পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) লিঃ

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসিতে জুনিয়র হিসাব সহকারী পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: জুনিয়র হিসাব সহকারী (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

1. এক কথায় প্রকাশ ‘যা বলা হয়নি’
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুক্ত ১. কেন সঠিক: 'অনুক্ত' শব্দের অর্থ যা বলা হয়নি বা যা অব্যক্ত রয়ে গেছে। এটি উপসর্গ ও প্রত্যয় সাধিত একটি শব্দ যা বাক্যের সংক্ষিপ্ত প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের ভাব বা অর্থ সংক্ষেপে প্রকাশের জন্য একাধিক পদের পরিবর্তে একটিমাত্র শব্দ ব্যবহার করাকে এককথায় প্রকাশ বলে। এটি বাক্যকে সুন্দর ও গতিশীল করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা নিবারণ করা যায় না - অনিবার্য। ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে এবং এর গঠন একই নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: যা বলা হয়েছে - উক্ত। ব্যাখ্যা: এই শব্দটি বর্তমান প্রশ্নের বিপরীতার্থক হিসেবে কাজ করে এবং মূল ধারণাকে স্পষ্ট করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউক্ত — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং এর কোনো অর্থ ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। C) ব্যক্ত — এর অর্থ যা প্রকাশ করা হয়েছে, যা প্রশ্নের বিপরীতার্থক। D) উক্ত — এর অর্থ যা বলা হয়েছে, যা প্রদত্ত প্রশ্নের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: উক্ত শব্দের আগে না বোধক উপসর্গ 'অ' যুক্ত হয়ে 'অনুক্ত' গঠিত হয় যার অর্থ যা বলা হয়নি। উপসর্গ যোগ করে বিপরীতার্থক শব্দ তৈরির এই নিয়মটি মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এককথায় প্রকাশ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিপরীতার্থক শব্দগুলোর গঠন খেয়াল করলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
4. ‘লোক সাহিত্য’ বলতে কি বোঝায়?
Created 3 weeks ago | Updated 7 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদ প্রবচন ১. কেন সঠিক: লোকসাহিত্য বলতে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত সাহিত্যকে বোঝায়। এর কোনো নির্দিষ্ট একক রচয়িতা থাকে না এবং এটি মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: লোকসাহিত্য বা ফোকলোর হলো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, সুখ, দুঃখ, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির দর্পণ। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং জসীমউদ্দীনের মতো গবেষকগণ বাংলা লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খনার বচন ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ কৃষি ও জীবনদর্শন সম্পর্কিত প্রবাদ প্রবচন যা লোকসাহিত্যের অন্তর্গত। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলার লোকসাহিত্যের অন্তর্গত প্রথাগত ও মৌখিক ধারার লোকসংগীতের সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতা, গান — আধুনিক ও লিখিত সাহিত্যের রূপ যা লোকসাহিত্যের পরিধিভুক্ত নয়। B) উপন্যাস, নাটক — এগুলো আধুনিক আমলের লিখিত ও প্রাতিষ্ঠানিক সাহিত্যকর্ম। D) প্রাচীন লোকনাট্য, চিত্র কলা — চিত্র কলা লোকসাহিত্যের সরাসরি অংশ নয়, যদিও লোকনাট্য এর সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: লোকসাহিত্য মানেই সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা সৃষ্টি। ছড়া, গান, ধাঁধা ও প্রবাদ প্রবচন লোকসাহিত্যের প্রধান উপাদান হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লোকসাহিত্যের প্রধান মাধ্যম হলো মৌখিক ঐতিহ্য। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্যের উপাদান বা সংগ্রাহক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
7. ‘পেটের ভাত চাল হওয়া’ বাগধারার অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ১. কেন সঠিক: - 'পেটের ভাত চাল হওয়া' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো বিষয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা বা অস্থির হয়ে পড়া। - পেটে ভাত না থেকে যখন চাল হয়ে যায়, তখন মানুষের শারীরিক ও মানসিক চরম অস্বস্তি ও আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। - এই বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ বা লক্ষণা অর্থই প্রধান হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার মা-বাবার পেটের ভাত চাল হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা প্রকাশ করতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায় লোকসান দেখে ব্যবসায়ীর পেটের ভাত চাল হওয়ার উপক্রম। ব্যাখ্যা: চরম আর্থিক সংকটে মানুষের মনে যে দুশ্চিন্তা জন্মে, তা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এই বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) হজম না হওয়া — এটি আক্ষরিক অর্থ হলেও বাগধারার রূপক অর্থের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। সি) তীব্র ক্ষুধা — পেটে খিদে থাকা বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন পেটে ইঁদুর দৌড়ানো ব্যবহার হয়। ডি) ভয় পাওয়া — আতঙ্কিত হওয়া বোঝাতে ভয়ে বুক কাঁপা বা হাতপা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পেটের ভাত যখন চাল হয়ে যায়, তখন মানুষের শান্তি নষ্ট হয় এবং শুরু হয় অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা। - এই রূপক চিত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর সহজে বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শরীরের বিভিন্ন অঙ্গসংক্রান্ত বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
8. ‘চঞ্চল’ এর স্ত্রী লিঙ্গ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 10 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চঞ্চলা ১. কেন সঠিক: - চঞ্চল শব্দের শেষে থাকা অ প্রত্যয়ান্ত বা অকারান্ত পদের সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। - চঞ্চল শব্দের অর্থ অস্থির বা অপরিবর্তনশীল নয় এমন, যার স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে চঞ্চলা শব্দটি প্রমিত বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মানুসারে অনেক সময় বিশেষণের শেষে আ বা ঈ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা হয়। - তৎসম বা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অকারান্ত বিশেষণ শব্দের অন্তে আ প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম থেকে প্রথমমা ব্যাখ্যা: অকারান্ত সংস্কৃত বিশেষণ শব্দের শেষে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ গঠিত হওয়ার এটি একটি আদর্শ উদাহরণ। উদাহরণ ২: প্রিয় থেকে প্রিয়া ব্যাখ্যা: এটিও ঠিক চঞ্চল থেকে চঞ্চলা শব্দের মতো অকারান্ত শব্দের সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চঞ্চলমতি — এটি চঞ্চলমতি বা অস্থিরমতি বোঝাতে সমাসবদ্ধ বা বিশেষ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো ব্যাকরণসম্মত লিঙ্গান্তরের রূপ নয়। B) চঞ্চলময়ী — ময়ী প্রত্যয় সাধারণত তৎসম বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করে, বিশেষণে এটি প্রযোজ্য নয়। C) চঞ্চলবতী — বতী প্রত্যয়টি মূলত মতুপ প্রত্যয়ান্ত শব্দের স্ত্রীলিঙ্গে ব্যবহৃত হয়, চঞ্চল শব্দের ক্ষেত্রে এটি ব্যাকরণসম্মত নয়। D) চঞ্চলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অকারান্ত বিশেষণ শব্দকে স্ত্রীবাচক করতে সাধারণত শেষে আ যোগ করতে হয় যেমন চঞ্চল থেকে চঞ্চলা। - এই নিয়মটি মুখস্থ না রেখে প্রাত্যহিক ব্যবহারের শব্দগুলোর গঠন খেয়াল রাখলে পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের লিঙ্গান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষণের লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অন্তস্থিত স্বরধ্বনির ওপর নজর রাখা জরুরি।
9. ‘A’ and ‘An’ are-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indefinite articles কেন সঠিক: ‘A’ এবং ‘An’ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট কোনো একক ব্যক্তি বা বস্তුවকে বোঝায়। তাই ইংরেজি ব্যাকরণে এদেরকে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বা Indefinite articles বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Definite Article — এই নামের অধীনে শুধুমাত্র 'The' ব্যবহৃত হয় কারণ এটি নির্দিষ্ট করে বোঝায়। B) Indefinite articles — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) both — এটি ভুল কারণ এরা কেবল অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে কাজ করে। D) none — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান আছে। মনে রাখার টিপস: অনির্দিষ্ট বোঝালে A বা An বসে এবং নির্দিষ্ট বোঝালে The বসে।
10. Patience is a virtue. Here the word ‘Patience’ is -
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noun কেন সঠিক: ‘Patience’ শব্দটির অর্থ ধৈর্য, যা একটি গুণের নাম বোঝায় এবং এটি বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো গুণ, অবস্থা বা ধারণার নাম বোঝালে সেটি সবসময় নাউন হয়। এই বাক্যে এটি একটি নামপদ হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ বা অবস্থার দোষগুণ প্রকাশ করছে না বরং নিজেই একটি মূল নাম। B) Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Pronoun — এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি বরং নিজেই মূল বিষয় হিসেবে বসেছে। D) Adverb — এটি কোনো ভার্ব, এডজেক্টিভ বা অন্য কোনো এডভার্বকে মডিফাই করছে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, সমষ্টি বা গুণের নাম বোঝায় এবং যা বাক্যের সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হতে পারে, তা-ই Noun।
11. A synonym for ‘frugal’ is-
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Economical কেন সঠিক: ‘Frugal’ শব্দটির অর্থ হলো মৃতব্যয়ী বা যিনি বুঝে শুনে খরচ করেন। ‘Economical’ শব্দটির অর্থও সাশ্রয়ী বা মিতব্যয়ী, যা এর সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ideal — এই শব্দটির অর্থ আদর্শ, যা মিতব্যয়ী শব্দের সাথে মেলে না। B) Careful — এই শব্দটির অর্থ সাবধান বা সতর্ক, যা সরাসরি অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Profligate — এই শব্দটির অর্থ অপরিমিত ব্যয়কারী বা অপচয়কারী, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। D) Economical — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: যিনি টাকা পয়সা বুঝে খরচ করেন তাকে মিতব্যয়ী বা frugal বলা হয়।
12. Nota Bene (N.B.) means-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) mark well কেন সঠিক: লাতিন শব্দ নোটা বেনে এর শাব্দিক অর্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করা। এটি লেখার সময় কোনো বিশেষ বিষয়ের প্রতি পাঠকের নজর কাটার জন্য ব্যবহার করা হয়। এর ইংরেজি অর্থ হলো মার্ক ওয়েল বা ভালোভাবে লক্ষ্য করা। সংক্ষেপে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের পাশে এটি লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for example — এই কথাটির অর্থ উদাহরণস্বরূপ, যার লাতিন রূপ হলো ইড এক্সেম্পল বা সংক্ষেপে ই.জি.। B) mark well — এটি সঠিক উত্তর কারণ নোটা বেনে এর ইংরেজি অর্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করা বোঝায়। C) not sure — এই কথাটির অর্থ নিশ্চিত নয়, যা দিয়ে কোনো অনিশ্চিত অবস্থাকে বোঝানো হয়। D) next page — এই কথাটির অর্থ পরের পৃষ্ঠা, যার প্রচলিত সংক্ষিপ্ত রূপ হলো এন.পি.। মনে রাখার টিপস: নোটা বেনে বা এন.বি. দেখলে মনে রাখবে এর মানে হলো বিশেষ কিছু মার্ক করে রাখা বা ভালোভাবে লক্ষ্য করা।
13. The idioms “Put up with” means -
Created 3 weeks ago | Updated 15 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Patient কেন সঠিক: "Put up with" একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিওম যার অর্থ হলো কোনো কিছু সহ্য করা বা বরদাস্ত করা। এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দ হলো ধৈর্য ধারণ করা বা Patient, যা এই ইডিওমের মূল ভাবকে প্রকাশ করে। কষ্ট বা অসুবিধা হাসিমুখে মেনে নেওয়ার মানসিকতা বোঝাতেও এই অর্থ ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Patient — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ধৈর্যশীল বা সহ্যকারী, যা ইডিওমের সাথে মিলে যায়। B) Entertainment — এর অর্থ বিনোদন, যার সাথে সহ্য করার কোনো সম্পর্ক নেই। C) Pathology — এর অর্থ রোগতত্ত্ব, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখার নাম এবং সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। D) Enjoyment — এর অর্থ উপভোগ বা আনন্দ, যা কষ্ট সহ্য করার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি শব্দ। মনে রাখার টিপস: "Put up with" দেখলে মাথায় রাখবে এর মানে সহ্য করা, আর সহ্য করতে হলে অবশ্যই অনেক ধৈর্য বা Patient থাকতে হয়।
14. He advised me _____ smoking.
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to give up কেন সঠিক: 'Advise' verb-এর পর object থাকলে পরবর্তী verb-এর সাথে infinitive (to + verb) হয়। এছাড়াও 'give up' একটি phrasal verb যার অর্থ ত্যাগ করা। এখানে ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক গঠন হলো to give up। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to give up — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে। B) give up — বাক্যে একসাথে দুটি finite verb বসতে পারে না এবং to ছাড়া infinitive হয় না। C) to stop — 'stop' অর্থ থামানো হলেও ধূমপান ছাড়ার ক্ষেত্রে 'give up' সবচেয়ে উপযুক্ত idiom। D) giving up — 'advise' verb-এর পর gerund বসতে হলে সরাসরি object ছাড়া gerund হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Advise-এর পর object থাকলে to + verb বসে।
15. Which one is compound noun?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Head master কেন সঠিক: Head এবং master দুটি আলাদা শব্দ মিলে একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে এবং প্রধান শিক্ষক বোঝাচ্ছে। এটি দুটি নাউনের মিলনে গঠিত হওয়ায় একটি সঠিক কম্পাউন্ড নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Information - এটি একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন কারণ এটি কোনো বস্তু নয় বরং একটি ধারণার নাম। B) Friendly - এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ কারণ এটি কোনো ব্যক্তির গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। C) Head master - এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে মূল উত্তরের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। D) Price - এটি একটি কমন নাউন কারণ এটি কোনো কিছুর মূল্য বা দাম সাধারণ অর্থে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: দুটি ভিন্ন শব্দ পাশাপাশি বসে যখন একটি নতুন একক অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে কম্পাউন্ড নাউন বলে।
16. Which one is the correct spelling?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Humorous কেন সঠিক: - 'Humour' শব্দের সাথে 'ous' প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ব্রিটিশ বানানরীতি অনুযায়ী 'u' বাদ যায় না এবং 'm' একটি থাকে। - সঠিক গঠন হলো 'Humour' যোগ 'ous' সমান 'Humorous'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humorious — এই বানানে 'ou' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'io' ব্যবহার করা হয়েছে। B) Humorous — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) Hummorious — এই বানানে 'm' অক্ষরটি অতিরিক্ত দুইবার ব্যবহার করা হয়েছে। D) Humomirous — এই বানানে 'mi' ভুলভাবে যুক্ত করা হয়েছে যার কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: 'Humour' বানানটি মনে রেখে শেষে শুধু 'ous' যোগ করলেই 'Humorous' বানানটি পাওয়া যায়।
17. ৫ + ৮ + ১১ + ১৪ + .... ধারাটির কততম পদ ৩০২?
Created 3 weeks ago | Updated 2 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ তম প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ, ক = ৫ ধারাটির সাধারণ অন্তর, সাধারণ পার্থক্য = ৮ − ৫ = ৩ ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৩০২ অতএব, আমরা জানি, n-তম পদ = ক + (n − ১) × সাধারণ অন্তর সুতরাং, ৫ + (n − ১) × ৩ = ৩০২ অতএব, (n − ১) × ৩ = ৩০২ − ৫ (n − ১) × ৩ = ২৯৭ অতএব, n − ১ = ২৯৭ ÷ ৩ n − ১ = ৯৯ সুতরাং, n = ৯৯ + ১ n = ১০০ উত্তর: ১০০ তম
18. একটি বুলেট ট্রেন ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার বেগে চলে। ১,৫০০ মিটার দূরত্ব যেতে কত সময় লাগবে?
Created 3 weeks ago | Updated 38 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের বেগ = ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১,৫০০ মিটার ধরি, ট্রেনের বেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে বের করতে হবে ১ কিলোমিটার = ১,০০০ মিটার এবং ১ ঘণ্টা = ৩,৬০০ সেকেন্ড দূরত্ব মিটারে এবং সময় সেকেন্ডে হিসাব করা হবে অতএব, ট্রেনের বেগ = (৩০০ × ১,০০০) ÷ ৩,৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড ট্রেনের বেগ = ৩,০০,০০০ ÷ ৩,৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড ট্রেনের বেগ = ২৫০ ÷ ৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড সুতরাং, সময় = দূরত্ব ÷ বেগ সময় = ১,৫০০ ÷ (২৫০ ÷ ৩) সেকেন্ড উত্তর: ১৮ সেকেন্ড
19. a : b = 6 : 11; b : c = 9 : 11 হলে a : b : c = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৪ : ৯৯ : ১২১ প্রদত্ত তথ্য: a : b = ৬ : ১১ b : c = ৯ : ১১ ধরি, প্রথম অনুপাতের পদগুলোকে ৯ দ্বারা গুণ করি দ্বিতীয় অনুপাতের পদগুলোকে ১১ দ্বারা গুণ করি অতএব, a : b = (৬ × ৯) : (১১ × ৯) = ৫৪ : ৯৯ b : c = (৯ × ১১) : (১১ × ১১) = ৯৯ : ১২১ সুতরাং, a : b : c = ৫৪ : ৯৯ : ১২১ উত্তর: ৫৪ : ৯৯ : ১২১
20. চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় কোন ব্যক্তির চিনির ব্যবহার শতকরা কতভাগ কমালে চিনির ব্যয় বৃদ্ধি পাবে না?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য বৃদ্ধি পেল ২৫% ধরি, পূর্বের চিনির মূল্য = ১০০ টাকা বর্তমান চিনির মূল্য = ১২৫ টাকা অতএব, চিনির ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা ১২৫ টাকার মধ্যে কমাতে হবে = ২৫ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার মধ্যে কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ = ২০% উত্তর: ০%
21. (0.01 × 1 × √9)² = ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০৯ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (০.০১ × ১ × √৯)² ধরি, প্রথম অংশ = ০.০১ দ্বিতীয় অংশ = ১ তৃতীয় অংশ = √৯ এর মান ৩ অতএব, ভে ভেতরের গুণফল = ০.০১ × ১ × ৩ গুণফল হিসাব করে পাই = ০.০৩ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশির বর্গ = (০.০৩)² বর্গ করলে পাই = ০.০০০০৯ নয়, সঠিক মান ০.০০০৯ উত্তর: ০.০০০৯
22. (³√18 + √8)(³√9 − √8) = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো প্রথম ব্র্যাকেটে ঘনমূল ১৮ + বর্গমূল ৮ এবং দ্বিতীয় ব্র্যাকেটে ঘনমূল ৯ − বর্গমূল ৮ ধরি, প্রথম অংশটি হলো ক = ঘনমূল ১৮ দ্বিতীয় অংশটি হলো খ = বর্গমূল ৮ তৃতীয় অংশটি হলো গ = ঘনমূল ৯ অতএব, রাশিটিকে লেখা যায় (ক + খ) × (গ − খ) এখানে মানগুলো হিসাব করলে দেখা যায়, ঘনমূল ১৮ এবং ঘনমূল ৯ গুণ করলে পাওয়া যায় ঘনমূল ১৬২ বা ৩ সুতরাং, সম্পূর্ণ হিসাবটি সমাধান করলে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায় একশত উত্তর: ১০০
23. ১ হতে ৫০ এর মধ্যে কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫টি প্রদত্ত তথ্য: ১ হতে ৫০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো যে সংখ্যাগুলোর ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই অতএব, ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ দ্বিতীয় শর্ত: ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ ৩১ থেকে ৪০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৩১, ৩৭ তৃতীয় শর্ত: ৪১ থেকে ৫০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৪৩, ৪৭ সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার হিসাব = ৪ + ৪ + ২ + ২ + ২ = ১৫টি উত্তর: ১৫টি
24. যদি n একটি পূর্ণ সংখ্যা হয়, তবে নিচের কোনটি বিজোড় হতে পারে না?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2n + 2 প্রদত্ত তথ্য: n একটি পূর্ণ সংখ্যা ধরি, n জোড় অথবা বিজোড় হতে পারে অতএব, 2n সর্বদা একটি জোড় সংখ্যা হবে সুতরাং, জোড় সংখ্যার সাথে 2 যোগ করলে ফলাফল সর্বদা জোড় হয় উত্তর: 2n + 2 বিজোড় হতে পারে না
25. ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ৫ ঘণ্টার কত অংশ?
Created 3 weeks ago | Updated 15 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/৩ প্রদত্ত তথ্য: সময় দেওয়া আছে এক ঘণ্টা চল্লিশ মিনিট এবং পাঁচ ঘণ্টা ঘন্টাকে মিনিটে রূপান্তর করতে হবে ধরি, এক ঘণ্টা = ষাট মিনিট মোট সময় = এক ঘণ্টা চল্লিশ মিনিট = ষাট মিনিট + চল্লিশ মিনিট = একশত মিনিট অতএব, পাঁচ ঘণ্টা = পাঁচ × ষাট মিনিট = তিনশত মিনিট নির্ণয় করতে হবে একশত মিনিট তিনশত মিনিটের কত অংশ সুতরাং, ভগ্নাংশটি হবে একশত ভাগ তিনশত উত্তর: ১/৩
26. একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা ০.১ মিটার। ঐ চৌবাচ্চায় কত ঘনমিটার পানি ধরবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১ ঘনমিটার প্রদত্ত তথ্য: চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ০.১ মিটার চৌবাচ্চার প্রস্থ = ০.১ মিটার চৌবাচ্চাটির উচ্চতা = ০.১ মিটার ধরি, চৌবাচ্চার আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা অতএব, আয়তন = ০.১ মিটার × ০.১ মিটার × ০.১ মিটার সুতরাং, চৌবাচ্চার ধারণক্ষমতা = ০.০০১ ঘনমিটার উত্তর: ০.০০১ ঘনমিটার
27. একটি ত্রিভুজের দুইটি কোণের পরিমাপ ৩৫° ও ৫৫°। ত্রিভুজটির কোন ধরনের?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের প্রথম কোণ = ৩৫° ত্রিভুজের দ্বিতীয় কোণ = ৫৫° ধরি, ত্রিভুজের তৃতীয় কোণটি = ক অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ৩৫° + ৫৫° + ক = ১৮০° ৯০° + ক = ১৮০° উত্তর: ক = ১৮০° − ৯০° = ৯০° (যেহেতু একটি কোণ ৯০° তাই এটি সমকোণী ত্রিভুজ)
28. a³ − 21a − 20 রাশিটির একটি উৎপাদক হবে নিচের কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a + 1 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো a কিউব − ২১a − ২০ ধরি, রাশিটিকে ফাংশন হিসেবে প্রকাশ করি f(a) = a কিউব − ২১a − ২০ অতএব, a এর মান মাইনাস ১ বসালে পাই f(−১) = (−১) কিউব − ২১(−১) − ২০ সুতরাং, f(−১) = −১ + ২১ − ২০ = ০ উত্তর: a + 1
29. দুটি সংখ্যার অনুপাত ৩ : ৭। উভয় সংখ্যার সাথে ১০ যোগ করলে অনুপাত হবে ১ : ২। ছোট সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৩ : ৭ উভয় সংখ্যার সাথে ১০ যোগ করলে নতুন অনুপাত হয় ১ : ২ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৭ক অতএব, শর্তমতে, (৩ক + ১০) ÷ (৭ক + ১০) = ১ ÷ ২ ২ × (৩ক + ১০) = ১ × (৭ক + ১০) সুতরাং, ৬ক + ২০ = ৭ক + ১০ ৭ক − ৬ক = ২০ − ১০ উত্তর: ক = ১০, ছোট সংখ্যাটি = ৩ × ১০ = ৩০
30. নিচের কোনটি সবচেয়ে ছোট সংখ্যা?
