a বালুচর
b ছায়ানট
c চক্রবাক
d চিত্রনামা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বালুচর ১. কেন সঠিক: - বালুচর গ্রন্থটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, এটি বিশিষ্ট কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থের নামের তালিকায় বালুচর নামটি না থাকায় এটি তাঁর রচনা হিসেবে সঠিক নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বুদ্ধদেব বসু বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক এবং ত্রিশের দশকের কবি। - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি সাম্য, দ্রোহ, প্রেম ও মানবতার গান গেয়েছেন এবং বাংলা কাব্যে নতুন সুর এনেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থ বন্দির বন্দনা। ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসুর একটি অন্যতম পরিচিত এবং আধুনিক চেতনার কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় বিদ্রোহী কবিতা সংকলন যা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগ এনেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বালুচর — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, বরং কবি বুদ্ধদেব বসুর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। C) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিশিষ্ট গীতি কাব্য ও সংকলন। D) চিত্রনামা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ ও সাহিত্যকর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম যেমন অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, চক্রবাক ও ছায়ানট একসঙ্গে বারবার পড়া। অন্যদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন বুদ্ধদেব বসুর বালুচর আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের কাব্যগ্রন্থের নাম উল্টে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। কোন গ্রন্থটি কার লেখা তা নিশ্চিত হতে হলে কবিদের প্রধান প্রধান কাব্যগ্রন্থের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0