a মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
b মুহম্মদ এনামুল হক
c সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
d মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থটির রচয়িতা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। - এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন। - গ্রন্থটি ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের 'ওডিবিএল' (The Origin and Development of the Bengali Language) ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ইতিহাসের ওপর লেখা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিশ্বখ্যাত ও মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎস নিয়ে রচিত অপর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিদ হলেও এই ব্যাকরণ গ্রন্থটির রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। B) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচনা নয়। C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯২৬ সালে এই প্রখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হলেও এই ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থটি তার রচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ মানেই সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, এভাবে সাল ১৯২৬ সহ মনে রাখতে পারো। - সুনীতি মানে নীতি বা নিয়ম, আর ব্যাকরণ মানেই নিয়ম ও শৃঙ্খলার শাস্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও ইতিহাস রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ১৯২৬ সালের এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ হিসেবে পরিচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0