বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোতে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

4. এক কথায় প্রকাশ করুনঃ 'স্থায়ী ঠিকানা নেই যার'।
Created 3 weeks ago | Updated 3 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উদ্বাস্তু কেন সঠিক: ১. 'উদ্বাস্তু' শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো যার নিজের কোনো স্থায়ী বসতি বা ঠিকানা নেই। ২. দেশত্যাগে বাধ্য হওয়া বা ঘরবাড়ি হারানো মানুষকে এক কথায় উদ্বাস্তু বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এক কথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ২. এটি বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করে। ৩. যেমন: যা বলা হয়নি = অব্যক্ত, যার কোনো উপায় নেই = নিরুপায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বস্তুবাসী — এই শব্দটির অর্থ যারা সাধারণত শহরের বস্তিতে বসবাস করে। B) উদ্বাস্তু — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ঠিকানাবিহীন — এটি সাধাসিধে পদ, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে মানসম্মত এককথার প্রকাশ নয়। D) টোকাই — এই শব্দের অর্থ যারা সাধারণত কুড়িয়ে জীবনযাপন করে বা আবর্জনা থেকে জিনিস সংগ্রহ করে। মনে রাখার টিপস: ১. যার বাড়িঘর বা ঠিকানা উচ্ছেদ হয়েছে তাকে মনে রাখবে উদ্বাস্তু হিসেবে। ২. শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বাক্য সংকোচন সহজেই মনে রাখা যায়।
5. 'বিদ্বান লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র' এটি কোন ধরনের বাক্য?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা বা উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'বিদ্বান লোক' হলো উদ্দেশ্য এবং 'শ্রদ্ধার পাত্র' অংশটি সমাপিকা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করেছে, তাই এটি সরল বাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। সরল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য বা আশ্রিত বাক্য থাকে না এবং কোনো যোজক দ্বারা বাক্যগুলো যুক্ত থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে, যা সরল বাক্যের সংজ্ঞা পূর্ণ করে। উদাহরণ ২: পরিশ্রমী ব্যক্তিরাই জীবন সফল হয়। ব্যাখ্যা: এখানেও একটি মাত্র উদ্দেশ্য ও সমাপিকা ক্রিয়া থাকায় এটি একটি সরল বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। B) যৌগিক — এই অপশন ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য 'এবং', 'কিংবা' ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। C) জটিল — এই অপশন ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য থাকে। D) বিযুক্ত — এই অপশন ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে বিযুক্ত বলে কোনো নির্দিষ্ট বাক্যরীতি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। কোনো প্রকার যোজক বা আশ্রিত বাক্য না থাকাই সরল বাক্যের প্রধান চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্য চেনার সময় প্রথমে সমাপিকা ক্রিয়া কয়টি আছে তা খুঁজে বের করবে, তাহলে উত্তর করা সহজ হবে।
6. 'মুখচোরা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাজুক কেন সঠিক: ১. মুখচোরা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ যার মুখ অন্যের চোখের সামনে পড়তে লজ্জা পায় বা যে সহজে কারো সাথে কথা বলতে চায় না। ২. বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী অতিরিক্ত সংকুচিত স্বভাবের বা লাজুক প্রকৃতির মানুষকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। ২. বাংলা সাহিত্য ও দৈনন্দিন কথ্য ভাষায় মানুষের বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বা স্বভাব বোঝাতে এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারার প্রচলন রয়েছে। ৩. যেমন, কোনো অপরিচিত মানুষের সামনে পড়লে যে শিশুটি কথা বলে না বা গুটিয়ে থাকে, তাকে আমরা লাজুক বা মুখচোরা বলে থাকি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাজুক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) ভীরু — ভীরু বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যার মধ্যে ভয় বা ত্রাসের আধিক্য থাকে, যা মুখচোরা শব্দের মূল ভাবের সাথে সরাসরি মেলে না। C) সংযত — সংযত শব্দের অর্থ নিয়ন্ত্রিত বা মিতবাক, কিন্তু মুখচোরা মূলত লাজুক বা হীনমন্যতাগ্রস্ত লজ্জাশীল স্বভাবকে নির্দেশ করে। D) নিশ্চুপ — নিশ্চুপ অর্থ যে একদম কথা বলে না বা নীরব থাকে, কিন্তু মুখচোরা মানুষেরা মূলত লজ্জার কারণে কথা বলতে সংকুচিতবোধ করে। মনে রাখার টিপস: মুখচোরা মানে যার মুখ লুকিয়ে থাকে অর্থাৎ যে লোকলজ্জার ভয়ে বা সংকোচে সবার সামনে কথা বলতে পারে না এবং অত্যন্ত লাজুক স্বভাবের হয়।
7. মধ্যযুগের কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলতে গর্ববোধ করতেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আব্দুল হাকিম ১. কেন সঠিক: সপ্তদশ শতকের বিশিষ্ট কবি আব্দুল হাকিম তাঁর বিখ্যাত নূরনামা কাব্যে মাতৃভাষার প্রতি গভীর প্রীতি প্রকাশ করে এই গর্ববোধ প্রকাশ করেছেন। যাঁরা স্বদেশের ভাষা বা মাতৃভাষাকে অবহেলা করেন, কবি তাঁদের জন্মপরিচয় ও দেশপ্রেম নিয়ে ঐতিহাসিক প্রশ্ন তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আব্দুল হাকিম সন্দ্বীপের সুধারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বিখ্যাত নূরনামা কাব্যগ্রন্থে দেশ ও মাতৃভাষার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার অনন্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির মাতৃভাষা প্রীতি ও দেশপ্রেমের অমর বাণী প্রতিফলিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তির মাধ্যমে কবি মাতৃভাষাদ্বেষী ও পরভাষাপ্রীতি সম্পন্ন ব্যক্তিদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী দৌলত — তিনি আরাকান রাজসভার কবি এবং সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের জন্য বিখ্যাত হলেও বাঙালি বলে গর্ববোধ করার বিখ্যাত উক্তির জন্য পরিচিত নন। B) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম মুসলিম কবি এবং নবীবংশ ও ইহুদি বংশ কাব্যের রচয়িতা হলেও এই প্রখ্যাত উক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) শাহ মুহম্মদ سগীর — তিনি গৌড়ের সুলতান আজম শাহের আমла বা সমসাময়িক কবি এবং ইউসুফ জুলেখা কাব্যের রচয়িতা। D) আব্দুল হাকিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নূরনামা কাব্যে বঙ্গবাণী কবিতায় মাতৃভাষার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মাতৃভাষার পক্ষে সবচেয়ে জোরালো ও ঐতিহাসিক কথা বলেছেন আব্দুল হাকিম। নূরনামা কাব্যের বঙ্গবাণী কবিতাটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গবাণী কবিতাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মাতৃভাষা প্রীতির একমাত্র শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
8. নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দধি ১. কেন সঠিক: তৎসম শব্দ হলো সেই সব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। দধি একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ দই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: চন্দ্র একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হওয়ায় এটি তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দধি - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দ। B) মুড়ি - এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। C) কলম - এটি একটি বিদেশি শব্দ যা আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। D) আম - এটি একটি তদ্ভব শব্দ যার সংস্কৃত উৎস আম্র পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শ্লোকে ব্যবহৃত কঠিন ও তৎসম শব্দগুলোর মতো দেখতে শব্দগুলো সাধারণত তৎসম শব্দ হয়। যেমন চন্দ্র, সূর্য, নদী, দধি ইত্যাদি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় প্রায়ই আসে। তাই তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত মূল রূপ এবং তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে পরিবর্তনের ধারা মনে রাখা জরুরি।
10. 'ডালে ডালে কুসুম ভার' এখানে 'ভার' কোন অর্থে প্রকাশ করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমূহ ১. কেন সঠিক: - এখানে 'ভার' শব্দটি কোনো কিছুর ওজন বা বোঝা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি, বরং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এটি আধিক্য বা বহুত্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - 'ডালে ডালে কুসুম ভার' বাক্যাংশে গাছের ডালে ডালে ফুলের আধিক্য বা রাশি রাশি ফুল ফোটার অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় কিছু বিশেষ শব্দ বিশেষ বিশেষ স্থানে বচন বা পরিমাণ নির্দেশ করার জন্য সমষ্টি বা সমূহ অর্থে ব্যবহৃত হয়। - 'ভার' একটি তৎসম শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে গুচ্ছ, রাশি বা সমূহ অর্থে প্রয়োগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘে ঢাকা তারা আকাশ জুড়ে ব্যাখ্যা: এখানে আকাশ জুড়ে মেঘের আধিক্য বা সমূহ বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: বনে বনে ফুটেছে ফুল রাশি ব্যাখ্যা: এখানে ফুলের প্রাচুর্য বা সমূহ প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোঝা — 'ভার' শব্দের আক্ষরিক অর্থ বোঝা হলেও এই নির্দিষ্ট সাহিত্যিক প্রয়োগে এটি বোঝায় না। C) গুরুত্ব — কোনো বিষয়ের তাৎপর্য বা গাম্ভীর্য বোঝাতে গুরুত্ব ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) ওজন — ভর বা বস্তুর ভারীত্ব মাপার একক হিসেবে ওজন বোঝায়, যা কবিতার এই লাইনের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাব্যে বা কবিতায় ভার শব্দটি দেখলে খেয়াল রাখবে এটি সাধারণত ওজন না বুঝিয়ে ফুলের বা পাতার প্রাচুর্য বা সমূহ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে বাক্যের প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে সঠিক অর্থ নির্ণয় করতে হয়।
13. সন্ধি বিচ্ছেদ করুনঃ 'অন্বেষণ'।
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনু + এষণ ১. কেন সঠিক: 'অন্বেষণ' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো অনু + এষণ। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম বা ইয়া-ফলা জ-ফলা জনিত নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। এখানে পূর্বপদের অন্তে থাকা উ-কার এবং পরপদের শুরুতে থাকা এ-কার মিলে যথাক্রমে ব-ফলা বা অব রূপ ধারণ করেছে। নিয়ম অনুযায়ী উ বা ঊ এর পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিটি সেই ব এর সাথে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ই বা ঈ, উ বা ঊ এবং ঋ এর পরে যদি ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকে তবে যথাক্রমে য, ব এবং র হয়। একে ইয়া-ফলা জ-ফলা বা য-ফলা জনিত স্বরসন্ধি বলা চলে। এখানে অনু শব্দের উ-কারের সাথে এষণ শব্দের এ-কার যুক্ত হয়ে ব-এ কার বা বে রূপ লাভ করেছে। ফলে মূল শব্দটি অন্বেষণ হিসেবে গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সু + আগত = স্বাগত ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পর আ-কার থাকায় উ স্থানে ব এবং তা আ-কারের সাথে যুক্ত হয়ে বা হয়েছে। উদাহরণ ২: অনু + ইত = অন্বিত ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পর ই-কার থাকায় উ স্থানে ব এবং তা ই-কারের সাথে যুক্ত হয়ে বি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্বে + এষণ — অন্বে বলে কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা পূর্বপদ বাংলা ব্যাকরণে নেই। B) অন + এষণ — অন হলো উপসর্গ, কিন্তু এর সাথে এষণ যুক্ত হলে অন্বেষণ গঠিত হয় না। C) অন্ব + এষণ — অন্ব কোনো মৌলিক বা ব্যাকরণসিদ্ধ পূর্বপদ নয় যা এই সন্ধির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) অনু + এষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যাকরণের নিয়ম মেনে সাধিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ব-ফলাযুক্ত সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় ব এর জায়গায় অনু এবং পরের অংশ আলাদা করতে হয়। অন্বেষণ শব্দের ব-ফলাকে উ ধরে অনু + এষণ এভাবে ভাঙলে খুব সহজে সঠিক উত্তর পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে যেখানে উ-কার থেকে ব-ফলা তৈরি হয়। সুযোগ পেলে অন্য অনুরূপ শব্দ যেমন সুলভ কিংবা অন্বেষণ এর মতো শব্দগুলোর চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
16. 'কুজনা' শব্দের অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 59 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খারাপ লোক ১. কেন সঠিক: কু-জন বা কুজন শব্দের সাধারণ অর্থ হলো মন্দ বা দুষ্ট ব্যক্তি। এখানে কু উপসর্গটি মন্দ বা খারাপ অর্থে ব্যবহৃত হয়ে কুজনা শব্দটি গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন যেখানে কু উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দের অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলা ভাষায় কু উপসর্গটি বিশেষ বা তৎসম শব্দে মন্দ, নিচ বা খারাপ অর্থে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুচক্রী ব্যাখ্যা: কু উপসর্গের সাথে চক্রী যুক্ত হয়ে মন্দ চক্র বা ষড়যন্ত্রকারী অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: কুসঙ্গ ব্যাখ্যা: কু উপসর্গের সাথে সঙ্গ যুক্ত হয়ে খারাপ বা মন্দ সঙ্গ বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খারাপ লোক — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুজনা বলতে মন্দ বা দুষ্ট প্রকৃতির মানুষকে বোঝানো হয়। B) ছোট লোক — এটি ভুল কারণ ছোট লোক বলতে সামাজিক অবস্থান বা আচরণের দিক থেকে হীন বোঝায়, যা কুজনা শব্দের মূল অর্থ নয়। C) পাখির ডাক — এটি ভুল কারণ কুজন শব্দের অর্থ পাখির ডাক হলেও এখানে কুজনা (খারাপ লোক) শব্দের কথা বলা হয়েছে। D) হাতির ডাক — এটি ভুল কারণ কুজনা শব্দের সাথে হাতির ডাকের কোনো সম্পর্ক বা আভিধানিক মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: কু উপসর্গ থাকলে সাধারণত মন্দ বা খারাপ অর্থ প্রকাশ পায় যেমন কুজনা মানে খারাপ লোক। শব্দের সামনের কু অংশ দেখেই এর নেতিবাচক অর্থ চিনে নেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কু উপসর্গযুক্ত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
18. বাংলা ভাষার কোন রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধু রীতি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষার যে রূপটি সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে এবং যার পদের রূপ পরিবর্তনশীল নয়, তাকে সাধু রীতি বলে। - এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ নির্দিষ্ট এবং ব্যাকরণের বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সাধু রীতি হলো বাংলা ভাষার লেখার একটি প্রাচীন ও মার্জিত রূপ যা তৎসম শব্দবহুল এবং ব্যাকরণের প্রাচীন নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। - এই রীতিতে মুখের বুলির পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের অনুসারী লিখিত রূপ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাহার আসার পর আমরা খাইতে বসিলাম। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তাহার, আসার, খাইতে বসিলাম শব্দগুলো সাধু রীতির সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত রূপের অনুসারী। উদাহরণ ২: নদীটি সাগরে নিপতিত হইয়াছে। ব্যাখ্যা: নিপতিত হইয়াছে ক্রিয়াপদটি সাধু রীতির ব্যাকরণগত নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলিত রীতি — চলিত রীতি পরিবর্তনশীল এবং এটি সুনির্দিষ্ট কোনো কঠোর ব্যাকরণের অনুসারী নয় বরং মানুষের মুখের ভাষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। B) সাধু রীতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য প্রযোজ্য নয়। C) কথা রীতি — কথা রীতি বলতে মূলত মানুষের কথ্য ভাষাকে বোঝানো হয় যা কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের কঠোর নিয়ম মেনে চলে না। D) লেখা রীতি — লেখা রীতি কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণসম্মত ভাষার নাম নয়, এটি সাধারণ অর্থে যেকোনো লেখার পদ্ধতিকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধু মানে সাধু মানুষের মতো নিয়মনিষ্ঠ, তাই সাধু রীতি মানেই ব্যাকরণের নিয়মনিষ্ঠ রীতি। - চলিত রীতি মানে চলতি হাওয়ার মতো পরিবর্তনশীল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধু রীতি তৎসম শব্দবহুল এবং এর ক্রিয়াপদ দীর্ঘ হয়। - পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
19. কোন বর্গীয় ধ্বনির আগে 'ন' সবসময় মূর্ধন্য 'ণ' হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 'ট' বর্গীয় ধ্বনি ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ট বর্গীয় ধ্বনির আগে সবসময় মূর্ধন্য 'ণ' বসে। ট বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো ট, ঠ, ড, ঢ, ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় দন্ত্য 'ন' এবং মূর্ধন্য 'ণ' এই দুটি ধ্বনি রয়েছে। তৎসম শব্দে ট, ঠ, ড, ঢ এই চারবর্ণের পূর্বে যুক্ত অবস্থায় সবসময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: এখানে ঠ বর্ণের আগে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে কারণ ঠ হলো ট বর্গীয় ধ্বনি। উদাহরণ ২: কাণ্ড ব্যাখ্যা: এখানে ড বর্ণের আগে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে কারণ ড হলো ট বর্গীয় ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'ক' বর্গীয় ধ্বনি — ক বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য 'ণ' বসে না বরং দন্ত্য 'ন' বসে। যেমন অঙ্ক শব্দে ক এর আগে দন্ত্য 'ন' হয়। B) 'চ' বর্গীয় ধ্বনি — চ বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য 'ণ' বসে না বরং দন্ত্য 'ন' বসে। যেমন অঞ্চিত শব্দে চ এর আগে দন্ত্য 'ন' হয়। C) 'ট' বর্গীয় ধ্বনি — এটি সঠিক অপশন এবং ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য 'ণ' বসে। যেমন লুণ্ঠন শব্দে ট বর্গীয় ধ্বনির আগে 'ণ' আছে। D) 'ত' বর্গীয় ধ্বনি — ত বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য 'ণ' বসে না সবসময় দন্ত্য 'ন' বসে। যেমন দন্ত শব্দে ত এর আগে দন্ত্য 'ন' হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ট ঠ ড ঢ এই চারটির সাথে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। ট বর্গ দেখলে চোখ বন্ধ করে মূর্ধন্য ণ বসাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাবতই মূর্ধন্য বিধান থেকে প্রশ্ন আসে। ট বর্গীয় ধ্বনির এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বারবার পরীক্ষায় আসে।
20. কোন শব্দে যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত পদের ব্যবহার হয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকাশে-বাতাসে ১. কেন সঠিক: দ্বিরুক্ত শব্দের একটি বিশেষ প্রকার হলো যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত পদ, যেখানে দুটি ভিন্ন শব্দ বা সমার্থক শব্দ মিলে একটি নতুন ভাব প্রকাশ করে। আকাশে-বাতাসে শব্দটিতে আকাশ এবং বাতাস দুটি ভিন্ন সমার্থক বা সম্পর্কিত শব্দ একত্রে জোড়া লেগে যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত পদ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে দ্বিরুক্ত শব্দ মূলত চার প্রকারে গঠিত হয়। এর মধ্যে সমার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বিরুক্ত বা যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যখন দুটি ভিন্ন শব্দ কিন্তু সমার্থক বা প্রায় সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে পাশাপাশি বসে নতুন পদ তৈরি করে, তখন তাকে যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাট-বাজার ব্যাখ্যা: হাট এবং বাজার দুটি ভিন্ন শব্দ হলেও প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে যুগ্মরীতির দ্বিরুক্ত পদ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: ধন-দৌলত ব্যাখ্যা: ধন এবং দৌলত দুটি ভিন্ন শব্দ একত্রিত হয়ে যুগ্মরীতির দ্বিরুক্ত পদের সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চোখে-চোখে — এটি একই পদের বা শব্দের দুইবার পুনরাবৃত্তি করে গঠিত বহুপদী দ্বিরুক্ত শব্দ, যুগ্মরীতির দ্বিরুক্ত নয়। B) থেকে-থেকে — এটি একই অনুসর্গের বা পদের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ, এখানে ভিন্ন শব্দ নেই। D) হাড়ে-হাড়ে — এটি একই বিশেষ্য পদের দুইবার প্রয়োগের মাধ্যমে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ, যুগ্মরীতিতে গঠিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যুগ্মরীতি মানেই জোড়া শব্দ, যেখানে দুটি ভিন্ন বা সমার্থক শব্দ মিলে একটি পদ তৈরি হয়। আকাশের সাথে যেমন বাতাস মিলে প্রকৃতি বোঝায়, তেমনি হাট-বাজার বা ধন-দৌলত এর সহজ উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিরুক্ত শব্দের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। একই শব্দ দুইবার বসলে সাধারণ দ্বিরুক্ত এবং সমার্থক বা ভিন্ন শব্দ জোড়া লাগলে তা যুগ্মরীতি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
23. ___ the time he realized his mistake, it was already too late.
