a আরামপ্রিয়
b উদাসীন
c খুব অলস
d পরমুখাপেক্ষী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খুব অলস ১. কেন সঠিক: - গোঁফ-খেজুরে বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবার্থগত দিক থেকে চরম অআলস্য বা কর্মবিমুখতা প্রকাশ করে। - অত্যন্ত অলস প্রকৃতির মানুষকে বুঝাতে এই বিশেষ বাগধারাটি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ অর্থে শব্দগুচ্ছের মাধ্যমে নতুন ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুম্ভকর্ণের ঘুম ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থও গভীর ঘুম বা অতিনিন্দ্রা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা অলসতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। উদাহরণ ২: আড়ে বহরে বড় ব্যাখ্যা: এটিও একটি বাগধারা যা বাহ্যিক আকার বা আয়তন বৃদ্ধি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরামপ্রিয় — আরামপ্রিয় বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কষ্ট করতে চায় না কিন্তু খুব অলস না হলেও আরাম খোঁজে, যা গোঁফ-খেজুরে শব্দের মূল ভাব চরম অলসতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। B) উদাসীন — উদাসীন অর্থ যার কোনো কিছুতে আগ্রহ বা আসক্তি নেই, এটি অলসতার সমার্থক হলেও গোঁফ-খেজুরে বাগধারার নির্দিষ্ট অর্থ খুব অলসের পরিবর্তে নির্লিপ্ততা বোঝায় না। D) পরমুখাপেক্ষী — পরমুখাপেক্ষী অর্থ অন্যের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি, যা খুব অলস অর্থে সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - গোঁফ পর্যন্ত হাত তোলার আলস্য যার মধ্যে আছে, সেই তো খুব অলস প্রকৃতির গোঁফ-খেজুরে মানুষ। - এই কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব বা প্রবৃত্তি নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0