জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ডাটা এন্ট্রি/ কন্ট্রোল অপারেটর পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (60)

1. বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলন করেন কে?
Created 3 weeks ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় প্রথম মুদ্রিত ও পূর্ণাঙ্গ অভিধান সংকলন করেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। তার সংকলিত এই অভিধানটির নাম বঙ্গভাষা অভিধান যা ১৮১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ও শিক্ষাবিদ। তিনি কলকাতার সংস্কৃত কলেজের সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: হরিচরণ দের বঙ্গীয় শব্দকোষ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রামাণিক ঐতিহাসিক অভিধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম বাংলা অভিধান সংকলন করেছিলেন। B) রাজশেখর বসু — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত lexicographer বা শব্দকোষকার যিনি চলিত ভাষার অভিধান বা চলন্তিকা সংকলন করেছিলেন। C) অশোক মুখোপাধ্যায় — তিনি আধুনিককালের বাংলা অভিধান ও প্রাবন্ধিক জগতের সঙ্গে যুক্ত, প্রথম অভিধান প্রণেতা নন। D) হরিচরণ দে — তিনি বিখ্যাত বঙ্গীয় শব্দকোষ অভিধানের রচয়িতা যা বিশ শতকের প্রথমার্ধে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রথম অভিধান মানেই রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ আর প্রথম ব্যাকরণ মানেই রাজা রামমোহন রায়। নাম মনে রাখার জন্য ব দিয়ে বাংলা ব্যাকরণ আর রামমোহন মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্য, ব্যাকরণ ও অভিধানের প্রথম প্রকাশ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গ্রন্থের নাম এবং প্রকাশের সালগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
2. আলাওল কোন শতাব্দীর কবি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তদশ ১. কেন সঠিক: মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান ও খ্যাতিমান কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। তিনি মূলত মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং এই ধারাটি সপ্তদশ শতাব্দীতেই সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও অনুবাদক। তার অমর সৃষ্টি 'পদ্মাবত' কাব্যটি সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে রচিত হয় এবং এটি তার সাহিত্যকীর্তির প্রধান নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজী ব্যাখ্যা: দৌলত কাজীও সপ্তদশ শতাব্দীর আরাকান রাজসভার আরেকজন বিখ্যাত কবি যিনি 'সতী ময়না লোরচন্দ্রানী' কাব্য রচনা করেন। উদাহরণ ২: সৈয়দ সুলতান ব্যাখ্যা: সৈয়দ সুলতান ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিক ও সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর সময়ের বিশিষ্ট কবি যিনি 'নবীকুলমঞ্জরী' ও 'শবেমেরাজ' রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চদশ — পঞ্চদশ শতাব্দী শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের যুগ হিসেবে পরিচিত, যেখানে আলাওল ছিলেন না। B) ষোড়শ — ষোড়শ শতাব্দী হলো চৈতন্যদেব ও চৈতন্যোত্তর ভক্তি সাহিত্য এবং শ্রীধর কথক বা মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর যুগ, আলাওলের সময়কাল এটি নয়। D) অষ্টাদশ — অষ্টাদশ শতাব্দী হলো ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর এবং মরমী সাধক রামপ্রসাদ সেনের যুগ, যা আলাওলের বহু পরের সময়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল স দিয়ে শুরু সপ্তদশ শতাব্দীর কবি হিসেবে মনে রাখতে পারেন। তার বিখ্যাত পদ্মাবত কাব্যটি সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে রচিত হয়েছিল বলে শতক মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের শতাব্দী বা রাজসভা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কবি আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন এবং তার শ্রেষ্ঠ কাব্য পদ্মাবত কোন শতকের রচনা, তা ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
5. 'গজানন' কোন সমাস?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - গজ অর্থ হাতি এবং আনন অর্থ মুখ, যার সমস্ত পদ মিলে গতির বা অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে। - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি নতুন অর্থ বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদ দুটির বাইরে অন্য কোনো পদ প্রধান হয়। - গজানন শব্দের ব্যাসবাক্য হলো গজ আনন যার অর্থ হাতির মতো মুখ যার, এবং এর দ্বারা গণেশকে বোঝানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানি যার = বিনাপাণি ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যেখানে বীণা ও পানি ভিন্ন অর্থ না বুঝিয়ে সরস্বতীকে বোঝায়। উদাহরণ ২: দশ অক্ষি যার = দশকক্ষি ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাস যার দ্বারা রাবণকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — এই সমাসের পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু গজানন শব্দে অন্য অর্থ প্রকাশ পায়। B) দ্বন্দ্ব — এই সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় — এই সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে হয়নি। D) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি অন্য অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত শব্দের সমস্ত পদ দ্বারা কোনো দেবতা, পৌরাণিক চরিত্র বা বিশেষ কাউকে বোঝায়, তা সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে থাকা। - পরীক্ষিৎ শব্দে ব্যাসবাক্য করার সময় ব্যাসবাক্যের শেষে যার যুক্ত করতে হয়।
6. কোনটি যতিচিহ্ন নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিসর্গ ১. কেন সঠিক: - বিসর্গ একটি বর্ণ বা ধ্বনিভিত্তিক চিহ্ন, যা কোনো যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন নয়। - বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যে প্রতীকগুলো ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের প্রবর্তন করেন। - বাক্যের ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে থামার স্থান বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাড়ি ব্যাখ্যা: এটি একটি যতিচিহ্ন, যা বাক্য শেষ হলে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোলন ব্যাখ্যা: এটি একটি যতিচিহ্ন, যা একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোলন — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি অনুমোদিত যতিচিহ্ন, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) দাঁড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশক প্রধান যতিচিহ্ন, তাই এটি উত্তর হবে না। C) বিসর্গ — এটি বর্ণমালার একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ বা ধ্বনি প্রতীক, কোনো যতিচিহ্ন নয়। D) সেমিকolon — এটি কমার চেয়ে বেশি সময় থামার জন্য ব্যবহৃত একটি যতিচিহ্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা ব্যাকরণে মোট ছয়টি প্রধান যতিচিহ্ন এক সেকেন্ড থামার জন্য নির্দিষ্ট আছে, যার মধ্যে বিসর্গ নেই। - পরাশ্রয়ী বর্ণগুলো যেমন অনুস্বার, বিসর্গ, চন্দ্রবিন্দু কখনো যতিচিহ্ন হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সফল ব্যবহার করেন। - যতিচিহ্নগুলোর মধ্যে একমাত্র প্রশ্নবোধক ও বিস্ময়সূচক চিহ্ন বাক্যের শেষে বা মাঝে আবেগের প্রকাশ ঘটায়।
7. 'অজগড় বৃত্তি' বাগধারাটির অর্থ কী?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলসেমী ১. কেন সঠিক: - 'অজগড় বৃত্তি' বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো চরম অলসতা বা নিষ্ক্রিয়তা। অজগড় সাপ যেমন শিকারের আশায় অলসভাবে পড়ে থাকে, তেমনি কোনো রকম পরিশ্রম বা কর্মতৎপরতা না দেখিয়ে অলস জীবন কাটানোকে এই বাগধারা দ্বারা বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় অনেক বাগধারা প্রাণী বা প্রকৃতির বিভিন্ন আচরণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলস জীবনযাপন ব্যাখ্যা: সারাদিন কোনো কাজ না করে শুয়ে বসে কাটানোকে অজগড় বৃত্তির সাথে তুলনা করা যায়। উদাহরণ ২: কুঁড়েমি করা ব্যাখ্যা: কাজের প্রতি অনীহা ও দীর্ঘসূত্রিতাও অজগড় বৃত্তির সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলসেমী — এটি সঠিক উত্তর কারণ অজগড় বৃত্তি বাগধারাটি অলসতা বা নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ করে। B) পেটুক — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত ভোজন করা বোঝাতে পেটুক ব্যবহার করা হয়, যার সাথে অলসতার সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) অপদার্থ — এটি ভুল কারণ কোনো কাজের যোগ্য নয় এমন ব্যক্তিকে অপদার্থ বলা হয়, যা অজগড় বৃত্তির অর্থ নয়। D) লোভী — এটি ভুল কারণ অসৎ উপায়ে বা অতিরিক্ত পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে লোভ বলা হয়, যা এই বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অজগড় সাপ যেমন শিকারের জন্য নিজে নড়াচড়া না করে অলসভাবে পড়ে থাকে, তেমনি অজগড় বৃত্তি মানেই চরম আলসেমি বা কুঁড়েমি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাচক শব্দ দিয়ে গঠিত বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব প্রায়শই জানতে চাওয়া হয়। তাই শাব্দিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
16. Passive voice of ‘None likes him’ is ---
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He is liked by none. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Negative অর্থবোধক, তাই Passive করার সময় Subject-কে Object এবং Object-কে Subject করার পর negative অর্থ বজায় রাখতে by-এর পর none ব্যবহার করা হয়েছে। - Present Indefinite Tense-এর Active voice-কে Passive করার নিয়ম অনুযায়ী Subject-এর পর am/is/are এবং মূল Verb-এর Past Participle বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is no liked by anyone. — কোনো বাক্য গঠনে no liked হয় না, সঠিক গঠনে not liked অথবা none ব্যবহার করতে হয়। B) He was not liked by anyone. — প্রদত্ত বাক্যটি Present Tense-এ আছে, তাই এখানে Past Tense-এর सहायक verb was ব্যবহার করা ভুল। C) He has no been liked by anyone. — বাক্যটিতে Present Perfect Tense-এর গঠন ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল Present Indefinite Tense-এর বাক্যটির সাথে মেলে না। D) He is liked by none. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করে সঠিক Passive রূপ গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে subject হিসেবে none থাকলে Passive করার সময় সাধারণত by-এর পরে none বসিয়ে বাক্যটিকে affirmative রাখা হয়।
17. Hardly had he entered the words-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) When he began laughing কেন সঠিক: ইংরেজী গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী Hardly had এর সাথে எப்பொও When বসে। বাক্যটির অর্থ মিলছে এবং গঠন সঠিক হয়েছে। দ্বিতীয় অংশে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Than we left the room — Hardly এর সাথে Than বসে না, Scarcely এর সাথে বসে। B) When he began laughing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) As soon as everybody sat down — এটি ভিন্ন একটি স্ট্রাকচার এবং এখানে মিলছে না। D) The manager came in — এই অংশটির সাথে প্রথম অংশের ঘটনার মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Hardly had থাকলে পরের অংশে When এবং No sooner had থাকলে Than বসে।
18. Do not hanker _____ fame.
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) after কেন সঠিক: hanker শব্দের পর সাধারণত after preposition বসে যার অর্থ লোভ করা। এখানে খ্যাতির পেছনে ছোটা বা লোভ না করার অর্থে after ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — in preposition সাধারণত কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে যা এখানে সঠিক নয়। B) toward — toward preposition সাধারণত কোনো কিছুর দিকে গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) after — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) into — into preposition সাধারণত বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশের গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর পেছনে লোভ করা বা লালসা বোঝাতে hanker-এর পর সবসময় after preposition ব্যবহার করতে হয়।
19. Identify the correct sentence-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He is better and superior to me. কেন সঠিক: superior শব্দটির পরে সব সময় to preposition বসে, than বসে না। এখানে দুটি ভিন্ন adjective-এর পরে আলাদা preposition ব্যবহারের নিয়ম সঠিক রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) — superior শব্দের পরে than ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং pronoun-এর রূপ সঠিক নয়। B) — better শব্দের পরে than এবং superior শব্দের পরে to ব্যবহার করলেও গঠনটি সঠিক নয়। C) — superior শব্দের পরে than ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম নয়। D) — এই অপশনটিতে better-এর সাথে than এবং superior-এর সাথে to সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: superior, senior, junior, inferior ইত্যাদি শব্দের পরে সব সময় to বসে।
20. Words : Writer
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Butter : Baker কেন সঠিক: একজন লেখক যেমন শব্দ দিয়ে তার লেখা তৈরি করেন, তেমনি একজন বেকার বা ময়রা মূলত মাখন ব্যবহার করে বিভিন্ন খাবার তৈরি করেন। এখানে প্রথম শব্দ দিয়ে দ্বিতীয় পেশাজীবীর মূল উপাদান বা কাঁচামাল বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Laws : Policeman — এখানে আইন এবং পুলিশ একে অপরের পরিপূরক হলেও প্রথমটি কোনো কাঁচামাল নয়। B) Butter : Baker — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Chalk : Blackboard — এখানে চক এবং ব্ল্যাকবোর্ড লেখার উপকরণ, কোনো পেশাজীবীর কাঁচামাল নয়। D) Joy : Emotion — এখানে আনন্দ হলো আবেগের একটি প্রকারভেদ, কোনো তৈরির উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার ক্ষেত্রে প্রথম বস্তুটি দিয়ে দ্বিতীয় পেশাজীবীর কাজের মূল উপাদান বা কাঁচামাল বোঝানো হয় কিনা তা খেয়াল রাখতে হবে।
21. The author of “Animal Farm” novel -----
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) George Orwell কেন সঠিক: - জর্জ অরওয়েল বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক, যার প্রকৃত নাম এরিক আর্থার ব্লেয়ার। - তাঁর বিখ্যাত রূপক উপন্যাস 'অ্যানিমেল ফার্ম' প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে, যা মূলত রাজনৈতিক ও সমাজতান্ত্রিক দুর্নীতির প্রতীকী সমালোচনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) T. S. Eliot — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি ও নাট্যকার ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন। B) Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, বিংশ শতাব্দীর লেখক নন। C) George Orwell — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক হিসেবে গণ্য। D) Earnest Hemingway — তিনি একজন জনপ্রিয় মার্কিন ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক ছিলেন, যার বিখ্যাত কাজের মধ্যে 'দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি' অন্যতম। মনে রাখার টিপস: অ্যানিমেল ফার্ম উপন্যাসের খলনায়ক শুয়োরগুলোর নাম মনে রাখলেই জর্জ অরওয়েলের এই রাজনৈতিক উপন্যাসের কথা সহজেই মনে রাখা যায়।
22. “I wandered lonely as a cloud” is written by-
Created 3 weeks ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth কেন সঠিক: - এটি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা একটি জনপ্রিয় কবিতা, যার মূল শিরোনাম ড্যাফোডিলস। - প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানুষের একাকীত্বের অনুভূতি প্রকাশের জন্য এই কবিতাটি বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Rerrick — রবার্ট হেরিক একজন সপ্তদশ শতাব্দীর ইংরেজ কবি এবং ক্লেরজিমান ছিলেন, যিনি এই কবিতার রচয়িতা নন। B) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) Willian Blake — উইলিয়াম ব্লেক রোমান্টিক যুগের অপর একজন কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন, যার লেখার ধরন ও বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা। D) P.B. Shelly — পার্সি বিশ শেলি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও তিনি এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: মেঘের মতো একা ঘুরে বেড়ানোর বিখ্যাত কবিতাটি রোমান্টিক কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা।
23. Identifying the incorrectly spelt word.
Created 3 weeks ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Miscellanoous কেন সঠিক: অপশন সি তে থাকা বানানটি ভুল আছে কারণ এখানে শেষের দিকে 'anoous' ব্যবহার করা হয়েছে। সঠিক বানানটি হলো Miscellaneous যেখানে মাঝখানে 'scell' এবং শেষে 'eous' থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disappointment — এই শব্দটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এর অর্থ হলো নিরাশা। B) Committee — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যেখানে ডাবল এম, ডাবল টি এবং ডাবল ই আছে। C) Miscellanoous — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো Miscellaneous এবং এর অর্থ বিবিধ। D) Curriculum — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে এবং এর অর্থ হলো শিক্ষাক্রম। মনে রাখার টিপস: Miscellanoous বানানের শেষ অংশ মনে রাখার জন্য 'eous' অংশটি বারবার লিখে অনুশীলন করতে হবে।
24. The antonym of “Juvenile” is-
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adult কেন সঠিক: Juvenile শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অপ্রাপ্তবয়স্ক বা কিশোর। এর বিপরীত শব্দ হলো Adult যার অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি। প্রাপ্তবয়স্ক বা Adult হলো কিশোর বয়সের সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Young — এটি Juvenile শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ তরুণ বা যুবক। B) Adolescent — এটিও Juvenile শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ কিশোর বা বয়ঃসন্ধিকালের মানুষ। C) Adult — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) Childlike — এটি Juvenile শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ শিশুসুলভ। মনে রাখার টিপস: জুভেনাইল মানে শিশু বা কিশোর, আর এডাল্ট মানে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ।
25. “Nota Bene” means-
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mark well কেন সঠিক: Nota Bene একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যা ইংরেজি সাহিত্যে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এর শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো ভালোভাবে লক্ষ্য করো বা মনে রেখো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to example — এই অপশনটি ভুল কারণ Nota Bene উদাহরণের জন্য ব্যবহার করা হয় না। এটি কোনো বিষয়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব বা নজর দেওয়ার জন্য লেখা হয়। B) not sure — এই অপশনটি ভুল কারণ Nota Bene কোনো অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে না। এটি সম্পূর্ণ নিশ্চিত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) next page — এই অপশনটি ভুল কারণ Nota Bene পরের পৃষ্ঠা বোঝায় না। এটি মূলত লেখার ভেতরেই কোনো বিশেষ দ্রষ্টব্য বা সতর্কবার্তা বোঝাতে আসে। মনে রাখার টিপস: Nota Bene শব্দটিকে সংক্ষেপে N.B. লেখা হয়, যার অর্থ আমরা কোনো পড়ার শুরুতে বিশেষ দ্রষ্টব্য বা ভালোভাবে লক্ষ্য করো বোঝাতে ব্যবহার করি।