Created 3 weeks ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে সময়ের সীমানার আগে বোঝাতে By preposition ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কিছু ঘটেছিল বোঝাতে By the time ফ্রেজটি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By — এটি সঠিক উত্তর এবং নির্দিষ্ট সময়ের পূর্ববর্তী অবস্থাকে নির্দেশ করে। B) For — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা কাজ বা কোনোকিছুর জন্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Since — এটি অতীতের নির্দিষ্ট কোনো সময় থেকে শুরু হওয়া কাজ বোঝাতে বসে। D) On — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের পূর্বে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পূর্বের সময় বোঝাতে By the time ব্যবহার করবে।
24. ___ her mother's best efforts, she failed the exam.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Despite কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের অংশে কোনো পূর্ণ বাক্য নেই, বরং একটি নাউন ফ্রেজ আছে। এই নাউন ফ্রেজের আগে সত্ত্বেও অর্থ প্রকাশ করতে Despite বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Although — এটি কনজাংশন হিসেবে বসে এবং এর পরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত একটি পূর্ণ বাক্য থাকতে হয়। B) Even — একা বসে না এবং এর সাথে that যুক্ত হয়ে Even that হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Inspite — এর সঠিক বানান হচ্ছে In spite of, যা একসাথে বা শুধু Inspite হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: Despite এর সাথে কখনো of বসে না, কিন্তু In spite এর সাথে সবসময় of বসে।
25. It is ___ to be safe than sorry.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) better কেন সঠিক: বাক্যটিতে দুটি অবস্থার মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে। তাই এখানে গুড বা ওয়েল শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) well — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এখানে তুলনার ক্ষেত্রে বসে না। B) better — এটি সঠিক তুলনামূলক রূপ হওয়ায় উত্তরটি সঠিক হয়েছে। C) alright — এটি কোনো তুলনা বোঝায় না এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে বেমানান। D) best — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি হওয়ায় দুটি বিষয়ের মধ্যে তুলনায় বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে দ্যান শব্দ দেখলে বুঝবে তুলনা করা হচ্ছে, তাই তখন কম্পারেটিভ ডিগ্রি যেমন বেটার ব্যবহার করতে হবে।
26. The company ___ little reason to worry since it was well ahead of its competitors.
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যের প্রথমাংশ ও দ্বিতীয়াংশের মাঝের সংযোগকারী শব্দটি অতীতের ঘটনা নির্দেশ করছে। - বাক্যের দ্বিতীয় অংশে 'was' থাকায় পুরো বাক্যটি পাস্ট টেন্সে গঠিত হয়েছে, তাই প্রথম অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের ভার্ব হিসেবে 'had' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) having — এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড, যা এই বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে একা বসতে পারে না। B) has — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে, কিন্তু বাক্যের দ্বিতীয়াংশের 'was' পাস্ট টেন্সে থাকায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) would have — এটি কন্ডিশনাল সেন্টেন্সে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে কোনো শর্ত বা কাল্পনিক পরিস্থিতি বোঝানো হয়নি। D) had — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটিকে সঠিক পাস্ট টেন্সের রূপ দেয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের একটি অংশ পাস্ট টেন্সে (was) থাকলে অন্য অংশটিও সাধারণত পাস্ট টেন্সে হবে।
27. Sanzida walked ___ the kitchen to get the food.
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) into কেন সঠিক: বাইরে থেকে কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশ করা বোঝালে into preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে সানজিদা রান্নাঘরের বাইরে থেকে খাবার আনতে ভেতরে প্রবেশ করেছে। তাই এখানে সঠিক উত্তর into হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - স্থির অবস্থান বা কোনো কিছুর ভেতরে আগে থেকেই থাকা বোঝালে in বসে। B) into - এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে গতিশীল প্রবেশ বোঝানো হয়েছে। C) onto - কোনো কিছুর উপরে গতিশীলভাবে ওঠা বোঝালে onto ব্যবহৃত হয়। D) on - কোনো কিছুর উপরে স্থিরভাবে অবস্থান করা বোঝালে on বসে। মনে রাখার টিপস: বাইরে থেকে ভেতরে যাওয়ার গতি বোঝালে always into ব্যবহার করবে।
28. Identify the correct spelling:
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ingen.ous কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো ingenious যার অর্থ বুদ্ধিমান বা প্রতিভাধর। এখানে i এবং o অক্ষরের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ইংরেজি বানান রীতি রক্ষা করা হয়েছে। তাই এই বানানটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। এটি বহুল ব্যবহৃত একটি ইংরেজি শব্দ যার প্রমিত রূপ এটিই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ingen.ous — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো বানান ভুল নেই। B) ingeneus — এখানে o এর বদলে e ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। C) ingineous — এখানে e এর বদলে i ব্যবহার করার কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। D) ingenius — এখানে ous এর বদলে ius যুক্ত হওয়ায় এটি ভুল বানান। মনে রাখার টিপস: ingenious শব্দটি মনে রাখতে শেষের অংশটুকুর দিকে খেয়াল রাখবে যেখানে i এর পরে o এবং সবশেষে ous যুক্ত হয়।
29. Identify the correct spelling:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) resilient কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান বানানের নিয়ম অনুযায়ী r-e-s-i-l-i-e-n-t হয়। এখানে ডাবল 'l' বা অন্য কোনো অতিরিক্ত বর্ণ নেই। বানানটি ইংরেজি প্রমিত রূপের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) resilent — এখানে মাঝের 'i' বর্ণটি বাদ পড়েছে। B) resillient — এখানে অতিরিক্ত একটি 'l' ব্যবহার করা হয়েছে। C) ressilient — এখানে শুরুতে ডাবল 's' ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। D) resilient — এটি শতভাগ সঠিক এবং প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে শব্দটিকে দুটি ভাগে ভাগ করুন যেমন re এবং silient।
30. Identify the correct spelling:
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) nauseous কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রথমে n-a-u-s-e ব্যবহার করা হয়। এরপর -ous যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nausious — বানানের মাঝে i ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) nauseous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ বমি বমি ভাব। C) nouseous — শুরুতে n-o-u ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল বানান। D) noussious — এখানে অতিরিক্ত s এবং i যুক্ত করে ভুল বানান তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: nauseous বানানটি মনে রাখতে প্রথমে nausea লিখে শেষে ous যোগ করতে হবে।
31. Identify the correct spelling:
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) accommodate কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে দুটি সি (c) এবং দুটি এম (m) রয়েছে। এটি একটি ইংরেজি বানান সংক্রান্ত নিয়ম যা মনে রাখতে হয়। শব্দের শুরুতে ac দিয়ে বানানটি শুরু হয়। শেষে date অংশটি যুক্ত হয়ে শব্দটি পূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) accomodate — এখানে একটি মাত্র এম (m) ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। B) accommodate — এই বানানটি সঠিক এবং এটি অপশন সি এর অনুরূপ। C) accommodate — এটি মূলত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। D) accomodet — এখানে শেষের অংশে date এর বদলে det লেখা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে পারো এভাবে যে, এখানে দুটি সি এবং দুটি এম একসাথে বসে।
32. What is the synonym of the word 'RESOLUTE'?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Determined কেন সঠিক: - Resolute শব্দের অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা অটল, যার সঙ্গে Determined শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। - এই শব্দটি কোনো কাজের প্রতি মানুষের অটল মানসিক অবস্থাকে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Half-hearted — এর অর্থ উদাসীন বা অনিচ্ছুক, যা resolute শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Random — এর অর্থ অনিয়মিত বা এলোমেলো, যা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মনোভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Determined — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং resolute শব্দের সমার্থক শব্দ। D) Purposeless — এর অর্থ উদ্দেশ্যহীন, যা resolute বা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Resolute শব্দের ভেতরে solution বা সমাধান শব্দটি আছে, যার সমাধানে পৌঁছাতে মানুষ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা determined থাকে।
33. What is the antonym of the word 'FEEBLE'?
Created 3 weeks ago | Updated 59 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Powerful কেন সঠিক: Feeble শব্দের অর্থ হলো দুর্বল বা শক্তিহীন। Powerful শব্দের অর্থ হলো শক্তিশালী, যা Feeble শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Meagre — এই শব্দের অর্থ অপর্যাপ্ত বা সামান্য, যা Feeble শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) Frail — এই শব্দের অর্থ ভঙ্গুর বা দুর্বল, যা Feeble শব্দের সমার্থক। C) Weak — এই শব্দের অর্থ দুর্বল, যা Feeble শব্দের সমার্থক অর্থ প্রদান করে। D) Powerful — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Feeble মানে দুর্বল মনে রাখলে এর উল্টো শক্তিশালী বা Powerful সহজে মনে রাখা যায়।
34. He is almost late to work every day.
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is almost late for work কেন সঠিক: বাক্যে 'late' এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে 'for' ব্যবহৃত হয়। তাই 'to work' এর পরিবর্তে 'for work' সঠিক গঠন। 'Almost' শব্দটি সাধারণত মূল ভার্বের আগে বা 'to be' ভার্বের পরে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is almost late for work — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের গঠন সঠিক। B) is late for almost work — এখানে 'almost' শব্দটি ভুল স্থানে বসেছে কারণ এটি কাজের আগে নয় বরং প্রায় দেরির অবস্থাকে বোঝাচ্ছে। C) is late for work almost — বাক্যের শেষে 'almost' বসানোর নিয়ম ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) almost is late to work — 'almost' শব্দটি 'is' ভার্বের আগে বসায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: দেরি অর্থে 'late for' বসে এবং 'almost' সাধারণত 'is' এর পরে বসে।
35. I never imagine that he would betray me.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I never imagined কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে অতীতে ঘটে যাওয়া একটি বিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে। তাই মূল verb টিকে Past Tense এ রূপান্তর করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I never imagined — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ সঠিক। B) I cannot imagine — এটি Present Tense এ আছে, যা অতীতের ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) I can never imagine — এটি বর্তমান কালের অভ্যাস বোঝায়, যা অতীত ঘটনার জন্য প্রযোজ্য নয়। D) I would not have imagine — এখানে imagine এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি এবং অর্থটিও অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: অতীতের কোনো ঘটনা বা বিশ্বাসের কথা প্রকাশের সময় সবসময় Past Tense ব্যবহার করতে হয়।
36. ইশতেহার-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Manifesto কেন সঠিক: - Manifesto শব্দের বাংলা অর্থ হলো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার বা ঘোষণাপত্র। - এটি সাধারণত কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের নীতি ও কর্মসূচি প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Manifesto — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ইশতেহার বা ঘোষণাপত্র। B) Advertisement — এর অর্থ বিজ্ঞাপন, যা কোনো পণ্য বা সেবার প্রচারের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Prospectus — এর অর্থ বিবরণপত্র, যা সাধারণত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির পরিচিতির জন্য প্রকাশিত হয়। D) Update — এর অর্থ হালনাগাদ বা আধুনিকীকরণ, যা কোনো তথ্যের নতুন রূপ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: রাজনৈতিক দল ভোটের আগে ম্যানিফেস্টো বা ইশতেহার প্রকাশ করে।
37. উপভাষা-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Dialect কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকে ইংরেজিতে ডায়ালেক্ট বা উপভাষা বলা হয়। এটি মূল ভাষা থেকে কিছুটা আলাদা হয়। বিভিন্ন এলাকার মানুষের উচ্চারণ ও শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে এটি তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dialect — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Sub-Language — উপভাষা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। C) Paralanguage — এটি অঙ্গভঙ্গি বা স্বরের ওঠানামার মাধ্যমে যোগাযোগের পদ্ধতি। D) Lingua franca — এটি বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের সাধারণ মাধ্যম। মনে রাখার টিপস: ডায়ালেক্ট শব্দটি অঞ্চলভেদে মানুষের মুখের ভাষার পরিবর্তন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
38. আলোচ্যসূচি-
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Agenda কেন সঠিক: বাংলায় 'আলোচ্যসূচি' শব্দটির সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Agenda'। সভা বা বৈঠকের শুরুতে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার তালিকা তৈরি করা হয়, তাকে এজেন্ডা বলা হয়। সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক কাজের ক্ষেত্রে বৈঠকের কার্যপদ্ধতি নির্ধারণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পারিভাষিক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discussant — এই শব্দটির অর্থ আলোচক বা যিনি আলোচনায় অংশ নেন। B) Topic — এই শব্দটির অর্থ সাধারণ বিষয়, যা সভার নির্দিষ্ট কার্যতালিকা বোঝায় না। C) Agenda — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Subject — এই শব্দটির অর্থ বিষয় বা অধ্যায়, যা কোনো সভার নির্দিষ্ট আলোচ্যসূচি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বৈঠকে আলোচনার বিষয়গুলোর তালিকা দেখতে চাইলে 'Agenda' শব্দটি মনে রাখবে।
39. গণপূর্ত-
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Public works কেন সঠিক: - 'গণপূর্ত' হলো সরকার নিয়ন্ত্রিত এমন একটি বিভাগ বা কাজ, যা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য রাস্তাঘাট, ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ করে। - ইংরেজি পরিভাষা অনুযায়ী সরকারি নির্মাণ ও পূর্ত কাজ বোঝাতে 'Public works' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Public tasks — এই ফ্রেজটির অর্থ সাধারণ বা জনসাধারণের কাজ, কিন্তু এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রকৌশল বা নির্মাণ বিভাগকে বোঝায় না। B) Public Engineering — এটি পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রকে নির্দেশ করে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বা পেশাগত শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু নির্দিষ্ট পূর্ত বিভাগ নয়। C) Public Business — এর অর্থ জনব্যবসা বা জনসাধারণের কারবার, যা সরকারি নির্মাণ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নয়। D) Public works — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: সরকারি নির্মাণ বা পূর্ত কাজ বুঝাতে সবসময় 'Public works' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেমন গণপূর্ত অধিদপ্তর বা Public Works Department।
40. Find the odd word:
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) credulity কেন সঠিক: এই শব্দের অর্থ হলো অতিসহজে বিশ্বাস করার প্রবণতা বা সরলতা। বাকি সব শব্দ সততা এবং মানুষের নৈতিক গুণাবলি প্রকাশ করে। তাই এটি অন্য শব্দগুলোর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) candor — এর অর্থ হলো মনের সরলতা, খোলামেলা ভাব ও সততা। B) credulity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সহজবিশ্বাসী হওয়া। C) honesty — এর অর্থ হলো সততা যা ভালো মানুষের একটি গুণ। D) integrity — এর অর্থ হলো সততা এবং নৈতিক দৃঢ়তা। মনে রাখার টিপস: সততা বোঝাতে candor, honesty এবং integrity ব্যবহার হয় কিন্তু credulity দিয়ে সহজবিশ্বাস বোঝায়।
41. Find the odd word:
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) livelihood কেন সঠিক: livelihood শব্দের অর্থ জীবন ধারণের উপায় বা জীবিকা, যা মানুষের আয়ের উৎস বোঝায়। বাকি সব অপশন সরাসরি বসবাসের জায়গাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) livelihood — এটি জীবিকা বা আয়ের উৎস বোঝায়, যা অন্য অপশনগুলোর মতো কোনো বাসস্থান বা থাকার জায়গার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) abode — এর অর্থ বাসস্থান বা থাকার জায়গা, যা ঘর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) habitat — এর অর্থ আবাসস্থল, যা মানুষ বা প্রাণীর বসবাসের প্রাকৃতিক পরিবেশ নির্দেশ করে। D) home — এর অর্থ বাড়ি বা গৃহ, যা মানুষের স্থায়ী বসবাসের জায়গাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: বাকি তিনটি শব্দ থাকার জায়গার সমার্থক হলেও livelihood অর্থ জীবিকা।
42. Find the odd word:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) relative কেন সঠিক: অপশন এ হলো একমাত্র শব্দ যা জন্মসূত্রে বা রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় বোঝায়। বাকি অপশনগুলো মানুষ নিজের ইচ্ছায় বা প্রয়োজনে তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) relative — এটি জন্মগত রক্ত বা পারিবারিক সম্পর্কের আত্মীয় বোঝায় যা বাকিগুলোর মতো ইচ্ছাকৃত নয়। B) ally — এটি রাজনৈতিক বা সামরিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বার্থে গঠিত জোটের সঙ্গী বোঝায়। C) partner — এটি ব্যবসায় বা ব্যক্তিগত কাজে চুক্তির মাধ্যমে যুক্ত হওয়া অংশীদার বোঝায়। D) companion — এটি জীবনের পথ চলায় বা কাজের সময় পাশে থাকা স্বেচ্ছাকৃত সঙ্গী বোঝায়। মনে রাখার টিপস: রক্তের সম্পর্ক মানেই relative আর বাকি সব ইচ্ছে করে গড়া সম্পর্ক।
43. Find the odd word:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) impartiality কেন সঠিক: impartiality শব্দের অর্থ হলো নিরপেক্ষতা বা পক্ষপাতহীনতা, যা একটি ইতিবাচক গুণ এবং বাকি শব্দগুলোর সম্পূর্ণ বিপরীত। বাকি শব্দগুলো কোনো না কোনোভাবে অন্যায় বা পক্ষপাতিত্বকে বোঝায়। এটি অন্যদের থেকে আলাদা। এটি সঠিক অর্থের দিক থেকে অনন্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bias — এর অর্থ পক্ষপাতিত্ব বা ঝোঁক, যা নেতিবাচক এবং সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) prejudice — এর অর্থ পূর্বসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস, যা নিরপেক্ষতার পরিপন্থী। C) impartiality — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং বাকীগুলোর বিপরীতার্থক শব্দ। D) inequity — এর অর্থ অসমতা বা অন্যায়, যা পক্ষপাতমূলক আচরণের ফলাফল। মনে রাখার টিপস: অন্যান্য শব্দগুলো বৈষম্য বা পক্ষপাত বোঝায় আর impartiality নিরপেক্ষতা বোঝায়।
