বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB)

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে নিরাপত্তা কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

1. বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা-
Created 3 weeks ago | Updated 3 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালা বা লিপিতে মৌলিক বা মূল বর্ণের মোট সংখ্যা ৫০ টি। - এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি যুক্ত হয়ে মোট ৫০ টি মূল বর্ণ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক ধ্বনিগুলোকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে বর্ণ বলে। - বাংলা বর্ণমালায় স্বরধ্বনি ১১ টি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ৩৯ টি নির্দিষ্ট প্রতীক দ্বারা লিখিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার ১১ টি মৌলিক স্বরবর্ণ যা স্বরধ্বনি প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ক, খ, গ, ঘ, ঙ ব্যাখ্যা: এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত এবং ক-বর্গীয় ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৯ টি — এটি বাংলা বর্ণমালার শুধু ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, সম্পূর্ণ মূল বর্ণের সংখ্যা নয়। B) ৪৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার মূল বর্ণের সঠিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না। D) ৫১ টি — বাংলা লিপিতে মৌলিক বর্ণ ৫০ টি, ৫১ টি কোনো প্রমিত সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যা মনে রাখতে স্বরবর্ণ ১১ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ যোগ করলে ফল ৫০ পাওয়া যায়। - ১১ + ৩৯ = ৫০ এই সহজ হিসাবটি সবসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ ও মোট বর্ণের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে। - মনে রাখবে, বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০ টি, স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।
2. ভাষার প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করে-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাকরণ ১. কেন সঠিক: ব্যাকরণ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, গঠনরীতি ও প্রকৃতির বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ। কোনো ভাষার উৎপত্তি, বিকাশ, শব্দগঠন এবং বাক্যের নিয়মকানুন ব্যাকরণেই আলোচিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশদভাবে বিশ্লেষণ। এটি ভাষার চার প্রধান দিক যথা ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ নিয়ে আলোচনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ব্যাকরণ পাঠ করলে ভাষা শুদ্ধভাবে বলা, পড়া ও লেখা যায়। ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ ভাষার নিয়ম শিখিয়ে ভাষার প্রকৃতি সুন্দর করে তোলে। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রকৃতি ও ব্যাকরণিক রূপ বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের একটি শাখা যা শুধু ধ্বনি ও বর্ণ নিয়ে আলোচনা করে, পুরো ভাষার প্রকৃতি নিয়ে নয়। B) রূপতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের শাখা যা শব্দ ও তার গঠন নিয়ে আলোচনা করে, সমগ্র ভাষার প্রকৃতি এর পরিধিভুক্ত নয়। C) ব্যাকরণ — এটি সঠিক কারণ এটি ভাষার সার্বিক প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করে। D) বাক্যতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের শাখা যা বাক্যের গঠন ও প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করে, ভাষার সামগ্রিক প্রকৃতি এর একাংশ মাত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা মানেই ব্যাকরণ, কারণ ব্যাকরণ ভাষার প্রকৃতি ও নিয়ম নিয়ে কথা বলে। সব শাখার মূল হলো ব্যাকরণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিটি ভাষার নিজস্ব ব্যাকরণ আছে যা তার প্রকৃতি নির্ধারণ করে। ভাষার মৌলিক উপাদান ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য ব্যাকরণের মাধ্যমেই শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়।
3. বাংলা লোক সাহিত্যে প্রাচীনতম সৃষ্টি কি কি?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবচন ও ছড়া ১. কেন সঠিক: - বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টি হলো প্রবচন ও ছড়া কারণ এগুলো মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল এবং লিখিত রূপলাভের বহু আগে থেকেই মৌখিক ঐতিহ্যের মাধ্যমে টিকে ছিল। - এর মধ্যে গ্রামীণ জীবনের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও সংস্কৃতির প্রাথমিক রূপ ফুটে ওঠে যা বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শনগুলোরও আগের মৌখিক সৃষ্টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা লোকসাহিত্য বলতে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত গান, ছড়া, প্রবচন, রূপকথা, ধাঁধা ইত্যাদিকে বোঝায় যার কোনো নির্দিষ্ট একক রচয়িতা নেই। - প্রবচন হলো সংক্ষিপ্ত বাক্যে জীবনের গভীর সত্যের প্রকাশ এবং ছড়া হলো লয় ও ছান্দসিক বৈশিষ্ট্যে পূর্ণ মৌখিক কবিতার প্রাথমিক রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ছালা দুটোই গেল। ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত প্রবচন যা অতিরিক্ত লোভের পরিণতি বোঝাতে লোকসমাজে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলতে যাই। ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহ্যবাহী শিশুতোষ ছড়া যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গান ও গীতিকা — বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীন অংশ হলেও প্রবচন ও ছড়ার মতো এত প্রাচীন ও মৌখিক ধারার প্রাথমিক সৃষ্টি নয়। B) মঙ্গল কাব্য — মঙ্গল কাব্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি নির্দিষ্ট ধারা, যা লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টি নয়। C) পুঁথি সাহিত্য ও গাথা — পুঁথি সাহিত্য মূলত মধ্যযুগ ও পরবর্তী সময়ের সৃষ্টি এবং গাথা লোকসাহিত্যের অংশ হলেও প্রাচীনতম নয়। D) প্রবচন ও ছড়া — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ভুল নেই কারণ এটি লোকসাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন ধারা। ৫. মনে রাখার টিপস: - লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম ধারা মনে রাখতে ছড়া ও প্রবচনের কথা মাথায় রাখবে কারণ এগুলো মানুষের মুখে মুখে সবার আগে সৃষ্টি হয়েছিল। - মুখে মুখে প্রচলিত প্রাচীন সৃষ্টি মানেই প্রবচন ও ছড়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্যের আদি নিদর্শন সম্পর্কিত প্রশ্নে ছড়া ও প্রবচনকে প্রাচীনতম হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। - চর্যাপদ লিখিত সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলেও লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টি প্রবচন ও ছড়া।
4. 'সোনালী কাবিন' এর রচয়িতা কে?
Created 3 weeks ago | Updated 15 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আল মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - সোনালী কাবিন আধুনিক বাংলা কবিতার ধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী কাব্যগ্রন্থ যার রচিয়তা হলেন বিখ্যাত কবি আল মাহমুদ। - এই কাব্যগ্রন্থে বাঙালি সংস্কৃতি, মাটি ও মানুষের জীবন সংগ্রামের অপূর্ব শিল্পরূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি যিনি বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত হয়ে আধুনিক কবিতায় নিজস্ব এক ধারার সৃষ্টি করেন। - সোনালী কাবিন মূলত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার একটি গুচ্ছ যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ জনপদ ও প্রেমের রূপ ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকালয় ব্যাখ্যা: এটি কবি আল মাহমুদের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: বখতিয়ারের ঘোড়া ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের রচিত একটি জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যচেতনা সমৃদ্ধ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থটি তারই অমর সৃষ্টি। B) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সম্পাদক হলেও সোনালী কাবিনের রচিয়তা নন, তিনি বিখ্যাত একুশে স্মারক গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারি এর সম্পাদক। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি যিনি অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশির মতো বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন কিন্তু সোনালী কাবিন তার রচনা নয়। D) ফররুখ আহমেদ — তিনি একজন বিশিষ্ট ইসলামী ভাবধারার কবি যিনি সাতসাঁতার ও হাতেম তাই কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোনালী কাবিন মানেই আল মাহমুদ এটি মনে রাখতে কাবিনের মোহর সোনালী এবং আল মাহমুদ এর হাত দিয়ে তা রচিত হয়েছে এভাবে মনে রাখতে পারো। - আধুনিক বাংলা সনেটের বিখ্যাত বই হিসেবেও এটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবি ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। - আল মাহমুদের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এবং তার সোনালী কাবিন বইটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও কাব্যচর্চায় এক অনন্য মাইলফলক।
7. কাজী নজরুল ইসলামের গান ও স্বরলিপির বই কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুলবুল ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান ও স্বরলিপির সংকলন হলো বুলবুল। এই গ্রন্থে কবির বেশ কিছু বিখ্যাত গান এবং তার প্রাতিষ্ঠানিক স্বরলিপি গ্রন্থিত রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি একাধারে বিশিষ্ট সুরকার ও গীতিকার ছিলেন। তাঁর রচিত ও সুরকৃত গানগুলোকে নজরুলসংগীত বলা হয়, যা বাংলা সংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছায়ানট ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো স্বরলিপির বই নয়। উদাহরণ ২: বুলবুল ব্যাখ্যা: এটি কবির গান ও স্বরলিপির একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যা সঙ্গীতশিল্পীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলাকা — এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের গ্রন্থ নয়, বরং এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) গীতবিতান — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমস্ত গান নিয়ে সংকলিত একটি বিশাল গানের সংকলন। D) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং বর্তমানে একটি স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের গান ও স্বরলিপির বই বুলবুল মনে রাখতে পাখির নাম বুলবুল এর সাথে নজরুলের সুরের সংযোগ মনে রাখতে পারো। কাব্যগ্রন্থ বলাকা ও ছায়ানট হলেও বুলবুল হলো তাঁর গান ও স্বরলিপির বই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ এবং গান বা স্বরলিপির বইয়ের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। লেখক বা কবির নামের পাশাপাশি তাঁদের নির্দিষ্ট সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন কাব্যগ্রন্থ, গান, বা প্রবন্ধ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
8. কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বালুচর ১. কেন সঠিক: - বালুচর গ্রন্থটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, এটি বিশিষ্ট কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থের নামের তালিকায় বালুচর নামটি না থাকায় এটি তাঁর রচনা হিসেবে সঠিক নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বুদ্ধদেব বসু বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক এবং ত্রিশের দশকের কবি। - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি সাম্য, দ্রোহ, প্রেম ও মানবতার গান গেয়েছেন এবং বাংলা কাব্যে নতুন সুর এনেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থ বন্দির বন্দনা। ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসুর একটি অন্যতম পরিচিত এবং আধুনিক চেতনার কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় বিদ্রোহী কবিতা সংকলন যা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগ এনেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বালুচর — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, বরং কবি বুদ্ধদেব বসুর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। C) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিশিষ্ট গীতি কাব্য ও সংকলন। D) চিত্রনামা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ ও সাহিত্যকর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম যেমন অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, চক্রবাক ও ছায়ানট একসঙ্গে বারবার পড়া। অন্যদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন বুদ্ধদেব বসুর বালুচর আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের কাব্যগ্রন্থের নাম উল্টে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। কোন গ্রন্থটি কার লেখা তা নিশ্চিত হতে হলে কবিদের প্রধান প্রধান কাব্যগ্রন্থের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
10. 'সাঁঝের মেয়া' কবিতাটির রচয়িতা কে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুফিয়া কামাল ১. কেন সঠিক: - 'সাঁঝের মায়া' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা কবি সুফিয়া কামাল। - ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্য এবং এর মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুফিয়া কামাল বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও প্রগতিশীল নারী আন্দোলনের অগ্রদূত। - তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, মানবপ্রেম, স্বাধিকার আন্দোলন এবং বাঙালি সংস্কৃতির গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম তার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। উদাহরণ ২: মায়ার খেলা বা উদাত্ত পৃথিবী। ব্যাখ্যা: এগুলোও সুফিয়া কামালের অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা তার কবিত্বশক্তির পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, কোনো বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। B) সুফিয়া কামাল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। C) নূরজাহান বেগম — তিনি বিশিষ্ট নারী সাংবাদিক ও বেগম পত্রিকার দীর্ঘকালীন সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। D) রিজিয়া রহমান — তিনি একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও গল্পকার, কবি হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের নামের সাথে 'সাঁঝের মায়া' মনে রাখতে পারেন এভাবে যে, সন্ধ্যার মায়ার মতো তার প্রথম কাব্যটি সাহিত্যজগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিকদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা উপন্যাসগুলো ভালোভাবে পড়লে এ ধরনের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
12. কোনটি শুদ্ধ-
Created 3 weeks ago | Updated 39 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌজন্য ১. কেন সঠিক: সৌজন্য শব্দটি সঠিক কারণ এটি সুজন শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সুজন শব্দের অর্থ ভালো মানুষ এবং এর ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো সৌজন্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুজন শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত করার সময় শব্দের আদি স্বর পরিবর্তিত হয়। এখানে সু শব্দের উ স্থানে ও এবং জ যুক্ত হয়ে সৌজন্য গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর থেকে সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সুন্দর শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌন্দর্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধীর থেকে ধৈর্য ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ধৈর্য গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌজন্যতা - সুজন শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে য প্রত্যয় এবং তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে যা দ্বিত্ব বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট। বাংলা ব্যাকরণে সৌজন্যতা একটি অসিদ্ধ ও ভুল শব্দ। B) সৌজন্য - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) সৌজন্যতা - বিকল্পটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে এবং তা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) সৌজন্যতা - বিকল্পটি একই রকম বানান ত্রুটিযুক্ত এবং তা প্রমিত বাংলা ভাষায় গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সৌজন্য এবং সৌন্দর্য এই শব্দগুলোতে শেষে জ ফলা আছে কিন্তু কোনো তা বা তা প্রত্যয় নেই। শব্দের শেষে এক সঙ্গে য ফলা এবং তা প্রত্যয় ব্যবহার করা ভুল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানরীতি ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ বর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। একই অর্থে দুটি প্রত্যয় যেমন য এবং তা একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
13. বর্ণচোরা অর্থ-
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভণ্ড ১. কেন সঠিক: - বর্ণচোরা একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ নিচে হাত বা গোপনে স্বভাব লুকিয়ে রাখা কিংবা ভণ্ডামি করা। - এই বাগধারাটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি বাইরে সাধু সজ্জন বা ভালো সাজার ভান করেন কিন্তু অন্তরে বা গোপনে অসৎ স্বভাব বজায় রাখেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন রূপক শব্দ ও বাগধারার ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মানুষের আচার-আচরণকে ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকটা আসলে একজন বর্ণচোরা, সামনে ভালো কথা বললেও আড়ালে সে বড় ক্ষতি করে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির দ্বিমুখী চরিত্র ও ভণ্ডামি বোঝাতে বর্ণচোরা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ণচোরা স্বভাবের মানুষদের থেকে সবসময় দূরে থাকা উচিত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গোপনে ক্ষতিকর বা প্রতারক স্বভাবের মানুষদের চিহ্নিত করতে সঠিক অর্থে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপট — কপট শব্দের অর্থ প্রতারক বা বিশ্বাসের অযোগ্য হলেও এটি সরাসরি বর্ণচোরা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ বা প্রথাগত অর্থ প্রকাশ করে না। B) ভণ্ড — এটি বর্ণচোরা বাগধারার সঠিক ও প্রমিত সমার্থক অর্থ, যা বাহ্যিক আড়ম্বর ও অন্তরের কুটিলতার পার্থক্য নির্দেশ করে। C) সংকীর্ণমনা — সংকীর্ণমনা অর্থ ক্ষুদ্র মানসিকতা সম্পন্ন বা পরশ্রীকাতর, যা বর্ণচোরা বাগধারার অর্থ বা ভাবকে নির্দেশ করে না। D) মূর্খ — মূর্খ অর্থ জ্ঞানহীন বা নির্বোধ, যা কোনোভাবেই ভণ্ড বা গোপনে চরিত্র বদলানোর অর্থ বহন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্ণ মানে চরিত্র বা রূপ এবং চোরা মানে লুকিয়ে রাখা। অর্থাৎ যে তার আসল রূপ বা চরিত্র চুরি করে বা লুকিয়ে রাখে, তাকেই ভণ্ড বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সঠিক অর্থ নির্ধারণের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ভেবে তার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
15. কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক + দশ = একাদশ ১. কেন সঠিক: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে চলে না এবং প্রাকৃত বা প্রচলিত ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে সাধিত হয়। - এক এবং দশ শব্দের মিলনে স্বাভাবিক নিয়মে কোনো সন্ধি হওয়ার কথা না থাকলেও এটি নিপাতনে সিদ্ধ হয়ে একাদশ শব্দে পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র অনুসরণ করে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। - স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি উভয়ের ক্ষেত্রেই কিছু শব্দ নিপাতনে সিদ্ধ হয় যা মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গো + স্পদ = গোস্পদ ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি যার কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। উদাহরণ ২: পত + তন = পতন ব্যাখ্যা: এটিও ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বহির্ভূত একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক + দশ = একাদশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ। B) বাক্ + দান = বাগদান — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অনুসারে ক স্থানে গ হয়েছে, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ নয়। C) কথা + ছলে = কথাচ্ছলে — এটি স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের বাইরে নয়, আগম নিয়মে সাধিত। D) উৎ + লাস = উল্লাস — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়মে ত এর পরে ল থাকলে ত স্থানে ল হয়, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই এগুলো আলাদা করে ছক আকারে লিখে প্রতিদিন একবার রিভিশন দেবে। - যে শব্দগুলো ভাঙলে সাধারণ সন্ধির নিয়ম মেলে না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একাদশ, বৃহস্পতি, পরস্পর, গোষ্পদ ও সংস্কর এই শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ বারবার চর্চা করবে।
16. বাংলা বাক্যে উদ্দেশ্য কোথায় বসে?