26. It is wise _____ you to study properly.
Created 3 weeks ago | Updated 59 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: বক্তার বিচারবুদ্ধি বা গুণ বোঝাতে ওয়াইজ শব্দের পরে প্রিপ্রজিশন অভ বসে। তাই এখানে তুমি বা তোমার বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করতে অফ ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যক্তির গুণের সাথে অভ বসে। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ফর বসে, যা এই বাক্যের গঠনে সঠিক নয়। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) to — কোনো কিছুর দিকে গতি বা লক্ষে পৌঁছাতে টু বসে, যা এখানে অর্থহীন। D) on — কোনো কিছুর উপরে অবস্থা বোঝাতে অন বসে, যা এই শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: ওয়াইজ বা ক্লেভার শব্দের পর মানুষের গুণ বোঝালে অভ বসে।
27. Choose the correct expression:
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) No fewer than fifty students were present কেন সঠিক: students শব্দটি গণনা করা যায় এমন নাউন হওয়ায় এর পূর্বে fewer ব্যবহৃত হয়। সংখ্যা বোঝাতে এবং বহুবচন সাবজেক্টের সাথে plural verb বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) B — lesser পরিমাণ বোঝাতে বসে, যা গণনাযোগ্য নাউনের সাথে বসে না। C) C — less পরিমাণ বোঝাতে বসে এবং was ভুলবশত singular verb ব্যবহৃত হয়েছে। D) D — smaller আকৃতি বা আয়তন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: গণনা করা যায় এমন পদের ক্ষেত্রে fewer এবং পরিমাপ করা যায় এমন পদের ক্ষেত্রে less ব্যবহার করতে হয়।
28. ‘Syntax’ means-
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Sentence building কেন সঠিক: গ্রীক শব্দ 'Syntaxis' থেকে 'Syntax' শব্দটি এসেছে যার অর্থ একসাথে সাজানো বা গঠন করা। ব্যাকরণের যে শাখায় বাক্যের সঠিক গঠন শেখানো হয় তাকেই সিনট্যাক্স বা বাক্য গঠন বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Supplementary text — এটি পরিপূরক বা অতিরিক্ত কোনো পাঠ্য বিষয়কে বোঝায়। B) Synchronizing act — এটি কোনো কাজকে একই সময়ে ঘটানো বা সমন্বয় করা বোঝায়। C) Manner of speech — এটি মানুষের কথা বলার ভঙ্গি বা উচ্চারণ পদ্ধতি নির্দেশ করে। D) Sentence building — এটি সঠিক ব্যাকরণ মেনে বাক্য গঠনের পদ্ধতি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: সিনট্যাক্স মানেই বাক্যের গঠন। ইংরেজীতে মনে রাখবে সিনট্যাক্স মানে বাক্য তৈরি করা।
29. Choose the meaning of the idioms- “Take the bull by the horns”.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To challenge the enemy with courage কেন সঠিক: idioms বা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো ষাঁড়ের শিং ধরে সাহসিকতার সাথে মোকাবিলা করা। এর ভাবার্থ হলো যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি বা বিপদকে অত্যন্ত সাহসের সাথে সরাসরি মোকাবেলা করা। এটি জীবনের যেকোনো প্রতিকূল অবস্থাকে সাহসের সাথে জয় করার মনোভাব প্রকাশ করে। তাই শত্রুর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে চ্যালেঞ্জ জানানোই এই বাগধারার সঠিক অর্থ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To challenge the enemy with courage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Force the enemy to submit — এটি শত্রুকে জোর করে আত্মসমর্পণ করানোর কথা বলে যা মূল বাগধারার সাথে মেলে না। C) Out of one’s wit — এর অর্থ বুদ্ধি হারিয়ে ফেলা বা দিশাহারা হওয়া যা সাহসিকতার বিপরীত। D) Surrender before the enemy — এর অর্থ শত্রুর কাছে আত্মসমর্পণ করা যা সাহসের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ষাঁড়ের শিং (horns) খুব ভয়ঙ্কর হয়, তাই শিং ধরে মোকাবেলা করা মানেই হলো চরম সাহসিকতা দেখানো।
30. Which of the following is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I, you and she were guilty. কেন সঠিক: সাধারণ স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে প্রোনাউন সাজানোর নিয়ম হলো প্রথমে প্রথম পুরুষ বা প্রথম ব্যক্তি, তারপর দ্বিতীয় এবং শেষে তৃতীয় ব্যক্তি বসে। এখানে অপরাধ স্বীকার করা বোঝাচ্ছে বিধায় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ক্রমটি হলো আই, ইউ এন্ড শি। সাবজেক্ট বহুবচন হওয়ায় এর সাথে সঠিক প্লুরাল ভার্ব ওয়্যার ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউ, শি এন্ড আই — দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে প্রথম পুরুষ বা প্রথম ব্যক্তি প্রথমে বসার নিয়ম থাকায় এই ক্রমটি ভুল হয়েছে। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) শি, ইউ এন্ড আই — সাধারণ নিয়মে ভালো কাজে থার্ড পারসন আগে বসে কিন্তু দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে এটি নিয়মবিরুদ্ধ। তাছাড়া এখানে ওয়্যার এর বদলে ভুলভাবে ওয়াজ ব্যবহার করা হয়েছে। D) আই, ইউ এন্ড শি — প্রোনাউনের ক্রম ঠিক থাকলেও এখানে প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে ভুলভাবে সিঙ্গুলার ভার্ব ওয়াজ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: দোষ স্বীকার করার সময় ওয়ান টু থ্রি বা ওয়ান থ্রি টু নিয়ম মেনে প্রোনাউন সাজাতে হয় এবং সাবজেক্ট প্লুরাল হলে ওয়্যার বসাতে হয়।
31. অহনা ইংরেজি ও গণিতে মোট ১৭৬ নম্বর পেয়েছে। সে ইংরেজি অপেক্ষা গণিতে ১০ নম্বর বেশি পেয়েছে। সে গণিতে কত পেয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 22 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৩ প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি ও গণিতে মোট প্রাপ্ত নম্বর = ১৭৬ গণিতে ইংরেজি অপেক্ষা ১০ নম্বর বেশি ধরি, ইংরেজিতে প্রাপ্ত নম্বর = ক তাহলে গণিতে প্রাপ্ত নম্বর = ক + ১০ অতএব, ক + ক + ১০ = ১৭৬ ২ক + ১০ = ১৭৬ সুতরাং, ২ক = ১৭৬ − ১০ ২ক = ১৬৬ উত্তর: ক = ৮৩, তাই গণিতে প্রাপ্ত নম্বর = ৮৩ + ১০ = ৯৩
32. x − 2 = √3 হলে x⁴ + (১/x⁴) এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪ প্রদত্ত তথ্য: x − ২ = √৩ ধরি, x এর মান নির্ণয় করতে হবে প্রথমে ১ ভাগ x এর মান বের করতে হবে অতএব, ১ ভাগ x = ১ ভাগ (২ + √৩) হর ও লবকে (২ − √৩) দ্বারা গুণ করে পাই, ১ ভাগ x = ২ − √৩ সুতরাং, x + (১ ভাগ x) = (২ + √৩) + (২ − √৩) = ৪ এখন, বর্গ করে পাই, (x + (১ ভাগ x)) বর্গ = ৪ বর্গ বা, x বর্গ + (১ ভাগ x বর্গ) + ২ = ১৬ বা, x বর্গ + (১ ভাগ x বর্গ) = ১৪ পুনরায় বর্গ করে পাই, (x বর্গ + (১ ভাগ x বর্গ)) বর্গ = ১৪ বর্গ বা, x চতুর্ঘাত + (১ ভাগ x চতুর্ঘাত) + ২ = ১৯৬ উত্তর: ১৯৪
33. একটি পণ্যের বিক্রয়মূল্য দ্বিগুণ হলে মুনাফা তিনগুণ হয়। মূল্য বৃদ্ধি না করে পণ্যটি বিক্রি করলে কত টাকা লাভ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য দ্বিগুণ হলে মুনাফা তিনগুণ হয় মূল মূল্য বৃদ্ধি না করে পণ্যটি বিক্রি করলে লাভ বের করতে হবে ধরি, পণ্যের ক্রয়মূল্য = ক প্রথম বিক্রয়মূল্য = খ অতএব, প্রথম মুনাফা = খ − ক দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য = ২খ দ্বিতীয় মুনাফা = ২খ − ক সুতরাং, শর্তমতে, ২খ − ক = ৩(খ − ক) সমাধান করে পাই, খ = ২ক উত্তর: এখানে সঠিক হিসাব অনুযায়ী লাভ হবে ১০০ টাকা
34. ৪% হার সুদে কত টাকার ২ বছরের সরল সুদ এবং চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্য ১ টাকা হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সুদের হার = ৪% সময় = ২ বছর সুদের পার্থক্য = ১ টাকা ধরি, আসল = ক টাকা অতএব, ২ বছরের সরল সুদ = (ক × ৪ × ২) ÷ ১০০ ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি সুদের মূলধন = ক × (১ + (৪ ÷ ১০০))^২ সুতরাং, চক্রবৃদ্ধি সুদ = [ক × (১ + (৪ ÷ ১০০))^২] − ক উত্তর: ক এর মান হিসাব করে পাই ৬২৫ টাকা
35. লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘণ্টায় ১৮ কিলোমিটার ও ৬ কিলোমিটার। নদী পথে ৪৮ কিলোমিটার যেতে এবং ফিরে আসতে লঞ্চটির কত সময় লাগবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: লঞ্চের গতিবেগ = ঘণ্টায় ১৮ কিলোমিটার স্রোতের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৬ কিলোমিটার দূরত্ব = ৪৮ কিলোমিটার ধরি, স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ + ৬ = ঘণ্টায় ২৪ কিলোমিটার স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ − ৬ = ঘণ্টায় ১২ কিলোমিটার অতএব, অনुकূলে ৪৮ কিলোমিটার যেতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ২৪ = ২ ঘণ্টা प्रतिकূলে ৪৮ কিলোমিটার ফিরে আসতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ১২ = ৪ ঘণ্টা সুতরাং, মোট যাতায়াতের সময় লাগে = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা উত্তর: ৬ ঘণ্টা
36. 3x − 7y + 10 = 0 এবং y − 2x − 3 = 0 হলে (x, y) এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (-1, 1) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো ৩x − ৭y + ১০ = ০ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো y − ২x − ৩ = ০ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই ৩x − ৭y = −১০ দ্বিতীয় সমীকরণটিকে সাজিয়ে পাই −২x + y = ৩ অতএব, দ্বিতীয় সমীকরণকে ৭ দ্বারা গুণ করে পাই −১৪x + ৭y = ২১ এখন প্রথম ও গুণ করা সমীকরণ যোগ করে পাই ৩x − ১৪x = −১০ + ২১ সুতরাং, হিসাব করে পাই −১১x = ১১, যার মান x = −১ এখন x এর মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসিয়ে পাই y = ১ উত্তর: (-1, 1)
37. একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘুরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৪০° প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘুরে এক মিনিট সমান ষাট সেকেন্ড ধরি, চাকাটি ষাট সেকেন্ডে ঘুরে ৯০ বার চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘুরে (৯০ ÷ ৬০) বার অতএব, চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘুরে ১.৫ বার এক চাকার ঘূর্ণন সমান ৩৬০° সুতরাং, চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘুরবে (১.৫ × ৩৬০°) উত্তর: ৫৪০°
38. ৮ মিটার বাহু বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের অভ্যন্তরে অঙ্কিত বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮ মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের অভ্যন্তরে অঙ্কিত বৃত্তটি বর্গক্ষেত্রের চার বাহুকে স্পর্শ করে অতএব, বৃত্তের ব্যাস বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্যের সমান হবে সুতরাং, বৃত্তের ব্যাস = ৮ মিটার উত্তর: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৮ ÷ ২ = ৪ মিটার
39. দুইটি সংখ্যার সমষ্টি ৭৫। বৃহত্তম সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ ৩০ অপেক্ষা যত কম ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটির চারগুণ ৫০ অপেক্ষা তত বেশি। সংখ্যা দুইটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০, ১৫ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার সমষ্টি ৭৫ বৃহত্তম সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ ৩০ অপেক্ষা যত কম ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটির চারগুণ ৫০ অপেক্ষা তত বেশি ধরি, বৃহত্তম সংখ্যাটি = ক ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ৭৫ ৩০ − (ক ÷ ৩) = (৪ × খ) − ৫০ ক ÷ ৩ + ৪ × খ = ৮০ সুতরাং, অপশন বি থেকে পাই, ৬০ + ১৫ = ৭৫ উত্তর: ৬০, ১৫
40. x + y = ৬ হলে x²y⁴ এর বৃহত্তম মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০২৪ প্রدত্ত তথ্য: x + y = ৬ এবং x^২y^৪ এর বৃহত্তম মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, রাশিটিকে সমান ভাগে ভাগ করতে হবে যেন গুণফল সবচেয়ে বেশি হয় এখানে y^৪ থাকায় y কে দুটি সমান ভাগে ভাগ করা সুবিধাজনক অতএব, y কে দুটি ভাগে ভাগ করলে পাই y ÷ ২ এবং y ÷ ২ শর্ত অনুযায়ী x = y ÷ ২ বা x = ২y ÷ ২ লেখা যায় সুতরাং, x এর মান y এর অর্ধেকের সমান ধরলে সর্বোচ্চ মান পাওয়া যাবে এই শর্তে x = ২ এবং y = ৪ হয় উত্তর: x এর মান ২ এবং y এর মান ৪ বসালে ২ × (৪)^৪ = ১০২৪ হয়
41. একটি ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিনগুণ। প্রতি বর্গমিটার ৭.৫ টাকা খরচে ঘরটি কার্পেট দিয়ে ঢাকতে ১,১০২.৫০ টাকা খরচ হয়। ঘরটির দৈর্ঘ্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মোট খরচ = ১,১০২.৫০ টাকা প্রতি বর্গমিটার খরচ = ৭.৫০ টাকা ধরি, ঘরের প্রস্থ = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৩ক × ক বর্গমিটার = ৩ক বর্গমিটার অতএব, ঘরের ক্ষেত্রফল = ১,১০২.৫০ ÷ ৭.৫০ বর্গমিটার ক্ষেত্রফল = ১৪৭ বর্গমিটার ৩ক বর্গমিটার = ১৪৭ বর্গমিটার সুতরাং, ক বর্গমিটার = ১৪৭ ÷ ৩ বর্গমিটার = ৪৯ বর্গমিটার ক = √৪৯ = ৭ মিটার উত্তর: ঘরের দৈর্ঘ্য = ৩ × ৭ মিটার = ২১ মিটার
42. x + (১/x) = ৭ হলে x³ + (১/x³) এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩২২ প্রদত্ত তথ্য: x + (১/x) = ৭ x³ + (১/x³) এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, মান নির্ণয়ের জন্য ঘন এর সূত্র ব্যবহার করতে হবে সূত্রটি হলো a³ + b³ = (a + b)³ − 3ab(a + b) অতএব, x³ + (১/x³) = (x + (১/x))³ − 3 × (x) × (১/x) × (x + (১/x)) এখানে x এবং (১/x) কাটা যাবে সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ৭ এর কিউব − ৩ × ৭ অর্থাৎ, ৩৪৩ − ২১ উত্তর: ৩২২
43. দুই অঙ্কবিশিষ্ট কোন সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির সাথে ৭ যোগ করলে যোগফল দশক স্থানীয় অঙ্কটির তিনগুণ হয়। কিন্তু সংখ্যাটি থেকে ১৮ বাদ দিলে অঙ্কদ্বয় স্থান পরিবর্তন করে। সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৩ প্রদত্ত তথ্য: দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যা এবং তার অঙ্কের স্থান পরিবর্তনের শর্ত দেওয়া আছে ধরি, একক স্থানীয় অঙ্ক = y এবং দশক স্থানীয় অঙ্ক = x সংখ্যাটি = ১০x + y অতএব, প্রথম শর্তানুযায়ী, (x + y) + ৭ = ৩x দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী, (১০x + y) − ১৮ = ১০y + x সুতরাং, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, ২x − y = ৭ দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, ৯x − ৯y = ১৮ বা x − y = ২ উত্তর: দুটি সমীকরণ সমাধান করে পাই x = ৫ এবং y = ৩, অর্থাৎ সংখ্যাটি ৫৩
44. ১০ বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ছিল ৪ : ১। ১০ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ২ : ১ হবে। পিতার বর্তমান বয়স কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ বছর প্রদত্ত তথ্য: ১০ বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ছিল ৪ : ১ ১০ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত হবে ২ : ১ ধরি, ১০ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল ৪x বছর ১০ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল x বছর অতএব, বর্তমানে পিতার বয়স = ৪x + ১০ বছর বর্তমানে পুত্রের বয়স = x + ১০ বছর সুতরাং, ১০ বছর পর পিতার বয়স হবে ৪x + ২০ বছর এবং পুত্রের বয়স হবে x + ২০ বছর শর্তমতে, (৪x + ২০) ÷ (x + ২০) = ২ ÷ ১ সমাধান করে পাই, ৪x + ২০ = ২x + ৪০ ২x = ২০ x = ১০ অতএব, পিতার বর্তমান বয়স = (৪ × ১০) + ১০ = ৫০ বছর উত্তর: ৫০ বছর
45. একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ ৭ সেন্টিমিটার হলে উক্ত বৃত্তের অন্তর্নিহিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৮ বর্গ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৭ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাস = ৭ × ২ = ১৪ সেন্টিমিটার অন্তর্নিহিত বর্গক্ষেত্রের কর্ণ বৃত্তের ব্যাসের সমান তাই বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = ১৪ সেন্টিমিটার অতএব, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৪ ÷ √২ সেন্টিমিটার বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু × বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১৪ ÷ √২) × (১৪ ÷ √২) উত্তর: ৯৮ বর্গ সে. মি.
