বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসি'র অধীন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

1. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাধন হারা ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো বাধন হারা। এই উপন্যাসটি পত্রযোগাযোগ বা পত্রোপন্যাস আকারে রচিত হয়েছে এবং এতে যুবকদের বিদ্রোহ ও প্রেমের প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাধন হারা উপন্যাসটি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩২৭ সনের শ্রাবণ মাসে রচনা শুরু করেন এবং এটি মোহাম্মদী ও বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলির মাধ্যমে লেখকের যৌবনের দ্রোহ এবং রোমান্টিক চেতনার প্রাথমিক রূপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি রাজনৈতিক ও রোমান্টিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়। B) ব্যথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থ বা গল্পসংকলন, উপন্যাস নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন যে তারুণ্যের বাধন হারা মনই প্রথম উপন্যাসের বিষয়বস্তু। উপন্যাসটি পত্রাকারে লেখা বলে এর গঠনশৈলী আলাদা করে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের প্রথম উপন্যাস, প্রথম গল্পগ্রন্থ এবং প্রথম কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা এবং প্রথম গল্প হলো বায়লার পতি বা ব্যথার দান সংক্রান্ত তথ্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
2. 'দম্পতি' কোন সমাস?
Created 3 weeks ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - দম্পতি শব্দটি জায়া ও পতি শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে যেখানে উভয় পদের অর্থের প্রাবল্য অক্ষুণ্ন থাকে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান হয় এবং মিলন বোঝায় তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত এবং, ও, আর ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় পদ লুপ্ত হয়ে সমাস গঠিত হয়। - জায়া ও পতি মিলে দম্পতি হয় এবং এখানে ব্যাকরণগত নিয়মে জায়া পরিবর্তিত হয়ে দম্প রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জায়া ও পতি = দম্পতি ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের একটি বিশেষ ও বহুল ব্যবহৃত ব্যতিক্রমী উদাহরণ। উদাহরণ ২: ভাই ও বোন = ভাইবোন ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে এবং অব্যয় পদটি লোপ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য বজায় থাকে। B) দ্বিগু — এই সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বোঝায় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে হয়নি। D) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে পূর্বপদের অব্যয় যোগে অব্যয় পদ প্রধান হয় যা এখানে মেলেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - জায়া ও পতি মিলে যখন সমাস হবে তখন তা সবসময় দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে গণ্য করতে হবে। - স্বামী ও স্ত্রীর মিলন বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ব্যতিক্রমী দ্বন্দ্ব সমাসটি প্রায়ই অপশনে আসে। - শব্দের গঠনগত পরিবর্তন ভালো করে মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
5. 'ম্যালেরিয়া' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 6 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতালি ১. কেন সঠিক: ম্যালেরিয়া শব্দটি ইতালীয় ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ইতালীয় শব্দ ম্যালেরিয়া এর মূল অর্থ হলো দুর্গন্ধযুক্ত বাতাস বা দূষিত বায়ু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দটির উৎস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি বিদেশাগত শব্দের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে নানা শব্দ প্রবেশ করেছে যার মধ্যে ইতালীয় ভাষার শব্দও রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাশ ব্যাখ্যা: এটি একটি ইতালীয় শব্দ যা ব্যাংকিং ও মুদ্রার লেনদেনে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মাফিয়া ব্যাখ্যা: এটিও ইতালীয় ভাষা থেকে আগত একটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় এলেও ম্যালেরিয়া ইংরেজি শব্দ নয়। B) রুশ — রুশ ভাষা থেকে বাংলায় কিছু শব্দ আসলেও ম্যালেরিয়া তার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি ইতালীয় উৎস থেকে এসেছে। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ কুপন রেস্তোরাঁ শব্দগুলো এসেছে ম্যালেরিয়া নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইতালিতে ঐতিহাসিক বিভিন্ন রোগে দূষিত বায়ুর প্রভাব ভাবা হতো তাই মনে রাখবে ম্যালেরিয়া একটি ইতালীয় রোগবাচক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস যেমন পর্তুগিজ ফরাসি বা ইতালীয় ভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিদেশি শব্দের উৎস ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
6. 'নেজারত' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি ১. কেন সঠিক: - নেজারত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি প্রশাসনিক পরিভাষা। - এর শাব্দিক অর্থ তদারকি, পরিদর্শন বা তত্ত্বাবধান করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি আরবি উৎসের শব্দ। - বাংলা ভাষায় এমন বহু আরবি শব্দ রয়েছে যা প্রশাসনিক, ধর্মীয় বা দাপ্তরিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় অর্থে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: দলিল ব্যাখ্যা: এটিও একটি আরবি শব্দ যা লিখিত প্রমাণপত্র অর্থে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ নেজারত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। B) ফারসি — এটি ফারসি ভাষার শব্দ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) চীনা — এটি চীনা ভাষার শব্দ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ইংরেজি — এটি ইংরেজি ভাষার শব্দ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশাসনিক ও বিচারালয় সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে এসেছে। - নেজারত শব্দটি তদারকি বা পরিদর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত আরবি শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত আরবি ও ফারসি শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
8. কোনটি উপসর্গ নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আমি ১. কেন সঠিক: - 'আমি' কোনো উপসর্গ নয়, এটি একটি উত্তম পুরুষবাচক সর্বনাম পদ যা কোনো শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে না। - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যার নিজস্ব কোনো অর্থ নেই কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' একটি তৎসম উপসর্গ যা 'হার' শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরিপাটি ব্যাখ্যা: এখানে 'পরি' একটি উপসর্গ যা 'পাটি' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দটির অর্থকে আরও সুনির্দিষ্ট করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্র — এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত তৎসম উপসর্গ যা শব্দের পূর্বে বসে। B) পরা — এটি একটি তৎসম উপসর্গ যা পরাজয় বা পরাকাষ্ঠা শব্দে ব্যবহৃত হয়। C) পরি — এটি একটি তৎসম উপসর্গ যা পরিমাপ বা পরিবেশ শব্দে পাওয়া যায়। D) আমি — এটি উপসর্গ নয়, বরং একটি সর্বনাম পদ যা বাক্যে নিজে স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। - সর্বনাম পদগুলোকে উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত করার বিভ্রান্তি এড়াতে শব্দের শুরুতে অব্যয়মূলী অংশ চেনার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই মৌলিক উপসর্গগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সর্বনাম এবং অব্যয় পদের পার্থক্য জানা থাকলে এমন ভুল এড়ানো সম্ভব।
10. 'অগ্নি' শব্দের প্রতিশব্দ কী?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃশানু ১. কেন সঠিক: - কৃশানু শব্দটির অর্থ আগুন বা অগ্নি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে অগ্নিবাচক শব্দের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে। - অগ্নি শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সমার্থক পদের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: অনল শব্দটি অগ্নি বা আগুনের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: পাবক শব্দের অর্থ পবিত্রকারী বা অগ্নি, যা আগুনের সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃশানু — এই অপশনটি সঠিক কারণ কৃশানু শব্দের অর্থ অগ্নি। B) ভানু — ভানু শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি অগ্নি শব্দের সমার্থক নয়। C) সবিতা — সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য বা দিবাকর, যা আগুনের সমার্থক নয়। D) প্রভা — প্রভা শব্দের অর্থ আলো বা দীপ্তি, এটি আগুনের সমার্থক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অগ্নি শব্দের সমার্থক মনে রাখার সহজ উপায় হলো অনল, অবনি, পাবক এবং কৃশানু শব্দগুলো একত্রে চর্চা করা। - সূর্য এবং অগ্নিবাচক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই সূর্যের সমার্থকগুলো আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি, সূর্য, আকাশ ও সমুদ্রের প্রতিশব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
12. পাঞ্জেরী কবিতার লেখক কে?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - পাঞ্জেরী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁস বা জাগরণের কবি ফররুখ আহমদের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও শিল্পসফল কবিতা। - এখানে পাঞ্জেরী ফারসি শব্দ, যার অর্থ দিকনির্ণয়কারী বা পথপ্রদর্শক নাবিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে সনেট ও কবিতা লিখে খ্যাতি অর্জন করেছেন। - সাত সাদের মাঝি, লাশের পরোয়া নেই এবং পাঞ্জেরী তাঁর কালজয়ী ও সাহিত্যকর্মের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাত সাদের মাঝি ব্যাখ্যা: এটি কবি ফররুখ আহমদের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা সামুদ্রিক প্রতীক ও মুসলিম ঐতিহ্যের দ্যোতক। উদাহরণ ২: পাখির বাসা ব্যাখ্যা: এটিও ফররুখ আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে বিদ্রোহী, কামাল পাশা ও প্রলয়োল্লাস, কিন্তু পাঞ্জেরী তাঁর রচনা নয়। B) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লোকসমাজ ও সোনালী কাবিন, তবে পাঞ্জেরী তাঁর কবিতা নয়। D) মুহাম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন বিখ্যাত বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক, তিনি মূলত বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে কাজ করেছেন, সাহিত্যিক বা কবি হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাঞ্জেরী শব্দের অর্থ দিকনির্দেশক এবং এই দিকনির্দেশনামূলক ইসলামী জাগরণের কবিতা লিখে অমর হয়েছেন কবি ফররুখ আহমদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পাঞ্জেরী কবিতার মূল সুর হলো মুসলিম জাতির আত্মিক জাগরণ এবং অন্ধকার দূর করে সঠিক পথের সন্ধান করা। - এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির নাম এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার নাম মিলিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
13. ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের প্রধান আলোচ্য বিষয় চারটি এবং অপশনের ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য এই তিনটি বিষয়ের অন্তর্ভূক্ত। বাংলা ব্যাকরণের প্রতিটি শাখায় ভাষার মৌলিক উপাদানগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে মূলত ভাষা নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য। ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় চারটি যথা ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম এবং অর্থত্ব্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধ্বনিতত্ত্ব ব্যাখ্যা: ধ্বনিতত্ত্ব অংশে বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান ও সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়। উদাহরণ ২: বাক্যতত্ত্ব ব্যাখ্যা: বাক্যতত্ত্ব অংশে বাক্যের গঠন, বাগধারা, বাচ্য ও উক্তি পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হলেও ব্যাকরণের একমাত্র আলোচ্য বিষয় নয়। B) শব্দ — এটি ব্যাকরণের শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হলেও ব্যাকরণের একাংশ মাত্র। C) বাক্য — এটি ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় এবং এটিও ব্যাকরণের একটি অংশ। D) সবগুলো — সঠিক কারণ ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য সবই বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভূক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ধ্বনি দিয়ে শব্দ তৈরি হয় এবং শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি হয়। ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য এই তিনটি বিষয়ই ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় কয়টি এবং কোনটি কোন তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দতত্ত্বের অপর নাম রূপতত্ত্ব এবং বাক্যতত্ত্বের অপর নাম পদক্রম ভালো করে মনে রাখতে হবে।
14. 'মেঘনাদবধ কাব্য' কোন ছন্দে রচিত?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অমিত্রাক্ষর ১. কেন সঠিক: - মেঘনাদবধ কাব্য অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য। - অমিত্রাক্ষর ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে চরণান্তে মিল বা অন্ত্যমিল থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। - বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগের জন্য তিনি ইংরেজি ব্ল্যাংক ভার্স এর অনুসরণে এই ছন্দ প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। উদাহরণ ২: তিলোত্তমািসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পয়ার — পয়ার ছন্দে প্রতি চরণের অন্তে মিল থাকে, যা মেঘনাদবধ কাব্যে অনুপস্থিত। B) মুক্তক — মুক্তক ছন্দ আধুনিক যুগের ভাবপ্রধান ছন্দ, যা এই মহাকাব্যের রচনার সময়ের সঙ্গে মেলে না। D) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত হলো ঝংকারধর্মী বা দলবৃত্ত ছন্দ, যা মহাকাব্যের গম্ভীর ভাবের জন্য উপযুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্ত মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ মানেই মেঘনাদবধ কাব্য। - মহাকাব্যের নাম দেখলে অমিত্রাক্ষর ছন্দ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে এবং এটি ৯টি সর্গে বিভক্ত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের মহাকাব্য কোনটি।
16. বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি হলো মোট ৭টি। ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। - এই স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না এবং মুখের ভেতর বাতাস কোনো বাধা পায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক এবং স্বরধ্বনি হলো সেই ধ্বনি যা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। - বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ ১১টি থাকলেও উচ্চারণের সময় তার মধ্যে ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি। উদাহরণ ২: আ ব্যাখ্যা: এটি মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে উচ্চারিত একটি মৌলিক স্বরধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির নির্দিষ্ট সংখ্যা সাতটি। B) ৮টি — বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি আটটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) ৯টি — বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মৌলিক স্বরধ্বনি কখনোই নয়টি হতে পারে না। D) ১১টি — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্ণমালা ১১টি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি তা মনে রাখবে। বর্ণমালা থেকে ৪টি কম হলো মৌলিক স্বরধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বরবর্ণ কয়টি এবং মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে। তাই দুটি আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
17. 'খাসমহল' শব্দের 'খাস' উপসর্গ কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবি ১. কেন সঠিক: - খাসমহল শব্দে ব্যবহৃত খাস উপসর্গটি মূলত আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বাংলা ব্যাকরণে খাস একটি বিশেষ উপসর্গ যা সাধারণত আরবি ও ফারসি উৎস থেকে শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন বাংলা উপসর্গ তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - আরবি ফারসি ও ইংরেজি ভাষার উপসর্গগুলো বিদেশি উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত এবং এগুলো শব্দের অর্থের ভিন্নতা ও বিশেষত্ব আনে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাসখবর ব্যাখ্যা: এখানে খাস উপসর্গটি আরবি ভাষা থেকে এসে বিশেষ বা নির্দিষ্ট খবর অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: খাসজমি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে খাস উপসর্গটি বিশেষ বা সরকার নির্ধারিত জমি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক উপসর্গ বাংলায় এলেও খাস শব্দটি ফারসি উপসর্গ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ খাস উপসর্গটি মূল আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। C) উর্দু — উর্দু একটি মিশ্র ভাষা এবং এর নিজস্ব কোনো মৌলিক উপসর্গ নেই তাই এটি ভুল। D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে সরাসরি খাস উপসর্গটি বাংলায় আসেনি তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আরবি উপসর্গগুলো মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো খাস লা এবং গর শব্দগুলোকে একসঙ্গে মনে রাখা। - আদালতের খাস কামরা বা খাস জমি দিয়ে আরবি খাস উপসর্গটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গের উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - আরবি ও ফারসি উপসর্গের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
18. 'বন্দনা' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গঞ্জনা ১. কেন সঠিক: 'বন্দনা' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো প্রশংসা, স্তুতি বা গুণকীর্তন। এর বিপরীতে কোনো কিছুকে তিরস্কার করা বা দোষ ধরা অর্থে 'গঞ্জনা' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ্য পদ হিসেবে 'বন্দনা' ও 'গঞ্জনা' পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু সাবধান! ভক্তির বদলে যেন জুটে না গঞ্জনা। ব্যাখ্যা: এখানে ভক্তি বা বন্দনার বিপরীত ফল হিসেবে তিরস্কার বা গঞ্জনা পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ঈশ্বরের বন্দনা করলে মন পবিত্র হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বন্দনা শব্দের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে যার বিপরীত হতে পারে নিন্দা বা গঞ্জনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গঞ্জনা — সঠিক উত্তর কারণ এটি বন্দনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) বিরাগি — এটি অনুরাগ শব্দের বিপরীত শব্দ, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। C) প্রশংসা — এটি বন্দনা শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। D) নিন্দা — এটি বন্দনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলেও 'গঞ্জনা' তুলনামূলকভাবে সরাসরি ও যথাযথ বিপরীতার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বন্দনা মানে ভালো বলা, আর গঞ্জনা মানে বকা দেওয়া বা তিরস্কার করা। এভাবে ভালো কাজের বিপরীত মন্দ প্রতিদান মনে রেখে এটি সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব বা তীব্রতা লক্ষ্য করতে হয়। প্রতিযোগী পরীক্ষায় প্রায়ই স্তুতি বা প্রশংসা জাতীয় শব্দের বিপরীত হিসেবে গঞ্জনা বা তিরস্কার অপশনে থাকে।
20. He is neither expert in writing ___ interested in learning.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) nor কেন সঠিক: ইংরেজিতে neither এর সাথে সবসময় pair conjunction হিসেবে nor ব্যবহৃত হয়। বাক্যের দুটি নেতিবাচক অংশ যুক্ত করতে neither-nor কাঠামোটি এখানে সঠিকভাবে বসেছে। বাক্যের গঠনে এটি নিয়ম মেনে চলে। এতে ব্যাকরণগত কোনো ভুল নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) not — neither এর সাথে not সরাসরি জোড়া হিসেবে বসে না। C) neither — বাক্যের শুরুতে একটি neither থাকায় মাঝে আবার neither ব্যবহার করা যায় না। D) not also — এই শব্দগুচ্ছটি neither এর সাথে জোড়া গঠন করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: neither দেখলে চোখ বন্ধ করে nor এর কথা মনে রাখবে, কারণ এরা সবসময় জোড়ায় বসে।
21. What is the meaning by the following underlined phrase: "It is Greek to me"
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) difficult to understand কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ গ্রিক ভাষা হলেও রূপক অর্থে এটি এমন কিছু বোঝায় যা কারো কাছে সম্পূর্ণ বোধগম্য বা কঠিন লাগে। কারো কাছে কোনো বিষয় বা ভাষা অপরিচিত হলে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তরটি অপশন বি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) came from Greek — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাক্যের আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও এটি কোনো ঐতিহাসিক উৎস নির্দেশ করছে না। B) difficult to understand — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) illegible — এই অপশনটি ভুল কারণ ইলিজিবল বলতে কেবল দুর্বোধ্য হাতের লেখাকে বোঝায়, কিন্তু এই বাগধারাটি সব ধরনের কঠিন বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) none of the above — এই অপশনটি ভুল কারণ অপশন বি তে সঠিক উত্তরটি ইতিমধ্যে দেওয়া আছে। মনে রাখার টিপস: গ্রিক ভাষা আমাদের অনেকের কাছেই অচেনা ও কঠিন মনে হয়, তাই এই ইডিওম দেখলে বুঝবে এর অর্থ কোনো কিছু বুঝতে না পারা।
22. Antonym of "cryptic" is:
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) clear কেন সঠিক: Cryptic শব্দের অর্থ রহস্যময় বা যার অর্থ সহজে বোঝা যায় না। এর বিপরীত শব্দ হলো clear যার অর্থ স্পষ্ট বা সহজে বোধগম্য। তাই অর্থের দিক থেকে এটি সবচেয়ে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mysterious — এই শব্দটির অর্থ রহস্যময় যা cryptic শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। B) enigmatic — এই শব্দটির অর্থও দুর্বোধ্য বা রহস্যময় যা মূল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) clear — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) abstruse — এই শব্দটির অর্থ জটিল বা কঠিন যা cryptic শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Cryptic মানে কোড বা রহস্য, আর Clear মানে পরিষ্কার বা খোলা বই।
23. Find the correct phrase to fill the gap: The office manager is respected by all ___
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) because of his talent কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পর কোনো পূর্ণাঙ্গ বাক্য বা ক্লজ নেই, বরং একটি নাউন ফ্রেজ রয়েছে। তাই কারণ বোঝাতে বিকজ অফ ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এখানে সঠিক নিয়ম ও নাউন ফ্রেজ ব্যবহার করা হয়েছে। B) because his talent — because এর পর সাবজেক্ট ও ভার্ব না থাকায় এই অপশনটি ভুল। C) because of he is talented — because of এর পর সরাসরি সাবজেক্ট ও ভার্ব বসে না। D) because talented — because এর পর শুধু এডজেক্টিভ বসলে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। মনে রাখার টিপস: কারণ বোঝাতে ক্লজের আগে because এবং নাউন বা ফ্রেজের আগে because of বসে।
24. Find the incorrect question:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) What that cinema showing now? কেন সঠিক: এখানে বাক্যটিতে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব বা অক্সিলিয়ারি ভার্ব ব্যবহার করা হয়নি। চলমান সময় বোঝাতে সাবজেক্টের আগে Is বা Are বসা দরকার ছিল, যা এখানে অনুপস্থিত। প্রশ্ন তৈরির সঠিক গঠন এখানে মানা হয়নি। তাই এটি একটি ভুল প্রশ্ন বা ইনকারেক্ট কোশ্চেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What book did he buy? — এটি একটি সঠিক প্রশ্ন কারণ এখানে ডিড সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে সঠিক নিয়ম মেনে ব্যবহার করা হয়েছে। B) What that cinema showing now? — এটি ভুল বাক্য কারণ সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব না থাকায় প্রশ্ন গঠনটি অসম্পূর্ণ থেকে গেছে। C) What date it is? — এটিও কথ্য ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় এবং এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য ধরা হয়। D) What does she mean? — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এখানে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সের প্রশ্ন তৈরির নিয়ম নিখুঁতভাবে মানা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রশ্ন তৈরির সময় সব সময় সাবজেক্টের আগে উপযুক্ত সাহায্যকারী ভার্ব বা অক্সিলিয়ারি ভার্ব ব্যবহার করতে হবে।
25. Which is not a synonym of "disorderly":
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) tidy কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে "disorderly" শব্দের সমার্থক বা সমঅর্থের নয় এমন শব্দ জানতে চাওয়া হয়েছে। "Disorderly" অর্থ অগোছালো বা বিশৃঙ্খল। "Tidy" শব্দটির অর্থ পরিপাটি বা গোছালো। এটি মূল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) topsy-turvy — এই শব্দটির অর্থ ওলটপালট বা বিশৃঙ্খল, যা মূল শব্দের সমার্থক। B) disorganized — এই শব্দটির অর্থ অসংগঠিত বা অগোছালো, যা মূল শব্দের সমার্থক। C) messy — এই শব্দটির অর্থ নোংরা বা অগোছালো, যা মূল শব্দের সমার্থক। D) tidy — এই শব্দটির অর্থ পরিপাটি বা গোছালো, যা মূল শব্দের বিপরীত এবং সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের সমার্থক খুঁজতে গেলে তার অর্থের মিল দেখতে হয় এবং বিপরীতার্থক শব্দ থাকলে তা আলাদা করতে হয়।
26. If I ____you I'd get that car serviced:?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: এটি একটি অবাস্তব শর্ত বা কাল্পনিক বাক্য। তাই বর্তমান ও অতীত নির্বিশেষে সাবজেক্টের পর were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — এটি প্রেজেন্ট টেন্স এবং ফার্স্ট পারসন সিঙ্গুলার, যা এই কাল্পনিক বাক্যে বসে না। B) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) was — সাধারণত ফার্স্ট ও থার্ড পারসন সিঙ্গুলারের পরে বসে, কিন্তু কাল্পনিক বাক্যে was ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) would be — প্রথম ক্লজে কখনো modal verb বসে না, এটি বাক্যের পরের অংশে থাকে। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে ইফ যুক্ত বাক্যে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় were ব্যবহার করবে।