44. Kalam, one of our oldest worker, is very loyal.
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) workers, is very loyal. কেন সঠিক: "One of the" অথবা "one of our" এর পরে সর্বদা plural noun বসে, তাই "worker" না হয়ে "workers" হবে। বাক্যের মূল subject হলো "one", যা singular হওয়ায় verb হিসেবে "is" ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) workers, is very loyal — এটি সঠিক অপশন এবং এতে কোনো grammatical ভুল নেই। B) worker, is being very loyal — এখানে plural noun এর নিয়ম মানা হয়নি এবং continuous tense এর প্রয়োজন নেই। C) workers, are very loyal — এখানে plural subject ধরে verb ভুলভাবে "are" ব্যবহার করা হয়েছে। D) worker, was very loyal — এখানে plural noun ব্যবহার না করে past tense ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: "One of" এর পরে সবসময় বহুবচন নাউন বসে কিন্তু মূল সাবজেক্ট একবচন হওয়ায় ভার্ব একবচন হয়।
45. Globalization is a phenomenon that have affected all countries.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has affected কেন সঠিক: এখানে Globalization হলো একটি singular subject, যার পরে singular verb বসবে। তাই have না হয়ে has হবে এবং present perfect tense বোঝাতে verb-এর past participle form (affected) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) affecting — এটি participle form এবং এর আগে কোনো auxiliary verb না থাকায় মূল verb হিসেবে কাজ করতে পারে না। B) has affect — has-এর পর verb-এর present form বসতে পারে না, সেখানে past participle form হওয়া আবশ্যক। C) has affected — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) having affect — having-এর পর affect-এর noun form বসায় grammatically বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মনে রাখার টিপস: Subject singular হলে has এবং plural হলে have বসে এবং এর পরে সবসময় verb-এর past participle form হয়।
46. একজন খুচরা দোকানদার একটি ঘড়ি ক্রয় করে ৯৯০ টাকায় ঘড়িটি বিক্রয় করলে ১০% ক্ষতি হয়। দোকানদারের জন্য ঘড়িটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১০০ প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৯৯০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ১০% ধরি, ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ৯৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৯৯০) ÷ ৯০ = ১১০০ টাকা উত্তর: ১১০০ টাকা
47. দুইটি পাইপ একটা ট্যাংক ২০ এবং ২৪ মিনিটে পূর্ণ করতে পারে এবং অপর একটি পাইপ প্রতি মিনিটে ট্যাংক হতে ৩ গ্যালন পানি খালি করতে পারে। তিনটি পাইপ একসাথে খুলে দিলে ট্যাংকটি ১৫ মিনিটে পূর্ণ হয়। ট্যাংকটির ধারণক্ষমতা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম পাইপ ট্যাংক পূর্ণ করে কুড়ি মিনিটে দ্বিতীয় পাইপ ট্যাংক পূর্ণ করে চব্বিশ মিনিটে তিনটি পাইপ একসাথে খোলা থাকলে সময় লাগে পনেরো মিনিট ধরি, ট্যাংকের মোট ধারণক্ষমতা = ক গ্যালন অতএব, প্রথম পাইপের এক মিনিটে পূর্ণ করার পরিমাণ = ক ÷ ২০ অংশ দ্বিতীয় পাইপের এক মিনিটে পূর্ণ করার পরিমাণ = ক ÷ ২৪ অংশ তিনটি পাইপের একত্রে এক মিনিটে পূর্ণ করার পরিমাণ = ক ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, তৃতীয় পাইপের এক মিনিটে খালি করার পরিমাণ = (ক ÷ ২০) + (ক ÷ ২৪) − (ক ÷ ১৫ অংশ) = ক ÷ ৪০ অংশ প্রশ্নানুসারে, ক ÷ ৪০ = ৩ ক = ১২০ উত্তর: ১২০
48. একটি স্কুলে ২০% ছাত্রের বয়স ৮ বছরের নিচে। ৮ বছর বয়সী ছাত্রের সংখ্যা ৪৮। ৮ বছরের বেশি বয়সী ছাত্রের সংখ্যা ৮ বছর বয়সী ছাত্র সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ। স্কুলের মোট ছাত্র সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: ৮ বছর বয়সী ছাত্রের সংখ্যা = ৪৮ ৮ বছরের বেশি বয়সী ছাত্রের সংখ্যা = ৮ বছর বয়সী ছাত্র সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ ২০% ছাত্রের বয়স ৮ বছরের নিচে ধরি, মোট ছাত্র সংখ্যা = ক অতএব, ৮ বছরের বেশি বয়সী ছাত্রের সংখ্যা = ৪৮ × (২ ÷ ৩) = ৩২ জন ৮ বছর ও তার বেশি বয়সী মোট ছাত্র = ৪৮ + ৩২ = ৮০ জন সুতরাং, ৮ বছরের নিচে ছাত্র আছে = ১০০% − ২০% = ৮০% প্রশ্নমতে, ৮০% = ৮০ জন, অর্থাৎ মোট ছাত্র ক = ১০০ জন উত্তর: ১০০
49. ২৮, ১২, ৩৬, ১৮, ৫৪, ... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ২৮, ১২, ৩৬, ১৮, ৫৪ এবং পরবর্তী সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে ধরি, ধারার প্রথম পদ = ২৮ ধারার দ্বিতীয় পদ = ১২ অতএব, প্রথম পদকে ২ দিয়ে ভাগ করে এবং ৩ দিয়ে গুণ করলে দ্বিতীয় পদ পাওয়া যায় (২৮ ÷ ২ × ৩ = ১২) একইভাবে দ্বিতীয় পদ ১২ কে ২ দিয়ে ভাগ করে ৩ দিয়ে গুণ করলে তৃতীয় পদ পাওয়া যায় (১২ ÷ ২ × ৩ = ১৮) সুতরাং, শেষ পদ ৫৪ কে ২ দিয়ে ভাগ করে ৩ দিয়ে গুণ করলে পরবর্তী সংখ্যাটি পাওয়া যাবে উত্তর: ৫৪ ÷ ২ × ৩ = ২৭
50. ১০৫৬ এর সাথে সর্বনিম্ন কত যোগ করলে যোগফলটি ২৩ দ্বারা সম্পূর্ণরূপে বিভাজ্য হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি = ১০৫৬ ভাজক = ২৩ ধরি, ১০৫৬ সংখ্যাটিকে ২৩ দ্বারা ভাগ করতে হবে ভাগশেষ বের করার জন্য ১০৫৬ কে ২৩ দিয়ে ভাগ করা যাক অতএব, ১০৫৬ কে ২৩ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল হয় ৪৩ এবং ভাগশেষ থাকে ২১ কাঙ্ক্ষিত ভাগশেষ পাওয়ার জন্য ভাজক থেকে প্রাপ্ত ভাগশেষ বিয়োগ করতে হবে সুতরাং, প্রয়োজনীয় সংখ্যা = ২৩ − ২১ = ২ উত্তর: ২
51. ৩ বছর পূর্বে স্বামী, স্ত্রী এবং তাদের সন্তানের গড় বয়স ছিল ২৭ বছর। ৫ বছর পূর্বে স্ত্রী ও সন্তানের গড় বয়স ছিল ২০ বছর। বর্তমানে স্বামীর বয়স কত বছর?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: ৩ বছর পূর্বে ৩ জনের গড় বয়স ছিল ২৭ বছর ৫ বছর পূর্বে ২ জনের গড় বয়স ছিল ২০ বছর ধরি, বর্তমানে স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানের বয়সের সমষ্টি = ক বর্তমানে স্ত্রী ও সন্তানের বয়সের সমষ্টি = খ অতএব, ৩ বছর পূর্বে ৩ জনের বয়সের সমষ্টি = ২৭ × ৩ = ৮১ বছর বর্তমানে ৩ জনের বয়সের সমষ্টি = ৮১ + (৩ × ৩) = ৯০ বছর সুতরাং, ৫ বছর পূর্বে ২ জনের বয়সের সমষ্টি = ২০ × ২ = ৪০ বছর বর্তমানে ২ জনের বয়সের সমষ্টি = ৪০ + (৫ × ২) = ৫০ বছর উত্তর: ৯০ − ৫০ = ৪০ বছর
52. যদি একটি আয়তক্ষেত্রের প্রতিটি পাশ ২০% বাড়ানো হয়, তবে এর ক্ষেত্রফল কত শতাংশ বৃদ্ধি পাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৪% প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের প্রতিটি বাহু বৃদ্ধি পায় ২০% ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক বর্ধিত দৈর্ঘ্য = ১২০ একক বর্ধিত প্রস্থ = ১২০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১২০ × ১২০ = ১৪৪০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় (১৪৪০০ − ১০০০০) ÷ ১০০ = ৪৪%
53. একটি সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ পাত্রের ৩ অংশ পানি এবং ৫ অংশ সিরাপ। পাত্রটি থেকে মিশ্রণটির কিছু অংশ ফেলে দিয়ে পাত্রটি পানি দিয়ে পূর্ণ করা হল। এর ফলে নতুন মিশ্রণটির অর্ধেক পানি এবং অর্ধেক সিরাপ হলে, পাত্রটি থেকে কত অংশ ফেলে দেওয়া হয়েছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৫ প্রদত্ত তথ্য: পাত্রটিতে পানি আছে ৩ অংশ এবং সিরাপ আছে ৫ অংশ মোট মিশ্রণের পরিমাণ = ৩ + ৫ = ৮ অংশ ধরি, পাত্রটি থেকে তোলা হলো x অংশ মিশ্রণ অতএব, অবশিষ্ট মিশ্রণে পানি থাকে ৩ × (১ − x) অংশ অবশিষ্ট মিশ্রণে সিরাপ থাকে ৫ × (১ − x) অংশ সুতরাং, নতুন মিশ্রণে পানি যোগ করা হয় এবং মোট পানি হয় ১/২ অংশ উত্তর: ১/৫
54. তিনটি ক্রমিক বিজোড় পূর্ণসংখ্যার প্রথমটির তিন গুণ তৃতীয় সংখ্যাটির দ্বিগুণে থেকে ৩ বেশি। তৃতীয় সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক বিজোড় পূর্ণসংখ্যা এবং প্রথমটির তিন গুণ তৃতীয়টির দ্বিগুণ থেকে তিন বেশি ধরি, প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = x + ২ তৃতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = x + ৪ অতএব, প্রশ্নমতে লেখা যায়, ৩ × x = ২ × (x + ৪) + ৩ বা, ৩x = ২x + ৮ + ৩ বা, ৩x = ২x + ১১ সুতরাং, x = ১১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ১১ + ৪ = ১৫ উত্তর: ১৫
55. তামিম তার ভ্রমণের প্রথম অংশে ১৮০ মাইল এবং দ্বিতীয় অংশে ৩০০ মাইল অতিক্রম করে। উভয় অংশে তার গড় গতি একই ছিল। যদি দ্বিতীয় অংশে তামিমের প্রথম অংশের থেকে ২ ঘণ্টা বেশি গাড়ি চালাতে হয়, তবে তার গাড়ির গড় গতি কত ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম অংশে অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৮০ মাইল দ্বিতীয় অংশে অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩০০ মাইল ধরি, গাড়ির গড় গতিবেগ = v মাইল প্রতি ঘণ্টা অতএব, প্রথম অংশে সময় লাগে = ১৮০ ÷ v ঘণ্টা দ্বিতীয় অংশে সময় লাগে = ৩০০ ÷ v ঘণ্টা সুতরাং, সময়ের পার্থক্য = (৩০০ ÷ v) − (১৮০ ÷ v) = ২ ঘণ্টা উত্তর: ১২০ ÷ v = ২, অর্থাৎ v = ৬০ মাইল প্রতি ঘণ্টা
56. তিন বছর পূর্বে বাবার বয়স তার ছেলের থেকে ২৪ বছর বেশি ছিল। বর্তমানে বাবার বয়স ছেলের বয়সের ৫ গুণ হলে, এখন থেকে তিন বছর পর ছেলের বয়স কত বছর হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: তিন বছর পূর্বে বাবার বয়স ছেলের থেকে ২৪ বছর বেশি ছিল বর্তমানে বাবার বয়স ছেলের বয়সের ৫ গুণ ধরি, বর্তমানে ছেলের বয়স = ক বছর বর্তমানে বাবার বয়স = ৫ক বছর অতএব, তিন বছর পূর্বে ছেলের বয়স ছিল = ক − ৩ বছর তিন বছর পূর্বে বাবার বয়স ছিল = ৫ক − ৩ বছর সুতরাং, প্রশ্নানুসারে, (৫ক − ৩) − (ক − ৩) = ২৪ সমাধান করে পাই, ৪ক = ২৪ এবং ক = ৬ উত্তর: এখন থেকে তিন বছর পর ছেলের বয়স হবে ৬ + ৩ = ৯ বছর
57. আবু এবং বাবু একটি ব্যবসায় ৩:২ অনুপাতে বিনিয়োগ করে। যদি মোট লাভের ৫% সঞ্চিত রাখা হয় এবং বাকি অংশ থেকে আবু ৮৫৫ টাকা লভ্যাংশ হিসেবে পায়, তবে ব্যবসায়ের মোট লাভ কত টাকা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০০ প্রদত্ত তথ্য: আবু এবং বাবুর বিনিয়োগের অনুপাত ৩ : ২ মোট লাভের ৫% সঞ্চয় করা হয় ধরি, মোট লাভ = ১০০ টাকা সঞ্চয় = ৫ টাকা অতএব, বন্টনযোগ্য লাভ = ১০০ − ৫ = ৯৫ টাকা আবুর লভ্যাংশ = ৯৫ এর (৩ ÷ ৫) অংশ = ৫৭ টাকা সুতরাং, আবুর লভ্যাংশ ৫৭ টাকা হলে মোট লাভ = ১০০ টাকা আবুর লভ্যাংশ ৮৫৫ টাকা হলে মোট লাভ = (১০০ × ৮৫৫) ÷ ৫৭ = ১৫০০ টাকা উত্তর: ১৫০০ টাকা
58. দুইজন সাইকেল আরোহী একটি ৭৭০ ফুট লম্বা সেতুর বিপরীত প্রান্ত থেকে একে অপরের দিকে আসতে থাকে। প্রথম সাইকেল আরোহীর গতি প্রতি সেকেন্ডে ১৫ ফুট এবং দ্বিতীয় সাইকেল আরোহীর গতি প্রতি সেকেন্ডে ২০ ফুট হলে কত সেকেন্ড পরে তারা মিলিত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ প্রদত্ত তথ্য: সেতুর মোট দৈর্ঘ্য = ৭৭০ ফুট প্রথম আরোহীর গতি = প্রতি সেকেন্ডে ১৫ ফুট দ্বিতীয় আরোহীর গতি = প্রতি সেকেন্ডে ২০ ফুট ধরি, তারা মিলিত হবে = ক সেকেন্ড পরে অতএব, প্রথম আরোহী ক সেকেন্ডে অতিক্রম করে = ১৫ × ক ফুট দ্বিতীয় আরোহী ক সেকেন্ডে অতিক্রম করে = ২০ × ক ফুট সুতরাং, ১৫ × ক + ২০ × ক = ৭৭০ ৩৫ × ক = ৭৭০ উত্তর: ক = ৭৭০ ÷ ৩৫ = ২২ সেকেন্ড
59. একটি বৃত্তির জন্য আবেদনকারীদের অর্ধেককে অনলাইন পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয়। বাছাইকৃতদের মধ্যে ৪০%, অর্থাৎ ১২ জন শিক্ষার্থী, চূড়ান্ত রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত হলে, কতজন শিক্ষার্থী আবেদন করেছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: চূড়ান্ত রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বারো জন বাছাইকৃতদের মধ্যে চূড়ান্ত রাউন্ডে নির্বাচিত হয়েছে চল্লিশ শতাংশ ধরি, অনলাইন পরীক্ষার জন্য বাছাই করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা সমান ক জন অতএব, ক এর চল্লিশ শতাংশ সমান বারো জন ক গুণ (চল্লিশ ভাগ একশত) সমান বারো সুতরাং, ক সমান বারো গুণ একশত ভাগ চল্লিশ ক সমান ত্রিশ জন ধরি, মোট আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা সমান খ জন অতএব, খ এর অর্ধেক সমান ত্রিশ জন খ ভাগ দুই সমান ত্রিশ সুতরাং, খ সমান ত্রিশ গুণ দুই খ সমান ষাট জন উত্তর: মোট আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ষাট জন
60. একটি গাড়ির শোরুমে বিক্রি হওয়া প্রতিটি গাড়ির উপর ৬% কমিশন পায়। বিক্রয় কমিশনের ২/৩ অংশ কর্মীদের দেয়া হয় এবং বাকি অংশ শোরুমটির কাছে থাকে। কোন এক মাসে মোট ২,২০,০০০ টাকার গাড়ি বিক্রি করলে শোরুমটি কমিশন থেকে নীট কত টাকা পাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪,৪০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট গাড়ি বিক্রির পরিমাণ = ২,২০,০০০ টাকা বিক্রির ওপর কমিশনের হার = ৬% ধরি, মোট কমিশন পাওয়া যাবে = ২,২০,০০০ টাকার ৬% অতএব, মোট কমিশন = (২,২০,০০০ × ৬) ÷ ১০০ টাকা মোট কমিশন = ১৩,২০০ টাকা ধরি, কর্মীদের দেয়া হয় কমিশনের ২ ÷ ৩ অংশ অতএব, কর্মীদের দেয়া হয় = (১৩,২০০ × ২) ÷ ৩ টাকা কর্মীদের দেয়া হয় = ৮,৮০০ টাকা সুতরাং, শোরুমের কাছে থাকবে = মোট কমিশন − কর্মীদের দেয়া টাকা শোরুমের কাছে থাকবে = ১৩,২০০ − ৮,৮০০ টাকা = ৪,৪০০ টাকা উত্তর: ৪,৪০০ টাকা
61. একটি প্রতিষ্ঠানে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের মজুরি ঘণ্টা প্রতি ২৫০ টাকা। কোন শ্রমিক ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে, শুধু অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার জন্য স্বাভাবিক মজুরির ১.৫ গুণ হারে টাকা পায়। কোন শ্রমিক যদি একদিনে ১১ ঘণ্টা কাজ করে তবে সে কত টাকা মজুরি পাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১২৫ প্রদত্ত তথ্য: স্বাভাবিক কাজের সময় = দৈনিক ৮ ঘণ্টা স্বাভাবিক মজুরি প্রতি ঘণ্টা = ২৫০ টাকা ধরি, অতিরিক্ত কাজের সময় = মোট সময় − স্বাভাবিক সময় অতিরিক্ত কাজের সময় = ১১ − ৮ = ৩ ঘণ্টা অতএব, প্রথম ৮ ঘণ্টার মজুরি = ৮ × ২৫০ = ২০০০ টাকা অতিরিক্ত প্রতি ঘণ্টা মজুরি = ২৫০ × ১.৫ = ৩৭৫ টাকা অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টার মজুরি = ৩ × ৩৭৫ = ১১২৫ টাকা সুতরাং, মোট প্রাপ্ত মজুরি = ২০০০ + ১১২৫ = ৩১২৫ টাকা উত্তর: ৩১২৫
62. একজন বই বিক্রেতা পুরনো বই ৭৫ টাকা থেকে ১০০ টাকা দামে কিনে সেগুলো ১১০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা দামে বিক্রি করে। যদি বিক্রেতা এই ধরনের ২০টি বই বিক্রি করে, তাহলে তার সর্বনিম্ন কত টাকা লাভ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: বইয়ের ক্রয়মূল্যের পরিসর ৭৫ টাকা থেকে ১০০ টাকা বইয়ের বিক্রয়মূল্যের পরিসর ১১০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা ধরি, সর্বনিম্ন লাভের জন্য সর্বনিম্ন ক্রয়মূল্য ধরতে হবে সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্যের পরিবর্তে সর্বনিম্ন বিক্রয়মূল্য ধরতে হবে অতএব, একটি বইয়ের সর্বনিম্ন ক্রয়মূল্য = ৭৫ টাকা একটি বইয়ের সর্বনিম্ন বিক্রয়মূল্য = ১১০ টাকা সুতরাং, একটি বইয়ে সর্বনিম্ন লাভ = ১১০ টাকা − ৭৫ টাকা = ৩৫ টাকা ২০টি বইয়ে সর্বনিম্ন লাভ = ৩৫ টাকা × ২০ = ৭০০ টাকা উত্তর: প্রশ্নটিতে লাভের সর্বনিম্ন হিসাব করতে বলা হয়েছে, এবং ২০টি বইয়ের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন লাভ ২০০ টাকা।
63. একটি কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ, মনিটর এবং প্রিন্টারের মোট মূল্য ২,১০০ টাকা। মনিটর এবং প্রিন্টারের মোট মূল্য হার্ড ড্রাইভের মূল্যের তিন-চতুর্থাংশ। যদি প্রিন্টারের মূল্য মনিটরের মূল্যের চেয়ে ১২০ টাকা বেশি হয়, তাহলে প্রিন্টারের মূল্য কত টাকা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫১০ প্রদত্ত তথ্য: হার্ড ড্রাইভ, মনিটর এবং প্রিন্টারের মোট মূল্য = ২১০০ টাকা মনিটর ও প্রিন্টারের মোট মূল্য হার্ড ড্রাইভের মূল্যের তিন-চতুর্থাংশ প্রিন্টারের মূল্য মনিটরের মূল্যের চেয়ে ১২০ টাকা বেশি ধরি, হার্ড ড্রাইভের মূল্য = ক টাকা মনিটরের মূল্য = খ টাকা প্রিন্টারের মূল্য = খ + ১২০ টাকা অতএব, মনিটর ও প্রিন্টারের মোট মূল্য = খ + খ + ১২০ = ২খ + ১২০ টাকা প্রশ্নমতে, ২খ + ১২০ = (৩ ÷ ৪) ক এবং ক + ২খ + ১২০ = ২১০০ দ্বিতীয় হিসাব: ক এর মান বের করতে পাই, ২১০০ − (৩ ÷ ৪) ক = (৩ ÷ ৪) ক বা, (৭ ÷ ৪) ক = ২১০০ সুতরাং ক = ১২০০ টাকা তৃতীয় হিসাব: মনিটর ও প্রিন্টারের মোট মূল্য = ২১০০ − ১২০০ = ৯০০ টাকা আবার, প্রিন্টার ও মনিটরের মূল্যের পার্থক্য = ১২০ টাকা সুতরাং, দুই গুণ মনিটরের মূল্য = ৯০০ − ১২০ = ৭৮০ টাকা অতএব মনিটরের মূল্য = ৩৯০ টাকা উত্তর: প্রিন্টারের মূল্য = ৩৯০ + ১২০ = ৫১০ টাকা
66. বিশ্বের কোন শহর 'নিষিদ্ধ শহর' নামে পরিচিত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লাসা কেন সঠিক: - তিব্বতের রাজধানী লাসায় অতীতে বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। - এর দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান এবং ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতার কারণে বিশ্ববাসীর কাছে এটি নিষিদ্ধ শহর হিসেবে পরিচিত লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উলানবাটোর — এটি মঙ্গোলিয়ার রাজধানী, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) পিয়ং ইয়ং — এটি উত্তর কোরিয়ার রাজধানী, যা এই শহরের ঐতিহাসিক পরিচিতির সঙ্গে মেলে না। C) হাভানা — এটি কিউবার রাজধানী, যা ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি বিখ্যাত শহর। D) লাসা — এটি তিব্বতের সেই ঐতিহাসিক শহর যা 'নিষিদ্ধ শহর' নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: তিব্বতের রাজধানী লাসা দুর্গমতার কারণে অতীতে নিষিদ্ধ শহর ছিল।
67. বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস প্রতি বছর কোন দিনে পালিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ জুন কেন সঠিক: - নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে ২০১৯ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। - খাদ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোগ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে খাদ্যজনিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিই এই দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ জুন — বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস হিসেবে নির্ধারিত এবং নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরি করে। B) ১৪ জুন — বিশ্ব রক্তদাতা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা নিরাপদ রক্ত ও রক্তজাত পণ্যের গুরুত্ব প্রচার করে। C) ২১ জুন — আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য যোগব্যায়ামের উপকারিতা প্রচার করে। D) ২৭ জুন — অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে এসব খাতের অবদানকে স্বীকৃতি দেয়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সপ্তাহের শুরুতেই অর্থাৎ ৭ দিনই সচেতন থাকতে হবে, আর ৭ দিন থেকেই মনে রাখুন ৭ জুন।
68. আসিয়ান রিজিয়নাল ফোরাম (ARF)- এর সদস্য সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৭ কেন সঠিক: - আসিয়ান রিজিয়নাল ফোরাম বা এআরএফ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের নিরাপত্তা বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক মঞ্চ। - এই ফোরামে আসিয়ানের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পাশাপাশি অঞ্চলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশ মিলে মোট সদস্য সংখ্যা ২৭। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ — এই সংখ্যাটি আসিয়ান রিজিয়নাল ফোরামের বর্তমান মোট সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। B) ২২ — এই সংখ্যাটি এআরএফ ফোরামের সঠিক সদস্য সংখ্যার নির্দেশক নয়। সি) ২৭ — এটি আসিয়ান রিজিয়নাল ফোরামের সঠিক সদস্য সংখ্যা এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) ২৮ — এই সংখ্যাটি এআরএফ-এর সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং এটি একটি ভুল তথ্য। মনে রাখার টিপস: আসিয়ান জোটের সদস্য দশটি এবং এআরএফ-এর মোট সদস্য সাতাশটি, এই সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
69. মুসলিম প্রধান না হয়েও কোন দেশটি ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্য?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টোগো কেন সঠিক: - টোগো পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও ওআইসির সদস্যপদ লাভ করেছে। - ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থায় মুসলিমপ্রধান দেশ ছাড়াও কিছু অমুসলিম দেশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোগো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মুসলিম সংখ্যালঘু দেশ হওয়া সত্ত্বেও এটি ওআইসির সদস্য। B) মালি — এটি কোনো ভুল অপশন নয়, তবে মালি একটি মুসলিমপ্রধান দেশ এবং ওআইসির সদস্য। C) লেবানন — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যেখানে উল্লেখযোগ্য মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে এবং এটি ওআইসির সদস্য। D) নাইজার — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি মুসলিমপ্রধান দেশ এবং এই সংস্থার নিয়মিত সদস্য। মনে রাখার টিপস: মুসলিম প্রধান নয় কিন্তু ওআইসির সদস্য দেশগুলোর মধ্যে টোগো নামটি মনে রাখতে হবে।
70. ডেভেলপিং এইট বা ডি-৮ এর সদস্য নয় কোন দেশটি?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - ডেভেলপিং এইট বা ডি-৮ হলো উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা। - প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ইরাক এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা বা বর্তমান সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — এটি ডি-৮ সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। B) ইরাক — এটি ডি-৮ সংস্থার সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) মিশর — এটি ডি-৮ সংস্থার অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র। D) তুরস্ক — এটি ডি-৮ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর সদর দপ্তর ইস্তামবুলে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ডি-৮ সদস্য দেশ মনে রাখার কৌশল হলো দুই টি (তুরস্ক, তিউনিসিয়া নয় কিন্তু), তিন ই (ইন্ডোনেশিয়া, ইরান, মিশর), দুই বা (বাংলাদেশ, পাকিস্তান) এবং এক মা (মালয়েশিয়া)। এখানে ইরাক নেই।
72. বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ওশেনিয়া দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - অস্ট্রেলিয়া ১৯৭১ সালের ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ১৯৭২ সালের ৩ জানুয়ারি, যা অস্ট্রেলিয়ার পরে। B) অস্ট্রেলিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় এই দেশ। C) ফিজি — ফিজি ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। D) ভানুয়াতু — ভানুয়াতু অনেক পরে স্বাধীনতা লাভ করে এবং বাংলাদেশের স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রথম নয়। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বড় দেশ, তাই বাংলাদেশকে স্বীকৃতির বেলাতেও সে সবার আগে এগিয়ে এসেছে।
73. প্রাকৃতিক উৎস থেকে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২য় কেন সঠিক: - জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রতিবেদন অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় বা প্রাকৃতিক উৎস থেকে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। - নদী, বিল ও প্রাকৃতিক উৎসের উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের এই অবস্থান দেশের মৎস্য খাতের সফলতার অন্যতম প্রধান স্বীকৃতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ম — উৎপাদনে চীন বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করায় এই অপশনটি সঠিক নয়। B) ২য় — প্রাকৃতিক উৎস থেকে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান দ্বিতীয় হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) ৩য় — বিশ্ব মৎস্য উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থান অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ায় এটি এখানে সঠিক নয়। D) ৪র্থ — বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে থাকায় চতুর্থ অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয় না। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক উৎস বা মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ সবসময় এগিয়ে থাকে এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান দুই বা দ্বিতীয়।
76. কোন দেশ সর্বপ্রথম মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক এক সফলভাবে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করে। - এই ঐতিহাসিক ঘটনার মাধ্যমেই মহাশূন্য যুগ বা স্পেস এজ সূচনা হয় এবং মহাকাশ জয়ের প্রতিযোগিতায় সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম সাফল্য অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ এক্সপ্লোরার এক উৎক্ষেপণ করে ১৯৫৮ সালের ৩১ জানুয়ারি, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের পরে। B) সোভিয়েত ইউনিয়ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রথম সফল কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে। C) চীন — চীন তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ডং ফাং হং এক ১৯৭০ সালে মহাকাশে পাঠায়, যা এই ঘটনার বহু পরের বিষয়। D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ প্রসপেরো ১৯৭১ সালে মহাশূন্যে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। মনে রাখার টিপস: মহাশূন্য জয়ে প্রথম ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন, যাদের স্পুটনিক দিয়েই মহাকাশ যুগের সূচনা হয়েছিল।
77. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বাধীনতা পদক কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক প্রদত্ত রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে। - স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য এই পদক দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাধীনতা পদক — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) একুশে পদক — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক, যা মূলত ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত ক্ষেত্রে প্রদান করা হয়। C) স্বাধীনতা সম্মাননা — এটি কোনো রাষ্ট্রীয় পদক নয়, বরং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া একটি সম্মাননা স্মারক। D) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পদক বা খেতাব, যা বেসামরিক পদক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বেসামরিক পদকে প্রথম স্থানে আছে স্বাধীনতা পদক এবং দ্বিতীয় স্থানে আছে একুশে পদক।
79. শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক কী?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেসিবেল ১. কেন সঠিক: শব্দের তীব্রতা বা প্রাবল্য পরিমাপের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ডেসিবেল একক ব্যবহার করা হয়। এটি টেইলর ও আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের নামানুসারে তৈরি বেল এককের দশমাংশ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের তীব্রতা বলতে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে শব্দের শক্তির প্রবাহের হার বোঝায়। কার্যপ্রণালি: মানুষের কান শূন্য থেকে শুরু করে অত্যন্ত উচ্চ শব্দের তীব্রতা সহ্য করতে পারে, তাই তীব্রতা পরিমাপের জন্য লগারিদমিক স্কেল বা ডেসিবেল স্কেল ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাতার মর্মরধ্বনির তীব্রতা প্রায় ১০ ডেসিবেল। ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত মৃদু শব্দ যা মানবদেহের জন্য সম্পূর্ণ আরামদায়ক। উদাহরণ ২: সাধারণ কথপোকথনের তীব্রতা প্রায় ৬০ ডেসিবেল। ব্যাখ্যা: এটি দৈনন্দিন যোগাযোগের স্বাভাবিক শব্দমাত্রা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউটন — এটি বল পরিমাপের একক। বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের নামানুসারে এই একক নির্ধারিত হয়েছে। B) হার্টজ — এটি কম্পাঙ্ক পরিমাপের একক। প্রতি সেকেন্ডে যতটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন হয় তা হার্টজ দ্বারা মাপা হয়। C) জুল — এটি কাজ ও শক্তি পরিমাপের একক। তাপশক্তি বা গতিশক্তি প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। D) ডেসিবেল — এটি শব্দের তীব্রতা পরিমাপের সঠিক একক। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের সাথে বেলের নাম জড়িত, কারণ টেলিফোনের আবিষ্কারক গ্রাহাম বেলের নাম অনুসারে এই একক এসেছে। তীব্রতা মাপতে বেলের ছোট একক ডেসিবেল মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। শব্দের নিরাপদ মাত্রা এবং ক্ষতিকর মাত্রা সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকতে পারে।
80. TOP500 তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের নাম কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এল ক্যাপিটান ১. কেন সঠিক: - TOP500 তালিকার তথ্য অনুযায়ী এল ক্যাপিটান হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। - এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে অবস্থিত এবং হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ দ্বারা নির্মিত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সুপার কম্পিউটার হলো এমন একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুতগতির কম্পিউটার যা বিশাল পরিমাণ ডেটা অতি দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি হাজার হাজার প্রসেসর বা সিপিইউ একসঙ্গে সমান্তরালভাবে কাজ করিয়ে জটিল গণনা সম্পন্ন করে। - ব্যবহার: এটি জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পারমাণবিক অস্ত্র সিমুলেশন, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: সুপার কম্পিউটার বায়ুমণ্ডলের বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে পারে। উদাহরণ ২: মহাকাশ গবেষণা ব্যাখ্যা: মহাকাশ থেকে আসা জটিল সংকেত বিশ্লেষণ এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টির রহস্য উদঘাটনে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এল ক্যাপিটান — এটি বর্তমানে তালিকার শীর্ষে থাকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। B) সানওয়ে তাইহু লাইট — এটি চীনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার হলেও বর্তমানে এটি শীর্ষ স্থানে নেই। C) তিয়ানহে-৩ — এটিও চীনের একটি উন্নত সুপার কম্পিউটার, তবে এটি বর্তমান তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে না। D) ফুগাকু — এটি জাপানের একটি বিখ্যাত সুপার কম্পিউটার এবং অতীতে এটি শীর্ষ স্থানে ছিল, তবে বর্তমানে এল ক্যাপিটান এর পেছনে রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্যাপিটান শব্দটি মনে রাখলেই বোঝা যাবে এটি তালিকার ক্যাপিটান বা অধিনায়ক অর্থাৎ শীর্ষে আছে। - সুপার কম্পিউটার পরিমাপের একক হলো ফ্লপস (FLOPS)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুপার কম্পিউটারের গতির একক পেটাফ্লপস বা এক্সাফ্লপস। - বাংলাদেশের প্রথম সুপার কম্পিউটার যুক্ত হয় ২০১০ সালে বুয়েটে, যার নাম আইবিএম আরএস সিক্স থাউজেন্ড।

মোট প্রশ্ন (22)

3. এক কথায় প্রকাশ করুনঃ 'স্থায়ী ঠিকানা নেই যার'।
Created 3 weeks ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উদ্বাস্তু কেন সঠিক: ১. 'উদ্বাস্তু' শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো যার নিজের কোনো স্থায়ী বসতি বা ঠিকানা নেই। ২. দেশত্যাগে বাধ্য হওয়া বা ঘরবাড়ি হারানো মানুষকে এক কথায় উদ্বাস্তু বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এক কথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ২. এটি বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করে। ৩. যেমন: যা বলা হয়নি = অব্যক্ত, যার কোনো উপায় নেই = নিরুপায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বস্তুবাসী — এই শব্দটির অর্থ যারা সাধারণত শহরের বস্তিতে বসবাস করে। B) উদ্বাস্তু — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ঠিকানাবিহীন — এটি সাধাসিধে পদ, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে মানসম্মত এককথার প্রকাশ নয়। D) টোকাই — এই শব্দের অর্থ যারা সাধারণত কুড়িয়ে জীবনযাপন করে বা আবর্জনা থেকে জিনিস সংগ্রহ করে। মনে রাখার টিপস: ১. যার বাড়িঘর বা ঠিকানা উচ্ছেদ হয়েছে তাকে মনে রাখবে উদ্বাস্তু হিসেবে। ২. শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বাক্য সংকোচন সহজেই মনে রাখা যায়।
4. 'বিদ্বান লোক সকলের শ্রদ্ধার পাত্র' এটি কোন ধরনের বাক্য?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা বা উদ্দেশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'বিদ্বান লোক' হলো উদ্দেশ্য এবং 'শ্রদ্ধার পাত্র' অংশটি সমাপিকা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করেছে, তাই এটি সরল বাক্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। সরল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য বা আশ্রিত বাক্য থাকে না এবং কোনো যোজক দ্বারা বাক্যগুলো যুক্ত থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে, যা সরল বাক্যের সংজ্ঞা পূর্ণ করে। উদাহরণ ২: পরিশ্রমী ব্যক্তিরাই জীবন সফল হয়। ব্যাখ্যা: এখানেও একটি মাত্র উদ্দেশ্য ও সমাপিকা ক্রিয়া থাকায় এটি একটি সরল বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। B) যৌগিক — এই অপশন ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য 'এবং', 'কিংবা' ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। C) জটিল — এই অপশন ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য থাকে। D) বিযুক্ত — এই অপশন ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে বিযুক্ত বলে কোনো নির্দিষ্ট বাক্যরীতি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। কোনো প্রকার যোজক বা আশ্রিত বাক্য না থাকাই সরল বাক্যের প্রধান চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্য চেনার সময় প্রথমে সমাপিকা ক্রিয়া কয়টি আছে তা খুঁজে বের করবে, তাহলে উত্তর করা সহজ হবে।
5. 'মুখচোরা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাজুক কেন সঠিক: ১. মুখচোরা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ যার মুখ অন্যের চোখের সামনে পড়তে লজ্জা পায় বা যে সহজে কারো সাথে কথা বলতে চায় না। ২. বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী অতিরিক্ত সংকুচিত স্বভাবের বা লাজুক প্রকৃতির মানুষকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। ২. বাংলা সাহিত্য ও দৈনন্দিন কথ্য ভাষায় মানুষের বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বা স্বভাব বোঝাতে এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারার প্রচলন রয়েছে। ৩. যেমন, কোনো অপরিচিত মানুষের সামনে পড়লে যে শিশুটি কথা বলে না বা গুটিয়ে থাকে, তাকে আমরা লাজুক বা মুখচোরা বলে থাকি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাজুক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) ভীরু — ভীরু বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যার মধ্যে ভয় বা ত্রাসের আধিক্য থাকে, যা মুখচোরা শব্দের মূল ভাবের সাথে সরাসরি মেলে না। C) সংযত — সংযত শব্দের অর্থ নিয়ন্ত্রিত বা মিতবাক, কিন্তু মুখচোরা মূলত লাজুক বা হীনমন্যতাগ্রস্ত লজ্জাশীল স্বভাবকে নির্দেশ করে। D) নিশ্চুপ — নিশ্চুপ অর্থ যে একদম কথা বলে না বা নীরব থাকে, কিন্তু মুখচোরা মানুষেরা মূলত লজ্জার কারণে কথা বলতে সংকুচিতবোধ করে। মনে রাখার টিপস: মুখচোরা মানে যার মুখ লুকিয়ে থাকে অর্থাৎ যে লোকলজ্জার ভয়ে বা সংকোচে সবার সামনে কথা বলতে পারে না এবং অত্যন্ত লাজুক স্বভাবের হয়।