Created 3 weeks ago | Updated 22 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক্যের শুরুতে ১. কেন সঠিক: সাধারণ সাধারণ বাক্যে সাধারণত উদ্দেশ্য বা কর্তা সবার আগে বসে। বাক্যের যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য বলা হয় এবং এটি সাধারণত বাক্যের প্রারম্ভে অবস্থান করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের মূলত দুটি অংশ থাকে, একটি হলো উদ্দেশ্য এবং অপরটি হলো বিধেয়। যাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তাকে বিধেয় বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পাখি হলো উদ্দেশ্য কারণ পাখি সম্পর্কে বলা হচ্ছে। উদাহরণ ২: বালকটি বই পড়ছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বালকটি হলো উদ্দেশ্য কারণ সে কাজটি করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের শুরুতে — এটি সঠিক কারণ বাংলা সাধারণ বাক্যে উদ্দেশ্য সাধারণত প্রথমে বসে। B) যেকোনো জায়গায় — এটি ভুল কারণ বাক্যের যেকোনো স্থানে উদ্দেশ্য বসলে অর্থের অস্পষ্টতা দেখা দিতে পারে। C) বাক্যের মাঝে — এটি ভুল কারণ উদ্দেশ্য সাধারণত মাঝে বসে না, বিশেষ অলংকারিক বা কাব্যিক বাক্য ছাড়া। D) বাক্যের শেষে — এটি ভুল কারণ বাক্যের শেষে সাধারণত ক্রিয়া বা বিধেয়র অংশ বসে, উদ্দেশ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের উদ্দেশ্য হলো প্রধান চরিত্র এবং কোনো গল্প বা নাটকের শুরুতেই প্রধান চরিত্র আসে। তাই মনে রাখবে যে উদ্দেশ্য সবসময় বাক্যের শুরুতেই বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনে পদক্রম খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। সাধারণ বাক্যের গঠন হলো কর্তা বা উদ্দেশ্য যোগ কর্ম যোগ ক্রিয়া।
18. 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' কার রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। - এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন। - গ্রন্থটি ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের 'ওডিবিএল' (The Origin and Development of the Bengali Language) ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ইতিহাসের ওপর লেখা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিশ্বখ্যাত ও মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎস নিয়ে রচিত অপর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিদ হলেও এই ব্যাকরণ গ্রন্থটির রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। B) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচনা নয়। C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯২৬ সালে এই প্রখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও এই ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থটি তার রচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ মানেই সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, এভাবে সাল ১৯২৬ সহ মনে রাখতে পারো। - সুনীতি মানে নীতি বা নিয়ম, আর ব্যাকরণ মানেই নিয়ম ও শৃঙ্খলার শাস্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও ইতিহাস রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ১৯২৬ সালের এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ হিসেবে পরিচিত।
20. 'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি কার রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মুজতবা আলী ১. কেন সঠিক: - 'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও রম্যলেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন। - এই গ্রন্থে লেখকের গভীর জীবনদর্শন, হাস্যরস এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যে তার পন্ডিতসুলভ রসাত্মক রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - 'পঞ্চতন্ত্র' তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম যা বুদ্ধিবৃত্তিক ও রম্য রচনার এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূরকণ্ঠী ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: চাচা কাহিনী ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণ ও রম্য সাহিত্যভিত্তিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারুখ আহমেদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁ ও আধুনিক কবি, তবে 'পঞ্চতন্ত্র' তার রচনা নয়। B) সৈয়দ মুজতবা আলী — এটি সঠিক উত্তর। C) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'লালসালু' অন্যতম। D) আবুল ফজল — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'চৌচির' ও 'রাঙা প্রভাত' উল্লেখযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুজতবা আলী মানেই রম্যরচনা এবং পঞ্চতন্ত্রের মতো জ্ঞানগর্ভ ও মজার গল্প। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে পন্ডিত মানুষ মুজতবা আলী তন্ত্র বা প্রবন্ধ নিয়ে কাজ করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রম্যরচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত প্রবন্ধ ও রম্যগ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপযোগী।
21. কোন প্রকারের বাক্যের মাধ্যমে প্রবল অনুভূতি প্রকাশ পায়?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Exclamatory sentence কেন সঠিক: Exclamatory sentence বা বিস্ময়সূচক বাক্যের মূল কাজ হলো মনের হঠাৎ জন্ম নেওয়া গভীর আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময় বা ক্ষোভের মতো প্রবল অনুভূতি প্রকাশ করা। এই ধরনের বাক্যের শেষে সাধারণত বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসে যা তীব্র আবেগ প্রকাশকে নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assertive sentence — এটি সাধারণ কোনো তথ্য, বিবৃতি বা সত্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনো প্রবল অনুভূতি থাকে না। B) Exclamatory sentence — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Optative sentence — এটি দিয়ে মূলত কারো প্রতি কোনো দোয়া, প্রার্থনা বা শুভকামনা প্রকাশ করা বোঝায়। D) Interrogative sentence — এটি ব্যবহার করা হয় মূলত কোনো কিছু সম্পর্কে জানার জন্য প্রশ্ন করার উদ্দেশ্যে। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন থাকে এবং মনের ভেতর থেকে হঠাৎ কোনো আবেগ প্রকাশ পায়, চোখ বন্ধ করে তাকে Exclamatory sentence বলে চিনে নেবে।
22. Move or die. (Make it simple).
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) In case of your failure to move will you die. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে 'Move or die' একটি compound sentence যার অর্থ নড়ো নতুবা মরো। এর সঠিক simple রূপ হলো C অপশনটি কারণ এটি শর্ত বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You shall move to die — এই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় তুমি মরার জন্য নড়বে যা মূল বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। B) If you don't move, you will die — এই গঠনটি complex sentence-এর উদাহরণ যা simple sentence নয়। C) In case of your failure to move will you die — এটি সঠিক simple sentence গঠন এবং শর্ত বোঝায়। D) You will to move to die — এই বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন ভুল এবং এর কোনো অর্থ হয় না। মনে রাখার টিপস: Or যুক্ত compound sentence-কে simple করতে হলে In case of দিয়ে শুরু করতে হয়।
23. Unless you work hard, you will not succeed. (Make it compound)
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Work hard or you will not succeed. কেন সঠিক: মূল বাক্যের Unless যুক্ত Complex sentence-কে Compound করতে হলে প্রথম অংশকে Imperative sentence-এ রূপান্তর করতে হয় এবং মাঝে and বা or বসাতে হয়। এখানে শর্ত পূরণ না করলে নেতিবাচক ফল হবে বোঝাতে or conjunction ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You work hard and will not succeed. — এখানে and বসানো হয়েছে যা অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কারণ কঠোর পরিশ্রম করলে সফল না হওয়া অর্থ প্রকাশ করে। B) Work hard or you will not succeed. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) Work hard and will not succeed. — এখানে subject উহ্য রাখা হয়েছে এবং and ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ বিপরীত ও অসম্পূর্ণ হয়ে গেছে। D) Without working hard, you will not succeed. — এটি একটি Simple sentence, অথচ প্রশ্ন চেয়েছে Compound sentence করার নিয়ম। মনে রাখার টিপস: Unless যুক্ত Complex বাক্যে negative অর্থ থাকলে Compound করার সময় মাঝখানে or বসাতে হয়।
24. Choose the correct sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 22 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She dyed her hair black কেন সঠিক: এখানে চুল রঙ করা অর্থে 'dyed' সঠিক বানান ব্যবহার করা হয়েছে। চুল কালো রঙ করা হয়েছে বোঝাতে বাকстыর শেষে অবজেক্ট কমপ্লিমেন্ট হিসেবে 'black' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) She dyed her black hair — এই বাক্যে চুল আগে থেকেই কালো ছিল বোঝায়, যা প্রশ্নানুযায়ী ভুল। C) She dye her black hair — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় এখানে 'dye' এর সাথে 's' বা 'es' যুক্ত হওয়া উচিত ছিল। D) She died her hair black — এখানে 'died' শব্দের অর্থ মারা যাওয়া, তাই এই বানানটি এখানে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: চুল রঙ করার ক্ষেত্রে 'dye' বানান ব্যবহার করতে হবে এবং কি রঙ করা হলো তা বোঝাতে শেষে রঙটির নাম বসবে।
25. Choose the correct spelling
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Accommodation কেন সঠিক: সঠিক বানানে দুটি c এবং দুটি m থাকে। ইংরেজি ভাষায় এই শব্দটির গঠন নিয়ম অনুযায়ী এটিই একমাত্র মানসম্মত বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accommodation — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে এটি এই লাইনে প্রযোজ্য নয়। B) Acommodation — এখানে প্রথম অংশে একটি c কম রয়েছে তাই ভুল। C) Accomodation — এখানে দ্বিতীয় অংশে একটি m কম রয়েছে তাই ভুল। D) Acomodation — এখানে c এবং m উভয় অক্ষরই একটি করে কম আছে তাই ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে চাইলে এভাবে মনে রাখো যে, সি এবং এম উভതിയই জোড়ায় জোড়ায় অর্থাৎ দুটি করে বসে।
26. Which one is correctly spell.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Colonel কেন সঠিক: - ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী পদবির বানানটি ফরাসি বা ইতালীয় উচ্চারণ থেকে এসেছে কিন্তু এর ইংরেজি বানান ব্যতিক্রমী। - এর সঠিক উচ্চারণ কার্নেল হলেও বানানে সি ও এল অক্ষরগুলো ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kornel — এটি ভুল বানান কারণ এখানে কোরিয়ান বা অনিয়মিত ধ্বনি অনুসরণ করা হয়েছে এবং সি এর পরিবর্তে কে ব্যবহার করা হয়েছে। B) Cornel — এটি ভুল বানান কারণ প্রথম অংশে কর্ন থাকলেও শেষ অংশটি সঠিক কর্নেল শব্দের গঠন অনুসরণ করেনি। C) Koronrel — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং অপ্রচলিত একটি বানান যা ইংরেজি অভিধানে গ্রহণযোগ্য নয়। D) Colonel — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান যা সামরিক পদবি বোঝাতে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে কাল ও নেল শব্দ দুটি মিলিয়ে কর্নেল বানানটি মনে রাখতে পারো যেখানে সি ও এল অক্ষরগুলোর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
27. Which word is different?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Terrific কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে Huge, Gigantic এবং Enormous হলো সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বিশাল বা প্রকাণ্ড। - পক্ষান্তরে Terrific শব্দটি মূলত চমৎকার, দুর্দান্ত বা প্রচণ্ড অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা বিশালতা প্রকাশ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Huge — এটি বিশাল বা প্রকাণ্ড অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নের অন্য সমার্থক শব্দগুলোর মতো। B) Gigantic — এটিও অতিশয় বিশাল বা প্রকাণ্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত। C) Terrific — এটি চমৎকার বা দারুণ বোঝায় এবং বিশালতার সমার্থক না হওয়ায় এটিই ভিন্ন শব্দ। D) Enormous — এটি অত্যন্ত বিশাল বা প্রকান্ড অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং বিশালতার সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: বিশালতা বোঝাতে Huge, Gigantic ও Enormous ব্যবহার করা হয়, আর Terrific ব্যবহার করা হয় চমৎকার বা দারুণ বোঝাতে।
28. The word 'afford' means-
Created 3 weeks ago | Updated 17 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Able to pay কেন সঠিক: afford শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর খরচ বহন করার সামর্থ্য থাকা। এটি সাধারণত আর্থিক সক্ষমতার সাথে সরাসরি যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Exaggerate — এর অর্থ হলো কোনো কিছুকে অতিরিক্ত বাড়িয়ে বা বাড়িয়ে বলা, যা affordability এর সাথে মিলে না। B) Charge — এর অর্থ হলো কোনো কিছুর দাম ধার্য করা বা মূল্য চাওয়া, যা সামর্থ্য বোঝায় না। C) Provide — এর অর্থ হলো সরবরাহ করা বা প্রদান করা, যা নিজে বহন করার সামর্থ্য বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Afford শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবেন এটি টাকা বা খরচের সাথে সম্পর্কিত সামর্থ্য বোঝায়।
29. An antonym of 'help' is-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hinder কেন সঠিক: - 'Help' শব্দের অর্থ সাহায্য করা বা সহযোগিতা করা, যার বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম হলো বাধা দেওয়া। - 'Hinder' শব্দের অর্থ বাধা সৃষ্টি করা বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা, যা 'Help' শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Replace — এর অর্থ প্রতিস্থাপন করা, যা সাহায্য করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Hinder — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বাধা দেওয়া। C) Work — এর অর্থ কাজ করা, যার সাথে সাহায্য করার বিপরীত অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Miser — এর অর্থ কিপটে বা কৃপণ ব্যক্তি, যা একটি বিশেষ্য পদ এবং সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: সাহায্য করার বিপরীত হলো বাধা দেওয়া, তাই Help-এর অ্যান্টোনিম হিসেবে Hinder শব্দটি মনে রাখবে।
30. Choose the correct sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He resembles his father কেন সঠিক: Resemble একটি transitive verb যার পরে কোনো preposition বসে না। তাই subject এর পরে সরাসরি object বসে বাক্যটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He resembles to his father — Resemble verb এর পরে ভুলভাবে to preposition ব্যবহার করা হয়েছে। B) He resembles as his father — এখানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে as preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He resembles his father — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই। D) He resembles like his father — Resemble এবং like এর অর্থ একই রকম হওয়ায় একসাথে ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: Resemble শব্দের অর্থ মিল থাকা। এর সাথে কৌতূহলবশত to বা like বসাবেন না, কারণ এটি সরাসরি object গ্রহণ করে।
31. Our office requires that we ___ our work timely.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) complete কেন সঠিক: বাক্যের মূল verb টি require হওয়ায় এবং এর পরে that থাকায় subjunctive mood এর নিয়ম অনুযায়ী verb এর base form বসে। এখানে subject we এর পরে কোনো tense পরিবর্তন না করে সরাসরি complete বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) complete — এটি সঠিক উত্তর। B) should complete — subjunctive mood এ should ব্যবহার করা বাহুল্য এবং ভুল। C) have completed — এটি present perfect tense যা এখানে নিয়ম অনুযায়ী বসে না। D) completed — এটি past tense যা subjunctive mood এর নিয়মের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: require, demand, suggest এর মতো verb এর পরে that থাকলে verb এর base form বসে।
32. The earth ___ round the sun.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) goes কেন সঠিক: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে, এটি একটি চিরন্তন সত্য ঘটনা। চিরন্তন সত্য ও অভ্যাসগত কাজের ক্ষেত্রে সবসময় Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়। এখানে subject হলো The earth যা একটি একবচন নামবাচক শব্দ। তাই মূল verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয়ে goes হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) goes — এটি সঠিক উত্তর। B) went — এটি Past Tense, তাই চিরন্তন সত্য বাক্যে এটি বসে না। C) is going — এটি Present Continuous Tense, যা চলমান কাজ বোঝায় এবং চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে এটি ভুল। D) gone — এটি Past Participle রূপ, একা কখনো মূল verb হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে চিরন্তন সত্য, অভ্যাস বা নিত্যদিনের কাজ বোঝালে চোখ বন্ধ করে Present Indefinite Tense (verb এর সাথে s বা es) ব্যবহার করবে।
