বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

অর্থ মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর/ অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (50)

1. কাজী নজরুল ইসলামের রচনা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সঞ্চিতা ১. কেন সঠিক: সঞ্চিতা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার সংকলন। এই গ্রন্থটি কবির বিভিন্ন সময়ের নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর এক অনবদ্য সংকলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রেমের কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। তার এই সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চালিনী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো গ্রন্থ নয় এবং অপশনের নামটি বিভ্রান্তিকর। B) সঞ্চয়িতা — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ। C) সঞ্চারিণী — এটিও কাজী নজরুল ইসলামের কোনো মৌলিক বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়। D) সঞ্চিতা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার সংকলন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের সঞ্চিতা এবং রবীন্দ্রমূখ সঞ্চয়িতা নাম দুটি প্রায় একই রকম হওয়ায় পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই ভুল করে। নজরুল মানে সঞ্চিতা আর রবীন্দ্রনাথ মানে সঞ্চয়িতা কথাটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের বিখ্যাত কাব্যসংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা এবং নজরুলের সঞ্চিতা গ্রন্থ দুটি আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
2. কে কল্লোল যুগের কবি নন?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কল্লোল যুগের কবি নন, তিনি রবীন্দ্রযুগের প্রধান ও সর্বশ্রেষ্ঠ কবি এবং ঔপন্যাসিক। - ১৯২৩ সালে প্রকাশিত কল্লোল পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে যে আধুনিকতার হাওয়া বয়েছিল, রবীন্দ্রনাথ তার অনেক আগেই বাংলা সাহিত্যের শীর্ষস্থান অধিকার করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২৩ সালে দীনেশচন্দ্র দাশের সম্পাদনায় 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং এর চারপাশের লেখকদের নিয়ে কল্লোল যুগ গঠিত হয়। - বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এই আধুনিক যুগের বা কল্লোল যুগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসুর 'বন্দির বন্দনা' ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের 'ঝরাপল্লব' ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি কল্লোল যুগের আধুনিক মনন ও প্রকৃতিচেতনার এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি কল্লোল যুগের কবি নন, বরং তিনি রবীন্দ্রযুগের একক ও প্রধান স্রষ্টা। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান বিদ্রোহী কবি ও লেখক হিসেবে পরিচিত। C) বুদ্ধদেব বসু — তিনি কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান সংগঠক, কবি ও প্রাবন্ধিক। D) জীবনানন্দ দাশ — তিনি কল্লোল যুগের আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার ও কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - কল্লোল যুগ মানেই রবীন্দ্রনাথের পরের আধুনিক যুগ। - রবীন্দ্রনাথ নিজেই একটি আলাদা যুগ, তাই তিনি কল্লোল যুগের নন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। - কল্লোল যুগের লেখকরা রোমান্টিকতা থেকে বেরিয়ে বাস্তবধর্মী ও আধুনিক সাহিত্য চর্চা শুরু করেন।
3. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 3 weeks ago | Updated 20 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মধ্যাহ্ন কেন সঠিক: ১. এই শব্দটিতে দ এর নিচে হ এবং ন যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। ২. বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী হ ও ন এর যুক্তরূপ এখানে নির্ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যুক্তবর্ণ গঠনের সময় হ এর সাথে ন যুক্ত হলে হ নিচে এবং ন উপরে বসে। ২. মধ্যাহ্ন শব্দের অর্থ দুপুর বা মধ্যদিন এবং এর বানানটি তৎসম শব্দ হিসেবে নির্ধারিত। ৩. যেমন, অপরাহ্ন এবং পূর্বাহ্ন শব্দগুলোতেও একই নিয়মে হ এর নিচে ন যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুষু — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান মুমূর্ষু যেখানে প্রথম উ কার এবং পরে উ কার ও মূর্ধন্য ষ রেফ যুক্ত হয়। B) বিভীষিকা — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান বিভীষিকা বানানে ভ এর সাথে দীর্ঘ ই কার এবং ষ এর সাথে দীর্ঘ ই কার হয়। D) শারীরিক — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান শারীরিক বানানে প্রথম শ এর সাথে দীর্ঘ ই কার এবং র এর সাথে দীর্ঘ ই কার হয়। মনে রাখার টিপস: ১. মধ্যাহ্ন বানানে হ এর নিচে ন যুক্ত হয় বিষয়টি মনে রাখা জরুরি। ২. অপরাহ্ন এবং পূর্বাহ্ন শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়লে এই বানান সহজে মনে থাকে।
5. কোনটি বিশেষণ?
Created 3 weeks ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরিশ্রমী ১. কেন সঠিক: যে পদের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়ের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ বা সংখ্যা প্রকাশ করা হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলে। এখানে পরিশ্রমী শব্দটি দ্বারা মানুষের একটি বিশেষ গুণ বা অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যা বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার, যার মধ্যে বিশেষণ অন্যতম। বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা ইত্যাদি প্রকাশ করার জন্য বিশেষণ পদ ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের ঠিক পূর্বে বসে তার অর্থকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চালাক ছেলে ব্যাখ্যা: এখানে চালাক শব্দটি ছেলের গুণ প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ। উদাহরণ ২: লাল ফুল ব্যাখ্যা: এখানে লাল শব্দটি ফুলের বর্ণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাহাদের — এটি সর্বনাম পদ, কারণ এটি বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। B) পরিশ্রমী — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি গুণবাচক বিশেষণ। C) দর্শন — এটি বিশেষ্য পদ, কারণ এটি দেখা বা কোনো দর্শনের নাম বোঝায়। D) পরীক্ষা — এটি বিশেষ্য পদ, কারণ এটি একটি কাজের বা প্রক্রিয়ার নাম বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশেষণ পদ চেনার সহজ উপায় হলো কোনো শব্দ দ্বারা কেমন বা কী অবস্থা তা বোঝা যায় কি না তা দেখা। কোনো বিশেষ্য পদের আগে কেমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই বিশেষণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ নির্ণয় থেকে প্রশ্ন আসে। তাই বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে এবং বাক্যে শব্দের ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
6. উপকারীর অপকার করে যে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অকৃতজ্ঞ ১. কেন সঠিক: - উপকারীর অপকার করে যে তাকে এককথায় অকৃতজ্ঞ বলা হয়। - এখানে কৃতজ্ঞ শব্দের পূর্বে অ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - সমাস বা প্রত্যয় সাধিত শব্দের মাধ্যমে বড় বাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপকারীর উপকার যে স্বীকার করে না ব্যাখ্যা: এটি কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং একই ধারার বাক্য সংকোচন। উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না ব্যাখ্যা: এটিকে এককথায় দুর্নিবার বলা হয় যা বাক্য সংকোচনের আরেকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃতজ্ঞ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে তাকে বোঝায়। B) কৃতজ্ঞ — এটি মূলত প্রশ্নপত্রে থাকা একটি মুদ্রণজনিত বা টাইপিং ত্রুটি যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। D) অকৃতঘ্ন — এই অপশনটি ভুল কারণ কৃতঘ্ন শব্দের অর্থ উপকারীর অপকারকারী, তবে এখানে সঠিক রূপ অকৃতজ্ঞ। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃতজ্ঞ শব্দটির শুরুতে অ যুক্ত করলে উপকারীর অপকারকারী বোঝায়। - উপকার মনে রাখে যে সে কৃতজ্ঞ আর উপকার ভুলে যায় বা অপকার করে সে অকৃতজ্ঞ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতজ্ঞ ও অকৃতজ্ঞ শব্দ দুটি প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - বানান ও অর্থের দিক থেকে এই বিপরীতার্থক শব্দ দুটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
7. ‘গোঁফ- খেজুরে’ এই বাগধারাটির অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খুব অলস ১. কেন সঠিক: - গোঁফ-খেজুরে বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবার্থগত দিক থেকে চরম অআলস্য বা কর্মবিমুখতা প্রকাশ করে। - অত্যন্ত অলস প্রকৃতির মানুষকে বুঝাতে এই বিশেষ বাগধারাটি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ অর্থে শব্দগুচ্ছের মাধ্যমে নতুন ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুম্ভকর্ণের ঘুম ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থও গভীর ঘুম বা অতিনিন্দ্রা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা অলসতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। উদাহরণ ২: আড়ে বহরে বড় ব্যাখ্যা: এটিও একটি বাগধারা যা বাহ্যিক আকার বা আয়তন বৃদ্ধি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরামপ্রিয় — আরামপ্রিয় বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কষ্ট করতে চায় না কিন্তু খুব অলস না হলেও আরাম খোঁজে, যা গোঁফ-খেজুরে শব্দের মূল ভাব চরম অলসতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। B) উদাসীন — উদাসীন অর্থ যার কোনো কিছুতে আগ্রহ বা আসক্তি নেই, এটি অলসতার সমার্থক হলেও গোঁফ-খেজুরে বাগধারার নির্দিষ্ট অর্থ খুব অলসের পরিবর্তে নির্লিপ্ততা বোঝায় না। D) পরমুখাপেক্ষী — পরমুখাপেক্ষী অর্থ অন্যের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি, যা খুব অলস অর্থে সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - গোঁফ পর্যন্ত হাত তোলার আলস্য যার মধ্যে আছে, সেই তো খুব অলস প্রকৃতির গোঁফ-খেজুরে মানুষ। - এই কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব বা প্রবৃত্তি নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হয়।
8. নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কী?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্তি ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম মুক্তি। ১৯১৯ সালে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির মুখপত্রে এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতের অন্যতম প্রধান পুরুষ। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা যা তাঁকে রাতারাতি খ্যাতি এনে দেয়। উদাহরণ ২: লিচু চোর ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটদের ছড়া ও কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়, বরং তাঁর সর্বাধিক পরিচিত ও খ্যাতি অর্জনকারী কবিতা। B) মুক্তি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা। C) লিচু চোর — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত কবিতা হলেও তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়। D) রণসংগীত — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত গান বা সঙ্গীত, তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুল যখন সাহিত্যজগতে প্রথম এলেন, তখন তিনি পরাধীনতা থেকে মুক্তির বার্তা নিয়ে এলেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম মুক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম অগ্নিবীণা এবং প্রথম প্রকাশিত গদ্য রচনা বা গল্প বাউণ্ডলের আত্মজীবনী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রথম রচনাগুলো প্রায়ই আলাদা করে প্রশ্ন হিসেবে আসে।
9. কোন সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০১−১৩৫০ কেন সঠিক: ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয় কারণ এই দেড়শ বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার কারণে কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম রচিত হয়নি। তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক উপাদানের চরম ঘাটতির কারণে ডক্টর সুকুমার সেন এই যুগকে অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ এবং এর মধ্যে প্রাচীন ও মধ্যযুগের মাঝের সময়টি অন্ধকার যুগ নামে পরিচিত। তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের ফলে স্থানীয় সংস্কৃতির ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল এবং দীর্ঘস্থায়ী অরাজকতায় সাহিত্যচর্চা প্রায় বন্ধ ছিল। এই অন্ধকার যুগের একমাত্র উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক নিদর্শন হলো রামাই পণ্ডিত রচিত শূন্যপুরাণ এবং ডাক ও খনার বচন এই সময়ে রচিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০১−১৪৫০ — এই সময়কালটি অন্ধকার যুগের সীমানার মধ্যে পুরোপুরি পড়ে না এবং এটি মধ্যযুগের সূচনার কাছাকাছি সময় হিসেবে চিহ্নিত। B) ১৩০০−১৪৫০ — এই কালপঞ্জিটি সঠিক ঐতিহাসিক অন্ধকার যুগের সময়সীমার সাথে মেলে না কারণ অন্ধকার যুগ শুরু হয়েছিল ১২০১ খ্রিস্টাব্দে। C) ৬৫০−৯০০ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের অন্তর্ভুক্ত এবং চর্যাপদ রচনার প্রাথমিক পর্যায় এই সময়ের সাথে সম্পর্কিত। D) ১৩০১−১৫০০ — এই সময়সীমাটি অনেক বেশি দীর্ঘ এবং এর শেষভাগটি মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনার সময়কালের সাথে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: বারোশো এক থেকে তেরোশো পঞ্চাশ পর্যন্ত দেড়শ বছরের সময়কাল মনে রাখলে অন্ধকার যুগ সহজেই মুখস্থ রাখা সম্ভব। বখতিয়ার খলজির বাংলা জয় এবং সাহিত্যের অভাব এই দুটি বিষয় মনে রাখলে অন্ধকার যুগ চিহ্নিত করা সহজ হয়।
