a কাজী দৌলত
b সৈয়দ সুলতান
c শাহ মুহম্মদ সগীর
d আব্দুল হাকিম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আব্দুল হাকিম ১. কেন সঠিক: সপ্তদশ শতকের বিশিষ্ট কবি আব্দুল হাকিম তাঁর বিখ্যাত নূরনামা কাব্যে মাতৃভাষার প্রতি গভীর প্রীতি প্রকাশ করে এই গর্ববোধ প্রকাশ করেছেন। যাঁরা স্বদেশের ভাষা বা মাতৃভাষাকে অবহেলা করেন, কবি তাঁদের জন্মপরিচয় ও দেশপ্রেম নিয়ে ঐতিহাসিক প্রশ্ন তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আব্দুল হাকিম সন্দ্বীপের সুধারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বিখ্যাত নূরনামা কাব্যগ্রন্থে দেশ ও মাতৃভাষার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার অনন্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির মাতৃভাষা প্রীতি ও দেশপ্রেমের অমর বাণী প্রতিফলিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তির মাধ্যমে কবি মাতৃভাষাদ্বেষী ও পরভাষাপ্রীতি সম্পন্ন ব্যক্তিদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী দৌলত — তিনি আরাকান রাজসভার কবি এবং সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের জন্য বিখ্যাত হলেও বাঙালি বলে গর্ববোধ করার বিখ্যাত উক্তির জন্য পরিচিত নন। B) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম মুসলিম কবি এবং নবীবংশ ও ইহুদি বংশ কাব্যের রচয়িতা হলেও এই প্রখ্যাত উক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) শাহ মুহম্মদ سগীর — তিনি গৌড়ের সুলতান আজম শাহের আমла বা সমসাময়িক কবি এবং ইউসুফ জুলেখা কাব্যের রচয়িতা। D) আব্দুল হাকিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নূরনামা কাব্যে বঙ্গবাণী কবিতায় মাতৃভাষার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মাতৃভাষার পক্ষে সবচেয়ে জোরালো ও ঐতিহাসিক কথা বলেছেন আব্দুল হাকিম। নূরনামা কাব্যের বঙ্গবাণী কবিতাটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গবাণী কবিতাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মাতৃভাষা প্রীতির একমাত্র শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0