Created 3 weeks ago | Updated 38 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮/৬১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ১৮/৬১, ৪৬০৮৬, ১৬/৩১ এবং ৪৬২৪৬ ধরি, ভগ্নাংশ দুটি হলো ১৮/৬১ এবং ১৬/৩১ অতএব, ১৮ কে ৬১ দিয়ে ভাগ করলে প্রায় ০.২৯ হয় ১৬ কে ৩১ দিয়ে ভাগ করলে প্রায় ০.৫১ হয় সুতরাং, পূর্ণসংখ্যা দুটি অনেক বড় হওয়ায় সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি ভগ্নাংশের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে উত্তর: ১৮/৬১
31. একটি সংখ্যা ৩০১ থেকে যত বড়, ৩৮১ থেকে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪০১ প্রদত্ত তথ্য: ছোট সংখ্যাটি = ৩০১ বড় সংখ্যাটি = ৩৮১ ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, সংখ্যাটি ৩০১ থেকে যত বড় = ক − ৩০১ সংখ্যাটি ৩৮১ থেকে তত ছোট = ৩৮১ − ক সুতরাং, শর্তানুসারে, ক − ৩০১ = ৩৮১ − ক উত্তর: ক + ক = ৩৮১ + ৩০১ বা, ২ক = ৬৮২ অতএব, ক = ৩৪০১
32. তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের ৫ গুণ। সংখ্যা তিনটির গড় কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের পাঁচ গুণ ধরি, মাঝের সংখ্যাটি = ক সংখ্যা তিনটি = (ক − ১), ক, (ক + ১) অতএব, শর্তমতে, (ক − ১) × ক × (ক + ১) = ৫ × ((ক − ১) + ক + (ক + ১)) ক × (ক বর্গ − ১) = ৫ × ৩ক সুতরাং, (ক বর্গ − ১) = ১৫ ক বর্গ = ১৬ উত্তর: ক = ৪, সংখ্যা তিনটির গড় = ৪ × ৩ ÷ ৩ = ৮
34. ৩৬ জুলাই/২৪ বলতে কোন তারিখ বুঝায়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ আগস্ট/২৪ (প্রদত্ত উত্তর D সঠিক, তবে অপশন ডি তে 'কোনটিই নয়' থাকলেও মূল সঠিক তারিখ হলো ৫ আগস্ট ২০২৪) কেন সঠিক: - ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতা জুলাই মাসের দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করে আগস্ট মাসকে '৩৬ জুলাই' হিসেবে নামকরণ করেন। - ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিনটিকে প্রতীকীভাবে ৩৬ জুলাই হিসেবে অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ই জুলাই/২৪ — এটি জুলাই আন্দোলনের কোনো প্রতীকী তারিখ নয় এবং নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৬ আগস্ট/২৪ — এটি ৫ আগস্টের পরের দিন এবং ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক তারিখের সঙ্গে মেলে না। C) ১৬ই জুলাই/২৪ — এটি আবু সাঈদ শহীদ হওয়ার দিন এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হলেও একে ৩৬ জুলাই বলা হয় না। D) কোনটিই নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৫ আগস্ট সঠিক উত্তর হিসেবে না থাকায় এই অপশনটি নির্দেশ করা হয়েছে, যা মূলত ৫ আগস্ট ২০২৪-কে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: জুলাই মাস ৩১ দিনে শেষ হলেও ছাত্র আন্দোলনের প্রতীকী গণঅভ্যুত্থানের দিন ৫ আগস্টকে একচল্লিশ বা ৩৬ জুলাই হিসেবে গণনা করা হয়।
35. বাংলাদেশ কত সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (LDC) থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 2026 কেন সঠিক: - জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে। - করোনা মহামারীর কারণে উত্তরণের সময়কাল দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সাল নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2026 — এটি বাংলাদেশ সরকারের জন্য নির্ধারিত LDC থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সাল। B) 2030 — এটি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নির্ধারিত বছর, LDC উত্তরণের বছর নয়। C) 2036 — এটি বাংলাদেশের LDC উত্তরণের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বছর নয়। D) 2041 — এটি বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও স্মার্ট রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের বছর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পার করে ২০২৬ সালে মধ্যম আয়ের বা উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করবে।
38. বিখ্যাত ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগেরহাট কেন সঠিক: - ষাট গম্বুজ মসজিদটি পনেরো শতকের সুলতানি আমলের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ, যা খান জাহান আলী বাগেরহাটে নির্মাণ করেছিলেন। - ইউনেস্কো ১৯৮৫ সালে এই প্রাচীন মসজিদটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেট অঞ্চলে হযরত শাহ জালাল এর মাজার অবস্থিত হলেও বিখ্যাত ষাট গম্বুজ মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়। B) বাগেরহাট — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। C) খুলনা — খুলনা বিভাগীয় শহর হলেও ষাট গম্বুজ মসজিদটি পার্শ্ববর্তী বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। D) চুয়াডাঙ্গা — চুয়াডাঙ্গা একটি সীমান্তবর্তী জেলা যার সঙ্গে এই ঐতিহাসিক মসজিদের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বাগেরহাটের খাঁন জাহান আলী খলিফাতাবাদ নগরে ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন।
39. জাতিসংঘ শিশু সনদ অনুযায়ী শিশুর বয়স কত বছর?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ - ১৮ বছর কেন সঠিক: - জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের ধারা ১ অনুযায়ী জন্ম থেকে আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিটি মানবসন্তানকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়। - আন্তর্জাতিক আইন ও বাংলাদেশের শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী সকল ব্যক্তি শিশু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ - ২ বছর — এটি শিশুর বয়সসীমা নয়, বরং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এটি শিশুর শৈশবের অত্যন্ত প্রারম্ভিক বা প্রথম এক হাজার দিনের অংশ। B) ০ - ১২ বছর — এই বয়সসীমাটি আন্তর্জাতিকভাবে শিশু সনদের সার্বজনীন বয়স হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) ০ - ১৪ বছর — এই বয়সসীমাটি সাধারণত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কিছু ক্ষেত্রে শ্রমে নিযুক্ত হওয়ার ন্যূনতম বয়সের সাথে সম্পর্কিত। D) ০ - ১৮ বছর — এটি জাতিসংঘ শিশু সনদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক শিশুর বয়সসীমা। মনে রাখার টিপস: ভোট দেওয়ার বা সাবালক হওয়ার বয়স আঠারো বছর, তাই এর আগের সময়টাই শিশু সনদ অনুযায়ী শিশুর বয়স।
40. প্রতি বছর কোন দিন রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ মে কেন সঠিক: - এই দিনে আধুনিক রেড ক্রস আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা জ্যঁ হেনরি ডুনান্টের জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। - যুদ্ধাহত ও বিপন্ন মানুষের সেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ মে — এটি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ১৮ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো রেড ক্রস সম্পর্কিত প্রধান দিবস নেই। C) ৮ জুন — এই তারিখে বিশ্ব মহাসাগর দিবস পালিত হয়, রেড ক্রস দিবস নয়। D) ১৮ জুন — এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো রেড ক্রস বা রেড ক্রিসেন্ট দিবস নেই। মনে রাখার টিপস: রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্টের জন্ম মে মাসের আট তারিখে, তাই এই দিনটিই রেড ক্রস দিবস।
41. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য কয়টি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য ১৫টি, যার মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য। - অস্থায়ী সদস্যরা সাধারণ পরিষদের ভোটে দুই বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা, অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা নয়। B) ১০টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা। C) ১৫টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য দেশগুলোর মোট সংখ্যা। D) ১২টি — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোনো সদস্য সংখ্যা নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী ৫ আর অস্থায়ী ১০, মোট সদস্য ১৫।
42. কোনটি Office Software নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) MS Java ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট কর্পোরেশন বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে MS Java নামে কোনো অফিস সফটওয়্যার তৈরি করা হয়নি। - জাভা (Java) হলো সান মাইক্রোসফটের তৈরি একটি জনপ্রিয় অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা কোনো অফিস অ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজের অংশ নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অফিস সফটওয়্যার বা অফিস অটোমেশন সফটওয়্যার হলো এমন কিছু অ্যাপ্লিকেশনের সমষ্টি যা দাপ্তরিক কাজ যেমন লেখালেখি, হিসাবনিকাশ ও উপস্থাপনা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। - ব্যবহার: এ ধরনের সফটওয়্যারগুলো সাধারণত ডকুমেন্ট তৈরি, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং পেশাদার প্রেজেন্টেশন ডিজাইনের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা চিঠি, প্রতিবেদন ও বিভিন্ন দাপ্তরিক নথিপত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট (MS Power Point) ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যা সভা বা সেমিনারে তথ্য উপস্থাপনের জন্য স্লাইড তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) MS Word — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি বিশ্বখ্যাত ওয়ার্ড প্রসেসিং অফিস সফটওয়্যার, যা ডকুমেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। B) MS Power Point — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি জনপ্রিয় প্রেজেন্টেশন অফিস সফটওয়্যার, যা স্লাইডশো তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। C) MS Java — এটি কোনো অফিস সফটওয়্যার নয়, বরং জাভা একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা দিয়ে সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। D) MS Project — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, যা প্রজেক্ট পরিকল্পনা ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অফিস সফটওয়্যার চেনার উপায় হলো দেখতে হবে সেটি লেখালেখি, হিসাব বা উপস্থাপনার কাজে লাগে কি না। - জাভা (Java) হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, তাই কোনো অফিস প্যাকেজের নামের আগে জাভা দেখলে বুঝতে হবে সেটি ভুল উত্তর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট অফিস মূলত একটি অ্যাপ্লিকেশন স্যুট যার প্রধান উপাদানগুলো হলো ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ও এক্সেস। - প্রোগ্রামিং ভাষা এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার দুটির কাজ সম্পূর্ণ আলাদা, তাই এদের পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
43. Integrated Circuit (IC) গঠনের অংশ নয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Anode ১. কেন সঠিক: - Integrated Circuit বা IC মূলত একটি ছোট সেমিকন্ডাক্টর চিপ, যা ট্রানজিস্টর, ডায়োড ও রেজিস্টরের সমন্বয়ে তৈরি হয়। - Anode হলো কোনো ডায়োড বা ডিভাইসের ধনাত্মক প্রান্ত, যা আইসি গঠনের কোনো মৌলিক উপাদান নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Integrated Circuit (আইসি) হলো একটি সিলিকন চিপ যার মধ্যে একসঙ্গে হাজার হাজার বা লাখ লাখ ইলেকট্রনিক উপাদান যুক্ত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: এটি একটি সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক সার্কিট হিসেবে কাজ করে, যা সংকেত প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং তথ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে। - ব্যবহার: কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং প্রায় সব ধরনের আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসে প্রসেসর ও মেমোরি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোপ্রসেসর ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের সিউপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসর কোটি কোটি ট্রানজিস্টর সমন্বয়ে গঠিত একটি জটিল আইসি। উদাহরণ ২: মেমোরি চিপ ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের র‍্যাম বা রম চিপ হিসেবে আইসি ব্যবহৃত হয়, যা ডেটা প্রক্রিয়াকরণে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transistor - এটি আইসি গঠনের একটি প্রধান মৌলিক ইলেকট্রনিক উপাদান, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Diode - এটি কারেন্ট একমুখী করতে আইসিতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) Resistor - এটি আইসিতে বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) Anode - এটি আইসি তৈরির উপাদান নয়, বরং একটি পোলারাইজড ডিভাইসের ধনাত্মক প্রান্ত মাত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইসি তৈরির মূল উপাদান তিনটি, যথা টিডিআর বা ট্রানজিস্টর, ডায়োড ও রেজিস্টর। - অ্যানোড বা ক্যাথোড হলো পৃথক কোনো উপাদানের প্রান্তের নাম, সার্কিট উপাদান নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আইসি আবিষ্কার করেন জ্যাক কিলবি ও রবার্ট নয়েস। - কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্মে প্রথম আইসি ব্যবহার করা হয়।
44. বাংলাদেশে 5G মোবাইল কমিউনিকেশন চালু হয় কবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০২১ সালে ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫জি বা ফাইভ জি (5G) প্রযুক্তি চালু হয় ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর। হুয়াওয়ে এবং টেলিটক যৌথভাবে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এই সেবা প্রথম চালু করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ৫জি হলো পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা অত্যন্ত উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফার এবং কম লেটেন্সি নিশ্চিত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে যা বহু ডিভাইসকে একসাথে দ্রুত সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। ব্যবহার: স্মার্ট সিটি নির্মাণ, রিমোট সার্জারি, স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চালনা এবং আল্ট্রা এইচডি ভিডিও স্ট্রিমিংয়ে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফোর জি নেটওয়ার্কে একটি এইচডি সিনেমা ডাউনলোড করতে কয়েক মিনিট সময় লাগলেও ৫জি নেটওয়ার্কে তা মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সম্পন্ন হয়। ব্যাখ্যা: ৫জি নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ এবং ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষমতা পূর্বের প্রজন্মের তুলনায় বহুগুণ বেশি। উদাহরণ ২: অনলাইনে সরাসরি খেলা দেখার সময় লাইভ সম্প্রচারে কোনো ধরনের বাফারিং বা বিলম্ব হয় না। ব্যাখ্যা: ৫জি প্রযুক্তির অতি স্বল্প লেটেন্সি বা প্রতিক্রিয়ার সময় প্রায় শূন্যের কাছাকাছি হওয়ায় ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে আদান-প্রদান হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৫ সালে — এই বছরটি ভবিষ্যতের সময় নির্দেশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ২০১১ সালে — এই সময়ে বাংলাদেশে থ্রি জি (3G) প্রযুক্তি চালু হয়েছিল, ফাইভ জি নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে থ্রি জি চালু হয় ২০১২ সালে, ফোর জি চালু হয় ২০১৮ সালে এবং ফাইভ জি চালু হয় ২০২১ সালে। এই ধারাবাহিক সালগুলো মনে রাখলে মোবাইল প্রজন্মের ইতিহাস সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশে পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ জি চালনাকারী রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর হলো টেলিটক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন মোবাইল প্রজন্মের চালুর সাল এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
45. HDMI Port এর ব্যবহার নয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) LAN Network ১. কেন সঠিক: HDMI পোর্ট একটি মাল্টিমিডিয়া ইন্টারফেস যা মূলত ভিডিও এবং অডিও সিগন্যাল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। LAN Network হলো লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যুক্ত করার মাধ্যম, যার জন্য ইথারনেট পোর্ট বা ক্যাবল প্রয়োজন হয় এবং এটি HDMI পোর্টের কাজ নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: HDMI-এর পূর্ণরূপ হলো High-Definition Multimedia Interface। এটি ডিজিটাল অডিও এবং ভিডিও ডেটা প্রেরণের একটি সংযোগ মাধ্যম। কার্যপদ্ধতি: এটি আনকমপ্রেসড ভিডিও এবং মাল্টিচ্যানেল অডিও সিগন্যাল একটিমাত্র ক্যাবলের মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তর করে। ব্যবহার: কম্পিউটার থেকে মনিটর, টেলিভিশন বা প্রজেক্টরে হাই-ডেফিনেশন ছবি ও শব্দ পাঠানোর জন্য এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাপটপ থেকে প্রজেক্টরে ডিসপ্লে পাঠানো। ব্যাখ্যা: ল্যাপটপের HDMI পোর্ট থেকে ক্যাবল যুক্ত করে প্রজেক্টরে প্রেজেন্টেশনের ভিডিও ও সাউন্ড একসাথে চালানো যায়। উদাহরণ ২: কম্পিউটার থেকে স্মার্ট টিভিতে মুভি দেখা। ব্যাখ্যা: HDMI ক্যাবলের মাধ্যমে কম্পিউটার বা গেমিং কনসোল সরাসরি টিভিতে যুক্ত করে উচ্চমানের অডিও-ভিডিও উপভোগ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Video Multimedia — এটি HDMI পোর্টের অন্যতম প্রধান কাজ কারণ এটি মাল্টিমিডিয়া ভিডিও ট্রান্সফার করে। B) Projector Screen — প্রজেক্টর স্ক্রিনে ভিডিও আউটপুট দেখানোর জন্য HDMI পোর্ট সরাসরি ব্যবহৃত হয়। C) LAN Network — এটি নেটওয়ার্কিং সম্পর্কিত টার্ম, যা HDMI পোর্টের কাজের আওতাভুক্ত নয়। D) Video Graphics — ভিডিও গ্রাফিক্স বা ডিসপ্লে সিগন্যাল কম্পিউটারের গ্রাফিক্স কার্ড থেকে মনিটরে নিতে HDMI ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: HDMI মানেই হাই-ডেফিনেশন মাল্টিমিডিয়া ইন্টারফেস, অর্থাৎ এটি কেবল অডিও এবং ভিডিওর কাজ করবে। নেটওয়ার্কের জন্য ল্যান বা ইন্টারনেট ক্যাবল ব্যবহার করা হয়, ভিডিও পোর্ট নয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: HDMI ক্যাবল একই সাথে উচ্চমানের ডিজিটাল ভিডিও এবং অডিও সিগন্যাল বহন করতে সক্ষম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই হার্ডওয়্যার পোর্টের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে, তাই কোন পোর্ট কোন কাজে ব্যবহৃত হয় তা স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
46. বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার-
Created 3 weeks ago | Updated 1 minute ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) FRONTIER ১. কেন সঠিক: ফ্রন্টিয়ার হলো বিশ্বের প্রথম এক্সাস্কেল ক্ষমতা সম্পন্ন সুপার কম্পিউটার। এটি প্রতি সেকেন্ডে এক কুটিল বিলিয়ন বা এক কুইন্টিলিয়ন গণনা সম্পন্ন করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সুপার কম্পিউটার হলো অত্যন্ত উচ্চ গতিসম্পন্ন এবং বিশাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম বিশেষায়িত কম্পিউটার। কার্যপদ্ধতি: হাজার হাজার প্রসেসর একসঙ্গে প্যারালাল প্রসেসিং প্রযুক্তিতে যুক্ত হয়ে জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়ার পূর্বাভাস। ব্যাখ্যা: সুপার কম্পিউটার বায়ুমণ্ডলের লাখ লাখ ডেটা বিশ্লেষণ করে নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়। উদাহরণ ২: মহাকাশ গবেষণা। ব্যাখ্যা: মহাবিশ্বের গ্যালাক্সি ও নক্ষত্রের গতিপথ নির্ধারণে এই কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) FRONTIER — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সুপার কম্পিউটার এবং বর্তমানে অন্যতম শক্তিশালী। B) Fugaku — এটি জাপানের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার হলেও বর্তমান র‍্যাংকিংয়ে এটি ফ্রন্টিয়ারের পরে অবস্থান করছে। C) IBM — এটি একটি প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, কোনো নির্দিষ্ট একক সুপার কম্পিউটার নয়। D) Mac-Book — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের ল্যাপটপ, যা সুপার কম্পিউটার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের নাম মনে রাখতে এফ অক্ষরটি মনে রাখতে হবে কারণ ফ্রন্টিয়ার এফ দিয়ে শুরু হয়। এক্সাস্কেল গতির কারণে এটি বর্তমান বিশ্বের সেরার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুপার কম্পিউটারের গতি পরিমাপের একক হলো ফ্লপস। বাংলাদেশের প্রথম সুপার কম্পিউটারের নাম কিউরেপ্রো যা আবহাওয়া অধিদপ্তরে ব্যবহৃত হয়।
47. ব্যাংকিং সিস্টেমে টাকা স্থানান্তর করা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a ও b এর মাধ্যমে ১. কেন সঠিক: - ব্যাংকিং সিস্টেমে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে টাকা স্থানান্তর করার জন্য BEFTN এবং NPSB উভয় পদ্ধতিই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলাদেশ ব্যাংক এই দুটি পদ্ধতি পরিচালনা করে দেশের ভেতর আর্থিক লেনদেন দ্রুত ও নিরাপদ করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: BEFTN এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Electronic Funds Transfer Network এবং NPSB এর পূর্ণরূপ হলো National Payment Switch Bangladesh। - কার্যপদ্ধতি: BEFTN হলো একটি ব্যাচভিত্তিক সিস্টেম যা সাধারণত একদিনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে এবং NPSB হলো রিয়েল-টাইম পেমেন্ট সিস্টেম যা তাৎক্ষণিকভাবে টাকা স্থানান্তর করে। - ব্যবহার: BEFTN সাধারণত বেতন প্রদান ও ভেন্ডর বিল পরিশোধে ব্যবহৃত হয় এবং NPSB এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও এমএফএস থেকে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি যখন ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে অন্য ব্যাংকের কোনো বন্ধুর অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা পাঠান, তখন NPSB কাজ করে। ব্যাখ্যা: NPSB রিয়েল-টাইম বা তাৎক্ষণিক লেনদেন নিশ্চিত করে বিধায় কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে টাকা জমা হয়। উদাহরণ ২: একটি প্রতিষ্ঠান যখন মাসের শেষে তাদের শত শত কর্মীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে একসঙ্গে বেতন জমা দেয়, তখন BEFTN ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: BEFTN একসঙ্গে প্রচুর লেনদেন কম খরচে প্রক্রিয়াজাত করতে পারে বলে এটি বেতন দেওয়ার জন্য আদর্শ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) BEFTN এর মাধ্যমে — এটি একা সঠিক নয় কারণ শুধু BEFTN নয়, NPSB ও ব্যাংকিং সিস্টেমে টাকা স্থানান্তরে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। B) NPSB এর মাধ্যমে — এটি একা সঠিক নয় কারণ তাৎক্ষণিক লেনদেনের বাইরে সাধারণ স্থানান্তরে BEFTN ও ব্যবহার করা হয়। C) a ও b এর মাধ্যমে — এই অপশনটি সঠিক কারণ BEFTN এবং NPSB দুটি পদ্ধতিই ব্যাংকিং সিস্টেমে টাকা স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়। D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরগুলোর মধ্যে প্রথম দুটি অপশনই ব্যাংকিং লেনদেনের জন্য সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - BEFTN মানে সময় বেশি লাগে এবং NPSB মানে তাৎক্ষণিক লেনদেন হয়। - এভাবে মনে রাখতে পারেন যে বি দিয়ে শুরু BEFTN হলো ব্যাচভিত্তিক এবং এন দিয়ে শুরু NPSB হলো ন্যাশনাল সুইচ যা ইনস্ট্যান্ট কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BEFTN এর পূর্ণরূপ এবং এটি কোন ধরনের পেমেন্ট সিস্টেম তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - NPSB চালু হওয়ার ফলে গ্রাহকরা ব্যাংক ছুটির দিনেও তাৎক্ষণিকভাবে আন্তঃব্যাংক লেনদেন করতে পারছেন।
48. কোনটি অসত্য নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1 Nibble = 4 bit ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের ক্ষুদ্রতম একক হলো বিট। ধারাবাহিক চারটি বিট মিলে একটি নিবল গঠিত হয়, যা সঠিক উত্তরের সত্যতা প্রমাণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বিট হলো বাইনারি ডিজিট এবং নিবল হলো চার বিটের একটি সমষ্টি। কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির একটি অঙ্ক প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৪ বিটের একটি ধারা, যেমন ১০০০ হলো একটি নিবল। ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট ডেটা পরিমাপের একক হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা প্রকাশ করতে ৪ বিট বা ১ নিবল প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমাল মানের বাইনারি রূপান্তর করতে নিবল অত্যন্ত কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 Byte = 4 bit — ভুল কারণ ১ বাইট সমান ৮ বিট হয়ে থাকে। B) 1 Nibble = 4 bit — এটি সঠিক এবং অসত্য নয়। C) 1 Kilobyte = 1000 byte — ভুল কারণ ১ কিলোবাইট সাধারণত ১০২৪ বাইট বা আধুনিক প্রযুক্তিতে ১০০০ বাইট হতে পারে, তবে কম্পিউটার বিজ্ঞানের আদর্শ মানে এটি ১০২৪ বাইট। D) (i) — এটি কোনো সঠিক পরিমাপের একক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আট বিটে এক বাইট এবং চার বিটে এক নিবল হয়। ছোট একক থেকে বড় এককে যাওয়ার নিয়মগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের মেমোরি পরিমাপের একক যেমন বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট ইত্যাদির সম্পর্ক থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায় প্রশ্ন আসে।