10. If you had informed me earlier, I _____ you.
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would have met কেন সঠিক: এটি তৃতীয় প্রকারের কন্ডিশনাল সেন্টেন্স। এর নিয়ম হলো ইফ ক্লাজে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে মূল ক্লাজে would have এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। এখানে প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে had informed থাকায় পরের অংশে নিয়ম অনুযায়ী would have met হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would — এটি কেবল মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব হওয়ায় এর সাথে have এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম না থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। B) will have met — প্রথম অংশ পাস্ট টেন্সে থাকায় পরের অংশে ভবিষ্যতের ইঙ্গিতসূচক will have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল নিয়ম। C) would have met — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সম্পূর্ণ সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) would met — would এর পরে কখনো সরাসরি ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না, কারণ মডাল ভার্বের পরে সবসময় ভার্বের বেইস ফর্ম বসে। মনে রাখার টিপস: ইফ ক্লাজে had + ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকলে পরের অংশে always would have + ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
11. Which of the following sentences is grammatically correct?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He doesn’t like coffee. কেন সঠিক: - Third person singular number-এর পর Present Indefinite Tense-এ do-এর সাথে es যুক্ত হয়ে doesn't হয়। - doesn't-এর পর মূল verb-এর Present Form বসে, তাই like ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He don’t like coffee. — Third person singular-এর সাথে don't ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He doesn’t like coffee. — এটি সঠিক উত্তর। C) He not likes coffee. — Negative বাক্য গঠনে সাহায্যকারী verb ছাড়া সরাসরি not এবং মূল verb-এর সাথে s ব্যবহার করা যায় না। D) He is not like coffee. — এখানে is সাহায্যকারী verb-এর পর মূল verb-এর base form বসে না। মনে রাখার টিপস: Subject He, She বা কোনো নাম হলে Negative করার সময় doesn't ব্যবহার করবে এবং মূল verb-এর সাথে s বা es বাদ দিতে হবে।
12. Where there is a will, .....
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) there is a way. কেন সঠিক: - এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ বাক্য বা প্রবৰ্থন যার অর্থ হলো ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়। - এই ধরনের প্রবাদের ক্ষেত্রে প্রচলিত নির্দিষ্ট শব্দগুচ্ছ বা ফ্রেজ অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) there is no way. — এটি প্রবাদের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাকরণগতভাবে প্রবাদের সঙ্গে মেলে না। B) there will be a way. — প্রবাদের প্রচলিত কাঠামোর বাইরে ভবিষ্যৎ কাল ব্যবহার করায় এটি ভুল। C) there is a way. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের নির্ধারিত অংশ। D) there could a way. — বাক্যটিতে মূল ক্রিয়াপদ অনুপস্থিত থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ ও ভুল। মনে রাখার টিপস: ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় বোঝাতে উইল (will) শব্দের সঙ্গে সবসময় ওয়ে (way) যুক্ত এই নির্দিষ্ট প্রবাদটি মনে রাখতে হবে।
13. Which of the following is a proper noun?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Peter কেন সঠিক: - Peter একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা মানুষের নাম বোঝাচ্ছে, যা Proper Noun-এর মূল সংজ্ঞা। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম সর্বদা Proper Noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Teacher — এটি Common Noun কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষককে না বুঝিয়ে সমগ্র শিক্ষক সমাজকে বোঝায়। B) Cow — এটি Common Noun কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট গরুকে না বুঝিয়ে সব গরুজাতীয় প্রাণীকে নির্দেশ করে। C) Water — এটি Material Noun কারণ এটি এমন একটি বস্তুগত পদার্থ যা ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না। D) Peter — এটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম হওয়ায় এটিই একমাত্র সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, নদী, শহর বা দেশের নাম বুঝালে তা সবসময় Proper Noun হয় এবং এর প্রথম অক্ষর বড় হাতের হয়।
14. What is synonym of the word “Conspicuous”?
Created 3 weeks ago | Updated 46 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Noticeable কেন সঠিক: Conspicuous শব্দের অর্থ হলো যা সহজে চোখে পড়ে বা স্পষ্ট। Noticeable শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ যা লক্ষ্য করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Obscure — এর অর্থ অস্পষ্ট বা যা সহজে দেখা যায় না। B) Vague — এর অর্থ অনির্দিষ্ট বা যা পরিষ্কার নয়। C) Noticeable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Invisible — এর অর্থ অদৃশ্য বা যা খালি চোখে দেখা যায় না। মনে রাখার টিপস: কনস্পিকুয়াস (Conspicuous) মানে স্পষ্ট দৃশ্যমান, আর নোটিসএবল (Noticeable) মানেও চোখে পড়ার মতো।
15. Which spelling is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lieutenant কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক গঠন হলো এল-আই-ইউ-টি-ই-এন-এ-এন-টি (Lieutenant)। - ফরাসি শব্দ থেকে আগত এই শব্দটির উচ্চারণে 'ফ' উচ্চারণ হলেও বানানে তা থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lieutenant — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ সেনা ল্যাফটেন্যান্ট বা সহকারী কর্মকর্তা। B) Leftanant — এই বানানটি ভুল কারণ এতে সঠিক ফরাসি মূল বানান ও উচ্চারণ রক্ষা করা হয়নি। C) Misselanneous — সঠিক বানান Miscellaneous, এখানে অতিরিক্ত 's' এবং ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Preveliger — সঠিক বানান Privileged, এখানে বানান গঠন সম্পূর্ণ ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটিকে ভেঙে মনে রাখুন: Lieu (ল্যু) + tenant (টিন্যান্ট) = Lieutenant।
16. What is meaning of the idiom ‘hit the nail on the head’?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) being absolutely right কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো পেরেকে সঠিকভাবে আঘাত করা। এর ভাবার্থ হলো কোনো বিষয়ে একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া বা নিখুঁত কথা বলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to hurt oneself — এর অর্থ নিজেকে আঘাত করা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। B) beating someone — এর অর্থ কাউকে প্রহার করা, যা মূল বাগধারাটির ভাবার্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) being absolutely right — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) giving attention — এর অর্থ মনোযোগ দেওয়া, যা এই বিশেষ বাগধারাটির সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: পেরেক মারার সময় ঠিক মাথায় আঘাত করলে যেমন নিখুঁত কাজ হয়, তেমনি কোনো বিষয়ে একদম সঠিক কথা বলাকেই এই ইডিয়ম দিয়ে বোঝানো হয়।
17. They _____ in this house since 2015.
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) have been living কেন সঠিক: বাক্যে since এবং সাল বা নির্দিষ্ট সময় থাকলে Present Perfect Continuous Tense হয়। অতীত থেকে শুরু হয়ে কাজটি বর্তমানেও চলছে বোঝাতে সঠিক উত্তর হবে have been living। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had lived — অতীতকালের দুটি ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে Past Perfect Tense হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) have been living — এটি সঠিক উত্তর। C) have lived — Present Perfect Tense কাজটি বর্তমানেও চলছে এমন ধারাবাহিকতা প্রকাশ করতে পারে না। D) living — মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হলেও সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি স্বাধীনভাবে tense গঠন করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এর পরে সময় উল্লেখ থাকলে এবং কাজ চলমান বোঝালে always Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করবে।
18. None but Rahim has done the work. Here the word ‘but’ is-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Preposition কেন সঠিক: - বাক্যে 'None but Rahim' অর্থে 'Rahim ব্যতিরেকে কেউ না' বোঝানো হয়েছে, যেখানে 'but' শব্দটি 'except' বা ব্যাতিরেকে অর্থ প্রকাশ করে Preposition হিসেবে কাজ করেছে। - 'None' প্রোনাউনের পরে বসে 'but' যখন ব্যতিরেকে বা ছাড়া অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা Preposition হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'but' দুটি পদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে 'except' বা 'ব্যতিরেকে' অর্থ প্রকাশ করেছে। B) Conjunction — Conjunction হতে হলে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশকে যুক্ত করতে হয়, যা এখানে ঘটেনি। C) Adverb — Adverb সাধারণত ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে Modify করে, যা এই বাক্যে 'but' করেনি। D) Adjective — Adjective সাধারণত কোনো noun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে Noun-এর পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'None but' থাকলে এবং এর অর্থ 'ব্যতিরেকে' বা 'ছাড়া' বুঝালে 'but' সবসময় Preposition হয়।
19. He was aware _____ the danger.
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: aware শব্দের পরে সাধারণত সঠিক preposition হিসেবে অব বসে। বাংলায় aware of শব্দের অর্থ সচেতন থাকা। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সে বিপদ সম্পর্কে সচেতন ছিল। এই নিয়মে সঠিক উত্তর হিসেবে of নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) about — aware শব্দের সাথে about ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। এটি ভুল preposition। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) for — aware এর সাথে for বসে না। এটি অর্থের সাথে মেলে না। D) to — aware এর পরে to বসে অভ্যস্ত বোঝাতে, তবে বিপदों ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Aware শব্দের সাথে সবসময় of বসে, যেমন Aware of danger বা Aware of the situation।
20. Which one is the feminine form?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bee কেন সঠিক: Bee শব্দটির নির্দিষ্ট কোনো মাসকুলিন বা স্ত্রীবাচক রূপ থাকে না, তবে এটি নিজে একটি ফেমিনাইন বা স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। মৌমাছির ক্ষেত্রে রাণী মৌমাছি বোঝাতে Bee বা Queen bee ব্যবহৃত হয় যা স্ত্রীবাচক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deer — এটি একটি কমন জেন্ডার বা উভয়লিঙ্গ শব্দ যার নর ও নারী উভয়কেই বোঝানো যায়। B) Bull — এটি একটি মাসকুলিন জেন্ডার বা পুংলিঙ্গ শব্দ যা ষাঁড় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Horse — এটি একটি কমন জেন্ডার বা উভয়লিঙ্গ শব্দ যা ঘোড়া জাতিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কিছু পতঙ্গের নাম সরাসরি স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ধরা হয়, যেমন Bee হলো স্ত্রীবাচক মৌমাছি।
21. − 3 − 6 − 9 − 12 ....... ধারাটির ১ম বারোটি পদের সমষ্টি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) − ২৩৪ প্রدত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ, a = − ৩ সাধারণ পার্থক্য, d = (− ৬) − (− ৩) = − ৩ ধরি, পদের সংখ্যা, n = ১২ সমান্তর ধারার সূত্র ব্যবহার করতে হবে অতএব, শেষ পদ = a + (n − ১) × d শেষ পদ = − ৩ + (১২ − ১) × (− ৩) = − ৩ + ১১ × (− ৩) = − ৩ − ৩৩ = − ৩৬ সুতরাং, সমষ্টি S = (n ÷ ২) × (প্রথম পদ + শেষ পদ) সমষ্টি S = (১২ ÷ ২) × (− ৩ + (− ৩৬)) = ৬ × (− ৩৯) = − ২৩৪ উত্তর: − ২৩৪
22. 9x² − 9x − 4 এর উৎপাদক কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (3x − 4)(3x + 1) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৯x² − ৯x − ৪ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ বিভাজন করতে হবে অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল = ৯ × (−৪) = −৩৬x² মধ্যপদের মান = −৯x সুতরাং, −৩৬x² কে ভেঙে লেখা যায় −১২x + ৩x কারণ, (−১২x) × ৩x = −৩৬x² এবং −১২x + ৩x = −৯x উত্তর: (3x − 4)(3x + 1)
