মোট প্রশ্ন (197)

a গণদেবতা
b পদ্মনদীর মাঝি
c সীতারাম
d পথের পাঁচালী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সীতারাম ১. কেন সঠিক: - সীতারাম একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চেয়ে রাজনৈতিক পটভূমি এবং হিন্দু রাজত্ব প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম প্রাধান্য পেয়েছে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন বাংলার সামাজিক চিত্রের চেয়ে ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। - সীতারাম তাঁর শেষ ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সীতারাম রায়ের জীবন ও পতন দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ ও পারিবারিক জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকান্তের উইল ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্রের সামাজিক উপন্যাসের একটি অসাধারণ উদাহরণ যা গ্রামীণ সমাজের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণদেবতা - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে রাঢ় অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজ জীবন ও মানুষের সংগ্রাম নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। B) পদ্মনদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর ধারের জেলে সম্প্রদায়ের গ্রামীণ ও নদীকেন্দ্রিক জীবন স্পষ্টভাবে চিত্রিত হয়েছে। C) সীতারাম - এটি কোনো গ্রামীণ সমাজ জীবনের উপন্যাস নয় বরং একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত উপন্যাস। D) পথের পাঁচালী - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি এবং নিসর্গনির্ভর মানুষের জীবন অত্যন্ত সুন্দরভাবে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো মনে রাখতে পারো আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী এবং সীতারাম এই তিনটি নাম দিয়ে। বাকিগুলোর মধ্যে গণদেবতা, পদ্মনদীর মাঝি ও পথের পাঁচালী সরাসরি গ্রামীণ সমাজ জীবনের ওপর লেখা কালজয়ী উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপন্যাসগুলোর শ্রেণিবিভাগ যেমন সামাজিক, ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক জানতে চাওয়া হয়। কোনো উপন্যাসে গ্রামীণ জীবন আছে নাকি ইতিহাস আছে, তা আলাদা করতে লেখকের মূল সুর ও পটভূমি লক্ষ্য করতে হবে।
a দিবারাত্রির কাব্য
b হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
c কবিতার কথা
d পথের পাঁচালী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবিতার কথা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটির সঠিক উত্তর সি নম্বর অপশন অর্থাৎ কবিতার কথা, কারণ এটি কোনো উপন্যাস নয় বরং জীবানন্দ দাসের একটি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপন্যাস এবং প্রবন্ধের মধ্যে পার্থক্য যাচাই করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতার কথা গ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ দাস এবং এটি তার একমাত্র প্রধান প্রাবন্ধিক কাজ। - এই গ্রন্থে কবি বাংলা কবিতার নান্দনিক রূপ, কবিতার ইতিহাস এবং কাব্যতত্ত্ব নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসুর হঠযোগ ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ, কোনো উপন্যাস নয়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঞ্চয়িতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা সংকলন, যা উপন্যাস ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবারাত্রির কাব্য — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস। B) হাঁসুলী বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাঢ় অঞ্চলের জীবনভিত্তিক একটি শ্রেষ্ঠ আঞ্চলিক উপন্যাস। C) কবিতার কথা — এটি জীবনানন্দ দাসের একটি অনন্য প্রাবন্ধিক গ্রন্থ, তাই এটি উপন্যাস নয়। D) পথের পাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রামীণ জীবনভিত্তিক একটি অমর উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাস মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তার প্রাবন্ধিক পরিচয় মনে রাখতে কবিতার কথা বইটি ভালোভাবে মাথায় রাখবে। - উপন্যাসের ক্ষেত্রে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বেশি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যকর্মের ধরন চেনার সময় লেখক পরিচিতির পাশাপাশি বইটির শ্রেণিবিভাগ অর্থাৎ কাব্য, উপন্যাস বা প্রবন্ধ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
a গবেষণা গ্রন্থ
b ধর্মবিষয়ক প্রবন্ধ
c ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস
d আত্মজীবনী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - বিষাদ সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত উপন্যাস। - এই উপন্যাসে কারবালার যুদ্ধ ও ইসলামের ইতিহাসের করুণ ঘটনাকে কাল্পনিক কাহিনীর সঙ্গে মিশিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। - তাঁর রচিত বিষাদ সিন্ধু কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে লেখা বাংলা সাহিত্যের একটি অমর সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নাবতী ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: জমিদারি দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গবেষণা গ্রন্থ — এটি কোনো গবেষণা গ্রন্থ নয়, কারণ এটি সৃজনশীল সাহিত্য। B) ধর্মবিষয়ক প্রবন্ধ — এটি কোনো ধর্মীয় প্রবন্ধ বা গবেষণামূলক ইসলামি গ্রন্থ নয়। C) ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস — সঠিক উত্তর, কারণ এটি ইতিহাসের ছায়া অবলম্বনে রচিত। D) আত্মজীবনী — এটি লেখকের নিজের জীবনীমূলক কোনো গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিষাদ সিন্ধু কারবালার ইতিহাস নিয়ে লেখা একটি উপন্যাস, যা মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। - ঐতিহাসিক ঘটনা এবং উপন্যাসের রূপ একসঙ্গে মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের তিনটি খণ্ডের নাম এবং এর চরিত্রগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a ১৭৫৬
b ১৭৫২
c ১৭৬০
d ১৭৬২
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৬০ ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের শেষ কবি ও অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি নদীয়া জেলার পেড়াগা গ্রাম জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্ধমান রাজসভার কবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার সর্বশেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি হিসেবে তিনি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন এবং তাকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা তিন অংশে বিভক্ত। উদাহরণ ২: সত্যপীরের কথা ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের একটি বিখ্যাত ছোট কাব্যরচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৫৬ — এই সালে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মৃত্যুবরণ করেননি বরং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর। B) ১৭৫২ — এই সালে ভারতচন্দ্রের মৃত্যু হয়নি কারণ তিনি আরও কিছুদিন জীবিত ছিলেন। C) ১৭৬০ — এই সালটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যুর সঠিক বছর হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত। D) ১৭৬২ — এই সালটি কবির মৃত্যুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কারণ এর আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতচন্দ্রের মৃত্যুসাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি ১৭৬০ সালে চিরবিদায় নেন। তার জন্ম ও মৃত্যুর সালগুলো সাহিত্যের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের শেষ কবি কে এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় খুব বেশি আসে। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে মনে রাখা জরুরি।
a দৌলত কাজী
b মাগন ঠাকুর
c সাবিরিদ খান
d আলাওল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলাওল ১. কেন সঠিক: - তোহফা কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক ধারার কবি মহাকবি আলাওল রচনা করেন। - পারস্যের সুফি কবি ইউসুফ গদালির ফারসি তোহফা গ্রন্থের পদ্যরূপ বা অনুবাদ হলো এই কাব্যটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি বহু ভাষা জানতেন এবং নানা গ্রন্থ অনুবাদ করেন। - ইসলাম ধর্মের নানা বিধান ও নৈতিক শিক্ষা সংবলিত এই নীতিমূলক কাব্যটি তিনি মীর মোহাম্মদ সুলাইমানের অনুরোধে রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত ও শ্রেষ্ঠ কাব্য যা মালিক মুহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটিও কবি আলাওলের একটি বিখ্যাত অনুবাদ কাব্য যা ফারসি গল্প অবলম্বনে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত কাজী — দৌলত কাজী আরাকান রাজসভার প্রথম যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য সতী ময়না লোরচন্দ্রানী। B) মাগন ঠাকুর — মাগন ঠাকুর ছিলেন আরাকান রাজসভার একজন মন্ত্রী ও গুণগ্রাহী জমিদার এবং তাঁর উৎসাহেই আলাওল পদ্মাবতী রচনা করেন। C) সাবিরিদ খান — সাবিরিদ খান মধ্যযুগের একজন কবি যিনি হানিফা ও মদিনার লড়াই কাব্য রচনা করেন। D) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তোহফা কাব্যটি কবি আলাওলই রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপহার বা তোহফা পেতে সবাই ভালোবাসে আর আলো জ্বালালে ঘরে সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয়, তাই তোহফা গ্রন্থের রচয়িতা আলো থেকে আলাওল মনে রাখবে। - মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ অনুবাদ করেছেন কবি আলাওল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলাওলের জন্মস্থান, তাঁর রচিত গ্রন্থ এবং তাঁর পৃষ্ঠপোষকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের কবিদের নাম এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a কবিগান
b পুঁথি সাহিত্য
c নাথ সাহিত্য
d বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবিগান ১. কেন সঠিক: এন্টনি ফিরিঙ্গি বাংলা সংগীত ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একজন বিখ্যাত কবিওয়াল। তিনি বাংলা ভাষা না জানা সত্ত্বেও চমৎকার বাংলা কবিগান রচনা করতেন এবং প্রতিপক্ষের সঙ্গে কবিগানে লড়তেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবিওয়ালা। পর্তুগীজ বংশোদ্ভূত হলেও তিনি বাংলায় কবিগান চর্চা করে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোবর্ধন দাস ব্যাখ্যা: তিনি বাংলার অপর একজন প্রখ্যাত প্রাচীন কবিওয়ালা ও কবিগান রচয়িতা। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রা ব্যাখ্যা: তিনি উনিশ শতকের বাংলার আরেকজন জনপ্রিয় কবিগান শিল্পী ও মিষ্টি বিক্রেতা ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিগান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এন্টনি ফিরিঙ্গি কবিগানের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন। B) পুঁথি সাহিত্য — এটি মধ্যযুগের বা ঔপনিবেশিক যুগের কাব্যের ধারা, যা ইসলামি সংস্কৃতির প্রভাবে রচিত হতো। C) নাথ সাহিত্য — এটি চর্যাপদ-পরবর্তী সময়ের এক ধরনের ধর্মীয় ও যোগসাধনাভিত্তিক বাংলা সাহিত্যের ধারা। D) বৈষ্ণব পদ সাহিত্য — এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের লীলাভিত্তিক মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি প্রধান ধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: এন্টনি ফিরিঙ্গি নামটির সঙ্গে কবিগান শব্দটি মনে রাখুন এভাবে যে তিনি বিদেশি বংশোদ্ভূত হয়েও খাঁটি বাংলা কবিগান গেয়ে অমর হয়ে আছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিগান ও প্রাচীন কবিওয়ালাদের নাম প্রায়ই আসে। যেমন গোবর্ধন দাস, ভোলা ময়রা ও রামবসু হলেন এন্টনি ফিরিঙ্গির সমসাময়িক বিখ্যাত কবিওয়ালা।
a উইলিয়াম কেরি
b গোলকনাথ শর্মা
c রামরাম বসু
d হরপ্রসাদ রায়
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামরাম বসু কেন সঠিক: ১. রামরাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং তিনি রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। ২. বাংলা গদ্য সাহিত্যের শুরুর যুগে এই ঐতিহাসিক জীবনী গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা গদ্যের উষালগ্নে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতগণ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য উন্নয়নে নানা গ্রন্থ রচনা করেন। ২. রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থটি সেই আদিযুগের বাংলা গদ্য রচনার একটি অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। ৩. যেমন, রামরাম বসুর এই গ্রন্থটিতে তৎকালীন বাংলার এক স্থানীয় শাসকের জীবনের ঐতিহাসিক বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন কিন্তু এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) গোলকনাথ শর্মা — তিনি হিতোপদেশ গ্রন্থের অনুবাদক হিসেবে পরিচিত হলেও এই বইটির লেখক নন। C) রামরাম বসু — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) হরপ্রসাদ রায় — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সাথে যুক্ত কোনো লেখক নন এবং এই গ্রন্থটি লেখেননি। মনে রাখার টিপস: রাম ও প্রতাপ নামের দুই বন্ধুর চরিত্র মনে রাখলে রামরাম বসুর লেখা রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থটির নাম সহজে মনে রাখা যায়।
a বঙ্গদূত
b জ্ঞানান্বেষণ
c জ্ঞানাঙ্কুর
d সংবাদ প্রভাকর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্ঞানান্বেষণ ১. কেন সঠিক: - ‘জ্ঞানান্বেষণ’ পত্রিকাটির মাধ্যমে ‘ইয়ং বেঙ্গল’ বা ডিরোজিওপন্থী যুবকেরা তাদের সমাজসংস্কারমূলক চিন্তাধারা ও আধুনিক জ্ঞান প্রচার করতেন। - উনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে এই পত্রিকাটির মাধ্যমেই তৎকালীন তরুণ সমাজ নানা সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর অনুসারী ‘ইয়ং বেঙ্গল’ বা নবমবঙ্গ গোষ্ঠীর বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রধান মাধ্যম ছিল এই পত্রিকা। - ঊনবিংশ শতকের বাংলার রেঁনেসা এবং সমাজ সংস্কার আন্দোলনে এই গোষ্ঠীর মুখপত্র হিসেবে ‘জ্ঞানান্বেষণ’ পত্রিকাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের শুরুতে প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র, যা বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। উদাহরণ ২: তত্ত্বরবোধিনী পত্রিকা ব্যাখ্যা: অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকা ব্রাহ্মসমাজ ও বাংলা গদ্যের প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গদূত — এটি রামমোহন রায় ও দ্বারকানাথ ঠাকুরের প্রচেষ্টায় প্রকাশিত বহুমুখী পত্রিকা, যা ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্র ছিল না। B) জ্ঞানান্বেষণ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। C) জ্ঞানাঙ্কুর — এটি রাজশাহী থেকে প্রকাশিত একটি সাহিত্য পত্রিকা, যা ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) সংবাদ প্রভাকর — ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকা মূলত রক্ষণশীল চিন্তাধারার ধারক ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইয়ং বেঙ্গল মানেই জ্ঞানের অন্বেষণ করা, তাই তাদের পত্রিকার নামও জ্ঞানান্বেষণ। - ডিরোজিওর অনুসারীরা সমাজে জ্ঞান ও যুক্তি ছড়িয়ে দিতে এই পত্রিকা ব্যবহার করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ও মুখপত্র সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পত্রিকার নাম এবং তার সঙ্গে জড়িত গোষ্ঠী বা ব্যক্তির নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a অবকাশ রঞ্জিকা
b বিবিধার্য সংগ্রহ
c কাব্য প্রকাশ
d গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রামবার্তা প্রকাশিকা ১. কেন সঠিক: কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। এই পত্রিকাটি গ্রামীণ জনসাধারণের ওপর নীলকর ও জমিদারদের নির্যাতনের কথা সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ১৯ শতকের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, বাউল গান রচয়িতা ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন। মীর মশাররফ হোসেন তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের শুরুতে এই গ্রামবার্তা প্রকাশিকাতেই লেখালেখি করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের বসতি ব্যাখ্যা: তিনি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার কয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং জীবদ্দশায় কাঙাল কুটির স্থাপন করেন। উদাহরণ ২: গ্রামবার্তা প্রকাশিকার প্রেস ব্যাখ্যা: হরিনাথ মজুমদার প্রথমে অন্য প্রেস থেকে পত্রিকা প্রকাশ করলেও পরে এম এন প্রেস নামে নিজস্ব একটি মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবকাশ রঞ্জিকা - এটি কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদিত পত্রিকা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) বিবিধার্য সংগ্রহ - এটি অন্য কোনো লেখকের সম্পাদিত বা সংকলিত গ্রন্থ বা সাময়িকী, হরিনাথ মজুমদারের নয়। C) কাব্য প্রকাশ - এটি কোনো সংবাদপত্রের নাম নয়, বরং সাহিত্য বা কাব্য বিষয়ক প্রাচীন তত্ত্বগ্রন্থ বোঝায়। D) গ্রামবার্তা প্রকাশিকা - এটি হরিনাথ মজুমদার সম্পাদিত ঐতিহাসিক পত্রিকা যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। ৫ মনে রাখার টিপস: কাঙাল হরিনাথ মানেই গ্রামবার্তা প্রকাশিকা এবং কুষ্টিয়ার কুমারখালি অঞ্চলের গ্রামীণ সাংবাদিকতার ইতিহাস। পরীক্ষায় হরিনাথ মজুমদার প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে গ্রামবার্তা প্রকাশিকা উত্তর নির্বাচন করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের সংবাদসাময়িকী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পত্রিকাটির প্রকাশকাল ১৮৬৩ সাল এবং এর সঙ্গে মীর মশাররফ হোসেনের সম্পৃক্ততা ভালো করে মনে রাখবে।
a চার ইয়ারী কথা
b পালামৌ
c দৃষ্টিপাত
d দেশে বিদেশে
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার ইয়ারী কথা ১. কেন সঠিক: - চার ইয়ারী কথা ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়, এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। - ভ্রমণসাহিত্য বলতে এমন সাহিত্যকর্মকে বোঝায় যেখানে লেখকের দেশ বা বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, দর্শন এবং স্থানবিশেষের বিবরণ ফুটে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গ্রন্থটির রচমাতা প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত এবং তিনি চলিত রীতির প্রবক্তা। - এই গ্রন্থে চারটি ভিন্ন চরিত্রের গল্প স্থান পেয়েছে যা ভ্রমণবৃত্তান্তের পরিবর্তে মূলত মননশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক কথাসাহিত্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ 'তেল নুন লাঠী'। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত মননশীল প্রবন্ধ সংকলন যা বাংলা সাহিত্যে চিন্তার খোরাক জোগায়। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর ছোটগল্প সংকলন 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এটিও তার একটি প্রখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা গল্প বা প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত, ভ্রমণকাহিনি নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার ইয়ারী কথা — এটি ভ্রমণসাহিত্য নয়, বরং প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। B) পালামৌ — এটি সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় বা সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণসাহিত্যমূলক রচনা। C) দৃষ্টিপাত — এটি যোগেন্দ্রনাথ গুপ্তের বা প্রখ্যাত লেখক অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তর ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ। D) দেশে বিদেশে — এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ধ্রুপদী ভ্রমণকাহিনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে চার ইয়ার মিলে গল্প বলে, ভ্রমণ করতে যায় না। - সৈয়দ মুজতবা আলী ও সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম দেখলে সাধারণত ভ্রমণসাহিত্যের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণসাহিত্যের প্রশ্ন বারবার আসে, তাই সৈয়দ মুজতবা আলীর দেশে বিদেশে এবং সঞ্জীবচন্দ্রের পালামৌ ভালোভাবে পড়বে। - লেখকের অন্যান্য গ্রন্থ ছোটগল্প নাকি ভ্রমণকাহিনি, তা আলাদা করতে লেখকের নাম ও তার মূল ধারাটি খেয়াল রাখবে।
a ৭টি
b ৯টি
c ১০টি
d ৮টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বর্ণগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে একটি হলো অর্ধমাত্রার বর্ণ। যেসব বর্ণ লেখার সময় উপরে সম্পূর্ণ মাত্রা না থেকে সামান্য বা অর্ধেক অংশ জুড়ে রেখা থাকে, সেগুলোকে অর্ধমাত্রার বর্ণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বাংলা বর্ণমালাকে পূর্ণমাত্রার বর্ণ, অর্ধমাত্রার বর্ণ এবং মাত্রাহীন বর্ণ এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঋ ব্যাখ্যা: এটি একমাত্র স্বরবর্ণ যা অর্ধমাত্রার অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ঘ ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনবর্ণগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম অর্ধমাত্রার বর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৭টি নয়, বরং ৮টি রয়েছে। B) ৯টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৯টি পাওয়া যায় না। C) ১০টি — এই সংখ্যাটি মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে, অর্ধমাত্রার বর্ণের সংখ্যা নয়। D) ৮টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় নির্দিষ্টভাবে ৮টি অর্ধমাত্রার বর্ণ রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: অর্ধমাত্রার বর্ণ মোট ৮টি মনে রাখার জন্য স্বরবর্ণের ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণের ৭টি (খ, ছ, জ, ণ, থ, ধ, শ) খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। স্বরবর্ণে মাত্র ১টি অর্ধমাত্রার বর্ণ থাকে এবং বাকি ৭টি ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালার মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায় সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি ভালোভাবে মনে রাখলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a বিহারী-বিনোদিনী
b নিখিলেস-বিমলা
c মধুসূদন-কুমুদিনী
d আমিত-লাবণ্য
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিখিলেস-বিমলা ১. কেন সঠিক: - নিখিলেস ও বিমলা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। - নিখিলেস হলো উদার ও আধুনিক মনের এক জমিদার এবং বিমলা তার স্ত্রী, যাদের দাম্পত্য জীবনে স্বত্ব ও স্বাধীনতার দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'ঘরে বাইরে' একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের পটভূমি হলো বঙ্গভঙ্গ ও স্বাদেসি আন্দোলন, যেখানে নিখিলেস, বিমলা ও সন্দীপের ত্রিকোণ প্রেমের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সংকটের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরা উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস এবং এর প্রধান চরিত্র হলো গোরা ও বিনয়। উদাহরণ ২: যোগাযোগ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র পুণ্যবালা ও মধুসূদন। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহারী-বিনোদিনী — এই চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চোখের বালি' উপন্যাসের অন্তর্গত। B) নিখিলেস-বিমলা — এটি সঠিক উত্তর। C) মধুসূদন-কুমুদিনী — এই চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাসের অন্তর্গত। D) আমিত-লাবণ্য — এই চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের অন্তর্গত। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস ও চরিত্র মনে রাখার জন্য চরিত্রের নাম ও উপন্যাসের নাম জোড়া হিসেবে মুখস্থ করতে পারো। - যেমন ঘরে বাইরে উপন্যাসে নিখিলেস ও বিমলার সাথে সন্দীপ চরিত্রটিও মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a রিক্তের বেদন
b সর্বহারা
c আলেয়া
d কুহেলিকা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: - কুহেলিকা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলনের চিত্র এবং তরুণ সমাজের বিপ্লবের স্পৃহা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লেখক হলেও তিনি মূলত কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। - তিনি মোট তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন, যার মধ্যে কুহেলিকা অন্যতম এবং এটি একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাসধর্মী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিক্তের বেদন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। B) সর্বহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিপ্লবী কবিতার বই বা কাব্যগ্রন্থ। C) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি সফল ও জনপ্রিয় সংগীতনাট্য বা নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধন ভাঙতে কুহেলিকার মৃত্যুক্ষুধা পেয়েছে। - এখানে বাঁধন হারা, কুহেলিকা এবং মৃত্যুক্ষুধা হলো কবির তিনটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস সংখ্যা মাত্র তিনটি, যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - তার উপন্যাসগুলোর নাম এবং তাদের ধরন খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ব্রজাঙ্গনা
b বিলাতের পত্র
c বীরাঙ্গনা
d হিমালয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরাঙ্গনা ১. কেন সঠিক: - বীরাঙ্গনা কাব্য হলো মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একমাত্র পত্রকাব্য বা পত্রাত্মক কাব্য। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, যেখানে পৌরাণিক নারীরা তাদের প্রেম ও অভিমান সরাসরি পত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, নাট্যকার ও প্রবক্তা। - ১৮৬২ সালে প্রকাশিত বীরাঙ্গনা কাব্যে মোট একচল্লিশটি পত্র বা কবিতা রয়েছে, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোমভ্মা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রজাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পটভূমিতে রচিত একটি গীতকাব্য, কোনো পত্রকাব্য নয়। B) বিলাতের পত্র — এটি এই নামের কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক রচনা নয়, এটি বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি অপশন। D) হিমালয় — এটি কোনো পত্রকাব্য নয় এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রধান সাহিত্যকর্মের তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদনের পত্রকাব্য মনে রাখতে বীরাঙ্গনা শব্দের প্রথম অক্ষর ব এবং পত্রকাব্যের প মনে রাখা যায়। - বীরাঙ্গনা মানেই পত্রের মাধ্যমে মনের কথা জানানো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বীরাঙ্গনা কাব্যটি ওভিডের হিরোইডেস কাব্যের অনুসরণে রচিত হয়েছিল। - বাংলা সাহিত্যে পত্রকাব্যের সূচনা করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
a সোনার তরী
b চিত্রা
c মানসী
d বলাকা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোনার তরী ১. কেন সঠিক: - এই চরণে মানবজীবনের নিঃসঙ্গতা, ক্ষুদ্রতা এবং মানুষের অর্জিত কর্মের নশ্বরতা রূপক অর্থে প্রকাশ করা হয়েছে। - কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের অভিজ্ঞতা ও দার্শনিক ভাবনা এই কবিতায় নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বিখ্যাত 'সোনার তরী' কবিতার প্রথম পঙক্তি। - ১৮৯৩ সালে রচিত এই কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমনামের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগনে গগনে তবে চলে ভেসে একা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায় নিঃসঙ্গতা ও একাকীত্ব প্রকাশের আরেকটি সুন্দর দৃষ্টান্ত। উদাহরণ ২: নদী পার হয় খেয়া নৌকা একা একা ব্যাখ্যা: জীবন নদীর পারাপারে মানুষের একাকী যাত্রার ভাবার্থ বোঝাতে এই পঙক্তি প্রাসঙ্গিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নোক্ত চরণের উৎস হিসেবে গ্রহণযোগ্য। B) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি কাব্যগ্রন্থ, যার মধ্যে 'সোনার তরী' কবিতার এই চরণটি নেই। C) মানসী — এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক ধারার রচনার জন্য বিখ্যাত, তবে এই চরণটি এখানে নেই। D) বলাকা — এটি রবীন্দ্রসাহিত্যের গতি ও পরিবর্তনের প্রতীকী কাব্য, যা অনেক পরে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোট ক্ষেত এবং সোনা কাটার নদীমাত্রিক দৃশ্য মনে রাখলেই 'সোনার তরী' কবিতাটি চেনা সহজ হয়। - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত রূপকধর্মী কবিতাগুলোর প্রথম লাইনগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রকাব্যের বিখ্যাত পঙক্তি ও তার উৎস প্রায়ই আসে। - কাব্যগ্রন্থের নাম এবং রচনার সাল মনে রাখা সাহিত্য অংশের প্রস্তুতির জন্য খুবই জরুরি।
a শামসুর রাহমান
b আল মাহমুদ
c আবুল ফজল
d আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১. কেন সঠিক: 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' আধুনিক বাংলা কবিতার একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী কবিতা যার রচহিতা হলেন বিশিষ্ট কবি ও রাজনীতিবিদ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। এই কবিতায় বাংলার মাটি, মানুষ, নদী, প্রকৃতি এবং বাঙালি জাতির হাজার বছরের সংগ্রাম ও ঐতিহ্যকে অত্যন্ত কাব্যিক ও শক্তিশালী ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি যিনি তার স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দ্রোহের কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এই কবিতাটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এবং মুক্তিসংগ্রামের পটভূমিতে গ্রামীণ লোকজ উপাদান ও ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে এক অনন্য শিল্পরূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কোন এক কালে ফুলেরা ছিল মানুষের মতো' ব্যাখ্যা: এটি এই কবিতার একটি বিখ্যাত চারণ যা রূপক অর্থে মানুষের সরলতা ও প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কথা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি / আমি আমাদের ইতিহাস বলছি' ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিগুলোর মাধ্যমে কবি সমগ্র বাঙালি জাতির ঐতিহ্য এবং সংগ্রামের ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' কবিতাটি তার লেখা নয়। B) আল মাহমুদ — তিনি লোকজ চেতনা ও গ্রামীণ জনপদের কবি হলেও আলোচ্য কবিতাটির রচয়িতা তিনি নন। C) আবুল ফজল — ইনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও তিনি মূলত প্রবন্ধ ও উপন্যাসের জন্য পরিচিত, কবিতার জন্য নয়। D) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: কিংবদন্তী বা লোকজ ঐতিহ্যের কথা বললে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কথা মাথায় রাখবে। কিংবদন্তী শব্দের প্রথম অক্ষর এবং আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর নামের মিল মনে রেখে এটি সহজে মুখস্থ করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতা এবং তার কবির নাম প্রায়ই আসে। আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা হলো 'কোন এক সময়ে' যা পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a চৌরসন্ধি
b ক্রীতদাসের হাসি
c ভেজাল
d বনি আদম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভেজাল ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের বিভাগভুক্ত। ভেজাল শিরোনামের কোনো গ্রন্থ প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান বাংলা কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি সমাজ বাস্তববাদ ও রূপকধর্মী উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। তার জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় এবং তিনি আমৃত্যু প্রগতিশীল চিন্তা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রীতদাসের হাসি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী উপন্যাস যেখানে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বনি আদম ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা তার কথাসাহিত্যের মুন্সিয়ানা ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৌরসন্ধি — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি গ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শওকত ওসমানের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত একটি উপন্যাস। C) ভেজাল — এটি শওকত ওসমানের রচনা নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) বনি আদম — এটিও শওকত ওসমানের একটি পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার কৌশল হলো ক্রীতদাসের হাসি, বনি আদম এবং চৌরসন্ধি নামগুলো এক সাথে চর্চা করা। পরীক্ষায় অচেনা কোনো নাম দেখলে লেখকের রচনার তালিকা মিলিয়ে উত্তর করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাস ও গল্পের নাম আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a কূসংস্কার
b কুসংকার
c কুসংস্কার
d কূশংষ্কার
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুসংস্কার ১. কেন সঠিক: - কুসংস্কার শব্দটিতে কোনো দীর্ঘ স্বরবর্ণ বা অনুস্বার ব্যবহার হয় না। - এটি মূলত কু এবং সংস্কার শব্দের মিলনে গঠিত একটি সাধিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের অনুসরণে কু উপসর্গযুক্ত শব্দে হ্রস্ব উ-কার বসে। - সংস্কার শব্দের ক্ষেত্রে সম উপসর্গের সঙ্গে কার ধাতু এবং অর্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই রূপটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুঅভ্যাস ব্যাখ্যা: কু উপসর্গের প্রভাবে অভ্যাসের আগে হ্রস্ব উ-কার বসেছে। উদাহরণ ২: কুদৃষ্টি ব্যাখ্যা: কু উপসর্গের সঙ্গে দৃষ্টি শব্দ যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কূসংস্কার — এখানে কু এর পরিবর্তে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। B) কুসংকার — এখানে বানানে র বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) কূশংষ্কার — এখানে দীর্ঘ ঊ-কার এবং অতিরিক্ত মীয় অনুস্বার যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: - কু উপসর্গের সঙ্গে কোনো শব্দ যুক্ত করার সময় সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করবে। - সংস্কার বানানে কখনোই মীয় অনুস্বার বা অতিরিক্ত বর্ণ ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের বানান প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে এ ধরনের বানান চর্চা করতে হবে।
a ব + ন্ + ধ + ন্
b বন্ + ধন্
c ব + ন্ধ + ন
d বান্ + ধন্
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বন্ + ধন্ ১. কেন সঠিক: - ‘বন্ধন’ শব্দটি উচ্চারণ অনুযায়ী দুটি সিলেবল বা অক্ষরলয়ে বিভক্ত হয়, যা হলো ‘বন্’ এবং ‘ধন্’। - যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ করার সময় উচ্চারণের স্বাভাবিক প্রবাহ বা দল (Syllable) বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের আলোচনা এটি। দল বা অক্ষর হলো ফুসফুসের এক ধাক্কায় উচ্চারিত শব্দের অংশ। - ‘বন্ধন’ শব্দটিতে ‘ন্ধ’ যুক্তবর্ণটি ন এবং ধ এর মিলনে গঠিত, যা প্রথম দলের সাথে এবং শেষ বর্ণটি দ্বিতীয় দলের সাথে যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দন = চন্ + দন্ ব্যাখ্যা: এটি একই নিয়মে উচ্চারিত দল বিন্যাসের আরেকটি শব্দ। উদাহরণ ২: অন্ধ = অন্ + ধো ব্যাখ্যা: এখানেও প্রথম অংশে নাসিক্য ধ্বনিসহ যুক্তবর্ণ দল গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব + ন্ + ধ + ন্ — এটি সঠিক বর্ণ বিশ্লেষণ হলেও অক্ষর বিন্যাস বা দল বিন্যাস নয়। C) ব + ন্ধ + ন — এটি ধ্বনিগত উচ্চারণের দল বিন্যাসের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। D) বান্ + ধন্ — এখানে ‘বান্’ অংশে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি ‘আ’ যুক্ত হয়েছে যা মূল শব্দে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অক্ষর বিন্যাসের প্রশ্ন থাকলে শব্দটি উচ্চস্বরে উচ্চারণ করে খেয়াল করবে থামার স্থান কোথায়। - যুক্তবর্ণের আগের স্বরধ্বনিটি প্রথম দলের সাথে যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণ বিশ্লেষণ এবং অক্ষর বিন্যাস বা দল বিন্যাসের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই confus করে। - তাই উচ্চারণ বা দল বের করার সময় শব্দের স্বাভাবিক প্রবাহ মনে রাখতে হবে।
a শ্রীচৈতন্যদেব
b শ্রীকৃষ্ণ
c আদিনাথ
d মনোহর দাশ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রীচৈতন্যদেব ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বৈষ্ণব পদাবলি ও ভক্তিবাদ প্রচারে শ্রীচৈতন্যদেবের অবদান সবচেয়ে বেশি এবং এর প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। তাঁর প্রভাবে বাংলা সাহিত্যে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও ভক্তিভাবকে কেন্দ্র করে এক বিশাল সাহিত্যধারার সৃষ্টি হয়েছিল যা মধ্যযুগের সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীচৈতন্যদেব ১৪৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। তাঁর প্রভাবে বাংলা ভাষায় বহু পদাবলি সাহিত্য রচিত হয় এবং চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাসসহ অনেক কবি বৈষ্ণব পদ রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন যা বৈষ্ণব সাহিত্যের আদি রূপ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: চৈতন্যচরিতামৃত ব্যাখ্যা: কৃষ্ণদাস কবিরাজ কর্তৃক রচিত এই গ্রন্থটি শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও দর্শন জানার প্রধান উৎস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীচৈতন্যদেব — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মধ্যযুগের সাহিত্যে ভক্তি আন্দোলনের প্রধান পুরুষ ছিলেন। B) শ্রীকৃষ্ণ — শ্রীকৃষ্ণ হলেন সাহিত্যের একটি কেন্দ্রীয় চরিত্র বা আরাধ্য দেবতা, কোনো ধর্মপ্রচারক নন। C) আদিনাথ — আদিনাথ বৌদ্ধ বা নাথ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত, মধ্যযুগের মূল বাংলা সাহিত্যের প্রধান ধর্মপ্রচারক নন। D) মনোহর দাশ — তিনি মধ্যযুগের একজন সাধারণ বৈষ্ণব পদকর্তা বা লেখক ছিলেন, সমগ্র সাহিত্যের ওপর তাঁর প্রভাব অপরিসীম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগে ভক্তি আন্দোলন ও বৈষ্ণব সাহিত্যের কথা মনে এলে সবার আগে শ্রীচৈতন্যদেবের নাম স্মরণ করতে হবে। পরীক্ষায় মধ্যযুগের প্রধান সাহিত্যিক প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে শ্রীচৈতন্যদেব উত্তর হিসেবে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীচৈতন্যদেব বৈষ্ণব ধর্মের প্রবক্তা এবং তাঁর জীবনকে কেন্দ্র করে জীবনী সাহিত্য রচিত হয়েছে। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা বৈষ্ণব সাহিত্য এবং মঙ্গল কাব্য ধারা।
a কবর
b চিঠি
c রক্তাক্ত প্রান্তর
d মুখরা রমণী বশীকরণ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুখরা রমণী বশীকরণ ১. কেন সঠিক: মুনীর চৌধুরী শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত কমেডি নাটক দ্য টেমিং অব দ্য শ্রিউ বাংলায় অনুবাদ করেন মুখরা রমণী বশীকরণ নামে। ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমী কর্তৃক এই অনুবাদ নাটকটি প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বসাহিত্যের সেরা কাজগুলোর সঙ্গে পরিচয় ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সমালোচক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী যিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। তার মৌলিক ও অনূদিত নাটক বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক কবর ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত তার একটি ঐতিহাসিক ও সাড়া জাগানো একাঙ্ক নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক রূপান্তর ব্যাখ্যা: এটি আন্তন চেখভের বিখ্যাত নাটক দ্য বিয়ার অবলম্বনে অনূদিত একটি হাস্যরসাত্মক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবর — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় বরং তার নিজের লেখা মৌলিক ও বিখ্যাত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একাঙ্ক নাটক। B) চিঠি — এটি মুনীর চৌধুরীর কোনো নাটক বা অনূদিত গ্রন্থ নয় বরং এটি অন্য লেখকের রচিত সাহিত্যকর্ম। C) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর একটি মৌলিক ঐতিহাসিক নাটক যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। D) মুখরা রমণী বশীকরণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং এটি শেক্সপিয়ারের নাটকের অনুবাদ। ৫ মনে রাখার টিপস: মুনীর চৌধুরী বিদেশি নাটক অনুবাদ করেছেন মুখরা রমণী ও রূপান্তর নামে আর মৌলিক নাটক লিখেছেন কবর ও রক্তাক্ত প্রান্তর। অনূদিত নাটক মনে রাখতে মনে রাখবে শেক্সপিয়ার ও চেখভের রচনা তিনি বাংলায় রূপান্তর করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুনীর চৌধুরীর মৌলিক ও অনূদিত নাটক আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শেক্সপিয়ারের নাটকের বাংলা অনুবাদগুলো কোন সাহিত্যিক করেছেন তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a জ্ + ঞ
b ঞ + গ
c ঞ + জ
d গ + ঞ
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জ্ + ঞ ১. কেন সঠিক: বিজ্ঞান শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা জ এবং ঞ এই দুটি বর্ণ পাই যা যুক্ত হয়ে জ্ণ তৈরি করে। যুক্তবর্ণটি ভাঙলে প্রথম বর্ণটি হসন্তযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ এবং দ্বিতীয় বর্ণটি পূর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ হিসেবে প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা দুটি ভিন্ন বর্ণ মিলে গঠিত হয় এবং উচ্চারণ ও লেখার সময় বিশেষ রূপ ধারণ করে। জ এবং ঞ যুক্ত হয়ে সাধারণত জজ্ঞ বা জ্ণ উচ্চারণ নির্দেশ করে যা বিজ্ঞানের মতো শব্দে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রজ্ঞা ব্যাখ্যা: প্রজ্ঞা শব্দটিতে প + র-ফলা এবং জ্ + ঞ যুক্তবর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে যা একই নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: অজ্ঞান ব্যাখ্যা: অজ্ঞান শব্দটিতে অ এবং জ্ঞ যুক্ত হয়ে একই ধরনের ধ্বনি ও যুক্তবর্ণের গঠন তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ + ঞ — এটি সঠিক কারণ বিজ্ঞান শব্দের যুক্তবর্ণটি এই দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। B) ঞ + গ — এটি ভুল কারণ বিজ্ঞান শব্দে ঞ প্রথমে এবং গ পরে থাকে না। C) ঞ + জ — এটি ভুল কারণ বর্ণ দুটির অবস্থান উল্টো দেওয়া রয়েছে যা বিজ্ঞান শব্দের গঠন নয়। D) গ + ঞ — এটি ভুল কারণ বিজ্ঞান শব্দে গ এবং ঞ এর যুক্তরূপ ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজ্ঞান শব্দটির শুরুতে ব এবং ই কারের পর যে যুক্তবর্ণটি আসে তা জ এবং ঞ এর মিলিত রূপ। যুক্তবর্ণ ভাঙার সময় প্রথম বর্ণটিতে হসন্ত দিয়ে দ্বিতীয় বর্ণটি আলাদা করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ ভেঙে দেখানোর প্রশ্ন আসে তাই মূল বর্ণগুলো ভালোভাবে চেনা জরুরি। জ্ঞ বা জ্ণ জাতীয় যুক্তবর্ণগুলো প্রায় সময় জ এবং ঞ এর যোগফল হিসেবে গঠিত হয়।
a সভাসদ
b শুভেচ্ছা
c ফলবান
d তন্বী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুভেচ্ছা ১. কেন সঠিক: - শুভেচ্ছা শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি, এটি সন্ধিযোগে গঠিত একটি শব্দ। - শুভ এবং ইচ্ছা মিলে শুভেচ্ছা শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা গুণসন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, আর প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ তৈরির প্রক্রিয়া। - শুভেচ্ছা শব্দটি ভাঙলে পাই শুভ যোগ ইচ্ছা, যেখানে অ এবং ই মিলে এ কার হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যোদয় ব্যাখ্যা: সূর্য এবং উদয় মিলে সূর্যোদয় হয়, যা গুণসন্ধির আরেকটি উদাহরণ এবং প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়। উদাহরণ ২: যথোচিত ব্যাখ্যা: যথা এবং উচিত মিলে যথোচিত হয়, এটিও সন্ধিযোগে সাধিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভাসদ — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ হলেও এর মধ্যে প্রত্যয়যুক্ত পদ রয়েছে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। B) শুভেচ্ছা — এটি সন্ধিসাধিত শব্দ, কোনো প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়নি বলে এটিই সঠিক উত্তর। C) ফলবান — ফল শব্দের সাথে বান প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ফলবান শব্দটি গঠিত হয়েছে। D) তন্বী — তনু শব্দের সাথে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তন্বী শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধিযুক্ত শব্দগুলো সাধারণত দুটি ভিন্ন শব্দের মিলনে তৈরি হয়, আর প্রত্যয়যুক্ত শব্দে মূল শব্দের সাথে অতিরিক্ত অংশ যুক্ত থাকে। - শুভেচ্ছা শব্দটি দেখলে বুঝতে হবে এটি শুভ যোগ ইচ্ছা অর্থাৎ সন্ধির নিয়ম মেনে এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধি ও প্রত্যয় গুলিয়ে ফেলার জন্য এমন প্রশ্ন দেওয়া হয়। - কোনো শব্দ দেখলে প্রথমে সেটি সন্ধিবিচ্ছেদ করা যায় কি না তা যাচাই করা উচিত।
a জনশ্রুতি
b অনমনীয়
c খাসমহল
d তপোবন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনশ্রুতি ১. কেন সঠিক: জনশ্রুতি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো জন যে শ্রুতি বা লোকের মুখে মুখে যা প্রচলিত। এখানে সমস্তপদটির অর্থ জন বা লোক সাধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি নতুন অর্থ অর্থাৎ কিংবদন্তি বা প্রচলিত কথা প্রকাশ করেছে। যে সমাসে সমসমান পদের অর্থের সরাসরি বা literal অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশিত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য থাকে না, বরং সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ পায় এবং ব্যাসবাক্যে যার, যাতে, যদ্বারা ইত্যাদি পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলা হয়। জনশ্রুতি শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের একটি বিশেষ রূপের অন্তর্গত, যেখানে সাধারণ পদের সমষ্টি একটি বিশেষ প্রবাদ বা জনবহুল প্রচলিত কথাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানি যার = বিনাপাণি ব্যাখ্যা: এখানে বিনা এবং পানি আলাদা অর্থ প্রকাশ না করে দেবী সরস্বতীকে বোঝায়, যা বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: আয়ত লোচন যার = আয়তলোচনা ব্যাখ্যা: এখানে স্ত্রীবাচক অর্থে বিশেষ গুণসম্পন্ন নারী বোঝাতে বহুব্রীহি সমাস ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনশ্রুতি — এটি বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) অনমনীয় — এটি নঞ তৎপুরুষ সমাস কারণ নয় নমনীয় অর্থে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। C) খাসমহল — এটি প্রাদি সমাসের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিশেষ উপসর্গযোগে শব্দ গঠিত হয়েছে। D) তপোবন — এটি ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য তপস্যার বন। ৫ মনে রাখার টিপস: যে সমস্ত পদে ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে শব্দ থাকে এবং সমস্তপদটি সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, চোখ বন্ধ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস ও তৎপুরুষ সমাসের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। তাই ব্যাসবাক্য করার সময় যার বা যাতে থাকলে বহুব্রীহি এবং বিভক্তিযুক্ত পদ থাকলে তৎপুরুষ সমাস ধরতে হবে।
a জাত
b গৈরিক
c উদ্ধত
d গাম্ভীর্য
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গাম্ভীর্য ১. কেন সঠিক: - গাম্ভীর্য শব্দটিতে ভাববাচক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে যা গম্ভীর গুণের নাম প্রকাশ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যে পদ দ্বারা কোনো কিছুর নাম, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলা হয়। - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক এবং গুণবাচক বিশেষ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: এটি সুন্দর গুণের নাম যা একটি ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য পদ। উদাহরণ ২: শৈশব ব্যাখ্যা: এটি শিশু অবস্থার নাম যা একটি ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাত — এটি একটি বিশেষ্য পদ হতে পারে যখন বিশেষ কোনো জাতি বোঝায়, তবে এখানে গৈরিক, উদ্ধত এবং গাম্ভীর্যের বিপরীতে এটি সঠিক অপশনের চাহিদা পূরণ করে না। B) গৈরিক — এটি একটি বিশেষণ পদ কারণ এটি গেরুয়া রঙ বা বর্ণকে নির্দেশ করে যা কোনো বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করে। C) উদ্ধত — এটি একটি বিশেষণ পদ কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা আচরণের অহংকার বা ঔদ্ধত্য ভাবকে প্রকাশ করে। D) গাম্ভীর্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গম্ভীর গুণের নাম বুঝিয়ে বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে য বা ত্য যুক্ত থাকলে তা সাধারণত ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য হয়। - বিশেষ্য পদ চেনার জন্য শব্দের শেষে কার বা কেমন প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদ রূপান্তরের নিয়ম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় যোগ করে বিশেষণ পদকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার অনুশীলন করতে হবে।
a কল্যাণ
b প্রবণ
c নিক্বণ
d বিপণি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রবণ ১. কেন সঠিক: ণত্ব বিধি অনুসারে তৎসম শব্দে ঋ, র বা ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। প্রবণ শব্দটিতে র-এর পরে ণ যুক্ত হয়ে ণত্ব বিধানের নিয়মটি সফলভাবে পূর্ণ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে ন-এর পরিবর্তে ণ লেখার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা ণত্ব বিধি রয়েছে। ঋ, র, ষ-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ বসে এবং এর মাঝখানে স্বরবর্ণ, ক-বর্গীয়, প-বর্গীয় বর্ণ, য, হ বা অনুস্বার থাকলেও এই নিয়ম বলবৎ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণাম ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের র-এর পরে ণ যুক্ত হয়ে প্রণাম শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কারণ ব্যাখ্যা: কা-র শব্দের র-এর পরে ণ যুক্ত হয়ে ণত্ব বিধির নিয়ম মেনেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল্যাণ — কল্যাণ শব্দটিতে ল-ফলা থাকার কারণে এবং সাধারণ নিয়মে এখানে দন্ত ন ব্যবহৃত হয়েছে। এটি ণত্ব বিধির নিয়মে পড়ে না। B) প্রবণ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যাখ্যা ওপরে দেওয়া হয়েছে। C) নিক্বণ — নিক্বণ শব্দটিতে ক-এর নিচে ব-ফলা ও ন আছে, যা এই নিয়মের অধীন নয়। D) বিপণি — বিপণি শব্দটিতে ই-কার ও প-এর প্রভাবে ন এসেছে, যা ণত্ব বিধির সরাসরি উদাহরণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ঋ, র, ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ বসে এই সহজ সূত্রটি মনে রাখবে। র-কার বা ঋ-কার দেখলেই সাধারণত ণত্ব বিধির কথা মাথায় আনবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দে ণত্ব বিধানের ব্যবহার থেকে প্রশ্ন আসে। তাই ঋ, র এবং ষ-এর পরবর্তী বর্ণগুলো ভালোভাবে লক্ষ করবে।
a মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে
b মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ না করে পারে না
c মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
d মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটির মূল অর্থ বজায় রেখে একে নেতিবাচক বা অস্তার্থক বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। - নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তরের সময় অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে মূল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এ ধরনের বাক্য রূপান্তরকে অস্তার্থক বাক্য থেকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর বলা হয়, যেখানে বাক্যের মূল ভাব অপরিবর্তিত থাকে। - নিয়ম অনুযায়ী প্রদত্ত বাক্যের মূল শব্দ 'অপছন্দ' এর বিপরীতার্থক শব্দ 'পছন্দ' ব্যবহার করতে হবে এবং কর্তার সঙ্গে 'কেউ' যুক্ত করে সমাপিকা ক্রিয়ায় না বোধক রূপ দিতে হবে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভালো ছাত্ররা সবাই সত্য বলে। ব্যাখ্যা: একে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়, ভালো ছাত্ররা কেউ মিথ্যা বলে না। উদাহরণ ২: সৎ লোককে সবাই ভালোবাসে। ব্যাখ্যা: একে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়, সৎ লোককে কেউ ঘৃণা করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে — এটি একটি এফারমেটিভ বা অস্তার্থক বাক্য, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে। B) মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ না করে পারে না — এটি দ্বৈত নেতিবাচক রূপ ধারণ করে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করছে। D) মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না — এই বাক্যটি মূল বাক্যের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অস্তার্থক থেকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তরের সময় মূল শব্দের বিপরীত শব্দ বসাতে হয় এবং বাক্যের শেষে না বোধক রূপ দিতে হয়। - কর্তা সবাই থাকলে নেতিবাচক করার সময় কেউ বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্য রূপান্তরের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন মূল বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই বিপরীত শব্দ ও না বোধক রূপের সঠিক প্রয়োগ জানতে হবে।
a বাতিল
b পালাবদল
c মামুলি
d নিরপেক্ষ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাতিল ১. কেন সঠিক: - ‘Null and Void’ একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ আইনিভাবে অকার্যকর, বলবৎ অযোগ্য বা বাতিল ঘোষণা করা। - কোনো চুক্তি, আইন বা দলিল যখন তার কার্যকারিতা হারায়, তখন তাকে আইনগত পরিভাষায় ‘Null and Void’ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার পারিভাষিক শব্দের একটি অংশ, যা ইংরেজি প্রশাসনিক ও আইনগত শব্দ থেকে বাংলায় রূপান্তরিত হয়। - সঠিক পরিভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে দাপ্তরিক ভাষা নির্ভুল ও স্পষ্ট করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The contract was declared null and void. ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ হলো চুক্তিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: His nomination was null and void due to technical errors. ব্যাখ্যা: কারিগরি ত্রুটির কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতিল — এটি সঠিক পরিভাষা কারণ কোনো কিছু আইনগতভাবে অকার্যকর করাকে বাতিল বলে। B) পালাবদল — এটি ইংরেজি ‘Turn’ বা ‘Shift’ শব্দের পরিভাষা, যা আইনগত অকার্যকতার সঙ্গে মেলে না। C) মামুলি — এটি সাধারণ বা তুচ্ছ অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ‘Null and Void’ শব্দের আইনি অর্থ প্রকাশ করে না। D) নিরপেক্ষ — এটি ইংরেজি ‘Neutral’ শব্দের পরিভাষা, যা বাতিল শব্দের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘Null’ অর্থ শূন্য এবং ‘Void’ অর্থ ফাঁকা বা মূল্যহীন। অর্থাৎ যা আইনত শূন্য বা মূল্যহীন, সেটাই হলো বাতিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইন ও প্রশাসন সংক্রান্ত ইংরেজি পরিভাষা প্রায়ই আসে। তাই আইনগত পরিভাষাগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a রবী + ইন্দ্র
b রবী + ঈন্দ্র
c রবি + ইন্দ্র
d রবি + ঈন্দ্র
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবি + ইন্দ্র ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সন্ধির স্বরসন্ধি নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে প্রথম পদের শেষ স্বরধ্বনি ই এবং দ্বিতীয় পদের শুরু স্বরধ্বনি ই মিলে দীর্ঘ ঈকার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ বা আ এবং ই বা ঈ-র পরে ই বা ঈ থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈকার হয় এবং তা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। - রবি শব্দের শেষ অক্ষর বি এর সাথে ই এবং ইন্দ্র শব্দের শুরুতে ই যুক্ত হয়ে রবীন্দ্র শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি + ইক্ষা = প্রতিক্ষা ব্যাখ্যা: ই এর সাথে ই মিলে দীর্ঘ ঈকার গঠিত হওয়ার নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। উদাহরণ ২: মুনি + ইন্দ্র = মুনীন্দ্র ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ই এবং পরপদের ই মিলে দীর্ঘ ঈকার গঠন করার মাধ্যমে শব্দটি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবী + ইন্দ্র — রবী শব্দটিতে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ রবি শব্দে হ্রস্ব ই কার থাকে। B) রবী + ঈন্দ্র — রবী শব্দে দীর্ঘ ঈকার এবং ঈন্দ্র শব্দে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের বানান ও সন্ধির নিয়মের সাথে মেলে না। C) রবি + ইন্দ্র — এটি সঠিক অপশন এবং সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে বিভাজিত হয়েছে। D) রবি + ঈন্দ্র — ঈন্দ্র শব্দে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু মূল শব্দে হ্রস্ব ই কার অর্থাৎ ইন্দ্র হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবি বানানটি সবসময় হ্রস্ব ই কার দিয়ে লিখতে হয় এবং ইন্দ্র বানানেও হ্রস্ব ই কার থাকে। - দীর্ঘ ঈকার যুক্ত শব্দ গঠনে হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব ই মিলে দীর্ঘ ঈকার হয় এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ঈকার দীর্ঘ উ কার এবং দীর্ঘ ঋ কার সাধিত সন্ধি প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে গঠিত গিরি + ইন্দ্র সমান গিরীন্দ্র এবং পরি + ঈক্ষা সমান পরীক্ষা শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
a বিশেষ্য
b অব্যয়
c ক্রিয়া
d বিশেষণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশেষণ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' বিশেষ্য পদের ঠিক পূর্বে বসে সেই বিশেষ্যের দোষ গুণ অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ গুণ সংখ্যা পরিমাণ অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ্য সর্বনাম বা ক্রিয়ার দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা পরিমাণ ইত্যাদি বোঝায় তাকে বিশেষণ পদ বলে। - পদ প্রকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্যের পূর্বে বসে যখন কোনো শব্দ তার বিশেষ পরিচয় বা অবস্থা নির্দেশ করে তখন তা নাম বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এটি একটি সচল গাড়ি। ব্যাখ্যা: এখানে 'সচল' শব্দটি 'গাড়ি' বিশেষ্যের অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে। উদাহরণ ২: আকাশে কালো মেঘ জমেছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'কালো' শব্দটি 'মেঘ' বিশেষ্যের একটি বিশেষ গুণ বা রূপ প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় কারণ চেনা শব্দটি নাম বোঝাচ্ছে না। B) অব্যয় — অব্যয় পদ হলো যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না এবং যা পদগুলোকে যুক্ত করে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় কিন্তু চেনা শব্দটি এখানে সরাসরি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না বরং লোকটির অবস্থা বোঝাচ্ছে। D) বিশেষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ চেনা শব্দটি লোক বিশেষ্যের দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ বিশেষ্য পদের আগে বসে যদি কেমন প্রশ্নটির উত্তর দেয় তবে তা সাধারণত বিশেষণ পদ হয়। - চেনা লোক মানে কেমন লোক তার উত্তর হলো চেনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাপিকা ক্রিয়া এবং বিশেষণের রূপ এক হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয় তাই বাক্যের অর্থ বুঝতে হবে। - বিশেষ্যের পূর্বে বসে বিশেষণ কীভাবে বিশেষ্যের দোষ গুণ প্রকাশ করে তা ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a উৎকর্ষতা
b অপকর্ষ
c উৎকর্ষ
d অপকর্ষতা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উৎকর্ষ ১. কেন সঠিক: - 'প্রকর্ষ' শব্দের মূল অর্থ হলো উৎকর্ষ, বৃদ্ধি, উন্নতি বা শ্রেষ্ঠত্ব। - বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের বিচারে কোনো গুণের আধিক্য বা শ্রেষ্ঠ অবস্থাকে প্রকর্ষ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - শব্দের উৎস, প্রকৃতি এবং অর্থের মিলের ওপর ভিত্তি করে সমার্থক শব্দ নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎকর্ষতা ব্যাখ্যা: উৎকর্ষ শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করে উৎকর্ষতা বলা হলেও প্রমিত বাংলায় এটি অশুদ্ধ বা কম গ্রহণযোগ্য রূপ। উদাহরণ ২: অপকর্ষ ব্যাখ্যা: অপকর্ষ শব্দের অর্থ অবনতি বা হ্রাস, যা প্রকর্ষ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উৎকর্ষতা — এটি একটি অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ এবং বাংলা ব্যাকরণে অনেক ক্ষেত্রে এটি অসিদ্ধ বা অপ্রমিত হিসেবে বিবেচিত হয়। B) অপকর্ষ — এটি প্রকর্ষ শব্দের সমার্থক নয়, বরং এটি প্রকর্ষ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ অবনতি। C) উৎকর্ষ — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ এবং প্রকর্ষ শব্দের অর্থ সম্পূর্ণভাবে একই। D) অপকর্ষতা — এটি একটি গঠনগতভাবে ভুল এবং অপ্রমিত শব্দ যা ব্যাকরণগতভাবে সিদ্ধ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্র শব্দের অর্থ প্রকৃষ্ট এবং উৎকর্ষ শব্দের অর্থও ভালো বা শ্রেষ্ঠ অবস্থা। - প্রকর্ষ ও উৎকর্ষ উভয় শব্দই শ্রেষ্ঠত্ব বা উন্নতির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের প্রমিত রূপ এবং সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - অপ্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন উৎকর্ষ বেশি গ্রহণযোগ্য, তেমনি অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন উৎকর্ষতা বর্জন করা উচিত।
a ছায়ানট
b চক্রবাক
c রুদ্রমঙ্গল
d বালুচর
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বালুচর ১. কেন সঠিক: - বালুচর কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, এটি বিশিষ্ট কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - প্রশ্নটিতে কোনটি বিদ্রোহী কবির রচনা নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক উত্তর বালুচর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি, যিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, ছায়ানট, চক্রবাক ও রুদ্রমঙ্গল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুলের একটি বিদ্রোহী ভাবাপন্ন ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। B) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক ভাবধারার বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ। C) রুদ্রমঙ্গল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। D) বালুচর — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, বরং কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশ리에 বিদ্রোহী সুর এবং ছায়ানট ও চক্রবাকে রোমান্টিকতার ছোঁয়া থাকে। - বুদ্ধদেব বসুর বালুচর কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক কবিতার অন্যতম একটি নিদর্শন হিসেবে স্মরণ রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন গ্রন্থটি কোন কবির তা নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই মূল লেখকের কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। - একই নামের বা ভিন্নধর্মী অন্য লেখকের গ্রন্থগুলোর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
a ১৯০৯
b ১৯১০
c ১৯১৪
d ১৯২১
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৪ ১. কেন সঠিক: সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে চলিত রীতির প্রবর্তন ও প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে (বাংলা ১৩২১ সালের বৈশাখ মাসে) প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এই মাসিক পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী যিনি বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে সবুজপত্র গোষ্ঠী বা সাবুজপত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী বিরূপবজ্র ও পদচারণা গ্রন্থ রচনা করেন। ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক পরিচিতি ও ছদ্মনাম মনে রাখতে এটি সাহায্য করে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা ও চার অধ্যায় উপন্যাস প্রথম সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: পত্রিকাটির সাহিত্যিক গুরুত্ব এবং এর পাতার বিখ্যাত রচনাগুলো বুঝতে এটি কাজে লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৯ — এই সালে বাংলা সাহিত্যে সবুজপত্র প্রকাশিত হয়নি কারণ এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় আরও পরে আত্মপ্রকাশ করে। B) ১৯১০ — এই সালে সবুজপত্র প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক তথ্য নেই। C) ১৯১৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। D) ১৯২১ — এই সালে সবুজপত্র প্রকাশিত হয়নি, তবে এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশকাল মনে রাখতে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনা এবং ১৩২১ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাস যুক্ত করে একটি সহজ চিত্র মাথায় রাখতে পারো। ১৯১৪ সংখ্যাটি সবুজপত্র ও চলিত রীতির সূচনার সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবুজপত্রের সম্পাদক, প্রকাশকাল এবং এর সাথে জড়িত লেখকদের নাম প্রায়ই আসে। একইভাবে অন্যান্য বিখ্যাত পত্রিকা যেমন বঙ্গদর্শন বা কল্লোল প্রকাশের সাল ও সম্পাদকের নাম ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।
a সুবচন নির্বাসনে
b রক্তাক্ত প্রান্তর
c নূরলদীনের সারা জীবন
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় কেন সঠিক: - এই নাটকটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। - নাটকে গ্রামীণ জনপদে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন ও বাঙালির মুক্তির আকুতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটি লিখেছেন বিখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - এটি মূলত কাব্যনাট্য বা পদ্যে রচিত নাটক। - নাটকের সংলাপগুলো ছন্দোবদ্ধ ও কাব্যিক হওয়ায় এটি বাংলা সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সুবচন নির্বাসনে — এটি আব্দুল্লাহ আল মামুনের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক। - B) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক যার প্রেক্ষাপট তৃতীয় পানিপতের যুদ্ধ। - C) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা নাটক হলেও এর মূল বিষয় কৃষক বিদ্রোহ। মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য হলো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
a রাখালী
b মাটির কান্না
c বেদের মেয়ে
d বোবা কাহিনী
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেদের মেয়ে ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত নাটকের নাম নির্দেশ করে। - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লোকসাহিত্যভিত্তিক লোকনাট্য ধারার একটি অনন্য সৃষ্টি হলো এই নাটকটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর লেখায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন ফুসে উঠেছে। - বেদের মেয়ে একটি ট্র্যাজিক প্রেমের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত লোকনাট্য যা মঞ্চে ও লোকসংস্কৃতিতে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রেমের ট্র্যাজেডি তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সোজন বাদায় ঘাট ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদ্দীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দীর্ঘ কাব্য বা গাথা কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাখালী — এটি নাটকের নাম নয়, বরং এটি কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। B) মাটির কান্না — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো বিখ্যাত নাটক বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়। D) বোবা কাহিনী — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো নাটক নয়, এটি তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীন মানেই পল্লী প্রকৃতি এবং লোকসাহিত্য। তাঁর কাব্য ও নাটকে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন চিত্রিত হয়েছে। - নাটক মনে রাখতে মনে রাখবে জসীমউদ্দীনের উল্লেখযোগ্য নাটক বেদের মেয়ে ও মধুমালা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কাব্য, উপন্যাস ও নাটকের তালিকা বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বিশেষ করে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী এবং বিখ্যাত নাটক বেদের মেয়ে ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a ইংরেজি + ফার্সি
b ইংরেজি + আরবি
c তুর্কি + আরবি
d ইংরেজি + পর্তুগিজ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংরেজি + আরবি ১. কেন সঠিক: - ‘হেড মৌলভী’ শব্দটিতে ‘হেড’ হলো ইংরেজি শব্দ এবং ‘মৌলভী’ হলো আরবি শব্দ। - দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে এই মিশ্র বা সংকর শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিদেশি বা দেশি শব্দের সঙ্গে বাংলা কিংবা অন্য কোনো ভাষার শব্দ মিলিত হয়ে গঠিত শব্দকে মিশ্র বা সংকর শব্দ বলা হয়। - এখানে ‘হেড’ (ইংরেজি প্রধান) এবং ‘মৌলভী’ (আরবি শিক্ষক বা পন্ডিত) দুটি ভিন্ন ভাষা থেকে এসে বাংলায় মিশ্র শব্দ তৈরি করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তারখানা ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি ‘ডাক্তার’ এবং ফার্সি ‘খানা’ শব্দের মিলনে গঠিত একটি মিশ্র শব্দ। উদাহরণ ২: হেডমাস্টার ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি ‘হেড’ এবং তৎসম ‘মাস্টার’ (মূলত ইংরেজি থেকে আগত) শব্দের মিশ্রণে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি + ফার্সি — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘মৌলভী’ ফার্সি শব্দ নয়, এটি একটি আরবি শব্দ। B) ইংরেজি + আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘হেড’ ইংরেজি এবং ‘মৌলভী’ আরবি শব্দ। C) তুর্কি + আরবি — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘হেড’ কোনো তুর্কি শব্দ নয়, এটি ইংরেজি শব্দ। D) ইংরেজি + পর্তুগিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রদত্ত ‘মৌলভী’ শব্দটি পর্তুগিজ নয়, আরবি শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হেডমাস্টার, হেডপন্ডিত বা হেড মৌলভী শব্দের শুরুতে থাকা ‘হেড’ শব্দটি সবসময় ইংরেজি ভাষা নির্দেশ করে। - মৌলভী শব্দটি ধর্মীয় প্রসঙ্গের সাথে যুক্ত বিধায় এটি আরবি শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মিশ্র শব্দের উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দের মূল উৎস বা উৎপত্তি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a Dante
b Plato
c Aristotle
d Socrates
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Aristotle কেন সঠিক: গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল তাঁর বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ পলিটিক্স এ এই কথাটি বলেছেন। এর মাধ্যমে তিনি বুঝিয়েছেন যে মানুষ স্বভাবগতভাবেই সমাজে দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করতে ভালোবাসে। তিনি মানুষকে সমাজ ও রাষ্ট্রসচেতন এক জীব হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। এই উক্তিটি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ইতিহাসে অত্যন্ত মৌলিক ও প্রাথমিক একটি ধারণা হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dante — দান্তে ছিলেন ইতালির মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত কবি যিনি ডিভাইন কমেডি রচনা করেছিলেন। B) Plato — প্লেটো ছিলেন অ্যারিস্টটলের শিক্ষক যিনি দ্য রিপাবলিক গ্রন্থে আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে আলোচনা করেছেন। C) Aristotle — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। D) Socrates — সক্রেটিস ছিলেন প্লেটোর গুরু যিনি মূলত নৈতিকতা ও প্রশ্ন করার পদ্ধতির জন্য পরিচিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রাজনীতি ও সমাজ নিয়ে প্রথম গভীর চিন্তা করেছিলেন অ্যারিস্টটল, তাই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটলের সাথেই পলিটিক্স শব্দটা মনে রাখবে।
a win
b wins
c has won
d won
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) wins কেন সঠিক: বাক্যের সাবজেক্ট Slow and steady একটি প্রবাদ বাক্য হওয়ায় এটি একটি একক বা singular ধারণা প্রকাশ করে। তাই এরপরে singular verb হিসেবে wins ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) win — এটি plural verb হওয়ায় singular সাবজেক্টের সাথে বসে না। B) wins — এটি সঠিক উত্তর। C) has won — প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে present perfect tense ব্যবহার করা হয় না। D) won — এটি past tense হওয়ায় চিরন্তন সত্য বা প্রবাদ বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদ বাক্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সবসময় verb এর present indefinite tense এবং singular রূপ বসে।
a W. Wordsworth
b s. T. Coleridge
c P. B. Shelley
d A. C. Swinbume
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) W. Wordsworth কেন সঠিক: এই বিখ্যাত লাইনটি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা 'মাই হার্ট লিপস আপ' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে শৈশবের স্বভাব ও অভিজ্ঞতা দিয়েই মানুষের ভবিষ্যৎ চরিত্র গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং সত্য। B) S. T. Coleridge — ইনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই কবিতাটি তাঁর লেখা নয়। C) P. B. Shelley — ইনি ওয়ার্ডসওয়ার্থের সমসাময়িক হলেও এই পংক্তিটি তাঁর কবিতার অংশ নয়। D) A. C. Swinbume — ইনি পরবর্তী যুগের কবি এবং এই বিখ্যাত লাইনটির সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থের প্রকৃতিভিত্তিক কবিতার কথা মনে রাখলেই এই লাইনটির উৎস সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a W. H. Auden
b W. Wordsworth
c W. B. Yeats
d Ezra Pound
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) W. Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের একজন মহান কবি। তিনি প্রকৃতিপ্রেমী কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হলো এই সলিটারি রিপার কবিতাটি। এটি স্কটিশ উচ্চভূমির এক তরুণীর ধান কাটার গান নিয়ে লেখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. H. Auden — তিনি বিশ শতকের আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। B) W. Wordsworth — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক নয়। C) W. B. Yeats — তিনি বিংশ শতাব্দীর আইরিশ সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও নাট্যকার ছিলেন। D) Ezra Pound — তিনি আধুনিকতাবাদী কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার ও সমালোচক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই প্রকৃতি আর সলিটারি রিপার হলো প্রকৃতির মাঝে একা গান গাওয়া এক তরুণীর গল্প।
a number
b enumerate
c numbering
d numerical
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) number কেন সঠিক: ‘Number’ শব্দটি বাক্যে noun এবং verb উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হতে পারে। এর verb রূপ হিসেবে সরাসরি 'number' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যার অর্থ গণনা করা। এটি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি verb হিসেবে কাজ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) number — এটি সঠিক কারণ এটি নিজেই noun এবং verb উভয় রূপেই ব্যবহৃত হতে পারে। B) enumerate — এটি একটি ভিন্ন শব্দ যার অর্থ গণনা করা বা তালিকাভুক্ত করা, তবে এটি 'number' এর সরাসরি verb রূপ নয়। C) numbering — এটি 'number' শব্দের present participle বা gerund রূপ, মূল verb নয়। D) numerical — এটি 'number' শব্দের adjective রূপ, যা সংখ্যা সংক্রান্ত বিষয় বোঝায়। মনে রাখার টিপস: কিছু ইংরেজি শব্দ noun এবং verb উভয় হিসেবেই কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ব্যবহৃত হয়।
a temporary
b permanent
c transparent
d short-lived
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) permanent কেন সঠিক: Transitory শব্দের অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা স্থায়ী নয়। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো permanent যার অর্থ স্থায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) temporary — এটি transitory শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থও ক্ষণস্থায়ী। B) permanent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি transitory শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা মূল শব্দের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। D) short-lived — এটিও transitory শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ স্বল্পস্থায়ী। মনে রাখার টিপস: Transitory শব্দটির সাথে Train শব্দের মিল আছে, যার যাত্রা ক্ষণস্থায়ী হয়। আর Permanent মানে চিরand স্থায়ী।
a since
b from
c after
d till
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) since কেন সঠিক: বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে। অতীতে শুরু হওয়া কাজ বর্তমানে চলমান বোঝালে নির্দিষ্ট সময়ের আগে since বসে। এখানে ২০০০ সাল একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় নির্দেশ করছে। নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা সাল বোঝাতে since ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) since — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) from — এটি সাধারণত future বা general starting point বোঝাতে বসে, প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনুয়াসে নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে since বসে। C) after — এটি পরে অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এই সময়ের ব্যাপ্তir সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) till — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলা বোঝাতে বসে, যা কাজ শুরু হওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা সালের আগে since এবং সময় কতক্ষণ ধরে চলছে তা বোঝালে for বসে।
a Thomas Hardy
b Charles Dickens
c W. Congreve
d D. H. Lawrence
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Charles Dickens কেন সঠিক: চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসে লন্ডন শহর কেবল পটভূমি নয়, বরং এটি জীবন্ত এক চরিত্র হিসেবে উপস্থিত থাকে। কুয়াশা, ধোঁয়া এবং গলিগুলো তার সাহিত্যে প্রাণবন্ত রূপ লাভ করেছে। তার লেখায় শহরের ভালো ও মন্দ দিকগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। এই অনন্য বৈশিষ্ট্যের জন্য তাকে লন্ডনের রূপকার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Hardy — থমাস হার্ডি তার উপন্যাসে লন্ডন নয়, বরং ওয়েসেক্স অঞ্চলকে জীবন্ত এক চরিত্র হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন। B) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) W. Congreve — উইলিয়াম কনগ্রেভ মূলত রিস্টোরেশন যুগের কমেডি নাটকের জন্য বিখ্যাত, লন্ডন শহরের জীবন্ত রূপায়নের জন্য নন। D) D. H. Lawrence — ডি এইচ লরেন্স আধুনিক যুগের ঔপন্যাসিক, যিনি মূলত মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লিখেছেন। মনে রাখার টিপস: লন্ডন শহর মানেই চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসের জীবন্ত পরিবেশ।
a in the beginning
b at the height
c at the end
d in the confrontation
