a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d প্রমথ চৌধুরী
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী এবং এটি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। - এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে গদ্যের ক্ষেত্রে সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত বা কথ্য রীতির প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং তাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল। - ১৯১৪ সালের বৈশাখ মাসে প্রকাশিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা তাঁর চলিত ভাষারীতিতে রচিত। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা একটি জনপ্রিয় বাংলা ছোটগল্প সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সবুজপত্র' পত্রিকার নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সবুজপত্র' পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও লেখক হলেও এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। C) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম 'ধূমকেতু' ও 'লাঙল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, 'সবুজপত্র'-এর সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল না। D) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটির সম্পাদনা শুরু করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবুজ রঙের পাতা অর্থাৎ সবুজপত্র উল্টালে বীরবলের মতো বুদ্ধি আসে, এভাবে প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ও পত্রিকা মনে রাখা যায়। - চলিত রীতির জনক প্রমথ চৌধুরী আর সবুজপত্র তাঁরই মুখপত্র হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশের সন ও সম্পাদকের নাম বারবার বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রচারে এই পত্রিকার অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 179 0 0