23. (x − 2)/(x − 1) + 1/(x − 1) − 2 = 0 এর সমাধান সেট কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1 প্রদত্ত সমীকরণ: (x − 2) ÷ (x − 1) + 1 ÷ (x − 1) − 2 = 0 লসাগু করে পাই: (x − 2 + 1 − 2(x − 1)) ÷ (x − 1) = 0 লব সরল করে পাই: x − 1 − 2x + 2 = 0 সমাধান করে পাই: −x + 1 = 0 পক্ষান্তর করে পাই: x = 1 নির্ণেয় সমাধান: x এর মান ১ উত্তর: 1
24. √144 is equal to ............?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো √১৪৪ ধরি, সংখ্যাটির বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে অতএব, ১২ × ১২ = ১৪৪ সুতরাং, √১৪৪ এর মান ১২ উত্তর: ১২
25. ঘড়িতে এখন ৯টা বাজে। ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে এখন সময় ঠিক ৯টা বাজে ঘণ্টার কাঁটা ৯ এর ঘরে এবং মিনিটের কাঁটা ১২ এর ঘরে আছে ধরি, ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তাকার পথ বা কেন্দ্রস্থ কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ঘড়িতে মোট ঘণ্টার ঘর সংখ্যা = ১২ টি অতএব, প্রতি এক ঘণ্টার জন্য ঘরের মধ্যকার কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ১২ = ৩০ ডিগ্রি ৯টা বাজার সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার ঘরের ব্যবধান = ৩ ঘর ১২ থেকে ৯ পর্যন্ত দূরত্ব = ৩ ঘর সুতরাং, কাঁটাদ্বয়ের মধ্যকার কোণ = ৩ × ৩০ ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি উত্তর: ৯০°
26. ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৭ : ৩। ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার পেট্রোল মেশালে অনুপাত ৩ : ৭ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, মিশ্রণে কেরোসিনের পরিমাণ = ৬০ এর (৭ ÷ ১০) লিটার = ৪২ লিটার মিশ্রণে পেট্রোলের পরিমাণ = ৬০ এর (৩ ÷ ১০) লিটার = ১৮ লিটার অতএব, নতুন মিশ্রণে পেট্রোল মেশাতে হবে ক লিটার নতুন পেট্রোলের পরিমাণ = (১৮ + ক) লিটার সুতরাং, ৪২ ÷ (১৮ + ক) = ৩ ÷ ৭ ৩ × (১৮ + ক) = ৪২ × ৭ উত্তর: ক = ৮০ লিটার
27. tan(3A) = √3 হলে A = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০° প্রদত্ত তথ্য: tan(৩A) = √৩ ধরি, tan এর মান √৩ হয় ৬০° কোণের জন্য তাই লেখা যায় tan(৩A) = tan(৬০°) উভয় পাশ থেকে tan বাদ দেওয়া যাক অতএব, ৩A = ৬০° সুতরাং, A = ৬০° ÷ ৩ উত্তর: ২০°
28. একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘোরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৪০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ঘোরে = ৯০ বার এক মিনিট সমান সমান = ৬০ সেকেন্ড ধরি, চাকাটি ৬০ সেকেন্ডে ঘোরে = ৯০ × ৩৬০° = ৩২৪০০° অতএব, চাকাটি ১ সেকেন্ডে ঘোরে = ৩২৪০০° ÷ ৬০ সুতরাং, চাকাটি ১ সেকেন্ডে ঘুরবে = ৫৪০° উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি
29. 'ক' এবং 'খ' একত্রে একটি কাজ ১২ দিনে করতে পারে। 'ক' একা কাজটি ২০ দিনে করতে পারে। 'খ' একা কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক এবং খ একত্রে কাজটি করতে পারে ১২ দিনে ক একা কাজটি করতে পারে ২০ দিনে ধরি, মোট কাজ ১ অংশ অতএব, ক এবং খ ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ ক একা ১ দিনে করে ১ ÷ ২০ অংশ সুতরাং, খ একা ১ দিনে করে (১ ÷ ১২) − (১ ÷ ২০) অংশ = (৫ − ৩) ÷ ৬০ অংশ = ২ ÷ ৬০ অংশ = ১ ÷ ৩০ অংশ উত্তর: ৩০ দিনে
30. ১ + ৫ + ৯ + ১৩ + ....... ধারাটির ১৫তম পদ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 18 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ১৩ + ....... এটি একটি সমান্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ, a = ১ সাধারণ অন্তর, d = ৫ − ১ = ৪ অতএব, পদসংখ্যা, n = ১৫ আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d সুতরাং, ১৫তম পদ = ১ + (১৫ − ১) × ৪ উত্তর: ১ + ১৪ × ৪ = ৫৭
31. বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 39 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r) নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r) সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ৯ গুণ উত্তর: ৯
32. x = 1 − 1/x হলে, x² + 1/x² এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) − ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x = ১ − (১ ÷ x) ধরি, x এর মান পরিবর্তন করে পক্ষান্তর করা যাক অতএব, x + (১ ÷ x) = ১ সুতরাং, উভয় পক্ষে বর্গ করে পাই, (x + (১ ÷ x)) বর্গ = ১ বর্গ অতএব, x বর্গ + (১ ÷ x বর্গ) + ২ = ১ সুতরাং, x বর্গ + (১ ÷ x বর্গ) = ১ − ২ উত্তর: − ১
33. যদি x : y = y : z = 1.5 এবং z = 2 হয়, তবে x এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪.৫ প্রদত্ত তথ্য: অনুপাত x : y = y : z = ১.৫ শেষ মান z = ২ ধরি, y ÷ z = ১.৫ x ÷ y = ১.৫ অতএব, y ÷ ২ = ১.৫ y = ১.৫ × ২ = ৩ সুতরাং, x ÷ ৩ = ১.৫ x = ১.৫ × ৩ = ৪.৫ উত্তর: ৪.৫
34. x + y = 6 এবং xy = 8 হলে, (x − y)² এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল x + y = ৬ দুটি রাশির গুণফল xy = ৮ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে (x − y)² এর অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x − y)² = (x + y)² − ৪xy লেখা যায় সুতরাং, (x − y)² এর মানে x + y এবং xy এর মান বসাতে হবে উত্তর: মানটি হবে ৬ এর বর্গ থেকে চার গুণ আট বিয়োগ অর্থাৎ ৩৬ − ৩২ = ৪
36. Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB) এর সদর দপ্তর কোথায়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেইজিং কেন সঠিক: - এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বা এআইআইবি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় চীনের বেইজিং শহরে অবস্থিত। - ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে এই ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এবং চীন এর প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেইজিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় চীনের রাজধানীতে অবস্থিত। B) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শহর হলেও এই ব্যাংকের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। C) সাংহাই — এটি চীনের অর্থনৈকতক শহর হলেও এআইআইবি ব্যাংকের সদর দপ্তর বেইজিংয়ে অবস্থিত। D) সিঙ্গাপুর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এই নির্দিষ্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার অবকাঠামো উন্নয়নের ব্যাংক এআইআইবির সদর দপ্তর চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত।
37. জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগাল কেন সঠিক: - জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পর্তুগালের নাগরিক এবং দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী। - তিনি ২০১৭ সাল থেকে জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত দেশ হলেও বর্তমান মহাসচিবের জন্মভূমি নয়। B) স্পেন — এটি পর্তুগালের প্রতিবেশী একটি ইউরোপীয় দেশ হলেও জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব এই দেশের নন। C) পর্তুগাল — এই অপশনটি সঠিক এবং বর্তমান মহাসচিব এই দেশের নাগরিক। D) মেক্সিকো — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের নামের সাথে পর্তুগাল শব্দটি মনে রাখতে 'প' দিয়ে পর্তুগাল ও 'প' দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই মিলটি মনে রাখতে পারেন।
38. মূল্য সংযোজন কর একটি-
Created 3 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরোক্ষ কর কেন সঠিক: - মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট এমন একটি কর যা চূড়ান্ত ভোক্তার ওপর অর্পিত হয় কিন্তু ব্যবসায়ী বা উৎপাদনকারী সরকারের কাছে জমা দেন। - করের বোঝা সরাসরি আয়ের ওপর না পড়ে পণ্যের দামের সাথে যুক্ত হয়ে ভোক্তার ওপর বর্তায় বলে এটি পরোক্ষ কর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যক্ষ কর — আয়ের ওপর সরাসরি ধার্য করা হয় এবং এর বোঝা অন্য কারো ওপর স্থানান্তর করা যায় না। B) পরোক্ষ কর — এটি সঠিক কারণ করের প্রাথমিক ভার বিক্রেতার ওপর পড়লেও চূড়ান্ত ভার ভোক্তার ওপর স্থানান্তরিত হয়। C) পরিপূরক কর — এটি করের কোনো প্রচলিত বা মূল অর্থনৈতিক শ্রেণিবিভাগ নয়। D) সম্পূরক কর — এটি নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর মূল ভ্যাটের অতিরিক্ত হিসেবে আদায় করা হয়, যা পরোক্ষ করের একটি বিশেষ রূপ কিন্তু এখানে মূল করের ধরন জানতে চাওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: যেই কর সরাসরি নিজের আয় থেকে দিতে হয় তা প্রত্যক্ষ, আর যা দোকান থেকে পণ্য কেনার সময় দামের সাথে দিতে হয় তা পরোক্ষ।
39. জুলে রিমে কোন খেলার সাথে সম্পর্কিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্বকাপ ফুটবল কেন সঠিক: - জুলে রিমে ছিলেন ফিফার তৃতীয় সভাপতি এবং ১৯৩০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের প্রবক্তা। - তাঁর নামানুসারে প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফির নামকরণ করা হয়েছিল জুলে রিমে ট্রফি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বকাপ ক্রিকেট — ক্রিকেটের বিশ্ব আসরের সাথে জুলে রিমেলের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এর প্রধান ট্রফির নাম ভিন্ন। B) বিশ্বকাপ ফুটবল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিযোগিতার ট্রফি জুলে রিমে স্মরণে নামকরণ করা হয়েছিল। C) বিশ্বকাপ হকি — হকির বিশ্ব আসরের সাথে এই ব্যক্তির নাম জড়িত নয়। D) টেনিস — টেনিস খেলার বিশ্বমানের টুর্নামেন্টের নামকরণে জুলে রিমের কোনো ভূমিকা নেই। মনে রাখার টিপস: ফুটবলের জনক বা প্রবক্তা ভাবলেই মাথায় আনতে হবে জুলে রিমে ট্রফির কথা।
41. ল্যুভর মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস কেন সঠিক: - ল্যুভর মিউজিয়াম ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সিন নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শিল্পকলা জাদুঘর এবং ঐতিহাসিক ল্যুভর প্রাসাদের একটি অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত ল্যুভর মিউজিয়াম এই শহরেই অবস্থিত। B) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং এখানে ল্যুভর মিউজিয়াম নেই। C) সিঙ্গাপুর — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এখানে এই জাদুঘর অবস্থিত নয়। D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এটি ভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ল্যুভরের 'ল' এবং প্যারিসের 'প' যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেই এই বিখ্যাত মিউজিয়ামটি অবস্থিত।
42. বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত কেন সঠিক: - জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারত চীনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। - বর্তমানে ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটির অধিক যা বিশ্ব জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশ। B) চীন — একসময় শীর্ষস্থানে থাকলেও বর্তমানে জনসংখ্যার দিক থেকে এটি দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে। C) আমেরিকা — এটি বিশ্বের তৃতীয় সর্বাধিক জনবহুল দেশ হলেও জনসংখ্যার পরিমাণ ভারতের চেয়ে অনেক কম। D) পাকিস্তান — এটি বিশ্বের পঞ্চম সর্বাধিক জনবহুল দেশ এবং জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের পেছনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাম্প্রতিক জনসংখ্যার শীর্ষ দেশ মনে রাখতে ভারত শব্দটিকে প্রথম স্থানে রাখবে।
44. সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে সাধারণত কী গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন ১. কেন সঠিক: সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে নিষ্ক্রিয় বা অর্ধ-নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়। এটি বাল্বের ভেতরে থাকা টাংস্টেন ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে এবং বাল্বের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট অত্যন্ত উচ্চ তাপে আলো ছড়ায় এবং বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এলে ফিলামেন্ট পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়। কার্যপ্রণালি: বাল্বের ভেতর থেকে বাতাস বা অক্সিজেন সরিয়ে নাইট্রোজেন বা আর্গনের মতো গ্যাস ভরা হয়, যা ফিলামেন্টের সাথে বিক্রিয়া করে না। কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেন না থাকায় ফিলামেন্ট দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ তাপ সহ্য করতে পারে এবং পুড়ে যায় না। বাস্তব প্রয়োগ: সাধারণ ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্ব বা টাংস্টেন ফিলামেন্ট বাল্বের আয়ু বৃদ্ধি করতে এই গ্যাস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্ব প্রজ্বলিত করা ব্যাখ্যা: বাল্ব জ্বলার সময় ফিলামেন্টের তাপমাত্রা তিন হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, যা নাইট্রোজেন গ্যাসের উপস্থিতির কারণে অক্ষত থাকে। উদাহরণ ২: প্যাকেটজাত খাদ্যের চিপসের প্যাকেট ব্যাখ্যা: চিপসের প্যাকেটেও নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয় যাতে খাদ্যদ্রব্য অক্সিজেন বা আর্দ্রতার কারণে নষ্ট না হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় বা কম সক্রিয় গ্যাস যা ফিলামেন্ট রক্ষায় সঠিকভাবে কাজ করে। B) হিলিয়াম — এটি অত্যন্ত হালকা এবং ব্যয়বহুল নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা সাধারণত সাধারণ বাল্বে ব্যবহার করা হয় না। C) নিয়ন — এটি রঙিন বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ডের টিউবে ব্যবহার করা হয়, সাধারণ গৃহস্থালি বাল্বে নয়। D) অক্সিজেন — এটি দহনে সাহায্য করে, তাই বাল্বের ভিতরে থাকলে ফিলামেন্ট মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যেত। ৫. মনে রাখার টিপস: বাল্ব জ্বলে ফিলামেন্টের তাপে, অক্সিজেন পেলে তা দ্রুত যাবে পুড়ে। তাই নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে ফিলামেন্ট রাখা হয় নিরাপদ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট মূলত টাংস্টেন ধাতু দ্বারা তৈরি হয় এবং এর গলনাঙ্ক প্রায় তিন হাজার চারশো ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাল্বের ফিলামেন্ট কি দিয়ে তৈরি এবং বাল্বে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