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at the height কেন সঠিক: - প্লটের বা নাটকের কাহিনীর চরম উৎকর্ষ বা উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়কে ক্লাইম্যাক্স বলা হয়। - এটি এমন একটি মুহূর্ত যেখানে গল্পের প্রধান দ্বন্দ্ব বা উত্তেজনার মাত্রা সর্বোচ্চ বিন্দুতে পৌঁছায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in the beginning — এটি গল্পের সূচনা বা প্রারম্ভিক পর্যায় নির্দেশ করে, যা ক্লাইম্যাক্স বা চরম মুহূর্ত নয়। B) at the height — এটি সঠিক কারণ ক্লাইম্যাক্স হলো গল্পের উত্তেজনা বা দ্বন্দ্বের সর্বোচ্চ বিন্দু। C) at the end — এটি গল্পের সমাপ্তি বা রেজোলিউশন পর্যায় নির্দেশ করে, যা ক্লাইম্যাক্সের পরের ঘটনা। D) in the confrontation — এটি গল্পের দ্বন্দ্ব বা মুখোমুখি লড়াইয়ের পর্যায়, যা ক্লাইম্যাক্সের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: ক্লাইম্যাক্স শব্দটির অর্থ চরম পর্যায় বা উচ্চতা, তাই প্লটের সর্বোচ্চ উত্তেজনাকেই ক্লাইম্যাক্স বলা হয়।
a Lord Tennyson
b John Milton
c William Wordsworth
d John Keats
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth কেন সঠিক: - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর কবিতায় গ্রামীণ জীবন, পাহাড়, নদী এবং গাছপালার রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। - প্রকৃতির নিরাময় ক্ষমতা এবং মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির আত্মিক সম্পর্কের কথা জোরালোভাবে প্রচার করার কারণে তাঁকে প্রকৃতির কবি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lord Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি হলেও তাঁকে প্রকৃতির কবি বলা হয় না, বরং তিনি যুগের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত। B) John Milton — তিনি মূলত মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে প্যারাডাইস লস্ট তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি। C) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনে কোনো ভুল নেই। D) John Keats — তিনি মূলত সৌন্দর্য এবং ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অনুভূতির কবি বা রোমান্টিক যুগের সৌন্দর্যবাদী কবি হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ শব্দটি মনে রাখলে ওয়ার্ডস বা শব্দ এবং অর্থ দিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্য মনে রাখা সহজ হয়।
a Yesterday, he has gone home
b Yesterday, he did gone home
c Yesterday, he had gone home
d Yesterday, he went home
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Yesterday, he went home কেন সঠিক: বাক্যে Yesterday থাকলে সেটি অতীত নির্দেশ করে, তাই মূল verb এর Past form বসে। এখানে go এর Past form went ব্যবহার করা হয়েছে যা grammatically সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yesterday, he has gone home — বাক্যে Yesterday থাকার কারণে Present Perfect tense ব্যবহার করা ভুল। B) Yesterday, he did gone home — Past Indefinite tense এ did এর পর verb এর base form বসে কিন্তু এখানে gone আছে। C) Yesterday, he had gone home — নির্দিষ্ট কোনো আগের ঘটনা না বোঝালে সাধারণ অতীতে Past Perfect tense হয় না। D) Yesterday, he went home — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Yesterday, Ago, Last থাকলে সর্বদা Past Indefinite tense ব্যবহার করতে হয়।
a E. M. Forster
b Rudyard Kipling
c Galls Worthy
d A. H. Auden
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) E. M. Forster কেন সঠিক: ১৯২৪ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত এই উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ই এম ফরস্টার। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময় ভারত ও ব্রিটিশদের মধ্যকার জটিল সম্পর্ক এই উপন্যাসের মূল বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) E. M. Forster — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনিই এই উপন্যাসের লেখক। B) Rudyard Kipling — ইনি 'দ্য জঙ্গল বুক' উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। C) Galls Worthy — ইনি মূলত 'জাস্টিস' ও 'দ্য ম্যান অব প্রপার্টি' নাটকের জন্য বিখ্যাত। D) A. H. Auden — ইনি একজন খ্যাতিমান আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক। মনে রাখার টিপস: ই এম ফরস্টারের নামের সাথে ইন্ডিয়া শব্দটি মনে রাখলে উত্তর সহজে বলা যায়।
a W. B. Yeats
b Robert Frost
c John Keats
d Rudyard Kipling
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) W. B. Yeats কেন সঠিক: কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের কাজটি করেছেন বিখ্যাত আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস। ১৯১২ সালে প্রকাশিত এই ইংরেজি অনুবাদের জন্যই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Robert Frost — তিনি একজন বিখ্যাত মার্কিন কবি ছিলেন যিনি গীতাঞ্জলি অনুবাদের সাথে কোনোভাবেই যুক্ত ছিলেন না। C) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন ব্রিটিশ কবি ছিলেন যিনি রবীন্দ্রনাথের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন। D) Rudyard Kipling — তিনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি হলেও গীতাঞ্জলি অনুবাদ করেননি। মনে রাখার টিপস: গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদক W. B. Yeats এর নাম মনে রাখতে ইয়েটস ও নোবেল পুরস্কার কথাটি একসাথে মনে রাখবে।
a defame
b abuse
c respect
d accuse
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) respect কেন সঠিক: Venerate শব্দটির বাংলা অর্থ হলো শ্রদ্ধা করা বা সম্মান প্রদর্শন করা। অপশন সি-তে থাকা respect শব্দটির অর্থও শ্রদ্ধা করা বা সম্মান করা। তাই অর্থের দিক থেকে এটি মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) defame — এই শব্দটির অর্থ হলো কারো সুনাম নষ্ট করা বা কলঙ্কিত করা, যা মূল শব্দের বিপরীত। B) abuse — এই শব্দটির অর্থ হলো গালাগালি করা বা অপব্যবহার করা, যা ভenerate শব্দের সাথে মেলে না। C) respect — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) accuse — এই শব্দটির অর্থ হলো কাউকে অভিযুক্ত করা বা দোষী সাব্যস্ত করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Venerate শব্দটিতে ভener (ভক্তি) বা শ্রদ্ধা ভাব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে এর অর্থ সম্মান করা।
a in
b with
c against
d to
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: কোনো অ্যাকাউন্টে টাকা জমা বা ক্রেডিট করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় to ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের দিকে বা অ্যাকাউন্টের সাথে অর্থের স্থানান্তর বোঝাতে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — অ্যাকাউন্টের ভেতরে অর্থ জমা বোঝাতে in preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) with — অ্যাকাউন্টের সাথে অর্থ জমা বোঝাতে with ব্যবহার করা যায় না কারণ এটি সঠিক preposition নয়। C) against — বিরুদ্ধ বা বিপক্ষে অর্থ প্রকাশ করায় এটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমার ক্ষেত্রে বসে না। D) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: টাকা বা ক্রেডিট সবসময় নির্দিষ্ট কোনো অ্যাকাউন্টের দিকে জমা হয়, তাই সবসময় to preposition ব্যবহার করবে।
a to repeat
b to start
c to get rid of
d to drive off
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to get rid of কেন সঠিক: ‘To do away with’ একটিPhrase যার অর্থ কোনো কিছু চিরতরে বর্জন করা বা মুক্তি পাওয়া। ‘To get rid of’ ফ্রেজটির অর্থও ঠিক একই রকম অর্থাৎ কোনো ঝামেলা বা অপছন্দের জিনিস থেকে মুক্তি পাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to repeat — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো কিছু পুনরাবৃত্তি করা, যা মূল ফ্রেজের অর্থের সাথে মিলে না। B) to start — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ নতুন কিছু শুরু করা, যা মূল ফ্রেজের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) to get rid of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই। D) to drive off — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কাউকে তাড়িয়ে দেওয়া বা গাড়ি চালিয়ে চলে যাওয়া। মনে রাখার টিপস: ‘Away with’ কথাটির মাধ্যমে সাধারণত কোনো কিছু দূরে সরিয়ে দেওয়া বা বাদ দেওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়।
a Charles Dickens
b W. B. Yeats
c James Joyce
d Jane Austen
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) W. B. Yeats কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটস মূলতঃ একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন যিনি বিংশ শতাব্দীর সাহিত্য অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি তার জীবনের পুরো সময়ে কবিতা ও নাটক লিখলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি ডেভিড কপারফিল্ড এবং অলিভার টুইস্টের মতো বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন। B) W. B. Yeats — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি বরং কবিতা ও নাটক রচনার জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। C) James Joyce — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী ধারার একজন বিশ্বখ্যাত আইরিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন। D) Jane Austen — তিনি অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: ইয়েটস মানেই কবিতা ও নাটক, তাই ঔপন্যাসিকদের ভিড়ে তিনি ব্যতিক্রম।
a Paper is made of wood
b Paper is made from wood
c Paper is made by wood
d Paper is made on wood
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Paper is made from wood কেন সঠিক: কোনো বস্তুর উপাদান যদি প্রক্রিয়াজাতকরণের পর সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং মূল উপাদানটি চেনা না যায়, তখন made from ব্যবহৃত হয়। এখানে কাঠ থেকে কাগজ তৈরি হয় এবং কাগজের মধ্যে কাঠকে আর আলাদাভাবে চেনা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper is made of wood — উপাদান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে of ব্যবহার করা ভুল, কারণ of বসে যখন উপাদান সহজে চেনা যায়। B) Paper is made from wood — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী from ব্যবহৃত হয়েছে। C) Paper is made by wood — এখানে by preposition ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল, কারণ by সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা কর্তাকে বোঝাতে বসে। D) Paper is made on wood — এখানে on preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ এটি কোনো স্থান বা উপরে থাকা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: পরিবর্তন বোঝালে from আর অপরিবর্তিত থাকলে of বসে।
a A. Tennyson
b Alexander Pope
c John Dryden
d S. T. Coleridge
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) S. T. Coleridge কেন সঠিক: - স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ ইংরেজ সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের একজন প্রধান কবি ও সমালোচক। - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের সাথে যৌথভাবে রোমান্টিক যুগের সূচনা ঘটে তার কালজয়ী সৃষ্টি লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A. Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ কবি, রোমান্টিক যুগের নন। B) Alexander Pope — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর অগাস্টান বা নিওক্লাসিক্যাল যুগের কবি। সি) C. John Dryden — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর নিওক্লাসিক্যাল বা রিস্টোরেশন যুগের লেখক। D) S. T. Coleridge — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের কবিদের মনে রাখতে ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও কোলরিজের লিರಿಕ্যাল ব্যালাডস প্রকাশের সালটি মনে রাখুন।
a had
b have
c might
d would
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had কেন সঠিক: বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে যেখানে অতীতের অপূর্ণ সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়। প্রধান ক্লজে could have এর সাথে ভার্বের পিপি রূপ থাকায় শর্তের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসাতে হয়। তাই এখানে হ্যাড ব্যবহার করে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করা হয়েছে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ালো আমি আরেকটু সতর্ক হলে এটি কাজ করতে পারত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী এখানে হ্যাড বসবে। B) have — এটি বর্তমানকাল নির্দেশ করে যা অতীতের থার্ড কন্ডিশনাল গঠনের সাথে সম্পূর্ণ বেমানান। C) might — এটি মোডাল ভার্ব হওয়ায় অক্সিলারি ভার্ব হিসেবে এখানে সরাসরি বসতে পারে না। D) would — এটি বসালে বাক্যটিতে ডাবল মডালের ভুল তৈরি হয় যা ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ নয়। মনে রাখার টিপস: মূল ক্লজে could have থাকলে পরের অংশে সবসময় had বসিয়ে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স করতে হয়।
a in
b of
c after
d by
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: এখানে 'of repute' একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ যার অর্থ খ্যাতি, যার দ্বারা কোনো বিখ্যাত বা জ্ঞানী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়। অধ্যাপক রাজ্জাক একজন প্রখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন বোঝাতে এই নির্দিষ্ট প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই শূন্যস্থানে অন্য কোনো প্রিপজিশন না বসে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী of বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি কোনো ক্ষেত্রের ভেতরে অবস্থান বা ভাষা বোঝাতে বসে, তাই এখানে তা বসবে না। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই। C) after — এটি পরে বা কোনো নামানুসারে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। D) by — এটি কোনো ব্যক্তি দ্বারা কাজ সম্পন্ন হওয়া বা মাধ্যম বোঝাতে বসে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বিখ্যাত বা গুণী ব্যক্তি বোঝাতে scholar শব্দের পরে সাধারণত of repute ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
a Victorian
b Elizabethan
c Romantic
d Modern
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Victorian কেন সঠিক: উপন্যাসটির লেখক চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক ছিলেন। এই যুগেই উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এতে তৎকালীন সমাজের বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে। এটি মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের সামাজিক উপন্যাস। চার্লস ডিকেন্সের লেখা মানেই ভিক্টোরিয়ান সাহিত্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Victorian — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Elizabethan — এই যুগে মূলত নাটক ও কবিতা বেশি রচিত হতো, উপন্যাস তখন জনপ্রিয় ছিল না। C) Romantic — রোমান্টিক যুগে উপন্যাসের চেয়ে কবিতা ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক সাহিত্য চর্চা বেশি হতো। D) Modern — মডার্ন যুগ শুরু হয়েছে বিশ শতকে, কিন্তু এই উপন্যাসটি উনবিংশ শতকের লেখা। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্স মানেই ভিক্টোরিয়ান যুগ।
a William Wordsworth
b Thomas Gray
c John Keats
d W. B. Yeats
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Thomas Gray কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত কবিতাটি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রখ্যাত ইংরেজি কবি থমাস গ্রে-র রচনা। - এটি গ্রেভইয়ার্ড পোয়েট্রি ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো লিরাল ব্যালডস। B) Thomas Gray — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই অমর সৃষ্টি। C) John Keats — তিনি একজন প্রখ্যাত রোমান্টিক কবি যিনি ওড অন এ গ্রেসিয়ান আর্ন রচনা করেছেন। D) W. B. Yeats — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের আইরিশ কবি এবং নাট্যকার। মনে রাখার টিপস: চার্চইয়ার্ড বা কবরস্থানের শোকগাথা মনে রাখতে গ্রে (Gray) শব্দটির সাথে বিষণ্ণতার আবহ মিলিয়ে নিন।
a at
b in
c of
d after
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে অ্যাড প্রিপজিশন বসে। গণিতে জন স্মিথের দক্ষতার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে অ্যাড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সঠিক উত্তর এবং দক্ষতাসূচক অর্থে এটিই নিয়মমাফিক ব্যবহৃত হয়। B) in — গুড শব্দের পরে ইন প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) of — গুড শব্দের পরে অফ প্রিপজিশন ব্যবহার করলে অর্থের কোনো মিল থাকে না। D) after — গুড শব্দের পরে আফটার বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শী বোঝাতে গুড এর পরে সবসময় অ্যাড প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a tragedy
b comedy
c tragi-comedy
d melodrama
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comedy কেন সঠিক: শেক্সপিয়ারের এই নাটকে শুরুতে বেশ কিছু গুরুতর ও জটিল সংকট তৈরি হলেও, গল্পের শেষ ভাগে এসে সব সমস্যার চমৎকার সমাধান ঘটে। নাটকের চরিত্রগুলোর ভাগ্যের ইতিবাচক পরিবর্তন এবং শেষ পর্যন্ত সবার মিলন ঘটার কারণে এটি মূলত একটি কমেডি হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tragedy — এই নাটকে কোনো প্রধান চরিত্রের মৃত্যু বা চরম ট্র্যাজেডি ঘটে না, তাই এটি ট্র্যাজেডি নয়। B) comedy — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি শেষ পর্যন্ত সুখের সমাপ্তি বা মিলনান্তক রূপ নেয়। C) tragi-comedy — যদিও শুরুতে গম্ভীর ভাব থাকে, তবে এর মূল কাঠামো ও সমাপ্তি প্রথাগত কমেডির নিয়ম অনুসরণ করে। D) melodrama — এর ভেতরের গভীর মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব একে মেলোড্রামা বা অতি-নাটকীয়তার স্তর থেকে অনেক উঁচুতে রাখে। মনে রাখার টিপস: শেপ্সপিয়রের নাটকটি দেখতে গম্ভীর মনে হলেও এর শেষটা হাসিখুশি ও মিলনান্তক, তাই একে কমেডি মনে রাখবে।
a moves
b moved
c has moved
d will be moving
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) moves কেন সঠিক: বাক্যটির ভেতরের অংশ একটি চিরন্তন সত্য বা সার্বজনীন সত্য প্রকাশ করছে। তাই মূলবাক্যটি পাস্ট টেন্সে থাকলেও ভে터রের অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) moved — এটি পাস্ট টেন্স হওয়ায় চিরন্তন সত্যের জন্য এটি ব্যবহার করা যায় না। C) has moved — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স প্রকাশ করে যা সার্বজনীন সত্যের সাথে যায় না। D) will be moving — এটি ভবিষ্যৎ চলমান কাল নির্দেশ করায় সঠিক নিয়ম ভঙ্গ করে। মনে রাখার টিপস: নিরেট সত্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করতে হয়।
a Preface to Shakespeare
b Preface to Lyrical Ballads
c Preface to Ancient Mariners
d Preface to Dr. Johnson
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Preface to Lyrical Ballads কেন সঠিক: ১৮০০ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থের মাধ্যমেই ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক যুগের সূচনা ঘটেছিল। উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও এস টি কোলরিজ এই বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন। প্রথাগত ও কৃত্রিম ভাষার পরিবর্তে সহজ ও সাধারণ মানুষের ভাষা ব্যবহারের পক্ষে মত দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Preface to Shakespeare — এটি স্যামুয়েল জনসন রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্য সমালোচনা গ্রন্থ। B) Preface to Lyrical Ballads — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Preface to Ancient Mariners — এই নামে কোনো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম বা ভূমিকা নেই। D) Preface to Dr. Johnson — এটি স্যামুয়েল জনসন সম্পর্কিত অন্য কোনো গ্রন্থ নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের শুরু মনে রাখতে লিরিক্যাল ব্যালাডস এবং ওয়ার্ডসওয়ার্থের নাম একসঙ্গে মনে রাখবে।
a Vanity Fair
b The Return of the Native
c Pride and Prejudice
d Oliver Twist
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Return of the Native কেন সঠিক: 1. 'The Return of the Native' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান ঔপন্যাসিক ও কবি থমাস হার্ডি। 2. এই উপন্যাসের পটভূমি হলো কাল্পনিক ওয়েসেক্স অঞ্চল, যা থমাস হার্ডির সাহিত্যকর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য। 3. এটি থমাস হার্ডির অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি উপন্যাস হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vanity Fair — এটি উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। B) The Return of the Native — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Pride and Prejudice — এটি জেন অস্টেন রচিত একটি জনপ্রিয় ক্লাসিক উপন্যাস। D) Oliver Twist — এটি চার্লস ডিকেন্স রচিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: থমাস হার্ডির উপন্যাস মনে রাখতে 'ওয়েসেক্স' (Wessex) শব্দটির কথা মাথায় রাখবে, কারণ তার প্রায় সব বিখ্যাত উপন্যাস এই কাল্পনিক অঞ্চলের ওপর ভিত্তি করে লেখা।
a on my going
b is to go
c over going
d to go
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on my going কেন সঠিক: insist শব্দের পর সাধারণত preposition হিসেবে on বসে। এছাড়া on একটি preposition হওয়ায় এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয় এবং তার আগে possessive pronoun বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on my going — এটি সঠিক উত্তর। B) is to go — insist এর পর সরাসরি infinitive বসে না এবং বাক্যের গঠন এখানে ভুল। C) over going — insist এর সাথে over preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) to go — insist এর পর to বসে না এবং gerund এর নিয়ম এখানে মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: insist শব্দের পরে সবসময় on বসে এবং on এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a saving lives
b timely action
c saving time
d time tailoring
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) timely action কেন সঠিক: - এই প্রবাদের মূল অর্থ হলো সঠিক সময়ে সামান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ক্ষতি বা বিপর্যয় এড়ানো যায়। - ইংরেজি প্রবাদটির ভাবার্থ সময়মতো কাজের গুরুত্ব এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) saving lives — এটি জীবন বাঁচানোর কথা বলে, যা এই প্রবাদের রূপক বা আলংকারিক অর্থের সাথে সরাসরি মিলে না। B) timely action — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রবাদটি সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্বকে তুলে ধরে। C) saving time — এটি কেবল সময় বাঁচানোর কথা বলে, যা কাজের গুণগত বা সময়োপযোগী পদক্ষেপের চেয়ে সংকীর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। D) time tailoring — এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও অপ্রাসঙ্গিক শব্দগুচ্ছ যা কোনো প্রচলিত অর্থ বহন করে না। মনে রাখার টিপস: সেলাইয়ের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে একটি সেলাই বা ফোঁড় দিলে যেমন বড় ছিঁড়ে যাওয়া আটকানো যায়, তেমনি বাস্তব জীবনেও সময়মতো পদক্ষেপ নিলে বড় বিপদ এড়ানো যায়।
a Christopher Marlowe
b John Webstar
c W. Shakespeare
d T. S. Eliot
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) W. Shakespeare কেন সঠিক: উক্তিটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্রাজেডি হ্যামলেট থেকে নেওয়া হয়েছে। নাটকের প্রধান চরিত্র রাজকুমার হ্যামলেট তার মায়ের আচরণের প্রেক্ষিতে এই বিখ্যাত মন্তব্য করেছিলেন। এটি শেক্সপিয়ারের নাটকের একটি বহুল ব্যবহৃত ও পরিচিত সংলাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই সংলাপটি তার কোনো নাটকের নয়। B) John Webster — তিনি জ্যাকবিয়ান যুগের একজন নাট্যকার এবং তার রচনার সাথে এই সংলাপের কোনো মিল নেই। C) W. Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) T. S. Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক এবং এই নাটকের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটক এবং নারী চরিত্র ও দুর্বলতা সম্পর্কিত বিখ্যাত সংলাপটি মনে রাখলেই শেক্সপিয়ার নামটির কথা সহজে মনে আসবে।
a a Jew
b a Moor
c a Roman
d a Turk
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a Jew কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস এর কেন্দ্রীয় চরিত্র শাইলক একজন ইহুদি বা জিউ। - এই নাটকে শাইলক ও খ্রিস্টান বণিক এন্টোনিওর মধ্যকার দ্বন্দ্ব এবং সুদের ব্যবসার ওপর ভিত্তি করে মূল কাহিনি এগিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a Jew — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকের প্রধান চরিত্র শাইলক একজন ইহুদি মহাজন ছিলেন। B) a Moor — এই অপশনটি ভুল কারণ ওথেলো নাটকের প্রধান চরিত্র ওথেলো একজন মুর ছিলেন, দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস নাটকে মুর চরিত্রের প্রধান ভূমিকা নেই। C) a Roman — এই অপশনটি ভুল কারণ জুলিয়াস সিজার বা অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নাটকগুলো রোমান প্রেক্ষাপটে রচিত, দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস নয়। D) a Turk — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো তুর্কি জাতির ওপর রচিত নাটক নয়, এর মূল প্রেক্ষাপট ইতালির ভেনিস ও বেলমন্ট। মনে রাখার টিপস: ভেনিসের মার্চেন্ট নাটকের কথা মনে এলেই শাইলক চরিত্রটি এবং তার ইহুদি পরিচয়টি মনে রাখবে।
a apathy
b indolence
c enterprise
d activity
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) apathy কেন সঠিক: initiative শব্দের অর্থ হলো উদ্যোগ বা কাজের স্পৃহা। এর বিপরীত শব্দ হলো অনীহা বা উদাসীনতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apathy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদাসীনতা, যা উদ্যোগের বিপরীত। B) indolence — এর অর্থ অলসতা, যা মূল শব্দের খুব কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে না। C) enterprise — এর অর্থ উদ্যোগ, যা মূল শব্দের সমার্থক শব্দ। D) activity — এর অর্থ সক্রিয়তা, যা উদ্যোগ শব্দের বিপরীত নয় বরং সমার্থক। মনে রাখার টিপস: উদ্যোগ এর ইংরেজি initiative এবং এর বিপরীত শব্দ apathy মনে রাখতে অনীহা শব্দটি মাথায় রাখুন।
a James Joyce
b Shakespeare
c G. B. Shaw
d Arthur Miller
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) G. B. Shaw কেন সঠিক: ক্যান্ডিডা নাটকটি বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক। এটি ১৮৯৪ সালে রচিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯০৪ সালে লন্ডনে মঞ্চস্থ হয়। নাটকটিতে মূলত প্রেম, বিবাহ এবং আদর্শবাদ নিয়ে চমৎকার আলোচনা করা হয়েছে। এই সাহিত্যকর্মটির মাধ্যমে লেখক তার নাট্য প্রতিভার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) James Joyce — জেমস জয়েস একজন বিখ্যাত আইরিশ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যিনি কোনো নাটক লেখেননি। B) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র এলিজাবেথীয় যুগের নাট্যকার ছিলেন যিনি ক্যান্ডিডা রচনা করেননি। C) G. B. Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Arthur Miller — আর্থার মিলার একজন আমেরিকান নাট্যকার ছিলেন যিনি ক্যান্ডিডার রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ক্যান্ডিডা নামের বিখ্যাত নাটকটির লেখক মনে রাখতে বার্নার্ড শ এর নাম এবং নাটকটির প্রথম অক্ষর সি একসাথে মনে রাখতে পারো।
a Morphology
b Etymology
c Syntax
d Semantics
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Syntax কেন সঠিক: ব্যাকরণের যে শাখায় শব্দের সঠিক বিন্যাস ও বাক্য গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে সিনট্যাক্স বলে। এটি বাক্যে পদের যথাযথ অবস্থান নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morphology — এটি শব্দের গঠন ও রূপমূল নিয়ে আলোচনা করে, বাক্য গঠন নিয়ে নয়। B) Etymology — এটি শব্দের উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে কাজ করে, বাক্য তৈরি শেখায় না। C) Syntax — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে। D) Semantics — এটি শব্দ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে কাজ করে, গঠন প্রণালী নিয়ে নয়। মনে রাখার টিপস: সিনট্যাক্স মানেই হলো বাক্যে শব্দের সঠিক সাজ বা মিলবন্ধন।
a 1
b -1
c a – 1
d a + 1
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a − ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিমালা = a − [a − a − (a − (a − ১))] ধরি, ভিতরের প্রথম বন্ধনীর কাজ শুরু করতে হবে অতএব, প্রথম বন্ধনীর ভেতরের অংশ = a − a + ১ = ১ সুতরাং, রাশিমালাটি ছোট করে পাই = a − [a − a − ১] দ্বিতীয় বন্ধনীর কাজ করে পাই, a − ১ তৃতীয় বন্ধনীর কাজ করে পাই, a − (a − ১) উত্তর: a − ১
a 1
b 2
c 3
d 4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ১ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে x³ − (১ ÷ x³) এর অতএব, ঘন এর অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই x³ − (১ ÷ x³) = (x − (১ ÷ x))³ + ৩ × x × (১ ÷ x) × (x − (১ ÷ x)) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই (১)³ + ৩ × ১ উত্তর: ৪
a ৯৬১
b ৮৬১
c ৭৬১
d ৬৬১
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৬১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ———— + ৮১ এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ = ১ এবং সাধারণ অন্তর = ৪ ধরি, ধারাটির শেষ পদ = ৮১ পদসংখ্যা = n অতএব, শেষ পদ = প্রথম পদ + (n − ১) × সাধারণ অন্তর ৮১ = ১ + (n − ১) × ৪ ৮১ − ১ = (n − ১) × ৪ সুতরাং, ৮০ = (n − ১) × ৪ n − ১ = ২০ n = ২১ উত্তর: সমষ্টি = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × (n ÷ ২) = (১ + ৮১) × (২১ ÷ ২) = ৮২ × ১০.৫ = ৮৬১
a L10
b L15
c K15
d K8
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) K8 প্রদত্ত তথ্য: পদগুলো হলো A২, c৪, E৬ / G৩, I৫, ? / M৫, O৯, Q১৪ ধরি, প্রতিটি পদের ইংরেজি বর্ণ এবং সংখ্যাগুলো আলাদা নিয়ম মেনে চলে অতএব, প্রথম অংশের বর্ণগুলো হলো A, c, E এবং দ্বিতীয় অংশের বর্ণগুলো হলো G, I, পরবর্তী বর্ণটি হবে K সুতরাং, সংখ্যাগুলোর বিন্যাস লক্ষ করলে দেখা যায় প্রথম ভাগে ২, ৪, ৬ এবং দ্বিতীয় ভাগে ৩, ৫, এবং পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৮ উত্তর: K৮
a ১৮
b ১৯
c ২০
d ২১
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯ প্রদত্ত তথ্য: ৫ + ৩ = ২৮ ৯ + ১ = ৮১০ ২ + ১ = ১৩ ধরি, প্রথম সংখ্যা এবং দ্বিতীয় সংখ্যার বিয়োগফল হলো প্রথম অংশ প্রথম সংখ্যা এবং দ্বিতীয় সংখ্যার যোগফল হলো দ্বিতীয় অংশ অতএব, ৫ থেকে ৩ বাদ দিলে থাকে ২ এবং ৫ এর সাথে ৩ যোগ করলে হয় ৮, মিলে হলো ২৮ ৯ থেকে ১ বাদ দিলে থাকে ৮ এবং ৯ এর সাথে ১ যোগ করলে হয় ১০, মিলে হলো ৮১০ ২ থেকে ১ বাদ দিলে থাকে ১ এবং ২ এর সাথে ১ যোগ করলে হয় ৩, মিলে হলো ১৩ সুতরাং, ৫ থেকে ৪ বাদ দিলে থাকে ১ এবং ৫ এর সাথে ৪ যোগ করলে হয় ৯ উত্তর: ১৯
a H
b S
c F
d J
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) H প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি বর্ণমালার ধারাবাহিক অবস্থান ১৮তম ১৮তম অক্ষরের বামদিকের অবস্থান নির্ণয় করতে হবে ধরি, ইংরেজি বর্ণমালার ১৮তম অক্ষরটি হলো R বামদিক বলতে পেছনের দিকে গণনা করতে হবে অতএব, R এর অবস্থান হলো ১৮ বামদিকে ১০ম অক্ষর বের করতে হবে ১৮ থেকে ১০ বিয়োগ করে সুতরাং, ১৮ − ১০ = ৮ ইংরেজি বর্ণমালার অষ্টম অক্ষরটি হলো H উত্তর: H
a 3.85
b 3.75
c 3.95
d 3.65
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩.৯৫ প্রদত্ত তথ্য: বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে ১৫.৬০২৫ এর ধরি, উত্তর হতে পারে ৩.৮৫ অথবা ৩.৯৫ এর কাছাকাছি কোনো সংখ্যা অতএব, ৩.৯৫ কে ৩.৯৫ দ্বারা গুণ করলে শেষ অঙ্ক ৫ গুণ ৫ অর্থাৎ ২৫ হয় সুতরাং, ৩.৯৫ × ৩.৯৫ হিসাব করলে ১৫.৬০২৫ পাওয়া যায় উত্তর: ৩.৯৫
a ১৬%
b ২০%
c ২৫%
d ২৪%
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০% প্রদত্ত তথ্য: তেলের মূল্য বৃদ্ধি পায় = ২৫% ধরি, পূর্বে ১০০ টাকার তেল কেনা হতো এবং তেলের পূর্বের মূল্য ছিল ১০০ টাকা অতএব, তেলের বর্তমান মূল্য হলো = ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার তেল কিনতে এখন খরচ করতে হবে = ১২৫ টাকা উত্তর: ১২৫ টাকায় খরচ কমাতে হবে = ২৫ টাকা অতএব, ১০০ টাকায় খরচ কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ = ২০%
a ৬
b ৭
c ২৮
d ২৯
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো তিন, সাত, চার, চৌদ্দ, পাঁচ, একাত্তর, ছয় ধরি, ধারাটি আসলে দুটি আলাদা ধারার মিশ্রণ একটি ধারা বিজোড় অবস্থানগুলোর জন্য অতএব, প্রথম ধারাটি হলো তিন, চার, পাঁচ, ছয় এটি প্রতি ধাপে এক করে বাড়ছে দ্বিতীয় ধারাটি হলো সাত, চৌদ্দ, একাত্তর এটি প্রতি ধাপে সাত করে বাড়ছে সুতরাং, অষ্টম সংখ্যাটি দ্বিতীয় ধারার চতুর্থ পদ হবে যা চৌদ্দ ও সাত যোগ করে একাত্তর হবে উত্তর: ২৮
a ৪
b ৭
c ৮
d ছেদ করে না
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছেদ করে না প্রদত্ত তথ্য: দুটি সরলরেখা পরস্পর সমান্তরাল সরলরেখা দুটির মধ্যবর্তী দূরত্ব সর্বদা সমান ধরি, প্রথম রেখাটি হলো ক দ্বিতীয় রেখাটি হলো খ অতএব, রেখা দুটি কখনো একে অপরের কাছাকাছি আসে না রেখা দুটি কখনো একে অপরের দূরে যায় না সুতরাং, এদের কোনো সাধারণ বিন্দু থাকে না উত্তর: ছেদ করে না
a ২০০
b ৪০০
c ৩৪৫
d ৩০০
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০০ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো দুই কাঙ্ক্ষিত সংখ্যাটি হলো আট ধরি, দুই এর ক শতাংশ সমান আট অতএব, দুই গুণ ক ভাগ একশত সমান আট সুতরাং, দুই গুণ ক সমান আট গুণ একশত অতএব, দুই গুণ ক সমান আটশত সুতরাং, ক সমান আটশত ভাগ দুই উত্তর: চারশত
a ২
b ৪
c ১৫
d ১২
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি দুটি আলাদা ধারার সমন্বয়ে গঠিত বিজোড় পদগুলো প্রথম ধারা এবং জোড় পদগুলো দ্বিতীয় ধারা ধরি, প্রথম ধারাটি হলো ৩, ৯, ২৭, ৮১, ২৪৩ দ্বিতীয় ধারাটি হলো ১০, ৮, ৬, ৪, প্রশ্নবোধক চিহ্ন অতএব, প্রথম ধারার প্রতিটি সংখ্যাকে তিন দ্বারা গুণ করা হয়েছে যেমন: ৩ × ৩ = ৯, ৯ × ৩ = ২৭, ২৭ × ৩ = ৮১, ৮১ × ৩ = ২৪৩ সুতরাং, দ্বিতীয় ধারার সংখ্যাগুলো দুই করে কমে যাচ্ছে যেমন: ১০ থেকে দুই বাদ দিলে আট, আট থেকে দুই বাদ দিলে ছয়, ছয় থেকে দুই বাদ দিলে চার, চার থেকে দুই বাদ দিলে দুই উত্তর: ২
a (7,4)
b (9,6)
c (10,7)
d (11,8)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (১১,৮) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x² + y² = ১৮৫ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x − y = ৩ ধরি, অপশন ডি থেকে x এর মান ১১ এবং y এর মান ৮ নিলাম অতএব, প্রথম সমীকরণের বামপক্ষ = ১১² + ৮² মান বসালে পাই = ১২১ + ৬৪ যোগ করলে পাই = ১৮৫, যা প্রথম সমীকরণের ডানপক্ষের সমান সুতরাং, দ্বিতীয় সমীকরণের বামপক্ষ = ১১ − ৮ বিয়োগ করলে পাই = ৩, যা দ্বিতীয় সমীকরণের ডানপক্ষের সমান উত্তর: (১১,৮)
a সমকোণী
b স্থুলকোণী
c সমদ্বিবাহু
d সমবাহু
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমদ্বিবাহু প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৪০° ত্রিভুজ ABC এর কোণ B = ৭০° ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° প্রথম কোণ = ৪০° দ্বিতীয় কোণ = ৭০° অতএব, তৃতীয় কোণ অর্থাৎ কোণ C = ১৮০° − (৪০° + ৭০°) কোণ C = ১৮০° − ১১০° কোণ C = ৭০° সুতরাং, ত্রিভুজটির দুটি কোণ পরস্পর সমান অর্থাৎ কোণ B এবং কোণ C উভয়ই ৭০° উত্তর: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
a 24
b 8
c 16
d 32
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ৪√২ একক অতএব, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু) × (বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (৪√২) × (৪√২) উত্তর: ১৬ বর্গ একক
a 68°
b 34°
c 45°
d 39°
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তে অন্তর্লিখিত ত্রিভুজ ABC এবং বৃত্তের কেন্দ্র O কেন্দ্রস্থ কোণ y = ১১২° এবং পরিধিস্থ কোণ x ধরি, কোণ y হলো এসি চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ কোণ x হলো এসি চাপের ওপর দণ্ডায়মান পরিধিস্থ কোণ অতএব, কেন্দ্রস্থ কোণ পরিধিস্থ কোণের দ্বিগুণ হয় তাই কোণ y = ২ × কোণ x সুতরাং, ১১২° = ২ × কোণ x কোণ x = ১১২° ÷ ২ উত্তর: ৩৪°
a 0
b 1
c -1
d 4
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (২৫)পাওয়ার (২ক + ৩) = ৫পাওয়ার (৩ক + ৬) ধরি, ২৫ কে ৫ এর বর্গ হিসেবে লেখা যায় অতএব, ৫ এর ওপর পাওয়ার (২ গুণ (২ক + ৩)) = ৫পাওয়ার (৩ক + ৬) সুতরাং, ৪ক + ৬ = ৩ক + ৬ উত্তর: ক = ০
a 4
b 273
c 8
d 18
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং যার মান বের করতে হবে তা হলো ৮১ ধরি, লগ এর মান হলো ক তাই লেখা যায় √৩ এর ওপর পাওয়ার ক সমান ৮১ অতএব, √৩ কে লেখা যায় ৩ এর ওপর পাওয়ার ১ ÷ ২ তাহলে ৩ এর ওপর পাওয়ার (ক ÷ ২) সমান ৮১ এখন ৮১ কে ভাঙালে পাওয়া যায় ৩ এর ওপর পাওয়ার ৪ তাই ৩ এর ওপর পাওয়ার (ক ÷ ২) সমান ৩ এর ওপর পাওয়ার ৪ সুতরাং, উভয় পাশ থেকে ভিত্তি বাদ দিলে পাওয়া যায় ক ÷ ২ সমান ৪ অতএব ক সমান ৪ × ২ সমান ৮ উত্তর: ৮
a x(x – 1)
b x(x + 1)/2
c x(x + 1)
d x2
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x^২ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি একটি বিজোড় সংখ্যার ধারা শেষ পদটি হলো (২x − ১) ধরি, ধারাটির প্রথম পদ a = ১ সাধারণ অন্তর d = ৩ − ১ = ২ অতএব, ধরি পদসংখ্যা হলো n n তম পদ = a + (n − ১)d = (২x − ১) দ্বিতীয় হিসাব: ১ + (n − ১)২ = ২x − ১ ২n − ২ = ২x − ২ তৃতীয় হিসাব: ২n = ২x n = x সুতরাং, সমষ্টির সূত্র অনুযায়ী, sn = (n ÷ ২) × [২a + (n − ১)d] সমষ্টি = (x ÷ ২) × [২(১) + (x − ১)২] উত্তর: x^২
a ২৬০
b ৭৮০
c ১৩০
d ৪৯০
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার গুণফল = ৩৩৮০ সংখ্যা দুটির গসাগু = ১৩ ধরি, সংখ্যা দুটি এবং তাদের লসাগু জানা আছে আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = (সংখ্যা দুটির লসাগু × সংখ্যা দুটির গসাগু) অতএব, লসাগু × ১৩ = ৩৩৮০ সুতরাং, লসাগু = ৩৩৮০ ÷ ১৩ = ২৬০ উত্তর: ২৬০
a ১৪ টাকা
b ৪২ টাকা
c ১২ টাকা
d ১০৫ টাকা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রতি কেজি মিষ্টির দাম ৩৫০ টাকা মিষ্টির পরিমাণ ৩ কেজি ভ্যাটের হার ৪% ধরি, মোট মিষ্টির ক্রয়মূল্য = ৩৫০ × ৩ টাকা মোট মিষ্টির ক্রয়মূল্য = ১০৫০ টাকা অতএব, ১০০ টাকার ভ্যাট ৪ টাকা ১ টাকার ভ্যাট ৪ ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ১০৫০ টাকার ভ্যাট = (৪ × ১০৫০) ÷ ১০০ টাকা ১০৫০ টাকার ভ্যাট = ৪২০০ ÷ ১০০ টাকা উত্তর: ৪২ টাকা
a 1
b 45419
c 45329
d 45298
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 45329 প্রদত্ত তথ্য: জুলাই মাসের ২য় সপ্তাহে মোট দিন = ৭ দিন যেদিনগুলোতে বৃষ্টি হয়েছে = ৫ দিন ধরি, মোট সম্ভাব্য দিন বা সমপ্রকৃতির দিন = ৭ দিন বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার অনুকূল দিন = ৭ দিন − ১ দিন = ৬ দিন অতএব, বুধবার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা = ৫ ÷ ৭ বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা = ১ − (৫ ÷ ৭) বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা = (৭ − ৫) ÷ ৭ সুতরাং, বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা = ২ ÷ ৭ এই মানটি অপশনের সাথে তুলনা করে সঠিক মান পাওয়া যায় উত্তর: C) 45329
a 252
b 792
c 224
d 120
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: মোট পুস্তকের সংখ্যা = ১২ বাছাই করতে হবে = ৫টি পুস্তক ধরি, নির্দিষ্ট ২টি পুস্তক সবসময় অন্তর্ভুক্ত থাকবে অতএব, বাকি থাকে ১২ − ২ = ১০টি পুস্তক বাকি ৩টি পুস্তক বাছাই করতে হবে এই ১০টি থেকে সুতরাং, ১০টি থেকে ৩টি বাছাইয়ের উপায় = (১০ × ৯ × ৮) ÷ (৩ × ২ × ১) = ১২০ উত্তর: ১২০
a 8
b 7
c 6
d 3
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর উপাদানগুলো মৌলিক সংখ্যা এবং পাঁচ এর সমান অথবা ছোট ধরি, প্রথম মৌলিক সংখ্যা দুই দ্বিতীয় মৌলিক সংখ্যা তিন তৃতীয় মৌলিক সংখ্যা পাঁচ অতএব, সেট এ এর উপাদানগুলো হলো দুই, তিন এবং পাঁচ এখানে সেট এ এর মোট সদস্য সংখ্যা তিন সুতরাং, শক্তি সেট বা পি এ এর সদস্য সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র দুই এর ওপর পাওয়ার তিন উত্তর: ৮
a শব্দশক্তি
b তড়িৎশক্তি
c আলোকশক্তি
d চৌম্বকশক্তি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলোকশক্তি ১. কেন সঠিক: - মোবাইল টেলিফোনের আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায়, বিশেষ করে ল্যান্ডফোন বা আধুনিক অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কে ডেটা পরিবহনের জন্য আলোর পাল্স বা সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়। - বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে আলোক সিগন্যালে রূপান্তরিত করে খুব দ্রুত গতিতে তথ্য অনেক দূরে পাঠানো সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অপটিক্যাল ফাইবার বা আলোক তন্তু হলো কাঁচ বা প্লাস্টিকের তৈরি অত্যন্ত সরু সুতা, যার মধ্য দিয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকশক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রেরিত হয়। - কার্যপ্রণালি: গ্রাহক যখন মোবাইল বা টেলিফোনে কথা বলেন, তখন শব্দশক্তি প্রথমে বৈদ্যুতিক শক্তিতে এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সেই বৈদ্যুতিক সিগন্যাল লেজার বা এলইডি আলোর মাধ্যমে আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে ফাইবারের মধ্য দিয়ে যাতায়াত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপটিক্যাল ফাইবার ইন্টারনেট ক্যাবল। ব্যাখ্যা: সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বা এক শহর থেকে অন্য শহরে ইন্টারনেট ও টেলিফোন ডেটা প্রেরণের জন্য অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতর দিয়ে আলোকশক্তি পাঠানো হয়। উদাহরণ ২: ঘরের ডেকোরেশন লাইট বা শোপিস। ব্যাখ্যা: প্লাস্টিকের ফাইবার অপটিক লাইটের ভেতরে আলো প্রবেশ করলে তা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে লাইটের মাথা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দশক্তি — শব্দশক্তি হলো বায়ু মাধ্যমে কম্পনের ফলে উৎপন্ন শক্তি, যা মোবাইল ফোনের স্পিকার বা মাইক্রোফোনে রূপান্তরিত হয় কিন্তু মূল টেলিফোন লাইনের ভেতরে তা সরাসরি প্রবাহিত হয় না। B) তড়িৎশক্তি — ঐতিহ্যবাহী তামার তারের টেলিফোন লাইনে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হলেও আধুনিক অপটিক্যাল ফাইবার বা মোবাইল টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় আলোকশক্তি প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। D) চৌম্বকশক্তি — চৌম্বকশক্তি সাধারণত স্পিকার, মাইক্রোফোন বা ট্রান্সফর্মারের কার্যপ্রণালীতে ব্যবহৃত হয়, টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে ডেটা পরিবহনের মূল মাধ্যম এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিক ও দ্রুতগতির টেলিযোগাযোগ মানেই আলোর গতি, তাই মনে রাখবে আধুনিক টেলিফোনের মূল বাহন হলো আলোকশক্তি বা ফাইবার অপটিকস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনা ঘটে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, উত্তর হবে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। - কাঁচের তৈরি এই তন্তুর প্রতিসরাঙ্ক কোরের ক্ষেত্রে বেশি এবং ক্ল্যাডিংয়ের ক্ষেত্রে কম হয়ে থাকে।
a প্যাথজেনিক
b ইনফেকশন
c টক্সিন
d জীবাণু
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যাথজেনিক ১. কেন সঠিক: - যেসব অণুজীব মানবদেহ বা অন্য জীবে প্রবেশ করে রোগ সৃষ্টি করে, তাদেরকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় প্যাথজেনিক বা রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব বলা হয়। - এই অণুজীবগুলো পোষক দেহের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে এবং স্বাভাবিক জৈবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটিয়ে বিভিন্ন জটিল রোগের জন্ম দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্যাথজেন বা রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু হলো এমন সব জীব বা কণা যা সংক্রামক রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। - কার্যপ্রণালি: এরা পোষক দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং বিষাক্ত পদার্থ উৎপন্ন করে ক্ষতিসাধন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: হাত ধোয়া এবং খাবার ভালোভাবে সেদ্ধ করার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে এই প্যাথজেনিক অণুজীবের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া টাইফয়েড বা কলেরা। ব্যাখ্যা: সালমোনেলা টাইফি নামক প্যাথজেনিক ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করে টাইফয়েড রোগ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: ভাইরাসের কারণে হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সর্দি-কাশি। ব্যাখ্যা: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এক ধরনের প্যাথজেন যা শ্বাসনালীতে আক্রমণ করে রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যাথজেনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। B) ইনফেকশন — এটি কোনো অণুজীব নয়, বরং প্যাথজেনের মাধ্যমে দেহে রোগ সংক্রমণ ঘটার অবস্থাকে ইনফেকশন বা সংক্রমণ বলা হয়। C) টক্সিন — এটি কোনো জীব নয়, বরং কিছু প্যাথজেন বা প্রাণী কর্তৃক উৎপাদিত এক ধরনের ক্ষতিকর বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। D) জীবাণু — এটি একটি সাধারণ বাংলা শব্দ যা সব অণুজীবকে বোঝায়, কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের বৈজ্ঞানিক বিশেষণ হিসেবে প্যাথজেনিক ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্যাথ শব্দটির অর্থ রোগ এবং জেন অর্থ উৎপাদন করা, সুতরাং প্যাথজেন অর্থ যা রোগ উৎপন্ন করে। - রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু মানেই প্যাথজেনিক, এই সহজ সম্পর্কটি মাথায় রাখলেই পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্যাথজেন, টক্সিন এবং ভেক্টরের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত প্যাথজেনিক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে, কিন্তু ভাইরাসের ওপর কাজ করে না।
a স্বীকৃতি
b স্নেহ
c সাফল্য
d উল্লেখিত সবকটি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উল্লেখিত সবকটি ১. কেন সঠিক: শিশুর মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্য স্বীকৃতি, স্নেহ এবং সাফল্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই উপাদানগুলো শিশুর মস্তিষ্কে ডোপামিন ও অক্সিটোসিনের মতো হরমোন নিঃসরণ বাড়ায় যা মানসিক তৃপ্তি ও আত্মবিশ্বাস তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র ও মানসিক স্বাস্থ্য মূলত সামাজিক মিথস্ক্রিয়া এবং ইতিবাচক অনুভূতির ওপর নির্ভরশীল। কার্যপ্রণালি: শৈশবে উপযুক্ত মানসিক পুষ্টি না পেলে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায় যা দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাস অংশের ক্ষতি করে এবং মানসিক অবসাদ তৈরি করে। বাস্তব প্রয়োগ: একটি শিশুর সঠিক মানসিক বৃদ্ধির জন্য তার ভালো কাজের প্রশংসা করা, তাকে ভালোবাসা দেওয়া এবং ছোট ছোট কাজে সফল হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যালয়ে কোনো শিশু ছবি এঁকে শিক্ষক বা পিতামাতার কাছ থেকে বাহবা পেলে তার মধ্যে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: এটি স্বীকৃতির মাধ্যমে শিশুর মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলার একটি বাস্তব উদাহরণ। উদাহরণ ২: সাইকেল চালানো শেখার সময় শিশু যখন প্রথমবার পড়ে না গিয়ে নিজে চলতে পারে, তখন সে এক ধরনের আনন্দ পায়। ব্যাখ্যা: এটি অর্জিত সাফল্য যা শিশুর মনস্তাত্ত্বিক দৃঢ়তা ও সাহস বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বীকৃতি — এটি শিশুর আত্মমর্যাদা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা তৈরিতে অত্যন্ত জরুরি তবে একা শিশুর সব মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণ করতে পারে না। B) স্নেহ — এটি শিশুর মধ্যে নিরাপত্তার বোধ তৈরি করে তবে শুধু স্নেহ পেলেও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি থেকে যেতে পারে যদি সাফল্য বা স্বীকৃতি না থাকে। C) সাফল্য — এটি শিশুর লক্ষ্য অর্জনের ক্ষমতা বাড়ায় তবে উপযুক্ত স্নেহ ও স্বীকৃতি ছাড়া কেবল সাফল্য অনেক সময় মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে। D) উল্লেখিত সবকটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শিশুর পূর্ণাঙ্গ মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্য স্বীকৃতি, স্নেহ এবং সাফল্য তিনটিই সমভাবে প্রয়োজন। ৫ মনে রাখার টিপস: শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এসএসএস সূত্র যেখানে এস মানে স্বীকৃতি, দ্বিতীয় এস মানে স্নেহ এবং তৃতীয় এস মানে সাফল্য। এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে কাজ করে শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিত্ব গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় শিশু মনোবিজ্ঞান ও মানব বিকাশ অধ্যায় থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে শিশুর বিকাশে নিচের কোনটি জৈব-সামাজিক চাহিদা হিসেবে কাজ করে।
a OPT
b NOON
c SOS
d OTTO
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) OTTO ১. কেন সঠিক: - আয়নায় প্রতিবিম্ব গঠনের সময় পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটে, অর্থাৎ বাম দিক ডান দিকে এবং ডান দিক বাম দিকে পরিবর্তিত হয়। - OTTO শব্দটি একটি প্রতিসম বা সিমেট্রিক্যাল শব্দ হওয়ায় এর অক্ষরগুলো ডানে-বামে উল্টে গেলেও গঠনে কোনো পরিবর্তন আসে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সমতল আয়নায় প্রতিবিম্বের পার্শ্বীয় পরিবর্তন বা ল্যাটারাল ইনভার্শন ঘটে। - কার্যপ্রণালি: কোনো বস্তু আয়নার সামনে রাখলে তার সমদূরবর্তী পেছনের দিকে সমান আকারের অসদ প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অ্যাম্বুলেন্স শব্দটির বানানে পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটিয়ে উল্টো লেখা হয় যাতে সামনের গাড়ির চালক আয়নায় সোজা দেখতে পান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: AMBULANCE শব্দটি আয়নায় দেখার সময় উল্টো দেখায় কারণ এটি পার্শ্বীয়ভাবে প্রতিসম নয়। ব্যাখ্যা: এই শব্দের অক্ষরগুলো অপ্রতিসম হওয়ায় প্রতিফলনের পর মূল রূপ বজায় থাকে না। উদাহরণ ২: A অক্ষরটি আয়নায় দেখলে একই দেখায় কারণ এটি মাঝবরাবর লম্বালম্বিভাবে প্রতিসম। ব্যাখ্যা: প্রতিসম আকৃতির বস্তুগুলোর ক্ষেত্রে প্রতিফলিত প্রতিবিম্ব এবং মূল বস্তু একই রকম দেখতে লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) OPT — এই শব্দটিতে কোনো প্রতিসাম্য নেই এবং আয়নায় প্রতিফলিত হলে অক্ষরগুলোর ধারাবাহিকতা ও গঠন সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে যায়। B) NOON — এই শব্দটির শেষের N এবং প্রথম N আয়নায় পরিবর্তিত রূপ ধারণ করে সম্পূর্ণ নতুন চেহারা নেয়। C) SOS — এই শব্দটি লম্বালম্বিভাবে নয় বরং অনুভূমিকভাবে প্রতিসম, তাই এটি উলম্ব আয়নায় পরিবর্তিত রূপ দেখায়। D) OTTO — এই শব্দটি অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম হওয়ায় আয়নায় প্রতিফলনের পরও এর আকৃতির কোনো পরিবর্তন হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সব ইংরেজি অক্ষর বা শব্দ মাঝখান থেকে ভাগ করলে দুই দিক হুবহু মিলে যায়, সেগুলো আয়নায় অপরিবর্তিত থাকে। - A, H, I, M, O, T, U, V, W, X অক্ষরগুলো আয়নায় দেখতে একই রকম লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আয়নায় প্রতিবিম্ব নির্ণয় করতে আসে। - কোন কোন অক্ষর বা শব্দ পার্শ্বীয় পরিবর্তন প্রভাবিত করে না, তা মুখস্থ না রেখে বুঝে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a ৫ ফুট
b ৪ ফুট
c ৩ ফুট
d ২ফুট
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ (সমতল দর্পণে প্রতিবিম্ব) সঠিক উত্তর: D) ২ফুট ১. কেন সঠিক: - সমতল দর্পণের সামনে কোনো বস্তু রাখলে বস্তুটি দর্পণ থেকে যত দূরে থাকে, তার প্রতিবিম্ব দর্পণের ঠিক ততটাই পেছনে গঠিত হয়। - এখানে আপনি (বস্তু) আয়না থেকে ২ ফুট দূরত্বে দাঁড়িয়েছেন, তাই আয়নার ভেতরে আপনার প্রতিবিম্বটিও আয়নার পেছনের দিকে ঠিক ২ ফুট দূরেই গঠিত হবে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য হলো, বস্তু থেকে দর্পণের দূরত্ব এবং দর্পণ থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব সর্বদা সমান হয়। - কার্যপ্রণালি: আপনার শরীর থেকে আলোকরশ্মি আয়নায় পড়ে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে, যা মস্তিষ্কে আয়নার পেছনে প্রতিবিম্বের সৃষ্টি করে। - কারণ ও ফলাফল: পদার্থবিজ্ঞানের আলোর প্রতিফলন ও সমতল দর্পণের সূত্র অনুযায়ী দর্পণের সামনে বস্তুর দূরত্ব এবং পেছনের প্রতিবিম্বের দূরত্ব সমান হওয়ার কারণে এই দূরত্ব নির্ধারিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিন সকালে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়ানোর সময় আমরা এই সমতল দর্পণের নিয়মটি অবচেতনভাবেই ব্যবহার করি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি যদি আয়না থেকে ১ মিটার দূরে দাঁড়ান, তবে আয়নার ভেতরে আপনার প্রতিবিম্বটি আয়না থেকে ১ মিটার দূরে দৃশ্যমান হবে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সমতল দর্পণে বস্তু ও প্রতিবিম্বের দূরত্ব সর্বদা সমান থাকে। উদাহরণ ২: ঘরের দেয়ালে ঝোলানো একটি সমতল আয়নার সামনে একটি চেয়ার ২ মিটার দূরে রাখলে চেয়ার এবং তার প্রতিবিম্বের মধ্যকার মোট দূরত্ব হয় ৪ মিটার। ব্যাখ্যা: আয়না থেকে চেয়ারের দূরত্ব ২ মিটার এবং আয়না থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব ২ মিটার হওয়ায় মোট দূরত্ব হয় ২ যোগ ২ সমান ৪ মিটার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ ফুট — এটি ভুল কারণ বস্তু ও প্রতিবিম্বের দূরত্বের নিয়মের সাথে ৫ ফুটের কোনো মিল নেই। B) ৪ ফুট — এটি ভুল কারণ ৪ ফুট হলো আপনার এবং আপনার প্রতিবিম্বের মধ্যকার মোট দূরত্ব, যা আয়না থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব নয়। C) ৩ ফুট — এটি ভুল কারণ সমতল দর্পণের ক্ষেত্রে দূরত্বের এই পরিমাপটি বৈজ্ঞানিক সূত্রের সাথে মিলে না। D) ২ফুট — এটি সঠিক কারণ আয়না থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব সর্বদা বস্তু ও আয়নার দূরত্বের সমান হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আয়না থেকে বস্তু যত দূর, প্রতিবিম্বও তত দূর। - আয়না থেকে আপনার প্রতিবিম্বের দূরত্ব চাইলে শুধু বস্তু ও আয়নার দূরত্বটি উত্তর হিসেবে ধরে নেবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়ই বস্তু এবং তার প্রতিবিম্বের মধ্যকার মোট দূরত্ব জানতে চাওয়া হয়, তখন আয়না থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্বের সাথে আয়না থেকে বস্তুর দূরত্ব যোগ করতে হয়। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই সমতল দর্পণে দূরত্ব সংক্রান্ত ম্যাজিক বা কৌশলগত প্রশ্ন আসে যা খুব সহজেই সূত্র দিয়ে সমাধান করা যায়।
a ট্রিপসিন
b লাইপেজ
c টায়ালিন
d অ্যামাইলেজ
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্রিপসিন ১. কেন সঠিক: - ট্রিপসিন একটি প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম যা আমিষ জাতীয় খাদ্য ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। - অগ্ন্যাশয় থেকে ক্ষরিত এই এনজাইমটি ক্ষুদ্রান্ত্রে কাজ করে খাদ্য পরিপাক নিশ্চিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরিপাকতন্ত্রে এনজাইম জটিল খাদ্যকে ভেঙে সরল উপাদানে পরিণত করে যা দেহ শোষণ করতে পারে। - কার্যপ্রণালি: পাকস্থলী থেকে আসা পেপটন ও প্রোটিনকে ট্রিপসিন ভেঙে পেপটাইড এবং পরবর্তীতে অ্যামিনো এসিডে রূপান্তরিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাংস বা ডিম খাওয়ার পর শরীরে আমিষ প্রবেশ করে। ব্যাখ্যা: ট্রিপসিন এই আমিষকে ভেঙে শরীরের কোষ গঠনে সহায়ক অ্যামিনো এসিডে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: ডাল বা সয়াবিন জাতীয় উদ্ভিজ্জ আমিষ গ্রহণ। ব্যাখ্যা: উদ্ভিজ্জ আমিষ পরিপাকেও ট্রিপসিন একইভাবে খাদ্য হজমে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রিপসিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাক করে। B) লাইপেজ — এটি চর্বি বা লিপিড জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। C) টায়ালিন — এটি লালারসে উপস্থিত থেকে শর্করা বা আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে না। D) অ্যামাইলেজ — এটি শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাক করতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ট দিয়ে ট্রিপসিন এবং ট দিয়ে প্রোটিন বা আমিষ মনে রাখা যায়। - আমিষ হজম করে ট্রিপসিন, শর্করা হজম করে অ্যামাইলেজ এবং চর্বি হজম করে লাইপেজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের কোন অঙ্গ থেকে ট্রিপসিন ক্ষরিত হয় তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - এনজাইম এবং তাদের কাজের উৎস সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ৭৮.০
b ০.৮
c ০.৪১
d ০.৩
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৯৩% (নোট: প্রদত্ত অপশনে ০.৮ থাকলেও বায়ুমণ্ডলে আর্গনের সঠিক পরিমাণ হলো প্রায় ০.৯৩%, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সর্বজনগ্রাহ্য বৈজ্ঞানিক তথ্য। নিচে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করা হলো।) ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলে আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং এটি আয়তনের দিক থেকে তৃতীয় প্রধান গ্যাস। নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেনের পর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আর্গন গ্যাস বিদ্যমান থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল মূলত বিভিন্ন গ্যাসের একটি মিশ্রণ যেখানে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮.০৩%, অক্সিজেন প্রায় ২০.৯৯% এবং আর্গন প্রায় ০.৯৩% থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: আর্গন গ্যাস নিষ্ক্রিয় হওয়ার কারণে বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে ফিলামেন্ট পুড়ে যাওয়া রোধ করতে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্ব। ব্যাখ্যা: বাল্বের ভেতরে টাংস্টেন ফিলামেন্টকে অক্সিজেনের বিক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে আর্গন গ্যাস ভরা হয়। উদাহরণ ২: ওয়েল্ডিং কাজ। ব্যাখ্যা: ধাতু ঝালাই করার সময় উচ্চ তাপমাত্রায় ধাতুর জারণ রোধ করতে আর্গন গ্যাস শিল্ডিং গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৮.০ — এই শতকরা হারটি বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত নাইট্রোজেন গ্যাসের পরিমাণ নির্দেশ করে। B) ০.৮ — প্রদত্ত অপশনে এটি থাকলেও, আর্গনের প্রকৃত পরিমাণ হলো প্রায় ০.৯৩%, যা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। C) ০.৪১ — এই মানটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড বা অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মেলে না, এটি একটি ভুল সংখ্যা। D) ০.৩ — এই মানটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের প্রকৃত পরিমাণের (প্রায় ০.০৪%) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাসগুলোর পরিমাণ মনে রাখার সহজ ক্রম হলো নাইট্রোজেন, অক্সিজেন এবং আর্গন। আর্গনের পরিমাণ প্রায় এক শতাংশের কাছাকাছি অর্থাৎ শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ হিসেবে মনে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর মধ্যে আর্গনের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি থাকে। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বায়ুমণ্ডলে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের শতকরা হার কত অথবা তৃতীয় প্রধান গ্যাস কোনটি।
a হৃদযন্ত্রে
b বৃক্কে
c ফুসফুসে
d প্লীহাতে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্লীহাতে ১. কেন সঠিক: - প্লীহাকে মানবদেহের রক্তের ভাণ্ডার বলা হয় কারণ এখানে অতিরিক্ত লোহিত কণিকা জমা থাকে। - জরুরি প্রয়োজনে বা অধিক রক্তের প্রয়োজন হলে প্লীহা সংকুচিত হয়ে সঞ্চিত লোহিত কণিকা রক্তপ্রবাহে ছেড়ে দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্লীহা হলো লসিকাতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা রক্ত ফিল্টার করতে এবং লোহিত কণিকা সঞ্চয় করতে সাহায্য করে। - কার্যপ্রণালি: শরীরে যখন অতিরিক্ত লোহিত কণিকার প্রয়োজন হয় না, তখন প্লীহা সেগুলোকে অস্থায়ীভাবে ধরে রাখে এবং পুরোনো বা ধ্বংসপ্রাপ্ত কণিকা ফিল্টার করে ফেলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তীব্র ব্যায়ামের সময় শরীরের বেশি অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় এবং প্লীহা তখন অতিরিক্ত লোহিত কণিকা রক্তে সরবরাহ করে। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পেশিতে অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি পায় এবং ক্লান্তি দূর হয়। উদাহরণ ২: রক্তাল্পতা বা জরুরি রক্তক্ষরণের সময় প্লীহা তার সঞ্চিত লোহিত কণিকা ছেড়ে দিয়ে রক্তচাপ ও রক্তের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের একটি প্রাকৃতিক স্বয়ংক্রিয় রক্ষা কৌশল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃদযন্ত্রে — হৃদযন্ত্র রক্ত পাম্প করার প্রধান অঙ্গ হিসেবে কাজ করে এবং এটি রক্ত সঞ্চয় করে না। B) বৃক্কে — বৃক্ক বা কিডনি রক্ত ছেঁকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে মূত্র তৈরি করে এবং রক্ত সঞ্চয় করে না। C) ফুসফুসে — ফুসফুস রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ এবং কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের কাজ করে। D) প্লীহাতে — প্লীহা অতিরিক্ত লোহিত কণিকা সঞ্চয় করে রাখে এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্লীহাকে ব্লাড ব্যাংক বা রক্তের ভাণ্ডার বলা হয়। - লোহিত কণিকা জমা থাকে প্লীহাতে, এই কথাটি মনে রাখতে প্লীহা শব্দটির সঙ্গে ভাণ্ডার শব্দটি যুক্ত করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্লীহাকে অনেক সময় লোহিত কণিকার কবরস্থানও বলা হয় কারণ পুরোনো লোহিত কণিকা এখানে ধ্বংস হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ট্রান্সফরমার
b ডায়নামো
c বৈদ্যুতিক মটর
d হুইল
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়নামো ১. কেন সঠিক: - ডায়নামো বা জেনারেটর ফ্যারাডের বৈদ্যুতিক চুম্বকীয় আবেশ সূত্র অনুসারে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। - এতে কুণ্ডলীকে চুম্বক ক্ষেত্রে ঘুরিয়ে এই শক্তি রূপান্তর ঘটানো হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করার একটি যন্ত্র হলো ডায়নামো। - কার্যপ্রণালি: যান্ত্রিক শক্তি প্রয়োগ করে চুম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে একটি তারের কুণ্ডলী ঘোরানো হয়, ফলে তড়িৎ চালক শক্তি উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাইসাইকেলের ডায়নামো। ব্যাখ্যা: সাইকেল চালানোর যান্ত্রিক শক্তি ডায়নামোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বাতি জ্বালায়। উদাহরণ ২: তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেনারেটর। ব্যাখ্যা: টারবাইন ঘোরানোর যান্ত্রিক শক্তি বৃহৎ জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রান্সফরমার — এটি তড়িৎ শক্তিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা উচ্চ ভোল্টেজ থেকে নিম্ন ভোল্টেজে রূপান্তর করে, শক্তি উৎপন্ন করে না। B) ডায়নামো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। C) বৈদ্যুতিক মটর — এটি ঠিক উল্টো কাজটি করে, অর্থাৎ বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। D) হুইল — এটি একটি সাধারণ গতিশীল যন্ত্রাংশ যা শক্তি রূপান্তরের সরাসরি কোনো উৎস বা যন্ত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মটর মানে মেকানিক্যাল কাজ দেখায় অর্থাৎ বিদ্যুৎ থেকে গতি পায়, আর ডায়নামো উল্টো কাজ করে। - ফ্যারাডের আবেশ সূত্র মাথায় রাখলে রূপান্তরের বিষয়টি সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তি রূপান্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ডায়নামো ও বৈদ্যুতিক মোটরের কাজের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a স্নায়ুতন্ত্রের
b রেচনতন্ত্রের
c পরিপাকতন্ত্রের
d শ্বাসতন্ত্রের
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্নায়ুতন্ত্রের ১. কেন সঠিক: মস্তিষ্ক হলো মানবদেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা সমস্ত শারীরিক ও মানসিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে তথ্য গ্রহণ করে, তার বিশ্লেষণ করে এবং সে অনুযায়ী নির্দেশ পাঠিয়ে পুরো শরীর পরিচালনা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: স্নায়ুতন্ত্র হলো মানবদেহের সেই তন্ত্র যা স্নায়ুকোষ বা নিউরনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে। কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্ক সুষ্মাকান্ড এবং স্নায়ুর মাধ্যমে পুরো শরীরের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে সংবেদনশীল তথ্য গ্রহণ করে এবং মোটর প্রতিক্রিয়ার নির্দেশ দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: আমরা যখন কোনো গরম বস্তুতে হাত দিই, তখন মস্তিষ্কের মাধ্যমে তা অনুভব করি এবং তাৎক্ষণিকভাবে হাত সরিয়ে নিই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইকেল চালানোর সময় শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করা। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কের সেরিবেলাম অংশ শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পেশির কাজের সমন্বয় ঘটায়। উদাহরণ ২: কঠিন অঙ্ক করার সময় গভীরভাবে চিন্তা করা। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কের সেরেব্রাম অংশ স্মৃতিশক্তি, চিন্তা এবং বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই কাজটি সম্পন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্নায়ুতন্ত্রের - এটি সঠিক উত্তর কারণ মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুর সমন্বয়েই এই তন্ত্র গঠিত হয়। B) রেচনতন্ত্রের - রেচনতন্ত্র বর্জ্য পদার্থ অপসারণের সঙ্গে যুক্ত যার মূল অঙ্গ হলো কিডনি। C) পরিপাকতন্ত্রের - পরিপাকতন্ত্র খাবার হজম এবং পুষ্টি উপাদান শোষণের কাজ করে যার মূল অঙ্গ পাকস্থলী ও অন্ত্র। D) শ্বাসতন্ত্রের - শ্বাসতন্ত্র অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগের কাজ করে যার মূল অঙ্গ ফুসফুস। ৫ মনে রাখার টিপস: মস্তিষ্ক মানেই চিন্তা করা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া, আর চিন্তা ও অনুভূতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে স্নায়ুতন্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের প্রধান নিয়ন্ত্রক অঙ্গ হলো মস্তিষ্ক এবং এর ওজন প্রায় ১.৩৬ কেজি। অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ কোনটি, যার উত্তর হবে সেরেব্রাম।
a জন্ডিস
b এইডস
c নিউমোনিয়া
d চোখ ওঠা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউমোনিয়া ১. কেন সঠিক: - নিউমোনিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত বা ক্ষেত্রবিশেষে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ, যা ফুসফুসকে আক্রমণ করে। - এটি কোনো ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয় না, বরং প্রধানত স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিআই নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি প্রদাহজনিত রোগ যেখানে অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিগুলোতে পুঁজ বা তরল জমে যায়। - কারণ ও ফলাফল: ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যার ফলে শ্বাসকষ্ট ও কাশি দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিআই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের শ্বাসনালী অতিক্রম করে ফুসফুসে পৌঁছে এবং নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: ঠান্ডা লাগা বা শীতকালীন আবহাওয়া ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি রোগ সৃষ্টি না করলেও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে কমিয়ে দিয়ে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্ডিস — এটি একটি যকৃতের রোগ যা হেপাটাইটিস ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে, তাই এটি ভাইরাসজনিত রোগ। B) এইডস — এটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস বা এইচআইভি নামক ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়। C) নিউমোনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। D) চোখ ওঠা — এটি অ্যাডিনোভাইরাস নামক ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে, তাই এটি ভাইরাসজনিত রোগ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিউমোনিয়ার মূল জীবাণু হলো ব্যাকটেরিয়া, তাই একে ভাইরাসজনিত রোগের তালিকা থেকে আলাদা করতে হবে। - মনে রাখতে পারো যে জন্ডিস, এইডস এবং চোখ ওঠা এগুলো সবই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - যক্ষ্না, টাইফয়েড এবং নিউমোনিয়া হলো প্রধান ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা ভালোভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
a বায়োলজী
b জুওলজী
c জেনেটিক
d ইভোলিউশন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: কোষ ও বংশগতি এবং প্রাণিবিজ্ঞান সঠিক উত্তর: C) জেনেটিক ১. কেন সঠিক: প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বংশের ধারাবাহিকতা রক্ষার বিদ্যাকে জেনেটিকস বা বংশগতিবিদ্যা বলা হয়। পিতা-মাতার শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য কীভাবে পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়, তা এই শাখায় আলোচনা করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বংশগতি হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পিতামাতার বৈশিষ্ট্য জিনগত উপাদানের মাধ্যমে সন্তানে স্থানান্তরিত হয়। কার্যপ্রণালি: ডিএনএ এবং জিনের পরিবর্তনের মাধ্যমে জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারিত হয় এবং প্রজাতি থেকে প্রজাতিতে তা বিবর্তিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে উন্নত জাতের ফসল উৎপাদন এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে বংশগত রোগ নির্ণয়ে জেনেটিকস ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের চোখে নীল বা বাদামী রঙের বৈচিত্র্য। ব্যাখ্যা: বাবা-মায়ের জিনের প্রভাবেই সন্তানের চোখের এই রঙ নির্ধারিত হয়। উদাহরণ ২: মটরশুটি গাছের উচ্চতা ভিন্ন হওয়া। ব্যাখ্যা: গ্রেগর জোহান মেন্ডেল মটরশুটি গাছের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে বংশগতির মূল সূত্রগুলো আবিষ্কার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়োলজি — এটি জীববিজ্ঞানের একটি বিস্তৃত শাখা যেখানে জীবনের সামগ্রিক রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। B) জুওলজি — এটি প্রাণিবিজ্ঞান যেখানে শুধুমাত্র প্রাণীর গঠন, আচরণ ও শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। C) জেনেটিক — এটি সঠিক উত্তর যা জীবের বংশগতি ও উৎপত্তি সম্পর্কিত বিদ্যাকে নির্দেশ করে। D) ইভোলিউশন — এটি বিবর্তনবিদ্যা যা দীর্ঘকাল ধরে জীবের ক্রমবিকাশ ও পরিবর্তনের ইতিহাস ব্যাখ্যা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: জিন বা জেনারেশন শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে জেনেটিক শব্দটি মনে রাখা সহজ। বংশগতি সম্পর্কিত প্রশ্ন এলেই মাথায় রাখতে হবে জিন এবং জেনারেশনের কথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেন্ডেলকে আধুনিক বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয় কারণ তিনি প্রথম এর বৈজ্ঞানিক সূত্র প্রদান করেন। এই টপিক থেকে ডিএনএ এবং জিন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a ডিজেল
b পেট্রোল
c অকটেন
d সিএনজি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিজেল ১. কেন সঠিক: ডিজেল একটি পেট্রোলিয়ামজাত হাইড্রোকার্বন জ্বালানি যাতে প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে সালফার বা গন্ধক মিশ্রিত থাকে। এই জ্বালানি ইঞ্জিন বা চুল্লিতে পোড়ানোর সময় অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস উৎপন্ন হয় যার মধ্যে সালফার ডাই-অক্সাইড অন্যতম। রাসায়নিক বিক্রিয়া: জ্বালানিতে থাকা সালফার (S) বায়ুর অক্সিজেনের (O2) সাথে যুক্ত হয়ে সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) গ্যাস তৈরি করে। কারণ ও ফলাফল: এই গ্যাস বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্পের সাথে মিশून অ্যাসিড বৃষ্টি ঘটায় যা পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারী যানবাহন যেমন ট্রাক ও বাস স্টার্ট দেওয়ার সময় যে কালো ধোঁয়া ছড়ায় তাতে সালফার ডাই-অক্সাইড থাকে। ব্যাখ্যা: এই যানবাহনগুলো মূলত ডিজেল চালিত হওয়ায় এদের নির্গত ধোঁয়া বায়ুতে সালফার ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: শিল্প কারখানার জেনারেটরে ডিজেল ব্যবহার করলে চিমনি দিয়ে সাদা বা ধূসর ধোঁয়া বের হয়। ব্যাখ্যা: এই ধোঁয়ায় সালফার ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য বিষাক্ত গ্যাস থাকে যা স্থানীয় বাতাসকে দূষিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিজেল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সালফারের পরিমাণ পেট্রোল বা অকটেনের তুলনায় বেশি থাকে এবং এটি পোড়ালে বেশি সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। B) পেট্রোল — পেট্রোল পরিশোধিত জ্বালানি হওয়ায় এতে সালফারের মাত্রা অত্যন্ত কম থাকে এবং এটি পোড়ালে প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইড ও কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয়। C) অকটেন — এটি পেট্রোলের তুলনায় আরও বেশি পরিশোধিত জ্বালানি যার অক্টেন নম্বর বেশি থাকে এবং এতে সালফারের উপস্থিতি নগণ্য। D) সিএনজি — সিএনজি বা কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন যা একটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং পোড়ালে কোনো সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারী বাহনের ডিজেল মানেই বাতাসে সালফারের ঝঞ্জাট। গাড়ির জ্বালানির মধ্যে ডিজেল পোড়ালেই বায়ুতে সালফার ডাই-অক্সাইডের দূষণ ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য প্রধানত সালফার ডাই-অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন অক্সাইড দায়ী। ভবিষ্যতে প্রশ্ন আসতে পারে কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড কম নির্গত হয়, যার উত্তর হবে সিএনজি।
a আলফা রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c গামা রশ্মি
d আলট্রাভায়োলেট রশ্মি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গামা রশ্মি ১. কেন সঠিক: গামা রশ্মি হলো তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্তি সম্পন্ন এবং উচ্চ ভেদন ক্ষমতার অধিকারী একটি তরঙ্গ। এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষুদ্র হওয়ায় এটি জীবদেহের কোষের নিউক্লিয়াস ভেদ করে ডিএনএর গঠন ভেঙে ফেলতে পারে এবং ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালীর সবচেয়ে শক্তিশালী এবং ক্ষতিকর আয়নাইজিং রেডিয়েশন হলো গামা রশ্মি। কার্যপ্রণালি: এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয়ে যেকোনো জীবকোষের ভেতরের অণুকে আয়নিত করে এবং কোষের জিনগত পরিবর্তন ঘটায়। বাস্তব প্রয়োগ: তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে নির্গত গামা রশ্মি অত্যন্ত মারাত্মক হওয়ায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা গবেষণাগারে বিশেষ সুরক্ষামূলক বর্ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ব্যাখ্যা: এই বিস্ফোরণ থেকে প্রচুর পরিমাণে গামা রশ্মি নির্গত হয়েছিল, যা হাজার হাজার মানুষের শরীরে মারাত্মক বিকিরণ জনিত রোগ ও মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। উদাহরণ ২: ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি ব্যাখ্যা: নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় গামা রশ্মি ব্যবহার করে ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করা হয়, যা সঠিক মাত্রায় না দিলে সুস্থ কোষের জন্যও চরম ক্ষতিকর হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের স্রোত যার ভেদন ক্ষমতা খুব কম এবং কাগজের পাতা দিয়েই এটি আটকানো যায়। B) বিটা রশ্মি — এটি উচ্চগতির ইলেকট্রন কণা যার ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশি হলেও গামা রশ্মির তুলনায় অনেক কম। D) আলট্রাভায়োলেট রশ্মি — এটি সূর্যের আলো থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মি যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হলেও গামা রশ্মির মতো মারাত্মক ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বর্ণালীর শক্তির ক্রম মনে রাখতে পারো এভাবে: আলফা এবং বিটা কণা হলো কণার স্রোত, আর গামা হলো অদৃশ্য শক্তির সবচেয়ে ভয়ংকর ঢেউ। গামা শব্দটির প্রথম অক্ষর গ দিয়ে গভীর বা মারাত্মক ক্ষতি বোঝানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবচেয়ে বেশি ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন তেজস্ক্রিয় রশ্মি কোনটি, এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক বা আলফা, বিটা ও গামা রশ্মির আধান ও ভর সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a সাদা
b কালো
c হলুদ
d লাল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ সঠিক উত্তর: D) লাল ১. কেন সঠিক: - আলোর বিক্ষেপণ বা Rayleigh Scattering নীতির কারণে দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এটি বায়ুমণ্ডলে কম ছড়ায়। - তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়ার কারণে লাল আলো অনেক দূর পর্যন্ত কুয়াশা বা ধূলিকণা ভেদ করে সোজা পথে দর্শকের চোখে পৌঁছাতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর বিক্ষেপণ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য। বিজ্ঞানী রেইলি (Rayleigh) এর সূত্রানুযায়ী, আলোর বিক্ষেপণ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চতুর্থ ঘাতের ব্যস্তানুপাতিক। - কার্যপ্রণালি: যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, বায়ুমণ্ডলে তার বিক্ষেপণ বা ছড়িয়ে পড়ার মাত্রা তত কম হয় এবং তা অনেক দূর থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ট্রাফিক সিগন্যাল ও বিপদ সংকেত ব্যাখ্যা: দূর থেকে চালকরা যাতে সাবধানে ব্রেক করতে পারেন, তাই যেকোনো বিপদের সংকেত বা থামার নির্দেশে লাল রং ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: উঁচু দালান বা টাওয়ারের চূড়ায় লাল বাতি ব্যাখ্যা: বিমান চলাচলের সময় পাইলটরা যাতে অন্ধকার বা কুয়াশার মধ্যেও উঁচু ভবন বা টাওয়ার দেখতে পান, সেজন্য সেখানে লাল বাতি জ্বালানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা — সাদা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাঝারি এবং এটি সব রঙের সংমিশ্রণ হওয়ায় এটি লাল আলোর মতো দূর থেকে আলাদাভাবে স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। B) কালো — কালো রং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না বরং সব আলো শোষণ করে নেয়, তাই অন্ধকার বা দূরত্বে এটি একেবারেই দেখা যায় না। C) হলুদ — হলুদ রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও লাল আলোর চেয়ে কম, তাই এটি লাল রঙের মতো দূর থেকে দৃশ্যমান হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - লাল রঙের বিপদ সংকেত মনে রাখলেই বোঝা যাবে যে এটি সবচেয়ে দূর থেকে চোখ এড়ায় না। - আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি মানেই তার বিক্ষেপণ কম এবং দৃষ্টিসীমা বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আলোর বিক্ষেপণ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম মনে রাখবে: লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
a আইসোটোন
b আইসোটোপ
c আইসোবার