46. ফিল্ড নেম এর আকার নির্ধারণের জন্য কোনটি ব্যবহার করতে হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফিল্ড সাইজ ১. কেন সঠিক: - ফিল্ড সাইজ (Field Size) হলো ডেটাবেজে কোনো ফিল্ডে সর্বোচ্চ কত বাইট ডেটা সংরক্ষণ করা যাবে তা নির্ধারণ করার মাধ্যম। - এটি ডেটা টাইপের ওপর ভিত্তি করে ফিল্ডের আকার বা দৈর্ঘ্য নিয়ন্ত্রণ করে ডেটা এন্ট্রি নিখুঁত ও স্মৃতি সাশ্রয়ী করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ফিল্ড সাইজ হলো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ডে ডেটার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করার একটি প্রপার্টি। - কার্যপদ্ধতি: এটি টেক্সট ফিল্ডের ক্ষেত্রে অক্ষরের সংখ্যা এবং সংখ্যাসূচক ফিল্ডের ক্ষেত্রে বাইটের পরিসর নির্ধারণ করে দেয়। - ব্যবহার: অপ্রয়োজনীয় মেমোরি অপচয় রোধ করতে এবং ডেটাবেজের দক্ষতা বাড়াতে ফিল্ড সাইজ নির্দিষ্ট করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোল নম্বর ফিল্ড ব্যাখ্যা: রোল নম্বর ফিল্ডের সাইজ যদি ছোট পূর্ণসংখ্যা বা ইন্টিজার নির্ধারণ করা হয়, তবে সেখানে বড় কোনো সংখ্যা এন্ট্রি করা যাবে না। উদাহরণ ২: নাম ফিল্ড ব্যাখ্যা: নাম ফিল্ডের সাইজ যদি পঞ্চাশ অক্ষর নির্ধারণ করা হয়, তবে সেখানে পঞ্চাশটির বেশি অক্ষর টাইপ করা যাবে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিয়েট — এটি নতুন ডেটাবেজ, টেবিল বা অবজেক্ট তৈরি করার একটি কমান্ড বা ট্যাব, যা সাইজ নির্ধারণ করে না। B) ফিল্ড নেম — এটি কেবল ফিল্ড বা কলামের শিরোনাম বা নাম নির্দেশ করে, এর আকার নির্ধারণের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ডিজাইন ভিউ — এটি টেবিলের গঠন বা স্ট্রাকচার তৈরি ও সম্পাদনা করার একটি মোড, যেখানে ফিল্ড সাইজ পরিবর্তন করা যায় কিন্তু এটি নিজে কোনো আকার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাইজ শব্দের অর্থ আকার, তাই ফিল্ডের আকার নির্ধারণের জন্য ফিল্ড সাইজ ব্যবহার করতে হয়। - ডিজাইন ভিউ হলো কাজের পরিবেশ আর ফিল্ড সাইজ হলো কাজের পরিমাপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেস ডেটাবেজে টেক্সট ডেটা টাইপের ডিফল্ট ফিল্ড সাইজ হলো পঁচাত্তর অক্ষর। - ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে সঠিক ডেটা টাইপ ও ফিল্ড সাইজ নির্ধারণ করা ডেটা ইন্টিগ্রিটি নিশ্চিত করে।
47. কোনটি মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা লেখা, ছবি, অডিও এবং ভিডিও একসঙ্গে যুক্ত করে প্রেজেন্টেশন তৈরির সুযোগ দেয়। এতে বিভিন্ন মাধ্যম বা মাল্টিমিডিয়া উপাদান ব্যবহারের পূর্ণ সুবিধা থাকায় একে সঠিক মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যা টেক্সট, গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন, অডিও এবং ভিডিও ডেটা একত্রে প্রক্রিয়াজাত ও প্রদর্শন করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী বিভিন্ন স্লাইডে লেখা ও চিত্রের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া ফাইল যুক্ত করে তা ক্রমান্বয়ে প্রদর্শন করতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ব্যাখ্যা: শিক্ষকগণ প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাঠদানকালে পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইডে ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে থাকেন। উদাহরণ ২: ব্যবসায়িক উপস্থাপনা ব্যাখ্যা: করপোরেট মিটিংয়ে পণ্যের প্রচার বা আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করার জন্য পাওয়ার পয়েন্টে অ্যানিমেশনসহ স্লাইড তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড — এটি মূলত একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা দিয়ে প্রধানত টেক্সট বা চিঠি তৈরি করা হয়। B) মাইক্রোসফট এক্সেল — এটি একটি স্প্রেডশিট বা হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত সফটওয়্যার যা ডেটা টেবিল ও গাণিতিক গণনায় ব্যবহৃত হয়। C) মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক প্রেজেন্টেশন তৈরির জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। D) মাইক্রোসফট এক্সেস — এটি একটি ডেটাসেট বা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার যা বড় ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্লাইড শো বা প্রেজেন্টেশনের কথা থাকলেই মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট উত্তর হবে। শব্দ, চিত্র ও ভিডিওর সমন্বয় যেখানে ঘটে, সেটাই হলো মাল্টিমিডিয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পাওয়ার পয়েন্ট ফাইলের ডিফল্ট এক্সটেনশন হলো ডট পিপিটিএক্স। এটি মাইক্রোসফট অফিসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেজেন্টেশন টুল।
48. কাকে প্রোগ্রামিং এর ধারণা প্রবর্তক হিসেবে গণনা করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যাডা লাভলেস ১. কেন সঠিক: অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিংয়ের ধারণা প্রবর্তক হিসেবে গণনা করা হয় কারণ তিনি চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম লিখেছিলেন। তিনি চার্লস ব্যাবেজের যান্ত্রিক কম্পিউটারে সংখ্যা গণনার বাইরেও জটিল কাজের জন্য নির্দেশনা বা কোডের ধারণা দিয়েছিলেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অ্যাডা লাভলেস ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও লেখক, যিনি বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে স্বীকৃত। কার্যপদ্ধতি: তিনি চার্লস ব্যাবেজের ইঞ্জিনে বার্নোলি সংখ্যা বের করার একটি বিশদ পদ্ধতি বা অ্যালগরিদম তৈরি করেছিলেন যা আধুনিক প্রোগ্রামিংয়ের ভিত্তি। বৈশিষ্ট্য: এটি যান্ত্রিক যুগের প্রথম গাণিতিক অ্যালগরিদম যা মানুষের দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটার চালাতে সক্ষম ছিল। ব্যবহার: আধুনিক সফটওয়্যার তৈরির মূল ভিত্তি হিসেবে প্রথম এই অ্যালগরিদমিক ধারণার ব্যবহার শুরু হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক কম্পিউটারে আমরা যেমন কোডিং করে কোনো কাজ স্বয়ংক্রিয় করি। ব্যাখ্যা: অ্যাডা লাভলেস ঠিক তেমনি যান্ত্রিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাণিতিক ফল বের করার জন্য নির্দেশমালা তৈরি করেছিলেন। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট এক্সেলের স্বয়ংক্রিয় হিসাব নিকাশের ম্যাক্রো কোড। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পরপর কাজ সম্পন্ন করার আদি ধারণারই উন্নত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্লস ব্যাবেজ — তিনি আধুনিক কম্পিউটারের জনক এবং অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন আবিষ্কার করলেও প্রোগ্রামিংয়ের ধারণা দেননি। B) টিমোথি জন বার্নাস লি — তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর উদ্ভাবক, প্রোগ্রামিংয়ের প্রবর্তক নন। ৫) স্টিভ জেনিয়াক — তিনি অ্যাপল কম্পিউটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং হার্ডওয়্যার ডিজাইনার, প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রোগ্রামিংয়ের ধারণা প্রবর্তক মানেই প্রথম কোড বা অ্যালগরিদম রচয়িতা নারী অ্যাডা লাভলেস। নামটি মনে রাখতে লাভ শব্দটিকে কোডিংয়ের প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ইতিহাসে প্রথম প্রোগ্রামার বা অ্যালগরিদম রচয়িতা হিসেবে লেডি অ্যাডা লাভলেসের নাম বহু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তার নাম যুক্ত থাকে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন এবং চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে।
49. ডেটার গোপনীয়তা রক্ষার জন্য কী করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এনক্রিপশন ১. কেন সঠিক: ডেটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রধান উপায় হলো এনক্রিপশন। এর মাধ্যমে বোধগম্য ডেটাকে অপঠনযোগ্য কোডে রূপান্তর করা হয় যাতে unauthorised কেউ তা পড়তে না পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এনক্রিপশন হলো এমন একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্লেইন টেক্সট বা সাধারণ ডেটাকে সাইফার টেক্সট বা অস্পষ্ট কোডে রূপান্তর করা হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রেরক প্রান্তের অ্যালগরিদম ও চাবি ব্যবহার করে ডেটা লক করা হয় এবং প্রাপক প্রান্তের সঠিক চাবি ছাড়া তা পড়া যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপের এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন। ব্যাখ্যা: প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া মাঝপথে কেউ বার্তা পড়তে পারে না। উদাহরণ ২: ব্রাউজারে ব্যবহৃত এইচটিটিপিএস প্রোটোকল। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ও ওয়েবসাইটের মধ্যকার যোগাযোগ এনক্রিপ্টেড থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যানিপুলেশন — এটি ডেটা পরিবর্তন বা বিকৃত করার প্রক্রিয়া, যা গোপনীয়তা রক্ষা করে না। B) ভ্যালিডেশন — এটি ডেটার সঠিকতা বা বৈধতা যাচাই করার পদ্ধতি, গোপনীয়তার জন্য নয়। D) ডিক্রিপশন — এটি এনক্রিপ্ট করা কোডকে পুনরায় পড়ার উপযোগী সাধারণ ডেটায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: এনক্রিপশন মানে লক করা বা কোড করা, আর ডিক্রিপশন মানে আনলক করা বা ডিকোড করা। গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এনক্রিপশন করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তরের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনক্রিপশন বহুল ব্যবহৃত হয়। সাইবার নিরাপত্তায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা।
50. কী ধরণের ডেটা ট্রান্সমিশন মেথডে কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টারের সংযোগ হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন ১. কেন সঠিক: প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশনে একই সাথে একাধিক বিট ডেটা পাঠানো যায়, যা প্রিন্টার ও কম্পিউটারের মধ্যকার দ্রুত ডেটা বিনিময়ের জন্য প্রয়োজন। কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে একসাথে পুরো অক্ষরের ডেটা পাঠানোর জন্য এই মাধ্যমটি আদর্শ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে একাধিক ডেটা লাইন বা তারের মাধ্যমে একসাথে সমান্তরালভাবে একাধিক বিট ডেটা স্থানান্তরিত হয়। কার্যপদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে প্রতিটি বিটের জন্য আলাদা ডেটা পাথ বা চ্যানেল থাকে, ফলে বাস বা তারের মাধ্যমে বিশাল পরিমাণ ডেটা খুব কম সময়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছাতে পারে। ব্যবহার: কম্পিউটার এবং প্রিন্টারের সংযোগের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে প্যারালাল পোর্ট বা এলভিপি পোর্টের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানে এই পদ্ধতি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসিক্যাল প্যারালাল প্রিন্টার ক্যাবল। ব্যাখ্যা: পুরনো দিনের এলভিপি প্রিন্টার ক্যাবলে ২৫টি পিন থাকে, যা একসাথে অনেকগুলো ডেটা বিট কম্পিউতার থেকে প্রিন্টারে পাঠাতে পারে। উদাহরণ ২: মাদারবোর্ডের ইন্টারনাল বাস সিস্টেম। ব্যাখ্যা: প্রসেসর ও র‍্যামের ভেতরের ডেটা যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্যারালাল ট্রান্সমিশন কাজ করে যাতে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একসাথে একাধিক বিট ডেটা প্রিন্টারে পাঠাতে পারে। B) এসিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন — এটি ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ডেটা পাঠায় এবং এর গতি ধীর হওয়ায় প্রিন্টারের জন্য সাধারণত উপযুক্ত নয়। C) সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন — এটি ব্লক বা প্যাকেট আকারে বড় ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা প্রিন্টারের মতো পেরিফেরাল ডিভাইসের জন্য অতিরিক্ত জটিল। D) আইসোক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন — এটি রিয়েল-টাইম মাল্টিমিডিয়া ডেটা স্ট্রিমিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টারের কাজের সাথে এর কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রিন্টার মানেই প্যারালাল পোর্ট বা প্যারালাল ট্রান্সমিশন। এসিনক্রোনাস হলো ধীর গতির এবং প্যারালাল হলো একসাথে অনেক বিট পাঠানোর দ্রুত মাধ্যম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও প্রিন্টারের সংযোগ সাধারণত প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। দূরবর্তী যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্যারালাল ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা যায় না কারণ এতে অনেক তারের প্রয়োজন হয়।
51. নিচের কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোমান সংখ্যা পদ্ধতি ১. কেন সঠিক: - রোমান সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত চিহ্নের মান তার অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না। - এখানে প্রতিটি চিহ্নের একটি নির্দিষ্ট মান থাকে যা স্থান বদলালেও পরিবর্তিত হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে অংকের মান তার অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না তাকে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। - বৈশিষ্ট্য: এতে স্থানীয় মানের কোনো ধারণা থাকে না এবং শূন্য এর কোনো ব্যবহার নেই। - ব্যবহার: প্রাচীনকালে গণনা এবং ঘড়ির ডায়ালে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো। - পার্থক্য: পজিশনাল পদ্ধতিতে স্থানীয় মান থাকলেও নন-পজিশনাল পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট চিহ্নের যোগ বা বিয়োগফল হিসাব করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোমান সংখ্যা ৫-এর প্রতীক V এবং ১০-এর প্রতীক X। ব্যাখ্যা: এখানে ভি (V) বা এক্স (X)-এর অবস্থান যেখানেই হোক না কেন, তাদের মূল মান অপরিবর্তিত থাকে। উদাহরণ ২: প্রাচীন হায়োগ্লিফিক্স বা মিশরীয় সংখ্যা পদ্ধতি। ব্যাখ্যা: এই পদ্ধতিতে প্রতীকগুলোর সংখ্যা গণনা করে মোট মান বের করা হতো, যেখানে অবস্থানের কোনো ভূমিকা ছিল না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান সংখ্যা পদ্ধতি — এটি একটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি — এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি দুই এবং স্থানীয় মান আছে। C) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি — এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি দশ এবং স্থানীয় মান বিদ্যমান। D) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি — এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি ষোলো এবং স্থানীয় মান আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রোমান সংখ্যা মনে রাখলে নন-পজিশনাল পদ্ধতি সহজে মনে রাখা যায়। - বাইনারি, ডেসিমেল, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোনটি পজিশনাল বা নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। - রোমান সংখ্যা হলো একমাত্র প্রচলিত নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি যা পরীক্ষায় বেশি আসে।
52. এআই কোন ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জটিল ও রিপিটিটিভ কাজে ১. কেন সঠিক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মূলত এমন সব কাজ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করতে পারে যা মানুষের জন্য অত্যন্ত ক্লান্তিকর বা বারবার একই কাজ করার মতো পুনরাবৃত্তিমূলক। কম্পিউটার সিস্টেম বা অ্যালগরিদমগুলো ক্লান্তিহীনভাবে বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে জটিল ও একঘেয়ে কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যার মাধ্যমে মেশিনে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা ও বুদ্ধি কৃত্রিমভাবে প্রয়োগ করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এআই বিশাল পরিমাণ উপাত্ত বা ডেটা থেকে প্যাটার্ন বা বিন্যাস খুঁজে বের করে এবং সেই অনুযায়ী নিজে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে ও শিখতে পারে। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেখা (Machine Learning), ডেটা বিশ্লেষণ করা এবং পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে নিজের কর্মদক্ষতা উন্নত করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারখানায় স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন লাইনে যন্ত্রাংশ সংযোজন করা। ব্যাখ্যা: একই কাজ বারবার নিখুঁতভাবে করার ক্ষেত্রে এআই চালিত রোবট মানুষের চেয়ে অনেক দ্রুত ও নির্ভুল ফল দেয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং খাতে হাজার হাজার লেনদেন থেকে সন্দেহজনক বা প্রতারণামূলক লেনদেন চিহ্নিত করা। ব্যাখ্যা: এআই সিস্টেম মুহূর্তের মধ্যে বিশাল ডেটাসেট বিশ্লেষণ করে জটিল হিসাব ও প্যাটার্ন খুঁজে বের করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে — প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে মানুষের বিচারবুদ্ধি, নৈতিকতা ও দূরদর্শিতা প্রয়োজন হয়, যা পুরোপুরি এআই-এর ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। B) মানুষের বিকল্প হিসেবে বিপজ্জনক কাজে — বিপজ্জনক কাজ বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশেও এআই ব্যবহার করা হয়, তবে এটি এই প্রযুক্তির মূল এবং সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক প্রয়োগ ক্ষেত্র নয়। C) নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিতে — এআই নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করে না, বরং এটি বিদ্যমান কাজের প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও দ্রুততর করে তোলে। ৫. মনে রাখার টিপস: এআই সবচেয়ে ভালো পারফর্ম করে সেইসব ক্ষেত্রে যেখানে প্রচুর ডেটা থাকে এবং একই কাজ বারবার করতে হয় (Repetitive and Data-heavy tasks)। মানুষের একঘেয়েমি কাটানোর ক্ষমতা কম থাকলেও এআই ক্লান্তিহীনভাবে বছরের পর বছর একই কাজ নিখুঁতভাবে করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক জন ম্যাককার্থি (John McCarthy) ১৯৫০-এর দশকে এই ধারণার প্রবর্তন করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এআই-এর ব্যবহার, মেশিন লার্নিং এবং ডিপ লার্নিং সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়।
53. নিচের কোনটি ডিজিটাল কনটেন্ট?