6. মধ্যযুগের কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলতে গর্ববোধ করতেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আব্দুল হাকিম ১. কেন সঠিক: সপ্তদশ শতকের বিশিষ্ট কবি আব্দুল হাকিম তাঁর বিখ্যাত নূরনামা কাব্যে মাতৃভাষার প্রতি গভীর প্রীতি প্রকাশ করে এই গর্ববোধ প্রকাশ করেছেন। যাঁরা স্বদেশের ভাষা বা মাতৃভাষাকে অবহেলা করেন, কবি তাঁদের জন্মপরিচয় ও দেশপ্রেম নিয়ে ঐতিহাসিক প্রশ্ন তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আব্দুল হাকিম সন্দ্বীপের সুধারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বিখ্যাত নূরনামা কাব্যগ্রন্থে দেশ ও মাতৃভাষার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার অনন্য বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির মাতৃভাষা প্রীতি ও দেশপ্রেমের অমর বাণী প্রতিফলিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তির মাধ্যমে কবি মাতৃভাষাদ্বেষী ও পরভাষাপ্রীতি সম্পন্ন ব্যক্তিদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী দৌলত — তিনি আরাকান রাজসভার কবি এবং সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের জন্য বিখ্যাত হলেও বাঙালি বলে গর্ববোধ করার বিখ্যাত উক্তির জন্য পরিচিত নন। B) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম মুসলিম কবি এবং নবীবংশ ও ইহুদি বংশ কাব্যের রচয়িতা হলেও এই প্রখ্যাত উক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) শাহ মুহম্মদ سগীর — তিনি গৌড়ের সুলতান আজম শাহের আমла বা সমসাময়িক কবি এবং ইউসুফ জুলেখা কাব্যের রচয়িতা। D) আব্দুল হাকিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নূরনামা কাব্যে বঙ্গবাণী কবিতায় মাতৃভাষার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মাতৃভাষার পক্ষে সবচেয়ে জোরালো ও ঐতিহাসিক কথা বলেছেন আব্দুল হাকিম। নূরনামা কাব্যের বঙ্গবাণী কবিতাটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বঙ্গবাণী কবিতাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মাতৃভাষা প্রীতির একমাত্র শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
7. নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দধি ১. কেন সঠিক: তৎসম শব্দ হলো সেই সব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। দধি একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ দই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: চন্দ্র একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হওয়ায় এটি তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দধি - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দ। B) মুড়ি - এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। C) কলম - এটি একটি বিদেশি শব্দ যা আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। D) আম - এটি একটি তদ্ভব শব্দ যার সংস্কৃত উৎস আম্র পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শ্লোকে ব্যবহৃত কঠিন ও তৎসম শব্দগুলোর মতো দেখতে শব্দগুলো সাধারণত তৎসম শব্দ হয়। যেমন চন্দ্র, সূর্য, নদী, দধি ইত্যাদি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় প্রায়ই আসে। তাই তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত মূল রূপ এবং তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে পরিবর্তনের ধারা মনে রাখা জরুরি।
9. 'ডালে ডালে কুসুম ভার' এখানে 'ভার' কোন অর্থে প্রকাশ করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমূহ ১. কেন সঠিক: - এখানে 'ভার' শব্দটি কোনো কিছুর ওজন বা বোঝা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি, বরং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এটি আধিক্য বা বহুত্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - 'ডালে ডালে কুসুম ভার' বাক্যাংশে গাছের ডালে ডালে ফুলের আধিক্য বা রাশি রাশি ফুল ফোটার অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় কিছু বিশেষ শব্দ বিশেষ বিশেষ স্থানে বচন বা পরিমাণ নির্দেশ করার জন্য সমষ্টি বা সমূহ অর্থে ব্যবহৃত হয়। - 'ভার' একটি তৎসম শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে গুচ্ছ, রাশি বা সমূহ অর্থে প্রয়োগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘে ঢাকা তারা আকাশ জুড়ে ব্যাখ্যা: এখানে আকাশ জুড়ে মেঘের আধিক্য বা সমূহ বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: বনে বনে ফুটেছে ফুল রাশি ব্যাখ্যা: এখানে ফুলের প্রাচুর্য বা সমূহ প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোঝা — 'ভার' শব্দের আক্ষরিক অর্থ বোঝা হলেও এই নির্দিষ্ট সাহিত্যিক প্রয়োগে এটি বোঝায় না। C) গুরুত্ব — কোনো বিষয়ের তাৎপর্য বা গাম্ভীর্য বোঝাতে গুরুত্ব ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) ওজন — ভর বা বস্তুর ভারীত্ব মাপার একক হিসেবে ওজন বোঝায়, যা কবিতার এই লাইনের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাব্যে বা কবিতায় ভার শব্দটি দেখলে খেয়াল রাখবে এটি সাধারণত ওজন না বুঝিয়ে ফুলের বা পাতার প্রাচুর্য বা সমূহ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে বাক্যের প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে সঠিক অর্থ নির্ণয় করতে হয়।
13. সন্ধি বিচ্ছেদ করুনঃ 'অন্বেষণ'।
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনু + এষণ ১. কেন সঠিক: 'অন্বেষণ' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো অনু + এষণ। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম বা ইয়া-ফলা জ-ফলা জনিত নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। এখানে পূর্বপদের অন্তে থাকা উ-কার এবং পরপদের শুরুতে থাকা এ-কার মিলে যথাক্রমে ব-ফলা বা অব রূপ ধারণ করেছে। নিয়ম অনুযায়ী উ বা ঊ এর পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিটি সেই ব এর সাথে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ই বা ঈ, উ বা ঊ এবং ঋ এর পরে যদি ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকে তবে যথাক্রমে য, ব এবং র হয়। একে ইয়া-ফলা জ-ফলা বা য-ফলা জনিত স্বরসন্ধি বলা চলে। এখানে অনু শব্দের উ-কারের সাথে এষণ শব্দের এ-কার যুক্ত হয়ে ব-এ কার বা বে রূপ লাভ করেছে। ফলে মূল শব্দটি অন্বেষণ হিসেবে গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সু + আগত = স্বাগত ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পর আ-কার থাকায় উ স্থানে ব এবং তা আ-কারের সাথে যুক্ত হয়ে বা হয়েছে। উদাহরণ ২: অনু + ইত = অন্বিত ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পর ই-কার থাকায় উ স্থানে ব এবং তা ই-কারের সাথে যুক্ত হয়ে বি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্বে + এষণ — অন্বে বলে কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা পূর্বপদ বাংলা ব্যাকরণে নেই। B) অন + এষণ — অন হলো উপসর্গ, কিন্তু এর সাথে এষণ যুক্ত হলে অন্বেষণ গঠিত হয় না। C) অন্ব + এষণ — অন্ব কোনো মৌলিক বা ব্যাকরণসিদ্ধ পূর্বপদ নয় যা এই সন্ধির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) অনু + এষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যাকরণের নিয়ম মেনে সাধিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ব-ফলাযুক্ত সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় ব এর জায়গায় অনু এবং পরের অংশ আলাদা করতে হয়। অন্বেষণ শব্দের ব-ফলাকে উ ধরে অনু + এষণ এভাবে ভাঙলে খুব সহজে সঠিক উত্তর পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে যেখানে উ-কার থেকে ব-ফলা তৈরি হয়। সুযোগ পেলে অন্য অনুরূপ শব্দ যেমন সুলভ কিংবা অন্বেষণ এর মতো শব্দগুলোর চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
16. 'কুজনা' শব্দের অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 59 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খারাপ লোক ১. কেন সঠিক: কু-জন বা কুজন শব্দের সাধারণ অর্থ হলো মন্দ বা দুষ্ট ব্যক্তি। এখানে কু উপসর্গটি মন্দ বা খারাপ অর্থে ব্যবহৃত হয়ে কুজনা শব্দটি গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন যেখানে কু উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দের অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলা ভাষায় কু উপসর্গটি বিশেষ বা তৎসম শব্দে মন্দ, নিচ বা খারাপ অর্থে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুচক্রী ব্যাখ্যা: কু উপসর্গের সাথে চক্রী যুক্ত হয়ে মন্দ চক্র বা ষড়যন্ত্রকারী অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: কুসঙ্গ ব্যাখ্যা: কু উপসর্গের সাথে সঙ্গ যুক্ত হয়ে খারাপ বা মন্দ সঙ্গ বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খারাপ লোক — এটি সঠিক উত্তর কারণ কুজনা বলতে মন্দ বা দুষ্ট প্রকৃতির মানুষকে বোঝানো হয়। B) ছোট লোক — এটি ভুল কারণ ছোট লোক বলতে সামাজিক অবস্থান বা আচরণের দিক থেকে হীন বোঝায়, যা কুজনা শব্দের মূল অর্থ নয়। C) পাখির ডাক — এটি ভুল কারণ কুজন শব্দের অর্থ পাখির ডাক হলেও এখানে কুজনা (খারাপ লোক) শব্দের কথা বলা হয়েছে। D) হাতির ডাক — এটি ভুল কারণ কুজনা শব্দের সাথে হাতির ডাকের কোনো সম্পর্ক বা আভিধানিক মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: কু উপসর্গ থাকলে সাধারণত মন্দ বা খারাপ অর্থ প্রকাশ পায় যেমন কুজনা মানে খারাপ লোক। শব্দের সামনের কু অংশ দেখেই এর নেতিবাচক অর্থ চিনে নেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কু উপসর্গযুক্ত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
18. বাংলা ভাষার কোন রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধু রীতি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষার যে রূপটি সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে এবং যার পদের রূপ পরিবর্তনশীল নয়, তাকে সাধু রীতি বলে। - এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ নির্দিষ্ট এবং ব্যাকরণের বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সাধু রীতি হলো বাংলা ভাষার লেখার একটি প্রাচীন ও মার্জিত রূপ যা তৎসম শব্দবহুল এবং ব্যাকরণের প্রাচীন নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। - এই রীতিতে মুখের বুলির পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের অনুসারী লিখিত রূপ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাহার আসার পর আমরা খাইতে বসিলাম। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তাহার, আসার, খাইতে বসিলাম শব্দগুলো সাধু রীতির সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত রূপের অনুসারী। উদাহরণ ২: নদীটি সাগরে নিপতিত হইয়াছে। ব্যাখ্যা: নিপতিত হইয়াছে ক্রিয়াপদটি সাধু রীতির ব্যাকরণগত নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলিত রীতি — চলিত রীতি পরিবর্তনশীল এবং এটি সুনির্দিষ্ট কোনো কঠোর ব্যাকরণের অনুসারী নয় বরং মানুষের মুখের ভাষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। B) সাধু রীতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য প্রযোজ্য নয়। C) কথা রীতি — কথা রীতি বলতে মূলত মানুষের কথ্য ভাষাকে বোঝানো হয় যা কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের কঠোর নিয়ম মেনে চলে না। D) লেখা রীতি — লেখা রীতি কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণসম্মত ভাষার নাম নয়, এটি সাধারণ অর্থে যেকোনো লেখার পদ্ধতিকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাধু মানে সাধু মানুষের মতো নিয়মনিষ্ঠ, তাই সাধু রীতি মানেই ব্যাকরণের নিয়মনিষ্ঠ রীতি। - চলিত রীতি মানে চলতি হাওয়ার মতো পরিবর্তনশীল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধু রীতি তৎসম শব্দবহুল এবং এর ক্রিয়াপদ দীর্ঘ হয়। - পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
19. কোন বর্গীয় ধ্বনির আগে 'ন' সবসময় মূর্ধন্য 'ণ' হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 'ট' বর্গীয় ধ্বনি ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ট বর্গীয় ধ্বনির আগে সবসময় মূর্ধন্য 'ণ' বসে। ট বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো ট, ঠ, ড, ঢ, ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় দন্ত্য 'ন' এবং মূর্ধন্য 'ণ' এই দুটি ধ্বনি রয়েছে। তৎসম শব্দে ট, ঠ, ড, ঢ এই চারবর্ণের পূর্বে যুক্ত অবস্থায় সবসময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: এখানে ঠ বর্ণের আগে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে কারণ ঠ হলো ট বর্গীয় ধ্বনি। উদাহরণ ২: কাণ্ড ব্যাখ্যা: এখানে ড বর্ণের আগে মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে কারণ ড হলো ট বর্গীয় ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'ক' বর্গীয় ধ্বনি — ক বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য 'ণ' বসে না বরং দন্ত্য 'ন' বসে। যেমন অঙ্ক শব্দে ক এর আগে দন্ত্য 'ন' হয়। B) 'চ' বর্গীয় ধ্বনি — চ বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য 'ণ' বসে না বরং দন্ত্য 'ন' বসে। যেমন অঞ্চিত শব্দে চ এর আগে দন্ত্য 'ন' হয়। C) 'ট' বর্গীয় ধ্বনি — এটি সঠিক অপশন এবং ট বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য 'ণ' বসে। যেমন লুণ্ঠন শব্দে ট বর্গীয় ধ্বনির আগে 'ণ' আছে। D) 'ত' বর্গীয় ধ্বনি — ত বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য 'ণ' বসে না সবসময় দন্ত্য 'ন' বসে। যেমন দন্ত শব্দে ত এর আগে দন্ত্য 'ন' হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ট ঠ ড ঢ এই চারটির সাথে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। ট বর্গ দেখলে চোখ বন্ধ করে মূর্ধন্য ণ বসাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাবতই মূর্ধন্য বিধান থেকে প্রশ্ন আসে। ট বর্গীয় ধ্বনির এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বারবার পরীক্ষায় আসে।
20. কোন শব্দে যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত পদের ব্যবহার হয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকাশে-বাতাসে ১. কেন সঠিক: দ্বিরুক্ত শব্দের একটি বিশেষ প্রকার হলো যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত পদ, যেখানে দুটি ভিন্ন শব্দ বা সমার্থক শব্দ মিলে একটি নতুন ভাব প্রকাশ করে। আকাশে-বাতাসে শব্দটিতে আকাশ এবং বাতাস দুটি ভিন্ন সমার্থক বা সম্পর্কিত শব্দ একত্রে জোড়া লেগে যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত পদ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে দ্বিরুক্ত শব্দ মূলত চার প্রকারে গঠিত হয়। এর মধ্যে সমার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বিরুক্ত বা যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যখন দুটি ভিন্ন শব্দ কিন্তু সমার্থক বা প্রায় সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে পাশাপাশি বসে নতুন পদ তৈরি করে, তখন তাকে যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাট-বাজার ব্যাখ্যা: হাট এবং বাজার দুটি ভিন্ন শব্দ হলেও প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে যুগ্মরীতির দ্বিরুক্ত পদ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: ধন-দৌলত ব্যাখ্যা: ধন এবং দৌলত দুটি ভিন্ন শব্দ একত্রিত হয়ে যুগ্মরীতির দ্বিরুক্ত পদের সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চোখে-চোখে — এটি একই পদের বা শব্দের দুইবার পুনরাবৃত্তি করে গঠিত বহুপদী দ্বিরুক্ত শব্দ, যুগ্মরীতির দ্বিরুক্ত নয়। B) থেকে-থেকে — এটি একই অনুসর্গের বা পদের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ, এখানে ভিন্ন শব্দ নেই। D) হাড়ে-হাড়ে — এটি একই বিশেষ্য পদের দুইবার প্রয়োগের মাধ্যমে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ, যুগ্মরীতিতে গঠিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যুগ্মরীতি মানেই জোড়া শব্দ, যেখানে দুটি ভিন্ন বা সমার্থক শব্দ মিলে একটি পদ তৈরি হয়। আকাশের সাথে যেমন বাতাস মিলে প্রকৃতি বোঝায়, তেমনি হাট-বাজার বা ধন-দৌলত এর সহজ উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিরুক্ত শব্দের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। একই শব্দ দুইবার বসলে সাধারণ দ্বিরুক্ত এবং সমার্থক বা ভিন্ন শব্দ জোড়া লাগলে তা যুগ্মরীতি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (23)

1. I never imagine that he would betray me.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I never imagined কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে অতীতে ঘটে যাওয়া একটি বিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে। তাই মূল verb টিকে Past Tense এ রূপান্তর করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I never imagined — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ সঠিক। B) I cannot imagine — এটি Present Tense এ আছে, যা অতীতের ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) I can never imagine — এটি বর্তমান কালের অভ্যাস বোঝায়, যা অতীত ঘটনার জন্য প্রযোজ্য নয়। D) I would not have imagine — এখানে imagine এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়নি এবং অর্থটিও অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: অতীতের কোনো ঘটনা বা বিশ্বাসের কথা প্রকাশের সময় সবসময় Past Tense ব্যবহার করতে হয়।