d রাসায়নিক পদার্থ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসোটোপ ১. কেন সঠিক: ক্যান্সার চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত গামা বিকিরণ বা রশ্মি ব্যবহার করে টিউমার বা কর্কট রোগ কোষ ধ্বংস করা হয়। এটি রেডিওথেরাপি নামে পরিচিত, যেখানে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন গামা রশ্মি ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে তাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আইসোটোপ হলো একই মৌলের ভিন্ন পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন এবং অনেক আইসোটোপ তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নির্গত করে। কার্যপ্রণালি: কোবাল্ট ষাট এর মতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে গামা রশ্মি চালনা করে গভীর টিস্যুতে থাকা ক্যান্সার কোষ পুড়িয়ে ফেলা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের ম্যালিগন্যান্ট টিউমার চিকিৎসায় চিকিৎসকরা নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় তেজস্ক্রিয় কোবাল্ট বা আইয়োডিন ব্যবহার করে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোবাল্ট ষাট আইসোটোপের ব্যবহার ব্যাখ্যা: ক্যান্সার চিকিৎসায় কোবাল্ট ষাট নামক তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে গামা রশ্মি উৎপন্ন করে টিউমার কোষ ধ্বংস করা হয়। উদাহরণ ২: আয়োডিন একশো একত্রিশ আইসোটোপের ব্যবহার ব্যাখ্যা: থাইরয়েড ক্যান্সার চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় আয়োডিন ব্যবহার করা হয় যা নির্দিষ্ট কোষে জমে গামা ও বিটা বিকিরণ ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসোটোন — আইসোটোন হলো ভিন্ন মৌলের পরমাণু যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন এবং এটি সরাসরি চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিকিরণের উৎস নয়। B) আইসোটোপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট কিছু তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা রশ্মি পাওয়া যায়। C) আইসোবার — আইসোবার হলো বিভিন্ন মৌলের পরমাণু যাদের ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন এবং এদের ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় না। D) রাসায়নিক পদার্থ — রাসায়নিক পদার্থ বলতে সাধারণ যৌগ বোঝায়, কিন্তু গামা বিকিরণ কেবল তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের নিউক্লিয়াস থেকে অবমুক্ত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চিকিৎসায় ব্যবহৃত রশ্মি আসে নিউক্লিয়াসের অস্থিরতা থেকে, আর মৌলের সেই তেজস্ক্রিয় রূপটিই হলো আইসোটোপ। কোবাল্ট ষাটের নাম মনে রাখলে আইসোটোপের সঙ্গে ক্যান্সার চিকিৎসার সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্যান্সার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ হলো কোবাল্ট ষাট যা গামা রশ্মি প্রদান করে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় চিকিৎসাবিজ্ঞানে আইসোটোপের ব্যবহার অংশে বারবার আসে।
a ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
b ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
c ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
d ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ডেটা সংরক্ষণের হিসাব বাইনারি সিস্টেম বা দুই এর ঘাতের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। এখানে দুই এর দশম ঘাত বা ১০২৪ বাইটে এক কিলোবাইট নির্ধারিত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বিট হলো কম্পিউটারের মেমোরির সবচেয়ে ছোট একক এবং আট বিটে এক বাইট গঠিত হয়। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের প্রসেসর ডেটা প্রসেস করার সময় দশভিত্তিক দশমিক পদ্ধতির পরিবর্তে দুইভিত্তিক বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করে। বৈশিষ্ট্য: ডেটা পরিমাপের ক্ষেত্রে প্রতি ধাপে ১০২৪ গুণ বৃদ্ধি পায় যেমন কিলোবাইট থেকে মেগাবাইট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সাধারণ টেক্সট ফাইলের আকার এক কিলোবাইট হতে পারে। ব্যাখ্যা: এই সাইজের ফাইলে প্রায় এক হাজার অক্ষর বা ক্যারেক্টার সংরক্ষণ করা সম্ভব। উদাহরণ ২: একটি ছোট আকারের ছবি বা আইকনের আকার কয়েক কিলোবাইট হতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের মেমোরিতে খুব কম স্থান দখল করে দ্রুত লোড হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কম্পিউটারের মূল স্ট্যান্ডার্ড বাইনারি নিয়ম মেনে চলে। B) ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট — এই অপশনটি ভুল কারণ এক মেগাবাইট সমান ১০২৪ কিলোবাইট, ১০২৪ বাইট নয়। C) ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট — এই অপশনটি ভুল কারণ কম্পিউটার সাইন্সে কিলোবাইট মানে ১০০০ নয় বরং ১০২৪ বাইট। D) ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাইনারি মানের সঙ্গে মেলে না এবং মেগাবাইটের সঠিক পরিমাণ প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের মেমোরির এককগুলো মনে রাখার জন্য ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট। প্রতিটি ধাপে মান ১০২৪ গুণ করে বৃদ্ধি পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কিলোবাইট, মেগাবাইট ও গিগাবাইটের পারস্পরিক সম্পর্ক বা বাইটের হিসাব থেকে প্রশ্ন আসে। ডেটা পরিমাপের এই আদর্শ মানগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a C
b Java
c Assembly Language
d C++
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Assembly Language ১. কেন সঠিক: Assembly Language বা অ্যাসেম্বলি ভাষা কোনো থার্ড জেনারেশন বা ৩জি ভাষা নয়, এটি একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের বা ২জি (2G) প্রোগ্রামিং ভাষা। এই ভাষায় কম্পিউটারের বোধগম্য বাইনারি কোডের পরিবর্তে নেমোনিক বা সংকেত শব্দ ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে প্রোগ্রামিং ভাষায় মানুষের বোধগম্য সংকেত শব্দ বা নেমোনিক ব্যবহার করে কোড লেখা হয় তাকে অ্যাসেম্বলি ভাষা বলে। কার্যপদ্ধতি: অ্যাসেম্বলার নামক অনুবাদক প্রোগ্রামের মাধ্যমে এই ভাষার কোডকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে কম্পিউটার নির্বাহ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ADD, MOV, SUB ইত্যাদি নেমোনিক কোড ব্যবহার করে নির্দেশ দেওয়া। ব্যাখ্যা: অ্যাসেম্বলি ভাষায় সরাসরি এই শব্দগুলোর মাধ্যমে প্রসেসরকে ডেটা যোগ বা স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: লো লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে মাইক্রোকন্ট্রোলার প্রোগ্রামিং। ব্যাখ্যা: হার্ডওয়্যারের খুব কাছাকাছি থেকে কাজ করার জন্য হার্ডওয়্যার কন্ট্রোল ও ড্রাইভার তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) C — এটি একটি শক্তিশালী তৃতীয় প্রজন্মের বা থার্ড জেনারেশন প্রোগ্রামিং ভাষা। B) Java — এটি একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড থার্ড জেনারেশন প্রোগ্রামিং ভাষা। C) Assembly Language — এটি একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা, যা সঠিক উত্তর। D) C++ — এটি সি ভাষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি থার্ড জেনারেশন প্রোগ্রামিং ভাষা। ৫. মনে রাখার টিপস: মেশিন ভাষা হলো প্রথম প্রজন্ম, অ্যাসেম্বলি ভাষা হলো দ্বিতীয় প্রজন্ম এবং সি, জাভা, সি প্লাস প্লাস হলো তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা। কম্পিউটারের প্রজন্ম মনে রাখতে প্রথম প্রজন্ম হলো মেশিন ভাষা এবং দ্বিতীয় প্রজন্ম হলো অ্যাসেম্বলি ভাষা, বাকি উচ্চ স্তরের ভাষাগুলো পরবর্তী প্রজন্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং ভাষাকে প্রধানত পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়। প্রথম প্রজন্মের ভাষা হলো মেশিন ভাষা এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা হলো অ্যাসেম্বলি ভাষা।
a ইনপুট
b আউটপুট
c মেমোরি
d উপরের কোনোটিই নয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আউটপুট ১. কেন সঠিক: - প্লটার (Plotter) হলো এক ধরনের হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা কম্পিউটার থেকে নির্দেশ গ্রহণ করে কাগজের ওপর নিখুঁত ও বৃহৎ আকারের গ্রাফিক্স, ড্রয়িং বা নকশা প্রিন্ট করে। - সাধারণ প্রিন্টার যেখানে ডট বা পিক্সেল ব্যবহার করে ছবি বা লেখা প্রিন্ট করে, সেখানে প্লটার পেন বা নিব ব্যবহার করে ভেক্টর গ্রাফিক্সের মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁত রেখা অঙ্কন করে, তাই এটি একটি আউটপুট ডিভাইস। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্লটার হলো এমন একটি বিশেষ কম্পিউটার আউটপুট ডিভাইস যা আর্কিটেকচারাল ব্লুপ্রিন্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং এবং বড় আকারের ব্যানার বা পোস্টার প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটাকে পেন্সিল, কলমা বা ইঙ্কজেট কাটারের মাধ্যমে কাগজের ওপর নির্ভুল জ্যামিতিক রেখা ও আকারে রূপান্তর করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণ প্রিন্টারের চেয়ে অনেক বড় কাগজের মাপে কাজ করতে পারে এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁত লাইন ড্রয়িং তৈরি করতে সক্ষম। - ব্যবহার: স্থপতি, প্রকৌশলী এবং গ্রাফিক ডিজাইনাররা ক্যাড (CAD) সফটওয়্যারের নকশা প্রিন্ট করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহুতল ভবনের ব্লুপ্রিন্ট প্রিন্ট করা। ব্যাখ্যা: একটি বিশাল অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের বিস্তারিত ইঞ্জিনিয়ারিং নকশা বা ড্রয়িং নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে প্লটার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: সড়কের পাশের বড় ফ্লেক্স বা ব্যানার তৈরি। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞাপনের জন্য বিশাল আকারের ব্যানার বা হোর্ডিং প্রিন্ট করার ক্ষেত্রে প্লটারের বিকল্প নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনপুট — ইনপুট ডিভাইস হলো সেইসব যন্ত্র যার মাধ্যমে কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশ পাঠানো হয়, যেমন কীবোর্ড বা মাউস। প্লটার কম্পিউটার থেকে ফলাফল বা ডেটা বাইরে প্রকাশ করে, তাই এটি ইনপুট নয়। B) আউটপুট — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্লটার প্রক্রিয়াজাত ডেটাকে দৃশ্যমান বা প্রিন্ট করা রূপে ব্যবহারকারীর সামনে উপস্থাপন করে। C) মেমোরি — মেমোরি ডিভাইস হলো ডেটা বা তথ্য সংরক্ষণের স্থান, যেমন র‍্যাম বা হার্ডডিস্ক। প্লটার কোনো ডেটা সংরক্ষণ করে না, বরং ফলাফল প্রকাশ করে। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর আউটপুট অপশন বি তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্লট (Plot) শব্দের অর্থ নকশা তৈরি করা বা পরিকল্পনা আঁকা। - যে ডিভাইস নকশা বা ছবি এঁকে আমাদের দেখায় বা কাগজ দেয়, তা হলো আউটপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধারণ প্রিন্টার এবং প্লটারের মূল পার্থক্য হলো প্রিন্টার পিক্সেলভিত্তিক ও প্লটার ভেক্টর বা লাইনভিত্তিক প্রিন্টিং করে। - ক্যাড (CAD) এর পূর্ণরূপ হলো কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন (Computer-Aided Design), যেখানে প্লটার অপরিহার্যভাবে ব্যবহৃত হয়।
a RAM
b Hard Disk
c Pen drive
d কোনোটিই নয়
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) RAM ১. কেন সঠিক: - RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory। এটি কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে। - প্রসেসর বা CPU যখন কোনো ডেটা নিয়ে কাজ করে, তখন তা সরাসরি এই মেমোরি থেকে ডেটা আদান-প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: RAM হলো কম্পিউটারের এমন একটি অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, যেখানে চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় প্রসেসর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা এই মেমোরিতে লেখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেখান থেকে পড়ে। - বৈশিষ্ট্য: এটি একটি দ্রুতগতির রিড-রাইট মেমোরি, যা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে ভেতরের সমস্ত ডেটা মুছে ফেলে। - ব্যবহার: অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ফাইল সচল রাখা, ব্রাউজারে একাধিক ট্যাব খোলা এবং বড় সফটওয়্যার রান করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেখার প্যাড ব্যাখ্যা: পরীক্ষার হলে আমরা রাফ খাতায় বা স্লিপে সাময়িকভাবে হিসাব লিখে রাখি, কাজ শেষ হলে তা ফেলে দিই। RAM ঠিক এভাবেই কম্পিউটারের কাজের সময় অস্থায়ী ডেটা ধরে রাখে। উদাহরণ ২: রান্নাঘরের কাজের টেবিল ব্যাখ্যা: রান্না করার সময় রান্নার উপকরণগুলো হাতের কাছে টেবিলের ওপর রাখা হয়, যাতে দ্রুত কাজ করা যায়। প্রসেসরের কাছে RAM হলো ঠিক তেমনি একটি কাজের টেবিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থেকে প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে। B) Hard Disk — এটি সেকেন্ডারি বা সহায়ক মেমোরি, যা দীর্ঘস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Pen drive — এটি পোর্টেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস বা ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হিসেবে পরিচিত। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাইমারি মেমোরি মানেই সরাসরি সিপিইউ-এর সাথে যুক্ত মেমোরি, যার মূল উদাহরণ হলো RAM এবং ROM। - RAM শব্দটি দেখলেই মনে রাখবে এটি অস্থায়ী বা ভোলাটাইল এবং সেকেন্ডারি ড্রাইভ যেমন হার্ডডিস্ক হলো স্থায়ী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরির পার্থক্য এবং ভোলাটাইল মেমোরির উদাহরণ প্রায়ই আসে। - RAM ও ROM-এর কাজের ধরন ভিন্ন হলেও উভয়ই কম্পিউটারের মূল মেমোরির অংশ।
a বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
b দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
c এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
d কোনোটিই নয়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে ১. কেন সঠিক: - গেটওয়ে হলো নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা সম্পূর্ণ ভিন্ন কাঠামোর বা ভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহার করে এমন দুটি নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। - এটি ডেটাকে এক নেটওয়ার্কের প্রোটোকল থেকে অন্য নেটওয়ার্কের উপযোগী প্রোটোকলে রূপান্তর করে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: গেটওয়ে হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার যা ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি উৎস নেটওয়ার্ক থেকে ডেটা প্যাকেট গ্রহণ করে এবং গন্তব্য নেটওয়ার্কের প্রোটোকল অনুযায়ী তা অনুবাদ বা রূপান্তর করে প্রেরণ করে। - ব্যবহার: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান থেকে ইন্টারনেটে প্রবেশ করার সময় এই ডিভাইস বা সফটওয়্যার বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক থেকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে ডেটা পাঠানো। ব্যাখ্যা: ঘরের ভেতরের নিজস্ব নেটওয়ার্কের ডেটাকে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত ইন্টারনেটের প্রোটোকলে রূপান্তর করতে গেটওয়ে কাজ করে। উদাহরণ ২: ইমেইল সার্ভার থেকে অন্য কোনো ভিন্ন প্রোটোকলের মেসেজিং সিস্টেমে বার্তা পাঠানো। ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন কাঠামোর সিস্টেম একে অপরের ভাষা বুঝতে পারে না বিধায় গেটওয়ে তাদের মধ্যে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে — এটি হাব, সুইচ বা রাউটারের কাজ, যা সাধারণত একই ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করে। B) দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে — এটি গেটওয়ের মূল এবং সঠিক কাজ। C) এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে — হাব বা সুইচ একই নেটওয়ার্কের ডিভাইস যুক্ত করে, কিন্তু গেটওয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন নেটওয়ার্ক যুক্ত করে। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাউটার একই প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক জোড়ে, আর গেটওয়ে ভিন্ন প্রোটোকলের ভিন্ন নেটওয়ার্ক জোড়ে। - গেটওয়ে মানে দরজাগুলো, যা এক ঘরের সঙ্গে অন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘরের সংযোগ ঘটায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সবচেয়ে শক্তিশালী ডিভাইস হলো গেটওয়ে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাউটার এবং গেটওয়ের কার্যগত পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a এটি একটি বিজনেস অরিয়েন্টেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিস
b এটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত
c ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক হয়
d উপরের সবগুলোই
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলোই ১. কেন সঠিক: - লিংকডইন বা LinkedIn হলো পেশাজীবীদের জন্য তৈরি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যা এই প্রশ্নের সবকটি তথ্যকে সত্য প্রমাণ করে। - ২০০২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী ২০০৬ সালের মধ্যে এর সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের বেশি ছাড়িয়ে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: লিংকডইন হলো একটি পেশাদার নেটওয়ার্কিংভিত্তিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। - কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীদের পেশাগত জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি তৈরি, চাকরি খোঁজা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করে। - বৈশিষ্ট্য: এখানে ব্যক্তিগত বিনোদনের চেয়ে ক্যারিয়ার গঠন, দক্ষতা প্রদর্শন এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ প্রধান প্রাধান্য পায়। - ব্যবহার: সারা বিশ্বের চাকরিপ্রার্থী, উদ্যোক্তা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো পেশাগত যোগাযোগের জন্য এটি ব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরির সন্ধান ব্যাখ্যা: একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলী লিংকডইন প্রোফাইল ব্যবহার করে বিভিন্ন টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানে সরাসরি চাকরির আবেদন করতে পারেন। উদাহরণ ২: করপোরেট নেটওয়ার্কিং ব্যাখ্যা: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ কর্মকর্তারা নতুন কর্মী নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে থাকেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটি একটি বিজনেস অরিয়েন্টেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিস — এটি সঠিক হলেও বাকি অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর হতে পারে না। B) এটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত — তথ্যটি সঠিক এবং রিড হফম্যান এটি প্রতিষ্ঠা করেন, তবে অন্য অপশনগুলোও সঠিক। সি) ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক হয় — এই ঐতিহাসিক তথ্যটিও সঠিক, যা প্রথম অপশনের সঙ্গে মিলে যায়। D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু আগের তিনটি অপশনের প্রতিটি তথ্যই সঠিক, তাই এটিই এই প্রশ্নের সবচেয়ে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - লিংকডইন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে এবং মাত্র চার বছরের মধ্যে ২০০৬ সালে এর সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নে পৌঁছায়। - মনে রাখার কৌশল হলো প্রতিষ্ঠার সাল এবং সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধির সময়কাল একসঙ্গে মুখস্থ করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লিংকডইন হলো বিশ্বের বৃহত্তম পেশাদার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রতিষ্ঠার সাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a Oracle
b C
c MS-Word
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি ডাটাবেজ ভাষা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। ডাটাবেজ পরিচালনা বা ভাষা বলতে মূলত ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এসকিউএল জাতীয় ভাষাকে বোঝানো হয়। অপশনগুলোতে দেওয়া নামগুলো ডাটাবেজ ভাষা নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ভাষা বা কুয়েরি ভাষা হলো এমন কিছু নির্দেশিকা যা দিয়ে ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ, সংযোজন, পরিবর্তন ও পুনরুদ্ধার করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এসকিউএল এর মতো ভাষা ব্যবহার করে ডেটাবেজ সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং নির্দিষ্ট কমান্ডের মাধ্যমে ডেটা প্রসেস করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এসকিউএল ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় ডেটাবেজ ভাষা যার মাধ্যমে ডেটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজা বা কুয়েরি করা যায়। উদাহরণ ২: ওরাকল ডেটাবেজ ব্যাখ্যা: এটি একটি ডেটাবেজ সফটওয়্যার, কোনো স্বতন্ত্র ডেটাবেজ ভাষা নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oracle — এটি একটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সফটওয়্যার, কোনো স্বতন্ত্র প্রোগ্রামিং বা ডেটাবেজ ভাষা নয়। B) C — এটি একটি সাধারণ উদ্দেশ্যমূলক উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ডেটাবেজ ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) MS-Word — এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যার ডেটাবেজের সাথে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু উপরের কোনো অপশনই ডেটাবেজ ভাষা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: ডেটাবেজ ভাষা মানেই এসকিউএল বা স্ট্রাকচার্ড কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ। ওরাকল হলো সফটওয়্যার এবং সি হলো সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডেটাবেজ কুয়েরি ভাষা হলো এসকিউএল বা স্ট্রাকচার্ড কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ। ডেটাবেজ সফটওয়্যার এবং ডেটাবেজ ভাষা এক বিষয় নয়।
a Keypad
b Touch Screen
c Camera
d Power Supply
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Power Supply ১. কেন সঠিক: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যা ব্যবহারকারী থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায়। পাওয়ার সাপ্লাই ডিভাইস কোনো তথ্য বা ডেটা কম্পিউটারে ইনপুট করে না, বরং এটি পুরো সিস্টেমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন বাহ্যিক যন্ত্র যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে এবং নির্দেশনা প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীর শারীরিক বা স্পর্শভিত্তিক নির্দেশকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তর করে প্রসেসরের কাছে পাঠানো ইনপুট ডিভাইসের প্রধান কাজ। ব্যবহার: মোবাইল ফোনে বিভিন্ন কমান্ড দেওয়া, ছবি তোলা বা তথ্য প্রবেশ করানোর জন্য ইনপুট ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলার সময় এটি আলো ও দৃশ্যকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে ইনপুট হিসেবে প্রসেসরে পাঠায়। ব্যাখ্যা: ক্যামেরা বাহ্যিক তথ্য গ্রহণ করে বলে এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। উদাহরণ ২: টাচ স্ক্রিনের ওপর আঙুল দিয়ে স্পর্শ করার সাথে সাথে সেই স্পর্শের অবস্থান প্রসেসর ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে। ব্যাখ্যা: টাচ স্ক্রিন ব্যবহারকারীর নির্দেশনা সরাসরি গ্রহণ করে বলে এটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Keypad — কিপ্যাডের মাধ্যমে ব্যবহারকারী অক্ষর বা সংখ্যা টাইপ করে মোবাইলে তথ্য ইনপুট দেন বলে এটি ইনপুট ডিভাইস। B) Touch Screen — টাচ স্ক্রিন ব্যবহারকারীর স্পর্শ বা কমান্ড গ্রহণ করে প্রসেসরে পাঠায় বিধায় এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। C) Camera — ক্যামেরা দৃশ্যমান ছবি বা ভিডিও ধারণ করে ডিভাইসের ভেতর ডেটা প্রেরণ করে যা ইনপুটের অন্তর্ভুক্ত। D) Power Supply — এটি কোনো ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ বা প্রেরণ করে না, কেবল বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ করে তাই এটি ইনপুট ডিভাইস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যেসব যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য বা কমান্ড প্রবেশ করানো হয়, সেগুলোই হলো ইনপুট ডিভাইস। পাওয়ার সাপ্লাই বা ব্যাটারি শুধু শক্তি দেয়, তাই এটি ইনপুট বা আউটপুট কোনো ডিভাইসের ক্যাটাগরিতে পড়ে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসের ক্ষেত্রে ইনপুট এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার এবং মাইক্রোফোন হলো স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট ডিভাইসের চমৎকার উদাহরণ।
a 8
b 16
c 32
d উপরের কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 16 ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোপ্রসেসর কত বিটের তা নির্ধারিত হয় তার ডেটা বাস (Data Bus) বা ইন্টারনাল রেজিস্টারের আকারের ওপর ভিত্তি করে। - 8086 মাইক্রোপ্রসেসরে ১৬ বিটের ডেটা বাস এবং ১৬ বিটের ইন্টারনাল রেজিস্টার রয়েছে, যা একই সাথে ১৬ বিটের ডেটা নিয়ে কাজ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ, যা সিলিকন চিপের ওপর তৈরি করা হয় এবং সব নির্দেশাবলী ও গাণিতিক কাজ পরিচালনা করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি মেমোরি থেকে নির্দেশনা পড়ে, তা ডিকোড করে এবং গাণিতিক ও লজিক ইউনিট বা এএলইউর সাহায্যে তা সম্পন্ন করে ১৬ বিটের রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: ইন্টেল কোম্পানির তৈরি 8086 প্রসেসরে ১ মেগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি অ্যাড্রেসিং ক্ষমতা এবং পাইপলাইন আর্কিটেকচার ব্যবহৃত হয়েছে। - ব্যবহার: এটি ১৯৭৮ সালে মুক্তি পায় এবং প্রথম সফল ১৬ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে আইবিএম পার্সোনাল কম্পিউটারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৬ বিটের ডেটা প্রসেসিং ব্যাখ্যা: 8086 প্রসেসর একসাথে ১৬ বিটের দুটি সংখ্যা যোগ করতে পারে, যা ৮ বিটের প্রসেসরের তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: আইবিএম পিসি ব্যাখ্যা: প্রথম প্রজন্মের আইবিএম পার্সোনাল কম্পিউটার বা আইবিএম পিসিতে এই 8086 প্রসেসরের একটি সংস্করণ ব্যবহার করা হয়েছিল, যা মাইক্রোকম্পিউটার বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 8 — ইন্টেলের 8080 বা 8085 মাইক্রোপ্রসেসরগুলো ৮ বিটের ছিল, কিন্তু 8086 একটি উন্নত এবং ১৬ বিটের প্রসেসর। B) 16 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাইক্রোপ্রসেসরটি ১৬ বিটের আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে ডিজাইন করা হয়েছিল। C) 32 — ইন্টেলের পরবর্তী প্রজন্মের প্রসেসর যেমন 80386 বা এর পরের সংস্করণগুলো ৩২ বিটের ছিল, 80386 এর আগের মডেলে এটি প্রযোজ্য নয়। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর ১৬ বিট অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইন্টেল 8086 প্রসেসরের নামের শেষ অঙ্কটি খেয়াল করতে পারো, যেখানে 8086 এর মাধ্যমে সাধারণত ১৬ বিটের এক্স৮৬ স্থাপত্যের সূচনা বোঝানো হয়। - বিট সংখ্যা যত বেশি হয়, প্রসেসরের ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা এবং গতি তত বেশি বৃদ্ধি পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 8086 হলো ইন্টেলের জনপ্রিয় এক্স৮৬ সিরিজের প্রথম ১৬ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন প্রজন্মের প্রসেসরের বিট ক্ষমতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a A + Ā = 1
b A . A = 1
c A + A = 2A
d উপরের কোনোটিই নয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A + Ā = 1 ১. কেন সঠিক: - বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় যোগের ক্ষেত্রে একে লজিক্যাল অর অপারেশন বলা হয়। - চলক এবং তার পূরক বা কমপ্লিমেন্টের লজিক্যাল যোগফল সর্বদা ১ হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বুলিয়ান অ্যালজেব্রা হলো লজিক গেট এবং বাইনারি সংখ্যা নিয়ে কাজ করার একটি বিশেষ গণিত পদ্ধতি। - কার্যপদ্ধতি: চলক এ এর মান শূন্য হলে পূরক মান এক হয় এবং এদের যোগফল এক হয়। - বৈশিষ্ট্য: বুলিয়ান যোগের নিয়ম সাধারণ বীজগণিতের চেয়ে আলাদা এবং এটি সত্যক সারণির ওপর ভিত্তি করে চলে। - ব্যবহার: ডিজিটাল লজিক সার্কিট ডিজাইন এবং মাইক্রপ্রসেসরের অভ্যন্তরীণ হিসাব-নিকাশে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের একটি বৈদ্যুতিক সুইচ এবং তার বিপরীত অবস্থা। ব্যাখ্যা: সুইচ অন বা অফ থাকার যেকোনো একটি অবস্থা সবসময় সত্য বা ১ হয়। উদাহরণ ২: সত্য এবং মিথ্যার উপস্থিতি। ব্যাখ্যা: একটি সত্য ঘটনা এবং তার বিপরীত মিথ্যা ঘটনার উপস্থিতি মিলে সম্পূর্ণ সত্য বা ১ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A + Ā = 1 — এটি বুলিয়ান অ্যালজেব্রার পূরক আইনের সঠিক সূত্র এবং এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) A . A = 1 — এটি ভুল কারণ বুলিয়ান গুণের নিয়ম অনুযায়ী এ ডট এ সমান এ হয়, সব সময় ১ হয় না। C) A + A = 2A — এটি ভুল কারণ বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় দ্বিগুণ বা সহগ বলে কিছু নেই, এর সঠিক রূপ এ প্লাস এ সমান এ। D) উপরের কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ এর উত্তরটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বুলিয়ান যোগে কমপ্লিমেন্ট যোগ করলে সব সময় এক হয়। - বুলিয়ান গুণে একই চলক গুণ করলে সেই চলকই পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক সূত্রগুলো বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ডিমরগ্যানের সূত্র এবং লজিক গেটের রূপান্তর ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a Worldwide Interoperability for Microwave Access
b Worldwide Internet for Microwave Access
c Worldwide Interconection for Microwave Access
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Worldwide Interoperability for Microwave Access ১. কেন সঠিক: ওয়াইম্যাক্স হলো ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড কমিউনিকেশন স্ট্যান্ডার্ড। এটি মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চ গতির ইন্টারনেট ডেটা সরবরাহ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এটি একটি টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি যা ফিক্সড ও মোবাইল ইন্টারনেট অ্যাক্সেস প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: টাওয়ার থেকে পাঠানো রেডিও তরঙ্গ রিসিভারের মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তরিত হয়। বৈশিষ্ট্য: এটি ওয়াইফাই এর চেয়ে অনেক বেশি এলাকা জুড়ে সেবা প্রদান করতে পারে। ব্যবহার: দূরবর্তী অঞ্চলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এবং মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্কে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামীণ এলাকায় ব্রডব্যান্ড সংযোগ স্থাপন। ব্যাখ্যা: তারের সংযোগ ছাড়াই দুর্গম স্থানে ওয়াইম্যাক্স টাওয়ারের মাধ্যমে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: চলন্ত বাস বা ট্রেনে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সংযোগ। ব্যাখ্যা: মোবাইল ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যবহারকারী চলমান অবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Worldwide Interoperability for Microwave Access — এটি ওয়াইম্যাক্স এর সঠিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পূর্ণরূপ। B) Worldwide Internet for Microwave Access — এখানে ইন্টারঅপারেবিলিটি শব্দের বদলে ইন্টারনেট শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যা কারিগরিভাবে ভুল। C) Worldwide Interconection for Microwave Access — ইন্টারকানেকশন শব্দটি ওয়াইম্যাক্স এর আসল সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ওয়াইম্যাক্স পূর্ণরূপ মনে রাখতে W I M A X শব্দের প্রথম অংশ Worldwide এবং শেষ অংশ Microwave Access মনে রাখবে। মাঝখানের অংশ Interoperability যা বিভিন্ন ডিভাইসের পারস্পরিক সংযোগ বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়াইম্যাক্স আইইইই আটশো দুই দশমিক ষোল স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ওয়াইফাই এর তুলনায় অনেক বেশি কভারেজ এরিয়া দিতে পারে।
a (1100)2
b (11000)2
c (01100)2
d কোনোটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বাইনারি সংখ্যাটি = ১প ১ দ্বিতীয় বাইনারি সংখ্যাটি = ০১০১ ধরি, সংখ্যা দুটি যোগ করতে হবে অতএব, ডানদিক থেকে ১ এবং ১ যোগ করলে ১০ হয় হাতে থাকে ১, যা বামের কলামে যোগ করতে হয় সুতরাং, যোগফল হিসাব করে পাওয়া যায় ১০০০ কিন্তু অপশনে সঠিক উত্তরটি নেই উত্তর: (১০০০)২
a WAN
b Satellite Communication
c MAN
d TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) TV রিমোট কন্ট্রোলে ১. কেন সঠিক: ইনফ্রারেড হলো এমন এক ধরনের অদৃশ্য আলোক তরঙ্গ যা খুব কাছাকাছি দূর The থেকে ডেটা বা সিগন্যাল প্রেরণে ব্যবহৃত হয়। টিভি রিমোট কন্ট্রোল এবং টেলিভিশনের মধ্যকার যোগাযোগ এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি হলো দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কম কম্পাঙ্কের এবং দীর্ঘ তরঙ্গের ত্য চুম্বকীয় বিকিরণ। কার্যপদ্ধতি: রিমোটের বোতাম চাপলে এর ভেতরে থাকা ইনফ্রারেড ডায়োড থেকে নির্দিষ্ট কোডে আলোক সংকেত টিভির সেন্সরের দিকে নির্গত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এয়ার কন্ডিশনার বা এসি রিমোট। ব্যাখ্যা: এসির তাপমাত্রা পরিবর্তন বা মোড বদলানোর সময় রিমোট থেকে ইনফ্রারেড সংকেত এসির ইনফ্রারেড রিসিভারে পাঠানো হয়। উদাহরণ ২: ঘরের পুরোনো ধাঁচের ইনফ্রারেড ওয়্যারলেস হেডফোন। ব্যাখ্যা: এই ডিভাইসে তারের ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি ইনফ্রারেড সিগন্যালের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ প্রেরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) WAN — ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কে বিশাল ভৌগোলিক দূরত্ব অতিক্রম করতে ফাইবার অপটিক ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবহার করা হয়। B) Satellite Communication — স্যাটেলাইট যোগাযোগের ক্ষেত্রে মহাকাশে সংকেত পাঠাতে মাইক্রোওয়েভ বা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। C) MAN — মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কে একটি শহরের ভেতর উচ্চগতির ডেটা স্থানান্তরের জন্য ক্যাবল বা রেডিও লিঙ্ক ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রিমোট মানেই অদৃশ্য আলো বা ইনফ্রারেড। ইনফ্রারেড সিগন্যাল দেওয়াল ভেদ করতে পারে না, তাই রিমোট সরাসরি ডিভাইসের দিকে তাক করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইনফ্রারেড প্রযুক্তির তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান লাল আলোর চেয়ে বেশি। কম্পিউটার নেটওয়ার্কে আইআরডিএ বা ইনফ্রারেড ডেটা অ্যাসোসিয়েশন শর্ট রেঞ্জের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হতো।
a IEEE 802.11
b IEEE 804.11
c IEEE 803.11
d IEEE 806.11
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IEEE 802.11 ১. কেন সঠিক: - Wi-Fi প্রযুক্তির আন্তর্জাতিক মান বা স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করেছে IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers)। - IEEE 802 সিরিজটি মূলত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এবং মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের জন্য নির্ধারিত, যার মধ্যে 802.11 হলো ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলো ওয়াইফাই বা ওয়্যারলেস ফিডেলিটি এবং IEEE এর পূর্ণরূপ ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স। - কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে তারবিহীন উপায়ে ডেটা আদান-প্রদান করে এবং রাউটার ডিভাইসের মাধ্যমে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি উচ্চ গতিতে ডেটা স্থানান্তর করতে পারে, তারের ঝামেলা মুক্ত এবং নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে একাধিক ডিভাইস একসাথে যুক্ত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসা বাড়িতে ব্যবহৃত ওয়াইফাই রাউটার। ব্যাখ্যা: রাউটারটি IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে ঘরের ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক। ব্যাখ্যা: শিক্ষার্থীরা ওয়্যারলেস প্রযুক্তির মাধ্যমে এই স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে পুরো ক্যাম্পাসে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IEEE 802.11 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটিই একমাত্র ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড। B) IEEE 804.11 — এমন কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রচলিত বা ব্যবহৃত হয় না। C) IEEE 803.11 — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড নয়, এটি ভুল নম্বর দিয়ে তৈরি করা একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) IEEE 806.11 — এটিও কোনো বৈধ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস স্ট্যান্ডার্ড নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Wi-Fi মানে ওয়্যারলেস ফিডেলিটি এবং এর সাথে সম্পর্কিত স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11। - এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, এগারো নম্বর স্ট্যান্ডার্ডটিই তারবিহীন যোগাযোগের জন্য নির্ধারিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - Wi-Fi প্রযুক্তির জনক হিসেবে উইলিয়াম হেইস এবং জন ও'সালিভানকে স্মরণ করা হয়। - পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ওয়্যারলেস স্ট্যান্ডার্ড এবং প্রোটোকল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a SRAM
b DRAM
c ROM
d উপরের সবগুলোই
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ROM ১. কেন সঠিক: - Non-volatile মেমোরি হলো এমন একধরনের স্থায়ী মেমোরি, যা থেকে কম্পিউটার বা ডিভাইস বন্ধ করলেও ডেটা মুছে যায় না। - ROM বা Read Only Memory হলো একটি স্থায়ী মেমোরি, যাতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও সংরক্ষিত তথ্য চিরকাল অক্ষুণ্ণ থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ROM-এর পূর্ণরূপ Read Only Memory। এটি এমন একটি প্রাইমারি মেমোরি যা থেকে শুধুমাত্র ডেটা পড়া যায়, সাধারণত সহজে পরিবর্তন বা নতুন ডেটা লেখা যায় না। - কার্যপদ্ধতি: এই মেমোরির তথ্য প্রস্তুতকারক বা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়, যা কম্পিউটার চালুর জন্য অত্যন্ত জরুরি নির্দেশাবলী ধরে রাখে। - ব্যবহার: কম্পিউটারের BIOS বা Basic Input Output System এবং মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের জন্য এটি প্রধানত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের স্টার্টআপ বা বুটিং প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার অন করার সময় মাদারবোর্ডের ROM এ থাকা বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম প্রসেসরকে জাগিয়ে তোলে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা ওয়াশিং মেশিনের কন্ট্রোল প্যানেল। ব্যাখ্যা: গৃহস্থালী এসব ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী ও নির্দেশাবলী স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ROM চিপ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SRAM — এটি Static Random Access Memory। এটি একটি Volatile বা অস্থিতিশীল মেমোরি হওয়ায় বিদ্যুৎ চলে গেলে এর সব ডেটা মুছে যায়। B) DRAM — এটি Dynamic Random Access Memory। এটিও একটি Volatile মেমোরি এবং এর তথ্য ধরে রাখতে বারবার রিফ্রেশ করার প্রয়োজন হয়। D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু SRAM এবং DRAM উভয়ই Volatile মেমোরি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - R দিয়ে Read Only এবং R দিয়ে Non-volatile মনে রাখতে পারেন, কারণ ROM-এর ডেটা নষ্ট হয় না। - RAM হলো অস্থিতিশীল বা Volatile এবং ROM হলো স্থিতিশীল বা Non-volatile মেমোরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BIOS হলো ROM-এ সংরক্ষিত সফটওয়্যার যা কম্পিউটার চালুর প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই Volatile ও Non-volatile মেমোরির উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে।
a আইনের শাসন
b জবাবদিহিতা
c স্বজনপ্রীতি
d ন্যায়পরায়ণতা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বজনপ্রীতি ১. কেন সঠিক: - স্বজনপ্রীতি হলো সুশাসনের মৌলিক নীতি ও সমতার পরিপন্থী একটি মারাত্মক ব্যাধি যাাগ্যতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রাধান্য দেয়। - এটি সুশাসনের মূল স্তম্ভ যেমন নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং মেধার মূল্যায়নকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: স্বজনপ্রীতি হলো নিজের আত্মীয়স্বজন বা পরিচিত ব্যক্তিদের অযৌক্তিকভাবে সুযোগ বা সুবিধা প্রদান করা। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নিরপেক্ষতা এবং মেধার মূল্যায়ন অপরিহার্য যা স্বজনপ্রীতির কারণে বিনষ্ট হয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো প্রতিষ্ঠানে সেবা প্রদানে বা নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঊর্ধ্বে উঠে মেধার মূল্যায়ন করা। - সম্ভাব্য প্রভাব: স্বজনপ্রীতির কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হন এবং সমাজে হতাশা, দুর্নীতি ও আস্থার সংকট তৈরি হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো সরকারি অফিসে চাকরির ইন্টারভিউ বোর্ডে নিজের আত্মীয়কে অবৈধভাবে বেশি নম্বর দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি পেশাগত সততা ও নৈতিকতার চরম লঙ্ঘন কারণ এখানে যোগ্য প্রার্থীর অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি ত্রাণ বিতরণের সময় দলীয় বা আত্মীয়তার সম্পর্ক বিবেচনা না করে প্রকৃত দুস্থদের মাঝে তা বণ্টন করা। ব্যাখ্যা: এটি নিরপেক্ষতা ও সুশাসনের সঠিক প্রয়োগের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনের শাসন — আইনের শাসন সুশাসনের একটি প্রধান শর্ত ও সহায়ক শক্তি, তাই এটি অন্তরায় নয়। B) জবাবদিহিতা — জবাবদিহিতা ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে সরাসরি সাহায্য করে। D) ন্যায়পরায়ণতা — ন্যায়পরায়ণতা পক্ষপাতহীন আচরণ শেখায় যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত জরুরি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের পথে অন্তরায়গুলো হলো দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, বৈষম্য এবং জবাবদিহিতার অভাব। - মনে রাখতে হবে সুশাসন মানে আইনের চোখে সবাই সমান, যেখানে স্বজনপ্রীতির কোনো স্থান নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদান এবং এর প্রতিবন্ধকতাগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য আবশ্যক। - সুশাসনের স্তম্ভ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a স্বাধীনতা
b ক্ষমতা
c কর্মদক্ষতা
d জনকল্যাণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জনকল্যাণ ১. কেন সঠিক: - জনপ্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের কল্যাণ সাধন করা এবং রাষ্ট্রীয় সেবার মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। - জনকল্যাণ হলো সুশাসন ও জনসেবামূলক মনোভাবের সর্বজনস্বীকৃত প্রধান মাপকাঠি। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: জনকল্যাণ বলতে বৃহত্তর সমাজের স্বার্থরক্ষা এবং প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা বোঝায়। - গুরুত্ব: এটি সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নিরপেক্ষতা, সেবা মনোভাব ও নৈতিক দায়িত্ববোধ তৈরি করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা এলাকার সাধারণ মানুষের কষ্ট দূর করতে দ্রুত সেবা প্রদান করেন। ব্যাখ্যা: এখানে জনপ্রশাসকের জনকল্যাণমুখী মানসিকতার প্রকাশ ঘটে। উদাহরণ ২: ত্রাণ বিতরণে কোনো স্বজনপ্রীতি না করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা। ব্যাখ্যা: এটি নিরপেক্ষভাবে জনকল্যাণ সাধনের একটি নৈতিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাধীনতা — এটি রাজনৈতিক অধিকার, জনপ্রশাসনের একক বা মৌলিক লক্ষ্য নয়। B) ক্ষমতা — ক্ষমতা প্রশাসনের হাতিয়ার হতে পারে, কিন্তু এটি জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার মাধ্যম মাত্র, মৌলিক মূল্যবোধ নয়। C) কর্মদক্ষতা — কর্মদক্ষতা কাজের গুণগত মান বাড়ায়, কিন্তু এর উদ্দেশ্য জনকল্যাণ না হলে তা অর্থহীন। D) জনকল্যাণ — এটি জনপ্রশাসনের মূল লক্ষ্য ও পরম নৈতিক মূল্যবোধ। ৫. মনে রাখার টিপস: - জনপ্রশাসনের মূল মন্ত্র হলো জনগণের সেবা করা, তাই উত্তর নির্বাচনের সময় জনকল্যাণ বা জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসন ও জনসেবামূলক প্রশ্নগুলোতে সবসময় জনগণের অধিকার এবং কল্যাণকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরতে হবে।
a নৈতিক শক্তি
b নৈতিক বিধি
c নৈতিক আদর্শ
d সবগুলোই
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নৈতিক আদর্শ ১. কেন সঠিক: - নৈতিকতা মানুষের আচার-ব্যবহারকে সঠিক ও ভুলের মাপকাঠিতে পরিচালনা করে বলে এটি মানবজীবনের জন্য একটি আদর্শ বা মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে। - নৈতিক আদর্শ বলতে এমন কিছু সর্বজনীন গুণাবলিকে বোঝায় যা একজন মানুষকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবতার পথে পরিচালিত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নৈতিক আদর্শ হলো এমন কিছু উন্নত নীতিমালা যা সমাজ ও ব্যক্তিগত জীবনে ভালো কাজের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। - গুরুত্ব: নৈতিক আদর্শ মানুষের চরিত্র গঠন করে এবং সমাজে শৃঙ্খলা, শান্তি ও পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে নিজের মেধার ওপর ভরসা রেখে অসদুপায় পরিহার করে। ব্যাখ্যা: এখানে সততা ও নৈতিক আদর্শের প্রতিফলন ঘটেছে, যা শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস ও চারিত্রিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: একজন চাকরিজীবী কোনো প্রকার ঘুষ না নিয়ে সততার সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সরকারি সেবা প্রদান করেন। ব্যাখ্যা: এটি পেশাগত নৈতিক আদর্শের সঠিক প্রয়োগ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৈতিক শক্তি — নৈতিকতা মানুষের ভেতরের শক্তি হলেও এটি একা মানবজীবনের সম্পূর্ণ আদর্শ বা রূপরেখা পুরোপুরি প্রকাশ করে না। B) নৈতিক বিধি — নৈতিকতা নির্দিষ্ট কোনো আইন বা কঠোর বিধিমালার মতো নয়, এটি মূলত মানুষের ভেতরের মূল্যবোধ ও আদর্শ। D) সবগুলোই — সব অপশন সঠিক নয় কারণ নৈতিকতা কেবল শক্তি বা বিধি নয়, এটি মূলত জীবনের সর্বোচ্চ আদর্শ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নৈতিকতা সংক্রান্ত প্রশ্নে যদি আদর্শ বা মানদণ্ডের কথা থাকে, তবে তা মানবজীবনের আদর্শ হিসেবে গণ্য করতে হবে। - নৈতিক বিধি বা শক্তি হলো এর উপজাত, কিন্তু মূল রূপটি হলো আদর্শ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিকতা ও মূল্যবোধের মূল ভিত্তি হলো মানুষের ভেতরের বিবেক এবং তা সমাজ কর্তৃক অনুমোদিত আদর্শ। - এই নীতি থেকে নৈতিকতার সংজ্ঞা বা চরিত্র গঠনে এর ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ম্যাকিয়াভেলি
b হবস
c লক
d রাসেল
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাসেল ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বার্ট্রান্ড রাসেলের রাজনৈতিক দর্শন এবং ক্ষমতার স্বরূপ বিশ্লেষণসংক্রান্ত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ নির্দেশ করে। - নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও রাষ্ট্রদর্শনে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় এই গ্রন্থটির গুরুত্ব অপরিসীম। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ক্ষমতা একটি সামাজিক উপাদান যা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত না হলে নৈতিক অবক্ষয় ঘটায়। - গুরুত্ব: সমাজে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নৈতিক সচেতনতা জরুরি। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে অধস্তন কর্মচারীকে অনৈতিক কাজের নির্দেশ দিলে তা প্রত্যাখ্যান করা। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তিগত নৈতিকতা এবং পেশাগত সততার সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: জনসেবামূলক কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিরপেক্ষ থেকে সব নাগরিককে সমান সুযোগ প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়বিচার ও সাম্যের মূল্যবোধের প্রতিফলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাকিয়াভেলি — তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো দ্য প্রিন্স যা রাজনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতাচর্চা নিয়ে রচিত। B) হবস — তার বিখ্যাত গ্রন্থ লেভিয়াথান যা সামাজিক চুক্তি তত্ত্ব ও রাষ্ট্রগঠন নিয়ে আলোচনা করে। C) লক — তার বিখ্যাত গ্রন্থ টু ট্রিটিজেস অফ গভর্নমেন্ট যা উদারনৈতিক গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের ভিত্তি স্থাপন করে। D) রাসেল — তিনি Power: A New Social Analysis গ্রন্থটি রচনা করে ক্ষমতার মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক দিক বিশ্লেষণ করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক গ্রন্থ মনে রাখতে লেখকের প্রধান দর্শন ও চিন্তাধারা মাথায় রাখতে হবে। - ক্ষমতা বা Power সম্পর্কিত আধুনিক বিশ্লেষণ মানেই বার্ট্রান্ড রাসেলের অবদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাজনৈতিক দর্শন ও ক্ষমতার নৈতিক বিশ্লেষণ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - বিভিন্ন দার্শনিকের বিখ্যাত গ্রন্থ ও তাদের মূল বিষয়বস্তু ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a গাণিতিক মধ্যমান
b দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা
c সম্ভাব্য সব ধরনের কাজের মধ্যমান
d একটি দার্শনিক সম্প্রদায়ের নাম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা ১. কেন সঠিক: - নৈতিক দর্শনে অ্যারিস্টটলের মধ্যপন্থা বা সুবর্ণ মধ্যক হলো দুটি চরম আচরণের মধ্যবর্তী ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান। এটি মানুষকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বা অপ্রতুলতা এড়িয়ে ভারসাম্য বজায় রাখতে শেখায়। - এই নীতি আমাদের শিক্ষা দেয় যে নৈতিক উৎকর্ষ অর্জনের জন্য কোনো কাজেই বাড়াবাড়ি বা চরমপন্থা ভালো নয়, বরং মধ্যমপন্থা বা পরিমিতিবোধই হলো সর্বশ্রেষ্ঠ। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুবর্ণ মধ্যক বা গোল্ডেন মিন হলো দুটি চরম বৃত্তির ঠিক মাঝখানে অবস্থিত নৈতিক গুণ, যা অতিরিক্ত ও অপ্রতুলতার মধ্যকার ভারসাম্য রক্ষা করে। - প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবনে রাগ, খরচ বা কাজের ক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত বা অবহেলা না করে পরিমিত ও যুক্তিসংগত আচরণ করা। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় অতিরিক্ত রাত জাগা বা একেবারে পড়াশোনা না করার চরমপন্থা এড়িয়ে নিয়মিত পরিমিত পড়াশোনা করা। ব্যাখ্যা: এটি তার শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্য বজায় রেখে সফল হতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: পারিবারিক বা দাপ্তরিক খরচের ক্ষেত্রে কৃপণতা বা অপচয়—উভয় চরমপন্থা পরিহার করে প্রয়োজনীয় ও সাশ্রয়ী হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সুষম আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে এবং ভবিষ্যতে আর্থিক সংকট রোধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাণিতিক মধ্যমান — এটি পরিসংখ্যান ও গণিতের একটি পরিমাপ, কোনো নৈতিক বা দার্শনিক ধারণা নয়। B) দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা — এটি নৈতিক দর্শনের সুবর্ণ মধ্যক ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় এবং সঠিক উত্তর। C) সম্ভাব্য সব ধরনের কাজের মধ্যমান — এটি নৈতিকতার পরিমিতিবোধ নির্দেশ করে না, বরং একটি অবাস্তব ও অযৌক্তিক পরিসংখ্যানগত গড় বোঝায়। D) একটি দার্শনিক সম্প্রদায়ের নাম — সুবর্ণ মধ্যক কোনো দার্শনিক সম্প্রদায় বা দল নয়, এটি গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের একটি নৈতিক তত্ত্ব। ৫. মনে রাখার টিপস: সুবর্ণ মধ্যক মানেই হলো দুটি চরম অবস্থার ঠিক মাঝখানের ভারসাম্য। অ্যারিস্টটলের নাম মনে রাখলে এবং অতিরিক্ত বা কম—এই দুইয়ের বর্জন মনে রাখলে উত্তর সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি থেকে নৈতিকতার পরিমিতিবোধ ও ভারসাম্যপূর্ণ আচরণের ধারণাটি স্পষ্ট হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নীতি কার প্রবর্তিত বা এর বাস্তব প্রয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a মৌলিক মূল্যবোধ সংক্রান্ত সাধারণ বচন যা সংগঠনের পেশাগত ভূমিকাকে সংজ্ঞায়িত করে
b বাস্তবতার নিরিখে নির্দিষ্ট আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ সংক্রান্ত আচরণবিধি
c দৈনন্দিন কার্যকলাপ ত্বরান্বিত করণে প্রণীত নৈতিক নিয়ম, মানদণ্ড বা আচরণবিধি
d উপরের তিনটিই সঠিক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের তিনটিই সঠিক ১. কেন সঠিক: - নৈতিক আচরণবিধি বলতে মূলত কোনো পেশা বা প্রতিষ্ঠানের নৈতিক মানদণ্ড, মৌলিক মূল্যবোধ এবং নির্দিষ্ট আচরণের নীতিমালাকে একত্রে বোঝানো হয়। - পেশাগত নৈতিকতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য এই তিনটি স্তরের নীতিমালা মিলেই একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণবিধি গঠিত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পেশাগত নৈতিকতা হলো এমন কিছু নিয়ম ও আদর্শ যা কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের কাজের মান এবং সততা বজায় রাখতে পরিচালিত করে। - গুরুত্ব: এটি প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং পেশাদারিত্ব রক্ষা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি অফিসে কাজ করার সময় সততা রক্ষা এবং অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করা যায়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ফাইল নিষ্পত্তিতে কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা না নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী সেবা প্রদান করছেন। ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ সংক্রান্ত আচরণবিধির বাস্তব প্রয়োগ, যা সুশাসন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: কোনো ব্যাংকের কর্মী গ্রাহকের গোপনীয়তা রক্ষা করে সততার সঙ্গে ব্যাংকিং সেবা পরিচালনা করছেন। ব্যাখ্যা: এটি সংগঠনের পেশাগত ভূমিকা ও মৌলিক মূল্যবোধের প্রতি বিশ্বস্ত থাকার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক মূল্যবোধ সংক্রান্ত সাধারণ বচন যা সংগঠনের পেশাগত ভূমিকাকে সংজ্ঞায়িত করে — এটি আংশিক সঠিক কারণ আচরণবিধির প্রথম স্তর এটি, কিন্তু অন্যান্য দিক এর অন্তর্ভুক্ত। B) বাস্তবতার নিরিখে নির্দিষ্ট আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ সংক্রান্ত আচরণবিধি — এটিও সঠিক কারণ বাস্তব কর্মক্ষেত্রে আচরণের পরিমাপ ঠিক করতে এটি প্রয়োজন, তবে এটি একমাত্র দিক নয়। C) দৈনন্দিন কার্যকলাপ ত্বরান্বিত করণে প্রণীত নৈতিক নিয়ম, মানদণ্ড বা আচরণবিধি — এটিও সঠিক কারণ দৈনন্দিন কাজের স্বচ্ছতা রক্ষায় সুনির্দিষ্ট নিয়ম কাজ করে। D) উপরের তিনটিই সঠিক — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণবিধিতে এই তিনটি দিকই অন্তর্ভুক্ত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নৈতিক আচরণবিধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে এটি শুধু মৌলিক মূল্যবোধ বা নির্দিষ্ট নিয়ম নয়, বরং সার্বিক মানদণ্ড ও দৈনন্দিন কর্মপদ্ধতির একটি সামগ্রিক রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পেশাগত নৈতিকতা এবং সুশাসন সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় যে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম একসঙ্গে কাজ করে। - একই নীতি থেকে ভিন্ন অপশন সাজিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে, তাই সামগ্রিক ধারণা পরিষ্কার রাখা জরুরি।
a সামাজিক মূল্যবোধকে
b গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে
c ব্যক্তিগত মূল্যবোধকে
d স্বাধীনতার মূল্যবোধকে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সামাজিক মূল্যবোধকে ১. কেন সঠিক: - ব্যক্তিগত মূল্যবোধ যেমন সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও শৃঙ্খলা একজন মানুষের ভেতর থেকে তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে তার কাজের মাধ্যমে সমাজেও ছড়িয়ে পড়ে। - এই ব্যক্তিগত গুণাবলি ও নৈতিক চর্চাই বৃহত্তর পরিসরে সমাজের ভিত্তি মজবুত করে এবং সামাজিক মূল্যবোধকে সমৃদ্ধ ও লালন করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ব্যক্তিগত মূল্যবোধ হলো ব্যক্তির নিজস্ব বিশ্বাস ও নৈতিক মানদণ্ড, যা তার আচরণ ও সিদ্ধান্তকে পরিচালিত করে। - গুরুত্ব: সুস্থ সমাজ গঠনে ব্যক্তিগত সচেতনতা এবং নৈতিক আচরণের চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। - প্রয়োগ: নিজের সততা বজায় রেখে এবং অন্যের অধিকারকে সম্মান করে ব্যক্তিগত মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো সম্ভব। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে শিক্ষকের অনুপস্থিতিতেও সততা বজায় রেখে নিজে লেখে এবং অসদুপায় পরিহার করে। ব্যাখ্যা: এটি তার ব্যক্তিগত সততা ও নৈতিকতার বহিঃপ্রকাশ, যা পরবর্তীতে একটি সৎ প্রজন্ম গঠনে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং লাইনে দাঁড়িয়ে সেবা গ্রহণ করা একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত অভ্যাসের অংশ। ব্যাখ্যা: এই ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ ও শৃঙ্খলার চর্চা সামগ্রিকভাবে সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সামাজিক মূল্যবোধ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক মূল্যবোধকে — এটি সঠিক কারণ ব্যক্তিগত মূল্যবোধের চর্চাই শেষ পর্যন্ত সমাজকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। B) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে — গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রধানত রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক কাঠামোর সাথে সম্পর্কিত, যা ব্যক্তিগত মূল্যবোধের সরাসরি পরিধিভুক্ত নয়। C) ব্যক্তিগত মূল্যবোধকে — ব্যক্তিগত মূল্যবোধ নিজেই নিজের বিকাশ ঘটায় না, বরং তা বৃহত্তর সমাজের সাথে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সামাজিক মূল্যবোধকে রূপ দেয়। D) স্বাধীনতার মূল্যবোধকে — স্বাধীনতার মূল্যবোধ মূলত নাগরিক অধিকার এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সাথে সম্পর্কিত, যা এই প্রশ্নের মূল ধারণার সাথে পুরোপুরি মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যক্তি থেকে সমাজ, এই সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। - নিজের ভালো গুণগুলো যখন সমাজ অনুসরণ করে, তখন তা সামাজিক মূল্যবোধে রূপ নেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের পারস্পরিক সম্পর্ক থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে নৈতিকতা ও সুশাসনের অন্যান্য মৌলিক ধারণাও পরিষ্কার হবে।
a দুর্নীতি রোধ করা
b সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা
c রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধ করা
d সাংস্কৃতিক অবরোধ রক্ষণ করা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা ১. কেন সঠিক: - মূল্যবোধ শিক্ষা মানুষের অন্তরের নৈতিক চেতনা জাগ্রত করে এবং সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও শৃঙ্খলার বোধ তৈরি করে, যা অপরাধ ও নৈতিক পতন রোধ করে। - ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা মানুষকে সঠিক ও ভুলের পার্থক্য বোঝাতে সাহায্য করে এবং অনৈতিক আচরণ থেকে দূরে রাখে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো মানুষের সেইসব বিশ্বাস ও আদর্শ, যা তার আচরণ ও সমাজ পরিচালনাকে নির্দেশ করে। - গুরুত্ব: সুস্থ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে এবং মানুষের ভেতরের নৈতিক মানবতাবোধ টিকিয়ে রাখতে মূল্যবোধ শিক্ষার বিকল্প নেই। - প্রয়োগ: পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শন, অন্যের অধিকার রক্ষা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মাধ্যমে ব্যক্তিজীবনে মূল্যবোধের প্রয়োগ ঘটে। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসে এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ গড়ে ওঠে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় কোনো প্রবীণ ব্যক্তিকে রাস্তা পার হতে দেখলে সাহায্য করা। ব্যাখ্যা: এটি আমাদের সামাজিক দায়িত্ব এবং সহমর্মিতা নামক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ, যা সমাজে মানবিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করে। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বা কর্মক্ষেত্রে সততার সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করা। ব্যাখ্যা: সততা ও কর্তব্যপরায়ণতা মূল্যবোধের অংশ, যা সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয় রোধে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্নীতি রোধ করা — দুর্নীতি রোধ মূল্যবোধ শিক্ষার একটি ফল হলেও, এটি মূলত প্রশাসনিক ও আইনি সুশাসনের সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। C) রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধ করা — রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধের জন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জবাবদিহি প্রধান শর্ত, যা মূল্যবোধ শিক্ষার প্রত্যক্ষ লক্ষ্য নয়। D) সাংস্কৃতিক অবরোধ রক্ষণ করা — সাংস্কৃতিক অবরোধ রক্ষণ করা কোনো নৈতিক বা কল্যাণকর উদ্দেশ্য নয়, বরং এটি সমাজ প্রগতির পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: মূল্যবোধ শিক্ষা মূলত মানুষের ভেতরের সুকুমার বৃত্তির বিকাশ ঘটায়, তাই এর মূল কাজ সামগ্রিক সমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মূল্যবোধ শিক্ষা ব্যক্তির ভেতরের নৈতিকতা বৃদ্ধি করে এবং বৃহত্তর সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে। এই টপিক থেকে নৈতিক অবক্ষয় এবং সামাজিক উন্নয়নের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a সুসম্পর্ক গড়ে তোলে
b আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে
c শান্তির সম্পর্ক গড়ে তোলে
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে ১. কেন সঠিক: - সুশাসন এমন একটি শাসন ব্যবস্থা যেখানে সরকার ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তি মজবুত থাকে। - স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে এই আস্থার সম্পর্ক গড়ে ওঠে যা সুশাসনের অন্যতম প্রধান শর্ত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যেখানে আইন ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। - গুরুত্ব: আস্থার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হলে নাগরিকরা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় এবং নীতি মানে। - প্রয়োগ: সরকারি কাজে সততা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রেখে জনগণের বিশ্বাস অর্জন করা সম্ভব। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে বিশৃঙ্খলা কমে এবং রাষ্ট্রে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়ে অফিসে এসে নিরপেক্ষভাবে সেবা প্রদান করলে সাধারণ মানুষের মনে দপ্তরের প্রতি ভরসা জন্মায়। ব্যাখ্যা: এখানে কর্তব্যে নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতা আস্থার সম্পর্ক তৈরি করে। উদাহরণ ২: টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সৎ উপায়ে কাজ দিলে ঠিকাদার ও সরকারের মাঝে বিশ্বাস তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: এই সততা সুশাসনের ভিত্তিকে শক্তিশালী করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুসম্পর্ক গড়ে তোলে — সুসম্পর্ক একটি উদার সামাজিক টার্ম হলেও সুশাসনের গভীরে যে প্রাতিষ্ঠানিক আস্থার প্রয়োজন, তা এই শব্দে পুরোপুরি প্রকাশ পায় না। B) আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে — এটি সঠিক কারণ সুশাসনের মূল লক্ষ্যই হলো জনগণের মনে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা তৈরি করা। C) শান্তির সম্পর্ক গড়ে তোলে — শান্তি সুশাসনের ফল হতে পারে, কিন্তু শাসন ব্যবস্থার মৌলিক ভিত্তি হলো আস্থার সম্পর্ক। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের চাবিকাঠি হলো জনগনের আস্থা। - প্রশাসন ও জনগণের মেলবন্ধন তৈরি হয় আস্থার মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সুশাসন সংক্রান্ত পরীক্ষায় প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে যা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক প্রয়োগ মূল্যায়ন করে।
a অর্থনৈতিক উন্নয়ন
b অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন
c সামাজিক উন্নয়ন
d সবগুলোই
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ১. কেন সঠিক: - সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি সমাজের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং সুষম সুযোগ সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি। - সুশাসন ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক, যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার একসঙ্গে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। - গুরুত্ব: অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র বা সমাজ তার নাগরিকদের মৌলিক মানবাধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারে না। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাষ্ট্রে শুধু মাথাপিছু আয় বাড়ল কিন্তু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের সুষম বণ্টন হলো না, একে পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন বলা যায় না। ব্যাখ্যা: সুশাসনের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: একটি এলাকার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি যদি দরিদ্র শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়, তবে তা টেকসই উন্নয়ন। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উভয় খাতের উন্নয়ন একসঙ্গে সাধিত হয়, যা সুশাসনের মূল ভিত্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক উন্নয়ন — এটি সুশাসনের অন্যতম শর্ত হলেও একমাত্র শর্ত নয়, কারণ সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা ছাড়া শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সুশাসন আনতে পারে না। B) অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুশাসনের জন্য অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সামাজিক কল্যাণ উভয়ই সমভাবে প্রয়োজন। C) সামাজিক উন্নয়ন — শুধু সামাজিক উন্নয়ন দিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়, কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ভিত্তিরও প্রয়োজন হয়। D) সবগুলোই — সব অপশন সঠিক নয় কারণ এখানে এককভাবে শুধু অর্থনীতি বা শুধু সমাজকে সুশাসনের পূর্বশর্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা সঠিক ধারণার পরিপন্থী। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানে শুধু টাকার অঙ্ক বাড়া নয়, বরং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন। - মনে রাখবে, অর্থ এবং সমাজ হাত ধরাধরি করে চললেই সুশাসন ত্বরান্বিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো যেমন অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি ভালোভাবে আয়ত্ত করবে। - একই নীতি থেকে সুশাসনের মূল বৈশিষ্ট্য বা প্রতিবন্ধকতাসংক্রান্ত প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে।
a ৩০%
b ৪০%
c ৫০%
d ৬০%
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০% ১. কেন সঠিক: বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন সংস্থার প্রাক্কলন অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় যে মোট বৈশ্বিক সাহায্য বা তহবিল বরাদ্দ করা হয়, তার ৩০% বাংলাদেশকে প্রদানের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ুঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়ায় অভিযोजन ও প্রশমন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক এই বিশেষ গুরুত্ব ও আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি লাভ করেছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনীতি: [প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা] বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সাইক্লোন, বন্যা ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয় এবং অর্থনীতি রক্ষায় বৈশ্বিক তহবিলের ওপর নির্ভর করে। তাৎপর্য ও ফলাফল: [প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা] এই আর্থিক সহায়তা উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ, সাইক্লোন শেল্টার তৈরি এবং লবণাক্ততা সহনশীল কৃষি উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লায়েন্ট রেজিলিয়েন্স ফান্ড ব্যাখ্যা: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব ও আন্তর্জাতিক সহায়তায় গঠিত তহবিল, যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী বদ্বীপ পরিকল্পনা, যার সফল বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০% — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বব্যাংকের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা তহবিলের নির্দিষ্ট অংশ বাংলাদেশকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। B) ৪০% — এই হারটি বিশ্বব্যাংকের জলবায়ু সাহায্য বরাفت বা প্রতিশ্রুত সুনির্দিষ্ট তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ৫০% — বাংলাদেশের জন্য বৈশ্বিক সাহায্যের অনুপাত ৫০% নির্ধারিত হয়নি কারণ এই তহবিল বিশ্বের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যেও বণ্টিত হয়। D) ৬০% — ৬০% হারটি অতিরিক্ত বেশি এবং এটি কোনো আন্তর্জাতিক জলবায়ু সংস্থার আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনে সমর্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত সাহায্যের পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটি ৩০% মনে রাখুন। বাংলাদেশের নদীমাতৃক ও ঝুঁকিপূর্ণ ভৌগোলিক অবয়বের কথা মাথায় রেখে এই নির্দিষ্ট অনুপাতটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশের অভিযোজন ক্ষমতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে বিশ্ব ব্যাংকের জলবায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন সূচক বা বাংলাদেশের প্রাপ্ত অন্যান্য অনুদান সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
a ৯০ শতাংশ
b ৯৪ শতাংশ
c ৯৮ শতাংশ
d ৯৯.৯৭ শতাংশ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯৯.৯৭ শতাংশ ১. কেন সঠিক: - পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং এর ভেতরের আবহাওয়া চক্র সচল রাখার জন্য প্রায় সম্পূর্ণ শক্তিই সূর্য থেকে আসে। - সূর্য থেকে প্রাপ্ত মোট শক্তির সামান্য অংশ বাদে বাকি প্রায় সবটুকুই বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠকে প্রভাবিত করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশ কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এখানে সূর্যের আলো সরাসরি পড়ে। - প্রাকৃতিক সম্পদ: সৌর শক্তির প্রাচুর্য থাকায় বাংলাদেশে বর্তমানে সোলার প্যানেল বা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে সোলার হোম সিস্টেম। ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের আলো থেকে সরাসরি শক্তি সংগ্রহ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সোলার ইরিগেশন পাম্প। ব্যাখ্যা: এটি কৃষিকাজে সেচ দেওয়ার জন্য সূর্যের শক্তি ব্যবহার করে, যা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯০ শতাংশ — এটি সঠিক নয় কারণ সূর্য থেকে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ এর চেয়ে অনেক বেশি। B) ৯৪ শতাংশ — এটি ভুল পরিসংখ্যান এবং বায়ুমণ্ডলের শক্তির হিসাবের সঙ্গে মেলে না। C) ৯৮ শতাংশ — এটিও সঠিক নয় কারণ বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী শক্তির পরিমাণ আরও বেশি। D) ৯৯.৯৭ শতাংশ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত তথ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে বায়ুমণ্ডলে সূর্যের শক্তির অবদান প্রায় শতভাগের কাছাকাছি, অর্থাৎ ৯৯.৯৭ শতাংশ। - দশমিকের পরের সংখ্যা দুটি অর্থাৎ ৯৭ মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোল অংশে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - সৌর শক্তির ব্যবহার ও নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে এই মৌলিক তথ্যটি কাজে লাগে।
a ৩ কোটি
b ৩.৫ কোটি
c ৪ কোটি
d ৪.৫ কোটি
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৫ কোটি ১. কেন সঠিক: - সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক লবণাক্ততা ও ভাঙন দেখা দেবে। - এর ফলে ২০৫০ সাল নাগাদ প্রায় তিন কোটি পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ জলবায়ু শরণার্থীর ঝুঁকিতে পড়বে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও নিচু বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে শীর্ষে রয়েছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: উপকূলীয় এলাকার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোর দিকে চলে আসায় মারাত্মক জনমিতিক ও সামাজিক সংকট তৈরি হচ্ছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন ও উপকূলীয় জনপদ ব্যাখ্যা: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে এবং উপকূলের মানুষ নিয়মিত জলোচ্ছ্বাসের শিকার হচ্ছে। উদাহরণ ২: সাতক্ষীরা ও ভোলা জেলার ভাঙন ব্যাখ্যা: এসব জেলার বিস্তীর্ণ জনপদ নদীভাঙন ও লবণাক্ততার কারণে মানুষের বসতি ও কৃষিজমি হারাচ্ছে, যা জলবায়ু উদ্বাস্তুর প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ কোটি — এটি বর্তমান বা আংশিক অনুমানের চেয়ে কম সংখ্যা, যা পূর্ণাঙ্গ পূর্বাভাসকে নির্দেশ করে না। B) ৩.৫ কোটি — এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক জলবায়ু প্রতিবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক পরিসংখ্যান। C) ৪ কোটি — এই সংখ্যাটি বিভিন্ন জলবায়ু প্রাক্কলনে সামান্য বেশি ধরা হয়েছে এবং প্রচলিত গ্রহণযোগ্য তথ্যের সঙ্গে মেলে না। D) ৪.৫ কোটি — এটি অতিরিক্ত বা অতিরঞ্জিত প্রাক্কলন যা বর্তমান ভৌগোলিক ও জনসংখ্যা মডেলের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু শরণার্থীর সংখ্যা মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিনের পরে আরও আধা কোটি বা পাঁচ যোগ করা। - বাংলাদেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বললেই তিন দশমিক পাঁচ কোটি শরণার্থীর এই বহুল প্রচলিত পরিসংখ্যানটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলবায়ু পরিবর্তন ও ভৌগোলিক প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে বৈশ্বিক উষ্ণতা, কার্বন নিঃসরণ এবং প্যারিস চুক্তির বাংলাদেশ সম্পর্কিত লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ঢাকায়
b খুলনায়
c নারায়ণগঞ্জে
d চাঁদপুরে
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁদপুরে ১. কেন সঠিক: - ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট চাঁদপুরে অবস্থিত যা দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। - নদীমাতৃক বাংলাদেশের মৎস্যজীবীদের আধুনিক প্রশিক্ষণ দিতে এবং মৎস্য চাষের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্ব বিবেচনা করে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছে। - স্থান: চাঁদপুর জেলাটি নদী বন্দর ও মৎস্য উৎপাদনের জন্য ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে জেলেরা ও উদ্যোক্তারা আধুনিক প্রযুক্তিতে মাছ চাষ করে দেশের আমিরাতের চাহিদা পূরণে অবদান রাখছেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত এবং মৎস্য সম্পদ নিয়ে গবেষণার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: মেরিন ফিশারি একাডেমী ব্যাখ্যা: এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত এবং সমুদ্রগামী মৎস্য শিকার ও নেভিগেশনের ওপর পেশাদার প্রশিক্ষণ প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকায় — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও এই নির্দিষ্ট ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়। B) খুলনায় — খুলনা অঞ্চলে মৎস্য ও চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র থাকলেও ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এই জেলায় অবস্থিত নয়। C) নারায়ণগঞ্জে — নারায়ণগঞ্জ একটি বিখ্যাত বন্দর ও শিল্পাঞ্চল হলেও এখানে এই প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নেই। D) চাঁদপুরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় মৎস্য খাতের উন্নয়নে কাজ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদপুরকে বলা হয় মাছের রাজা ইলশার বাড়ি, তাই ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট চাঁদপুরে অবস্থিত—এভাবে মনে রাখতে পারেন। - গবেষণা কেন্দ্র ময়মনসিংহে এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চাঁদপুরে—এই পার্থক্যটি পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৎস্য ও কৃষিভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অবস্থান প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও সংশ্লিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ধারণা লাভ করতে পারে।
a ১০০-২০০ কি.মি
b ৩০০-৪০০ কি.মি
c ৭০০-৮০০ কি.মি
d ৯০০-১০০০ কি.মি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০০-৮০০ কি.মি ১. কেন সঠিক: - সুনামি হলো সমুদ্রের নিচে প্রবল ভূকম্পন বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট অত্যন্ত শক্তিশালী সামুদ্রিক ঢেউ, যা গভীর সমুদ্রে জেট বিমানের গতিতে ভ্রমণ করে। - ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ভয়াবহ সুনামির ক্ষেত্রে গভীর সমুদ্রে ঢেউয়ের এই গড় গতিবেগ ছিল ঘন্টায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার। ২. ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক পটভূমি: - ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের উপকূলে ভারত মহাসাগরের তলদেশে ৯ দশমিক ১ থেকে ৯ দশমিক ৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে এই সুনামি সৃষ্টি হয়। - এই সুনামির ফলে বাংলাদেশ সরাসরি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে এর সামান্য প্রভাব ও জলোচ্ছ্বাস অনুভূত হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরীয় সুনামি ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ভারতসহ ১৪টি দেশের প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছিল। উদাহরণ ২: জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় সিডর ব্যাখ্যা: সুনামির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের গতিপ্রকৃতি এবং এর ধ্বংসলীলা সম্পর্কে ধারণা থাকলে বাংলাদেশর মতো উপকূলীয় দেশের শিক্ষার্থীরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বুঝতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০-২০০ কি.মি — এই গতিবেগ অনেক কম এবং এটি সাধারণত সাধারণ সামুদ্রিক ঢেউ বা ছোট ঝড়ের বাতাসের গতির সাথে তুলনীয়। B) ৩০০-৪০০ কি.মি — এই গতিবেগ মাঝারি মানের সামুদ্রিক ঝড়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও গভীর সমুদ্রের সুনামির প্রকৃত গতির চেয়ে অনেক কম। C) ৭০০-৮০০ কি.মি — এই গতিবেগ গভীর সমুদ্রে সুনামি তরঙ্গের স্বাভাবিক ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রমাণিত পরিমাপ। D) ৯০০-১০০০ কি.মি — এই গতিবেগ বাণিজ্যিক জেট বিমানের গতির সমান এবং গভীর সমুদ্রে সুনামির স্বাভাবিক গড় গতির চেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুনামি শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ বন্দরের ঢেউ। - গভীর সমুদ্রে সুনামির গতি থাকে জেট বিমানের মতো অর্থাৎ ঘন্টায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা, গতিবেগ বা ক্ষয়ক্ষতির সাল ও স্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - ২০০৪ সালের সুনামির তারিখ এবং এর কারণ সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a পাগ-মার্ক
