a পঞ্চদশ
b ষোড়শ
c সপ্তদশ
d অষ্টাদশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তদশ ১. কেন সঠিক: মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান ও খ্যাতিমান কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। তিনি মূলত মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং এই ধারাটি সপ্তদশ শতাব্দীতেই সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও অনুবাদক। তার অমর সৃষ্টি 'পদ্মাবত' কাব্যটি সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে রচিত হয় এবং এটি তার সাহিত্যকীর্তির প্রধান নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজী ব্যাখ্যা: দৌলত কাজীও সপ্তদশ শতাব্দীর আরাকান রাজসভার আরেকজন বিখ্যাত কবি যিনি 'সতী ময়না লোরচন্দ্রানী' কাব্য রচনা করেন। উদাহরণ ২: সৈয়দ সুলতান ব্যাখ্যা: সৈয়দ সুলতান ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিক ও সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর সময়ের বিশিষ্ট কবি যিনি 'নবীকুলমঞ্জরী' ও 'শবেমেরাজ' রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চদশ — পঞ্চদশ শতাব্দী শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বা বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের যুগ হিসেবে পরিচিত, যেখানে আলাওল ছিলেন না। B) ষোড়শ — ষোড়শ শতাব্দী হলো চৈতন্যদেব ও চৈতন্যোত্তর ভক্তি সাহিত্য এবং শ্রীধর কথক বা মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর যুগ, আলাওলের সময়কাল এটি নয়। D) অষ্টাদশ — অষ্টাদশ শতাব্দী হলো ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর এবং মরমী সাধক রামপ্রসাদ সেনের যুগ, যা আলাওলের বহু পরের সময়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল স দিয়ে শুরু সপ্তদশ শতাব্দীর কবি হিসেবে মনে রাখতে পারেন। তার বিখ্যাত পদ্মাবত কাব্যটি সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে রচিত হয়েছিল বলে শতক মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের শতাব্দী বা রাজসভা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কবি আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন এবং তার শ্রেষ্ঠ কাব্য পদ্মাবত কোন শতকের রচনা, তা ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0