33. Prior ___ Paris. I visited London.
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to visiting কেন সঠিক: এখানে Prior শব্দটির পর একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে preposition হিসেবে to বসে। এরপর যদি মূল verb ব্যবহার করতে হয়, তবে তার সাথে ing যুক্ত করে gerund বানাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) visiting — এখানে preposition হিসেবে to বাদ পড়েছে তাই এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। B) to visiting — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এখানে সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়েছে। C) to visit — এখানে to এর পর verb এর base form বসেছে কিন্তু এখানে gerund প্রয়োজন। D) coming — এটি বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এর সাথে প্রয়োজনীয় শব্দ নেই। মনে রাখার টিপস: Prior to একটি phrase যার পর verb আসলে তার সাথে সবসময় ing যুক্ত করতে হয়।
34. If you are suffering from fever, you ___ a doctor.
Created 3 weeks ago | Updated 42 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had better consult কেন সঠিক: - বাক্যে কোনো উপদেশ বা ভালো পরামর্শ বোঝাতে 'had better' ব্যবহার করা হয়। - 'had better' এর পর সবসময় verb এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে, তাই এখানে consult সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will consult — ভবিষ্যতে কোনো কাজ ঘটবে বোঝালে will বসে, কিন্তু এটি ভবিষ্যতের সাধারণ বাক্য নয় বরং তাৎক্ষণিক উপদেশমূলক বাক্য। B) had better consult — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর গঠন নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং অর্থপূর্ণ। C) had had consulted — এই ধরনের ব্যাকরণগত গঠন ইংরেজি ব্যাকরণে হয় না এবং এটি অর্থহীন। D) had better consulted — had better এর পর verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বা ed যুক্ত রূপ বসে না, সর্বদা মূল রূপ বসে। মনে রাখার টিপস: had better দেখলেই বুঝে নেবে এর পরে সবসময় verb এর বেস ফর্ম বসে এবং এটি পরামর্শ দিতে ব্যবহৃত হয়।
35. Our examination ___ on 17 December.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) begins কেন সঠিক: নির্দিষ্ট সময়সূচি বা রুটিন অনুযায়ী ভবিষ্যতে হতে যাওয়া নির্ধারিত কাজ বোঝাতে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়। এখানে পরীক্ষা শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ থাকায় মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত করে সঠিক রূপটি বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) begins - এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যটিকে সঠিক প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রূপান্তর করেছে। B) has begun - এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা ভবিষ্যতের নির্ধারিত কোনো ঘটনা প্রকাশ করতে পারে না। C) begun - এটি পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যার আগে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) is beginning - এটি কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা ভবিষ্যতের রুটিনবদ্ধ ও আনুষ্ঠানিক সূচির ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট রুটিন বা সময়সূচি বোঝাতে সবসময় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করবে।
36. Very few countries in the world ___ by monarchs.
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) are now ruled কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের সাবজেক্ট হলো 'Very few countries', যা বহুবচন এবং এটি নিজে নিজে শাসন করতে পারে না, বরং অন্যের দ্বারা শাসিত হয়। তাই বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েসে হবে এবং সাবজেক্ট বহুবচন হওয়ায় সঠিক সাহায্যকারী ভাব হিসেবে 'are' ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম 'ruled' বসেছে। এছাড়া বর্তমান সময়ের কথা বোঝাতে 'now' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) now rule — এটি অ্যাক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ দেশগুলো নিজে শাসন করে, যা অর্থপূর্ণ নয়। খ) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) now ruled — এটি পাস্ট টেন্স বা অসমাপিকা ক্রিয়া প্রকাশ করে, যা বাক্যের বর্তমান কালের অর্থ প্রকাশে ব্যর্থ হয়। ঘ) now rules — এখানে 'rules' একবচন, কিন্তু সাবজেক্ট 'Very few countries' হলো বহুবচন। মনে রাখার টিপস: বাক্যের সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে অন্যের দ্বারা কাজ সম্পন্ন করায়, তবে সবসময় প্যাসিভ ভয়েস ব্যবহার করতে হবে এবং সাবজেক্টের নাম্বার অনুযায়ী ভার্ব বসবে।
37. Choose the correct sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He wants to resign the post. কেন সঠিক: resign verb টি যখন কোনো পদ বা চাকরি ত্যাগ করা অর্থে ট্রানজিটিভ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন এর পরে কোনো preposition বসে না। তাই resign এবং the post এর মাঝে কোনো অতিরিক্ত শব্দ না থাকায় এই বাক্যটি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He wants to resign the post — এটি সঠিক বাক্য এবং এখানে কোনো ভুল নেই। B) He wants to resign from the post — এখানে resign এর পরে unnecessary from preposition ব্যবহারের কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে। C) He wants to resign to the post — এখানে নিয়ম বহির্ভূতভাবে to preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) He wants to resign on the post — এখানে on preposition এর ব্যবহার সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল। মনে রাখার টিপস: resign যখন চাকরি বা পদ ত্যাগ করা বোঝায়, তখন সরাসরি অবজেক্ট নেয় এবং মাঝখানে কোনো preposition বসে না।
38. Choose the correct sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Repeat it কেন সঠিক: - 'Repeat' শব্দের অর্থ কোনো কিছু পুনরায় বলা বা করা। - এর সঙ্গে 'again' বা 'once again' যুক্ত করলে সুপারফ্লুয়াস বা বাহুল্য দোষ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repeat it again — 'Repeat' এবং 'again' একই অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটায়, তাই এটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট। B) Repeat it — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং নির্ভুল রূপ। C) Repeat it again and again — এটি অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার এবং বাহুল্য দোষে দুষ্ট। D) Repeat it once again — 'Repeat' শব্দের সাথে 'once again' ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় ও ভুল। মনে রাখার টিপস: 'Repeat' মানেই পুনরায় করা, তাই এর সাথে 'again' ব্যবহার করা যাবে না।
39. Neptune is very cold planet, and ___
Created 3 weeks ago | Updated 40 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) so is Uranus কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশ 'Neptune is very cold planet' এ 'is' (BE verb) এবং 'very cold' (adjective) ব্যবহৃত হয়েছে। তাই অনুরূপ আরেকটি বিষয় বোঝাতে 'so + verb + subject' গঠন অনুযায়ী 'so is Uranus' সঠিক হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) so does Uranus — মূল বাক্যে কোনো do বা does জাতীয় auxiliary verb নেই, তাই এটি ভুল। B) so has Uranus — মূল বাক্যে possessive বা perfect tense এর has ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই, তাই এটি ভুল। C) so is Uranus — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, এটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) Uranus so — ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'so' কখনো সাবজেক্টের পরে বসে না। মনে রাখার টিপস: পূর্বের বাক্যে BE verb থাকলে পরের অংশেও so এর পরে একই tense এর BE verb বসবে।
40. Identify the imperative sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) March on. কেন সঠিক: যে সেন্টেন্স দিয়ে কোনো আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায় তাকে imperative sentence বলে। এখানে March on অর্থ এগিয়ে যাও, যা একটি আদেশ বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall go to school. — এটি একটি assertive sentence কারণ এটি সাধারণ তথ্য প্রকাশ করে। B) The dog is barking. — এটি একটি assertive sentence কারণ এটি কুকুরের কাজের বর্ণনা দেয়। C) It has been raining since morning. — এটি একটি assertive sentence কারণ এটি আবহাওয়ার অবস্থা জানায়। D) March on. — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি imperative sentence। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যগুলো মূল verb দিয়ে শুরু হয় এবং কাউকে কিছু করতে বলে, সেটাই imperative sentence।
41. কতজন বালককে ১৫০টি কমলা লেবু এবং ১৪৫টি কলা সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যায়?
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট কমলা লেবু আছে ১৫০টি মোট কলা আছে ১৪৫টি ধরি, বালকের সংখ্যা দ্বারা ১৫০ এবং ১৪৫ উভয় সংখ্যাটি নিঃশেষে বিভাজ্য হবে অর্থাৎ বালকের সংখ্যা হবে ১৫০ এবং ১৪৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক অতএব, ১৫০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৫, ৬, ১০ এবং আরও অন্যান্য ১৪৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৯ এবং ১৪৫ সুতরাং, ১৫০ এবং ১৪৫ এর গসাগু বা বৃহত্তম সাধারণ উৎপাদক হলো ৫ উত্তর: ৫ জন
42. কোনটি ক্ষুদ্রতম?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিলিমিটার প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্যের পরিমাপের চারটি একক দেওয়া আছে। এককগুলো হলো ডেসিমিটার, সেন্টিমিটার, ডেকামিটার এবং মিলিমিটার। ধরি, এক মিটার সমান দশ ডেসিমিটার। এক মিটার সমান একশ সেন্টিমিটার। অতএব, এক মিটার সমান এক হাজার মিলিমিটার। এক ডেকামিটার সমান দশ মিটার। সুতরাং, সবচেয়ে ছোট এককটি হলো মিলিমিটার। উত্তর: মিলিমিটার
43. ৬টি সংখ্যার গড় ৬। যদি প্রত্যেক সংখ্যা থেকে ৩ বিয়োগ করা হয়, তবে নতুন সংখ্যা গুলোর গড় কত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: ৬টি সংখ্যার গড় = ৬ প্রত্যেক সংখ্যা থেকে বিয়োগ করা হয় = ৩ ধরি, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = ৬ × ৬ = ৩৬ মোট সংখ্যা = ৬ অতএব, প্রতিটি সংখ্যা থেকে ৩ বিয়োগ করলে মোট কমে যায় = ৬ × ৩ = ১৮ নতুন সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = ৩৬ − ১৮ = ১৮ সুতরাং, নতুন সংখ্যাগুলোর গড় = ১৮ ÷ ৬ = ৩ উত্তর: ৩
44. ১ ডজন ডিমের দাম ৬০ টাকা হলে, ৪৫ টাকায় কয়টি ডিম পাওয়া যাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ টি প্রদত্ত তথ্য: ১ ডজন বা ১২ টি ডিমের দাম ৬০ টাকা ধরি, ৬০ টাকায় পাওয়া যায় = ১২ টি ডিম অতএব, ১ টাকায় পাওয়া যায় = ১২ ÷ ৬০ টি ডিম সুতরাং, ৪৫ টাকায় পাওয়া যায় = (১২ × ৪৫) ÷ ৬০ টি ডিম উত্তর: ৯ টি
45. একটি শ্রেণিতে ১০ জন ছাত্রের প্রত্যেকে তার সহপাঠীর সংখ্যার সমান চাঁদা দিলে মোট কত টাকা চাঁদা উঠবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০ প্রদত্ত তথ্য: শ্রেণিতে মোট ছাত্রের সংখ্যা = ১০ জন ধরি, প্রতিটি ছাত্র চাঁদা দেয় = মোট ছাত্র − ১ জন প্রতিটি ছাত্র চাঁদা দেয় = ১০ − ১ = ৯ টাকা অতএব, ১০ জন ছাত্র মোট চাঁদা দেয় = ১০ × ৯ টাকা ১০ জন ছাত্র মোট চাঁদা দেয় = ৯০ টাকা সুতরাং, মোট চাঁদার পরিমাণ = ৯০ টাকা উত্তর: ৯০
46. প্রথম ১০ কেজি পরিবহনের জন্য প্রতি কেজিতে ৫ টাকা এবং ১০ কেজির উপরে প্রতি কেজিতে ৪ টাকা ফি নেওয়া হয়। ২৭ কেজি পরিবহনের জন্য কত ফি দিতে হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 17 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১৮ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ১০ কেজি পরিবহনের জন্য প্রতি কেজিতে ফি = ৫ টাকা ১০ কেজির উপরে প্রতি কেজিতে ফি = ৪ টাকা মোট পরিমাপ = ২৭ কেজি ধরি, প্রথম ১০ কেজির জন্য মোট ফি = ১০ × ৫ টাকা = ৫০ টাকা বাকি কেজির পরিমাণ = ২৭ − ১০ কেজি = ১৭ কেজি অতএব, ১৭ কেজির জন্য মোট ফি = ১৭ × ৪ টাকা = ৬৮ টাকা সুতরাং, মোট ফি দিতে হবে = ৫০ টাকা + ৬৮ টাকা = ১১৮ টাকা উত্তর: ১১৮ টাকা
47. ২০% ডিসকাউন্টের পরে একটি বইয়ের খরচ দাঁড়ায় ৪০০ টাকা। তবে বইটির প্রকৃত মূল্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 19 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ২০% ডিসকাউন্টের পরে বইটির খরচ = ৪০০ টাকা ডিসকাউন্টের হার = ২০% ধরি, বইটির প্রকৃত মূল্য = ১০০% ডিসকাউন্টের পরে মূল্য = ১০০% − ২০% = ৮০% অতএব, ৮০% মূল্য সমান চারশত টাকা ১% মূল্য সমান চারশত ভাগ ৮০ টাকা সুতরাং, ১০০% বা প্রকৃত মূল্য সমান চারশত গুণ ১০০ ভাগ ৮০ টাকা সমান পাঁচশত টাকা উত্তর: ৫০০ টাকা
48. একটি চেয়ার ১৮০ টাকায় বিক্রি করায় ২০% লাভ হলো। চেয়ারটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ১৮০ টাকা লাভের হার = ২০% ধরি, চেয়ারটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ২০ = ১২০ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১২০ ভাগের ১০০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১৮০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ১৮০) ÷ ১২০ = ১৫০ টাকা উত্তর: ১৫০ টাকা
49. ক্রয়মূল্য C টাকা এবং বিক্রয়মূল্য P টাকা হলে মুনাফা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) P − C প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য = C টাকা বিক্রয়মূল্য = P টাকা ধরি, মুনাফা বা লাভ হলো বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের মধ্যকার পার্থক্য যখন বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি হয় তখন মুনাফা হয় অতএব, মুনাফা বের করতে হলে বিক্রয়মূল্য থেকে ক্রয়মূল্য বাদ দিতে হবে অর্থাৎ লাভের পরিমাণ সমান বিক্রয়মূল্য বিয়োগ ক্রয়মূল্য সুতরাং, মুনাফা = P টাকা − C টাকা উত্তর: P − C
50. ৩ : ৫ অনুপাত বিশিষ্ট দুটি সংখ্যার সমষ্টি ৫৬ হলে, সংখ্যা দুটির অন্তর কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৩ : ৫ সংখ্যা দুটির সমষ্টি = ৫৬ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক অতএব, প্রশ্নমতে, ৩ক + ৫ক = ৫৬ ৮ক = ৫৬ ক = ৫৬ ÷ ৮ = ৭ সুতরাং, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ৭ = ২১ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ × ৭ = ৩৫ উত্তর: সংখ্যা দুটির অন্তর = ৩৫ − ২১ = ১৪
51. দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল তাদের যোগফলের ১/৩ অংশ। সংখ্যা দুইটির অনুপাত কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ ঃ ১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির বিয়োগফল তাদের যোগফলের এক তৃতীয়াংশ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক − খ = (ক + খ) ÷ ৩ ৩ × (ক − খ) = ক + খ সুতরাং, ৩ক − ৩খ = ক + খ ৩ক − ক = ৩খ + খ উত্তর: ২ক = ৪খ, তাই ক ঃ খ = ২ ঃ ১
52. একজন ব্যক্তি প্রতিমাসে ১,৪০০ টাকা সঞ্চয় করেন এবং তার মাসিক আয়ের ৮০% খরচ করেন। তার মাসিক আয় কত?