b ফুটমার্ক
c GIS
d কোয়ার্ডবেট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাগ-মার্ক ১. কেন সঠিক: - সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার বা বাঘ গণনার ঐতিহ্যবাহী ও দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহৃত পদ্ধতি হলো পাগ-মার্ক বা বাঘের পায়ের ছাপ পদ্ধতি। - এই পদ্ধতিতে বনের বিভিন্ন ট্র্যাকে বাঘের পায়ের ছাপ বা পায়ের পাতার মাপ সংগ্রহ করে বাঘের সংখ্যা, লিঙ্গ এবং বিচরণ ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলী তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ব forêt বা সুন্দরবন। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বন অধিদপ্তর এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ যৌথভাবে এই শুমারির কাজ পরিচালনা করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি ব্যাখ্যা: আধুনিক সময়ে পাগ-মার্ক পদ্ধতির পাশাপাশি সুন্দরবনে বাঘ গণনার জন্য মোশন সেন্সর ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: স্মার্ট পার্কিং বা স্মার্ট মনটরিং ব্যাখ্যা: এটি বন সুরক্ষায় ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তি যা বন্যপ্রাণী ও বনভূমি রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাগ-মার্ক — এটি বাঘ গণনার জন্য ব্যবহৃত সনাতন ও পরীক্ষিত পদ্ধতি। B) ফুটমার্ক — এটি কোনো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক বা শুমারি পদ্ধতি নয়। C) GIS — এটি ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা যার মাধ্যমে মানচিত্র তৈরি ও স্থান বিশ্লেষণ করা হয়। D) কোয়ার্ডবেট — এটি উদ্ভিদ বা ছোট প্রাণী গণনার স্যাম্পলিং পদ্ধতি যা বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাঘের পায়ের ছাপ বা পগমার্ক থেকে মনে রাখবেন পায়ের ছাপ বা পগমার্ক পদ্ধতি। - আধুনিক শুমারিতে ক্যামেরার পাশাপাশি এই পদ্ধতিও অতীতে প্রধান মাধ্যম ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুন্দরবনের বাঘ গণনায় বর্তমানে আধুনিক ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a ১১.২ কি.মি
b ১২.২ কি.মি
c ১১.৮ কি.মি
d ১২.৮ কি.মি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১.৮ কি.মি ১. কেন সঠিক: মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার হলো বাংলাদেশের দীর্ঘতম সড়ক ভায়াডাক্ট বা ফ্লাইওভার। এর মূল দৈর্ঘ্য এবং বিভিন্ন র‍্যাম্প বা সংযোগ পথ মিলিয়ে এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১১.৮ কিলোমিটার। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অবস্থান ও উদ্বোধন: এই ফ্লাইওভারটি রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে শুরু হয়ে গুলিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এর কিছু অংশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল পর্যন্ত প্রসারিত। প্রতিষ্ঠা ও নির্মাণ: পিপিপি বা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের অধীনে ফ্লাইওভারটি নির্মিত হয় এবং ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর এটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার ব্যাখ্যা: এটি রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ অঞ্চলের সঙ্গে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, যা ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করার আরেকটি বড় মেগা প্রকল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১.২ কি.মি — এটি ভুল কারণ ফ্লাইওভারটির দৈর্ঘ্য এই মাপে নয় বরং ১১.৮ কিলোমিটার। B) ১২.২ কি.মি — এটি ভুল তথ্য কারণ নির্মাণাধীন বা নকশার অন্য কোনো প্রাক্কলন হতে পারে, প্রকৃত দৈর্ঘ্য এটি নয়। C) ১১.৮ কি.মি — এটি সঠিক দৈর্ঘ্য এবং সরকারিভাবে এই মাপটি নির্ধারিত রয়েছে। D) ১২.৮ কি.মি — এটি ভুল মাপ কারণ সঠিক দৈর্ঘ্য এর চেয়ে এক কিলোমিটার কম। ৫. মনে রাখার টিপস: মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ১১.৮ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। এটি ঢাকা শহরের একটি অন্যতম প্রধান যোগাযোগ অবকাঠামো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের দীর্ঘতম ফ্লাইওভার কোনটি এবং এর দৈর্ঘ্য কত, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাম্প্রতিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
a ৫১৩৮ কি.মি
b ৪৩৭১ কি.মি
c ৪১৫৬ কি.মি
d ৩৯৭৮ কি.মি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪১৫৬ কি.মি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট সীমান্ত বা স্থল সীমানার দৈর্ঘ্য হলো ৪১৫৬ কি.মি, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক তথ্য। - ভারতের সাথে বাংলাদেশের পাঁচটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে এবং এই সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ছিটমহল বিনিময় চুক্তি বা স্থল সীমান্ত চুক্তি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমান্ত: - ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশের মোট সীমানার প্রায় ৯৪ শতাংশ ভারতের সাথে এবং বাকি অংশ মিয়ানমারের সাথে যুক্ত রয়েছে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলো হলো পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারতের স্থল সীমান্ত চুক্তি ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়, যা দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে। উদাহরণ ২: মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্ত দৈর্ঘ্য হলো ২৭১ কি.মি, যা বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার সাথে যুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫১৩৮ কি.মি — এই সংখ্যাটি সঠিক উত্তরের সাথে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ৪৩৭ কি.মি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের সীমান্ত সংক্রান্ত কোনো সঠিক পরিমাপের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ৩৯৭৮ কি.মি — এই মানটি ভুল এবং এটি ভারতের সাথে সীমানার প্রকৃত দৈর্ঘ্যকে নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ৪১৫৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - মিয়ানমারের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ২৭১ কি.মি এবং ভারতের সীমান্ত ৪১৫৬ কি.মি, এই দুটি তথ্য একসাথে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ভারত ও মিয়ানমারের সীমানার দৈর্ঘ্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি। - একই বিষয় থেকে সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্য কয়টি বা কোন রাজ্যের সাথে সীমানা সবচেয়ে বেশি, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a ১৯৯৮ সালে
b ১৯৯৯ সালে
c ২০০০ সালে
d ১৯৯৭ সালে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৮ সালে ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশে ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ অর্থবছরে প্রথম বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু করা হয়। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের দরিদ্র ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই ঐতিহাসিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম শুরু করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণ: ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ অর্থবছরের বাজেটে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দেন। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা বয়স্ক ব্যক্তিদের এই ভাতার আওতায় আনা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা। ব্যাখ্যা: ১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ অর্থবছরে সরকার দুস্থ নারীদের জন্য এই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করে। উদাহরণ ২: অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা। ব্যাখ্যা: ২০০৫ থেকে ২০০৬ অর্থবছরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য এই ভাতা চালু করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই বছর থেকেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বয়স্কভাতা বিতরণ শুরু হয়। B) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বয়স্কভাতা চালু হয়নি, তবে এই সময়ে সরকারের অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারিত হয়। C) ২০০০ সালে — এই সালে বয়স্কভাতা চালু হয়নি, এটি তার আগেই ১৯৯৮ সালে চালু হয়েছিল। D) ১৯৯৭ সালে — এই অর্থবছরে বাজেট পাস ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও মূলত ১৯৯৮ সাল থেকে এর বাস্তবায়ন ও অর্থ বিতরণ শুরু হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৯৯৮ সাল হলো এমন একটি বছর যখন বাংলাদেশে প্রথম বয়স্কদের জন্য নিয়মিত সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করা হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির শুরুর সালগুলো জানতে চাওয়া হয়, তাই ১৯৯৮ সালটি বয়স্কভাতার জন্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বয়স্কভাতা কর্মসূচি বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির মধ্যে সবচেয়ে পুরনো ও অন্যতম প্রধান একটি উদ্যোগ। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সামাজিক খাতের অর্জন হিসেবে আসে।
a দেশ থেকে পোলিও নির্মূল
b HIV / AIDS নির্মূল করা
c যক্ষ্মা নির্মূল করা
d ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা ১. কেন সঠিক: - সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য ছিল বিশ্ব থেকে চরম ক্ষুধা ও দারিদ্র্য নির্মূল করা। - বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই লক্ষ্য অর্জনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সামাজিক উন্নয়ন: - বাংলাদেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্য বিমোচনে ধারাবাহিক অগ্রগতি অর্জন করেছে। - এই অর্জনের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কাজ চলছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ব্যাখ্যা: বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতার মতো কর্মসূচিগুলো ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করার সরকারের সরাসরি উদ্যোগ। উদাহরণ ২: ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম ব্যাখ্যা: গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে ক্ষুদ্রঋণ দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশ থেকে পোলিও নির্মূল — এটি টিকাদান কর্মসূচির অংশ হলেও এমডিজি-র প্রধান লক্ষ্য ছিল না। B) HIV / AIDS নির্মূল করা — এটি স্বাস্থ্যসংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্ত হলেও মূল লক্ষ্য ছিল দারিদ্র্য বিমোচন। C) যক্ষ্মা নির্মূল করা — এটি রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির অংশ এবং স্বাস্থ্য খাতের নির্দিষ্ট লক্ষ্য। D) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা — এটি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারিত ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - এমডিজির শুরুতেই আসে পেটের ক্ষুধার কথা, তাই ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করাই হলো এর প্রথম লক্ষ্য। - স্বাস্থ্য বা শিক্ষা এর পরের ধাপে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এমডিজির পর বর্তমানে এসডিজি বাস্তবায়নের কাজ চলছে।
a রাখাইন
b মারমা
c পাঙন
d খিয়াং
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাঙন কেন সঠিক: পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মূল ধর্ম ইসলাম এবং তারা নিজেদের মুসলিম হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। এরা মূলত ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে আগত এবং বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করে। বাংলাদেশ তথ্য: বাংলাদেশের সংবিধানে দেশের সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ভাষার সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। পাঙন সম্প্রদায় শত শত বছর ধরে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাখাইন — রাখাইন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান ধর্ম বৌদ্ধ ধর্ম এবং তারা মূলত কক্সবাজার ও পটুয়াখালী অঞ্চলে বাস করে। B) মারমা — মারমা সম্প্রদায় বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী এবং তারা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে। C) পাঙন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয় বরং এই সম্প্রদায়ের মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী। D) খিয়াং — খিয়াং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ সাধারণত বৌদ্ধ বা খ্রিস্টধর্ম পালন করে থাকে। মনে রাখার টিপস: পাঙন মানেই প্রধান ধর্ম ইসলাম মনে রাখবে। মণিপুরী মুসলিমদের পাঙন বলা হয় এটি মাথায় রাখবে।
a পরিবিবি
b ইসলাম খান
c শায়েস্তা খান
d ঈশা খান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইসলাম খান ১. কেন সঠিক: সুবেদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করার পর শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ধোলাই খাল খনন করেছিলেন। এই খালটি বুড়িগঙ্গা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে বিভিন্ন এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পরবর্তীতে বালু নদীর সাথে মিলিত হয়েছিল যা নৌপথের বিস্তার ঘটিয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুঘল সুবেদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থাপন করেন এবং নৌপথের নিরাপত্তা ও যাতায়াত সহজ করতে এই খাল খনন করেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ইসলাম খান চিশতি ছিলেন বাংলার প্রথম মুঘল সুবেদার যিনি বিদ্রোহী ভুঁইয়াদের দমন করে সমগ্র বাংলায় মুঘল শাসন সুদৃঢ় করেছিলেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: ধোলাই খাল খননের ফলে তৎকালীন ঢাকার সাথে আশপাশের অঞ্চলের বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ হয় এবং বর্ষাকালে শহর রক্ষা পায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুড়িগঙ্গা নদী ব্যাখ্যা: ধোলাই খালটি বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে সংযুক্ত ছিল যা ঢাকার মুঘল আমlর জলপথ নেটওয়ার্কের একটি অংশ হিসেবে কাজ করত। উদাহরণ ২: লালবাগ কেল্লা ব্যাখ্যা: এটি পরবর্তী সুবেদারদের আমলে নির্মিত ঢাকার আরেকটি ঐতিহাসিক নিদর্শন যা তৎকালীন মুঘল স্থাপত্য ও নগরায়নের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিবিবি — পরিবিবি ছিলেন মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খানের কন্যা, যার আসল নাম ইরান দুখ্ত এবং তাঁর মাজার লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে অবস্থিত। B) ইসলাম খান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মুঘল আমলে ঢাকার যোগাযোগ ও নৌপথ উন্নয়নের জন্য ধোলাই খাল খনন করেছিলেন। C) শায়েস্তা খান — শায়েস্তা খান বাংলার বিখ্যাত সুবেদার ছিলেন যিনি তাঁর আমলের সুশাসনের জন্য পরিচিত হলেও ধোলাই খাল তিনি খনন করেননি। D) ঈশা খান — ঈশা খান ছিলেন বারো ভুঁইয়া প্রধান এবং বাকলার জমিদার যিনি মুঘলদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন বাংলার স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: ঢাকা রাজধানী হওয়ার পর প্রথম সুবেদার ইসলাম খান যাতায়াতের সুবিধার জন্য খাল খনন করেন। ইসলাম খান ও ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন একই সময়ের ঘটনা হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকার রাজধানী স্থানান্তর এবং প্রথম মুঘল সুবেদার কে ছিলেন তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে বাংলার প্রথম মুঘল রাজধানী কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছিল।
a ১৯৭২ সাল
b ১৯৭৩ সাল
c ১৯৭৪ সাল
d ১৯৭৭ সাল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সাল ১. কেন সঠিক: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি বা জনমিতি পরিমাপ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। এই শুমারির মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সঠিক জনসংখ্যা, জনমিতি ও আর্থসামাজিক অবস্থা নিরূপণ করা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি: [জনমিতির ঐতিহাসিক সূচনা] ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: [বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের উদ্যোগে এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সহায়তায় এই শুমারি হয়] তারিখ ও স্থান: [১৯৭৪ সালের ১ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি সমগ্র বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি পরিচালিত হয়] তাৎপর্য ও ফলাফল: [১৯৭৪ সালের শুমারি অনুযায়ী যুদ্ধোত্তর স্বাধীন বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে সাত কোটি] ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: [১৯৮১ সালের দ্বিতীয় আদমশুমারি] ব্যাখ্যা: [স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম শুমারির পর দশকভিত্তিক গণনার ধারাবাহিকতায় ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়] উদাহরণ ২: [২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা] ব্যাখ্যা: [এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি, যার মাধ্যমে দেশের আধুনিক জনসংখ্যা ও গৃহের সঠিক পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে] ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ সাল — [এটি বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন ও প্রথম জাতীয় বাজেট ঘোষণার বছর, কোনো শুমারির বছর নয়] B) ১৯৭৩ সাল — [এটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের বছর, যা জনসংখ্যা গণনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়] C) ১৯৭৪ সাল — [এটি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হওয়ার সঠিক বছর] D) ১৯৭৭ সাল — [এটি জিয়াউর রহমানের শাসনকালে গণভোট ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের বছর, প্রথম শুমারির বছর নয়] ৫. মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৭৪ সংখ্যাটি মনে রাখলে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনসংখ্যা গণনার সালটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয় এবং সেসময়ের মোট জনসংখ্যা কত ছিল, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে দশকভিত্তিক শুমারি এবং সর্বশেষ ডিজিটাল শুমারি সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a ৯ মে ১৯৫৪
b ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩
c ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬
d ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ মে ১৯৫৪ ১. কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বিল পাস করা হয়। - তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী বগুড়ার উদ্যোগে গণপরিষদের কার্যবিবরণীতে বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর ৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয় এই ঐতিহাসিক অর্জনের পথ প্রশস্ত করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির আইনি ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি মেলার প্রথম আনুষ্ঠানিক ধাপ সূচিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশে ফেব্রুয়ারি ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে পালিত হয় এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি লাভ করে। উদাহরণ ২: ১৯৫৬ সালের সংবিধান ব্যাখ্যা: এই সংবিধানে প্রথমবারের মতো বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ মে ১৯৫৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। B) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ — এই তারিখে ভাষা আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকী পালিত হয় এবং পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। C) ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ — এই তারিখটি সরাসরি রাষ্ট্রভাষা স্বীকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তবে ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পাস হওয়া সংবিধানে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্থান পায়। D) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এটি ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের দিন, যেদিন ছাত্রদের মিছিলে পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্ববরা শহীদ হন। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৫২ সালের রক্তপাতের পর ঠিক দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৪ সালের ৯ মে গণপরিষদে প্রথম স্বীকৃতি মেলে। সালটি ১৯৫৪ এবং তারিখটি ৯ মে মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন সংবিধানে প্রথম বাংলা রাষ্ট্রভাষা হয় বা কোন তারিখে গণপরিষদ এই স্বীকৃতি দেয়। তাই সাল ও তারিখের পার্থক্য স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে।
a ২৫ মার্চ ১৯৭১
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
d ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ ১. কেন সঠিক: ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। বিজয়ের ঠিক প্রাক্কালে বাঙালি জাতিকে মেধাহীন ও পঙ্গু করে দিতেই এই পরিকল্পিত ও নৃশংস বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পরাজয় নিশ্চিত জেনেই পাকিস্তানি বাহিনী বুদ্ধিজীবীদের তালিকা তৈরি করে তাদের বাসা থেকে তুলে নিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে হত্যা করে। তারিখ ও স্থান: ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, পুরান ঢাকা এবং বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের ধরে নেওয়া হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই হত্যাকাণ্ডের ফলে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ তার মেধাবী নেতৃত্ব, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের হারায়, যা জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ব্যাখ্যা: প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা জাতির মেধাবী সন্তানদের আত্মত্যাগের স্মৃতি বহন করে। উদাহরণ ২: রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ব্যাখ্যা: বুদ্ধিজীবীদের হত্যার নির্মম স্মারক হিসেবে রায়েরবাজার ও মিরপুরে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের সেই নিষ্ঠুরতার ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে পাকিস্তানি বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে ঢাকাসহ সারাদেশে নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করে। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। D) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই তারিখে পাকিস্তানি বাহিনী রেসকোর্স ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে, অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। ২৫ মার্চ কালরাত্রি দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন তারিখে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল অথবা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে।
a যুক্তরাজ্য
b পূর্ব জার্মানি
c স্পেন
d গ্রিস
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পূর্ব জার্মানি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশকে প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে পূর্ব জার্মানি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পূর্ব জার্মানি কূটনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন প্রদান করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি বাংলাদেশকে প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে ইউরোপীয় অঞ্চলে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। এটি সদ্য স্বাধীন দেশের আন্তর্জাতিক বৈধতা অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভুটান ও ভারত ব্যাখ্যা: ভুটান ও ভারত বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে, যা আমাদের কূটনৈতিক বিজয়ের সূচনা ছিল। উদাহরণ ২: সোভিয়েত ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: পরাশক্তি হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্বীকৃতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করেছিল এবং জাতিসংঘে কূটনৈতিক ভারসাম্য এনেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, যা প্রথম ইউরোপীয় দেশ নয়। B) পূর্ব জার্মানি — এটি সঠিক উত্তর। C) স্পেন — স্পেন বাংলাদেশের অনেক পরে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও স্বীকৃতি প্রদান করে। D) গ্রিস — গ্রিস ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি, বরং পরবর্তীতে স্বীকৃতি প্রদান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউরোপে প্রথম জার্মানি পূর্ব দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিল এভাবে মনে রাখতে পারেন। পূর্ব জার্মানি ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ এবং প্রথম ইউরোপীয় দেশ আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। একই বিষয় থেকে প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশ বা পরাশক্তির নাম সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১৭ টি
b ২০ টি
c ৬৪ টি
d ১৯ টি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯ টি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিন্যাসের ইতিহাসে ১৯টি বৃহত্তর জেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা। ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল থেকে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১৯টি বৃহত্তর জেলায় ভাগ করা হয়েছিল। ২. প্রশাসনিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর ১৯৮৪ সালের আগে পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ১৯টি বৃহত্তর জেলা ছিল। পরবর্তীতে প্রশাসনিক গতিশীলতা আনয়ন ও জনসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১৯৮৪ সালে এই ১৯টি বৃহত্তর জেলাকে ভেঙে বর্তমানের ৬৪টি জেলায় রূপান্তর করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বৃহত্তর জেলা ব্যাখ্যা: ঢাকা বৃহত্তর জেলা ভেঙে বর্তমান ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও শরীয়তপুর জেলা গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ বৃহত্তর জেলা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ বৃহত্তর জেলা ভেঙে ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা জেলা গঠিত হয়েছে যা থেকে বৃহত্তর জেলার প্রশাসনিক পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ টি - এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের বর্তমান অঞ্চলের কোনো প্রশাসনিক একক বা বৃহত্তর জেলার সঙ্গে মিল নেই। B) ২০ টি - এটি একটি ভুল সংখ্যা, কারণ তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশে ২০টি বৃহত্তর জেলা ছিল না। C) ৬৪ টি - এটি বর্তমান বাংলাদেশের মোট জেলার সংখ্যা, বৃহত্তর জেলার সংখ্যা নয়। D) ১৯ টি - এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৮৪ সালের প্রশাসনিক সংস্কারের পূর্বে বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলার সংখ্যা ছিল ১৯টি। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯টি বৃহত্তর জেলাকে ভেঙে পরবর্তীতে ৬৪টি জেলা করা হয়, এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য সংখ্যা দুটি মনে রাখা জরুরি। পাকিস্তান আমল এবং স্বাধীনতার পর কিছুদিন পর্যন্ত ১৯টি বৃহত্তর জেলা দিয়েই দেশের শাসনকার্য পরিচালিত হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বর্তমান ৬৪টি জেলা কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থার ফল বা পূর্বে বৃহত্তর জেলা কয়টি ছিল। এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীकरण এবং ১৯৮৪ সালের প্রশাসনিক সংস্কার সম্পর্কে ধারণা লাভ করে।
a রাঙামাটি
b বান্দরবান
c মৌলভীবাজার
d সিলেট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙামাটি ১. কেন সঠিক: - শুভলং ঝরনা বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলায় কাপ্তাই হ্রদের তীরে অবস্থিত। - পাহাড়ি ঝরনাগুলোর মধ্যে এটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার মতো। ২. ভৌগোলিক পরিচিতি ও তাৎপর্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: রাঙামাটি সদর থেকে ইঞ্জিনবোর্ডে কাপ্তাই হ্রদ পার হয়ে শুভলং ঝরনায় পৌঁছাতে হয়। - প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: বর্ষাকালে এই ঝরনার পানির ধারা অনেক বৃদ্ধি পায় এবং পাহাড়ের ওপর থেকে জলরাশি নিচে আছড়ে পড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাধবকুণ্ড ঝরনা ব্যাখ্যা: এটি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম বড় পাহাড়ি ঝরনা। উদাহরণ ২: নাফাকুম ঝরনা ব্যাখ্যা: এটি বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় সাঙ্গু নদীর ওপর অবস্থিত একটি বিখ্যাত জলপ্রপাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শুভলং ঝরনা এই জেলাতেই অবস্থিত। B) বান্দরবান — এটি সঠিক নয় কারণ বান্দরবানে বগালেক, রিজুক ঝরনা ও নাফাকুম অবস্থিত। C) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে মাধবকুণ্ড ও হামহাম ঝরনা অবস্থিত। D) সিলেট — এটি সঠিক নয় কারণ সিলেটে লালাখাল ও বিছনাকান্দি থাকলেও এই বিখ্যাত ঝরনাটি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাঙামাটি মানেই কাপ্তাই হ্রদ এবং কাপ্তাই হ্রদের তীরেই রয়েছে বিখ্যাত শুভলং ঝরনা। - পাহাড়ি জেলাগুলোর ঝরনাগুলোর নাম ও অবস্থান আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলাদেশের বিভিন্ন ঝরনা ও পর্যটন কেন্দ্রের নাম কোন জেলায় অবস্থিত তা জানতে চাওয়া হয়। - নদী, পাহাড় ও ঝরনার সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান জানা থাকলে ভূগোল অংশের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a পুটিয়া, রাজশাহী
b নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
c লালপুর, নাটোর
d ঈশ্বরদী, পাবনা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালপুর, নাটোর ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী নাটোর জেলার লালপুর উপজেলাকে দেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এখানে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অনেক সময় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় এবং রেকর্ড পরিমাণে গরম অনুভূত হয়। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও আবহাওয়া: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি হওয়ার কারণে এখানে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু বিরাজ করে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত উষ্ণতা এবং শীতকালে তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের শীতলতম স্থান হিসেবে পরিচিত এবং এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। উদাহরণ ২: রাজশাহী জেলা ব্যাখ্যা: এটি চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর অঞ্চল হিসেবে পরিচিত যেখানে গ্রীষ্মে প্রচণ্ড গরম ও শীতে তীব্র ঠান্ডা পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুটিয়া, রাজশাহী — এটি রাজশাহীর একটি ঐতিহাসিক উপজেলা হলেও এটি দেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়। B) নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের একটি উপজেলা এবং এখানেও প্রচণ্ড গরম পড়ে, তবে এটি উষ্ণতম স্থান নয়। C) লালপুর, নাটোর — এটি আবহাওয়া অধিদপ্তরের রেকর্ড অনুযায়ী বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে চিহ্নিত। D) ঈশ্বরদী, পাবনা — এটি আবহাওয়া সংক্রান্ত নানা রেকর্ড ও গবেষণার জন্য পরিচিত হলেও উষ্ণতম স্থান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উষ্ণতম স্থান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নাটোরের লাল গোলাপের সঙ্গে গরমের অনুভূতি মিলিয়ে রাখা। অন্যদিকে শীতলতম স্থান হিসেবে শ্রীমঙ্গলকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, উষ্ণতম ও শীতলতম স্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও আবহাওয়ার আঞ্চলিক তারতম্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
a ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
d ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সরকারের অনুমোদনক্রমে গৃহীত হয়। পটুয়া কামরুল হাসানের নেতৃত্বে একটি দল শিবনারায়ণ দাসের তৈরি মূল নকশাকে কিছুটা পরিমার্জন করে বর্তমান রূপ দেয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন আ স ম আবদুর রব। তারিখ ও স্থান: তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ছাত্র সমাবেশে এই পতাকা প্রথম উন্মোচন করেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: পটুয়া কামরুল হাসান জাতীয় পতাকার বর্তমান নকশা চূড়ান্ত করেন এবং শিবনারায়ণ দাস প্রথম পতাকার নকশা তৈরি করেছিলেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পতাকা আত্মত্যাগের রক্তিম সূর্য এবং সবুজ বাংলার স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে সমগ্র মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের মার্চ মাস। ব্যাখ্যা: এই মাসে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি সশস্ত্র সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করে। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাস। ব্যাখ্যা: এই মাসে সদ্য স্বাধীন দেশের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস এবং এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়, জাতীয় পতাকা গৃহীত হওয়ার তারিখ নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। D) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ — এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ জাতীয় পতাকা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়। সাল মনে রাখতে ১৯৭২ সাল এবং তারিখ ১৭ জানুয়ারি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় পতাকার ডিজাইনার এবং প্রথম উত্তোলক কারা, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। পতাকার সবুজ রঙের মাঝে লাল বৃত্তের অনুপাত হলো ১০ অনুপাত ৬।
a প্রথম ১০ টি
b প্রথম ৪ টি
c প্রথম ৬ টি
d প্রথম ৫ টি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রথম ৪ টি ১. কেন সঠিক: - আমাদের জাতীয় সংগীতের প্রথম চার চরণ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো হয়। - বাংলাদেশের সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের পূর্ণ সংস্করণ বা প্রথম চার চরণ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জাতীয় প্রতীক, পতাকা, সংগীত ও স্মৃতিসৌধ - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: আমাদের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা গানটির প্রথম দশ চরণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার কর্তৃক জাতীয় সংগীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই অমর গানটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রজ্ঞাপন দ্বারা জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জাতীয় সংগীত আমাদের স্বাধিকার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালি সংস্কৃতির পরিচায়ক যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে অনুষ্ঠানে বাজানো হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস ব্যাখ্যা: এই জাতীয় দিবসগুলোতে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সম্মান প্রদর্শনের জন্য জাতীয় সংগীতের প্রথম চার চরণ বাজানো হয়। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ব্যাখ্যা: বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের বাংলাদেশ সফরের সময় গার্ড অব অনার প্রদানের সময় জাতীয় সংগীত বাজানোর নির্দিষ্ট প্রোটোকল অনুসরণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম ১০ টি — এটি সঠিক নয় কারণ সম্পূর্ণ গানটি গাওয়া না হলে সাধারণত প্রথম চার চরণ বাজানোর নিয়ম রয়েছে, যদিও পুরো গানে দশ চরণ রয়েছে। B) প্রথম ৪ টি — এটি সঠিক কারণ রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত সংস্করণে প্রথম চার চরণ বাজানো হয়। C) প্রথম ৬ টি — এটি সঠিক নয় কারণ সাংবিধানিক বা প্রোটোকল বিধিতে ছয় চরণ বাজানোর কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। D) প্রথম ৫ টি — এটি সঠিক নয় কারণ জাতীয় সংগীতের চরণের হিসাব অনুযায়ী পাঁচ চরণ নির্ধারণ করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংগীতের মোট দশ চরণ সংকলিত হলেও রাষ্ট্রীয় ও আনুষ্ঠানিক সংক্ষেপে চার চরণ বাজানো হয়। সংখ্যাটি মনে রাখতে মনে রাখুন চার অক্ষরে চার চরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং এর কত চরণ গাওয়া হয় তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ কে করেছেন।
a অর্থমন্ত্রী
b প্রধানমন্ত্রী
c পরিকল্পনামন্ত্রী
d স্পীকার
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী ১. কেন সঠিক: - পরিকল্পনা কমিশনের সর্বোচ্চ নির্বাহী সংস্থা হলো একনেক বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি। - দেশের মেগা প্রজেক্ট এবং বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো অনুমোদন ও বাস্তবায়নের চূড়ান্ত ক্ষমতা এই কমিটির হাতে ন্যস্ত থাকে। ২. প্রশাসন ও পরিকল্পনা: - প্রাতিষ্ঠানিক গঠন: বাংলাদেশ সরকারের কার্যবিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতি বা চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - প্রশাসনিক কার্যক্রম: অর্থনৈতিক নীতিমালা প্রণয়ন এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে এই কমিটি সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প ব্যাখ্যা: এই জাতীয় মেগা প্রজেক্টটি বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে একনেক সভা থেকে অনুমোদন লাভ করেছে। উদাহরণ ২: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: দেশের বড় বড় বৈদেশিক বিনিয়োগ ও উন্নয়ন প্রকল্পগুলো একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থমন্ত্রী — তিনি এই কমিটির সদস্য এবং অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকেন কিন্তু সভাপতি নন। B) প্রধানমন্ত্রী — এই উত্তরটি সঠিক এবং তিনি আইনগতভাবে একনেক এর সভাপতি। C) পরিকল্পনামন্ত্রী — তিনি সাধারণত এই কমিটির বিকল্প সভাপতি বা গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। D) স্পীকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং সরকারের নির্বাহী পরিকল্পনা কমিটির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন খাতের সবচেয়ে বড় ক্ষমতা রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের হাতে থাকে। তাই মনে রাখবে দেশের যেকোনো বড় প্রকল্পের প্রধান অনুমোদনকারী হলেন প্রধানমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একনেক এর পূর্ণরূপ হলো Executive Committee of the National Economic Council. এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ধান
b কলা
c পাট
d গম
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কলা ১. কেন সঠিক: - ‘অগ্নিশ্বর’ হলো বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও সুস্বাদু কলার উন্নত জাত। - কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বা প্রচলিত এই জাতটি মিষ্টি স্বাদ ও পুষ্টিমানের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত। ২. কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কৃষকদের মাঝে ফলের উন্নত জাত বিস্তার করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: কলার উন্নত জাত চাষ করে কৃষকরা অধিক ফলন ও অর্থনৈতিক লাভ পান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবরি ও চম্পা ব্যাখ্যা: এগুলি বাংলাদেশে উৎপাদিত কলার অন্যান্য জনপ্রিয় ও পরিচিত জাত। উদাহরণ ২: আম্রপলি ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুস্বাদু আম গাছের উন্নত জাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান — ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য হলেও ‘অগ্নিশ্বর’ ধানের কোনো উন্নত জাত নয়। ধানের উন্নত জাতগুলোর মধ্যে ব্রি ধান ২৮ বা ব্রি ধান ২৯ উল্লেখযোগ্য। C) পাট — পাট বাংলাদেশের সোনালী আঁশ হিসেবে পরিচিত হলেও ‘অগ্নিশ্বর’ পাটের জাত নয়। পাটের উন্নত জাতের মধ্যে বিজেআরআই দেশি পাট বা তোষা পাট রয়েছে। D) গম — গম বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রবিশস্য হলেও ‘অগ্নিশ্বর’ গমের কোনো জাত নয়। গমের উন্নত জাতের মধ্যে বারি গম ৩১ বা শতাব্দী উল্লেখযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - কলার মিষ্টি জাতের নাম মনে রাখতে ‘অগ্নিশ্বর’ নামটি মাথায় রাখবে। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত করতে ধান, পাট বা গমের নাম অপশনে থাকতে পারে, তাই ফলের জাত হিসেবে কলার নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - খাদ্যশস্য, ফলমূল এবং অর্থকরী ফসলের বৈজ্ঞানিক বা জনপ্রিয় জাতগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যুদ্ধপরাধীদের বিচার
b সমুদ্রসীমা বিজয়
c বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
d বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুদ্ধপরাধীদের বিচার ১. কেন সঠিক: - যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম এক যুগান্তকারী ও আইনি পদক্ষেপ, যা রাষ্ট্রকে দায়মুক্তির সংস্কৃতি থেকে বের করে এনেছে। - এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও নির্যাতিত মা-বোনদের আত্মত্যাগের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকারের মানদণ্ড রক্ষা করেছে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিচার সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জাতীয় ক্ষোভ প্রশমিত হয় এবং বাঙালি জাতির কাঙ্ক্ষিত বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ব্যাখ্যা: এই বিশেষায়িত বিচারিক প্রতিষ্ঠানটি গঠনের মাধ্যমে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারকার্য সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে অনন্য। উদাহরণ ২: একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ব্যাখ্যা: শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গঠিত এই সামাজিক আন্দোলনটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিকে জনসমক্ষে জোরালো করতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল, যা পরীক্ষার্থীদের জানা জরুরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুদ্ধপরাধীদের বিচার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের বিচারিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অর্জন। B) সমুদ্রসীমা বিজয় — মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা জিতে সমুদ্রসীমা অর্জন বাংলাদেশের কূটনীতির বড় সাফল্য হলেও মূল প্রশ্নে এটিকে প্রধান অর্জন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। C) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ — বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটি পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক সূচক যা আমদানিব্যয় ও বাজারের চাহিদার ওপর নির্ভর করে ওঠানামা করে। D) বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি — বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন সরকারের একটি বড় অবকাঠামোগত সাফল্য হলেও এটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মতো ঐতিহাসিক ও নৈতিক গুরুত্ব বহন করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - একাত্তরের শহীদদের ঋণ শোধের সবচেয়ে বড় আইনি পদক্ষেপ হলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। - ২০১০ সালে ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক বিচারকার্য শুরু হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কত সালে গঠিত হয় এবং এর মূল কাজ কী, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কোন আইনের অধীনে পরিচালিত হয়েছে, সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা উচিত।
a ১৬২ টি
b ১১১ টি
c ৫১ টি
d ১০১ টি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১১ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময় কার্যকর করা হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতের ভৌগোলিক সীমায় অবস্থিত বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল এবং বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অবস্থিত ভারতের ১১১টি ছিটমহল স্ব স্ব দেশের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির পর কুচবিহারের রাজা ও পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে কিছু ভূখণ্ডের মালিকানা জটিলতা থেকে ছিটমহল সমস্যার সূত্রপাত হয়। - ১৯৭৪ সালের ১৬ মে ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হতে দীর্ঘ সময় লেগেছিল। - ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকালে ২০১৫ সালের ৬ জুন ভারতীয় সংসদে সংবিধানের একশততম সংশোধনী পাসের মাধ্যমে এর পথ সুগম হয়। - এই বিনিময়ের ফলে দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে অবরুদ্ধ থাকা লাখো মানুষ তাদের নাগরিক অধিকার ফিরে পায় এবং দুই দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দহগ্রাম ও অঙ্গারপোতা ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত ছিটমহল যা তিনবিঘা করিডরের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৭৪ সালের ১৬ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬২ টি — এটি দুই দেশের মোট ছিটমহলের সংখ্যা নির্দেশ করে, যার মধ্যে ভারতের অভ্যন্তরে ছিল ৫১টি এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ছিল ১১১টি। B) ১১১ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় ভারতের ঠিক এই কয়টি ছিটমহল অবস্হিত ছিল যা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। C) ৫১ টি — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি ভারতের ভৌগোলিক সীমায় অবস্হিত বাংলাদেশের ছিটমহলগুলোকে নির্দেশ করে। D) ১০১২ টি — এটি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর একটি সংখ্যা যা বাস্তবসম্মত নয় এবং দুই দেশের সীমান্ত চুক্তির সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশ পেল ১১১ আর ভারত পেল ৫১, এই সংখ্যা দুটি মনে রাখলে যেকোনো ছিটমহল সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব হবে। - মোট ১৬২টি ছিটমহলের মধ্যে ১১১টি বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় ছিল এবং ৫১টি ভারতের ভৌগোলিক সীমায় ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছিটমহল বিনিময়ের ফলে দীর্ঘদিনের মানচিত্রভিত্তিক জটিলতা দূর হয়েছে এবং দুই দেশের সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত হয়েছে। - একই বিষয় থেকে আরেকটি প্রশ্ন আসতে পারে যে, স্থল সীমান্ত চুক্তি কবে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করা হয় যার সঠিক উত্তর হলো ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই।
a দ্রাবিড়
b নেগ্রিটো
c ভোটচীন
d অষ্ট্রিক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অষ্ট্রিক ১. কেন সঠিক: - বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনের প্রধান উৎস হলো অষ্ট্রিক জাতিগোষ্ঠী, যা প্রাচীন বাংলার আদিম জনগোষ্ঠীর মূল ভিত্তি তৈরি করেছিল। - ইতিহাসবিদ ও নৃতাত্ত্বিকদের মতে, বাঙালি সংকর জাতি হলেও এর জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ অষ্ট্রিক বা নিষাদ জাতির রক্ত বহন করে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - প্রাচীনকালে বাংলার ভূখণ্ডে বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আগমন ঘটেছিল যাদের মধ্যে অষ্ট্রিক বা নিষাদ জাতি অন্যতম প্রধান। - আর্যদের আগমনের পূর্বে এই অঞ্চলে অষ্ট্রিকভাষী মানুষেরা বসতি স্থাপন করেছিল এবং কৃষিকাজ ও সমাজের ভিত্তি গড়ে তুলেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁওতাল ও মুন্ডা জনগোষ্ঠী ব্যাখ্যা: অষ্ট্রিক জাতির সরাসরি বংশধর হিসেবে এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো বাংলার প্রাচীন নৃতাত্ত্বিক ধারার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার ব্যাখ্যা: আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত অনেক বাংলা শব্দ যেমন কুলা, গঞ্জ, টোপর ইত্যাদি অষ্ট্রিক ভাষা থেকে এসেছে যা বাঙালি সংস্কৃতির ওপর তাদের গভীর প্রভাব নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রাবিড় — প্রাচীন ভারতের সিন্ধু সভ্যতা ও দক্ষিণ ভারতের জনগোষ্ঠীর মূল অংশ হলেও এরা বাঙালি জাতির প্রধান অংশ নয়। B) নেগ্রিটো — এরা বাংলার অতি প্রাচীন আদিবাসী হলেও সংখ্যায় অত্যন্ত কম থাকায় প্রধান অংশ হতে পারেনি। C) ভোটচীন — তিব্বত ও চীন অঞ্চল থেকে আসা এই জাতিগোষ্ঠী উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের নৃতাত্ত্বিক গঠনে প্রভাব ফেললেও বাঙালির প্রধান অংশ নয়। D) অষ্ট্রিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক ও শারীরিক গঠনে এই গোষ্ঠীর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাঙালি মানেই অষ্ট্রিক মূলের সংমিশ্রণ। - প্রাচীন বাংলার আদি বসতি স্থাপনকারীদের প্রধান ধারা ছিল এই অষ্ট্রিক বা নিষাদ জাতিগোষ্ঠী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে নরগোষ্ঠীভিত্তিক প্রশ্ন আসলে মনে রাখতে হবে বাঙালি মূলত একটি সংকর জাতি।
a পুণ্ড্র
b তাম্রলিপ্ত
c গৌড়
d হরিকেল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র ১. কেন সঠিক: - পুণ্ড্র প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ ও নগরকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত। - মৌর্য ও গুপ্ত আমলের শিলালিপিতে এই জনপদের নাম ও এর প্রাচীন রাজধানী পুণ্ড্রবর্ধনের উল্লেখ পাওয়া যায়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - প্রাচীনকালে বাংলা বর্তমানের মতো একক কোনো অঞ্চল ছিল না, বরং বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল। - বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের সমন্বয়ে পুণ্ড্র জনপদ গঠিত হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল এবং এটি বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে প্রমাণিত। উদাহরণ ২: মৌর্য শাসনকাল ব্যাখ্যা: পুণ্ড্রবর্ধন যে মৌর্য সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল, তা মহাস্থানগড় থেকে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপিতে প্রমাণিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ। B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপদ হলেও সর্বপ্রাচীন নয়। C) গৌড় — এটি মধ্যযুগের বাংলার একটি অত্যন্ত বিখ্যাত রাজধানী ও জনপদ, যা প্রাচীনতম নয়। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল এবং পুণ্ড্রর পরে গড়ে উঠেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন জনপদ মনে রাখার কৌশল হলো এই যে পুণ্ড্র মানেই প্রাচীনতম বা প্রথম জনপদ। - বর্ণানুক্রমিকভাবে প দিয়ে পুণ্ড্র এবং প্রাচীন এই মিল মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন জনপদের বর্তমান অবস্থান বা রাজধানী সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী কোথায় ছিল, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a আলমগীরনামা
b আইন-ই-আকবরী
c আকবরনামা
d তুজুক-ই-আকবরী
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইন-ই-আকবরী ১. কেন সঠিক: - আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে বাংলা শব্দটির উৎপত্তি ও ব্যবহারের ইতিহাস সবচেয়ে বেশি ও বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - মুঘল সম্রাট আকবরের নবরত্নের একজন আবুল ফজল এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটি রচনা করেন এবং এতে সুবাহ বাংলার ভৌগোলিক সীমানা ও নামকরণের ইতিহাস তুলে ধরা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীনকালে বাংলা অঞ্চলটি বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল এবং কালক্রমে বঙ্গ নাম থেকেই বাংলা দেশ ও ভাষা নামের উৎপত্তি ঘটে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুঘল আমলের বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক আবুল ফজল আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে বাংলার নামকরণের এই ঐতিহাসিক উৎস লিপিবদ্ধ করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন-ই-আকবরী গ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি মুঘল আমলের প্রশাসনিক ও সামাজিক ব্যবস্থার পাশাপাশি বাংলার নামকরণের ঐতিহাসিক সত্যতা জানতে প্রধান দলিল হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: আবুল ফজলের রচনা ব্যাখ্যা: তার লেখা এই গ্রন্থ থেকে পরীক্ষার্থীরা মুঘল আমলের প্রশাসনিক কাঠامো এবং তৎকালীন বাংলার ভৌগোলিক পরিচিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমগীরনামা — এটি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলের ইতিহাস নিয়ে রচিত গ্রন্থ হলেও বাংলা নামের উৎপত্তির প্রধান উৎস এটি নয়। B) আইন-ই-আকবরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত। C) আকবরনামা — এটি সম্রাট আকবরের জীবন ও শাসনকালভিত্তিক ইতিহাস হলেও বাংলা নামের উৎপত্তি বিশদভাবে এখানে নেই। D) তুজুক-ই-আকবরী — এটি আকবরের আত্মজীবনী সংক্রান্ত প্রচলিত ভুল বা অন্য ধারার ঐতিহাসিক গ্রন্থ যার সঙ্গে এই প্রশ্নটি সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আইন ও ভাষা মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারেন যে আইন প্রণয়নের মতো প্রামাণিক দস্তাবেজ আইন-ই-আকবরীতেই বাংলা নামের উৎপত্তি সবচেয়ে জোরালোভাবে আইনগত বা প্রামাণিকভাবে এসেছে। মুঘল আমলের ঐতিহাসিক গ্রন্থগুলোর মধ্যে আকবরের আমলের প্রামাণিক দলিল হিসেবে আইন-ই-আকবরী নামটি বাংলা নামের উৎপত্তির জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাস এবং ঐতিহাসিক গ্রন্থভিত্তিক এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে আইন-ই-আকবরী গ্রন্থের রচিয়তা কে অথবা মুঘল আমলে বাংলার নাম সুবাহ বাংলা হিসেবে কোথায় উল্লেখ আছে।
a শাহ সুজা
b শায়েস্তা খান
c মীর জুমলা
d সুবেদার ইসলাম খান
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শায়েস্তা খান ১. কেন সঠিক: - সুবেদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে লালবাগ দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন। - ঐতিহাসিক এই দুর্গটি তৎকালীন মুঘল স্থাপত্যরীতির এক অনন্য নিদর্শন এবং বাংলার মুঘল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে বাংলার সুবেদার হিসেবে শায়েস্তা খান দুই দফায় ঢাকায় শাসনকার্য পরিচালনা করেন এবং দুর্গটির নির্মাণকাজে তার পুত্র যুবরাজ মোহাম্মদ আজম শাহ সহায়তা করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: দুর্গটি মূলত মুঘল সামরিক কৌশল এবং প্রশাসনিক শক্তির প্রতীক হিসেবে নির্মিত হলেও পরিখার অপরিকল্পিত নকশা এবং অসমাপ্ত কাজ এটিকে ঐতিহাসিক এক রহস্যে পরিণত করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড় কাটরা ব্যাখ্যা: শায়েস্তা খানের আমলে নির্মিত আরেকটি বিখ্যাত মুঘল ইমারত, যা মুঘল আমলের স্থাপত্য ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব বহন করে। উদাহরণ ২: ছোট কাটরা ব্যাখ্যা: এটিও ঢাকার চকবাজার এলাকায় শায়েস্তা খানের শাসনামলে নির্মিত হয়, যা শিক্ষার্থীকে মুঘল আমলের নগর পরিকল্পনার ধারণা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবেদার ছিলেন, তবে তিনি লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেননি বরং তার শাসনামলে অন্য ইমারত তৈরি হয়েছিল। B) শায়েস্তা খান — সঠিক উত্তর। C) মীর জুমলা — তিনি বাংলার খ্যাতিমান মুঘল সুবেদার ও সেনাপতি ছিলেন, তবে তিনি লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেননি। D) সুবেদার ইসলাম খান — তিনি জাহাঙ্গীরনগর বা ঢাকার প্রথম মুঘল সুবেদার ছিলেন এবং রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেছিলেন, লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - লালবাগ দুর্গের সাথে শায়েস্তা খানের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে শায়েস্তা খানের আমলকে ঢাকার মুঘল স্থাপত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয়। - ভুল এড়াতে মনে রাখবেন মীর জুমলা ও ইসলাম খান অন্য সময়ের সুবেদার ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লালবাগ দুর্গের অপর নাম আওরঙ্গবাদ দুর্গ এবং এর ভেতরে পরী বিবির মাজার অবস্থিত। - এই টপিক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে দুর্গের নির্মাণকাজ কে শুরু করেন বা কোন নদীর তীরে অবস্থিত।
a ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
b ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ
c ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ
d ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ ১. কেন সঠিক: - বাংলার ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল ইংরেজি ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে এবং বাংলা ১১৭৬ বঙ্গাব্দে। - বাংলা সনের সাথে ৫৯৩ বা ৫৯৪ যোগ করে ইংরেজি সাল নির্ণয়ের প্রথার কারণে ১১৭৬ বঙ্গাব্দকে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণ ও দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার কারণে এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হয়েছিল। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই মন্বন্তরে বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ অনাহার ও মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যাখ্যা: রবার্ট ক্লাইভ প্রবর্তিত দ্বৈত শাসনের ফলে দেওয়ানি ক্ষমতা কোম্পানির হাতে আর নিজামত ক্ষমতা নওয়াবের হাতে ন্যস্ত হয়, যা দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ ছিল। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমি ও তৎকালীন সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলার ভয়াবহ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল। B) ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ — এটি ভুল অপশন কারণ এই সালে ব্রিটিশরা মীর কাশিমকে বাংলার নওয়াব হিসেবে বসিয়েছিল। C) ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ — এটি ভুল অপশন কারণ এই সালে রবার্ট ক্লাইভ মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করেছিলেন। D) ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ — এটি ভুল অপশন কারণ এই সালে বাংলার নওয়াব হিসেবে সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতাগ্রহণ করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা ১১৭৬ বঙ্গাব্দ থেকে 'ছিয়াত্তর' শব্দটি এসেছে এবং এর সাথে মিল রেখেই একে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়। ইংরেজি সাল ১৭৭০ মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে হবে যে পলাশীর যুদ্ধের তেরো বছর পর এই দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর কোন সনে হয়েছিল বা এর কারণ কী ছিল। এই টপিক থেকে দ্বৈত শাসন প্রবর্তক কে এবং এর ফলাফল কী ছিল সে সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
b ২ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
c ১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
d ২০ জানুয়ারি ১৯৫২
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ ১. কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং পরদিন ৩১ জানুয়ারি এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়। - রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে দেশের সব রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য এই সর্বদলীয় পরিষদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দিন পল্টন ময়দানের জনসভায় উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করার পর ছাত্রসমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলো তীব্র প্রতিবাদ জানায়। - তারিখ ও স্থান: ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে ঢাকার বার লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠিত সভায় কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব এবং এতে আওয়ামী মুসলিম লীগ, তমদ্দুন মজलिस ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একুশে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট, রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন এবং ১৪৪ ধারা ভঙ্গের ঐতিহাসিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে প্রথম গঠিত হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রাথমিক ধাপ, যা পরবর্তীতে ১৯৫২ সালে সর্বদলীয় রূপ নেয়। উদাহরণ ২: তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। ব্যাখ্যা: অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে এই সংগঠনটি ভাষা আন্দোলনের সূচনালগ্নে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত ও প্রকাশিত হয়। B) ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সভা ও পতাকা দিবস পালিত হয়েছিল। C) ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে ছাত্রনেতাদের উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। D) ২০ জানুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী হরতাল ও রাষ্ট্রভাষা দিবস পালনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণার জন্য ১৯৫২ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি সর্বদলীয় কমিটি গঠন করা হয়। - ১৯৪৮ সালের সংগ্রাম পরিষদ ছিল শুধু ছাত্রভিত্তিক, আর ১৯৫২ সালের সংগ্রাম পরিষদ ছিল রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে গঠিত সর্বদলীয় পরিষদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কে ছিলেন, তা প্রায়ই আসে। - ভাষা আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তারিখ যেমন ২৬ জানুয়ারি, ৩০ জানুয়ারি এবং ৩১ জানুয়ারির ঘটনাগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ১৯৭০ সালে
b ১৯৬৬ সালে
c ১৯৬৫ সালে
d ১৯৬৯ সালে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে ১. কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ খ্যাত ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়। - তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দাবি পেশ করে বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের পথ সুগম করেছিলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বৈষম্য এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শোষণের প্রতিবাদে এই দাবি উত্থাপিত হয়েছিল। তারিখ ও স্থান: পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি এই দাবি পেশ করা হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং পরে আওয়ামী লীগ ছয় দফাকে দলীয় কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করে। তাৎপর্য ও ফলাফল: ছয় দফা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটায় এবং পরবর্তীতে এটি ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি তৈরি করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ব্যাখ্যা: ছয় দফা আন্দোলনের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে পাকিস্তানি সরকার বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করে এই মামলা দায়ের করেছিল, যা পরে তীব্র গণআন্দোলনের মুখে প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। উদাহরণ ২: ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ব্যাখ্যা: ছয় দফার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাঙালির আন্দোলন শেষ পর্যন্ত ঊনসত্তরে গণ-অভ্যুত্থানের রূপ নেয়, যা থেকে পরীক্ষার্থী বুঝতে পারে কীভাবে একটি রাজনৈতিক দাবি ধীরে ধীরে গণআন্দlোলনে পরিণত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালে — এটি সাধারণ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক ঘূর্ণিঝড়ের বছর, ছয় দফা পেশের বছর নয়। B) ১৯৬৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯৬৫ সালে — এই বছর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ছয় দফা পেশের বছর নয়। D) ১৯৬৯ সালে — এই বছর ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং বঙ্গবন্ধুসহ অন্যান্য বন্দিরা মুক্তি লাভ করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছয় দফা মানে ছয়টি দাবি এবং এটি পেশ করা হয় ১৯৬৬ সালে। সালটি মনে রাখতে ছয় সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো, কারণ ১৯৬৬ সালে তিনটি ছয় রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ছয় দফা কে পেশ করেন এবং এটি কোথায় পেশ করা হয়েছিল। তাই লাহোর সম্মেলন এবং বঙ্গবন্ধুর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ইসলামাবাদের সামরিক সরকার পদত্যাগের আন্দোলন
b পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন
c প্রেসিডেন্ট ইয়াহহিয়ার পদত্যাগ আন্দোলন
d মার্শাল ‘ল’ পদত্যাগের আন্দোলন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের শুরু থেকেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার দাবিতে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশেই মূলত পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ও বেসরকারি অফিস, আদালত এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলে বাঙালি জাতি বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। - তারিখ ও স্থান: ৭ মার্চ ১৯৭১ সালে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রদান করা হয়েছিল। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই অসহযোগ আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপ হিসেবেই ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন এবং মুক্তির সংগ্রাম শুরু করার ঘোষণা দেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসহযোগ আন্দোলন ব্যাখ্যা: অসহযোগ আন্দোলনের সময় বাঙালিরা খাজনা ও ট্যাক্স দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল যা সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। উদাহরণ ২: ৭ মার্চের ভাষণ ব্যাখ্যা: এই ভাষণটি ছিল মূলত একটি অবরুদ্ধ জাতির মুক্তির সনদ এবং গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণের সুস্পষ্ট নির্দেশনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলামাবাদের সামরিক সরকার পদত্যাগের আন্দোলন — এটি সরাসরি সামরিক সরকার পতন নয়, বরং পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ অধিকার আদায়ের আন্দোলন ছিল। C) প্রেসিডেন্ট ইয়াহহিয়ার পদত্যাগ আন্দোলন — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির পদত্যাগের আন্দোলন ছিল না, বরং সামগ্রিক বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে ছিল। D) মার্শাল ‘ল’ পদত্যাগের আন্দোলন — সামরিক আইন প্রত্যাহার এই আন্দোলনের একটি দাবি থাকলেও সামগ্রিক আন্দোলনটি ছিল অসহযোগ আন্দোলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে ৭ মার্চের ভাষণের সময় পূর্ব পাকিস্তানে পূর্ণাঙ্গ অসহযোগ আন্দোলন চলছিল। - এই আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ৭ মার্চের ভাষণ এবং অসহযোগ আন্দোলনের পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a বেতার/রেডিওর মাধ্যমে
b ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
c টেলিগ্রামের মাধ্যমে
d টেলিভিশনের মাধ্যমে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়্যারলেসের মাধ্যমে ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে এবং মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে। - গ্রেফতারের ঠিক আগে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে (মধ্যরাতের পর) বঙ্গবন্ধু ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২৫ মার্চ কালরাতের গণহত্যা শুরু হওয়ার পরপরই বাঙালি জাতিকে রক্ষার্থে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। - তারিখ ও স্থান: ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালের প্রথম প্রহরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআরের ওয়্যারলেস ট্রান্সমিটার ব্যবহার করে এই বার্তা পাঠানো হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ঘোষণা দেন এবং ইপিআরের বাঙালি সদস্যরা ওয়্যারলেসের মাধ্যমে তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ওয়্যারলেস বার্তার মাধ্যমেই সারা দেশের মানুষ বুঝতে পারে যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে এবং তারা সশস্ত্র প্রতিরোধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ব্যাখ্যা: ২৬ মার্চ দুপুরে জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন, যা ওয়্যারলেস বার্তার পরিপূরক হিসেবে কাজ করেছিল। উদাহরণ ২: ২৬ মার্চের প্রথম প্রহর ব্যাখ্যা: ২৫ মার্চ মধ্যরাত অতিক্রান্ত হওয়ার পর ২৬ মার্চ শুরু হয়, তাই দাপ্তরিক ও আইনগতভাবে ২৬ মার্চই স্বাধীনতার ঘোষণা দিবস হিসেবে পালিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেতার/রেডিওর মাধ্যমে — ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে সরাসরি বেতার থেকে ঘোষণা প্রচার করা হয়নি, বরং দুপুরের পর কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তা করা হয়েছিল। C) টেলিগ্রামের মাধ্যমে — টেলিগ্রামের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো হলেও মূল তাৎক্ষণিক ঘোষণাটি ওয়্যারলেসের মাধ্যমেই বিভিন্ন স্থানে ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছিল। D) টেলিভিশনের মাধ্যমে — সে সময় তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন সামরিক নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং রাতের বেলা সম্প্রচার বন্ধ থাকায় সেখান থেকে ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, রাতের অন্ধকারে প্রথম বার্তা পাঠানো হয়েছিল ওয়্যারলেসে এবং পরের দিন তা মানুষের মুখে মুখে ও রেডিওতে ছড়িয়ে পড়ে। - ২৫ মার্চ মধ্যরাত মানেই ২৬ মার্চের প্রথম প্রহর, তাই এই সময়ের সঙ্গে ওয়্যারলেস যোগাযোগের বিষয়টি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে স্বাধীনতার ঘোষণা কোন মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল অথবা প্রথম প্রহরে কীভাবে পাঠানো হয়েছিল। - এই টপিক থেকে ঘোষণা পাঠকারী এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্নও প্রায়ই দেখা যায়।
a আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে
b ভাদ্র -আশ্বিন মাসে
c অগ্রহায়ন -পৌষ মাসে
d মাঘ-ফাল্গুন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অগ্রহায়ন -পৌষ মাসে ১. কেন সঠিক: - রোপা আমন ধান সাধারণত বর্ষাকালে রোপণ করা হয় এবং শীতকালে কাটা হয়। - বাংলা অগ্রহায়ণ ও পৌষ মাসে এই ধান সম্পূর্ণ পেকে যায় এবং কৃষকরা তা ঘরে তোলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি একটি প্রধান খাত এবং ধান প্রধান খাদ্যশস্য। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: আমন ধান মূলত তিন প্রকার, যথা ব্রডকাস্ট আমন, স্থানীয় রোপা আমন ও উচ্চ ফলনশীল রোপা আমন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ১৩৭0 সালের চাল উৎপাদন ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের কৃষিতে আমন ধান একটি প্রধান ফসল যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: উত্তরাঞ্চলের কৃষিজমি ব্যাখ্যা: উত্তরাঞ্চলে রোপা আমন কাটার পর ওই জমিতে রবি শস্য যেমন আলু ও সরিষা চাষ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে — এই সময় রোপা আমন ধান রোপণ করা হয়, কাটা হয় না। B) ভাদ্র -আশ্বিন মাসে — এটি মূলত আমন ধান বৃদ্ধির ও ফুল আসার সময়। D) মাঘ-ফাল্গুন — এই সময় সাধারণত বোরো ধান রোপণ বা রবি শস্য তোলার মৌসুম থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আমন ধান কাটার মাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো শীতের শুরুতে অর্থাৎ নতুন ধানের উৎসবে নবান্ন উদযাপনের মাস অগ্রহায়ণ ও পৌষ। - বর্ষায় রোপণ এবং শীতে কাটা হয় আমন ধান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের প্রধান তিনটি ধান ফসল হলো আউশ, আমন ও বোরো। - কোন মৌসুমে কোন ধান কাটা হয় তা কৃষিভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ৫০%
b ৫৮%
c ৬২%
d ৬৬%
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২% ১. কেন সঠিক: - সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার, যার বড় একটি অংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে অবস্থিত। - ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক জরিপ অনুযায়ী সুন্দরবনের প্রায় ৬২ শতাংশ অংশ বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে পড়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক সম্পদ: সুন্দরবন বিশ্বের সবচেয়ে বড় একক ম্যানগ্রোভ বন বা উপকূলীয় লবণাক্ত বনভূমি। তাৎপর্য ও ফলাফল: ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং এটি বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান আধার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশ। ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে। উদাহরণ ২: সুন্দরবনের ভারতীয় অংশ। ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের বাকি প্রায় ৩৮ শতাংশ অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫০% — এই মানটি সঠিক নয় কারণ সুন্দরবনের অর্ধেকের বেশি অংশ বাংলাদেশের সীমানায় অবস্থিত। B) ৫৮% — এই সংখ্যাটি সুন্দরবনের প্রকৃত বাংলাদেশী সীমানার সঠিক অনুপাত নির্দেশ করে না। D) ৬৬% — এই মানটি বেশি এবং সুন্দরবনের প্রকৃত ভৌগোলিক ভাগের সাথে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের প্রায় ষাট ভাগের বেশি অংশ অর্থাৎ ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে এবং বাকি আটত্রিশ শতাংশ ভারতে রয়েছে। ষাট এর ঘরে ৬২ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুন্দরবন কত সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায় তা মনে রাখা জরুরি। একই বিষয় থেকে সুন্দরবনের আয়তন বা সুন্দরবন কোন কোন জেলায় অবস্থিত তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১২ তম
b ১৩ তম
c ১৪ তম
d ১৫ তম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ তম ১. কেন সঠিক: - সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। - ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে এই সংশোধনী পাস হয় এবং ৩ জুলাই গেজেট প্রকাশিত হয়। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান ও আইন: এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ত্রয়েদশ সংশোধনী বাতিল করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এর ফলে দেশের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যস্ত হয় এবং দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা ফিরে আসে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০১১ সালের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ পুনর্বহাল করা হয়। উদাহরণ ২: ১৯৯৬ সালের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর মাধ্যমেই সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বৈধভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ তম — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৩ তম — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল। C) ১৪ তম — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৪ সালে সংবিধানের বেশ কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়, যার মধ্যে নারীদের সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি অন্যতম। D) ১৫ তম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সংশোধনীর মাধ্যমেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - তত্ত্বাবধায়ক সরকার আনায়ন করা হয়েছিল ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। - আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়েছিল পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পঞ্চদশ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোন সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তন করা হয়েছিল, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a এক কক্ষ
b দুই বা দ্বিকক্ষ
c তিন কক্ষ
d বহুকক্ষ বিশিষ্ট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক কক্ষ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ আইনগতভাবে এক কক্ষবিশিষ্ট বা ইউনিক্যামারাল ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। - সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের (১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ গঠন ও এর আইনপ্রণয়ন ক্ষমতা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা থাকায় এখানে আইন পাস করার প্রক্রিয়া তুলনামূলক সহজ ও দ্রুত হয় এবং দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের মতো উচ্চকক্ষের বিরোধিতার মুখোমুখি হতে হয় না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ব্যাখ্যা: এটি শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এবং বিশ্বের অন্যতম একক আইনসভা ভবন যা লুই কান কর্তৃক নকশাকৃত। উদাহরণ ২: সংবিধানের অনুচ্ছেদ পরিবর্তন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা: এক কক্ষবিশিষ্ট এই সংসদ দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে সংবিধান সংশোধন করতে পারে যা এই সংসদের একক ক্ষমতার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক কক্ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে আইনসভার জন্য একটি মাত্র কক্ষের বিধান রাখা হয়েছে। B) দুই বা দ্বিকক্ষ — এটি ভুল কারণ ভারত, যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশে কোনো উচ্চকক্ষ বা সিনেট নেই। C) তিন কক্ষ — এটি ভুল কারণ সংসদীয় গণতন্ত্রে তিন কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার কোনো সাংবিধানিক অস্তিত্ব বাংলাদেশে নেই। D) বহুকক্ষ বিশিষ্ট — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের জন্য একাধিক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সংসদ একটিমাত্র কক্ষ নিয়ে গঠিত, তাই একে এক কক্ষ বা ইউনিক্যামারাল সংসদ বলা হয়। ভারতের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হলেও বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট, এই তুলনাটি মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা কত এবং সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ গঠিত হয়, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী বা এটি কোন দেশের আদলে গঠিত।
a ২২°৩০′ – ২০°-৩৪′ দক্ষিণ অক্ষাংশে
b ৮০°৩১′ – ৪০°-৯০′ দ্রাঘিমাংশে
c ৩৪°২৫° – ৩৮′ উত্তর অক্ষাংশে
d ৮৮°০১′ – ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৮°০১′ – ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণের জন্য অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশের মান জানা আবশ্যক। - বাংলাদেশ ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশের এবং ৮৮°০১′ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমান্ত: - অক্ষাংশগত বিস্তার: বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। - দ্রাঘিমাংশগত বিস্তার: বাংলাদেশ ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। - ভৌগোলিক তাৎপর্য: এই অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এর জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী প্রকৃতির। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্কটক্রান্তি রেখা ব্যাখ্যা: কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে, যার মান ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর। উদাহরণ ২: প্রমাণ সময় ব্যাখ্যা: ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশকে বাংলাদেশের প্রমাণ সময়ের জন্য বিবেচনা করা হয়, যা গ্রীনিচ মান সময়ের চেয়ে ছয় ঘণ্টা এগিয়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২°৩০′ – ২০°-৩৪′ দক্ষিণ অক্ষাংশে — বাংলাদেশ দক্ষিণ গোলার্ধে নয়, সম্পূর্ণভাবে উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। B) ৮০°৩১′ – ৪০°-৯০′ দ্রাঘিমাংশে — এই মানটি বাংলাদেশের প্রকৃত দ্রাঘিমািক সীমানার সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত। C) ৩৪°২৫° – ৩৮′ উত্তর অক্ষাংশে — এই মানটি বাংলাদেশের অক্ষাংশ সীমার বাইরে অবস্থিত এবং এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ অপশন। D) ৮৮°০১′ – ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে — এটি বাংলাদেশের পূর্ব দ্রাঘিমাংশের সঠিক ও প্রমিত মান। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের অক্ষাংশ ২০ থেকে ২৬ ডিগ্রি এবং দ্রাঘিমাংশ ৮৮ থেকে ৯২ ডিগ্রির মধ্যে মনে রাখা সহজ। - মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধ ও পূর্ব গোলার্ধের একটি দেশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ কোন গোলার্ধে অবস্থিত তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলাদেশের সীমানা সংক্রান্ত প্রশ্ন থেকে এর উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের জেলার নামও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
