a কর্মধারয়
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d দ্বন্দ্ব
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - 'গণ্যমান্য' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো গণ্য় ও মান্য, যা মূলত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে দুটি বিশেষণ পদের মিলন ঘটেছে এবং বিশেষ্য পদ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষণ ও বিশেষ্য কিংবা বিশেষ্য ও বিশেষ্য অথবা বিশেষণ ও বিশেষণের সম্পর্ক থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - 'গণ্যমান্য' শব্দটির ক্ষেত্রে দুটি সমার্থক বা প্রায় সমার্থক বিশেষণ পদ মিলে কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চালাকচতুর ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য চালাক ও চতুর। উদাহরণ ২: পীতাম্বর ব্যাখ্যা: এটিও কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত, যার ব্যাসবাক্য পীত অম্বর যার নয়, বরং পীত যে অম্বর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'গণ্যমান্য' শব্দটির গঠনে কর্মধারয় সমাসের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। B) তৎপুরুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে নেই। C) বহুব্রীহি — এই অপশনটি ভুল কারণ বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ বোঝায় না, অন্য কোনো পদকে বোঝায়। D) দ্বন্দ্ব — এই অপশনটি ভুল কারণ দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্র্রাধান্য থাকে এবং মাঝে 'ও' বা 'এবং' লুক্কায়িত থাকে, কিন্তু এখানে তা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুটি সমার্থক বা প্রায় সমার্থক বিশেষণ পাশাপাশি বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - শব্দটি ভেঙে অর্থ অনুধাবন করলে সমাসের ধরন সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের বিভিন্ন প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে জোড়া শব্দ বা সমার্থক পদের সমাস নির্ণয়ের সময় ভালোভাবে ব্যাসবাক্য খেয়াল করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 179 0 0