Created 3 weeks ago | Updated 40 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল কনটেন্ট হলো এমন যেকোনো তথ্য বা বিষয়বস্তু যা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত, সংরক্ষিত ও বিনিময় করা হয়। টেক্সট, শব্দ ও ভিডিও প্রতিটি মাধ্যমই কম্পিউটারে ডিজিটাল উপাত্ত হিসেবে প্রসেস ও প্রদর্শিত হতে পারে বলে সবগুলোই ডিজিটাল কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডিজিটাল কনটেন্ট বলতে বোঝায় কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পঠনযোগ্য ডেটা, গ্রাফিক্স, অডিও এবং ভিডিওর সমন্বয়। কার্যপদ্ধতি: অ্যানালগ সিগন্যালকে বাইনারি কোড অর্থাৎ শূন্য ও একের মাধ্যমে রূপান্তর করে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও সংরক্ষণ করা হয়। ব্যবহার: শিক্ষা, বিনোদন, ই-কমার্স এবং তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া ও মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউটিউবের শিক্ষামূলক ভিডিও। ব্যাখ্যা: ভিডিও এবং অডিওর সমন্বয়ে তৈরি এই কনটেন্ট ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে সরাসরি দেখা যায়। উদাহরণ ২: কোনো অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংবাদ। ব্যাখ্যা: সেখানে টেক্সট বা লেখা এবং স্থির ছবি একত্রে ডিজিটাল কনটেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেক্সট — এটি একটি ডিজিটাল কনটেন্ট, তবে শুধু এটিই একমাত্র উত্তর নয় কারণ অন্য অপশনগুলোও সঠিক। B) শব্দ — এটি ডিজিটাল অডিও কনটেন্ট, তবে একাই সম্পূর্ণ ডিজিটাল কনটেন্টের সব রূপকে নির্দেশ করে না। C) ভিডিও — এটি মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টের একটি রূপ, তবে টেক্সট বা শব্দও ডিজিটাল কনটেন্টের আওতাভুক্ত। D) সবগুলো — এই অপশনটিতে টেক্সট, শব্দ ও ভিডিওর সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল কনটেন্টের মূল রূপ চারটি যথা টেক্সট, ছবি, শব্দ এবং ভিডিও। পরীক্ষায় এই চারটি মাধ্যমের যেকোনো একটি বা একাধিক একত্রে দেখলে তা ডিজিটাল কনটেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিজিটাল কনটেন্ট প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যেমন টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিও এবং ভিডিও। মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট বলতে টেক্সট, শব্দ এবং ভিডিওর সমন্বিত রূপকে বোঝায়।
54. ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১. কেন সঠিক: ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরি বা জিনগত পরিবর্তন আনার জন্য জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং সরাসরি ব্যবহৃত হয়। এটি জীব প্রযুক্তির একটি শাখা যার মাধ্যমে কোনো জীবের ডিএনএ অণু পরিবর্তন করে নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো কোনো জীবের জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের আধুনিক প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: একটি জীব থেকে ডিএনএ কেটে অন্য জীবের ডিএনএ-এর সাথে যুক্ত করে নতুন সিকোয়েন্স বা কাঙ্ক্ষিত জিন তৈরি করা হয়। ব্যবহার: ইনসুলিন তৈরি, উন্নত জাতের ফসল উৎপাদন এবং রোগ নিরাময়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে মানুষের ইনসুলিন জিন প্রবেশ করিয়ে কৃত্রিম উপায়ে ইনসুলিন উৎপাদন করা। ব্যাখ্যা: এটি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নতুন ডিএনএ সিকোয়েন্স তৈরির সবচেয়ে প্রচলিত বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: গোল্ডেন রাইস বা ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ধান তৈরি করা। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের ডিএনএ পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন নতুন সিকোয়েন্স তৈরি করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং — এটি সরাসরি নতুন ডিএনএ সিকোয়েন্স তৈরি বা পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত। B) ন্যানো টেকনোলজি — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র বা ন্যানোমিটার স্কেলে পদার্থ নিয়ে কাজ করার প্রযুক্তি। C) বায়ো ইনফরমেটিক্স — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞান ব্যবহার করে জৈবিক তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করে। ডিএনএ সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করা এর কাজ হলেও নতুন সিকোয়েন্স তৈরি এর মূল কাজ নয়। D) বায়োমেট্রিক্স — এটি মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ বা মুখাবয়ব শনাক্ত করার প্রযুক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিএনএ বা জিন সংক্রান্ত পরিবর্তন বা নতুন সিকোয়েন্স তৈরির প্রশ্ন থাকলেই উত্তর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হবে। বায়োইনফরমেটিক্স হলো ডেটা বিশ্লেষণ আর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো পরিবর্তন বা তৈরি করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো জীব প্রযুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ ক্ষেত্র। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডিএনএ বা জিন পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই এই অপশনটি থাকে।
55. মোবাইল ফোন ডেটা ট্রান্সমিশনে কোন ধরনের মোড ব্যবহার করে?
Created 3 weeks ago | Updated 42 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফুল ডুপ্লেক্স মোড ১. কেন সঠিক: মোবাইল ফোনে একই সাথে উভয় দিক থেকে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করা যায়। এই দ্বিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এটি ফুল ডুপ্লেক্স মোডের অন্তর্গত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটা ট্রান্সমিশন মোড হলো দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক। কার্যপদ্ধতি: ফুল ডুপ্লেক্স মোডে প্রেরক ও প্রাপক উভয় যন্ত্র একই সময়ে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল ফোনে কথাবলা। ব্যাখ্যা: ফোনে কথা বলার সময় অপর প্রান্তের কথা শোনার পাশাপাশি নিজের কথাও একই সাথে পাঠানো যায়। উদাহরণ ২: ল্যান্ডফোন বা টেলিফোন কথোপকথন। ব্যাখ্যা: ওয়্যারড টেলিফোনেও একই সাথে উভয়পক্ষ কথা বলতে ও শুনতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিমপ্লেক্স মোড — এই মোডে ডেটা কেবল একদিকে প্রবাহিত হয়, কিন্তু মোবাইল ফোনে উভয় দিকে ডেটা চলে। B) হাফ ডুপ্লেক্স মোড — এই মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা পাঠানো যায় তবে একসাথে নয়, যা মোবাইল ফোনের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ইউনিকাস্ট মোড — এটি ডেটা পাঠানোর ঠিকানা সংক্রান্ত পদ্ধতি, ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের দিক নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ফুল মানে সম্পূর্ণ, তাই ফুল ডুপ্লেক্স মানে একসাথে সম্পূর্ণ উভয়মুখী যোগাযোগ। মোবাইল ফোনে একসাথে কথা বলা ও শোনা যায় বলেই এটি ফুল ডুপ্লেক্স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়াকিটকি হাফ ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ এবং রেডিও সম্প্রচার সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের উদাহরণ প্রায়ই আসে।
56. ওয়াই-ফাই এর কাভারেজ এরিয়া কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০-২০০ মিটার ১. কেন সঠিক: ওয়াই-ফাই বা ওয়্যারলেস ফাইডেলিটি একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে। সাধারণত এর স্ট্যান্ডার্ড কাভারেজ এরিয়া ঘরের ভেতরে বা উন্মুক্ত স্থানে ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়াই-ফাই হলো এমন একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোকে ক্যাবল ছাড়াই রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত করে। কার্যপদ্ধতি: রাউটার রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ডেটা সংকেত প্রেরণ করে এবং ডিভাইসগুলোর ওয়্যারলেস অ্যাডাপ্টার সেই সংকেত গ্রহণ করে যোগাযোগ স্থাপন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফার সমর্থন করে, লাইসেন্সমুক্ত রেডিও ব্যান্ডে কাজ করে এবং একই নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইস যুক্ত করতে পারে। ব্যবহার: বাসা, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জনবহুল স্থানে ইন্টারনেট সংযোগ বিতরণের জন্য ওয়াই-ফাই ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের ভেতরে ব্যবহৃত সাধারণ রাউটার ব্যাখ্যা: একটি সাধারণ হোম রাউটার ঘরের বিভিন্ন রুমে প্রায় ৫০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। উদাহরণ ২: অফিস ভবনের ওয়াই-ফাই জোন ব্যাখ্যা: বড় অফিসে একাধিক অ্যাক্সেস পয়েন্ট ব্যবহার করে ২০০ মিটার বা তার বেশি এলাকা জুড়ে ওয়াই-ফাই কভারেজ নিশ্চিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩-১০ মিটার — এই দূরত্ব ব্লুটুথ প্রযুক্তির কাভারেজ এরিয়ার জন্য প্রযোজ্য, ওয়াই-ফাই এর জন্য এটি অনেক কম। B) ৫০-২০০ মিটার — এটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সাধারণ এবং সঠিক কাভারেজ এরিয়া। C) ৩০০-৮০০ মিটার — এই দূরত্ব সাধারণত ওয়াই-ফাইয়ের স্ট্যান্ডার্ড রেঞ্জের চেয়ে বেশি এবং এটি ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত। D) ১০ কিলোমিটার — এই বিশাল দূরত্ব ওয়াই-ফাই বা ডব্লিউএলএএন প্রযুক্তির জন্য প্রযোজ্য নয়, এটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: ওয়াই-ফাই মানেই ঘরের ভেতরের বা স্বল্প দূরত্বের ইন্টারনেট, যার পরিধি সাধারণ পদক্ষেপে ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। ব্লুটুথ খুব কাছে কাজ করে আর ওয়াই-ফাই একটু দূরে অর্থাৎ রুম বা ঘরের মধ্যে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়াই-ফাই মূলত আইইইই ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কাভারেজ এরিয়ার দিক থেকে প্যান সবচেয়ে ছোট, ল্যান মাঝারি এবং ওয়ান সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক।
57. বিপুল পরিমাণ তথ্য সহজে খুজতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেটাবেইজ সফটওয়্যার ১. কেন সঠিক: বিপুল পরিমাণ তথ্য বা ডেটা সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ এবং দ্রুত খোঁজার জন্য ডেটাবেইজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। এটি ইনডেক্সিং এবং কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে বিশাল ডেটাসেট থেকে মুহূর্তের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুঁজে বের করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটাবেইজ সফটওয়্যার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন যা ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা, আপডেট এবং পুনরুদ্ধারের কাজে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি টেবিল আকারে সারি এবং কলামে ডেটা সাজিয়ে রাখে এবং কুয়েরি প্রসেসরের মাধ্যমে তথ্য ফিল্টার করে ফলাফল প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো ব্যাংকের লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট তথ্য থেকে নির্দিষ্ট একজন গ্রাহকের হিসাব সেকেন্ডের মধ্যে খুঁজে বের করা। ব্যাখ্যা: ব্যাংক তার প্রতিদিনের কোটি কোটি লেনদেন এবং গ্রাহক ডেটা নিরাপদে সংরক্ষণ ও খোঁজার জন্য ওরাকল বা মাইএসকিউএল ডেটাবেইজ ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফলাফল এবং ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করা। ব্যাখ্যা: রেজিস্ট্রার অফিস ডেটাবেইজ সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুহূর্তেই যেকোনো শিক্ষার্থীর রোল নম্বর দিয়ে তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেখতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার — এটি মূলত চিঠি, প্রতিবেদন বা টেক্সট ডকুমেন্ট লেখার ও সম্পাদনার কাজে ব্যবহৃত হয়, বিপুল তথ্য খোঁজার জন্য নয়। B) স্প্রেডশীট সফটওয়্যার — এটি হিসাব-নিকাশ ও ছোটখাটো ডেটা বিশ্লেষণে ভালো হলেও বিশাল পরিমাণ তথ্য দ্রুত খোঁজার জন্য ডেটাবেইজের মতো দক্ষ নয়। C) মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার — এটি ছবি, অডিও, ভিডিও তৈরি ও সম্পাদনা করার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা ডেটা সার্চ করার সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিপুল তথ্য বা ডেটা খোঁজার কথা থাকলেই উত্তর ডেটাবেইজ হবে। এমএস এক্সেস বা ওরাকল হলো জনপ্রিয় ডেটাবেইজ সফটওয়্যার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডেটাবেইজ ব্যবস্থাপনার জন্য বহুল ব্যবহৃত ভাষা হলো এসকিউএল। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটাবেইজ ও স্প্রেডশীটের কাজের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন আসে।
58. মাল্টিমিডিয়া কতটি প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়ে গঠিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ১. কেন সঠিক: - মাল্টিমিডিয়া মূলত তিনটি প্রধান প্রকাশ মাধ্যম বা উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত, যা হলো বর্ণ বা টেক্সট, শব্দ বা অডিও এবং দৃশ্য বা ভিডিও বা অ্যানিমেশন। - এই তিনটি মাধ্যম একত্রিত হয়ে ব্যবহারকারীর কাছে তথ্যকে আরও জীবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: মাল্টিমিডিয়া হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কম্পিউটার বা ডিজিটাল মাধ্যমে টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও এবং অ্যানিমেশন একসঙ্গে উপস্থাপন করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি বিভিন্ন ডিজিটাল উপাত্ত একসঙ্গে প্রক্রিয়াকরণ করে ব্যবহারকারীর ইন্দ্রিয়কে সচল রাখতে সাহায্য করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ইন্টারেক্টিভিটি বা পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া এবং একাধিক মাধ্যমের সুসমন্বয়। - ব্যবহার: শিক্ষা, বিনোদন, প্রশিক্ষণ এবং বিজ্ঞাপনে মাল্টিমিডিয়ার ব্যাপক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি শিক্ষামূলক অ্যানিমেটেড ভিডিও। ব্যাখ্যা: এতে টেক্সট, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং চলমান ছবি একসঙ্গে কাজ করে শিক্ষার্থীকে বিষয়টি সহজে বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: একটি মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনা বা প্রেজেন্টেশন। ব্যাখ্যা: এখানে স্লাইডে লেখা, ছবি এবং অডিও বা ভিডিও ক্লিপ যুক্ত করে তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ — মাল্টিমিডিয়া মানে বহু মাধ্যম, তাই একক কোনো মাধ্যম এর সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। B) ২ — মাত্র দুটি মাধ্যম থাকলে তাকে দ্বিমাসিক বা সীমিত মাধ্যম বলা যায়, পূর্ণাঙ্গ মাল্টিমিডিয়া হতে অন্তত তিনটি প্রধান মাধ্যম প্রয়োজন। D) ৪ — চারটি মাধ্যম হিসেবে অতিরিক্ত কিছু যুক্ত করা হলেও মাল্টিমিডিয়ার মূল ভিত্তি হিসেবে মূলত টেক্সট, অডিও এবং ভিডিও এই তিনটি মাধ্যমকেই প্রধান ধরা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাল্টিমিডিয়া শব্দের শুরুতেই আছে মাল্টি বা বহু, আর এর মূল ভিত্তি হলো টেক্সট, অডিও এবং ভিডিও—এই তিনটি মৌলিক মাধ্যম। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে, মাল্টিমিডিয়ার প্রধান ৩টি স্তম্ভ হলো লেখা, শব্দ এবং দৃশ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাল্টিমিডিয়ার জনক বা কম্পিউটারে এর প্রয়োগের ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ইন্টারেক্টিভ মাল্টিমিডিয়া এবং সাধারণ মাল্টিমিডিয়ার পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা রাখা পরীক্ষার জন্য জরুরি।
59. তালিকা প্রদর্শনের পদ্ধতি কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সার্চিং ১. কেন সঠিক: তালিকা বা ডেটাসেট থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা উপাত্ত খুঁজে বের করার প্রক্রিয়াকে সার্চিং বলা হয়। এটি ডেটা স্ট্রাকচার ও ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে সংরক্ষিত তথ্য প্রদর্শনের একটি মৌলিক মাধ্যম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সার্চিং হলো একটি অ্যালগরিদমভিত্তিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি বিশাল সংগ্রহ বা তালিকা থেকে নির্দিষ্ট মান বা রেকর্ড খুঁজে বের করা হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড ইনপুট করলে সিস্টেম পুরো তালিকা স্ক্যান করে মিলে যাওয়া তথ্যগুলো স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কন্টাক্ট লিস্টে কোনো বন্ধুর নাম লিখে খোঁজা। ব্যাখ্যা: নামের প্রথম অক্ষর টাইপ করার সাথে সাথে তালিকা থেকে সেই নামের রেকর্ডটি খুঁজে স্ক্রিনে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণ ২: ই-কমার্স সাইটে পণ্যের নাম লিখে সার্চ করা। ব্যাখ্যা: সার্চ বারে পণ্যের নাম লিখলে ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট পণ্যগুলোর তালিকা প্রদর্শন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনডেক্সিং — ইনডেক্সিং হলো ডেটা দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ডেটার একটি সূচি তৈরি করা, যা তালিকা প্রদর্শনের সরাসরি পদ্ধতি নয় বরং অনুসন্ধানের সহায়ক মাধ্যম। B) কুয়েরি — কুয়েরি হলো ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার জন্য করা কোনো প্রশ্ন বা কমান্ড, যা সার্চিংয়ের একটি কারিগরি রূপ কিন্তু প্রদর্শন পদ্ধতি নয়। D) এনক্রিপশন — এনক্রিপশন হলো ডেটাকে কোড বা সাইফারটেক্সে রূপান্তর করে সুরক্ষিত করার পদ্ধতি, যার তালিকা প্রদর্শনের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: তথ্য খোঁজা মানেই সার্চ করা, তাই তালিকা প্রদর্শনের সাথে সার্চিং শব্দটি সরাসরি যুক্ত। পরীক্ষায় ডেটা খোঁজার কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে সার্চিং অপশনটি নির্বাচন করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডেটাবেজে দ্রুত তথ্য খোঁজার জন্য ইনডেক্স ব্যবহার করা হয়। সার্চিং ও সর্টিং ডেটা স্ট্রাকচারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি অপারেশন।
60. নিচের কোন ডিভাইসটিতে ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুইচ ১. কেন সঠিক: সুইচ হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা ডেটা ফিল্টারিং ও ফরোয়ার্ডিং করতে সক্ষম। এটি প্রতিটি সংযুক্ত ডিভাইসের ম্যাক ঠিকানা মনে রাখে এবং নির্দিষ্ট প্রাপকের কাছে সরাসরি ডেটা পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সুইচ হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে বিভিন্ন নোডকে যুক্ত করে এবং টার্গেট ডিভাইস চিনে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: সুইচ তার মেমোরি টেবিলে সংরক্ষিত ম্যাক ঠিকানার তালিকা যাচাই করে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পোর্টে ডেটা পাঠায়, ফলে অপ্রয়োজনীয় ডেটা প্রবাহ রোধ হয়। ব্যবহার: আধুনিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ল্যান তৈরিতে কম্পিউটার, প্রিন্টার ও সার্ভার যুক্ত করতে সুইচ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি অফিসের ল্যানে পাঁচটি কম্পিউটার যুক্ত আছে। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল পাঠানোর সময় সুইচ শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কম্পিউটারেই ডেটা পাঠায়, অন্য কম্পিউটারে নয়। উদাহরণ ২: প্রিন্ট করার কমান্ড পাঠানো। ব্যাখ্যা: সুইচ নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারগুলোকে বিরক্ত না করে সরাসরি প্রিন্টারে ডেটা ফিল্টার করে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাব — হাব কোনো ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে না এবং এটি প্রাপ্ত ডেটা সব পোর্টে ব্রডকাস্ট করে দেয়। B) সুইচ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি সঠিকভাবে ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে। C) এনআইসি — এনআইসি বা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড হলো কম্পিউটারে নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপনের একটি হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশ। D) রিপিটার — রিপিটার সিগন্যালকে শক্তিশালী করে দীর্ঘ দূরত্বে পাঠায় কিন্তু ডেটা ফিল্টারিং করার ক্ষমতা এর নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: হাব হলো বোকা ডিভাইস যা সব দিকে ডেটা ছড়ায়, আর সুইচ হলো চালাক ডিভাইস যা ফিল্টার করে নির্দিষ্ট ঠিকানায় ডেটা পাঠায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা কোলাহল কমানোর জন্য হাবের পরিবর্তে সুইচ ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটা ফিল্টারিং বা ম্যাক ঠিকানাভিত্তিক ডিভাইসের নাম জানতে চাওয়া হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

1. আলাওল কোন শতাব্দীর কবি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তদশ ১. কেন সঠিক: মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান ও খ্যাতিমান কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। তিনি মূলত মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং এই ধারাটি সপ্তদশ শতাব্দীতেই সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও অনুবাদক। তার অমর সৃষ্টি 'পদ্মাবত' কাব্যটি সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে রচিত হয় এবং এটি তার সাহিত্যকীর্তির প্রধান নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজী ব্যাখ্যা: দৌলত কাজীও সপ্তদশ শতাব্দীর আরাকান রাজসভার আরেকজন বিখ্যাত কবি যিনি 'সতী ময়না লোরচন্দ্রানী' কাব্য রচনা করেন। উদাহরণ ২: সৈয়দ সুলতান ব্যাখ্যা: সৈয়দ সুলতান ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিক ও সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর সময়ের বিশিষ্ট কবি যিনি 'নবীকুলমঞ্জরী' ও 'শবেমেরাজ' রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চদশ — পঞ্চদশ শতাব্দী শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের যুগ হিসেবে পরিচিত, যেখানে আলাওল ছিলেন না। B) ষোড়শ — ষোড়শ শতাব্দী হলো চৈতন্যদেব ও চৈতন্যোত্তর ভক্তি সাহিত্য এবং শ্রীধর কথক বা মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর যুগ, আলাওলের সময়কাল এটি নয়। D) অষ্টাদশ — অষ্টাদশ শতাব্দী হলো ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর এবং মরমী সাধক রামপ্রসাদ সেনের যুগ, যা আলাওলের বহু পরের সময়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল স দিয়ে শুরু সপ্তদশ শতাব্দীর কবি হিসেবে মনে রাখতে পারেন। তার বিখ্যাত পদ্মাবত কাব্যটি সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে রচিত হয়েছিল বলে শতক মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের শতাব্দী বা রাজসভা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কবি আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন এবং তার শ্রেষ্ঠ কাব্য পদ্মাবত কোন শতকের রচনা, তা ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
2. বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলন করেন কে?
