a রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
b রাজশেখর বসু
c অশোক মুখোপাধ্যায়
d হরিচরণ দে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় প্রথম মুদ্রিত ও পূর্ণাঙ্গ অভিধান সংকলন করেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। তার সংকলিত এই অভিধানটির নাম বঙ্গভাষা অভিধান যা ১৮১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ও শিক্ষাবিদ। তিনি কলকাতার সংস্কৃত কলেজের সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: হরিচরণ দের বঙ্গীয় শব্দকোষ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রামাণিক ঐতিহাসিক অভিধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম বাংলা অভিধান সংকলন করেছিলেন। B) রাজশেখর বসু — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত lexicographer বা শব্দকোষকার যিনি চলিত ভাষার অভিধান বা চলন্তিকা সংকলন করেছিলেন। C) অশোক মুখোপাধ্যায় — তিনি আধুনিককালের বাংলা অভিধান ও প্রাবন্ধিক জগতের সঙ্গে যুক্ত, প্রথম অভিধান প্রণেতা নন। D) হরিচরণ দে — তিনি বিখ্যাত বঙ্গীয় শব্দকোষ অভিধানের রচয়িতা যা বিশ শতকের প্রথমার্ধে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রথম অভিধান মানেই রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ আর প্রথম ব্যাকরণ মানেই রাজা রামমোহন রায়। নাম মনে রাখার জন্য ব দিয়ে বাংলা ব্যাকরণ আর রামমোহন মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্য, ব্যাকরণ ও অভিধানের প্রথম প্রকাশ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গ্রন্থের নাম এবং প্রকাশের সালগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0