের অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. সামরিক প্রযুক্তি ও ভূরাজনীতি: - দেশ: রাশিয়া, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক দেশ। - প্রেক্ষাপট: এটি সোভিয়েত আমলের এস ৩০০ সিস্টেমের উন্নত সংস্করণ হিসেবে তৈরি করা হয় এবং দুই হাজার সাত সাল থেকে রাশিয়ান সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হয়। - উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: শত্রুর যুদ্ধবিমান, ক্রুজ মিসাইল এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আকাশে ধ্বংস করা এর মূল কাজ। - ফলাফল ও প্রভাব: এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয়ের কারণে ন্যাটোর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তুরস্কের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুরস্ক এবং এস ৪০০ চুক্তি ব্যাখ্যা: ন্যাটো জোটের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তুরস্ক রাশিয়া থেকে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করায় যুক্তরাষ্ট্র ক্ষুব্ধ হয় এবং তুরস্ককে এফ পঁয়ত্রিশ যুদ্ধবিমান প্রকল্প থেকে বাদ দেয়। উদাহরণ ২: ভারত এবং এস ৪০০ চুক্তি ব্যাখ্যা: ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক সমীকরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুলগেরিয়া — এটি পূর্ব ইউরোপের একটি দেশ এবং সামরিক প্রযুক্তিতে এই ধরনের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উৎপাদনের জন্য পরিচিত নয়। B) ইসরায়েল — এটি অত্যন্ত উন্নত সামরিক প্রযুক্তির দেশ এবং তাদের নিজস্ব আয়রন ডোম বা অ্যারো সিস্টেম রয়েছে, তবে এস ৪০০ তাদের উৎপাদিত নয়। C) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই এস ৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উদ্ভাবিত ও উৎপাদিত হয়েছে। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের অন্যতম সামরিক পরাশক্তি হলেও তারা প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম তৈরি করে, এস ৪০০ তাদের প্রযুক্তি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - এস ৪০০ হলো রাশিয়ার বিশ্বখ্যাত মিসাইল সিস্টেম। - নামের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারো যে এটি মস্কোর বা রাশিয়ার প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান প্রতীক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এস ৪০০ হলো একটি ভূমধ্যঘাতী ও আকাশ প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ব্যবস্থা। - এই টপিক থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে এস ৪০০ কোন দেশের তৈরি অথবা কোন দেশ এই অস্ত্র কেনার কারণে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিল।
4. বাংলাদেশ কবে New Development Bank-এর সদস্যপদ লাভ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০২১ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে। - ব্রিকস ব্যাংক হিসেবে পরিচিত এই সংস্থার প্রথম সম্প্রসারণ পর্বে বাংলাদেশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এনডিবি হলো ব্রিকস দেশগুলোর মাধ্যমে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। - তারিখ: ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকটির সদস্যপদ গ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে চুক্তি অনুমোদন করে। - প্রেক্ষাপট: উন্নয়নশীল দেশের অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য ব্রিকস এই ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২১ সালে — এই তথ্যটি সঠিক কারণ এই বছরেই বাংলাদেশ এনডিবির সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) ২০২২ সালে — এই বছরটি ভুল কারণ এর আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সদস্যপদ আনুষ্ঠানিকভাবে লাভ করে। C) ২০২৩ সালে — এই বছরটি ভুল কারণ বাংলাদেশ তারও আগে একুশ সালেই এই সংস্থার সাথে যুক্ত হয়। D) ২০২৪ সালে — এই বছরটি ভুল কারণ সাম্প্রতিক সময়ে নয় বরং বাংলাদেশ তিন বছর আগেই এর সদস্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ব্রিকস ব্যাংক বা এনডিবি প্রতিষ্ঠার কিছু সময় পরই বাংলাদেশ একুশ সালে এর সদস্য হয়। ২০২১ সাল এবং নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক একসাথে মনে রাখলেই সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে।