a অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা
b হজম না হওয়া
c তীব্র ক্ষুধা
d ভয় পাওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ১. কেন সঠিক: - 'পেটের ভাত চাল হওয়া' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো বিষয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা বা অস্থির হয়ে পড়া। - পেটে ভাত না থেকে যখন চাল হয়ে যায়, তখন মানুষের শারীরিক ও মানসিক চরম অস্বস্তি ও আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। - এই বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ বা লক্ষণা অর্থই প্রধান হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার মা-বাবার পেটের ভাত চাল হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা প্রকাশ করতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায় লোকসান দেখে ব্যবসায়ীর পেটের ভাত চাল হওয়ার উপক্রম। ব্যাখ্যা: চরম আর্থিক সংকটে মানুষের মনে যে দুশ্চিন্তা জন্মে, তা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এই বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) হজম না হওয়া — এটি আক্ষরিক অর্থ হলেও বাগধারার রূপক অর্থের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। সি) তীব্র ক্ষুধা — পেটে খিদে থাকা বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন পেটে ইঁদুর দৌড়ানো ব্যবহার হয়। ডি) ভয় পাওয়া — আতঙ্কিত হওয়া বোঝাতে ভয়ে বুক কাঁপা বা হাতপা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পেটের ভাত যখন চাল হয়ে যায়, তখন মানুষের শান্তি নষ্ট হয় এবং শুরু হয় অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা। - এই রূপক চিত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর সহজে বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শরীরের বিভিন্ন অঙ্গসংক্রান্ত বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0