a কাজী নজরুল ইসলাম
b আল মাহমুদ
c ফররুখ আহমদ
d মুহাম্মদ আবদুল হাই
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - পাঞ্জেরী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁস বা জাগরণের কবি ফররুখ আহমদের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও শিল্পসফল কবিতা। - এখানে পাঞ্জেরী ফারসি শব্দ, যার অর্থ দিকনির্ণয়কারী বা পথপ্রদর্শক নাবিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে সনেট ও কবিতা লিখে খ্যাতি অর্জন করেছেন। - সাত সাদের মাঝি, লাশের পরোয়া নেই এবং পাঞ্জেরী তাঁর কালজয়ী ও সাহিত্যকর্মের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাত সাদের মাঝি ব্যাখ্যা: এটি কবি ফররুখ আহমদের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা সামুদ্রিক প্রতীক ও মুসলিম ঐতিহ্যের দ্যোতক। উদাহরণ ২: পাখির বাসা ব্যাখ্যা: এটিও ফররুখ আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে বিদ্রোহী, কামাল পাশা ও প্রলয়োল্লাস, কিন্তু পাঞ্জেরী তাঁর রচনা নয়। B) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লোকসমাজ ও সোনালী কাবিন, তবে পাঞ্জেরী তাঁর কবিতা নয়। D) মুহাম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন বিখ্যাত বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক, তিনি মূলত বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে কাজ করেছেন, সাহিত্যিক বা কবি হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাঞ্জেরী শব্দের অর্থ দিকনির্দেশক এবং এই দিকনির্দেশনামূলক ইসলামী জাগরণের কবিতা লিখে অমর হয়েছেন কবি ফররুখ আহমদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পাঞ্জেরী কবিতার মূল সুর হলো মুসলিম জাতির আত্মিক জাগরণ এবং অন্ধকার দূর করে সঠিক পথের সন্ধান করা। - এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির নাম এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার নাম মিলিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 179 0 0