a ভিয়েতনাম সংকট
b সাইপ্রাস সংকট
c কোরিয়া সংকট
d প্যালেস্টাইন সংকট
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কোরিয়া সংকট ১. কেন সঠিক: ১৯৫০ সালে কোরীয় যুদ্ধ শুরু হলে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটো প্রদানের কারণে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়। এই অচলাवस्था নিরসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অবশিং বা শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব পেশ করে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সংকট: ১৯৫০ সালের ২৫ জুন উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করলে কোরীয় যুদ্ধ শুরু হয়। প্রভাব: এই প্রস্তাবের মাধ্যমে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে শান্তি রক্ষা ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে বাড়তি ক্ষমতা প্রদান করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুয়েজ সংকট ব্যাখ্যা: ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের সময়ও শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাবের কার্যকারিতা প্রয়োগ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: হাঙ্গেরি সংকট ব্যাখ্যা: ১৯৫৬ সালের হাঙ্গেরি সংকটের সময় সোভিয়েত হস্তক্ষেপে নিরাপত্তা পরিষদের ব্যর্থতার পর সাধারণ পরিষদ এই প্রস্তাব ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েতনাম সংকট — এটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এতে এই প্রস্তাব সরাসরি ব্যবহৃত হয়নি। B) সাইপ্রাস সংকট — এটি গ্রিক ও তুর্কি সম্প্রদায়ের মধ্যকার জাতিগত সংঘাত যা ১৯৬০ এর দশকে তীব্র আকার ধারণ করে। ডি) প্যালেস্টাইন সংকট — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী ভূরাজনৈতিক ও আঞ্চলিক বিরোধ যা ১৯৪৮ সাল থেকে চলমান। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৯৫০ সালের কোরিয়া যুদ্ধ শুরুর পরই কেবল সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব আনা সম্ভব হয়েছিল। কোরিয়া সংকটের মাধ্যমেই নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতাকে পাশ কাটানোর এই অভিনব কূটনৈতিক পথ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব বা Uniting for Peace Resolution জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন ৩৭৭ (ভি) নামেও পরিচিত। নিরাপত্তা পরিষদ ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদ কীভাবে শান্তি রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে, তা এই প্রশ্ন থেকে শেখা যায়।
a ১৯০৩
b ১৮৬৯
c ১৮৮৯
d ১৮৫৪
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬৯ ১. কেন সঠিক: সুয়েজ খাল ১৮৬৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই কৃত্রিম সামুদ্রিক জলপথটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ২. ঐতিহাসিক পটভূমি ও গুরুত্ব: খ্রিস্টপূর্ব যুগ থেকেই এই অঞ্চলে খাল খননের চেষ্টা করা হলেও আধুনিক সুয়েজ খাল খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে। ফরাসি প্রকৌশলী ফের্দিনান্দ দ্য লেসেপস এই মেগা প্রকল্পের মূল উদ্যোক্তা ও প্রকৌশলী ছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেপ অব গুড হোপ রুট ব্যাখ্যা: সুয়েজ খাল চালুর আগে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হতো। উদাহরণ ২: পানামা খাল ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে যা ১৯১৪ সালে চালু হয় এবং বিশ্ব বাণিজ্যে বিপ্লব ঘটায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৩ — এই সালে সুয়েজ খাল চালু হয়নি, এটি রাইট ব্রাদার্সের প্রথম সফল বিমান উড্ডয়নের বছর। B) ১৮৬৯ — এই বছরটি সঠিক কারণ ১৭ নভেম্বর ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছিল। C) ১৮৮৯ — এই সালে সুয়েজ খাল চালুর কোনো ঘটনা ঘটেনি, এটি আইফেল টাওয়ার উদ্বোধনের বছর। D) ১৮৫৪ — এই বছরে সুয়েজ খাল খননের জন্য ফরাসি কোম্পানিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি বা কনসেশন দেওয়া হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল চালু হয় এবং একই বছরে মহাত্মা গান্ধী জন্মগ্রহণ করেন। এই দুটি ঐতিহাসিক ঘটনা পাশাপাশি মনে রাখলে সালটি সহজে স্মরণ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে এবং কোন দেশের জাতীয় নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। খালটি মিসরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত এবং এটি জাতীয়করণের ইতিহাসেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ১৮ এপ্রিল
b ২০ এপ্রিল
c ২২ এপ্রিল
d ২৪ এপ্রিল
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ এপ্রিল ১. কেন সঠিক: - ২২ এপ্রিল আন্তর্জাতিক মাতৃ বসুমতী দিবস বা International Mother Earth Day হিসেবে পালিত হয়। - পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ধরিত্রী রক্ষায় বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিবসটির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০৯ সালের ২২ এপ্রিল জাতিসংঘ এই দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয়। - প্রেক্ষাপট: ১৯৭০ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম আর্থ ডে বা ধরিত্রী দিবস পালনের মাধ্যমে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: আমাদের গ্রহের বাস্তুতন্ত্র রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী পৃথিবী নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টকহোম সম্মেলন ১৯৭২ ব্যাখ্যা: এটি ছিল পরিবেশ সুরক্ষায় প্রথম আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ যা বৈশ্বিক ধরিত্রী দিবস পালনের পথ প্রশস্ত করেছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ২০১৫ ব্যাখ্যা: ধরিত্রী রক্ষা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার একটি ঐতিহাসিক দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ এপ্রিল — এটি আন্তর্জাতিক স্মৃতিসৌধ ও ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়। B) ২০ এপ্রিল — এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান পরিবেশ দিবস পালিত হয় না। C) ২২ এপ্রিল — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃ বসুমতী দিবস হিসেবে নির্ধারিত। D) ২৪ এপ্রিল — এটি জাতীয় ভোটার দিবস বা এজাতীয় অন্য কোনো স্থানীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - এপ্রিল মাসের শেষের দিকে ধরিত্রী বা পরিবেশ সম্পর্কিত দিবস পালিত হয়। - ২২ সংখ্যাটি মনে রাখলে এপ্রিল মাসের ২২ তারিখ সহজে স্মরণ রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক দিবসগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে জাতিসংঘ ঘোষিত পরিবেশ দিবস এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
a ৯
b ১২
c ১৩
d ১৪
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ ১. কেন সঠিক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে বিখ্যাত চৌদ্দ দফা বা ফোরটিন পয়েন্ট পেশ করেন। এই চৌদ্দ দফা প্রস্তাবের শেষ তথা ১৪ নম্বর পয়েন্টে পারস্পরিক রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা নিশ্চিত করার জন্য সব দেশের অংশগ্রহণে একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক সংস্থা বা জাতিপুঞ্জ গঠনের কথা বলা হয়েছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর ভবিষ্যতে এ ধরনের যুদ্ধ রোধ এবং আন্তর্জাতিক বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের লক্ষ্যে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে শান্তি রক্ষা, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভার্সালিস চুক্তি ব্যাখ্যা: উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফার ওপর ভিত্তি করেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পরাজিত জার্মানির সঙ্গে ভার্সালিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। উদাহরণ ২: জাতিসংঘ ব্যাখ্যা: জাতিপুঞ্জ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ রোধে ব্যর্থ হলেও এর আদলেই পরবর্তীতে ১৯৪৫ সালে বর্তমান জাতিসংঘ গঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতির মূল ভিত্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — এই পয়েন্টে ইতালির সীমান্ত পুনর্গঠন এবং জাতিগত লাইন অনুযায়ী ইতালীয়দের সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। B) ১২ — এই পয়েন্টে অটোমান সাম্রাজ্যের তুর্কি অংশগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অন্যান্য জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের কথা বলা হয়েছিল। C) ১৩ — এই পয়েন্টে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম পোলিশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল যার সমুদ্রের প্রবেশাধিকার থাকবে। D) ১৪ — এই পয়েন্টে বিশ্বশান্তি বজায় রাখার জন্য একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক সংঘ বা জাতিপুঞ্জ গঠনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে, শেষ পয়েন্ট বা ১৪ নম্বর পয়েন্টেই বিশ্বশান্তির জন্য সবচেয়ে বড় সংগঠন অর্থাৎ জাতিপুঞ্জ গঠনের কথা বলা হয়েছিল। সংখ্যা ১৪ এবং আন্তর্জাতিক শান্তির এই বড় উদ্যোগটি সবসময় একসঙ্গে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত জাতিপুঞ্জ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২০ সালে এবং এর সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। এই প্রশ্নটি থেকে বিসিএস বা অন্যান্য পরীক্ষায় উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা কোন সালে পেশ করা হয় বা জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাব কোন দফায় ছিল, সে ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়।
a ২
b ৩
c ৪
d ৫
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ১. কেন সঠিক: ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠে অবস্থিত ভার্সাই প্রাসাদে মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এই ঐতিহাসিক দিনে ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের মধ্যে মোট দুটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২. ঐতিহাসিক চুক্তি ও প্রেক্ষাপট: চুক্তির নাম: ভার্সাই চুক্তি ১৭৮৩ বা প্যারিস চুক্তি ১৭৮৩ তারিখ ও স্থান: ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, ভার্সাই প্রাসাদ, ফ্রান্স সংশ্লিষ্ট পক্ষ: গ্রেট ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস প্রধান উদ্দেশ্য: আমেরিকান বিপ্লব বা মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব স্বীকৃতি দেওয়া গুরুত্ব: এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রেট ব্রিটেন আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে এবং বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন পরাশক্তির জন্ম হয় ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি ১৭৮৩ ব্যাখ্যা: এই চুক্তিটি সাধারণত প্যারিস শান্তি চুক্তি নামেও পরিচিত, কারণ এর প্রাথমিক আলোচনা প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ভার্সাই চুক্তি ১৯১৯ ব্যাখ্যা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত ১৯১৯ সালের ভার্সাই চুক্তি আরেকটি বিখ্যাত চুক্তি, যা পরীক্ষার্থীদের ১৭৮৩ সালের চুক্তির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা থেকে সতর্ক করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৭৮৩ সালে ভার্সাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি এবং স্পেন ও ফ্রান্সের সঙ্গে ব্রিটেনের অপর চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। B) ৩ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, বরং দুটি প্রধান কূটনৈতিক দলিল চূড়ান্ত হয়েছিল। C) ৪ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ এই ঐতিহাসিক দিনে ভার্সাইয়ে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। D) ৫ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ পাঁচ সমঝোতা বা চুক্তি একসঙ্গে ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ভার্সাইয়ে স্বাক্ষরিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৭৮৩ সালের ভার্সাই চুক্তির সংখ্যা মনে রাখার সহজ উপায় হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের প্রধান শান্তি চুক্তি এবং ইউরোপীয় মিত্রদের চুক্তি মিলিয়ে মোট সংখ্যাটি ছিল দুই। ১৯১৯ সালের ভার্সাই চুক্তির সঙ্গে ১৭৮৩ সালের চুক্তি গুলিয়ে ফেলবেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আমেরিকান বিপ্লবের সমাপ্তি ঘটে ১৭৮৩ সালের ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে। এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত চুক্তি কতটি ছিল বা কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা জানতে চাওয়া হয়।
a The Lao People’s Democratic Republic
b Republic of Laos
c Kingdom of Laos
d Democratic Republic of Laos
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The Lao People’s Democratic Republic ১. কেন সঠিক: - লাওসের সাংবিধানিক ও সরকারি নাম হলো দ্য লাও পিপলস ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার আওতাভুক্ত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের আনুষ্ঠানিক নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়, যা সাধারণ ভূগোলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: লাওস হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র স্থলবেষ্টিত বা ল্যান্ডলকড দেশ। - রাজধানী ও মুদ্রা: লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়েন এবং মুদ্রা হলো লাও কিপ। - আঞ্চলিক জোট: লাওস দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ান এর অন্যতম সক্রিয় সদস্য রাষ্ট্র। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গণচীন ব্যাখ্যা: লাওসের মতো চীন দেশের সরকারি নামেও পিপলস রিপাবলিক কথাটি যুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: উত্তর কোরিয়া ব্যাখ্যা: উত্তর কোরিয়ার আনুষ্ঠানিক নাম ডেমোক্রেটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়া, যা রাষ্ট্রীয় নামকরণের ভিন্নতা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Lao People’s Democratic Republic — এটি লাওসের সঠিক ও দাপ্তরিক নাম। B) Republic of Laos — এটি লাওসের কোনো আনুষ্ঠানিক বা সাংবিধানিক নাম নয়। C) Kingdom of Laos — ১৯৭৫ সালের আগে লাওস রাজতন্ত্র ছিল, কিন্তু বর্তমানে এটি প্রজাতন্ত্র। D) Democratic Republic of Laos — এই নামে কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক অস্তিত্ব নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - লাওস নামের শেষে পিপলস ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক যুক্ত থাকে, যা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর নামকরণের সাধারণ বৈশিষ্ট্য। - স্থলবেষ্টিত দেশ হিসেবে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে লাওসের ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লাওস কোন ধরনের রাষ্ট্র এবং এর রাজধানী কী, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। - আসিয়ান জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নাম এবং তাদের রাজধানী সংক্রান্ত প্রশ্ন এখান থেকে হতে পারে।
a ১২০
b ১৫
c ৭৭
d ২১
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০ ১. কেন সঠিক: NAM বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন শীতল যুদ্ধের সময় গড়ে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক মঞ্চ। এই জোটে বর্তমানে ১২০টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তৃতীয় বিশ্বের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: NAM বা Non-Aligned Movement বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন। প্রতিষ্ঠা: ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেড সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়। সদর দপ্তর: NAM-এর কোনো স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর নেই। প্রেক্ষাপট: শীতল যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দুই পরাশক্তির দ্বন্দ্ব থেকে দূরে থাকার নীতি নিয়ে এটি গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা করা এবং সদস্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জওহরলাল নেহরু, জোসিপ ব্রোজ টিটো এবং জামাল আবদেল নাসের। ব্যাখ্যা: এই তিন বিশ্বনেতা NAM প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। উদাহরণ ২: বান্দুং সম্মেলন ১৯৫৫। ব্যাখ্যা: ইন্দোনেশিয়ার এই সম্মেলন থেকেই জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের বীজ বপন করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমান NAM-এর মোট সদস্য দেশ ১২০টি। B) ১৫ — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৫ সংখ্যাটি অন্য কোনো সংস্থার সদস্য বা বিশেষ কমিটির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। C) ৭৭ — এই অপশনটি ভুল কারণ G-77 হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি অর্থনৈতিক ফোরাম যা জাতিসংঘের অধীনে কাজ করে। D) ২১ — এই অপশনটি ভুল কারণ ২১ সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংস্থার সদস্যসংখ্যা এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: NAM শব্দটি মাথায় রাখলে মনে রাখবে এটি শীতল যুদ্ধের নিরপেক্ষ দেশগুলোর জোট এবং এর সদস্য সংখ্যা হলো ১২০। জি-৭৭ এবং এনএএম দুটি সম্পূর্ণ আলাদা ফোরাম, তাই এগুলোর সদস্য সংখ্যা নিয়ে যেন বিভ্রান্তি না হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: NAM-এর প্রথম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত, বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে NAM-এর স্থায়ী সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত।
a মিশর
b ইরান
c ইরাক
d সিরিয়া
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিরিয়া ১. কেন সঠিক: আলেপ্পো শহরটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এটি প্রাচীনকাল থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: সিরিয়া, যার রাজধানী দামেস্ক এবং মুদ্রা সিরিয়ান পাউন্ড। প্রেক্ষাপট: ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া সিরীয় গৃহযুদ্ধের সময় আলেপ্পো শহরটি তীব্র লড়াই ও ধ্বংসযজ্ঞের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। গুরুত্ব: ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত এই প্রাচীন শহরটি ভূরাজনৈতিক সংঘাতে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দামেস্ক ব্যাখ্যা: এটি সিরিয়ার রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন অবিচ্ছিন্নভাবে বসতিপূর্ণ শহর। উদাহরণ ২: হোমস্ ব্যাখ্যা: আলেপ্পোর মতোই এটি সিরীয় গৃহযুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত আরেকটি প্রধান শহর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যার রাজধানী কায়রো এবং আলেপ্পো এখানে অবস্থিত নয়। B) ইরান — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি দেশ, যার রাজধানী তেহরান এবং এর সঙ্গে আলেপ্পোর ভৌগোলিক কোনো সম্পর্ক নেই। C) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার রাজধানী বাগদাদ এবং এটি সিরিয়ার প্রতিবেশী হলেও আলেপ্পো এর ভূখণ্ডে নেই। D) সিরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ আলেপ্পো এই দেশেরই একটি ঐতিহাসিক ও প্রধান শহর। ৫ মনে রাখার টিপস: আলেপ্পো শহরটি গৃহযুদ্ধের জন্য বিশ্বজুড়ে আলোচিত এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়ায় অবস্থিত। সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক এবং আলেপ্পো দুটোই দেশটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক শহর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল এবং বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহ থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। আলেপ্পো ছাড়াও সিরিয়ার প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নগরী পালমিরা বা লাতাকিয়া সম্পর্কে পরীক্ষাতে প্রশ্ন আসতে পারে।
a বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়
b জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা
c জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
d যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা ১. কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে বিশ্বকে রক্ষা করা এবং ভবিষ্যতের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল লক্ষ্য নিয়ে ইয়াল্টা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনের অন্যতম প্রধান কূটনৈতিক সাফল্য ছিল একটি নতুন আন্তর্জাতিক শান্তি সংস্থা হিসেবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে মিত্র শক্তির শীর্ষ নেতাদের ঐকমত্যে পৌঁছানো। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ঐতিহাসিক ঘটনা: - সম্মেলন: ইয়াল্টা সম্মেলন বা ক্রিমিয়া সম্মেলন - তারিখ: ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ - স্থান: লিভাদিয়া প্যালেস, ইয়াল্টা, ক্রিমিয়া, সোভিয়েত ইউনিয়ন - সংশ্লিষ্ট পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট, যুক্তরাজ্য উইনস্টন চার্চিল এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন জোসেফ স্ট্যালিন - প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন শেষের পথে, তখন যুদ্ধোত্তর ইউরোপের পুনর্গঠন ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই তিন নেতা বৈঠকে মিলিত হন। - ফলাফল ও প্রভাব: সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনের পথ প্রশস্ত হয় এবং ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাম্বার্টন ওকস সম্মেলন ব্যাখ্যা: ইয়াল্টা সম্মেলনের আগে ১৯৪৪ সালে এই সম্মেলনে জাতিসংঘের একটি প্রাথমিক কাঠামো বা সনদ প্রস্তুত করা হয়েছিল, যা ইয়াল্টায় চূড়ান্ত রূপ পায়। উদাহরণ ২: সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন ব্যাখ্যা: ইয়াল্টা সম্মেলনের সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হিসেবে ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল এই সম্মেলন শুরু হয় এবং এখানেই জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয় — বিশ্বযুদ্ধের কারণ অনুসন্ধান এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল না, বরং যুদ্ধ শেষ করা এবং যুদ্ধোত্তর পৃথিবী পরিচালনা করাই ছিল প্রধান কাজ। B) জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা — জিব্রালটার প্রণালী ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে, যার সুরক্ষা ইয়াল্টা সম্মেলনের আলোচ্য বিষয় ছিল না। D) যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান — জার্মানির কাছ থেকে ক্ষতি আদায়ের কিছু আলোচনা হলেও যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থা ও জাতিসংঘ গঠনই ছিল এই সম্মেলনের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান লক্ষ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইয়াল্টা সম্মেলন মানেই যুদ্ধোত্তর বিশ্বশান্তি এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক রূপরেখা। - ১৯৪৫ সালের এই সম্মেলনে তিন নেতা বিগ থ্রি একত্রিত হয়েছিলেন মূলত জাতিসংঘ গঠনের পথ সুগম করতে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইয়াল্টা সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী তিন নেতাকে বিগ থ্রি বলা হয় এবং তাদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পটভূমি হিসেবে তেহরান, ইয়াল্টা ও পটসডাম সম্মেলনের ধারাবাহিকতা খুব ভালো করে পড়তে হবে।
a ১৯৪৯
b ১৯৫০
c ১৯৪৫
d ১৯৪০
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৫ ১. কেন সঠিক: আরব বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অভিন্ন স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯৪৫ সালে আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে আরব জাতীয়তাবাদের উত্থান এবং ফিলিস্তিন ইস্যু এই সংস্থা গঠনের প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছিল। ২. আঞ্চলিক সংস্থা: সংস্থা: আরব লীগ (Arab League)। প্রতিষ্ঠা: ২২ মার্চ ১৯৪৫। সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর। সদস্যসংখ্যা: ২২টি আরব রাষ্ট্র। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওআইসি (OIC) ব্যাখ্যা: মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ রক্ষার আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে আরব লীগের আদলেই পরবর্তীতে ওআইসি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: জিসিসি (GCC) ব্যাখ্যা: আরব লীগের ভেতরে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো নিয়ে আরও নিবিড় অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য এই আঞ্চলিক জোট গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৯ — এই সালে আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বছর এটি এবং ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৯৫০ — এই সালে আরব লীগের কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন বা সংস্থা গঠনের ঘটনা ঘটেনি। D) ১৯৪০ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তীব্রতা বেশি ছিল এবং আরব লীগ গঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার ঠিক আগেই আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার মাসটি ছিল মার্চ এবং এর সদর দপ্তর মিসরের কায়রোতে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আরব লীগের প্রথম মহাসচিব ছিলেন মিসরের আবদুল রহমান পাশা। সংস্থাটির সদর দপ্তর তিউনিসে স্থানান্তরিত হয়েছিল কিছুকালের জন্য, তবে বর্তমানে এটি কায়রোতেই অবস্থিত।
a জুন ২০০১
b জুন ২০০০
c জুন ২০০২
d জুন ২০০৩
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জুন ২০০২ ১. কেন সঠিক: যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে অ্যান্টি ব্যালিস্টিক মিসাইল বা এবিএম চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয় ২০০২ সালের জুন মাসে। স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র ভারসাম্য বজায় রাখতে ১৯৭২ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি: চুক্তির নাম: অ্যান্টি ব্যালিস্টিক মিসাইল বা এবিএম চুক্তি। স্বাক্ষরের তারিখ: ২৬ মে ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। প্রেক্ষাপট: পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং দুই পরাশক্তির মধ্যে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য এই চুক্তি করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: নিজ দেশের ভূখণ্ড রক্ষায় সীমিত আকারের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্র্যাটেজিক আর্মস লিমিটেশন টকস বা সল্ট চুক্তি। ব্যাখ্যা: স্নায়ুযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিত করার লক্ষ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস বা আইএনএফ চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে মাঝারি পাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার একটি যুগান্তকারী চুক্তি ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুন ২০০১ — এই সময়ে জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসন এবিএম চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিলেও আনুষ্ঠানিক প্রত্যাহার সম্পন্ন হয় ২০০২ সালের জুন মাসে। B) জুন ২০০০ — এই বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং এবিএম চুক্তি বাতিলের বিষয়টি তৎকালীন নির্বাচনী প্রচারণায় প্রধান ইস্যু ছিল না। D) জুন ২০০৩ — এই সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র এবিএম চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করেনি কারণ এর এক বছর আগেই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র এবিএম চুক্তি থেকে সরে আসে জর্জ ডব্লিউ বুশ এর আমলে ২০০২ সালের জুনে। সালটি মনে রাখতে পারেন টু থাউজেন্ড টু অর্থাৎ ২০০২ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এবিএম চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং কত সালে যুক্তরাষ্ট্র এটি ত্যাগ করে, তা ভালোভাবে জেনে রাখা দরকার।
a ৮০ বিলিয়ন ডলার
b ১০০ বিলিয়ন ডলার
c ১৫০ বিলিয়ন ডলার
d ২০০ বিলিয়ন ডলার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০ বিলিয়ন ডলার ১. কেন সঠিক: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং অভিযোজনের জন্য উন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ড হলো এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রধান আর্থিক কৌশলগত হাতিয়ার। ২. জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ চুক্তি: সংস্থা: গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ড বা জিসিএফ হলো জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি এর একটি আর্থিক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠা: ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুন সম্মেলনে এই তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ২০১২ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়। সদর দপ্তর: দক্ষিণ কোরিয়ার ইঞ্চিয়ন শহরের সোংডো জেলায় এর সদর দপ্তর অবস্থিত। উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশগুলোর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালের এই চুক্তিতে জলবায়ু তহবিল এবং আর্থিক প্রতিশ্রুতির বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: কপ সম্মেলন ব্যাখ্যা: প্রতিটি জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত দেশগুলোর পক্ষ থেকে এই ১০০ বিলিয়ন ডলার তহবিল পুরোপুরি চালুর জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ বিলিয়ন ডলার — এটি গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ডের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) ১০০ বিলিয়ন ডলার — এটি জলবায়ু তহবিল হিসেবে দরিদ্র দেশগুলোর জন্য নির্ধারিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিশ্রুতির সঠিক পরিমাণ। C) ১৫০ বিলিয়ন ডলার — এই অংকটি গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ডের মূল প্রতিশ্রুতির সঙ্গে মেলে না। তাই এটি ভুল। D) ২০০ বিলিয়ন ডলার — এটি জলবায়ু তহবিলের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি এবং অতিরিক্ত প্রাক্কলন। ৫ মনে রাখার টিপস: জলবায়ু তহবিলের শতকোটি বা ১০০ বিলিয়ন ডলারের অংকটি মনে রাখতে শতক সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো। গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ডের সদর দপ্তর কোরিয়ায়, যা এশিয়ার একটি উন্নত অর্থনীতির দেশ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ডের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে তহবিলের প্রতিষ্ঠার সাল বা এর মূল লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে।
a প্রশাসক
b মহাপরিচালক
c মহাসচিব
d প্রেসিডেন্ট
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রশাসক ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি জাতিসংঘের বৈশ্বিক উন্নয়ন নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করে। এই সংস্থার প্রধান নির্বাহী বা শীর্ষ পদটিকে প্রচলিত নিয়মে প্রশাসক বা Administrator বলা হয়। ২. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি: সংস্থা: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা United Nations Development Programme (UNDP)। প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৫ সালের ২২ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মূল কাজ: বৈশ্বিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা এবং সংকট মোকাবেলায় দেশগুলোকে সহায়তা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘের মূল ৬টি অঙ্গসংস্থা। ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের অন্য প্রধান অঙ্গসংস্থাগুলোর প্রধানকে সাধারণত মহাসচিব বা প্রেসিডেন্ট বলা হয়, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ পদটিকে প্রেসিডেন্ট বলা হয়, যা ইউএনডিপির প্রশাসক পদের থেকে আলাদা এবং পরীক্ষার্থীদের এটি মনে রাখতে হবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশাসক — এই অপশনটি সঠিক কারণ ইউএনডিপির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দাপ্তরিক পদবি প্রশাসক। B) মহাপরিচালক — এটি ইউনেস্কো, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচওর মতো সংস্থার প্রধানের পদবি, ইউএনডিপির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) মহাসচিব — এটি জাতিসংঘ বা সার্কের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের পদবি, যা ইউএনডিপির শীর্ষ পদের জন্য সঠিক নয়। D) প্রেসিডেন্ট — এটি বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক আদালতের প্রধানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, ইউএনডিপির জন্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউএনডিপি বা উন্নয়ন কর্মসূচির প্রধান হলেন প্রশাসক এবং অন্য বড় সংস্থার প্রধান সাধারণত মহাসচিব বা মহাপরিচালক হন। প্রশাসক শব্দটি উন্নয়ন ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি মানানসই, যা ইউএনডিপির কাজের ধরনাকে ফুটিয়ে তোলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউএনডিপির সদর দপ্তর কোথায় এবং এর শীর্ষ পদের নাম কী, তা বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। এই প্রশ্নটি থেকে জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা এবং তাদের প্রধানদের পদবির ভিন্নতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
a ভারত
b চীন
c মিয়ানমার
d আফগানিস্তান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন ১. কেন সঠিক: - চীন বিশ্বের সর্বাধিক অর্থাৎ ১৪টি দেশের সাথে স্থল সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে। - ভূরাজনৈতিক অবস্থানের কারণে এত বেশি দেশের সাথে স্থল সীমান্ত ভাগ করার দিক থেকে চীন ও রাশিয়া যৌথভাবে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২. ভূরাজনৈতিক তথ্য: - দেশ: গণপ্রজাতন্ত্রী চীন, এশিয়া মহাদেশের একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও সামরিক পরাশক্তি। - সীমান্ত: চীনের স্থল সীমান্ত প্রায় ২২ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ যা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ সীমান্ত রেখা। - প্রতিবেশী দেশ: মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার, ভারত, ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং কাজাখস্তান। - কৌশলগত গুরুত্ব: এত বেশি সীমান্ত থাকার কারণে চীনকে তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সাথে কূটনীতি ও সীমান্ত সুরক্ষায় অত্যন্ত সতর্ক কৌশল অবলম্বন করতে হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া ব্যাখ্যা: রাশিয়ার সাথেও ১৪টি দেশের স্থল সীমান্ত রয়েছে যা চীনের সাথে যৌথভাবে সর্বোচ্চ সীমানার রেকর্ড ধরে রেখেছে। উদাহরণ ২: ভারত ব্যাখ্যা: ভারত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ এবং এটি স্থলপথে ৭টি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে যা চীনের অর্ধেক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারতের স্থল সীমান্ত রয়েছে ৭টি দেশের সাথে যা চীনের অর্ধেকেও কম। B) চীন — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি সর্বাধিক ১৪টি দেশের সাথে সীমান্ত যুক্ত। C) মিয়ানমার — মিয়ানমার ৫টি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে যা চীনের তুলনায় অনেক কম। D) আফগানিস্তান — আফগানিস্তান ৬টি দেশের সাথে স্থল সীমান্ত যুক্ত একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র। ৫. মনে রাখার টিপস: - সর্বাধিক সীমান্ত মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে এশিয়া মহাদেশের দুই বিশাল দেশ চীন এবং রাশিয়া প্রত্যেকে ১৪টি করে প্রতিবেশী দেশের সাথে যুক্ত। - কম দেশ মনে রাখার পরিবর্তে কেবল শীর্ষ অবস্থান অধিকারী দেশ দুটি মনে রাখলেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোন দেশের সাথে কয়টি দেশের সীমান্ত রয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে রাশিয়া সম্পর্কিত প্রশ্ন বা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ কয়টি এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a লিও টলস্টয়
b ডেভিড রিকার্ডো
c কার্ল মার্কস
d জেন অস্টিন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিও টলস্টয় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো ‘War and Peace’ বা যুদ্ধ ও শান্তি উপন্যাসটির মূল রচয়িতা বিশ্বখ্যাত রুশ সাহিত্যিক কাউন্ট লিও টলস্টয়। - ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যিক উপন্যাসটিতে নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণ এবং রুশ সমাজের ওপর এর গভীর প্রভাব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - দেশ বা লেখক: রাশিয়া তথা বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক লিও টলস্টয়। - প্রেক্ষাপট: ১৮১২ সালের ফরাসি সেনাপতি নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণ এবং রাজপরিবারসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: উপন্যাসে যুদ্ধ ও শান্তির দ্বন্দ্বের মাধ্যমে মানুষের ভাগ, ইতিহাস এবং সমাজ জীবনের গভীর দর্শন তুলে ধরা হয়েছে। - প্রভাব: বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে এটি সর্বকালের অন্যতম সেরা উপন্যাস হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ও পঠিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনা কারেনিনা ব্যাখ্যা: এটিও লিও টলস্টয়ের অপর একটি বিশ্ববিখ্যাত উপন্যাস যা প্রেম, সমাজ ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট ব্যাখ্যা: এটি রাশিয়ান সাহিত্যের আরেকটি মাস্টারপিস যার রচয়িতা ফিওদর দস্তয়েভস্কি এবং পরীক্ষার্থীদের প্রায়ই টলস্টয় ও দস্তয়েভস্কির উপন্যাসের মধ্যে গুলিয়ে ফেলতে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিও টলস্টয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বিখ্যাত ‘War and Peace’ উপন্যাসের লেখক। B) ডেভিড রিকার্ডো — ইনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ক্লাসিক্যাল অর্থনীতিবিদ যিনি তুলনামূলক সুবিধার তত্ত্বের জন্য পরিচিত। C) কার্ল মার্কস — ইনি সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা এবং বিখ্যাত ‘ডাস ক্যাপিটাল’ ও ‘কমিউনিস্ট ইশতেহার’ গ্রন্থের রচয়িতা। D) জেন অস্টিন — ইনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক যিনি ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রি prejuডিকস’ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাশিয়ান যুদ্ধের উপন্যাস মনে রাখতে টলস্টয় নামটি মাথায় রাখবে। - টলস্টয় মানেই রাশিয়া এবং যুদ্ধ ও শান্তির বিশাল এক মহাকাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বসাহিত্য ও বিখ্যাত লেখকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - এই প্রশ্ন থেকে লেখক ও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম মেলানোর প্রশ্নও আসতে পারে।
a ভিয়েনা
b জেনেভা
c প্যারিস
d লন্ডন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক রেড ক্রস বা ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেড ক্রস একটি মানবিক সংস্থা। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধাহত ও সংঘাতপীড়িত মানুষের সেবা করার জন্য এই সংস্থাটি জেনেভায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেড ক্রস বা আইসিআরসি প্রতিষ্ঠা: ১৮৬৩ সাল সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড উদ্দেশ্য: যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন রক্ষা এবং তাদের সহায়তা করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নোবেল শান্তি পুরস্কার ব্যাখ্যা: রেড ক্রস সংস্থাটি অসাধারণ মানবিক কাজের জন্য তিনবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। উদাহরণ ২: জেনেভা কনভেনশন ব্যাখ্যা: যুদ্ধবন্দী ও আহত সৈনিকদের সুরক্ষায় এই কনভেনশনের সঙ্গে রেড ক্রসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং ওপেকের সদর দপ্তর অবস্থিত এখানে। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং রেড ক্রস ও ডব্লিউএইচও এর সদর দপ্তর। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এখানে। D) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: মানবিক ও শান্তির কাজের বড় বড় সংস্থার সদর দপ্তর সাধারণত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় হয়ে থাকে। রেড ক্রস নামটি মনে রাখলে জেনেভা শহরের কথা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট প্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। এই সংস্থাটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মূল প্রবক্তা হিসেবে কাজ করে।
a জেনেভা
b ভিয়েনা
c ওয়াশিংটন
d প্যারিস
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েনা ১. কেন সঠিক: আইএইএ বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে। এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত হওয়ায় সঠিক উত্তরটি ভিয়েনা। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ। প্রতিষ্ঠা: ২৯ জুলাই ১৯৫৭ সাল। সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। উদ্দেশ্য: পারমাণবিক শক্তির সামরিক ব্যবহার রোধ করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ অন্যান্য শান্তিপূর্ণ কাজে এর ব্যবহার নিশ্চিত করা। গুরুত্ব: পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটি বাস্তবায়নে এই সংস্থা বিশ্বজুড়ে পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শনের কাজ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিটোভো চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত অঞ্চল প্রতিষ্ঠার একটি চুক্তি যা আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে আইএইএর লক্ষ্যের সঙ্গে মিলে যায়। উদাহরণ ২: উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সংকট। ব্যাখ্যা: উত্তর কোরিয়া আইএইএর পরিদর্শকদের দেশ থেকে বহিষ্কার করার পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ধরনের সংকটের সৃষ্টি হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — জেনেভা সুইজারল্যান্ডের একটি শহর এবং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলওর সদর দপ্তর। B) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আইএইএর সদর দপ্তর এবং এটি অস্ট্রিয়ায় অবস্থিত। C) ওয়াশিংটন — ওয়াশিংটন ডিসি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এটি বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর। D) প্যারিস — প্যারিস ফ্রান্সের রাজধানী এবং এটি ইউনেস্কো এবং ওইসিডির প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: পরমাণু শক্তি নিয়ে কাজ করে আইএইএ এবং এর ভিয়েনায় গান বা শিল্পকলার মতো সুন্দর পরিবেশের সঙ্গে পরমাণু গবেষণার সদর দপ্তর রয়েছে। জেনেভা বা ওয়াশিংটনের স্বাস্থ্য বা বাণিজ্যের সদর দপ্তরের সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আইএইএ কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর কোথায়, এই দুটি প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন হতে পারে যে আইএইএ কোন ক্ষেত্রের উন্নয়নে কাজ করে বা এর বর্তমান সদস্য কত।
a ১৯৮২
b ১৯৮৫
c ১৯৮৪
d ১৯৮৩
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৫ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা অর্থাৎ সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে যাত্রা শুরু করে। - প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আঞ্চলিক জোটের প্রতিষ্ঠাকাল প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: সার্ক অর্থাৎ সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কোঅপারেশন। - প্রতিষ্ঠা: ৮ থেকে ৯ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে ঢাকা শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল। - উদ্দেশ্য: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসিয়ান বা এএসইএএন। ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক জোট যা ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার আরেকটি বড় উদাহরণ। উদাহরণ ২: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ। ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের দেশগুলোর একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট যা ১৯৯৩ সালে মা Maastricht চুক্তির মাধ্যমে বর্তমান রূপ লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮২ — এই সালে সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি বরং এই সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রাথমিক প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছিল। B) ১৯৮৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ঢাকা শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে সার্কের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে। C) ১৯৮৪ — এই সালে সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সচিবালয় বা আনুষ্ঠানিক রূপ লাভ করেনি বরং প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। D) ১৯৮৩ — এই সালে নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সার্কের ঘোষণা গৃহীত হলেও তা প্রতিষ্ঠাকাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সার্ক প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে এই কৌশল ব্যবহার করা যেতে পারে যে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এই জোটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। - সালটি মনে রাখতে সংখ্যাগুলো এভাবে মনে রাখা যায় যে আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার মোর্চা গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয় এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আঞ্চলিক এই সংস্থার সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত, যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
a ১৯৪১
b ১৯৪৫
c ১৯৪৮
d ১৯৪৯
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৫ ১. কেন সঠিক: - জাতিসংঘ (United Nations) আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রোধ এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিজয়ী শক্তিগুলোর উদ্যোগে এই সংস্থা গঠিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations (UN) - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর (সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন শেষে চার্টার স্বাক্ষরের পর) - সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র - প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত লিগ অব নেশনস ব্যর্থ হওয়ায় একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা, পারস্পরিক বন্ধুভাবাপন্ন সম্পর্ক তৈরি এবং মানবাধিকার রক্ষা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪৫ সালের সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন ব্যাখ্যা: এই সম্মেলনে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে জাতিসংঘের সনদ বা ইউ এন চার্টার চূড়ান্ত করেন। উদাহরণ ২: লিগ অব নেশনস ব্যাখ্যা: ১৯২০ সালে গঠিত এই সংস্থা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ রোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪১ — এই বছর আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় যা জাতিসংঘের রূপরেখা তৈরি করেছিল, কিন্তু জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) ১৯৪৫ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই বছরেই জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। C) ১৯৪৮ — এই বছর জাতিসংঘের মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা প্রচার করা হয়, এটি প্রতিষ্ঠার সাল নয়। D) ১৯৪৯ — এই বছর উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা বা ন্যাটো গঠিত হয়, জাতিসংঘ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯৪৫ সালে এবং এই একই বছরে বিশ্বশান্তির জন্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। - ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হিসেবে পালিত হয়, যা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় বা এটি কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশের সংখ্যা ছিল ৫১টি।
a মেসিডোনিয়া
b আলজেরিয়া
c আলবেনিয়া
d ফ্রান্স
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেসিডোনিয়া ১. কেন সঠিক: মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট তৎকালীন উসমানীয় সাম্রাজ্যের কসোভা ভিলায়েতের স্কোপজে শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে এই শহরটি উত্তর মেসিডোনিয়া রাষ্ট্রের রাজধানী। জন্মসূত্রে তিনি আলবেনীয় বংশোদ্ভূত ছিলেন, তবে তার জন্মস্থান বর্তমান মেসিডোনিয়ার ভূখণ্ডে অবস্থিত হওয়ায় তাকে মেসিডোনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: উত্তর মেসিডোনিয়া বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: স্কোপজে শহরে জন্মগ্রহণের পর তিনি ভারতে চলে আসেন এবং মানবতার সেবায় জীবন উৎসর্গ করেন। উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে আর্তমানবতার সেবা এবং দরিদ্রদের অধিকার রক্ষা করাই ছিল তার জীবনের ব্রত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলবেনিয়া ব্যাখ্যা: মাদার তেরেসার বাবা-মা আলবেনীয় বংশোদ্ভূত ছিলেন এবং তার মূল শিকড় ছিল আলবেনিয়ায়। উদাহরণ ২: ভারত ব্যাখ্যা: তিনি ভারতে এসে মিশনারিজ অফ চ্যারিটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং কলকাতার মাটিতেই তার জীবনের দীর্ঘ সময় কাটান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেসিডোনিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাদার তেরেসার জন্মস্থান স্কোপজে বর্তমানে উত্তর মেসিডোনিয়ার রাজধানী। B) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং মাদার তেরেসার জন্মস্থানের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। C) আলবেনিয়া — তার পরিবার আলবেনীয় হলেও তিনি আলবেনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেননি, বরং বর্তমান মেসিডোনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। D) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি প্রধান দেশ এবং মাদার তেরেসার জন্ম বা আদি পরিচয়ের সঙ্গে এই দেশের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: মাদার তেরেসার জন্মস্থান নিয়ে প্রায়ই মেসিডোনিয়া এবং আলবেনিয়ার মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়। মনে রাখবেন তিনি জন্মেছেন মেসিডোনিয়ার স্কোপজেতে, কিন্তু তার রক্ত ও শিকড় ছিল আলবেনিয়ার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাদার তেরেসা কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। তিনি ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
a ঘূর্ণিঝড়
b চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
c সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন
d আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন কেন সঠিক: মহাসাগরের তলদেশে হঠাৎ টেকটনিক প্লেটের চলাচলের কারণে তীব্র ভূকম্পন সৃষ্টি হয়। এই আকস্মিক কম্পনের ফলে সমুদ্রের বিশাল জলরাশি উথলে উঠে ভয়াবহ সুনামির রূপ নেয়। ভৌগোলিক তথ্য: সুনামি মূলত জাপানি শব্দ যার অর্থ বন্দরের ঢেউ বা সমুদ্রের তলের ঢেউ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয় অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সুনামির ঘটনা ঘটে থাকে। সন দুই হাজার চৌদ্দ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি ছিল ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘূর্ণিঝড় — এটি বায়ুমণ্ডলের নিম্নচাপের ফলে সৃষ্টি হয় এবং এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাস হতে পারে কিন্তু তা সুনামি নয়। B) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — এই আকর্ষণের প্রভাবে সমুদ্রে জোয়ার ভাটা সৃষ্টি হয়, সুনামি নয়। C) সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত — এটি সুনামির একটি গৌণ কারণ হতে পারে তবে সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্পই সুনামির প্রধান এবং সবচেয়ে সাধারণ কারণ। মনে রাখার টিপস: সুনামির সাথে ভূকম্পন শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাই জলের নিচে ভূমিকম্প মানেই সুনামির সৃষ্টি।
a ১ জানুয়ারি
b ১১ জানুয়ারি
c ১৯ জানুয়ারি
d ২১ মার্চ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ জানুয়ারি কেন সঠিক: বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা জারি করে। দেশের প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার লক্ষে এই সময় নির্দিষ্ট তারিখটি নির্ধারণ করা হয়েছিল। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশের মোট আয়তন এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পাঁচশত সত্তর বর্গকিলোমিটার এবং ভৌগোলিক অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়। নদীমাতৃক ও ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে পরিচিত। সাইক্লোন, বন্যা ও নদীভাঙন এখানে নিয়মিত ঘটে এবং এর ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জানুয়ারি — এই তারিখে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫ জারি করা হয়নি কারণ এটি ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন। B) ১১ জানুয়ারি — এই তারিখেও এই নির্দিষ্ট নীতিমালাটি প্রকাশের কোনো আনুষ্ঠানিক সরকারি প্রজ্ঞাপন বা তারিখ নির্ধারিত ছিল না। C) ১৯ জানুয়ারি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই ২০১৫ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালাটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়। D) ২১ মার্চ — এই তারিখটি বসন্তকালের সাথে সম্পর্কিত এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রকাশের সাথে এর কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি নতুন বছর শুরুর ঠিক উনিশ দিন পর অর্থাৎ উনিশ জানুয়ারি ২০১৫ সালে এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালাটি জারি করা হয়েছিল।

মোট প্রশ্ন (36)

a চার ইয়ারী কথা
b পালামৌ
c দৃষ্টিপাত
d দেশে বিদেশে
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার ইয়ারী কথা ১. কেন সঠিক: - চার ইয়ারী কথা ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়, এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। - ভ্রমণসাহিত্য বলতে এমন সাহিত্যকর্মকে বোঝায় যেখানে লেখকের দেশ বা বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, দর্শন এবং স্থানবিশেষের বিবরণ ফুটে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গ্রন্থটির রচমাতা প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত এবং তিনি চলিত রীতির প্রবক্তা। - এই গ্রন্থে চারটি ভিন্ন চরিত্রের গল্প স্থান পেয়েছে যা ভ্রমণবৃত্তান্তের পরিবর্তে মূলত মননশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক কথাসাহিত্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ 'তেল নুন লাঠী'। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত মননশীল প্রবন্ধ সংকলন যা বাংলা সাহিত্যে চিন্তার খোরাক জোগায়। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর ছোটগল্প সংকলন 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এটিও তার একটি প্রখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা গল্প বা প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত, ভ্রমণকাহিনি নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার ইয়ারী কথা — এটি ভ্রমণসাহিত্য নয়, বরং প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। B) পালামৌ — এটি সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় বা সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণসাহিত্যমূলক রচনা। C) দৃষ্টিপাত — এটি যোগেন্দ্রনাথ গুপ্তের বা প্রখ্যাত লেখক অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তর ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ। D) দেশে বিদেশে — এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ধ্রুপদী ভ্রমণকাহিনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে চার ইয়ার মিলে গল্প বলে, ভ্রমণ করতে যায় না। - সৈয়দ মুজতবা আলী ও সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম দেখলে সাধারণত ভ্রমণসাহিত্যের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণসাহিত্যের প্রশ্ন বারবার আসে, তাই সৈয়দ মুজতবা আলীর দেশে বিদেশে এবং সঞ্জীবচন্দ্রের পালামৌ ভালোভাবে পড়বে। - লেখকের অন্যান্য গ্রন্থ ছোটগল্প নাকি ভ্রমণকাহিনি, তা আলাদা করতে লেখকের নাম ও তার মূল ধারাটি খেয়াল রাখবে।
a দিবারাত্রির কাব্য
b হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
c কবিতার কথা
d পথের পাঁচালী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবিতার কথা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটির সঠিক উত্তর সি নম্বর অপশন অর্থাৎ কবিতার কথা, কারণ এটি কোনো উপন্যাস নয় বরং জীবানন্দ দাসের একটি বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপন্যাস এবং প্রবন্ধের মধ্যে পার্থক্য যাচাই করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতার কথা গ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ দাস এবং এটি তার একমাত্র প্রধান প্রাবন্ধিক কাজ। - এই গ্রন্থে কবি বাংলা কবিতার নান্দনিক রূপ, কবিতার ইতিহাস এবং কাব্যতত্ত্ব নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসুর হঠযোগ ব্যাখ্যা: এটি বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ, কোনো উপন্যাস নয়। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঞ্চয়িতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা সংকলন, যা উপন্যাস ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিবারাত্রির কাব্য — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস। B) হাঁসুলী বাঁকের উপকথা — এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাঢ় অঞ্চলের জীবনভিত্তিক একটি শ্রেষ্ঠ আঞ্চলিক উপন্যাস। C) কবিতার কথা — এটি জীবনানন্দ দাসের একটি অনন্য প্রাবন্ধিক গ্রন্থ, তাই এটি উপন্যাস নয়। D) পথের পাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রামীণ জীবনভিত্তিক একটি অমর উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাস মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তার প্রাবন্ধিক পরিচয় মনে রাখতে কবিতার কথা বইটি ভালোভাবে মাথায় রাখবে। - উপন্যাসের ক্ষেত্রে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বেশি পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যকর্মের ধরন চেনার সময় লেখক পরিচিতির পাশাপাশি বইটির শ্রেণিবিভাগ অর্থাৎ কাব্য, উপন্যাস বা প্রবন্ধ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
a গবেষণা গ্রন্থ
b ধর্মবিষয়ক প্রবন্ধ
c ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস
d আত্মজীবনী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - বিষাদ সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত উপন্যাস। - এই উপন্যাসে কারবালার যুদ্ধ ও ইসলামের ইতিহাসের করুণ ঘটনাকে কাল্পনিক কাহিনীর সঙ্গে মিশিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। - তাঁর রচিত বিষাদ সিন্ধু কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে লেখা বাংলা সাহিত্যের একটি অমর সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্নাবতী ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: জমিদারি দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গবেষণা গ্রন্থ — এটি কোনো গবেষণা গ্রন্থ নয়, কারণ এটি সৃজনশীল সাহিত্য। B) ধর্মবিষয়ক প্রবন্ধ — এটি কোনো ধর্মীয় প্রবন্ধ বা গবেষণামূলক ইসলামি গ্রন্থ নয়। C) ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস — সঠিক উত্তর, কারণ এটি ইতিহাসের ছায়া অবলম্বনে রচিত। D) আত্মজীবনী — এটি লেখকের নিজের জীবনীমূলক কোনো গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিষাদ সিন্ধু কারবালার ইতিহাস নিয়ে লেখা একটি উপন্যাস, যা মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। - ঐতিহাসিক ঘটনা এবং উপন্যাসের রূপ একসঙ্গে মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের তিনটি খণ্ডের নাম এবং এর চরিত্রগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a ১৭৫৬
b ১৭৫২
c ১৭৬০
d ১৭৬২
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৬০ ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের শেষ কবি ও অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি নদীয়া জেলার পেড়াগা গ্রাম জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্ধমান রাজসভার কবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার সর্বশেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি হিসেবে তিনি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন এবং তাকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা তিন অংশে বিভক্ত। উদাহরণ ২: সত্যপীরের কথা ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের একটি বিখ্যাত ছোট কাব্যরচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৫৬ — এই সালে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মৃত্যুবরণ করেননি বরং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর। B) ১৭৫২ — এই সালে ভারতচন্দ্রের মৃত্যু হয়নি কারণ তিনি আরও কিছুদিন জীবিত ছিলেন। C) ১৭৬০ — এই সালটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যুর সঠিক বছর হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত। D) ১৭৬২ — এই সালটি কবির মৃত্যুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কারণ এর আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতচন্দ্রের মৃত্যুসাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি ১৭৬০ সালে চিরবিদায় নেন। তার জন্ম ও মৃত্যুর সালগুলো সাহিত্যের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের শেষ কবি কে এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় খুব বেশি আসে। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে মনে রাখা জরুরি।
a দৌলত কাজী
b মাগন ঠাকুর
c সাবিরিদ খান
d আলাওল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলাওল ১. কেন সঠিক: - তোহফা কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক ধারার কবি মহাকবি আলাওল রচনা করেন। - পারস্যের সুফি কবি ইউসুফ গদালির ফারসি তোহফা গ্রন্থের পদ্যরূপ বা অনুবাদ হলো এই কাব্যটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি বহু ভাষা জানতেন এবং নানা গ্রন্থ অনুবাদ করেন। - ইসলাম ধর্মের নানা বিধান ও নৈতিক শিক্ষা সংবলিত এই নীতিমূলক কাব্যটি তিনি মীর মোহাম্মদ সুলাইমানের অনুরোধে রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত ও শ্রেষ্ঠ কাব্য যা মালিক মুহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটিও কবি আলাওলের একটি বিখ্যাত অনুবাদ কাব্য যা ফারসি গল্প অবলম্বনে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত কাজী — দৌলত কাজী আরাকান রাজসভার প্রথম যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য সতী ময়না লোরচন্দ্রানী। B) মাগন ঠাকুর — মাগন ঠাকুর ছিলেন আরাকান রাজসভার একজন মন্ত্রী ও গুণগ্রাহী জমিদার এবং তাঁর উৎসাহেই আলাওল পদ্মাবতী রচনা করেন। C) সাবিরিদ খান — সাবিরিদ খান মধ্যযুগের একজন কবি যিনি হানিফা ও মদিনার লড়াই কাব্য রচনা করেন। D) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক কারণ তোহফা কাব্যটি কবি আলাওলই রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপহার বা তোহফা পেতে সবাই ভালোবাসে আর আলো জ্বালালে ঘরে সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয়, তাই তোহফা গ্রন্থের রচয়িতা আলো থেকে আলাওল মনে রাখবে। - মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ অনুবাদ করেছেন কবি আলাওল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলাওলের জন্মস্থান, তাঁর রচিত গ্রন্থ এবং তাঁর পৃষ্ঠপোষকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের কবিদের নাম এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a কবিগান
b পুঁথি সাহিত্য
c নাথ সাহিত্য
d বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবিগান ১. কেন সঠিক: এন্টনি ফিরিঙ্গি বাংলা সংগীত ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একজন বিখ্যাত কবিওয়াল। তিনি বাংলা ভাষা না জানা সত্ত্বেও চমৎকার বাংলা কবিগান রচনা করতেন এবং প্রতিপক্ষের সঙ্গে কবিগানে লড়তেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবিওয়ালা। পর্তুগীজ বংশোদ্ভূত হলেও তিনি বাংলায় কবিগান চর্চা করে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোবর্ধন দাস ব্যাখ্যা: তিনি বাংলার অপর একজন প্রখ্যাত প্রাচীন কবিওয়ালা ও কবিগান রচয়িতা। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রা ব্যাখ্যা: তিনি উনিশ শতকের বাংলার আরেকজন জনপ্রিয় কবিগান শিল্পী ও মিষ্টি বিক্রেতা ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিগান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এন্টনি ফিরিঙ্গি কবিগানের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন। B) পুঁথি সাহিত্য — এটি মধ্যযুগের বা ঔপনিবেশিক যুগের কাব্যের ধারা, যা ইসলামি সংস্কৃতির প্রভাবে রচিত হতো। C) নাথ সাহিত্য — এটি চর্যাপদ-পরবর্তী সময়ের এক ধরনের ধর্মীয় ও যোগসাধনাভিত্তিক বাংলা সাহিত্যের ধারা। D) বৈষ্ণব পদ সাহিত্য — এটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের লীলাভিত্তিক মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি প্রধান ধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: এন্টনি ফিরিঙ্গি নামটির সঙ্গে কবিগান শব্দটি মনে রাখুন এভাবে যে তিনি বিদেশি বংশোদ্ভূত হয়েও খাঁটি বাংলা কবিগান গেয়ে অমর হয়ে আছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিগান ও প্রাচীন কবিওয়ালাদের নাম প্রায়ই আসে। যেমন গোবর্ধন দাস, ভোলা ময়রা ও রামবসু হলেন এন্টনি ফিরিঙ্গির সমসাময়িক বিখ্যাত কবিওয়ালা।
a উইলিয়াম কেরি
b গোলকনাথ শর্মা
c রামরাম বসু
d হরপ্রসাদ রায়
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামরাম বসু কেন সঠিক: ১. রামরাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং তিনি রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। ২. বাংলা গদ্য সাহিত্যের শুরুর যুগে এই ঐতিহাসিক জীবনী গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা গদ্যের উষালগ্নে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতগণ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য উন্নয়নে নানা গ্রন্থ রচনা করেন। ২. রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থটি সেই আদিযুগের বাংলা গদ্য রচনার একটি অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। ৩. যেমন, রামরাম বসুর এই গ্রন্থটিতে তৎকালীন বাংলার এক স্থানীয় শাসকের জীবনের ঐতিহাসিক বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উইলিয়াম কেরি — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন কিন্তু এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) গোলকনাথ শর্মা — তিনি হিতোপদেশ গ্রন্থের অনুবাদক হিসেবে পরিচিত হলেও এই বইটির লেখক নন। C) রামরাম বসু — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) হরপ্রসাদ রায় — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সাথে যুক্ত কোনো লেখক নন এবং এই গ্রন্থটি লেখেননি। মনে রাখার টিপস: রাম ও প্রতাপ নামের দুই বন্ধুর চরিত্র মনে রাখলে রামরাম বসুর লেখা রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থটির নাম সহজে মনে রাখা যায়।
a বঙ্গদূত
b জ্ঞানান্বেষণ
c জ্ঞানাঙ্কুর
d সংবাদ প্রভাকর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্ঞানান্বেষণ ১. কেন সঠিক: - ‘জ্ঞানান্বেষণ’ পত্রিকাটির মাধ্যমে ‘ইয়ং বেঙ্গল’ বা ডিরোজিওপন্থী যুবকেরা তাদের সমাজসংস্কারমূলক চিন্তাধারা ও আধুনিক জ্ঞান প্রচার করতেন। - উনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে এই পত্রিকাটির মাধ্যমেই তৎকালীন তরুণ সমাজ নানা সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর অনুসারী ‘ইয়ং বেঙ্গল’ বা নবমবঙ্গ গোষ্ঠীর বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রধান মাধ্যম ছিল এই পত্রিকা। - ঊনবিংশ শতকের বাংলার রেঁনেসা এবং সমাজ সংস্কার আন্দোলনে এই গোষ্ঠীর মুখপত্র হিসেবে ‘জ্ঞানান্বেষণ’ পত্রিকাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের শুরুতে প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র, যা বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। উদাহরণ ২: তত্ত্বরবোধিনী পত্রিকা ব্যাখ্যা: অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকা ব্রাহ্মসমাজ ও বাংলা গদ্যের প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গদূত — এটি রামমোহন রায় ও দ্বারকানাথ ঠাকুরের প্রচেষ্টায় প্রকাশিত বহুমুখী পত্রিকা, যা ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্র ছিল না। B) জ্ঞানান্বেষণ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। C) জ্ঞানাঙ্কুর — এটি রাজশাহী থেকে প্রকাশিত একটি সাহিত্য পত্রিকা, যা ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) সংবাদ প্রভাকর — ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকা মূলত রক্ষণশীল চিন্তাধারার ধারক ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইয়ং বেঙ্গল মানেই জ্ঞানের অন্বেষণ করা, তাই তাদের পত্রিকার নামও জ্ঞানান্বেষণ। - ডিরোজিওর অনুসারীরা সমাজে জ্ঞান ও যুক্তি ছড়িয়ে দিতে এই পত্রিকা ব্যবহার করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ও মুখপত্র সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পত্রিকার নাম এবং তার সঙ্গে জড়িত গোষ্ঠী বা ব্যক্তির নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a অবকাশ রঞ্জিকা
b বিবিধার্য সংগ্রহ
c কাব্য প্রকাশ
d গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রামবার্তা প্রকাশিকা ১. কেন সঠিক: কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। এই পত্রিকাটি গ্রামীণ জনসাধারণের ওপর নীলকর ও জমিদারদের নির্যাতনের কথা সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ১৯ শতকের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, বাউল গান রচয়িতা ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন। মীর মশাররফ হোসেন তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের শুরুতে এই গ্রামবার্তা প্রকাশিকাতেই লেখালেখি করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের বসতি ব্যাখ্যা: তিনি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার কয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং জীবদ্দশায় কাঙাল কুটির স্থাপন করেন। উদাহরণ ২: গ্রামবার্তা প্রকাশিকার প্রেস ব্যাখ্যা: হরিনাথ মজুমদার প্রথমে অন্য প্রেস থেকে পত্রিকা প্রকাশ করলেও পরে এম এন প্রেস নামে নিজস্ব একটি মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবকাশ রঞ্জিকা - এটি কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদিত পত্রিকা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) বিবিধার্য সংগ্রহ - এটি অন্য কোনো লেখকের সম্পাদিত বা সংকলিত গ্রন্থ বা সাময়িকী, হরিনাথ মজুমদারের নয়। C) কাব্য প্রকাশ - এটি কোনো সংবাদপত্রের নাম নয়, বরং সাহিত্য বা কাব্য বিষয়ক প্রাচীন তত্ত্বগ্রন্থ বোঝায়। D) গ্রামবার্তা প্রকাশিকা - এটি হরিনাথ মজুমদার সম্পাদিত ঐতিহাসিক পত্রিকা যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। ৫ মনে রাখার টিপস: কাঙাল হরিনাথ মানেই গ্রামবার্তা প্রকাশিকা এবং কুষ্টিয়ার কুমারখালি অঞ্চলের গ্রামীণ সাংবাদিকতার ইতিহাস। পরীক্ষায় হরিনাথ মজুমদার প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে গ্রামবার্তা প্রকাশিকা উত্তর নির্বাচন করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের সংবাদসাময়িকী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পত্রিকাটির প্রকাশকাল ১৮৬৩ সাল এবং এর সঙ্গে মীর মশাররফ হোসেনের সম্পৃক্ততা ভালো করে মনে রাখবে।
a কবর
b চিঠি
c রক্তাক্ত প্রান্তর
d মুখরা রমণী বশীকরণ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুখরা রমণী বশীকরণ ১. কেন সঠিক: মুনীর চৌধুরী শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত কমেডি নাটক দ্য টেমিং অব দ্য শ্রিউ বাংলায় অনুবাদ করেন মুখরা রমণী বশীকরণ নামে। ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমী কর্তৃক এই অনুবাদ নাটকটি প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বসাহিত্যের সেরা কাজগুলোর সঙ্গে পরিচয় ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সমালোচক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী যিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। তার মৌলিক ও অনূদিত নাটক বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচনা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক কবর ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত তার একটি ঐতিহাসিক ও সাড়া জাগানো একাঙ্ক নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক রূপান্তর ব্যাখ্যা: এটি আন্তন চেখভের বিখ্যাত নাটক দ্য বিয়ার অবলম্বনে অনূদিত একটি হাস্যরসাত্মক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবর — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় বরং তার নিজের লেখা মৌলিক ও বিখ্যাত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একাঙ্ক নাটক। B) চিঠি — এটি মুনীর চৌধুরীর কোনো নাটক বা অনূদিত গ্রন্থ নয় বরং এটি অন্য লেখকের রচিত সাহিত্যকর্ম। C) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর একটি মৌলিক ঐতিহাসিক নাটক যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। D) মুখরা রমণী বশীকরণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য এবং এটি শেক্সপিয়ারের নাটকের অনুবাদ। ৫ মনে রাখার টিপস: মুনীর চৌধুরী বিদেশি নাটক অনুবাদ করেছেন মুখরা রমণী ও রূপান্তর নামে আর মৌলিক নাটক লিখেছেন কবর ও রক্তাক্ত প্রান্তর। অনূদিত নাটক মনে রাখতে মনে রাখবে শেক্সপিয়ার ও চেখভের রচনা তিনি বাংলায় রূপান্তর করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুনীর চৌধুরীর মৌলিক ও অনূদিত নাটক আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শেক্সপিয়ারের নাটকের বাংলা অনুবাদগুলো কোন সাহিত্যিক করেছেন তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a গণদেবতা
b পদ্মনদীর মাঝি
c সীতারাম
d পথের পাঁচালী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সীতারাম ১. কেন সঠিক: - সীতারাম একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চেয়ে রাজনৈতিক পটভূমি এবং হিন্দু রাজত্ব প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম প্রাধান্য পেয়েছে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন বাংলার সামাজিক চিত্রের চেয়ে ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। - সীতারাম তাঁর শেষ ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সীতারাম রায়ের জীবন ও পতন দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ ও পারিবারিক জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকান্তের উইল ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্রের সামাজিক উপন্যাসের একটি অসাধারণ উদাহরণ যা গ্রামীণ সমাজের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণদেবতা - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে রাঢ় অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজ জীবন ও মানুষের সংগ্রাম নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। B) পদ্মনদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর ধারের জেলে সম্প্রদায়ের গ্রামীণ ও নদীকেন্দ্রিক জীবন স্পষ্টভাবে চিত্রিত হয়েছে। C) সীতারাম - এটি কোনো গ্রামীণ সমাজ জীবনের উপন্যাস নয় বরং একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত উপন্যাস। D) পথের পাঁচালী - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি এবং নিসর্গনির্ভর মানুষের জীবন অত্যন্ত সুন্দরভাবে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো মনে রাখতে পারো আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী এবং সীতারাম এই তিনটি নাম দিয়ে। বাকিগুলোর মধ্যে গণদেবতা, পদ্মনদীর মাঝি ও পথের পাঁচালী সরাসরি গ্রামীণ সমাজ জীবনের ওপর লেখা কালজয়ী উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপন্যাসগুলোর শ্রেণিবিভাগ যেমন সামাজিক, ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক জানতে চাওয়া হয়। কোনো উপন্যাসে গ্রামীণ জীবন আছে নাকি ইতিহাস আছে, তা আলাদা করতে লেখকের মূল সুর ও পটভূমি লক্ষ্য করতে হবে।
a বিহারী-বিনোদিনী
b নিখিলেস-বিমলা
c মধুসূদন-কুমুদিনী
d আমিত-লাবণ্য
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিখিলেস-বিমলা ১. কেন সঠিক: - নিখিলেস ও বিমলা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। - নিখিলেস হলো উদার ও আধুনিক মনের এক জমিদার এবং বিমলা তার স্ত্রী, যাদের দাম্পত্য জীবনে স্বত্ব ও স্বাধীনতার দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'ঘরে বাইরে' একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের পটভূমি হলো বঙ্গভঙ্গ ও স্বাদেসি আন্দোলন, যেখানে নিখিলেস, বিমলা ও সন্দীপের ত্রিকোণ প্রেমের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সংকটের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরা উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস এবং এর প্রধান চরিত্র হলো গোরা ও বিনয়। উদাহরণ ২: যোগাযোগ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র পুণ্যবালা ও মধুসূদন। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহারী-বিনোদিনী — এই চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চোখের বালি' উপন্যাসের অন্তর্গত। B) নিখিলেস-বিমলা — এটি সঠিক উত্তর। C) মধুসূদন-কুমুদিনী — এই চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'যোগাযোগ' উপন্যাসের অন্তর্গত। D) আমিত-লাবণ্য — এই চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের অন্তর্গত। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস ও চরিত্র মনে রাখার জন্য চরিত্রের নাম ও উপন্যাসের নাম জোড়া হিসেবে মুখস্থ করতে পারো। - যেমন ঘরে বাইরে উপন্যাসে নিখিলেস ও বিমলার সাথে সন্দীপ চরিত্রটিও মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসের চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a রিক্তের বেদন
b সর্বহারা
c আলেয়া