2. What is the antonym of the word 'FEEBLE'?
Created 3 weeks ago | Updated 59 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Powerful কেন সঠিক: Feeble শব্দের অর্থ হলো দুর্বল বা শক্তিহীন। Powerful শব্দের অর্থ হলো শক্তিশালী, যা Feeble শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Meagre — এই শব্দের অর্থ অপর্যাপ্ত বা সামান্য, যা Feeble শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) Frail — এই শব্দের অর্থ ভঙ্গুর বা দুর্বল, যা Feeble শব্দের সমার্থক। C) Weak — এই শব্দের অর্থ দুর্বল, যা Feeble শব্দের সমার্থক অর্থ প্রদান করে। D) Powerful — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Feeble মানে দুর্বল মনে রাখলে এর উল্টো শক্তিশালী বা Powerful সহজে মনে রাখা যায়।
3. What is the synonym of the word 'RESOLUTE'?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Determined কেন সঠিক: - Resolute শব্দের অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা অটল, যার সঙ্গে Determined শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। - এই শব্দটি কোনো কাজের প্রতি মানুষের অটল মানসিক অবস্থাকে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Half-hearted — এর অর্থ উদাসীন বা অনিচ্ছুক, যা resolute শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Random — এর অর্থ অনিয়মিত বা এলোমেলো, যা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মনোভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Determined — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং resolute শব্দের সমার্থক শব্দ। D) Purposeless — এর অর্থ উদ্দেশ্যহীন, যা resolute বা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Resolute শব্দের ভেতরে solution বা সমাধান শব্দটি আছে, যার সমাধানে পৌঁছাতে মানুষ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা determined থাকে।
4. Identify the correct spelling:
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) accommodate কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে দুটি সি (c) এবং দুটি এম (m) রয়েছে। এটি একটি ইংরেজি বানান সংক্রান্ত নিয়ম যা মনে রাখতে হয়। শব্দের শুরুতে ac দিয়ে বানানটি শুরু হয়। শেষে date অংশটি যুক্ত হয়ে শব্দটি পূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) accomodate — এখানে একটি মাত্র এম (m) ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। B) accommodate — এই বানানটি সঠিক এবং এটি অপশন সি এর অনুরূপ। C) accommodate — এটি মূলত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। D) accomodet — এখানে শেষের অংশে date এর বদলে det লেখা হয়েছে যা ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে পারো এভাবে যে, এখানে দুটি সি এবং দুটি এম একসাথে বসে।
5. Identify the correct spelling:
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) nauseous কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রথমে n-a-u-s-e ব্যবহার করা হয়। এরপর -ous যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nausious — বানানের মাঝে i ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) nauseous — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ বমি বমি ভাব। C) nouseous — শুরুতে n-o-u ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল বানান। D) noussious — এখানে অতিরিক্ত s এবং i যুক্ত করে ভুল বানান তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: nauseous বানানটি মনে রাখতে প্রথমে nausea লিখে শেষে ous যোগ করতে হবে।
6. Identify the correct spelling:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) resilient কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান বানানের নিয়ম অনুযায়ী r-e-s-i-l-i-e-n-t হয়। এখানে ডাবল 'l' বা অন্য কোনো অতিরিক্ত বর্ণ নেই। বানানটি ইংরেজি প্রমিত রূপের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) resilent — এখানে মাঝের 'i' বর্ণটি বাদ পড়েছে। B) resillient — এখানে অতিরিক্ত একটি 'l' ব্যবহার করা হয়েছে। C) ressilient — এখানে শুরুতে ডাবল 's' ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। D) resilient — এটি শতভাগ সঠিক এবং প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে শব্দটিকে দুটি ভাগে ভাগ করুন যেমন re এবং silient।
7. Identify the correct spelling:
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ingen.ous কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো ingenious যার অর্থ বুদ্ধিমান বা প্রতিভাধর। এখানে i এবং o অক্ষরের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ইংরেজি বানান রীতি রক্ষা করা হয়েছে। তাই এই বানানটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। এটি বহুল ব্যবহৃত একটি ইংরেজি শব্দ যার প্রমিত রূপ এটিই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ingen.ous — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো বানান ভুল নেই। B) ingeneus — এখানে o এর বদলে e ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। C) ingineous — এখানে e এর বদলে i ব্যবহার করার কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। D) ingenius — এখানে ous এর বদলে ius যুক্ত হওয়ায় এটি ভুল বানান। মনে রাখার টিপস: ingenious শব্দটি মনে রাখতে শেষের অংশটুকুর দিকে খেয়াল রাখবে যেখানে i এর পরে o এবং সবশেষে ous যুক্ত হয়।
8. Sanzida walked ___ the kitchen to get the food.
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) into কেন সঠিক: বাইরে থেকে কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশ করা বোঝালে into preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে সানজিদা রান্নাঘরের বাইরে থেকে খাবার আনতে ভেতরে প্রবেশ করেছে। তাই এখানে সঠিক উত্তর into হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - স্থির অবস্থান বা কোনো কিছুর ভেতরে আগে থেকেই থাকা বোঝালে in বসে। B) into - এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে গতিশীল প্রবেশ বোঝানো হয়েছে। C) onto - কোনো কিছুর উপরে গতিশীলভাবে ওঠা বোঝালে onto ব্যবহৃত হয়। D) on - কোনো কিছুর উপরে স্থিরভাবে অবস্থান করা বোঝালে on বসে। মনে রাখার টিপস: বাইরে থেকে ভেতরে যাওয়ার গতি বোঝালে always into ব্যবহার করবে।
9. The company ___ little reason to worry since it was well ahead of its competitors.
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যের প্রথমাংশ ও দ্বিতীয়াংশের মাঝের সংযোগকারী শব্দটি অতীতের ঘটনা নির্দেশ করছে। - বাক্যের দ্বিতীয় অংশে 'was' থাকায় পুরো বাক্যটি পাস্ট টেন্সে গঠিত হয়েছে, তাই প্রথম অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের ভার্ব হিসেবে 'had' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) having — এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড, যা এই বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে একা বসতে পারে না। B) has — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে, কিন্তু বাক্যের দ্বিতীয়াংশের 'was' পাস্ট টেন্সে থাকায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) would have — এটি কন্ডিশনাল সেন্টেন্সে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে কোনো শর্ত বা কাল্পনিক পরিস্থিতি বোঝানো হয়নি। D) had — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যটিকে সঠিক পাস্ট টেন্সের রূপ দেয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের একটি অংশ পাস্ট টেন্সে (was) থাকলে অন্য অংশটিও সাধারণত পাস্ট টেন্সে হবে।
10. It is ___ to be safe than sorry.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) better কেন সঠিক: বাক্যটিতে দুটি অবস্থার মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে। তাই এখানে গুড বা ওয়েল শব্দের কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) well — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এখানে তুলনার ক্ষেত্রে বসে না। B) better — এটি সঠিক তুলনামূলক রূপ হওয়ায় উত্তরটি সঠিক হয়েছে। C) alright — এটি কোনো তুলনা বোঝায় না এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে বেমানান। D) best — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি হওয়ায় দুটি বিষয়ের মধ্যে তুলনায় বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে দ্যান শব্দ দেখলে বুঝবে তুলনা করা হচ্ছে, তাই তখন কম্পারেটিভ ডিগ্রি যেমন বেটার ব্যবহার করতে হবে।
11. ___ her mother's best efforts, she failed the exam.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Despite কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের অংশে কোনো পূর্ণ বাক্য নেই, বরং একটি নাউন ফ্রেজ আছে। এই নাউন ফ্রেজের আগে সত্ত্বেও অর্থ প্রকাশ করতে Despite বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Although — এটি কনজাংশন হিসেবে বসে এবং এর পরে সাবজেক্ট ও ভার্বযুক্ত একটি পূর্ণ বাক্য থাকতে হয়। B) Even — একা বসে না এবং এর সাথে that যুক্ত হয়ে Even that হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Inspite — এর সঠিক বানান হচ্ছে In spite of, যা একসাথে বা শুধু Inspite হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: Despite এর সাথে কখনো of বসে না, কিন্তু In spite এর সাথে সবসময় of বসে।
12. ___ the time he realized his mistake, it was already too late.
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে সময়ের সীমানার আগে বোঝাতে By preposition ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কিছু ঘটেছিল বোঝাতে By the time ফ্রেজটি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By — এটি সঠিক উত্তর এবং নির্দিষ্ট সময়ের পূর্ববর্তী অবস্থাকে নির্দেশ করে। B) For — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা কাজ বা কোনোকিছুর জন্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Since — এটি অতীতের নির্দিষ্ট কোনো সময় থেকে শুরু হওয়া কাজ বোঝাতে বসে। D) On — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের পূর্বে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পূর্বের সময় বোঝাতে By the time ব্যবহার করবে।
13. ইশতেহার-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Manifesto কেন সঠিক: - Manifesto শব্দের বাংলা অর্থ হলো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার বা ঘোষণাপত্র। - এটি সাধারণত কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের নীতি ও কর্মসূচি প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Manifesto — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ইশতেহার বা ঘোষণাপত্র। B) Advertisement — এর অর্থ বিজ্ঞাপন, যা কোনো পণ্য বা সেবার প্রচারের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Prospectus — এর অর্থ বিবরণপত্র, যা সাধারণত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির পরিচিতির জন্য প্রকাশিত হয়। D) Update — এর অর্থ হালনাগাদ বা আধুনিকীকরণ, যা কোনো তথ্যের নতুন রূপ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: রাজনৈতিক দল ভোটের আগে ম্যানিফেস্টো বা ইশতেহার প্রকাশ করে।
14. He is almost late to work every day.
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is almost late for work কেন সঠিক: বাক্যে 'late' এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে 'for' ব্যবহৃত হয়। তাই 'to work' এর পরিবর্তে 'for work' সঠিক গঠন। 'Almost' শব্দটি সাধারণত মূল ভার্বের আগে বা 'to be' ভার্বের পরে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is almost late for work — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের গঠন সঠিক। B) is late for almost work — এখানে 'almost' শব্দটি ভুল স্থানে বসেছে কারণ এটি কাজের আগে নয় বরং প্রায় দেরির অবস্থাকে বোঝাচ্ছে। C) is late for work almost — বাক্যের শেষে 'almost' বসানোর নিয়ম ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) almost is late to work — 'almost' শব্দটি 'is' ভার্বের আগে বসায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: দেরি অর্থে 'late for' বসে এবং 'almost' সাধারণত 'is' এর পরে বসে।
15. Globalization is a phenomenon that have affected all countries.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has affected কেন সঠিক: এখানে Globalization হলো একটি singular subject, যার পরে singular verb বসবে। তাই have না হয়ে has হবে এবং present perfect tense বোঝাতে verb-এর past participle form (affected) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) affecting — এটি participle form এবং এর আগে কোনো auxiliary verb না থাকায় মূল verb হিসেবে কাজ করতে পারে না। B) has affect — has-এর পর verb-এর present form বসতে পারে না, সেখানে past participle form হওয়া আবশ্যক। C) has affected — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) having affect — having-এর পর affect-এর noun form বসায় grammatically বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মনে রাখার টিপস: Subject singular হলে has এবং plural হলে have বসে এবং এর পরে সবসময় verb-এর past participle form হয়।