Created 3 weeks ago | Updated 20 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০০০ প্রদত্ত তথ্য: প্রতিমাসে সঞ্চয় করেন ১,৪০০ টাকা মাসিক আয়ের খরচ করেন ৮০% ধরি, মোট মাসিক আয় = ১০০% অতএব, মাসিক সঞ্চয়ের পরিমাণ = ১০০% − ৮০% = ২০% সুতরাং, ২০% এর মান = ১,৪০০ টাকা ১০০% এর মান = ১,৪০০ × ১০০ ÷ ২০ = ৭,০০০ টাকা উত্তর: ৭০০০ টাকা
53. ১৮ ফুট × ১২ ফুট মাপের ফ্লোর সর্বোচ্চ বর্গাকৃতির (বর্গফুট) মাপের কতটি টাইলসে ঢাকা যাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ টি প্রদত্ত তথ্য: ফ্লোরের দৈর্ঘ্য = ১৮ ফুট ফ্লোরের প্রস্থ = ১২ ফুট ধরি, টাইলসের বাহুর দৈর্ঘ্য হবে ১৮ ও ১২ এর গসাগু অতএব, ১৮ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ২, ৩, ৬, ৯, ১৮ ১২ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ২, ৩, ৪, ৬, ১২ সুতরাং, সবচেয়ে বড় বর্গাকৃতির টাইলসের বাহু হবে ৬ ফুট ফ্লোরের ক্ষেত্রফল = ১৮ × ১২ = ২১৬ বর্গফুট একটি টাইলসের ক্ষেত্রফল = ৬ × ৬ = ৩৬ বর্গফুট উত্তর: ২১৬ ÷ ৩৬ = ৬ টি
54. ২৫০ টাকার ৮% কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ২৫০ টাকা শতকরা হার = ৮% ধরি, নির্ণেয় টাকার পরিমাণ = ক টাকা অতএব, ক = ২৫০ এর ৮% ক = ২৫০ × (৮ ÷ ১০০) সুতরাং, ক = ২০০০ ÷ ১০০ ক = ১০ উত্তর: ১০
55. একটি সংখ্যার ১২% নিলে ৯৬ পাওয়া যায়, সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার ১২% নিলে ৯৬ পাওয়া যায় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ১২% = ৯৬ সুতরাং, ক × (১২ ÷ ১০০) = ৯৬ উত্তর: ক = (৯৬ × ১০০) ÷ ১২ = ৮০০
56. ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্ব ৩০০ কিলোমিটার এবং ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব ১৮০ কিলোমিটার। ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব, ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্বের কত অংশ?
Created 3 weeks ago | Updated 11 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০% প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্ব = ৩০০ কিলোমিটার ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব = ১৮০ কিলোমিটার ধরি, মোট দূরত্ব = ৩০০ কিলোমিটার নির্ণেয় দূরত্ব = ১৮০ কিলোমিটার অতএব, দূরত্বের অনুপাত = ১৮০ ÷ ৩০০ ভগ্নাংশে রূপান্তর = ১৮০ / ৩০০ সুতরাং, শতকরা প্রকাশ = (১৮০ × ১০০) ÷ ৩০০ হিসাব করে পাই = ৬০% উত্তর: ৬০%
57. শতকরা বার্ষিক কত মুনাফায় ৩,০০০ টাকার ৫ বছরের মুনাফা ১,৫০০ টাকা হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ৩০০০ টাকা সময়, n = ৫ বছর মোট মুনাফা, I = ১৫০০ টাকা ধরি, বার্ষিক মুনাফার হার = r অতএব, আমরা জানি, মুনাফা, I = P × n × r সুতরাং, ১৫০০ = ৩০০০ × ৫ × r সুতরাং, ১৫০০ = ১৫০০০ × r r = ১৫০০ ÷ ১৫০০০ উত্তর: ০.১
58. কোন আসল ৩ বছরের মুনাফা-আসলে ৫,৫০০ টাকা হয়। মুনাফা-আসলের ৩/৮ অংশ হলে, মুনাফার হার কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১২৫ প্রদত্ত তথ্য: সময় = ৩ বছর মুনাফা-আসল = ৫,৫০০ টাকা ধরি, মুনাফা-আসল = ক টাকা মুনাফা = ক এর ৩/৮ অংশ অতএব, মুনাফা = ৩ক/৮ টাকা আসল = ক − (৩ক/৮) টাকা আসল = ৫ক/৮ টাকা সুতরাং, ৫ক/৮ = ৫,৫০০ ক = ৮,৮০০ টাকা মুনাফা = (৮,৮০০ × ৩) ÷ ৮ = ৩,৩০০ টাকা উত্তর: মুনাফার হার = (৩,৩০০ ÷ ৮,৮০০) ÷ ৩ = ০.১২৫
59. আসল-মুনাফা একত্রে ১,২৫০ টাকা মুনাফা আসলের ১/৪ অংশ হলে, আসল কত টাকা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০০ প্রদত্ত তথ্য: আসল ও মুনাফার সমষ্টি = ১২৫০ টাকা মুনাফা আসলের ১ ÷ ৪ অংশ ধরি, আসল = ক টাকা মুনাফা = ক ÷ ৪ টাকা অতএব, আসল + মুনাফা = ক + (ক ÷ ৪) ক + (ক ÷ ৪) = ১২৫০ (৫ক) ÷ ৪ = ১২৫০ সুতরাং, ৫ক = ১২৫০ × ৪ ৫ক = ৫০০০ ক = ৫০০০ ÷ ৫ ক = ১০০০ উত্তর: ১০০০ টাকা
60. একজন লোক সপ্তাহে ৪৫০ টাকা আয় করেন এবং ৩০০ টাকা ব্যয় করেন। তার আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত কত?
Created 3 weeks ago | Updated 19 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ঃ ১ প্রদত্ত তথ্য: লোকটির সাপ্তাহিক আয় = ৪৫০ টাকা লোকটির সাপ্তাহিক ব্যয় = ৩০০ টাকা ধরি, আয় = ৪৫০ টাকা ব্যয় = ৩০০ টাকা অতএব, সঞ্চয় = আয় − ব্যয় সঞ্চয় = ৪৫০ − ৩০০ সঞ্চয় = ১৫০ টাকা সুতরাং, আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত = ৪৫০ ঃ ১৫০ আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত = ৩ ঃ ১ উত্তর: ৩ ঃ ১
61. জাতি রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ম্যাকিয়াভেলি কেন সঠিক: - ইতালীয় দার্শনিক নিকলো ম্যাকিয়াভেলি তাঁর দ্য প্রিন্স গ্রন্থে প্রথম আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা ও ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির ধারণা দেন। - মধ্যযুগের ধর্মীয় প্রভাবমুক্ত স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে জাতি রাষ্ট্রের ধারণার ভিত্তি স্থাপন করেন তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাকিয়াভেলি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি আধুনিক রাষ্ট্রদর্শন ও জাতি রাষ্ট্রের ধারণার সূত্রপাত করেছিলেন। B) বিসমার্ক — তিনি জার্মানিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, তবে জাতি রাষ্ট্রের তাত্ত্বিক স্বপ্নদ্রষ্টা নন। C) হিটলার — তিনি উগ্র জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা ছিলেন, যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির একনায়ক হিসেবে পরিচিত। D) পোপ জন পল — তিনি রোমান ক্যাথলিক চার্চের পোপ এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন, রাজনৈতিক জাতি রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ম্যাকিয়াভেলিকে আধুনিক রাজনীতির জনক বলা হয় এবং তিনিই প্রথম জাতি রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
63. Apartheid কি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ণ বৈষম্য কেন সঠিক: - Apartheid একটি আফ্রিকান্স শব্দ যার অর্থ পৃথকীকরণ বা বর্ণবৈষম্য নীতি। - দক্ষিণ আফریقায় সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গ সরকার কর্তৃক কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের ওপর চালিত বৈষম্যমূলক নীতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিঙ্গ বৈষম্য — এটি পুরুষ ও নারীর মধ্যকার সামাজিক বা অর্থনৈতিক বৈষম্যকে বোঝায়, যা Apartheid শব্দের সঠিক অর্থ নয়। B) ধর্ম বৈষম্য — এটি বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ বা বৈষম্য নির্দেশ করে, যা বর্ণভিত্তিক Apartheid নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) বর্ণ বৈষম্য — এটি বর্ণভিত্তিক পৃথকীকরণ নীতি বোঝায়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) শিক্ষা বৈষম্য — এটি শিক্ষাক্ষেত্রে সুযোগের অসমতা বা বৈষম্য নির্দেশ করে, যা এই নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক শব্দের অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: Apartheid শব্দের শুরু হয় A অক্ষর দিয়ে এবং এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
67. পৃথিবীর সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান কেন সঠিক: - জাপানের মানুষের জীবনযাত্রার মান, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে গড় আয়ু বিশ্বে সর্বাধিক। - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জাপানের নাগরিকদের গড় আয়ু প্রায় ৮৪ থেকে ৮৫ বছর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — নরওয়ের মানুষের গড় আয়ু অনেক বেশি হলেও তা জাপানের চেয়ে কিছুটা কম। B) স্পেইন — স্পেনের স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হলেও গড় আযুর দিক থেকে এটি জাপানের পরে অবস্থান করে। C) জাপান — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ। D) চীন — চীনের জনসংখ্যা ও অর্থনীতির আকার বড় হলেও গড় আয়ু জাপানের তুলনায় কম। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা মাছ ও স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খায়, তাই তাদের আয়ু বেশি এবং জ দিয়ে জাপান ও জীবন দীর্ঘ হয়।
68. পৃথিবীর সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৩ সালে ভারত জনসংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। - বর্তমানে ভারতের জনসংখ্যা একশ চল্লিশ কোটির বেশি যা বৈশ্বিক জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — অতীতে সর্বাধিক জনবহুল দেশ হলেও বর্তমানে জনসংখ্যার হ্রাসের কারণে এটি দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে গেছে। B) রাশিয়া — আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এর মোট জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশ কম। C) ভারত — এটি বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) কানাডা — এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ হলেও অত্যন্ত কম জনসংখ্যার কারণে এটি এই তালিকার বাইরে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাম্প্রতিক জনসংখ্যার পরিবর্তনের হিসাব মনে রাখতে ভারত ও চীন এই দুটি দেশের অবস্থান ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
69. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী রপ্তানী করে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করা হয় যুক্তরাজ্যে। - যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্যের অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম গন্তব্যস্থল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে, রপ্তানি করে না। B) ভারত — ভারত বাংলাদেশের অন্যতম আমদানি অংশীদার দেশ, শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য নয়। C) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। D) জাপান — জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার রয়েছে তবে তা শীর্ষস্থানীয় বা যুক্তরাজ্যের চেয়ে বেশি নয়। মনে রাখার টিপস: আমদানি মানে চীন আর রপ্তানি মানে যুক্তরাজ্য, এই পার্থক্যটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
70. বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ রপ্তানী বাজার?
Created 3 weeks ago | Updated 16 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পণ্যের সবচেয়ে বড় গন্তব্য বা রপ্তানি বাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। - বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পণ্যের প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি বাংলাদেশের অন্যতম আমদানির উৎস হলেও একক দেশ হিসেবে বৃহত্তম রপ্তানি বাজার নয়। B) যুক্তরাজ্য — এটি বাংলাদেশের একটি বড় রপ্তানি বাজার হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এর পরিমাণ কম। C) জাপান — এটি বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার ও রপ্তানি গন্তব্য হলেও বৃহত্তম রপ্তানি বাজার নয়। D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়ের উৎস। মনে রাখার টিপস: রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র সবার সেরা, পোশাক বিক্রিতে আমেরিকার জুড়ি মেলা ভার।
71. বাংলাদেশে বিদ্যুৎ শক্তির উৎস-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য খনিজ তেল বা ডিজেল ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। - দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিংহভাগই আসে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে। - পাহাড়ি নদীতে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যেমন কর্ণফুলী নদীর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খনিজ তেল — এটি একমাত্র উৎস নয়, কারণ গ্যাস ও পানির মাধ্যমেও বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। B) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি প্রধান উৎস হলেও একমাত্র উৎস নয়, তেল ও জলবিদ্যুৎও ব্যবহৃত হয়। C) পাহাড়ি নদী — এটি দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদিত হলেও দেশের মোট চাহিদার সম্পূর্ণ অংশ এখান থেকে মেটানো যায় না। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনের মাধ্যমে খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পাহাড়ি নদী সবগুলোকেই সঠিক উৎস হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উপকরণ গ্যাস, তেল ও নদী বা পানি।
74. বিদেশে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম কেন সঠিক: - জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। - বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ বর্তমানে শান্তিরক্ষী প্রেরণে শীর্ষ দেশ। B) দ্বিতীয় — বাংলাদেশ একসময় দ্বিতীয় বা অন্যান্য অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে শীর্ষস্থানে উন্নীত হয়েছে। সি) পঞ্চম — বাংলাদেশ পঞ্চম অবস্থানে নেই, বরং শান্তিরক্ষী সরবরাহে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। ডি) দশম — বাংলাদেশ দশম অবস্থানে নয়, বর্তমানে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অবদানের দিক থেকে প্রথম স্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: শান্তিরক্ষা মিশনে অবদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময় সবার আগে বা প্রথম স্থানে থাকে।
77. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - আয়তনের দিক থেকে ময়মনসিংহ বাংলাদেশের আটটি বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ছোট বিভাগ। - ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর গঠিত হওয়া এই বিভাগের মোট আয়তন প্রায় ১০,৪৮৮ বর্গকিলোমিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ আয়তনে এটি দেশের সর্বনিম্ন আয়তনবিশিষ্ট বিভাগ। B) বরিশাল — এটি দেশের অন্যতম ছোট বিভাগ হলেও আয়তনে ময়মনসিংহের চেয়ে বড়। C) রাজশাহী — এটি আয়তনে ময়মনসিংহের তুলনায় অনেক বড় একটি বিভাগ। D) সিলেট — এটিও আয়তনে ময়মনসিংহের চেয়ে বড় বিভাগ। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ বিভাগ সবার পরে গঠিত হয়েছে এবং আয়তনের দিক থেকেও এটি সবার ছোট।
78. বাংলাদেশে বর্তমানে বিভাগের সংখ্যা কয়টি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮টি কেন সঠিক: - বর্তমানে বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগের সংখ্যা আটটি। - ২০১৫ সালের চৌঠা সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত হওয়ার পর বিভাগের মোট সংখ্যা আটটিতে উন্নীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ একসময় বিভাগের সংখ্যা ছয়টি ছিল, যা পরবর্তীতে বৃদ্ধি পেয়েছে। B) ৭টি — রংপুর বিভাগ গঠিত হওয়ার পর বিভাগের সংখ্যা সাতটি হয়েছিল, যা ময়মনসিংহ বিভাগ গঠনের পূর্বে সঠিক ছিল। C) ৮টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ময়মনসিংহ বিভাগ যোগ হওয়ার পর মোট বিভাগের সংখ্যা আটটি হয়েছে। D) ৯টি — বাংলাদেশে বর্তমানে কোনো নবম বিভাগ গঠিত হয়নি, তাই এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মানচিত্রে আটটি বিভাগ রয়েছে, যার সর্বশেষ বা অষ্টম বিভাগটি হলো ময়মনসিংহ।

মোট প্রশ্ন (20)

1. 'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি কার রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মুজতবা আলী ১. কেন সঠিক: - 'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও রম্যলেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন। - এই গ্রন্থে লেখকের গভীর জীবনদর্শন, হাস্যরস এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যে তার পন্ডিতসুলভ রসাত্মক রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - 'পঞ্চতন্ত্র' তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম যা বুদ্ধিবৃত্তিক ও রম্য রচনার এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূরকণ্ঠী ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: চাচা কাহিনী ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণ ও রম্য সাহিত্যভিত্তিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারুখ আহমেদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁ ও আধুনিক কবি, তবে 'পঞ্চতন্ত্র' তার রচনা নয়। B) সৈয়দ মুজতবা আলী — এটি সঠিক উত্তর। C) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — ইনি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'লালসালু' অন্যতম। D) আবুল ফজল — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী, তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'চৌচির' ও 'রাঙা প্রভাত' উল্লেখযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুজতবা আলী মানেই রম্যরচনা এবং পঞ্চতন্ত্রের মতো জ্ঞানগর্ভ ও মজার গল্প। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে পন্ডিত মানুষ মুজতবা আলী তন্ত্র বা প্রবন্ধ নিয়ে কাজ করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রম্যরচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের বিখ্যাত প্রবন্ধ ও রম্যগ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপযোগী।
2. বাংলা লোক সাহিত্যে প্রাচীনতম সৃষ্টি কি কি?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবচন ও ছড়া ১. কেন সঠিক: - বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টি হলো প্রবচন ও ছড়া কারণ এগুলো মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল এবং লিখিত রূপলাভের বহু আগে থেকেই মৌখিক ঐতিহ্যের মাধ্যমে টিকে ছিল। - এর মধ্যে গ্রামীণ জীবনের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও সংস্কৃতির প্রাথমিক রূপ ফুটে ওঠে যা বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শনগুলোরও আগের মৌখিক সৃষ্টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা লোকসাহিত্য বলতে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত গান, ছড়া, প্রবচন, রূপকথা, ধাঁধা ইত্যাদিকে বোঝায় যার কোনো নির্দিষ্ট একক রচয়িতা নেই। - প্রবচন হলো সংক্ষিপ্ত বাক্যে জীবনের গভীর সত্যের প্রকাশ এবং ছড়া হলো লয় ও ছান্দসিক বৈশিষ্ট্যে পূর্ণ মৌখিক কবিতার প্রাথমিক রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ছালা দুটোই গেল। ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত প্রবচন যা অতিরিক্ত লোভের পরিণতি বোঝাতে লোকসমাজে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলতে যাই। ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহ্যবাহী শিশুতোষ ছড়া যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গান ও গীতিকা — বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীন অংশ হলেও প্রবচন ও ছড়ার মতো এত প্রাচীন ও মৌখিক ধারার প্রাথমিক সৃষ্টি নয়। B) মঙ্গল কাব্য — মঙ্গল কাব্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি নির্দিষ্ট ধারা, যা লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টি নয়। C) পুঁথি সাহিত্য ও গাথা — পুঁথি সাহিত্য মূলত মধ্যযুগ ও পরবর্তী সময়ের সৃষ্টি এবং গাথা লোকসাহিত্যের অংশ হলেও প্রাচীনতম নয়। D) প্রবচন ও ছড়া — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ভুল নেই কারণ এটি লোকসাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন ধারা। ৫. মনে রাখার টিপস: - লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম ধারা মনে রাখতে ছড়া ও প্রবচনের কথা মাথায় রাখবে কারণ এগুলো মানুষের মুখে মুখে সবার আগে সৃষ্টি হয়েছিল। - মুখে মুখে প্রচলিত প্রাচীন সৃষ্টি মানেই প্রবচন ও ছড়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্যের আদি নিদর্শন সম্পর্কিত প্রশ্নে ছড়া ও প্রবচনকে প্রাচীনতম হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। - চর্যাপদ লিখিত সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলেও লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টি প্রবচন ও ছড়া।
3. 'সোনালী কাবিন' এর রচয়িতা কে?