d কুহেলিকা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: - কুহেলিকা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলনের চিত্র এবং তরুণ সমাজের বিপ্লবের স্পৃহা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লেখক হলেও তিনি মূলত কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। - তিনি মোট তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন, যার মধ্যে কুহেলিকা অন্যতম এবং এটি একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাসধর্মী উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিক্তের বেদন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। B) সর্বহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিপ্লবী কবিতার বই বা কাব্যগ্রন্থ। C) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি সফল ও জনপ্রিয় সংগীতনাট্য বা নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধন ভাঙতে কুহেলিকার মৃত্যুক্ষুধা পেয়েছে। - এখানে বাঁধন হারা, কুহেলিকা এবং মৃত্যুক্ষুধা হলো কবির তিনটি উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস সংখ্যা মাত্র তিনটি, যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - তার উপন্যাসগুলোর নাম এবং তাদের ধরন খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ব্রজাঙ্গনা
b বিলাতের পত্র
c বীরাঙ্গনা
d হিমালয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরাঙ্গনা ১. কেন সঠিক: - বীরাঙ্গনা কাব্য হলো মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একমাত্র পত্রকাব্য বা পত্রাত্মক কাব্য। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, যেখানে পৌরাণিক নারীরা তাদের প্রেম ও অভিমান সরাসরি পত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, নাট্যকার ও প্রবক্তা। - ১৮৬২ সালে প্রকাশিত বীরাঙ্গনা কাব্যে মোট একচল্লিশটি পত্র বা কবিতা রয়েছে, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোমভ্মা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাব্যগ্রন্থ যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রজাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পটভূমিতে রচিত একটি গীতকাব্য, কোনো পত্রকাব্য নয়। B) বিলাতের পত্র — এটি এই নামের কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক রচনা নয়, এটি বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি অপশন। D) হিমালয় — এটি কোনো পত্রকাব্য নয় এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রধান সাহিত্যকর্মের তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদনের পত্রকাব্য মনে রাখতে বীরাঙ্গনা শব্দের প্রথম অক্ষর ব এবং পত্রকাব্যের প মনে রাখা যায়। - বীরাঙ্গনা মানেই পত্রের মাধ্যমে মনের কথা জানানো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বীরাঙ্গনা কাব্যটি ওভিডের হিরোইডেস কাব্যের অনুসরণে রচিত হয়েছিল। - বাংলা সাহিত্যে পত্রকাব্যের সূচনা করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
a সোনার তরী
b চিত্রা
c মানসী
d বলাকা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোনার তরী ১. কেন সঠিক: - এই চরণে মানবজীবনের নিঃসঙ্গতা, ক্ষুদ্রতা এবং মানুষের অর্জিত কর্মের নশ্বরতা রূপক অর্থে প্রকাশ করা হয়েছে। - কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের অভিজ্ঞতা ও দার্শনিক ভাবনা এই কবিতায় নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বিখ্যাত 'সোনার তরী' কবিতার প্রথম পঙক্তি। - ১৮৯৩ সালে রচিত এই কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমনামের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগনে গগনে তবে চলে ভেসে একা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায় নিঃসঙ্গতা ও একাকীত্ব প্রকাশের আরেকটি সুন্দর দৃষ্টান্ত। উদাহরণ ২: নদী পার হয় খেয়া নৌকা একা একা ব্যাখ্যা: জীবন নদীর পারাপারে মানুষের একাকী যাত্রার ভাবার্থ বোঝাতে এই পঙক্তি প্রাসঙ্গিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নোক্ত চরণের উৎস হিসেবে গ্রহণযোগ্য। B) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি কাব্যগ্রন্থ, যার মধ্যে 'সোনার তরী' কবিতার এই চরণটি নেই। C) মানসী — এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক ধারার রচনার জন্য বিখ্যাত, তবে এই চরণটি এখানে নেই। D) বলাকা — এটি রবীন্দ্রসাহিত্যের গতি ও পরিবর্তনের প্রতীকী কাব্য, যা অনেক পরে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোট ক্ষেত এবং সোনা কাটার নদীমাত্রিক দৃশ্য মনে রাখলেই 'সোনার তরী' কবিতাটি চেনা সহজ হয়। - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত রূপকধর্মী কবিতাগুলোর প্রথম লাইনগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রকাব্যের বিখ্যাত পঙক্তি ও তার উৎস প্রায়ই আসে। - কাব্যগ্রন্থের নাম এবং রচনার সাল মনে রাখা সাহিত্য অংশের প্রস্তুতির জন্য খুবই জরুরি।
a শামসুর রাহমান
b আল মাহমুদ
c আবুল ফজল
d আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১. কেন সঠিক: 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' আধুনিক বাংলা কবিতার একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী কবিতা যার রচহিতা হলেন বিশিষ্ট কবি ও রাজনীতিবিদ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। এই কবিতায় বাংলার মাটি, মানুষ, নদী, প্রকৃতি এবং বাঙালি জাতির হাজার বছরের সংগ্রাম ও ঐতিহ্যকে অত্যন্ত কাব্যিক ও শক্তিশালী ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি যিনি তার স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দ্রোহের কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এই কবিতাটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এবং মুক্তিসংগ্রামের পটভূমিতে গ্রামীণ লোকজ উপাদান ও ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে এক অনন্য শিল্পরূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কোন এক কালে ফুলেরা ছিল মানুষের মতো' ব্যাখ্যা: এটি এই কবিতার একটি বিখ্যাত চারণ যা রূপক অর্থে মানুষের সরলতা ও প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কথা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি / আমি আমাদের ইতিহাস বলছি' ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিগুলোর মাধ্যমে কবি সমগ্র বাঙালি জাতির ঐতিহ্য এবং সংগ্রামের ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' কবিতাটি তার লেখা নয়। B) আল মাহমুদ — তিনি লোকজ চেতনা ও গ্রামীণ জনপদের কবি হলেও আলোচ্য কবিতাটির রচয়িতা তিনি নন। C) আবুল ফজল — ইনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও তিনি মূলত প্রবন্ধ ও উপন্যাসের জন্য পরিচিত, কবিতার জন্য নয়। D) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: কিংবদন্তী বা লোকজ ঐতিহ্যের কথা বললে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কথা মাথায় রাখবে। কিংবদন্তী শব্দের প্রথম অক্ষর এবং আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর নামের মিল মনে রেখে এটি সহজে মুখস্থ করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতা এবং তার কবির নাম প্রায়ই আসে। আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা হলো 'কোন এক সময়ে' যা পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a চৌরসন্ধি
b ক্রীতদাসের হাসি
c ভেজাল
d বনি আদম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভেজাল ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের বিভাগভুক্ত। ভেজাল শিরোনামের কোনো গ্রন্থ প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান বাংলা কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি সমাজ বাস্তববাদ ও রূপকধর্মী উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। তার জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় এবং তিনি আমৃত্যু প্রগতিশীল চিন্তা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রীতদাসের হাসি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী উপন্যাস যেখানে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বনি আদম ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা তার কথাসাহিত্যের মুন্সিয়ানা ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৌরসন্ধি — এটি শওকত ওসমান রচিত একটি গ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শওকত ওসমানের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত একটি উপন্যাস। C) ভেজাল — এটি শওকত ওসমানের রচনা নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) বনি আদম — এটিও শওকত ওসমানের একটি পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার কৌশল হলো ক্রীতদাসের হাসি, বনি আদম এবং চৌরসন্ধি নামগুলো এক সাথে চর্চা করা। পরীক্ষায় অচেনা কোনো নাম দেখলে লেখকের রচনার তালিকা মিলিয়ে উত্তর করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাস ও গল্পের নাম আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a কূসংস্কার
b কুসংকার
c কুসংস্কার
d কূশংষ্কার
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুসংস্কার ১. কেন সঠিক: - কুসংস্কার শব্দটিতে কোনো দীর্ঘ স্বরবর্ণ বা অনুস্বার ব্যবহার হয় না। - এটি মূলত কু এবং সংস্কার শব্দের মিলনে গঠিত একটি সাধিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের অনুসরণে কু উপসর্গযুক্ত শব্দে হ্রস্ব উ-কার বসে। - সংস্কার শব্দের ক্ষেত্রে সম উপসর্গের সঙ্গে কার ধাতু এবং অর্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই রূপটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুঅভ্যাস ব্যাখ্যা: কু উপসর্গের প্রভাবে অভ্যাসের আগে হ্রস্ব উ-কার বসেছে। উদাহরণ ২: কুদৃষ্টি ব্যাখ্যা: কু উপসর্গের সঙ্গে দৃষ্টি শব্দ যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কূসংস্কার — এখানে কু এর পরিবর্তে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। B) কুসংকার — এখানে বানানে র বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) কূশংষ্কার — এখানে দীর্ঘ ঊ-কার এবং অতিরিক্ত মীয় অনুস্বার যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: - কু উপসর্গের সঙ্গে কোনো শব্দ যুক্ত করার সময় সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করবে। - সংস্কার বানানে কখনোই মীয় অনুস্বার বা অতিরিক্ত বর্ণ ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের বানান প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে এ ধরনের বানান চর্চা করতে হবে।
a ইংরেজি + ফার্সি
b ইংরেজি + আরবি
c তুর্কি + আরবি
d ইংরেজি + পর্তুগিজ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংরেজি + আরবি ১. কেন সঠিক: - ‘হেড মৌলভী’ শব্দটিতে ‘হেড’ হলো ইংরেজি শব্দ এবং ‘মৌলভী’ হলো আরবি শব্দ। - দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে এই মিশ্র বা সংকর শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিদেশি বা দেশি শব্দের সঙ্গে বাংলা কিংবা অন্য কোনো ভাষার শব্দ মিলিত হয়ে গঠিত শব্দকে মিশ্র বা সংকর শব্দ বলা হয়। - এখানে ‘হেড’ (ইংরেজি প্রধান) এবং ‘মৌলভী’ (আরবি শিক্ষক বা পন্ডিত) দুটি ভিন্ন ভাষা থেকে এসে বাংলায় মিশ্র শব্দ তৈরি করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তারখানা ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি ‘ডাক্তার’ এবং ফার্সি ‘খানা’ শব্দের মিলনে গঠিত একটি মিশ্র শব্দ। উদাহরণ ২: হেডমাস্টার ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি ‘হেড’ এবং তৎসম ‘মাস্টার’ (মূলত ইংরেজি থেকে আগত) শব্দের মিশ্রণে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি + ফার্সি — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘মৌলভী’ ফার্সি শব্দ নয়, এটি একটি আরবি শব্দ। B) ইংরেজি + আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘হেড’ ইংরেজি এবং ‘মৌলভী’ আরবি শব্দ। C) তুর্কি + আরবি — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘হেড’ কোনো তুর্কি শব্দ নয়, এটি ইংরেজি শব্দ। D) ইংরেজি + পর্তুগিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রদত্ত ‘মৌলভী’ শব্দটি পর্তুগিজ নয়, আরবি শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হেডমাস্টার, হেডপন্ডিত বা হেড মৌলভী শব্দের শুরুতে থাকা ‘হেড’ শব্দটি সবসময় ইংরেজি ভাষা নির্দেশ করে। - মৌলভী শব্দটি ধর্মীয় প্রসঙ্গের সাথে যুক্ত বিধায় এটি আরবি শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মিশ্র শব্দের উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দের মূল উৎস বা উৎপত্তি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a ৭টি
b ৯টি
c ১০টি
d ৮টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বর্ণগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে একটি হলো অর্ধমাত্রার বর্ণ। যেসব বর্ণ লেখার সময় উপরে সম্পূর্ণ মাত্রা না থেকে সামান্য বা অর্ধেক অংশ জুড়ে রেখা থাকে, সেগুলোকে অর্ধমাত্রার বর্ণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বাংলা বর্ণমালাকে পূর্ণমাত্রার বর্ণ, অর্ধমাত্রার বর্ণ এবং মাত্রাহীন বর্ণ এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঋ ব্যাখ্যা: এটি একমাত্র স্বরবর্ণ যা অর্ধমাত্রার অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ঘ ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনবর্ণগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম অর্ধমাত্রার বর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৭টি নয়, বরং ৮টি রয়েছে। B) ৯টি — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৯টি পাওয়া যায় না। C) ১০টি — এই সংখ্যাটি মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে, অর্ধমাত্রার বর্ণের সংখ্যা নয়। D) ৮টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় নির্দিষ্টভাবে ৮টি অর্ধমাত্রার বর্ণ রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: অর্ধমাত্রার বর্ণ মোট ৮টি মনে রাখার জন্য স্বরবর্ণের ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণের ৭টি (খ, ছ, জ, ণ, থ, ধ, শ) খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। স্বরবর্ণে মাত্র ১টি অর্ধমাত্রার বর্ণ থাকে এবং বাকি ৭টি ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালার মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায় সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি ভালোভাবে মনে রাখলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a জ্ + ঞ
b ঞ + গ
c ঞ + জ
d গ + ঞ
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জ্ + ঞ ১. কেন সঠিক: বিজ্ঞান শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা জ এবং ঞ এই দুটি বর্ণ পাই যা যুক্ত হয়ে জ্ণ তৈরি করে। যুক্তবর্ণটি ভাঙলে প্রথম বর্ণটি হসন্তযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ এবং দ্বিতীয় বর্ণটি পূর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ হিসেবে প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা দুটি ভিন্ন বর্ণ মিলে গঠিত হয় এবং উচ্চারণ ও লেখার সময় বিশেষ রূপ ধারণ করে। জ এবং ঞ যুক্ত হয়ে সাধারণত জজ্ঞ বা জ্ণ উচ্চারণ নির্দেশ করে যা বিজ্ঞানের মতো শব্দে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রজ্ঞা ব্যাখ্যা: প্রজ্ঞা শব্দটিতে প + র-ফলা এবং জ্ + ঞ যুক্তবর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে যা একই নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: অজ্ঞান ব্যাখ্যা: অজ্ঞান শব্দটিতে অ এবং জ্ঞ যুক্ত হয়ে একই ধরনের ধ্বনি ও যুক্তবর্ণের গঠন তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ + ঞ — এটি সঠিক কারণ বিজ্ঞান শব্দের যুক্তবর্ণটি এই দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। B) ঞ + গ — এটি ভুল কারণ বিজ্ঞান শব্দে ঞ প্রথমে এবং গ পরে থাকে না। C) ঞ + জ — এটি ভুল কারণ বর্ণ দুটির অবস্থান উল্টো দেওয়া রয়েছে যা বিজ্ঞান শব্দের গঠন নয়। D) গ + ঞ — এটি ভুল কারণ বিজ্ঞান শব্দে গ এবং ঞ এর যুক্তরূপ ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজ্ঞান শব্দটির শুরুতে ব এবং ই কারের পর যে যুক্তবর্ণটি আসে তা জ এবং ঞ এর মিলিত রূপ। যুক্তবর্ণ ভাঙার সময় প্রথম বর্ণটিতে হসন্ত দিয়ে দ্বিতীয় বর্ণটি আলাদা করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ ভেঙে দেখানোর প্রশ্ন আসে তাই মূল বর্ণগুলো ভালোভাবে চেনা জরুরি। জ্ঞ বা জ্ণ জাতীয় যুক্তবর্ণগুলো প্রায় সময় জ এবং ঞ এর যোগফল হিসেবে গঠিত হয়।
a সভাসদ
b শুভেচ্ছা
c ফলবান
d তন্বী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শুভেচ্ছা ১. কেন সঠিক: - শুভেচ্ছা শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি, এটি সন্ধিযোগে গঠিত একটি শব্দ। - শুভ এবং ইচ্ছা মিলে শুভেচ্ছা শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা গুণসন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, আর প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ তৈরির প্রক্রিয়া। - শুভেচ্ছা শব্দটি ভাঙলে পাই শুভ যোগ ইচ্ছা, যেখানে অ এবং ই মিলে এ কার হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যোদয় ব্যাখ্যা: সূর্য এবং উদয় মিলে সূর্যোদয় হয়, যা গুণসন্ধির আরেকটি উদাহরণ এবং প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়। উদাহরণ ২: যথোচিত ব্যাখ্যা: যথা এবং উচিত মিলে যথোচিত হয়, এটিও সন্ধিযোগে সাধিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভাসদ — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ হলেও এর মধ্যে প্রত্যয়যুক্ত পদ রয়েছে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। B) শুভেচ্ছা — এটি সন্ধিসাধিত শব্দ, কোনো প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়নি বলে এটিই সঠিক উত্তর। C) ফলবান — ফল শব্দের সাথে বান প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ফলবান শব্দটি গঠিত হয়েছে। D) তন্বী — তনু শব্দের সাথে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তন্বী শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধিযুক্ত শব্দগুলো সাধারণত দুটি ভিন্ন শব্দের মিলনে তৈরি হয়, আর প্রত্যয়যুক্ত শব্দে মূল শব্দের সাথে অতিরিক্ত অংশ যুক্ত থাকে। - শুভেচ্ছা শব্দটি দেখলে বুঝতে হবে এটি শুভ যোগ ইচ্ছা অর্থাৎ সন্ধির নিয়ম মেনে এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধি ও প্রত্যয় গুলিয়ে ফেলার জন্য এমন প্রশ্ন দেওয়া হয়। - কোনো শব্দ দেখলে প্রথমে সেটি সন্ধিবিচ্ছেদ করা যায় কি না তা যাচাই করা উচিত।
a জনশ্রুতি
b অনমনীয়
c খাসমহল
d তপোবন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনশ্রুতি ১. কেন সঠিক: জনশ্রুতি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো জন যে শ্রুতি বা লোকের মুখে মুখে যা প্রচলিত। এখানে সমস্তপদটির অর্থ জন বা লোক সাধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি নতুন অর্থ অর্থাৎ কিংবদন্তি বা প্রচলিত কথা প্রকাশ করেছে। যে সমাসে সমসমান পদের অর্থের সরাসরি বা literal অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশিত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য থাকে না, বরং সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ পায় এবং ব্যাসবাক্যে যার, যাতে, যদ্বারা ইত্যাদি পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলা হয়। জনশ্রুতি শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের একটি বিশেষ রূপের অন্তর্গত, যেখানে সাধারণ পদের সমষ্টি একটি বিশেষ প্রবাদ বা জনবহুল প্রচলিত কথাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানি যার = বিনাপাণি ব্যাখ্যা: এখানে বিনা এবং পানি আলাদা অর্থ প্রকাশ না করে দেবী সরস্বতীকে বোঝায়, যা বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: আয়ত লোচন যার = আয়তলোচনা ব্যাখ্যা: এখানে স্ত্রীবাচক অর্থে বিশেষ গুণসম্পন্ন নারী বোঝাতে বহুব্রীহি সমাস ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনশ্রুতি — এটি বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) অনমনীয় — এটি নঞ তৎপুরুষ সমাস কারণ নয় নমনীয় অর্থে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। C) খাসমহল — এটি প্রাদি সমাসের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিশেষ উপসর্গযোগে শব্দ গঠিত হয়েছে। D) তপোবন — এটি ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য তপস্যার বন। ৫ মনে রাখার টিপস: যে সমস্ত পদে ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে শব্দ থাকে এবং সমস্তপদটি সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, চোখ বন্ধ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস ও তৎপুরুষ সমাসের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। তাই ব্যাসবাক্য করার সময় যার বা যাতে থাকলে বহুব্রীহি এবং বিভক্তিযুক্ত পদ থাকলে তৎপুরুষ সমাস ধরতে হবে।
a জাত
b গৈরিক
c উদ্ধত
d গাম্ভীর্য
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গাম্ভীর্য ১. কেন সঠিক: - গাম্ভীর্য শব্দটিতে ভাববাচক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে যা গম্ভীর গুণের নাম প্রকাশ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যে পদ দ্বারা কোনো কিছুর নাম, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলা হয়। - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক এবং গুণবাচক বিশেষ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: এটি সুন্দর গুণের নাম যা একটি ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য পদ। উদাহরণ ২: শৈশব ব্যাখ্যা: এটি শিশু অবস্থার নাম যা একটি ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাত — এটি একটি বিশেষ্য পদ হতে পারে যখন বিশেষ কোনো জাতি বোঝায়, তবে এখানে গৈরিক, উদ্ধত এবং গাম্ভীর্যের বিপরীতে এটি সঠিক অপশনের চাহিদা পূরণ করে না। B) গৈরিক — এটি একটি বিশেষণ পদ কারণ এটি গেরুয়া রঙ বা বর্ণকে নির্দেশ করে যা কোনো বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করে। C) উদ্ধত — এটি একটি বিশেষণ পদ কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা আচরণের অহংকার বা ঔদ্ধত্য ভাবকে প্রকাশ করে। D) গাম্ভীর্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি গম্ভীর গুণের নাম বুঝিয়ে বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে য বা ত্য যুক্ত থাকলে তা সাধারণত ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য হয়। - বিশেষ্য পদ চেনার জন্য শব্দের শেষে কার বা কেমন প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদ রূপান্তরের নিয়ম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় যোগ করে বিশেষণ পদকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করার অনুশীলন করতে হবে।
a কল্যাণ
b প্রবণ
c নিক্বণ
d বিপণি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রবণ ১. কেন সঠিক: ণত্ব বিধি অনুসারে তৎসম শব্দে ঋ, র বা ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। প্রবণ শব্দটিতে র-এর পরে ণ যুক্ত হয়ে ণত্ব বিধানের নিয়মটি সফলভাবে পূর্ণ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে ন-এর পরিবর্তে ণ লেখার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা ণত্ব বিধি রয়েছে। ঋ, র, ষ-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ বসে এবং এর মাঝখানে স্বরবর্ণ, ক-বর্গীয়, প-বর্গীয় বর্ণ, য, হ বা অনুস্বার থাকলেও এই নিয়ম বলবৎ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণাম ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের র-এর পরে ণ যুক্ত হয়ে প্রণাম শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কারণ ব্যাখ্যা: কা-র শব্দের র-এর পরে ণ যুক্ত হয়ে ণত্ব বিধির নিয়ম মেনেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল্যাণ — কল্যাণ শব্দটিতে ল-ফলা থাকার কারণে এবং সাধারণ নিয়মে এখানে দন্ত ন ব্যবহৃত হয়েছে। এটি ণত্ব বিধির নিয়মে পড়ে না। B) প্রবণ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যাখ্যা ওপরে দেওয়া হয়েছে। C) নিক্বণ — নিক্বণ শব্দটিতে ক-এর নিচে ব-ফলা ও ন আছে, যা এই নিয়মের অধীন নয়। D) বিপণি — বিপণি শব্দটিতে ই-কার ও প-এর প্রভাবে ন এসেছে, যা ণত্ব বিধির সরাসরি উদাহরণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ঋ, র, ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ বসে এই সহজ সূত্রটি মনে রাখবে। র-কার বা ঋ-কার দেখলেই সাধারণত ণত্ব বিধির কথা মাথায় আনবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দে ণত্ব বিধানের ব্যবহার থেকে প্রশ্ন আসে। তাই ঋ, র এবং ষ-এর পরবর্তী বর্ণগুলো ভালোভাবে লক্ষ করবে।
a মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে
b মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ না করে পারে না
c মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
d মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটির মূল অর্থ বজায় রেখে একে নেতিবাচক বা অস্তার্থক বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। - নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তরের সময় অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে মূল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এ ধরনের বাক্য রূপান্তরকে অস্তার্থক বাক্য থেকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর বলা হয়, যেখানে বাক্যের মূল ভাব অপরিবর্তিত থাকে। - নিয়ম অনুযায়ী প্রদত্ত বাক্যের মূল শব্দ 'অপছন্দ' এর বিপরীতার্থক শব্দ 'পছন্দ' ব্যবহার করতে হবে এবং কর্তার সঙ্গে 'কেউ' যুক্ত করে সমাপিকা ক্রিয়ায় না বোধক রূপ দিতে হবে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভালো ছাত্ররা সবাই সত্য বলে। ব্যাখ্যা: একে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়, ভালো ছাত্ররা কেউ মিথ্যা বলে না। উদাহরণ ২: সৎ লোককে সবাই ভালোবাসে। ব্যাখ্যা: একে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়, সৎ লোককে কেউ ঘৃণা করে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে — এটি একটি এফারমেটিভ বা অস্তার্থক বাক্য, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে। B) মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ না করে পারে না — এটি দ্বৈত নেতিবাচক রূপ ধারণ করে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করছে। D) মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না — এই বাক্যটি মূল বাক্যের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অস্তার্থক থেকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তরের সময় মূল শব্দের বিপরীত শব্দ বসাতে হয় এবং বাক্যের শেষে না বোধক রূপ দিতে হয়। - কর্তা সবাই থাকলে নেতিবাচক করার সময় কেউ বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্য রূপান্তরের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন মূল বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই বিপরীত শব্দ ও না বোধক রূপের সঠিক প্রয়োগ জানতে হবে।
a বাতিল
b পালাবদল
c মামুলি
d নিরপেক্ষ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাতিল ১. কেন সঠিক: - ‘Null and Void’ একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ আইনিভাবে অকার্যকর, বলবৎ অযোগ্য বা বাতিল ঘোষণা করা। - কোনো চুক্তি, আইন বা দলিল যখন তার কার্যকারিতা হারায়, তখন তাকে আইনগত পরিভাষায় ‘Null and Void’ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার পারিভাষিক শব্দের একটি অংশ, যা ইংরেজি প্রশাসনিক ও আইনগত শব্দ থেকে বাংলায় রূপান্তরিত হয়। - সঠিক পরিভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে দাপ্তরিক ভাষা নির্ভুল ও স্পষ্ট করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The contract was declared null and void. ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ হলো চুক্তিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: His nomination was null and void due to technical errors. ব্যাখ্যা: কারিগরি ত্রুটির কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাতিল — এটি সঠিক পরিভাষা কারণ কোনো কিছু আইনগতভাবে অকার্যকর করাকে বাতিল বলে। B) পালাবদল — এটি ইংরেজি ‘Turn’ বা ‘Shift’ শব্দের পরিভাষা, যা আইনগত অকার্যকতার সঙ্গে মেলে না। C) মামুলি — এটি সাধারণ বা তুচ্ছ অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা ‘Null and Void’ শব্দের আইনি অর্থ প্রকাশ করে না। D) নিরপেক্ষ — এটি ইংরেজি ‘Neutral’ শব্দের পরিভাষা, যা বাতিল শব্দের সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘Null’ অর্থ শূন্য এবং ‘Void’ অর্থ ফাঁকা বা মূল্যহীন। অর্থাৎ যা আইনত শূন্য বা মূল্যহীন, সেটাই হলো বাতিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইন ও প্রশাসন সংক্রান্ত ইংরেজি পরিভাষা প্রায়ই আসে। তাই আইনগত পরিভাষাগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a ব + ন্ + ধ + ন্
b বন্ + ধন্
c ব + ন্ধ + ন
d বান্ + ধন্
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বন্ + ধন্ ১. কেন সঠিক: - ‘বন্ধন’ শব্দটি উচ্চারণ অনুযায়ী দুটি সিলেবল বা অক্ষরলয়ে বিভক্ত হয়, যা হলো ‘বন্’ এবং ‘ধন্’। - যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ করার সময় উচ্চারণের স্বাভাবিক প্রবাহ বা দল (Syllable) বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের আলোচনা এটি। দল বা অক্ষর হলো ফুসফুসের এক ধাক্কায় উচ্চারিত শব্দের অংশ। - ‘বন্ধন’ শব্দটিতে ‘ন্ধ’ যুক্তবর্ণটি ন এবং ধ এর মিলনে গঠিত, যা প্রথম দলের সাথে এবং শেষ বর্ণটি দ্বিতীয় দলের সাথে যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দন = চন্ + দন্ ব্যাখ্যা: এটি একই নিয়মে উচ্চারিত দল বিন্যাসের আরেকটি শব্দ। উদাহরণ ২: অন্ধ = অন্ + ধো ব্যাখ্যা: এখানেও প্রথম অংশে নাসিক্য ধ্বনিসহ যুক্তবর্ণ দল গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব + ন্ + ধ + ন্ — এটি সঠিক বর্ণ বিশ্লেষণ হলেও অক্ষর বিন্যাস বা দল বিন্যাস নয়। C) ব + ন্ধ + ন — এটি ধ্বনিগত উচ্চারণের দল বিন্যাসের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। D) বান্ + ধন্ — এখানে ‘বান্’ অংশে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি ‘আ’ যুক্ত হয়েছে যা মূল শব্দে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অক্ষর বিন্যাসের প্রশ্ন থাকলে শব্দটি উচ্চস্বরে উচ্চারণ করে খেয়াল করবে থামার স্থান কোথায়। - যুক্তবর্ণের আগের স্বরধ্বনিটি প্রথম দলের সাথে যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণ বিশ্লেষণ এবং অক্ষর বিন্যাস বা দল বিন্যাসের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই confus করে। - তাই উচ্চারণ বা দল বের করার সময় শব্দের স্বাভাবিক প্রবাহ মনে রাখতে হবে।
a রবী + ইন্দ্র
b রবী + ঈন্দ্র
c রবি + ইন্দ্র
d রবি + ঈন্দ্র
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবি + ইন্দ্র ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সন্ধির স্বরসন্ধি নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে প্রথম পদের শেষ স্বরধ্বনি ই এবং দ্বিতীয় পদের শুরু স্বরধ্বনি ই মিলে দীর্ঘ ঈকার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ বা আ এবং ই বা ঈ-র পরে ই বা ঈ থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈকার হয় এবং তা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। - রবি শব্দের শেষ অক্ষর বি এর সাথে ই এবং ইন্দ্র শব্দের শুরুতে ই যুক্ত হয়ে রবীন্দ্র শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি + ইক্ষা = প্রতিক্ষা ব্যাখ্যা: ই এর সাথে ই মিলে দীর্ঘ ঈকার গঠিত হওয়ার নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। উদাহরণ ২: মুনি + ইন্দ্র = মুনীন্দ্র ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ই এবং পরপদের ই মিলে দীর্ঘ ঈকার গঠন করার মাধ্যমে শব্দটি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবী + ইন্দ্র — রবী শব্দটিতে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ রবি শব্দে হ্রস্ব ই কার থাকে। B) রবী + ঈন্দ্র — রবী শব্দে দীর্ঘ ঈকার এবং ঈন্দ্র শব্দে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের বানান ও সন্ধির নিয়মের সাথে মেলে না। C) রবি + ইন্দ্র — এটি সঠিক অপশন এবং সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে বিভাজিত হয়েছে। D) রবি + ঈন্দ্র — ঈন্দ্র শব্দে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু মূল শব্দে হ্রস্ব ই কার অর্থাৎ ইন্দ্র হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবি বানানটি সবসময় হ্রস্ব ই কার দিয়ে লিখতে হয় এবং ইন্দ্র বানানেও হ্রস্ব ই কার থাকে। - দীর্ঘ ঈকার যুক্ত শব্দ গঠনে হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব ই মিলে দীর্ঘ ঈকার হয় এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ঈকার দীর্ঘ উ কার এবং দীর্ঘ ঋ কার সাধিত সন্ধি প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে গঠিত গিরি + ইন্দ্র সমান গিরীন্দ্র এবং পরি + ঈক্ষা সমান পরীক্ষা শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
a বিশেষ্য
b অব্যয়
c ক্রিয়া
d বিশেষণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশেষণ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' বিশেষ্য পদের ঠিক পূর্বে বসে সেই বিশেষ্যের দোষ গুণ অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ গুণ সংখ্যা পরিমাণ অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ্য সর্বনাম বা ক্রিয়ার দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা পরিমাণ ইত্যাদি বোঝায় তাকে বিশেষণ পদ বলে। - পদ প্রকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্যের পূর্বে বসে যখন কোনো শব্দ তার বিশেষ পরিচয় বা অবস্থা নির্দেশ করে তখন তা নাম বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এটি একটি সচল গাড়ি। ব্যাখ্যা: এখানে 'সচল' শব্দটি 'গাড়ি' বিশেষ্যের অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে। উদাহরণ ২: আকাশে কালো মেঘ জমেছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'কালো' শব্দটি 'মেঘ' বিশেষ্যের একটি বিশেষ গুণ বা রূপ প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় কারণ চেনা শব্দটি নাম বোঝাচ্ছে না। B) অব্যয় — অব্যয় পদ হলো যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না এবং যা পদগুলোকে যুক্ত করে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় কিন্তু চেনা শব্দটি এখানে সরাসরি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না বরং লোকটির অবস্থা বোঝাচ্ছে। D) বিশেষণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ চেনা শব্দটি লোক বিশেষ্যের দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ বিশেষ্য পদের আগে বসে যদি কেমন প্রশ্নটির উত্তর দেয় তবে তা সাধারণত বিশেষণ পদ হয়। - চেনা লোক মানে কেমন লোক তার উত্তর হলো চেনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাপিকা ক্রিয়া এবং বিশেষণের রূপ এক হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয় তাই বাক্যের অর্থ বুঝতে হবে। - বিশেষ্যের পূর্বে বসে বিশেষণ কীভাবে বিশেষ্যের দোষ গুণ প্রকাশ করে তা ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a উৎকর্ষতা
b অপকর্ষ
c উৎকর্ষ
d অপকর্ষতা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উৎকর্ষ ১. কেন সঠিক: - 'প্রকর্ষ' শব্দের মূল অর্থ হলো উৎকর্ষ, বৃদ্ধি, উন্নতি বা শ্রেষ্ঠত্ব। - বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের বিচারে কোনো গুণের আধিক্য বা শ্রেষ্ঠ অবস্থাকে প্রকর্ষ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - শব্দের উৎস, প্রকৃতি এবং অর্থের মিলের ওপর ভিত্তি করে সমার্থক শব্দ নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎকর্ষতা ব্যাখ্যা: উৎকর্ষ শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করে উৎকর্ষতা বলা হলেও প্রমিত বাংলায় এটি অশুদ্ধ বা কম গ্রহণযোগ্য রূপ। উদাহরণ ২: অপকর্ষ ব্যাখ্যা: অপকর্ষ শব্দের অর্থ অবনতি বা হ্রাস, যা প্রকর্ষ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উৎকর্ষতা — এটি একটি অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ এবং বাংলা ব্যাকরণে অনেক ক্ষেত্রে এটি অসিদ্ধ বা অপ্রমিত হিসেবে বিবেচিত হয়। B) অপকর্ষ — এটি প্রকর্ষ শব্দের সমার্থক নয়, বরং এটি প্রকর্ষ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ যার অর্থ অবনতি। C) উৎকর্ষ — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ এবং প্রকর্ষ শব্দের অর্থ সম্পূর্ণভাবে একই। D) অপকর্ষতা — এটি একটি গঠনগতভাবে ভুল এবং অপ্রমিত শব্দ যা ব্যাকরণগতভাবে সিদ্ধ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্র শব্দের অর্থ প্রকৃষ্ট এবং উৎকর্ষ শব্দের অর্থও ভালো বা শ্রেষ্ঠ অবস্থা। - প্রকর্ষ ও উৎকর্ষ উভয় শব্দই শ্রেষ্ঠত্ব বা উন্নতির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের প্রমিত রূপ এবং সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - অপ্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন উৎকর্ষ বেশি গ্রহণযোগ্য, তেমনি অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন উৎকর্ষতা বর্জন করা উচিত।
a ছায়ানট
b চক্রবাক
c রুদ্রমঙ্গল
d বালুচর
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বালুচর ১. কেন সঠিক: - বালুচর কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, এটি বিশিষ্ট কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - প্রশ্নটিতে কোনটি বিদ্রোহী কবির রচনা নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক উত্তর বালুচর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি, যিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, ছায়ানট, চক্রবাক ও রুদ্রমঙ্গল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুলের একটি বিদ্রোহী ভাবাপন্ন ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। B) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রোমান্টিক ভাবধারার বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ। C) রুদ্রমঙ্গল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। D) বালুচর — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, বরং কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশ리에 বিদ্রোহী সুর এবং ছায়ানট ও চক্রবাকে রোমান্টিকতার ছোঁয়া থাকে। - বুদ্ধদেব বসুর বালুচর কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক কবিতার অন্যতম একটি নিদর্শন হিসেবে স্মরণ রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন গ্রন্থটি কোন কবির তা নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই মূল লেখকের কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। - একই নামের বা ভিন্নধর্মী অন্য লেখকের গ্রন্থগুলোর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
a ১৯০৯
b ১৯১০
c ১৯১৪
d ১৯২১
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৪ ১. কেন সঠিক: সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে চলিত রীতির প্রবর্তন ও প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে (বাংলা ১৩২১ সালের বৈশাখ মাসে) প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এই মাসিক পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী যিনি বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে সবুজপত্র গোষ্ঠী বা সাবুজপত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী বিরূপবজ্র ও পদচারণা গ্রন্থ রচনা করেন। ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক পরিচিতি ও ছদ্মনাম মনে রাখতে এটি সাহায্য করে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা ও চার অধ্যায় উপন্যাস প্রথম সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: পত্রিকাটির সাহিত্যিক গুরুত্ব এবং এর পাতার বিখ্যাত রচনাগুলো বুঝতে এটি কাজে লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৯ — এই সালে বাংলা সাহিত্যে সবুজপত্র প্রকাশিত হয়নি কারণ এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় আরও পরে আত্মপ্রকাশ করে। B) ১৯১০ — এই সালে সবুজপত্র প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক বা সাহিত্যিক তথ্য নেই। C) ১৯১৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। D) ১৯২১ — এই সালে সবুজপত্র প্রকাশিত হয়নি, তবে এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশকাল মনে রাখতে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনা এবং ১৩২১ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাস যুক্ত করে একটি সহজ চিত্র মাথায় রাখতে পারো। ১৯১৪ সংখ্যাটি সবুজপত্র ও চলিত রীতির সূচনার সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবুজপত্রের সম্পাদক, প্রকাশকাল এবং এর সাথে জড়িত লেখকদের নাম প্রায়ই আসে। একইভাবে অন্যান্য বিখ্যাত পত্রিকা যেমন বঙ্গদর্শন বা কল্লোল প্রকাশের সাল ও সম্পাদকের নাম ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।
a সুবচন নির্বাসনে
b রক্তাক্ত প্রান্তর
c নূরলদীনের সারা জীবন
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় কেন সঠিক: - এই নাটকটির মূল বিষয়বস্তু ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। - নাটকে গ্রামীণ জনপদে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন ও বাঙালির মুক্তির আকুতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটি লিখেছেন বিখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক। - এটি মূলত কাব্যনাট্য বা পদ্যে রচিত নাটক। - নাটকের সংলাপগুলো ছন্দোবদ্ধ ও কাব্যিক হওয়ায় এটি বাংলা সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সুবচন নির্বাসনে — এটি আব্দুল্লাহ আল মামুনের লেখা একটি বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক। - B) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক যার প্রেক্ষাপট তৃতীয় পানিপতের যুদ্ধ। - C) নূরলদীনের সারা জীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা নাটক হলেও এর মূল বিষয় কৃষক বিদ্রোহ। মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য হলো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
a রাখালী
b মাটির কান্না
c বেদের মেয়ে
d বোবা কাহিনী
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেদের মেয়ে ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত নাটকের নাম নির্দেশ করে। - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লোকসাহিত্যভিত্তিক লোকনাট্য ধারার একটি অনন্য সৃষ্টি হলো এই নাটকটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর লেখায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন ফুসে উঠেছে। - বেদের মেয়ে একটি ট্র্যাজিক প্রেমের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত লোকনাট্য যা মঞ্চে ও লোকসংস্কৃতিতে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রেমের ট্র্যাজেডি তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সোজন বাদায় ঘাট ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদ্দীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দীর্ঘ কাব্য বা গাথা কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাখালী — এটি নাটকের নাম নয়, বরং এটি কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। B) মাটির কান্না — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো বিখ্যাত নাটক বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়। D) বোবা কাহিনী — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো নাটক নয়, এটি তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীন মানেই পল্লী প্রকৃতি এবং লোকসাহিত্য। তাঁর কাব্য ও নাটকে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন চিত্রিত হয়েছে। - নাটক মনে রাখতে মনে রাখবে জসীমউদ্দীনের উল্লেখযোগ্য নাটক বেদের মেয়ে ও মধুমালা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কাব্য, উপন্যাস ও নাটকের তালিকা বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বিশেষ করে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী এবং বিখ্যাত নাটক বেদের মেয়ে ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a শ্রীচৈতন্যদেব
b শ্রীকৃষ্ণ
c আদিনাথ
d মনোহর দাশ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রীচৈতন্যদেব ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বৈষ্ণব পদাবলি ও ভক্তিবাদ প্রচারে শ্রীচৈতন্যদেবের অবদান সবচেয়ে বেশি এবং এর প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। তাঁর প্রভাবে বাংলা সাহিত্যে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও ভক্তিভাবকে কেন্দ্র করে এক বিশাল সাহিত্যধারার সৃষ্টি হয়েছিল যা মধ্যযুগের সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীচৈতন্যদেব ১৪৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। তাঁর প্রভাবে বাংলা ভাষায় বহু পদাবলি সাহিত্য রচিত হয় এবং চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাসসহ অনেক কবি বৈষ্ণব পদ রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন যা বৈষ্ণব সাহিত্যের আদি রূপ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: চৈতন্যচরিতামৃত ব্যাখ্যা: কৃষ্ণদাস কবিরাজ কর্তৃক রচিত এই গ্রন্থটি শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও দর্শন জানার প্রধান উৎস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীচৈতন্যদেব — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মধ্যযুগের সাহিত্যে ভক্তি আন্দোলনের প্রধান পুরুষ ছিলেন। B) শ্রীকৃষ্ণ — শ্রীকৃষ্ণ হলেন সাহিত্যের একটি কেন্দ্রীয় চরিত্র বা আরাধ্য দেবতা, কোনো ধর্মপ্রচারক নন। C) আদিনাথ — আদিনাথ বৌদ্ধ বা নাথ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত, মধ্যযুগের মূল বাংলা সাহিত্যের প্রধান ধর্মপ্রচারক নন। D) মনোহর দাশ — তিনি মধ্যযুগের একজন সাধারণ বৈষ্ণব পদকর্তা বা লেখক ছিলেন, সমগ্র সাহিত্যের ওপর তাঁর প্রভাব অপরিসীম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগে ভক্তি আন্দোলন ও বৈষ্ণব সাহিত্যের কথা মনে এলে সবার আগে শ্রীচৈতন্যদেবের নাম স্মরণ করতে হবে। পরীক্ষায় মধ্যযুগের প্রধান সাহিত্যিক প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে শ্রীচৈতন্যদেব উত্তর হিসেবে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীচৈতন্যদেব বৈষ্ণব ধর্মের প্রবক্তা এবং তাঁর জীবনকে কেন্দ্র করে জীবনী সাহিত্য রচিত হয়েছে। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা বৈষ্ণব সাহিত্য এবং মঙ্গল কাব্য ধারা।

মোট প্রশ্ন (35)

a Lord Tennyson
b John Milton
c William Wordsworth
d John Keats
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth কেন সঠিক: - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর কবিতায় গ্রামীণ জীবন, পাহাড়, নদী এবং গাছপালার রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। - প্রকৃতির নিরাময় ক্ষমতা এবং মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির আত্মিক সম্পর্কের কথা জোরালোভাবে প্রচার করার কারণে তাঁকে প্রকৃতির কবি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Lord Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান কবি হলেও তাঁকে প্রকৃতির কবি বলা হয় না, বরং তিনি যুগের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত। B) John Milton — তিনি মূলত মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে প্যারাডাইস লস্ট তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি। C) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনে কোনো ভুল নেই। D) John Keats — তিনি মূলত সৌন্দর্য এবং ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অনুভূতির কবি বা রোমান্টিক যুগের সৌন্দর্যবাদী কবি হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ শব্দটি মনে রাখলে ওয়ার্ডস বা শব্দ এবং অর্থ দিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্য মনে রাখা সহজ হয়।
a in the beginning
b at the height
c at the end
d in the confrontation
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at the height কেন সঠিক: - প্লটের বা নাটকের কাহিনীর চরম উৎকর্ষ বা উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়কে ক্লাইম্যাক্স বলা হয়। - এটি এমন একটি মুহূর্ত যেখানে গল্পের প্রধান দ্বন্দ্ব বা উত্তেজনার মাত্রা সর্বোচ্চ বিন্দুতে পৌঁছায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in the beginning — এটি গল্পের সূচনা বা প্রারম্ভিক পর্যায় নির্দেশ করে, যা ক্লাইম্যাক্স বা চরম মুহূর্ত নয়। B) at the height — এটি সঠিক কারণ ক্লাইম্যাক্স হলো গল্পের উত্তেজনা বা দ্বন্দ্বের সর্বোচ্চ বিন্দু। C) at the end — এটি গল্পের সমাপ্তি বা রেজোলিউশন পর্যায় নির্দেশ করে, যা ক্লাইম্যাক্সের পরের ঘটনা। D) in the confrontation — এটি গল্পের দ্বন্দ্ব বা মুখোমুখি লড়াইয়ের পর্যায়, যা ক্লাইম্যাক্সের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: ক্লাইম্যাক্স শব্দটির অর্থ চরম পর্যায় বা উচ্চতা, তাই প্লটের সর্বোচ্চ উত্তেজনাকেই ক্লাইম্যাক্স বলা হয়।
a Thomas Hardy
b Charles Dickens
c W. Congreve
d D. H. Lawrence
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Charles Dickens কেন সঠিক: চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসে লন্ডন শহর কেবল পটভূমি নয়, বরং এটি জীবন্ত এক চরিত্র হিসেবে উপস্থিত থাকে। কুয়াশা, ধোঁয়া এবং গলিগুলো তার সাহিত্যে প্রাণবন্ত রূপ লাভ করেছে। তার লেখায় শহরের ভালো ও মন্দ দিকগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। এই অনন্য বৈশিষ্ট্যের জন্য তাকে লন্ডনের রূপকার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Hardy — থমাস হার্ডি তার উপন্যাসে লন্ডন নয়, বরং ওয়েসেক্স অঞ্চলকে জীবন্ত এক চরিত্র হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন। B) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) W. Congreve — উইলিয়াম কনগ্রেভ মূলত রিস্টোরেশন যুগের কমেডি নাটকের জন্য বিখ্যাত, লন্ডন শহরের জীবন্ত রূপায়নের জন্য নন। D) D. H. Lawrence — ডি এইচ লরেন্স আধুনিক যুগের ঔপন্যাসিক, যিনি মূলত মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লিখেছেন। মনে রাখার টিপস: লন্ডন শহর মানেই চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাসের জীবন্ত পরিবেশ।
a since
b from
c after
d till
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) since কেন সঠিক: বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে। অতীতে শুরু হওয়া কাজ বর্তমানে চলমান বোঝালে নির্দিষ্ট সময়ের আগে since বসে। এখানে ২০০০ সাল একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় নির্দেশ করছে। নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা সাল বোঝাতে since ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) since — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) from — এটি সাধারণত future বা general starting point বোঝাতে বসে, প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনুয়াসে নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে since বসে। C) after — এটি পরে অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এই সময়ের ব্যাপ্তir সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) till — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলা বোঝাতে বসে, যা কাজ শুরু হওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা সালের আগে since এবং সময় কতক্ষণ ধরে চলছে তা বোঝালে for বসে।
a temporary
b permanent
c transparent
d short-lived
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) permanent কেন সঠিক: Transitory শব্দের অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা স্থায়ী নয়। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো permanent যার অর্থ স্থায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) temporary — এটি transitory শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থও ক্ষণস্থায়ী। B) permanent — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি transitory শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ, যা মূল শব্দের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। D) short-lived — এটিও transitory শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ স্বল্পস্থায়ী। মনে রাখার টিপস: Transitory শব্দটির সাথে Train শব্দের মিল আছে, যার যাত্রা ক্ষণস্থায়ী হয়। আর Permanent মানে চিরand স্থায়ী।
a number
b enumerate
c numbering
d numerical
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) number কেন সঠিক: ‘Number’ শব্দটি বাক্যে noun এবং verb উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হতে পারে। এর verb রূপ হিসেবে সরাসরি 'number' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যার অর্থ গণনা করা। এটি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি verb হিসেবে কাজ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) number — এটি সঠিক কারণ এটি নিজেই noun এবং verb উভয় রূপেই ব্যবহৃত হতে পারে। B) enumerate — এটি একটি ভিন্ন শব্দ যার অর্থ গণনা করা বা তালিকাভুক্ত করা, তবে এটি 'number' এর সরাসরি verb রূপ নয়। C) numbering — এটি 'number' শব্দের present participle বা gerund রূপ, মূল verb নয়। D) numerical — এটি 'number' শব্দের adjective রূপ, যা সংখ্যা সংক্রান্ত বিষয় বোঝায়। মনে রাখার টিপস: কিছু ইংরেজি শব্দ noun এবং verb উভয় হিসেবেই কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ব্যবহৃত হয়।
a W. Wordsworth
b s. T. Coleridge
c P. B. Shelley
d A. C. Swinbume
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) W. Wordsworth কেন সঠিক: এই বিখ্যাত লাইনটি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা 'মাই হার্ট লিপস আপ' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে শৈশবের স্বভাব ও অভিজ্ঞতা দিয়েই মানুষের ভবিষ্যৎ চরিত্র গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং সত্য। B) S. T. Coleridge — ইনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই কবিতাটি তাঁর লেখা নয়। C) P. B. Shelley — ইনি ওয়ার্ডসওয়ার্থের সমসাময়িক হলেও এই পংক্তিটি তাঁর কবিতার অংশ নয়। D) A. C. Swinbume — ইনি পরবর্তী যুগের কবি এবং এই বিখ্যাত লাইনটির সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থের প্রকৃতিভিত্তিক কবিতার কথা মনে রাখলেই এই লাইনটির উৎস সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a win
b wins
c has won
d won
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) wins কেন সঠিক: বাক্যের সাবজেক্ট Slow and steady একটি প্রবাদ বাক্য হওয়ায় এটি একটি একক বা singular ধারণা প্রকাশ করে। তাই এরপরে singular verb হিসেবে wins ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) win — এটি plural verb হওয়ায় singular সাবজেক্টের সাথে বসে না। B) wins — এটি সঠিক উত্তর। C) has won — প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে present perfect tense ব্যবহার করা হয় না। D) won — এটি past tense হওয়ায় চিরন্তন সত্য বা প্রবাদ বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদ বাক্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সবসময় verb এর present indefinite tense এবং singular রূপ বসে।
a Dante
b Plato
c Aristotle
d Socrates
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Aristotle কেন সঠিক: গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল তাঁর বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ পলিটিক্স এ এই কথাটি বলেছেন। এর মাধ্যমে তিনি বুঝিয়েছেন যে মানুষ স্বভাবগতভাবেই সমাজে দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করতে ভালোবাসে। তিনি মানুষকে সমাজ ও রাষ্ট্রসচেতন এক জীব হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। এই উক্তিটি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ইতিহাসে অত্যন্ত মৌলিক ও প্রাথমিক একটি ধারণা হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dante — দান্তে ছিলেন ইতালির মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত কবি যিনি ডিভাইন কমেডি রচনা করেছিলেন। B) Plato — প্লেটো ছিলেন অ্যারিস্টটলের শিক্ষক যিনি দ্য রিপাবলিক গ্রন্থে আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে আলোচনা করেছেন। C) Aristotle — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। D) Socrates — সক্রেটিস ছিলেন প্লেটোর গুরু যিনি মূলত নৈতিকতা ও প্রশ্ন করার পদ্ধতির জন্য পরিচিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রাজনীতি ও সমাজ নিয়ে প্রথম গভীর চিন্তা করেছিলেন অ্যারিস্টটল, তাই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটলের সাথেই পলিটিক্স শব্দটা মনে রাখবে।
a had
b have
c might
d would
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had কেন সঠিক: বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে যেখানে অতীতের অপূর্ণ সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়। প্রধান ক্লজে could have এর সাথে ভার্বের পিপি রূপ থাকায় শর্তের অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসাতে হয়। তাই এখানে হ্যাড ব্যবহার করে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করা হয়েছে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ালো আমি আরেকটু সতর্ক হলে এটি কাজ করতে পারত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী এখানে হ্যাড বসবে। B) have — এটি বর্তমানকাল নির্দেশ করে যা অতীতের থার্ড কন্ডিশনাল গঠনের সাথে সম্পূর্ণ বেমানান। C) might — এটি মোডাল ভার্ব হওয়ায় অক্সিলারি ভার্ব হিসেবে এখানে সরাসরি বসতে পারে না। D) would — এটি বসালে বাক্যটিতে ডাবল মডালের ভুল তৈরি হয় যা ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ নয়। মনে রাখার টিপস: মূল ক্লজে could have থাকলে পরের অংশে সবসময় had বসিয়ে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স করতে হয়।
a Yesterday, he has gone home
b Yesterday, he did gone home
c Yesterday, he had gone home
d Yesterday, he went home
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Yesterday, he went home কেন সঠিক: বাক্যে Yesterday থাকলে সেটি অতীত নির্দেশ করে, তাই মূল verb এর Past form বসে। এখানে go এর Past form went ব্যবহার করা হয়েছে যা grammatically সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yesterday, he has gone home — বাক্যে Yesterday থাকার কারণে Present Perfect tense ব্যবহার করা ভুল। B) Yesterday, he did gone home — Past Indefinite tense এ did এর পর verb এর base form বসে কিন্তু এখানে gone আছে। C) Yesterday, he had gone home — নির্দিষ্ট কোনো আগের ঘটনা না বোঝালে সাধারণ অতীতে Past Perfect tense হয় না। D) Yesterday, he went home — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Yesterday, Ago, Last থাকলে সর্বদা Past Indefinite tense ব্যবহার করতে হয়।
a E. M. Forster
b Rudyard Kipling
c Galls Worthy
d A. H. Auden
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) E. M. Forster কেন সঠিক: ১৯২৪ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত এই উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ই এম ফরস্টার। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময় ভারত ও ব্রিটিশদের মধ্যকার জটিল সম্পর্ক এই উপন্যাসের মূল বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) E. M. Forster — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনিই এই উপন্যাসের লেখক। B) Rudyard Kipling — ইনি 'দ্য জঙ্গল বুক' উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। C) Galls Worthy — ইনি মূলত 'জাস্টিস' ও 'দ্য ম্যান অব প্রপার্টি' নাটকের জন্য বিখ্যাত। D) A. H. Auden — ইনি একজন খ্যাতিমান আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক। মনে রাখার টিপস: ই এম ফরস্টারের নামের সাথে ইন্ডিয়া শব্দটি মনে রাখলে উত্তর সহজে বলা যায়।
a W. B. Yeats
b Robert Frost
c John Keats
d Rudyard Kipling
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) W. B. Yeats কেন সঠিক: কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের কাজটি করেছেন বিখ্যাত আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস। ১৯১২ সালে প্রকাশিত এই ইংরেজি অনুবাদের জন্যই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Robert Frost — তিনি একজন বিখ্যাত মার্কিন কবি ছিলেন যিনি গীতাঞ্জলি অনুবাদের সাথে কোনোভাবেই যুক্ত ছিলেন না। C) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের একজন ব্রিটিশ কবি ছিলেন যিনি রবীন্দ্রনাথের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন। D) Rudyard Kipling — তিনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি হলেও গীতাঞ্জলি অনুবাদ করেননি। মনে রাখার টিপস: গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদক W. B. Yeats এর নাম মনে রাখতে ইয়েটস ও নোবেল পুরস্কার কথাটি একসাথে মনে রাখবে।
a defame
b abuse
c respect
d accuse
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) respect কেন সঠিক: Venerate শব্দটির বাংলা অর্থ হলো শ্রদ্ধা করা বা সম্মান প্রদর্শন করা। অপশন সি-তে থাকা respect শব্দটির অর্থও শ্রদ্ধা করা বা সম্মান করা। তাই অর্থের দিক থেকে এটি মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) defame — এই শব্দটির অর্থ হলো কারো সুনাম নষ্ট করা বা কলঙ্কিত করা, যা মূল শব্দের বিপরীত। B) abuse — এই শব্দটির অর্থ হলো গালাগালি করা বা অপব্যবহার করা, যা ভenerate শব্দের সাথে মেলে না। C) respect — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) accuse — এই শব্দটির অর্থ হলো কাউকে অভিযুক্ত করা বা দোষী সাব্যস্ত করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Venerate শব্দটিতে ভener (ভক্তি) বা শ্রদ্ধা ভাব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে এর অর্থ সম্মান করা।
a in
b with
c against
d to
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: কোনো অ্যাকাউন্টে টাকা জমা বা ক্রেডিট করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় to ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের দিকে বা অ্যাকাউন্টের সাথে অর্থের স্থানান্তর বোঝাতে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — অ্যাকাউন্টের ভেতরে অর্থ জমা বোঝাতে in preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) with — অ্যাকাউন্টের সাথে অর্থ জমা বোঝাতে with ব্যবহার করা যায় না কারণ এটি সঠিক preposition নয়। C) against — বিরুদ্ধ বা বিপক্ষে অর্থ প্রকাশ করায় এটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমার ক্ষেত্রে বসে না। D) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: টাকা বা ক্রেডিট সবসময় নির্দিষ্ট কোনো অ্যাকাউন্টের দিকে জমা হয়, তাই সবসময় to preposition ব্যবহার করবে।
a to repeat
b to start
c to get rid of
d to drive off
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to get rid of কেন সঠিক: ‘To do away with’ একটিPhrase যার অর্থ কোনো কিছু চিরতরে বর্জন করা বা মুক্তি পাওয়া। ‘To get rid of’ ফ্রেজটির অর্থও ঠিক একই রকম অর্থাৎ কোনো ঝামেলা বা অপছন্দের জিনিস থেকে মুক্তি পাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to repeat — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো কিছু পুনরাবৃত্তি করা, যা মূল ফ্রেজের অর্থের সাথে মিলে না। B) to start — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ নতুন কিছু শুরু করা, যা মূল ফ্রেজের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) to get rid of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই। D) to drive off — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কাউকে তাড়িয়ে দেওয়া বা গাড়ি চালিয়ে চলে যাওয়া। মনে রাখার টিপস: ‘Away with’ কথাটির মাধ্যমে সাধারণত কোনো কিছু দূরে সরিয়ে দেওয়া বা বাদ দেওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়।
a Charles Dickens
b W. B. Yeats
c James Joyce
d Jane Austen
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) W. B. Yeats কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটস মূলতঃ একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন যিনি বিংশ শতাব্দীর সাহিত্য অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি তার জীবনের পুরো সময়ে কবিতা ও নাটক লিখলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি ডেভিড কপারফিল্ড এবং অলিভার টুইস্টের মতো বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন। B) W. B. Yeats — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি বরং কবিতা ও নাটক রচনার জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। C) James Joyce — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী ধারার একজন বিশ্বখ্যাত আইরিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন। D) Jane Austen — তিনি অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: ইয়েটস মানেই কবিতা ও নাটক, তাই ঔপন্যাসিকদের ভিড়ে তিনি ব্যতিক্রম।
a Paper is made of wood
b Paper is made from wood
c Paper is made by wood
d Paper is made on wood
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Paper is made from wood কেন সঠিক: কোনো বস্তুর উপাদান যদি প্রক্রিয়াজাতকরণের পর সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং মূল উপাদানটি চেনা না যায়, তখন made from ব্যবহৃত হয়। এখানে কাঠ থেকে কাগজ তৈরি হয় এবং কাগজের মধ্যে কাঠকে আর আলাদাভাবে চেনা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper is made of wood — উপাদান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে of ব্যবহার করা ভুল, কারণ of বসে যখন উপাদান সহজে চেনা যায়। B) Paper is made from wood — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী from ব্যবহৃত হয়েছে। C) Paper is made by wood — এখানে by preposition ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল, কারণ by সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা কর্তাকে বোঝাতে বসে। D) Paper is made on wood — এখানে on preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ এটি কোনো স্থান বা উপরে থাকা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: পরিবর্তন বোঝালে from আর অপরিবর্তিত থাকলে of বসে।
a on my going
b is to go
c over going
d to go
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on my going কেন সঠিক: insist শব্দের পর সাধারণত preposition হিসেবে on বসে। এছাড়া on একটি preposition হওয়ায় এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয় এবং তার আগে possessive pronoun বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on my going — এটি সঠিক উত্তর। B) is to go — insist এর পর সরাসরি infinitive বসে না এবং বাক্যের গঠন এখানে ভুল। C) over going — insist এর সাথে over preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) to go — insist এর পর to বসে না এবং gerund এর নিয়ম এখানে মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: insist শব্দের পরে সবসময় on বসে এবং on এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a Victorian
b Elizabethan
c Romantic
d Modern
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Victorian কেন সঠিক: উপন্যাসটির লেখক চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক ছিলেন। এই যুগেই উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এতে তৎকালীন সমাজের বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে। এটি মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের সামাজিক উপন্যাস। চার্লস ডিকেন্সের লেখা মানেই ভিক্টোরিয়ান সাহিত্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Victorian — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Elizabethan — এই যুগে মূলত নাটক ও কবিতা বেশি রচিত হতো, উপন্যাস তখন জনপ্রিয় ছিল না। C) Romantic — রোমান্টিক যুগে উপন্যাসের চেয়ে কবিতা ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক সাহিত্য চর্চা বেশি হতো। D) Modern — মডার্ন যুগ শুরু হয়েছে বিশ শতকে, কিন্তু এই উপন্যাসটি উনবিংশ শতকের লেখা। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্স মানেই ভিক্টোরিয়ান যুগ।
a William Wordsworth
b Thomas Gray
c John Keats
d W. B. Yeats
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Thomas Gray কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত কবিতাটি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রখ্যাত ইংরেজি কবি থমাস গ্রে-র রচনা। - এটি গ্রেভইয়ার্ড পোয়েট্রি ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো লিরাল ব্যালডস। B) Thomas Gray — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই অমর সৃষ্টি। C) John Keats — তিনি একজন প্রখ্যাত রোমান্টিক কবি যিনি ওড অন এ গ্রেসিয়ান আর্ন রচনা করেছেন। D) W. B. Yeats — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের আইরিশ কবি এবং নাট্যকার। মনে রাখার টিপস: চার্চইয়ার্ড বা কবরস্থানের শোকগাথা মনে রাখতে গ্রে (Gray) শব্দটির সাথে বিষণ্ণতার আবহ মিলিয়ে নিন।
a at
b in
c of
d after
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড শব্দের পরে অ্যাড প্রিপজিশন বসে। গণিতে জন স্মিথের দক্ষতার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে অ্যাড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সঠিক উত্তর এবং দক্ষতাসূচক অর্থে এটিই নিয়মমাফিক ব্যবহৃত হয়। B) in — গুড শব্দের পরে ইন প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) of — গুড শব্দের পরে অফ প্রিপজিশন ব্যবহার করলে অর্থের কোনো মিল থাকে না। D) after — গুড শব্দের পরে আফটার বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শী বোঝাতে গুড এর পরে সবসময় অ্যাড প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a tragedy
b comedy
c tragi-comedy
d melodrama
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comedy কেন সঠিক: শেক্সপিয়ারের এই নাটকে শুরুতে বেশ কিছু গুরুতর ও জটিল সংকট তৈরি হলেও, গল্পের শেষ ভাগে এসে সব সমস্যার চমৎকার সমাধান ঘটে। নাটকের চরিত্রগুলোর ভাগ্যের ইতিবাচক পরিবর্তন এবং শেষ পর্যন্ত সবার মিলন ঘটার কারণে এটি মূলত একটি কমেডি হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tragedy — এই নাটকে কোনো প্রধান চরিত্রের মৃত্যু বা চরম ট্র্যাজেডি ঘটে না, তাই এটি ট্র্যাজেডি নয়। B) comedy — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি শেষ পর্যন্ত সুখের সমাপ্তি বা মিলনান্তক রূপ নেয়। C) tragi-comedy — যদিও শুরুতে গম্ভীর ভাব থাকে, তবে এর মূল কাঠামো ও সমাপ্তি প্রথাগত কমেডির নিয়ম অনুসরণ করে। D) melodrama — এর ভেতরের গভীর মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব একে মেলোড্রামা বা অতি-নাটকীয়তার স্তর থেকে অনেক উঁচুতে রাখে। মনে রাখার টিপস: শেপ্সপিয়রের নাটকটি দেখতে গম্ভীর মনে হলেও এর শেষটা হাসিখুশি ও মিলনান্তক, তাই একে কমেডি মনে রাখবে।
a moves
b moved
c has moved
d will be moving
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) moves কেন সঠিক: বাক্যটির ভেতরের অংশ একটি চিরন্তন সত্য বা সার্বজনীন সত্য প্রকাশ করছে। তাই মূলবাক্যটি পাস্ট টেন্সে থাকলেও ভে터রের অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) moved — এটি পাস্ট টেন্স হওয়ায় চিরন্তন সত্যের জন্য এটি ব্যবহার করা যায় না। C) has moved — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স প্রকাশ করে যা সার্বজনীন সত্যের সাথে যায় না। D) will be moving — এটি ভবিষ্যৎ চলমান কাল নির্দেশ করায় সঠিক নিয়ম ভঙ্গ করে। মনে রাখার টিপস: নিরেট সত্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করতে হয়।
a Preface to Shakespeare
b Preface to Lyrical Ballads
c Preface to Ancient Mariners
d Preface to Dr. Johnson
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Preface to Lyrical Ballads কেন সঠিক: ১৮০০ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থের মাধ্যমেই ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক যুগের সূচনা ঘটেছিল। উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও এস টি কোলরিজ এই বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন। প্রথাগত ও কৃত্রিম ভাষার পরিবর্তে সহজ ও সাধারণ মানুষের ভাষা ব্যবহারের পক্ষে মত দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Preface to Shakespeare — এটি স্যামুয়েল জনসন রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্য সমালোচনা গ্রন্থ। B) Preface to Lyrical Ballads — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Preface to Ancient Mariners — এই নামে কোনো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম বা ভূমিকা নেই। D) Preface to Dr. Johnson — এটি স্যামুয়েল জনসন সম্পর্কিত অন্য কোনো গ্রন্থ নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের শুরু মনে রাখতে লিরিক্যাল ব্যালাডস এবং ওয়ার্ডসওয়ার্থের নাম একসঙ্গে মনে রাখবে।
a Morphology
b Etymology
c Syntax
d Semantics
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Syntax কেন সঠিক: ব্যাকরণের যে শাখায় শব্দের সঠিক বিন্যাস ও বাক্য গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে সিনট্যাক্স বলে। এটি বাক্যে পদের যথাযথ অবস্থান নির্ধারণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morphology — এটি শব্দের গঠন ও রূপমূল নিয়ে আলোচনা করে, বাক্য গঠন নিয়ে নয়। B) Etymology — এটি শব্দের উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে কাজ করে, বাক্য তৈরি শেখায় না। C) Syntax — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে। D) Semantics — এটি শব্দ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে কাজ করে, গঠন প্রণালী নিয়ে নয়। মনে রাখার টিপস: সিনট্যাক্স মানেই হলো বাক্যে শব্দের সঠিক সাজ বা মিলবন্ধন।
a Vanity Fair
b The Return of the Native
c Pride and Prejudice
d Oliver Twist
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Return of the Native কেন সঠিক: 1. 'The Return of the Native' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান ঔপন্যাসিক ও কবি থমাস হার্ডি। 2. এই উপন্যাসের পটভূমি হলো কাল্পনিক ওয়েসেক্স অঞ্চল, যা থমাস হার্ডির সাহিত্যকর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য। 3. এটি থমাস হার্ডির অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি উপন্যাস হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vanity Fair — এটি উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। B) The Return of the Native — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Pride and Prejudice — এটি জেন অস্টেন রচিত একটি জনপ্রিয় ক্লাসিক উপন্যাস। D) Oliver Twist — এটি চার্লস ডিকেন্স রচিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: থমাস হার্ডির উপন্যাস মনে রাখতে 'ওয়েসেক্স' (Wessex) শব্দটির কথা মাথায় রাখবে, কারণ তার প্রায় সব বিখ্যাত উপন্যাস এই কাল্পনিক অঞ্চলের ওপর ভিত্তি করে লেখা।
a in
b of
c after
d by
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: এখানে 'of repute' একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ যার অর্থ খ্যাতি, যার দ্বারা কোনো বিখ্যাত বা জ্ঞানী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়। অধ্যাপক রাজ্জাক একজন প্রখ্যাত পণ্ডিত ছিলেন বোঝাতে এই নির্দিষ্ট প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই শূন্যস্থানে অন্য কোনো প্রিপজিশন না বসে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী of বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি কোনো ক্ষেত্রের ভেতরে অবস্থান বা ভাষা বোঝাতে বসে, তাই এখানে তা বসবে না। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই। C) after — এটি পরে বা কোনো নামানুসারে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। D) by — এটি কোনো ব্যক্তি দ্বারা কাজ সম্পন্ন হওয়া বা মাধ্যম বোঝাতে বসে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বিখ্যাত বা গুণী ব্যক্তি বোঝাতে scholar শব্দের পরে সাধারণত of repute ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
a saving lives
b timely action
c saving time
d time tailoring
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) timely action কেন সঠিক: - এই প্রবাদের মূল অর্থ হলো সঠিক সময়ে সামান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ক্ষতি বা বিপর্যয় এড়ানো যায়। - ইংরেজি প্রবাদটির ভাবার্থ সময়মতো কাজের গুরুত্ব এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) saving lives — এটি জীবন বাঁচানোর কথা বলে, যা এই প্রবাদের রূপক বা আলংকারিক অর্থের সাথে সরাসরি মিলে না। B) timely action — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রবাদটি সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্বকে তুলে ধরে। C) saving time — এটি কেবল সময় বাঁচানোর কথা বলে, যা কাজের গুণগত বা সময়োপযোগী পদক্ষেপের চেয়ে সংকীর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। D) time tailoring — এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও অপ্রাসঙ্গিক শব্দগুচ্ছ যা কোনো প্রচলিত অর্থ বহন করে না। মনে রাখার টিপস: সেলাইয়ের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে একটি সেলাই বা ফোঁড় দিলে যেমন বড় ছিঁড়ে যাওয়া আটকানো যায়, তেমনি বাস্তব জীবনেও সময়মতো পদক্ষেপ নিলে বড় বিপদ এড়ানো যায়।
a Christopher Marlowe
b John Webstar
c W. Shakespeare
d T. S. Eliot
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) W. Shakespeare কেন সঠিক: উক্তিটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্রাজেডি হ্যামলেট থেকে নেওয়া হয়েছে। নাটকের প্রধান চরিত্র রাজকুমার হ্যামলেট তার মায়ের আচরণের প্রেক্ষিতে এই বিখ্যাত মন্তব্য করেছিলেন। এটি শেক্সপিয়ারের নাটকের একটি বহুল ব্যবহৃত ও পরিচিত সংলাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই সংলাপটি তার কোনো নাটকের নয়। B) John Webster — তিনি জ্যাকবিয়ান যুগের একজন নাট্যকার এবং তার রচনার সাথে এই সংলাপের কোনো মিল নেই। C) W. Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) T. S. Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক এবং এই নাটকের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটক এবং নারী চরিত্র ও দুর্বলতা সম্পর্কিত বিখ্যাত সংলাপটি মনে রাখলেই শেক্সপিয়ার নামটির কথা সহজে মনে আসবে।
a W. H. Auden
b W. Wordsworth
c W. B. Yeats
d Ezra Pound
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) W. Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের একজন মহান কবি। তিনি প্রকৃতিপ্রেমী কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হলো এই সলিটারি রিপার কবিতাটি। এটি স্কটিশ উচ্চভূমির এক তরুণীর ধান কাটার গান নিয়ে লেখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W. H. Auden — তিনি বিশ শতকের আধুনিক যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। B) W. Wordsworth — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক নয়। C) W. B. Yeats — তিনি বিংশ শতাব্দীর আইরিশ সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও নাট্যকার ছিলেন। D) Ezra Pound — তিনি আধুনিকতাবাদী কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার ও সমালোচক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ মানেই প্রকৃতি আর সলিটারি রিপার হলো প্রকৃতির মাঝে একা গান গাওয়া এক তরুণীর গল্প।
a a Jew
b a Moor
c a Roman
d a Turk