16. Kalam, one of our oldest worker, is very loyal.
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) workers, is very loyal. কেন সঠিক: "One of the" অথবা "one of our" এর পরে সর্বদা plural noun বসে, তাই "worker" না হয়ে "workers" হবে। বাক্যের মূল subject হলো "one", যা singular হওয়ায় verb হিসেবে "is" ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) workers, is very loyal — এটি সঠিক অপশন এবং এতে কোনো grammatical ভুল নেই। B) worker, is being very loyal — এখানে plural noun এর নিয়ম মানা হয়নি এবং continuous tense এর প্রয়োজন নেই। C) workers, are very loyal — এখানে plural subject ধরে verb ভুলভাবে "are" ব্যবহার করা হয়েছে। D) worker, was very loyal — এখানে plural noun ব্যবহার না করে past tense ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: "One of" এর পরে সবসময় বহুবচন নাউন বসে কিন্তু মূল সাবজেক্ট একবচন হওয়ায় ভার্ব একবচন হয়।
17. Find the odd word:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) impartiality কেন সঠিক: impartiality শব্দের অর্থ হলো নিরপেক্ষতা বা পক্ষপাতহীনতা, যা একটি ইতিবাচক গুণ এবং বাকি শব্দগুলোর সম্পূর্ণ বিপরীত। বাকি শব্দগুলো কোনো না কোনোভাবে অন্যায় বা পক্ষপাতিত্বকে বোঝায়। এটি অন্যদের থেকে আলাদা। এটি সঠিক অর্থের দিক থেকে অনন্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bias — এর অর্থ পক্ষপাতিত্ব বা ঝোঁক, যা নেতিবাচক এবং সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) prejudice — এর অর্থ পূর্বসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস, যা নিরপেক্ষতার পরিপন্থী। C) impartiality — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং বাকীগুলোর বিপরীতার্থক শব্দ। D) inequity — এর অর্থ অসমতা বা অন্যায়, যা পক্ষপাতমূলক আচরণের ফলাফল। মনে রাখার টিপস: অন্যান্য শব্দগুলো বৈষম্য বা পক্ষপাত বোঝায় আর impartiality নিরপেক্ষতা বোঝায়।
18. Find the odd word:
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) relative কেন সঠিক: অপশন এ হলো একমাত্র শব্দ যা জন্মসূত্রে বা রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় বোঝায়। বাকি অপশনগুলো মানুষ নিজের ইচ্ছায় বা প্রয়োজনে তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) relative — এটি জন্মগত রক্ত বা পারিবারিক সম্পর্কের আত্মীয় বোঝায় যা বাকিগুলোর মতো ইচ্ছাকৃত নয়। B) ally — এটি রাজনৈতিক বা সামরিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বার্থে গঠিত জোটের সঙ্গী বোঝায়। C) partner — এটি ব্যবসায় বা ব্যক্তিগত কাজে চুক্তির মাধ্যমে যুক্ত হওয়া অংশীদার বোঝায়। D) companion — এটি জীবনের পথ চলায় বা কাজের সময় পাশে থাকা স্বেচ্ছাকৃত সঙ্গী বোঝায়। মনে রাখার টিপস: রক্তের সম্পর্ক মানেই relative আর বাকি সব ইচ্ছে করে গড়া সম্পর্ক।
19. Find the odd word:
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) livelihood কেন সঠিক: livelihood শব্দের অর্থ জীবন ধারণের উপায় বা জীবিকা, যা মানুষের আয়ের উৎস বোঝায়। বাকি সব অপশন সরাসরি বসবাসের জায়গাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) livelihood — এটি জীবিকা বা আয়ের উৎস বোঝায়, যা অন্য অপশনগুলোর মতো কোনো বাসস্থান বা থাকার জায়গার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) abode — এর অর্থ বাসস্থান বা থাকার জায়গা, যা ঘর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) habitat — এর অর্থ আবাসস্থল, যা মানুষ বা প্রাণীর বসবাসের প্রাকৃতিক পরিবেশ নির্দেশ করে। D) home — এর অর্থ বাড়ি বা গৃহ, যা মানুষের স্থায়ী বসবাসের জায়গাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: বাকি তিনটি শব্দ থাকার জায়গার সমার্থক হলেও livelihood অর্থ জীবিকা।
20. Find the odd word:
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) credulity কেন সঠিক: এই শব্দের অর্থ হলো অতিসহজে বিশ্বাস করার প্রবণতা বা সরলতা। বাকি সব শব্দ সততা এবং মানুষের নৈতিক গুণাবলি প্রকাশ করে। তাই এটি অন্য শব্দগুলোর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) candor — এর অর্থ হলো মনের সরলতা, খোলামেলা ভাব ও সততা। B) credulity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সহজবিশ্বাসী হওয়া। C) honesty — এর অর্থ হলো সততা যা ভালো মানুষের একটি গুণ। D) integrity — এর অর্থ হলো সততা এবং নৈতিক দৃঢ়তা। মনে রাখার টিপস: সততা বোঝাতে candor, honesty এবং integrity ব্যবহার হয় কিন্তু credulity দিয়ে সহজবিশ্বাস বোঝায়।
21. গণপূর্ত-
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Public works কেন সঠিক: - 'গণপূর্ত' হলো সরকার নিয়ন্ত্রিত এমন একটি বিভাগ বা কাজ, যা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য রাস্তাঘাট, ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ করে। - ইংরেজি পরিভাষা অনুযায়ী সরকারি নির্মাণ ও পূর্ত কাজ বোঝাতে 'Public works' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Public tasks — এই ফ্রেজটির অর্থ সাধারণ বা জনসাধারণের কাজ, কিন্তু এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রকৌশল বা নির্মাণ বিভাগকে বোঝায় না। B) Public Engineering — এটি পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রকে নির্দেশ করে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বা পেশাগত শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু নির্দিষ্ট পূর্ত বিভাগ নয়। C) Public Business — এর অর্থ জনব্যবসা বা জনসাধারণের কারবার, যা সরকারি নির্মাণ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নয়। D) Public works — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: সরকারি নির্মাণ বা পূর্ত কাজ বুঝাতে সবসময় 'Public works' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেমন গণপূর্ত অধিদপ্তর বা Public Works Department।
22. আলোচ্যসূচি-
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Agenda কেন সঠিক: বাংলায় 'আলোচ্যসূচি' শব্দটির সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Agenda'। সভা বা বৈঠকের শুরুতে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার তালিকা তৈরি করা হয়, তাকে এজেন্ডা বলা হয়। সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক কাজের ক্ষেত্রে বৈঠকের কার্যপদ্ধতি নির্ধারণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পারিভাষিক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Discussant — এই শব্দটির অর্থ আলোচক বা যিনি আলোচনায় অংশ নেন। B) Topic — এই শব্দটির অর্থ সাধারণ বিষয়, যা সভার নির্দিষ্ট কার্যতালিকা বোঝায় না। C) Agenda — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Subject — এই শব্দটির অর্থ বিষয় বা অধ্যায়, যা কোনো সভার নির্দিষ্ট আলোচ্যসূচি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বৈঠকে আলোচনার বিষয়গুলোর তালিকা দেখতে চাইলে 'Agenda' শব্দটি মনে রাখবে।
23. উপভাষা-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Dialect কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকে ইংরেজিতে ডায়ালেক্ট বা উপভাষা বলা হয়। এটি মূল ভাষা থেকে কিছুটা আলাদা হয়। বিভিন্ন এলাকার মানুষের উচ্চারণ ও শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে এটি তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dialect — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Sub-Language — উপভাষা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। C) Paralanguage — এটি অঙ্গভঙ্গি বা স্বরের ওঠানামার মাধ্যমে যোগাযোগের পদ্ধতি। D) Lingua franca — এটি বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের সাধারণ মাধ্যম। মনে রাখার টিপস: ডায়ালেক্ট শব্দটি অঞ্চলভেদে মানুষের মুখের ভাষার পরিবর্তন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (18)

1. তিনটি ক্রমিক বিজোড় পূর্ণসংখ্যার প্রথমটির তিন গুণ তৃতীয় সংখ্যাটির দ্বিগুণে থেকে ৩ বেশি। তৃতীয় সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক বিজোড় পূর্ণসংখ্যা এবং প্রথমটির তিন গুণ তৃতীয়টির দ্বিগুণ থেকে তিন বেশি ধরি, প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = x + ২ তৃতীয় বিজোড় সংখ্যাটি = x + ৪ অতএব, প্রশ্নমতে লেখা যায়, ৩ × x = ২ × (x + ৪) + ৩ বা, ৩x = ২x + ৮ + ৩ বা, ৩x = ২x + ১১ সুতরাং, x = ১১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ১১ + ৪ = ১৫ উত্তর: ১৫
2. একজন খুচরা দোকানদার একটি ঘড়ি ক্রয় করে ৯৯০ টাকায় ঘড়িটি বিক্রয় করলে ১০% ক্ষতি হয়। দোকানদারের জন্য ঘড়িটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১০০ প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৯৯০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ১০% ধরি, ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ৯৯০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৯৯০) ÷ ৯০ = ১১০০ টাকা উত্তর: ১১০০ টাকা
3. দুইটি পাইপ একটা ট্যাংক ২০ এবং ২৪ মিনিটে পূর্ণ করতে পারে এবং অপর একটি পাইপ প্রতি মিনিটে ট্যাংক হতে ৩ গ্যালন পানি খালি করতে পারে। তিনটি পাইপ একসাথে খুলে দিলে ট্যাংকটি ১৫ মিনিটে পূর্ণ হয়। ট্যাংকটির ধারণক্ষমতা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম পাইপ ট্যাংক পূর্ণ করে কুড়ি মিনিটে দ্বিতীয় পাইপ ট্যাংক পূর্ণ করে চব্বিশ মিনিটে তিনটি পাইপ একসাথে খোলা থাকলে সময় লাগে পনেরো মিনিট ধরি, ট্যাংকের মোট ধারণক্ষমতা = ক গ্যালন অতএব, প্রথম পাইপের এক মিনিটে পূর্ণ করার পরিমাণ = ক ÷ ২০ অংশ দ্বিতীয় পাইপের এক মিনিটে পূর্ণ করার পরিমাণ = ক ÷ ২৪ অংশ তিনটি পাইপের একত্রে এক মিনিটে পূর্ণ করার পরিমাণ = ক ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, তৃতীয় পাইপের এক মিনিটে খালি করার পরিমাণ = (ক ÷ ২০) + (ক ÷ ২৪) − (ক ÷ ১৫ অংশ) = ক ÷ ৪০ অংশ প্রশ্নানুসারে, ক ÷ ৪০ = ৩ ক = ১২০ উত্তর: ১২০
4. একটি স্কুলে ২০% ছাত্রের বয়স ৮ বছরের নিচে। ৮ বছর বয়সী ছাত্রের সংখ্যা ৪৮। ৮ বছরের বেশি বয়সী ছাত্রের সংখ্যা ৮ বছর বয়সী ছাত্র সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ। স্কুলের মোট ছাত্র সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: ৮ বছর বয়সী ছাত্রের সংখ্যা = ৪৮ ৮ বছরের বেশি বয়সী ছাত্রের সংখ্যা = ৮ বছর বয়সী ছাত্র সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ ২০% ছাত্রের বয়স ৮ বছরের নিচে ধরি, মোট ছাত্র সংখ্যা = ক অতএব, ৮ বছরের বেশি বয়সী ছাত্রের সংখ্যা = ৪৮ × (২ ÷ ৩) = ৩২ জন ৮ বছর ও তার বেশি বয়সী মোট ছাত্র = ৪৮ + ৩২ = ৮০ জন সুতরাং, ৮ বছরের নিচে ছাত্র আছে = ১০০% − ২০% = ৮০% প্রশ্নমতে, ৮০% = ৮০ জন, অর্থাৎ মোট ছাত্র ক = ১০০ জন উত্তর: ১০০
5. ২৮, ১২, ৩৬, ১৮, ৫৪, ... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ২৮, ১২, ৩৬, ১৮, ৫৪ এবং পরবর্তী সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে ধরি, ধারার প্রথম পদ = ২৮ ধারার দ্বিতীয় পদ = ১২ অতএব, প্রথম পদকে ২ দিয়ে ভাগ করে এবং ৩ দিয়ে গুণ করলে দ্বিতীয় পদ পাওয়া যায় (২৮ ÷ ২ × ৩ = ১২) একইভাবে দ্বিতীয় পদ ১২ কে ২ দিয়ে ভাগ করে ৩ দিয়ে গুণ করলে তৃতীয় পদ পাওয়া যায় (১২ ÷ ২ × ৩ = ১৮) সুতরাং, শেষ পদ ৫৪ কে ২ দিয়ে ভাগ করে ৩ দিয়ে গুণ করলে পরবর্তী সংখ্যাটি পাওয়া যাবে উত্তর: ৫৪ ÷ ২ × ৩ = ২৭
6. ১০৫৬ এর সাথে সর্বনিম্ন কত যোগ করলে যোগফলটি ২৩ দ্বারা সম্পূর্ণরূপে বিভাজ্য হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি = ১০৫৬ ভাজক = ২৩ ধরি, ১০৫৬ সংখ্যাটিকে ২৩ দ্বারা ভাগ করতে হবে ভাগশেষ বের করার জন্য ১০৫৬ কে ২৩ দিয়ে ভাগ করা যাক অতএব, ১০৫৬ কে ২৩ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল হয় ৪৩ এবং ভাগশেষ থাকে ২১ কাঙ্ক্ষিত ভাগশেষ পাওয়ার জন্য ভাজক থেকে প্রাপ্ত ভাগশেষ বিয়োগ করতে হবে সুতরাং, প্রয়োজনীয় সংখ্যা = ২৩ − ২১ = ২ উত্তর: ২
7. ৩ বছর পূর্বে স্বামী, স্ত্রী এবং তাদের সন্তানের গড় বয়স ছিল ২৭ বছর। ৫ বছর পূর্বে স্ত্রী ও সন্তানের গড় বয়স ছিল ২০ বছর। বর্তমানে স্বামীর বয়স কত বছর?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: ৩ বছর পূর্বে ৩ জনের গড় বয়স ছিল ২৭ বছর ৫ বছর পূর্বে ২ জনের গড় বয়স ছিল ২০ বছর ধরি, বর্তমানে স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানের বয়সের সমষ্টি = ক বর্তমানে স্ত্রী ও সন্তানের বয়সের সমষ্টি = খ অতএব, ৩ বছর পূর্বে ৩ জনের বয়সের সমষ্টি = ২৭ × ৩ = ৮১ বছর বর্তমানে ৩ জনের বয়সের সমষ্টি = ৮১ + (৩ × ৩) = ৯০ বছর সুতরাং, ৫ বছর পূর্বে ২ জনের বয়সের সমষ্টি = ২০ × ২ = ৪০ বছর বর্তমানে ২ জনের বয়সের সমষ্টি = ৪০ + (৫ × ২) = ৫০ বছর উত্তর: ৯০ − ৫০ = ৪০ বছর
8. যদি একটি আয়তক্ষেত্রের প্রতিটি পাশ ২০% বাড়ানো হয়, তবে এর ক্ষেত্রফল কত শতাংশ বৃদ্ধি পাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৪% প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের প্রতিটি বাহু বৃদ্ধি পায় ২০% ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক বর্ধিত দৈর্ঘ্য = ১২০ একক বর্ধিত প্রস্থ = ১২০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১২০ × ১২০ = ১৪৪০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় (১৪৪০০ − ১০০০০) ÷ ১০০ = ৪৪%
9. একটি সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ পাত্রের ৩ অংশ পানি এবং ৫ অংশ সিরাপ। পাত্রটি থেকে মিশ্রণটির কিছু অংশ ফেলে দিয়ে পাত্রটি পানি দিয়ে পূর্ণ করা হল। এর ফলে নতুন মিশ্রণটির অর্ধেক পানি এবং অর্ধেক সিরাপ হলে, পাত্রটি থেকে কত অংশ ফেলে দেওয়া হয়েছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৫ প্রদত্ত তথ্য: পাত্রটিতে পানি আছে ৩ অংশ এবং সিরাপ আছে ৫ অংশ মোট মিশ্রণের পরিমাণ = ৩ + ৫ = ৮ অংশ ধরি, পাত্রটি থেকে তোলা হলো x অংশ মিশ্রণ অতএব, অবশিষ্ট মিশ্রণে পানি থাকে ৩ × (১ − x) অংশ অবশিষ্ট মিশ্রণে সিরাপ থাকে ৫ × (১ − x) অংশ সুতরাং, নতুন মিশ্রণে পানি যোগ করা হয় এবং মোট পানি হয় ১/২ অংশ উত্তর: ১/৫
10. আবু এবং বাবু একটি ব্যবসায় ৩:২ অনুপাতে বিনিয়োগ করে। যদি মোট লাভের ৫% সঞ্চিত রাখা হয় এবং বাকি অংশ থেকে আবু ৮৫৫ টাকা লভ্যাংশ হিসেবে পায়, তবে ব্যবসায়ের মোট লাভ কত টাকা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০০ প্রদত্ত তথ্য: আবু এবং বাবুর বিনিয়োগের অনুপাত ৩ : ২ মোট লাভের ৫% সঞ্চয় করা হয় ধরি, মোট লাভ = ১০০ টাকা সঞ্চয় = ৫ টাকা অতএব, বন্টনযোগ্য লাভ = ১০০ − ৫ = ৯৫ টাকা আবুর লভ্যাংশ = ৯৫ এর (৩ ÷ ৫) অংশ = ৫৭ টাকা সুতরাং, আবুর লভ্যাংশ ৫৭ টাকা হলে মোট লাভ = ১০০ টাকা আবুর লভ্যাংশ ৮৫৫ টাকা হলে মোট লাভ = (১০০ × ৮৫৫) ÷ ৫৭ = ১৫০০ টাকা উত্তর: ১৫০০ টাকা
11. তিন বছর পূর্বে বাবার বয়স তার ছেলের থেকে ২৪ বছর বেশি ছিল। বর্তমানে বাবার বয়স ছেলের বয়সের ৫ গুণ হলে, এখন থেকে তিন বছর পর ছেলের বয়স কত বছর হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: তিন বছর পূর্বে বাবার বয়স ছেলের থেকে ২৪ বছর বেশি ছিল বর্তমানে বাবার বয়স ছেলের বয়সের ৫ গুণ ধরি, বর্তমানে ছেলের বয়স = ক বছর বর্তমানে বাবার বয়স = ৫ক বছর অতএব, তিন বছর পূর্বে ছেলের বয়স ছিল = ক − ৩ বছর তিন বছর পূর্বে বাবার বয়স ছিল = ৫ক − ৩ বছর সুতরাং, প্রশ্নানুসারে, (৫ক − ৩) − (ক − ৩) = ২৪ সমাধান করে পাই, ৪ক = ২৪ এবং ক = ৬ উত্তর: এখন থেকে তিন বছর পর ছেলের বয়স হবে ৬ + ৩ = ৯ বছর
12. তামিম তার ভ্রমণের প্রথম অংশে ১৮০ মাইল এবং দ্বিতীয় অংশে ৩০০ মাইল অতিক্রম করে। উভয় অংশে তার গড় গতি একই ছিল। যদি দ্বিতীয় অংশে তামিমের প্রথম অংশের থেকে ২ ঘণ্টা বেশি গাড়ি চালাতে হয়, তবে তার গাড়ির গড় গতি কত ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম অংশে অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১৮০ মাইল দ্বিতীয় অংশে অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩০০ মাইল ধরি, গাড়ির গড় গতিবেগ = v মাইল প্রতি ঘণ্টা অতএব, প্রথম অংশে সময় লাগে = ১৮০ ÷ v ঘণ্টা দ্বিতীয় অংশে সময় লাগে = ৩০০ ÷ v ঘণ্টা সুতরাং, সময়ের পার্থক্য = (৩০০ ÷ v) − (১৮০ ÷ v) = ২ ঘণ্টা উত্তর: ১২০ ÷ v = ২, অর্থাৎ v = ৬০ মাইল প্রতি ঘণ্টা
13. একটি কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ, মনিটর এবং প্রিন্টারের মোট মূল্য ২,১০০ টাকা। মনিটর এবং প্রিন্টারের মোট মূল্য হার্ড ড্রাইভের মূল্যের তিন-চতুর্থাংশ। যদি প্রিন্টারের মূল্য মনিটরের মূল্যের চেয়ে ১২০ টাকা বেশি হয়, তাহলে প্রিন্টারের মূল্য কত টাকা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫১০ প্রদত্ত তথ্য: হার্ড ড্রাইভ, মনিটর এবং প্রিন্টারের মোট মূল্য = ২১০০ টাকা মনিটর ও প্রিন্টারের মোট মূল্য হার্ড ড্রাইভের মূল্যের তিন-চতুর্থাংশ প্রিন্টারের মূল্য মনিটরের মূল্যের চেয়ে ১২০ টাকা বেশি ধরি, হার্ড ড্রাইভের মূল্য = ক টাকা মনিটরের মূল্য = খ টাকা প্রিন্টারের মূল্য = খ + ১২০ টাকা অতএব, মনিটর ও প্রিন্টারের মোট মূল্য = খ + খ + ১২০ = ২খ + ১২০ টাকা প্রশ্নমতে, ২খ + ১২০ = (৩ ÷ ৪) ক এবং ক + ২খ + ১২০ = ২১০০ দ্বিতীয় হিসাব: ক এর মান বের করতে পাই, ২১০০ − (৩ ÷ ৪) ক = (৩ ÷ ৪) ক বা, (৭ ÷ ৪) ক = ২১০০ সুতরাং ক = ১২০০ টাকা তৃতীয় হিসাব: মনিটর ও প্রিন্টারের মোট মূল্য = ২১০০ − ১২০০ = ৯০০ টাকা আবার, প্রিন্টার ও মনিটরের মূল্যের পার্থক্য = ১২০ টাকা সুতরাং, দুই গুণ মনিটরের মূল্য = ৯০০ − ১২০ = ৭৮০ টাকা অতএব মনিটরের মূল্য = ৩৯০ টাকা উত্তর: প্রিন্টারের মূল্য = ৩৯০ + ১২০ = ৫১০ টাকা
14. একজন বই বিক্রেতা পুরনো বই ৭৫ টাকা থেকে ১০০ টাকা দামে কিনে সেগুলো ১১০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা দামে বিক্রি করে। যদি বিক্রেতা এই ধরনের ২০টি বই বিক্রি করে, তাহলে তার সর্বনিম্ন কত টাকা লাভ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: বইয়ের ক্রয়মূল্যের পরিসর ৭৫ টাকা থেকে ১০০ টাকা বইয়ের বিক্রয়মূল্যের পরিসর ১১০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা ধরি, সর্বনিম্ন লাভের জন্য সর্বনিম্ন ক্রয়মূল্য ধরতে হবে সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্যের পরিবর্তে সর্বনিম্ন বিক্রয়মূল্য ধরতে হবে অতএব, একটি বইয়ের সর্বনিম্ন ক্রয়মূল্য = ৭৫ টাকা একটি বইয়ের সর্বনিম্ন বিক্রয়মূল্য = ১১০ টাকা সুতরাং, একটি বইয়ে সর্বনিম্ন লাভ = ১১০ টাকা − ৭৫ টাকা = ৩৫ টাকা ২০টি বইয়ে সর্বনিম্ন লাভ = ৩৫ টাকা × ২০ = ৭০০ টাকা উত্তর: প্রশ্নটিতে লাভের সর্বনিম্ন হিসাব করতে বলা হয়েছে, এবং ২০টি বইয়ের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন লাভ ২০০ টাকা।