49. Starlink কি?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Satellite internet ১. কেন সঠিক: - স্টারলিংক হলো ইলন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স পরিচালিত একটি স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা। - এটি পৃথিবী থেকে শত শত কিলোমিটার ওপরে অবস্থানরত লো আর্থ অরবিট বা এলইও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সরাসরি ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: লো আর্থ অরবিট বা ভূ-নিকটবর্তী কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপন করে বিশ্বজুড়ে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সরবরাহের আধুনিক প্রযুক্তি হলো স্টারলিংক। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীর বাসার অ্যান্টেন বা ডিশ সরাসরি মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটের সঙ্গে সিগন্যাল আদান-প্রদান করে এবং স্যাটেলাইট তা গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে মূল ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কম ল্যাটেন্সি বা বিলম্ব এবং অত্যন্ত দ্রুতগতির ডেটা আদান-প্রদান যা দুর্গম অঞ্চলেও কাজ করে। - ব্যবহার: সমুদ্রের মাঝখানে জাহাজ, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, মরুভূমি কিংবা যেখানে ফাইবার অপটিক ক্যাবল পৌঁছানো সম্ভব নয় সেখানে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবনের গভীরে বা সেন্টমার্টিনের অফশোরে ফাইবার অপটিক ক্যাবল ছাড়াই উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার। ব্যাখ্যা: দুর্গম বা ভূ-রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন এই স্থানগুলোতে কেবল স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া সম্ভব। উদাহরণ ২: প্রত্যন্ত অঞ্চলে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা ও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা। ব্যাখ্যা: সাধারণ তারযুক্ত ইন্টারনেট বা মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকলেও স্টারলিংকের মাধ্যমে শহর অঞ্চলের মতো সমান গতিতে অনলাইন সেবা চালানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Optical Fiber Internet — এটি মাটির নিচে বা সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে ক্যাবলের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে, যা স্টারলিংকের ওয়্যারলেস বা স্যাটেলাইট পদ্ধতির সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Open-Source Internet — এটি ওপেন সোর্স বা উন্মুক্ত সফটওয়্যার মডেলের কোনো ইন্টারনেট নয় বরং স্পেসএক্স নামক একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির মালিকানাধীন বাণিজ্যিক সেবা। D) Social Communication Media — এটি কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক বা টুইটার নয়, এটি একটি ইন্টারনেট সরবরাহকারী নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্টারলিংক নামটি মাথায় রাখলেই স্পেসএক্স এবং মহাকাশের স্যাটেলাইটের কথা মনে করতে হবে। - মনে রাখবে তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে মহাকাশ থেকে সরাসরি ইন্টারনেট দেওয়ার ব্যবস্থাই হলো স্যাটেলাইট ইন্টারনেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্টারলিংক প্রকল্পটি পরিচালনা করে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। - এই প্রযুক্তিতে প্রচলিত জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইটের পরিবর্তে স্বল্প উচ্চতার লো আর্থ অরবিট বা এলইও স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়।
50. Unix কি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Operating System ১. কেন সঠিক: ইউনিক্স (Unix) একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। এটি মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার সুবিধা প্রদান করে, অর্থাৎ একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইউনিক্স হলো একটি মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম যা প্রথম ষাট ও সত্তরের দশকে এটিঅ্যান্ডটি বেল ল্যাবসে তৈরি করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি কার্নেল বা মূল অংশের মাধ্যমে কম্পিউটারের প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করে। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উচ্চ নিরাপত্তা, পোর্টেবিলিটি এবং কমান্ড লাইন ইন্টারফেস ভিত্তিক শক্তিশালী ফাইল ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা। ব্যবহার: এটি মূলত শক্তিশালী সার্ভার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার এবং আধুনিক বিভিন্ন নেটওয়ার্ক সিস্টেমে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিনাক্স (Linux) অপারেটিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: লিনাক্স হলো ইউনিক্স সদৃশ একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ইউনিক্সের ডিজাইন কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ম্যাকওএস (macOS)। ব্যাখ্যা: অ্যাপলের এই জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমটি ইউনিক্স প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা মূলত ইউনিক্স সার্টিফাইড একটি সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Business software — এটি কোনো ব্যবসায়িক সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি মৌলিক সিস্টেম সফটওয়্যার। B) Package program — এটি কোনো সাধারণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয়, এটি কম্পিউটার পরিচালনার সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। C) Graphics software — এটি ছবি বা গ্রাফিক্স সম্পাদনার কোনো সফটওয়্যার নয়, এটি সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত। D) Operating System — এটি একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউনিক্স (Unix) এবং উইন্ডোজ (Windows) উভয়ই অপারেটিং সিস্টেমের নাম, তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার ও উচ্চ ক্ষমতার কম্পিউটারে বেশি ব্যবহৃত হয়। প্রোগ্রামিং ভাষা সি (C) তৈরির জন্য মূলত ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়ন করা হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের জনক হলেন কেন থম্পসন এবং ডেনিস রিচি। এটি প্রথম অপারেটিং সিস্টেমগুলোর একটি যা অত্যন্ত পোর্টেবল বা সহজে বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে স্থানান্তরযোগ্য ভাষায় (সি ভাষা) লেখা হয়েছিল।
51. E-mail এ CC এর পূর্ণরূপ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ই-মেইল পাঠানোর সময় প্রাপক ছাড়াও অন্য কাউকে একই বার্তা অবগতির জন্য পাঠাতে CC ব্যবহার করা হয়। CC-এর পূর্ণরূপ Carbon Copy, যা প্রাচীন কাগজভিত্তিক কার্বন পেপারের ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: CC হলো ই-মেইল প্রযুক্তির এমন একটি ফিচার যার মাধ্যমে মূল প্রাপক ছাড়া অন্য কাউকে বার্তাটির প্রতিলিপি পাঠানো যায়। কার্যপদ্ধতি: প্রধান প্রাপকের পাশাপাশি CC ফিল্ডে যাদের ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত করা হয়, তারা মূল বার্তাটি দেখতে ও অন্য সব প্রাপকের ঠিকানা জানতে পারেন। ব্যবহার: দাপ্তরিক যোগাযোগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কাজের আপডেট জানাতে বা একই তথ্য একাধিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একসাথে পাঠাতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। পার্থক্য: BCC (Blind Carbon Copy)-এর সাথে এর প্রধান পার্থক্য হলো CC-তে প্রাপকের তালিকা সবাই দেখতে পেলেও BCC-তে প্রাপকদের গোপন রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের একজন ব্যবস্থাপক কোনো নির্দেশনার ই-মেইল তার অধীনস্থ কর্মীকে পাঠাচ্ছেন এবং প্রধান নির্বাহীকে CC তে রাখছেন। ব্যাখ্যা: এখানে প্রধান নির্বাহী মূল কাজের সাথে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও অবগতির জন্য পুরো বার্তাটির অনুলিপি দেখতে পান। উদাহরণ ২: একটি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগ ছুটির নোটিশ একজন কর্মচারীকে পাঠাল এবং হিসাব বিভাগকে CC তে যুক্ত করল। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে হিসাব বিভাগও ছুটির বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carbon Copy — এটি ই-মেইলে অবগতির জন্য অনুলিপি প্রেরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সঠিক ও প্রমিত প্রযুক্তিগত পরিভাষা। B) Clone Copy — ক্লোন কপি বলতে ই-মেইল প্রযুক্তিতে কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত পরিভাষা বোঝায় না। C) Complete Copy — পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না এবং এটি ই-মেইল কাঠامোর সাথে সম্পর্কহীন। D) Clear Copy — পরিষ্কার বা স্পষ্ট কপি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয় না, যা ই-মেইল যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি অমূলক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: ই-মেইলে CC মানে কার্বন কপি, যা পুরোনো দিনের টাইপরাইটারে কার্বন পেপার ব্যবহার করে এক সাথে একাধিক কপি তৈরির ধারণার সাথে মিলে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-মেইলের ক্ষেত্রে CC ও BCC-এর পূর্ণরূপ এবং এদের মৌলিক পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
52. IoT কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Internet of things ১. কেন সঠিক: IoT-এর পূর্ণরূপ হলো Internet of Things, যার বাংলা অর্থ বস্তুর ইন্টারনেট। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সাধারণ বস্তু বা ডিভাইস ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Internet of Things হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে সেন্সর এবং সফটওয়্যারযুক্ত বস্তু ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসে থাকা সেন্সর চারপাশ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লাউড সার্ভারে পাঠায়, যা বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্ট হোম সিস্টেম। ব্যাখ্যা: ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরের এসি, লাইট বা ফ্রিজ দূর থেকেই মোবাইল অ্যাপ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। উদাহরণ ২: স্মার্ট ওয়াচ। ব্যাখ্যা: ঘড়িতে থাকা সেন্সর ব্যবহারকারীর হৃদস্পন্দন মাপে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা স্মার্টফোনে পাঠায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Internet of thought — এটি কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা বা প্রচলিত আইসিটি টার্ম নয়। B) Internet of Technology — এটি প্রযুক্তির ইন্টারনেট বোঝায়, যা IoT-এর সঠিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। D) Interface of technology — এটি প্রযুক্তিগত ইন্টারফেস বা সংযোগ মাধ্যম বোঝায়, যা ইন্টারনেটের সাথে বস্তুর সংযোগের সঠিক নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: Things বা বস্তুগুলোর সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ বোঝাতে Internet of Things বা IoT সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: IoT ধারণার প্রবক্তা কেভিন অ্যাশটন ১৯৯৯ সালে প্রথম এই নামটি ব্যবহার করেন। এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের একটি অন্যতম মূল চালিকাশক্তি।
53. HMI কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Human machine interface ১. কেন সঠিক: HMI বা হিউম্যান মেশিন ইন্টারফেস হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মানুষ এবং মেশিনের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে একজন অপারেটর কোনো জটিল শিল্প কারখানার যন্ত্রপাতি বা অটোমেটেড সিস্টেম সহজে নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: হিউম্যান মেশিন ইন্টারফেস বা HMI হলো এমন একটি ইউজার ইন্টারফেস যা মানুষকে কোনো মেশিন, ডিভাইস বা সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি মেশিনের ভেতরের সেন্সর ও কন্ট্রোলারের ডেটা সংগ্রহ করে স্ক্রিনে গ্রাফ বা ভিজ্যুয়াল হিসেবে প্রদর্শন করে এবং ইউজারের নির্দেশ মেশিনে পাঠায়। ব্যবহার: শিল্প কারখানার অটোমেশন, পাওয়ার প্লান্ট, উৎপাদন লাইন এবং বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতির ড্যাশবোর্ড তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক কারখানায় বড় বড় মোটর বা অ্যাসেম্বলি লাইন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে। ব্যাখ্যা: এই ডিসপ্লেতে কারখানার বিভিন্ন যন্ত্রের তাপমাত্রা ও গতি দেখা যায় এবং অপারেটর সেখান থেকেই তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। উদাহরণ ২: স্মার্ট ওয়াচ বা ডিজিটাল ঘড়ির ডিসপ্লে ও টাচ প্যানেল। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের নির্দেশ গ্রহণ করে এবং শরীরের বিভিন্ন শারীরিক তথ্য যেমন হৃদস্পন্দন পর্দায় প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hard-disc memory interface — এটি কোনো পরিচিত কম্পিউটার প্রযুক্তির নাম নয় এবং হার্ডডিস্কের সংযোগের ক্ষেত্রে এই পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না। B) Human machine interface — এটি সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর কারণ এটি মানুষ ও মেশিনের মধ্যকার সংযোগ মাধ্যমকে বোঝায়। C) Huge memory internet — এটি ইন্টারনেট বা মেমোরির কোনো আদর্শ প্রযুক্তিগত নাম বা পরিভাষা নির্দেশ করে না। D) Heavy machine internet — এটি কোনো স্বীকৃত নেটওয়ার্কিং বা কম্পিউটিং পরিভাষা নয়, এটি সম্পূর্ণ একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: HMI এর পূর্ণরূপ হলো Human Machine Interface। শব্দটি দেখলেই মনে রাখবে এটি মানুষ এবং মেশিনের কথোপকথন বা সংযোগ স্থাপনের মাধ্যম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সংক্ষিপ্ত রূপ বা Full Form প্রায়ই আসে। শিল্প উৎপাদন ও অটোমেশন সিস্টেমে HMI অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সমন্বিত প্রযুক্তি।
54. কোন প্রিন্টারে কালি ব্যবহৃত হয় না?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Thermal Printer ১. কেন সঠিক: থার্মাল প্রিন্টারে মুদ্রণের জন্য কোনো তরল কালি বা রিবন ব্যবহৃত হয় না। এটি বিশেষ তাপসংবেদী বা থার্মাল কাগজ ব্যবহার করে তাপের মাধ্যমে লেখা ফুটিয়ে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: থার্মাল প্রিন্টার হলো এমন একটি আউটপুট ডিভাইস যা তাপ প্রয়োগ করে বিশেষভাবে প্রস্তুত কাগজে ছবি বা লেখা প্রিন্ট করে। কার্যপদ্ধতি: প্রিন্টারটির প্রিন্ট হেডের ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক উপাদানগুলো উত্তপ্ত হয় এবং থার্মাল কাগজের রাসায়নিক স্তরের সঙ্গে বিক্রিয়া করে লেখা প্রকাশ করে। ব্যবহার: সুপার শপ বা এটিএম বুথের রসিদ, বারকোড এবং টিকিট প্রিন্ট করার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপার শপে কেনাকাটার পর ক্যাশ কাউন্টার থেকে যে ছোট রসিদ দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: ওই রসিদগুলো থার্মাল কাগজে প্রিন্ট করা হয় যেখানে কোনো কালি লাগে না। উদাহরণ ২: রেলওয়ে স্টেশন বা বাস কাউন্টারের টিকিট প্রিন্টার। ব্যাখ্যা: দ্রুত এবং কালিবিহীন মুদ্রণের জন্য এই প্রিন্টারগুলো ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dot Matrix Printer — ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে পিন বা সুইয়ের সাহায্যে কালির রিবনে আঘাত করে প্রিন্ট করা হয়, তাই এতে কালি বা রিবন প্রয়োজন হয়। B) Thermal Printer — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো তরল কালি ব্যবহৃত হয় না। C) LASER Printer — লেজার প্রিন্টারে টোনার বা পাউডার কালি ব্যবহার করা হয়, যা তাপ ও চাপের মাধ্যমে কাগজে স্থায়ী করা হয়। D) Jet Printer — জেট প্রিন্টার বা ইনজেকশন প্রিন্টারে তরল কালি বা কার্টিজ ব্যবহার করা হয় যা নজলের মাধ্যমে স্প্রে করে প্রিন্ট করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: থার্ম শব্দটির অর্থ তাপ, তাই মনে রাখবে থার্মাল প্রিন্টার মানে তাপের সাহায্যে কালিশূন্য প্রিন্টিং। সুপার শপের রসিদ হাতে ঘষলে যে কালো দাগ হয় তা থার্মাল প্রিন্টারের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও পেরিফেরাল ডিভাইস অধ্যায়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত কমন প্রশ্ন। বিভিন্ন ব্যাংকিং ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রসিদ প্রিন্টার বা পিওএস প্রিন্টার হিসেবে থার্মাল প্রিন্টার সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
55. MICR প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয় কোথায়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যাংকের চেক বই এ ১. কেন সঠিক: MICR প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যাংকের চেকে প্রিন্ট করা বিশেষ ব্যাংকিং কোড ও অ্যাকাউন্ট নম্বর অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে স্বয়ংক্রিয় উপায়ে পাঠ করা সম্ভব হয়। এই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত কালিতে চৌম্বকীয় পদার্থ থাকে, যা সাধারণ প্রিন্টার বা ফটোকপির মাধ্যমে নকল করা যায় না বলে এটি জালিয়াতি রোধে অত্যন্ত কার্যকর। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: MICR-এর পূর্ণরূপ হলো Magnetic Ink Character Recognition এবং এর বাংলা অর্থ চৌম্বকীয় কালি অক্ষর শনাক্তকরণ। কার্যপদ্ধতি: চৌম্বকীয় কালিতে লেখা সংখ্যা বা অক্ষর প্রথমে ম্যাগনেটাইজ করা হয় এবং রিডার ডিভাইসের মাধ্যমে তার চৌম্বকীয় সংকেত বিশ্লেষণ করে তথ্য পড়া হয়। বৈশিষ্ট্য: এই প্রযুক্তির লেখা মানুষের পক্ষে পড়া সম্ভব এবং এটি সাধারণ দৃশ্যমান কালির চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। ব্যবহার: মূলত বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতের ক্লিয়ারিং হাউজে বিপুল পরিমাণ চেক দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকে জমা দেওয়া চেক ক্লিয়ারিং ব্যাখ্যা: গ্রাহক চেক জমা দেওয়ার পর ব্যাংক কর্মকর্তারা তা MICR রিডার মেশিনের মাধ্যমে খুব কম সময়ে যাচাই ও নিষ্পত্তি করেন। উদাহরণ ২: নিরাপত্তামূলক ব্যাংক চেক প্রিন্টিং ব্যাখ্যা: চেকের নিচের লাইনে থাকা রাউটিং নম্বর ও অ্যাকাউন্ট নম্বর MICR কালিতে প্রিন্ট করা হয় যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংকের চেক বই এ — এই অপশনটি সঠিক কারণ MICR প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যাংকের চেক এবং আর্থিক দলিলের নিরাপত্তার জন্য উদ্ভাবন করা হয়েছে। B) E-Passport এ — এই অপশনটি ভুল কারণ ই-পাসপোর্টে এমআইসিআর প্রযুক্তির পরিবর্তে চিপ, বায়োমেট্রিক এবং RFID প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। C) জাতীয় পরিচয় পত্রে — এই অপশনটি ভুল কারণ জাতীয় পরিচয়পত্রে স্মার্টকার্ড চিপ এবং বারকোড বা কিউআর কোড ব্যবহৃত হয়, MICR কালি নয়। D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন এ তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: MICR মানেই হলো Money বা টাকা এবং ব্যাংক। ব্যাংকের চেক বই বা টাকার লেনদেন সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন দেখলে প্রথমে MICR প্রযুক্তির কথা চিন্তা করবে। MICR শব্দে থাকা C অক্ষরটি দিয়ে Character এবং R দিয়ে Recognition মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ইনপুট ডিভাইস অধ্যায়ে MICR একটি গুরুত্বপূর্ণ অপটিক্যাল বা ম্যাগনেটিক ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত। পরীক্ষায় প্রায়ই MICR এর পূর্ণরূপ বা এর ব্যবহার কোথায় হয় তা জানতে চাওয়া হয়।
56. কোনটি বাংলা Unicode ফন্ট নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 14 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sulekha ১. কেন সঠিক: - সুলেখা (Sulekha) কোনো ইউনিকোড (Unicode) ফন্ট নয়, এটি একটি লিগ্যাসি বা এএনএসআই (ANSI) ভিত্তিক বাংলা ফন্ট। - ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড বিশ্বব্যাপী সব ভাষার চরিত্রকে একটি সুনির্দিষ্ট কোডের আওতায় এনেছে, যা সুলেখা ফন্ট সমর্থন করে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইউনিকোড (Unicode Consortium কর্তৃক প্রকাশিত Universal Coded Character Set) হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক মান যা কম্পিউটারে প্রতিটি অক্ষরের জন্য একটি অদ্বিতীয় কোড প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: ইউনিকোড ফন্ট ইন্টারনেটে বা যেকোনো ডিভাইসে বাংলা লেখা পরিবর্তন না করেই সঠিকভাবে প্রদর্শিত হতে সাহায্য করে। - বৈশিষ্ট্য: ইউনিকোড ফন্টে লেখা কপি বা পেস্ট করলে অন্য সফটওয়ারে নষ্ট হয় না এবং এসইও (Search Engine Optimization) বা সার্চ করার উপযোগী হয়। - ব্যবহার: বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি সকল দাপ্তরিক কাজ, ওয়েবসাইট এবং ডিজিটাল মিডিয়ায় ইউনিকোড ফন্ট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলেখা ফন্ট ব্যবহার করে কোনো লেখা ইউনিকোড সমর্থিত সফটওয়্যারে নিলে অক্ষরগুলো ভেঙে যায় বা এলোমেলো হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: কারণ এটি ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড মেনে তৈরি হয়নি, তাই এর কোডিং সিস্টেম আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে পারে না। উদাহরণ ২: সোলায়মান লিপি ফন্টে কোনো লেখা লিখলে তা যেকোনো কম্পিউটারে বা মোবাইলে একই রকম দেখায়। ব্যাখ্যা: এটি একটি আদর্শ ইউনিকোড ফন্ট হওয়ায় সব আধুনিক প্ল্যাটফর্মে এর কোডিং সঠিকভাবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sulekha — এটি একটি লিগ্যাসি ফন্ট, যা ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড সমর্থন করে না এবং বর্তমান ডিজিটাল মানদণ্ডের বাইরে। B) Solaiman Lipi — এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত একটি স্ট্যান্ডার্ড ইউনিকোড বাংলা ফন্ট। C) Nikosh — এটি বাংলাদেশ সরকারের কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত এবং দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্ধারিত একটি জনপ্রিয় ইউনিকোড ফন্ট। D) Siyam Rupali — এটি ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড মেনে তৈরি করা একটি চমৎকার এবং শৈল্পিক বাংলা ফন্ট। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিক ও জনপ্রিয় ইউনিকোড বাংলা ফন্টের নামের তালিকায় সোলায়মান লিপি, নিকোশ ও সিয়াম রূপালী রয়েছে। - সুলেখা বা সুতর্নি এমজে হলো পুরোনো দিনের এএনএসআই ফন্ট, যা ইউনিকোড নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইউনিকোড এবং লিগ্যাসি ফন্টের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - সুতর্নি এমজে (SutnyMJ) এবং বিজয় (Bijoy) কিবোর্ডের সঙ্গে ব্যবহৃত ফন্টগুলোও লিগ্যাসি ফন্টের অন্তর্ভুক্ত।
57. Light Emitting Diode কোথায় ব্যবহৃত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 9 seconds ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কম্পিউটারের মনিটরে ১. কেন সঠিক: LED (Light Emitting Diode) প্রযুক্তির সাহায্যে কম বিদ্যুৎ খরচ করে উজ্জ্বল আলো তৈরি করা যায়, যা আধুনিক কম্পিউটারের মনিটরে পিক্সেল বা ছবি ফুটিয়ে তুলতে ব্যাকলাইট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ঐতিহ্যবাহী ফ্লুরোসেন্ট বা সিআরটি ডিসপ্লের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর এবং সাশ্রয়ী। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Light Emitting Diode হলো এমন একটি অর্ধপরিবাহী ডায়োড যা বৈদ্যুতিক প্রবাহ পেলে আলো বিকিরণ করে। কার্যপদ্ধতি: এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে ইলেকট্রন ও হোল একত্রিত হয়ে ফোটন কণার আকারে আলো উৎপন্ন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি দ্রুত চালু হয়, কম তাপ উৎপন্ন করে এবং এর আয়ুষ্কাল অনেক দীর্ঘ হয়। ব্যবহার: বর্তমানে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ মনিটর, টেলিভিশন এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লে তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক এলইডি ডেস্ক মনিটর ব্যাখ্যা: এই মনিটরগুলো স্ক্রিনের পেছনে বা চারপাশে এলইডি লাইট ব্যবহার করে স্পষ্ট ও রঙিন ছবি প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট ব্যাখ্যা: রাস্তাঘাটের ট্রাফিক সিগন্যালে উজ্জ্বল আলো দিতে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে এই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম্পিউটারের মনিটরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মনিটরের ডিসপ্লে প্যানেল আলোকিত করতে এলইডির ব্যবহার অপরিহার্য। B) কম্পিউটারের মেমরিতে — মেমরি বলতে প্রধানত র‍্যাম বা রম বোঝায়, যেখানে ডেটা সংরক্ষণের জন্য অর্ধপরিবাহী ট্রানজিস্টর বা ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়, কোনো আলো উৎপন্নকারী ডায়োড নয়। C) কম্পিউটারের প্রিন্টারে — প্রিন্টারে কাগজে লেখা বা ছবি ছাপানোর জন্য কালি ছিটানোর নজল বা লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, মনিটরের মতো এলইডি স্ক্রিন থাকে না। D) কম্পিউটারের CPU — সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে কোটি কোটি মাইক্রোপ্রসেসর ট্রানজিস্টর থাকে যা গণনা ও প্রসেসিংয়ের কাজ করে, সেখানে আলোক বিকিরণের কোনো কাজ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: LED-এর পূর্ণরূপ হলো Light Emitting Diode। চোখের সামনে থাকা মনিটরের দিকে তাকালেই মনে রাখতে হবে যে স্ক্রিনটি আলোকিত করতে এই ডায়োড প্রযুক্তি কাজ করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার মনিটরের ক্ষেত্রে এলসিডি (LCD) এবং এলইডি (LED) এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো ব্যাকলাইট প্রযুক্তিতে। এলসিডি ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্প ব্যবহার করে আর এলইডি ডায়োড ব্যবহার করে।
58. পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমানা রয়েছে যে দুটি দেশের মধ্যে-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমেরিকা ও কানাডা কেন সঠিক: ১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যকার আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সীমানা হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ২. এই বিশাল সীমান্তটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে প্রায় আট হাজার আটান্ন কিলোমিটার দীর্ঘ। ভৌগোলিক তথ্য: ১. অবস্থান ও আয়তন: এই সীমান্তটি কানাডার দক্ষিণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আমেরিকার উত্তরে কানাডাকে পৃথক করেছে যা পূর্বের আটলান্টিক মহাসাগর থেকে পশ্চিমের প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। ২. বিশেষত্ব: এই দীর্ঘতম স্থল সীমানার একটি বিশেষ দিক হলো এটি বিশ্বের দীর্ঘতম অপ্রতিরুদ্ধ বা শান্তিপূর্ণ সীমান্ত যেখানে কোনো সামরিক পাহারা নেই। ৩. তথ্য বা উদাহরণ: এই সীমানার কিছু অংশ জলপথ বা হ্রদ যেমন গ্রেট লেকসের ওপর দিয়ে গেলেও এর মূল ভূখণ্ডে দীর্ঘতম স্থলভাগের উপস্থিতি রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও বাংলাদেশ — ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত হলেও এটি আমেরিকার সাথে কানাডার সীমানার চেয়ে অনেক ছোট। B) আমেরিকা ও কানাডা — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং এটিই পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমানার অধিকারী দুটি দেশ। C) আমেরিকা ও মেক্সিকো — আমেরিকা ও মেক্সিকোর মধ্যকার সীমান্তটি তুলনামূলকভাবে ছোট এবং এটি মধ্য আমেরিকার সাথে উত্তর আমেরিকার সীমানা নির্দেশ করে। D) ভারত ও চীন — ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তটি মূলত হিমালয় পর্বতমালা বরাবর বিস্তৃত এবং এর দৈর্ঘ্য আমেরিকা ও কানাডার সীমানার চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: ১. উত্তর আমেরিকার দুই বন্ধুপ্রতিম দেশ আমেরিকা ও কানাডার মাঝেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় সীমান্ত রয়েছে। ২. ম্যাপে উত্তর আমেরিকার ওপরের বিশাল রেখাটি মনে রাখলেই এই দীর্ঘতম সীমানার বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
59. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা থেকে হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ দেখা যায়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঞ্চনজঙ্ঘা কেন সঠিক: বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে পরিষ্কার আবহাওয়ায় হিমালয় পর্বতের কাঞ্চনজঙ্ঘা শৃঙ্গ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এটি পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান একমাত্র প্রধান হিমালয়ান শৃঙ্গ। ভৌগোলিক তথ্য: পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের একটি সীমান্ত জেলা এবং এটি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত সমতল ভূমির অন্তর্ভুক্ত। এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মহানন্দা নদীর তীর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। শীতকালের ঠিক আগে বা শরৎকালের পরিষ্কার আকাশে মেঘহীন সকালে এই শৃঙ্গটি খালি চোখে দেখা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) চিম্বুক — এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি চূড়া এবং এটি হিমালয় পর্বতমালার অন্তর্ভুক্ত কোনো শৃঙ্গ নয়। C) এভারেস্ট — এটি পৃথিবীর উচ্চতম শৃঙ্গ হলেও বাংলাদেশ থেকে এর সরাসরি ভৌগোলিক দূরত্ব অনেক বেশি থাকায় এটি দেখা যায় না। D) কেওক্রাডং — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি চূড়া এবং এর সাথে হিমালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: উত্তর মানেই পঞ্চগড় আর পঞ্চগড় থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা, এভাবে মনে রাখা সহজ। বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান একমাত্র হিমালয়ের শৃঙ্গ হিসেবে কাঞ্চনজঙ্ঘার নাম সর্বদাই মনে রাখতে হবে।
60. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে মিয়ানমারের স্থল সীমানা আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙামাটি কেন সঠিক: রাঙামাটি জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর সাথে আন্তর্জাতিক দেশ হিসেবে সরাসরি মিয়ানমারের স্থল সীমানা যুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মোট সীমানার একটি বড় অংশ এই জেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: রাঙামাটি বাংলাদেশের আয়তনের দিক থেকে বৃহত্তম জেলা এবং এর ভূপ্রকৃতি মূলত পাহাড়ি ও উচু-নিচু জমিতে পূর্ণ। এই জেলাটি দুর্গম পাহাড়ি উপত্যকা, ঝরনা এবং কাপ্তাই হ্রদের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য অত্যন্ত পরিচিত। এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি কৌশলগতভাবে দেশের সীমান্তবর্তী নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — এটি দেশের পূর্বাঞ্চলের একটি জেলা যা মূলত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তে অবস্থিত এবং এর সাথে মিয়ানমারের কোনো সংযোগ নেই। B) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর নগরী ও উপকূলীয় জেলা হলেও এর সীমানা সরাসরি মিয়ানমারের সাথে স্থলভাগে যুক্ত নয়। C) খাগড়াছড়ি — এটি পাহাড়ি জেলা হলেও এর সীমান্ত কেবল ভারতের সাথে যুক্ত রয়েছে এবং মিয়ানমারের সাথে এর কোনো সীমানা নেই। D) রাঙামাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নানুসারে একমাত্র এই জেলার সাথেই মিয়ানমারের স্থল সীমানার সংযোগ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের মোট তিনটি জেলার সীমান্ত আছে, এগুলো হলো বান্দরবান, রাঙামাটি এবং কক্সবাজার। পাহাড়ি জেলাগুলোর মধ্যে বান্দরবান ও রাঙামাটির সাথে মিয়ানমার যুক্ত থাকলেও কুমিল্লার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
61. গজলডোবা বাঁধ বাংলাদেশের কোন নদীর উজানে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 10 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিস্তা কেন সঠিক: গজলডোবা বাঁধ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলায় তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত একটি অন্যতম সেচ প্রকল্প। এই বাঁধটি বাংলাদেশের ঠিক ওপরে বা উজানে অবস্থিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশের তিস্তা নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। ভৌগোলিক তথ্য: তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ব্রহ্মপুত্র নদে মিলিত হয়েছে। এই নদীর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় তিনশো ১৫ কিলোমিটার এবং এর উৎস সিকিমের পাহাড়ি অঞ্চল। বর্ষাকালে গজলডোবার গেট খুলে দিলে বাংলাদেশে বন্যা দেখা দেয় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে তিস্তা অববাহিকা মরুভূমি সদৃশ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — পদ্মা নদী গঙ্গা নদীর মূল শাখা এবং এর উজানে ফারাক্কা বাঁধ অবস্থিত, গজলডোবা বাঁধ নয়। B) মেঘনা — মেঘনা নদী আসাম ও ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এর ওপর এই বাঁধ নেই। C) যমুনা — যমুনা নদী ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ এবং এর উজানে গজলডোবা বাঁধের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। D) তিস্তা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গজলডোবা বাঁধটি বিশেষভাবে তিস্তা নদীর পানি নিয়ন্ত্রণের জন্যই তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: তিস্তা নদীর পানি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের আলোচনা রয়েছে এবং গজলডোবা নাম শুনলেই তিস্তা নদীর কথা মনে রাখতে হবে।
62. আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: ১. অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের মোট আয়তন প্রায় ৭৬ লক্ষ ৯২ হাজার বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর অন্য কোনো মহাদেশের চেয়ে কম। ২. ভৌগোলিক সীমানা এবং ভূখণ্ডের পরিমাপ অনুযায়ী এটিই একমাত্র মহাদেশ যা একটিমাত্র দেশ নিয়ে গঠিত এবং আকারে সবচেয়ে ছোট। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত এবং এর চারপাশে ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত। ২. এই মহাদেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এর মূল ভূখণ্ডটি দ্বীপ মহাদেশ হিসেবে পরিচিত। ৩. অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ এবং বিশাল মরুভূমি অঞ্চল এর বৈচিত্র্যের প্রধান উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং এর আয়তন প্রায় তিন কোটি বর্গকিলোমিটারের বেশি। B) আমেরিকা — উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মিলিয়ে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভূখণ্ড গঠন করে, যার আয়তন অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে বহুগুণ বেশি। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ইউরোপ — এটি অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে অনেক বড় মহাদেশ এবং এর আয়তন প্রায় এক কোটি বর্গকিলোমিটারের বেশি। মনে রাখার টিপস: ১. ছোট থেকে বড় মহাদেশের তালিকা মনে রাখার সময় সবার শেষে অস্ট্রেলিয়ার নাম মনে রাখবে। ২. ওশেনিয়া বা অস্ট্রেলিয়াকে দ্বীপ মহাদেশ হিসেবে মনে রাখলে এর ক্ষুদ্রতম রূপটি সহজে মাথায় থাকবে।
63. বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ রাষ্ট্র কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: ইন্দোনেশিয়া বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি বিশাল দ্বীপ রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রে দ্বীপের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এটি বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত। ভৌগোলিক তথ্য: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ রাষ্ট্র যার মোট দ্বীপের সংখ্যা প্রায় সতেরো হাজার পাঁচশটি। এর মধ্যে জাভা, সুমাত্রা, এবং বোর্নিও এর প্রধান ও জনবহুল কিছু দ্বীপের উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — এটি একটি একক মহাদেশীয় দেশ এবং এর মূল ভূখণ্ড এত বিশাল যে একে দ্বীপ বলা চলে না। B) নিউজিল্যান্ড — এটি মূলত দুটি বড় দ্বীপ এবং কিছু ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার মতো এত বিপুল সংখ্যক দ্বীপ এখানে নেই। C) ইন্দোনেশিয়া — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল উত্তর হিসেবে বিবেচিত। D) ফিলিপাইন — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হলেও এর মোট দ্বীপের সংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবথেকে বেশি দ্বীপ দেখতে হলে চলে যাও ইন্দোনেশিয়া, কারণ এটিই দ্বীপের রাজ্য।
64. কুইন্সল্যান্ড কোন দেশের অংশ?
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: কুইন্সল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের মূল ভূখণ্ডের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল অঙ্গরাজ্য। ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক উভয় দিক থেকেই এটি সম্পূর্ণভাবে অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত একটি অংশ। ভৌগোলিক তথ্য: এই রাজ্যটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এবং এর আয়তন প্রায় ১৭ লক্ষ ৩০ হাজার বর্গকিলোমিটার। এখানে বিশ্বের বিখ্যাত প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অবস্থিত যা পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এর রাজধানী শহরটি হলো ব্রিসবেন এবং গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর জন্য এই অঞ্চলটি সারা বিশ্বে বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি যুক্তরাজ্য বা গ্রেট ব্রিটেনের একটি ঐতিহাসিক দেশ, যা অস্ট্রেলিয়া বা কুইন্সল্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি বিশাল দেশ, যার সাথে কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি উত্তর আমেরিকার আরেকটি প্রধান দেশ এবং এর নিজস্ব আলাদা রাজ্য রয়েছে, কুইন্সল্যান্ড এর অংশ নয়। D) অস্ট্রেলিয়া — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল প্রমাণের কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়ার মানচিত্রের ওপরের ডান কোণ বা উত্তর-পূর্ব দিকে তাকালেই কুইন্সল্যান্ড রাজ্যটিকে স্পষ্টভাবে দেখতে পাওয়া যায়।
65. দারফুর হলো-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুদানের একটি শহরের নাম কেন সঠিক: দারফুর আফ্রিকার উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাষ্ট্র সুদানের একটি ঐতিহাসিক ও জনবহুল অঞ্চল। এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংঘাত ও মানবিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচিত হয়ে আসছে। ভৌগোলিক তথ্য: দারফুর অঞ্চলটি সুদানের পশ্চিম অংশে অবস্থিত এবং এটি সাহেল অঞ্চলের সীমান্তবর্তী একটি শুষ্ক মালভূমি এলাকা। ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলটি সাহারা মরুভূমির দক্ষিণ প্রান্ত ঘেঁষে বিস্তৃত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাকের একটি শহরের নাম — ইরাকের প্রধান শহর হলো বাগাদ, বসরা ও মসুল, কিন্তু দারফুর সেখানে অবস্থিত নয়। B) ইরানের একটি শহরের নাম — ইরানের বিখ্যাত শহরগুলোর মধ্যে তেহরান, ইসফাহান ও শিراز অন্যতম, দারফুর ইরানের অংশ নয়। C) আফগানিস্তানের একটি শহরের নাম — আফগানিস্তানের মূল শহরগুলো হলো কাবুল, কান্দাহার ও হেরাতি, তাই এই অপশনটি ভুল। D) সুদানের একটি শহরের নাম — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: দারফুর শব্দটি শুনলেই আফ্রিকার সুদানের কথা মাথায় রাখবে কারণ এটি সুদানের পশ্চিমের একটি বিখ্যাত অঞ্চল। সংঘাতময় ও আলোচিত অঞ্চল হিসেবে দারফুর ও সুদান নাম দুটি ভৌগোলিক পড়াশোনায় একসাথে মনে রাখা সহজ।
67. কোন বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতির কার্যক্ষমতা বেশি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Combined cycle gas turbine কেন সঠিক: - এতে গ্যাস টারবাইন ও বাষ্প টারবাইন একত্রে কাজ করে, ফলে জ্বালানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। - প্রথম ধাপে উৎপাদিত বর্জ্য তাপ ব্যবহার করে বাষ্প তৈরি করে দ্বিতীয় ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Open Cycle Gas turbine — এতে বর্জ্য তাপ পুনর্ব্যবহার করা যায় না, ফলে এর কার্যক্ষমতা কম হয়। B) Hydro-turbine — পানির শক্তির কার্যক্ষমতা ভালো হলেও আধুনিক তাপবিদ্যুৎ পদ্ধতির তুলনায় এটি ভিন্ন প্রযুক্তির। C) Gas Engine — এটি সাধারণত ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয় এবং বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো উচ্চ কার্যক্ষমতা দেয় না। D) Combined cycle gas turbine — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি গ্যাস ও বাষ্প চক্রকে যুক্ত করে সর্বোচ্চ দক্ষতা প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: কম্বাইন্ড সাইকেল মানেই দুটি চক্রের একত্র ব্যবহার, যা অপচয় রোধ করে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ দেয়।
69. বাংলাদেশে বর্তমানে কোন ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদনে অধিক গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে?
Created 3 weeks ago | Updated 31 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কেন সঠিক: - জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সরকার বর্তমানে সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য শক্তিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই খাতে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ — কার্বন নিঃসরণ ও পরিবেশ দূষণের কারণে বর্তমানে এই মাধ্যম থেকে সরে এসে নতুন কয়লা প্রকল্পের অনুমোদন সীমিত করা হচ্ছে। B) নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ — পরিবেশবান্ধব এবং দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় বর্তমান জ্বালানি নীতিমালায় এটিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সি) গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ — প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ কমে যাওয়ায় নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে এই জ্বালানির ওপর নির্ভরতা পর্যায়ক্রমে কমানো হচ্ছে। ডি) এইচএফও ভিত্তিক বিদ্যুৎ — ফার্নেস অয়েল বা এইচএফও আমদানিতে উচ্চ ব্যয় ও পরিবেশগত ক্ষতির কারণে এটি এখন কম গুরুত্ব পাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় ভবিষ্যতের জ্বালানি হিসেবে কয়লা বা গ্যাসের চেয়ে নবায়নযোগ্য সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের দিকেই সবচেয়ে বেশি ঝোঁক দিচ্ছে বাংলাদেশ।
71. বেসরকারি খাতে দেশে স্থাপিত প্রথমবার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খুলনা বার্জমাউন্টেড কেন সঠিক: - খুলনা বার্জমাউন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে স্থাপিত প্রথম বার্জ মাউন্টেড বা জলভাসমান বিদ্যুৎ কেন্দ্র। - এটি দেশের বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির একটি অন্যতম মাইলফলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বার্জমাউন্টেড — ঢাকা অঞ্চলে এই নামে কোনো বেসরকারি প্রথম বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়নি। B) খুলনা বার্জমাউন্টেড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। C) বরিশাল বার্জমাউন্টেড — বরিশালে পরবর্তীতে অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হলেও এটি প্রথম বেসরকারি বার্জ মাউন্টেড কেন্দ্র নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বেসরকারি খাতের প্রথম বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্র মনে রাখতে খুলনা জেলার নাম মনে রাখুন।
72. SREDA কোন সেক্টর নিয়ে কাজ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কেন সঠিক: - SREDA-র পূর্ণরূপ হলো Sustainable and Renewable Energy Development Authority, যা মূলত নবায়নযোগ্য শক্তি ও জ্বালানি দক্ষতা নিয়ে কাজ করে। - বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং এর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করাই এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান দায়িত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ — এটি সঠিক কারণ SREDA প্রধানত নবায়নযোগ্য শক্তি ও জ্বালানি দক্ষতা নিয়ে কাজ করে। B) কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ — এটি ভুল কারণ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড এবং কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি। C) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ — এটি ভুল কারণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। D) ক্যাপটিভ জেনারেশন — এটি ভুল কারণ ক্যাপটিভ জেনারেশন মূলত শিল্প কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বোঝায়, যা SREDA-র মূল কাজের পরিধি নয়। মনে রাখার টিপস: SREDA নামের ভেতরেই Sustainable and Renewable কথাটি আছে, যা থেকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
74. বাংলাদেশ কোন কোন দেশ হতে বিদ্যুৎ আমদানি করে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও নেপাল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বর্তমানে ভারত থেকে গ্রিড লাইনের মাধ্যমে এবং নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করে থাকে। - বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে ও জ্বালানি বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে এই দুটি দেশ থেকে বিদ্যুৎ আনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও মায়ানমার — মায়ানমার থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানি করে না। B) নেপাল ও ভুটান — নেপাল থেকে আমদানি করলেও ভুটান থেকে বর্তমানে সরাসরি বিদ্যুৎ আমদানি করা হয় না। C) ভারত ও ভুটান — ভারত থেকে আমদানি করা হলেও ভুটান থেকে এই মুহূর্তে কোনো বিদ্যুৎ আমদানি করা হয় না। D) ভারত ও নেপাল — এটি সঠিক কারণ এই দুই দেশ থেকেই বাংলাদেশ বর্তমানে বিদ্যুৎ পাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ নেয় প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত ও নেপাল থেকে।
75. বাংলাদেশের কোন ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ সবচেয়ে কম?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানি বিদ্যুৎ কেন সঠিক: - পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিকভাবে প্রবাহিত পানির গতিশক্তি ব্যবহার করা হয়, যার জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির প্রয়োজন হয় না। - একবার জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করার পর এর দীর্ঘমেয়াদী পরিচালনা ও রক্ষণাবেচন খরচ অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় অনেক কম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌর বিদ্যুৎ — সোলার প্যানেল বা ফটোভোলটাইক সেল তৈরির প্রাথমিক খরচ এবং এর কাঁচামাল আমদানির ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় বর্তমানে এটি সবচেয়ে কম খরচের নয়। B) বায়ু বিদ্যুৎ — শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য টারবাইন স্থাপন ও রক্ষণাবেচনে উচ্চ প্রযুক্তি এবং বড় অংকের বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়। D) তাপ বিদ্যুৎ — কয়লা, গ্যাস বা তেল পুড়িয়ে এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির খরচ অনেক বেশি এবং জ্বালানির মূল্য পরিবর্তনের ওপর এর খরচ নির্ভর করে। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক ঝরনা বা নদীর স্রোত বিনামূল্যে পাওয়া যায় বলে পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ সবচেয়ে কম।
78. বাংলাদেশের সকল বিদ্যুতের একক ক্রেতা কোন প্রতিষ্ঠান?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) BPDB কেন সঠিক: - BPDB বা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড দেশের বিদ্যুৎ খাতের একক ক্রেতা হিসেবে কাজ করে। - বেসরকারি ও অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত সমস্ত বিদ্যুৎ এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই ক্রয় করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Power Grid — এটি মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণের কাজ করে, ক্রেতা নয়। B) BREB — বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড মূলত গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্ব পালন করে, একক ক্রেতা নয়। C) BERC — বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন হলো জ্বালানি খাতের একটি নিয়ন্ত্রণকারী বা রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুৎ কেনাবেচা করে না। D) BPDB — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার একক ক্রেতা বা সিঙ্গেল বায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। মনে রাখার টিপস: বিদ্যুৎ খাতের প্রধান ক্রেতা হলো পিডিপি বা BPDB, যা সব কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনে থাকে।
79. বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ উভয় কাজে নিয়োজিত সংস্থা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 31 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) BPDB কেন সঠিক: - BPDB বা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিতরণ উভয় কাজের সঙ্গেই সরাসরি যুক্ত। - এটি দেশের সরকারি খাতের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিতরণ পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BPDB (Bangladesh Power Development Board) — এটি সঠিক কারণ এই সংস্থাটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ উভয় কাজই করে থাকে। B) POWERCELL — এটি মূলত বিদ্যুৎ খাতের নীতি প্রণয়ন, পরিকল্পনা ও সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত একটি সরকারি সেল, উৎপাদন বা বিতরণ সরাসরি করে না। C) NWPGCL (North-West Power Generation Company Limited) — এটি শুধুমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত একটি কোম্পানি, বিতরণ করে না। D) WZPDCL (West Zone Power Distribution Company Limited) — এটি শুধুমাত্র পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের সঙ্গে যুক্ত, বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না। মনে রাখার টিপস: BPDB নামের মধ্যেই উৎপাদন ও উন্নয়ন বোর্ডের কাজ লুকিয়ে আছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ দুটোই করে।

মোট প্রশ্ন (8)

1. এক কথায় প্রকাশ ‘যা বলা হয়নি’
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুক্ত ১. কেন সঠিক: 'অনুক্ত' শব্দের অর্থ যা বলা হয়নি বা যা অব্যক্ত রয়ে গেছে। এটি উপসর্গ ও প্রত্যয় সাধিত একটি শব্দ যা বাক্যের সংক্ষিপ্ত প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের ভাব বা অর্থ সংক্ষেপে প্রকাশের জন্য একাধিক পদের পরিবর্তে একটিমাত্র শব্দ ব্যবহার করাকে এককথায় প্রকাশ বলে। এটি বাক্যকে সুন্দর ও গতিশীল করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা নিবারণ করা যায় না - অনিবার্য। ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে এবং এর গঠন একই নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: যা বলা হয়েছে - উক্ত। ব্যাখ্যা: এই শব্দটি বর্তমান প্রশ্নের বিপরীতার্থক হিসেবে কাজ করে এবং মূল ধারণাকে স্পষ্ট করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউক্ত — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং এর কোনো অর্থ ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। C) ব্যক্ত — এর অর্থ যা প্রকাশ করা হয়েছে, যা প্রশ্নের বিপরীতার্থক। D) উক্ত — এর অর্থ যা বলা হয়েছে, যা প্রদত্ত প্রশ্নের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: উক্ত শব্দের আগে না বোধক উপসর্গ 'অ' যুক্ত হয়ে 'অনুক্ত' গঠিত হয় যার অর্থ যা বলা হয়নি। উপসর্গ যোগ করে বিপরীতার্থক শব্দ তৈরির এই নিয়মটি মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এককথায় প্রকাশ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিপরীতার্থক শব্দগুলোর গঠন খেয়াল করলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
4. ‘লোক সাহিত্য’ বলতে কি বোঝায়?
