a ১২ তম
b ১৩ তম
c ১৪ তম
d ১৫ তম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ তম ১. কেন সঠিক: - সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। - ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে এই সংশোধনী পাস হয় এবং ৩ জুলাই গেজেট প্রকাশিত হয়। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান ও আইন: এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ত্রয়েদশ সংশোধনী বাতিল করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এর ফলে দেশের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যস্ত হয় এবং দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা ফিরে আসে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০১১ সালের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ পুনর্বহাল করা হয়। উদাহরণ ২: ১৯৯৬ সালের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর মাধ্যমেই সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বৈধভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ তম — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৩ তম — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল। C) ১৪ তম — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৪ সালে সংবিধানের বেশ কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়, যার মধ্যে নারীদের সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি অন্যতম। D) ১৫ তম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সংশোধনীর মাধ্যমেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - তত্ত্বাবধায়ক সরকার আনায়ন করা হয়েছিল ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। - আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়েছিল পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পঞ্চদশ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোন সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তন করা হয়েছিল, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a ক্যাবিনেট
b বিরোধী দল
c সুশীল সমাজ
d লোকপ্রশাসন
0 243 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিরোধী দল ১. কেন সঠিক: প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার পরিচালনার পাশাপাশি সংসদে ও বাইরে সরকারের কাজের সমালোচনা এবং সংশোধনের জন্য একটি বিকল্প শক্তি থাকে, যাকে বিকল্প সরকার বলা হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সবসময় সরকারের নীতিনির্ধারণী ত্রুটি তুলে ধরে এবং নিজেদের প্রস্তুত রাখে যাতে প্রয়োজনে তারা সরকারের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সরকারব্যবস্থা ও সংসদ: বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সরকারব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে স্বীকৃত। তাৎপর্য ও ফলাফল: বিরোধী দল সরকারের একদলীয় শাসন বা স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করতে ভারসাম্য বজায় রাখার ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল সরকারের বিভিন্ন বিল ও নীতির সমালোচনা করে বিকল্প প্রস্তাব পেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওয়েস্টমিনস্টার মডেলে বিরোধী দলকে শ্যাডো ক্যাবিনেট বা ছায়া সরকার বলা হয়। ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে বিরোধী দল কেবল সমালোচক নয়, বরং ভবিষ্যৎ সরকার পরিচালনার জন্য বিকল্প প্রস্তুত দল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাবিনেট — এটি ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রিপরিষদকে বোঝায়, যা দেশ পরিচালনা করে এবং বিকল্প সরকার নয়। B) বিরোধী দল — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংসদীয় ব্যবস্থায় এরা বিকল্প সরকার হিসেবে গণ্য হয়। C) সুশীল সমাজ — এটি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, যারা সরকারের বাইরে থেকে মতামত দিলেও সরাসরি বিকল্প সরকার বা রাজনৈতিক দল নয়। D) লোকপ্রশাসন — এটি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামো পরিচালনা করে, যা রাজনৈতিক বিকল্প সরকার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকার যখন ব্যর্থ হয়, তখন যে দল দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে, সেই বিরোধী দলকেই বিকল্প সরকার বলা হয়। মনে রাখবে, ক্যাবিনেট হলো বর্তমান সরকার আর বিরোধী দল হলো ছায়া বা বিকল্প সরকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র হলো সক্রিয় বিরোধী দল। একই বিষয় থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে ছায়া সরকার বা শ্যাডো ক্যাবিনেট বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়।
a আনিসুল হক
b সাঈদ খোকন
c সাদেক হোসেন খোকা
d মোহাম্মদ হানিফ