27. Raheel has broken ___ rib in an accident?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: এখানে 'rib' একটি সাধারণ গণনাযোগ্য বিশেষ্য এবং বাক্যটিতে প্রথমবারের মতো একটি পাজরের কথা বলা হয়েছে। তাই নির্দিষ্ট করে না বুঝিয়ে যেকোনো একটি পাজর ভাঙার অর্থ প্রকাশ করতে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল 'a' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এটি নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ্যকে বোঝাতে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ পাজরটি নির্দিষ্ট নয়। B) some — এটি অনির্দিষ্ট বহুবাচক বা পরিমাণের ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু 'rib' এখানে একবচন রূপে আছে। C) a — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) to — এটি একটি প্রিপোজিশন যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয় এবং অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: কোনো একক ও গণনাযোগ্য বিশেষ্য যদি প্রথমবার উল্লেখ করা হয় এবং নির্দিষ্ট না থাকে, তবে তার আগে 'a' বা 'an' বসাতে হয়।
28. Find the odd pairs of words?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) humility: pride কেন সঠিক: humility অর্থ বিনয় এবং pride অর্থ অহংকার, যা একে অপরের বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি সব অপশনগুলোতে সমার্থক শব্দ জোড়া দেওয়া আছে কিন্তু এখানে বিপরীতার্থক শব্দ জোড়া রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) distance: far — এখানে দূরত্ব এবং দূরবর্তী বোঝাতে দুটি সমার্থক শব্দ জোড়া ব্যবহার করা হয়েছে। B) disruptive: troublesome — এখানে বিঘ্ন সৃষ্টকারী এবং কষ্টদায়ক বোঝাতে দুটি সমার্থক শব্দ জোড়া ব্যবহৃত হয়েছে। C) humility: pride — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিনয় ও অহংকার বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে আছে। D) enlightenment: illumination — এখানে জ্ঞানালোক এবং প্রদীপ্তি বোঝাতে দুটি সমার্থক শব্দ জোড়া ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দার্থগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে, কারণ তিনটি জোড়া সমার্থক এবং একটি জোড়া বিপরীতার্থক হতে পারে।
29. One of my friends____ being selected for the:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে One of থাকলে তার পরের noun বা pronoun টি plural হলেও verb টি সবসময় singular হয়। এখানে subject হলো One, যা singular হওয়ায় verb ও singular রূপ নেবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject One-এর সাথে বসে না। B) have — এটি plural verb এবং এখানে auxiliary verb হিসেবেও এটি বসে না। C) is — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) were — এটি past tense-এর plural verb যা present context এবং singular subject-এর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে One of থাকলেই চোখ বন্ধ করে singular verb (is বা has) বসাবে।
30. Which of the following words is singular form?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) radius কেন সঠিক: radius শব্দটি ল্যাটিন মূলের একটি একবচন বা singular noun, যার শেষ অক্ষর us। এর বহুবচন বা plural form হলো radii। এটি একটি নির্দিষ্ট জ্যামিতিক ব্যাসার্ধ বোঝাতে একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) formulae — এটি formula শব্দের বহুবচন রূপ, যার শেষে ae আছে। B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ, যার শেষে a আছে। C) Oases — এটি oasis শব্দের বহুবচন রূপ, যার মাঝে es আছে। D) radius — এটি নিজেই একমাত্র একবচন শব্দ, তাই ভুল নয় বরং সঠিক। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বা ল্যাটিন শব্দের শেষে us থাকলে সাধারণত তা একবচন হয় এবং a বা i থাকলে বহুবচন হয়।
31. They did the office tasks ___
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) themselves কেন সঠিক: বাক্যের কর্তা they-এর ওপর জোর দিতে বা তারা নিজেরাই কাজটি করেছে বোঝাতে reflexive pronoun হিসেবে themselves ব্যবহার করা হয়েছে। Subject নিজেই কাজটি সম্পন্ন করলে verb-এর পরে বা বাক্যের শেষে reflexive pronoun বসে। তাই এখানে themselves ব্যবহার করা পুরোপুরি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by junior officers — এটি passive voice-এর মতো শোনায় কিন্তু মূল বাক্যে কোনো passive গঠন নেই। B) by themselves — এখানে preposition থাকার কারণে এটি দ্বারা অন্যের সহযোগিতায় কাজটি করা বোঝায়, যা সঠিক নয়। C) by them — pronoun-এর objective রূপ এখানে বসালে বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। D) themselves — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: subject নিজে কোনো কাজ সম্পন্ন করলে তার ওপর জোর দেওয়ার জন্য reflexive pronoun ব্যবহার করতে হয়।
32. Which one is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It is an exciting task কেন সঠিক: ১. exciting শব্দটি vowel sound (এ) দিয়ে শুরু হওয়ায় তার পূর্বে an বসেছে। ২. task একটি countable noun হওয়ায় তার পূর্বে adjective-এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে। ৩. বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে। ৪. অর্থপূর্ণ হওয়ায় এই বাক্যটি অন্য বিকল্পগুলোর তুলনায় নিখুঁত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is a interesting story — interesting শব্দটি vowel দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে a এর বদলে an বসা উচিত ছিল। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) It is an very interesting story — very শব্দটি consonant দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে an না বসে a বসবে। D) It is an hard task — hard শব্দটি consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে an এর বদলে a বসবে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি vowel হলে an এবং consonant হলে a বসে।
33. Conventional wisdom is what everyone thinks. The underlined word does not mean:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) exceptional কেন সঠিক: Conventional wisdom কথাটির অর্থ হলো সাধারণ মানুষের প্রচলিত ধারণা বা বিশ্বাস। Underlined শব্দটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হয়েছে। exceptional শব্দটির অর্থ অসাধারণ বা ব্যতিক্রমী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) exceptional — এই শব্দটির অর্থ অসাধারণ, যা Conventional wisdom এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর। B) customary — এর অর্থ প্রথাগত বা প্রচলিত, যা মূল শব্দের সমার্থক হওয়ায় ভুল অপশন। C) unexceptional — এর অর্থ সাধারণ, যা মূল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করায় এটি উত্তর হবে না। D) common — এর অর্থ সাধারণ বা প্রচলিত, যা মূল শব্দের সাথে মিলে যায় তাই ভুল। মনে রাখার টিপস: Conventional অর্থ সাধারণ বা প্রচলিত, তাই এর বিপরীত শব্দ খুঁজতে হবে যা অসাধারণ বা ব্যতিক্রমী বোঝায়।
34. As a Captain of the ship, it is my duty to look after safety of everyone on board. What is wrongly used:
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) article কেন সঠিক: নির্দিষ্ট করে বোঝাতে safety শব্দের পূর্বে the article বসানো বাধ্যতামূলক ছিল। এখানে safety শব্দটি সবার নিরাপত্তার মতো নির্দিষ্ট একটি অর্থ প্রকাশ করছে। তাই article ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) article — এখানে the article এর ব্যবহার ভুল ছিল। B) preposition — বাক্যের preposition সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে। C) adjective — বাক্যের adjective সঠিক স্থানে বসেছে। D) conjunction — বাক্যে কোনো conjunction এর ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো বিষzesয় বা ধারণার বিশেষ অবস্থার আগে অবশ্যই the article ব্যবহার করতে হয়।
35. Fill in the blank with an article she is ___sole survivor?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তuyu বোঝাতে Definite Article 'the' বসে। বাক্যে 'sole survivor' দ্বারা একমাত্র বেঁচে থাকা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়েছে। তাই এখানে সঠিক আর্টিকেল হিসেবে 'the' ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — 'a' হলো Indefinite Article, যা অনিনির্দিষ্ট একবচন countable noun-এর পূর্বে বসে। কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট একজন survivor-কে বোঝানো হয়েছে। B) an — 'an' vowel sound-এর পূর্বে বসে। কিন্তু 'sole' শব্দটির শুরুতে consonant sound থাকায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) the — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রদত্ত শূন্যস্থানের জন্য সঠিক নিয়ম মেনে চলে। D) no article — নিয়ম অনুযায়ী এই শূন্যস্থানে একটি নির্দিষ্ট article বসানো আবশ্যক। তাই কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হবে। মনে রাখার টিপস: কোনো ব্যক্তি বা বস্তু নির্দিষ্ট হলে তার আগে সবসময় the বসে।
36. Find the incorrect expression:
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I started for the meeting five minutes to be ten. কেন সঠিক: ইংরেজি সময়ে বাঁকি বোঝাতে to ব্যবহার করা হয়, তবে মিনিট বোঝানোর ক্ষেত্রে "five minutes to ten" বলতে হয় কিন্তু এখানে "five minutes to be ten" লেখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। এই বাক্যটিতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে "be" শব্দ যুক্ত করা হয়েছে যা সময়ের সঠিক গঠনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়াও অপশন সি-এর গঠনটি ইংরেজি ভাষা ব্যবহারের প্রচলিত নিয়মের সাথে মিলে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I reached the office at half past eight — এখানে সময় বলার সঠিক নিয়ম "half past" ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত ও নির্ভুল। B) I prepared for the meeting at a quarter to ten — এখানে নির্দিষ্ট সময়ের ১৫ মিনিট বাকি বোঝাতে "a quarter to" এর সঠিক নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে। C) I started for the meeting five minutes to be ten — এখানে "be" শব্দের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে এবং সঠিক নিয়ম মানা হয়নি। D) I attended the meeting at 10 a.m — এখানে নির্দিষ্ট সময়ের সাথে "a.m." এর সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সময়ে মিনিট কম থাকলে "past" এবং বাকি থাকলে "to" বসে, মাঝখানে কখনো "be" বসে না।
37. Fill in the gap: He acceded ___ my request?
Created 3 weeks ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: Acceded শব্দের পরে সাধারণত প্রিপজিশন হিসেবে to বসে। এর অর্থ হলো রাজি হওয়া বা কোনো প্রস্তাবে সম্মতি জ্ঞাপন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — Acceded শব্দের পরে with বসে না কারণ এটি অনুরোধের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) in — Acceded শব্দের পরে in বসে অর্থ পরিবর্তন করে, তাই এখানে ভুল। D) for — Acceded শব্দের পরে for ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Acced শব্দের সাথে সবসময় to বসে, যেমন অনুরোধ বা প্রস্তাবে রাজি হওয়া বোঝাতে Accede to ব্যবহার হয়।
38. Fill in the gap with appropriate words: All should love their country, ____?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) should they কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি হাবাত্মক বা অ্যাফারমেটিভ অর্ধে আছে এবং এর সাবজেক্ট হলো অল বা সবাই। তাই ট্যাগ কোশ্চেনের নিয়ম অনুযায়ী মূল অক্সিলারি ভার্ব শুড নেগেটিভ হয়ে ড্যান্ট হবে এবং প্লুরাল সাবজেক্টের প্রোনাউন দে বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aren't they — বাক্যে বি ভার্ব না থাকায় এই অক্সিলারি ব্যবহার ভুল। B) isn't it — সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় ইট ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) should they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) shouldn't they — মূল বাক্যটি অ্যাফারমেটিভ হওয়ায় ট্যাগ অংশটি নেগেটিভ হবে না। মনে রাখার টিপস: ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় মূল বাক্য অ্যাফারমেটিভ হলে ট্যাগ নেগেটিভ হয় এবং বাক্য নেগেটিভ হলে ট্যাগ অ্যাফারমেটিভ হয়।
39. "Far and Wide" means?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in all directions কেন সঠিক: Far and Wide একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ যার অর্থ হলো সর্বত্র বা চতুর্দিকে। এটি মূলত কোনো বিশাল এলাকা বা অনেক দূরদূরান্ত বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। এটির সাথে সব দিকে বা in all directions কথাটির সরাসরি মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from time to time — এর অর্থ মাঝে মাঝে, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না। B) not regularly — এর অর্থ নিয়মিতভাবে নয়, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি পরিস্থিতি নির্দেশ করে। C) in all directions — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) comprehensively — এর অর্থ ব্যাপকভাবে বা বিস্তারিতভাবে, যা দূরদূরান্ত ছড়ানো বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Far অর্থ দূরে এবং Wide অর্থ চওড়া, তাই দূর এবং চওড়া মিলিয়ে মনে রাখবে এর অর্থ সব দিকে বা সর্বত্র।
42. ১৮৭৫ সালের 'আলীগড় আন্দোলন' কোন ধরনের আন্দোলন ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কার আন্দোলন কেন সঠিক: - ১৮৭৫ সালে স্যার সৈয়দ আহমদ খান কর্তৃক সূচিত আলীগড় আন্দোলন ছিল মূলত মুসলিম সমাজের ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষাগত সংস্কার আন্দোলন। - এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল আধুনিক ইংরেজি শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে অনগ্রসর মুসলিম সম্প্রদায়কে যুগোপযোগী ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কার আন্দোলন — এটি সঠিক, কারণ এই আন্দোলন ব্রিটিশ ভারতের মুসলিমদের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছিল। B) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন — এটি ভুল, কারণ আলীগড় আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ব্রিটিশদের বিরোধিতা করা ছিল না, বরং ব্রিটিশদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে উন্নতি করা ছিল। C) স্বাধীনতা আন্দোলন — এটি ভুল, কারণ তৎকালীন সময়ে সরাসরি স্বাধীনতা অর্জনের কোনো রাজনৈতিক লক্ষ্য এই আন্দোলনের ছিল না। D) স্বদেশী আন্দোলন — এটি ভুল, কারণ স্বদেশী আন্দোলন মূলত ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে বাংলা অঞ্চলে ব্রিটিশ পণ্য বর্জনের রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল। মনে রাখার টিপস: স্যার সৈয়দ আহমদ খান এবং আলীগড় আন্দোলন মানেই মুসলিম সমাজের আধুনিক শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কার।
43. ব্যক্তিত্ব প্রত্যয়ের উদ্ভব-
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারসোনা থেকে কেন সঠিক: - ব্যক্তিত্ব বা Personality শব্দটি ল্যাটিন শব্দ পারসোনা থেকে এসেছে। - প্রাচীন গ্রিক নাটকে অভিনেতারা যে মুখোশ পরতেন তাকে পারসোনা বলা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আচরন — এটি ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ হলেও এই শব্দ থেকে ব্যক্তিত্ব প্রত্যয়টি উদ্ভূত হয়নি। B) মনোবৃত্তি — এটি মানসিক প্রক্রিয়া বা প্রবৃত্তি বোঝায়, যা ব্যক্তিত্বের উৎসের মূল ল্যাটিন শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) অভিপ্রায় — এটি মানুষের কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য নির্দেশ করে, ব্যক্তিত্ব শব্দের ঐতিহাসিক উৎসের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) পারসোনা থেকে — এটি সঠিক কারণ ব্যক্তিত্ব শব্দের ল্যাটিন মূল পারসোনা, যার অর্থ মুখোশ বা নাট্যমঞ্চের ভূমিকা। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তিত্ব মানেই মুখোশ, আর মুখোশ মানেই পারসোনা।
44. রাষ্ট্রের উৎপত্তি বিষয়ে মর্গান এর ধারণাকে পরবর্তীতে কে বিকাশিত করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফ্রেডরিক এঙ্গেলস কেন সঠিক: - আমেরিকান নৃতাত্ত্বিক লুইস হেনরি মর্গানের আদিম সমাজের পরিবার ও সম্পত্তির বিকাশ সংক্রান্ত ধারণাকে ফ্রেডরিক এঙ্গেলস পরবর্তীতে বিকশিত ও মার্ক্সীয় তত্ত্বে প্রয়োগ করেন। - এঙ্গেলস তার বিখ্যাত গ্রন্থ অরিজিন অব দ্য ফ্যামিলি, প্রাইভেট প্রপার্টি অ্যান্ড দ্য স্টেট গ্রন্থে মর্গানের গবেষণাকে ভিত্তি করে রাষ্ট্রের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাক্স ওয়েবার — তিনি সমাজবিজ্ঞানে আমলাতন্ত্র এবং ক্ষমতার ধারণার জন্য পরিচিত হলেও মর্গানের ধারণাকে বিকশিত করেননি। B) এমিল দুর্খইম — তিনি সমাজবিজ্ঞানের ফরাসি ধারার জনক এবং শ্রমবিভাজন ও সংহতি নিয়ে কাজ করেছেন। C) কার্ল মার্ক্স — তিনি পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও ঐতিহাসিক materialism নিয়ে কাজ করেছেন, তবে মর্গানের রাষ্ট্র সম্পর্কিত তত্ত্বটি এঙ্গেলস মূলত গ্রন্থাকারে প্রকাশ ও বিকশিত করেন। D) ফ্রেডরিক এঙ্গেলস — মর্গানের ধারণাকে ভিত্তি করে তিনি রাষ্ট্রের উৎপত্তি বিষয়ে বৈজ্ঞানিক সমাজতান্ত্রিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। মনে রাখার টিপস: মর্গান সমাজ নিয়ে গবেষণা করেছেন আর এঙ্গেলস সেই গবেষণা দিয়ে রাষ্ট্রের উৎপত্তি বুঝিয়েছেন।
46. নিচের কোনটি নগরায়নের পুল ফ্যাক্টর?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শহরে উন্নত কর্মসংস্থান কেন সঠিক: - পুল ফ্যাক্টর বা আকর্ষণমূলক উপাদান বলতে মানুষের শহরমুখী হওয়ার পেছনে কাজ করে এমন ইতিবাচক সুযোগ-সুবিধাকে বোঝায়। - শহরের উন্নত কর্মসংস্থানের সুযোগ, ভালো জীবনযাত্রার মান এবং উচ্চ আয়ের সম্ভাবনা গ্রামীণ মানুষকে শহরমুখী হতে আকর্ষণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামে জমির অভাব — এটি গ্রামীণ জীবনের একটি নেতিবাচক দিক এবং এটি নগরায়নের পুশ ফ্যাক্টর বা বিকর্ষণমূলক উপাদানের অন্তর্ভুক্ত। B) প্রাকৃতিক দুর্যোগ — বন্যা বা নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে যেতে বাধ্য করে, যা মূলত একটি পুশ ফ্যাক্টর। C) শহরে উন্নত কর্মসংস্থান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি মানুষকে শহরে যেতে আকর্ষণ বা পুল করে। D) গ্রামীণ দারিদ্র্য — এটি মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামকে কঠিন করে তোলে এবং শহরমুখী হতে বাধ্য করার একটি পুশ ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: পুল ফ্যাক্টর মানে চুম্বকের মতো আকর্ষণ, তাই শহরে থাকা ভালো সুযোগগুলোই হলো পুল ফ্যাক্টর।
48. গারো সমাজের বংশধারা কেমন?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাতৃসূত্রীয় কেন সঠিক: - গারো সমাজ একটি মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা অনুসরণ করে যেখানে বংশধারা ও উপাধি মায়েদের দিক থেকে নির্ধারিত হয়। - এই সমাজে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী সাধারণত পরিবারের ছোট মেয়ে বা কন্যারা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিতৃসূত্রীয় — এটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে পিতার দিক থেকে বংশ ও সম্পত্তি নির্ধারিত হয় কিন্তু গারো সমাজে এর বিপরীত চর্চা দেখা যায়। B) মাতৃসূত্রীয় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ গারো সমাজে মাতৃতান্ত্রিক ধারা অনুসরণ করা হয়। C) বাইলিনিয়াল — এটি দ্বিপক্ষীয় বা উভয় দিক থেকে বংশধারা গণনার পদ্ধতি বোঝায়, যা গারো সমাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটাই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান রয়েছে, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গারো উপজাতির মা থেকে মেয়ে এই ধারায় সম্পত্তি ও বংশমর্যাদা রক্ষা হয়, তাই এটি মাতৃসূত্রীয় সমাজ।
49. "সমাজবিজ্ঞান হলো সামাজিক সংগঠন এবং সমাজ পরিবর্তনের বিজ্ঞান" উক্তিটি কে বলেছেন-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কোভালেভস্কি কেন সঠিক: - ম্যাক্সিম কোভালেভস্কি সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক সংগঠন এবং সমাজ পরিবর্তনের বিজ্ঞান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। - তাঁর মতে সমাজবিজ্ঞানের মূল কাজ হলো সমাজের বিভিন্ন কাঠামোর বিন্যাস এবং এর পরিবর্তনের গতিপ্রকৃতি অধ্যয়ন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোভালেভস্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক সংগঠন ও সমাজ পরিবর্তনের বিজ্ঞান বলেছেন। B) দুর্খইম — এমিল দুর্খইম সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক তথ্যের বিজ্ঞান হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং শ্রম বিভাজন নিয়ে কাজ করেছেন। সি) ম্যাকাইভার — রবার্ট ম্যাকাইভার সমাজকে সামাজিক সম্পর্কের জাল হিসেবে অভিহিত করেছেন, সমাজবিজ্ঞানকে শুধু পরিবর্তনের বিজ্ঞান বলেননি। ডি) সিমেল — জর্জে সিমেল সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক মিথস্ক্রিয়া এবং ফর্মের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। মনে রাখার টিপস: সমাজ পরিবর্তন ও সংগঠনের কথা আসলেই মাথায় রাখবে কোভালেভস্কির নাম।
52. অগাস্ট কোঁৎ মানবজ্ঞান বিকাশের পর্যায়কে কী বলেছেন?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দৃষ্টবাদ কেন সঠিক: - ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী অগাস্ট কোঁৎ মানবজ্ঞান ও সমাজের বিকাশের ক্ষেত্রে ত্রয়ী সূত্র বা তত্ত প্রদান করেছেন। - এই তত্ত্ব অনুযায়ী মানবচিন্তার বিকাশের সর্বশেষ ও সর্বোচ্চ স্তর হলো দৃষ্টবাদ বা পজিটিভিজম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষের যুগ — অগাস্ট কোঁৎ মানবজ্ঞানের বিকাশের ক্ষেত্রে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট স্তর উল্লেখ করেননি। B) অধিবিদ্যার যুগ — এটি অগাস্ট কোঁতের তত্তের দ্বিতীয় স্তর, যেখানে মানুষ অলৌকিক শক্তির বদলে বিমূর্ত ধারণা দিয়ে সবকিছু ব্যাখ্যা করে। C) দৃষ্টবাদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক। D) বীরযোদ্ধার যুগ — এটি অগাস্ট কোঁতের মানবজ্ঞান বিকাশের তত্ত্বের কোনো স্বীকৃত পর্যায় নয়। মনে রাখার টিপস: কোঁতের তত্ত্বের তিনটি স্তর হলো ধর্মীয়, অধিবিদ্যাগত ও দৃষ্টবাদ। এর মধ্যে শেষ বা সর্বোচ্চ স্তরটি হলো দৃষ্টবাদ।
53. মিশরীয় সভ্যতায় ব্যবহৃত হতো −
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হায়ারোগ্লিফিক্স কেন সঠিক: - প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায় চিত্রভিত্তিক লিখন পদ্ধতি বা হায়ারোগ্লিফিক্স ব্যবহার করা হতো। - পাথরের গায়ে বা পিরামিডের দেয়ালে খোদাই করে লেখার জন্য এই পবিত্র লিপি ব্যবহৃত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউনিফর্ম — এটি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া বা সুমেরীয় সভ্যতার楔াকার লিখন পদ্ধতি, মিশরীয় সভ্যতা নয়। B) হায়ারোগ্লিফিক্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ব্রাহ্মী — এটি প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের একটি লিপি, যা থেকে বাংলাসহ বহু লিপির জন্ম হয়েছে। D) আরবি লিপি — এটি সেমিটিক পরিবারভুক্ত লিপি, যা মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও ইসলামি বিশ্বে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মিশরীয় পিরামিডের ছবি মানেই হায়ারোগ্লিফিক্স লিপি।
54. বহু সাংস্কৃতিক সমাজে ধর্মনিরপেক্ষতা লক্ষ্য করে-
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সকল ধর্মের সমতা নিশ্চিত করা এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করা কেন সঠিক: - ধর্মনিরপেক্ষতা মানে রাষ্ট্র কোনো বিশেষ ধর্মকে প্রাধান্য না দিয়ে সব ধর্মের প্রতি সমান আচরণ করবে। - বহু সাংস্কৃতিক সমাজে এটি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমস্ত ধর্ম নির্মূল করা — ধর্মনিরপেক্ষতা ধর্ম বিলোপ করে না, বরং ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। B) সকল ধর্মের সমতা নিশ্চিত করা এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) একটি ধর্ম প্রচার করা — রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম প্রচার করা ধর্মনিরপেক্ষতার পরিপন্থী। D) সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উপেক্ষা করা — ধর্মনিরপেক্ষতা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও বহুত্ববাদকে শ্রদ্ধা করে। মনে রাখার টিপস: ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়, বরং সব ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা ও সমতা রক্ষা করা।
55. সমাজবিজ্ঞানের প্রত্যয়, নীতি এবং সাধারণীকরণ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাজতাত্ত্বিক মতবাদ কেন সঠিক: - সমাজতাত্ত্বিক মতবাদ সমাজবিজ্ঞানের বিভিন্ন প্রত্যয়, নীতি ও সাধারণীকরণ তৈরি ও সাজাতে তাত্ত্বিক কাঠামো সরবরাহ করে। - এটি সমাজের বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করে সাধারণ নিয়ম বা সিদ্ধান্ত formulate করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজতাত্ত্বিক মতবাদ — এটি সমাজবিজ্ঞানের প্রত্যয়, নীতি ও সাধারণীকরণ তৈরিতে কাজ করে বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) ঐতিহাসিক সমাজবিজ্ঞান — এটি মূলত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার ওপর আলোকপাত করে, সমাজবিজ্ঞানের সার্বিক সাধারণীকরণের কাজ করে না। সি) পরিবারের সমাজবিজ্ঞান — এটি সমাজবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যা কেবল পরিবার প্রতিষ্ঠান ও তার ভেতরের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। ডি) আইনের সমাজবিজ্ঞান — এটি সমাজবিজ্ঞানের বিশেষায়িত শাখা যা আইন এবং সমাজের পারস্পারিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করে। মনে রাখার টিপস: প্রত্যয়, নীতি ও সাধারণীকরণের মতো তাত্ত্বিক কাজ সবসময় সমাজতাত্ত্বিক মতবাদের মাধ্যমেই সম্পাদিত হয়।
56. ভারতীয় উপমহাদেশকে জলসেচ নির্ভর সমাজ কে বলেছেন-
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইটফোগেল কেন সঠিক: - কার্ল উইটফোগেল এশিয়ার সমাজব্যবস্থা বিশ্লেষণ করে কৃষিকাজে কৃত্রিম জলসেচের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার তত্ত্ব প্রদান করেন। - এই বিশাল জলসেচ ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য একটি শক্তিশালী ও কেন্দ্রীয় সরকারব্যবস্থার উদ্ভব ঘটেছিল বলে তিনি মত দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইটফোগেল — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ভারতীয় উপমহাদেশসহ এশিয়ার সমাজকে জলসেচ নির্ভর বা প্রাচ্যদেশীয় স্বৈরতন্ত্রের সমাজ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। B) বার্নিয়ার — তিনি ফরাসি পর্যটক ও চিকিৎসক যিনি মুঘল আমলের ভারতীয় সমাজ ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে ভ্রমণকাহিনি লিখেছেন। C) মার্ক্স — তিনি উৎপাদনপদ্ধতির বিবর্তন ও ঐতিহাসিক materialism নিয়ে আলোচনা করলেও নির্দিষ্টভাবে জলসেচ নির্ভর সমাজ তত্ত্বের মূল প্রবক্তা নন। D) ভুর্খইম — তিনি আধুনিক সমাজবিজ্ঞানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা যিনি সামাজিক সংহতি এবং শ্রমবিভাজন নিয়ে কাজ করেছেন। মনে রাখার টিপস: জলসেচ বা পানির সাথে কার্ল উইটফোগেল নামটি মনে রাখুন এভাবে যে, গাছের পানির যেমন ফোগড় বা ফোঁটা প্রয়োজন, তেমনি সমাজের জলসেচের জন্য উইটফোগেল বিখ্যাত।