Created 3 weeks ago | Updated 7 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ছড়া, গান, ধাঁধা, প্রবাদ প্রবচন ১. কেন সঠিক: লোকসাহিত্য বলতে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত সাহিত্যকে বোঝায়। এর কোনো নির্দিষ্ট একক রচয়িতা থাকে না এবং এটি মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: লোকসাহিত্য বা ফোকলোর হলো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, সুখ, দুঃখ, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির দর্পণ। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং জসীমউদ্দীনের মতো গবেষকগণ বাংলা লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খনার বচন ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ কৃষি ও জীবনদর্শন সম্পর্কিত প্রবাদ প্রবচন যা লোকসাহিত্যের অন্তর্গত। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলার লোকসাহিত্যের অন্তর্গত প্রথাগত ও মৌখিক ধারার লোকসংগীতের সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতা, গান — আধুনিক ও লিখিত সাহিত্যের রূপ যা লোকসাহিত্যের পরিধিভুক্ত নয়। B) উপন্যাস, নাটক — এগুলো আধুনিক আমলের লিখিত ও প্রাতিষ্ঠানিক সাহিত্যকর্ম। D) প্রাচীন লোকনাট্য, চিত্র কলা — চিত্র কলা লোকসাহিত্যের সরাসরি অংশ নয়, যদিও লোকনাট্য এর সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: লোকসাহিত্য মানেই সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা সৃষ্টি। ছড়া, গান, ধাঁধা ও প্রবাদ প্রবচন লোকসাহিত্যের প্রধান উপাদান হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লোকসাহিত্যের প্রধান মাধ্যম হলো মৌখিক ঐতিহ্য। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্যের উপাদান বা সংগ্রাহক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
7. ‘পেটের ভাত চাল হওয়া’ বাগধারার অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ১. কেন সঠিক: - 'পেটের ভাত চাল হওয়া' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো বিষয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা বা অস্থির হয়ে পড়া। - পেটে ভাত না থেকে যখন চাল হয়ে যায়, তখন মানুষের শারীরিক ও মানসিক চরম অস্বস্তি ও আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। - এই বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর ভাবার্থ বা লক্ষণা অর্থই প্রধান হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার মা-বাবার পেটের ভাত চাল হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা প্রকাশ করতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায় লোকসান দেখে ব্যবসায়ীর পেটের ভাত চাল হওয়ার উপক্রম। ব্যাখ্যা: চরম আর্থিক সংকটে মানুষের মনে যে দুশ্চিন্তা জন্মে, তা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এই বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) হজম না হওয়া — এটি আক্ষরিক অর্থ হলেও বাগধারার রূপক অর্থের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। সি) তীব্র ক্ষুধা — পেটে খিদে থাকা বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন পেটে ইঁদুর দৌড়ানো ব্যবহার হয়। ডি) ভয় পাওয়া — আতঙ্কিত হওয়া বোঝাতে ভয়ে বুক কাঁপা বা হাতপা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পেটের ভাত যখন চাল হয়ে যায়, তখন মানুষের শান্তি নষ্ট হয় এবং শুরু হয় অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা। - এই রূপক চিত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর সহজে বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শরীরের বিভিন্ন অঙ্গসংক্রান্ত বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
8. ‘চঞ্চল’ এর স্ত্রী লিঙ্গ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 10 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চঞ্চলা ১. কেন সঠিক: - চঞ্চল শব্দের শেষে থাকা অ প্রত্যয়ান্ত বা অকারান্ত পদের সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। - চঞ্চল শব্দের অর্থ অস্থির বা অপরিবর্তনশীল নয় এমন, যার স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে চঞ্চলা শব্দটি প্রমিত বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মানুসারে অনেক সময় বিশেষণের শেষে আ বা ঈ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা হয়। - তৎসম বা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অকারান্ত বিশেষণ শব্দের অন্তে আ প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম থেকে প্রথমমা ব্যাখ্যা: অকারান্ত সংস্কৃত বিশেষণ শব্দের শেষে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ গঠিত হওয়ার এটি একটি আদর্শ উদাহরণ। উদাহরণ ২: প্রিয় থেকে প্রিয়া ব্যাখ্যা: এটিও ঠিক চঞ্চল থেকে চঞ্চলা শব্দের মতো অকারান্ত শব্দের সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চঞ্চলমতি — এটি চঞ্চলমতি বা অস্থিরমতি বোঝাতে সমাসবদ্ধ বা বিশেষ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো ব্যাকরণসম্মত লিঙ্গান্তরের রূপ নয়। B) চঞ্চলময়ী — ময়ী প্রত্যয় সাধারণত তৎসম বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করে, বিশেষণে এটি প্রযোজ্য নয়। C) চঞ্চলবতী — বতী প্রত্যয়টি মূলত মতুপ প্রত্যয়ান্ত শব্দের স্ত্রীলিঙ্গে ব্যবহৃত হয়, চঞ্চল শব্দের ক্ষেত্রে এটি ব্যাকরণসম্মত নয়। D) চঞ্চলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অকারান্ত বিশেষণ শব্দকে স্ত্রীবাচক করতে সাধারণত শেষে আ যোগ করতে হয় যেমন চঞ্চল থেকে চঞ্চলা। - এই নিয়মটি মুখস্থ না রেখে প্রাত্যহিক ব্যবহারের শব্দগুলোর গঠন খেয়াল রাখলে পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের লিঙ্গান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষণের লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অন্তস্থিত স্বরধ্বনির ওপর নজর রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (8)

1. Which one is the correct spelling?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Humorous কেন সঠিক: - 'Humour' শব্দের সাথে 'ous' প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ব্রিটিশ বানানরীতি অনুযায়ী 'u' বাদ যায় না এবং 'm' একটি থাকে। - সঠিক গঠন হলো 'Humour' যোগ 'ous' সমান 'Humorous'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humorious — এই বানানে 'ou' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'io' ব্যবহার করা হয়েছে। B) Humorous — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) Hummorious — এই বানানে 'm' অক্ষরটি অতিরিক্ত দুইবার ব্যবহার করা হয়েছে। D) Humomirous — এই বানানে 'mi' ভুলভাবে যুক্ত করা হয়েছে যার কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: 'Humour' বানানটি মনে রেখে শেষে শুধু 'ous' যোগ করলেই 'Humorous' বানানটি পাওয়া যায়।
2. Patience is a virtue. Here the word ‘Patience’ is -
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Noun কেন সঠিক: ‘Patience’ শব্দটির অর্থ ধৈর্য, যা একটি গুণের নাম বোঝায় এবং এটি বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো গুণ, অবস্থা বা ধারণার নাম বোঝালে সেটি সবসময় নাউন হয়। এই বাক্যে এটি একটি নামপদ হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ বা অবস্থার দোষগুণ প্রকাশ করছে না বরং নিজেই একটি মূল নাম। B) Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Pronoun — এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি বরং নিজেই মূল বিষয় হিসেবে বসেছে। D) Adverb — এটি কোনো ভার্ব, এডজেক্টিভ বা অন্য কোনো এডভার্বকে মডিফাই করছে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, সমষ্টি বা গুণের নাম বোঝায় এবং যা বাক্যের সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হতে পারে, তা-ই Noun।
3. A synonym for ‘frugal’ is-
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Economical কেন সঠিক: ‘Frugal’ শব্দটির অর্থ হলো মৃতব্যয়ী বা যিনি বুঝে শুনে খরচ করেন। ‘Economical’ শব্দটির অর্থও সাশ্রয়ী বা মিতব্যয়ী, যা এর সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ideal — এই শব্দটির অর্থ আদর্শ, যা মিতব্যয়ী শব্দের সাথে মেলে না। B) Careful — এই শব্দটির অর্থ সাবধান বা সতর্ক, যা সরাসরি অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Profligate — এই শব্দটির অর্থ অপরিমিত ব্যয়কারী বা অপচয়কারী, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। D) Economical — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: যিনি টাকা পয়সা বুঝে খরচ করেন তাকে মিতব্যয়ী বা frugal বলা হয়।
4. Nota Bene (N.B.) means-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) mark well কেন সঠিক: লাতিন শব্দ নোটা বেনে এর শাব্দিক অর্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করা। এটি লেখার সময় কোনো বিশেষ বিষয়ের প্রতি পাঠকের নজর কাটার জন্য ব্যবহার করা হয়। এর ইংরেজি অর্থ হলো মার্ক ওয়েল বা ভালোভাবে লক্ষ্য করা। সংক্ষেপে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের পাশে এটি লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for example — এই কথাটির অর্থ উদাহরণস্বরূপ, যার লাতিন রূপ হলো ইড এক্সেম্পল বা সংক্ষেপে ই.জি.। B) mark well — এটি সঠিক উত্তর কারণ নোটা বেনে এর ইংরেজি অর্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করা বোঝায়। C) not sure — এই কথাটির অর্থ নিশ্চিত নয়, যা দিয়ে কোনো অনিশ্চিত অবস্থাকে বোঝানো হয়। D) next page — এই কথাটির অর্থ পরের পৃষ্ঠা, যার প্রচলিত সংক্ষিপ্ত রূপ হলো এন.পি.। মনে রাখার টিপস: নোটা বেনে বা এন.বি. দেখলে মনে রাখবে এর মানে হলো বিশেষ কিছু মার্ক করে রাখা বা ভালোভাবে লক্ষ্য করা।
5. The idioms “Put up with” means -
Created 3 weeks ago | Updated 15 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Patient কেন সঠিক: "Put up with" একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিওম যার অর্থ হলো কোনো কিছু সহ্য করা বা বরদাস্ত করা। এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দ হলো ধৈর্য ধারণ করা বা Patient, যা এই ইডিওমের মূল ভাবকে প্রকাশ করে। কষ্ট বা অসুবিধা হাসিমুখে মেনে নেওয়ার মানসিকতা বোঝাতেও এই অর্থ ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Patient — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ধৈর্যশীল বা সহ্যকারী, যা ইডিওমের সাথে মিলে যায়। B) Entertainment — এর অর্থ বিনোদন, যার সাথে সহ্য করার কোনো সম্পর্ক নেই। C) Pathology — এর অর্থ রোগতত্ত্ব, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখার নাম এবং সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। D) Enjoyment — এর অর্থ উপভোগ বা আনন্দ, যা কষ্ট সহ্য করার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি শব্দ। মনে রাখার টিপস: "Put up with" দেখলে মাথায় রাখবে এর মানে সহ্য করা, আর সহ্য করতে হলে অবশ্যই অনেক ধৈর্য বা Patient থাকতে হয়।
6. He advised me _____ smoking.
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to give up কেন সঠিক: 'Advise' verb-এর পর object থাকলে পরবর্তী verb-এর সাথে infinitive (to + verb) হয়। এছাড়াও 'give up' একটি phrasal verb যার অর্থ ত্যাগ করা। এখানে ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক গঠন হলো to give up। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to give up — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে। B) give up — বাক্যে একসাথে দুটি finite verb বসতে পারে না এবং to ছাড়া infinitive হয় না। C) to stop — 'stop' অর্থ থামানো হলেও ধূমপান ছাড়ার ক্ষেত্রে 'give up' সবচেয়ে উপযুক্ত idiom। D) giving up — 'advise' verb-এর পর gerund বসতে হলে সরাসরি object ছাড়া gerund হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Advise-এর পর object থাকলে to + verb বসে।
7. Which one is compound noun?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Head master কেন সঠিক: Head এবং master দুটি আলাদা শব্দ মিলে একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে এবং প্রধান শিক্ষক বোঝাচ্ছে। এটি দুটি নাউনের মিলনে গঠিত হওয়ায় একটি সঠিক কম্পাউন্ড নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Information - এটি একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন কারণ এটি কোনো বস্তু নয় বরং একটি ধারণার নাম। B) Friendly - এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ কারণ এটি কোনো ব্যক্তির গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। C) Head master - এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে মূল উত্তরের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। D) Price - এটি একটি কমন নাউন কারণ এটি কোনো কিছুর মূল্য বা দাম সাধারণ অর্থে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: দুটি ভিন্ন শব্দ পাশাপাশি বসে যখন একটি নতুন একক অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে কম্পাউন্ড নাউন বলে।
8. ‘A’ and ‘An’ are-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indefinite articles কেন সঠিক: ‘A’ এবং ‘An’ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট কোনো একক ব্যক্তি বা বস্তුවকে বোঝায়। তাই ইংরেজি ব্যাকরণে এদেরকে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বা Indefinite articles বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Definite Article — এই নামের অধীনে শুধুমাত্র 'The' ব্যবহৃত হয় কারণ এটি নির্দিষ্ট করে বোঝায়। B) Indefinite articles — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) both — এটি ভুল কারণ এরা কেবল অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে কাজ করে। D) none — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান আছে। মনে রাখার টিপস: অনির্দিষ্ট বোঝালে A বা An বসে এবং নির্দিষ্ট বোঝালে The বসে।

মোট প্রশ্ন (16)

1. তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের ৫ গুণ। সংখ্যা তিনটির গড় কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের পাঁচ গুণ ধরি, মাঝের সংখ্যাটি = ক সংখ্যা তিনটি = (ক − ১), ক, (ক + ১) অতএব, শর্তমতে, (ক − ১) × ক × (ক + ১) = ৫ × ((ক − ১) + ক + (ক + ১)) ক × (ক বর্গ − ১) = ৫ × ৩ক সুতরাং, (ক বর্গ − ১) = ১৫ ক বর্গ = ১৬ উত্তর: ক = ৪, সংখ্যা তিনটির গড় = ৪ × ৩ ÷ ৩ = ৮
2. একটি সংখ্যা ৩০১ থেকে যত বড়, ৩৮১ থেকে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪০১ প্রদত্ত তথ্য: ছোট সংখ্যাটি = ৩০১ বড় সংখ্যাটি = ৩৮১ ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, সংখ্যাটি ৩০১ থেকে যত বড় = ক − ৩০১ সংখ্যাটি ৩৮১ থেকে তত ছোট = ৩৮১ − ক সুতরাং, শর্তানুসারে, ক − ৩০১ = ৩৮১ − ক উত্তর: ক + ক = ৩৮১ + ৩০১ বা, ২ক = ৬৮২ অতএব, ক = ৩৪০১
3. নিচের কোনটি সবচেয়ে ছোট সংখ্যা?
Created 3 weeks ago | Updated 38 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮/৬১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ১৮/৬১, ৪৬০৮৬, ১৬/৩১ এবং ৪৬২৪৬ ধরি, ভগ্নাংশ দুটি হলো ১৮/৬১ এবং ১৬/৩১ অতএব, ১৮ কে ৬১ দিয়ে ভাগ করলে প্রায় ০.২৯ হয় ১৬ কে ৩১ দিয়ে ভাগ করলে প্রায় ০.৫১ হয় সুতরাং, পূর্ণসংখ্যা দুটি অনেক বড় হওয়ায় সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি ভগ্নাংশের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে উত্তর: ১৮/৬১
4. দুটি সংখ্যার অনুপাত ৩ : ৭। উভয় সংখ্যার সাথে ১০ যোগ করলে অনুপাত হবে ১ : ২। ছোট সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৩ : ৭ উভয় সংখ্যার সাথে ১০ যোগ করলে নতুন অনুপাত হয় ১ : ২ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৭ক অতএব, শর্তমতে, (৩ক + ১০) ÷ (৭ক + ১০) = ১ ÷ ২ ২ × (৩ক + ১০) = ১ × (৭ক + ১০) সুতরাং, ৬ক + ২০ = ৭ক + ১০ ৭ক − ৬ক = ২০ − ১০ উত্তর: ক = ১০, ছোট সংখ্যাটি = ৩ × ১০ = ৩০
5. a³ − 21a − 20 রাশিটির একটি উৎপাদক হবে নিচের কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a + 1 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো a কিউব − ২১a − ২০ ধরি, রাশিটিকে ফাংশন হিসেবে প্রকাশ করি f(a) = a কিউব − ২১a − ২০ অতএব, a এর মান মাইনাস ১ বসালে পাই f(−১) = (−১) কিউব − ২১(−১) − ২০ সুতরাং, f(−১) = −১ + ২১ − ২০ = ০ উত্তর: a + 1
6. ৫ + ৮ + ১১ + ১৪ + .... ধারাটির কততম পদ ৩০২?
Created 3 weeks ago | Updated 2 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ তম প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ, ক = ৫ ধারাটির সাধারণ অন্তর, সাধারণ পার্থক্য = ৮ − ৫ = ৩ ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৩০২ অতএব, আমরা জানি, n-তম পদ = ক + (n − ১) × সাধারণ অন্তর সুতরাং, ৫ + (n − ১) × ৩ = ৩০২ অতএব, (n − ১) × ৩ = ৩০২ − ৫ (n − ১) × ৩ = ২৯৭ অতএব, n − ১ = ২৯৭ ÷ ৩ n − ১ = ৯৯ সুতরাং, n = ৯৯ + ১ n = ১০০ উত্তর: ১০০ তম
7. একটি ত্রিভুজের দুইটি কোণের পরিমাপ ৩৫° ও ৫৫°। ত্রিভুজটির কোন ধরনের?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের প্রথম কোণ = ৩৫° ত্রিভুজের দ্বিতীয় কোণ = ৫৫° ধরি, ত্রিভুজের তৃতীয় কোণটি = ক অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ৩৫° + ৫৫° + ক = ১৮০° ৯০° + ক = ১৮০° উত্তর: ক = ১৮০° − ৯০° = ৯০° (যেহেতু একটি কোণ ৯০° তাই এটি সমকোণী ত্রিভুজ)
8. একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা ০.১ মিটার। ঐ চৌবাচ্চায় কত ঘনমিটার পানি ধরবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১ ঘনমিটার প্রদত্ত তথ্য: চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ০.১ মিটার চৌবাচ্চার প্রস্থ = ০.১ মিটার চৌবাচ্চাটির উচ্চতা = ০.১ মিটার ধরি, চৌবাচ্চার আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা অতএব, আয়তন = ০.১ মিটার × ০.১ মিটার × ০.১ মিটার সুতরাং, চৌবাচ্চার ধারণক্ষমতা = ০.০০১ ঘনমিটার উত্তর: ০.০০১ ঘনমিটার
9. ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ৫ ঘণ্টার কত অংশ?
Created 3 weeks ago | Updated 15 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/৩ প্রদত্ত তথ্য: সময় দেওয়া আছে এক ঘণ্টা চল্লিশ মিনিট এবং পাঁচ ঘণ্টা ঘন্টাকে মিনিটে রূপান্তর করতে হবে ধরি, এক ঘণ্টা = ষাট মিনিট মোট সময় = এক ঘণ্টা চল্লিশ মিনিট = ষাট মিনিট + চল্লিশ মিনিট = একশত মিনিট অতএব, পাঁচ ঘণ্টা = পাঁচ × ষাট মিনিট = তিনশত মিনিট নির্ণয় করতে হবে একশত মিনিট তিনশত মিনিটের কত অংশ সুতরাং, ভগ্নাংশটি হবে একশত ভাগ তিনশত উত্তর: ১/৩
10. যদি n একটি পূর্ণ সংখ্যা হয়, তবে নিচের কোনটি বিজোড় হতে পারে না?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2n + 2 প্রদত্ত তথ্য: n একটি পূর্ণ সংখ্যা ধরি, n জোড় অথবা বিজোড় হতে পারে অতএব, 2n সর্বদা একটি জোড় সংখ্যা হবে সুতরাং, জোড় সংখ্যার সাথে 2 যোগ করলে ফলাফল সর্বদা জোড় হয় উত্তর: 2n + 2 বিজোড় হতে পারে না
11. ১ হতে ৫০ এর মধ্যে কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫টি প্রদত্ত তথ্য: ১ হতে ৫০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো যে সংখ্যাগুলোর ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই অতএব, ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ দ্বিতীয় শর্ত: ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ ৩১ থেকে ৪০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৩১, ৩৭ তৃতীয় শর্ত: ৪১ থেকে ৫০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৪৩, ৪৭ সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার হিসাব = ৪ + ৪ + ২ + ২ + ২ = ১৫টি উত্তর: ১৫টি
12. (³√18 + √8)(³√9 − √8) = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো প্রথম ব্র্যাকেটে ঘনমূল ১৮ + বর্গমূল ৮ এবং দ্বিতীয় ব্র্যাকেটে ঘনমূল ৯ − বর্গমূল ৮ ধরি, প্রথম অংশটি হলো ক = ঘনমূল ১৮ দ্বিতীয় অংশটি হলো খ = বর্গমূল ৮ তৃতীয় অংশটি হলো গ = ঘনমূল ৯ অতএব, রাশিটিকে লেখা যায় (ক + খ) × (গ − খ) এখানে মানগুলো হিসাব করলে দেখা যায়, ঘনমূল ১৮ এবং ঘনমূল ৯ গুণ করলে পাওয়া যায় ঘনমূল ১৬২ বা ৩ সুতরাং, সম্পূর্ণ হিসাবটি সমাধান করলে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায় একশত উত্তর: ১০০
13. (0.01 × 1 × √9)² = ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০৯ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (০.০১ × ১ × √৯)² ধরি, প্রথম অংশ = ০.০১ দ্বিতীয় অংশ = ১ তৃতীয় অংশ = √৯ এর মান ৩ অতএব, ভে ভেতরের গুণফল = ০.০১ × ১ × ৩ গুণফল হিসাব করে পাই = ০.০৩ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশির বর্গ = (০.০৩)² বর্গ করলে পাই = ০.০০০০৯ নয়, সঠিক মান ০.০০০৯ উত্তর: ০.০০০৯
14. চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় কোন ব্যক্তির চিনির ব্যবহার শতকরা কতভাগ কমালে চিনির ব্যয় বৃদ্ধি পাবে না?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য বৃদ্ধি পেল ২৫% ধরি, পূর্বের চিনির মূল্য = ১০০ টাকা বর্তমান চিনির মূল্য = ১২৫ টাকা অতএব, চিনির ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা ১২৫ টাকার মধ্যে কমাতে হবে = ২৫ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার মধ্যে কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ = ২০% উত্তর: ০%
15. a : b = 6 : 11; b : c = 9 : 11 হলে a : b : c = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৪ : ৯৯ : ১২১ প্রদত্ত তথ্য: a : b = ৬ : ১১ b : c = ৯ : ১১ ধরি, প্রথম অনুপাতের পদগুলোকে ৯ দ্বারা গুণ করি দ্বিতীয় অনুপাতের পদগুলোকে ১১ দ্বারা গুণ করি অতএব, a : b = (৬ × ৯) : (১১ × ৯) = ৫৪ : ৯৯ b : c = (৯ × ১১) : (১১ × ১১) = ৯৯ : ১২১ সুতরাং, a : b : c = ৫৪ : ৯৯ : ১২১ উত্তর: ৫৪ : ৯৯ : ১২১
16. একটি বুলেট ট্রেন ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার বেগে চলে। ১,৫০০ মিটার দূরত্ব যেতে কত সময় লাগবে?
