a নবীনচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
b হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
c রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
d ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: "স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায়" চরণটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্যের পূর্ববর্তী যুগের বিশিষ্ট কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এই চরণটিতে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকুলতা এবং স্বাধীনতার প্রতি তীব্র বাসনা প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম কবি যিনি মূলত দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার বাণী প্রচার করেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত পদ্মাবলী ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে সোচ্চার কবিতা বাংলা সাহিত্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নলিনী কাব্য ব্যাখ্যা: এটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রোমান্টিক প্রণয়মূলক কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: পদাঙ্কদূত ব্যাখ্যা: এটিও রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিশিষ্ট কাব্য রচনা যা তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবীনচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি বিখ্যাত পলাশীর যুদ্ধ ও রৈবতক কাব্যের রচয়িতা হলেও আলোচ্য চরণটির রচয়িতা নন। B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি দেশপ্রেমমূলক বৃত্রসংহার কাব্যের জন্য পরিচিত হলেও এই চরণের কবি নন। C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এই কবিরই বিখ্যাত পঙক্তি এটি। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি যুগের সন্ধি ক্ষণের কবি ও সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদক হলেও এই চরণের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার কথা এলেই মনে রাখবে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম কারণ তিনিই প্রথম কবিতায় স্বাধীনতার জয়গান গেয়েছিলেন। পরাধীনতার অন্ধকার থেকে মুক্তির বার্তা যিনি প্রথম এনেছেন তিনিই রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পঙক্তি কার লেখা তা জানতে চাওয়া হয়। এই ধরনের উদ্ধৃতি মনে রাখতে কবির মূল কাব্যগ্রন্থ ও তার থিম খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 179 0 0