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ হানিফ ১. কেন সঠিক: মোহাম্মদ হানিফ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৪ সালে দেশের চারটি প্রধান শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় প্রথমবারের মতো সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক ধারা ও জনগণের সরাসরি ভোটে মেয়র নির্বাচনের প্রথা শুরু হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দন কুমার নাগ ব্যাখ্যা: তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক ছিলেন, কিন্তু তিনি নির্বাচিত মেয়র ছিলেন না। উদাহরণ ২: এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৯৪ সালে একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনিসুল হক — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, প্রথম নির্বাচিত মেয়র নন। B) সাঈদ খোকন — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন, পুরো ঢাকা সিটির প্রথম নন। C) সাদেক হোসেন খোকা — তিনি ২০০২ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, যা মোহাম্মদ হানিফের পর। D) মোহাম্মদ হানিফ — তিনি ১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালে প্রথম ঢাকার মেয়র হন হানিফ। নামটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন, এই প্রশ্নটি স্থানীয় সরকার প্রশাসন সম্পর্কিত পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়রের নামও জেনে রাখা ভালো।
a হাসেম খান
b এ কে এম আব্দুর রউফ
c আবুল বারক আলভী
d সমরজিৎ রায় চৌধুরী
0 154 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এ কে এম আব্দুর রউফ ১. কেন সঠিক: - এ কে এম আব্দুর রউফ বাংলাদেশের মূল সংবিধানের হস্তলিপিকারক ছিলেন যিনি পুরো সংবিধানের বাংলা পাঠ নিজ হাতে লিখেছিলেন। - সংবিধান প্রণয়ন কমিটির তত্ত্বাবধানে এই ঐতিহাসিক কাজটি সম্পন্ন হয়েছিল যা আমাদের আইনগত ও রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়েছিল এবং হস্তলিপির মূল দায়িত্বে ছিলেন এ কে এম আব্দুর রউফ। - তাৎপর্য ও ফলাফল: হাতে লেখা এই সংবিধানটি ছিল বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ক্যালিগ্রাফি করা সংবিধান যার চারপাশ নকশা করেছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যালিগ্রাফি ও অলংকরণ শিল্পী হাশেম খান। ব্যাখ্যা: তিনি সংবিধানের বিভিন্ন পৃষ্ঠার অলংকরণ ও নকশা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন কিন্তু হস্তলিপির দায়িত্বে ছিলেন না। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হওয়া বাংলাদেশের সংবিধান। ব্যাখ্যা: এটি বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সুনির্দিষ্ট দলিল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাশেম খান — ইনি মূল সংবিধানের হস্তলিপিকারক ছিলেন না বরং তিনি সংবিধানের ভেতরের পাতার বিভিন্ন শিল্পকর্ম ও অলংকরণের কাজে যুক্ত ছিলেন। B) এ কে এম আব্দুর রউফ — ইনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সম্পূর্ণ মূল বাংলা সংবিধান নিজ হাতে সুন্দর ক্যালিগ্রাফিতে লিখেছিলেন। C) আবুল বারক আলভী — ইনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও চারুকলা বিশেষজ্ঞ যিনি সংবিধান লেখার কাজে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। D) সমরজিৎ রায় চৌধুরী — ইনিও বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী যিনি সংবিধানের অলংকরণ শিল্পীদের দলের একজন সদস্য ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - লেখা ও রউফ শব্দ দুটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে সংবিধান হাতে লেখার কাজ করেছিলেন আব্দুর রউফ। - নকশা ও অলংকরণের সঙ্গে হাশেম খান ও সমরজিৎ রায় চৌধুরীর নাম জড়িয়ে আছে, তাই হস্তলিপির সঙ্গে তাদের গুলিয়ে ফেলবেন না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের হস্তলিপিকারক এবং অলংকরণ শিল্পীদের নাম প্রায়ই আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। - মূল সংবিধানের ইংরেজি অনুবাদের হস্তলিপিকারক কে ছিলেন, সেই তথ্যটিও পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা ভালো।
a ২৯(২)
b ২৮(২)
c ৩৯(১)
d ৩৯(২)
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৮(২) ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত একটি মৌলিক অধিকার, যা নাগরিকদের সমতা বিধানের মূলনীতিকে দৃঢ় করে। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্মের কারণে বৈষম্যের নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে এবং এর দ্বিতীয় দফায় নারীর সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিধানের ফলে নারীরা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পুরুষের সমান সুযোগ পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার লাভ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংবিধানের এই নীতির আলোকেই সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি চাকরিতে নারীর সমান প্রবেশাধিকার। ব্যাখ্যা: প্রশাসন ও অন্যান্য পেশায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে ২৮(২) অনুচ্ছেদ শক্তিশালী আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯(২) — এই অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি কেবল নারী-পুরুষের সমতা নির্দেশ করে না। B) ২৮(২) — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে স্পষ্টভাবে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। C) ৩৯(১) — এই অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেکের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। D) ৩৯(২) — এই অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার এবং প্রেসের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদটি মূলত বৈষম্য ও সমতা সংক্রান্ত, যেখানে দ্বিতীয় দফায় (২) নারীদের সম অধিকারের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রে ২৮ মানেই নারী পুরুষের সমান অধিকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক অধিকার ও নারী অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারগুলোর অনুচ্ছেদগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বেক্সিমকো
b স্কয়ার
c ইনসেপ্টা
d একমি
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসেপ্টা ১. কেন সঠিক: কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড চীনের সিনোফার্মের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে চীনের তৈরি সিনোফার্মের কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের পথ সুগম হয় এবং স্বাস্থ্যখাতে দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান: ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্য উন্নয়ন: এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ টিকা আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাভি এবং কোভ্যাক্স সুবিধা ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনামূল্যে ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা সংগ্রহ করে। উদাহরণ ২: এস কে ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ওষুধ রপ্তানি করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেক্সিমকো — এটি বাংলাদেশের একটি বৃহৎ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই নির্দিষ্ট টিকা উৎপাদনের চুক্তি করেনি, তবে তারা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সাথে কোভিশিল্ড টিকা আমদানির চুক্তি করেছিল। B) স্কয়ার — এটি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলেও কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। C) ইনসেপ্টা — এই অপশনটি সঠিক কারণ চীনের সাথে টিকা উৎপাদনের চুক্তিটি এই প্রতিষ্ঠানটিই করেছিল। D) একমি — এটি একটি প্রাচীন ও নামকরা ওষুধ কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই টিকা উৎপাদনের চুক্তির সাথে যুক্ত ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: করোনা টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে চুক্তি করেছিল 'ইনসেপ্টা'। ইনসেপ্টা নামের শুরু 'ই' দিয়ে, আর উৎপাদন বা ইনোভেশন শব্দটির সাথে মিল রেখে এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোভিড-১৯ মহামারি কালীন টিকা কূটনীতি ও দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে টিকা সরবরাহকারী দেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশীয় কোম্পানির নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a (ক) ১৯৭৩
b (খ) ১৯৭৪
c (গ) ১৯৭৫
d (ঘ) ১৯৭৬
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (খ) ১৯৭৪ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালে ওআইসি (OIC) এর সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় ইসলামিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্য হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা: ১৯৭২ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের পথ উন্মুক্ত হয়। ১৯৭৪ সালের লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশের যোগদানের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সুদৃঢ় বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে। ব্যাখ্যা: এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে আরও সুদৃঢ় হয়। উদাহরণ ২: ওআইসি এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। ব্যাখ্যা: মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম এই আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) (ক) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি কারণ তখনো পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। B) (খ) ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ওআইসি এর সদস্য হয়। C) (গ) ১৯৭৫ — এই সালে ওআইসি এর সদস্যপদ লাভের কোনো ঘটনা ঘটে নি, এটি ভুল সাল। D) (ঘ) ১৯৭৬ — এটি ভুল সাল কারণ এর আগেই বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ওআইসি এর সদস্য হয়। লাহোর সম্মেলনের সালটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ওআইসি এর কততম সদস্য এবং ওআইসি এর বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a আইনমন্ত্রী