45. নিচের কোনটি সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bing ১. কেন সঠিক: - Bing কোনো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি মাইক্রোসফটের একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। - এটি ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়, মানুষের সাথে সামাজিক যোগাযোগের জন্য নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে সংরক্ষিত তথ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কিওয়ার্ড বা শব্দ লিখে সার্চ করলে ওয়েব ক্রলারের মাধ্যমে সূচীকৃত পেজ থেকে ফলাফল প্রদর্শন করে। - ব্যবহার: ইন্টারনেট থেকে প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট, ছবি, ভিডিও বা ম্যাপ খুঁজে পেতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Google Search ব্যাখ্যা: এটিও Bing এর মতো একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যা তথ্য খুঁজতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: Yahoo Search ব্যাখ্যা: এটি ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা খোঁজার আরেকটি সার্চ ইঞ্জিন প্ল্যাটফর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Twitter — এটি একটি সুপরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া ও মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা মতবিনিময় করে। B) Bing — এটি কোনো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন। C) Instagram — এটি ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং ভিত্তিক একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। D) Facebook — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সামাজিক যোগাযোগ বা চ্যাটিংয়ের মাধ্যমগুলো হলো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম। - তথ্য খোঁজার মাধ্যমগুলো হলো সার্চ ইঞ্জিন, যেমন Bing এবং Google। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্চ ইঞ্জিন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing এবং গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের নাম Google।
46. BIOS এর পূর্ণরূপ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Basic Input Output System ১. কেন সঠিক: - BIOS হলো এমন একটি ফার্মওয়্যার যা কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের রিড-অনলি মেমরিতে সংরক্ষিত থাকে। - কম্পিউটার চালু করার পর এটি হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে মেমরিতে লোড করতে সহায়তা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: BIOS হলো Basic Input Output System, যা হার্ডওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগের সেতু হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার অন করার পর এটি পাওয়ার-অন সেলফ টেস্ট বা পোস্ট সম্পন্ন করে সব হার্ডওয়্যার উপাদান পরীক্ষা করে। - ব্যবহার: উইন্ডোজ বা অন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে মাদারবোর্ড নিয়ন্ত্রণ করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাপটপের সুইচ টিপলে প্রথমে যে কালো স্ক্রিনে প্রস্তুতকারকের লোগো ও প্রসেসরের তথ্য আসে, তা BIOS-এর কাজের ফল। ব্যাখ্যা: এটি র‍্যাম বা হার্ডডিস্ক সচল আছে কি না তা নিশ্চিত করে অপারেটিং সিস্টেম চালুর পথ তৈরি করে। উদাহরণ ২: নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল করার সময় বুট প্রায়োরিটি বা পেনড্রাইভ থেকে বুট করার অপشن ঠিক করতে BIOS মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী নিজের পছন্দমতো স্টোরেজ ডিভাইস থেকে কম্পিউটার চালু করার নির্দেশনা দিতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Basic International Operating System — এটি কোনো বাস্তব বা প্রচলিত কম্পিউটার প্রযুক্তি বা সফটওয়্যারের নাম নয়। B) Best Input output System — এটি BIOS-এর সঠিক পূর্ণরূপ নয় এবং মাঝখানে ইন্টারন্যাশনাল বা বেস্ট শব্দগুলো টেকনিক্যালি ভুল। C) Best Input Operating System — এই নামে কোনো সিস্টেম বা প্রোটোকল কম্পিউটার বিজ্ঞানে অস্তিত্বশীল নয়। D) Basic Input Output System — এটি সঠিক কারণ এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিআইওএস বা BIOS মানে হলো বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম যা ইনপুট ও আউটপুট পরিচালনা করে। - প্রথম ও শেষ অক্ষর এবং ভেতরের পূর্ণরূপগুলো মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BIOS সাধারণত মাদারবোর্ডের ফ্ল্যাশ রম বা ইলোপ্রমে সংরক্ষিত থাকে। - আধুনিক কম্পিউটারে BIOS-এর পরিবর্তে অনেক উন্নত ইউইএফআই বা ইউনিক্স এক্সটেনসিবল ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
47. Split Cells এর মাধ্যমে কী করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কোন সেলকে ভাগ করা হয় ১. কেন সঠিক: - এমএস এক্সেল বা টেবিল প্রসেসিং সফটওয়্যারে একটি একক সেলকে একাধিক নতুন সেলে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে স্প্লিট সেল বলা হয়। - এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুসারে একটি বড় সেলকে অনুভূমিক বা উলম্বভাবে ছোট ছোট অংশে ভাগ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্প্লিট সেল হলো টেবিলের একটি সুনির্দিষ্ট কলাম বা রো-এর সেলকে ভেঙে একাধিক ছোট কলাম বা রো-তে রূপান্তর করার একটি কমান্ড। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যে সেলটি ভাগ করতে চান, সেখানে কার্সর রেখে স্প্লিট সেল অপশন নির্বাচন করলে একটি ডায়ালগ বক্স আসে যেখানে কাঙ্ক্ষিত কলাম ও রো-এর সংখ্যা লিখে দিতে হয়। - ব্যবহার: সাধারণত ফর্মে তথ্য সাজানোর সময়, হেডার তৈরি করতে কিংবা ছকের বিন্যাস সুন্দর করার জন্য এই টুল ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি মাসিক ছুটির টেবিলের প্রথম সারির বড় সেলটিতে 'তারিখ ও দিন' লিখতে গিয়ে সেলটিকে মাঝখান থেকে দুটি ভাগে ভাগ করা। ব্যাখ্যা: একটি কলামের মধ্যে বার ও তারিখ আলাদা আলাদা দেখানোর জন্য সেল স্প্লিট করে দুটি ছোট সেল তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: একটি মার্কশিটের হেডার অংশে 'বিষয়' এবং 'নম্বর' পাশাপাশি রাখার জন্য একটি বড় সেলকে দুটি কলামে বিভক্ত করা। ব্যাখ্যা: ছকের সৌন্দর্য ও ডেটার সঠিক বিন্যাস নিশ্চিত করতে এই স্প্লিটিং প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোন সেলকে ভাগ করা হয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্প্লিট সেল কমান্ডের মূল কাজই হলো একটি একক সেলকে ভেঙে একাধিক সেলে পরিণত করা। B) কোন সেলে ডাটা লেখা হয় — এটি ভুল কারণ ডেটা এন্ট্রি করার জন্য স্প্লিট সেল ব্যবহার করা হয় না, বরং টাইপিং বা ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডেটা লেখা হয়। C) দুটি সেলকে যোগ করা হয় — এটি ভুল কারণ দুটি বা ততোধিক সেলকে একত্রিত করার প্রক্রিয়াকে মার্জ সেল বলা হয়, স্প্লিট সেল নয়। D) সেল ডিলিট করা হয় — এটি ভুল কারণ সেল মুছে ফেলার জন্য ডিলিট কমান্ড ব্যবহার করা হয়, স্প্লিট সেল কেবল সেলকে বিভক্ত করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্প্লিট শব্দের অর্থ হলো ভেঙে ফেলা বা আলাদা করা, তাই স্প্লিট সেল মানে সেল ভাঙা। - মার্জ সেল মানে জোড়া লাগানো এবং স্প্লিট সেল মানে ভাগ করা, এই দুটি বিপরীত কাজ পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমএস ওয়ার্ড ও এক্সেলের টেবিল মেনুতে মার্জ সেল এবং স্প্লিট সেল অপশন দুটি প্রায়ই একসাথে প্রশ্ন হিসেবে আসে। - শর্টকাট বা রিবন লেআউট থেকে এই কমান্ডগুলো পরিচালনা করা হয়।
48. চট্টগ্রাম কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্ণফুলী কেন সঠিক: * চট্টগ্রাম বন্দর এবং প্রধান শহরটি এই নদীর তীরে গড়ে উঠেছে। * ঐতিহাসিককাল থেকেই এই নদী চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান জলপথ হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক তথ্য: * নদীটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। * এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবহমান নদী। * এই নদীর ওপর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাকখালী — এই নদীটি মূলত কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এটি চট্টগ্রাম শহরের নদী নয়। C) হালদা — এটি কর্ণফুলীর একটি প্রধান শাখা নদী এবং রুই মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে বিখ্যাত হলেও চট্টগ্রাম শহর এর তীরে অবস্থিত নয়। D) ফেনী — এই নদীটি মূলত নোয়াখালী ও খাগড়াছড়ি জেলার সীমানা নির্ধারণ করে এবং এটি চট্টগ্রাম থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: * বন্দর নগরী চট্টগ্রাম বললেই কর্ণফুলী নদীর নাম মনে রাখতে হবে। * চট্টগ্রামের সাথে কর্ণফুলীর নাম ও ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
49. সুনামির কারণ-
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প কেন সঠিক: সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূকম্পনের ফলে সমুদ্রের জলের বিশাল ভর আলোড়িত হয়। এই তীব্র আলোড়ন উপকূলের দিকে ধাবিত হয়ে প্রকাণ্ড সামুদ্রিক ঢেউ বা সুনামির সৃষ্টি করে। ভৌগোলিক তথ্য: প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সুনামির ঘটনা সবচেয়ে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। সুনামি একটি জাপানি শব্দ যার অর্থ বন্দরের ঢেউ। দুই হাজার চার সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি ছিল ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত — এটি সমুদ্রের নিচে ঘটলে কখনো সুনামি হতে পারে তবে প্রধান কারণ এটি নয়। B) ঘূর্ণিঝড় — এটি কেবল সমুদ্রের উপরিভাগে তীব্র বাতাসের সৃষ্টি করে কিন্তু সুনামির মতো দৈত্যাকার ঢেউ তৈরি করে না। C) সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সূর্যগ্রহণ — এটি একটি মহাজাগতিক ঘটনা এবং এর সাথে পৃথিবীর অভ্যন্তরীন ভূকম্পন বা সুনামির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সুনামির সাথে ভূকম্পন শব্দটি গভীরভাবে যুক্ত। সমুদ্রের তলায় কম্পন মানেই সুনামির আগমন।
50. রাশিয়া কোন মহাদেশে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরোপ কেন সঠিক: রাশিয়া এমন একটি দেশ যা এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশ জুড়েই বিস্তৃত। তবে এর রাজধানী মস্কো এবং প্রধান জনবসতিপূর্ণ অংশটি ইউরোপীয় ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থিত। ভৌগোলিক তথ্য: রাশিয়া মূলত ইউরেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ। এর মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি দুটি মহাদেশে ছড়িয়ে আছে। রাশিয়ার ইউরোপীয় অংশটি এশীয় অংশের তুলনায় ছোট হলেও সেখানে দেশটির অধিকাংশ মানুষ বাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপ — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাশিয়ার মূল অংশ ও রাজধানী এই মহাদেশে অবস্থিত। B) এন্টার্টিকা — এটি পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি বরফাচ্ছাদিত মহাদেশ যেখানে রাশিয়া নেই। C) আমেরিকা — এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে বোঝায় যার সাথে রাশিয়ার কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) আফ্রিকা — এটি একটি সম্পূর্ণ আলাদা মহাদেশ এবং রাশিয়া এই মহাদেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: রাশিয়া দুই মহাদেশে ছড়ানো হলেও এর রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ইউরোপে থাকার কারণে একে ইউরোপীয় দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়।

মোট প্রশ্ন (9)

1. কোনটি বিশেষণ?