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a Jew কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস এর কেন্দ্রীয় চরিত্র শাইলক একজন ইহুদি বা জিউ। - এই নাটকে শাইলক ও খ্রিস্টান বণিক এন্টোনিওর মধ্যকার দ্বন্দ্ব এবং সুদের ব্যবসার ওপর ভিত্তি করে মূল কাহিনি এগিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a Jew — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকের প্রধান চরিত্র শাইলক একজন ইহুদি মহাজন ছিলেন। B) a Moor — এই অপশনটি ভুল কারণ ওথেলো নাটকের প্রধান চরিত্র ওথেলো একজন মুর ছিলেন, দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস নাটকে মুর চরিত্রের প্রধান ভূমিকা নেই। C) a Roman — এই অপশনটি ভুল কারণ জুলিয়াস সিজার বা অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নাটকগুলো রোমান প্রেক্ষাপটে রচিত, দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস নয়। D) a Turk — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো তুর্কি জাতির ওপর রচিত নাটক নয়, এর মূল প্রেক্ষাপট ইতালির ভেনিস ও বেলমন্ট। মনে রাখার টিপস: ভেনিসের মার্চেন্ট নাটকের কথা মনে এলেই শাইলক চরিত্রটি এবং তার ইহুদি পরিচয়টি মনে রাখবে।
a apathy
b indolence
c enterprise
d activity
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) apathy কেন সঠিক: initiative শব্দের অর্থ হলো উদ্যোগ বা কাজের স্পৃহা। এর বিপরীত শব্দ হলো অনীহা বা উদাসীনতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apathy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদাসীনতা, যা উদ্যোগের বিপরীত। B) indolence — এর অর্থ অলসতা, যা মূল শব্দের খুব কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে না। C) enterprise — এর অর্থ উদ্যোগ, যা মূল শব্দের সমার্থক শব্দ। D) activity — এর অর্থ সক্রিয়তা, যা উদ্যোগ শব্দের বিপরীত নয় বরং সমার্থক। মনে রাখার টিপস: উদ্যোগ এর ইংরেজি initiative এবং এর বিপরীত শব্দ apathy মনে রাখতে অনীহা শব্দটি মাথায় রাখুন।
a James Joyce
b Shakespeare
c G. B. Shaw
d Arthur Miller
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) G. B. Shaw কেন সঠিক: ক্যান্ডিডা নাটকটি বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ এর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক। এটি ১৮৯৪ সালে রচিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯০৪ সালে লন্ডনে মঞ্চস্থ হয়। নাটকটিতে মূলত প্রেম, বিবাহ এবং আদর্শবাদ নিয়ে চমৎকার আলোচনা করা হয়েছে। এই সাহিত্যকর্মটির মাধ্যমে লেখক তার নাট্য প্রতিভার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) James Joyce — জেমস জয়েস একজন বিখ্যাত আইরিশ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যিনি কোনো নাটক লেখেননি। B) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র এলিজাবেথীয় যুগের নাট্যকার ছিলেন যিনি ক্যান্ডিডা রচনা করেননি। C) G. B. Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Arthur Miller — আর্থার মিলার একজন আমেরিকান নাট্যকার ছিলেন যিনি ক্যান্ডিডার রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ক্যান্ডিডা নামের বিখ্যাত নাটকটির লেখক মনে রাখতে বার্নার্ড শ এর নাম এবং নাটকটির প্রথম অক্ষর সি একসাথে মনে রাখতে পারো।
a A. Tennyson
b Alexander Pope
c John Dryden
d S. T. Coleridge
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) S. T. Coleridge কেন সঠিক: - স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ ইংরেজ সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের একজন প্রধান কবি ও সমালোচক। - উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের সাথে যৌথভাবে রোমান্টিক যুগের সূচনা ঘটে তার কালজয়ী সৃষ্টি লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A. Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ কবি, রোমান্টিক যুগের নন। B) Alexander Pope — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর অগাস্টান বা নিওক্লাসিক্যাল যুগের কবি। সি) C. John Dryden — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর নিওক্লাসিক্যাল বা রিস্টোরেশন যুগের লেখক। D) S. T. Coleridge — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগের কবিদের মনে রাখতে ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও কোলরিজের লিರಿಕ্যাল ব্যালাডস প্রকাশের সালটি মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (24)

a (7,4)
b (9,6)
c (10,7)
d (11,8)
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (১১,৮) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x² + y² = ১৮৫ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x − y = ৩ ধরি, অপশন ডি থেকে x এর মান ১১ এবং y এর মান ৮ নিলাম অতএব, প্রথম সমীকরণের বামপক্ষ = ১১² + ৮² মান বসালে পাই = ১২১ + ৬৪ যোগ করলে পাই = ১৮৫, যা প্রথম সমীকরণের ডানপক্ষের সমান সুতরাং, দ্বিতীয় সমীকরণের বামপক্ষ = ১১ − ৮ বিয়োগ করলে পাই = ৩, যা দ্বিতীয় সমীকরণের ডানপক্ষের সমান উত্তর: (১১,৮)
a ২
b ৪
c ১৫
d ১২
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি দুটি আলাদা ধারার সমন্বয়ে গঠিত বিজোড় পদগুলো প্রথম ধারা এবং জোড় পদগুলো দ্বিতীয় ধারা ধরি, প্রথম ধারাটি হলো ৩, ৯, ২৭, ৮১, ২৪৩ দ্বিতীয় ধারাটি হলো ১০, ৮, ৬, ৪, প্রশ্নবোধক চিহ্ন অতএব, প্রথম ধারার প্রতিটি সংখ্যাকে তিন দ্বারা গুণ করা হয়েছে যেমন: ৩ × ৩ = ৯, ৯ × ৩ = ২৭, ২৭ × ৩ = ৮১, ৮১ × ৩ = ২৪৩ সুতরাং, দ্বিতীয় ধারার সংখ্যাগুলো দুই করে কমে যাচ্ছে যেমন: ১০ থেকে দুই বাদ দিলে আট, আট থেকে দুই বাদ দিলে ছয়, ছয় থেকে দুই বাদ দিলে চার, চার থেকে দুই বাদ দিলে দুই উত্তর: ২
a ২০০
b ৪০০
c ৩৪৫
d ৩০০
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০০ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো দুই কাঙ্ক্ষিত সংখ্যাটি হলো আট ধরি, দুই এর ক শতাংশ সমান আট অতএব, দুই গুণ ক ভাগ একশত সমান আট সুতরাং, দুই গুণ ক সমান আট গুণ একশত অতএব, দুই গুণ ক সমান আটশত সুতরাং, ক সমান আটশত ভাগ দুই উত্তর: চারশত
a ৪
b ৭
c ৮
d ছেদ করে না
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছেদ করে না প্রদত্ত তথ্য: দুটি সরলরেখা পরস্পর সমান্তরাল সরলরেখা দুটির মধ্যবর্তী দূরত্ব সর্বদা সমান ধরি, প্রথম রেখাটি হলো ক দ্বিতীয় রেখাটি হলো খ অতএব, রেখা দুটি কখনো একে অপরের কাছাকাছি আসে না রেখা দুটি কখনো একে অপরের দূরে যায় না সুতরাং, এদের কোনো সাধারণ বিন্দু থাকে না উত্তর: ছেদ করে না
a ৬
b ৭
c ২৮
d ২৯
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো তিন, সাত, চার, চৌদ্দ, পাঁচ, একাত্তর, ছয় ধরি, ধারাটি আসলে দুটি আলাদা ধারার মিশ্রণ একটি ধারা বিজোড় অবস্থানগুলোর জন্য অতএব, প্রথম ধারাটি হলো তিন, চার, পাঁচ, ছয় এটি প্রতি ধাপে এক করে বাড়ছে দ্বিতীয় ধারাটি হলো সাত, চৌদ্দ, একাত্তর এটি প্রতি ধাপে সাত করে বাড়ছে সুতরাং, অষ্টম সংখ্যাটি দ্বিতীয় ধারার চতুর্থ পদ হবে যা চৌদ্দ ও সাত যোগ করে একাত্তর হবে উত্তর: ২৮
a 3.85
b 3.75
c 3.95
d 3.65
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩.৯৫ প্রদত্ত তথ্য: বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে ১৫.৬০২৫ এর ধরি, উত্তর হতে পারে ৩.৮৫ অথবা ৩.৯৫ এর কাছাকাছি কোনো সংখ্যা অতএব, ৩.৯৫ কে ৩.৯৫ দ্বারা গুণ করলে শেষ অঙ্ক ৫ গুণ ৫ অর্থাৎ ২৫ হয় সুতরাং, ৩.৯৫ × ৩.৯৫ হিসাব করলে ১৫.৬০২৫ পাওয়া যায় উত্তর: ৩.৯৫
a H
b S
c F
d J
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) H প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি বর্ণমালার ধারাবাহিক অবস্থান ১৮তম ১৮তম অক্ষরের বামদিকের অবস্থান নির্ণয় করতে হবে ধরি, ইংরেজি বর্ণমালার ১৮তম অক্ষরটি হলো R বামদিক বলতে পেছনের দিকে গণনা করতে হবে অতএব, R এর অবস্থান হলো ১৮ বামদিকে ১০ম অক্ষর বের করতে হবে ১৮ থেকে ১০ বিয়োগ করে সুতরাং, ১৮ − ১০ = ৮ ইংরেজি বর্ণমালার অষ্টম অক্ষরটি হলো H উত্তর: H
a ১৮
b ১৯
c ২০
d ২১
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯ প্রদত্ত তথ্য: ৫ + ৩ = ২৮ ৯ + ১ = ৮১০ ২ + ১ = ১৩ ধরি, প্রথম সংখ্যা এবং দ্বিতীয় সংখ্যার বিয়োগফল হলো প্রথম অংশ প্রথম সংখ্যা এবং দ্বিতীয় সংখ্যার যোগফল হলো দ্বিতীয় অংশ অতএব, ৫ থেকে ৩ বাদ দিলে থাকে ২ এবং ৫ এর সাথে ৩ যোগ করলে হয় ৮, মিলে হলো ২৮ ৯ থেকে ১ বাদ দিলে থাকে ৮ এবং ৯ এর সাথে ১ যোগ করলে হয় ১০, মিলে হলো ৮১০ ২ থেকে ১ বাদ দিলে থাকে ১ এবং ২ এর সাথে ১ যোগ করলে হয় ৩, মিলে হলো ১৩ সুতরাং, ৫ থেকে ৪ বাদ দিলে থাকে ১ এবং ৫ এর সাথে ৪ যোগ করলে হয় ৯ উত্তর: ১৯
a L10
b L15
c K15
d K8
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) K8 প্রদত্ত তথ্য: পদগুলো হলো A২, c৪, E৬ / G৩, I৫, ? / M৫, O৯, Q১৪ ধরি, প্রতিটি পদের ইংরেজি বর্ণ এবং সংখ্যাগুলো আলাদা নিয়ম মেনে চলে অতএব, প্রথম অংশের বর্ণগুলো হলো A, c, E এবং দ্বিতীয় অংশের বর্ণগুলো হলো G, I, পরবর্তী বর্ণটি হবে K সুতরাং, সংখ্যাগুলোর বিন্যাস লক্ষ করলে দেখা যায় প্রথম ভাগে ২, ৪, ৬ এবং দ্বিতীয় ভাগে ৩, ৫, এবং পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৮ উত্তর: K৮
a ৯৬১
b ৮৬১
c ৭৬১
d ৬৬১
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৬১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ———— + ৮১ এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ = ১ এবং সাধারণ অন্তর = ৪ ধরি, ধারাটির শেষ পদ = ৮১ পদসংখ্যা = n অতএব, শেষ পদ = প্রথম পদ + (n − ১) × সাধারণ অন্তর ৮১ = ১ + (n − ১) × ৪ ৮১ − ১ = (n − ১) × ৪ সুতরাং, ৮০ = (n − ১) × ৪ n − ১ = ২০ n = ২১ উত্তর: সমষ্টি = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × (n ÷ ২) = (১ + ৮১) × (২১ ÷ ২) = ৮২ × ১০.৫ = ৮৬১
a 1
b 2
c 3
d 4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ১ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে x³ − (১ ÷ x³) এর অতএব, ঘন এর অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই x³ − (১ ÷ x³) = (x − (১ ÷ x))³ + ৩ × x × (১ ÷ x) × (x − (১ ÷ x)) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই (১)³ + ৩ × ১ উত্তর: ৪
a 1
b -1
c a – 1
d a + 1
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a − ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিমালা = a − [a − a − (a − (a − ১))] ধরি, ভিতরের প্রথম বন্ধনীর কাজ শুরু করতে হবে অতএব, প্রথম বন্ধনীর ভেতরের অংশ = a − a + ১ = ১ সুতরাং, রাশিমালাটি ছোট করে পাই = a − [a − a − ১] দ্বিতীয় বন্ধনীর কাজ করে পাই, a − ১ তৃতীয় বন্ধনীর কাজ করে পাই, a − (a − ১) উত্তর: a − ১
a 8
b 7
c 6
d 3
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর উপাদানগুলো মৌলিক সংখ্যা এবং পাঁচ এর সমান অথবা ছোট ধরি, প্রথম মৌলিক সংখ্যা দুই দ্বিতীয় মৌলিক সংখ্যা তিন তৃতীয় মৌলিক সংখ্যা পাঁচ অতএব, সেট এ এর উপাদানগুলো হলো দুই, তিন এবং পাঁচ এখানে সেট এ এর মোট সদস্য সংখ্যা তিন সুতরাং, শক্তি সেট বা পি এ এর সদস্য সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র দুই এর ওপর পাওয়ার তিন উত্তর: ৮
a সমকোণী
b স্থুলকোণী
c সমদ্বিবাহু
d সমবাহু
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমদ্বিবাহু প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৪০° ত্রিভুজ ABC এর কোণ B = ৭০° ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° প্রথম কোণ = ৪০° দ্বিতীয় কোণ = ৭০° অতএব, তৃতীয় কোণ অর্থাৎ কোণ C = ১৮০° − (৪০° + ৭০°) কোণ C = ১৮০° − ১১০° কোণ C = ৭০° সুতরাং, ত্রিভুজটির দুটি কোণ পরস্পর সমান অর্থাৎ কোণ B এবং কোণ C উভয়ই ৭০° উত্তর: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
a 24
b 8
c 16
d 32
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ৪√২ একক অতএব, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু) × (বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (৪√২) × (৪√২) উত্তর: ১৬ বর্গ একক
a 68°
b 34°
c 45°
d 39°
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তে অন্তর্লিখিত ত্রিভুজ ABC এবং বৃত্তের কেন্দ্র O কেন্দ্রস্থ কোণ y = ১১২° এবং পরিধিস্থ কোণ x ধরি, কোণ y হলো এসি চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ কোণ x হলো এসি চাপের ওপর দণ্ডায়মান পরিধিস্থ কোণ অতএব, কেন্দ্রস্থ কোণ পরিধিস্থ কোণের দ্বিগুণ হয় তাই কোণ y = ২ × কোণ x সুতরাং, ১১২° = ২ × কোণ x কোণ x = ১১২° ÷ ২ উত্তর: ৩৪°
a 0
b 1
c -1
d 4
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (২৫)পাওয়ার (২ক + ৩) = ৫পাওয়ার (৩ক + ৬) ধরি, ২৫ কে ৫ এর বর্গ হিসেবে লেখা যায় অতএব, ৫ এর ওপর পাওয়ার (২ গুণ (২ক + ৩)) = ৫পাওয়ার (৩ক + ৬) সুতরাং, ৪ক + ৬ = ৩ক + ৬ উত্তর: ক = ০
a 4
b 273
c 8
d 18
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং যার মান বের করতে হবে তা হলো ৮১ ধরি, লগ এর মান হলো ক তাই লেখা যায় √৩ এর ওপর পাওয়ার ক সমান ৮১ অতএব, √৩ কে লেখা যায় ৩ এর ওপর পাওয়ার ১ ÷ ২ তাহলে ৩ এর ওপর পাওয়ার (ক ÷ ২) সমান ৮১ এখন ৮১ কে ভাঙালে পাওয়া যায় ৩ এর ওপর পাওয়ার ৪ তাই ৩ এর ওপর পাওয়ার (ক ÷ ২) সমান ৩ এর ওপর পাওয়ার ৪ সুতরাং, উভয় পাশ থেকে ভিত্তি বাদ দিলে পাওয়া যায় ক ÷ ২ সমান ৪ অতএব ক সমান ৪ × ২ সমান ৮ উত্তর: ৮
a x(x – 1)
b x(x + 1)/2
c x(x + 1)
d x2
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x^২ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি একটি বিজোড় সংখ্যার ধারা শেষ পদটি হলো (২x − ১) ধরি, ধারাটির প্রথম পদ a = ১ সাধারণ অন্তর d = ৩ − ১ = ২ অতএব, ধরি পদসংখ্যা হলো n n তম পদ = a + (n − ১)d = (২x − ১) দ্বিতীয় হিসাব: ১ + (n − ১)২ = ২x − ১ ২n − ২ = ২x − ২ তৃতীয় হিসাব: ২n = ২x n = x সুতরাং, সমষ্টির সূত্র অনুযায়ী, sn = (n ÷ ২) × [২a + (n − ১)d] সমষ্টি = (x ÷ ২) × [২(১) + (x − ১)২] উত্তর: x^২
a ২৬০
b ৭৮০
c ১৩০
d ৪৯০
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার গুণফল = ৩৩৮০ সংখ্যা দুটির গসাগু = ১৩ ধরি, সংখ্যা দুটি এবং তাদের লসাগু জানা আছে আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = (সংখ্যা দুটির লসাগু × সংখ্যা দুটির গসাগু) অতএব, লসাগু × ১৩ = ৩৩৮০ সুতরাং, লসাগু = ৩৩৮০ ÷ ১৩ = ২৬০ উত্তর: ২৬০
a ১৬%
b ২০%
c ২৫%
d ২৪%
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০% প্রদত্ত তথ্য: তেলের মূল্য বৃদ্ধি পায় = ২৫% ধরি, পূর্বে ১০০ টাকার তেল কেনা হতো এবং তেলের পূর্বের মূল্য ছিল ১০০ টাকা অতএব, তেলের বর্তমান মূল্য হলো = ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার তেল কিনতে এখন খরচ করতে হবে = ১২৫ টাকা উত্তর: ১২৫ টাকায় খরচ কমাতে হবে = ২৫ টাকা অতএব, ১০০ টাকায় খরচ কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ = ২০%
a ১৪ টাকা
b ৪২ টাকা
c ১২ টাকা
d ১০৫ টাকা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রতি কেজি মিষ্টির দাম ৩৫০ টাকা মিষ্টির পরিমাণ ৩ কেজি ভ্যাটের হার ৪% ধরি, মোট মিষ্টির ক্রয়মূল্য = ৩৫০ × ৩ টাকা মোট মিষ্টির ক্রয়মূল্য = ১০৫০ টাকা অতএব, ১০০ টাকার ভ্যাট ৪ টাকা ১ টাকার ভ্যাট ৪ ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ১০৫০ টাকার ভ্যাট = (৪ × ১০৫০) ÷ ১০০ টাকা ১০৫০ টাকার ভ্যাট = ৪২০০ ÷ ১০০ টাকা উত্তর: ৪২ টাকা
a 1
b 45419
c 45329
d 45298
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 45329 প্রদত্ত তথ্য: জুলাই মাসের ২য় সপ্তাহে মোট দিন = ৭ দিন যেদিনগুলোতে বৃষ্টি হয়েছে = ৫ দিন ধরি, মোট সম্ভাব্য দিন বা সমপ্রকৃতির দিন = ৭ দিন বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার অনুকূল দিন = ৭ দিন − ১ দিন = ৬ দিন অতএব, বুধবার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা = ৫ ÷ ৭ বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা = ১ − (৫ ÷ ৭) বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা = (৭ − ৫) ÷ ৭ সুতরাং, বুধবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা = ২ ÷ ৭ এই মানটি অপশনের সাথে তুলনা করে সঠিক মান পাওয়া যায় উত্তর: C) 45329
a 252
b 792
c 224
d 120
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: মোট পুস্তকের সংখ্যা = ১২ বাছাই করতে হবে = ৫টি পুস্তক ধরি, নির্দিষ্ট ২টি পুস্তক সবসময় অন্তর্ভুক্ত থাকবে অতএব, বাকি থাকে ১২ − ২ = ১০টি পুস্তক বাকি ৩টি পুস্তক বাছাই করতে হবে এই ১০টি থেকে সুতরাং, ১০টি থেকে ৩টি বাছাইয়ের উপায় = (১০ × ৯ × ৮) ÷ (৩ × ২ × ১) = ১২০ উত্তর: ১২০

মোট প্রশ্ন (16)

a প্যাথজেনিক
b ইনফেকশন
c টক্সিন
d জীবাণু
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যাথজেনিক ১. কেন সঠিক: - যেসব অণুজীব মানবদেহ বা অন্য জীবে প্রবেশ করে রোগ সৃষ্টি করে, তাদেরকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় প্যাথজেনিক বা রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব বলা হয়। - এই অণুজীবগুলো পোষক দেহের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে এবং স্বাভাবিক জৈবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটিয়ে বিভিন্ন জটিল রোগের জন্ম দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্যাথজেন বা রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু হলো এমন সব জীব বা কণা যা সংক্রামক রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। - কার্যপ্রণালি: এরা পোষক দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং বিষাক্ত পদার্থ উৎপন্ন করে ক্ষতিসাধন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: হাত ধোয়া এবং খাবার ভালোভাবে সেদ্ধ করার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে এই প্যাথজেনিক অণুজীবের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া টাইফয়েড বা কলেরা। ব্যাখ্যা: সালমোনেলা টাইফি নামক প্যাথজেনিক ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করে টাইফয়েড রোগ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: ভাইরাসের কারণে হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সর্দি-কাশি। ব্যাখ্যা: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এক ধরনের প্যাথজেন যা শ্বাসনালীতে আক্রমণ করে রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যাথজেনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। B) ইনফেকশন — এটি কোনো অণুজীব নয়, বরং প্যাথজেনের মাধ্যমে দেহে রোগ সংক্রমণ ঘটার অবস্থাকে ইনফেকশন বা সংক্রমণ বলা হয়। C) টক্সিন — এটি কোনো জীব নয়, বরং কিছু প্যাথজেন বা প্রাণী কর্তৃক উৎপাদিত এক ধরনের ক্ষতিকর বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। D) জীবাণু — এটি একটি সাধারণ বাংলা শব্দ যা সব অণুজীবকে বোঝায়, কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের বৈজ্ঞানিক বিশেষণ হিসেবে প্যাথজেনিক ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্যাথ শব্দটির অর্থ রোগ এবং জেন অর্থ উৎপাদন করা, সুতরাং প্যাথজেন অর্থ যা রোগ উৎপন্ন করে। - রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু মানেই প্যাথজেনিক, এই সহজ সম্পর্কটি মাথায় রাখলেই পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্যাথজেন, টক্সিন এবং ভেক্টরের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত প্যাথজেনিক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে, কিন্তু ভাইরাসের ওপর কাজ করে না।
a স্বীকৃতি
b স্নেহ
c সাফল্য
d উল্লেখিত সবকটি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উল্লেখিত সবকটি ১. কেন সঠিক: শিশুর মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্য স্বীকৃতি, স্নেহ এবং সাফল্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই উপাদানগুলো শিশুর মস্তিষ্কে ডোপামিন ও অক্সিটোসিনের মতো হরমোন নিঃসরণ বাড়ায় যা মানসিক তৃপ্তি ও আত্মবিশ্বাস তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র ও মানসিক স্বাস্থ্য মূলত সামাজিক মিথস্ক্রিয়া এবং ইতিবাচক অনুভূতির ওপর নির্ভরশীল। কার্যপ্রণালি: শৈশবে উপযুক্ত মানসিক পুষ্টি না পেলে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায় যা দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাস অংশের ক্ষতি করে এবং মানসিক অবসাদ তৈরি করে। বাস্তব প্রয়োগ: একটি শিশুর সঠিক মানসিক বৃদ্ধির জন্য তার ভালো কাজের প্রশংসা করা, তাকে ভালোবাসা দেওয়া এবং ছোট ছোট কাজে সফল হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যালয়ে কোনো শিশু ছবি এঁকে শিক্ষক বা পিতামাতার কাছ থেকে বাহবা পেলে তার মধ্যে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: এটি স্বীকৃতির মাধ্যমে শিশুর মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলার একটি বাস্তব উদাহরণ। উদাহরণ ২: সাইকেল চালানো শেখার সময় শিশু যখন প্রথমবার পড়ে না গিয়ে নিজে চলতে পারে, তখন সে এক ধরনের আনন্দ পায়। ব্যাখ্যা: এটি অর্জিত সাফল্য যা শিশুর মনস্তাত্ত্বিক দৃঢ়তা ও সাহস বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বীকৃতি — এটি শিশুর আত্মমর্যাদা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা তৈরিতে অত্যন্ত জরুরি তবে একা শিশুর সব মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণ করতে পারে না। B) স্নেহ — এটি শিশুর মধ্যে নিরাপত্তার বোধ তৈরি করে তবে শুধু স্নেহ পেলেও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি থেকে যেতে পারে যদি সাফল্য বা স্বীকৃতি না থাকে। C) সাফল্য — এটি শিশুর লক্ষ্য অর্জনের ক্ষমতা বাড়ায় তবে উপযুক্ত স্নেহ ও স্বীকৃতি ছাড়া কেবল সাফল্য অনেক সময় মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে। D) উল্লেখিত সবকটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শিশুর পূর্ণাঙ্গ মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্য স্বীকৃতি, স্নেহ এবং সাফল্য তিনটিই সমভাবে প্রয়োজন। ৫ মনে রাখার টিপস: শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এসএসএস সূত্র যেখানে এস মানে স্বীকৃতি, দ্বিতীয় এস মানে স্নেহ এবং তৃতীয় এস মানে সাফল্য। এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে কাজ করে শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিত্ব গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় শিশু মনোবিজ্ঞান ও মানব বিকাশ অধ্যায় থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে শিশুর বিকাশে নিচের কোনটি জৈব-সামাজিক চাহিদা হিসেবে কাজ করে।
a OPT
b NOON
c SOS
d OTTO
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) OTTO ১. কেন সঠিক: - আয়নায় প্রতিবিম্ব গঠনের সময় পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটে, অর্থাৎ বাম দিক ডান দিকে এবং ডান দিক বাম দিকে পরিবর্তিত হয়। - OTTO শব্দটি একটি প্রতিসম বা সিমেট্রিক্যাল শব্দ হওয়ায় এর অক্ষরগুলো ডানে-বামে উল্টে গেলেও গঠনে কোনো পরিবর্তন আসে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সমতল আয়নায় প্রতিবিম্বের পার্শ্বীয় পরিবর্তন বা ল্যাটারাল ইনভার্শন ঘটে। - কার্যপ্রণালি: কোনো বস্তু আয়নার সামনে রাখলে তার সমদূরবর্তী পেছনের দিকে সমান আকারের অসদ প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অ্যাম্বুলেন্স শব্দটির বানানে পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটিয়ে উল্টো লেখা হয় যাতে সামনের গাড়ির চালক আয়নায় সোজা দেখতে পান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: AMBULANCE শব্দটি আয়নায় দেখার সময় উল্টো দেখায় কারণ এটি পার্শ্বীয়ভাবে প্রতিসম নয়। ব্যাখ্যা: এই শব্দের অক্ষরগুলো অপ্রতিসম হওয়ায় প্রতিফলনের পর মূল রূপ বজায় থাকে না। উদাহরণ ২: A অক্ষরটি আয়নায় দেখলে একই দেখায় কারণ এটি মাঝবরাবর লম্বালম্বিভাবে প্রতিসম। ব্যাখ্যা: প্রতিসম আকৃতির বস্তুগুলোর ক্ষেত্রে প্রতিফলিত প্রতিবিম্ব এবং মূল বস্তু একই রকম দেখতে লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) OPT — এই শব্দটিতে কোনো প্রতিসাম্য নেই এবং আয়নায় প্রতিফলিত হলে অক্ষরগুলোর ধারাবাহিকতা ও গঠন সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে যায়। B) NOON — এই শব্দটির শেষের N এবং প্রথম N আয়নায় পরিবর্তিত রূপ ধারণ করে সম্পূর্ণ নতুন চেহারা নেয়। C) SOS — এই শব্দটি লম্বালম্বিভাবে নয় বরং অনুভূমিকভাবে প্রতিসম, তাই এটি উলম্ব আয়নায় পরিবর্তিত রূপ দেখায়। D) OTTO — এই শব্দটি অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম হওয়ায় আয়নায় প্রতিফলনের পরও এর আকৃতির কোনো পরিবর্তন হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সব ইংরেজি অক্ষর বা শব্দ মাঝখান থেকে ভাগ করলে দুই দিক হুবহু মিলে যায়, সেগুলো আয়নায় অপরিবর্তিত থাকে। - A, H, I, M, O, T, U, V, W, X অক্ষরগুলো আয়নায় দেখতে একই রকম লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আয়নায় প্রতিবিম্ব নির্ণয় করতে আসে। - কোন কোন অক্ষর বা শব্দ পার্শ্বীয় পরিবর্তন প্রভাবিত করে না, তা মুখস্থ না রেখে বুঝে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a ৫ ফুট
b ৪ ফুট
c ৩ ফুট
d ২ফুট
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ (সমতল দর্পণে প্রতিবিম্ব) সঠিক উত্তর: D) ২ফুট ১. কেন সঠিক: - সমতল দর্পণের সামনে কোনো বস্তু রাখলে বস্তুটি দর্পণ থেকে যত দূরে থাকে, তার প্রতিবিম্ব দর্পণের ঠিক ততটাই পেছনে গঠিত হয়। - এখানে আপনি (বস্তু) আয়না থেকে ২ ফুট দূরত্বে দাঁড়িয়েছেন, তাই আয়নার ভেতরে আপনার প্রতিবিম্বটিও আয়নার পেছনের দিকে ঠিক ২ ফুট দূরেই গঠিত হবে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য হলো, বস্তু থেকে দর্পণের দূরত্ব এবং দর্পণ থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব সর্বদা সমান হয়। - কার্যপ্রণালি: আপনার শরীর থেকে আলোকরশ্মি আয়নায় পড়ে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে, যা মস্তিষ্কে আয়নার পেছনে প্রতিবিম্বের সৃষ্টি করে। - কারণ ও ফলাফল: পদার্থবিজ্ঞানের আলোর প্রতিফলন ও সমতল দর্পণের সূত্র অনুযায়ী দর্পণের সামনে বস্তুর দূরত্ব এবং পেছনের প্রতিবিম্বের দূরত্ব সমান হওয়ার কারণে এই দূরত্ব নির্ধারিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: প্রতিদিন সকালে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়ানোর সময় আমরা এই সমতল দর্পণের নিয়মটি অবচেতনভাবেই ব্যবহার করি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি যদি আয়না থেকে ১ মিটার দূরে দাঁড়ান, তবে আয়নার ভেতরে আপনার প্রতিবিম্বটি আয়না থেকে ১ মিটার দূরে দৃশ্যমান হবে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে সমতল দর্পণে বস্তু ও প্রতিবিম্বের দূরত্ব সর্বদা সমান থাকে। উদাহরণ ২: ঘরের দেয়ালে ঝোলানো একটি সমতল আয়নার সামনে একটি চেয়ার ২ মিটার দূরে রাখলে চেয়ার এবং তার প্রতিবিম্বের মধ্যকার মোট দূরত্ব হয় ৪ মিটার। ব্যাখ্যা: আয়না থেকে চেয়ারের দূরত্ব ২ মিটার এবং আয়না থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব ২ মিটার হওয়ায় মোট দূরত্ব হয় ২ যোগ ২ সমান ৪ মিটার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ ফুট — এটি ভুল কারণ বস্তু ও প্রতিবিম্বের দূরত্বের নিয়মের সাথে ৫ ফুটের কোনো মিল নেই। B) ৪ ফুট — এটি ভুল কারণ ৪ ফুট হলো আপনার এবং আপনার প্রতিবিম্বের মধ্যকার মোট দূরত্ব, যা আয়না থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব নয়। C) ৩ ফুট — এটি ভুল কারণ সমতল দর্পণের ক্ষেত্রে দূরত্বের এই পরিমাপটি বৈজ্ঞানিক সূত্রের সাথে মিলে না। D) ২ফুট — এটি সঠিক কারণ আয়না থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব সর্বদা বস্তু ও আয়নার দূরত্বের সমান হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আয়না থেকে বস্তু যত দূর, প্রতিবিম্বও তত দূর। - আয়না থেকে আপনার প্রতিবিম্বের দূরত্ব চাইলে শুধু বস্তু ও আয়নার দূরত্বটি উত্তর হিসেবে ধরে নেবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়ই বস্তু এবং তার প্রতিবিম্বের মধ্যকার মোট দূরত্ব জানতে চাওয়া হয়, তখন আয়না থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্বের সাথে আয়না থেকে বস্তুর দূরত্ব যোগ করতে হয়। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই সমতল দর্পণে দূরত্ব সংক্রান্ত ম্যাজিক বা কৌশলগত প্রশ্ন আসে যা খুব সহজেই সূত্র দিয়ে সমাধান করা যায়।
a ট্রিপসিন
b লাইপেজ
c টায়ালিন
d অ্যামাইলেজ
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ট্রিপসিন ১. কেন সঠিক: - ট্রিপসিন একটি প্রোটিন পরিপাককারী এনজাইম যা আমিষ জাতীয় খাদ্য ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। - অগ্ন্যাশয় থেকে ক্ষরিত এই এনজাইমটি ক্ষুদ্রান্ত্রে কাজ করে খাদ্য পরিপাক নিশ্চিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পরিপাকতন্ত্রে এনজাইম জটিল খাদ্যকে ভেঙে সরল উপাদানে পরিণত করে যা দেহ শোষণ করতে পারে। - কার্যপ্রণালি: পাকস্থলী থেকে আসা পেপটন ও প্রোটিনকে ট্রিপসিন ভেঙে পেপটাইড এবং পরবর্তীতে অ্যামিনো এসিডে রূপান্তরিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাংস বা ডিম খাওয়ার পর শরীরে আমিষ প্রবেশ করে। ব্যাখ্যা: ট্রিপসিন এই আমিষকে ভেঙে শরীরের কোষ গঠনে সহায়ক অ্যামিনো এসিডে রূপান্তর করে। উদাহরণ ২: ডাল বা সয়াবিন জাতীয় উদ্ভিজ্জ আমিষ গ্রহণ। ব্যাখ্যা: উদ্ভিজ্জ আমিষ পরিপাকেও ট্রিপসিন একইভাবে খাদ্য হজমে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রিপসিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাক করে। B) লাইপেজ — এটি চর্বি বা লিপিড জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। C) টায়ালিন — এটি লালারসে উপস্থিত থেকে শর্করা বা আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে না। D) অ্যামাইলেজ — এটি শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাক করতে সাহায্য করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ট দিয়ে ট্রিপসিন এবং ট দিয়ে প্রোটিন বা আমিষ মনে রাখা যায়। - আমিষ হজম করে ট্রিপসিন, শর্করা হজম করে অ্যামাইলেজ এবং চর্বি হজম করে লাইপেজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের কোন অঙ্গ থেকে ট্রিপসিন ক্ষরিত হয় তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - এনজাইম এবং তাদের কাজের উৎস সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ৭৮.০
b ০.৮
c ০.৪১
d ০.৩
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৯৩% (নোট: প্রদত্ত অপশনে ০.৮ থাকলেও বায়ুমণ্ডলে আর্গনের সঠিক পরিমাণ হলো প্রায় ০.৯৩%, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সর্বজনগ্রাহ্য বৈজ্ঞানিক তথ্য। নিচে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করা হলো।) ১. কেন সঠিক: বায়ুমণ্ডলে আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং এটি আয়তনের দিক থেকে তৃতীয় প্রধান গ্যাস। নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেনের পর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আর্গন গ্যাস বিদ্যমান থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডল মূলত বিভিন্ন গ্যাসের একটি মিশ্রণ যেখানে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮.০৩%, অক্সিজেন প্রায় ২০.৯৯% এবং আর্গন প্রায় ০.৯৩% থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: আর্গন গ্যাস নিষ্ক্রিয় হওয়ার কারণে বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে ফিলামেন্ট পুড়ে যাওয়া রোধ করতে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক বাল্ব। ব্যাখ্যা: বাল্বের ভেতরে টাংস্টেন ফিলামেন্টকে অক্সিজেনের বিক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে আর্গন গ্যাস ভরা হয়। উদাহরণ ২: ওয়েল্ডিং কাজ। ব্যাখ্যা: ধাতু ঝালাই করার সময় উচ্চ তাপমাত্রায় ধাতুর জারণ রোধ করতে আর্গন গ্যাস শিল্ডিং গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৮.০ — এই শতকরা হারটি বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত নাইট্রোজেন গ্যাসের পরিমাণ নির্দেশ করে। B) ০.৮ — প্রদত্ত অপশনে এটি থাকলেও, আর্গনের প্রকৃত পরিমাণ হলো প্রায় ০.৯৩%, যা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। C) ০.৪১ — এই মানটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড বা অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মেলে না, এটি একটি ভুল সংখ্যা। D) ০.৩ — এই মানটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের প্রকৃত পরিমাণের (প্রায় ০.০৪%) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাসগুলোর পরিমাণ মনে রাখার সহজ ক্রম হলো নাইট্রোজেন, অক্সিজেন এবং আর্গন। আর্গনের পরিমাণ প্রায় এক শতাংশের কাছাকাছি অর্থাৎ শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ হিসেবে মনে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুমণ্ডলে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর মধ্যে আর্গনের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি থাকে। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বায়ুমণ্ডলে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের শতকরা হার কত অথবা তৃতীয় প্রধান গ্যাস কোনটি।
a হৃদযন্ত্রে
b বৃক্কে
c ফুসফুসে
d প্লীহাতে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্লীহাতে ১. কেন সঠিক: - প্লীহাকে মানবদেহের রক্তের ভাণ্ডার বলা হয় কারণ এখানে অতিরিক্ত লোহিত কণিকা জমা থাকে। - জরুরি প্রয়োজনে বা অধিক রক্তের প্রয়োজন হলে প্লীহা সংকুচিত হয়ে সঞ্চিত লোহিত কণিকা রক্তপ্রবাহে ছেড়ে দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্লীহা হলো লসিকাতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা রক্ত ফিল্টার করতে এবং লোহিত কণিকা সঞ্চয় করতে সাহায্য করে। - কার্যপ্রণালি: শরীরে যখন অতিরিক্ত লোহিত কণিকার প্রয়োজন হয় না, তখন প্লীহা সেগুলোকে অস্থায়ীভাবে ধরে রাখে এবং পুরোনো বা ধ্বংসপ্রাপ্ত কণিকা ফিল্টার করে ফেলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তীব্র ব্যায়ামের সময় শরীরের বেশি অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় এবং প্লীহা তখন অতিরিক্ত লোহিত কণিকা রক্তে সরবরাহ করে। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পেশিতে অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি পায় এবং ক্লান্তি দূর হয়। উদাহরণ ২: রক্তাল্পতা বা জরুরি রক্তক্ষরণের সময় প্লীহা তার সঞ্চিত লোহিত কণিকা ছেড়ে দিয়ে রক্তচাপ ও রক্তের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের একটি প্রাকৃতিক স্বয়ংক্রিয় রক্ষা কৌশল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃদযন্ত্রে — হৃদযন্ত্র রক্ত পাম্প করার প্রধান অঙ্গ হিসেবে কাজ করে এবং এটি রক্ত সঞ্চয় করে না। B) বৃক্কে — বৃক্ক বা কিডনি রক্ত ছেঁকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে মূত্র তৈরি করে এবং রক্ত সঞ্চয় করে না। C) ফুসফুসে — ফুসফুস রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ এবং কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের কাজ করে। D) প্লীহাতে — প্লীহা অতিরিক্ত লোহিত কণিকা সঞ্চয় করে রাখে এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্লীহাকে ব্লাড ব্যাংক বা রক্তের ভাণ্ডার বলা হয়। - লোহিত কণিকা জমা থাকে প্লীহাতে, এই কথাটি মনে রাখতে প্লীহা শব্দটির সঙ্গে ভাণ্ডার শব্দটি যুক্ত করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্লীহাকে অনেক সময় লোহিত কণিকার কবরস্থানও বলা হয় কারণ পুরোনো লোহিত কণিকা এখানে ধ্বংস হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ট্রান্সফরমার
b ডায়নামো
c বৈদ্যুতিক মটর
d হুইল
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়নামো ১. কেন সঠিক: - ডায়নামো বা জেনারেটর ফ্যারাডের বৈদ্যুতিক চুম্বকীয় আবেশ সূত্র অনুসারে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। - এতে কুণ্ডলীকে চুম্বক ক্ষেত্রে ঘুরিয়ে এই শক্তি রূপান্তর ঘটানো হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করার একটি যন্ত্র হলো ডায়নামো। - কার্যপ্রণালি: যান্ত্রিক শক্তি প্রয়োগ করে চুম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে একটি তারের কুণ্ডলী ঘোরানো হয়, ফলে তড়িৎ চালক শক্তি উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাইসাইকেলের ডায়নামো। ব্যাখ্যা: সাইকেল চালানোর যান্ত্রিক শক্তি ডায়নামোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বাতি জ্বালায়। উদাহরণ ২: তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেনারেটর। ব্যাখ্যা: টারবাইন ঘোরানোর যান্ত্রিক শক্তি বৃহৎ জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রান্সফরমার — এটি তড়িৎ শক্তিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা উচ্চ ভোল্টেজ থেকে নিম্ন ভোল্টেজে রূপান্তর করে, শক্তি উৎপন্ন করে না। B) ডায়নামো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। C) বৈদ্যুতিক মটর — এটি ঠিক উল্টো কাজটি করে, অর্থাৎ বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। D) হুইল — এটি একটি সাধারণ গতিশীল যন্ত্রাংশ যা শক্তি রূপান্তরের সরাসরি কোনো উৎস বা যন্ত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মটর মানে মেকানিক্যাল কাজ দেখায় অর্থাৎ বিদ্যুৎ থেকে গতি পায়, আর ডায়নামো উল্টো কাজ করে। - ফ্যারাডের আবেশ সূত্র মাথায় রাখলে রূপান্তরের বিষয়টি সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শক্তি রূপান্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ডায়নামো ও বৈদ্যুতিক মোটরের কাজের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a স্নায়ুতন্ত্রের
b রেচনতন্ত্রের
c পরিপাকতন্ত্রের
d শ্বাসতন্ত্রের
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্নায়ুতন্ত্রের ১. কেন সঠিক: মস্তিষ্ক হলো মানবদেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা সমস্ত শারীরিক ও মানসিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে তথ্য গ্রহণ করে, তার বিশ্লেষণ করে এবং সে অনুযায়ী নির্দেশ পাঠিয়ে পুরো শরীর পরিচালনা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: স্নায়ুতন্ত্র হলো মানবদেহের সেই তন্ত্র যা স্নায়ুকোষ বা নিউরনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে। কার্যপ্রণালি: মস্তিষ্ক সুষ্মাকান্ড এবং স্নায়ুর মাধ্যমে পুরো শরীরের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে সংবেদনশীল তথ্য গ্রহণ করে এবং মোটর প্রতিক্রিয়ার নির্দেশ দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: আমরা যখন কোনো গরম বস্তুতে হাত দিই, তখন মস্তিষ্কের মাধ্যমে তা অনুভব করি এবং তাৎক্ষণিকভাবে হাত সরিয়ে নিই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইকেল চালানোর সময় শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করা। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কের সেরিবেলাম অংশ শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পেশির কাজের সমন্বয় ঘটায়। উদাহরণ ২: কঠিন অঙ্ক করার সময় গভীরভাবে চিন্তা করা। ব্যাখ্যা: মস্তিষ্কের সেরেব্রাম অংশ স্মৃতিশক্তি, চিন্তা এবং বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই কাজটি সম্পন্ন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্নায়ুতন্ত্রের - এটি সঠিক উত্তর কারণ মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুর সমন্বয়েই এই তন্ত্র গঠিত হয়। B) রেচনতন্ত্রের - রেচনতন্ত্র বর্জ্য পদার্থ অপসারণের সঙ্গে যুক্ত যার মূল অঙ্গ হলো কিডনি। C) পরিপাকতন্ত্রের - পরিপাকতন্ত্র খাবার হজম এবং পুষ্টি উপাদান শোষণের কাজ করে যার মূল অঙ্গ পাকস্থলী ও অন্ত্র। D) শ্বাসতন্ত্রের - শ্বাসতন্ত্র অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগের কাজ করে যার মূল অঙ্গ ফুসফুস। ৫ মনে রাখার টিপস: মস্তিষ্ক মানেই চিন্তা করা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া, আর চিন্তা ও অনুভূতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে স্নায়ুতন্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহের প্রধান নিয়ন্ত্রক অঙ্গ হলো মস্তিষ্ক এবং এর ওজন প্রায় ১.৩৬ কেজি। অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ কোনটি, যার উত্তর হবে সেরেব্রাম।
a জন্ডিস
b এইডস
c নিউমোনিয়া
d চোখ ওঠা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউমোনিয়া ১. কেন সঠিক: - নিউমোনিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত বা ক্ষেত্রবিশেষে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ, যা ফুসফুসকে আক্রমণ করে। - এটি কোনো ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয় না, বরং প্রধানত স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিআই নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি প্রদাহজনিত রোগ যেখানে অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিগুলোতে পুঁজ বা তরল জমে যায়। - কারণ ও ফলাফল: ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যার ফলে শ্বাসকষ্ট ও কাশি দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্রেপ্লোকক্কাস নিউমোনিআই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ব্যাখ্যা: এটি মানবদেহের শ্বাসনালী অতিক্রম করে ফুসফুসে পৌঁছে এবং নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: ঠান্ডা লাগা বা শীতকালীন আবহাওয়া ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি রোগ সৃষ্টি না করলেও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে কমিয়ে দিয়ে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্ডিস — এটি একটি যকৃতের রোগ যা হেপাটাইটিস ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে, তাই এটি ভাইরাসজনিত রোগ। B) এইডস — এটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস বা এইচআইভি নামক ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়। C) নিউমোনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। D) চোখ ওঠা — এটি অ্যাডিনোভাইরাস নামক ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে, তাই এটি ভাইরাসজনিত রোগ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিউমোনিয়ার মূল জীবাণু হলো ব্যাকটেরিয়া, তাই একে ভাইরাসজনিত রোগের তালিকা থেকে আলাদা করতে হবে। - মনে রাখতে পারো যে জন্ডিস, এইডস এবং চোখ ওঠা এগুলো সবই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - যক্ষ্না, টাইফয়েড এবং নিউমোনিয়া হলো প্রধান ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা ভালোভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
a বায়োলজী
b জুওলজী
c জেনেটিক
d ইভোলিউশন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: কোষ ও বংশগতি এবং প্রাণিবিজ্ঞান সঠিক উত্তর: C) জেনেটিক ১. কেন সঠিক: প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বংশের ধারাবাহিকতা রক্ষার বিদ্যাকে জেনেটিকস বা বংশগতিবিদ্যা বলা হয়। পিতা-মাতার শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য কীভাবে পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়, তা এই শাখায় আলোচনা করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বংশগতি হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পিতামাতার বৈশিষ্ট্য জিনগত উপাদানের মাধ্যমে সন্তানে স্থানান্তরিত হয়। কার্যপ্রণালি: ডিএনএ এবং জিনের পরিবর্তনের মাধ্যমে জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারিত হয় এবং প্রজাতি থেকে প্রজাতিতে তা বিবর্তিত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে উন্নত জাতের ফসল উৎপাদন এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে বংশগত রোগ নির্ণয়ে জেনেটিকস ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের চোখে নীল বা বাদামী রঙের বৈচিত্র্য। ব্যাখ্যা: বাবা-মায়ের জিনের প্রভাবেই সন্তানের চোখের এই রঙ নির্ধারিত হয়। উদাহরণ ২: মটরশুটি গাছের উচ্চতা ভিন্ন হওয়া। ব্যাখ্যা: গ্রেগর জোহান মেন্ডেল মটরশুটি গাছের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে বংশগতির মূল সূত্রগুলো আবিষ্কার করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়োলজি — এটি জীববিজ্ঞানের একটি বিস্তৃত শাখা যেখানে জীবনের সামগ্রিক রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। B) জুওলজি — এটি প্রাণিবিজ্ঞান যেখানে শুধুমাত্র প্রাণীর গঠন, আচরণ ও শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। C) জেনেটিক — এটি সঠিক উত্তর যা জীবের বংশগতি ও উৎপত্তি সম্পর্কিত বিদ্যাকে নির্দেশ করে। D) ইভোলিউশন — এটি বিবর্তনবিদ্যা যা দীর্ঘকাল ধরে জীবের ক্রমবিকাশ ও পরিবর্তনের ইতিহাস ব্যাখ্যা করে। ৫ মনে রাখার টিপস: জিন বা জেনারেশন শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে জেনেটিক শব্দটি মনে রাখা সহজ। বংশগতি সম্পর্কিত প্রশ্ন এলেই মাথায় রাখতে হবে জিন এবং জেনারেশনের কথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মেন্ডেলকে আধুনিক বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয় কারণ তিনি প্রথম এর বৈজ্ঞানিক সূত্র প্রদান করেন। এই টপিক থেকে ডিএনএ এবং জিন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a ডিজেল
b পেট্রোল
c অকটেন
d সিএনজি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিজেল ১. কেন সঠিক: ডিজেল একটি পেট্রোলিয়ামজাত হাইড্রোকার্বন জ্বালানি যাতে প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে সালফার বা গন্ধক মিশ্রিত থাকে। এই জ্বালানি ইঞ্জিন বা চুল্লিতে পোড়ানোর সময় অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস উৎপন্ন হয় যার মধ্যে সালফার ডাই-অক্সাইড অন্যতম। রাসায়নিক বিক্রিয়া: জ্বালানিতে থাকা সালফার (S) বায়ুর অক্সিজেনের (O2) সাথে যুক্ত হয়ে সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) গ্যাস তৈরি করে। কারণ ও ফলাফল: এই গ্যাস বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্পের সাথে মিশून অ্যাসিড বৃষ্টি ঘটায় যা পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারী যানবাহন যেমন ট্রাক ও বাস স্টার্ট দেওয়ার সময় যে কালো ধোঁয়া ছড়ায় তাতে সালফার ডাই-অক্সাইড থাকে। ব্যাখ্যা: এই যানবাহনগুলো মূলত ডিজেল চালিত হওয়ায় এদের নির্গত ধোঁয়া বায়ুতে সালফার ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: শিল্প কারখানার জেনারেটরে ডিজেল ব্যবহার করলে চিমনি দিয়ে সাদা বা ধূসর ধোঁয়া বের হয়। ব্যাখ্যা: এই ধোঁয়ায় সালফার ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য বিষাক্ত গ্যাস থাকে যা স্থানীয় বাতাসকে দূষিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিজেল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সালফারের পরিমাণ পেট্রোল বা অকটেনের তুলনায় বেশি থাকে এবং এটি পোড়ালে বেশি সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। B) পেট্রোল — পেট্রোল পরিশোধিত জ্বালানি হওয়ায় এতে সালফারের মাত্রা অত্যন্ত কম থাকে এবং এটি পোড়ালে প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইড ও কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয়। C) অকটেন — এটি পেট্রোলের তুলনায় আরও বেশি পরিশোধিত জ্বালানি যার অক্টেন নম্বর বেশি থাকে এবং এতে সালফারের উপস্থিতি নগণ্য। D) সিএনজি — সিএনজি বা কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন যা একটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং পোড়ালে কোনো সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারী বাহনের ডিজেল মানেই বাতাসে সালফারের ঝঞ্জাট। গাড়ির জ্বালানির মধ্যে ডিজেল পোড়ালেই বায়ুতে সালফার ডাই-অক্সাইডের দূষণ ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য প্রধানত সালফার ডাই-অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন অক্সাইড দায়ী। ভবিষ্যতে প্রশ্ন আসতে পারে কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড কম নির্গত হয়, যার উত্তর হবে সিএনজি।
a শব্দশক্তি
b তড়িৎশক্তি
c আলোকশক্তি
d চৌম্বকশক্তি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলোকশক্তি ১. কেন সঠিক: - মোবাইল টেলিফোনের আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায়, বিশেষ করে ল্যান্ডফোন বা আধুনিক অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কে ডেটা পরিবহনের জন্য আলোর পাল্স বা সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়। - বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে আলোক সিগন্যালে রূপান্তরিত করে খুব দ্রুত গতিতে তথ্য অনেক দূরে পাঠানো সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অপটিক্যাল ফাইবার বা আলোক তন্তু হলো কাঁচ বা প্লাস্টিকের তৈরি অত্যন্ত সরু সুতা, যার মধ্য দিয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকশক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রেরিত হয়। - কার্যপ্রণালি: গ্রাহক যখন মোবাইল বা টেলিফোনে কথা বলেন, তখন শব্দশক্তি প্রথমে বৈদ্যুতিক শক্তিতে এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সেই বৈদ্যুতিক সিগন্যাল লেজার বা এলইডি আলোর মাধ্যমে আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে ফাইবারের মধ্য দিয়ে যাতায়াত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপটিক্যাল ফাইবার ইন্টারনেট ক্যাবল। ব্যাখ্যা: সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বা এক শহর থেকে অন্য শহরে ইন্টারনেট ও টেলিফোন ডেটা প্রেরণের জন্য অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতর দিয়ে আলোকশক্তি পাঠানো হয়। উদাহরণ ২: ঘরের ডেকোরেশন লাইট বা শোপিস। ব্যাখ্যা: প্লাস্টিকের ফাইবার অপটিক লাইটের ভেতরে আলো প্রবেশ করলে তা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে লাইটের মাথা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দশক্তি — শব্দশক্তি হলো বায়ু মাধ্যমে কম্পনের ফলে উৎপন্ন শক্তি, যা মোবাইল ফোনের স্পিকার বা মাইক্রোফোনে রূপান্তরিত হয় কিন্তু মূল টেলিফোন লাইনের ভেতরে তা সরাসরি প্রবাহিত হয় না। B) তড়িৎশক্তি — ঐতিহ্যবাহী তামার তারের টেলিফোন লাইনে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হলেও আধুনিক অপটিক্যাল ফাইবার বা মোবাইল টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় আলোকশক্তি প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। D) চৌম্বকশক্তি — চৌম্বকশক্তি সাধারণত স্পিকার, মাইক্রোফোন বা ট্রান্সফর্মারের কার্যপ্রণালীতে ব্যবহৃত হয়, টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে ডেটা পরিবহনের মূল মাধ্যম এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিক ও দ্রুতগতির টেলিযোগাযোগ মানেই আলোর গতি, তাই মনে রাখবে আধুনিক টেলিফোনের মূল বাহন হলো আলোকশক্তি বা ফাইবার অপটিকস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনা ঘটে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, উত্তর হবে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। - কাঁচের তৈরি এই তন্তুর প্রতিসরাঙ্ক কোরের ক্ষেত্রে বেশি এবং ক্ল্যাডিংয়ের ক্ষেত্রে কম হয়ে থাকে।
a আলফা রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c গামা রশ্মি
d আলট্রাভায়োলেট রশ্মি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গামা রশ্মি ১. কেন সঠিক: গামা রশ্মি হলো তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্তি সম্পন্ন এবং উচ্চ ভেদন ক্ষমতার অধিকারী একটি তরঙ্গ। এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষুদ্র হওয়ায় এটি জীবদেহের কোষের নিউক্লিয়াস ভেদ করে ডিএনএর গঠন ভেঙে ফেলতে পারে এবং ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালীর সবচেয়ে শক্তিশালী এবং ক্ষতিকর আয়নাইজিং রেডিয়েশন হলো গামা রশ্মি। কার্যপ্রণালি: এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয়ে যেকোনো জীবকোষের ভেতরের অণুকে আয়নিত করে এবং কোষের জিনগত পরিবর্তন ঘটায়। বাস্তব প্রয়োগ: তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে নির্গত গামা রশ্মি অত্যন্ত মারাত্মক হওয়ায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা গবেষণাগারে বিশেষ সুরক্ষামূলক বর্ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ব্যাখ্যা: এই বিস্ফোরণ থেকে প্রচুর পরিমাণে গামা রশ্মি নির্গত হয়েছিল, যা হাজার হাজার মানুষের শরীরে মারাত্মক বিকিরণ জনিত রোগ ও মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। উদাহরণ ২: ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি ব্যাখ্যা: নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় গামা রশ্মি ব্যবহার করে ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করা হয়, যা সঠিক মাত্রায় না দিলে সুস্থ কোষের জন্যও চরম ক্ষতিকর হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের স্রোত যার ভেদন ক্ষমতা খুব কম এবং কাগজের পাতা দিয়েই এটি আটকানো যায়। B) বিটা রশ্মি — এটি উচ্চগতির ইলেকট্রন কণা যার ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশি হলেও গামা রশ্মির তুলনায় অনেক কম। D) আলট্রাভায়োলেট রশ্মি — এটি সূর্যের আলো থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মি যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হলেও গামা রশ্মির মতো মারাত্মক ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বর্ণালীর শক্তির ক্রম মনে রাখতে পারো এভাবে: আলফা এবং বিটা কণা হলো কণার স্রোত, আর গামা হলো অদৃশ্য শক্তির সবচেয়ে ভয়ংকর ঢেউ। গামা শব্দটির প্রথম অক্ষর গ দিয়ে গভীর বা মারাত্মক ক্ষতি বোঝানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবচেয়ে বেশি ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন তেজস্ক্রিয় রশ্মি কোনটি, এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক বা আলফা, বিটা ও গামা রশ্মির আধান ও ভর সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a সাদা
b কালো
c হলুদ
d লাল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আলো, শব্দ ও তরঙ্গ সঠিক উত্তর: D) লাল ১. কেন সঠিক: - আলোর বিক্ষেপণ বা Rayleigh Scattering নীতির কারণে দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এটি বায়ুমণ্ডলে কম ছড়ায়। - তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়ার কারণে লাল আলো অনেক দূর পর্যন্ত কুয়াশা বা ধূলিকণা ভেদ করে সোজা পথে দর্শকের চোখে পৌঁছাতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর বিক্ষেপণ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য। বিজ্ঞানী রেইলি (Rayleigh) এর সূত্রানুযায়ী, আলোর বিক্ষেপণ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চতুর্থ ঘাতের ব্যস্তানুপাতিক। - কার্যপ্রণালি: যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, বায়ুমণ্ডলে তার বিক্ষেপণ বা ছড়িয়ে পড়ার মাত্রা তত কম হয় এবং তা অনেক দূর থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ট্রাফিক সিগন্যাল ও বিপদ সংকেত ব্যাখ্যা: দূর থেকে চালকরা যাতে সাবধানে ব্রেক করতে পারেন, তাই যেকোনো বিপদের সংকেত বা থামার নির্দেশে লাল রং ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: উঁচু দালান বা টাওয়ারের চূড়ায় লাল বাতি ব্যাখ্যা: বিমান চলাচলের সময় পাইলটরা যাতে অন্ধকার বা কুয়াশার মধ্যেও উঁচু ভবন বা টাওয়ার দেখতে পান, সেজন্য সেখানে লাল বাতি জ্বালানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা — সাদা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাঝারি এবং এটি সব রঙের সংমিশ্রণ হওয়ায় এটি লাল আলোর মতো দূর থেকে আলাদাভাবে স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। B) কালো — কালো রং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না বরং সব আলো শোষণ করে নেয়, তাই অন্ধকার বা দূরত্বে এটি একেবারেই দেখা যায় না। C) হলুদ — হলুদ রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও লাল আলোর চেয়ে কম, তাই এটি লাল রঙের মতো দূর থেকে দৃশ্যমান হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - লাল রঙের বিপদ সংকেত মনে রাখলেই বোঝা যাবে যে এটি সবচেয়ে দূর থেকে চোখ এড়ায় না। - আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি মানেই তার বিক্ষেপণ কম এবং দৃষ্টিসীমা বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আলোর বিক্ষেপণ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম মনে রাখবে: লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
a আইসোটোন
b আইসোটোপ
c আইসোবার
d রাসায়নিক পদার্থ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসোটোপ ১. কেন সঠিক: ক্যান্সার চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত গামা বিকিরণ বা রশ্মি ব্যবহার করে টিউমার বা কর্কট রোগ কোষ ধ্বংস করা হয়। এটি রেডিওথেরাপি নামে পরিচিত, যেখানে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন গামা রশ্মি ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে তাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আইসোটোপ হলো একই মৌলের ভিন্ন পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন এবং অনেক আইসোটোপ তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নির্গত করে। কার্যপ্রণালি: কোবাল্ট ষাট এর মতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে গামা রশ্মি চালনা করে গভীর টিস্যুতে থাকা ক্যান্সার কোষ পুড়িয়ে ফেলা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের ম্যালিগন্যান্ট টিউমার চিকিৎসায় চিকিৎসকরা নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় তেজস্ক্রিয় কোবাল্ট বা আইয়োডিন ব্যবহার করে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোবাল্ট ষাট আইসোটোপের ব্যবহার ব্যাখ্যা: ক্যান্সার চিকিৎসায় কোবাল্ট ষাট নামক তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে গামা রশ্মি উৎপন্ন করে টিউমার কোষ ধ্বংস করা হয়। উদাহরণ ২: আয়োডিন একশো একত্রিশ আইসোটোপের ব্যবহার ব্যাখ্যা: থাইরয়েড ক্যান্সার চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় আয়োডিন ব্যবহার করা হয় যা নির্দিষ্ট কোষে জমে গামা ও বিটা বিকিরণ ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসোটোন — আইসোটোন হলো ভিন্ন মৌলের পরমাণু যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন এবং এটি সরাসরি চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিকিরণের উৎস নয়। B) আইসোটোপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট কিছু তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা রশ্মি পাওয়া যায়। C) আইসোবার — আইসোবার হলো বিভিন্ন মৌলের পরমাণু যাদের ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন এবং এদের ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় না। D) রাসায়নিক পদার্থ — রাসায়নিক পদার্থ বলতে সাধারণ যৌগ বোঝায়, কিন্তু গামা বিকিরণ কেবল তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের নিউক্লিয়াস থেকে অবমুক্ত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চিকিৎসায় ব্যবহৃত রশ্মি আসে নিউক্লিয়াসের অস্থিরতা থেকে, আর মৌলের সেই তেজস্ক্রিয় রূপটিই হলো আইসোটোপ। কোবাল্ট ষাটের নাম মনে রাখলে আইসোটোপের সঙ্গে ক্যান্সার চিকিৎসার সম্পর্ক সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্যান্সার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ হলো কোবাল্ট ষাট যা গামা রশ্মি প্রদান করে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় চিকিৎসাবিজ্ঞানে আইসোটোপের ব্যবহার অংশে বারবার আসে।

মোট প্রশ্ন (15)

a SRAM
b DRAM
c ROM
d উপরের সবগুলোই
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ROM ১. কেন সঠিক: - Non-volatile মেমোরি হলো এমন একধরনের স্থায়ী মেমোরি, যা থেকে কম্পিউটার বা ডিভাইস বন্ধ করলেও ডেটা মুছে যায় না। - ROM বা Read Only Memory হলো একটি স্থায়ী মেমোরি, যাতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও সংরক্ষিত তথ্য চিরকাল অক্ষুণ্ণ থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ROM-এর পূর্ণরূপ Read Only Memory। এটি এমন একটি প্রাইমারি মেমোরি যা থেকে শুধুমাত্র ডেটা পড়া যায়, সাধারণত সহজে পরিবর্তন বা নতুন ডেটা লেখা যায় না। - কার্যপদ্ধতি: এই মেমোরির তথ্য প্রস্তুতকারক বা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়, যা কম্পিউটার চালুর জন্য অত্যন্ত জরুরি নির্দেশাবলী ধরে রাখে। - ব্যবহার: কম্পিউটারের BIOS বা Basic Input Output System এবং মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের জন্য এটি প্রধানত ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের স্টার্টআপ বা বুটিং প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার অন করার সময় মাদারবোর্ডের ROM এ থাকা বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম প্রসেসরকে জাগিয়ে তোলে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা ওয়াশিং মেশিনের কন্ট্রোল প্যানেল। ব্যাখ্যা: গৃহস্থালী এসব ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী ও নির্দেশাবলী স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ROM চিপ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) SRAM — এটি Static Random Access Memory। এটি একটি Volatile বা অস্থিতিশীল মেমোরি হওয়ায় বিদ্যুৎ চলে গেলে এর সব ডেটা মুছে যায়। B) DRAM — এটি Dynamic Random Access Memory। এটিও একটি Volatile মেমোরি এবং এর তথ্য ধরে রাখতে বারবার রিফ্রেশ করার প্রয়োজন হয়। D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু SRAM এবং DRAM উভয়ই Volatile মেমোরি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - R দিয়ে Read Only এবং R দিয়ে Non-volatile মনে রাখতে পারেন, কারণ ROM-এর ডেটা নষ্ট হয় না। - RAM হলো অস্থিতিশীল বা Volatile এবং ROM হলো স্থিতিশীল বা Non-volatile মেমোরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BIOS হলো ROM-এ সংরক্ষিত সফটওয়্যার যা কম্পিউটার চালুর প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই Volatile ও Non-volatile মেমোরির উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে।
a C
b Java
c Assembly Language
d C++
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Assembly Language ১. কেন সঠিক: Assembly Language বা অ্যাসেম্বলি ভাষা কোনো থার্ড জেনারেশন বা ৩জি ভাষা নয়, এটি একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের বা ২জি (2G) প্রোগ্রামিং ভাষা। এই ভাষায় কম্পিউটারের বোধগম্য বাইনারি কোডের পরিবর্তে নেমোনিক বা সংকেত শব্দ ব্যবহার করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে প্রোগ্রামিং ভাষায় মানুষের বোধগম্য সংকেত শব্দ বা নেমোনিক ব্যবহার করে কোড লেখা হয় তাকে অ্যাসেম্বলি ভাষা বলে। কার্যপদ্ধতি: অ্যাসেম্বলার নামক অনুবাদক প্রোগ্রামের মাধ্যমে এই ভাষার কোডকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে কম্পিউটার নির্বাহ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ADD, MOV, SUB ইত্যাদি নেমোনিক কোড ব্যবহার করে নির্দেশ দেওয়া। ব্যাখ্যা: অ্যাসেম্বলি ভাষায় সরাসরি এই শব্দগুলোর মাধ্যমে প্রসেসরকে ডেটা যোগ বা স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: লো লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে মাইক্রোকন্ট্রোলার প্রোগ্রামিং। ব্যাখ্যা: হার্ডওয়্যারের খুব কাছাকাছি থেকে কাজ করার জন্য হার্ডওয়্যার কন্ট্রোল ও ড্রাইভার তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) C — এটি একটি শক্তিশালী তৃতীয় প্রজন্মের বা থার্ড জেনারেশন প্রোগ্রামিং ভাষা। B) Java — এটি একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড থার্ড জেনারেশন প্রোগ্রামিং ভাষা। C) Assembly Language — এটি একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা, যা সঠিক উত্তর। D) C++ — এটি সি ভাষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি থার্ড জেনারেশন প্রোগ্রামিং ভাষা। ৫. মনে রাখার টিপস: মেশিন ভাষা হলো প্রথম প্রজন্ম, অ্যাসেম্বলি ভাষা হলো দ্বিতীয় প্রজন্ম এবং সি, জাভা, সি প্লাস প্লাস হলো তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা। কম্পিউটারের প্রজন্ম মনে রাখতে প্রথম প্রজন্ম হলো মেশিন ভাষা এবং দ্বিতীয় প্রজন্ম হলো অ্যাসেম্বলি ভাষা, বাকি উচ্চ স্তরের ভাষাগুলো পরবর্তী প্রজন্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং ভাষাকে প্রধানত পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়। প্রথম প্রজন্মের ভাষা হলো মেশিন ভাষা এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা হলো অ্যাসেম্বলি ভাষা।
a ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
b ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
c ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
d ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ডেটা সংরক্ষণের হিসাব বাইনারি সিস্টেম বা দুই এর ঘাতের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। এখানে দুই এর দশম ঘাত বা ১০২৪ বাইটে এক কিলোবাইট নির্ধারিত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বিট হলো কম্পিউটারের মেমোরির সবচেয়ে ছোট একক এবং আট বিটে এক বাইট গঠিত হয়। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের প্রসেসর ডেটা প্রসেস করার সময় দশভিত্তিক দশমিক পদ্ধতির পরিবর্তে দুইভিত্তিক বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করে। বৈশিষ্ট্য: ডেটা পরিমাপের ক্ষেত্রে প্রতি ধাপে ১০২৪ গুণ বৃদ্ধি পায় যেমন কিলোবাইট থেকে মেগাবাইট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সাধারণ টেক্সট ফাইলের আকার এক কিলোবাইট হতে পারে। ব্যাখ্যা: এই সাইজের ফাইলে প্রায় এক হাজার অক্ষর বা ক্যারেক্টার সংরক্ষণ করা সম্ভব। উদাহরণ ২: একটি ছোট আকারের ছবি বা আইকনের আকার কয়েক কিলোবাইট হতে পারে। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের মেমোরিতে খুব কম স্থান দখল করে দ্রুত লোড হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কম্পিউটারের মূল স্ট্যান্ডার্ড বাইনারি নিয়ম মেনে চলে। B) ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট — এই অপশনটি ভুল কারণ এক মেগাবাইট সমান ১০২৪ কিলোবাইট, ১০২৪ বাইট নয়। C) ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট — এই অপশনটি ভুল কারণ কম্পিউটার সাইন্সে কিলোবাইট মানে ১০০০ নয় বরং ১০২৪ বাইট। D) ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাইনারি মানের সঙ্গে মেলে না এবং মেগাবাইটের সঠিক পরিমাণ প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের মেমোরির এককগুলো মনে রাখার জন্য ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট। প্রতিটি ধাপে মান ১০২৪ গুণ করে বৃদ্ধি পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কিলোবাইট, মেগাবাইট ও গিগাবাইটের পারস্পরিক সম্পর্ক বা বাইটের হিসাব থেকে প্রশ্ন আসে। ডেটা পরিমাপের এই আদর্শ মানগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a IEEE 802.11
b IEEE 804.11
c IEEE 803.11
d IEEE 806.11
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IEEE 802.11 ১. কেন সঠিক: - Wi-Fi প্রযুক্তির আন্তর্জাতিক মান বা স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করেছে IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers)। - IEEE 802 সিরিজটি মূলত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এবং মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের জন্য নির্ধারিত, যার মধ্যে 802.11 হলো ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলো ওয়াইফাই বা ওয়্যারলেস ফিডেলিটি এবং IEEE এর পূর্ণরূপ ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স। - কার্যপদ্ধতি: এটি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে তারবিহীন উপায়ে ডেটা আদান-প্রদান করে এবং রাউটার ডিভাইসের মাধ্যমে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি উচ্চ গতিতে ডেটা স্থানান্তর করতে পারে, তারের ঝামেলা মুক্ত এবং নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে একাধিক ডিভাইস একসাথে যুক্ত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসা বাড়িতে ব্যবহৃত ওয়াইফাই রাউটার। ব্যাখ্যা: রাউটারটি IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে ঘরের ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক। ব্যাখ্যা: শিক্ষার্থীরা ওয়্যারলেস প্রযুক্তির মাধ্যমে এই স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে পুরো ক্যাম্পাসে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IEEE 802.11 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটিই একমাত্র ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড। B) IEEE 804.11 — এমন কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রচলিত বা ব্যবহৃত হয় না। C) IEEE 803.11 — এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড নয়, এটি ভুল নম্বর দিয়ে তৈরি করা একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) IEEE 806.11 — এটিও কোনো বৈধ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস স্ট্যান্ডার্ড নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Wi-Fi মানে ওয়্যারলেস ফিডেলিটি এবং এর সাথে সম্পর্কিত স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11। - এভাবে মনে রাখতে পারেন যে, এগারো নম্বর স্ট্যান্ডার্ডটিই তারবিহীন যোগাযোগের জন্য নির্ধারিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - Wi-Fi প্রযুক্তির জনক হিসেবে উইলিয়াম হেইস এবং জন ও'সালিভানকে স্মরণ করা হয়। - পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ওয়্যারলেস স্ট্যান্ডার্ড এবং প্রোটোকল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a WAN
b Satellite Communication
c MAN
d TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) TV রিমোট কন্ট্রোলে ১. কেন সঠিক: ইনফ্রারেড হলো এমন এক ধরনের অদৃশ্য আলোক তরঙ্গ যা খুব কাছাকাছি দূর The থেকে ডেটা বা সিগন্যাল প্রেরণে ব্যবহৃত হয়। টিভি রিমোট কন্ট্রোল এবং টেলিভিশনের মধ্যকার যোগাযোগ এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি হলো দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কম কম্পাঙ্কের এবং দীর্ঘ তরঙ্গের ত্য চুম্বকীয় বিকিরণ। কার্যপদ্ধতি: রিমোটের বোতাম চাপলে এর ভেতরে থাকা ইনফ্রারেড ডায়োড থেকে নির্দিষ্ট কোডে আলোক সংকেত টিভির সেন্সরের দিকে নির্গত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এয়ার কন্ডিশনার বা এসি রিমোট। ব্যাখ্যা: এসির তাপমাত্রা পরিবর্তন বা মোড বদলানোর সময় রিমোট থেকে ইনফ্রারেড সংকেত এসির ইনফ্রারেড রিসিভারে পাঠানো হয়। উদাহরণ ২: ঘরের পুরোনো ধাঁচের ইনফ্রারেড ওয়্যারলেস হেডফোন। ব্যাখ্যা: এই ডিভাইসে তারের ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি ইনফ্রারেড সিগন্যালের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ প্রেরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) WAN — ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কে বিশাল ভৌগোলিক দূরত্ব অতিক্রম করতে ফাইবার অপটিক ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবহার করা হয়। B) Satellite Communication — স্যাটেলাইট যোগাযোগের ক্ষেত্রে মহাকাশে সংকেত পাঠাতে মাইক্রোওয়েভ বা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। C) MAN — মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কে একটি শহরের ভেতর উচ্চগতির ডেটা স্থানান্তরের জন্য ক্যাবল বা রেডিও লিঙ্ক ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রিমোট মানেই অদৃশ্য আলো বা ইনফ্রারেড। ইনফ্রারেড সিগন্যাল দেওয়াল ভেদ করতে পারে না, তাই রিমোট সরাসরি ডিভাইসের দিকে তাক করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইনফ্রারেড প্রযুক্তির তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান লাল আলোর চেয়ে বেশি। কম্পিউটার নেটওয়ার্কে আইআরডিএ বা ইনফ্রারেড ডেটা অ্যাসোসিয়েশন শর্ট রেঞ্জের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হতো।
a (1100)2
b (11000)2
c (01100)2
d কোনোটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বাইনারি সংখ্যাটি = ১প ১ দ্বিতীয় বাইনারি সংখ্যাটি = ০১০১ ধরি, সংখ্যা দুটি যোগ করতে হবে অতএব, ডানদিক থেকে ১ এবং ১ যোগ করলে ১০ হয় হাতে থাকে ১, যা বামের কলামে যোগ করতে হয় সুতরাং, যোগফল হিসাব করে পাওয়া যায় ১০০০ কিন্তু অপশনে সঠিক উত্তরটি নেই উত্তর: (১০০০)২
a Worldwide Interoperability for Microwave Access
b Worldwide Internet for Microwave Access
c Worldwide Interconection for Microwave Access
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Worldwide Interoperability for Microwave Access ১. কেন সঠিক: ওয়াইম্যাক্স হলো ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড কমিউনিকেশন স্ট্যান্ডার্ড। এটি মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চ গতির ইন্টারনেট ডেটা সরবরাহ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: এটি একটি টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি যা ফিক্সড ও মোবাইল ইন্টারনেট অ্যাক্সেস প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: টাওয়ার থেকে পাঠানো রেডিও তরঙ্গ রিসিভারের মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তরিত হয়। বৈশিষ্ট্য: এটি ওয়াইফাই এর চেয়ে অনেক বেশি এলাকা জুড়ে সেবা প্রদান করতে পারে। ব্যবহার: দূরবর্তী অঞ্চলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এবং মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্কে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামীণ এলাকায় ব্রডব্যান্ড সংযোগ স্থাপন। ব্যাখ্যা: তারের সংযোগ ছাড়াই দুর্গম স্থানে ওয়াইম্যাক্স টাওয়ারের মাধ্যমে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: চলন্ত বাস বা ট্রেনে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সংযোগ। ব্যাখ্যা: মোবাইল ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যবহারকারী চলমান অবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Worldwide Interoperability for Microwave Access — এটি ওয়াইম্যাক্স এর সঠিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পূর্ণরূপ। B) Worldwide Internet for Microwave Access — এখানে ইন্টারঅপারেবিলিটি শব্দের বদলে ইন্টারনেট শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যা কারিগরিভাবে ভুল। C) Worldwide Interconection for Microwave Access — ইন্টারকানেকশন শব্দটি ওয়াইম্যাক্স এর আসল সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ওয়াইম্যাক্স পূর্ণরূপ মনে রাখতে W I M A X শব্দের প্রথম অংশ Worldwide এবং শেষ অংশ Microwave Access মনে রাখবে। মাঝখানের অংশ Interoperability যা বিভিন্ন ডিভাইসের পারস্পরিক সংযোগ বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওয়াইম্যাক্স আইইইই আটশো দুই দশমিক ষোল স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ওয়াইফাই এর তুলনায় অনেক বেশি কভারেজ এরিয়া দিতে পারে।
a A + Ā = 1
b A . A = 1
c A + A = 2A
d উপরের কোনোটিই নয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A + Ā = 1 ১. কেন সঠিক: - বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় যোগের ক্ষেত্রে একে লজিক্যাল অর অপারেশন বলা হয়। - চলক এবং তার পূরক বা কমপ্লিমেন্টের লজিক্যাল যোগফল সর্বদা ১ হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বুলিয়ান অ্যালজেব্রা হলো লজিক গেট এবং বাইনারি সংখ্যা নিয়ে কাজ করার একটি বিশেষ গণিত পদ্ধতি। - কার্যপদ্ধতি: চলক এ এর মান শূন্য হলে পূরক মান এক হয় এবং এদের যোগফল এক হয়। - বৈশিষ্ট্য: বুলিয়ান যোগের নিয়ম সাধারণ বীজগণিতের চেয়ে আলাদা এবং এটি সত্যক সারণির ওপর ভিত্তি করে চলে। - ব্যবহার: ডিজিটাল লজিক সার্কিট ডিজাইন এবং মাইক্রপ্রসেসরের অভ্যন্তরীণ হিসাব-নিকাশে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের একটি বৈদ্যুতিক সুইচ এবং তার বিপরীত অবস্থা। ব্যাখ্যা: সুইচ অন বা অফ থাকার যেকোনো একটি অবস্থা সবসময় সত্য বা ১ হয়। উদাহরণ ২: সত্য এবং মিথ্যার উপস্থিতি। ব্যাখ্যা: একটি সত্য ঘটনা এবং তার বিপরীত মিথ্যা ঘটনার উপস্থিতি মিলে সম্পূর্ণ সত্য বা ১ নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A + Ā = 1 — এটি বুলিয়ান অ্যালজেব্রার পূরক আইনের সঠিক সূত্র এবং এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) A . A = 1 — এটি ভুল কারণ বুলিয়ান গুণের নিয়ম অনুযায়ী এ ডট এ সমান এ হয়, সব সময় ১ হয় না। C) A + A = 2A — এটি ভুল কারণ বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় দ্বিগুণ বা সহগ বলে কিছু নেই, এর সঠিক রূপ এ প্লাস এ সমান এ। D) উপরের কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ এর উত্তরটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বুলিয়ান যোগে কমপ্লিমেন্ট যোগ করলে সব সময় এক হয়। - বুলিয়ান গুণে একই চলক গুণ করলে সেই চলকই পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক সূত্রগুলো বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ডিমরগ্যানের সূত্র এবং লজিক গেটের রূপান্তর ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a 8
b 16
c 32
d উপরের কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 16 ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোপ্রসেসর কত বিটের তা নির্ধারিত হয় তার ডেটা বাস (Data Bus) বা ইন্টারনাল রেজিস্টারের আকারের ওপর ভিত্তি করে। - 8086 মাইক্রোপ্রসেসরে ১৬ বিটের ডেটা বাস এবং ১৬ বিটের ইন্টারনাল রেজিস্টার রয়েছে, যা একই সাথে ১৬ বিটের ডেটা নিয়ে কাজ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ, যা সিলিকন চিপের ওপর তৈরি করা হয় এবং সব নির্দেশাবলী ও গাণিতিক কাজ পরিচালনা করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি মেমোরি থেকে নির্দেশনা পড়ে, তা ডিকোড করে এবং গাণিতিক ও লজিক ইউনিট বা এএলইউর সাহায্যে তা সম্পন্ন করে ১৬ বিটের রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: ইন্টেল কোম্পানির তৈরি 8086 প্রসেসরে ১ মেগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি অ্যাড্রেসিং ক্ষমতা এবং পাইপলাইন আর্কিটেকচার ব্যবহৃত হয়েছে। - ব্যবহার: এটি ১৯৭৮ সালে মুক্তি পায় এবং প্রথম সফল ১৬ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে আইবিএম পার্সোনাল কম্পিউটারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৬ বিটের ডেটা প্রসেসিং ব্যাখ্যা: 8086 প্রসেসর একসাথে ১৬ বিটের দুটি সংখ্যা যোগ করতে পারে, যা ৮ বিটের প্রসেসরের তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে। উদাহরণ ২: আইবিএম পিসি ব্যাখ্যা: প্রথম প্রজন্মের আইবিএম পার্সোনাল কম্পিউটার বা আইবিএম পিসিতে এই 8086 প্রসেসরের একটি সংস্করণ ব্যবহার করা হয়েছিল, যা মাইক্রোকম্পিউটার বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 8 — ইন্টেলের 8080 বা 8085 মাইক্রোপ্রসেসরগুলো ৮ বিটের ছিল, কিন্তু 8086 একটি উন্নত এবং ১৬ বিটের প্রসেসর। B) 16 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাইক্রোপ্রসেসরটি ১৬ বিটের আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে ডিজাইন করা হয়েছিল। C) 32 — ইন্টেলের পরবর্তী প্রজন্মের প্রসেসর যেমন 80386 বা এর পরের সংস্করণগুলো ৩২ বিটের ছিল, 80386 এর আগের মডেলে এটি প্রযোজ্য নয়। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর ১৬ বিট অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইন্টেল 8086 প্রসেসরের নামের শেষ অঙ্কটি খেয়াল করতে পারো, যেখানে 8086 এর মাধ্যমে সাধারণত ১৬ বিটের এক্স৮৬ স্থাপত্যের সূচনা বোঝানো হয়। - বিট সংখ্যা যত বেশি হয়, প্রসেসরের ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা এবং গতি তত বেশি বৃদ্ধি পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 8086 হলো ইন্টেলের জনপ্রিয় এক্স৮৬ সিরিজের প্রথম ১৬ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন প্রজন্মের প্রসেসরের বিট ক্ষমতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a Keypad
b Touch Screen
c Camera
d Power Supply