Created 3 weeks ago | Updated 15 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আল মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - সোনালী কাবিন আধুনিক বাংলা কবিতার ধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী কাব্যগ্রন্থ যার রচিয়তা হলেন বিখ্যাত কবি আল মাহমুদ। - এই কাব্যগ্রন্থে বাঙালি সংস্কৃতি, মাটি ও মানুষের জীবন সংগ্রামের অপূর্ব শিল্পরূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি যিনি বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভূত হয়ে আধুনিক কবিতায় নিজস্ব এক ধারার সৃষ্টি করেন। - সোনালী কাবিন মূলত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার একটি গুচ্ছ যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে গ্রামীণ জনপদ ও প্রেমের রূপ ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকালয় ব্যাখ্যা: এটি কবি আল মাহমুদের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: বখতিয়ারের ঘোড়া ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের রচিত একটি জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যচেতনা সমৃদ্ধ কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থটি তারই অমর সৃষ্টি। B) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সম্পাদক হলেও সোনালী কাবিনের রচিয়তা নন, তিনি বিখ্যাত একুশে স্মারক গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারি এর সম্পাদক। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি যিনি অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশির মতো বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন কিন্তু সোনালী কাবিন তার রচনা নয়। D) ফররুখ আহমেদ — তিনি একজন বিশিষ্ট ইসলামী ভাবধারার কবি যিনি সাতসাঁতার ও হাতেম তাই কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোনালী কাবিন মানেই আল মাহমুদ এটি মনে রাখতে কাবিনের মোহর সোনালী এবং আল মাহমুদ এর হাত দিয়ে তা রচিত হয়েছে এভাবে মনে রাখতে পারো। - আধুনিক বাংলা সনেটের বিখ্যাত বই হিসেবেও এটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবি ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। - আল মাহমুদের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এবং তার সোনালী কাবিন বইটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও কাব্যচর্চায় এক অনন্য মাইলফলক।
6. কাজী নজরুল ইসলামের গান ও স্বরলিপির বই কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুলবুল ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান ও স্বরলিপির সংকলন হলো বুলবুল। এই গ্রন্থে কবির বেশ কিছু বিখ্যাত গান এবং তার প্রাতিষ্ঠানিক স্বরলিপি গ্রন্থিত রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি একাধারে বিশিষ্ট সুরকার ও গীতিকার ছিলেন। তাঁর রচিত ও সুরকৃত গানগুলোকে নজরুলসংগীত বলা হয়, যা বাংলা সংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছায়ানট ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো স্বরলিপির বই নয়। উদাহরণ ২: বুলবুল ব্যাখ্যা: এটি কবির গান ও স্বরলিপির একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যা সঙ্গীতশিল্পীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলাকা — এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের গ্রন্থ নয়, বরং এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) গীতবিতান — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমস্ত গান নিয়ে সংকলিত একটি বিশাল গানের সংকলন। D) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং বর্তমানে একটি স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের গান ও স্বরলিপির বই বুলবুল মনে রাখতে পাখির নাম বুলবুল এর সাথে নজরুলের সুরের সংযোগ মনে রাখতে পারো। কাব্যগ্রন্থ বলাকা ও ছায়ানট হলেও বুলবুল হলো তাঁর গান ও স্বরলিপির বই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ এবং গান বা স্বরলিপির বইয়ের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। লেখক বা কবির নামের পাশাপাশি তাঁদের নির্দিষ্ট সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন কাব্যগ্রন্থ, গান, বা প্রবন্ধ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
7. কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বালুচর ১. কেন সঠিক: - বালুচর গ্রন্থটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, এটি বিশিষ্ট কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থের নামের তালিকায় বালুচর নামটি না থাকায় এটি তাঁর রচনা হিসেবে সঠিক নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বুদ্ধদেব বসু বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক এবং ত্রিশের দশকের কবি। - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি সাম্য, দ্রোহ, প্রেম ও মানবতার গান গেয়েছেন এবং বাংলা কাব্যে নতুন সুর এনেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থ বন্দির বন্দনা। ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসুর একটি অন্যতম পরিচিত এবং আধুনিক চেতনার কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় বিদ্রোহী কবিতা সংকলন যা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগ এনেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বালুচর — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, বরং কবি বুদ্ধদেব বসুর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। C) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিশিষ্ট গীতি কাব্য ও সংকলন। D) চিত্রনামা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ ও সাহিত্যকর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম যেমন অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, চক্রবাক ও ছায়ানট একসঙ্গে বারবার পড়া। অন্যদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন বুদ্ধদেব বসুর বালুচর আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের কাব্যগ্রন্থের নাম উল্টে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। কোন গ্রন্থটি কার লেখা তা নিশ্চিত হতে হলে কবিদের প্রধান প্রধান কাব্যগ্রন্থের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
9. 'সাঁঝের মেয়া' কবিতাটির রচয়িতা কে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুফিয়া কামাল ১. কেন সঠিক: - 'সাঁঝের মায়া' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা কবি সুফিয়া কামাল। - ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্য এবং এর মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুফিয়া কামাল বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও প্রগতিশীল নারী আন্দোলনের অগ্রদূত। - তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, মানবপ্রেম, স্বাধিকার আন্দোলন এবং বাঙালি সংস্কৃতির গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম তার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। উদাহরণ ২: মায়ার খেলা বা উদাত্ত পৃথিবী। ব্যাখ্যা: এগুলোও সুফিয়া কামালের অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা তার কবিত্বশক্তির পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, কোনো বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। B) সুফিয়া কামাল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। C) নূরজাহান বেগম — তিনি বিশিষ্ট নারী সাংবাদিক ও বেগম পত্রিকার দীর্ঘকালীন সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। D) রিজিয়া রহমান — তিনি একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও গল্পকার, কবি হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের নামের সাথে 'সাঁঝের মায়া' মনে রাখতে পারেন এভাবে যে, সন্ধ্যার মায়ার মতো তার প্রথম কাব্যটি সাহিত্যজগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিকদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা উপন্যাসগুলো ভালোভাবে পড়লে এ ধরনের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
11. ভাষার প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করে-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাকরণ ১. কেন সঠিক: ব্যাকরণ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, গঠনরীতি ও প্রকৃতির বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ। কোনো ভাষার উৎপত্তি, বিকাশ, শব্দগঠন এবং বাক্যের নিয়মকানুন ব্যাকরণেই আলোচিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশদভাবে বিশ্লেষণ। এটি ভাষার চার প্রধান দিক যথা ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ নিয়ে আলোচনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ব্যাকরণ পাঠ করলে ভাষা শুদ্ধভাবে বলা, পড়া ও লেখা যায়। ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ ভাষার নিয়ম শিখিয়ে ভাষার প্রকৃতি সুন্দর করে তোলে। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রকৃতি ও ব্যাকরণিক রূপ বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের একটি শাখা যা শুধু ধ্বনি ও বর্ণ নিয়ে আলোচনা করে, পুরো ভাষার প্রকৃতি নিয়ে নয়। B) রূপতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের শাখা যা শব্দ ও তার গঠন নিয়ে আলোচনা করে, সমগ্র ভাষার প্রকৃতি এর পরিধিভুক্ত নয়। C) ব্যাকরণ — এটি সঠিক কারণ এটি ভাষার সার্বিক প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করে। D) বাক্যতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের শাখা যা বাক্যের গঠন ও প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করে, ভাষার সামগ্রিক প্রকৃতি এর একাংশ মাত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা মানেই ব্যাকরণ, কারণ ব্যাকরণ ভাষার প্রকৃতি ও নিয়ম নিয়ে কথা বলে। সব শাখার মূল হলো ব্যাকরণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিটি ভাষার নিজস্ব ব্যাকরণ আছে যা তার প্রকৃতি নির্ধারণ করে। ভাষার মৌলিক উপাদান ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য ব্যাকরণের মাধ্যমেই শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়।
12. কোনটি শুদ্ধ-
Created 3 weeks ago | Updated 39 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌজন্য ১. কেন সঠিক: সৌজন্য শব্দটি সঠিক কারণ এটি সুজন শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সুজন শব্দের অর্থ ভালো মানুষ এবং এর ভাববাচক বিশেষ্য রূপ হলো সৌজন্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুজন শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত করার সময় শব্দের আদি স্বর পরিবর্তিত হয়। এখানে সু শব্দের উ স্থানে ও এবং জ যুক্ত হয়ে সৌজন্য গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর থেকে সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সুন্দর শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌন্দর্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধীর থেকে ধৈর্য ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ধৈর্য গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌজন্যতা - সুজন শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে য প্রত্যয় এবং তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে যা দ্বিত্ব বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট। বাংলা ব্যাকরণে সৌজন্যতা একটি অসিদ্ধ ও ভুল শব্দ। B) সৌজন্য - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) সৌজন্যতা - বিকল্পটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে এবং তা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) সৌজন্যতা - বিকল্পটি একই রকম বানান ত্রুটিযুক্ত এবং তা প্রমিত বাংলা ভাষায় গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সৌজন্য এবং সৌন্দর্য এই শব্দগুলোতে শেষে জ ফলা আছে কিন্তু কোনো তা বা তা প্রত্যয় নেই। শব্দের শেষে এক সঙ্গে য ফলা এবং তা প্রত্যয় ব্যবহার করা ভুল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানরীতি ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ বর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। একই অর্থে দুটি প্রত্যয় যেমন য এবং তা একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
13. বর্ণচোরা অর্থ-
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভণ্ড ১. কেন সঠিক: - বর্ণচোরা একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ নিচে হাত বা গোপনে স্বভাব লুকিয়ে রাখা কিংবা ভণ্ডামি করা। - এই বাগধারাটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি বাইরে সাধু সজ্জন বা ভালো সাজার ভান করেন কিন্তু অন্তরে বা গোপনে অসৎ স্বভাব বজায় রাখেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন রূপক শব্দ ও বাগধারার ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মানুষের আচার-আচরণকে ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকটা আসলে একজন বর্ণচোরা, সামনে ভালো কথা বললেও আড়ালে সে বড় ক্ষতি করে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির দ্বিমুখী চরিত্র ও ভণ্ডামি বোঝাতে বর্ণচোরা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ণচোরা স্বভাবের মানুষদের থেকে সবসময় দূরে থাকা উচিত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গোপনে ক্ষতিকর বা প্রতারক স্বভাবের মানুষদের চিহ্নিত করতে সঠিক অর্থে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপট — কপট শব্দের অর্থ প্রতারক বা বিশ্বাসের অযোগ্য হলেও এটি সরাসরি বর্ণচোরা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ বা প্রথাগত অর্থ প্রকাশ করে না। B) ভণ্ড — এটি বর্ণচোরা বাগধারার সঠিক ও প্রমিত সমার্থক অর্থ, যা বাহ্যিক আড়ম্বর ও অন্তরের কুটিলতার পার্থক্য নির্দেশ করে। C) সংকীর্ণমনা — সংকীর্ণমনা অর্থ ক্ষুদ্র মানসিকতা সম্পন্ন বা পরশ্রীকাতর, যা বর্ণচোরা বাগধারার অর্থ বা ভাবকে নির্দেশ করে না। D) মূর্খ — মূর্খ অর্থ জ্ঞানহীন বা নির্বোধ, যা কোনোভাবেই ভণ্ড বা গোপনে চরিত্র বদলানোর অর্থ বহন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্ণ মানে চরিত্র বা রূপ এবং চোরা মানে লুকিয়ে রাখা। অর্থাৎ যে তার আসল রূপ বা চরিত্র চুরি করে বা লুকিয়ে রাখে, তাকেই ভণ্ড বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সঠিক অর্থ নির্ধারণের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ভেবে তার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
15. কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক + দশ = একাদশ ১. কেন সঠিক: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে চলে না এবং প্রাকৃত বা প্রচলিত ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে সাধিত হয়। - এক এবং দশ শব্দের মিলনে স্বাভাবিক নিয়মে কোনো সন্ধি হওয়ার কথা না থাকলেও এটি নিপাতনে সিদ্ধ হয়ে একাদশ শব্দে পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র অনুসরণ করে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। - স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি উভয়ের ক্ষেত্রেই কিছু শব্দ নিপাতনে সিদ্ধ হয় যা মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গো + স্পদ = গোস্পদ ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি যার কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। উদাহরণ ২: পত + তন = পতন ব্যাখ্যা: এটিও ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বহির্ভূত একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক + দশ = একাদশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ। B) বাক্ + দান = বাগদান — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অনুসারে ক স্থানে গ হয়েছে, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ নয়। C) কথা + ছলে = কথাচ্ছলে — এটি স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের বাইরে নয়, আগম নিয়মে সাধিত। D) উৎ + লাস = উল্লাস — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়মে ত এর পরে ল থাকলে ত স্থানে ল হয়, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই এগুলো আলাদা করে ছক আকারে লিখে প্রতিদিন একবার রিভিশন দেবে। - যে শব্দগুলো ভাঙলে সাধারণ সন্ধির নিয়ম মেলে না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একাদশ, বৃহস্পতি, পরস্পর, গোষ্পদ ও সংস্কর এই শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ বারবার চর্চা করবে।
16. বাংলা বাক্যে উদ্দেশ্য কোথায় বসে?