Created 3 weeks ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরিশ্রমী ১. কেন সঠিক: যে পদের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়ের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ বা সংখ্যা প্রকাশ করা হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলে। এখানে পরিশ্রমী শব্দটি দ্বারা মানুষের একটি বিশেষ গুণ বা অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যা বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার, যার মধ্যে বিশেষণ অন্যতম। বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা ইত্যাদি প্রকাশ করার জন্য বিশেষণ পদ ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের ঠিক পূর্বে বসে তার অর্থকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চালাক ছেলে ব্যাখ্যা: এখানে চালাক শব্দটি ছেলের গুণ প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ। উদাহরণ ২: লাল ফুল ব্যাখ্যা: এখানে লাল শব্দটি ফুলের বর্ণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাহাদের — এটি সর্বনাম পদ, কারণ এটি বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। B) পরিশ্রমী — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি গুণবাচক বিশেষণ। C) দর্শন — এটি বিশেষ্য পদ, কারণ এটি দেখা বা কোনো দর্শনের নাম বোঝায়। D) পরীক্ষা — এটি বিশেষ্য পদ, কারণ এটি একটি কাজের বা প্রক্রিয়ার নাম বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশেষণ পদ চেনার সহজ উপায় হলো কোনো শব্দ দ্বারা কেমন বা কী অবস্থা তা বোঝা যায় কি না তা দেখা। কোনো বিশেষ্য পদের আগে কেমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই বিশেষণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ নির্ণয় থেকে প্রশ্ন আসে। তাই বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে এবং বাক্যে শব্দের ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
3. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 3 weeks ago | Updated 20 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মধ্যাহ্ন কেন সঠিক: ১. এই শব্দটিতে দ এর নিচে হ এবং ন যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। ২. বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী হ ও ন এর যুক্তরূপ এখানে নির্ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যুক্তবর্ণ গঠনের সময় হ এর সাথে ন যুক্ত হলে হ নিচে এবং ন উপরে বসে। ২. মধ্যাহ্ন শব্দের অর্থ দুপুর বা মধ্যদিন এবং এর বানানটি তৎসম শব্দ হিসেবে নির্ধারিত। ৩. যেমন, অপরাহ্ন এবং পূর্বাহ্ন শব্দগুলোতেও একই নিয়মে হ এর নিচে ন যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুষু — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান মুমূর্ষু যেখানে প্রথম উ কার এবং পরে উ কার ও মূর্ধন্য ষ রেফ যুক্ত হয়। B) বিভীষিকা — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান বিভীষিকা বানানে ভ এর সাথে দীর্ঘ ই কার এবং ষ এর সাথে দীর্ঘ ই কার হয়। D) শারীরিক — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান শারীরিক বানানে প্রথম শ এর সাথে দীর্ঘ ই কার এবং র এর সাথে দীর্ঘ ই কার হয়। মনে রাখার টিপস: ১. মধ্যাহ্ন বানানে হ এর নিচে ন যুক্ত হয় বিষয়টি মনে রাখা জরুরি। ২. অপরাহ্ন এবং পূর্বাহ্ন শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়লে এই বানান সহজে মনে থাকে।
4. কে কল্লোল যুগের কবি নন?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কল্লোল যুগের কবি নন, তিনি রবীন্দ্রযুগের প্রধান ও সর্বশ্রেষ্ঠ কবি এবং ঔপন্যাসিক। - ১৯২৩ সালে প্রকাশিত কল্লোল পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে যে আধুনিকতার হাওয়া বয়েছিল, রবীন্দ্রনাথ তার অনেক আগেই বাংলা সাহিত্যের শীর্ষস্থান অধিকার করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২৩ সালে দীনেশচন্দ্র দাশের সম্পাদনায় 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং এর চারপাশের লেখকদের নিয়ে কল্লোল যুগ গঠিত হয়। - বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এই আধুনিক যুগের বা কল্লোল যুগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসুর 'বন্দির বন্দনা' ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের 'ঝরাপল্লব' ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি কল্লোল যুগের আধুনিক মনন ও প্রকৃতিচেতনার এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি কল্লোল যুগের কবি নন, বরং তিনি রবীন্দ্রযুগের একক ও প্রধান স্রষ্টা। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান বিদ্রোহী কবি ও লেখক হিসেবে পরিচিত। C) বুদ্ধদেব বসু — তিনি কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান সংগঠক, কবি ও প্রাবন্ধিক। D) জীবনানন্দ দাশ — তিনি কল্লোল যুগের আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার ও কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - কল্লোল যুগ মানেই রবীন্দ্রনাথের পরের আধুনিক যুগ। - রবীন্দ্রনাথ নিজেই একটি আলাদা যুগ, তাই তিনি কল্লোল যুগের নন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। - কল্লোল যুগের লেখকরা রোমান্টিকতা থেকে বেরিয়ে বাস্তবধর্মী ও আধুনিক সাহিত্য চর্চা শুরু করেন।
5. উপকারীর অপকার করে যে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অকৃতজ্ঞ ১. কেন সঠিক: - উপকারীর অপকার করে যে তাকে এককথায় অকৃতজ্ঞ বলা হয়। - এখানে কৃতজ্ঞ শব্দের পূর্বে অ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - সমাস বা প্রত্যয় সাধিত শব্দের মাধ্যমে বড় বাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপকারীর উপকার যে স্বীকার করে না ব্যাখ্যা: এটি কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং একই ধারার বাক্য সংকোচন। উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না ব্যাখ্যা: এটিকে এককথায় দুর্নিবার বলা হয় যা বাক্য সংকোচনের আরেকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃতজ্ঞ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে তাকে বোঝায়। B) কৃতজ্ঞ — এটি মূলত প্রশ্নপত্রে থাকা একটি মুদ্রণজনিত বা টাইপিং ত্রুটি যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। D) অকৃতঘ্ন — এই অপশনটি ভুল কারণ কৃতঘ্ন শব্দের অর্থ উপকারীর অপকারকারী, তবে এখানে সঠিক রূপ অকৃতজ্ঞ। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃতজ্ঞ শব্দটির শুরুতে অ যুক্ত করলে উপকারীর অপকারকারী বোঝায়। - উপকার মনে রাখে যে সে কৃতজ্ঞ আর উপকার ভুলে যায় বা অপকার করে সে অকৃতজ্ঞ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতজ্ঞ ও অকৃতজ্ঞ শব্দ দুটি প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - বানান ও অর্থের দিক থেকে এই বিপরীতার্থক শব্দ দুটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
6. কাজী নজরুল ইসলামের রচনা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সঞ্চিতা ১. কেন সঠিক: সঞ্চিতা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার সংকলন। এই গ্রন্থটি কবির বিভিন্ন সময়ের নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর এক অনবদ্য সংকলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রেমের কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। তার এই সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চালিনী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো গ্রন্থ নয় এবং অপশনের নামটি বিভ্রান্তিকর। B) সঞ্চয়িতা — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ। C) সঞ্চারিণী — এটিও কাজী নজরুল ইসলামের কোনো মৌলিক বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়। D) সঞ্চিতা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার সংকলন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের সঞ্চিতা এবং রবীন্দ্রমূখ সঞ্চয়িতা নাম দুটি প্রায় একই রকম হওয়ায় পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই ভুল করে। নজরুল মানে সঞ্চিতা আর রবীন্দ্রনাথ মানে সঞ্চয়িতা কথাটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের বিখ্যাত কাব্যসংকলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা এবং নজরুলের সঞ্চিতা গ্রন্থ দুটি আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
7. ‘গোঁফ- খেজুরে’ এই বাগধারাটির অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খুব অলস ১. কেন সঠিক: - গোঁফ-খেজুরে বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবার্থগত দিক থেকে চরম অআলস্য বা কর্মবিমুখতা প্রকাশ করে। - অত্যন্ত অলস প্রকৃতির মানুষকে বুঝাতে এই বিশেষ বাগধারাটি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ অর্থে শব্দগুচ্ছের মাধ্যমে নতুন ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুম্ভকর্ণের ঘুম ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থও গভীর ঘুম বা অতিনিন্দ্রা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা অলসতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। উদাহরণ ২: আড়ে বহরে বড় ব্যাখ্যা: এটিও একটি বাগধারা যা বাহ্যিক আকার বা আয়তন বৃদ্ধি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরামপ্রিয় — আরামপ্রিয় বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কষ্ট করতে চায় না কিন্তু খুব অলস না হলেও আরাম খোঁজে, যা গোঁফ-খেজুরে শব্দের মূল ভাব চরম অলসতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। B) উদাসীন — উদাসীন অর্থ যার কোনো কিছুতে আগ্রহ বা আসক্তি নেই, এটি অলসতার সমার্থক হলেও গোঁফ-খেজুরে বাগধারার নির্দিষ্ট অর্থ খুব অলসের পরিবর্তে নির্লিপ্ততা বোঝায় না। D) পরমুখাপেক্ষী — পরমুখাপেক্ষী অর্থ অন্যের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি, যা খুব অলস অর্থে সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - গোঁফ পর্যন্ত হাত তোলার আলস্য যার মধ্যে আছে, সেই তো খুব অলস প্রকৃতির গোঁফ-খেজুরে মানুষ। - এই কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব বা প্রবৃত্তি নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হয়।
8. নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কী?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্তি ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম মুক্তি। ১৯১৯ সালে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির মুখপত্রে এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতের অন্যতম প্রধান পুরুষ। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা যা তাঁকে রাতারাতি খ্যাতি এনে দেয়। উদাহরণ ২: লিচু চোর ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটদের ছড়া ও কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়, বরং তাঁর সর্বাধিক পরিচিত ও খ্যাতি অর্জনকারী কবিতা। B) মুক্তি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা। C) লিচু চোর — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত কবিতা হলেও তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়। D) রণসংগীত — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত গান বা সঙ্গীত, তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুল যখন সাহিত্যজগতে প্রথম এলেন, তখন তিনি পরাধীনতা থেকে মুক্তির বার্তা নিয়ে এলেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম মুক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম অগ্নিবীণা এবং প্রথম প্রকাশিত গদ্য রচনা বা গল্প বাউণ্ডলের আত্মজীবনী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রথম রচনাগুলো প্রায়ই আলাদা করে প্রশ্ন হিসেবে আসে।
9. কোন সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০১−১৩৫০ কেন সঠিক: ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয় কারণ এই দেড়শ বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার কারণে কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম রচিত হয়নি। তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক উপাদানের চরম ঘাটতির কারণে ডক্টর সুকুমার সেন এই যুগকে অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি যুগে ভাগ করা হয় যথা প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ এবং এর মধ্যে প্রাচীন ও মধ্যযুগের মাঝের সময়টি অন্ধকার যুগ নামে পরিচিত। তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের ফলে স্থানীয় সংস্কৃতির ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল এবং দীর্ঘস্থায়ী অরাজকতায় সাহিত্যচর্চা প্রায় বন্ধ ছিল। এই অন্ধকার যুগের একমাত্র উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক নিদর্শন হলো রামাই পণ্ডিত রচিত শূন্যপুরাণ এবং ডাক ও খনার বচন এই সময়ে রচিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০১−১৪৫০ — এই সময়কালটি অন্ধকার যুগের সীমানার মধ্যে পুরোপুরি পড়ে না এবং এটি মধ্যযুগের সূচনার কাছাকাছি সময় হিসেবে চিহ্নিত। B) ১৩০০−১৪৫০ — এই কালপঞ্জিটি সঠিক ঐতিহাসিক অন্ধকার যুগের সময়সীমার সাথে মেলে না কারণ অন্ধকার যুগ শুরু হয়েছিল ১২০১ খ্রিস্টাব্দে। C) ৬৫০−৯০০ — এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের অন্তর্ভুক্ত এবং চর্যাপদ রচনার প্রাথমিক পর্যায় এই সময়ের সাথে সম্পর্কিত। D) ১৩০১−১৫০০ — এই সময়সীমাটি অনেক বেশি দীর্ঘ এবং এর শেষভাগটি মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনার সময়কালের সাথে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: বারোশো এক থেকে তেরোশো পঞ্চাশ পর্যন্ত দেড়শ বছরের সময়কাল মনে রাখলে অন্ধকার যুগ সহজেই মুখস্থ রাখা সম্ভব। বখতিয়ার খলজির বাংলা জয় এবং সাহিত্যের অভাব এই দুটি বিষয় মনে রাখলে অন্ধকার যুগ চিহ্নিত করা সহজ হয়।

মোট প্রশ্ন (11)