b আইন সচিব
c এ্যাটর্নি জেনারেল
d প্রধান বিচারপতি
0 205 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এ্যাটর্নি জেনারেল ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন এ্যাটর্নি জেনারেল। - রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য কোনো ব্যক্তিকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তিনি সরকারের আইনগত বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে এ্যাটর্নি জেনারেলের পদ, নিয়োগ ও দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। দায়িত্ব ও কার্যভার: রাষ্ট্রপতির নির্দেশক্রমে তিনি সরকারের পক্ষে দেশের যেকোনো আদালতে আইনি কার্যক্রম পরিচালনা ও মতামত দেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের প্রথম এ্যাটর্নি জেনারেল এম এইচ খন্দকার। ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর এই সাংবিধানিক পদে প্রথম দায়িত্ব পালন করে তিনি আইনি কাঠamো গড়ে তোলেন। উদাহরণ ২: বর্তমান বা সাম্প্রতিক এ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে হয় এবং সরকারের পরিবর্তনশীল নীতি বাস্তবায়নে আইনি সহায়তা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনমন্ত্রী — আইনমন্ত্রী হলেন মন্ত্রিসভার একজন রাজনৈতিক সদস্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি আইন মন্ত্রণালয়ের প্রধান রাজনৈতিক প্রধান কিন্তু সাংবিধানিক অর্থে প্রধান আইন কর্মকর্তা নন। B) আইন সচিব — আইন সচিব হলেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান ও একজন সরকারি কর্মকর্তা, যিনি প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন। D) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি হলেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান এবং বিচার বিভাগের প্রধান, যিনি নির্বাহী বিভাগের আইনি কর্মকর্তা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: আইনমন্ত্রী হলেন রাজনৈতিক প্রধান, আইন সচিব হলেন প্রশাসনিক প্রধান এবং এ্যাটর্নি জেনারেল হলেন সরকারের প্রধান আইনি প্রতিনিধি। সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে পরীক্ষাতীতভাবে সঠিক করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এ্যাটর্নি জেনারেল কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিযুক্ত হন এবং তাকে কে নিয়োগ দেন, তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, তিনি কোন আদালত পর্যন্ত আইনি পেশা বা শুনানিতে অংশ নিতে পারেন।
a হিন্দুধর্ম
b বৌদ্ধধর্ম
c খ্রিষ্টধর্ম
d ইহুদীধর্ম
0 157 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৌদ্ধধর্ম ১. কেন সঠিক: - নির্বাণ ধারণাটি বৌদ্ধধর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত যা মানুষের জীবনের সকল দুঃখ, যন্ত্রণা ও জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তির চূড়ান্ত অবস্থাকে নির্দেশ করে। - প্রাচীন ভারতীয় দর্শনে এবং গৌতম বুদ্ধের প্রচারিত ধর্মে এই নির্বাণ লাভ বা পরম শান্তি অর্জনকেই মানবজীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলায় গুপ্ত যুগে এবং তার পরবর্তী সময়ে বৌদ্ধধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল যা বাংলার সংস্কৃতি ও স্থাপত্যে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর এবং কুমিল্লার ময়নামতি অঞ্চলে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারগুলো বাংলার বৌদ্ধ সভ্যতার ঐতিহাসিক নিদর্শন বহন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার পাল রাজবংশের আমলে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র ছিল। উদাহরণ ২: ময়নামতি অঞ্চলের শালবন বিহার ব্যাখ্যা: এটি সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে নির্মিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বসতি যা তৎকালীন বাংলার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দুধর্ম — এই ধর্মে নির্বাণ শব্দটির পরিবর্তে সাধারণত মোক্ষ বা মুক্তি ধারণার ব্যবহার করা হয় যা আত্মা ও পরমাত্মার মিলনের সাথে সম্পর্কিত। B) বৌদ্ধধর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ধর্মদর্শন অনুসারে সাধনার মাধ্যমে লোভ, দ্বেষ ও মোহ ক্ষয় করে নির্বাণ লাভ করা সম্ভব। C) খ্রিষ্টধর্ম — এই ধর্মে নির্বাণ বা মোক্ষর ধারণা নেই, বরং ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ এবং স্বর্গের চিরস্থায়ী জীবনপ্রাপ্তি হলো মূল বিশ্বাস। D) ইহুদীধর্ম — এই ধর্মে লৌকিক জীবনের কর্ম এবং ঈশ্বরের বিধান পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, নির্বাণ এর মূল বিশ্বাসের অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গৌতম বুদ্ধের প্রবর্তিত বৌদ্ধধর্মের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাণ বা মুক্তি লাভ করা। - পরীক্ষায় নির্বাণ শব্দটি দেখলে সরাসরি বৌদ্ধধর্মের কথা মনে রাখবে কারণ এটি এই ধর্মের সঙ্গেই বিশেষভাবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজারা বৌদ্ধধর্মের অনুসারী ছিলেন এবং তাদের আমলেই বঙ্গে বৌদ্ধ সংস্কৃতির স্বর্ণযুগ সূচিত হয়েছিল। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার প্রাচীন ইতিহাস, ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সম্পর্কিত নানা ধরনের এমসিকিউ আসতে পারে।