Created 3 weeks ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় প্রথম মুদ্রিত ও পূর্ণাঙ্গ অভিধান সংকলন করেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। তার সংকলিত এই অভিধানটির নাম বঙ্গভাষা অভিধান যা ১৮১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট পণ্ডিত ও শিক্ষাবিদ। তিনি কলকাতার সংস্কৃত কলেজের সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: হরিচরণ দের বঙ্গীয় শব্দকোষ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রামাণিক ঐতিহাসিক অভিধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম বাংলা অভিধান সংকলন করেছিলেন। B) রাজশেখর বসু — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত lexicographer বা শব্দকোষকার যিনি চলিত ভাষার অভিধান বা চলন্তিকা সংকলন করেছিলেন। C) অশোক মুখোপাধ্যায় — তিনি আধুনিককালের বাংলা অভিধান ও প্রাবন্ধিক জগতের সঙ্গে যুক্ত, প্রথম অভিধান প্রণেতা নন। D) হরিচরণ দে — তিনি বিখ্যাত বঙ্গীয় শব্দকোষ অভিধানের রচয়িতা যা বিশ শতকের প্রথমার্ধে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রথম অভিধান মানেই রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ আর প্রথম ব্যাকরণ মানেই রাজা রামমোহন রায়। নাম মনে রাখার জন্য ব দিয়ে বাংলা ব্যাকরণ আর রামমোহন মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্য, ব্যাকরণ ও অভিধানের প্রথম প্রকাশ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। গ্রন্থের নাম এবং প্রকাশের সালগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
11. 'অজগড় বৃত্তি' বাগধারাটির অর্থ কী?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলসেমী ১. কেন সঠিক: - 'অজগড় বৃত্তি' বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো চরম অলসতা বা নিষ্ক্রিয়তা। অজগড় সাপ যেমন শিকারের আশায় অলসভাবে পড়ে থাকে, তেমনি কোনো রকম পরিশ্রম বা কর্মতৎপরতা না দেখিয়ে অলস জীবন কাটানোকে এই বাগধারা দ্বারা বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় অনেক বাগধারা প্রাণী বা প্রকৃতির বিভিন্ন আচরণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলস জীবনযাপন ব্যাখ্যা: সারাদিন কোনো কাজ না করে শুয়ে বসে কাটানোকে অজগড় বৃত্তির সাথে তুলনা করা যায়। উদাহরণ ২: কুঁড়েমি করা ব্যাখ্যা: কাজের প্রতি অনীহা ও দীর্ঘসূত্রিতাও অজগড় বৃত্তির সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলসেমী — এটি সঠিক উত্তর কারণ অজগড় বৃত্তি বাগধারাটি অলসতা বা নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ করে। B) পেটুক — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত ভোজন করা বোঝাতে পেটুক ব্যবহার করা হয়, যার সাথে অলসতার সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) অপদার্থ — এটি ভুল কারণ কোনো কাজের যোগ্য নয় এমন ব্যক্তিকে অপদার্থ বলা হয়, যা অজগড় বৃত্তির অর্থ নয়। D) লোভী — এটি ভুল কারণ অসৎ উপায়ে বা অতিরিক্ত পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে লোভ বলা হয়, যা এই বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অজগড় সাপ যেমন শিকারের জন্য নিজে নড়াচড়া না করে অলসভাবে পড়ে থাকে, তেমনি অজগড় বৃত্তি মানেই চরম আলসেমি বা কুঁড়েমি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীবাচক শব্দ দিয়ে গঠিত বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব প্রায়শই জানতে চাওয়া হয়। তাই শাব্দিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
12. কোনটি যতিচিহ্ন নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিসর্গ ১. কেন সঠিক: - বিসর্গ একটি বর্ণ বা ধ্বনিভিত্তিক চিহ্ন, যা কোনো যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন নয়। - বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যে প্রতীকগুলো ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের প্রবর্তন করেন। - বাক্যের ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে থামার স্থান বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাড়ি ব্যাখ্যা: এটি একটি যতিচিহ্ন, যা বাক্য শেষ হলে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কোলন ব্যাখ্যা: এটি একটি যতিচিহ্ন, যা একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোলন — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি অনুমোদিত যতিচিহ্ন, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) দাঁড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশক প্রধান যতিচিহ্ন, তাই এটি উত্তর হবে না। C) বিসর্গ — এটি বর্ণমালার একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ বা ধ্বনি প্রতীক, কোনো যতিচিহ্ন নয়। D) সেমিকolon — এটি কমার চেয়ে বেশি সময় থামার জন্য ব্যবহৃত একটি যতিচিহ্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা ব্যাকরণে মোট ছয়টি প্রধান যতিচিহ্ন এক সেকেন্ড থামার জন্য নির্দিষ্ট আছে, যার মধ্যে বিসর্গ নেই। - পরাশ্রয়ী বর্ণগুলো যেমন অনুস্বার, বিসর্গ, চন্দ্রবিন্দু কখনো যতিচিহ্ন হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সফল ব্যবহার করেন। - যতিচিহ্নগুলোর মধ্যে একমাত্র প্রশ্নবোধক ও বিস্ময়সূচক চিহ্ন বাক্যের শেষে বা মাঝে আবেগের প্রকাশ ঘটায়।
13. 'গজানন' কোন সমাস?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - গজ অর্থ হাতি এবং আনন অর্থ মুখ, যার সমস্ত পদ মিলে গতির বা অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে। - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি নতুন অর্থ বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদ দুটির বাইরে অন্য কোনো পদ প্রধান হয়। - গজানন শব্দের ব্যাসবাক্য হলো গজ আনন যার অর্থ হাতির মতো মুখ যার, এবং এর দ্বারা গণেশকে বোঝানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানি যার = বিনাপাণি ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যেখানে বীণা ও পানি ভিন্ন অর্থ না বুঝিয়ে সরস্বতীকে বোঝায়। উদাহরণ ২: দশ অক্ষি যার = দশকক্ষি ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাস যার দ্বারা রাবণকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — এই সমাসের পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু গজানন শব্দে অন্য অর্থ প্রকাশ পায়। B) দ্বন্দ্ব — এই সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় — এই সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে হয়নি। D) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি অন্য অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত শব্দের সমস্ত পদ দ্বারা কোনো দেবতা, পৌরাণিক চরিত্র বা বিশেষ কাউকে বোঝায়, তা সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে থাকা। - পরীক্ষিৎ শব্দে ব্যাসবাক্য করার সময় ব্যাসবাক্যের শেষে যার যুক্ত করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

1. Which of the following is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I, you and she were guilty. কেন সঠিক: সাধারণ স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে প্রোনাউন সাজানোর নিয়ম হলো প্রথমে প্রথম পুরুষ বা প্রথম ব্যক্তি, তারপর দ্বিতীয় এবং শেষে তৃতীয় ব্যক্তি বসে। এখানে অপরাধ স্বীকার করা বোঝাচ্ছে বিধায় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ক্রমটি হলো আই, ইউ এন্ড শি। সাবজেক্ট বহুবচন হওয়ায় এর সাথে সঠিক প্লুরাল ভার্ব ওয়্যার ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউ, শি এন্ড আই — দোষ স্বীকার করার ক্ষেত্রে প্রথম পুরুষ বা প্রথম ব্যক্তি প্রথমে বসার নিয়ম থাকায় এই ক্রমটি ভুল হয়েছে। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) শি, ইউ এন্ড আই — সাধারণ নিয়মে ভালো কাজে থার্ড পারসন আগে বসে কিন্তু দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে এটি নিয়মবিরুদ্ধ। তাছাড়া এখানে ওয়্যার এর বদলে ভুলভাবে ওয়াজ ব্যবহার করা হয়েছে। D) আই, ইউ এন্ড শি — প্রোনাউনের ক্রম ঠিক থাকলেও এখানে প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে ভুলভাবে সিঙ্গুলার ভার্ব ওয়াজ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: দোষ স্বীকার করার সময় ওয়ান টু থ্রি বা ওয়ান থ্রি টু নিয়ম মেনে প্রোনাউন সাজাতে হয় এবং সাবজেক্ট প্লুরাল হলে ওয়্যার বসাতে হয়।
2. Choose the meaning of the idioms- “Take the bull by the horns”.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To challenge the enemy with courage কেন সঠিক: idioms বা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো ষাঁড়ের শিং ধরে সাহসিকতার সাথে মোকাবিলা করা। এর ভাবার্থ হলো যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি বা বিপদকে অত্যন্ত সাহসের সাথে সরাসরি মোকাবেলা করা। এটি জীবনের যেকোনো প্রতিকূল অবস্থাকে সাহসের সাথে জয় করার মনোভাব প্রকাশ করে। তাই শত্রুর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে চ্যালেঞ্জ জানানোই এই বাগধারার সঠিক অর্থ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To challenge the enemy with courage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Force the enemy to submit — এটি শত্রুকে জোর করে আত্মসমর্পণ করানোর কথা বলে যা মূল বাগধারার সাথে মেলে না। C) Out of one’s wit — এর অর্থ বুদ্ধি হারিয়ে ফেলা বা দিশাহারা হওয়া যা সাহসিকতার বিপরীত। D) Surrender before the enemy — এর অর্থ শত্রুর কাছে আত্মসমর্পণ করা যা সাহসের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ষাঁড়ের শিং (horns) খুব ভয়ঙ্কর হয়, তাই শিং ধরে মোকাবেলা করা মানেই হলো চরম সাহসিকতা দেখানো।
3. ‘Syntax’ means-
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Sentence building কেন সঠিক: গ্রীক শব্দ 'Syntaxis' থেকে 'Syntax' শব্দটি এসেছে যার অর্থ একসাথে সাজানো বা গঠন করা। ব্যাকরণের যে শাখায় বাক্যের সঠিক গঠন শেখানো হয় তাকেই সিনট্যাক্স বা বাক্য গঠন বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Supplementary text — এটি পরিপূরক বা অতিরিক্ত কোনো পাঠ্য বিষয়কে বোঝায়। B) Synchronizing act — এটি কোনো কাজকে একই সময়ে ঘটানো বা সমন্বয় করা বোঝায়। C) Manner of speech — এটি মানুষের কথা বলার ভঙ্গি বা উচ্চারণ পদ্ধতি নির্দেশ করে। D) Sentence building — এটি সঠিক ব্যাকরণ মেনে বাক্য গঠনের পদ্ধতি নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: সিনট্যাক্স মানেই বাক্যের গঠন। ইংরেজীতে মনে রাখবে সিনট্যাক্স মানে বাক্য তৈরি করা।
4. Choose the correct expression:
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) No fewer than fifty students were present কেন সঠিক: students শব্দটি গণনা করা যায় এমন নাউন হওয়ায় এর পূর্বে fewer ব্যবহৃত হয়। সংখ্যা বোঝাতে এবং বহুবচন সাবজেক্টের সাথে plural verb বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) B — lesser পরিমাণ বোঝাতে বসে, যা গণনাযোগ্য নাউনের সাথে বসে না। C) C — less পরিমাণ বোঝাতে বসে এবং was ভুলবশত singular verb ব্যবহৃত হয়েছে। D) D — smaller আকৃতি বা আয়তন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: গণনা করা যায় এমন পদের ক্ষেত্রে fewer এবং পরিমাপ করা যায় এমন পদের ক্ষেত্রে less ব্যবহার করতে হয়।
5. Passive voice of ‘None likes him’ is ---
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He is liked by none. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Negative অর্থবোধক, তাই Passive করার সময় Subject-কে Object এবং Object-কে Subject করার পর negative অর্থ বজায় রাখতে by-এর পর none ব্যবহার করা হয়েছে। - Present Indefinite Tense-এর Active voice-কে Passive করার নিয়ম অনুযায়ী Subject-এর পর am/is/are এবং মূল Verb-এর Past Participle বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is no liked by anyone. — কোনো বাক্য গঠনে no liked হয় না, সঠিক গঠনে not liked অথবা none ব্যবহার করতে হয়। B) He was not liked by anyone. — প্রদত্ত বাক্যটি Present Tense-এ আছে, তাই এখানে Past Tense-এর सहायक verb was ব্যবহার করা ভুল। C) He has no been liked by anyone. — বাক্যটিতে Present Perfect Tense-এর গঠন ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল Present Indefinite Tense-এর বাক্যটির সাথে মেলে না। D) He is liked by none. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করে সঠিক Passive রূপ গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে subject হিসেবে none থাকলে Passive করার সময় সাধারণত by-এর পরে none বসিয়ে বাক্যটিকে affirmative রাখা হয়।
6. It is wise _____ you to study properly.
Created 3 weeks ago | Updated 59 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: বক্তার বিচারবুদ্ধি বা গুণ বোঝাতে ওয়াইজ শব্দের পরে প্রিপ্রজিশন অভ বসে। তাই এখানে তুমি বা তোমার বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করতে অফ ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যক্তির গুণের সাথে অভ বসে। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ফর বসে, যা এই বাক্যের গঠনে সঠিক নয়। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) to — কোনো কিছুর দিকে গতি বা লক্ষে পৌঁছাতে টু বসে, যা এখানে অর্থহীন। D) on — কোনো কিছুর উপরে অবস্থা বোঝাতে অন বসে, যা এই শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: ওয়াইজ বা ক্লেভার শব্দের পর মানুষের গুণ বোঝালে অভ বসে।
7. “Nota Bene” means-
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mark well কেন সঠিক: Nota Bene একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যা ইংরেজি সাহিত্যে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এর শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো ভালোভাবে লক্ষ্য করো বা মনে রেখো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to example — এই অপশনটি ভুল কারণ Nota Bene উদাহরণের জন্য ব্যবহার করা হয় না। এটি কোনো বিষয়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব বা নজর দেওয়ার জন্য লেখা হয়। B) not sure — এই অপশনটি ভুল কারণ Nota Bene কোনো অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে না। এটি সম্পূর্ণ নিশ্চিত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) next page — এই অপশনটি ভুল কারণ Nota Bene পরের পৃষ্ঠা বোঝায় না। এটি মূলত লেখার ভেতরেই কোনো বিশেষ দ্রষ্টব্য বা সতর্কবার্তা বোঝাতে আসে। মনে রাখার টিপস: Nota Bene শব্দটিকে সংক্ষেপে N.B. লেখা হয়, যার অর্থ আমরা কোনো পড়ার শুরুতে বিশেষ দ্রষ্টব্য বা ভালোভাবে লক্ষ্য করো বোঝাতে ব্যবহার করি।
8. The antonym of “Juvenile” is-
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adult কেন সঠিক: Juvenile শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অপ্রাপ্তবয়স্ক বা কিশোর। এর বিপরীত শব্দ হলো Adult যার অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি। প্রাপ্তবয়স্ক বা Adult হলো কিশোর বয়সের সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Young — এটি Juvenile শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ তরুণ বা যুবক। B) Adolescent — এটিও Juvenile শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ কিশোর বা বয়ঃসন্ধিকালের মানুষ। C) Adult — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) Childlike — এটি Juvenile শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ শিশুসুলভ। মনে রাখার টিপস: জুভেনাইল মানে শিশু বা কিশোর, আর এডাল্ট মানে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ।