1. What is synonym of the word “Conspicuous”?
Created 3 weeks ago | Updated 46 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Noticeable কেন সঠিক: Conspicuous শব্দের অর্থ হলো যা সহজে চোখে পড়ে বা স্পষ্ট। Noticeable শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ যা লক্ষ্য করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Obscure — এর অর্থ অস্পষ্ট বা যা সহজে দেখা যায় না। B) Vague — এর অর্থ অনির্দিষ্ট বা যা পরিষ্কার নয়। C) Noticeable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Invisible — এর অর্থ অদৃশ্য বা যা খালি চোখে দেখা যায় না। মনে রাখার টিপস: কনস্পিকুয়াস (Conspicuous) মানে স্পষ্ট দৃশ্যমান, আর নোটিসএবল (Noticeable) মানেও চোখে পড়ার মতো।
2. Which spelling is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Lieutenant কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক গঠন হলো এল-আই-ইউ-টি-ই-এন-এ-এন-টি (Lieutenant)। - ফরাসি শব্দ থেকে আগত এই শব্দটির উচ্চারণে 'ফ' উচ্চারণ হলেও বানানে তা থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lieutenant — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ সেনা ল্যাফটেন্যান্ট বা সহকারী কর্মকর্তা। B) Leftanant — এই বানানটি ভুল কারণ এতে সঠিক ফরাসি মূল বানান ও উচ্চারণ রক্ষা করা হয়নি। C) Misselanneous — সঠিক বানান Miscellaneous, এখানে অতিরিক্ত 's' এবং ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Preveliger — সঠিক বানান Privileged, এখানে বানান গঠন সম্পূর্ণ ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটিকে ভেঙে মনে রাখুন: Lieu (ল্যু) + tenant (টিন্যান্ট) = Lieutenant।
3. What is meaning of the idiom ‘hit the nail on the head’?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) being absolutely right কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো পেরেকে সঠিকভাবে আঘাত করা। এর ভাবার্থ হলো কোনো বিষয়ে একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া বা নিখুঁত কথা বলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to hurt oneself — এর অর্থ নিজেকে আঘাত করা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। B) beating someone — এর অর্থ কাউকে প্রহার করা, যা মূল বাগধারাটির ভাবার্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) being absolutely right — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) giving attention — এর অর্থ মনোযোগ দেওয়া, যা এই বিশেষ বাগধারাটির সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: পেরেক মারার সময় ঠিক মাথায় আঘাত করলে যেমন নিখুঁত কাজ হয়, তেমনি কোনো বিষয়ে একদম সঠিক কথা বলাকেই এই ইডিয়ম দিয়ে বোঝানো হয়।
4. Which of the following sentences is grammatically correct?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He doesn’t like coffee. কেন সঠিক: - Third person singular number-এর পর Present Indefinite Tense-এ do-এর সাথে es যুক্ত হয়ে doesn't হয়। - doesn't-এর পর মূল verb-এর Present Form বসে, তাই like ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He don’t like coffee. — Third person singular-এর সাথে don't ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He doesn’t like coffee. — এটি সঠিক উত্তর। C) He not likes coffee. — Negative বাক্য গঠনে সাহায্যকারী verb ছাড়া সরাসরি not এবং মূল verb-এর সাথে s ব্যবহার করা যায় না। D) He is not like coffee. — এখানে is সাহায্যকারী verb-এর পর মূল verb-এর base form বসে না। মনে রাখার টিপস: Subject He, She বা কোনো নাম হলে Negative করার সময় doesn't ব্যবহার করবে এবং মূল verb-এর সাথে s বা es বাদ দিতে হবে।
5. If you had informed me earlier, I _____ you.
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would have met কেন সঠিক: এটি তৃতীয় প্রকারের কন্ডিশনাল সেন্টেন্স। এর নিয়ম হলো ইফ ক্লাজে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে মূল ক্লাজে would have এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। এখানে প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে had informed থাকায় পরের অংশে নিয়ম অনুযায়ী would have met হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would — এটি কেবল মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব হওয়ায় এর সাথে have এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম না থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। B) will have met — প্রথম অংশ পাস্ট টেন্সে থাকায় পরের অংশে ভবিষ্যতের ইঙ্গিতসূচক will have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল নিয়ম। C) would have met — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সম্পূর্ণ সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) would met — would এর পরে কখনো সরাসরি ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না, কারণ মডাল ভার্বের পরে সবসময় ভার্বের বেইস ফর্ম বসে। মনে রাখার টিপস: ইফ ক্লাজে had + ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকলে পরের অংশে always would have + ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
6. Where there is a will, .....
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) there is a way. কেন সঠিক: - এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ বাক্য বা প্রবৰ্থন যার অর্থ হলো ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়। - এই ধরনের প্রবাদের ক্ষেত্রে প্রচলিত নির্দিষ্ট শব্দগুচ্ছ বা ফ্রেজ অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) there is no way. — এটি প্রবাদের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাকরণগতভাবে প্রবাদের সঙ্গে মেলে না। B) there will be a way. — প্রবাদের প্রচলিত কাঠামোর বাইরে ভবিষ্যৎ কাল ব্যবহার করায় এটি ভুল। C) there is a way. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের নির্ধারিত অংশ। D) there could a way. — বাক্যটিতে মূল ক্রিয়াপদ অনুপস্থিত থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ ও ভুল। মনে রাখার টিপস: ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় বোঝাতে উইল (will) শব্দের সঙ্গে সবসময় ওয়ে (way) যুক্ত এই নির্দিষ্ট প্রবাদটি মনে রাখতে হবে।
7. Which of the following is a proper noun?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Peter কেন সঠিক: - Peter একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা মানুষের নাম বোঝাচ্ছে, যা Proper Noun-এর মূল সংজ্ঞা। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম সর্বদা Proper Noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Teacher — এটি Common Noun কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষককে না বুঝিয়ে সমগ্র শিক্ষক সমাজকে বোঝায়। B) Cow — এটি Common Noun কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট গরুকে না বুঝিয়ে সব গরুজাতীয় প্রাণীকে নির্দেশ করে। C) Water — এটি Material Noun কারণ এটি এমন একটি বস্তুগত পদার্থ যা ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না। D) Peter — এটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম হওয়ায় এটিই একমাত্র সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, নদী, শহর বা দেশের নাম বুঝালে তা সবসময় Proper Noun হয় এবং এর প্রথম অক্ষর বড় হাতের হয়।
8. They _____ in this house since 2015.
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) have been living কেন সঠিক: বাক্যে since এবং সাল বা নির্দিষ্ট সময় থাকলে Present Perfect Continuous Tense হয়। অতীত থেকে শুরু হয়ে কাজটি বর্তমানেও চলছে বোঝাতে সঠিক উত্তর হবে have been living। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had lived — অতীতকালের দুটি ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে Past Perfect Tense হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) have been living — এটি সঠিক উত্তর। C) have lived — Present Perfect Tense কাজটি বর্তমানেও চলছে এমন ধারাবাহিকতা প্রকাশ করতে পারে না। D) living — মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হলেও সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি স্বাধীনভাবে tense গঠন করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এর পরে সময় উল্লেখ থাকলে এবং কাজ চলমান বোঝালে always Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করবে।
9. None but Rahim has done the work. Here the word ‘but’ is-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Preposition কেন সঠিক: - বাক্যে 'None but Rahim' অর্থে 'Rahim ব্যতিরেকে কেউ না' বোঝানো হয়েছে, যেখানে 'but' শব্দটি 'except' বা ব্যাতিরেকে অর্থ প্রকাশ করে Preposition হিসেবে কাজ করেছে। - 'None' প্রোনাউনের পরে বসে 'but' যখন ব্যতিরেকে বা ছাড়া অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা Preposition হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'but' দুটি পদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে 'except' বা 'ব্যতিরেকে' অর্থ প্রকাশ করেছে। B) Conjunction — Conjunction হতে হলে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা বাক্যংশকে যুক্ত করতে হয়, যা এখানে ঘটেনি। C) Adverb — Adverb সাধারণত ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে Modify করে, যা এই বাক্যে 'but' করেনি। D) Adjective — Adjective সাধারণত কোনো noun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে Noun-এর পূর্বে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'None but' থাকলে এবং এর অর্থ 'ব্যতিরেকে' বা 'ছাড়া' বুঝালে 'but' সবসময় Preposition হয়।
10. He was aware _____ the danger.
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: aware শব্দের পরে সাধারণত সঠিক preposition হিসেবে অব বসে। বাংলায় aware of শব্দের অর্থ সচেতন থাকা। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সে বিপদ সম্পর্কে সচেতন ছিল। এই নিয়মে সঠিক উত্তর হিসেবে of নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) about — aware শব্দের সাথে about ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। এটি ভুল preposition। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) for — aware এর সাথে for বসে না। এটি অর্থের সাথে মেলে না। D) to — aware এর পরে to বসে অভ্যস্ত বোঝাতে, তবে বিপदों ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Aware শব্দের সাথে সবসময় of বসে, যেমন Aware of danger বা Aware of the situation।
11. Which one is the feminine form?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bee কেন সঠিক: Bee শব্দটির নির্দিষ্ট কোনো মাসকুলিন বা স্ত্রীবাচক রূপ থাকে না, তবে এটি নিজে একটি ফেমিনাইন বা স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। মৌমাছির ক্ষেত্রে রাণী মৌমাছি বোঝাতে Bee বা Queen bee ব্যবহৃত হয় যা স্ত্রীবাচক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deer — এটি একটি কমন জেন্ডার বা উভয়লিঙ্গ শব্দ যার নর ও নারী উভয়কেই বোঝানো যায়। B) Bull — এটি একটি মাসকুলিন জেন্ডার বা পুংলিঙ্গ শব্দ যা ষাঁড় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Horse — এটি একটি কমন জেন্ডার বা উভয়লিঙ্গ শব্দ যা ঘোড়া জাতিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কিছু পতঙ্গের নাম সরাসরি স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ধরা হয়, যেমন Bee হলো স্ত্রীবাচক মৌমাছি।

মোট প্রশ্ন (14)

1. ঘড়িতে এখন ৯টা বাজে। ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে এখন সময় ঠিক ৯টা বাজে ঘণ্টার কাঁটা ৯ এর ঘরে এবং মিনিটের কাঁটা ১২ এর ঘরে আছে ধরি, ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তাকার পথ বা কেন্দ্রস্থ কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ঘড়িতে মোট ঘণ্টার ঘর সংখ্যা = ১২ টি অতএব, প্রতি এক ঘণ্টার জন্য ঘরের মধ্যকার কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ১২ = ৩০ ডিগ্রি ৯টা বাজার সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার ঘরের ব্যবধান = ৩ ঘর ১২ থেকে ৯ পর্যন্ত দূরত্ব = ৩ ঘর সুতরাং, কাঁটাদ্বয়ের মধ্যকার কোণ = ৩ × ৩০ ডিগ্রি = ৯০ ডিগ্রি উত্তর: ৯০°
2. − 3 − 6 − 9 − 12 ....... ধারাটির ১ম বারোটি পদের সমষ্টি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) − ২৩৪ প্রدত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ, a = − ৩ সাধারণ পার্থক্য, d = (− ৬) − (− ৩) = − ৩ ধরি, পদের সংখ্যা, n = ১২ সমান্তর ধারার সূত্র ব্যবহার করতে হবে অতএব, শেষ পদ = a + (n − ১) × d শেষ পদ = − ৩ + (১২ − ১) × (− ৩) = − ৩ + ১১ × (− ৩) = − ৩ − ৩৩ = − ৩৬ সুতরাং, সমষ্টি S = (n ÷ ২) × (প্রথম পদ + শেষ পদ) সমষ্টি S = (১২ ÷ ২) × (− ৩ + (− ৩৬)) = ৬ × (− ৩৯) = − ২৩৪ উত্তর: − ২৩৪