Created 3 weeks ago | Updated 22 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক্যের শুরুতে ১. কেন সঠিক: সাধারণ সাধারণ বাক্যে সাধারণত উদ্দেশ্য বা কর্তা সবার আগে বসে। বাক্যের যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য বলা হয় এবং এটি সাধারণত বাক্যের প্রারম্ভে অবস্থান করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের মূলত দুটি অংশ থাকে, একটি হলো উদ্দেশ্য এবং অপরটি হলো বিধেয়। যাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তাকে বিধেয় বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পাখি হলো উদ্দেশ্য কারণ পাখি সম্পর্কে বলা হচ্ছে। উদাহরণ ২: বালকটি বই পড়ছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বালকটি হলো উদ্দেশ্য কারণ সে কাজটি করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের শুরুতে — এটি সঠিক কারণ বাংলা সাধারণ বাক্যে উদ্দেশ্য সাধারণত প্রথমে বসে। B) যেকোনো জায়গায় — এটি ভুল কারণ বাক্যের যেকোনো স্থানে উদ্দেশ্য বসলে অর্থের অস্পষ্টতা দেখা দিতে পারে। C) বাক্যের মাঝে — এটি ভুল কারণ উদ্দেশ্য সাধারণত মাঝে বসে না, বিশেষ অলংকারিক বা কাব্যিক বাক্য ছাড়া। D) বাক্যের শেষে — এটি ভুল কারণ বাক্যের শেষে সাধারণত ক্রিয়া বা বিধেয়র অংশ বসে, উদ্দেশ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের উদ্দেশ্য হলো প্রধান চরিত্র এবং কোনো গল্প বা নাটকের শুরুতেই প্রধান চরিত্র আসে। তাই মনে রাখবে যে উদ্দেশ্য সবসময় বাক্যের শুরুতেই বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনে পদক্রম খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। সাধারণ বাক্যের গঠন হলো কর্তা বা উদ্দেশ্য যোগ কর্ম যোগ ক্রিয়া।
18. 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' কার রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। - এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন। - গ্রন্থটি ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের 'ওডিবিএল' (The Origin and Development of the Bengali Language) ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ইতিহাসের ওপর লেখা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিশ্বখ্যাত ও মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎস নিয়ে রচিত অপর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিদ হলেও এই ব্যাকরণ গ্রন্থটির রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। B) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচনা নয়। C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯২৬ সালে এই প্রখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও এই ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থটি তার রচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ মানেই সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, এভাবে সাল ১৯২৬ সহ মনে রাখতে পারো। - সুনীতি মানে নীতি বা নিয়ম, আর ব্যাকরণ মানেই নিয়ম ও শৃঙ্খলার শাস্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও ইতিহাস রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ১৯২৬ সালের এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ হিসেবে পরিচিত।
20. বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা-
Created 3 weeks ago | Updated 3 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালা বা লিপিতে মৌলিক বা মূল বর্ণের মোট সংখ্যা ৫০ টি। - এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি যুক্ত হয়ে মোট ৫০ টি মূল বর্ণ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক ধ্বনিগুলোকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে বর্ণ বলে। - বাংলা বর্ণমালায় স্বরধ্বনি ১১ টি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ৩৯ টি নির্দিষ্ট প্রতীক দ্বারা লিখিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার ১১ টি মৌলিক স্বরবর্ণ যা স্বরধ্বনি প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ক, খ, গ, ঘ, ঙ ব্যাখ্যা: এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত এবং ক-বর্গীয় ধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৯ টি — এটি বাংলা বর্ণমালার শুধু ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, সম্পূর্ণ মূল বর্ণের সংখ্যা নয়। B) ৪৯ টি — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার মূল বর্ণের সঠিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না। D) ৫১ টি — বাংলা লিপিতে মৌলিক বর্ণ ৫০ টি, ৫১ টি কোনো প্রমিত সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যা মনে রাখতে স্বরবর্ণ ১১ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ যোগ করলে ফল ৫০ পাওয়া যায়। - ১১ + ৩৯ = ৫০ এই সহজ হিসাবটি সবসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ ও মোট বর্ণের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে। - মনে রাখবে, বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০ টি, স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।

মোট প্রশ্ন (20)

1. Identify the imperative sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) March on. কেন সঠিক: যে সেন্টেন্স দিয়ে কোনো আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায় তাকে imperative sentence বলে। এখানে March on অর্থ এগিয়ে যাও, যা একটি আদেশ বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall go to school. — এটি একটি assertive sentence কারণ এটি সাধারণ তথ্য প্রকাশ করে। B) The dog is barking. — এটি একটি assertive sentence কারণ এটি কুকুরের কাজের বর্ণনা দেয়। C) It has been raining since morning. — এটি একটি assertive sentence কারণ এটি আবহাওয়ার অবস্থা জানায়। D) March on. — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি imperative sentence। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যগুলো মূল verb দিয়ে শুরু হয় এবং কাউকে কিছু করতে বলে, সেটাই imperative sentence।
2. An antonym of 'help' is-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hinder কেন সঠিক: - 'Help' শব্দের অর্থ সাহায্য করা বা সহযোগিতা করা, যার বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম হলো বাধা দেওয়া। - 'Hinder' শব্দের অর্থ বাধা সৃষ্টি করা বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা, যা 'Help' শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Replace — এর অর্থ প্রতিস্থাপন করা, যা সাহায্য করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) Hinder — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বাধা দেওয়া। C) Work — এর অর্থ কাজ করা, যার সাথে সাহায্য করার বিপরীত অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Miser — এর অর্থ কিপটে বা কৃপণ ব্যক্তি, যা একটি বিশেষ্য পদ এবং সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: সাহায্য করার বিপরীত হলো বাধা দেওয়া, তাই Help-এর অ্যান্টোনিম হিসেবে Hinder শব্দটি মনে রাখবে।
3. The word 'afford' means-
Created 3 weeks ago | Updated 17 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Able to pay কেন সঠিক: afford শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর খরচ বহন করার সামর্থ্য থাকা। এটি সাধারণত আর্থিক সক্ষমতার সাথে সরাসরি যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Exaggerate — এর অর্থ হলো কোনো কিছুকে অতিরিক্ত বাড়িয়ে বা বাড়িয়ে বলা, যা affordability এর সাথে মিলে না। B) Charge — এর অর্থ হলো কোনো কিছুর দাম ধার্য করা বা মূল্য চাওয়া, যা সামর্থ্য বোঝায় না। C) Provide — এর অর্থ হলো সরবরাহ করা বা প্রদান করা, যা নিজে বহন করার সামর্থ্য বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Afford শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবেন এটি টাকা বা খরচের সাথে সম্পর্কিত সামর্থ্য বোঝায়।
4. Which word is different?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Terrific কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে Huge, Gigantic এবং Enormous হলো সমার্থক শব্দ, যার অর্থ বিশাল বা প্রকাণ্ড। - পক্ষান্তরে Terrific শব্দটি মূলত চমৎকার, দুর্দান্ত বা প্রচণ্ড অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা বিশালতা প্রকাশ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Huge — এটি বিশাল বা প্রকাণ্ড অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নের অন্য সমার্থক শব্দগুলোর মতো। B) Gigantic — এটিও অতিশয় বিশাল বা প্রকাণ্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত। C) Terrific — এটি চমৎকার বা দারুণ বোঝায় এবং বিশালতার সমার্থক না হওয়ায় এটিই ভিন্ন শব্দ। D) Enormous — এটি অত্যন্ত বিশাল বা প্রকান্ড অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং বিশালতার সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: বিশালতা বোঝাতে Huge, Gigantic ও Enormous ব্যবহার করা হয়, আর Terrific ব্যবহার করা হয় চমৎকার বা দারুণ বোঝাতে।
5. Which one is correctly spell.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Colonel কেন সঠিক: - ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী পদবির বানানটি ফরাসি বা ইতালীয় উচ্চারণ থেকে এসেছে কিন্তু এর ইংরেজি বানান ব্যতিক্রমী। - এর সঠিক উচ্চারণ কার্নেল হলেও বানানে সি ও এল অক্ষরগুলো ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kornel — এটি ভুল বানান কারণ এখানে কোরিয়ান বা অনিয়মিত ধ্বনি অনুসরণ করা হয়েছে এবং সি এর পরিবর্তে কে ব্যবহার করা হয়েছে। B) Cornel — এটি ভুল বানান কারণ প্রথম অংশে কর্ন থাকলেও শেষ অংশটি সঠিক কর্নেল শব্দের গঠন অনুসরণ করেনি। C) Koronrel — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং অপ্রচলিত একটি বানান যা ইংরেজি অভিধানে গ্রহণযোগ্য নয়। D) Colonel — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান যা সামরিক পদবি বোঝাতে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে কাল ও নেল শব্দ দুটি মিলিয়ে কর্নেল বানানটি মনে রাখতে পারো যেখানে সি ও এল অক্ষরগুলোর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
6. Choose the correct spelling
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Accommodation কেন সঠিক: সঠিক বানানে দুটি c এবং দুটি m থাকে। ইংরেজি ভাষায় এই শব্দটির গঠন নিয়ম অনুযায়ী এটিই একমাত্র মানসম্মত বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accommodation — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে এটি এই লাইনে প্রযোজ্য নয়। B) Acommodation — এখানে প্রথম অংশে একটি c কম রয়েছে তাই ভুল। C) Accomodation — এখানে দ্বিতীয় অংশে একটি m কম রয়েছে তাই ভুল। D) Acomodation — এখানে c এবং m উভয় অক্ষরই একটি করে কম আছে তাই ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে চাইলে এভাবে মনে রাখো যে, সি এবং এম উভതിയই জোড়ায় জোড়ায় অর্থাৎ দুটি করে বসে।
7. Choose the correct sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 22 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She dyed her hair black কেন সঠিক: এখানে চুল রঙ করা অর্থে 'dyed' সঠিক বানান ব্যবহার করা হয়েছে। চুল কালো রঙ করা হয়েছে বোঝাতে বাকстыর শেষে অবজেক্ট কমপ্লিমেন্ট হিসেবে 'black' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) She dyed her black hair — এই বাক্যে চুল আগে থেকেই কালো ছিল বোঝায়, যা প্রশ্নানুযায়ী ভুল। C) She dye her black hair — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় এখানে 'dye' এর সাথে 's' বা 'es' যুক্ত হওয়া উচিত ছিল। D) She died her hair black — এখানে 'died' শব্দের অর্থ মারা যাওয়া, তাই এই বানানটি এখানে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: চুল রঙ করার ক্ষেত্রে 'dye' বানান ব্যবহার করতে হবে এবং কি রঙ করা হলো তা বোঝাতে শেষে রঙটির নাম বসবে।
8. Unless you work hard, you will not succeed. (Make it compound)
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Work hard or you will not succeed. কেন সঠিক: মূল বাক্যের Unless যুক্ত Complex sentence-কে Compound করতে হলে প্রথম অংশকে Imperative sentence-এ রূপান্তর করতে হয় এবং মাঝে and বা or বসাতে হয়। এখানে শর্ত পূরণ না করলে নেতিবাচক ফল হবে বোঝাতে or conjunction ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You work hard and will not succeed. — এখানে and বসানো হয়েছে যা অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কারণ কঠোর পরিশ্রম করলে সফল না হওয়া অর্থ প্রকাশ করে। B) Work hard or you will not succeed. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) Work hard and will not succeed. — এখানে subject উহ্য রাখা হয়েছে এবং and ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ বিপরীত ও অসম্পূর্ণ হয়ে গেছে। D) Without working hard, you will not succeed. — এটি একটি Simple sentence, অথচ প্রশ্ন চেয়েছে Compound sentence করার নিয়ম। মনে রাখার টিপস: Unless যুক্ত Complex বাক্যে negative অর্থ থাকলে Compound করার সময় মাঝখানে or বসাতে হয়।