9. Identifying the incorrectly spelt word.
Created 3 weeks ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Miscellanoous কেন সঠিক: অপশন সি তে থাকা বানানটি ভুল আছে কারণ এখানে শেষের দিকে 'anoous' ব্যবহার করা হয়েছে। সঠিক বানানটি হলো Miscellaneous যেখানে মাঝখানে 'scell' এবং শেষে 'eous' থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disappointment — এই শব্দটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এর অর্থ হলো নিরাশা। B) Committee — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে যেখানে ডাবল এম, ডাবল টি এবং ডাবল ই আছে। C) Miscellanoous — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো Miscellaneous এবং এর অর্থ বিবিধ। D) Curriculum — এই শব্দটির বানান সঠিক আছে এবং এর অর্থ হলো শিক্ষাক্রম। মনে রাখার টিপস: Miscellanoous বানানের শেষ অংশ মনে রাখার জন্য 'eous' অংশটি বারবার লিখে অনুশীলন করতে হবে।
10. “I wandered lonely as a cloud” is written by-
Created 3 weeks ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Wordsworth কেন সঠিক: - এটি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা একটি জনপ্রিয় কবিতা, যার মূল শিরোনাম ড্যাফোডিলস। - প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানুষের একাকীত্বের অনুভূতি প্রকাশের জন্য এই কবিতাটি বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Rerrick — রবার্ট হেরিক একজন সপ্তদশ শতাব্দীর ইংরেজ কবি এবং ক্লেরজিমান ছিলেন, যিনি এই কবিতার রচয়িতা নন। B) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) Willian Blake — উইলিয়াম ব্লেক রোমান্টিক যুগের অপর একজন কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন, যার লেখার ধরন ও বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা। D) P.B. Shelly — পার্সি বিশ শেলি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও তিনি এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: মেঘের মতো একা ঘুরে বেড়ানোর বিখ্যাত কবিতাটি রোমান্টিক কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা।
11. The author of “Animal Farm” novel -----
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) George Orwell কেন সঠিক: - জর্জ অরওয়েল বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক, যার প্রকৃত নাম এরিক আর্থার ব্লেয়ার। - তাঁর বিখ্যাত রূপক উপন্যাস 'অ্যানিমেল ফার্ম' প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে, যা মূলত রাজনৈতিক ও সমাজতান্ত্রিক দুর্নীতির প্রতীকী সমালোচনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) T. S. Eliot — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবি ও নাট্যকার ছিলেন, কোনো ঔপন্যাসিক নন। B) Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার ও কবি ছিলেন, বিংশ শতাব্দীর লেখক নন। C) George Orwell — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক হিসেবে গণ্য। D) Earnest Hemingway — তিনি একজন জনপ্রিয় মার্কিন ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক ছিলেন, যার বিখ্যাত কাজের মধ্যে 'দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি' অন্যতম। মনে রাখার টিপস: অ্যানিমেল ফার্ম উপন্যাসের খলনায়ক শুয়োরগুলোর নাম মনে রাখলেই জর্জ অরওয়েলের এই রাজনৈতিক উপন্যাসের কথা সহজেই মনে রাখা যায়।
12. Words : Writer
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Butter : Baker কেন সঠিক: একজন লেখক যেমন শব্দ দিয়ে তার লেখা তৈরি করেন, তেমনি একজন বেকার বা ময়রা মূলত মাখন ব্যবহার করে বিভিন্ন খাবার তৈরি করেন। এখানে প্রথম শব্দ দিয়ে দ্বিতীয় পেশাজীবীর মূল উপাদান বা কাঁচামাল বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Laws : Policeman — এখানে আইন এবং পুলিশ একে অপরের পরিপূরক হলেও প্রথমটি কোনো কাঁচামাল নয়। B) Butter : Baker — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Chalk : Blackboard — এখানে চক এবং ব্ল্যাকবোর্ড লেখার উপকরণ, কোনো পেশাজীবীর কাঁচামাল নয়। D) Joy : Emotion — এখানে আনন্দ হলো আবেগের একটি প্রকারভেদ, কোনো তৈরির উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার ক্ষেত্রে প্রথম বস্তুটি দিয়ে দ্বিতীয় পেশাজীবীর কাজের মূল উপাদান বা কাঁচামাল বোঝানো হয় কিনা তা খেয়াল রাখতে হবে।
13. Identify the correct sentence-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He is better and superior to me. কেন সঠিক: superior শব্দটির পরে সব সময় to preposition বসে, than বসে না। এখানে দুটি ভিন্ন adjective-এর পরে আলাদা preposition ব্যবহারের নিয়ম সঠিক রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) — superior শব্দের পরে than ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং pronoun-এর রূপ সঠিক নয়। B) — better শব্দের পরে than এবং superior শব্দের পরে to ব্যবহার করলেও গঠনটি সঠিক নয়। C) — superior শব্দের পরে than ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম নয়। D) — এই অপশনটিতে better-এর সাথে than এবং superior-এর সাথে to সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: superior, senior, junior, inferior ইত্যাদি শব্দের পরে সব সময় to বসে।
14. Do not hanker _____ fame.
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) after কেন সঠিক: hanker শব্দের পর সাধারণত after preposition বসে যার অর্থ লোভ করা। এখানে খ্যাতির পেছনে ছোটা বা লোভ না করার অর্থে after ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — in preposition সাধারণত কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে যা এখানে সঠিক নয়। B) toward — toward preposition সাধারণত কোনো কিছুর দিকে গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) after — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) into — into preposition সাধারণত বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশের গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর পেছনে লোভ করা বা লালসা বোঝাতে hanker-এর পর সবসময় after preposition ব্যবহার করতে হয়।
15. Hardly had he entered the words-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) When he began laughing কেন সঠিক: ইংরেজী গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী Hardly had এর সাথে எப்பொও When বসে। বাক্যটির অর্থ মিলছে এবং গঠন সঠিক হয়েছে। দ্বিতীয় অংশে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Than we left the room — Hardly এর সাথে Than বসে না, Scarcely এর সাথে বসে। B) When he began laughing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) As soon as everybody sat down — এটি ভিন্ন একটি স্ট্রাকচার এবং এখানে মিলছে না। D) The manager came in — এই অংশটির সাথে প্রথম অংশের ঘটনার মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Hardly had থাকলে পরের অংশে When এবং No sooner had থাকলে Than বসে।

মোট প্রশ্ন (15)

1. অহনা ইংরেজি ও গণিতে মোট ১৭৬ নম্বর পেয়েছে। সে ইংরেজি অপেক্ষা গণিতে ১০ নম্বর বেশি পেয়েছে। সে গণিতে কত পেয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 22 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৩ প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি ও গণিতে মোট প্রাপ্ত নম্বর = ১৭৬ গণিতে ইংরেজি অপেক্ষা ১০ নম্বর বেশি ধরি, ইংরেজিতে প্রাপ্ত নম্বর = ক তাহলে গণিতে প্রাপ্ত নম্বর = ক + ১০ অতএব, ক + ক + ১০ = ১৭৬ ২ক + ১০ = ১৭৬ সুতরাং, ২ক = ১৭৬ − ১০ ২ক = ১৬৬ উত্তর: ক = ৮৩, তাই গণিতে প্রাপ্ত নম্বর = ৮৩ + ১০ = ৯৩
2. ১০ বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ছিল ৪ : ১। ১০ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ২ : ১ হবে। পিতার বর্তমান বয়স কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ বছর প্রদত্ত তথ্য: ১০ বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত ছিল ৪ : ১ ১০ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত হবে ২ : ১ ধরি, ১০ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল ৪x বছর ১০ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল x বছর অতএব, বর্তমানে পিতার বয়স = ৪x + ১০ বছর বর্তমানে পুত্রের বয়স = x + ১০ বছর সুতরাং, ১০ বছর পর পিতার বয়স হবে ৪x + ২০ বছর এবং পুত্রের বয়স হবে x + ২০ বছর শর্তমতে, (৪x + ২০) ÷ (x + ২০) = ২ ÷ ১ সমাধান করে পাই, ৪x + ২০ = ২x + ৪০ ২x = ২০ x = ১০ অতএব, পিতার বর্তমান বয়স = (৪ × ১০) + ১০ = ৫০ বছর উত্তর: ৫০ বছর
3. দুই অঙ্কবিশিষ্ট কোন সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির সাথে ৭ যোগ করলে যোগফল দশক স্থানীয় অঙ্কটির তিনগুণ হয়। কিন্তু সংখ্যাটি থেকে ১৮ বাদ দিলে অঙ্কদ্বয় স্থান পরিবর্তন করে। সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৩ প্রদত্ত তথ্য: দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যা এবং তার অঙ্কের স্থান পরিবর্তনের শর্ত দেওয়া আছে ধরি, একক স্থানীয় অঙ্ক = y এবং দশক স্থানীয় অঙ্ক = x সংখ্যাটি = ১০x + y অতএব, প্রথম শর্তানুযায়ী, (x + y) + ৭ = ৩x দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী, (১০x + y) − ১৮ = ১০y + x সুতরাং, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, ২x − y = ৭ দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, ৯x − ৯y = ১৮ বা x − y = ২ উত্তর: দুটি সমীকরণ সমাধান করে পাই x = ৫ এবং y = ৩, অর্থাৎ সংখ্যাটি ৫৩
4. x + (১/x) = ৭ হলে x³ + (১/x³) এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩২২ প্রদত্ত তথ্য: x + (১/x) = ৭ x³ + (১/x³) এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, মান নির্ণয়ের জন্য ঘন এর সূত্র ব্যবহার করতে হবে সূত্রটি হলো a³ + b³ = (a + b)³ − 3ab(a + b) অতএব, x³ + (১/x³) = (x + (১/x))³ − 3 × (x) × (১/x) × (x + (১/x)) এখানে x এবং (১/x) কাটা যাবে সুতরাং, মান বসিয়ে পাই, ৭ এর কিউব − ৩ × ৭ অর্থাৎ, ৩৪৩ − ২১ উত্তর: ৩২২
5. একটি ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিনগুণ। প্রতি বর্গমিটার ৭.৫ টাকা খরচে ঘরটি কার্পেট দিয়ে ঢাকতে ১,১০২.৫০ টাকা খরচ হয়। ঘরটির দৈর্ঘ্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মোট খরচ = ১,১০২.৫০ টাকা প্রতি বর্গমিটার খরচ = ৭.৫০ টাকা ধরি, ঘরের প্রস্থ = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৩ক × ক বর্গমিটার = ৩ক বর্গমিটার অতএব, ঘরের ক্ষেত্রফল = ১,১০২.৫০ ÷ ৭.৫০ বর্গমিটার ক্ষেত্রফল = ১৪৭ বর্গমিটার ৩ক বর্গমিটার = ১৪৭ বর্গমিটার সুতরাং, ক বর্গমিটার = ১৪৭ ÷ ৩ বর্গমিটার = ৪৯ বর্গমিটার ক = √৪৯ = ৭ মিটার উত্তর: ঘরের দৈর্ঘ্য = ৩ × ৭ মিটার = ২১ মিটার
6. x + y = ৬ হলে x²y⁴ এর বৃহত্তম মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০২৪ প্রدত্ত তথ্য: x + y = ৬ এবং x^২y^৪ এর বৃহত্তম মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, রাশিটিকে সমান ভাগে ভাগ করতে হবে যেন গুণফল সবচেয়ে বেশি হয় এখানে y^৪ থাকায় y কে দুটি সমান ভাগে ভাগ করা সুবিধাজনক অতএব, y কে দুটি ভাগে ভাগ করলে পাই y ÷ ২ এবং y ÷ ২ শর্ত অনুযায়ী x = y ÷ ২ বা x = ২y ÷ ২ লেখা যায় সুতরাং, x এর মান y এর অর্ধেকের সমান ধরলে সর্বোচ্চ মান পাওয়া যাবে এই শর্তে x = ২ এবং y = ৪ হয় উত্তর: x এর মান ২ এবং y এর মান ৪ বসালে ২ × (৪)^৪ = ১০২৪ হয়
7. দুইটি সংখ্যার সমষ্টি ৭৫। বৃহত্তম সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ ৩০ অপেক্ষা যত কম ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটির চারগুণ ৫০ অপেক্ষা তত বেশি। সংখ্যা দুইটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০, ১৫ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার সমষ্টি ৭৫ বৃহত্তম সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ ৩০ অপেক্ষা যত কম ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটির চারগুণ ৫০ অপেক্ষা তত বেশি ধরি, বৃহত্তম সংখ্যাটি = ক ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ৭৫ ৩০ − (ক ÷ ৩) = (৪ × খ) − ৫০ ক ÷ ৩ + ৪ × খ = ৮০ সুতরাং, অপশন বি থেকে পাই, ৬০ + ১৫ = ৭৫ উত্তর: ৬০, ১৫
8. একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ ৭ সেন্টিমিটার হলে উক্ত বৃত্তের অন্তর্নিহিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৮ বর্গ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৭ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের ব্যাস = ৭ × ২ = ১৪ সেন্টিমিটার অন্তর্নিহিত বর্গক্ষেত্রের কর্ণ বৃত্তের ব্যাসের সমান তাই বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = ১৪ সেন্টিমিটার অতএব, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৪ ÷ √২ সেন্টিমিটার বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু × বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১৪ ÷ √২) × (১৪ ÷ √২) উত্তর: ৯৮ বর্গ সে. মি.
9. ৮ মিটার বাহু বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের অভ্যন্তরে অঙ্কিত বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮ মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের অভ্যন্তরে অঙ্কিত বৃত্তটি বর্গক্ষেত্রের চার বাহুকে স্পর্শ করে অতএব, বৃত্তের ব্যাস বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্যের সমান হবে সুতরাং, বৃত্তের ব্যাস = ৮ মিটার উত্তর: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৮ ÷ ২ = ৪ মিটার
10. একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘুরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৪০° প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘুরে এক মিনিট সমান ষাট সেকেন্ড ধরি, চাকাটি ষাট সেকেন্ডে ঘুরে ৯০ বার চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘুরে (৯০ ÷ ৬০) বার অতএব, চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘুরে ১.৫ বার এক চাকার ঘূর্ণন সমান ৩৬০° সুতরাং, চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘুরবে (১.৫ × ৩৬০°) উত্তর: ৫৪০°
11. 3x − 7y + 10 = 0 এবং y − 2x − 3 = 0 হলে (x, y) এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (-1, 1) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো ৩x − ৭y + ১০ = ০ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো y − ২x − ৩ = ০ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই ৩x − ৭y = −১০ দ্বিতীয় সমীকরণটিকে সাজিয়ে পাই −২x + y = ৩ অতএব, দ্বিতীয় সমীকরণকে ৭ দ্বারা গুণ করে পাই −১৪x + ৭y = ২১ এখন প্রথম ও গুণ করা সমীকরণ যোগ করে পাই ৩x − ১৪x = −১০ + ২১ সুতরাং, হিসাব করে পাই −১১x = ১১, যার মান x = −১ এখন x এর মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসিয়ে পাই y = ১ উত্তর: (-1, 1)
12. লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘণ্টায় ১৮ কিলোমিটার ও ৬ কিলোমিটার। নদী পথে ৪৮ কিলোমিটার যেতে এবং ফিরে আসতে লঞ্চটির কত সময় লাগবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: লঞ্চের গতিবেগ = ঘণ্টায় ১৮ কিলোমিটার স্রোতের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৬ কিলোমিটার দূরত্ব = ৪৮ কিলোমিটার ধরি, স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ + ৬ = ঘণ্টায় ২৪ কিলোমিটার স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ − ৬ = ঘণ্টায় ১২ কিলোমিটার অতএব, অনुकূলে ৪৮ কিলোমিটার যেতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ২৪ = ২ ঘণ্টা प्रतिकূলে ৪৮ কিলোমিটার ফিরে আসতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ১২ = ৪ ঘণ্টা সুতরাং, মোট যাতায়াতের সময় লাগে = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা উত্তর: ৬ ঘণ্টা
13. ৪% হার সুদে কত টাকার ২ বছরের সরল সুদ এবং চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্য ১ টাকা হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সুদের হার = ৪% সময় = ২ বছর সুদের পার্থক্য = ১ টাকা ধরি, আসল = ক টাকা অতএব, ২ বছরের সরল সুদ = (ক × ৪ × ২) ÷ ১০০ ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি সুদের মূলধন = ক × (১ + (৪ ÷ ১০০))^২ সুতরাং, চক্রবৃদ্ধি সুদ = [ক × (১ + (৪ ÷ ১০০))^২] − ক উত্তর: ক এর মান হিসাব করে পাই ৬২৫ টাকা
14. একটি পণ্যের বিক্রয়মূল্য দ্বিগুণ হলে মুনাফা তিনগুণ হয়। মূল্য বৃদ্ধি না করে পণ্যটি বিক্রি করলে কত টাকা লাভ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য দ্বিগুণ হলে মুনাফা তিনগুণ হয় মূল মূল্য বৃদ্ধি না করে পণ্যটি বিক্রি করলে লাভ বের করতে হবে ধরি, পণ্যের ক্রয়মূল্য = ক প্রথম বিক্রয়মূল্য = খ অতএব, প্রথম মুনাফা = খ − ক দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য = ২খ দ্বিতীয় মুনাফা = ২খ − ক সুতরাং, শর্তমতে, ২খ − ক = ৩(খ − ক) সমাধান করে পাই, খ = ২ক উত্তর: এখানে সঠিক হিসাব অনুযায়ী লাভ হবে ১০০ টাকা
15. x − 2 = √3 হলে x⁴ + (১/x⁴) এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪ প্রদত্ত তথ্য: x − ২ = √৩ ধরি, x এর মান নির্ণয় করতে হবে প্রথমে ১ ভাগ x এর মান বের করতে হবে অতএব, ১ ভাগ x = ১ ভাগ (২ + √৩) হর ও লবকে (২ − √৩) দ্বারা গুণ করে পাই, ১ ভাগ x = ২ − √৩ সুতরাং, x + (১ ভাগ x) = (২ + √৩) + (২ − √৩) = ৪ এখন, বর্গ করে পাই, (x + (১ ভাগ x)) বর্গ = ৪ বর্গ বা, x বর্গ + (১ ভাগ x বর্গ) + ২ = ১৬ বা, x বর্গ + (১ ভাগ x বর্গ) = ১৪ পুনরায় বর্গ করে পাই, (x বর্গ + (১ ভাগ x বর্গ)) বর্গ = ১৪ বর্গ বা, x চতুর্ঘাত + (১ ভাগ x চতুর্ঘাত) + ২ = ১৯৬ উত্তর: ১৯৪

মোট প্রশ্ন (15)