57. 'দি অরিজিন অফ ফ্যামিলি, প্রাইভেট প্রোপার্টি এন্ড দি স্টেট' বইটি কে লিখেছেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: B) এঙ্গেলস কেন সঠিক: - ফ্রেডরিক এঙ্গেলস ১৮৮৪ সালে পরিবার, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি নিয়ে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন। - বইটি লুইস হেনরি মর্গানের নৃবিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণার ওপর ভিত্তি করে মার্ক্সবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিভেন্স — ইনি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত এই গ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। B) এঙ্গেলস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) মার্ক্স — কার্ল মার্ক্স এই গ্রন্থটি লেখেননি, তবে এঙ্গেলস মার্ক্সের মৃত্যুর পর তাঁর নোট ব্যবহার করে এটি প্রকাশ করেন। D) মরগান — মরগান এন্থ্রোপোলজিক্যাল গবেষণা করলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা ফ্রেডরিক এঙ্গেলস। মনে রাখার টিপস: পরিবার ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি নিয়ে এঙ্গেলসের লেখা বই মনে রাখতে এ-তে এঙ্গেলস এবং এ-তে উৎপত্তি বা ১৮৮৪ সাল মাথায় রাখতে পারেন।
60. স্পেন্সারের মতে সামাজিক পরিবর্তন হলো?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধীরে ধীরে এবং বিবর্তনাত্মক কেন সঠিক: - হারবার্ট স্পেন্সার সামাজিক ডারউইনবাদের প্রবক্তা হিসেবে সমাজকে জীবদেহের সঙ্গে তুলনা করে এর ক্রমবিকাশ ব্যাখ্যা করেছেন। - তাঁর মতে সমাজ হঠাৎ পরিবর্তিত হয় না, বরং সরল অবস্থা থেকে জটিল অবস্থার দিকে ধীরে ধীরে বিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হঠাৎ এবং বিপ্লবী — সমাজবিজ্ঞানে স্পেন্সার বিপ্লবের চেয়ে ধীরগতির বিবর্তনকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। B) ধীরে ধীরে এবং বিবর্তনাত্মক — প্রদত্ত এই অপশনটিই স্পেন্সারের সামাজিক বিবর্তন তত্ত্বের মূল ভিত্তি। C) মানুষের হঠাৎ আন্দোলনের মাধ্যমে — স্পেন্সার আকস্মিক আন্দোলন বা বিপ্লবের পরিবর্তে স্বাভাবিক ক্রমবিকাশে বিশ্বাসী ছিলেন। D) কেবল সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত — সামাজিক পরিবর্তন সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে ঘটে না, এটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় বিকশিত হয়। মনে রাখার টিপস: স্পেন্সার মানেই সমাজবিজ্ঞানের বিবর্তনবাদ, অর্থাৎ সমাজ বদলায় ধীরে ধীরে।
61. জন্মগতভাবে নির্ধারিত সামাজিক অবস্থানকে বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরোপিত মর্যাদা কেন সঠিক: - সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় ব্যক্তির জন্মসূত্রে বা বংশগত পরিচয়ের ভিত্তিতে যে সামাজিক অবস্থান নির্ধারিত হয় তাকে আরোপিত মর্যাদা বলে। - এক্ষেত্রে ব্যক্তির নিজস্ব প্রচেষ্টা বা যোগ্যতার কোনো ভূমিকা থাকে না, বরং এটি সমাজ বা জন্ম থেকেই নির্ধারিত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্জিত মর্যাদা — এটি জন্মসূত্রে নয়, বরং ব্যক্তির নিজস্ব শিক্ষা, দক্ষতা, প্রতিভা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। C) গতিশীলতা — এটি সামাজিক স্তরায়নে কোনো ব্যক্তির এক অবস্থান থেকে অন্য অবস্থানে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে বোঝায়, কোনো মর্যাদা নয়। D) সামাজিকীকরণ — এটি এমন একটি আজীবন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সমাজের নিয়মকানুন ও সংস্কৃতি শিখে সমাজে মিশে চলতে শেখে। মনে রাখার টিপস: আরোপ মানে যা আগে থেকেই আরোপিত বা নির্ধারিত থাকে, যেমন জন্মসূত্রের পরিচয়।
62. টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অনুযায়ী কোন লক্ষ্যটি লিঙ্গ সমতার উপর কেন্দ্রিত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) SDG-5 কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDGs) পঞ্চম লক্ষ্যটি জেন্ডার সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও কন্যাশিশুর ক্ষমতায়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - জাতিসংঘের নির্ধারিত এই লক্ষ্যটির মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং সব ধরনের বৈষম্য দূর করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) SDG-3 — এটি সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা লিঙ্গ সমতার বিষয় নয়। B) SDG-4 — এটি সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) SDG-5 — এটি জেন্ডার সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও কন্যাশিশুর ক্ষমতায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত সঠিক লক্ষ্য। D) SDG-8 — এটি দীর্ঘস্থায়ী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: পাঁচ আঙুল যেমন সমান নয়, তেমনি সমাজে নারী ও পুরুষের ভেদাভেদ দূর করে সমতা আনতে দরকার SDG-5।
63. অপরাধ বিজ্ঞানে ডিফারেনশিয়াল অ্যাসোসিয়েশন তত্ত্ব কে প্রদান করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এডউইন সাদারল্যান্ড কেন সঠিক: - অপরাধ বিজ্ঞান বা ক্রিমিনোলজির বিখ্যাত ডিফারেনশিয়াল অ্যাসোসিয়েশন বা ব্যবধানমূলক মেলামেশা তত্ত্বটি ১৯৩৯ সালে এডউইন সাদারল্যান্ড প্রদান করেন। - এই তত্ত্ব অনুযায়ী অপরাধপ্রবণতা জন্মগত নয়, বরং মানুষ সমাজের খারাপ বা অপরাধী মানুষের সংস্পর্শে এসে অপরাধমূলক আচরণ শেখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এমিল ভুর্খইম — তিনি সমাজবিজ্ঞানী এবং অপরাধ বিজ্ঞানে অ্যানোমি বা আইনহীনতা তত্ত্বের প্রবক্তা, ডিফারেনশিয়াল অ্যাসোসিয়েশন তত্ত্বের নন। B) এডউইন সাদারল্যান্ড — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি অপরাধ বিজ্ঞানে ব্যবধানমূলক মেলামেশা তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। C) লমব্রোসো — সিজার লমব্রোসো অপরাধ বিজ্ঞানে শারীরিক গঠন বা জন্মগত অপরাধী তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত। D) রবার্ট মার্টন — তিনি সমাজবিজ্ঞানী এবং অপরাধ বিজ্ঞানে স্ট্রেইন বা চাপ তত্ত্ব এবং অ্যানোমি ধারণার সংশোধনের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: সাদারল্যান্ড নামের শুরুতে স আছে এবং তিনি সঙ্গ বা সংস্পর্শ (অ্যাসোসিয়েশন) থেকে অপরাধ শেখার তত্ত্ব দিয়েছেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
64. জন্মগতভাবে অনানুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় সদস্যপদ লাভ করে—
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্প্রদায়ে কেন সঠিক: - সম্প্রদায় হলো এমন একটি মানবগোষ্ঠী যারা জন্মগতভাবে বা প্রাকৃতিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে একসাথে বসবাস করে এবং যাদের মধ্যে স্বাভাবিক ঐক্য থাকে। - জন্মসূত্রে মানুষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো সম্প্রদায়ের সদস্য হয়ে যায়, যার জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক আবেদন বা সদস্যপদের প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংঘে — সংঘ বা সমিতি হলো মানুষের তৈরি আনুষ্ঠানিক সংগঠন, যার সদস্য হতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করতে হয়। B) প্রতিষ্ঠানে — কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অফিসে যোগ দিতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতা পূরণ করতে হয়। C) অ্যাথলেটিক ক্লাবে — ক্লাব হলো একটি অনাবশ্যিক ও স্বেচ্ছাধীন সংগঠন, যেখানে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা ফি দিয়ে সদস্যপদ লাভ করতে হয়। D) সম্প্রদায়ে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ জন্মগতভাবে অনزم আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় মানুষ কেবল সম্প্রদায়ের সদস্য হয়। মনে রাখার টিপস: জন্মের সাথে সাথেই বিনা শর্তে মানুষ কেবল সম্প্রদায়ের সদস্য হয়, বাকি সব প্রতিষ্ঠানে বা ক্লাবে যোগ দিতে আনুষ্ঠানিকতা লাগে।
65. সামাজিক মর্যাদা অপরিবর্তিত রেখে পেশা পরিবর্তনকে বলা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনুভূমিক গতিশীলতা কেন সঠিক: - সামাজিক গতিশীলতার ক্ষেত্রে ব্যক্তির পেশা পরিবর্তন হলেও তার সামাজিক পদমর্যাদা বা শ্রেণি অবস্থান অপরিবর্তিত থাকে। - যেমন একজন শিক্ষক চাকরি পরিবর্তন করে সমমানের অন্য কোনো পেশায় গেলে তার সামাজিক মর্যাদার কোনো পরিবর্তন ঘটে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উলম্ব গতিশীলতা — এটি সামাজিক মর্যাদার পরিবর্তন নির্দেশ করে, যেখানে পেশা পরিবর্তনের সাথে সাথে মর্যাদা বা শ্রেণি উপরে বা নিচে ওঠে। B) আনুভূমিক গতিশীলতা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে সামাজিক মর্যাদা অপরিবর্তিত থাকে। C) নিম্নমুখী গতিশীলতা — এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পেশা পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা আগের চেয়ে নিচে নেমে যায়। D) ঊর্ধ্বমুখী গতিশীলতা — এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ব্যক্তি তার আগের অবস্থার চেয়ে উন্নত পেশা বা সামাজিক মর্যাদা লাভ করে। মনে রাখার টিপস: আনুভূমিক মানে সমতল বা সমান, তাই পেশা বদলালেও সামাজিক মর্যাদা যখন একই সমান থাকে তখন তাকে আনুভূমিক গতিশীলতা বলে।
66. দার্শনিক ম্যাকিয়াভেলি কত সালে 'দ্যা প্রিন্স' গ্রন্থটি রচনা করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫১৩ কেন সঠিক: - দার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ১৫১৩ সালে তার বিখ্যাত রাজনৈতিক গ্রন্থ 'দ্যা প্রিন্স' রচনা করেন। - এই বইটিতে শাসক কীভাবে ক্ষমতা অর্জন ও রক্ষা করতে পারে তার বাস্তবসম্মত কৌশল আলোচনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫০৯ — এই সালে গ্রন্থটি রচিত হয়নি, এটি ম্যাকিয়াভেলির জীবনের অন্য একটি সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) ১৫১০ — এই সালে 'দ্যা প্রিন্স' গ্রন্থটি রচিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৫১২ — এই সালে ম্যাকিয়াভেলি রাজনীতি থেকে বিতাড়িত হন এবং পরের বছর গ্রন্থটি রচনা করেন। D) ১৫১৩ — এই সালে গ্রন্থটি রচিত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ম্যাকিয়াভেলি ১৩ নম্বর বছরটিকে অশুভ মনে না করে ১৫১৩ সালে তার বিখ্যাত প্রিন্স বইটি লিখেছিলেন।
68. কোনটি কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি করে না-
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারিবারিক শৃঙ্খলা কেন সঠিক: - পারিবারিক শৃঙ্খলা শিশুর নৈতিক বিকাশ ঘটায় এবং সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়, যা অপরাধপ্রবণতা রোধ করে। - সুশৃঙ্খল পারিবারিক পরিবেশের অভাবে শিশুরা বিপথগামী হয়, তাই শৃঙ্খলা বৃদ্ধি করে না বরং অপরাধ কমায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশিক্ষা — অজ্ঞতা ও কুসংস্কারের কারণে শিশুরা সহজেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তাই এটি কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি করে। B) অশ্লীল চলচ্চিত্র — সমাজের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং অল্প বয়সীদের সহিংস আচরণে উৎসাহিত করে, যা কিশোর অপরাধ বাড়ায়। C) ভিক্ষাবৃত্তি — শিশুকে অপরাধের জগতে ঠেলে দেয় এবং বিভিন্ন অপরাধ চক্রের সাথে যুক্ত করে, যা কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি করে। D) পারিবারিক শৃঙ্খলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুশৃঙ্খল পরিবেশ কিশোরদের অপরাধ থেকে দূরে রাখে এবং নৈতিক শিক্ষা দেয়। মনে রাখার টিপস: পরিবারের শাসন ও শৃঙ্খলা ভালো গুণ শেখায়, যা কিশোর অপরাধ দূর করতে সাহায্য করে।
69. একই ব্যক্তিবর্গের উপর সময়ের ব্যবধানে দুই বা ততোধিক বার জরিপ চালানোর পদ্ধতিকে কি বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লঙ্গিটিউডিনাল স্ট্যাডি কেন সঠিক: - লঙ্গিটিউডিনাল স্ট্যাডি বা অনুদৈর্ঘ্য গবেষণায় একই ব্যক্তিবর্গ বা নমুনার উপর দীর্ঘ সময় ধরে একাধিকবার তথ্য সংগ্রহ ও জরিপ চালানো হয়। - এর মাধ্যমে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট বিষয়ে ঘটা পরিবর্তন বা বিকাশ স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লঙ্গিটিউডিনাল স্ট্যাডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘ সময় ধরে একই ব্যক্তির উপর বারবার জরিপ চালানোর পদ্ধতি। B) কোহর্ট বিশ্লেষণ — এটি একই সময়কালের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কোনো দল বা জনগোষ্ঠীর উপর পরিচালিত বিশেষ বিশ্লেষণ পদ্ধতি। C) নমুনা জরিপ — এটি সমগ্র জনসংখ্যার মধ্য থেকে নির্দিষ্ট কিছু নমুনা বেছে নিয়ে এককালীন তথ্য সংগ্রহের প্রচলিত পদ্ধতি। D) পরীক্ষণ পদ্ধতি — এটি মূলত নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চলকগুলোর মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করার বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: লঙ্গিটিউডিনাল শব্দের লম্বালম্বি বা দীর্ঘ সময় ধারণার সাথে সময়ের ব্যবধানে বারবার জরিপের সম্পর্কটি মনে রাখতে হবে।
70. Gemeinschaft এবং Gesellschaft-এর প্রধান পার্থক্য হলো-
Created 3 weeks ago | Updated 7 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ফার্ডিন্যান্ড টনিস সমাজকে গ্রামীণ ও শহরভিত্তিক দুটি ভাগে ভাগ করতে এই দুটি ধারণার প্রবর্তন করেছেন। - এখানে Gemeinschaft হলো আবেগঘন গ্রামীণ সম্পর্ক এবং Gesellschaft হলো স্বার্থভিত্তিক ও চুক্তিমূলক শহুরে সম্পর্ক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামীণ বনাম শহরে — এটি সঠিক কারণ Gemeinschaft বলতে গ্রামীণ এবং Gesellschaft বলতে শহুরে সমাজকে বোঝানো হয়। B) ব্যক্তিগত বনাম অজানা সম্পর্ক — এটি সঠিক কারণ Gemeinschaft-এ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং Gesellschaft-এ অপরিচিত মানুষের সাথে সম্পর্ক থাকে। C) আবেগীয় বনাম চুক্তিমূলক বন্ধন — এটি সঠিক কারণ Gemeinschaft-এ আবেগ ও ঐতিহ্য এবং Gesellschaft-এ চুক্তি ও স্বার্থ কাজ করে। D) উপরের সবগুলো — এটি সঠিক কারণ উপরের তিনটি বৈশিষ্ট্যই এই দুটি ধারণার প্রধান পার্থক্যের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: জি দিয়ে গ্রামীণ ও আবেগ (Gemeinschaft) এবং জি-ই (Gesellschaft) দিয়ে চুক্তিমূলক শহুরে সমাজ মনে রাখতে পারেন।
72. কার্ল মার্ক্স অনুযায়ী সমাজকে প্রধানত শ্রেণীবদ্ধ করা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উৎপাদনের পদ্ধতি অনুযায়ী কেন সঠিক: - কার্ল মার্ক্সের ঐতিহাসিক বস্তুবাদ ও সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব অনুযায়ী সমাজের ভিত্তি হলো তার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বা উৎপাদনের পদ্ধতি। - সমাজের মানুষ কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করে এবং উৎপাদনের উপকরণের ওপর কার মালিকানা রয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করেই সামাজিক শ্রেণি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃতি ও ধর্ম অনুযায়ী — মার্ক্সবাদী তত্ত্বে সংস্কৃতি ও ধর্মকে সমাজের উপরিকাঠামো হিসেবে গণ্য করা হয়, মূল ভিত্তি হিসেবে নয়। B) রাজনৈতিক ব্যবস্থা অনুযায়ী — রাজনৈতিক ব্যবস্থা উৎপাদনের পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে, তাই এটি সমাজ শ্রেণীবদ্ধ করার প্রধান মাপকাঠি নয়। D) শিক্ষার স্তর অনুযায়ী — শিক্ষার স্তর মানুষের সামাজিক অবস্থান নির্ধারণে ভূমিকা রাখলেও তা মার্ক্সের মতে সমাজ শ্রেণীবদ্ধকরণের মূল ভিত্তি নয়। মনে রাখার টিপস: কার্ল মার্ক্সের সমাজতত্ত্বে অর্থনীতি বা উৎপাদনের পদ্ধতিই হলো সবকিছুর মূল চালিকাশক্তি।
73. ব্যক্তিদের যে উপাদান বাস্তব ও নীতি বিবর্জিত থাকে কী বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 7 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইড কেন সঠিক: - সিগমন্ড ফ্রয়েডের মনোবিশ্লেষণ তত্ত্ব অনুযায়ী ইড হলো ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে আদিম অংশ যা বাস্তব জ্ঞান ও নীতিবোধ বিবর্জিত। - এটি তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ও প্রবৃত্তিগত চাহিদা পূরণের জন্য কাজ করে এবং এর কোনো নৈতিক বিচারবুদ্ধি থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহেভিয়ার — এটি মানুষের আচরণ বোঝায় এবং এটি কোনো নীতি বিবর্জিত ব্যক্তিত্বের উপাদান নয়। B) ইড — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাস্তব ও নীতি বিবর্জিত প্রবৃত্তিভিত্তিক মানব মনের অংশ। C) ইগো — এটি বাস্তব ও যুক্তিবাদী অংশ যা ইডের চাহিদাকে বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে। D) সুপার ইগো — এটি নৈতিকতা ও আদর্শ দ্বারা পরিচালিত হয় যা সমাজের নিয়মকানুন ও মূল্যবোধ মেনে চলে। মনে রাখার টিপস: ইড মানে শিশুসুলভ অবুঝ চাহিদা যা নীতি মানে না, ইগো বাস্তব বুঝে এবং সুপার ইগো নৈতিকতা শেখায়।
74. ব্রাহ্মধর্মের প্রবক্তা কে ছিলেন?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজা রামমোহন রায় কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ভারতের সমাজ সংস্কার ও একেশ্বরবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ব্রাহ্মধর্ম নামে পরিচিত হয়। - তিনি হিন্দু ধর্মের কুসংস্কার ও সতীদাহ প্রথার মতো কূপ্রথা দূর করে আধুনিক সমাজ গঠনে এই ধর্মীয় আন্দোলন শুরু করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি ঊনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও নারীশিক্ষার প্রসার এবং বিধবা বিবাহ প্রচলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, ব্রাহ্মধর্মের প্রবক্তা ছিলেন না। B) রাজা রামমোহন রায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং ব্রাহ্মধর্মের অনুসারী ও প্রচারক ছিলেন, কিন্তু ব্রাহ্মধর্মের মূল প্রবক্তা বা প্রতিষ্ঠাতা নন। D) নওয়াব আব্দুল গনি — তিনি ঢাকার নবাব পরিবারের একজন প্রভাবশালী জমিদার ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি ব্রাহ্মধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: রামমোহন রায় মানেই সমাজ সংস্কার এবং ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মসমাজ বা ব্রাহ্মধর্ম।
75. কার্ল মার্ক্স অনুযায়ী পুঁজিবাদ নিয়ে আসে-?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শ্রমের শোষণ ও শ্রেণী সংঘাত কেন সঠিক: - কার্ল মার্ক্সের মতে পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় মালিক শ্রেণী মুনাফা অর্জনের জন্য শ্রমিকদের শোষণ করে। - এই শোষণের ফলে সমাজে মালিক ও শ্রমিক এই দুই বিরোধী শ্রেণীর জন্ম নেয়, যা শ্রেণী সংঘাতের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক সমতা — পুঁজিবাদ সামাজিক সমতা তৈরি করে না, বরং সমাজে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার বৈষম্য বাড়িয়ে দেয়। B) শ্রমের শোষণ ও শ্রেণী সংঘাত — এই অপশনটি সঠিক কারণ মার্ক্সীয় তত্ত্বে পুঁজিবাদ বলতে প্রধানত এই দুটি অবস্থাকেই বোঝানো হয়েছে। C) ব্যক্তিগত সম্পত্তি নির্মূল — ব্যক্তিগত সম্পত্তি রক্ষা করাই পুঁজিবাদের মূল ভিত্তি, এটি নির্মূল করা সমাজতন্ত্রের লক্ষ্য। D) সম্মিলিত মালিকানা — উৎপাদনের উপায়ের ওপর সম্মিলিত মালিকানা সমাজতন্ত্র বা সাম্যবাদের বৈশিষ্ট্য, পুঁজিবাদের নয়। মনে রাখার টিপস: কার্ল মার্ক্স মানেই পুঁজিবাদ, আর পুঁজিবাদ মানেই শ্রমিক শোষণ এবং শ্রেণী সংঘাত।
76. বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভূমিকম্প ১. কেন সঠিক: - ভূমিকম্প একটি ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ, যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের টেকটনিক প্লেটের সঞ্চালন বা শিলাচ্যুতির কারণে ঘটে থাকে। - এর সঙ্গে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরিবেশবিজ্ঞান ও ভূতত্ত্বের আলোকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মিথেনের মতো গ্যাসের মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া। - কারণ ও ফলাফল: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান ফলাফল হলো মেরু অঞ্চলের বরফ গলন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং আবহাওয়ার চরম পরিবর্তন বা জলবায়ু পরিবর্তন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়া ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর বরফ দ্রুত গলে যাচ্ছে, যা সমুদ্রের পানির মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। উদাহরণ ২: মরুকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের স্বল্পতার কারণে উর্বর জমি শুষ্ক ও অনুপযোগী হয়ে মরুভূমিতে পরিণত হয়, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সরাসরি একটি ফলাফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্যা — বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও বরফ গলনের কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা হয়, তাই এটি এর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। B) ভূমিকম্প — এটি পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তির কারণে সৃষ্টি হয় এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে এর কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক নেই। C) সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি — বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে তাপীয় প্রসারণ ও বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। D) মরুকরণ — বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে দীর্ঘস্থায়ী খরা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে উর্বর ভূমি মরুভূমিতে রূপ নেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবহাওয়া এবং জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত দুর্যোগগুলো বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। - ভূগর্ভস্থ বা টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প এর আওতাভুক্ত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রিনহাউস গ্যাস যেমন কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রধান চালিকাশক্তি। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল এবং ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়।
77. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ : ৬ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক অনুপাত হলো ১০ অনুপাত ৬, যা লঘিষ্ঠ করলে ৫ অনুপাত ৩ হয়। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিধিমালা ১৯৭২ অনুযায়ী এই নির্দিষ্ট মাপে পতাকা তৈরি করা বাধ্যতামূলক। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকার এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে পতাকার নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। - সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের নেতৃত্বে পতাকাটির বর্তমান রূপ চূড়ান্ত করা হয় এবং পটুয়া কামরুল হাসান এর মূল নকশাকার। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জাতীয় পতাকা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতীক, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: গাঢ় সবুজ মাঠের ওপর লাল বৃত্তের পতাকায় সবুজের মাপ ১০ অনুপাত ৬ এবং লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতা আসম আবদুর রব প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। ব্যাখ্যা: এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিকে ধাবিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ বা সরকারি ভবনে ব্যবহৃত পতাকা নির্দিষ্ট অনুপাতে তৈরি করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি রাষ্ট্রীয় প্রতীকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সুনির্দিষ্ট আইনগত বিধিমালা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ : ৬ — এই অনুপাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নির্ধারিত নয় কারণ এটি দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক মাপকে নির্দেশ করে না। B) ১১ : ৭ — এই অনুপাতটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপে ব্যবহৃত হয় না, এটি ভুল পরিমাপ। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ৮ : ৬ — এই অনুপাতে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক মান বজায় থাকে না যা ১৯৭২ সালের পতাকা বিধিমালার পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতীয় পতাকার মাপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১০ ও ৬ সংখ্যা দুটি মনে রাখা, যা কাটাকাটি করলে ৫ ও ৩ হয়। - দৈর্ঘ্য সবসময় বড় অর্থাৎ ১০ এবং প্রস্থ ছোট অর্থাৎ ৬ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতীয় পতাকার মাপ বা এর নকশাকার সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - পতাকায় ব্যবহৃত লাল বৃত্তটি পতাকার ঠিক মাঝখানে না থেকে একটু বাম দিকে সরে থাকে।
78. চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত জারি করা হয় কত সালে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৩ ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করেন। এর মাধ্যমে জমিদারদের ভূমির স্থায়ী মালিকানা দেওয়া হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরকালের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভ করার পর ভূমি রাজস্ব আদায়ে নানা ধরনের ত্রুটি ও অব্যবস্থাপনা দেখা দেয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য লর্ড কর্নওয়ালিস পরীক্ষামূলক ব্যবস্থার পর ১৭৯৩ সালে দশসলা বন্দোবস্তকে চিরস্থায়ী রূপ দেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: লর্ড কর্নওয়ালিস এই প্রথার প্রবক্তা এবং জন শোর এর মূল নকশাপ্রণেতা ছিলেন। এই ব্যবস্থার ফলে বাংলায় নতুন এক জমিদার শ্রেণির উদ্ভব ঘটে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ব্যবস্থার ফলে কৃষকরা তাদের জমির ওপর চিরতরে অধিকার হারায় এবং জমিদারদের দয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। অন্যদিকে কোম্পানির রাজস্ব আয় নিশ্চিত হলেও বাংলার কৃষিসমাজে চরম অসন্তোষ ও শোষণ বৃদ্ধি পায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যাস্ত আইন ব্যাখ্যা: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল সূর্যাস্ত আইন, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট দিনের সূর্য ডোবার মধ্যে রাজস্ব জমা না দিলে জমিদারি নিলামে তোলা হতো। উদাহরণ ২: কৃষক বিদ্রোহ ব্যাখ্যা: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে কৃষকদের ওপর নির্যাতন বৃদ্ধি পায়, যার ফলে পরবর্তী সময়ে নীল বিদ্রোহ ও কৃষক আন্দোলন দানা বেঁধে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭২২ — এই সালে বাংলায় মুর্শিদ কুলি খান রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন এবং নতুন রাজস্ব বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। B) ১৭৬৫ — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও ওড়িশার দেওয়ানি লাভ করে ঔقনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে। C) ১৭৯৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন করেন। D) ১৮২২ — এই সালে বাংলায় প্রজাস্বত্ব সুরক্ষার জন্য পঞ্চদশ আইন প্রণয়ন করা হয় যা চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ত্রুটি সংশোধনের চেষ্টা ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৭৯৩ সালটি মনে রাখার জন্য কর্নওয়ালিসের নাম এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রথম অক্ষর বা শব্দ যুগল একসাথে মনে রাখতে পারেন। ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভ এবং তার ২৮ বছর পর ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রবক্তা এবং প্রবর্তনের সাল জানতে চাওয়া হয়। এই টপিক থেকে জমিদার শ্রেণি ও সূর্যাস্ত আইন সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
80. কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তরা ব্যাংক ১. কেন সঠিক: - উত্তরা ব্যাংক একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা রাষ্ট্রায়ত্ত বা সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক নয়। - বাংলাদেশের ব্যাংক খাত প্রধানত রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এই তিন শ্রেণীতে বিভক্ত। ২. ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক কাঠামো: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬ এর মাধ্যমে তৎকালীন ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলা হয়। - প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতাধীন পরিচালিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনালী ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা সম্পূর্ণ সরকারের মালিকানায় পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: ব্র্যাক ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক যা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নয়, ঠিক উত্তরা ব্যাংকের মতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনালী ব্যাংক — এটি একটি শতভাগ রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। B) জনতা ব্যাংক — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা সরকারের মালিকানাধীন। C) অগ্রণী ব্যাংক — এটি সরকারের পূর্ণ মালিকানাধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। D) উত্তরা ব্যাংক — এটি একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, তাই এটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাষ্ট্রায়ত্ত প্রধান ব্যাংকগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো সোনালী, জনতা, অগ্রণী এবং রূপালী ব্যাংক। - উত্তরা, পূবালী বা ব্র্যাক নামগুলো শুনলেই বুঝতে হবে এগুলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্যাংক খাত থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক জব পরীক্ষায় প্রায়ই রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকের তালিকা থেকে প্রশ্ন আসে। - বিশেষায়িত ব্যাংক যেমন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকও রাষ্ট্রায়ত্ত খარის অন্তর্ভুক্ত।
88. 'SPARRSO' কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ১. কেন সঠিক: - এসপারসো অর্থাৎ স্পেস রিসার্চ অ্যান্ড রিমোট সেন্সিং অর্গানাইজেশন বাংলাদেশের একটি রাষ্ট্রীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি সরাসরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসন: এসপারসো দেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জাতীয় নিরাপত্তা, কৃষি, আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এই প্রতিষ্ঠানের গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা ব্যাখ্যা: এটিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যা দেশের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ব্যাখ্যা: এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন আরেকটি প্রতিষ্ঠান যা আবহাওয়া পূর্বাভাস ও দুর্যোগ সতর্কবার্তা প্রদানে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় — এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি এবং বহুপক্ষীয় কূটকৌশল পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত। B) পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় — এটি দেশের বনভূমি সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকে। C) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এসপারসো প্রশাসনিকভাবে এই মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। D) তথ্য মন্ত্রণালয় — এটি গণমাধ্যম, প্রেস কাউন্সিল, এবং তথ্য প্রচারের দায়িত্ব পালন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাকাশ গবেষণা বা এসপারসো সংক্রান্ত প্রযুক্তি অনেক সময় জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত থাকে। - এই কারণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত হলেও এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়, বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এসপারসো প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর পূর্ণরূপ থেকেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
89. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি উপাচার্য কে ছিলেন?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্যার এ, এফ রহমান ১. কেন সঠিক: - স্যার এ, এফ রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালে এবং শুরুর দিকে ব্রিটিশ শিক্ষাবিদেরাই উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করতেন। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: স্যার এ, এফ রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছাড়াও শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার ব্যাখ্যা: তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য ছিলেন, যিনি একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ হলেও প্রথম বাঙালি উপাচার্য নন। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাখ্যা: তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন কিন্তু উপাচার্য হননি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি উপাচার্য নন, বরং তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক ছিলেন। B) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, তবে তিনি প্রথম বাঙালি উপাচার্য নন বরং চতুর্থ উপাচার্য ছিলেন। C) ড. মাহমুদ হাসান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তবে প্রথম বাঙালি উপাচার্য নন। D) স্যার এ, এফ রহমান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন পি জে হার্টগ আর প্রথম বাঙালি উপাচার্য ছিলেন স্যার এ, এফ রহমান। - রহমান সাহেবের নামের সাথে বাঙালি উপাচার্য পদবী মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল এবং প্রথম উপাচার্যের নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য এবং প্রথম বাঙালি উপাচার্যের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে।
90. 'স্বাধীনতা পদক-২০২৫'- এর প্রতিবাদী তারুণ্য ক্ষেত্রে পদক পেয়েছেন-
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শরীফ ওসমান হাদী ১. কেন সঠিক: - জুলাই ২০২৪ গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ ছাত্র-জনতার অদম্য সাহসিকতা এবং প্রতিবাদী ছাত্রসমাজকে সম্মান জানাতে এই ক্ষেত্রে পদক প্রদান করা হয়। - শরীফ ওসমান হাদী এই অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে তারুণ্যের সাহসিকতা ও প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ও জাতীয় পুরস্কার: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখাদের এই পদক দেওয়া হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পদক প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণ সমাজের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ভূমিকা ও আত্মত্যাগকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদ মুগ্ধ ব্যাখ্যা: মুগ্ধর পানি বিতরণের মানবিকতা ও আত্মত্যাগ জুলাই অভ্যুত্থানে তরুণদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। উদাহরণ ২: আবু সাঈদ ব্যাখ্যা: আবু সাঈদের বুক পেতে দাঁড়ানোর দৃশ্য সাহসিকতার এমন এক অনন্য নজির যা তরুণ প্রজন্মকে সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শেখাবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসনাত আবদুল্লাহ — ইনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক হলেও প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়নি। B) আবরার ফাহাদ — ইনি বুয়েটের শহীদ ছাত্র এবং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হলেও এই নির্দিষ্ট বছরের পদকের জন্য নির্ধারিত নন। C) শরীফ ওসমান হাদী — সঠিক উত্তর এবং প্রতিবাদী তারুণ্য ক্ষেত্রে এই পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি। D) আল মাহমুদ — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা আধুনিক কবি এবং বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি আগেই একুশে পদক লাভ করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিবাদী তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে শরীফ ওসমান হাদীর নাম মনে রাখতে হবে। - স্বাধীনতা পদক প্রদানের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও অভ্যুত্থানের বিষয়টি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ২০২৪ সালের অভ্যুত্থান ও তৎপরবর্তী রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা সাম্প্রতিক জাতীয় পুরস্কার ও অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
91. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৫ সালে ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এর ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ব্রটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ (IMF - International Monetary Fund) একটি বৈশ্বিক আর্থিক সংস্থা। প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম: চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৪৪ সালে, তবে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর এবং ১৯৪৬ সালের মার্চ থেকে আর্থিক লেনদেন শুরু হয়। সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক মুদ্রানীতির সহযোগিতা নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো এবং অর্থনৈতিক সংকটে সদস্য দেশগুলোকে ঋণ সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বব্যাংক বা আইবিআরডি (IBRD) ব্যাখ্যা: আইএমএফের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকও ১৯৪৪ সালের ব্রটন উডস সম্মেলনের ফলাফলের ভিত্তিতে গঠিত হয় এবং ১৯৪৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। উদাহরণ ২: ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠানসমূহ ব্যাখ্যা: আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংককে একত্রে ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান বলা হয়, যা যুদ্ধবিধ্বস্ত বিশ্ব অর্থনীতি পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৪ সালে — এই সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ব্রটন উডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। B) ১৯৪৫ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এর কার্যক্রম শুরু হয়। C) ১৯৪৮ সালে — এই সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা আইএমএফ গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৪৯ সালে — এই সালে ন্যাটো (NATO) সামরিক জোট প্রতিষ্ঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৯৪৪ সালে পরিকল্পনা আর ১৯৪৫ সালে বাস্তবায়ন—এই সূত্র মনে রাখলে ব্রটন উডস প্রতিষ্ঠানের জন্মসাল নিয়ে বিভ্রান্তি দূর হবে। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের জন্ম সাল একই, অর্থাৎ ১৯৪৫ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে আইএমএফের সদর দপ্তর কোথায় এবং এটি কোন সম্মেলনে গঠিত হয়। এই টপিক থেকে ব্রটন উডস সম্মেলন এবং সদস্য দেশগুলোর কোটা ব্যবস্থা সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
93. গাজা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ)-তে ইসরাইলের বিরুদ্ধে মামলা করে কোন দেশ?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ আফ্রিকা ১. কেন সঠিক: - দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২৩ সালের ২৯শে ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে। - এই মামলাটি জেনোসাইড কনভেনশন বা গণহত্যা প্রতিরোধ ও শাস্তি বিধান কনভেনশনের আওতায় করা হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: দক্ষিণ আফ্রিকা ব্রিকস জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং বর্ণবাদবিরোধী সংগ্রামের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার কারণে ফিলিস্তিন ইস্যুতে সোচ্চার। - সদর দপ্তর: আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: ২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর হামাস ও ইসরাইল সংঘাত শুরু হওয়ার পর গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকট তৈরি হয়। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ ঘটিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার সুরক্ষা এবং সামরিক অভিযান বন্ধে চাপ সৃষ্টি করা এই মামলার মূল লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলা ব্যাখ্যা: রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যার অভিযোগে ২০১৯ সালে গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। উদাহরণ ২: সার্বিয়ার বিরুদ্ধে বসনিয়ার মামলা ব্যাখ্যা: বসনিয়া সংকটের সময় গণহত্যা প্রতিরোধ কনভেনশন ভঙ্গের অভিযোগে বসনিয়া আন্তর্জাতিক আদালতে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাম্বিয়া — গাম্বিয়া নিজে এই মামলা করেনি, তবে তারা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা হত্যা মামলা করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেছে। B) ইরান — ইরান ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থন করলেও আইসিজেতে এই মামলাটি তারা করেনি। D) আলজেরিয়া — আলজেরিয়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখলেও এই নির্দিষ্ট মামলাটি দক্ষিণ আফ্রিকা দায়ের করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা দক্ষিণ আফ্রিকা গাজা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতে প্রথম আইনি পদক্ষেপ নেয়। - আদালতের নাম আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে এবং এর অবস্থান নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের জেনোসাইড কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী হওয়া বাধ্যতামূলক। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক আদালতের কাজ এবং সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক মামলাগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
94. ইউরোপীয় অঞ্চলের 'শেনজেন (Schengen)' চুক্তিটি কী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি ১. কেন সঠিক: - শেনজেন চুক্তি মূলত ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বিলুপ্ত করে নাগরিকদের অবাধে চলাচলের সুযোগ সৃষ্টির একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। - এই চুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকেরা পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া এক দেশ থেকে অন্য দেশে সহজে যাতায়াত করতে পারেন। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও ভূরাজনীতি: - চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement) - তারিখ ও স্থান: ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবুর্গের শেনজেন নামক ছোট্ট গ্রামে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ভৌগোলিক দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং বাণিজ্যিক ও সামাজিক সম্পর্ক জোরদার করার উদ্দেশ্যে অভ্যন্তরীণ সীমান্ত পরীক্ষা তুলে নেওয়া। - আন্তর্জাতিক প্রভাব বা গুরুত্ব: এটি ইউরোপীয়Integration বা ঐক্যের অন্যতম সফল মাইলফলক, যা বিশ্বজুড়ে আঞ্চলিক সহযোগিতার চমৎকার উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: শেনজেন এলাকার অধিকাংশ দেশই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য, যা ইউরোপজুড়ে একক বাজার ও মুক্ত চলাচলের নীতিকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। উদাহরণ ২: সার্ক ভিসা অব্যাহতি তালিকা ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বিশেষ মর্যাদায় সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেন, যা শেনজেন ব্যবস্থার মতো আঞ্চলিক সহযোগিতার অপর রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্য চুক্তি — এটি কোনো বাণিজ্যিক শুল্ক বা পণ্য বিনিময় সংক্রান্ত চুক্তি নয়, বরং এটি মূলত মানুষের মুক্ত চলাচলের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) কর হ্রাস চুক্তি — এটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে দ্বৈত কর পরিহার বা কর কমানোর কোনো আর্থিক চুক্তি বা নীতিমালা নয়। C) অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি — সঠিক উত্তর, কারণ এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকেরা পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্ত পার হতে পারেন। D) বন্দি বিনিময় চুক্তি — এটি অপরাধী বা সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো আইনি চুক্তি বা প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত ব্যবস্থা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেনজেন শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে পাসপোর্ট মুক্ত অবাধ ভ্রমণ বা বর্ডার ফ্রি ইউরোপের কথা। - লুক্সেমবুর্গের শেনজেন গ্রামেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল বলে এর নাম শেনজেন চুক্তি রাখা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শেনজেন চুক্তি কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত তা জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে শেনজেন চুক্তির স্বাক্ষর সাল, স্থান বা বর্তমান সদস্যসংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
95. বিশ্ব পরিবেশ দিবস?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ জুন ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব পরিবেশ দিবস হলো জাতিসংঘের উদ্যোগে পালিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবেশ বিষয়ক উৎসব। - পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ১৯৭২ সালের স্টকহোম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দিনটি নির্ধারিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) - প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন ১৯৭২ সাল - সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া - প্রেক্ষাপট: স্টকহোম মানব পরিবেশ সম্মেলন ১৯৭২ - উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষার জনসচেতনতা সৃষ্টি করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টকহোম সম্মেলন ১৯৭২ ব্যাখ্যা: এই সম্মেলন থেকেই বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং পরিবেশ কূটনীতির সূচনা ঘটে। উদাহরণ ২: ধরিত্রী সম্মেলন ১৯৯২ ব্যাখ্যা: রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি হয় যা পরিবেশ দিবস পালনের বার্তাকে আরও জোরালো করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি আন্তর্জাতিক শিশু দিবস হিসেবে পরিচিত। B) ৫ জুন — সঠিক উত্তর। C) ৭ জুন — এটি কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবসের তারিখ নয়। D) ১ জুলাই — এই তারিখটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি বাংলাদেশ বা অন্য কোনো দেশের ভিন্ন জাতীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - পাঁচ সংখ্যাটি মনে রাখলে জুন মাসের ৫ তারিখ সহজে মনে রাখা যায় কারণ পরিবেশ রক্ষায় মানুষের পাঁচটি মৌলিক করণীয় রয়েছে। - পরিবেশ এবং জুনের ৫ সংখ্যাটি মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির সদর দপ্তর বা প্রতিষ্ঠার সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
96. ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডেভিড বেন গুরিয়ন ১. কেন সঠিক: - ডেভিড বেন গুরিয়ন ছিলেন ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। - ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর তিনি দেশটির প্রথম সরকারপ্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রাষ্ট্রপ্রধান: - দেশ: ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের একটি ইহুদি রাষ্ট্র যার রাজধানী জেরুজালেম এবং সরকারি ভাষা হিব্রু। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ব্রিটিশ ফিলিস্তিন ম্যান্ডেট সমাপ্ত হওয়ার পর ইসরায়েল স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হলোকাস্ট বা ইহুদি নিধনের পর বিশ্বজুড়ে একটি স্বাধীন ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের দাবি জোরালো হয়। - গুরুত্ব: বেন গুরিয়নের নেতৃত্বেই ইসরায়েল প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ মোকাবিলা করে রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকে এবং নিজেদের অবস্থান শক্ত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। ব্যাখ্যা: যেকোনো দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বা সরকারপ্রধান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা সাধারণত জাতির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত হন। উদাহরণ ২: পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান। ব্যাখ্যা: ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীন হওয়া নতুন রাষ্ট্রগুলোর প্রথম সরকারপ্রধানের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লি কুয়ান ইউ — তিনি সিঙ্গাপুরের প্রথম ও দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং সিঙ্গাপুরকে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তর করেন। B) ডেভিড বেন গুরিয়ন — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) ভ্যানিয়েল টিমস — এই নামে কোনো বিখ্যাত রাষ্ট্রপ্রধান বা বিশ্বনেতা নেই যিনি ইসরায়েলের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) লি শিয়েন লুং — তিনি সিঙ্গাপুরের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং লি কুয়ান ইউর পুত্র, যিনি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইসরায়েল নামের শুরু ই দিয়ে এবং এর প্রথম প্রধানমন্ত্রী বেন গুরিয়নের নামের প্রথম অক্ষর ব দিয়ে, যা বেন-গুরিয়ন বা বিগ লিডার মনে রাখতে সাহায্য করবে। - সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইউর সঙ্গে ইসরায়েলের বেন গুরিয়নকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ডেভিড বেন গুরিয়ন এবং প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন গোল্ডা মেয়ার। - একই বিষয় থেকে ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বা পার্লামেন্টের নাম তথা নেসেট সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
98. জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম শহর কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টোকিও কেন সঠিক: ১. জাতিসংঘের বিভিন্ন জনমিতি সমীক্ষা অনুযায়ী টোকিও মহানগরী বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল শহরাঞ্চল হিসেবে স্বীকৃত। ২. এর বিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রায় তিন কোটি সত্তর লক্ষ মানুষ বসবাস করে যা একে অনন্য করেছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি জাপানের প্রধান দ্বীপ হোনশুর কেন্দ্রীয় পূর্বে কান্টো সমভূমিতে এবং টোকিও উপসাগরের তীরে অবস্থিত। ২. এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র এবং অতি ঘনবসতিপূর্ণ একটি মেগাসিটি হিসেবে পরিচিত। ৩. এর মোট মহানগর এলাকার আয়তন প্রায় তেরো হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোকিও — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম শহর। B) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং অত্যন্ত জনবহুল হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে টোকিওর পরেই এর অবস্থান। C) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর হলেও মোট জনসংখ্যার বিচারে টোকিও থেকে পিছিয়ে আছে। D) নিউইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক শহর হলেও জনসংখ্যার পরিসংখ্যানে টোকিওর চেয়ে অনেক পেছনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখার সহজ কৌশল হলো জাপানের রাজধানী টোকিও মানেই জনসংখ্যার দিক থেকে সবার শীর্ষে থাকা মেগাসিটি।
99. 'মনপুরা' দ্বীপ কোন জেলার অন্তর্গত?
Created 3 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভোলা কেন সঠিক: - মনপুরা দ্বীপটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বীপ জেলা ভোলার প্রশাসনিক সীডার মধ্যে অবস্থিত। - মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপটি ভোলা জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান/আয়তন: এটি ভোলা জেলার দক্ষিণ-পূর্ব কোণ এবং মেঘনা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ। - বিশেষত্ব: চারপাশে নদী ও সাগরের রূপালী ঢেউয়ে ঘেরা এই দ্বীপটি তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নীরবতার জন্য বিখ্যাত। - তথ্য/উদাহরণ: বাংলাদেশের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র মনপুরা এই দ্বীপের পটভূমিতেই নির্মিত হয়েছিল, যা একে দেশব্যাপী পরিচিতি দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশাল — এটি একটি বিভাগ ও জেলা হলেও মনপুরা দ্বীপ এর প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত নয়। B) ভোলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, এটি মূল জেলার নাম। C) পটুয়াখালী — এটি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ও পায়রা বন্দর সংলগ্ন অন্য একটি উপকূলীয় জেলা। D) ঝালকাঠি — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের একটি ছোট নদীভিত্তিক জেলা যার সাথে মনপুরা দ্বীপের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: - ভোলা হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ জেলা এবং বিখ্যাত মনপুরা দ্বীপটি এই ভোলারই অংশ। - ভোলার সাথে মনপুরা নাম মিলিয়ে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
100. জাপানের টোকিও বিখ্যাত-
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনসংখ্যার দিক থেকে বৃহত্তম মেগাসিটি বলে কেন সঠিক: টোকিও বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মহানগর অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এখানে কোটি কোটি মানুষের বসবাস এবং এটি অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। ভৌগোলিক তথ্য: টোকিও জাপানের রাজধানী এবং এটি হনশু দ্বীপে অবস্থিত। এটি বিশ্বের একটি অন্যতম প্রধান মেগাসিটি এবং অর্থনৈতিক পরাশক্তি। টোকিও মহানগর অঞ্চলে প্রায় তিন কোটি সত্তর লক্ষ মানুষ বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) কেবল শিল্পনগরী বলে — টোকিও শুধু শিল্পনগরী নয়, এটি একটি বহুমুখী বিশ্ব রাজধানী। C) ছোট ও পরিচ্ছন্ন নগরী বলে — টোকিও ছোট কোনো নগরী নয়, এটি অত্যন্ত বিশাল এক মেগাসিটি। D) সাংস্কৃতিকভাবে উন্নত বলে — সংস্কৃতি উন্নত হলেও এটি সঠিক উত্তরের মূল ভৌগোলিক কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: টোকিও মানেই বিশাল জনবহুল মেগাসিটি মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (19)

1. 'দম্পতি' কোন সমাস?