9. Move or die. (Make it simple).
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) In case of your failure to move will you die. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে 'Move or die' একটি compound sentence যার অর্থ নড়ো নতুবা মরো। এর সঠিক simple রূপ হলো C অপশনটি কারণ এটি শর্ত বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You shall move to die — এই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় তুমি মরার জন্য নড়বে যা মূল বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। B) If you don't move, you will die — এই গঠনটি complex sentence-এর উদাহরণ যা simple sentence নয়। C) In case of your failure to move will you die — এটি সঠিক simple sentence গঠন এবং শর্ত বোঝায়। D) You will to move to die — এই বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন ভুল এবং এর কোনো অর্থ হয় না। মনে রাখার টিপস: Or যুক্ত compound sentence-কে simple করতে হলে In case of দিয়ে শুরু করতে হয়।
10. কোন প্রকারের বাক্যের মাধ্যমে প্রবল অনুভূতি প্রকাশ পায়?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Exclamatory sentence কেন সঠিক: Exclamatory sentence বা বিস্ময়সূচক বাক্যের মূল কাজ হলো মনের হঠাৎ জন্ম নেওয়া গভীর আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময় বা ক্ষোভের মতো প্রবল অনুভূতি প্রকাশ করা। এই ধরনের বাক্যের শেষে সাধারণত বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসে যা তীব্র আবেগ প্রকাশকে নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assertive sentence — এটি সাধারণ কোনো তথ্য, বিবৃতি বা সত্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনো প্রবল অনুভূতি থাকে না। B) Exclamatory sentence — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Optative sentence — এটি দিয়ে মূলত কারো প্রতি কোনো দোয়া, প্রার্থনা বা শুভকামনা প্রকাশ করা বোঝায়। D) Interrogative sentence — এটি ব্যবহার করা হয় মূলত কোনো কিছু সম্পর্কে জানার জন্য প্রশ্ন করার উদ্দেশ্যে। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন থাকে এবং মনের ভেতর থেকে হঠাৎ কোনো আবেগ প্রকাশ পায়, চোখ বন্ধ করে তাকে Exclamatory sentence বলে চিনে নেবে।
11. The earth ___ round the sun.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) goes কেন সঠিক: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে, এটি একটি চিরন্তন সত্য ঘটনা। চিরন্তন সত্য ও অভ্যাসগত কাজের ক্ষেত্রে সবসময় Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়। এখানে subject হলো The earth যা একটি একবচন নামবাচক শব্দ। তাই মূল verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয়ে goes হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) goes — এটি সঠিক উত্তর। B) went — এটি Past Tense, তাই চিরন্তন সত্য বাক্যে এটি বসে না। C) is going — এটি Present Continuous Tense, যা চলমান কাজ বোঝায় এবং চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে এটি ভুল। D) gone — এটি Past Participle রূপ, একা কখনো মূল verb হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে চিরন্তন সত্য, অভ্যাস বা নিত্যদিনের কাজ বোঝালে চোখ বন্ধ করে Present Indefinite Tense (verb এর সাথে s বা es) ব্যবহার করবে।
12. Our office requires that we ___ our work timely.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) complete কেন সঠিক: বাক্যের মূল verb টি require হওয়ায় এবং এর পরে that থাকায় subjunctive mood এর নিয়ম অনুযায়ী verb এর base form বসে। এখানে subject we এর পরে কোনো tense পরিবর্তন না করে সরাসরি complete বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) complete — এটি সঠিক উত্তর। B) should complete — subjunctive mood এ should ব্যবহার করা বাহুল্য এবং ভুল। C) have completed — এটি present perfect tense যা এখানে নিয়ম অনুযায়ী বসে না। D) completed — এটি past tense যা subjunctive mood এর নিয়মের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: require, demand, suggest এর মতো verb এর পরে that থাকলে verb এর base form বসে।
13. Neptune is very cold planet, and ___
Created 3 weeks ago | Updated 40 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) so is Uranus কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশ 'Neptune is very cold planet' এ 'is' (BE verb) এবং 'very cold' (adjective) ব্যবহৃত হয়েছে। তাই অনুরূপ আরেকটি বিষয় বোঝাতে 'so + verb + subject' গঠন অনুযায়ী 'so is Uranus' সঠিক হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) so does Uranus — মূল বাক্যে কোনো do বা does জাতীয় auxiliary verb নেই, তাই এটি ভুল। B) so has Uranus — মূল বাক্যে possessive বা perfect tense এর has ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই, তাই এটি ভুল। C) so is Uranus — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, এটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) Uranus so — ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'so' কখনো সাবজেক্টের পরে বসে না। মনে রাখার টিপস: পূর্বের বাক্যে BE verb থাকলে পরের অংশেও so এর পরে একই tense এর BE verb বসবে।
14. Choose the correct sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Repeat it কেন সঠিক: - 'Repeat' শব্দের অর্থ কোনো কিছু পুনরায় বলা বা করা। - এর সঙ্গে 'again' বা 'once again' যুক্ত করলে সুপারফ্লুয়াস বা বাহুল্য দোষ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repeat it again — 'Repeat' এবং 'again' একই অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটায়, তাই এটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট। B) Repeat it — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং নির্ভুল রূপ। C) Repeat it again and again — এটি অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার এবং বাহুল্য দোষে দুষ্ট। D) Repeat it once again — 'Repeat' শব্দের সাথে 'once again' ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় ও ভুল। মনে রাখার টিপস: 'Repeat' মানেই পুনরায় করা, তাই এর সাথে 'again' ব্যবহার করা যাবে না।
15. Choose the correct sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He wants to resign the post. কেন সঠিক: resign verb টি যখন কোনো পদ বা চাকরি ত্যাগ করা অর্থে ট্রানজিটিভ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন এর পরে কোনো preposition বসে না। তাই resign এবং the post এর মাঝে কোনো অতিরিক্ত শব্দ না থাকায় এই বাক্যটি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He wants to resign the post — এটি সঠিক বাক্য এবং এখানে কোনো ভুল নেই। B) He wants to resign from the post — এখানে resign এর পরে unnecessary from preposition ব্যবহারের কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে। C) He wants to resign to the post — এখানে নিয়ম বহির্ভূতভাবে to preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) He wants to resign on the post — এখানে on preposition এর ব্যবহার সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল। মনে রাখার টিপস: resign যখন চাকরি বা পদ ত্যাগ করা বোঝায়, তখন সরাসরি অবজেক্ট নেয় এবং মাঝখানে কোনো preposition বসে না।
16. Choose the correct sentence.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He resembles his father কেন সঠিক: Resemble একটি transitive verb যার পরে কোনো preposition বসে না। তাই subject এর পরে সরাসরি object বসে বাক্যটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He resembles to his father — Resemble verb এর পরে ভুলভাবে to preposition ব্যবহার করা হয়েছে। B) He resembles as his father — এখানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে as preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He resembles his father — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই। D) He resembles like his father — Resemble এবং like এর অর্থ একই রকম হওয়ায় একসাথে ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: Resemble শব্দের অর্থ মিল থাকা। এর সাথে কৌতূহলবশত to বা like বসাবেন না, কারণ এটি সরাসরি object গ্রহণ করে।
17. Very few countries in the world ___ by monarchs.
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) are now ruled কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের সাবজেক্ট হলো 'Very few countries', যা বহুবচন এবং এটি নিজে নিজে শাসন করতে পারে না, বরং অন্যের দ্বারা শাসিত হয়। তাই বাক্যটি প্যাসিভ ভয়েসে হবে এবং সাবজেক্ট বহুবচন হওয়ায় সঠিক সাহায্যকারী ভাব হিসেবে 'are' ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম 'ruled' বসেছে। এছাড়া বর্তমান সময়ের কথা বোঝাতে 'now' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) now rule — এটি অ্যাক্টিভ ফর্ম, যার অর্থ দেশগুলো নিজে শাসন করে, যা অর্থপূর্ণ নয়। খ) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) now ruled — এটি পাস্ট টেন্স বা অসমাপিকা ক্রিয়া প্রকাশ করে, যা বাক্যের বর্তমান কালের অর্থ প্রকাশে ব্যর্থ হয়। ঘ) now rules — এখানে 'rules' একবচন, কিন্তু সাবজেক্ট 'Very few countries' হলো বহুবচন। মনে রাখার টিপস: বাক্যের সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে অন্যের দ্বারা কাজ সম্পন্ন করায়, তবে সবসময় প্যাসিভ ভয়েস ব্যবহার করতে হবে এবং সাবজেক্টের নাম্বার অনুযায়ী ভার্ব বসবে।
18. Our examination ___ on 17 December.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) begins কেন সঠিক: নির্দিষ্ট সময়সূচি বা রুটিন অনুযায়ী ভবিষ্যতে হতে যাওয়া নির্ধারিত কাজ বোঝাতে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়। এখানে পরীক্ষা শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ থাকায় মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত করে সঠিক রূপটি বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) begins - এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যটিকে সঠিক প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে রূপান্তর করেছে। B) has begun - এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা ভবিষ্যতের নির্ধারিত কোনো ঘটনা প্রকাশ করতে পারে না। C) begun - এটি পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যার আগে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) is beginning - এটি কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা ভবিষ্যতের রুটিনবদ্ধ ও আনুষ্ঠানিক সূচির ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট রুটিন বা সময়সূচি বোঝাতে সবসময় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করবে।
19. If you are suffering from fever, you ___ a doctor.
Created 3 weeks ago | Updated 42 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) had better consult কেন সঠিক: - বাক্যে কোনো উপদেশ বা ভালো পরামর্শ বোঝাতে 'had better' ব্যবহার করা হয়। - 'had better' এর পর সবসময় verb এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে, তাই এখানে consult সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will consult — ভবিষ্যতে কোনো কাজ ঘটবে বোঝালে will বসে, কিন্তু এটি ভবিষ্যতের সাধারণ বাক্য নয় বরং তাৎক্ষণিক উপদেশমূলক বাক্য। B) had better consult — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর গঠন নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং অর্থপূর্ণ। C) had had consulted — এই ধরনের ব্যাকরণগত গঠন ইংরেজি ব্যাকরণে হয় না এবং এটি অর্থহীন। D) had better consulted — had better এর পর verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বা ed যুক্ত রূপ বসে না, সর্বদা মূল রূপ বসে। মনে রাখার টিপস: had better দেখলেই বুঝে নেবে এর পরে সবসময় verb এর বেস ফর্ম বসে এবং এটি পরামর্শ দিতে ব্যবহৃত হয়।
20. Prior ___ Paris. I visited London.
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to visiting কেন সঠিক: এখানে Prior শব্দটির পর একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে preposition হিসেবে to বসে। এরপর যদি মূল verb ব্যবহার করতে হয়, তবে তার সাথে ing যুক্ত করে gerund বানাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) visiting — এখানে preposition হিসেবে to বাদ পড়েছে তাই এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। B) to visiting — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এখানে সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়েছে। C) to visit — এখানে to এর পর verb এর base form বসেছে কিন্তু এখানে gerund প্রয়োজন। D) coming — এটি বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এর সাথে প্রয়োজনীয় শব্দ নেই। মনে রাখার টিপস: Prior to একটি phrase যার পর verb আসলে তার সাথে সবসময় ing যুক্ত করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

1. একজন ব্যক্তি প্রতিমাসে ১,৪০০ টাকা সঞ্চয় করেন এবং তার মাসিক আয়ের ৮০% খরচ করেন। তার মাসিক আয় কত?
Created 3 weeks ago | Updated 20 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০০০ প্রদত্ত তথ্য: প্রতিমাসে সঞ্চয় করেন ১,৪০০ টাকা মাসিক আয়ের খরচ করেন ৮০% ধরি, মোট মাসিক আয় = ১০০% অতএব, মাসিক সঞ্চয়ের পরিমাণ = ১০০% − ৮০% = ২০% সুতরাং, ২০% এর মান = ১,৪০০ টাকা ১০০% এর মান = ১,৪০০ × ১০০ ÷ ২০ = ৭,০০০ টাকা উত্তর: ৭০০০ টাকা
2. কোনটি ক্ষুদ্রতম?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিলিমিটার প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্যের পরিমাপের চারটি একক দেওয়া আছে। এককগুলো হলো ডেসিমিটার, সেন্টিমিটার, ডেকামিটার এবং মিলিমিটার। ধরি, এক মিটার সমান দশ ডেসিমিটার। এক মিটার সমান একশ সেন্টিমিটার। অতএব, এক মিটার সমান এক হাজার মিলিমিটার। এক ডেকামিটার সমান দশ মিটার। সুতরাং, সবচেয়ে ছোট এককটি হলো মিলিমিটার। উত্তর: মিলিমিটার
3. ৬টি সংখ্যার গড় ৬। যদি প্রত্যেক সংখ্যা থেকে ৩ বিয়োগ করা হয়, তবে নতুন সংখ্যা গুলোর গড় কত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: ৬টি সংখ্যার গড় = ৬ প্রত্যেক সংখ্যা থেকে বিয়োগ করা হয় = ৩ ধরি, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = ৬ × ৬ = ৩৬ মোট সংখ্যা = ৬ অতএব, প্রতিটি সংখ্যা থেকে ৩ বিয়োগ করলে মোট কমে যায় = ৬ × ৩ = ১৮ নতুন সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = ৩৬ − ১৮ = ১৮ সুতরাং, নতুন সংখ্যাগুলোর গড় = ১৮ ÷ ৬ = ৩ উত্তর: ৩
4. ১ ডজন ডিমের দাম ৬০ টাকা হলে, ৪৫ টাকায় কয়টি ডিম পাওয়া যাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ টি প্রদত্ত তথ্য: ১ ডজন বা ১২ টি ডিমের দাম ৬০ টাকা ধরি, ৬০ টাকায় পাওয়া যায় = ১২ টি ডিম অতএব, ১ টাকায় পাওয়া যায় = ১২ ÷ ৬০ টি ডিম সুতরাং, ৪৫ টাকায় পাওয়া যায় = (১২ × ৪৫) ÷ ৬০ টি ডিম উত্তর: ৯ টি
5. একটি শ্রেণিতে ১০ জন ছাত্রের প্রত্যেকে তার সহপাঠীর সংখ্যার সমান চাঁদা দিলে মোট কত টাকা চাঁদা উঠবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০ প্রদত্ত তথ্য: শ্রেণিতে মোট ছাত্রের সংখ্যা = ১০ জন ধরি, প্রতিটি ছাত্র চাঁদা দেয় = মোট ছাত্র − ১ জন প্রতিটি ছাত্র চাঁদা দেয় = ১০ − ১ = ৯ টাকা অতএব, ১০ জন ছাত্র মোট চাঁদা দেয় = ১০ × ৯ টাকা ১০ জন ছাত্র মোট চাঁদা দেয় = ৯০ টাকা সুতরাং, মোট চাঁদার পরিমাণ = ৯০ টাকা উত্তর: ৯০
6. প্রথম ১০ কেজি পরিবহনের জন্য প্রতি কেজিতে ৫ টাকা এবং ১০ কেজির উপরে প্রতি কেজিতে ৪ টাকা ফি নেওয়া হয়। ২৭ কেজি পরিবহনের জন্য কত ফি দিতে হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 17 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১৮ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ১০ কেজি পরিবহনের জন্য প্রতি কেজিতে ফি = ৫ টাকা ১০ কেজির উপরে প্রতি কেজিতে ফি = ৪ টাকা মোট পরিমাপ = ২৭ কেজি ধরি, প্রথম ১০ কেজির জন্য মোট ফি = ১০ × ৫ টাকা = ৫০ টাকা বাকি কেজির পরিমাণ = ২৭ − ১০ কেজি = ১৭ কেজি অতএব, ১৭ কেজির জন্য মোট ফি = ১৭ × ৪ টাকা = ৬৮ টাকা সুতরাং, মোট ফি দিতে হবে = ৫০ টাকা + ৬৮ টাকা = ১১৮ টাকা উত্তর: ১১৮ টাকা
7. ২০% ডিসকাউন্টের পরে একটি বইয়ের খরচ দাঁড়ায় ৪০০ টাকা। তবে বইটির প্রকৃত মূল্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 19 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ২০% ডিসকাউন্টের পরে বইটির খরচ = ৪০০ টাকা ডিসকাউন্টের হার = ২০% ধরি, বইটির প্রকৃত মূল্য = ১০০% ডিসকাউন্টের পরে মূল্য = ১০০% − ২০% = ৮০% অতএব, ৮০% মূল্য সমান চারশত টাকা ১% মূল্য সমান চারশত ভাগ ৮০ টাকা সুতরাং, ১০০% বা প্রকৃত মূল্য সমান চারশত গুণ ১০০ ভাগ ৮০ টাকা সমান পাঁচশত টাকা উত্তর: ৫০০ টাকা
8. একটি চেয়ার ১৮০ টাকায় বিক্রি করায় ২০% লাভ হলো। চেয়ারটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ১৮০ টাকা লাভের হার = ২০% ধরি, চেয়ারটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ২০ = ১২০ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১২০ ভাগের ১০০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১৮০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ১৮০) ÷ ১২০ = ১৫০ টাকা উত্তর: ১৫০ টাকা
9. ক্রয়মূল্য C টাকা এবং বিক্রয়মূল্য P টাকা হলে মুনাফা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) P − C প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য = C টাকা বিক্রয়মূল্য = P টাকা ধরি, মুনাফা বা লাভ হলো বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের মধ্যকার পার্থক্য যখন বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি হয় তখন মুনাফা হয় অতএব, মুনাফা বের করতে হলে বিক্রয়মূল্য থেকে ক্রয়মূল্য বাদ দিতে হবে অর্থাৎ লাভের পরিমাণ সমান বিক্রয়মূল্য বিয়োগ ক্রয়মূল্য সুতরাং, মুনাফা = P টাকা − C টাকা উত্তর: P − C
10. ৩ : ৫ অনুপাত বিশিষ্ট দুটি সংখ্যার সমষ্টি ৫৬ হলে, সংখ্যা দুটির অন্তর কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৩ : ৫ সংখ্যা দুটির সমষ্টি = ৫৬ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক অতএব, প্রশ্নমতে, ৩ক + ৫ক = ৫৬ ৮ক = ৫৬ ক = ৫৬ ÷ ৮ = ৭ সুতরাং, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ৭ = ২১ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ × ৭ = ৩৫ উত্তর: সংখ্যা দুটির অন্তর = ৩৫ − ২১ = ১৪
11. কতজন বালককে ১৫০টি কমলা লেবু এবং ১৪৫টি কলা সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যায়?