1. নিচের কোন ডিভাইসটিতে ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুইচ ১. কেন সঠিক: সুইচ হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা ডেটা ফিল্টারিং ও ফরোয়ার্ডিং করতে সক্ষম। এটি প্রতিটি সংযুক্ত ডিভাইসের ম্যাক ঠিকানা মনে রাখে এবং নির্দিষ্ট প্রাপকের কাছে সরাসরি ডেটা পাঠায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সুইচ হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে বিভিন্ন নোডকে যুক্ত করে এবং টার্গেট ডিভাইস চিনে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: সুইচ তার মেমোরি টেবিলে সংরক্ষিত ম্যাক ঠিকানার তালিকা যাচাই করে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পোর্টে ডেটা পাঠায়, ফলে অপ্রয়োজনীয় ডেটা প্রবাহ রোধ হয়। ব্যবহার: আধুনিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ল্যান তৈরিতে কম্পিউটার, প্রিন্টার ও সার্ভার যুক্ত করতে সুইচ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি অফিসের ল্যানে পাঁচটি কম্পিউটার যুক্ত আছে। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল পাঠানোর সময় সুইচ শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কম্পিউটারেই ডেটা পাঠায়, অন্য কম্পিউটারে নয়। উদাহরণ ২: প্রিন্ট করার কমান্ড পাঠানো। ব্যাখ্যা: সুইচ নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারগুলোকে বিরক্ত না করে সরাসরি প্রিন্টারে ডেটা ফিল্টার করে পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাব — হাব কোনো ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে না এবং এটি প্রাপ্ত ডেটা সব পোর্টে ব্রডকাস্ট করে দেয়। B) সুইচ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি সঠিকভাবে ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে। C) এনআইসি — এনআইসি বা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড হলো কম্পিউটারে নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপনের একটি হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশ। D) রিপিটার — রিপিটার সিগন্যালকে শক্তিশালী করে দীর্ঘ দূরত্বে পাঠায় কিন্তু ডেটা ফিল্টারিং করার ক্ষমতা এর নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: হাব হলো বোকা ডিভাইস যা সব দিকে ডেটা ছড়ায়, আর সুইচ হলো চালাক ডিভাইস যা ফিল্টার করে নির্দিষ্ট ঠিকানায় ডেটা পাঠায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা কোলাহল কমানোর জন্য হাবের পরিবর্তে সুইচ ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটা ফিল্টারিং বা ম্যাক ঠিকানাভিত্তিক ডিভাইসের নাম জানতে চাওয়া হয়।
2. তালিকা প্রদর্শনের পদ্ধতি কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সার্চিং ১. কেন সঠিক: তালিকা বা ডেটাসেট থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা উপাত্ত খুঁজে বের করার প্রক্রিয়াকে সার্চিং বলা হয়। এটি ডেটা স্ট্রাকচার ও ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে সংরক্ষিত তথ্য প্রদর্শনের একটি মৌলিক মাধ্যম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সার্চিং হলো একটি অ্যালগরিদমভিত্তিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি বিশাল সংগ্রহ বা তালিকা থেকে নির্দিষ্ট মান বা রেকর্ড খুঁজে বের করা হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কোনো নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড ইনপুট করলে সিস্টেম পুরো তালিকা স্ক্যান করে মিলে যাওয়া তথ্যগুলো স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কন্টাক্ট লিস্টে কোনো বন্ধুর নাম লিখে খোঁজা। ব্যাখ্যা: নামের প্রথম অক্ষর টাইপ করার সাথে সাথে তালিকা থেকে সেই নামের রেকর্ডটি খুঁজে স্ক্রিনে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণ ২: ই-কমার্স সাইটে পণ্যের নাম লিখে সার্চ করা। ব্যাখ্যা: সার্চ বারে পণ্যের নাম লিখলে ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট পণ্যগুলোর তালিকা প্রদর্শন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনডেক্সিং — ইনডেক্সিং হলো ডেটা দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ডেটার একটি সূচি তৈরি করা, যা তালিকা প্রদর্শনের সরাসরি পদ্ধতি নয় বরং অনুসন্ধানের সহায়ক মাধ্যম। B) কুয়েরি — কুয়েরি হলো ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার জন্য করা কোনো প্রশ্ন বা কমান্ড, যা সার্চিংয়ের একটি কারিগরি রূপ কিন্তু প্রদর্শন পদ্ধতি নয়। D) এনক্রিপশন — এনক্রিপশন হলো ডেটাকে কোড বা সাইফারটেক্সে রূপান্তর করে সুরক্ষিত করার পদ্ধতি, যার তালিকা প্রদর্শনের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: তথ্য খোঁজা মানেই সার্চ করা, তাই তালিকা প্রদর্শনের সাথে সার্চিং শব্দটি সরাসরি যুক্ত। পরীক্ষায় ডেটা খোঁজার কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে সার্চিং অপশনটি নির্বাচন করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডেটাবেজে দ্রুত তথ্য খোঁজার জন্য ইনডেক্স ব্যবহার করা হয়। সার্চিং ও সর্টিং ডেটা স্ট্রাকচারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি অপারেশন।
3. মাল্টিমিডিয়া কতটি প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়ে গঠিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ১. কেন সঠিক: - মাল্টিমিডিয়া মূলত তিনটি প্রধান প্রকাশ মাধ্যম বা উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত, যা হলো বর্ণ বা টেক্সট, শব্দ বা অডিও এবং দৃশ্য বা ভিডিও বা অ্যানিমেশন। - এই তিনটি মাধ্যম একত্রিত হয়ে ব্যবহারকারীর কাছে তথ্যকে আরও জীবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: মাল্টিমিডিয়া হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কম্পিউটার বা ডিজিটাল মাধ্যমে টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও এবং অ্যানিমেশন একসঙ্গে উপস্থাপন করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি বিভিন্ন ডিজিটাল উপাত্ত একসঙ্গে প্রক্রিয়াকরণ করে ব্যবহারকারীর ইন্দ্রিয়কে সচল রাখতে সাহায্য করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ইন্টারেক্টিভিটি বা পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া এবং একাধিক মাধ্যমের সুসমন্বয়। - ব্যবহার: শিক্ষা, বিনোদন, প্রশিক্ষণ এবং বিজ্ঞাপনে মাল্টিমিডিয়ার ব্যাপক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি শিক্ষামূলক অ্যানিমেটেড ভিডিও। ব্যাখ্যা: এতে টেক্সট, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং চলমান ছবি একসঙ্গে কাজ করে শিক্ষার্থীকে বিষয়টি সহজে বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: একটি মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনা বা প্রেজেন্টেশন। ব্যাখ্যা: এখানে স্লাইডে লেখা, ছবি এবং অডিও বা ভিডিও ক্লিপ যুক্ত করে তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ — মাল্টিমিডিয়া মানে বহু মাধ্যম, তাই একক কোনো মাধ্যম এর সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। B) ২ — মাত্র দুটি মাধ্যম থাকলে তাকে দ্বিমাসিক বা সীমিত মাধ্যম বলা যায়, পূর্ণাঙ্গ মাল্টিমিডিয়া হতে অন্তত তিনটি প্রধান মাধ্যম প্রয়োজন। D) ৪ — চারটি মাধ্যম হিসেবে অতিরিক্ত কিছু যুক্ত করা হলেও মাল্টিমিডিয়ার মূল ভিত্তি হিসেবে মূলত টেক্সট, অডিও এবং ভিডিও এই তিনটি মাধ্যমকেই প্রধান ধরা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাল্টিমিডিয়া শব্দের শুরুতেই আছে মাল্টি বা বহু, আর এর মূল ভিত্তি হলো টেক্সট, অডিও এবং ভিডিও—এই তিনটি মৌলিক মাধ্যম। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে, মাল্টিমিডিয়ার প্রধান ৩টি স্তম্ভ হলো লেখা, শব্দ এবং দৃশ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাল্টিমিডিয়ার জনক বা কম্পিউটারে এর প্রয়োগের ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ইন্টারেক্টিভ মাল্টিমিডিয়া এবং সাধারণ মাল্টিমিডিয়ার পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা রাখা পরীক্ষার জন্য জরুরি।
4. বিপুল পরিমাণ তথ্য সহজে খুজতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেটাবেইজ সফটওয়্যার ১. কেন সঠিক: বিপুল পরিমাণ তথ্য বা ডেটা সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ এবং দ্রুত খোঁজার জন্য ডেটাবেইজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। এটি ইনডেক্সিং এবং কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে বিশাল ডেটাসেট থেকে মুহূর্তের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুঁজে বের করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটাবেইজ সফটওয়্যার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন যা ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা, আপডেট এবং পুনরুদ্ধারের কাজে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি টেবিল আকারে সারি এবং কলামে ডেটা সাজিয়ে রাখে এবং কুয়েরি প্রসেসরের মাধ্যমে তথ্য ফিল্টার করে ফলাফল প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো ব্যাংকের লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট তথ্য থেকে নির্দিষ্ট একজন গ্রাহকের হিসাব সেকেন্ডের মধ্যে খুঁজে বের করা। ব্যাখ্যা: ব্যাংক তার প্রতিদিনের কোটি কোটি লেনদেন এবং গ্রাহক ডেটা নিরাপদে সংরক্ষণ ও খোঁজার জন্য ওরাকল বা মাইএসকিউএল ডেটাবেইজ ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফলাফল এবং ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করা। ব্যাখ্যা: রেজিস্ট্রার অফিস ডেটাবেইজ সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুহূর্তেই যেকোনো শিক্ষার্থীর রোল নম্বর দিয়ে তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেখতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার — এটি মূলত চিঠি, প্রতিবেদন বা টেক্সট ডকুমেন্ট লেখার ও সম্পাদনার কাজে ব্যবহৃত হয়, বিপুল তথ্য খোঁজার জন্য নয়। B) স্প্রেডশীট সফটওয়্যার — এটি হিসাব-নিকাশ ও ছোটখাটো ডেটা বিশ্লেষণে ভালো হলেও বিশাল পরিমাণ তথ্য দ্রুত খোঁজার জন্য ডেটাবেইজের মতো দক্ষ নয়। C) মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার — এটি ছবি, অডিও, ভিডিও তৈরি ও সম্পাদনা করার কাজে ব্যবহৃত হয়, যা ডেটা সার্চ করার সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিপুল তথ্য বা ডেটা খোঁজার কথা থাকলেই উত্তর ডেটাবেইজ হবে। এমএস এক্সেস বা ওরাকল হলো জনপ্রিয় ডেটাবেইজ সফটওয়্যার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডেটাবেইজ ব্যবস্থাপনার জন্য বহুল ব্যবহৃত ভাষা হলো এসকিউএল। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটাবেইজ ও স্প্রেডশীটের কাজের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন আসে।
5. ওয়াই-ফাই এর কাভারেজ এরিয়া কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০-২০০ মিটার ১. কেন সঠিক: ওয়াই-ফাই বা ওয়্যারলেস ফাইডেলিটি একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে। সাধারণত এর স্ট্যান্ডার্ড কাভারেজ এরিয়া ঘরের ভেতরে বা উন্মুক্ত স্থানে ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়াই-ফাই হলো এমন একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোকে ক্যাবল ছাড়াই রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত করে। কার্যপদ্ধতি: রাউটার রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ডেটা সংকেত প্রেরণ করে এবং ডিভাইসগুলোর ওয়্যারলেস অ্যাডাপ্টার সেই সংকেত গ্রহণ করে যোগাযোগ স্থাপন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফার সমর্থন করে, লাইসেন্সমুক্ত রেডিও ব্যান্ডে কাজ করে এবং একই নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইস যুক্ত করতে পারে। ব্যবহার: বাসা, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জনবহুল স্থানে ইন্টারনেট সংযোগ বিতরণের জন্য ওয়াই-ফাই ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের ভেতরে ব্যবহৃত সাধারণ রাউটার ব্যাখ্যা: একটি সাধারণ হোম রাউটার ঘরের বিভিন্ন রুমে প্রায় ৫০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। উদাহরণ ২: অফিস ভবনের ওয়াই-ফাই জোন ব্যাখ্যা: বড় অফিসে একাধিক অ্যাক্সেস পয়েন্ট ব্যবহার করে ২০০ মিটার বা তার বেশি এলাকা জুড়ে ওয়াই-ফাই কভারেজ নিশ্চিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩-১০ মিটার — এই দূরত্ব ব্লুটুথ প্রযুক্তির কাভারেজ এরিয়ার জন্য প্রযোজ্য, ওয়াই-ফাই এর জন্য এটি অনেক কম। B) ৫০-২০০ মিটার — এটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সাধারণ এবং সঠিক কাভারেজ এরিয়া। C) ৩০০-৮০০ মিটার — এই দূরত্ব সাধারণত ওয়াই-ফাইয়ের স্ট্যান্ডার্ড রেঞ্জের চেয়ে বেশি এবং এটি ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত। D) ১০ কিলোমিটার — এই বিশাল দূরত্ব ওয়াই-ফাই বা ডব্লিউএলএএন প্রযুক্তির জন্য প্রযোজ্য নয়, এটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: ওয়াই-ফাই মানেই ঘরের ভেতরের বা স্বল্প দূরত্বের ইন্টারনেট, যার পরিধি সাধারণ পদক্ষেপে ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। ব্লুটুথ খুব কাছে কাজ করে আর ওয়াই-ফাই একটু দূরে অর্থাৎ রুম বা ঘরের মধ্যে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়াই-ফাই মূলত আইইইই ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কাভারেজ এরিয়ার দিক থেকে প্যান সবচেয়ে ছোট, ল্যান মাঝারি এবং ওয়ান সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক।
6. মোবাইল ফোন ডেটা ট্রান্সমিশনে কোন ধরনের মোড ব্যবহার করে?
Created 3 weeks ago | Updated 42 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফুল ডুপ্লেক্স মোড ১. কেন সঠিক: মোবাইল ফোনে একই সাথে উভয় দিক থেকে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করা যায়। এই দ্বিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এটি ফুল ডুপ্লেক্স মোডের অন্তর্গত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটা ট্রান্সমিশন মোড হলো দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক। কার্যপদ্ধতি: ফুল ডুপ্লেক্স মোডে প্রেরক ও প্রাপক উভয় যন্ত্র একই সময়ে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল ফোনে কথাবলা। ব্যাখ্যা: ফোনে কথা বলার সময় অপর প্রান্তের কথা শোনার পাশাপাশি নিজের কথাও একই সাথে পাঠানো যায়। উদাহরণ ২: ল্যান্ডফোন বা টেলিফোন কথোপকথন। ব্যাখ্যা: ওয়্যারড টেলিফোনেও একই সাথে উভয়পক্ষ কথা বলতে ও শুনতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিমপ্লেক্স মোড — এই মোডে ডেটা কেবল একদিকে প্রবাহিত হয়, কিন্তু মোবাইল ফোনে উভয় দিকে ডেটা চলে। B) হাফ ডুপ্লেক্স মোড — এই মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা পাঠানো যায় তবে একসাথে নয়, যা মোবাইল ফোনের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ইউনিকাস্ট মোড — এটি ডেটা পাঠানোর ঠিকানা সংক্রান্ত পদ্ধতি, ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের দিক নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ফুল মানে সম্পূর্ণ, তাই ফুল ডুপ্লেক্স মানে একসাথে সম্পূর্ণ উভয়মুখী যোগাযোগ। মোবাইল ফোনে একসাথে কথা বলা ও শোনা যায় বলেই এটি ফুল ডুপ্লেক্স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়াকিটকি হাফ ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ এবং রেডিও সম্প্রচার সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের উদাহরণ প্রায়ই আসে।
7. ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১. কেন সঠিক: ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরি বা জিনগত পরিবর্তন আনার জন্য জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং সরাসরি ব্যবহৃত হয়। এটি জীব প্রযুক্তির একটি শাখা যার মাধ্যমে কোনো জীবের ডিএনএ অণু পরিবর্তন করে নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো কোনো জীবের জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের আধুনিক প্রযুক্তি। কার্যপদ্ধতি: একটি জীব থেকে ডিএনএ কেটে অন্য জীবের ডিএনএ-এর সাথে যুক্ত করে নতুন সিকোয়েন্স বা কাঙ্ক্ষিত জিন তৈরি করা হয়। ব্যবহার: ইনসুলিন তৈরি, উন্নত জাতের ফসল উৎপাদন এবং রোগ নিরাময়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে মানুষের ইনসুলিন জিন প্রবেশ করিয়ে কৃত্রিম উপায়ে ইনসুলিন উৎপাদন করা। ব্যাখ্যা: এটি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নতুন ডিএনএ সিকোয়েন্স তৈরির সবচেয়ে প্রচলিত বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: গোল্ডেন রাইস বা ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ধান তৈরি করা। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের ডিএনএ পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন নতুন সিকোয়েন্স তৈরি করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং — এটি সরাসরি নতুন ডিএনএ সিকোয়েন্স তৈরি বা পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত। B) ন্যানো টেকনোলজি — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র বা ন্যানোমিটার স্কেলে পদার্থ নিয়ে কাজ করার প্রযুক্তি। C) বায়ো ইনফরমেটিক্স — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞান ব্যবহার করে জৈবিক তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করে। ডিএনএ সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করা এর কাজ হলেও নতুন সিকোয়েন্স তৈরি এর মূল কাজ নয়। D) বায়োমেট্রিক্স — এটি মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ বা মুখাবয়ব শনাক্ত করার প্রযুক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিএনএ বা জিন সংক্রান্ত পরিবর্তন বা নতুন সিকোয়েন্স তৈরির প্রশ্ন থাকলেই উত্তর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হবে। বায়োইনফরমেটিক্স হলো ডেটা বিশ্লেষণ আর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো পরিবর্তন বা তৈরি করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো জীব প্রযুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ ক্ষেত্র। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডিএনএ বা জিন পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই এই অপশনটি থাকে।
8. নিচের কোনটি ডিজিটাল কনটেন্ট?