a প্রধানমন্ত্রী
b অর্থমন্ত্রী
c বাণিজ্যমন্ত্রী
d পরিকল্পনামন্ত্রী
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রধানমন্ত্রী ১. কেন সঠিক: - একনেক বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির প্রধান হলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। - দেশের সার্বিক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - প্রশাসনিক কাঠামো: একনেক দেশের উন্নয়ন বাজেট বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি অনুমোদনকারী সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ফোরাম। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা কমিশন একনেকের জন্য সারসংক্ষেপ ও প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প ব্যাখ্যা: এই মেগা প্রকল্পটি একনেক সভার মাধ্যমেই চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: দেশের অন্যতম বৃহৎ এই প্রকল্পটির প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক অনুমোদন একনেক সভার মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি একনেকের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। B) অর্থমন্ত্রী — তিনি একনেকের সদস্য হিসেবে উপস্থিত থাকেন এবং বিকল্প প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন না। সি) বাণিজ্যমন্ত্রী — তিনি একনেকের সদস্য হতে পারেন তবে এর প্রধান বা সভাপতি নন। ডি) পরিকল্পনামন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রী একনেকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও বিকল্প চেয়ারপারসন, কিন্তু প্রধান নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেশের যেকোনো বড় অর্থনৈতিক বা উন্নয়ন প্রকল্পের মূল চাবিকাঠি থাকে প্রধানকক্ষ বা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। - একনেক মানেই নির্বাহী প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় একনেকের সভা কোথায় অনুষ্ঠিত হয় বা এর প্রধান কে। - একনেকের পূর্ণরূপ বা এর বিকল্প চেয়ারম্যান কে, তা থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a ধান
b গম
c পাট
d টমেটো
0 171 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গম ১. কেন সঠিক: - বলাকা বাংলাদেশের একটি উন্নত জাতের গমের নাম যা কৃষিতে উচ্চফলনশীল হিসেবে পরিচিত। - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা এর অধীন গম গবেষণা কেন্দ্র দেশের আবহাওয়ার উপযোগী বিভিন্ন গমের জাত উদ্ভাবন করেছে। ২. কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি মেটাতে এবং গম উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উচ্চফলনশীল জাতের উদ্ভাবন শুরু হয়। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্র এই ধরনের উন্নত জাত উদ্ভাবনে সরাসরি কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকবর ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের গমের একটি জনপ্রিয় ও উচ্চফলনশীল জাত। উদাহরণ ২: শতাব্দী ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি বিখ্যাত গমের জাত যা কৃষকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান — ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশসল হলেও বলাকা ধানের কোনো প্রচলিত জাত নয়। ধানের বিখ্যাত জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরি, ব্রি ধান ইত্যাদি। B) গম — বলাকা গমের একটি সফল ও উন্নত জাত যা দেশের কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। C) পাট — পাট বাংলাদেশের সোনালী আঁশ হিসেবে পরিচিত এবং এর বিভিন্ন উন্নত জাত রয়েছে যেমন তোষা পাট, তবে বলাকা পাটের জাত নয়। D) টমেটো — টমেটো একটি জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি এবং এর বিভিন্ন জাত থাকলেও বলাকা এর নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাখির নাম বলাকা হলেও এটি বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে একটি সফল গমের জাত। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য পাখির নাম বা অন্য ফসলের সঙ্গে যেন এটি গুলিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের প্রধান ফসলের উন্নত জাতগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - গম বা ধানের বিখ্যাত জাতগুলো থেকে পরীক্ষাতে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।