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট কমলা লেবু আছে ১৫০টি মোট কলা আছে ১৪৫টি ধরি, বালকের সংখ্যা দ্বারা ১৫০ এবং ১৪৫ উভয় সংখ্যাটি নিঃশেষে বিভাজ্য হবে অর্থাৎ বালকের সংখ্যা হবে ১৫০ এবং ১৪৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক অতএব, ১৫০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৫, ৬, ১০ এবং আরও অন্যান্য ১৪৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৯ এবং ১৪৫ সুতরাং, ১৫০ এবং ১৪৫ এর গসাগু বা বৃহত্তম সাধারণ উৎপাদক হলো ৫ উত্তর: ৫ জন
12. দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল তাদের যোগফলের ১/৩ অংশ। সংখ্যা দুইটির অনুপাত কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ ঃ ১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির বিয়োগফল তাদের যোগফলের এক তৃতীয়াংশ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক − খ = (ক + খ) ÷ ৩ ৩ × (ক − খ) = ক + খ সুতরাং, ৩ক − ৩খ = ক + খ ৩ক − ক = ৩খ + খ উত্তর: ২ক = ৪খ, তাই ক ঃ খ = ২ ঃ ১
13. একজন লোক সপ্তাহে ৪৫০ টাকা আয় করেন এবং ৩০০ টাকা ব্যয় করেন। তার আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত কত?
Created 3 weeks ago | Updated 19 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ঃ ১ প্রদত্ত তথ্য: লোকটির সাপ্তাহিক আয় = ৪৫০ টাকা লোকটির সাপ্তাহিক ব্যয় = ৩০০ টাকা ধরি, আয় = ৪৫০ টাকা ব্যয় = ৩০০ টাকা অতএব, সঞ্চয় = আয় − ব্যয় সঞ্চয় = ৪৫০ − ৩০০ সঞ্চয় = ১৫০ টাকা সুতরাং, আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত = ৪৫০ ঃ ১৫০ আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত = ৩ ঃ ১ উত্তর: ৩ ঃ ১
14. আসল-মুনাফা একত্রে ১,২৫০ টাকা মুনাফা আসলের ১/৪ অংশ হলে, আসল কত টাকা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০০ প্রদত্ত তথ্য: আসল ও মুনাফার সমষ্টি = ১২৫০ টাকা মুনাফা আসলের ১ ÷ ৪ অংশ ধরি, আসল = ক টাকা মুনাফা = ক ÷ ৪ টাকা অতএব, আসল + মুনাফা = ক + (ক ÷ ৪) ক + (ক ÷ ৪) = ১২৫০ (৫ক) ÷ ৪ = ১২৫০ সুতরাং, ৫ক = ১২৫০ × ৪ ৫ক = ৫০০০ ক = ৫০০০ ÷ ৫ ক = ১০০০ উত্তর: ১০০০ টাকা
15. কোন আসল ৩ বছরের মুনাফা-আসলে ৫,৫০০ টাকা হয়। মুনাফা-আসলের ৩/৮ অংশ হলে, মুনাফার হার কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১২৫ প্রদত্ত তথ্য: সময় = ৩ বছর মুনাফা-আসল = ৫,৫০০ টাকা ধরি, মুনাফা-আসল = ক টাকা মুনাফা = ক এর ৩/৮ অংশ অতএব, মুনাফা = ৩ক/৮ টাকা আসল = ক − (৩ক/৮) টাকা আসল = ৫ক/৮ টাকা সুতরাং, ৫ক/৮ = ৫,৫০০ ক = ৮,৮০০ টাকা মুনাফা = (৮,৮০০ × ৩) ÷ ৮ = ৩,৩০০ টাকা উত্তর: মুনাফার হার = (৩,৩০০ ÷ ৮,৮০০) ÷ ৩ = ০.১২৫
16. শতকরা বার্ষিক কত মুনাফায় ৩,০০০ টাকার ৫ বছরের মুনাফা ১,৫০০ টাকা হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ৩০০০ টাকা সময়, n = ৫ বছর মোট মুনাফা, I = ১৫০০ টাকা ধরি, বার্ষিক মুনাফার হার = r অতএব, আমরা জানি, মুনাফা, I = P × n × r সুতরাং, ১৫০০ = ৩০০০ × ৫ × r সুতরাং, ১৫০০ = ১৫০০০ × r r = ১৫০০ ÷ ১৫০০০ উত্তর: ০.১
17. ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্ব ৩০০ কিলোমিটার এবং ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব ১৮০ কিলোমিটার। ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব, ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্বের কত অংশ?
Created 3 weeks ago | Updated 11 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০% প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্ব = ৩০০ কিলোমিটার ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব = ১৮০ কিলোমিটার ধরি, মোট দূরত্ব = ৩০০ কিলোমিটার নির্ণেয় দূরত্ব = ১৮০ কিলোমিটার অতএব, দূরত্বের অনুপাত = ১৮০ ÷ ৩০০ ভগ্নাংশে রূপান্তর = ১৮০ / ৩০০ সুতরাং, শতকরা প্রকাশ = (১৮০ × ১০০) ÷ ৩০০ হিসাব করে পাই = ৬০% উত্তর: ৬০%
18. একটি সংখ্যার ১২% নিলে ৯৬ পাওয়া যায়, সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার ১২% নিলে ৯৬ পাওয়া যায় ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ১২% = ৯৬ সুতরাং, ক × (১২ ÷ ১০০) = ৯৬ উত্তর: ক = (৯৬ × ১০০) ÷ ১২ = ৮০০
19. ২৫০ টাকার ৮% কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ২৫০ টাকা শতকরা হার = ৮% ধরি, নির্ণেয় টাকার পরিমাণ = ক টাকা অতএব, ক = ২৫০ এর ৮% ক = ২৫০ × (৮ ÷ ১০০) সুতরাং, ক = ২০০০ ÷ ১০০ ক = ১০ উত্তর: ১০
20. ১৮ ফুট × ১২ ফুট মাপের ফ্লোর সর্বোচ্চ বর্গাকৃতির (বর্গফুট) মাপের কতটি টাইলসে ঢাকা যাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ টি প্রদত্ত তথ্য: ফ্লোরের দৈর্ঘ্য = ১৮ ফুট ফ্লোরের প্রস্থ = ১২ ফুট ধরি, টাইলসের বাহুর দৈর্ঘ্য হবে ১৮ ও ১২ এর গসাগু অতএব, ১৮ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ২, ৩, ৬, ৯, ১৮ ১২ এর উৎপাদকগুলি হলো ১, ২, ৩, ৪, ৬, ১২ সুতরাং, সবচেয়ে বড় বর্গাকৃতির টাইলসের বাহু হবে ৬ ফুট ফ্লোরের ক্ষেত্রফল = ১৮ × ১২ = ২১৬ বর্গফুট একটি টাইলসের ক্ষেত্রফল = ৬ × ৬ = ৩৬ বর্গফুট উত্তর: ২১৬ ÷ ৩৬ = ৬ টি

মোট প্রশ্ন (18)

1. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী রপ্তানী করে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করা হয় যুক্তরাজ্যে। - যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্যের অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম গন্তব্যস্থল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে, রপ্তানি করে না। B) ভারত — ভারত বাংলাদেশের অন্যতম আমদানি অংশীদার দেশ, শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য নয়। C) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। D) জাপান — জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার রয়েছে তবে তা শীর্ষস্থানীয় বা যুক্তরাজ্যের চেয়ে বেশি নয়। মনে রাখার টিপস: আমদানি মানে চীন আর রপ্তানি মানে যুক্তরাজ্য, এই পার্থক্যটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
2. জাতি রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ম্যাকিয়াভেলি কেন সঠিক: - ইতালীয় দার্শনিক নিকলো ম্যাকিয়াভেলি তাঁর দ্য প্রিন্স গ্রন্থে প্রথম আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা ও ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির ধারণা দেন। - মধ্যযুগের ধর্মীয় প্রভাবমুক্ত স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে জাতি রাষ্ট্রের ধারণার ভিত্তি স্থাপন করেন তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাকিয়াভেলি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি আধুনিক রাষ্ট্রদর্শন ও জাতি রাষ্ট্রের ধারণার সূত্রপাত করেছিলেন। B) বিসমার্ক — তিনি জার্মানিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, তবে জাতি রাষ্ট্রের তাত্ত্বিক স্বপ্নদ্রষ্টা নন। C) হিটলার — তিনি উগ্র জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা ছিলেন, যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির একনায়ক হিসেবে পরিচিত। D) পোপ জন পল — তিনি রোমান ক্যাথলিক চার্চের পোপ এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন, রাজনৈতিক জাতি রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ম্যাকিয়াভেলিকে আধুনিক রাজনীতির জনক বলা হয় এবং তিনিই প্রথম জাতি রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
4. Apartheid কি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বর্ণ বৈষম্য কেন সঠিক: - Apartheid একটি আফ্রিকান্স শব্দ যার অর্থ পৃথকীকরণ বা বর্ণবৈষম্য নীতি। - দক্ষিণ আফریقায় সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গ সরকার কর্তৃক কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের ওপর চালিত বৈষম্যমূলক নীতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিঙ্গ বৈষম্য — এটি পুরুষ ও নারীর মধ্যকার সামাজিক বা অর্থনৈতিক বৈষম্যকে বোঝায়, যা Apartheid শব্দের সঠিক অর্থ নয়। B) ধর্ম বৈষম্য — এটি বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ বা বৈষম্য নির্দেশ করে, যা বর্ণভিত্তিক Apartheid নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) বর্ণ বৈষম্য — এটি বর্ণভিত্তিক পৃথকীকরণ নীতি বোঝায়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) শিক্ষা বৈষম্য — এটি শিক্ষাক্ষেত্রে সুযোগের অসমতা বা বৈষম্য নির্দেশ করে, যা এই নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক শব্দের অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: Apartheid শব্দের শুরু হয় A অক্ষর দিয়ে এবং এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
8. পৃথিবীর সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান কেন সঠিক: - জাপানের মানুষের জীবনযাত্রার মান, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে গড় আয়ু বিশ্বে সর্বাধিক। - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জাপানের নাগরিকদের গড় আয়ু প্রায় ৮৪ থেকে ৮৫ বছর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — নরওয়ের মানুষের গড় আয়ু অনেক বেশি হলেও তা জাপানের চেয়ে কিছুটা কম। B) স্পেইন — স্পেনের স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হলেও গড় আযুর দিক থেকে এটি জাপানের পরে অবস্থান করে। C) জাপান — এটি বর্তমান প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ। D) চীন — চীনের জনসংখ্যা ও অর্থনীতির আকার বড় হলেও গড় আয়ু জাপানের তুলনায় কম। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা মাছ ও স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খায়, তাই তাদের আয়ু বেশি এবং জ দিয়ে জাপান ও জীবন দীর্ঘ হয়।
9. পৃথিবীর সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৩ সালে ভারত জনসংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। - বর্তমানে ভারতের জনসংখ্যা একশ চল্লিশ কোটির বেশি যা বৈশ্বিক জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — অতীতে সর্বাধিক জনবহুল দেশ হলেও বর্তমানে জনসংখ্যার হ্রাসের কারণে এটি দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে গেছে। B) রাশিয়া — আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও এর মোট জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশ কম। C) ভারত — এটি বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) কানাডা — এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ হলেও অত্যন্ত কম জনসংখ্যার কারণে এটি এই তালিকার বাইরে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাম্প্রতিক জনসংখ্যার পরিবর্তনের হিসাব মনে রাখতে ভারত ও চীন এই দুটি দেশের অবস্থান ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
10. বাংলাদেশে বর্তমানে বিভাগের সংখ্যা কয়টি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮টি কেন সঠিক: - বর্তমানে বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগের সংখ্যা আটটি। - ২০১৫ সালের চৌঠা সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত হওয়ার পর বিভাগের মোট সংখ্যা আটটিতে উন্নীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ একসময় বিভাগের সংখ্যা ছয়টি ছিল, যা পরবর্তীতে বৃদ্ধি পেয়েছে। B) ৭টি — রংপুর বিভাগ গঠিত হওয়ার পর বিভাগের সংখ্যা সাতটি হয়েছিল, যা ময়মনসিংহ বিভাগ গঠনের পূর্বে সঠিক ছিল। C) ৮টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ময়মনসিংহ বিভাগ যোগ হওয়ার পর মোট বিভাগের সংখ্যা আটটি হয়েছে। D) ৯টি — বাংলাদেশে বর্তমানে কোনো নবম বিভাগ গঠিত হয়নি, তাই এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মানচিত্রে আটটি বিভাগ রয়েছে, যার সর্বশেষ বা অষ্টম বিভাগটি হলো ময়মনসিংহ।
11. বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ রপ্তানী বাজার?
Created 3 weeks ago | Updated 16 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পণ্যের সবচেয়ে বড় গন্তব্য বা রপ্তানি বাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। - বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পণ্যের প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি বাংলাদেশের অন্যতম আমদানির উৎস হলেও একক দেশ হিসেবে বৃহত্তম রপ্তানি বাজার নয়। B) যুক্তরাজ্য — এটি বাংলাদেশের একটি বড় রপ্তানি বাজার হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এর পরিমাণ কম। C) জাপান — এটি বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার ও রপ্তানি গন্তব্য হলেও বৃহত্তম রপ্তানি বাজার নয়। D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়ের উৎস। মনে রাখার টিপস: রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র সবার সেরা, পোশাক বিক্রিতে আমেরিকার জুড়ি মেলা ভার।
12. বাংলাদেশে বিদ্যুৎ শক্তির উৎস-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য খনিজ তেল বা ডিজেল ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। - দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিংহভাগই আসে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে। - পাহাড়ি নদীতে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যেমন কর্ণফুলী নদীর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খনিজ তেল — এটি একমাত্র উৎস নয়, কারণ গ্যাস ও পানির মাধ্যমেও বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। B) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি প্রধান উৎস হলেও একমাত্র উৎস নয়, তেল ও জলবিদ্যুৎও ব্যবহৃত হয়। C) পাহাড়ি নদী — এটি দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদিত হলেও দেশের মোট চাহিদার সম্পূর্ণ অংশ এখান থেকে মেটানো যায় না। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনের মাধ্যমে খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পাহাড়ি নদী সবগুলোকেই সঠিক উৎস হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উপকরণ গ্যাস, তেল ও নদী বা পানি।
15. বিদেশে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম কেন সঠিক: - জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। - বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ বর্তমানে শান্তিরক্ষী প্রেরণে শীর্ষ দেশ। B) দ্বিতীয় — বাংলাদেশ একসময় দ্বিতীয় বা অন্যান্য অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে শীর্ষস্থানে উন্নীত হয়েছে। সি) পঞ্চম — বাংলাদেশ পঞ্চম অবস্থানে নেই, বরং শান্তিরক্ষী সরবরাহে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। ডি) দশম — বাংলাদেশ দশম অবস্থানে নয়, বর্তমানে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অবদানের দিক থেকে প্রথম স্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: শান্তিরক্ষা মিশনে অবদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময় সবার আগে বা প্রথম স্থানে থাকে।
18. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - আয়তনের দিক থেকে ময়মনসিংহ বাংলাদেশের আটটি বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ছোট বিভাগ। - ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর গঠিত হওয়া এই বিভাগের মোট আয়তন প্রায় ১০,৪৮৮ বর্গকিলোমিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ আয়তনে এটি দেশের সর্বনিম্ন আয়তনবিশিষ্ট বিভাগ। B) বরিশাল — এটি দেশের অন্যতম ছোট বিভাগ হলেও আয়তনে ময়মনসিংহের চেয়ে বড়। C) রাজশাহী — এটি আয়তনে ময়মনসিংহের তুলনায় অনেক বড় একটি বিভাগ। D) সিলেট — এটিও আয়তনে ময়মনসিংহের চেয়ে বড় বিভাগ। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ বিভাগ সবার পরে গঠিত হয়েছে এবং আয়তনের দিক থেকেও এটি সবার ছোট।