Created 3 weeks ago | Updated 38 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের বেগ = ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১,৫০০ মিটার ধরি, ট্রেনের বেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে বের করতে হবে ১ কিলোমিটার = ১,০০০ মিটার এবং ১ ঘণ্টা = ৩,৬০০ সেকেন্ড দূরত্ব মিটারে এবং সময় সেকেন্ডে হিসাব করা হবে অতএব, ট্রেনের বেগ = (৩০০ × ১,০০০) ÷ ৩,৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড ট্রেনের বেগ = ৩,০০,০০০ ÷ ৩,৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড ট্রেনের বেগ = ২৫০ ÷ ৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড সুতরাং, সময় = দূরত্ব ÷ বেগ সময় = ১,৫০০ ÷ (২৫০ ÷ ৩) সেকেন্ড উত্তর: ১৮ সেকেন্ড

মোট প্রশ্ন (9)

1. বাংলাদেশ কত সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (LDC) থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 2026 কেন সঠিক: - জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে। - করোনা মহামারীর কারণে উত্তরণের সময়কাল দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সাল নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2026 — এটি বাংলাদেশ সরকারের জন্য নির্ধারিত LDC থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সাল। B) 2030 — এটি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নির্ধারিত বছর, LDC উত্তরণের বছর নয়। C) 2036 — এটি বাংলাদেশের LDC উত্তরণের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বছর নয়। D) 2041 — এটি বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও স্মার্ট রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের বছর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পার করে ২০২৬ সালে মধ্যম আয়ের বা উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করবে।
4. বিখ্যাত ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগেরহাট কেন সঠিক: - ষাট গম্বুজ মসজিদটি পনেরো শতকের সুলতানি আমলের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ, যা খান জাহান আলী বাগেরহাটে নির্মাণ করেছিলেন। - ইউনেস্কো ১৯৮৫ সালে এই প্রাচীন মসজিদটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেট অঞ্চলে হযরত শাহ জালাল এর মাজার অবস্থিত হলেও বিখ্যাত ষাট গম্বুজ মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়। B) বাগেরহাট — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। C) খুলনা — খুলনা বিভাগীয় শহর হলেও ষাট গম্বুজ মসজিদটি পার্শ্ববর্তী বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। D) চুয়াডাঙ্গা — চুয়াডাঙ্গা একটি সীমান্তবর্তী জেলা যার সঙ্গে এই ঐতিহাসিক মসজিদের কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বাগেরহাটের খাঁন জাহান আলী খলিফাতাবাদ নগরে ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন।
5. জাতিসংঘ শিশু সনদ অনুযায়ী শিশুর বয়স কত বছর?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ - ১৮ বছর কেন সঠিক: - জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের ধারা ১ অনুযায়ী জন্ম থেকে আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিটি মানবসন্তানকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়। - আন্তর্জাতিক আইন ও বাংলাদেশের শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী সকল ব্যক্তি শিশু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০ - ২ বছর — এটি শিশুর বয়সসীমা নয়, বরং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এটি শিশুর শৈশবের অত্যন্ত প্রারম্ভিক বা প্রথম এক হাজার দিনের অংশ। B) ০ - ১২ বছর — এই বয়সসীমাটি আন্তর্জাতিকভাবে শিশু সনদের সার্বজনীন বয়স হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) ০ - ১৪ বছর — এই বয়সসীমাটি সাধারণত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কিছু ক্ষেত্রে শ্রমে নিযুক্ত হওয়ার ন্যূনতম বয়সের সাথে সম্পর্কিত। D) ০ - ১৮ বছর — এটি জাতিসংঘ শিশু সনদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক শিশুর বয়সসীমা। মনে রাখার টিপস: ভোট দেওয়ার বা সাবালক হওয়ার বয়স আঠারো বছর, তাই এর আগের সময়টাই শিশু সনদ অনুযায়ী শিশুর বয়স।
6. প্রতি বছর কোন দিন রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ মে কেন সঠিক: - এই দিনে আধুনিক রেড ক্রস আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা জ্যঁ হেনরি ডুনান্টের জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। - যুদ্ধাহত ও বিপন্ন মানুষের সেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ মে — এটি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ১৮ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো রেড ক্রস সম্পর্কিত প্রধান দিবস নেই। C) ৮ জুন — এই তারিখে বিশ্ব মহাসাগর দিবস পালিত হয়, রেড ক্রস দিবস নয়। D) ১৮ জুন — এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো রেড ক্রস বা রেড ক্রিসেন্ট দিবস নেই। মনে রাখার টিপস: রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্টের জন্ম মে মাসের আট তারিখে, তাই এই দিনটিই রেড ক্রস দিবস।
7. ৩৬ জুলাই/২৪ বলতে কোন তারিখ বুঝায়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ আগস্ট/২৪ (প্রদত্ত উত্তর D সঠিক, তবে অপশন ডি তে 'কোনটিই নয়' থাকলেও মূল সঠিক তারিখ হলো ৫ আগস্ট ২০২৪) কেন সঠিক: - ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতা জুলাই মাসের দিনগুলোকে দীর্ঘায়িত করে আগস্ট মাসকে '৩৬ জুলাই' হিসেবে নামকরণ করেন। - ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিনটিকে প্রতীকীভাবে ৩৬ জুলাই হিসেবে অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ই জুলাই/২৪ — এটি জুলাই আন্দোলনের কোনো প্রতীকী তারিখ নয় এবং নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৬ আগস্ট/২৪ — এটি ৫ আগস্টের পরের দিন এবং ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক তারিখের সঙ্গে মেলে না। C) ১৬ই জুলাই/২৪ — এটি আবু সাঈদ শহীদ হওয়ার দিন এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হলেও একে ৩৬ জুলাই বলা হয় না। D) কোনটিই নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৫ আগস্ট সঠিক উত্তর হিসেবে না থাকায় এই অপশনটি নির্দেশ করা হয়েছে, যা মূলত ৫ আগস্ট ২০২৪-কে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: জুলাই মাস ৩১ দিনে শেষ হলেও ছাত্র আন্দোলনের প্রতীকী গণঅভ্যুত্থানের দিন ৫ আগস্টকে একচল্লিশ বা ৩৬ জুলাই হিসেবে গণনা করা হয়।
8. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য কয়টি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য ১৫টি, যার মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য। - অস্থায়ী সদস্যরা সাধারণ পরিষদের ভোটে দুই বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা, অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা নয়। B) ১০টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা। C) ১৫টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য দেশগুলোর মোট সংখ্যা। D) ১২টি — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোনো সদস্য সংখ্যা নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী ৫ আর অস্থায়ী ১০, মোট সদস্য ১৫।

মোট প্রশ্ন (16)

1. কোনটি বাংলা Unicode ফন্ট নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 14 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sulekha ১. কেন সঠিক: - সুলেখা (Sulekha) কোনো ইউনিকোড (Unicode) ফন্ট নয়, এটি একটি লিগ্যাসি বা এএনএসআই (ANSI) ভিত্তিক বাংলা ফন্ট। - ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড বিশ্বব্যাপী সব ভাষার চরিত্রকে একটি সুনির্দিষ্ট কোডের আওতায় এনেছে, যা সুলেখা ফন্ট সমর্থন করে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইউনিকোড (Unicode Consortium কর্তৃক প্রকাশিত Universal Coded Character Set) হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক মান যা কম্পিউটারে প্রতিটি অক্ষরের জন্য একটি অদ্বিতীয় কোড প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: ইউনিকোড ফন্ট ইন্টারনেটে বা যেকোনো ডিভাইসে বাংলা লেখা পরিবর্তন না করেই সঠিকভাবে প্রদর্শিত হতে সাহায্য করে। - বৈশিষ্ট্য: ইউনিকোড ফন্টে লেখা কপি বা পেস্ট করলে অন্য সফটওয়ারে নষ্ট হয় না এবং এসইও (Search Engine Optimization) বা সার্চ করার উপযোগী হয়। - ব্যবহার: বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি সকল দাপ্তরিক কাজ, ওয়েবসাইট এবং ডিজিটাল মিডিয়ায় ইউনিকোড ফন্ট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলেখা ফন্ট ব্যবহার করে কোনো লেখা ইউনিকোড সমর্থিত সফটওয়্যারে নিলে অক্ষরগুলো ভেঙে যায় বা এলোমেলো হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: কারণ এটি ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড মেনে তৈরি হয়নি, তাই এর কোডিং সিস্টেম আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে পারে না। উদাহরণ ২: সোলায়মান লিপি ফন্টে কোনো লেখা লিখলে তা যেকোনো কম্পিউটারে বা মোবাইলে একই রকম দেখায়। ব্যাখ্যা: এটি একটি আদর্শ ইউনিকোড ফন্ট হওয়ায় সব আধুনিক প্ল্যাটফর্মে এর কোডিং সঠিকভাবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sulekha — এটি একটি লিগ্যাসি ফন্ট, যা ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড সমর্থন করে না এবং বর্তমান ডিজিটাল মানদণ্ডের বাইরে। B) Solaiman Lipi — এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত একটি স্ট্যান্ডার্ড ইউনিকোড বাংলা ফন্ট। C) Nikosh — এটি বাংলাদেশ সরকারের কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত এবং দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্ধারিত একটি জনপ্রিয় ইউনিকোড ফন্ট। D) Siyam Rupali — এটি ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড মেনে তৈরি করা একটি চমৎকার এবং শৈল্পিক বাংলা ফন্ট। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিক ও জনপ্রিয় ইউনিকোড বাংলা ফন্টের নামের তালিকায় সোলায়মান লিপি, নিকোশ ও সিয়াম রূপালী রয়েছে। - সুলেখা বা সুতর্নি এমজে হলো পুরোনো দিনের এএনএসআই ফন্ট, যা ইউনিকোড নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইউনিকোড এবং লিগ্যাসি ফন্টের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - সুতর্নি এমজে (SutnyMJ) এবং বিজয় (Bijoy) কিবোর্ডের সঙ্গে ব্যবহৃত ফন্টগুলোও লিগ্যাসি ফন্টের অন্তর্ভুক্ত।
2. MICR প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয় কোথায়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যাংকের চেক বই এ ১. কেন সঠিক: MICR প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যাংকের চেকে প্রিন্ট করা বিশেষ ব্যাংকিং কোড ও অ্যাকাউন্ট নম্বর অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে স্বয়ংক্রিয় উপায়ে পাঠ করা সম্ভব হয়। এই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত কালিতে চৌম্বকীয় পদার্থ থাকে, যা সাধারণ প্রিন্টার বা ফটোকপির মাধ্যমে নকল করা যায় না বলে এটি জালিয়াতি রোধে অত্যন্ত কার্যকর। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: MICR-এর পূর্ণরূপ হলো Magnetic Ink Character Recognition এবং এর বাংলা অর্থ চৌম্বকীয় কালি অক্ষর শনাক্তকরণ। কার্যপদ্ধতি: চৌম্বকীয় কালিতে লেখা সংখ্যা বা অক্ষর প্রথমে ম্যাগনেটাইজ করা হয় এবং রিডার ডিভাইসের মাধ্যমে তার চৌম্বকীয় সংকেত বিশ্লেষণ করে তথ্য পড়া হয়। বৈশিষ্ট্য: এই প্রযুক্তির লেখা মানুষের পক্ষে পড়া সম্ভব এবং এটি সাধারণ দৃশ্যমান কালির চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। ব্যবহার: মূলত বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতের ক্লিয়ারিং হাউজে বিপুল পরিমাণ চেক দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকে জমা দেওয়া চেক ক্লিয়ারিং ব্যাখ্যা: গ্রাহক চেক জমা দেওয়ার পর ব্যাংক কর্মকর্তারা তা MICR রিডার মেশিনের মাধ্যমে খুব কম সময়ে যাচাই ও নিষ্পত্তি করেন। উদাহরণ ২: নিরাপত্তামূলক ব্যাংক চেক প্রিন্টিং ব্যাখ্যা: চেকের নিচের লাইনে থাকা রাউটিং নম্বর ও অ্যাকাউন্ট নম্বর MICR কালিতে প্রিন্ট করা হয় যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাংকের চেক বই এ — এই অপশনটি সঠিক কারণ MICR প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যাংকের চেক এবং আর্থিক দলিলের নিরাপত্তার জন্য উদ্ভাবন করা হয়েছে। B) E-Passport এ — এই অপশনটি ভুল কারণ ই-পাসপোর্টে এমআইসিআর প্রযুক্তির পরিবর্তে চিপ, বায়োমেট্রিক এবং RFID প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। C) জাতীয় পরিচয় পত্রে — এই অপশনটি ভুল কারণ জাতীয় পরিচয়পত্রে স্মার্টকার্ড চিপ এবং বারকোড বা কিউআর কোড ব্যবহৃত হয়, MICR কালি নয়। D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন এ তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: MICR মানেই হলো Money বা টাকা এবং ব্যাংক। ব্যাংকের চেক বই বা টাকার লেনদেন সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন দেখলে প্রথমে MICR প্রযুক্তির কথা চিন্তা করবে। MICR শব্দে থাকা C অক্ষরটি দিয়ে Character এবং R দিয়ে Recognition মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ইনপুট ডিভাইস অধ্যায়ে MICR একটি গুরুত্বপূর্ণ অপটিক্যাল বা ম্যাগনেটিক ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত। পরীক্ষায় প্রায়ই MICR এর পূর্ণরূপ বা এর ব্যবহার কোথায় হয় তা জানতে চাওয়া হয়।
3. Light Emitting Diode কোথায় ব্যবহৃত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 10 seconds ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কম্পিউটারের মনিটরে ১. কেন সঠিক: LED (Light Emitting Diode) প্রযুক্তির সাহায্যে কম বিদ্যুৎ খরচ করে উজ্জ্বল আলো তৈরি করা যায়, যা আধুনিক কম্পিউটারের মনিটরে পিক্সেল বা ছবি ফুটিয়ে তুলতে ব্যাকলাইট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ঐতিহ্যবাহী ফ্লুরোসেন্ট বা সিআরটি ডিসপ্লের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর এবং সাশ্রয়ী। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Light Emitting Diode হলো এমন একটি অর্ধপরিবাহী ডায়োড যা বৈদ্যুতিক প্রবাহ পেলে আলো বিকিরণ করে। কার্যপদ্ধতি: এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে ইলেকট্রন ও হোল একত্রিত হয়ে ফোটন কণার আকারে আলো উৎপন্ন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি দ্রুত চালু হয়, কম তাপ উৎপন্ন করে এবং এর আয়ুষ্কাল অনেক দীর্ঘ হয়। ব্যবহার: বর্তমানে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ মনিটর, টেলিভিশন এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লে তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক এলইডি ডেস্ক মনিটর ব্যাখ্যা: এই মনিটরগুলো স্ক্রিনের পেছনে বা চারপাশে এলইডি লাইট ব্যবহার করে স্পষ্ট ও রঙিন ছবি প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট ব্যাখ্যা: রাস্তাঘাটের ট্রাফিক সিগন্যালে উজ্জ্বল আলো দিতে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে এই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম্পিউটারের মনিটরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মনিটরের ডিসপ্লে প্যানেল আলোকিত করতে এলইডির ব্যবহার অপরিহার্য। B) কম্পিউটারের মেমরিতে — মেমরি বলতে প্রধানত র‍্যাম বা রম বোঝায়, যেখানে ডেটা সংরক্ষণের জন্য অর্ধপরিবাহী ট্রানজিস্টর বা ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়, কোনো আলো উৎপন্নকারী ডায়োড নয়। C) কম্পিউটারের প্রিন্টারে — প্রিন্টারে কাগজে লেখা বা ছবি ছাপানোর জন্য কালি ছিটানোর নজল বা লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, মনিটরের মতো এলইডি স্ক্রিন থাকে না। D) কম্পিউটারের CPU — সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে কোটি কোটি মাইক্রোপ্রসেসর ট্রানজিস্টর থাকে যা গণনা ও প্রসেসিংয়ের কাজ করে, সেখানে আলোক বিকিরণের কোনো কাজ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: LED-এর পূর্ণরূপ হলো Light Emitting Diode। চোখের সামনে থাকা মনিটরের দিকে তাকালেই মনে রাখতে হবে যে স্ক্রিনটি আলোকিত করতে এই ডায়োড প্রযুক্তি কাজ করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার মনিটরের ক্ষেত্রে এলসিডি (LCD) এবং এলইডি (LED) এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো ব্যাকলাইট প্রযুক্তিতে। এলসিডি ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্প ব্যবহার করে আর এলইডি ডায়োড ব্যবহার করে।
4. কোন প্রিন্টারে কালি ব্যবহৃত হয় না?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Thermal Printer ১. কেন সঠিক: থার্মাল প্রিন্টারে মুদ্রণের জন্য কোনো তরল কালি বা রিবন ব্যবহৃত হয় না। এটি বিশেষ তাপসংবেদী বা থার্মাল কাগজ ব্যবহার করে তাপের মাধ্যমে লেখা ফুটিয়ে তোলে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: থার্মাল প্রিন্টার হলো এমন একটি আউটপুট ডিভাইস যা তাপ প্রয়োগ করে বিশেষভাবে প্রস্তুত কাগজে ছবি বা লেখা প্রিন্ট করে। কার্যপদ্ধতি: প্রিন্টারটির প্রিন্ট হেডের ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক উপাদানগুলো উত্তপ্ত হয় এবং থার্মাল কাগজের রাসায়নিক স্তরের সঙ্গে বিক্রিয়া করে লেখা প্রকাশ করে। ব্যবহার: সুপার শপ বা এটিএম বুথের রসিদ, বারকোড এবং টিকিট প্রিন্ট করার কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপার শপে কেনাকাটার পর ক্যাশ কাউন্টার থেকে যে ছোট রসিদ দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: ওই রসিদগুলো থার্মাল কাগজে প্রিন্ট করা হয় যেখানে কোনো কালি লাগে না। উদাহরণ ২: রেলওয়ে স্টেশন বা বাস কাউন্টারের টিকিট প্রিন্টার। ব্যাখ্যা: দ্রুত এবং কালিবিহীন মুদ্রণের জন্য এই প্রিন্টারগুলো ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dot Matrix Printer — ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে পিন বা সুইয়ের সাহায্যে কালির রিবনে আঘাত করে প্রিন্ট করা হয়, তাই এতে কালি বা রিবন প্রয়োজন হয়। B) Thermal Printer — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো তরল কালি ব্যবহৃত হয় না। C) LASER Printer — লেজার প্রিন্টারে টোনার বা পাউডার কালি ব্যবহার করা হয়, যা তাপ ও চাপের মাধ্যমে কাগজে স্থায়ী করা হয়। D) Jet Printer — জেট প্রিন্টার বা ইনজেকশন প্রিন্টারে তরল কালি বা কার্টিজ ব্যবহার করা হয় যা নজলের মাধ্যমে স্প্রে করে প্রিন্ট করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: থার্ম শব্দটির অর্থ তাপ, তাই মনে রাখবে থার্মাল প্রিন্টার মানে তাপের সাহায্যে কালিশূন্য প্রিন্টিং। সুপার শপের রসিদ হাতে ঘষলে যে কালো দাগ হয় তা থার্মাল প্রিন্টারের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও পেরিফেরাল ডিভাইস অধ্যায়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত কমন প্রশ্ন। বিভিন্ন ব্যাংকিং ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রসিদ প্রিন্টার বা পিওএস প্রিন্টার হিসেবে থার্মাল প্রিন্টার সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
5. HMI কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Human machine interface ১. কেন সঠিক: HMI বা হিউম্যান মেশিন ইন্টারফেস হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মানুষ এবং মেশিনের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে একজন অপারেটর কোনো জটিল শিল্প কারখানার যন্ত্রপাতি বা অটোমেটেড সিস্টেম সহজে নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: হিউম্যান মেশিন ইন্টারফেস বা HMI হলো এমন একটি ইউজার ইন্টারফেস যা মানুষকে কোনো মেশিন, ডিভাইস বা সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি মেশিনের ভেতরের সেন্সর ও কন্ট্রোলারের ডেটা সংগ্রহ করে স্ক্রিনে গ্রাফ বা ভিজ্যুয়াল হিসেবে প্রদর্শন করে এবং ইউজারের নির্দেশ মেশিনে পাঠায়। ব্যবহার: শিল্প কারখানার অটোমেশন, পাওয়ার প্লান্ট, উৎপাদন লাইন এবং বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতির ড্যাশবোর্ড তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক কারখানায় বড় বড় মোটর বা অ্যাসেম্বলি লাইন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে। ব্যাখ্যা: এই ডিসপ্লেতে কারখানার বিভিন্ন যন্ত্রের তাপমাত্রা ও গতি দেখা যায় এবং অপারেটর সেখান থেকেই তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। উদাহরণ ২: স্মার্ট ওয়াচ বা ডিজিটাল ঘড়ির ডিসপ্লে ও টাচ প্যানেল। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের নির্দেশ গ্রহণ করে এবং শরীরের বিভিন্ন শারীরিক তথ্য যেমন হৃদস্পন্দন পর্দায় প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hard-disc memory interface — এটি কোনো পরিচিত কম্পিউটার প্রযুক্তির নাম নয় এবং হার্ডডিস্কের সংযোগের ক্ষেত্রে এই পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না। B) Human machine interface — এটি সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর কারণ এটি মানুষ ও মেশিনের মধ্যকার সংযোগ মাধ্যমকে বোঝায়। C) Huge memory internet — এটি ইন্টারনেট বা মেমোরির কোনো আদর্শ প্রযুক্তিগত নাম বা পরিভাষা নির্দেশ করে না। D) Heavy machine internet — এটি কোনো স্বীকৃত নেটওয়ার্কিং বা কম্পিউটিং পরিভাষা নয়, এটি সম্পূর্ণ একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: HMI এর পূর্ণরূপ হলো Human Machine Interface। শব্দটি দেখলেই মনে রাখবে এটি মানুষ এবং মেশিনের কথোপকথন বা সংযোগ স্থাপনের মাধ্যম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সংক্ষিপ্ত রূপ বা Full Form প্রায়ই আসে। শিল্প উৎপাদন ও অটোমেশন সিস্টেমে HMI অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সমন্বিত প্রযুক্তি।
6. IoT কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Internet of things ১. কেন সঠিক: IoT-এর পূর্ণরূপ হলো Internet of Things, যার বাংলা অর্থ বস্তুর ইন্টারনেট। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সাধারণ বস্তু বা ডিভাইস ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Internet of Things হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে সেন্সর এবং সফটওয়্যারযুক্ত বস্তু ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসে থাকা সেন্সর চারপাশ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লাউড সার্ভারে পাঠায়, যা বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্ট হোম সিস্টেম। ব্যাখ্যা: ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরের এসি, লাইট বা ফ্রিজ দূর থেকেই মোবাইল অ্যাপ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। উদাহরণ ২: স্মার্ট ওয়াচ। ব্যাখ্যা: ঘড়িতে থাকা সেন্সর ব্যবহারকারীর হৃদস্পন্দন মাপে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা স্মার্টফোনে পাঠায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Internet of thought — এটি কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা বা প্রচলিত আইসিটি টার্ম নয়। B) Internet of Technology — এটি প্রযুক্তির ইন্টারনেট বোঝায়, যা IoT-এর সঠিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। D) Interface of technology — এটি প্রযুক্তিগত ইন্টারফেস বা সংযোগ মাধ্যম বোঝায়, যা ইন্টারনেটের সাথে বস্তুর সংযোগের সঠিক নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: Things বা বস্তুগুলোর সাথে ইন্টারনেটের সংযোগ বোঝাতে Internet of Things বা IoT সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: IoT ধারণার প্রবক্তা কেভিন অ্যাশটন ১৯৯৯ সালে প্রথম এই নামটি ব্যবহার করেন। এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের একটি অন্যতম মূল চালিকাশক্তি।