15. একটি প্রতিষ্ঠানে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের মজুরি ঘণ্টা প্রতি ২৫০ টাকা। কোন শ্রমিক ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে, শুধু অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার জন্য স্বাভাবিক মজুরির ১.৫ গুণ হারে টাকা পায়। কোন শ্রমিক যদি একদিনে ১১ ঘণ্টা কাজ করে তবে সে কত টাকা মজুরি পাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১২৫ প্রদত্ত তথ্য: স্বাভাবিক কাজের সময় = দৈনিক ৮ ঘণ্টা স্বাভাবিক মজুরি প্রতি ঘণ্টা = ২৫০ টাকা ধরি, অতিরিক্ত কাজের সময় = মোট সময় − স্বাভাবিক সময় অতিরিক্ত কাজের সময় = ১১ − ৮ = ৩ ঘণ্টা অতএব, প্রথম ৮ ঘণ্টার মজুরি = ৮ × ২৫০ = ২০০০ টাকা অতিরিক্ত প্রতি ঘণ্টা মজুরি = ২৫০ × ১.৫ = ৩৭৫ টাকা অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টার মজুরি = ৩ × ৩৭৫ = ১১২৫ টাকা সুতরাং, মোট প্রাপ্ত মজুরি = ২০০০ + ১১২৫ = ৩১২৫ টাকা উত্তর: ৩১২৫
16. একটি গাড়ির শোরুমে বিক্রি হওয়া প্রতিটি গাড়ির উপর ৬% কমিশন পায়। বিক্রয় কমিশনের ২/৩ অংশ কর্মীদের দেয়া হয় এবং বাকি অংশ শোরুমটির কাছে থাকে। কোন এক মাসে মোট ২,২০,০০০ টাকার গাড়ি বিক্রি করলে শোরুমটি কমিশন থেকে নীট কত টাকা পাবে?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪,৪০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট গাড়ি বিক্রির পরিমাণ = ২,২০,০০০ টাকা বিক্রির ওপর কমিশনের হার = ৬% ধরি, মোট কমিশন পাওয়া যাবে = ২,২০,০০০ টাকার ৬% অতএব, মোট কমিশন = (২,২০,০০০ × ৬) ÷ ১০০ টাকা মোট কমিশন = ১৩,২০০ টাকা ধরি, কর্মীদের দেয়া হয় কমিশনের ২ ÷ ৩ অংশ অতএব, কর্মীদের দেয়া হয় = (১৩,২০০ × ২) ÷ ৩ টাকা কর্মীদের দেয়া হয় = ৮,৮০০ টাকা সুতরাং, শোরুমের কাছে থাকবে = মোট কমিশন − কর্মীদের দেয়া টাকা শোরুমের কাছে থাকবে = ১৩,২০০ − ৮,৮০০ টাকা = ৪,৪০০ টাকা উত্তর: ৪,৪০০ টাকা
17. একটি বৃত্তির জন্য আবেদনকারীদের অর্ধেককে অনলাইন পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয়। বাছাইকৃতদের মধ্যে ৪০%, অর্থাৎ ১২ জন শিক্ষার্থী, চূড়ান্ত রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত হলে, কতজন শিক্ষার্থী আবেদন করেছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: চূড়ান্ত রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বারো জন বাছাইকৃতদের মধ্যে চূড়ান্ত রাউন্ডে নির্বাচিত হয়েছে চল্লিশ শতাংশ ধরি, অনলাইন পরীক্ষার জন্য বাছাই করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা সমান ক জন অতএব, ক এর চল্লিশ শতাংশ সমান বারো জন ক গুণ (চল্লিশ ভাগ একশত) সমান বারো সুতরাং, ক সমান বারো গুণ একশত ভাগ চল্লিশ ক সমান ত্রিশ জন ধরি, মোট আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা সমান খ জন অতএব, খ এর অর্ধেক সমান ত্রিশ জন খ ভাগ দুই সমান ত্রিশ সুতরাং, খ সমান ত্রিশ গুণ দুই খ সমান ষাট জন উত্তর: মোট আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ষাট জন
18. দুইজন সাইকেল আরোহী একটি ৭৭০ ফুট লম্বা সেতুর বিপরীত প্রান্ত থেকে একে অপরের দিকে আসতে থাকে। প্রথম সাইকেল আরোহীর গতি প্রতি সেকেন্ডে ১৫ ফুট এবং দ্বিতীয় সাইকেল আরোহীর গতি প্রতি সেকেন্ডে ২০ ফুট হলে কত সেকেন্ড পরে তারা মিলিত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ প্রদত্ত তথ্য: সেতুর মোট দৈর্ঘ্য = ৭৭০ ফুট প্রথম আরোহীর গতি = প্রতি সেকেন্ডে ১৫ ফুট দ্বিতীয় আরোহীর গতি = প্রতি সেকেন্ডে ২০ ফুট ধরি, তারা মিলিত হবে = ক সেকেন্ড পরে অতএব, প্রথম আরোহী ক সেকেন্ডে অতিক্রম করে = ১৫ × ক ফুট দ্বিতীয় আরোহী ক সেকেন্ডে অতিক্রম করে = ২০ × ক ফুট সুতরাং, ১৫ × ক + ২০ × ক = ৭৭০ ৩৫ × ক = ৭৭০ উত্তর: ক = ৭৭০ ÷ ৩৫ = ২২ সেকেন্ড

মোট প্রশ্ন (15)

2. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বাধীনতা পদক কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক প্রদত্ত রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে। - স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য এই পদক দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাধীনতা পদক — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) একুশে পদক — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক, যা মূলত ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত ক্ষেত্রে প্রদান করা হয়। C) স্বাধীনতা সম্মাননা — এটি কোনো রাষ্ট্রীয় পদক নয়, বরং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া একটি সম্মাননা স্মারক। D) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পদক বা খেতাব, যা বেসামরিক পদক শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বেসামরিক পদকে প্রথম স্থানে আছে স্বাধীনতা পদক এবং দ্বিতীয় স্থানে আছে একুশে পদক।
3. কোন দেশ সর্বপ্রথম মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক এক সফলভাবে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করে। - এই ঐতিহাসিক ঘটনার মাধ্যমেই মহাশূন্য যুগ বা স্পেস এজ সূচনা হয় এবং মহাকাশ জয়ের প্রতিযোগিতায় সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম সাফল্য অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ এক্সপ্লোরার এক উৎক্ষেপণ করে ১৯৫৮ সালের ৩১ জানুয়ারি, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের পরে। B) সোভিয়েত ইউনিয়ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রথম সফল কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে। C) চীন — চীন তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ডং ফাং হং এক ১৯৭০ সালে মহাকাশে পাঠায়, যা এই ঘটনার বহু পরের বিষয়। D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ প্রসপেরো ১৯৭১ সালে মহাশূন্যে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। মনে রাখার টিপস: মহাশূন্য জয়ে প্রথম ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন, যাদের স্পুটনিক দিয়েই মহাকাশ যুগের সূচনা হয়েছিল।
6. প্রাকৃতিক উৎস থেকে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২য় কেন সঠিক: - জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রতিবেদন অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় বা প্রাকৃতিক উৎস থেকে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। - নদী, বিল ও প্রাকৃতিক উৎসের উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের এই অবস্থান দেশের মৎস্য খাতের সফলতার অন্যতম প্রধান স্বীকৃতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ম — উৎপাদনে চীন বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করায় এই অপশনটি সঠিক নয়। B) ২য় — প্রাকৃতিক উৎস থেকে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান দ্বিতীয় হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) ৩য় — বিশ্ব মৎস্য উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থান অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ায় এটি এখানে সঠিক নয়। D) ৪র্থ — বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে থাকায় চতুর্থ অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয় না। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক উৎস বা মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ সবসময় এগিয়ে থাকে এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান দুই বা দ্বিতীয়।
7. বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ওশেনিয়া দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - অস্ট্রেলিয়া ১৯৭১ সালের ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ১৯৭২ সালের ৩ জানুয়ারি, যা অস্ট্রেলিয়ার পরে। B) অস্ট্রেলিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় এই দেশ। C) ফিজি — ফিজি ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। D) ভানুয়াতু — ভানুয়াতু অনেক পরে স্বাধীনতা লাভ করে এবং বাংলাদেশের স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রথম নয়। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বড় দেশ, তাই বাংলাদেশকে স্বীকৃতির বেলাতেও সে সবার আগে এগিয়ে এসেছে।
9. ডেভেলপিং এইট বা ডি-৮ এর সদস্য নয় কোন দেশটি?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - ডেভেলপিং এইট বা ডি-৮ হলো উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা। - প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ইরাক এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা বা বর্তমান সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — এটি ডি-৮ সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। B) ইরাক — এটি ডি-৮ সংস্থার সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) মিশর — এটি ডি-৮ সংস্থার অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র। D) তুরস্ক — এটি ডি-৮ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর সদর দপ্তর ইস্তামবুলে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ডি-৮ সদস্য দেশ মনে রাখার কৌশল হলো দুই টি (তুরস্ক, তিউনিসিয়া নয় কিন্তু), তিন ই (ইন্ডোনেশিয়া, ইরান, মিশর), দুই বা (বাংলাদেশ, পাকিস্তান) এবং এক মা (মালয়েশিয়া)। এখানে ইরাক নেই।
10. মুসলিম প্রধান না হয়েও কোন দেশটি ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্য?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টোগো কেন সঠিক: - টোগো পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও ওআইসির সদস্যপদ লাভ করেছে। - ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থায় মুসলিমপ্রধান দেশ ছাড়াও কিছু অমুসলিম দেশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোগো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মুসলিম সংখ্যালঘু দেশ হওয়া সত্ত্বেও এটি ওআইসির সদস্য। B) মালি — এটি কোনো ভুল অপশন নয়, তবে মালি একটি মুসলিমপ্রধান দেশ এবং ওআইসির সদস্য। C) লেবানন — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যেখানে উল্লেখযোগ্য মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে এবং এটি ওআইসির সদস্য। D) নাইজার — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি মুসলিমপ্রধান দেশ এবং এই সংস্থার নিয়মিত সদস্য। মনে রাখার টিপস: মুসলিম প্রধান নয় কিন্তু ওআইসির সদস্য দেশগুলোর মধ্যে টোগো নামটি মনে রাখতে হবে।
11. আসিয়ান রিজিয়নাল ফোরাম (ARF)- এর সদস্য সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৭ কেন সঠিক: - আসিয়ান রিজিয়নাল ফোরাম বা এআরএফ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের নিরাপত্তা বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক মঞ্চ। - এই ফোরামে আসিয়ানের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পাশাপাশি অঞ্চলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশ মিলে মোট সদস্য সংখ্যা ২৭। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ — এই সংখ্যাটি আসিয়ান রিজিয়নাল ফোরামের বর্তমান মোট সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। B) ২২ — এই সংখ্যাটি এআরএফ ফোরামের সঠিক সদস্য সংখ্যার নির্দেশক নয়। সি) ২৭ — এটি আসিয়ান রিজিয়নাল ফোরামের সঠিক সদস্য সংখ্যা এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) ২৮ — এই সংখ্যাটি এআরএফ-এর সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং এটি একটি ভুল তথ্য। মনে রাখার টিপস: আসিয়ান জোটের সদস্য দশটি এবং এআরএফ-এর মোট সদস্য সাতাশটি, এই সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
12. বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস প্রতি বছর কোন দিনে পালিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ জুন কেন সঠিক: - নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে ২০১৯ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। - খাদ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোগ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে খাদ্যজনিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিই এই দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ জুন — বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস হিসেবে নির্ধারিত এবং নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরি করে। B) ১৪ জুন — বিশ্ব রক্তদাতা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা নিরাপদ রক্ত ও রক্তজাত পণ্যের গুরুত্ব প্রচার করে। C) ২১ জুন — আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য যোগব্যায়ামের উপকারিতা প্রচার করে। D) ২৭ জুন — অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে এসব খাতের অবদানকে স্বীকৃতি দেয়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সপ্তাহের শুরুতেই অর্থাৎ ৭ দিনই সচেতন থাকতে হবে, আর ৭ দিন থেকেই মনে রাখুন ৭ জুন।
13. বিশ্বের কোন শহর 'নিষিদ্ধ শহর' নামে পরিচিত?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লাসা কেন সঠিক: - তিব্বতের রাজধানী লাসায় অতীতে বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। - এর দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান এবং ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতার কারণে বিশ্ববাসীর কাছে এটি নিষিদ্ধ শহর হিসেবে পরিচিত লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উলানবাটোর — এটি মঙ্গোলিয়ার রাজধানী, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) পিয়ং ইয়ং — এটি উত্তর কোরিয়ার রাজধানী, যা এই শহরের ঐতিহাসিক পরিচিতির সঙ্গে মেলে না। C) হাভানা — এটি কিউবার রাজধানী, যা ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি বিখ্যাত শহর। D) লাসা — এটি তিব্বতের সেই ঐতিহাসিক শহর যা 'নিষিদ্ধ শহর' নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: তিব্বতের রাজধানী লাসা দুর্গমতার কারণে অতীতে নিষিদ্ধ শহর ছিল।

মোট প্রশ্ন (1)

1. শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক কী?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেসিবেল ১. কেন সঠিক: শব্দের তীব্রতা বা প্রাবল্য পরিমাপের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ডেসিবেল একক ব্যবহার করা হয়। এটি টেইলর ও আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের নামানুসারে তৈরি বেল এককের দশমাংশ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের তীব্রতা বলতে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে শব্দের শক্তির প্রবাহের হার বোঝায়। কার্যপ্রণালি: মানুষের কান শূন্য থেকে শুরু করে অত্যন্ত উচ্চ শব্দের তীব্রতা সহ্য করতে পারে, তাই তীব্রতা পরিমাপের জন্য লগারিদমিক স্কেল বা ডেসিবেল স্কেল ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাতার মর্মরধ্বনির তীব্রতা প্রায় ১০ ডেসিবেল। ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত মৃদু শব্দ যা মানবদেহের জন্য সম্পূর্ণ আরামদায়ক। উদাহরণ ২: সাধারণ কথপোকথনের তীব্রতা প্রায় ৬০ ডেসিবেল। ব্যাখ্যা: এটি দৈনন্দিন যোগাযোগের স্বাভাবিক শব্দমাত্রা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউটন — এটি বল পরিমাপের একক। বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের নামানুসারে এই একক নির্ধারিত হয়েছে। B) হার্টজ — এটি কম্পাঙ্ক পরিমাপের একক। প্রতি সেকেন্ডে যতটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন হয় তা হার্টজ দ্বারা মাপা হয়। C) জুল — এটি কাজ ও শক্তি পরিমাপের একক। তাপশক্তি বা গতিশক্তি প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। D) ডেসিবেল — এটি শব্দের তীব্রতা পরিমাপের সঠিক একক। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের সাথে বেলের নাম জড়িত, কারণ টেলিফোনের আবিষ্কারক গ্রাহাম বেলের নাম অনুসারে এই একক এসেছে। তীব্রতা মাপতে বেলের ছোট একক ডেসিবেল মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। শব্দের নিরাপদ মাত্রা এবং ক্ষতিকর মাত্রা সম্পর্কেও প্রশ্ন থাকতে পারে।

মোট প্রশ্ন (1)

1. TOP500 তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের নাম কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এল ক্যাপিটান ১. কেন সঠিক: - TOP500 তালিকার তথ্য অনুযায়ী এল ক্যাপিটান হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। - এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে অবস্থিত এবং হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ দ্বারা নির্মিত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সুপার কম্পিউটার হলো এমন একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুতগতির কম্পিউটার যা বিশাল পরিমাণ ডেটা অতি দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি হাজার হাজার প্রসেসর বা সিপিইউ একসঙ্গে সমান্তরালভাবে কাজ করিয়ে জটিল গণনা সম্পন্ন করে। - ব্যবহার: এটি জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পারমাণবিক অস্ত্র সিমুলেশন, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: সুপার কম্পিউটার বায়ুমণ্ডলের বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে পারে। উদাহরণ ২: মহাকাশ গবেষণা ব্যাখ্যা: মহাকাশ থেকে আসা জটিল সংকেত বিশ্লেষণ এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টির রহস্য উদঘাটনে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এল ক্যাপিটান — এটি বর্তমানে তালিকার শীর্ষে থাকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। B) সানওয়ে তাইহু লাইট — এটি চীনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার হলেও বর্তমানে এটি শীর্ষ স্থানে নেই। C) তিয়ানহে-৩ — এটিও চীনের একটি উন্নত সুপার কম্পিউটার, তবে এটি বর্তমান তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে না। D) ফুগাকু — এটি জাপানের একটি বিখ্যাত সুপার কম্পিউটার এবং অতীতে এটি শীর্ষ স্থানে ছিল, তবে বর্তমানে এল ক্যাপিটান এর পেছনে রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্যাপিটান শব্দটি মনে রাখলেই বোঝা যাবে এটি তালিকার ক্যাপিটান বা অধিনায়ক অর্থাৎ শীর্ষে আছে। - সুপার কম্পিউটার পরিমাপের একক হলো ফ্লপস (FLOPS)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুপার কম্পিউটারের গতির একক পেটাফ্লপস বা এক্সাফ্লপস। - বাংলাদেশের প্রথম সুপার কম্পিউটার যুক্ত হয় ২০১০ সালে বুয়েটে, যার নাম আইবিএম আরএস সিক্স থাউজেন্ড।