Created 3 weeks ago | Updated 40 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল কনটেন্ট হলো এমন যেকোনো তথ্য বা বিষয়বস্তু যা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত, সংরক্ষিত ও বিনিময় করা হয়। টেক্সট, শব্দ ও ভিডিও প্রতিটি মাধ্যমই কম্পিউটারে ডিজিটাল উপাত্ত হিসেবে প্রসেস ও প্রদর্শিত হতে পারে বলে সবগুলোই ডিজিটাল কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডিজিটাল কনটেন্ট বলতে বোঝায় কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পঠনযোগ্য ডেটা, গ্রাফিক্স, অডিও এবং ভিডিওর সমন্বয়। কার্যপদ্ধতি: অ্যানালগ সিগন্যালকে বাইনারি কোড অর্থাৎ শূন্য ও একের মাধ্যমে রূপান্তর করে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও সংরক্ষণ করা হয়। ব্যবহার: শিক্ষা, বিনোদন, ই-কমার্স এবং তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া ও মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউটিউবের শিক্ষামূলক ভিডিও। ব্যাখ্যা: ভিডিও এবং অডিওর সমন্বয়ে তৈরি এই কনটেন্ট ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে সরাসরি দেখা যায়। উদাহরণ ২: কোনো অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংবাদ। ব্যাখ্যা: সেখানে টেক্সট বা লেখা এবং স্থির ছবি একত্রে ডিজিটাল কনটেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেক্সট — এটি একটি ডিজিটাল কনটেন্ট, তবে শুধু এটিই একমাত্র উত্তর নয় কারণ অন্য অপশনগুলোও সঠিক। B) শব্দ — এটি ডিজিটাল অডিও কনটেন্ট, তবে একাই সম্পূর্ণ ডিজিটাল কনটেন্টের সব রূপকে নির্দেশ করে না। C) ভিডিও — এটি মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টের একটি রূপ, তবে টেক্সট বা শব্দও ডিজিটাল কনটেন্টের আওতাভুক্ত। D) সবগুলো — এই অপশনটিতে টেক্সট, শব্দ ও ভিডিওর সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল কনটেন্টের মূল রূপ চারটি যথা টেক্সট, ছবি, শব্দ এবং ভিডিও। পরীক্ষায় এই চারটি মাধ্যমের যেকোনো একটি বা একাধিক একত্রে দেখলে তা ডিজিটাল কনটেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিজিটাল কনটেন্ট প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যেমন টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিও এবং ভিডিও। মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট বলতে টেক্সট, শব্দ এবং ভিডিওর সমন্বিত রূপকে বোঝায়।
9. এআই কোন ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জটিল ও রিপিটিটিভ কাজে ১. কেন সঠিক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মূলত এমন সব কাজ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করতে পারে যা মানুষের জন্য অত্যন্ত ক্লান্তিকর বা বারবার একই কাজ করার মতো পুনরাবৃত্তিমূলক। কম্পিউটার সিস্টেম বা অ্যালগরিদমগুলো ক্লান্তিহীনভাবে বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে জটিল ও একঘেয়ে কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যার মাধ্যমে মেশিনে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা ও বুদ্ধি কৃত্রিমভাবে প্রয়োগ করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এআই বিশাল পরিমাণ উপাত্ত বা ডেটা থেকে প্যাটার্ন বা বিন্যাস খুঁজে বের করে এবং সেই অনুযায়ী নিজে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে ও শিখতে পারে। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেখা (Machine Learning), ডেটা বিশ্লেষণ করা এবং পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে নিজের কর্মদক্ষতা উন্নত করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারখানায় স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন লাইনে যন্ত্রাংশ সংযোজন করা। ব্যাখ্যা: একই কাজ বারবার নিখুঁতভাবে করার ক্ষেত্রে এআই চালিত রোবট মানুষের চেয়ে অনেক দ্রুত ও নির্ভুল ফল দেয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকিং খাতে হাজার হাজার লেনদেন থেকে সন্দেহজনক বা প্রতারণামূলক লেনদেন চিহ্নিত করা। ব্যাখ্যা: এআই সিস্টেম মুহূর্তের মধ্যে বিশাল ডেটাসেট বিশ্লেষণ করে জটিল হিসাব ও প্যাটার্ন খুঁজে বের করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে — প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে মানুষের বিচারবুদ্ধি, নৈতিকতা ও দূরদর্শিতা প্রয়োজন হয়, যা পুরোপুরি এআই-এর ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। B) মানুষের বিকল্প হিসেবে বিপজ্জনক কাজে — বিপজ্জনক কাজ বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশেও এআই ব্যবহার করা হয়, তবে এটি এই প্রযুক্তির মূল এবং সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক প্রয়োগ ক্ষেত্র নয়। C) নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিতে — এআই নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করে না, বরং এটি বিদ্যমান কাজের প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও দ্রুততর করে তোলে। ৫. মনে রাখার টিপস: এআই সবচেয়ে ভালো পারফর্ম করে সেইসব ক্ষেত্রে যেখানে প্রচুর ডেটা থাকে এবং একই কাজ বারবার করতে হয় (Repetitive and Data-heavy tasks)। মানুষের একঘেয়েমি কাটানোর ক্ষমতা কম থাকলেও এআই ক্লান্তিহীনভাবে বছরের পর বছর একই কাজ নিখুঁতভাবে করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক জন ম্যাককার্থি (John McCarthy) ১৯৫০-এর দশকে এই ধারণার প্রবর্তন করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এআই-এর ব্যবহার, মেশিন লার্নিং এবং ডিপ লার্নিং সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়।
10. নিচের কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোমান সংখ্যা পদ্ধতি ১. কেন সঠিক: - রোমান সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত চিহ্নের মান তার অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না। - এখানে প্রতিটি চিহ্নের একটি নির্দিষ্ট মান থাকে যা স্থান বদলালেও পরিবর্তিত হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে অংকের মান তার অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না তাকে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। - বৈশিষ্ট্য: এতে স্থানীয় মানের কোনো ধারণা থাকে না এবং শূন্য এর কোনো ব্যবহার নেই। - ব্যবহার: প্রাচীনকালে গণনা এবং ঘড়ির ডায়ালে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো। - পার্থক্য: পজিশনাল পদ্ধতিতে স্থানীয় মান থাকলেও নন-পজিশনাল পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট চিহ্নের যোগ বা বিয়োগফল হিসাব করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোমান সংখ্যা ৫-এর প্রতীক V এবং ১০-এর প্রতীক X। ব্যাখ্যা: এখানে ভি (V) বা এক্স (X)-এর অবস্থান যেখানেই হোক না কেন, তাদের মূল মান অপরিবর্তিত থাকে। উদাহরণ ২: প্রাচীন হায়োগ্লিফিক্স বা মিশরীয় সংখ্যা পদ্ধতি। ব্যাখ্যা: এই পদ্ধতিতে প্রতীকগুলোর সংখ্যা গণনা করে মোট মান বের করা হতো, যেখানে অবস্থানের কোনো ভূমিকা ছিল না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান সংখ্যা পদ্ধতি — এটি একটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি — এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি দুই এবং স্থানীয় মান আছে। C) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি — এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি দশ এবং স্থানীয় মান বিদ্যমান। D) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি — এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি ষোলো এবং স্থানীয় মান আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রোমান সংখ্যা মনে রাখলে নন-পজিশনাল পদ্ধতি সহজে মনে রাখা যায়। - বাইনারি, ডেসিমেল, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোনটি পজিশনাল বা নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। - রোমান সংখ্যা হলো একমাত্র প্রচলিত নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি যা পরীক্ষায় বেশি আসে।
11. কী ধরণের ডেটা ট্রান্সমিশন মেথডে কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টারের সংযোগ হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন ১. কেন সঠিক: প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশনে একই সাথে একাধিক বিট ডেটা পাঠানো যায়, যা প্রিন্টার ও কম্পিউটারের মধ্যকার দ্রুত ডেটা বিনিময়ের জন্য প্রয়োজন। কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে একসাথে পুরো অক্ষরের ডেটা পাঠানোর জন্য এই মাধ্যমটি আদর্শ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে একাধিক ডেটা লাইন বা তারের মাধ্যমে একসাথে সমান্তরালভাবে একাধিক বিট ডেটা স্থানান্তরিত হয়। কার্যপদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে প্রতিটি বিটের জন্য আলাদা ডেটা পাথ বা চ্যানেল থাকে, ফলে বাস বা তারের মাধ্যমে বিশাল পরিমাণ ডেটা খুব কম সময়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছাতে পারে। ব্যবহার: কম্পিউটার এবং প্রিন্টারের সংযোগের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে প্যারালাল পোর্ট বা এলভিপি পোর্টের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানে এই পদ্ধতি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসিক্যাল প্যারালাল প্রিন্টার ক্যাবল। ব্যাখ্যা: পুরনো দিনের এলভিপি প্রিন্টার ক্যাবলে ২৫টি পিন থাকে, যা একসাথে অনেকগুলো ডেটা বিট কম্পিউতার থেকে প্রিন্টারে পাঠাতে পারে। উদাহরণ ২: মাদারবোর্ডের ইন্টারনাল বাস সিস্টেম। ব্যাখ্যা: প্রসেসর ও র‍্যামের ভেতরের ডেটা যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্যারালাল ট্রান্সমিশন কাজ করে যাতে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একসাথে একাধিক বিট ডেটা প্রিন্টারে পাঠাতে পারে। B) এসিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন — এটি ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ডেটা পাঠায় এবং এর গতি ধীর হওয়ায় প্রিন্টারের জন্য সাধারণত উপযুক্ত নয়। C) সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন — এটি ব্লক বা প্যাকেট আকারে বড় ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা প্রিন্টারের মতো পেরিফেরাল ডিভাইসের জন্য অতিরিক্ত জটিল। D) আইসোক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন — এটি রিয়েল-টাইম মাল্টিমিডিয়া ডেটা স্ট্রিমিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টারের কাজের সাথে এর কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রিন্টার মানেই প্যারালাল পোর্ট বা প্যারালাল ট্রান্সমিশন। এসিনক্রোনাস হলো ধীর গতির এবং প্যারালাল হলো একসাথে অনেক বিট পাঠানোর দ্রুত মাধ্যম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ও প্রিন্টারের সংযোগ সাধারণত প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। দূরবর্তী যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্যারালাল ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা যায় না কারণ এতে অনেক তারের প্রয়োজন হয়।
12. ডেটার গোপনীয়তা রক্ষার জন্য কী করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এনক্রিপশন ১. কেন সঠিক: ডেটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রধান উপায় হলো এনক্রিপশন। এর মাধ্যমে বোধগম্য ডেটাকে অপঠনযোগ্য কোডে রূপান্তর করা হয় যাতে unauthorised কেউ তা পড়তে না পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এনক্রিপশন হলো এমন একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্লেইন টেক্সট বা সাধারণ ডেটাকে সাইফার টেক্সট বা অস্পষ্ট কোডে রূপান্তর করা হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রেরক প্রান্তের অ্যালগরিদম ও চাবি ব্যবহার করে ডেটা লক করা হয় এবং প্রাপক প্রান্তের সঠিক চাবি ছাড়া তা পড়া যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপের এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন। ব্যাখ্যা: প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া মাঝপথে কেউ বার্তা পড়তে পারে না। উদাহরণ ২: ব্রাউজারে ব্যবহৃত এইচটিটিপিএস প্রোটোকল। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ও ওয়েবসাইটের মধ্যকার যোগাযোগ এনক্রিপ্টেড থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যানিপুলেশন — এটি ডেটা পরিবর্তন বা বিকৃত করার প্রক্রিয়া, যা গোপনীয়তা রক্ষা করে না। B) ভ্যালিডেশন — এটি ডেটার সঠিকতা বা বৈধতা যাচাই করার পদ্ধতি, গোপনীয়তার জন্য নয়। D) ডিক্রিপশন — এটি এনক্রিপ্ট করা কোডকে পুনরায় পড়ার উপযোগী সাধারণ ডেটায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: এনক্রিপশন মানে লক করা বা কোড করা, আর ডিক্রিপশন মানে আনলক করা বা ডিকোড করা। গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এনক্রিপশন করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা স্থানান্তরের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনক্রিপশন বহুল ব্যবহৃত হয়। সাইবার নিরাপত্তায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা।
13. কাকে প্রোগ্রামিং এর ধারণা প্রবর্তক হিসেবে গণনা করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যাডা লাভলেস ১. কেন সঠিক: অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিংয়ের ধারণা প্রবর্তক হিসেবে গণনা করা হয় কারণ তিনি চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম লিখেছিলেন। তিনি চার্লস ব্যাবেজের যান্ত্রিক কম্পিউটারে সংখ্যা গণনার বাইরেও জটিল কাজের জন্য নির্দেশনা বা কোডের ধারণা দিয়েছিলেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অ্যাডা লাভলেস ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও লেখক, যিনি বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে স্বীকৃত। কার্যপদ্ধতি: তিনি চার্লস ব্যাবেজের ইঞ্জিনে বার্নোলি সংখ্যা বের করার একটি বিশদ পদ্ধতি বা অ্যালগরিদম তৈরি করেছিলেন যা আধুনিক প্রোগ্রামিংয়ের ভিত্তি। বৈশিষ্ট্য: এটি যান্ত্রিক যুগের প্রথম গাণিতিক অ্যালগরিদম যা মানুষের দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটার চালাতে সক্ষম ছিল। ব্যবহার: আধুনিক সফটওয়্যার তৈরির মূল ভিত্তি হিসেবে প্রথম এই অ্যালগরিদমিক ধারণার ব্যবহার শুরু হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক কম্পিউটারে আমরা যেমন কোডিং করে কোনো কাজ স্বয়ংক্রিয় করি। ব্যাখ্যা: অ্যাডা লাভলেস ঠিক তেমনি যান্ত্রিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাণিতিক ফল বের করার জন্য নির্দেশমালা তৈরি করেছিলেন। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট এক্সেলের স্বয়ংক্রিয় হিসাব নিকাশের ম্যাক্রো কোড। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পরপর কাজ সম্পন্ন করার আদি ধারণারই উন্নত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্লস ব্যাবেজ — তিনি আধুনিক কম্পিউটারের জনক এবং অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন আবিষ্কার করলেও প্রোগ্রামিংয়ের ধারণা দেননি। B) টিমোথি জন বার্নাস লি — তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর উদ্ভাবক, প্রোগ্রামিংয়ের প্রবর্তক নন। ৫) স্টিভ জেনিয়াক — তিনি অ্যাপল কম্পিউটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং হার্ডওয়্যার ডিজাইনার, প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রোগ্রামিংয়ের ধারণা প্রবর্তক মানেই প্রথম কোড বা অ্যালগরিদম রচয়িতা নারী অ্যাডা লাভলেস। নামটি মনে রাখতে লাভ শব্দটিকে কোডিংয়ের প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার ইতিহাসে প্রথম প্রোগ্রামার বা অ্যালগরিদম রচয়িতা হিসেবে লেডি অ্যাডা লাভলেসের নাম বহু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তার নাম যুক্ত থাকে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন এবং চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে।
14. কোনটি মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট ১. কেন সঠিক: মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা লেখা, ছবি, অডিও এবং ভিডিও একসঙ্গে যুক্ত করে প্রেজেন্টেশন তৈরির সুযোগ দেয়। এতে বিভিন্ন মাধ্যম বা মাল্টিমিডিয়া উপাদান ব্যবহারের পূর্ণ সুবিধা থাকায় একে সঠিক মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যা টেক্সট, গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন, অডিও এবং ভিডিও ডেটা একত্রে প্রক্রিয়াজাত ও প্রদর্শন করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী বিভিন্ন স্লাইডে লেখা ও চিত্রের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া ফাইল যুক্ত করে তা ক্রমান্বয়ে প্রদর্শন করতে পারেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ব্যাখ্যা: শিক্ষকগণ প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাঠদানকালে পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইডে ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে থাকেন। উদাহরণ ২: ব্যবসায়িক উপস্থাপনা ব্যাখ্যা: করপোরেট মিটিংয়ে পণ্যের প্রচার বা আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করার জন্য পাওয়ার পয়েন্টে অ্যানিমেশনসহ স্লাইড তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড — এটি মূলত একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা দিয়ে প্রধানত টেক্সট বা চিঠি তৈরি করা হয়। B) মাইক্রোসফট এক্সেল — এটি একটি স্প্রেডশিট বা হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত সফটওয়্যার যা ডেটা টেবিল ও গাণিতিক গণনায় ব্যবহৃত হয়। C) মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক প্রেজেন্টেশন তৈরির জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। D) মাইক্রোসফট এক্সেস — এটি একটি ডেটাসেট বা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার যা বড় ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্লাইড শো বা প্রেজেন্টেশনের কথা থাকলেই মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট উত্তর হবে। শব্দ, চিত্র ও ভিডিওর সমন্বয় যেখানে ঘটে, সেটাই হলো মাল্টিমিডিয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পাওয়ার পয়েন্ট ফাইলের ডিফল্ট এক্সটেনশন হলো ডট পিপিটিএক্স। এটি মাইক্রোসফট অফিসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেজেন্টেশন টুল।
15. ফিল্ড নেম এর আকার নির্ধারণের জন্য কোনটি ব্যবহার করতে হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফিল্ড সাইজ ১. কেন সঠিক: - ফিল্ড সাইজ (Field Size) হলো ডেটাবেজে কোনো ফিল্ডে সর্বোচ্চ কত বাইট ডেটা সংরক্ষণ করা যাবে তা নির্ধারণ করার মাধ্যম। - এটি ডেটা টাইপের ওপর ভিত্তি করে ফিল্ডের আকার বা দৈর্ঘ্য নিয়ন্ত্রণ করে ডেটা এন্ট্রি নিখুঁত ও স্মৃতি সাশ্রয়ী করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ফিল্ড সাইজ হলো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ডে ডেটার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করার একটি প্রপার্টি। - কার্যপদ্ধতি: এটি টেক্সট ফিল্ডের ক্ষেত্রে অক্ষরের সংখ্যা এবং সংখ্যাসূচক ফিল্ডের ক্ষেত্রে বাইটের পরিসর নির্ধারণ করে দেয়। - ব্যবহার: অপ্রয়োজনীয় মেমোরি অপচয় রোধ করতে এবং ডেটাবেজের দক্ষতা বাড়াতে ফিল্ড সাইজ নির্দিষ্ট করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রোল নম্বর ফিল্ড ব্যাখ্যা: রোল নম্বর ফিল্ডের সাইজ যদি ছোট পূর্ণসংখ্যা বা ইন্টিজার নির্ধারণ করা হয়, তবে সেখানে বড় কোনো সংখ্যা এন্ট্রি করা যাবে না। উদাহরণ ২: নাম ফিল্ড ব্যাখ্যা: নাম ফিল্ডের সাইজ যদি পঞ্চাশ অক্ষর নির্ধারণ করা হয়, তবে সেখানে পঞ্চাশটির বেশি অক্ষর টাইপ করা যাবে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিয়েট — এটি নতুন ডেটাবেজ, টেবিল বা অবজেক্ট তৈরি করার একটি কমান্ড বা ট্যাব, যা সাইজ নির্ধারণ করে না। B) ফিল্ড নেম — এটি কেবল ফিল্ড বা কলামের শিরোনাম বা নাম নির্দেশ করে, এর আকার নির্ধারণের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ডিজাইন ভিউ — এটি টেবিলের গঠন বা স্ট্রাকচার তৈরি ও সম্পাদনা করার একটি মোড, যেখানে ফিল্ড সাইজ পরিবর্তন করা যায় কিন্তু এটি নিজে কোনো আকার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাইজ শব্দের অর্থ আকার, তাই ফিল্ডের আকার নির্ধারণের জন্য ফিল্ড সাইজ ব্যবহার করতে হয়। - ডিজাইন ভিউ হলো কাজের পরিবেশ আর ফিল্ড সাইজ হলো কাজের পরিমাপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট এক্সেস ডেটাবেজে টেক্সট ডেটা টাইপের ডিফল্ট ফিল্ড সাইজ হলো পঁচাত্তর অক্ষর। - ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে সঠিক ডেটা টাইপ ও ফিল্ড সাইজ নির্ধারণ করা ডেটা ইন্টিগ্রিটি নিশ্চিত করে।