Created 3 weeks ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - দম্পতি শব্দটি জায়া ও পতি শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে যেখানে উভয় পদের অর্থের প্রাবল্য অক্ষুণ্ন থাকে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান হয় এবং মিলন বোঝায় তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত এবং, ও, আর ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় পদ লুপ্ত হয়ে সমাস গঠিত হয়। - জায়া ও পতি মিলে দম্পতি হয় এবং এখানে ব্যাকরণগত নিয়মে জায়া পরিবর্তিত হয়ে দম্প রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জায়া ও পতি = দম্পতি ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের একটি বিশেষ ও বহুল ব্যবহৃত ব্যতিক্রমী উদাহরণ। উদাহরণ ২: ভাই ও বোন = ভাইবোন ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে এবং অব্যয় পদটি লোপ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য বজায় থাকে। B) দ্বিগু — এই সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বোঝায় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে হয়নি। D) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে পূর্বপদের অব্যয় যোগে অব্যয় পদ প্রধান হয় যা এখানে মেলেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - জায়া ও পতি মিলে যখন সমাস হবে তখন তা সবসময় দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে গণ্য করতে হবে। - স্বামী ও স্ত্রীর মিলন বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ব্যতিক্রমী দ্বন্দ্ব সমাসটি প্রায়ই অপশনে আসে। - শব্দের গঠনগত পরিবর্তন ভালো করে মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
3. 'বন্দনা' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গঞ্জনা ১. কেন সঠিক: 'বন্দনা' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো প্রশংসা, স্তুতি বা গুণকীর্তন। এর বিপরীতে কোনো কিছুকে তিরস্কার করা বা দোষ ধরা অর্থে 'গঞ্জনা' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ্য পদ হিসেবে 'বন্দনা' ও 'গঞ্জনা' পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু সাবধান! ভক্তির বদলে যেন জুটে না গঞ্জনা। ব্যাখ্যা: এখানে ভক্তি বা বন্দনার বিপরীত ফল হিসেবে তিরস্কার বা গঞ্জনা পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ঈশ্বরের বন্দনা করলে মন পবিত্র হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বন্দনা শব্দের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে যার বিপরীত হতে পারে নিন্দা বা গঞ্জনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গঞ্জনা — সঠিক উত্তর কারণ এটি বন্দনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) বিরাগি — এটি অনুরাগ শব্দের বিপরীত শব্দ, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। C) প্রশংসা — এটি বন্দনা শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। D) নিন্দা — এটি বন্দনার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলেও 'গঞ্জনা' তুলনামূলকভাবে সরাসরি ও যথাযথ বিপরীতার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বন্দনা মানে ভালো বলা, আর গঞ্জনা মানে বকা দেওয়া বা তিরস্কার করা। এভাবে ভালো কাজের বিপরীত মন্দ প্রতিদান মনে রেখে এটি সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব বা তীব্রতা লক্ষ্য করতে হয়। প্রতিযোগী পরীক্ষায় প্রায়ই স্তুতি বা প্রশংসা জাতীয় শব্দের বিপরীত হিসেবে গঞ্জনা বা তিরস্কার অপশনে থাকে।
4. বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি হলো মোট ৭টি। ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। - এই স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না এবং মুখের ভেতর বাতাস কোনো বাধা পায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক এবং স্বরধ্বনি হলো সেই ধ্বনি যা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। - বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ ১১টি থাকলেও উচ্চারণের সময় তার মধ্যে ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি। উদাহরণ ২: আ ব্যাখ্যা: এটি মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে উচ্চারিত একটি মৌলিক স্বরধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির নির্দিষ্ট সংখ্যা সাতটি। B) ৮টি — বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি আটটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) ৯টি — বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মৌলিক স্বরধ্বনি কখনোই নয়টি হতে পারে না। D) ১১টি — এটি বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্ণমালা ১১টি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি তা মনে রাখবে। বর্ণমালা থেকে ৪টি কম হলো মৌলিক স্বরধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বরবর্ণ কয়টি এবং মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে। তাই দুটি আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
6. ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের প্রধান আলোচ্য বিষয় চারটি এবং অপশনের ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য এই তিনটি বিষয়ের অন্তর্ভূক্ত। বাংলা ব্যাকরণের প্রতিটি শাখায় ভাষার মৌলিক উপাদানগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে মূলত ভাষা নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য। ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় চারটি যথা ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম এবং অর্থত্ব্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধ্বনিতত্ত্ব ব্যাখ্যা: ধ্বনিতত্ত্ব অংশে বর্ণ, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান ও সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়। উদাহরণ ২: বাক্যতত্ত্ব ব্যাখ্যা: বাক্যতত্ত্ব অংশে বাক্যের গঠন, বাগধারা, বাচ্য ও উক্তি পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হলেও ব্যাকরণের একমাত্র আলোচ্য বিষয় নয়। B) শব্দ — এটি ব্যাকরণের শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হলেও ব্যাকরণের একাংশ মাত্র। C) বাক্য — এটি ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় এবং এটিও ব্যাকরণের একটি অংশ। D) সবগুলো — সঠিক কারণ ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য সবই বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভূক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ধ্বনি দিয়ে শব্দ তৈরি হয় এবং শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি হয়। ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য এই তিনটি বিষয়ই ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় কয়টি এবং কোনটি কোন তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দতত্ত্বের অপর নাম রূপতত্ত্ব এবং বাক্যতত্ত্বের অপর নাম পদক্রম ভালো করে মনে রাখতে হবে।
7. কোনটি উপসর্গ নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আমি ১. কেন সঠিক: - 'আমি' কোনো উপসর্গ নয়, এটি একটি উত্তম পুরুষবাচক সর্বনাম পদ যা কোনো শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে না। - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যার নিজস্ব কোনো অর্থ নেই কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' একটি তৎসম উপসর্গ যা 'হার' শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরিপাটি ব্যাখ্যা: এখানে 'পরি' একটি উপসর্গ যা 'পাটি' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দটির অর্থকে আরও সুনির্দিষ্ট করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্র — এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত তৎসম উপসর্গ যা শব্দের পূর্বে বসে। B) পরা — এটি একটি তৎসম উপসর্গ যা পরাজয় বা পরাকাষ্ঠা শব্দে ব্যবহৃত হয়। C) পরি — এটি একটি তৎসম উপসর্গ যা পরিমাপ বা পরিবেশ শব্দে পাওয়া যায়। D) আমি — এটি উপসর্গ নয়, বরং একটি সর্বনাম পদ যা বাক্যে নিজে স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। - সর্বনাম পদগুলোকে উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত করার বিভ্রান্তি এড়াতে শব্দের শুরুতে অব্যয়মূলী অংশ চেনার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই মৌলিক উপসর্গগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সর্বনাম এবং অব্যয় পদের পার্থক্য জানা থাকলে এমন ভুল এড়ানো সম্ভব।
9. 'ম্যালেরিয়া' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 6 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতালি ১. কেন সঠিক: ম্যালেরিয়া শব্দটি ইতালীয় ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ইতালীয় শব্দ ম্যালেরিয়া এর মূল অর্থ হলো দুর্গন্ধযুক্ত বাতাস বা দূষিত বায়ু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দটির উৎস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি বিদেশাগত শব্দের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে নানা শব্দ প্রবেশ করেছে যার মধ্যে ইতালীয় ভাষার শব্দও রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাশ ব্যাখ্যা: এটি একটি ইতালীয় শব্দ যা ব্যাংকিং ও মুদ্রার লেনদেনে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মাফিয়া ব্যাখ্যা: এটিও ইতালীয় ভাষা থেকে আগত একটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় এলেও ম্যালেরিয়া ইংরেজি শব্দ নয়। B) রুশ — রুশ ভাষা থেকে বাংলায় কিছু শব্দ আসলেও ম্যালেরিয়া তার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি ইতালীয় উৎস থেকে এসেছে। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ কুপন রেস্তোরাঁ শব্দগুলো এসেছে ম্যালেরিয়া নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইতালিতে ঐতিহাসিক বিভিন্ন রোগে দূষিত বায়ুর প্রভাব ভাবা হতো তাই মনে রাখবে ম্যালেরিয়া একটি ইতালীয় রোগবাচক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস যেমন পর্তুগিজ ফরাসি বা ইতালীয় ভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিদেশি শব্দের উৎস ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
11. 'মেঘনাদবধ কাব্য' কোন ছন্দে রচিত?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অমিত্রাক্ষর ১. কেন সঠিক: - মেঘনাদবধ কাব্য অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য। - অমিত্রাক্ষর ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে চরণান্তে মিল বা অন্ত্যমিল থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। - বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগের জন্য তিনি ইংরেজি ব্ল্যাংক ভার্স এর অনুসরণে এই ছন্দ প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। উদাহরণ ২: তিলোত্তমািসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পয়ার — পয়ার ছন্দে প্রতি চরণের অন্তে মিল থাকে, যা মেঘনাদবধ কাব্যে অনুপস্থিত। B) মুক্তক — মুক্তক ছন্দ আধুনিক যুগের ভাবপ্রধান ছন্দ, যা এই মহাকাব্যের রচনার সময়ের সঙ্গে মেলে না। D) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত হলো ঝংকারধর্মী বা দলবৃত্ত ছন্দ, যা মহাকাব্যের গম্ভীর ভাবের জন্য উপযুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্ত মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ মানেই মেঘনাদবধ কাব্য। - মহাকাব্যের নাম দেখলে অমিত্রাক্ষর ছন্দ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে এবং এটি ৯টি সর্গে বিভক্ত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের মহাকাব্য কোনটি।
13. পাঞ্জেরী কবিতার লেখক কে?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - পাঞ্জেরী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁস বা জাগরণের কবি ফররুখ আহমদের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও শিল্পসফল কবিতা। - এখানে পাঞ্জেরী ফারসি শব্দ, যার অর্থ দিকনির্ণয়কারী বা পথপ্রদর্শক নাবিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে সনেট ও কবিতা লিখে খ্যাতি অর্জন করেছেন। - সাত সাদের মাঝি, লাশের পরোয়া নেই এবং পাঞ্জেরী তাঁর কালজয়ী ও সাহিত্যকর্মের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাত সাদের মাঝি ব্যাখ্যা: এটি কবি ফররুখ আহমদের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা সামুদ্রিক প্রতীক ও মুসলিম ঐতিহ্যের দ্যোতক। উদাহরণ ২: পাখির বাসা ব্যাখ্যা: এটিও ফররুখ আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে বিদ্রোহী, কামাল পাশা ও প্রলয়োল্লাস, কিন্তু পাঞ্জেরী তাঁর রচনা নয়। B) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লোকসমাজ ও সোনালী কাবিন, তবে পাঞ্জেরী তাঁর কবিতা নয়। D) মুহাম্মদ আবদুল হাই — তিনি একজন বিখ্যাত বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক, তিনি মূলত বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে কাজ করেছেন, সাহিত্যিক বা কবি হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাঞ্জেরী শব্দের অর্থ দিকনির্দেশক এবং এই দিকনির্দেশনামূলক ইসলামী জাগরণের কবিতা লিখে অমর হয়েছেন কবি ফররুখ আহমদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পাঞ্জেরী কবিতার মূল সুর হলো মুসলিম জাতির আত্মিক জাগরণ এবং অন্ধকার দূর করে সঠিক পথের সন্ধান করা। - এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির নাম এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার নাম মিলিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
14. 'খাসমহল' শব্দের 'খাস' উপসর্গ কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবি ১. কেন সঠিক: - খাসমহল শব্দে ব্যবহৃত খাস উপসর্গটি মূলত আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বাংলা ব্যাকরণে খাস একটি বিশেষ উপসর্গ যা সাধারণত আরবি ও ফারসি উৎস থেকে শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন বাংলা উপসর্গ তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - আরবি ফারসি ও ইংরেজি ভাষার উপসর্গগুলো বিদেশি উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত এবং এগুলো শব্দের অর্থের ভিন্নতা ও বিশেষত্ব আনে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাসখবর ব্যাখ্যা: এখানে খাস উপসর্গটি আরবি ভাষা থেকে এসে বিশেষ বা নির্দিষ্ট খবর অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: খাসজমি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে খাস উপসর্গটি বিশেষ বা সরকার নির্ধারিত জমি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক উপসর্গ বাংলায় এলেও খাস শব্দটি ফারসি উপসর্গ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর কারণ খাস উপসর্গটি মূল আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। C) উর্দু — উর্দু একটি মিশ্র ভাষা এবং এর নিজস্ব কোনো মৌলিক উপসর্গ নেই তাই এটি ভুল। D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে সরাসরি খাস উপসর্গটি বাংলায় আসেনি তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আরবি উপসর্গগুলো মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো খাস লা এবং গর শব্দগুলোকে একসঙ্গে মনে রাখা। - আদালতের খাস কামরা বা খাস জমি দিয়ে আরবি খাস উপসর্গটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি উপসর্গের উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - আরবি ও ফারসি উপসর্গের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
15. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাধন হারা ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো বাধন হারা। এই উপন্যাসটি পত্রযোগাযোগ বা পত্রোপন্যাস আকারে রচিত হয়েছে এবং এতে যুবকদের বিদ্রোহ ও প্রেমের প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাধন হারা উপন্যাসটি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩২৭ সনের শ্রাবণ মাসে রচনা শুরু করেন এবং এটি মোহাম্মদী ও বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলির মাধ্যমে লেখকের যৌবনের দ্রোহ এবং রোমান্টিক চেতনার প্রাথমিক রূপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি রাজনৈতিক ও রোমান্টিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়। B) ব্যথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থ বা গল্পসংকলন, উপন্যাস নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম উপন্যাস মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন যে তারুণ্যের বাধন হারা মনই প্রথম উপন্যাসের বিষয়বস্তু। উপন্যাসটি পত্রাকারে লেখা বলে এর গঠনশৈলী আলাদা করে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের প্রথম উপন্যাস, প্রথম গল্পগ্রন্থ এবং প্রথম কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা এবং প্রথম গল্প হলো বায়লার পতি বা ব্যথার দান সংক্রান্ত তথ্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
16. 'নেজারত' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি ১. কেন সঠিক: - নেজারত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি প্রশাসনিক পরিভাষা। - এর শাব্দিক অর্থ তদারকি, পরিদর্শন বা তত্ত্বাবধান করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি আরবি উৎসের শব্দ। - বাংলা ভাষায় এমন বহু আরবি শব্দ রয়েছে যা প্রশাসনিক, ধর্মীয় বা দাপ্তরিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় অর্থে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: দলিল ব্যাখ্যা: এটিও একটি আরবি শব্দ যা লিখিত প্রমাণপত্র অর্থে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ নেজারত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। B) ফারসি — এটি ফারসি ভাষার শব্দ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) চীনা — এটি চীনা ভাষার শব্দ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ইংরেজি — এটি ইংরেজি ভাষার শব্দ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশাসনিক ও বিচারালয় সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে এসেছে। - নেজারত শব্দটি তদারকি বা পরিদর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত আরবি শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত আরবি ও ফারসি শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
18. 'অগ্নি' শব্দের প্রতিশব্দ কী?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃশানু ১. কেন সঠিক: - কৃশানু শব্দটির অর্থ আগুন বা অগ্নি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে অগ্নিবাচক শব্দের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে। - অগ্নি শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সমার্থক পদের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: অনল শব্দটি অগ্নি বা আগুনের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: পাবক শব্দের অর্থ পবিত্রকারী বা অগ্নি, যা আগুনের সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃশানু — এই অপশনটি সঠিক কারণ কৃশানু শব্দের অর্থ অগ্নি। B) ভানু — ভানু শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি অগ্নি শব্দের সমার্থক নয়। C) সবিতা — সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য বা দিবাকর, যা আগুনের সমার্থক নয়। D) প্রভা — প্রভা শব্দের অর্থ আলো বা দীপ্তি, এটি আগুনের সমার্থক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অগ্নি শব্দের সমার্থক মনে রাখার সহজ উপায় হলো অনল, অবনি, পাবক এবং কৃশানু শব্দগুলো একত্রে চর্চা করা। - সূর্য এবং অগ্নিবাচক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই সূর্যের সমার্থকগুলো আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি, সূর্য, আকাশ ও সমুদ্রের প্রতিশব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

1. Conventional wisdom is what everyone thinks. The underlined word does not mean:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) exceptional কেন সঠিক: Conventional wisdom কথাটির অর্থ হলো সাধারণ মানুষের প্রচলিত ধারণা বা বিশ্বাস। Underlined শব্দটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হয়েছে। exceptional শব্দটির অর্থ অসাধারণ বা ব্যতিক্রমী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) exceptional — এই শব্দটির অর্থ অসাধারণ, যা Conventional wisdom এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর। B) customary — এর অর্থ প্রথাগত বা প্রচলিত, যা মূল শব্দের সমার্থক হওয়ায় ভুল অপশন। C) unexceptional — এর অর্থ সাধারণ, যা মূল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করায় এটি উত্তর হবে না। D) common — এর অর্থ সাধারণ বা প্রচলিত, যা মূল শব্দের সাথে মিলে যায় তাই ভুল। মনে রাখার টিপস: Conventional অর্থ সাধারণ বা প্রচলিত, তাই এর বিপরীত শব্দ খুঁজতে হবে যা অসাধারণ বা ব্যতিক্রমী বোঝায়।
2. Which of the following words is singular form?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) radius কেন সঠিক: radius শব্দটি ল্যাটিন মূলের একটি একবচন বা singular noun, যার শেষ অক্ষর us। এর বহুবচন বা plural form হলো radii। এটি একটি নির্দিষ্ট জ্যামিতিক ব্যাসার্ধ বোঝাতে একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) formulae — এটি formula শব্দের বহুবচন রূপ, যার শেষে ae আছে। B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ, যার শেষে a আছে। C) Oases — এটি oasis শব্দের বহুবচন রূপ, যার মাঝে es আছে। D) radius — এটি নিজেই একমাত্র একবচন শব্দ, তাই ভুল নয় বরং সঠিক। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বা ল্যাটিন শব্দের শেষে us থাকলে সাধারণত তা একবচন হয় এবং a বা i থাকলে বহুবচন হয়।
3. Fill in the gap with appropriate words: All should love their country, ____?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) should they কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি হাবাত্মক বা অ্যাফারমেটিভ অর্ধে আছে এবং এর সাবজেক্ট হলো অল বা সবাই। তাই ট্যাগ কোশ্চেনের নিয়ম অনুযায়ী মূল অক্সিলারি ভার্ব শুড নেগেটিভ হয়ে ড্যান্ট হবে এবং প্লুরাল সাবজেক্টের প্রোনাউন দে বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aren't they — বাক্যে বি ভার্ব না থাকায় এই অক্সিলারি ব্যবহার ভুল। B) isn't it — সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় ইট ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) should they — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) shouldn't they — মূল বাক্যটি অ্যাফারমেটিভ হওয়ায় ট্যাগ অংশটি নেগেটিভ হবে না। মনে রাখার টিপস: ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় মূল বাক্য অ্যাফারমেটিভ হলে ট্যাগ নেগেটিভ হয় এবং বাক্য নেগেটিভ হলে ট্যাগ অ্যাফারমেটিভ হয়।
4. Fill in the blank with an article she is ___sole survivor?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তuyu বোঝাতে Definite Article 'the' বসে। বাক্যে 'sole survivor' দ্বারা একমাত্র বেঁচে থাকা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়েছে। তাই এখানে সঠিক আর্টিকেল হিসেবে 'the' ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — 'a' হলো Indefinite Article, যা অনিনির্দিষ্ট একবচন countable noun-এর পূর্বে বসে। কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট একজন survivor-কে বোঝানো হয়েছে। B) an — 'an' vowel sound-এর পূর্বে বসে। কিন্তু 'sole' শব্দটির শুরুতে consonant sound থাকায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) the — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি প্রদত্ত শূন্যস্থানের জন্য সঠিক নিয়ম মেনে চলে। D) no article — নিয়ম অনুযায়ী এই শূন্যস্থানে একটি নির্দিষ্ট article বসানো আবশ্যক। তাই কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হবে। মনে রাখার টিপস: কোনো ব্যক্তি বা বস্তু নির্দিষ্ট হলে তার আগে সবসময় the বসে।
5. They did the office tasks ___
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) themselves কেন সঠিক: বাক্যের কর্তা they-এর ওপর জোর দিতে বা তারা নিজেরাই কাজটি করেছে বোঝাতে reflexive pronoun হিসেবে themselves ব্যবহার করা হয়েছে। Subject নিজেই কাজটি সম্পন্ন করলে verb-এর পরে বা বাক্যের শেষে reflexive pronoun বসে। তাই এখানে themselves ব্যবহার করা পুরোপুরি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by junior officers — এটি passive voice-এর মতো শোনায় কিন্তু মূল বাক্যে কোনো passive গঠন নেই। B) by themselves — এখানে preposition থাকার কারণে এটি দ্বারা অন্যের সহযোগিতায় কাজটি করা বোঝায়, যা সঠিক নয়। C) by them — pronoun-এর objective রূপ এখানে বসালে বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। D) themselves — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: subject নিজে কোনো কাজ সম্পন্ন করলে তার ওপর জোর দেওয়ার জন্য reflexive pronoun ব্যবহার করতে হয়।
6. He is neither expert in writing ___ interested in learning.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) nor কেন সঠিক: ইংরেজিতে neither এর সাথে সবসময় pair conjunction হিসেবে nor ব্যবহৃত হয়। বাক্যের দুটি নেতিবাচক অংশ যুক্ত করতে neither-nor কাঠামোটি এখানে সঠিকভাবে বসেছে। বাক্যের গঠনে এটি নিয়ম মেনে চলে। এতে ব্যাকরণগত কোনো ভুল নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) not — neither এর সাথে not সরাসরি জোড়া হিসেবে বসে না। C) neither — বাক্যের শুরুতে একটি neither থাকায় মাঝে আবার neither ব্যবহার করা যায় না। D) not also — এই শব্দগুচ্ছটি neither এর সাথে জোড়া গঠন করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: neither দেখলে চোখ বন্ধ করে nor এর কথা মনে রাখবে, কারণ এরা সবসময় জোড়ায় বসে।
7. One of my friends____ being selected for the:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে One of থাকলে তার পরের noun বা pronoun টি plural হলেও verb টি সবসময় singular হয়। এখানে subject হলো One, যা singular হওয়ায় verb ও singular রূপ নেবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject One-এর সাথে বসে না। B) have — এটি plural verb এবং এখানে auxiliary verb হিসেবেও এটি বসে না। C) is — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) were — এটি past tense-এর plural verb যা present context এবং singular subject-এর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে One of থাকলেই চোখ বন্ধ করে singular verb (is বা has) বসাবে।