3. tan(3A) = √3 হলে A = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০° প্রদত্ত তথ্য: tan(৩A) = √৩ ধরি, tan এর মান √৩ হয় ৬০° কোণের জন্য তাই লেখা যায় tan(৩A) = tan(৬০°) উভয় পাশ থেকে tan বাদ দেওয়া যাক অতএব, ৩A = ৬০° সুতরাং, A = ৬০° ÷ ৩ উত্তর: ২০°
4. একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘোরে। ১ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৪০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ঘোরে = ৯০ বার এক মিনিট সমান সমান = ৬০ সেকেন্ড ধরি, চাকাটি ৬০ সেকেন্ডে ঘোরে = ৯০ × ৩৬০° = ৩২৪০০° অতএব, চাকাটি ১ সেকেন্ডে ঘোরে = ৩২৪০০° ÷ ৬০ সুতরাং, চাকাটি ১ সেকেন্ডে ঘুরবে = ৫৪০° উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি
5. 'ক' এবং 'খ' একত্রে একটি কাজ ১২ দিনে করতে পারে। 'ক' একা কাজটি ২০ দিনে করতে পারে। 'খ' একা কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক এবং খ একত্রে কাজটি করতে পারে ১২ দিনে ক একা কাজটি করতে পারে ২০ দিনে ধরি, মোট কাজ ১ অংশ অতএব, ক এবং খ ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ ক একা ১ দিনে করে ১ ÷ ২০ অংশ সুতরাং, খ একা ১ দিনে করে (১ ÷ ১২) − (১ ÷ ২০) অংশ = (৫ − ৩) ÷ ৬০ অংশ = ২ ÷ ৬০ অংশ = ১ ÷ ৩০ অংশ উত্তর: ৩০ দিনে
6. বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 39 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r) নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r) সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ৯ গুণ উত্তর: ৯
7. x = 1 − 1/x হলে, x² + 1/x² এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) − ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x = ১ − (১ ÷ x) ধরি, x এর মান পরিবর্তন করে পক্ষান্তর করা যাক অতএব, x + (১ ÷ x) = ১ সুতরাং, উভয় পক্ষে বর্গ করে পাই, (x + (১ ÷ x)) বর্গ = ১ বর্গ অতএব, x বর্গ + (১ ÷ x বর্গ) + ২ = ১ সুতরাং, x বর্গ + (১ ÷ x বর্গ) = ১ − ২ উত্তর: − ১
8. x + y = 6 এবং xy = 8 হলে, (x − y)² এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল x + y = ৬ দুটি রাশির গুণফল xy = ৮ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে (x − y)² এর অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x − y)² = (x + y)² − ৪xy লেখা যায় সুতরাং, (x − y)² এর মানে x + y এবং xy এর মান বসাতে হবে উত্তর: মানটি হবে ৬ এর বর্গ থেকে চার গুণ আট বিয়োগ অর্থাৎ ৩৬ − ৩২ = ৪
9. যদি x : y = y : z = 1.5 এবং z = 2 হয়, তবে x এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪.৫ প্রদত্ত তথ্য: অনুপাত x : y = y : z = ১.৫ শেষ মান z = ২ ধরি, y ÷ z = ১.৫ x ÷ y = ১.৫ অতএব, y ÷ ২ = ১.৫ y = ১.৫ × ২ = ৩ সুতরাং, x ÷ ৩ = ১.৫ x = ১.৫ × ৩ = ৪.৫ উত্তর: ৪.৫
10. ১ + ৫ + ৯ + ১৩ + ....... ধারাটির ১৫তম পদ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 19 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ১৩ + ....... এটি একটি সমান্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ, a = ১ সাধারণ অন্তর, d = ৫ − ১ = ৪ অতএব, পদসংখ্যা, n = ১৫ আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d সুতরাং, ১৫তম পদ = ১ + (১৫ − ১) × ৪ উত্তর: ১ + ১৪ × ৪ = ৫৭
11. ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৭ : ৩। ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার পেট্রোল মেশালে অনুপাত ৩ : ৭ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, মিশ্রণে কেরোসিনের পরিমাণ = ৬০ এর (৭ ÷ ১০) লিটার = ৪২ লিটার মিশ্রণে পেট্রোলের পরিমাণ = ৬০ এর (৩ ÷ ১০) লিটার = ১৮ লিটার অতএব, নতুন মিশ্রণে পেট্রোল মেশাতে হবে ক লিটার নতুন পেট্রোলের পরিমাণ = (১৮ + ক) লিটার সুতরাং, ৪২ ÷ (১৮ + ক) = ৩ ÷ ৭ ৩ × (১৮ + ক) = ৪২ × ৭ উত্তর: ক = ৮০ লিটার
12. √144 is equal to ............?
Created 3 weeks ago | Updated 3 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো √১৪৪ ধরি, সংখ্যাটির বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে অতএব, ১২ × ১২ = ১৪৪ সুতরাং, √১৪৪ এর মান ১২ উত্তর: ১২
13. (x − 2)/(x − 1) + 1/(x − 1) − 2 = 0 এর সমাধান সেট কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1 প্রদত্ত সমীকরণ: (x − 2) ÷ (x − 1) + 1 ÷ (x − 1) − 2 = 0 লসাগু করে পাই: (x − 2 + 1 − 2(x − 1)) ÷ (x − 1) = 0 লব সরল করে পাই: x − 1 − 2x + 2 = 0 সমাধান করে পাই: −x + 1 = 0 পক্ষান্তর করে পাই: x = 1 নির্ণেয় সমাধান: x এর মান ১ উত্তর: 1
14. 9x² − 9x − 4 এর উৎপাদক কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (3x − 4)(3x + 1) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৯x² − ৯x − ৪ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ বিভাজন করতে হবে অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল = ৯ × (−৪) = −৩৬x² মধ্যপদের মান = −৯x সুতরাং, −৩৬x² কে ভেঙে লেখা যায় −১২x + ৩x কারণ, (−১২x) × ৩x = −৩৬x² এবং −১২x + ৩x = −৯x উত্তর: (3x − 4)(3x + 1)

মোট প্রশ্ন (8)

1. জুলে রিমে কোন খেলার সাথে সম্পর্কিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্বকাপ ফুটবল কেন সঠিক: - জুলে রিমে ছিলেন ফিফার তৃতীয় সভাপতি এবং ১৯৩০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের প্রবক্তা। - তাঁর নামানুসারে প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফির নামকরণ করা হয়েছিল জুলে রিমে ট্রফি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বকাপ ক্রিকেট — ক্রিকেটের বিশ্ব আসরের সাথে জুলে রিমেলের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এর প্রধান ট্রফির নাম ভিন্ন। B) বিশ্বকাপ ফুটবল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিযোগিতার ট্রফি জুলে রিমে স্মরণে নামকরণ করা হয়েছিল। C) বিশ্বকাপ হকি — হকির বিশ্ব আসরের সাথে এই ব্যক্তির নাম জড়িত নয়। D) টেনিস — টেনিস খেলার বিশ্বমানের টুর্নামেন্টের নামকরণে জুলে রিমের কোনো ভূমিকা নেই। মনে রাখার টিপস: ফুটবলের জনক বা প্রবক্তা ভাবলেই মাথায় আনতে হবে জুলে রিমে ট্রফির কথা।
2. Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB) এর সদর দপ্তর কোথায়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেইজিং কেন সঠিক: - এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বা এআইআইবি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় চীনের বেইজিং শহরে অবস্থিত। - ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে এই ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এবং চীন এর প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেইজিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় চীনের রাজধানীতে অবস্থিত। B) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শহর হলেও এই ব্যাংকের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। C) সাংহাই — এটি চীনের অর্থনৈকতক শহর হলেও এআইআইবি ব্যাংকের সদর দপ্তর বেইজিংয়ে অবস্থিত। D) সিঙ্গাপুর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এই নির্দিষ্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার অবকাঠামো উন্নয়নের ব্যাংক এআইআইবির সদর দপ্তর চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত।
3. বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারত কেন সঠিক: - জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারত চীনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। - বর্তমানে ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটির অধিক যা বিশ্ব জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশ। B) চীন — একসময় শীর্ষস্থানে থাকলেও বর্তমানে জনসংখ্যার দিক থেকে এটি দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে। C) আমেরিকা — এটি বিশ্বের তৃতীয় সর্বাধিক জনবহুল দেশ হলেও জনসংখ্যার পরিমাণ ভারতের চেয়ে অনেক কম। D) পাকিস্তান — এটি বিশ্বের পঞ্চম সর্বাধিক জনবহুল দেশ এবং জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের পেছনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাম্প্রতিক জনসংখ্যার শীর্ষ দেশ মনে রাখতে ভারত শব্দটিকে প্রথম স্থানে রাখবে।
4. ল্যুভর মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস কেন সঠিক: - ল্যুভর মিউজিয়াম ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সিন নদীর তীরে অবস্থিত। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শিল্পকলা জাদুঘর এবং ঐতিহাসিক ল্যুভর প্রাসাদের একটি অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত ল্যুভর মিউজিয়াম এই শহরেই অবস্থিত। B) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং এখানে ল্যুভর মিউজিয়াম নেই। C) সিঙ্গাপুর — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এখানে এই জাদুঘর অবস্থিত নয়। D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এটি ভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ল্যুভরের 'ল' এবং প্যারিসের 'প' যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেই এই বিখ্যাত মিউজিয়ামটি অবস্থিত।
6. মূল্য সংযোজন কর একটি-
Created 3 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরোক্ষ কর কেন সঠিক: - মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট এমন একটি কর যা চূড়ান্ত ভোক্তার ওপর অর্পিত হয় কিন্তু ব্যবসায়ী বা উৎপাদনকারী সরকারের কাছে জমা দেন। - করের বোঝা সরাসরি আয়ের ওপর না পড়ে পণ্যের দামের সাথে যুক্ত হয়ে ভোক্তার ওপর বর্তায় বলে এটি পরোক্ষ কর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যক্ষ কর — আয়ের ওপর সরাসরি ধার্য করা হয় এবং এর বোঝা অন্য কারো ওপর স্থানান্তর করা যায় না। B) পরোক্ষ কর — এটি সঠিক কারণ করের প্রাথমিক ভার বিক্রেতার ওপর পড়লেও চূড়ান্ত ভার ভোক্তার ওপর স্থানান্তরিত হয়। C) পরিপূরক কর — এটি করের কোনো প্রচলিত বা মূল অর্থনৈতিক শ্রেণিবিভাগ নয়। D) সম্পূরক কর — এটি নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর মূল ভ্যাটের অতিরিক্ত হিসেবে আদায় করা হয়, যা পরোক্ষ করের একটি বিশেষ রূপ কিন্তু এখানে মূল করের ধরন জানতে চাওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: যেই কর সরাসরি নিজের আয় থেকে দিতে হয় তা প্রত্যক্ষ, আর যা দোকান থেকে পণ্য কেনার সময় দামের সাথে দিতে হয় তা পরোক্ষ।
7. জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগাল কেন সঠিক: - জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পর্তুগালের নাগরিক এবং দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী। - তিনি ২০১৭ সাল থেকে জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত দেশ হলেও বর্তমান মহাসচিবের জন্মভূমি নয়। B) স্পেন — এটি পর্তুগালের প্রতিবেশী একটি ইউরোপীয় দেশ হলেও জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব এই দেশের নন। C) পর্তুগাল — এই অপশনটি সঠিক এবং বর্তমান মহাসচিব এই দেশের নাগরিক। D) মেক্সিকো — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের নামের সাথে পর্তুগাল শব্দটি মনে রাখতে 'প' দিয়ে পর্তুগাল ও 'প' দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই মিলটি মনে রাখতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (2)

2. সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে সাধারণত কী গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন ১. কেন সঠিক: সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে নিষ্ক্রিয় বা অর্ধ-নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়। এটি বাল্বের ভেতরে থাকা টাংস্টেন ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে এবং বাল্বের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট অত্যন্ত উচ্চ তাপে আলো ছড়ায় এবং বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এলে ফিলামেন্ট পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়। কার্যপ্রণালি: বাল্বের ভেতর থেকে বাতাস বা অক্সিজেন সরিয়ে নাইট্রোজেন বা আর্গনের মতো গ্যাস ভরা হয়, যা ফিলামেন্টের সাথে বিক্রিয়া করে না। কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেন না থাকায় ফিলামেন্ট দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ তাপ সহ্য করতে পারে এবং পুড়ে যায় না। বাস্তব প্রয়োগ: সাধারণ ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্ব বা টাংস্টেন ফিলামেন্ট বাল্বের আয়ু বৃদ্ধি করতে এই গ্যাস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্ব প্রজ্বলিত করা ব্যাখ্যা: বাল্ব জ্বলার সময় ফিলামেন্টের তাপমাত্রা তিন হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, যা নাইট্রোজেন গ্যাসের উপস্থিতির কারণে অক্ষত থাকে। উদাহরণ ২: প্যাকেটজাত খাদ্যের চিপসের প্যাকেট ব্যাখ্যা: চিপসের প্যাকেটেও নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয় যাতে খাদ্যদ্রব্য অক্সিজেন বা আর্দ্রতার কারণে নষ্ট না হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রোজেন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় বা কম সক্রিয় গ্যাস যা ফিলামেন্ট রক্ষায় সঠিকভাবে কাজ করে। B) হিলিয়াম — এটি অত্যন্ত হালকা এবং ব্যয়বহুল নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা সাধারণত সাধারণ বাল্বে ব্যবহার করা হয় না। C) নিয়ন — এটি রঙিন বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ডের টিউবে ব্যবহার করা হয়, সাধারণ গৃহস্থালি বাল্বে নয়। D) অক্সিজেন — এটি দহনে সাহায্য করে, তাই বাল্বের ভিতরে থাকলে ফিলামেন্ট মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যেত। ৫. মনে রাখার টিপস: বাল্ব জ্বলে ফিলামেন্টের তাপে, অক্সিজেন পেলে তা দ্রুত যাবে পুড়ে। তাই নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে ফিলামেন্ট রাখা হয় নিরাপদ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট মূলত টাংস্টেন ধাতু দ্বারা তৈরি হয় এবং এর গলনাঙ্ক প্রায় তিন হাজার চারশো ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাল্বের ফিলামেন্ট কি দিয়ে তৈরি এবং বাল্বে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (3)

1. BIOS এর পূর্ণরূপ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Basic Input Output System ১. কেন সঠিক: - BIOS হলো এমন একটি ফার্মওয়্যার যা কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের রিড-অনলি মেমরিতে সংরক্ষিত থাকে। - কম্পিউটার চালু করার পর এটি হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে মেমরিতে লোড করতে সহায়তা করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: BIOS হলো Basic Input Output System, যা হার্ডওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগের সেতু হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার অন করার পর এটি পাওয়ার-অন সেলফ টেস্ট বা পোস্ট সম্পন্ন করে সব হার্ডওয়্যার উপাদান পরীক্ষা করে। - ব্যবহার: উইন্ডোজ বা অন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে মাদারবোর্ড নিয়ন্ত্রণ করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাপটপের সুইচ টিপলে প্রথমে যে কালো স্ক্রিনে প্রস্তুতকারকের লোগো ও প্রসেসরের তথ্য আসে, তা BIOS-এর কাজের ফল। ব্যাখ্যা: এটি র‍্যাম বা হার্ডডিস্ক সচল আছে কি না তা নিশ্চিত করে অপারেটিং সিস্টেম চালুর পথ তৈরি করে। উদাহরণ ২: নতুন উইন্ডোজ ইনস্টল করার সময় বুট প্রায়োরিটি বা পেনড্রাইভ থেকে বুট করার অপشن ঠিক করতে BIOS মেনু ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী নিজের পছন্দমতো স্টোরেজ ডিভাইস থেকে কম্পিউটার চালু করার নির্দেশনা দিতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Basic International Operating System — এটি কোনো বাস্তব বা প্রচলিত কম্পিউটার প্রযুক্তি বা সফটওয়্যারের নাম নয়। B) Best Input output System — এটি BIOS-এর সঠিক পূর্ণরূপ নয় এবং মাঝখানে ইন্টারন্যাশনাল বা বেস্ট শব্দগুলো টেকনিক্যালি ভুল। C) Best Input Operating System — এই নামে কোনো সিস্টেম বা প্রোটোকল কম্পিউটার বিজ্ঞানে অস্তিত্বশীল নয়। D) Basic Input Output System — এটি সঠিক কারণ এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিআইওএস বা BIOS মানে হলো বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম যা ইনপুট ও আউটপুট পরিচালনা করে। - প্রথম ও শেষ অক্ষর এবং ভেতরের পূর্ণরূপগুলো মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BIOS সাধারণত মাদারবোর্ডের ফ্ল্যাশ রম বা ইলোপ্রমে সংরক্ষিত থাকে। - আধুনিক কম্পিউটারে BIOS-এর পরিবর্তে অনেক উন্নত ইউইএফআই বা ইউনিক্স এক্সটেনসিবল ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
2. Split Cells এর মাধ্যমে কী করা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কোন সেলকে ভাগ করা হয় ১. কেন সঠিক: - এমএস এক্সেল বা টেবিল প্রসেসিং সফটওয়্যারে একটি একক সেলকে একাধিক নতুন সেলে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে স্প্লিট সেল বলা হয়। - এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুসারে একটি বড় সেলকে অনুভূমিক বা উলম্বভাবে ছোট ছোট অংশে ভাগ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্প্লিট সেল হলো টেবিলের একটি সুনির্দিষ্ট কলাম বা রো-এর সেলকে ভেঙে একাধিক ছোট কলাম বা রো-তে রূপান্তর করার একটি কমান্ড। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যে সেলটি ভাগ করতে চান, সেখানে কার্সর রেখে স্প্লিট সেল অপশন নির্বাচন করলে একটি ডায়ালগ বক্স আসে যেখানে কাঙ্ক্ষিত কলাম ও রো-এর সংখ্যা লিখে দিতে হয়। - ব্যবহার: সাধারণত ফর্মে তথ্য সাজানোর সময়, হেডার তৈরি করতে কিংবা ছকের বিন্যাস সুন্দর করার জন্য এই টুল ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি মাসিক ছুটির টেবিলের প্রথম সারির বড় সেলটিতে 'তারিখ ও দিন' লিখতে গিয়ে সেলটিকে মাঝখান থেকে দুটি ভাগে ভাগ করা। ব্যাখ্যা: একটি কলামের মধ্যে বার ও তারিখ আলাদা আলাদা দেখানোর জন্য সেল স্প্লিট করে দুটি ছোট সেল তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: একটি মার্কশিটের হেডার অংশে 'বিষয়' এবং 'নম্বর' পাশাপাশি রাখার জন্য একটি বড় সেলকে দুটি কলামে বিভক্ত করা। ব্যাখ্যা: ছকের সৌন্দর্য ও ডেটার সঠিক বিন্যাস নিশ্চিত করতে এই স্প্লিটিং প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোন সেলকে ভাগ করা হয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্প্লিট সেল কমান্ডের মূল কাজই হলো একটি একক সেলকে ভেঙে একাধিক সেলে পরিণত করা। B) কোন সেলে ডাটা লেখা হয় — এটি ভুল কারণ ডেটা এন্ট্রি করার জন্য স্প্লিট সেল ব্যবহার করা হয় না, বরং টাইপিং বা ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডেটা লেখা হয়। C) দুটি সেলকে যোগ করা হয় — এটি ভুল কারণ দুটি বা ততোধিক সেলকে একত্রিত করার প্রক্রিয়াকে মার্জ সেল বলা হয়, স্প্লিট সেল নয়। D) সেল ডিলিট করা হয় — এটি ভুল কারণ সেল মুছে ফেলার জন্য ডিলিট কমান্ড ব্যবহার করা হয়, স্প্লিট সেল কেবল সেলকে বিভক্ত করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্প্লিট শব্দের অর্থ হলো ভেঙে ফেলা বা আলাদা করা, তাই স্প্লিট সেল মানে সেল ভাঙা। - মার্জ সেল মানে জোড়া লাগানো এবং স্প্লিট সেল মানে ভাগ করা, এই দুটি বিপরীত কাজ পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমএস ওয়ার্ড ও এক্সেলের টেবিল মেনুতে মার্জ সেল এবং স্প্লিট সেল অপশন দুটি প্রায়ই একসাথে প্রশ্ন হিসেবে আসে। - শর্টকাট বা রিবন লেআউট থেকে এই কমান্ডগুলো পরিচালনা করা হয়।
3. নিচের কোনটি সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bing ১. কেন সঠিক: - Bing কোনো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি মাইক্রোসফটের একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। - এটি ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়, মানুষের সাথে সামাজিক যোগাযোগের জন্য নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে সংরক্ষিত তথ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কিওয়ার্ড বা শব্দ লিখে সার্চ করলে ওয়েব ক্রলারের মাধ্যমে সূচীকৃত পেজ থেকে ফলাফল প্রদর্শন করে। - ব্যবহার: ইন্টারনেট থেকে প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট, ছবি, ভিডিও বা ম্যাপ খুঁজে পেতে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Google Search ব্যাখ্যা: এটিও Bing এর মতো একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যা তথ্য খুঁজতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: Yahoo Search ব্যাখ্যা: এটি ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা খোঁজার আরেকটি সার্চ ইঞ্জিন প্ল্যাটফর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Twitter — এটি একটি সুপরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া ও মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা মতবিনিময় করে। B) Bing — এটি কোনো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন। C) Instagram — এটি ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং ভিত্তিক একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। D) Facebook — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সামাজিক যোগাযোগ বা চ্যাটিংয়ের মাধ্যমগুলো হলো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম। - তথ্য খোঁজার মাধ্যমগুলো হলো সার্চ ইঞ্জিন, যেমন Bing এবং Google। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্চ ইঞ্জিন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing এবং গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের নাম Google।

মোট প্রশ্ন (3)

1. সুনামির কারণ-
Created 3 weeks ago | Updated 41 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প কেন সঠিক: সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূকম্পনের ফলে সমুদ্রের জলের বিশাল ভর আলোড়িত হয়। এই তীব্র আলোড়ন উপকূলের দিকে ধাবিত হয়ে প্রকাণ্ড সামুদ্রিক ঢেউ বা সুনামির সৃষ্টি করে। ভৌগোলিক তথ্য: প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সুনামির ঘটনা সবচেয়ে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। সুনামি একটি জাপানি শব্দ যার অর্থ বন্দরের ঢেউ। দুই হাজার চার সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি ছিল ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত — এটি সমুদ্রের নিচে ঘটলে কখনো সুনামি হতে পারে তবে প্রধান কারণ এটি নয়। B) ঘূর্ণিঝড় — এটি কেবল সমুদ্রের উপরিভাগে তীব্র বাতাসের সৃষ্টি করে কিন্তু সুনামির মতো দৈত্যাকার ঢেউ তৈরি করে না। C) সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সূর্যগ্রহণ — এটি একটি মহাজাগতিক ঘটনা এবং এর সাথে পৃথিবীর অভ্যন্তরীন ভূকম্পন বা সুনামির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সুনামির সাথে ভূকম্পন শব্দটি গভীরভাবে যুক্ত। সমুদ্রের তলায় কম্পন মানেই সুনামির আগমন।
2. চট্টগ্রাম কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্ণফুলী কেন সঠিক: * চট্টগ্রাম বন্দর এবং প্রধান শহরটি এই নদীর তীরে গড়ে উঠেছে। * ঐতিহাসিককাল থেকেই এই নদী চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান জলপথ হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক তথ্য: * নদীটি আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। * এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবহমান নদী। * এই নদীর ওপর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাকখালী — এই নদীটি মূলত কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এটি চট্টগ্রাম শহরের নদী নয়। C) হালদা — এটি কর্ণফুলীর একটি প্রধান শাখা নদী এবং রুই মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে বিখ্যাত হলেও চট্টগ্রাম শহর এর তীরে অবস্থিত নয়। D) ফেনী — এই নদীটি মূলত নোয়াখালী ও খাগড়াছড়ি জেলার সীমানা নির্ধারণ করে এবং এটি চট্টগ্রাম থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: * বন্দর নগরী চট্টগ্রাম বললেই কর্ণফুলী নদীর নাম মনে রাখতে হবে। * চট্টগ্রামের সাথে কর্ণফুলীর নাম ও ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
3. রাশিয়া কোন মহাদেশে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরোপ কেন সঠিক: রাশিয়া এমন একটি দেশ যা এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশ জুড়েই বিস্তৃত। তবে এর রাজধানী মস্কো এবং প্রধান জনবসতিপূর্ণ অংশটি ইউরোপীয় ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থিত। ভৌগোলিক তথ্য: রাশিয়া মূলত ইউরেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ। এর মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি দুটি মহাদেশে ছড়িয়ে আছে। রাশিয়ার ইউরোপীয় অংশটি এশীয় অংশের তুলনায় ছোট হলেও সেখানে দেশটির অধিকাংশ মানুষ বাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপ — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাশিয়ার মূল অংশ ও রাজধানী এই মহাদেশে অবস্থিত। B) এন্টার্টিকা — এটি পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি বরফাচ্ছাদিত মহাদেশ যেখানে রাশিয়া নেই। C) আমেরিকা — এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে বোঝায় যার সাথে রাশিয়ার কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) আফ্রিকা — এটি একটি সম্পূর্ণ আলাদা মহাদেশ এবং রাশিয়া এই মহাদেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: রাশিয়া দুই মহাদেশে ছড়ানো হলেও এর রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ইউরোপে থাকার কারণে একে ইউরোপীয় দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়।