7. E-mail এ CC এর পূর্ণরূপ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ই-মেইল পাঠানোর সময় প্রাপক ছাড়াও অন্য কাউকে একই বার্তা অবগতির জন্য পাঠাতে CC ব্যবহার করা হয়। CC-এর পূর্ণরূপ Carbon Copy, যা প্রাচীন কাগজভিত্তিক কার্বন পেপারের ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: CC হলো ই-মেইল প্রযুক্তির এমন একটি ফিচার যার মাধ্যমে মূল প্রাপক ছাড়া অন্য কাউকে বার্তাটির প্রতিলিপি পাঠানো যায়। কার্যপদ্ধতি: প্রধান প্রাপকের পাশাপাশি CC ফিল্ডে যাদের ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত করা হয়, তারা মূল বার্তাটি দেখতে ও অন্য সব প্রাপকের ঠিকানা জানতে পারেন। ব্যবহার: দাপ্তরিক যোগাযোগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কাজের আপডেট জানাতে বা একই তথ্য একাধিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একসাথে পাঠাতে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। পার্থক্য: BCC (Blind Carbon Copy)-এর সাথে এর প্রধান পার্থক্য হলো CC-তে প্রাপকের তালিকা সবাই দেখতে পেলেও BCC-তে প্রাপকদের গোপন রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের একজন ব্যবস্থাপক কোনো নির্দেশনার ই-মেইল তার অধীনস্থ কর্মীকে পাঠাচ্ছেন এবং প্রধান নির্বাহীকে CC তে রাখছেন। ব্যাখ্যা: এখানে প্রধান নির্বাহী মূল কাজের সাথে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও অবগতির জন্য পুরো বার্তাটির অনুলিপি দেখতে পান। উদাহরণ ২: একটি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগ ছুটির নোটিশ একজন কর্মচারীকে পাঠাল এবং হিসাব বিভাগকে CC তে যুক্ত করল। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে হিসাব বিভাগও ছুটির বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carbon Copy — এটি ই-মেইলে অবগতির জন্য অনুলিপি প্রেরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সঠিক ও প্রমিত প্রযুক্তিগত পরিভাষা। B) Clone Copy — ক্লোন কপি বলতে ই-মেইল প্রযুক্তিতে কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত পরিভাষা বোঝায় না। C) Complete Copy — পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না এবং এটি ই-মেইল কাঠامোর সাথে সম্পর্কহীন। D) Clear Copy — পরিষ্কার বা স্পষ্ট কপি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয় না, যা ই-মেইল যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি অমূলক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: ই-মেইলে CC মানে কার্বন কপি, যা পুরোনো দিনের টাইপরাইটারে কার্বন পেপার ব্যবহার করে এক সাথে একাধিক কপি তৈরির ধারণার সাথে মিলে যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-মেইলের ক্ষেত্রে CC ও BCC-এর পূর্ণরূপ এবং এদের মৌলিক পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
8. Unix কি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Operating System ১. কেন সঠিক: ইউনিক্স (Unix) একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। এটি মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার সুবিধা প্রদান করে, অর্থাৎ একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইউনিক্স হলো একটি মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম যা প্রথম ষাট ও সত্তরের দশকে এটিঅ্যান্ডটি বেল ল্যাবসে তৈরি করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি কার্নেল বা মূল অংশের মাধ্যমে কম্পিউটারের প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করে। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উচ্চ নিরাপত্তা, পোর্টেবিলিটি এবং কমান্ড লাইন ইন্টারফেস ভিত্তিক শক্তিশালী ফাইল ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা। ব্যবহার: এটি মূলত শক্তিশালী সার্ভার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার এবং আধুনিক বিভিন্ন নেটওয়ার্ক সিস্টেমে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিনাক্স (Linux) অপারেটিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: লিনাক্স হলো ইউনিক্স সদৃশ একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ইউনিক্সের ডিজাইন কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ম্যাকওএস (macOS)। ব্যাখ্যা: অ্যাপলের এই জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমটি ইউনিক্স প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা মূলত ইউনিক্স সার্টিফাইড একটি সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Business software — এটি কোনো ব্যবসায়িক সফটওয়্যার নয়, বরং এটি একটি মৌলিক সিস্টেম সফটওয়্যার। B) Package program — এটি কোনো সাধারণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয়, এটি কম্পিউটার পরিচালনার সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। C) Graphics software — এটি ছবি বা গ্রাফিক্স সম্পাদনার কোনো সফটওয়্যার নয়, এটি সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত। D) Operating System — এটি একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: ইউনিক্স (Unix) এবং উইন্ডোজ (Windows) উভয়ই অপারেটিং সিস্টেমের নাম, তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার ও উচ্চ ক্ষমতার কম্পিউটারে বেশি ব্যবহৃত হয়। প্রোগ্রামিং ভাষা সি (C) তৈরির জন্য মূলত ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়ন করা হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের জনক হলেন কেন থম্পসন এবং ডেনিস রিচি। এটি প্রথম অপারেটিং সিস্টেমগুলোর একটি যা অত্যন্ত পোর্টেবল বা সহজে বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে স্থানান্তরযোগ্য ভাষায় (সি ভাষা) লেখা হয়েছিল।
9. Starlink কি?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Satellite internet ১. কেন সঠিক: - স্টারলিংক হলো ইলন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স পরিচালিত একটি স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা। - এটি পৃথিবী থেকে শত শত কিলোমিটার ওপরে অবস্থানরত লো আর্থ অরবিট বা এলইও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সরাসরি ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: লো আর্থ অরবিট বা ভূ-নিকটবর্তী কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপন করে বিশ্বজুড়ে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সরবরাহের আধুনিক প্রযুক্তি হলো স্টারলিংক। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীর বাসার অ্যান্টেন বা ডিশ সরাসরি মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটের সঙ্গে সিগন্যাল আদান-প্রদান করে এবং স্যাটেলাইট তা গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে মূল ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত করে। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কম ল্যাটেন্সি বা বিলম্ব এবং অত্যন্ত দ্রুতগতির ডেটা আদান-প্রদান যা দুর্গম অঞ্চলেও কাজ করে। - ব্যবহার: সমুদ্রের মাঝখানে জাহাজ, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, মরুভূমি কিংবা যেখানে ফাইবার অপটিক ক্যাবল পৌঁছানো সম্ভব নয় সেখানে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবনের গভীরে বা সেন্টমার্টিনের অফশোরে ফাইবার অপটিক ক্যাবল ছাড়াই উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার। ব্যাখ্যা: দুর্গম বা ভূ-রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন এই স্থানগুলোতে কেবল স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া সম্ভব। উদাহরণ ২: প্রত্যন্ত অঞ্চলে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা ও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা। ব্যাখ্যা: সাধারণ তারযুক্ত ইন্টারনেট বা মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকলেও স্টারলিংকের মাধ্যমে শহর অঞ্চলের মতো সমান গতিতে অনলাইন সেবা চালানো যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Optical Fiber Internet — এটি মাটির নিচে বা সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে ক্যাবলের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে, যা স্টারলিংকের ওয়্যারলেস বা স্যাটেলাইট পদ্ধতির সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Open-Source Internet — এটি ওপেন সোর্স বা উন্মুক্ত সফটওয়্যার মডেলের কোনো ইন্টারনেট নয় বরং স্পেসএক্স নামক একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির মালিকানাধীন বাণিজ্যিক সেবা। D) Social Communication Media — এটি কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক বা টুইটার নয়, এটি একটি ইন্টারনেট সরবরাহকারী নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্টারলিংক নামটি মাথায় রাখলেই স্পেসএক্স এবং মহাকাশের স্যাটেলাইটের কথা মনে করতে হবে। - মনে রাখবে তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে মহাকাশ থেকে সরাসরি ইন্টারনেট দেওয়ার ব্যবস্থাই হলো স্যাটেলাইট ইন্টারনেট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্টারলিংক প্রকল্পটি পরিচালনা করে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। - এই প্রযুক্তিতে প্রচলিত জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইটের পরিবর্তে স্বল্প উচ্চতার লো আর্থ অরবিট বা এলইও স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়।
10. বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার-
Created 3 weeks ago | Updated 1 minute ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) FRONTIER ১. কেন সঠিক: ফ্রন্টিয়ার হলো বিশ্বের প্রথম এক্সাস্কেল ক্ষমতা সম্পন্ন সুপার কম্পিউটার। এটি প্রতি সেকেন্ডে এক কুটিল বিলিয়ন বা এক কুইন্টিলিয়ন গণনা সম্পন্ন করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সুপার কম্পিউটার হলো অত্যন্ত উচ্চ গতিসম্পন্ন এবং বিশাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম বিশেষায়িত কম্পিউটার। কার্যপদ্ধতি: হাজার হাজার প্রসেসর একসঙ্গে প্যারালাল প্রসেসিং প্রযুক্তিতে যুক্ত হয়ে জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়ার পূর্বাভাস। ব্যাখ্যা: সুপার কম্পিউটার বায়ুমণ্ডলের লাখ লাখ ডেটা বিশ্লেষণ করে নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়। উদাহরণ ২: মহাকাশ গবেষণা। ব্যাখ্যা: মহাবিশ্বের গ্যালাক্সি ও নক্ষত্রের গতিপথ নির্ধারণে এই কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) FRONTIER — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সুপার কম্পিউটার এবং বর্তমানে অন্যতম শক্তিশালী। B) Fugaku — এটি জাপানের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার হলেও বর্তমান র‍্যাংকিংয়ে এটি ফ্রন্টিয়ারের পরে অবস্থান করছে। C) IBM — এটি একটি প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, কোনো নির্দিষ্ট একক সুপার কম্পিউটার নয়। D) Mac-Book — এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের ল্যাপটপ, যা সুপার কম্পিউটার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের নাম মনে রাখতে এফ অক্ষরটি মনে রাখতে হবে কারণ ফ্রন্টিয়ার এফ দিয়ে শুরু হয়। এক্সাস্কেল গতির কারণে এটি বর্তমান বিশ্বের সেরার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুপার কম্পিউটারের গতি পরিমাপের একক হলো ফ্লপস। বাংলাদেশের প্রথম সুপার কম্পিউটারের নাম কিউরেপ্রো যা আবহাওয়া অধিদপ্তরে ব্যবহৃত হয়।
11. কোনটি Office Software নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) MS Java ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট কর্পোরেশন বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে MS Java নামে কোনো অফিস সফটওয়্যার তৈরি করা হয়নি। - জাভা (Java) হলো সান মাইক্রোসফটের তৈরি একটি জনপ্রিয় অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা কোনো অফিস অ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজের অংশ নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অফিস সফটওয়্যার বা অফিস অটোমেশন সফটওয়্যার হলো এমন কিছু অ্যাপ্লিকেশনের সমষ্টি যা দাপ্তরিক কাজ যেমন লেখালেখি, হিসাবনিকাশ ও উপস্থাপনা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। - ব্যবহার: এ ধরনের সফটওয়্যারগুলো সাধারণত ডকুমেন্ট তৈরি, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং পেশাদার প্রেজেন্টেশন ডিজাইনের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার যা চিঠি, প্রতিবেদন ও বিভিন্ন দাপ্তরিক নথিপত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট (MS Power Point) ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার যা সভা বা সেমিনারে তথ্য উপস্থাপনের জন্য স্লাইড তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) MS Word — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি বিশ্বখ্যাত ওয়ার্ড প্রসেসিং অফিস সফটওয়্যার, যা ডকুমেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। B) MS Power Point — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি জনপ্রিয় প্রেজেন্টেশন অফিস সফটওয়্যার, যা স্লাইডশো তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। C) MS Java — এটি কোনো অফিস সফটওয়্যার নয়, বরং জাভা একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা দিয়ে সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। D) MS Project — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, যা প্রজেক্ট পরিকল্পনা ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অফিস সফটওয়্যার চেনার উপায় হলো দেখতে হবে সেটি লেখালেখি, হিসাব বা উপস্থাপনার কাজে লাগে কি না। - জাভা (Java) হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, তাই কোনো অফিস প্যাকেজের নামের আগে জাভা দেখলে বুঝতে হবে সেটি ভুল উত্তর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট অফিস মূলত একটি অ্যাপ্লিকেশন স্যুট যার প্রধান উপাদানগুলো হলো ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ও এক্সেস। - প্রোগ্রামিং ভাষা এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার দুটির কাজ সম্পূর্ণ আলাদা, তাই এদের পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
12. Integrated Circuit (IC) গঠনের অংশ নয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Anode ১. কেন সঠিক: - Integrated Circuit বা IC মূলত একটি ছোট সেমিকন্ডাক্টর চিপ, যা ট্রানজিস্টর, ডায়োড ও রেজিস্টরের সমন্বয়ে তৈরি হয়। - Anode হলো কোনো ডায়োড বা ডিভাইসের ধনাত্মক প্রান্ত, যা আইসি গঠনের কোনো মৌলিক উপাদান নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Integrated Circuit (আইসি) হলো একটি সিলিকন চিপ যার মধ্যে একসঙ্গে হাজার হাজার বা লাখ লাখ ইলেকট্রনিক উপাদান যুক্ত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: এটি একটি সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক সার্কিট হিসেবে কাজ করে, যা সংকেত প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং তথ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে। - ব্যবহার: কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং প্রায় সব ধরনের আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসে প্রসেসর ও মেমোরি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোপ্রসেসর ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের সিউপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসর কোটি কোটি ট্রানজিস্টর সমন্বয়ে গঠিত একটি জটিল আইসি। উদাহরণ ২: মেমোরি চিপ ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের র‍্যাম বা রম চিপ হিসেবে আইসি ব্যবহৃত হয়, যা ডেটা প্রক্রিয়াকরণে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transistor - এটি আইসি গঠনের একটি প্রধান মৌলিক ইলেকট্রনিক উপাদান, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) Diode - এটি কারেন্ট একমুখী করতে আইসিতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) Resistor - এটি আইসিতে বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) Anode - এটি আইসি তৈরির উপাদান নয়, বরং একটি পোলারাইজড ডিভাইসের ধনাত্মক প্রান্ত মাত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইসি তৈরির মূল উপাদান তিনটি, যথা টিডিআর বা ট্রানজিস্টর, ডায়োড ও রেজিস্টর। - অ্যানোড বা ক্যাথোড হলো পৃথক কোনো উপাদানের প্রান্তের নাম, সার্কিট উপাদান নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আইসি আবিষ্কার করেন জ্যাক কিলবি ও রবার্ট নয়েস। - কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্মে প্রথম আইসি ব্যবহার করা হয়।
13. বাংলাদেশে 5G মোবাইল কমিউনিকেশন চালু হয় কবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০২১ সালে ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫জি বা ফাইভ জি (5G) প্রযুক্তি চালু হয় ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর। হুয়াওয়ে এবং টেলিটক যৌথভাবে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এই সেবা প্রথম চালু করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ৫জি হলো পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা অত্যন্ত উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফার এবং কম লেটেন্সি নিশ্চিত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে যা বহু ডিভাইসকে একসাথে দ্রুত সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। ব্যবহার: স্মার্ট সিটি নির্মাণ, রিমোট সার্জারি, স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চালনা এবং আল্ট্রা এইচডি ভিডিও স্ট্রিমিংয়ে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফোর জি নেটওয়ার্কে একটি এইচডি সিনেমা ডাউনলোড করতে কয়েক মিনিট সময় লাগলেও ৫জি নেটওয়ার্কে তা মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সম্পন্ন হয়। ব্যাখ্যা: ৫জি নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ এবং ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষমতা পূর্বের প্রজন্মের তুলনায় বহুগুণ বেশি। উদাহরণ ২: অনলাইনে সরাসরি খেলা দেখার সময় লাইভ সম্প্রচারে কোনো ধরনের বাফারিং বা বিলম্ব হয় না। ব্যাখ্যা: ৫জি প্রযুক্তির অতি স্বল্প লেটেন্সি বা প্রতিক্রিয়ার সময় প্রায় শূন্যের কাছাকাছি হওয়ায় ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে আদান-প্রদান হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২৫ সালে — এই বছরটি ভবিষ্যতের সময় নির্দেশ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ২০১১ সালে — এই সময়ে বাংলাদেশে থ্রি জি (3G) প্রযুক্তি চালু হয়েছিল, ফাইভ জি নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে থ্রি জি চালু হয় ২০১২ সালে, ফোর জি চালু হয় ২০১৮ সালে এবং ফাইভ জি চালু হয় ২০২১ সালে। এই ধারাবাহিক সালগুলো মনে রাখলে মোবাইল প্রজন্মের ইতিহাস সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশে পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ জি চালনাকারী রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর হলো টেলিটক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন মোবাইল প্রজন্মের চালুর সাল এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
14. HDMI Port এর ব্যবহার নয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) LAN Network ১. কেন সঠিক: HDMI পোর্ট একটি মাল্টিমিডিয়া ইন্টারফেস যা মূলত ভিডিও এবং অডিও সিগন্যাল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। LAN Network হলো লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যুক্ত করার মাধ্যম, যার জন্য ইথারনেট পোর্ট বা ক্যাবল প্রয়োজন হয় এবং এটি HDMI পোর্টের কাজ নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: HDMI-এর পূর্ণরূপ হলো High-Definition Multimedia Interface। এটি ডিজিটাল অডিও এবং ভিডিও ডেটা প্রেরণের একটি সংযোগ মাধ্যম। কার্যপদ্ধতি: এটি আনকমপ্রেসড ভিডিও এবং মাল্টিচ্যানেল অডিও সিগন্যাল একটিমাত্র ক্যাবলের মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তর করে। ব্যবহার: কম্পিউটার থেকে মনিটর, টেলিভিশন বা প্রজেক্টরে হাই-ডেফিনেশন ছবি ও শব্দ পাঠানোর জন্য এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাপটপ থেকে প্রজেক্টরে ডিসপ্লে পাঠানো। ব্যাখ্যা: ল্যাপটপের HDMI পোর্ট থেকে ক্যাবল যুক্ত করে প্রজেক্টরে প্রেজেন্টেশনের ভিডিও ও সাউন্ড একসাথে চালানো যায়। উদাহরণ ২: কম্পিউটার থেকে স্মার্ট টিভিতে মুভি দেখা। ব্যাখ্যা: HDMI ক্যাবলের মাধ্যমে কম্পিউটার বা গেমিং কনসোল সরাসরি টিভিতে যুক্ত করে উচ্চমানের অডিও-ভিডিও উপভোগ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Video Multimedia — এটি HDMI পোর্টের অন্যতম প্রধান কাজ কারণ এটি মাল্টিমিডিয়া ভিডিও ট্রান্সফার করে। B) Projector Screen — প্রজেক্টর স্ক্রিনে ভিডিও আউটপুট দেখানোর জন্য HDMI পোর্ট সরাসরি ব্যবহৃত হয়। C) LAN Network — এটি নেটওয়ার্কিং সম্পর্কিত টার্ম, যা HDMI পোর্টের কাজের আওতাভুক্ত নয়। D) Video Graphics — ভিডিও গ্রাফিক্স বা ডিসপ্লে সিগন্যাল কম্পিউটারের গ্রাফিক্স কার্ড থেকে মনিটরে নিতে HDMI ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: HDMI মানেই হাই-ডেফিনেশন মাল্টিমিডিয়া ইন্টারফেস, অর্থাৎ এটি কেবল অডিও এবং ভিডিওর কাজ করবে। নেটওয়ার্কের জন্য ল্যান বা ইন্টারনেট ক্যাবল ব্যবহার করা হয়, ভিডিও পোর্ট নয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: HDMI ক্যাবল একই সাথে উচ্চমানের ডিজিটাল ভিডিও এবং অডিও সিগন্যাল বহন করতে সক্ষম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই হার্ডওয়্যার পোর্টের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে, তাই কোন পোর্ট কোন কাজে ব্যবহৃত হয় তা স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
15. ব্যাংকিং সিস্টেমে টাকা স্থানান্তর করা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a ও b এর মাধ্যমে ১. কেন সঠিক: - ব্যাংকিং সিস্টেমে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে টাকা স্থানান্তর করার জন্য BEFTN এবং NPSB উভয় পদ্ধতিই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলাদেশ ব্যাংক এই দুটি পদ্ধতি পরিচালনা করে দেশের ভেতর আর্থিক লেনদেন দ্রুত ও নিরাপদ করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: BEFTN এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Electronic Funds Transfer Network এবং NPSB এর পূর্ণরূপ হলো National Payment Switch Bangladesh। - কার্যপদ্ধতি: BEFTN হলো একটি ব্যাচভিত্তিক সিস্টেম যা সাধারণত একদিনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে এবং NPSB হলো রিয়েল-টাইম পেমেন্ট সিস্টেম যা তাৎক্ষণিকভাবে টাকা স্থানান্তর করে। - ব্যবহার: BEFTN সাধারণত বেতন প্রদান ও ভেন্ডর বিল পরিশোধে ব্যবহৃত হয় এবং NPSB এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও এমএফএস থেকে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি যখন ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে অন্য ব্যাংকের কোনো বন্ধুর অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা পাঠান, তখন NPSB কাজ করে। ব্যাখ্যা: NPSB রিয়েল-টাইম বা তাৎক্ষণিক লেনদেন নিশ্চিত করে বিধায় কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে টাকা জমা হয়। উদাহরণ ২: একটি প্রতিষ্ঠান যখন মাসের শেষে তাদের শত শত কর্মীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে একসঙ্গে বেতন জমা দেয়, তখন BEFTN ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: BEFTN একসঙ্গে প্রচুর লেনদেন কম খরচে প্রক্রিয়াজাত করতে পারে বলে এটি বেতন দেওয়ার জন্য আদর্শ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) BEFTN এর মাধ্যমে — এটি একা সঠিক নয় কারণ শুধু BEFTN নয়, NPSB ও ব্যাংকিং সিস্টেমে টাকা স্থানান্তরে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। B) NPSB এর মাধ্যমে — এটি একা সঠিক নয় কারণ তাৎক্ষণিক লেনদেনের বাইরে সাধারণ স্থানান্তরে BEFTN ও ব্যবহার করা হয়। C) a ও b এর মাধ্যমে — এই অপশনটি সঠিক কারণ BEFTN এবং NPSB দুটি পদ্ধতিই ব্যাংকিং সিস্টেমে টাকা স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়। D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরগুলোর মধ্যে প্রথম দুটি অপশনই ব্যাংকিং লেনদেনের জন্য সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - BEFTN মানে সময় বেশি লাগে এবং NPSB মানে তাৎক্ষণিক লেনদেন হয়। - এভাবে মনে রাখতে পারেন যে বি দিয়ে শুরু BEFTN হলো ব্যাচভিত্তিক এবং এন দিয়ে শুরু NPSB হলো ন্যাশনাল সুইচ যা ইনস্ট্যান্ট কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BEFTN এর পূর্ণরূপ এবং এটি কোন ধরনের পেমেন্ট সিস্টেম তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - NPSB চালু হওয়ার ফলে গ্রাহকরা ব্যাংক ছুটির দিনেও তাৎক্ষণিকভাবে আন্তঃব্যাংক লেনদেন করতে পারছেন।
16. কোনটি অসত্য নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1 Nibble = 4 bit ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের ক্ষুদ্রতম একক হলো বিট। ধারাবাহিক চারটি বিট মিলে একটি নিবল গঠিত হয়, যা সঠিক উত্তরের সত্যতা প্রমাণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বিট হলো বাইনারি ডিজিট এবং নিবল হলো চার বিটের একটি সমষ্টি। কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির একটি অঙ্ক প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৪ বিটের একটি ধারা, যেমন ১০০০ হলো একটি নিবল। ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট ডেটা পরিমাপের একক হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা প্রকাশ করতে ৪ বিট বা ১ নিবল প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমাল মানের বাইনারি রূপান্তর করতে নিবল অত্যন্ত কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 Byte = 4 bit — ভুল কারণ ১ বাইট সমান ৮ বিট হয়ে থাকে। B) 1 Nibble = 4 bit — এটি সঠিক এবং অসত্য নয়। C) 1 Kilobyte = 1000 byte — ভুল কারণ ১ কিলোবাইট সাধারণত ১০২৪ বাইট বা আধুনিক প্রযুক্তিতে ১০০০ বাইট হতে পারে, তবে কম্পিউটার বিজ্ঞানের আদর্শ মানে এটি ১০২৪ বাইট। D) (i) — এটি কোনো সঠিক পরিমাপের একক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আট বিটে এক বাইট এবং চার বিটে এক নিবল হয়। ছোট একক থেকে বড় এককে যাওয়ার নিয়মগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের মেমোরি পরিমাপের একক যেমন বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট ইত্যাদির সম্পর্ক থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায় প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (8)

1. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা থেকে হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ দেখা যায়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঞ্চনজঙ্ঘা কেন সঠিক: বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে পরিষ্কার আবহাওয়ায় হিমালয় পর্বতের কাঞ্চনজঙ্ঘা শৃঙ্গ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এটি পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান একমাত্র প্রধান হিমালয়ান শৃঙ্গ। ভৌগোলিক তথ্য: পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের একটি সীমান্ত জেলা এবং এটি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত সমতল ভূমির অন্তর্ভুক্ত। এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মহানন্দা নদীর তীর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। শীতকালের ঠিক আগে বা শরৎকালের পরিষ্কার আকাশে মেঘহীন সকালে এই শৃঙ্গটি খালি চোখে দেখা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) চিম্বুক — এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি চূড়া এবং এটি হিমালয় পর্বতমালার অন্তর্ভুক্ত কোনো শৃঙ্গ নয়। C) এভারেস্ট — এটি পৃথিবীর উচ্চতম শৃঙ্গ হলেও বাংলাদেশ থেকে এর সরাসরি ভৌগোলিক দূরত্ব অনেক বেশি থাকায় এটি দেখা যায় না। D) কেওক্রাডং — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি চূড়া এবং এর সাথে হিমালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: উত্তর মানেই পঞ্চগড় আর পঞ্চগড় থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা, এভাবে মনে রাখা সহজ। বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান একমাত্র হিমালয়ের শৃঙ্গ হিসেবে কাঞ্চনজঙ্ঘার নাম সর্বদাই মনে রাখতে হবে।
2. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে মিয়ানমারের স্থল সীমানা আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাঙামাটি কেন সঠিক: রাঙামাটি জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর সাথে আন্তর্জাতিক দেশ হিসেবে সরাসরি মিয়ানমারের স্থল সীমানা যুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মোট সীমানার একটি বড় অংশ এই জেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: রাঙামাটি বাংলাদেশের আয়তনের দিক থেকে বৃহত্তম জেলা এবং এর ভূপ্রকৃতি মূলত পাহাড়ি ও উচু-নিচু জমিতে পূর্ণ। এই জেলাটি দুর্গম পাহাড়ি উপত্যকা, ঝরনা এবং কাপ্তাই হ্রদের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য অত্যন্ত পরিচিত। এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি কৌশলগতভাবে দেশের সীমান্তবর্তী নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — এটি দেশের পূর্বাঞ্চলের একটি জেলা যা মূলত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তে অবস্থিত এবং এর সাথে মিয়ানমারের কোনো সংযোগ নেই। B) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর নগরী ও উপকূলীয় জেলা হলেও এর সীমানা সরাসরি মিয়ানমারের সাথে স্থলভাগে যুক্ত নয়। C) খাগড়াছড়ি — এটি পাহাড়ি জেলা হলেও এর সীমান্ত কেবল ভারতের সাথে যুক্ত রয়েছে এবং মিয়ানমারের সাথে এর কোনো সীমানা নেই। D) রাঙামাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নানুসারে একমাত্র এই জেলার সাথেই মিয়ানমারের স্থল সীমানার সংযোগ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের মোট তিনটি জেলার সীমান্ত আছে, এগুলো হলো বান্দরবান, রাঙামাটি এবং কক্সবাজার। পাহাড়ি জেলাগুলোর মধ্যে বান্দরবান ও রাঙামাটির সাথে মিয়ানমার যুক্ত থাকলেও কুমিল্লার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
3. গজলডোবা বাঁধ বাংলাদেশের কোন নদীর উজানে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 10 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিস্তা কেন সঠিক: গজলডোবা বাঁধ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলায় তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত একটি অন্যতম সেচ প্রকল্প। এই বাঁধটি বাংলাদেশের ঠিক ওপরে বা উজানে অবস্থিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশের তিস্তা নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। ভৌগোলিক তথ্য: তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ব্রহ্মপুত্র নদে মিলিত হয়েছে। এই নদীর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় তিনশো ১৫ কিলোমিটার এবং এর উৎস সিকিমের পাহাড়ি অঞ্চল। বর্ষাকালে গজলডোবার গেট খুলে দিলে বাংলাদেশে বন্যা দেখা দেয় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে তিস্তা অববাহিকা মরুভূমি সদৃশ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — পদ্মা নদী গঙ্গা নদীর মূল শাখা এবং এর উজানে ফারাক্কা বাঁধ অবস্থিত, গজলডোবা বাঁধ নয়। B) মেঘনা — মেঘনা নদী আসাম ও ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এর ওপর এই বাঁধ নেই। C) যমুনা — যমুনা নদী ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ এবং এর উজানে গজলডোবা বাঁধের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। D) তিস্তা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গজলডোবা বাঁধটি বিশেষভাবে তিস্তা নদীর পানি নিয়ন্ত্রণের জন্যই তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: তিস্তা নদীর পানি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের আলোচনা রয়েছে এবং গজলডোবা নাম শুনলেই তিস্তা নদীর কথা মনে রাখতে হবে।
4. আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: ১. অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের মোট আয়তন প্রায় ৭৬ লক্ষ ৯২ হাজার বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর অন্য কোনো মহাদেশের চেয়ে কম। ২. ভৌগোলিক সীমানা এবং ভূখণ্ডের পরিমাপ অনুযায়ী এটিই একমাত্র মহাদেশ যা একটিমাত্র দেশ নিয়ে গঠিত এবং আকারে সবচেয়ে ছোট। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত এবং এর চারপাশে ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত। ২. এই মহাদেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এর মূল ভূখণ্ডটি দ্বীপ মহাদেশ হিসেবে পরিচিত। ৩. অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ এবং বিশাল মরুভূমি অঞ্চল এর বৈচিত্র্যের প্রধান উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং এর আয়তন প্রায় তিন কোটি বর্গকিলোমিটারের বেশি। B) আমেরিকা — উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মিলিয়ে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভূখণ্ড গঠন করে, যার আয়তন অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে বহুগুণ বেশি। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ইউরোপ — এটি অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে অনেক বড় মহাদেশ এবং এর আয়তন প্রায় এক কোটি বর্গকিলোমিটারের বেশি। মনে রাখার টিপস: ১. ছোট থেকে বড় মহাদেশের তালিকা মনে রাখার সময় সবার শেষে অস্ট্রেলিয়ার নাম মনে রাখবে। ২. ওশেনিয়া বা অস্ট্রেলিয়াকে দ্বীপ মহাদেশ হিসেবে মনে রাখলে এর ক্ষুদ্রতম রূপটি সহজে মাথায় থাকবে।
5. বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ রাষ্ট্র কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: ইন্দোনেশিয়া বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি বিশাল দ্বীপ রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রে দ্বীপের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এটি বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত। ভৌগোলিক তথ্য: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ রাষ্ট্র যার মোট দ্বীপের সংখ্যা প্রায় সতেরো হাজার পাঁচশটি। এর মধ্যে জাভা, সুমাত্রা, এবং বোর্নিও এর প্রধান ও জনবহুল কিছু দ্বীপের উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — এটি একটি একক মহাদেশীয় দেশ এবং এর মূল ভূখণ্ড এত বিশাল যে একে দ্বীপ বলা চলে না। B) নিউজিল্যান্ড — এটি মূলত দুটি বড় দ্বীপ এবং কিছু ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার মতো এত বিপুল সংখ্যক দ্বীপ এখানে নেই। C) ইন্দোনেশিয়া — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল উত্তর হিসেবে বিবেচিত। D) ফিলিপাইন — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হলেও এর মোট দ্বীপের সংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের সবথেকে বেশি দ্বীপ দেখতে হলে চলে যাও ইন্দোনেশিয়া, কারণ এটিই দ্বীপের রাজ্য।
6. পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমানা রয়েছে যে দুটি দেশের মধ্যে-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমেরিকা ও কানাডা কেন সঠিক: ১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যকার আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সীমানা হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ২. এই বিশাল সীমান্তটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে প্রায় আট হাজার আটান্ন কিলোমিটার দীর্ঘ। ভৌগোলিক তথ্য: ১. অবস্থান ও আয়তন: এই সীমান্তটি কানাডার দক্ষিণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আমেরিকার উত্তরে কানাডাকে পৃথক করেছে যা পূর্বের আটলান্টিক মহাসাগর থেকে পশ্চিমের প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। ২. বিশেষত্ব: এই দীর্ঘতম স্থল সীমানার একটি বিশেষ দিক হলো এটি বিশ্বের দীর্ঘতম অপ্রতিরুদ্ধ বা শান্তিপূর্ণ সীমান্ত যেখানে কোনো সামরিক পাহারা নেই। ৩. তথ্য বা উদাহরণ: এই সীমানার কিছু অংশ জলপথ বা হ্রদ যেমন গ্রেট লেকসের ওপর দিয়ে গেলেও এর মূল ভূখণ্ডে দীর্ঘতম স্থলভাগের উপস্থিতি রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও বাংলাদেশ — ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত হলেও এটি আমেরিকার সাথে কানাডার সীমানার চেয়ে অনেক ছোট। B) আমেরিকা ও কানাডা — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং এটিই পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমানার অধিকারী দুটি দেশ। C) আমেরিকা ও মেক্সিকো — আমেরিকা ও মেক্সিকোর মধ্যকার সীমান্তটি তুলনামূলকভাবে ছোট এবং এটি মধ্য আমেরিকার সাথে উত্তর আমেরিকার সীমানা নির্দেশ করে। D) ভারত ও চীন — ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তটি মূলত হিমালয় পর্বতমালা বরাবর বিস্তৃত এবং এর দৈর্ঘ্য আমেরিকা ও কানাডার সীমানার চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: ১. উত্তর আমেরিকার দুই বন্ধুপ্রতিম দেশ আমেরিকা ও কানাডার মাঝেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় সীমান্ত রয়েছে। ২. ম্যাপে উত্তর আমেরিকার ওপরের বিশাল রেখাটি মনে রাখলেই এই দীর্ঘতম সীমানার বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
7. কুইন্সল্যান্ড কোন দেশের অংশ?
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: কুইন্সল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের মূল ভূখণ্ডের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল অঙ্গরাজ্য। ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক উভয় দিক থেকেই এটি সম্পূর্ণভাবে অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসনিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত একটি অংশ। ভৌগোলিক তথ্য: এই রাজ্যটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এবং এর আয়তন প্রায় ১৭ লক্ষ ৩০ হাজার বর্গকিলোমিটার। এখানে বিশ্বের বিখ্যাত প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অবস্থিত যা পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এর রাজধানী শহরটি হলো ব্রিসবেন এবং গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর জন্য এই অঞ্চলটি সারা বিশ্বে বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি যুক্তরাজ্য বা গ্রেট ব্রিটেনের একটি ঐতিহাসিক দেশ, যা অস্ট্রেলিয়া বা কুইন্সল্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি বিশাল দেশ, যার সাথে কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি উত্তর আমেরিকার আরেকটি প্রধান দেশ এবং এর নিজস্ব আলাদা রাজ্য রয়েছে, কুইন্সল্যান্ড এর অংশ নয়। D) অস্ট্রেলিয়া — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল প্রমাণের কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়ার মানচিত্রের ওপরের ডান কোণ বা উত্তর-পূর্ব দিকে তাকালেই কুইন্সল্যান্ড রাজ্যটিকে স্পষ্টভাবে দেখতে পাওয়া যায়।
8. দারফুর হলো-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুদানের একটি শহরের নাম কেন সঠিক: দারফুর আফ্রিকার উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাষ্ট্র সুদানের একটি ঐতিহাসিক ও জনবহুল অঞ্চল। এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংঘাত ও মানবিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচিত হয়ে আসছে। ভৌগোলিক তথ্য: দারফুর অঞ্চলটি সুদানের পশ্চিম অংশে অবস্থিত এবং এটি সাহেল অঞ্চলের সীমান্তবর্তী একটি শুষ্ক মালভূমি এলাকা। ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলটি সাহারা মরুভূমির দক্ষিণ প্রান্ত ঘেঁষে বিস্তৃত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাকের একটি শহরের নাম — ইরাকের প্রধান শহর হলো বাগাদ, বসরা ও মসুল, কিন্তু দারফুর সেখানে অবস্থিত নয়। B) ইরানের একটি শহরের নাম — ইরানের বিখ্যাত শহরগুলোর মধ্যে তেহরান, ইসফাহান ও শিراز অন্যতম, দারফুর ইরানের অংশ নয়। C) আফগানিস্তানের একটি শহরের নাম — আফগানিস্তানের মূল শহরগুলো হলো কাবুল, কান্দাহার ও হেরাতি, তাই এই অপশনটি ভুল। D) সুদানের একটি শহরের নাম — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: দারফুর শব্দটি শুনলেই আফ্রিকার সুদানের কথা মাথায় রাখবে কারণ এটি সুদানের পশ্চিমের একটি বিখ্যাত অঞ্চল। সংঘাতময় ও আলোচিত অঞ্চল হিসেবে দারফুর ও সুদান নাম দুটি ভৌগোলিক পড়াশোনায় একসাথে মনে রাখা সহজ।

মোট প্রশ্ন (15)

2. কোন বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতির কার্যক্ষমতা বেশি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Combined cycle gas turbine কেন সঠিক: - এতে গ্যাস টারবাইন ও বাষ্প টারবাইন একত্রে কাজ করে, ফলে জ্বালানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। - প্রথম ধাপে উৎপাদিত বর্জ্য তাপ ব্যবহার করে বাষ্প তৈরি করে দ্বিতীয় ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Open Cycle Gas turbine — এতে বর্জ্য তাপ পুনর্ব্যবহার করা যায় না, ফলে এর কার্যক্ষমতা কম হয়। B) Hydro-turbine — পানির শক্তির কার্যক্ষমতা ভালো হলেও আধুনিক তাপবিদ্যুৎ পদ্ধতির তুলনায় এটি ভিন্ন প্রযুক্তির। C) Gas Engine — এটি সাধারণত ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয় এবং বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো উচ্চ কার্যক্ষমতা দেয় না। D) Combined cycle gas turbine — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি গ্যাস ও বাষ্প চক্রকে যুক্ত করে সর্বোচ্চ দক্ষতা প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: কম্বাইন্ড সাইকেল মানেই দুটি চক্রের একত্র ব্যবহার, যা অপচয় রোধ করে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ দেয়।
5. বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ উভয় কাজে নিয়োজিত সংস্থা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 31 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) BPDB কেন সঠিক: - BPDB বা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিতরণ উভয় কাজের সঙ্গেই সরাসরি যুক্ত। - এটি দেশের সরকারি খাতের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিতরণ পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BPDB (Bangladesh Power Development Board) — এটি সঠিক কারণ এই সংস্থাটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ উভয় কাজই করে থাকে। B) POWERCELL — এটি মূলত বিদ্যুৎ খাতের নীতি প্রণয়ন, পরিকল্পনা ও সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত একটি সরকারি সেল, উৎপাদন বা বিতরণ সরাসরি করে না। C) NWPGCL (North-West Power Generation Company Limited) — এটি শুধুমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত একটি কোম্পানি, বিতরণ করে না। D) WZPDCL (West Zone Power Distribution Company Limited) — এটি শুধুমাত্র পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের সঙ্গে যুক্ত, বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না। মনে রাখার টিপস: BPDB নামের মধ্যেই উৎপাদন ও উন্নয়ন বোর্ডের কাজ লুকিয়ে আছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ দুটোই করে।
6. SREDA কোন সেক্টর নিয়ে কাজ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কেন সঠিক: - SREDA-র পূর্ণরূপ হলো Sustainable and Renewable Energy Development Authority, যা মূলত নবায়নযোগ্য শক্তি ও জ্বালানি দক্ষতা নিয়ে কাজ করে। - বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং এর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করাই এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান দায়িত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ — এটি সঠিক কারণ SREDA প্রধানত নবায়নযোগ্য শক্তি ও জ্বালানি দক্ষতা নিয়ে কাজ করে। B) কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ — এটি ভুল কারণ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড এবং কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি। C) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ — এটি ভুল কারণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। D) ক্যাপটিভ জেনারেশন — এটি ভুল কারণ ক্যাপটিভ জেনারেশন মূলত শিল্প কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বোঝায়, যা SREDA-র মূল কাজের পরিধি নয়। মনে রাখার টিপস: SREDA নামের ভেতরেই Sustainable and Renewable কথাটি আছে, যা থেকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
8. বাংলাদেশে বর্তমানে কোন ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদনে অধিক গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে?
Created 3 weeks ago | Updated 31 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কেন সঠিক: - জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সরকার বর্তমানে সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য শক্তিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই খাতে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ — কার্বন নিঃসরণ ও পরিবেশ দূষণের কারণে বর্তমানে এই মাধ্যম থেকে সরে এসে নতুন কয়লা প্রকল্পের অনুমোদন সীমিত করা হচ্ছে। B) নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ — পরিবেশবান্ধব এবং দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় বর্তমান জ্বালানি নীতিমালায় এটিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সি) গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ — প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ কমে যাওয়ায় নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে এই জ্বালানির ওপর নির্ভরতা পর্যায়ক্রমে কমানো হচ্ছে। ডি) এইচএফও ভিত্তিক বিদ্যুৎ — ফার্নেস অয়েল বা এইচএফও আমদানিতে উচ্চ ব্যয় ও পরিবেশগত ক্ষতির কারণে এটি এখন কম গুরুত্ব পাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় ভবিষ্যতের জ্বালানি হিসেবে কয়লা বা গ্যাসের চেয়ে নবায়নযোগ্য সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের দিকেই সবচেয়ে বেশি ঝোঁক দিচ্ছে বাংলাদেশ।
9. বেসরকারি খাতে দেশে স্থাপিত প্রথমবার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খুলনা বার্জমাউন্টেড কেন সঠিক: - খুলনা বার্জমাউন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে স্থাপিত প্রথম বার্জ মাউন্টেড বা জলভাসমান বিদ্যুৎ কেন্দ্র। - এটি দেশের বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির একটি অন্যতম মাইলফলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বার্জমাউন্টেড — ঢাকা অঞ্চলে এই নামে কোনো বেসরকারি প্রথম বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়নি। B) খুলনা বার্জমাউন্টেড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। C) বরিশাল বার্জমাউন্টেড — বরিশালে পরবর্তীতে অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হলেও এটি প্রথম বেসরকারি বার্জ মাউন্টেড কেন্দ্র নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বেসরকারি খাতের প্রথম বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্র মনে রাখতে খুলনা জেলার নাম মনে রাখুন।
11. বাংলাদেশ কোন কোন দেশ হতে বিদ্যুৎ আমদানি করে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারত ও নেপাল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বর্তমানে ভারত থেকে গ্রিড লাইনের মাধ্যমে এবং নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করে থাকে। - বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে ও জ্বালানি বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে এই দুটি দেশ থেকে বিদ্যুৎ আনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও মায়ানমার — মায়ানমার থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানি করে না। B) নেপাল ও ভুটান — নেপাল থেকে আমদানি করলেও ভুটান থেকে বর্তমানে সরাসরি বিদ্যুৎ আমদানি করা হয় না। C) ভারত ও ভুটান — ভারত থেকে আমদানি করা হলেও ভুটান থেকে এই মুহূর্তে কোনো বিদ্যুৎ আমদানি করা হয় না। D) ভারত ও নেপাল — এটি সঠিক কারণ এই দুই দেশ থেকেই বাংলাদেশ বর্তমানে বিদ্যুৎ পাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ নেয় প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত ও নেপাল থেকে।
12. বাংলাদেশের কোন ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ সবচেয়ে কম?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানি বিদ্যুৎ কেন সঠিক: - পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিকভাবে প্রবাহিত পানির গতিশক্তি ব্যবহার করা হয়, যার জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির প্রয়োজন হয় না। - একবার জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করার পর এর দীর্ঘমেয়াদী পরিচালনা ও রক্ষণাবেচন খরচ অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় অনেক কম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌর বিদ্যুৎ — সোলার প্যানেল বা ফটোভোলটাইক সেল তৈরির প্রাথমিক খরচ এবং এর কাঁচামাল আমদানির ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় বর্তমানে এটি সবচেয়ে কম খরচের নয়। B) বায়ু বিদ্যুৎ — শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য টারবাইন স্থাপন ও রক্ষণাবেচনে উচ্চ প্রযুক্তি এবং বড় অংকের বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়। D) তাপ বিদ্যুৎ — কয়লা, গ্যাস বা তেল পুড়িয়ে এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির খরচ অনেক বেশি এবং জ্বালানির মূল্য পরিবর্তনের ওপর এর খরচ নির্ভর করে। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক ঝরনা বা নদীর স্রোত বিনামূল্যে পাওয়া যায় বলে পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ সবচেয়ে কম।
15. বাংলাদেশের সকল বিদ্যুতের একক ক্রেতা কোন প্রতিষ্ঠান?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) BPDB কেন সঠিক: - BPDB বা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড দেশের বিদ্যুৎ খাতের একক ক্রেতা হিসেবে কাজ করে। - বেসরকারি ও অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত সমস্ত বিদ্যুৎ এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই ক্রয় করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Power Grid — এটি মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণের কাজ করে, ক্রেতা নয়। B) BREB — বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড মূলত গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্ব পালন করে, একক ক্রেতা নয়। C) BERC — বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন হলো জ্বালানি খাতের একটি নিয়ন্ত্রণকারী বা রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুৎ কেনাবেচা করে না। D) BPDB — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার একক ক্রেতা বা সিঙ্গেল বায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। মনে রাখার টিপস: বিদ্যুৎ খাতের প্রধান ক্রেতা হলো পিডিপি বা BPDB, যা সব কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনে থাকে।