8. Find the incorrect question:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) What that cinema showing now? কেন সঠিক: এখানে বাক্যটিতে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব বা অক্সিলিয়ারি ভার্ব ব্যবহার করা হয়নি। চলমান সময় বোঝাতে সাবজেক্টের আগে Is বা Are বসা দরকার ছিল, যা এখানে অনুপস্থিত। প্রশ্ন তৈরির সঠিক গঠন এখানে মানা হয়নি। তাই এটি একটি ভুল প্রশ্ন বা ইনকারেক্ট কোশ্চেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What book did he buy? — এটি একটি সঠিক প্রশ্ন কারণ এখানে ডিড সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে সঠিক নিয়ম মেনে ব্যবহার করা হয়েছে। B) What that cinema showing now? — এটি ভুল বাক্য কারণ সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব না থাকায় প্রশ্ন গঠনটি অসম্পূর্ণ থেকে গেছে। C) What date it is? — এটিও কথ্য ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় এবং এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য ধরা হয়। D) What does she mean? — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এখানে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সের প্রশ্ন তৈরির নিয়ম নিখুঁতভাবে মানা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রশ্ন তৈরির সময় সব সময় সাবজেক্টের আগে উপযুক্ত সাহায্যকারী ভার্ব বা অক্সিলিয়ারি ভার্ব ব্যবহার করতে হবে।
9. Find the correct phrase to fill the gap: The office manager is respected by all ___
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) because of his talent কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পর কোনো পূর্ণাঙ্গ বাক্য বা ক্লজ নেই, বরং একটি নাউন ফ্রেজ রয়েছে। তাই কারণ বোঝাতে বিকজ অফ ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এখানে সঠিক নিয়ম ও নাউন ফ্রেজ ব্যবহার করা হয়েছে। B) because his talent — because এর পর সাবজেক্ট ও ভার্ব না থাকায় এই অপশনটি ভুল। C) because of he is talented — because of এর পর সরাসরি সাবজেক্ট ও ভার্ব বসে না। D) because talented — because এর পর শুধু এডজেক্টিভ বসলে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। মনে রাখার টিপস: কারণ বোঝাতে ক্লজের আগে because এবং নাউন বা ফ্রেজের আগে because of বসে।
10. As a Captain of the ship, it is my duty to look after safety of everyone on board. What is wrongly used:
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) article কেন সঠিক: নির্দিষ্ট করে বোঝাতে safety শব্দের পূর্বে the article বসানো বাধ্যতামূলক ছিল। এখানে safety শব্দটি সবার নিরাপত্তার মতো নির্দিষ্ট একটি অর্থ প্রকাশ করছে। তাই article ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) article — এখানে the article এর ব্যবহার ভুল ছিল। B) preposition — বাক্যের preposition সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে। C) adjective — বাক্যের adjective সঠিক স্থানে বসেছে। D) conjunction — বাক্যে কোনো conjunction এর ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো বিষzesয় বা ধারণার বিশেষ অবস্থার আগে অবশ্যই the article ব্যবহার করতে হয়।
11. Find the incorrect expression:
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I started for the meeting five minutes to be ten. কেন সঠিক: ইংরেজি সময়ে বাঁকি বোঝাতে to ব্যবহার করা হয়, তবে মিনিট বোঝানোর ক্ষেত্রে "five minutes to ten" বলতে হয় কিন্তু এখানে "five minutes to be ten" লেখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। এই বাক্যটিতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে "be" শব্দ যুক্ত করা হয়েছে যা সময়ের সঠিক গঠনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়াও অপশন সি-এর গঠনটি ইংরেজি ভাষা ব্যবহারের প্রচলিত নিয়মের সাথে মিলে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I reached the office at half past eight — এখানে সময় বলার সঠিক নিয়ম "half past" ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত ও নির্ভুল। B) I prepared for the meeting at a quarter to ten — এখানে নির্দিষ্ট সময়ের ১৫ মিনিট বাকি বোঝাতে "a quarter to" এর সঠিক নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে। C) I started for the meeting five minutes to be ten — এখানে "be" শব্দের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে এবং সঠিক নিয়ম মানা হয়নি। D) I attended the meeting at 10 a.m — এখানে নির্দিষ্ট সময়ের সাথে "a.m." এর সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সময়ে মিনিট কম থাকলে "past" এবং বাকি থাকলে "to" বসে, মাঝখানে কখনো "be" বসে না।
12. If I ____you I'd get that car serviced:?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: এটি একটি অবাস্তব শর্ত বা কাল্পনিক বাক্য। তাই বর্তমান ও অতীত নির্বিশেষে সাবজেক্টের পর were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — এটি প্রেজেন্ট টেন্স এবং ফার্স্ট পারসন সিঙ্গুলার, যা এই কাল্পনিক বাক্যে বসে না। B) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) was — সাধারণত ফার্স্ট ও থার্ড পারসন সিঙ্গুলারের পরে বসে, কিন্তু কাল্পনিক বাক্যে was ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) would be — প্রথম ক্লজে কখনো modal verb বসে না, এটি বাক্যের পরের অংশে থাকে। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে ইফ যুক্ত বাক্যে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় were ব্যবহার করবে।
13. What is the meaning by the following underlined phrase: "It is Greek to me"
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) difficult to understand কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ গ্রিক ভাষা হলেও রূপক অর্থে এটি এমন কিছু বোঝায় যা কারো কাছে সম্পূর্ণ বোধগম্য বা কঠিন লাগে। কারো কাছে কোনো বিষয় বা ভাষা অপরিচিত হলে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তরটি অপশন বি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) came from Greek — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাক্যের আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও এটি কোনো ঐতিহাসিক উৎস নির্দেশ করছে না। B) difficult to understand — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) illegible — এই অপশনটি ভুল কারণ ইলিজিবল বলতে কেবল দুর্বোধ্য হাতের লেখাকে বোঝায়, কিন্তু এই বাগধারাটি সব ধরনের কঠিন বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) none of the above — এই অপশনটি ভুল কারণ অপশন বি তে সঠিক উত্তরটি ইতিমধ্যে দেওয়া আছে। মনে রাখার টিপস: গ্রিক ভাষা আমাদের অনেকের কাছেই অচেনা ও কঠিন মনে হয়, তাই এই ইডিওম দেখলে বুঝবে এর অর্থ কোনো কিছু বুঝতে না পারা।
14. Antonym of "cryptic" is:
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) clear কেন সঠিক: Cryptic শব্দের অর্থ রহস্যময় বা যার অর্থ সহজে বোঝা যায় না। এর বিপরীত শব্দ হলো clear যার অর্থ স্পষ্ট বা সহজে বোধগম্য। তাই অর্থের দিক থেকে এটি সবচেয়ে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mysterious — এই শব্দটির অর্থ রহস্যময় যা cryptic শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। B) enigmatic — এই শব্দটির অর্থও দুর্বোধ্য বা রহস্যময় যা মূল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) clear — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) abstruse — এই শব্দটির অর্থ জটিল বা কঠিন যা cryptic শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Cryptic মানে কোড বা রহস্য, আর Clear মানে পরিষ্কার বা খোলা বই।
15. Which is not a synonym of "disorderly":
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) tidy কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে "disorderly" শব্দের সমার্থক বা সমঅর্থের নয় এমন শব্দ জানতে চাওয়া হয়েছে। "Disorderly" অর্থ অগোছালো বা বিশৃঙ্খল। "Tidy" শব্দটির অর্থ পরিপাটি বা গোছালো। এটি মূল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) topsy-turvy — এই শব্দটির অর্থ ওলটপালট বা বিশৃঙ্খল, যা মূল শব্দের সমার্থক। B) disorganized — এই শব্দটির অর্থ অসংগঠিত বা অগোছালো, যা মূল শব্দের সমার্থক। C) messy — এই শব্দটির অর্থ নোংরা বা অগোছালো, যা মূল শব্দের সমার্থক। D) tidy — এই শব্দটির অর্থ পরিপাটি বা গোছালো, যা মূল শব্দের বিপরীত এবং সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের সমার্থক খুঁজতে গেলে তার অর্থের মিল দেখতে হয় এবং বিপরীতার্থক শব্দ থাকলে তা আলাদা করতে হয়।
16. Raheel has broken ___ rib in an accident?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: এখানে 'rib' একটি সাধারণ গণনাযোগ্য বিশেষ্য এবং বাক্যটিতে প্রথমবারের মতো একটি পাজরের কথা বলা হয়েছে। তাই নির্দিষ্ট করে না বুঝিয়ে যেকোনো একটি পাজর ভাঙার অর্থ প্রকাশ করতে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল 'a' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এটি নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ্যকে বোঝাতে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ পাজরটি নির্দিষ্ট নয়। B) some — এটি অনির্দিষ্ট বহুবাচক বা পরিমাণের ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু 'rib' এখানে একবচন রূপে আছে। C) a — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) to — এটি একটি প্রিপোজিশন যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয় এবং অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: কোনো একক ও গণনাযোগ্য বিশেষ্য যদি প্রথমবার উল্লেখ করা হয় এবং নির্দিষ্ট না থাকে, তবে তার আগে 'a' বা 'an' বসাতে হয়।
17. Find the odd pairs of words?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) humility: pride কেন সঠিক: humility অর্থ বিনয় এবং pride অর্থ অহংকার, যা একে অপরের বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি সব অপশনগুলোতে সমার্থক শব্দ জোড়া দেওয়া আছে কিন্তু এখানে বিপরীতার্থক শব্দ জোড়া রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) distance: far — এখানে দূরত্ব এবং দূরবর্তী বোঝাতে দুটি সমার্থক শব্দ জোড়া ব্যবহার করা হয়েছে। B) disruptive: troublesome — এখানে বিঘ্ন সৃষ্টকারী এবং কষ্টদায়ক বোঝাতে দুটি সমার্থক শব্দ জোড়া ব্যবহৃত হয়েছে। C) humility: pride — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিনয় ও অহংকার বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে আছে। D) enlightenment: illumination — এখানে জ্ঞানালোক এবং প্রদীপ্তি বোঝাতে দুটি সমার্থক শব্দ জোড়া ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দার্থগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে, কারণ তিনটি জোড়া সমার্থক এবং একটি জোড়া বিপরীতার্থক হতে পারে।
18. Which one is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It is an exciting task কেন সঠিক: ১. exciting শব্দটি vowel sound (এ) দিয়ে শুরু হওয়ায় তার পূর্বে an বসেছে। ২. task একটি countable noun হওয়ায় তার পূর্বে adjective-এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে। ৩. বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে। ৪. অর্থপূর্ণ হওয়ায় এই বাক্যটি অন্য বিকল্পগুলোর তুলনায় নিখুঁত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is a interesting story — interesting শব্দটি vowel দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে a এর বদলে an বসা উচিত ছিল। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) It is an very interesting story — very শব্দটি consonant দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে an না বসে a বসবে। D) It is an hard task — hard শব্দটি consonant sound দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে an এর বদলে a বসবে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি vowel হলে an এবং consonant হলে a বসে।
19. Fill in the gap: He acceded ___ my request?
Created 3 weeks ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: Acceded শব্দের পরে সাধারণত প্রিপজিশন হিসেবে to বসে। এর অর্থ হলো রাজি হওয়া বা কোনো প্রস্তাবে সম্মতি জ্ঞাপন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — Acceded শব্দের পরে with বসে না কারণ এটি অনুরোধের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) in — Acceded শব্দের পরে in বসে অর্থ পরিবর্তন করে, তাই এখানে ভুল। D) for — Acceded শব্দের পরে for ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Acced শব্দের সাথে সবসময় to বসে, যেমন অনুরোধ বা প্রস্তাবে রাজি হওয়া বোঝাতে Accede to ব্যবহার হয়।
20. "Far and Wide" means?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in all directions কেন সঠিক: Far and Wide একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ যার অর্থ হলো সর্বত্র বা চতুর্দিকে। এটি মূলত কোনো বিশাল এলাকা বা অনেক দূরদূরান্ত বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। এটির সাথে সব দিকে বা in all directions কথাটির সরাসরি মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from time to time — এর অর্থ মাঝে মাঝে, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না। B) not regularly — এর অর্থ নিয়মিতভাবে নয়, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি পরিস্থিতি নির্দেশ করে। C) in all directions — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) comprehensively — এর অর্থ ব্যাপকভাবে বা বিস্তারিতভাবে, যা দূরদূরান্ত ছড়ানো বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Far অর্থ দূরে এবং Wide অর্থ চওড়া, তাই দূর এবং চওড়া মিলিয়ে মনে রাখবে এর অর্থ সব দিকে বা সর্বত্র।

মোট প্রশ্ন (36)

1. রাষ্ট্রের উৎপত্তি বিষয়ে মর্গান এর ধারণাকে পরবর্তীতে কে বিকাশিত করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফ্রেডরিক এঙ্গেলস কেন সঠিক: - আমেরিকান নৃতাত্ত্বিক লুইস হেনরি মর্গানের আদিম সমাজের পরিবার ও সম্পত্তির বিকাশ সংক্রান্ত ধারণাকে ফ্রেডরিক এঙ্গেলস পরবর্তীতে বিকশিত ও মার্ক্সীয় তত্ত্বে প্রয়োগ করেন। - এঙ্গেলস তার বিখ্যাত গ্রন্থ অরিজিন অব দ্য ফ্যামিলি, প্রাইভেট প্রপার্টি অ্যান্ড দ্য স্টেট গ্রন্থে মর্গানের গবেষণাকে ভিত্তি করে রাষ্ট্রের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাক্স ওয়েবার — তিনি সমাজবিজ্ঞানে আমলাতন্ত্র এবং ক্ষমতার ধারণার জন্য পরিচিত হলেও মর্গানের ধারণাকে বিকশিত করেননি। B) এমিল দুর্খইম — তিনি সমাজবিজ্ঞানের ফরাসি ধারার জনক এবং শ্রমবিভাজন ও সংহতি নিয়ে কাজ করেছেন। C) কার্ল মার্ক্স — তিনি পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও ঐতিহাসিক materialism নিয়ে কাজ করেছেন, তবে মর্গানের রাষ্ট্র সম্পর্কিত তত্ত্বটি এঙ্গেলস মূলত গ্রন্থাকারে প্রকাশ ও বিকশিত করেন। D) ফ্রেডরিক এঙ্গেলস — মর্গানের ধারণাকে ভিত্তি করে তিনি রাষ্ট্রের উৎপত্তি বিষয়ে বৈজ্ঞানিক সমাজতান্ত্রিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। মনে রাখার টিপস: মর্গান সমাজ নিয়ে গবেষণা করেছেন আর এঙ্গেলস সেই গবেষণা দিয়ে রাষ্ট্রের উৎপত্তি বুঝিয়েছেন।
2. কার্ল মার্ক্স অনুযায়ী পুঁজিবাদ নিয়ে আসে-?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শ্রমের শোষণ ও শ্রেণী সংঘাত কেন সঠিক: - কার্ল মার্ক্সের মতে পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় মালিক শ্রেণী মুনাফা অর্জনের জন্য শ্রমিকদের শোষণ করে। - এই শোষণের ফলে সমাজে মালিক ও শ্রমিক এই দুই বিরোধী শ্রেণীর জন্ম নেয়, যা শ্রেণী সংঘাতের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক সমতা — পুঁজিবাদ সামাজিক সমতা তৈরি করে না, বরং সমাজে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার বৈষম্য বাড়িয়ে দেয়। B) শ্রমের শোষণ ও শ্রেণী সংঘাত — এই অপশনটি সঠিক কারণ মার্ক্সীয় তত্ত্বে পুঁজিবাদ বলতে প্রধানত এই দুটি অবস্থাকেই বোঝানো হয়েছে। C) ব্যক্তিগত সম্পত্তি নির্মূল — ব্যক্তিগত সম্পত্তি রক্ষা করাই পুঁজিবাদের মূল ভিত্তি, এটি নির্মূল করা সমাজতন্ত্রের লক্ষ্য। D) সম্মিলিত মালিকানা — উৎপাদনের উপায়ের ওপর সম্মিলিত মালিকানা সমাজতন্ত্র বা সাম্যবাদের বৈশিষ্ট্য, পুঁজিবাদের নয়। মনে রাখার টিপস: কার্ল মার্ক্স মানেই পুঁজিবাদ, আর পুঁজিবাদ মানেই শ্রমিক শোষণ এবং শ্রেণী সংঘাত।
3. ব্যক্তিদের যে উপাদান বাস্তব ও নীতি বিবর্জিত থাকে কী বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 7 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইড কেন সঠিক: - সিগমন্ড ফ্রয়েডের মনোবিশ্লেষণ তত্ত্ব অনুযায়ী ইড হলো ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে আদিম অংশ যা বাস্তব জ্ঞান ও নীতিবোধ বিবর্জিত। - এটি তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ও প্রবৃত্তিগত চাহিদা পূরণের জন্য কাজ করে এবং এর কোনো নৈতিক বিচারবুদ্ধি থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহেভিয়ার — এটি মানুষের আচরণ বোঝায় এবং এটি কোনো নীতি বিবর্জিত ব্যক্তিত্বের উপাদান নয়। B) ইড — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাস্তব ও নীতি বিবর্জিত প্রবৃত্তিভিত্তিক মানব মনের অংশ। C) ইগো — এটি বাস্তব ও যুক্তিবাদী অংশ যা ইডের চাহিদাকে বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে। D) সুপার ইগো — এটি নৈতিকতা ও আদর্শ দ্বারা পরিচালিত হয় যা সমাজের নিয়মকানুন ও মূল্যবোধ মেনে চলে। মনে রাখার টিপস: ইড মানে শিশুসুলভ অবুঝ চাহিদা যা নীতি মানে না, ইগো বাস্তব বুঝে এবং সুপার ইগো নৈতিকতা শেখায়।
5. Gemeinschaft এবং Gesellschaft-এর প্রধান পার্থক্য হলো-
Created 3 weeks ago | Updated 7 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ফার্ডিন্যান্ড টনিস সমাজকে গ্রামীণ ও শহরভিত্তিক দুটি ভাগে ভাগ করতে এই দুটি ধারণার প্রবর্তন করেছেন। - এখানে Gemeinschaft হলো আবেগঘন গ্রামীণ সম্পর্ক এবং Gesellschaft হলো স্বার্থভিত্তিক ও চুক্তিমূলক শহুরে সম্পর্ক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামীণ বনাম শহরে — এটি সঠিক কারণ Gemeinschaft বলতে গ্রামীণ এবং Gesellschaft বলতে শহুরে সমাজকে বোঝানো হয়। B) ব্যক্তিগত বনাম অজানা সম্পর্ক — এটি সঠিক কারণ Gemeinschaft-এ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং Gesellschaft-এ অপরিচিত মানুষের সাথে সম্পর্ক থাকে। C) আবেগীয় বনাম চুক্তিমূলক বন্ধন — এটি সঠিক কারণ Gemeinschaft-এ আবেগ ও ঐতিহ্য এবং Gesellschaft-এ চুক্তি ও স্বার্থ কাজ করে। D) উপরের সবগুলো — এটি সঠিক কারণ উপরের তিনটি বৈশিষ্ট্যই এই দুটি ধারণার প্রধান পার্থক্যের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: জি দিয়ে গ্রামীণ ও আবেগ (Gemeinschaft) এবং জি-ই (Gesellschaft) দিয়ে চুক্তিমূলক শহুরে সমাজ মনে রাখতে পারেন।
6. সামাজিক মর্যাদা অপরিবর্তিত রেখে পেশা পরিবর্তনকে বলা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনুভূমিক গতিশীলতা কেন সঠিক: - সামাজিক গতিশীলতার ক্ষেত্রে ব্যক্তির পেশা পরিবর্তন হলেও তার সামাজিক পদমর্যাদা বা শ্রেণি অবস্থান অপরিবর্তিত থাকে। - যেমন একজন শিক্ষক চাকরি পরিবর্তন করে সমমানের অন্য কোনো পেশায় গেলে তার সামাজিক মর্যাদার কোনো পরিবর্তন ঘটে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উলম্ব গতিশীলতা — এটি সামাজিক মর্যাদার পরিবর্তন নির্দেশ করে, যেখানে পেশা পরিবর্তনের সাথে সাথে মর্যাদা বা শ্রেণি উপরে বা নিচে ওঠে। B) আনুভূমিক গতিশীলতা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে সামাজিক মর্যাদা অপরিবর্তিত থাকে। C) নিম্নমুখী গতিশীলতা — এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পেশা পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা আগের চেয়ে নিচে নেমে যায়। D) ঊর্ধ্বমুখী গতিশীলতা — এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ব্যক্তি তার আগের অবস্থার চেয়ে উন্নত পেশা বা সামাজিক মর্যাদা লাভ করে। মনে রাখার টিপস: আনুভূমিক মানে সমতল বা সমান, তাই পেশা বদলালেও সামাজিক মর্যাদা যখন একই সমান থাকে তখন তাকে আনুভূমিক গতিশীলতা বলে।
9. ব্যক্তিত্ব প্রত্যয়ের উদ্ভব-
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারসোনা থেকে কেন সঠিক: - ব্যক্তিত্ব বা Personality শব্দটি ল্যাটিন শব্দ পারসোনা থেকে এসেছে। - প্রাচীন গ্রিক নাটকে অভিনেতারা যে মুখোশ পরতেন তাকে পারসোনা বলা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আচরন — এটি ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ হলেও এই শব্দ থেকে ব্যক্তিত্ব প্রত্যয়টি উদ্ভূত হয়নি। B) মনোবৃত্তি — এটি মানসিক প্রক্রিয়া বা প্রবৃত্তি বোঝায়, যা ব্যক্তিত্বের উৎসের মূল ল্যাটিন শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) অভিপ্রায় — এটি মানুষের কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য নির্দেশ করে, ব্যক্তিত্ব শব্দের ঐতিহাসিক উৎসের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) পারসোনা থেকে — এটি সঠিক কারণ ব্যক্তিত্ব শব্দের ল্যাটিন মূল পারসোনা, যার অর্থ মুখোশ বা নাট্যমঞ্চের ভূমিকা। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তিত্ব মানেই মুখোশ, আর মুখোশ মানেই পারসোনা।
10. ব্রাহ্মধর্মের প্রবক্তা কে ছিলেন?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজা রামমোহন রায় কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ভারতের সমাজ সংস্কার ও একেশ্বরবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ব্রাহ্মধর্ম নামে পরিচিত হয়। - তিনি হিন্দু ধর্মের কুসংস্কার ও সতীদাহ প্রথার মতো কূপ্রথা দূর করে আধুনিক সমাজ গঠনে এই ধর্মীয় আন্দোলন শুরু করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি ঊনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও নারীশিক্ষার প্রসার এবং বিধবা বিবাহ প্রচলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, ব্রাহ্মধর্মের প্রবক্তা ছিলেন না। B) রাজা রামমোহন রায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং ব্রাহ্মধর্মের অনুসারী ও প্রচারক ছিলেন, কিন্তু ব্রাহ্মধর্মের মূল প্রবক্তা বা প্রতিষ্ঠাতা নন। D) নওয়াব আব্দুল গনি — তিনি ঢাকার নবাব পরিবারের একজন প্রভাবশালী জমিদার ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি ব্রাহ্মধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: রামমোহন রায় মানেই সমাজ সংস্কার এবং ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মসমাজ বা ব্রাহ্মধর্ম।
12. ১৮৭৫ সালের 'আলীগড় আন্দোলন' কোন ধরনের আন্দোলন ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কার আন্দোলন কেন সঠিক: - ১৮৭৫ সালে স্যার সৈয়দ আহমদ খান কর্তৃক সূচিত আলীগড় আন্দোলন ছিল মূলত মুসলিম সমাজের ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষাগত সংস্কার আন্দোলন। - এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল আধুনিক ইংরেজি শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে অনগ্রসর মুসলিম সম্প্রদায়কে যুগোপযোগী ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কার আন্দোলন — এটি সঠিক, কারণ এই আন্দোলন ব্রিটিশ ভারতের মুসলিমদের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছিল। B) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন — এটি ভুল, কারণ আলীগড় আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ব্রিটিশদের বিরোধিতা করা ছিল না, বরং ব্রিটিশদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে উন্নতি করা ছিল। C) স্বাধীনতা আন্দোলন — এটি ভুল, কারণ তৎকালীন সময়ে সরাসরি স্বাধীনতা অর্জনের কোনো রাজনৈতিক লক্ষ্য এই আন্দোলনের ছিল না। D) স্বদেশী আন্দোলন — এটি ভুল, কারণ স্বদেশী আন্দোলন মূলত ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে বাংলা অঞ্চলে ব্রিটিশ পণ্য বর্জনের রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল। মনে রাখার টিপস: স্যার সৈয়দ আহমদ খান এবং আলীগড় আন্দোলন মানেই মুসলিম সমাজের আধুনিক শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কার।
14. গারো সমাজের বংশধারা কেমন?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাতৃসূত্রীয় কেন সঠিক: - গারো সমাজ একটি মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা অনুসরণ করে যেখানে বংশধারা ও উপাধি মায়েদের দিক থেকে নির্ধারিত হয়। - এই সমাজে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী সাধারণত পরিবারের ছোট মেয়ে বা কন্যারা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিতৃসূত্রীয় — এটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে পিতার দিক থেকে বংশ ও সম্পত্তি নির্ধারিত হয় কিন্তু গারো সমাজে এর বিপরীত চর্চা দেখা যায়। B) মাতৃসূত্রীয় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ গারো সমাজে মাতৃতান্ত্রিক ধারা অনুসরণ করা হয়। C) বাইলিনিয়াল — এটি দ্বিপক্ষীয় বা উভয় দিক থেকে বংশধারা গণনার পদ্ধতি বোঝায়, যা গারো সমাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটাই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান রয়েছে, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গারো উপজাতির মা থেকে মেয়ে এই ধারায় সম্পত্তি ও বংশমর্যাদা রক্ষা হয়, তাই এটি মাতৃসূত্রীয় সমাজ।
15. "সমাজবিজ্ঞান হলো সামাজিক সংগঠন এবং সমাজ পরিবর্তনের বিজ্ঞান" উক্তিটি কে বলেছেন-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কোভালেভস্কি কেন সঠিক: - ম্যাক্সিম কোভালেভস্কি সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক সংগঠন এবং সমাজ পরিবর্তনের বিজ্ঞান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। - তাঁর মতে সমাজবিজ্ঞানের মূল কাজ হলো সমাজের বিভিন্ন কাঠামোর বিন্যাস এবং এর পরিবর্তনের গতিপ্রকৃতি অধ্যয়ন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোভালেভস্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক সংগঠন ও সমাজ পরিবর্তনের বিজ্ঞান বলেছেন। B) দুর্খইম — এমিল দুর্খইম সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক তথ্যের বিজ্ঞান হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং শ্রম বিভাজন নিয়ে কাজ করেছেন। সি) ম্যাকাইভার — রবার্ট ম্যাকাইভার সমাজকে সামাজিক সম্পর্কের জাল হিসেবে অভিহিত করেছেন, সমাজবিজ্ঞানকে শুধু পরিবর্তনের বিজ্ঞান বলেননি। ডি) সিমেল — জর্জে সিমেল সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক মিথস্ক্রিয়া এবং ফর্মের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। মনে রাখার টিপস: সমাজ পরিবর্তন ও সংগঠনের কথা আসলেই মাথায় রাখবে কোভালেভস্কির নাম।
18. অগাস্ট কোঁৎ মানবজ্ঞান বিকাশের পর্যায়কে কী বলেছেন?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দৃষ্টবাদ কেন সঠিক: - ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী অগাস্ট কোঁৎ মানবজ্ঞান ও সমাজের বিকাশের ক্ষেত্রে ত্রয়ী সূত্র বা তত্ত প্রদান করেছেন। - এই তত্ত্ব অনুযায়ী মানবচিন্তার বিকাশের সর্বশেষ ও সর্বোচ্চ স্তর হলো দৃষ্টবাদ বা পজিটিভিজম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষের যুগ — অগাস্ট কোঁৎ মানবজ্ঞানের বিকাশের ক্ষেত্রে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট স্তর উল্লেখ করেননি। B) অধিবিদ্যার যুগ — এটি অগাস্ট কোঁতের তত্তের দ্বিতীয় স্তর, যেখানে মানুষ অলৌকিক শক্তির বদলে বিমূর্ত ধারণা দিয়ে সবকিছু ব্যাখ্যা করে। C) দৃষ্টবাদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক। D) বীরযোদ্ধার যুগ — এটি অগাস্ট কোঁতের মানবজ্ঞান বিকাশের তত্ত্বের কোনো স্বীকৃত পর্যায় নয়। মনে রাখার টিপস: কোঁতের তত্ত্বের তিনটি স্তর হলো ধর্মীয়, অধিবিদ্যাগত ও দৃষ্টবাদ। এর মধ্যে শেষ বা সর্বোচ্চ স্তরটি হলো দৃষ্টবাদ।
19. টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অনুযায়ী কোন লক্ষ্যটি লিঙ্গ সমতার উপর কেন্দ্রিত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) SDG-5 কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDGs) পঞ্চম লক্ষ্যটি জেন্ডার সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও কন্যাশিশুর ক্ষমতায়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - জাতিসংঘের নির্ধারিত এই লক্ষ্যটির মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং সব ধরনের বৈষম্য দূর করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) SDG-3 — এটি সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা লিঙ্গ সমতার বিষয় নয়। B) SDG-4 — এটি সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত। C) SDG-5 — এটি জেন্ডার সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও কন্যাশিশুর ক্ষমতায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত সঠিক লক্ষ্য। D) SDG-8 — এটি দীর্ঘস্থায়ী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: পাঁচ আঙুল যেমন সমান নয়, তেমনি সমাজে নারী ও পুরুষের ভেদাভেদ দূর করে সমতা আনতে দরকার SDG-5।
20. নিচের কোনটি নগরায়নের পুল ফ্যাক্টর?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শহরে উন্নত কর্মসংস্থান কেন সঠিক: - পুল ফ্যাক্টর বা আকর্ষণমূলক উপাদান বলতে মানুষের শহরমুখী হওয়ার পেছনে কাজ করে এমন ইতিবাচক সুযোগ-সুবিধাকে বোঝায়। - শহরের উন্নত কর্মসংস্থানের সুযোগ, ভালো জীবনযাত্রার মান এবং উচ্চ আয়ের সম্ভাবনা গ্রামীণ মানুষকে শহরমুখী হতে আকর্ষণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামে জমির অভাব — এটি গ্রামীণ জীবনের একটি নেতিবাচক দিক এবং এটি নগরায়নের পুশ ফ্যাক্টর বা বিকর্ষণমূলক উপাদানের অন্তর্ভুক্ত। B) প্রাকৃতিক দুর্যোগ — বন্যা বা নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে যেতে বাধ্য করে, যা মূলত একটি পুশ ফ্যাক্টর। C) শহরে উন্নত কর্মসংস্থান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি মানুষকে শহরে যেতে আকর্ষণ বা পুল করে। D) গ্রামীণ দারিদ্র্য — এটি মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামকে কঠিন করে তোলে এবং শহরমুখী হতে বাধ্য করার একটি পুশ ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: পুল ফ্যাক্টর মানে চুম্বকের মতো আকর্ষণ, তাই শহরে থাকা ভালো সুযোগগুলোই হলো পুল ফ্যাক্টর।
21. সমাজবিজ্ঞানের প্রত্যয়, নীতি এবং সাধারণীকরণ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাজতাত্ত্বিক মতবাদ কেন সঠিক: - সমাজতাত্ত্বিক মতবাদ সমাজবিজ্ঞানের বিভিন্ন প্রত্যয়, নীতি ও সাধারণীকরণ তৈরি ও সাজাতে তাত্ত্বিক কাঠামো সরবরাহ করে। - এটি সমাজের বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করে সাধারণ নিয়ম বা সিদ্ধান্ত formulate করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজতাত্ত্বিক মতবাদ — এটি সমাজবিজ্ঞানের প্রত্যয়, নীতি ও সাধারণীকরণ তৈরিতে কাজ করে বিধায় এটি সঠিক উত্তর। B) ঐতিহাসিক সমাজবিজ্ঞান — এটি মূলত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার ওপর আলোকপাত করে, সমাজবিজ্ঞানের সার্বিক সাধারণীকরণের কাজ করে না। সি) পরিবারের সমাজবিজ্ঞান — এটি সমাজবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যা কেবল পরিবার প্রতিষ্ঠান ও তার ভেতরের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। ডি) আইনের সমাজবিজ্ঞান — এটি সমাজবিজ্ঞানের বিশেষায়িত শাখা যা আইন এবং সমাজের পারস্পারিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করে। মনে রাখার টিপস: প্রত্যয়, নীতি ও সাধারণীকরণের মতো তাত্ত্বিক কাজ সবসময় সমাজতাত্ত্বিক মতবাদের মাধ্যমেই সম্পাদিত হয়।
22. ভারতীয় উপমহাদেশকে জলসেচ নির্ভর সমাজ কে বলেছেন-
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উইটফোগেল কেন সঠিক: - কার্ল উইটফোগেল এশিয়ার সমাজব্যবস্থা বিশ্লেষণ করে কৃষিকাজে কৃত্রিম জলসেচের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার তত্ত্ব প্রদান করেন। - এই বিশাল জলসেচ ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য একটি শক্তিশালী ও কেন্দ্রীয় সরকারব্যবস্থার উদ্ভব ঘটেছিল বলে তিনি মত দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইটফোগেল — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ভারতীয় উপমহাদেশসহ এশিয়ার সমাজকে জলসেচ নির্ভর বা প্রাচ্যদেশীয় স্বৈরতন্ত্রের সমাজ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। B) বার্নিয়ার — তিনি ফরাসি পর্যটক ও চিকিৎসক যিনি মুঘল আমলের ভারতীয় সমাজ ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে ভ্রমণকাহিনি লিখেছেন। C) মার্ক্স — তিনি উৎপাদনপদ্ধতির বিবর্তন ও ঐতিহাসিক materialism নিয়ে আলোচনা করলেও নির্দিষ্টভাবে জলসেচ নির্ভর সমাজ তত্ত্বের মূল প্রবক্তা নন। D) ভুর্খইম — তিনি আধুনিক সমাজবিজ্ঞানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা যিনি সামাজিক সংহতি এবং শ্রমবিভাজন নিয়ে কাজ করেছেন। মনে রাখার টিপস: জলসেচ বা পানির সাথে কার্ল উইটফোগেল নামটি মনে রাখুন এভাবে যে, গাছের পানির যেমন ফোগড় বা ফোঁটা প্রয়োজন, তেমনি সমাজের জলসেচের জন্য উইটফোগেল বিখ্যাত।
23. 'দি অরিজিন অফ ফ্যামিলি, প্রাইভেট প্রোপার্টি এন্ড দি স্টেট' বইটি কে লিখেছেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: B) এঙ্গেলস কেন সঠিক: - ফ্রেডরিক এঙ্গেলস ১৮৮৪ সালে পরিবার, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি নিয়ে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন। - বইটি লুইস হেনরি মর্গানের নৃবিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণার ওপর ভিত্তি করে মার্ক্সবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিভেন্স — ইনি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত এই গ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। B) এঙ্গেলস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) মার্ক্স — কার্ল মার্ক্স এই গ্রন্থটি লেখেননি, তবে এঙ্গেলস মার্ক্সের মৃত্যুর পর তাঁর নোট ব্যবহার করে এটি প্রকাশ করেন। D) মরগান — মরগান এন্থ্রোপোলজিক্যাল গবেষণা করলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা ফ্রেডরিক এঙ্গেলস। মনে রাখার টিপস: পরিবার ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি নিয়ে এঙ্গেলসের লেখা বই মনে রাখতে এ-তে এঙ্গেলস এবং এ-তে উৎপত্তি বা ১৮৮৪ সাল মাথায় রাখতে পারেন।
26. স্পেন্সারের মতে সামাজিক পরিবর্তন হলো?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধীরে ধীরে এবং বিবর্তনাত্মক কেন সঠিক: - হারবার্ট স্পেন্সার সামাজিক ডারউইনবাদের প্রবক্তা হিসেবে সমাজকে জীবদেহের সঙ্গে তুলনা করে এর ক্রমবিকাশ ব্যাখ্যা করেছেন। - তাঁর মতে সমাজ হঠাৎ পরিবর্তিত হয় না, বরং সরল অবস্থা থেকে জটিল অবস্থার দিকে ধীরে ধীরে বিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হঠাৎ এবং বিপ্লবী — সমাজবিজ্ঞানে স্পেন্সার বিপ্লবের চেয়ে ধীরগতির বিবর্তনকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। B) ধীরে ধীরে এবং বিবর্তনাত্মক — প্রদত্ত এই অপশনটিই স্পেন্সারের সামাজিক বিবর্তন তত্ত্বের মূল ভিত্তি। C) মানুষের হঠাৎ আন্দোলনের মাধ্যমে — স্পেন্সার আকস্মিক আন্দোলন বা বিপ্লবের পরিবর্তে স্বাভাবিক ক্রমবিকাশে বিশ্বাসী ছিলেন। D) কেবল সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত — সামাজিক পরিবর্তন সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে ঘটে না, এটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় বিকশিত হয়। মনে রাখার টিপস: স্পেন্সার মানেই সমাজবিজ্ঞানের বিবর্তনবাদ, অর্থাৎ সমাজ বদলায় ধীরে ধীরে।
27. জন্মগতভাবে নির্ধারিত সামাজিক অবস্থানকে বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরোপিত মর্যাদা কেন সঠিক: - সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় ব্যক্তির জন্মসূত্রে বা বংশগত পরিচয়ের ভিত্তিতে যে সামাজিক অবস্থান নির্ধারিত হয় তাকে আরোপিত মর্যাদা বলে। - এক্ষেত্রে ব্যক্তির নিজস্ব প্রচেষ্টা বা যোগ্যতার কোনো ভূমিকা থাকে না, বরং এটি সমাজ বা জন্ম থেকেই নির্ধারিত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্জিত মর্যাদা — এটি জন্মসূত্রে নয়, বরং ব্যক্তির নিজস্ব শিক্ষা, দক্ষতা, প্রতিভা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। C) গতিশীলতা — এটি সামাজিক স্তরায়নে কোনো ব্যক্তির এক অবস্থান থেকে অন্য অবস্থানে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে বোঝায়, কোনো মর্যাদা নয়। D) সামাজিকীকরণ — এটি এমন একটি আজীবন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সমাজের নিয়মকানুন ও সংস্কৃতি শিখে সমাজে মিশে চলতে শেখে। মনে রাখার টিপস: আরোপ মানে যা আগে থেকেই আরোপিত বা নির্ধারিত থাকে, যেমন জন্মসূত্রের পরিচয়।
28. বহু সাংস্কৃতিক সমাজে ধর্মনিরপেক্ষতা লক্ষ্য করে-
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সকল ধর্মের সমতা নিশ্চিত করা এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করা কেন সঠিক: - ধর্মনিরপেক্ষতা মানে রাষ্ট্র কোনো বিশেষ ধর্মকে প্রাধান্য না দিয়ে সব ধর্মের প্রতি সমান আচরণ করবে। - বহু সাংস্কৃতিক সমাজে এটি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমস্ত ধর্ম নির্মূল করা — ধর্মনিরপেক্ষতা ধর্ম বিলোপ করে না, বরং ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। B) সকল ধর্মের সমতা নিশ্চিত করা এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) একটি ধর্ম প্রচার করা — রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম প্রচার করা ধর্মনিরপেক্ষতার পরিপন্থী। D) সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উপেক্ষা করা — ধর্মনিরপেক্ষতা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও বহুত্ববাদকে শ্রদ্ধা করে। মনে রাখার টিপস: ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়, বরং সব ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা ও সমতা রক্ষা করা।
29. অপরাধ বিজ্ঞানে ডিফারেনশিয়াল অ্যাসোসিয়েশন তত্ত্ব কে প্রদান করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এডউইন সাদারল্যান্ড কেন সঠিক: - অপরাধ বিজ্ঞান বা ক্রিমিনোলজির বিখ্যাত ডিফারেনশিয়াল অ্যাসোসিয়েশন বা ব্যবধানমূলক মেলামেশা তত্ত্বটি ১৯৩৯ সালে এডউইন সাদারল্যান্ড প্রদান করেন। - এই তত্ত্ব অনুযায়ী অপরাধপ্রবণতা জন্মগত নয়, বরং মানুষ সমাজের খারাপ বা অপরাধী মানুষের সংস্পর্শে এসে অপরাধমূলক আচরণ শেখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এমিল ভুর্খইম — তিনি সমাজবিজ্ঞানী এবং অপরাধ বিজ্ঞানে অ্যানোমি বা আইনহীনতা তত্ত্বের প্রবক্তা, ডিফারেনশিয়াল অ্যাসোসিয়েশন তত্ত্বের নন। B) এডউইন সাদারল্যান্ড — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি অপরাধ বিজ্ঞানে ব্যবধানমূলক মেলামেশা তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। C) লমব্রোসো — সিজার লমব্রোসো অপরাধ বিজ্ঞানে শারীরিক গঠন বা জন্মগত অপরাধী তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত। D) রবার্ট মার্টন — তিনি সমাজবিজ্ঞানী এবং অপরাধ বিজ্ঞানে স্ট্রেইন বা চাপ তত্ত্ব এবং অ্যানোমি ধারণার সংশোধনের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: সাদারল্যান্ড নামের শুরুতে স আছে এবং তিনি সঙ্গ বা সংস্পর্শ (অ্যাসোসিয়েশন) থেকে অপরাধ শেখার তত্ত্ব দিয়েছেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
30. জন্মগতভাবে অনানুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় সদস্যপদ লাভ করে—
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্প্রদায়ে কেন সঠিক: - সম্প্রদায় হলো এমন একটি মানবগোষ্ঠী যারা জন্মগতভাবে বা প্রাকৃতিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে একসাথে বসবাস করে এবং যাদের মধ্যে স্বাভাবিক ঐক্য থাকে। - জন্মসূত্রে মানুষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো সম্প্রদায়ের সদস্য হয়ে যায়, যার জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক আবেদন বা সদস্যপদের প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংঘে — সংঘ বা সমিতি হলো মানুষের তৈরি আনুষ্ঠানিক সংগঠন, যার সদস্য হতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করতে হয়। B) প্রতিষ্ঠানে — কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অফিসে যোগ দিতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতা পূরণ করতে হয়। C) অ্যাথলেটিক ক্লাবে — ক্লাব হলো একটি অনাবশ্যিক ও স্বেচ্ছাধীন সংগঠন, যেখানে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা ফি দিয়ে সদস্যপদ লাভ করতে হয়। D) সম্প্রদায়ে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ জন্মগতভাবে অনزم আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় মানুষ কেবল সম্প্রদায়ের সদস্য হয়। মনে রাখার টিপস: জন্মের সাথে সাথেই বিনা শর্তে মানুষ কেবল সম্প্রদায়ের সদস্য হয়, বাকি সব প্রতিষ্ঠানে বা ক্লাবে যোগ দিতে আনুষ্ঠানিকতা লাগে।
31. মিশরীয় সভ্যতায় ব্যবহৃত হতো −
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হায়ারোগ্লিফিক্স কেন সঠিক: - প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায় চিত্রভিত্তিক লিখন পদ্ধতি বা হায়ারোগ্লিফিক্স ব্যবহার করা হতো। - পাথরের গায়ে বা পিরামিডের দেয়ালে খোদাই করে লেখার জন্য এই পবিত্র লিপি ব্যবহৃত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিউনিফর্ম — এটি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া বা সুমেরীয় সভ্যতার楔াকার লিখন পদ্ধতি, মিশরীয় সভ্যতা নয়। B) হায়ারোগ্লিফিক্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ব্রাহ্মী — এটি প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের একটি লিপি, যা থেকে বাংলাসহ বহু লিপির জন্ম হয়েছে। D) আরবি লিপি — এটি সেমিটিক পরিবারভুক্ত লিপি, যা মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও ইসলামি বিশ্বে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মিশরীয় পিরামিডের ছবি মানেই হায়ারোগ্লিফিক্স লিপি।
32. দার্শনিক ম্যাকিয়াভেলি কত সালে 'দ্যা প্রিন্স' গ্রন্থটি রচনা করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫১৩ কেন সঠিক: - দার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ১৫১৩ সালে তার বিখ্যাত রাজনৈতিক গ্রন্থ 'দ্যা প্রিন্স' রচনা করেন। - এই বইটিতে শাসক কীভাবে ক্ষমতা অর্জন ও রক্ষা করতে পারে তার বাস্তবসম্মত কৌশল আলোচনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫০৯ — এই সালে গ্রন্থটি রচিত হয়নি, এটি ম্যাকিয়াভেলির জীবনের অন্য একটি সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) ১৫১০ — এই সালে 'দ্যা প্রিন্স' গ্রন্থটি রচিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৫১২ — এই সালে ম্যাকিয়াভেলি রাজনীতি থেকে বিতাড়িত হন এবং পরের বছর গ্রন্থটি রচনা করেন। D) ১৫১৩ — এই সালে গ্রন্থটি রচিত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ম্যাকিয়াভেলি ১৩ নম্বর বছরটিকে অশুভ মনে না করে ১৫১৩ সালে তার বিখ্যাত প্রিন্স বইটি লিখেছিলেন।
34. কোনটি কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি করে না-
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারিবারিক শৃঙ্খলা কেন সঠিক: - পারিবারিক শৃঙ্খলা শিশুর নৈতিক বিকাশ ঘটায় এবং সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়, যা অপরাধপ্রবণতা রোধ করে। - সুশৃঙ্খল পারিবারিক পরিবেশের অভাবে শিশুরা বিপথগামী হয়, তাই শৃঙ্খলা বৃদ্ধি করে না বরং অপরাধ কমায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশিক্ষা — অজ্ঞতা ও কুসংস্কারের কারণে শিশুরা সহজেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তাই এটি কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি করে। B) অশ্লীল চলচ্চিত্র — সমাজের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং অল্প বয়সীদের সহিংস আচরণে উৎসাহিত করে, যা কিশোর অপরাধ বাড়ায়। C) ভিক্ষাবৃত্তি — শিশুকে অপরাধের জগতে ঠেলে দেয় এবং বিভিন্ন অপরাধ চক্রের সাথে যুক্ত করে, যা কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি করে। D) পারিবারিক শৃঙ্খলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুশৃঙ্খল পরিবেশ কিশোরদের অপরাধ থেকে দূরে রাখে এবং নৈতিক শিক্ষা দেয়। মনে রাখার টিপস: পরিবারের শাসন ও শৃঙ্খলা ভালো গুণ শেখায়, যা কিশোর অপরাধ দূর করতে সাহায্য করে।
35. একই ব্যক্তিবর্গের উপর সময়ের ব্যবধানে দুই বা ততোধিক বার জরিপ চালানোর পদ্ধতিকে কি বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লঙ্গিটিউডিনাল স্ট্যাডি কেন সঠিক: - লঙ্গিটিউডিনাল স্ট্যাডি বা অনুদৈর্ঘ্য গবেষণায় একই ব্যক্তিবর্গ বা নমুনার উপর দীর্ঘ সময় ধরে একাধিকবার তথ্য সংগ্রহ ও জরিপ চালানো হয়। - এর মাধ্যমে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট বিষয়ে ঘটা পরিবর্তন বা বিকাশ স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লঙ্গিটিউডিনাল স্ট্যাডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দীর্ঘ সময় ধরে একই ব্যক্তির উপর বারবার জরিপ চালানোর পদ্ধতি। B) কোহর্ট বিশ্লেষণ — এটি একই সময়কালের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কোনো দল বা জনগোষ্ঠীর উপর পরিচালিত বিশেষ বিশ্লেষণ পদ্ধতি। C) নমুনা জরিপ — এটি সমগ্র জনসংখ্যার মধ্য থেকে নির্দিষ্ট কিছু নমুনা বেছে নিয়ে এককালীন তথ্য সংগ্রহের প্রচলিত পদ্ধতি। D) পরীক্ষণ পদ্ধতি — এটি মূলত নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চলকগুলোর মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করার বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: লঙ্গিটিউডিনাল শব্দের লম্বালম্বি বা দীর্ঘ সময় ধারণার সাথে সময়ের ব্যবধানে বারবার জরিপের সম্পর্কটি মনে রাখতে হবে।
36. কার্ল মার্ক্স অনুযায়ী সমাজকে প্রধানত শ্রেণীবদ্ধ করা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উৎপাদনের পদ্ধতি অনুযায়ী কেন সঠিক: - কার্ল মার্ক্সের ঐতিহাসিক বস্তুবাদ ও সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব অনুযায়ী সমাজের ভিত্তি হলো তার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বা উৎপাদনের পদ্ধতি। - সমাজের মানুষ কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করে এবং উৎপাদনের উপকরণের ওপর কার মালিকানা রয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করেই সামাজিক শ্রেণি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃতি ও ধর্ম অনুযায়ী — মার্ক্সবাদী তত্ত্বে সংস্কৃতি ও ধর্মকে সমাজের উপরিকাঠামো হিসেবে গণ্য করা হয়, মূল ভিত্তি হিসেবে নয়। B) রাজনৈতিক ব্যবস্থা অনুযায়ী — রাজনৈতিক ব্যবস্থা উৎপাদনের পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে, তাই এটি সমাজ শ্রেণীবদ্ধ করার প্রধান মাপকাঠি নয়। D) শিক্ষার স্তর অনুযায়ী — শিক্ষার স্তর মানুষের সামাজিক অবস্থান নির্ধারণে ভূমিকা রাখলেও তা মার্ক্সের মতে সমাজ শ্রেণীবদ্ধকরণের মূল ভিত্তি নয়। মনে রাখার টিপস: কার্ল মার্ক্সের সমাজতত্ত্বে অর্থনীতি বা উৎপাদনের পদ্ধতিই হলো সবকিছুর মূল চালিকাশক্তি।

মোট প্রশ্ন (1)

1. বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভূমিকম্প ১. কেন সঠিক: - ভূমিকম্প একটি ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ, যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের টেকটনিক প্লেটের সঞ্চালন বা শিলাচ্যুতির কারণে ঘটে থাকে। - এর সঙ্গে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরিবেশবিজ্ঞান ও ভূতত্ত্বের আলোকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মিথেনের মতো গ্যাসের মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া। - কারণ ও ফলাফল: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান ফলাফল হলো মেরু অঞ্চলের বরফ গলন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং আবহাওয়ার চরম পরিবর্তন বা জলবায়ু পরিবর্তন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়া ব্যাখ্যা: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর বরফ দ্রুত গলে যাচ্ছে, যা সমুদ্রের পানির মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। উদাহরণ ২: মরুকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের স্বল্পতার কারণে উর্বর জমি শুষ্ক ও অনুপযোগী হয়ে মরুভূমিতে পরিণত হয়, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সরাসরি একটি ফলাফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্যা — বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও বরফ গলনের কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা হয়, তাই এটি এর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। B) ভূমিকম্প — এটি পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তির কারণে সৃষ্টি হয় এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে এর কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক নেই। C) সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি — বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে তাপীয় প্রসারণ ও বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। D) মরুকরণ — বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে দীর্ঘস্থায়ী খরা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে উর্বর ভূমি মরুভূমিতে রূপ নেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবহাওয়া এবং জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত দুর্যোগগুলো বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। - ভূগর্ভস্থ বা টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প এর আওতাভুক্ত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গ্রিনহাউস গ্যাস যেমন কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রধান চালিকাশক্তি। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল এবং ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়।

মোট প্রশ্ন (14)

5. 'SPARRSO' কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
Created 3 weeks ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ১. কেন সঠিক: - এসপারসো অর্থাৎ স্পেস রিসার্চ অ্যান্ড রিমোট সেন্সিং অর্গানাইজেশন বাংলাদেশের একটি রাষ্ট্রীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি সরাসরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসন: এসপারসো দেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জাতীয় নিরাপত্তা, কৃষি, আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এই প্রতিষ্ঠানের গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা ব্যাখ্যা: এটিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যা দেশের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ব্যাখ্যা: এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন আরেকটি প্রতিষ্ঠান যা আবহাওয়া পূর্বাভাস ও দুর্যোগ সতর্কবার্তা প্রদানে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় — এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি এবং বহুপক্ষীয় কূটকৌশল পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত। B) পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় — এটি দেশের বনভূমি সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকে। C) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এসপারসো প্রশাসনিকভাবে এই মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। D) তথ্য মন্ত্রণালয় — এটি গণমাধ্যম, প্রেস কাউন্সিল, এবং তথ্য প্রচারের দায়িত্ব পালন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহাকাশ গবেষণা বা এসপারসো সংক্রান্ত প্রযুক্তি অনেক সময় জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত থাকে। - এই কারণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত হলেও এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়, বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এসপারসো প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর পূর্ণরূপ থেকেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
6. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি উপাচার্য কে ছিলেন?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্যার এ, এফ রহমান ১. কেন সঠিক: - স্যার এ, এফ রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালে এবং শুরুর দিকে ব্রিটিশ শিক্ষাবিদেরাই উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করতেন। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: স্যার এ, এফ রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছাড়াও শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার ব্যাখ্যা: তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য ছিলেন, যিনি একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ হলেও প্রথম বাঙালি উপাচার্য নন। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাখ্যা: তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন কিন্তু উপাচার্য হননি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি উপাচার্য নন, বরং তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক ছিলেন। B) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, তবে তিনি প্রথম বাঙালি উপাচার্য নন বরং চতুর্থ উপাচার্য ছিলেন। C) ড. মাহমুদ হাসান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তবে প্রথম বাঙালি উপাচার্য নন। D) স্যার এ, এফ রহমান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন পি জে হার্টগ আর প্রথম বাঙালি উপাচার্য ছিলেন স্যার এ, এফ রহমান। - রহমান সাহেবের নামের সাথে বাঙালি উপাচার্য পদবী মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল এবং প্রথম উপাচার্যের নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য এবং প্রথম বাঙালি উপাচার্যের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে।
7. 'স্বাধীনতা পদক-২০২৫'- এর প্রতিবাদী তারুণ্য ক্ষেত্রে পদক পেয়েছেন-
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শরীফ ওসমান হাদী ১. কেন সঠিক: - জুলাই ২০২৪ গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ ছাত্র-জনতার অদম্য সাহসিকতা এবং প্রতিবাদী ছাত্রসমাজকে সম্মান জানাতে এই ক্ষেত্রে পদক প্রদান করা হয়। - শরীফ ওসমান হাদী এই অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে তারুণ্যের সাহসিকতা ও প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ও জাতীয় পুরস্কার: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখাদের এই পদক দেওয়া হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পদক প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণ সমাজের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ভূমিকা ও আত্মত্যাগকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদ মুগ্ধ ব্যাখ্যা: মুগ্ধর পানি বিতরণের মানবিকতা ও আত্মত্যাগ জুলাই অভ্যুত্থানে তরুণদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। উদাহরণ ২: আবু সাঈদ ব্যাখ্যা: আবু সাঈদের বুক পেতে দাঁড়ানোর দৃশ্য সাহসিকতার এমন এক অনন্য নজির যা তরুণ প্রজন্মকে সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শেখাবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসনাত আবদুল্লাহ — ইনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক হলেও প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়নি। B) আবরার ফাহাদ — ইনি বুয়েটের শহীদ ছাত্র এবং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হলেও এই নির্দিষ্ট বছরের পদকের জন্য নির্ধারিত নন। C) শরীফ ওসমান হাদী — সঠিক উত্তর এবং প্রতিবাদী তারুণ্য ক্ষেত্রে এই পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি। D) আল মাহমুদ — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা আধুনিক কবি এবং বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি আগেই একুশে পদক লাভ করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিবাদী তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে শরীফ ওসমান হাদীর নাম মনে রাখতে হবে। - স্বাধীনতা পদক প্রদানের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও অভ্যুত্থানের বিষয়টি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ২০২৪ সালের অভ্যুত্থান ও তৎপরবর্তী রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা সাম্প্রতিক জাতীয় পুরস্কার ও অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
8. কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তরা ব্যাংক ১. কেন সঠিক: - উত্তরা ব্যাংক একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা রাষ্ট্রায়ত্ত বা সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক নয়। - বাংলাদেশের ব্যাংক খাত প্রধানত রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এই তিন শ্রেণীতে বিভক্ত। ২. ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক কাঠামো: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬ এর মাধ্যমে তৎকালীন ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলা হয়। - প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতাধীন পরিচালিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনালী ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা সম্পূর্ণ সরকারের মালিকানায় পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: ব্র্যাক ব্যাংক ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক যা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নয়, ঠিক উত্তরা ব্যাংকের মতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনালী ব্যাংক — এটি একটি শতভাগ রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। B) জনতা ব্যাংক — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যা সরকারের মালিকানাধীন। C) অগ্রণী ব্যাংক — এটি সরকারের পূর্ণ মালিকানাধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। D) উত্তরা ব্যাংক — এটি একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, তাই এটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাষ্ট্রায়ত্ত প্রধান ব্যাংকগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো সোনালী, জনতা, অগ্রণী এবং রূপালী ব্যাংক। - উত্তরা, পূবালী বা ব্র্যাক নামগুলো শুনলেই বুঝতে হবে এগুলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্যাংক খাত থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক জব পরীক্ষায় প্রায়ই রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকের তালিকা থেকে প্রশ্ন আসে। - বিশেষায়িত ব্যাংক যেমন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকও রাষ্ট্রায়ত্ত খარის অন্তর্ভুক্ত।
11. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ : ৬ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক অনুপাত হলো ১০ অনুপাত ৬, যা লঘিষ্ঠ করলে ৫ অনুপাত ৩ হয়। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিধিমালা ১৯৭২ অনুযায়ী এই নির্দিষ্ট মাপে পতাকা তৈরি করা বাধ্যতামূলক। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকার এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে পতাকার নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। - সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের নেতৃত্বে পতাকাটির বর্তমান রূপ চূড়ান্ত করা হয় এবং পটুয়া কামরুল হাসান এর মূল নকশাকার। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জাতীয় পতাকা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতীক, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: গাঢ় সবুজ মাঠের ওপর লাল বৃত্তের পতাকায় সবুজের মাপ ১০ অনুপাত ৬ এবং লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতা আসম আবদুর রব প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। ব্যাখ্যা: এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিকে ধাবিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ বা সরকারি ভবনে ব্যবহৃত পতাকা নির্দিষ্ট অনুপাতে তৈরি করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি রাষ্ট্রীয় প্রতীকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সুনির্দিষ্ট আইনগত বিধিমালা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ : ৬ — এই অনুপাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নির্ধারিত নয় কারণ এটি দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক মাপকে নির্দেশ করে না। B) ১১ : ৭ — এই অনুপাতটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপে ব্যবহৃত হয় না, এটি ভুল পরিমাপ। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ৮ : ৬ — এই অনুপাতে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক মান বজায় থাকে না যা ১৯৭২ সালের পতাকা বিধিমালার পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতীয় পতাকার মাপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১০ ও ৬ সংখ্যা দুটি মনে রাখা, যা কাটাকাটি করলে ৫ ও ৩ হয়। - দৈর্ঘ্য সবসময় বড় অর্থাৎ ১০ এবং প্রস্থ ছোট অর্থাৎ ৬ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতীয় পতাকার মাপ বা এর নকশাকার সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - পতাকায় ব্যবহৃত লাল বৃত্তটি পতাকার ঠিক মাঝখানে না থেকে একটু বাম দিকে সরে থাকে।
14. চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত জারি করা হয় কত সালে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৩ ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করেন। এর মাধ্যমে জমিদারদের ভূমির স্থায়ী মালিকানা দেওয়া হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরকালের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভ করার পর ভূমি রাজস্ব আদায়ে নানা ধরনের ত্রুটি ও অব্যবস্থাপনা দেখা দেয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য লর্ড কর্নওয়ালিস পরীক্ষামূলক ব্যবস্থার পর ১৭৯৩ সালে দশসলা বন্দোবস্তকে চিরস্থায়ী রূপ দেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: লর্ড কর্নওয়ালিস এই প্রথার প্রবক্তা এবং জন শোর এর মূল নকশাপ্রণেতা ছিলেন। এই ব্যবস্থার ফলে বাংলায় নতুন এক জমিদার শ্রেণির উদ্ভব ঘটে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ব্যবস্থার ফলে কৃষকরা তাদের জমির ওপর চিরতরে অধিকার হারায় এবং জমিদারদের দয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। অন্যদিকে কোম্পানির রাজস্ব আয় নিশ্চিত হলেও বাংলার কৃষিসমাজে চরম অসন্তোষ ও শোষণ বৃদ্ধি পায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যাস্ত আইন ব্যাখ্যা: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল সূর্যাস্ত আইন, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট দিনের সূর্য ডোবার মধ্যে রাজস্ব জমা না দিলে জমিদারি নিলামে তোলা হতো। উদাহরণ ২: কৃষক বিদ্রোহ ব্যাখ্যা: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে কৃষকদের ওপর নির্যাতন বৃদ্ধি পায়, যার ফলে পরবর্তী সময়ে নীল বিদ্রোহ ও কৃষক আন্দোলন দানা বেঁধে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭২২ — এই সালে বাংলায় মুর্শিদ কুলি খান রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন এবং নতুন রাজস্ব বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। B) ১৭৬৫ — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও ওড়িশার দেওয়ানি লাভ করে ঔقনিবেশিক শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে। C) ১৭৯৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন করেন। D) ১৮২২ — এই সালে বাংলায় প্রজাস্বত্ব সুরক্ষার জন্য পঞ্চদশ আইন প্রণয়ন করা হয় যা চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ত্রুটি সংশোধনের চেষ্টা ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৭৯৩ সালটি মনে রাখার জন্য কর্নওয়ালিসের নাম এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রথম অক্ষর বা শব্দ যুগল একসাথে মনে রাখতে পারেন। ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভ এবং তার ২৮ বছর পর ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রবক্তা এবং প্রবর্তনের সাল জানতে চাওয়া হয়। এই টপিক থেকে জমিদার শ্রেণি ও সূর্যাস্ত আইন সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (7)

1. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৫ সালে ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এর ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ব্রটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ (IMF - International Monetary Fund) একটি বৈশ্বিক আর্থিক সংস্থা। প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম: চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৪৪ সালে, তবে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর এবং ১৯৪৬ সালের মার্চ থেকে আর্থিক লেনদেন শুরু হয়। সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক মুদ্রানীতির সহযোগিতা নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো এবং অর্থনৈতিক সংকটে সদস্য দেশগুলোকে ঋণ সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্বব্যাংক বা আইবিআরডি (IBRD) ব্যাখ্যা: আইএমএফের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকও ১৯৪৪ সালের ব্রটন উডস সম্মেলনের ফলাফলের ভিত্তিতে গঠিত হয় এবং ১৯৪৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। উদাহরণ ২: ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠানসমূহ ব্যাখ্যা: আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংককে একত্রে ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান বলা হয়, যা যুদ্ধবিধ্বস্ত বিশ্ব অর্থনীতি পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৪ সালে — এই সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ব্রটন উডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। B) ১৯৪৫ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এর কার্যক্রম শুরু হয়। C) ১৯৪৮ সালে — এই সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা আইএমএফ গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৪৯ সালে — এই সালে ন্যাটো (NATO) সামরিক জোট প্রতিষ্ঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৯৪৪ সালে পরিকল্পনা আর ১৯৪৫ সালে বাস্তবায়ন—এই সূত্র মনে রাখলে ব্রটন উডস প্রতিষ্ঠানের জন্মসাল নিয়ে বিভ্রান্তি দূর হবে। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের জন্ম সাল একই, অর্থাৎ ১৯৪৫ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে আইএমএফের সদর দপ্তর কোথায় এবং এটি কোন সম্মেলনে গঠিত হয়। এই টপিক থেকে ব্রটন উডস সম্মেলন এবং সদস্য দেশগুলোর কোটা ব্যবস্থা সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
2. গাজা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ)-তে ইসরাইলের বিরুদ্ধে মামলা করে কোন দেশ?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ আফ্রিকা ১. কেন সঠিক: - দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২৩ সালের ২৯শে ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে। - এই মামলাটি জেনোসাইড কনভেনশন বা গণহত্যা প্রতিরোধ ও শাস্তি বিধান কনভেনশনের আওতায় করা হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: দক্ষিণ আফ্রিকা ব্রিকস জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং বর্ণবাদবিরোধী সংগ্রামের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার কারণে ফিলিস্তিন ইস্যুতে সোচ্চার। - সদর দপ্তর: আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: ২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর হামাস ও ইসরাইল সংঘাত শুরু হওয়ার পর গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকট তৈরি হয়। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ ঘটিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার সুরক্ষা এবং সামরিক অভিযান বন্ধে চাপ সৃষ্টি করা এই মামলার মূল লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলা ব্যাখ্যা: রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যার অভিযোগে ২০১৯ সালে গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। উদাহরণ ২: সার্বিয়ার বিরুদ্ধে বসনিয়ার মামলা ব্যাখ্যা: বসনিয়া সংকটের সময় গণহত্যা প্রতিরোধ কনভেনশন ভঙ্গের অভিযোগে বসনিয়া আন্তর্জাতিক আদালতে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাম্বিয়া — গাম্বিয়া নিজে এই মামলা করেনি, তবে তারা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা হত্যা মামলা করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেছে। B) ইরান — ইরান ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থন করলেও আইসিজেতে এই মামলাটি তারা করেনি। D) আলজেরিয়া — আলজেরিয়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখলেও এই নির্দিষ্ট মামলাটি দক্ষিণ আফ্রিকা দায়ের করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা দক্ষিণ আফ্রিকা গাজা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতে প্রথম আইনি পদক্ষেপ নেয়। - আদালতের নাম আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে এবং এর অবস্থান নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের জেনোসাইড কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী হওয়া বাধ্যতামূলক। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক আদালতের কাজ এবং সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক মামলাগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
3. ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডেভিড বেন গুরিয়ন ১. কেন সঠিক: - ডেভিড বেন গুরিয়ন ছিলেন ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। - ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর তিনি দেশটির প্রথম সরকারপ্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রাষ্ট্রপ্রধান: - দেশ: ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের একটি ইহুদি রাষ্ট্র যার রাজধানী জেরুজালেম এবং সরকারি ভাষা হিব্রু। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ব্রিটিশ ফিলিস্তিন ম্যান্ডেট সমাপ্ত হওয়ার পর ইসরায়েল স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হলোকাস্ট বা ইহুদি নিধনের পর বিশ্বজুড়ে একটি স্বাধীন ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের দাবি জোরালো হয়। - গুরুত্ব: বেন গুরিয়নের নেতৃত্বেই ইসরায়েল প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ মোকাবিলা করে রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকে এবং নিজেদের অবস্থান শক্ত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। ব্যাখ্যা: যেকোনো দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বা সরকারপ্রধান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা সাধারণত জাতির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত হন। উদাহরণ ২: পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান। ব্যাখ্যা: ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীন হওয়া নতুন রাষ্ট্রগুলোর প্রথম সরকারপ্রধানের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লি কুয়ান ইউ — তিনি সিঙ্গাপুরের প্রথম ও দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং সিঙ্গাপুরকে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তর করেন। B) ডেভিড বেন গুরিয়ন — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) ভ্যানিয়েল টিমস — এই নামে কোনো বিখ্যাত রাষ্ট্রপ্রধান বা বিশ্বনেতা নেই যিনি ইসরায়েলের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) লি শিয়েন লুং — তিনি সিঙ্গাপুরের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং লি কুয়ান ইউর পুত্র, যিনি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইসরায়েল নামের শুরু ই দিয়ে এবং এর প্রথম প্রধানমন্ত্রী বেন গুরিয়নের নামের প্রথম অক্ষর ব দিয়ে, যা বেন-গুরিয়ন বা বিগ লিডার মনে রাখতে সাহায্য করবে। - সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইউর সঙ্গে ইসরায়েলের বেন গুরিয়নকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ডেভিড বেন গুরিয়ন এবং প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন গোল্ডা মেয়ার। - একই বিষয় থেকে ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বা পার্লামেন্টের নাম তথা নেসেট সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
5. বিশ্ব পরিবেশ দিবস?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ জুন ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব পরিবেশ দিবস হলো জাতিসংঘের উদ্যোগে পালিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবেশ বিষয়ক উৎসব। - পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ১৯৭২ সালের স্টকহোম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দিনটি নির্ধারিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) - প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন ১৯৭২ সাল - সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া - প্রেক্ষাপট: স্টকহোম মানব পরিবেশ সম্মেলন ১৯৭২ - উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষার জনসচেতনতা সৃষ্টি করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টকহোম সম্মেলন ১৯৭২ ব্যাখ্যা: এই সম্মেলন থেকেই বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং পরিবেশ কূটনীতির সূচনা ঘটে। উদাহরণ ২: ধরিত্রী সম্মেলন ১৯৯২ ব্যাখ্যা: রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি হয় যা পরিবেশ দিবস পালনের বার্তাকে আরও জোরালো করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি আন্তর্জাতিক শিশু দিবস হিসেবে পরিচিত। B) ৫ জুন — সঠিক উত্তর। C) ৭ জুন — এটি কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবসের তারিখ নয়। D) ১ জুলাই — এই তারিখটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি বাংলাদেশ বা অন্য কোনো দেশের ভিন্ন জাতীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - পাঁচ সংখ্যাটি মনে রাখলে জুন মাসের ৫ তারিখ সহজে মনে রাখা যায় কারণ পরিবেশ রক্ষায় মানুষের পাঁচটি মৌলিক করণীয় রয়েছে। - পরিবেশ এবং জুনের ৫ সংখ্যাটি মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে প্রায়ই জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির সদর দপ্তর বা প্রতিষ্ঠার সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
6. ইউরোপীয় অঞ্চলের 'শেনজেন (Schengen)' চুক্তিটি কী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি ১. কেন সঠিক: - শেনজেন চুক্তি মূলত ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বিলুপ্ত করে নাগরিকদের অবাধে চলাচলের সুযোগ সৃষ্টির একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। - এই চুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকেরা পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া এক দেশ থেকে অন্য দেশে সহজে যাতায়াত করতে পারেন। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও ভূরাজনীতি: - চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement) - তারিখ ও স্থান: ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবুর্গের শেনজেন নামক ছোট্ট গ্রামে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ভৌগোলিক দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং বাণিজ্যিক ও সামাজিক সম্পর্ক জোরদার করার উদ্দেশ্যে অভ্যন্তরীণ সীমান্ত পরীক্ষা তুলে নেওয়া। - আন্তর্জাতিক প্রভাব বা গুরুত্ব: এটি ইউরোপীয়Integration বা ঐক্যের অন্যতম সফল মাইলফলক, যা বিশ্বজুড়ে আঞ্চলিক সহযোগিতার চমৎকার উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: শেনজেন এলাকার অধিকাংশ দেশই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য, যা ইউরোপজুড়ে একক বাজার ও মুক্ত চলাচলের নীতিকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। উদাহরণ ২: সার্ক ভিসা অব্যাহতি তালিকা ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বিশেষ মর্যাদায় সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেন, যা শেনজেন ব্যবস্থার মতো আঞ্চলিক সহযোগিতার অপর রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্য চুক্তি — এটি কোনো বাণিজ্যিক শুল্ক বা পণ্য বিনিময় সংক্রান্ত চুক্তি নয়, বরং এটি মূলত মানুষের মুক্ত চলাচলের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) কর হ্রাস চুক্তি — এটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে দ্বৈত কর পরিহার বা কর কমানোর কোনো আর্থিক চুক্তি বা নীতিমালা নয়। C) অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি — সঠিক উত্তর, কারণ এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকেরা পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্ত পার হতে পারেন। D) বন্দি বিনিময় চুক্তি — এটি অপরাধী বা সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো আইনি চুক্তি বা প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত ব্যবস্থা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেনজেন শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে পাসপোর্ট মুক্ত অবাধ ভ্রমণ বা বর্ডার ফ্রি ইউরোপের কথা। - লুক্সেমবুর্গের শেনজেন গ্রামেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল বলে এর নাম শেনজেন চুক্তি রাখা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শেনজেন চুক্তি কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত তা জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে শেনজেন চুক্তির স্বাক্ষর সাল, স্থান বা বর্তমান সদস্যসংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (3)

1. জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম শহর কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টোকিও কেন সঠিক: ১. জাতিসংঘের বিভিন্ন জনমিতি সমীক্ষা অনুযায়ী টোকিও মহানগরী বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল শহরাঞ্চল হিসেবে স্বীকৃত। ২. এর বিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রায় তিন কোটি সত্তর লক্ষ মানুষ বসবাস করে যা একে অনন্য করেছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি জাপানের প্রধান দ্বীপ হোনশুর কেন্দ্রীয় পূর্বে কান্টো সমভূমিতে এবং টোকিও উপসাগরের তীরে অবস্থিত। ২. এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র এবং অতি ঘনবসতিপূর্ণ একটি মেগাসিটি হিসেবে পরিচিত। ৩. এর মোট মহানগর এলাকার আয়তন প্রায় তেরো হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোকিও — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম শহর। B) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং অত্যন্ত জনবহুল হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে টোকিওর পরেই এর অবস্থান। C) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর হলেও মোট জনসংখ্যার বিচারে টোকিও থেকে পিছিয়ে আছে। D) নিউইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক শহর হলেও জনসংখ্যার পরিসংখ্যানে টোকিওর চেয়ে অনেক পেছনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখার সহজ কৌশল হলো জাপানের রাজধানী টোকিও মানেই জনসংখ্যার দিক থেকে সবার শীর্ষে থাকা মেগাসিটি।
2. 'মনপুরা' দ্বীপ কোন জেলার অন্তর্গত?
Created 3 weeks ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভোলা কেন সঠিক: - মনপুরা দ্বীপটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বীপ জেলা ভোলার প্রশাসনিক সীডার মধ্যে অবস্থিত। - মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপটি ভোলা জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান/আয়তন: এটি ভোলা জেলার দক্ষিণ-পূর্ব কোণ এবং মেঘনা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ। - বিশেষত্ব: চারপাশে নদী ও সাগরের রূপালী ঢেউয়ে ঘেরা এই দ্বীপটি তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নীরবতার জন্য বিখ্যাত। - তথ্য/উদাহরণ: বাংলাদেশের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র মনপুরা এই দ্বীপের পটভূমিতেই নির্মিত হয়েছিল, যা একে দেশব্যাপী পরিচিতি দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশাল — এটি একটি বিভাগ ও জেলা হলেও মনপুরা দ্বীপ এর প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত নয়। B) ভোলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, এটি মূল জেলার নাম। C) পটুয়াখালী — এটি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ও পায়রা বন্দর সংলগ্ন অন্য একটি উপকূলীয় জেলা। D) ঝালকাঠি — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের একটি ছোট নদীভিত্তিক জেলা যার সাথে মনপুরা দ্বীপের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: - ভোলা হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ জেলা এবং বিখ্যাত মনপুরা দ্বীপটি এই ভোলারই অংশ। - ভোলার সাথে মনপুরা নাম মিলিয়ে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
3. জাপানের টোকিও বিখ্যাত-
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনসংখ্যার দিক থেকে বৃহত্তম মেগাসিটি বলে কেন সঠিক: টোকিও বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মহানগর অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এখানে কোটি কোটি মানুষের বসবাস এবং এটি অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। ভৌগোলিক তথ্য: টোকিও জাপানের রাজধানী এবং এটি হনশু দ্বীপে অবস্থিত। এটি বিশ্বের একটি অন্যতম প্রধান মেগাসিটি এবং অর্থনৈতিক পরাশক্তি। টোকিও মহানগর অঞ্চলে প্রায় তিন কোটি সত্তর লক্ষ মানুষ বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) কেবল শিল্পনগরী বলে — টোকিও শুধু শিল্পনগরী নয়, এটি একটি বহুমুখী বিশ্ব রাজধানী। C) ছোট ও পরিচ্ছন্ন নগরী বলে — টোকিও ছোট কোনো নগরী নয়, এটি অত্যন্ত বিশাল এক মেগাসিটি। D) সাংস্কৃতিকভাবে উন্নত বলে — সংস্কৃতি উন্নত হলেও এটি সঠিক উত্তরের মূল ভৌগোলিক কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: টোকিও মানেই বিশাল জনবহুল মেগাসিটি মনে রাখবে।