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Power Supply ১. কেন সঠিক: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন সব হার্ডওয়্যার যা ব্যবহারকারী থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায়। পাওয়ার সাপ্লাই ডিভাইস কোনো তথ্য বা ডেটা কম্পিউটারে ইনপুট করে না, বরং এটি পুরো সিস্টেমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ইনপুট ডিভাইস হলো এমন বাহ্যিক যন্ত্র যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে এবং নির্দেশনা প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীর শারীরিক বা স্পর্শভিত্তিক নির্দেশকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তর করে প্রসেসরের কাছে পাঠানো ইনপুট ডিভাইসের প্রধান কাজ। ব্যবহার: মোবাইল ফোনে বিভিন্ন কমান্ড দেওয়া, ছবি তোলা বা তথ্য প্রবেশ করানোর জন্য ইনপুট ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলার সময় এটি আলো ও দৃশ্যকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে ইনপুট হিসেবে প্রসেসরে পাঠায়। ব্যাখ্যা: ক্যামেরা বাহ্যিক তথ্য গ্রহণ করে বলে এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। উদাহরণ ২: টাচ স্ক্রিনের ওপর আঙুল দিয়ে স্পর্শ করার সাথে সাথে সেই স্পর্শের অবস্থান প্রসেসর ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে। ব্যাখ্যা: টাচ স্ক্রিন ব্যবহারকারীর নির্দেশনা সরাসরি গ্রহণ করে বলে এটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Keypad — কিপ্যাডের মাধ্যমে ব্যবহারকারী অক্ষর বা সংখ্যা টাইপ করে মোবাইলে তথ্য ইনপুট দেন বলে এটি ইনপুট ডিভাইস। B) Touch Screen — টাচ স্ক্রিন ব্যবহারকারীর স্পর্শ বা কমান্ড গ্রহণ করে প্রসেসরে পাঠায় বিধায় এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। C) Camera — ক্যামেরা দৃশ্যমান ছবি বা ভিডিও ধারণ করে ডিভাইসের ভেতর ডেটা প্রেরণ করে যা ইনপুটের অন্তর্ভুক্ত। D) Power Supply — এটি কোনো ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ বা প্রেরণ করে না, কেবল বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ করে তাই এটি ইনপুট ডিভাইস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যেসব যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য বা কমান্ড প্রবেশ করানো হয়, সেগুলোই হলো ইনপুট ডিভাইস। পাওয়ার সাপ্লাই বা ব্যাটারি শুধু শক্তি দেয়, তাই এটি ইনপুট বা আউটপুট কোনো ডিভাইসের ক্যাটাগরিতে পড়ে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসের ক্ষেত্রে ইনপুট এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার এবং মাইক্রোফোন হলো স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট ডিভাইসের চমৎকার উদাহরণ।
a Oracle
b C
c MS-Word
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি ডাটাবেজ ভাষা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। ডাটাবেজ পরিচালনা বা ভাষা বলতে মূলত ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এসকিউএল জাতীয় ভাষাকে বোঝানো হয়। অপশনগুলোতে দেওয়া নামগুলো ডাটাবেজ ভাষা নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ভাষা বা কুয়েরি ভাষা হলো এমন কিছু নির্দেশিকা যা দিয়ে ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ, সংযোজন, পরিবর্তন ও পুনরুদ্ধার করা হয়। কার্যপদ্ধতি: এসকিউএল এর মতো ভাষা ব্যবহার করে ডেটাবেজ সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং নির্দিষ্ট কমান্ডের মাধ্যমে ডেটা প্রসেস করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এসকিউএল ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় ডেটাবেজ ভাষা যার মাধ্যমে ডেটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজা বা কুয়েরি করা যায়। উদাহরণ ২: ওরাকল ডেটাবেজ ব্যাখ্যা: এটি একটি ডেটাবেজ সফটওয়্যার, কোনো স্বতন্ত্র ডেটাবেজ ভাষা নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oracle — এটি একটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সফটওয়্যার, কোনো স্বতন্ত্র প্রোগ্রামিং বা ডেটাবেজ ভাষা নয়। B) C — এটি একটি সাধারণ উদ্দেশ্যমূলক উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ডেটাবেজ ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) MS-Word — এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যার ডেটাবেজের সাথে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু উপরের কোনো অপশনই ডেটাবেজ ভাষা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: ডেটাবেজ ভাষা মানেই এসকিউএল বা স্ট্রাকচার্ড কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ। ওরাকল হলো সফটওয়্যার এবং সি হলো সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডেটাবেজ কুয়েরি ভাষা হলো এসকিউএল বা স্ট্রাকচার্ড কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ। ডেটাবেজ সফটওয়্যার এবং ডেটাবেজ ভাষা এক বিষয় নয়।
a এটি একটি বিজনেস অরিয়েন্টেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিস
b এটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত
c ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক হয়
d উপরের সবগুলোই
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলোই ১. কেন সঠিক: - লিংকডইন বা LinkedIn হলো পেশাজীবীদের জন্য তৈরি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যা এই প্রশ্নের সবকটি তথ্যকে সত্য প্রমাণ করে। - ২০০২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী ২০০৬ সালের মধ্যে এর সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের বেশি ছাড়িয়ে যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: লিংকডইন হলো একটি পেশাদার নেটওয়ার্কিংভিত্তিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। - কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীদের পেশাগত জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি তৈরি, চাকরি খোঁজা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করে। - বৈশিষ্ট্য: এখানে ব্যক্তিগত বিনোদনের চেয়ে ক্যারিয়ার গঠন, দক্ষতা প্রদর্শন এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ প্রধান প্রাধান্য পায়। - ব্যবহার: সারা বিশ্বের চাকরিপ্রার্থী, উদ্যোক্তা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো পেশাগত যোগাযোগের জন্য এটি ব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরির সন্ধান ব্যাখ্যা: একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলী লিংকডইন প্রোফাইল ব্যবহার করে বিভিন্ন টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানে সরাসরি চাকরির আবেদন করতে পারেন। উদাহরণ ২: করপোরেট নেটওয়ার্কিং ব্যাখ্যা: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ কর্মকর্তারা নতুন কর্মী নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে থাকেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটি একটি বিজনেস অরিয়েন্টেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিস — এটি সঠিক হলেও বাকি অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর হতে পারে না। B) এটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত — তথ্যটি সঠিক এবং রিড হফম্যান এটি প্রতিষ্ঠা করেন, তবে অন্য অপশনগুলোও সঠিক। সি) ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক হয় — এই ঐতিহাসিক তথ্যটিও সঠিক, যা প্রথম অপশনের সঙ্গে মিলে যায়। D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু আগের তিনটি অপশনের প্রতিটি তথ্যই সঠিক, তাই এটিই এই প্রশ্নের সবচেয়ে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - লিংকডইন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে এবং মাত্র চার বছরের মধ্যে ২০০৬ সালে এর সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নে পৌঁছায়। - মনে রাখার কৌশল হলো প্রতিষ্ঠার সাল এবং সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধির সময়কাল একসঙ্গে মুখস্থ করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লিংকডইন হলো বিশ্বের বৃহত্তম পেশাদার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রতিষ্ঠার সাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
b দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
c এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
d কোনোটিই নয়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে ১. কেন সঠিক: - গেটওয়ে হলো নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা সম্পূর্ণ ভিন্ন কাঠামোর বা ভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহার করে এমন দুটি নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। - এটি ডেটাকে এক নেটওয়ার্কের প্রোটোকল থেকে অন্য নেটওয়ার্কের উপযোগী প্রোটোকলে রূপান্তর করে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: গেটওয়ে হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার যা ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি উৎস নেটওয়ার্ক থেকে ডেটা প্যাকেট গ্রহণ করে এবং গন্তব্য নেটওয়ার্কের প্রোটোকল অনুযায়ী তা অনুবাদ বা রূপান্তর করে প্রেরণ করে। - ব্যবহার: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান থেকে ইন্টারনেটে প্রবেশ করার সময় এই ডিভাইস বা সফটওয়্যার বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক থেকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে ডেটা পাঠানো। ব্যাখ্যা: ঘরের ভেতরের নিজস্ব নেটওয়ার্কের ডেটাকে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত ইন্টারনেটের প্রোটোকলে রূপান্তর করতে গেটওয়ে কাজ করে। উদাহরণ ২: ইমেইল সার্ভার থেকে অন্য কোনো ভিন্ন প্রোটোকলের মেসেজিং সিস্টেমে বার্তা পাঠানো। ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন কাঠামোর সিস্টেম একে অপরের ভাষা বুঝতে পারে না বিধায় গেটওয়ে তাদের মধ্যে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে — এটি হাব, সুইচ বা রাউটারের কাজ, যা সাধারণত একই ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করে। B) দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে — এটি গেটওয়ের মূল এবং সঠিক কাজ। C) এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে — হাব বা সুইচ একই নেটওয়ার্কের ডিভাইস যুক্ত করে, কিন্তু গেটওয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন নেটওয়ার্ক যুক্ত করে। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাউটার একই প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক জোড়ে, আর গেটওয়ে ভিন্ন প্রোটোকলের ভিন্ন নেটওয়ার্ক জোড়ে। - গেটওয়ে মানে দরজাগুলো, যা এক ঘরের সঙ্গে অন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘরের সংযোগ ঘটায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সবচেয়ে শক্তিশালী ডিভাইস হলো গেটওয়ে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাউটার এবং গেটওয়ের কার্যগত পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a RAM
b Hard Disk
c Pen drive
d কোনোটিই নয়
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) RAM ১. কেন সঠিক: - RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory। এটি কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে। - প্রসেসর বা CPU যখন কোনো ডেটা নিয়ে কাজ করে, তখন তা সরাসরি এই মেমোরি থেকে ডেটা আদান-প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: RAM হলো কম্পিউটারের এমন একটি অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, যেখানে চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় প্রসেসর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা এই মেমোরিতে লেখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেখান থেকে পড়ে। - বৈশিষ্ট্য: এটি একটি দ্রুতগতির রিড-রাইট মেমোরি, যা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে ভেতরের সমস্ত ডেটা মুছে ফেলে। - ব্যবহার: অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ফাইল সচল রাখা, ব্রাউজারে একাধিক ট্যাব খোলা এবং বড় সফটওয়্যার রান করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেখার প্যাড ব্যাখ্যা: পরীক্ষার হলে আমরা রাফ খাতায় বা স্লিপে সাময়িকভাবে হিসাব লিখে রাখি, কাজ শেষ হলে তা ফেলে দিই। RAM ঠিক এভাবেই কম্পিউটারের কাজের সময় অস্থায়ী ডেটা ধরে রাখে। উদাহরণ ২: রান্নাঘরের কাজের টেবিল ব্যাখ্যা: রান্না করার সময় রান্নার উপকরণগুলো হাতের কাছে টেবিলের ওপর রাখা হয়, যাতে দ্রুত কাজ করা যায়। প্রসেসরের কাছে RAM হলো ঠিক তেমনি একটি কাজের টেবিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থেকে প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে। B) Hard Disk — এটি সেকেন্ডারি বা সহায়ক মেমোরি, যা দীর্ঘস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Pen drive — এটি পোর্টেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস বা ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হিসেবে পরিচিত। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাইমারি মেমোরি মানেই সরাসরি সিপিইউ-এর সাথে যুক্ত মেমোরি, যার মূল উদাহরণ হলো RAM এবং ROM। - RAM শব্দটি দেখলেই মনে রাখবে এটি অস্থায়ী বা ভোলাটাইল এবং সেকেন্ডারি ড্রাইভ যেমন হার্ডডিস্ক হলো স্থায়ী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরির পার্থক্য এবং ভোলাটাইল মেমোরির উদাহরণ প্রায়ই আসে। - RAM ও ROM-এর কাজের ধরন ভিন্ন হলেও উভয়ই কম্পিউটারের মূল মেমোরির অংশ।
a ইনপুট
b আউটপুট
c মেমোরি
d উপরের কোনোটিই নয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আউটপুট ১. কেন সঠিক: - প্লটার (Plotter) হলো এক ধরনের হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা কম্পিউটার থেকে নির্দেশ গ্রহণ করে কাগজের ওপর নিখুঁত ও বৃহৎ আকারের গ্রাফিক্স, ড্রয়িং বা নকশা প্রিন্ট করে। - সাধারণ প্রিন্টার যেখানে ডট বা পিক্সেল ব্যবহার করে ছবি বা লেখা প্রিন্ট করে, সেখানে প্লটার পেন বা নিব ব্যবহার করে ভেক্টর গ্রাফিক্সের মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁত রেখা অঙ্কন করে, তাই এটি একটি আউটপুট ডিভাইস। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: প্লটার হলো এমন একটি বিশেষ কম্পিউটার আউটপুট ডিভাইস যা আর্কিটেকচারাল ব্লুপ্রিন্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং এবং বড় আকারের ব্যানার বা পোস্টার প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটাকে পেন্সিল, কলমা বা ইঙ্কজেট কাটারের মাধ্যমে কাগজের ওপর নির্ভুল জ্যামিতিক রেখা ও আকারে রূপান্তর করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণ প্রিন্টারের চেয়ে অনেক বড় কাগজের মাপে কাজ করতে পারে এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁত লাইন ড্রয়িং তৈরি করতে সক্ষম। - ব্যবহার: স্থপতি, প্রকৌশলী এবং গ্রাফিক ডিজাইনাররা ক্যাড (CAD) সফটওয়্যারের নকশা প্রিন্ট করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহুতল ভবনের ব্লুপ্রিন্ট প্রিন্ট করা। ব্যাখ্যা: একটি বিশাল অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের বিস্তারিত ইঞ্জিনিয়ারিং নকশা বা ড্রয়িং নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে প্লটার ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: সড়কের পাশের বড় ফ্লেক্স বা ব্যানার তৈরি। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞাপনের জন্য বিশাল আকারের ব্যানার বা হোর্ডিং প্রিন্ট করার ক্ষেত্রে প্লটারের বিকল্প নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনপুট — ইনপুট ডিভাইস হলো সেইসব যন্ত্র যার মাধ্যমে কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশ পাঠানো হয়, যেমন কীবোর্ড বা মাউস। প্লটার কম্পিউটার থেকে ফলাফল বা ডেটা বাইরে প্রকাশ করে, তাই এটি ইনপুট নয়। B) আউটপুট — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্লটার প্রক্রিয়াজাত ডেটাকে দৃশ্যমান বা প্রিন্ট করা রূপে ব্যবহারকারীর সামনে উপস্থাপন করে। C) মেমোরি — মেমোরি ডিভাইস হলো ডেটা বা তথ্য সংরক্ষণের স্থান, যেমন র‍্যাম বা হার্ডডিস্ক। প্লটার কোনো ডেটা সংরক্ষণ করে না, বরং ফলাফল প্রকাশ করে। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর আউটপুট অপশন বি তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্লট (Plot) শব্দের অর্থ নকশা তৈরি করা বা পরিকল্পনা আঁকা। - যে ডিভাইস নকশা বা ছবি এঁকে আমাদের দেখায় বা কাগজ দেয়, তা হলো আউটপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধারণ প্রিন্টার এবং প্লটারের মূল পার্থক্য হলো প্রিন্টার পিক্সেলভিত্তিক ও প্লটার ভেক্টর বা লাইনভিত্তিক প্রিন্টিং করে। - ক্যাড (CAD) এর পূর্ণরূপ হলো কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন (Computer-Aided Design), যেখানে প্লটার অপরিহার্যভাবে ব্যবহৃত হয়।

মোট প্রশ্ন (10)

a নৈতিক শক্তি
b নৈতিক বিধি
c নৈতিক আদর্শ
d সবগুলোই
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নৈতিক আদর্শ ১. কেন সঠিক: - নৈতিকতা মানুষের আচার-ব্যবহারকে সঠিক ও ভুলের মাপকাঠিতে পরিচালনা করে বলে এটি মানবজীবনের জন্য একটি আদর্শ বা মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে। - নৈতিক আদর্শ বলতে এমন কিছু সর্বজনীন গুণাবলিকে বোঝায় যা একজন মানুষকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবতার পথে পরিচালিত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নৈতিক আদর্শ হলো এমন কিছু উন্নত নীতিমালা যা সমাজ ও ব্যক্তিগত জীবনে ভালো কাজের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। - গুরুত্ব: নৈতিক আদর্শ মানুষের চরিত্র গঠন করে এবং সমাজে শৃঙ্খলা, শান্তি ও পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে নিজের মেধার ওপর ভরসা রেখে অসদুপায় পরিহার করে। ব্যাখ্যা: এখানে সততা ও নৈতিক আদর্শের প্রতিফলন ঘটেছে, যা শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস ও চারিত্রিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: একজন চাকরিজীবী কোনো প্রকার ঘুষ না নিয়ে সততার সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সরকারি সেবা প্রদান করেন। ব্যাখ্যা: এটি পেশাগত নৈতিক আদর্শের সঠিক প্রয়োগ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৈতিক শক্তি — নৈতিকতা মানুষের ভেতরের শক্তি হলেও এটি একা মানবজীবনের সম্পূর্ণ আদর্শ বা রূপরেখা পুরোপুরি প্রকাশ করে না। B) নৈতিক বিধি — নৈতিকতা নির্দিষ্ট কোনো আইন বা কঠোর বিধিমালার মতো নয়, এটি মূলত মানুষের ভেতরের মূল্যবোধ ও আদর্শ। D) সবগুলোই — সব অপশন সঠিক নয় কারণ নৈতিকতা কেবল শক্তি বা বিধি নয়, এটি মূলত জীবনের সর্বোচ্চ আদর্শ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নৈতিকতা সংক্রান্ত প্রশ্নে যদি আদর্শ বা মানদণ্ডের কথা থাকে, তবে তা মানবজীবনের আদর্শ হিসেবে গণ্য করতে হবে। - নৈতিক বিধি বা শক্তি হলো এর উপজাত, কিন্তু মূল রূপটি হলো আদর্শ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিকতা ও মূল্যবোধের মূল ভিত্তি হলো মানুষের ভেতরের বিবেক এবং তা সমাজ কর্তৃক অনুমোদিত আদর্শ। - এই নীতি থেকে নৈতিকতার সংজ্ঞা বা চরিত্র গঠনে এর ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ম্যাকিয়াভেলি
b হবস
c লক
d রাসেল
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাসেল ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বার্ট্রান্ড রাসেলের রাজনৈতিক দর্শন এবং ক্ষমতার স্বরূপ বিশ্লেষণসংক্রান্ত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ নির্দেশ করে। - নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও রাষ্ট্রদর্শনে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় এই গ্রন্থটির গুরুত্ব অপরিসীম। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ক্ষমতা একটি সামাজিক উপাদান যা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত না হলে নৈতিক অবক্ষয় ঘটায়। - গুরুত্ব: সমাজে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নৈতিক সচেতনতা জরুরি। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে অধস্তন কর্মচারীকে অনৈতিক কাজের নির্দেশ দিলে তা প্রত্যাখ্যান করা। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তিগত নৈতিকতা এবং পেশাগত সততার সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: জনসেবামূলক কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিরপেক্ষ থেকে সব নাগরিককে সমান সুযোগ প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি ন্যায়বিচার ও সাম্যের মূল্যবোধের প্রতিফলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যাকিয়াভেলি — তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো দ্য প্রিন্স যা রাজনৈতিক কৌশল ও ক্ষমতাচর্চা নিয়ে রচিত। B) হবস — তার বিখ্যাত গ্রন্থ লেভিয়াথান যা সামাজিক চুক্তি তত্ত্ব ও রাষ্ট্রগঠন নিয়ে আলোচনা করে। C) লক — তার বিখ্যাত গ্রন্থ টু ট্রিটিজেস অফ গভর্নমেন্ট যা উদারনৈতিক গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের ভিত্তি স্থাপন করে। D) রাসেল — তিনি Power: A New Social Analysis গ্রন্থটি রচনা করে ক্ষমতার মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক দিক বিশ্লেষণ করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক গ্রন্থ মনে রাখতে লেখকের প্রধান দর্শন ও চিন্তাধারা মাথায় রাখতে হবে। - ক্ষমতা বা Power সম্পর্কিত আধুনিক বিশ্লেষণ মানেই বার্ট্রান্ড রাসেলের অবদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাজনৈতিক দর্শন ও ক্ষমতার নৈতিক বিশ্লেষণ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - বিভিন্ন দার্শনিকের বিখ্যাত গ্রন্থ ও তাদের মূল বিষয়বস্তু ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a গাণিতিক মধ্যমান
b দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা
c সম্ভাব্য সব ধরনের কাজের মধ্যমান
d একটি দার্শনিক সম্প্রদায়ের নাম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা ১. কেন সঠিক: - নৈতিক দর্শনে অ্যারিস্টটলের মধ্যপন্থা বা সুবর্ণ মধ্যক হলো দুটি চরম আচরণের মধ্যবর্তী ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান। এটি মানুষকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বা অপ্রতুলতা এড়িয়ে ভারসাম্য বজায় রাখতে শেখায়। - এই নীতি আমাদের শিক্ষা দেয় যে নৈতিক উৎকর্ষ অর্জনের জন্য কোনো কাজেই বাড়াবাড়ি বা চরমপন্থা ভালো নয়, বরং মধ্যমপন্থা বা পরিমিতিবোধই হলো সর্বশ্রেষ্ঠ। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুবর্ণ মধ্যক বা গোল্ডেন মিন হলো দুটি চরম বৃত্তির ঠিক মাঝখানে অবস্থিত নৈতিক গুণ, যা অতিরিক্ত ও অপ্রতুলতার মধ্যকার ভারসাম্য রক্ষা করে। - প্রয়োগ: ব্যক্তিগত জীবনে রাগ, খরচ বা কাজের ক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত বা অবহেলা না করে পরিমিত ও যুক্তিসংগত আচরণ করা। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় অতিরিক্ত রাত জাগা বা একেবারে পড়াশোনা না করার চরমপন্থা এড়িয়ে নিয়মিত পরিমিত পড়াশোনা করা। ব্যাখ্যা: এটি তার শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্য বজায় রেখে সফল হতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: পারিবারিক বা দাপ্তরিক খরচের ক্ষেত্রে কৃপণতা বা অপচয়—উভয় চরমপন্থা পরিহার করে প্রয়োজনীয় ও সাশ্রয়ী হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সুষম আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে এবং ভবিষ্যতে আর্থিক সংকট রোধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাণিতিক মধ্যমান — এটি পরিসংখ্যান ও গণিতের একটি পরিমাপ, কোনো নৈতিক বা দার্শনিক ধারণা নয়। B) দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা — এটি নৈতিক দর্শনের সুবর্ণ মধ্যক ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় এবং সঠিক উত্তর। C) সম্ভাব্য সব ধরনের কাজের মধ্যমান — এটি নৈতিকতার পরিমিতিবোধ নির্দেশ করে না, বরং একটি অবাস্তব ও অযৌক্তিক পরিসংখ্যানগত গড় বোঝায়। D) একটি দার্শনিক সম্প্রদায়ের নাম — সুবর্ণ মধ্যক কোনো দার্শনিক সম্প্রদায় বা দল নয়, এটি গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের একটি নৈতিক তত্ত্ব। ৫. মনে রাখার টিপস: সুবর্ণ মধ্যক মানেই হলো দুটি চরম অবস্থার ঠিক মাঝখানের ভারসাম্য। অ্যারিস্টটলের নাম মনে রাখলে এবং অতিরিক্ত বা কম—এই দুইয়ের বর্জন মনে রাখলে উত্তর সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি থেকে নৈতিকতার পরিমিতিবোধ ও ভারসাম্যপূর্ণ আচরণের ধারণাটি স্পষ্ট হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নীতি কার প্রবর্তিত বা এর বাস্তব প্রয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a মৌলিক মূল্যবোধ সংক্রান্ত সাধারণ বচন যা সংগঠনের পেশাগত ভূমিকাকে সংজ্ঞায়িত করে
b বাস্তবতার নিরিখে নির্দিষ্ট আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ সংক্রান্ত আচরণবিধি
c দৈনন্দিন কার্যকলাপ ত্বরান্বিত করণে প্রণীত নৈতিক নিয়ম, মানদণ্ড বা আচরণবিধি
d উপরের তিনটিই সঠিক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের তিনটিই সঠিক ১. কেন সঠিক: - নৈতিক আচরণবিধি বলতে মূলত কোনো পেশা বা প্রতিষ্ঠানের নৈতিক মানদণ্ড, মৌলিক মূল্যবোধ এবং নির্দিষ্ট আচরণের নীতিমালাকে একত্রে বোঝানো হয়। - পেশাগত নৈতিকতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য এই তিনটি স্তরের নীতিমালা মিলেই একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণবিধি গঠিত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পেশাগত নৈতিকতা হলো এমন কিছু নিয়ম ও আদর্শ যা কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের কাজের মান এবং সততা বজায় রাখতে পরিচালিত করে। - গুরুত্ব: এটি প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং পেশাদারিত্ব রক্ষা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি অফিসে কাজ করার সময় সততা রক্ষা এবং অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করা যায়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ফাইল নিষ্পত্তিতে কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা না নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী সেবা প্রদান করছেন। ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ সংক্রান্ত আচরণবিধির বাস্তব প্রয়োগ, যা সুশাসন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: কোনো ব্যাংকের কর্মী গ্রাহকের গোপনীয়তা রক্ষা করে সততার সঙ্গে ব্যাংকিং সেবা পরিচালনা করছেন। ব্যাখ্যা: এটি সংগঠনের পেশাগত ভূমিকা ও মৌলিক মূল্যবোধের প্রতি বিশ্বস্ত থাকার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক মূল্যবোধ সংক্রান্ত সাধারণ বচন যা সংগঠনের পেশাগত ভূমিকাকে সংজ্ঞায়িত করে — এটি আংশিক সঠিক কারণ আচরণবিধির প্রথম স্তর এটি, কিন্তু অন্যান্য দিক এর অন্তর্ভুক্ত। B) বাস্তবতার নিরিখে নির্দিষ্ট আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ সংক্রান্ত আচরণবিধি — এটিও সঠিক কারণ বাস্তব কর্মক্ষেত্রে আচরণের পরিমাপ ঠিক করতে এটি প্রয়োজন, তবে এটি একমাত্র দিক নয়। C) দৈনন্দিন কার্যকলাপ ত্বরান্বিত করণে প্রণীত নৈতিক নিয়ম, মানদণ্ড বা আচরণবিধি — এটিও সঠিক কারণ দৈনন্দিন কাজের স্বচ্ছতা রক্ষায় সুনির্দিষ্ট নিয়ম কাজ করে। D) উপরের তিনটিই সঠিক — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণবিধিতে এই তিনটি দিকই অন্তর্ভুক্ত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নৈতিক আচরণবিধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে এটি শুধু মৌলিক মূল্যবোধ বা নির্দিষ্ট নিয়ম নয়, বরং সার্বিক মানদণ্ড ও দৈনন্দিন কর্মপদ্ধতির একটি সামগ্রিক রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পেশাগত নৈতিকতা এবং সুশাসন সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় যে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম একসঙ্গে কাজ করে। - একই নীতি থেকে ভিন্ন অপশন সাজিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে, তাই সামগ্রিক ধারণা পরিষ্কার রাখা জরুরি।
a সামাজিক মূল্যবোধকে
b গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে
c ব্যক্তিগত মূল্যবোধকে
d স্বাধীনতার মূল্যবোধকে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সামাজিক মূল্যবোধকে ১. কেন সঠিক: - ব্যক্তিগত মূল্যবোধ যেমন সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও শৃঙ্খলা একজন মানুষের ভেতর থেকে তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে তার কাজের মাধ্যমে সমাজেও ছড়িয়ে পড়ে। - এই ব্যক্তিগত গুণাবলি ও নৈতিক চর্চাই বৃহত্তর পরিসরে সমাজের ভিত্তি মজবুত করে এবং সামাজিক মূল্যবোধকে সমৃদ্ধ ও লালন করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ব্যক্তিগত মূল্যবোধ হলো ব্যক্তির নিজস্ব বিশ্বাস ও নৈতিক মানদণ্ড, যা তার আচরণ ও সিদ্ধান্তকে পরিচালিত করে। - গুরুত্ব: সুস্থ সমাজ গঠনে ব্যক্তিগত সচেতনতা এবং নৈতিক আচরণের চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। - প্রয়োগ: নিজের সততা বজায় রেখে এবং অন্যের অধিকারকে সম্মান করে ব্যক্তিগত মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো সম্ভব। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে শিক্ষকের অনুপস্থিতিতেও সততা বজায় রেখে নিজে লেখে এবং অসদুপায় পরিহার করে। ব্যাখ্যা: এটি তার ব্যক্তিগত সততা ও নৈতিকতার বহিঃপ্রকাশ, যা পরবর্তীতে একটি সৎ প্রজন্ম গঠনে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং লাইনে দাঁড়িয়ে সেবা গ্রহণ করা একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত অভ্যাসের অংশ। ব্যাখ্যা: এই ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ ও শৃঙ্খলার চর্চা সামগ্রিকভাবে সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সামাজিক মূল্যবোধ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক মূল্যবোধকে — এটি সঠিক কারণ ব্যক্তিগত মূল্যবোধের চর্চাই শেষ পর্যন্ত সমাজকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। B) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে — গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রধানত রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক কাঠামোর সাথে সম্পর্কিত, যা ব্যক্তিগত মূল্যবোধের সরাসরি পরিধিভুক্ত নয়। C) ব্যক্তিগত মূল্যবোধকে — ব্যক্তিগত মূল্যবোধ নিজেই নিজের বিকাশ ঘটায় না, বরং তা বৃহত্তর সমাজের সাথে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সামাজিক মূল্যবোধকে রূপ দেয়। D) স্বাধীনতার মূল্যবোধকে — স্বাধীনতার মূল্যবোধ মূলত নাগরিক অধিকার এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সাথে সম্পর্কিত, যা এই প্রশ্নের মূল ধারণার সাথে পুরোপুরি মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যক্তি থেকে সমাজ, এই সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। - নিজের ভালো গুণগুলো যখন সমাজ অনুসরণ করে, তখন তা সামাজিক মূল্যবোধে রূপ নেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের পারস্পরিক সম্পর্ক থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে নৈতিকতা ও সুশাসনের অন্যান্য মৌলিক ধারণাও পরিষ্কার হবে।
a দুর্নীতি রোধ করা
b সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা
c রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধ করা
d সাংস্কৃতিক অবরোধ রক্ষণ করা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা ১. কেন সঠিক: - মূল্যবোধ শিক্ষা মানুষের অন্তরের নৈতিক চেতনা জাগ্রত করে এবং সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও শৃঙ্খলার বোধ তৈরি করে, যা অপরাধ ও নৈতিক পতন রোধ করে। - ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা মানুষকে সঠিক ও ভুলের পার্থক্য বোঝাতে সাহায্য করে এবং অনৈতিক আচরণ থেকে দূরে রাখে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো মানুষের সেইসব বিশ্বাস ও আদর্শ, যা তার আচরণ ও সমাজ পরিচালনাকে নির্দেশ করে। - গুরুত্ব: সুস্থ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে এবং মানুষের ভেতরের নৈতিক মানবতাবোধ টিকিয়ে রাখতে মূল্যবোধ শিক্ষার বিকল্প নেই। - প্রয়োগ: পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শন, অন্যের অধিকার রক্ষা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মাধ্যমে ব্যক্তিজীবনে মূল্যবোধের প্রয়োগ ঘটে। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসে এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ গড়ে ওঠে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় কোনো প্রবীণ ব্যক্তিকে রাস্তা পার হতে দেখলে সাহায্য করা। ব্যাখ্যা: এটি আমাদের সামাজিক দায়িত্ব এবং সহমর্মিতা নামক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ, যা সমাজে মানবিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করে। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বা কর্মক্ষেত্রে সততার সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করা। ব্যাখ্যা: সততা ও কর্তব্যপরায়ণতা মূল্যবোধের অংশ, যা সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয় রোধে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্নীতি রোধ করা — দুর্নীতি রোধ মূল্যবোধ শিক্ষার একটি ফল হলেও, এটি মূলত প্রশাসনিক ও আইনি সুশাসনের সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। C) রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধ করা — রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধের জন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জবাবদিহি প্রধান শর্ত, যা মূল্যবোধ শিক্ষার প্রত্যক্ষ লক্ষ্য নয়। D) সাংস্কৃতিক অবরোধ রক্ষণ করা — সাংস্কৃতিক অবরোধ রক্ষণ করা কোনো নৈতিক বা কল্যাণকর উদ্দেশ্য নয়, বরং এটি সমাজ প্রগতির পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: মূল্যবোধ শিক্ষা মূলত মানুষের ভেতরের সুকুমার বৃত্তির বিকাশ ঘটায়, তাই এর মূল কাজ সামগ্রিক সমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মূল্যবোধ শিক্ষা ব্যক্তির ভেতরের নৈতিকতা বৃদ্ধি করে এবং বৃহত্তর সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে। এই টপিক থেকে নৈতিক অবক্ষয় এবং সামাজিক উন্নয়নের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a সুসম্পর্ক গড়ে তোলে
b আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে
c শান্তির সম্পর্ক গড়ে তোলে
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে ১. কেন সঠিক: - সুশাসন এমন একটি শাসন ব্যবস্থা যেখানে সরকার ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তি মজবুত থাকে। - স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে এই আস্থার সম্পর্ক গড়ে ওঠে যা সুশাসনের অন্যতম প্রধান শর্ত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যেখানে আইন ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। - গুরুত্ব: আস্থার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হলে নাগরিকরা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় এবং নীতি মানে। - প্রয়োগ: সরকারি কাজে সততা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রেখে জনগণের বিশ্বাস অর্জন করা সম্ভব। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে সমাজে বিশৃঙ্খলা কমে এবং রাষ্ট্রে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়ে অফিসে এসে নিরপেক্ষভাবে সেবা প্রদান করলে সাধারণ মানুষের মনে দপ্তরের প্রতি ভরসা জন্মায়। ব্যাখ্যা: এখানে কর্তব্যে নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতা আস্থার সম্পর্ক তৈরি করে। উদাহরণ ২: টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো স্বজনপ্রীতি না করে সৎ উপায়ে কাজ দিলে ঠিকাদার ও সরকারের মাঝে বিশ্বাস তৈরি হয়। ব্যাখ্যা: এই সততা সুশাসনের ভিত্তিকে শক্তিশালী করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুসম্পর্ক গড়ে তোলে — সুসম্পর্ক একটি উদার সামাজিক টার্ম হলেও সুশাসনের গভীরে যে প্রাতিষ্ঠানিক আস্থার প্রয়োজন, তা এই শব্দে পুরোপুরি প্রকাশ পায় না। B) আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে — এটি সঠিক কারণ সুশাসনের মূল লক্ষ্যই হলো জনগণের মনে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা তৈরি করা। C) শান্তির সম্পর্ক গড়ে তোলে — শান্তি সুশাসনের ফল হতে পারে, কিন্তু শাসন ব্যবস্থার মৌলিক ভিত্তি হলো আস্থার সম্পর্ক। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের চাবিকাঠি হলো জনগনের আস্থা। - প্রশাসন ও জনগণের মেলবন্ধন তৈরি হয় আস্থার মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - সুশাসন সংক্রান্ত পরীক্ষায় প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে যা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক প্রয়োগ মূল্যায়ন করে।
a অর্থনৈতিক উন্নয়ন
b অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন
c সামাজিক উন্নয়ন
d সবগুলোই
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ১. কেন সঠিক: - সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি সমাজের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং সুষম সুযোগ সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি। - সুশাসন ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক, যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার একসঙ্গে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। - গুরুত্ব: অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র বা সমাজ তার নাগরিকদের মৌলিক মানবাধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারে না। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাষ্ট্রে শুধু মাথাপিছু আয় বাড়ল কিন্তু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের সুষম বণ্টন হলো না, একে পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন বলা যায় না। ব্যাখ্যা: সুশাসনের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: একটি এলাকার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি যদি দরিদ্র শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়, তবে তা টেকসই উন্নয়ন। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উভয় খাতের উন্নয়ন একসঙ্গে সাধিত হয়, যা সুশাসনের মূল ভিত্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক উন্নয়ন — এটি সুশাসনের অন্যতম শর্ত হলেও একমাত্র শর্ত নয়, কারণ সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা ছাড়া শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সুশাসন আনতে পারে না। B) অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুশাসনের জন্য অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সামাজিক কল্যাণ উভয়ই সমভাবে প্রয়োজন। C) সামাজিক উন্নয়ন — শুধু সামাজিক উন্নয়ন দিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়, কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ভিত্তিরও প্রয়োজন হয়। D) সবগুলোই — সব অপশন সঠিক নয় কারণ এখানে এককভাবে শুধু অর্থনীতি বা শুধু সমাজকে সুশাসনের পূর্বশর্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা সঠিক ধারণার পরিপন্থী। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানে শুধু টাকার অঙ্ক বাড়া নয়, বরং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন। - মনে রাখবে, অর্থ এবং সমাজ হাত ধরাধরি করে চললেই সুশাসন ত্বরান্বিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো যেমন অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি ভালোভাবে আয়ত্ত করবে। - একই নীতি থেকে সুশাসনের মূল বৈশিষ্ট্য বা প্রতিবন্ধকতাসংক্রান্ত প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে।
a স্বাধীনতা
b ক্ষমতা
c কর্মদক্ষতা
d জনকল্যাণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জনকল্যাণ ১. কেন সঠিক: - জনপ্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের কল্যাণ সাধন করা এবং রাষ্ট্রীয় সেবার মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। - জনকল্যাণ হলো সুশাসন ও জনসেবামূলক মনোভাবের সর্বজনস্বীকৃত প্রধান মাপকাঠি। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: জনকল্যাণ বলতে বৃহত্তর সমাজের স্বার্থরক্ষা এবং প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা বোঝায়। - গুরুত্ব: এটি সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নিরপেক্ষতা, সেবা মনোভাব ও নৈতিক দায়িত্ববোধ তৈরি করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা এলাকার সাধারণ মানুষের কষ্ট দূর করতে দ্রুত সেবা প্রদান করেন। ব্যাখ্যা: এখানে জনপ্রশাসকের জনকল্যাণমুখী মানসিকতার প্রকাশ ঘটে। উদাহরণ ২: ত্রাণ বিতরণে কোনো স্বজনপ্রীতি না করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা। ব্যাখ্যা: এটি নিরপেক্ষভাবে জনকল্যাণ সাধনের একটি নৈতিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাধীনতা — এটি রাজনৈতিক অধিকার, জনপ্রশাসনের একক বা মৌলিক লক্ষ্য নয়। B) ক্ষমতা — ক্ষমতা প্রশাসনের হাতিয়ার হতে পারে, কিন্তু এটি জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার মাধ্যম মাত্র, মৌলিক মূল্যবোধ নয়। C) কর্মদক্ষতা — কর্মদক্ষতা কাজের গুণগত মান বাড়ায়, কিন্তু এর উদ্দেশ্য জনকল্যাণ না হলে তা অর্থহীন। D) জনকল্যাণ — এটি জনপ্রশাসনের মূল লক্ষ্য ও পরম নৈতিক মূল্যবোধ। ৫. মনে রাখার টিপস: - জনপ্রশাসনের মূল মন্ত্র হলো জনগণের সেবা করা, তাই উত্তর নির্বাচনের সময় জনকল্যাণ বা জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসন ও জনসেবামূলক প্রশ্নগুলোতে সবসময় জনগণের অধিকার এবং কল্যাণকে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরতে হবে।
a আইনের শাসন
b জবাবদিহিতা
c স্বজনপ্রীতি
d ন্যায়পরায়ণতা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বজনপ্রীতি ১. কেন সঠিক: - স্বজনপ্রীতি হলো সুশাসনের মৌলিক নীতি ও সমতার পরিপন্থী একটি মারাত্মক ব্যাধি যাাগ্যতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রাধান্য দেয়। - এটি সুশাসনের মূল স্তম্ভ যেমন নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং মেধার মূল্যায়নকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: স্বজনপ্রীতি হলো নিজের আত্মীয়স্বজন বা পরিচিত ব্যক্তিদের অযৌক্তিকভাবে সুযোগ বা সুবিধা প্রদান করা। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নিরপেক্ষতা এবং মেধার মূল্যায়ন অপরিহার্য যা স্বজনপ্রীতির কারণে বিনষ্ট হয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো প্রতিষ্ঠানে সেবা প্রদানে বা নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঊর্ধ্বে উঠে মেধার মূল্যায়ন করা। - সম্ভাব্য প্রভাব: স্বজনপ্রীতির কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হন এবং সমাজে হতাশা, দুর্নীতি ও আস্থার সংকট তৈরি হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো সরকারি অফিসে চাকরির ইন্টারভিউ বোর্ডে নিজের আত্মীয়কে অবৈধভাবে বেশি নম্বর দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি পেশাগত সততা ও নৈতিকতার চরম লঙ্ঘন কারণ এখানে যোগ্য প্রার্থীর অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি ত্রাণ বিতরণের সময় দলীয় বা আত্মীয়তার সম্পর্ক বিবেচনা না করে প্রকৃত দুস্থদের মাঝে তা বণ্টন করা। ব্যাখ্যা: এটি নিরপেক্ষতা ও সুশাসনের সঠিক প্রয়োগের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনের শাসন — আইনের শাসন সুশাসনের একটি প্রধান শর্ত ও সহায়ক শক্তি, তাই এটি অন্তরায় নয়। B) জবাবদিহিতা — জবাবদিহিতা ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে সরাসরি সাহায্য করে। D) ন্যায়পরায়ণতা — ন্যায়পরায়ণতা পক্ষপাতহীন আচরণ শেখায় যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত জরুরি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের পথে অন্তরায়গুলো হলো দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, বৈষম্য এবং জবাবদিহিতার অভাব। - মনে রাখতে হবে সুশাসন মানে আইনের চোখে সবাই সমান, যেখানে স্বজনপ্রীতির কোনো স্থান নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদান এবং এর প্রতিবন্ধকতাগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য আবশ্যক। - সুশাসনের স্তম্ভ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।

মোট প্রশ্ন (39)

a যুদ্ধপরাধীদের বিচার
b সমুদ্রসীমা বিজয়
c বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
d বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুদ্ধপরাধীদের বিচার ১. কেন সঠিক: - যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম এক যুগান্তকারী ও আইনি পদক্ষেপ, যা রাষ্ট্রকে দায়মুক্তির সংস্কৃতি থেকে বের করে এনেছে। - এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও নির্যাতিত মা-বোনদের আত্মত্যাগের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকারের মানদণ্ড রক্ষা করেছে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিচার সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জাতীয় ক্ষোভ প্রশমিত হয় এবং বাঙালি জাতির কাঙ্ক্ষিত বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ব্যাখ্যা: এই বিশেষায়িত বিচারিক প্রতিষ্ঠানটি গঠনের মাধ্যমে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারকার্য সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে অনন্য। উদাহরণ ২: একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ব্যাখ্যা: শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গঠিত এই সামাজিক আন্দোলনটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিকে জনসমক্ষে জোরালো করতে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল, যা পরীক্ষার্থীদের জানা জরুরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুদ্ধপরাধীদের বিচার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের বিচারিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অর্জন। B) সমুদ্রসীমা বিজয় — মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা জিতে সমুদ্রসীমা অর্জন বাংলাদেশের কূটনীতির বড় সাফল্য হলেও মূল প্রশ্নে এটিকে প্রধান অর্জন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। C) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ — বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটি পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক সূচক যা আমদানিব্যয় ও বাজারের চাহিদার ওপর নির্ভর করে ওঠানামা করে। D) বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি — বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন সরকারের একটি বড় অবকাঠামোগত সাফল্য হলেও এটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মতো ঐতিহাসিক ও নৈতিক গুরুত্ব বহন করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - একাত্তরের শহীদদের ঋণ শোধের সবচেয়ে বড় আইনি পদক্ষেপ হলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। - ২০১০ সালে ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক বিচারকার্য শুরু হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কত সালে গঠিত হয় এবং এর মূল কাজ কী, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কোন আইনের অধীনে পরিচালিত হয়েছে, সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা উচিত।
a ২৫ মার্চ ১৯৭১
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
d ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ ১. কেন সঠিক: ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। বিজয়ের ঠিক প্রাক্কালে বাঙালি জাতিকে মেধাহীন ও পঙ্গু করে দিতেই এই পরিকল্পিত ও নৃশংস বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পরাজয় নিশ্চিত জেনেই পাকিস্তানি বাহিনী বুদ্ধিজীবীদের তালিকা তৈরি করে তাদের বাসা থেকে তুলে নিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে হত্যা করে। তারিখ ও স্থান: ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, পুরান ঢাকা এবং বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের ধরে নেওয়া হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই হত্যাকাণ্ডের ফলে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ তার মেধাবী নেতৃত্ব, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের হারায়, যা জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ব্যাখ্যা: প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা জাতির মেধাবী সন্তানদের আত্মত্যাগের স্মৃতি বহন করে। উদাহরণ ২: রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ব্যাখ্যা: বুদ্ধিজীবীদের হত্যার নির্মম স্মারক হিসেবে রায়েরবাজার ও মিরপুরে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের সেই নিষ্ঠুরতার ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে পাকিস্তানি বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে ঢাকাসহ সারাদেশে নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করে। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। D) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই তারিখে পাকিস্তানি বাহিনী রেসকোর্স ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে, অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। ২৫ মার্চ কালরাত্রি দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন তারিখে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল অথবা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে।
a যুক্তরাজ্য
b পূর্ব জার্মানি
c স্পেন
d গ্রিস
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পূর্ব জার্মানি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশকে প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে পূর্ব জার্মানি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পূর্ব জার্মানি কূটনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন প্রদান করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি বাংলাদেশকে প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে ইউরোপীয় অঞ্চলে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। এটি সদ্য স্বাধীন দেশের আন্তর্জাতিক বৈধতা অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভুটান ও ভারত ব্যাখ্যা: ভুটান ও ভারত বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে, যা আমাদের কূটনৈতিক বিজয়ের সূচনা ছিল। উদাহরণ ২: সোভিয়েত ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: পরাশক্তি হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্বীকৃতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করেছিল এবং জাতিসংঘে কূটনৈতিক ভারসাম্য এনেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, যা প্রথম ইউরোপীয় দেশ নয়। B) পূর্ব জার্মানি — এটি সঠিক উত্তর। C) স্পেন — স্পেন বাংলাদেশের অনেক পরে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও স্বীকৃতি প্রদান করে। D) গ্রিস — গ্রিস ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি, বরং পরবর্তীতে স্বীকৃতি প্রদান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউরোপে প্রথম জার্মানি পূর্ব দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিল এভাবে মনে রাখতে পারেন। পূর্ব জার্মানি ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ এবং প্রথম ইউরোপীয় দেশ আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। একই বিষয় থেকে প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশ বা পরাশক্তির নাম সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১৭ টি
b ২০ টি
c ৬৪ টি
d ১৯ টি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯ টি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিন্যাসের ইতিহাসে ১৯টি বৃহত্তর জেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা। ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল থেকে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১৯টি বৃহত্তর জেলায় ভাগ করা হয়েছিল। ২. প্রশাসনিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর ১৯৮৪ সালের আগে পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ১৯টি বৃহত্তর জেলা ছিল। পরবর্তীতে প্রশাসনিক গতিশীলতা আনয়ন ও জনসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১৯৮৪ সালে এই ১৯টি বৃহত্তর জেলাকে ভেঙে বর্তমানের ৬৪টি জেলায় রূপান্তর করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বৃহত্তর জেলা ব্যাখ্যা: ঢাকা বৃহত্তর জেলা ভেঙে বর্তমান ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও শরীয়তপুর জেলা গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ময়মনসিংহ বৃহত্তর জেলা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ বৃহত্তর জেলা ভেঙে ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা জেলা গঠিত হয়েছে যা থেকে বৃহত্তর জেলার প্রশাসনিক পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ টি - এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের বর্তমান অঞ্চলের কোনো প্রশাসনিক একক বা বৃহত্তর জেলার সঙ্গে মিল নেই। B) ২০ টি - এটি একটি ভুল সংখ্যা, কারণ তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশে ২০টি বৃহত্তর জেলা ছিল না। C) ৬৪ টি - এটি বর্তমান বাংলাদেশের মোট জেলার সংখ্যা, বৃহত্তর জেলার সংখ্যা নয়। D) ১৯ টি - এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৮৪ সালের প্রশাসনিক সংস্কারের পূর্বে বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলার সংখ্যা ছিল ১৯টি। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯টি বৃহত্তর জেলাকে ভেঙে পরবর্তীতে ৬৪টি জেলা করা হয়, এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য সংখ্যা দুটি মনে রাখা জরুরি। পাকিস্তান আমল এবং স্বাধীনতার পর কিছুদিন পর্যন্ত ১৯টি বৃহত্তর জেলা দিয়েই দেশের শাসনকার্য পরিচালিত হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বর্তমান ৬৪টি জেলা কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থার ফল বা পূর্বে বৃহত্তর জেলা কয়টি ছিল। এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীकरण এবং ১৯৮৪ সালের প্রশাসনিক সংস্কার সম্পর্কে ধারণা লাভ করে।
a রাঙামাটি
b বান্দরবান
c মৌলভীবাজার
d সিলেট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙামাটি ১. কেন সঠিক: - শুভলং ঝরনা বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলায় কাপ্তাই হ্রদের তীরে অবস্থিত। - পাহাড়ি ঝরনাগুলোর মধ্যে এটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার মতো। ২. ভৌগোলিক পরিচিতি ও তাৎপর্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: রাঙামাটি সদর থেকে ইঞ্জিনবোর্ডে কাপ্তাই হ্রদ পার হয়ে শুভলং ঝরনায় পৌঁছাতে হয়। - প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: বর্ষাকালে এই ঝরনার পানির ধারা অনেক বৃদ্ধি পায় এবং পাহাড়ের ওপর থেকে জলরাশি নিচে আছড়ে পড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাধবকুণ্ড ঝরনা ব্যাখ্যা: এটি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম বড় পাহাড়ি ঝরনা। উদাহরণ ২: নাফাকুম ঝরনা ব্যাখ্যা: এটি বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় সাঙ্গু নদীর ওপর অবস্থিত একটি বিখ্যাত জলপ্রপাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শুভলং ঝরনা এই জেলাতেই অবস্থিত। B) বান্দরবান — এটি সঠিক নয় কারণ বান্দরবানে বগালেক, রিজুক ঝরনা ও নাফাকুম অবস্থিত। C) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে মাধবকুণ্ড ও হামহাম ঝরনা অবস্থিত। D) সিলেট — এটি সঠিক নয় কারণ সিলেটে লালাখাল ও বিছনাকান্দি থাকলেও এই বিখ্যাত ঝরনাটি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাঙামাটি মানেই কাপ্তাই হ্রদ এবং কাপ্তাই হ্রদের তীরেই রয়েছে বিখ্যাত শুভলং ঝরনা। - পাহাড়ি জেলাগুলোর ঝরনাগুলোর নাম ও অবস্থান আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলাদেশের বিভিন্ন ঝরনা ও পর্যটন কেন্দ্রের নাম কোন জেলায় অবস্থিত তা জানতে চাওয়া হয়। - নদী, পাহাড় ও ঝরনার সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান জানা থাকলে ভূগোল অংশের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a পুটিয়া, রাজশাহী
b নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
c লালপুর, নাটোর
d ঈশ্বরদী, পাবনা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালপুর, নাটোর ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী নাটোর জেলার লালপুর উপজেলাকে দেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এখানে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অনেক সময় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় এবং রেকর্ড পরিমাণে গরম অনুভূত হয়। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও আবহাওয়া: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি হওয়ার কারণে এখানে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু বিরাজ করে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত উষ্ণতা এবং শীতকালে তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের শীতলতম স্থান হিসেবে পরিচিত এবং এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। উদাহরণ ২: রাজশাহী জেলা ব্যাখ্যা: এটি চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর অঞ্চল হিসেবে পরিচিত যেখানে গ্রীষ্মে প্রচণ্ড গরম ও শীতে তীব্র ঠান্ডা পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুটিয়া, রাজশাহী — এটি রাজশাহীর একটি ঐতিহাসিক উপজেলা হলেও এটি দেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়। B) নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের একটি উপজেলা এবং এখানেও প্রচণ্ড গরম পড়ে, তবে এটি উষ্ণতম স্থান নয়। C) লালপুর, নাটোর — এটি আবহাওয়া অধিদপ্তরের রেকর্ড অনুযায়ী বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে চিহ্নিত। D) ঈশ্বরদী, পাবনা — এটি আবহাওয়া সংক্রান্ত নানা রেকর্ড ও গবেষণার জন্য পরিচিত হলেও উষ্ণতম স্থান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উষ্ণতম স্থান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নাটোরের লাল গোলাপের সঙ্গে গরমের অনুভূতি মিলিয়ে রাখা। অন্যদিকে শীতলতম স্থান হিসেবে শ্রীমঙ্গলকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, উষ্ণতম ও শীতলতম স্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার্থীরা ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও আবহাওয়ার আঞ্চলিক তারতম্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
a ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
d ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সরকারের অনুমোদনক্রমে গৃহীত হয়। পটুয়া কামরুল হাসানের নেতৃত্বে একটি দল শিবনারায়ণ দাসের তৈরি মূল নকশাকে কিছুটা পরিমার্জন করে বর্তমান রূপ দেয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন আ স ম আবদুর রব। তারিখ ও স্থান: তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা ছাত্র সমাবেশে এই পতাকা প্রথম উন্মোচন করেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: পটুয়া কামরুল হাসান জাতীয় পতাকার বর্তমান নকশা চূড়ান্ত করেন এবং শিবনারায়ণ দাস প্রথম পতাকার নকশা তৈরি করেছিলেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পতাকা আত্মত্যাগের রক্তিম সূর্য এবং সবুজ বাংলার স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে সমগ্র মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের মার্চ মাস। ব্যাখ্যা: এই মাসে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি সশস্ত্র সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করে। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাস। ব্যাখ্যা: এই মাসে সদ্য স্বাধীন দেশের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস এবং এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়, জাতীয় পতাকা গৃহীত হওয়ার তারিখ নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। D) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ — এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, যা ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ জাতীয় পতাকা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়। সাল মনে রাখতে ১৯৭২ সাল এবং তারিখ ১৭ জানুয়ারি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় পতাকার ডিজাইনার এবং প্রথম উত্তোলক কারা, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। পতাকার সবুজ রঙের মাঝে লাল বৃত্তের অনুপাত হলো ১০ অনুপাত ৬।
a প্রথম ১০ টি
b প্রথম ৪ টি
c প্রথম ৬ টি
d প্রথম ৫ টি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রথম ৪ টি ১. কেন সঠিক: - আমাদের জাতীয় সংগীতের প্রথম চার চরণ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো হয়। - বাংলাদেশের সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের পূর্ণ সংস্করণ বা প্রথম চার চরণ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জাতীয় প্রতীক, পতাকা, সংগীত ও স্মৃতিসৌধ - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: আমাদের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা গানটির প্রথম দশ চরণ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার কর্তৃক জাতীয় সংগীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই অমর গানটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রজ্ঞাপন দ্বারা জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: জাতীয় সংগীত আমাদের স্বাধিকার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালি সংস্কৃতির পরিচায়ক যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে অনুষ্ঠানে বাজানো হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস ব্যাখ্যা: এই জাতীয় দিবসগুলোতে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সম্মান প্রদর্শনের জন্য জাতীয় সংগীতের প্রথম চার চরণ বাজানো হয়। উদাহরণ ২: রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ব্যাখ্যা: বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের বাংলাদেশ সফরের সময় গার্ড অব অনার প্রদানের সময় জাতীয় সংগীত বাজানোর নির্দিষ্ট প্রোটোকল অনুসরণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম ১০ টি — এটি সঠিক নয় কারণ সম্পূর্ণ গানটি গাওয়া না হলে সাধারণত প্রথম চার চরণ বাজানোর নিয়ম রয়েছে, যদিও পুরো গানে দশ চরণ রয়েছে। B) প্রথম ৪ টি — এটি সঠিক কারণ রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত সংস্করণে প্রথম চার চরণ বাজানো হয়। C) প্রথম ৬ টি — এটি সঠিক নয় কারণ সাংবিধানিক বা প্রোটোকল বিধিতে ছয় চরণ বাজানোর কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। D) প্রথম ৫ টি — এটি সঠিক নয় কারণ জাতীয় সংগীতের চরণের হিসাব অনুযায়ী পাঁচ চরণ নির্ধারণ করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংগীতের মোট দশ চরণ সংকলিত হলেও রাষ্ট্রীয় ও আনুষ্ঠানিক সংক্ষেপে চার চরণ বাজানো হয়। সংখ্যাটি মনে রাখতে মনে রাখুন চার অক্ষরে চার চরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং এর কত চরণ গাওয়া হয় তা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ কে করেছেন।
a অর্থমন্ত্রী
b প্রধানমন্ত্রী
c পরিকল্পনামন্ত্রী
d স্পীকার
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী ১. কেন সঠিক: - পরিকল্পনা কমিশনের সর্বোচ্চ নির্বাহী সংস্থা হলো একনেক বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি। - দেশের মেগা প্রজেক্ট এবং বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো অনুমোদন ও বাস্তবায়নের চূড়ান্ত ক্ষমতা এই কমিটির হাতে ন্যস্ত থাকে। ২. প্রশাসন ও পরিকল্পনা: - প্রাতিষ্ঠানিক গঠন: বাংলাদেশ সরকারের কার্যবিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতি বা চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - প্রশাসনিক কার্যক্রম: অর্থনৈতিক নীতিমালা প্রণয়ন এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে এই কমিটি সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প ব্যাখ্যা: এই জাতীয় মেগা প্রজেক্টটি বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে একনেক সভা থেকে অনুমোদন লাভ করেছে। উদাহরণ ২: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: দেশের বড় বড় বৈদেশিক বিনিয়োগ ও উন্নয়ন প্রকল্পগুলো একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থমন্ত্রী — তিনি এই কমিটির সদস্য এবং অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকেন কিন্তু সভাপতি নন। B) প্রধানমন্ত্রী — এই উত্তরটি সঠিক এবং তিনি আইনগতভাবে একনেক এর সভাপতি। C) পরিকল্পনামন্ত্রী — তিনি সাধারণত এই কমিটির বিকল্প সভাপতি বা গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। D) স্পীকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং সরকারের নির্বাহী পরিকল্পনা কমিটির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন খাতের সবচেয়ে বড় ক্ষমতা রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের হাতে থাকে। তাই মনে রাখবে দেশের যেকোনো বড় প্রকল্পের প্রধান অনুমোদনকারী হলেন প্রধানমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: একনেক এর পূর্ণরূপ হলো Executive Committee of the National Economic Council. এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ধান
b কলা
c পাট
d গম
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কলা ১. কেন সঠিক: - ‘অগ্নিশ্বর’ হলো বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও সুস্বাদু কলার উন্নত জাত। - কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বা প্রচলিত এই জাতটি মিষ্টি স্বাদ ও পুষ্টিমানের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত। ২. কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কৃষকদের মাঝে ফলের উন্নত জাত বিস্তার করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: কলার উন্নত জাত চাষ করে কৃষকরা অধিক ফলন ও অর্থনৈতিক লাভ পান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবরি ও চম্পা ব্যাখ্যা: এগুলি বাংলাদেশে উৎপাদিত কলার অন্যান্য জনপ্রিয় ও পরিচিত জাত। উদাহরণ ২: আম্রপলি ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুস্বাদু আম গাছের উন্নত জাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান — ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য হলেও ‘অগ্নিশ্বর’ ধানের কোনো উন্নত জাত নয়। ধানের উন্নত জাতগুলোর মধ্যে ব্রি ধান ২৮ বা ব্রি ধান ২৯ উল্লেখযোগ্য। C) পাট — পাট বাংলাদেশের সোনালী আঁশ হিসেবে পরিচিত হলেও ‘অগ্নিশ্বর’ পাটের জাত নয়। পাটের উন্নত জাতের মধ্যে বিজেআরআই দেশি পাট বা তোষা পাট রয়েছে। D) গম — গম বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রবিশস্য হলেও ‘অগ্নিশ্বর’ গমের কোনো জাত নয়। গমের উন্নত জাতের মধ্যে বারি গম ৩১ বা শতাব্দী উল্লেখযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - কলার মিষ্টি জাতের নাম মনে রাখতে ‘অগ্নিশ্বর’ নামটি মাথায় রাখবে। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত করতে ধান, পাট বা গমের নাম অপশনে থাকতে পারে, তাই ফলের জাত হিসেবে কলার নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - খাদ্যশস্য, ফলমূল এবং অর্থকরী ফসলের বৈজ্ঞানিক বা জনপ্রিয় জাতগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ৯ মে ১৯৫৪
b ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩
c ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬
d ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ মে ১৯৫৪ ১. কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বিল পাস করা হয়। - তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী বগুড়ার উদ্যোগে গণপরিষদের কার্যবিবরণীতে বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর ৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয় এই ঐতিহাসিক অর্জনের পথ প্রশস্ত করে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এর মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির আইনি ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি মেলার প্রথম আনুষ্ঠানিক ধাপ সূচিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশে ফেব্রুয়ারি ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে পালিত হয় এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি লাভ করে। উদাহরণ ২: ১৯৫৬ সালের সংবিধান ব্যাখ্যা: এই সংবিধানে প্রথমবারের মতো বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ মে ১৯৫৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। B) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ — এই তারিখে ভাষা আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকী পালিত হয় এবং পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। C) ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ — এই তারিখটি সরাসরি রাষ্ট্রভাষা স্বীকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তবে ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পাস হওয়া সংবিধানে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্থান পায়। D) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এটি ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের দিন, যেদিন ছাত্রদের মিছিলে পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্ববরা শহীদ হন। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৫২ সালের রক্তপাতের পর ঠিক দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৪ সালের ৯ মে গণপরিষদে প্রথম স্বীকৃতি মেলে। সালটি ১৯৫৪ এবং তারিখটি ৯ মে মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন সংবিধানে প্রথম বাংলা রাষ্ট্রভাষা হয় বা কোন তারিখে গণপরিষদ এই স্বীকৃতি দেয়। তাই সাল ও তারিখের পার্থক্য স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে।
a ১৯৯৮ সালে
b ১৯৯৯ সালে
c ২০০০ সালে
d ১৯৯৭ সালে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৮ সালে ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশে ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ অর্থবছরে প্রথম বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু করা হয়। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের দরিদ্র ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই ঐতিহাসিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম শুরু করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণ: ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ অর্থবছরের বাজেটে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দেন। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা বয়স্ক ব্যক্তিদের এই ভাতার আওতায় আনা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা। ব্যাখ্যা: ১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ অর্থবছরে সরকার দুস্থ নারীদের জন্য এই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করে। উদাহরণ ২: অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা। ব্যাখ্যা: ২০০৫ থেকে ২০০৬ অর্থবছরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য এই ভাতা চালু করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই বছর থেকেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বয়স্কভাতা বিতরণ শুরু হয়। B) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বয়স্কভাতা চালু হয়নি, তবে এই সময়ে সরকারের অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারিত হয়। C) ২০০০ সালে — এই সালে বয়স্কভাতা চালু হয়নি, এটি তার আগেই ১৯৯৮ সালে চালু হয়েছিল। D) ১৯৯৭ সালে — এই অর্থবছরে বাজেট পাস ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও মূলত ১৯৯৮ সাল থেকে এর বাস্তবায়ন ও অর্থ বিতরণ শুরু হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৯৯৮ সাল হলো এমন একটি বছর যখন বাংলাদেশে প্রথম বয়স্কদের জন্য নিয়মিত সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করা হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির শুরুর সালগুলো জানতে চাওয়া হয়, তাই ১৯৯৮ সালটি বয়স্কভাতার জন্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বয়স্কভাতা কর্মসূচি বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির মধ্যে সবচেয়ে পুরনো ও অন্যতম প্রধান একটি উদ্যোগ। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সামাজিক খাতের অর্জন হিসেবে আসে।
a ৫১৩৮ কি.মি
b ৪৩৭১ কি.মি
c ৪১৫৬ কি.মি
d ৩৯৭৮ কি.মি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪১৫৬ কি.মি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট সীমান্ত বা স্থল সীমানার দৈর্ঘ্য হলো ৪১৫৬ কি.মি, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক তথ্য। - ভারতের সাথে বাংলাদেশের পাঁচটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে এবং এই সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ছিটমহল বিনিময় চুক্তি বা স্থল সীমান্ত চুক্তি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমান্ত: - ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশের মোট সীমানার প্রায় ৯৪ শতাংশ ভারতের সাথে এবং বাকি অংশ মিয়ানমারের সাথে যুক্ত রয়েছে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলো হলো পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারতের স্থল সীমান্ত চুক্তি ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়, যা দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে। উদাহরণ ২: মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্ত দৈর্ঘ্য হলো ২৭১ কি.মি, যা বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার সাথে যুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫১৩৮ কি.মি — এই সংখ্যাটি সঠিক উত্তরের সাথে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ৪৩৭ কি.মি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের সীমান্ত সংক্রান্ত কোনো সঠিক পরিমাপের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ৩৯৭৮ কি.মি — এই মানটি ভুল এবং এটি ভারতের সাথে সীমানার প্রকৃত দৈর্ঘ্যকে নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ৪১৫৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - মিয়ানমারের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ২৭১ কি.মি এবং ভারতের সীমান্ত ৪১৫৬ কি.মি, এই দুটি তথ্য একসাথে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ভারত ও মিয়ানমারের সীমানার দৈর্ঘ্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি। - একই বিষয় থেকে সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্য কয়টি বা কোন রাজ্যের সাথে সীমানা সবচেয়ে বেশি, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a ১১.২ কি.মি
b ১২.২ কি.মি
c ১১.৮ কি.মি
d ১২.৮ কি.মি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১.৮ কি.মি ১. কেন সঠিক: মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার হলো বাংলাদেশের দীর্ঘতম সড়ক ভায়াডাক্ট বা ফ্লাইওভার। এর মূল দৈর্ঘ্য এবং বিভিন্ন র‍্যাম্প বা সংযোগ পথ মিলিয়ে এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১১.৮ কিলোমিটার। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অবস্থান ও উদ্বোধন: এই ফ্লাইওভারটি রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে শুরু হয়ে গুলিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এর কিছু অংশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল পর্যন্ত প্রসারিত। প্রতিষ্ঠা ও নির্মাণ: পিপিপি বা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের অধীনে ফ্লাইওভারটি নির্মিত হয় এবং ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর এটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার ব্যাখ্যা: এটি রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ অঞ্চলের সঙ্গে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, যা ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করার আরেকটি বড় মেগা প্রকল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১.২ কি.মি — এটি ভুল কারণ ফ্লাইওভারটির দৈর্ঘ্য এই মাপে নয় বরং ১১.৮ কিলোমিটার। B) ১২.২ কি.মি — এটি ভুল তথ্য কারণ নির্মাণাধীন বা নকশার অন্য কোনো প্রাক্কলন হতে পারে, প্রকৃত দৈর্ঘ্য এটি নয়। C) ১১.৮ কি.মি — এটি সঠিক দৈর্ঘ্য এবং সরকারিভাবে এই মাপটি নির্ধারিত রয়েছে। D) ১২.৮ কি.মি — এটি ভুল মাপ কারণ সঠিক দৈর্ঘ্য এর চেয়ে এক কিলোমিটার কম। ৫. মনে রাখার টিপস: মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ১১.৮ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। এটি ঢাকা শহরের একটি অন্যতম প্রধান যোগাযোগ অবকাঠামো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের দীর্ঘতম ফ্লাইওভার কোনটি এবং এর দৈর্ঘ্য কত, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাম্প্রতিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
a পাগ-মার্ক
b ফুটমার্ক
c GIS
d কোয়ার্ডবেট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাগ-মার্ক ১. কেন সঠিক: - সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার বা বাঘ গণনার ঐতিহ্যবাহী ও দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহৃত পদ্ধতি হলো পাগ-মার্ক বা বাঘের পায়ের ছাপ পদ্ধতি। - এই পদ্ধতিতে বনের বিভিন্ন ট্র্যাকে বাঘের পায়ের ছাপ বা পায়ের পাতার মাপ সংগ্রহ করে বাঘের সংখ্যা, লিঙ্গ এবং বিচরণ ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়াবলী তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ব forêt বা সুন্দরবন। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বন অধিদপ্তর এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ যৌথভাবে এই শুমারির কাজ পরিচালনা করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি ব্যাখ্যা: আধুনিক সময়ে পাগ-মার্ক পদ্ধতির পাশাপাশি সুন্দরবনে বাঘ গণনার জন্য মোশন সেন্সর ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: স্মার্ট পার্কিং বা স্মার্ট মনটরিং ব্যাখ্যা: এটি বন সুরক্ষায় ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তি যা বন্যপ্রাণী ও বনভূমি রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাগ-মার্ক — এটি বাঘ গণনার জন্য ব্যবহৃত সনাতন ও পরীক্ষিত পদ্ধতি। B) ফুটমার্ক — এটি কোনো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক বা শুমারি পদ্ধতি নয়। C) GIS — এটি ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা যার মাধ্যমে মানচিত্র তৈরি ও স্থান বিশ্লেষণ করা হয়। D) কোয়ার্ডবেট — এটি উদ্ভিদ বা ছোট প্রাণী গণনার স্যাম্পলিং পদ্ধতি যা বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাঘের পায়ের ছাপ বা পগমার্ক থেকে মনে রাখবেন পায়ের ছাপ বা পগমার্ক পদ্ধতি। - আধুনিক শুমারিতে ক্যামেরার পাশাপাশি এই পদ্ধতিও অতীতে প্রধান মাধ্যম ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুন্দরবনের বাঘ গণনায় বর্তমানে আধুনিক ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a ১০০-২০০ কি.মি
b ৩০০-৪০০ কি.মি
c ৭০০-৮০০ কি.মি
d ৯০০-১০০০ কি.মি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০০-৮০০ কি.মি ১. কেন সঠিক: - সুনামি হলো সমুদ্রের নিচে প্রবল ভূকম্পন বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট অত্যন্ত শক্তিশালী সামুদ্রিক ঢেউ, যা গভীর সমুদ্রে জেট বিমানের গতিতে ভ্রমণ করে। - ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ভয়াবহ সুনামির ক্ষেত্রে গভীর সমুদ্রে ঢেউয়ের এই গড় গতিবেগ ছিল ঘন্টায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার। ২. ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক পটভূমি: - ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের উপকূলে ভারত মহাসাগরের তলদেশে ৯ দশমিক ১ থেকে ৯ দশমিক ৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে এই সুনামি সৃষ্টি হয়। - এই সুনামির ফলে বাংলাদেশ সরাসরি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে এর সামান্য প্রভাব ও জলোচ্ছ্বাস অনুভূত হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরীয় সুনামি ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ভারতসহ ১৪টি দেশের প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছিল। উদাহরণ ২: জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় সিডর ব্যাখ্যা: সুনামির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের গতিপ্রকৃতি এবং এর ধ্বংসলীলা সম্পর্কে ধারণা থাকলে বাংলাদেশর মতো উপকূলীয় দেশের শিক্ষার্থীরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বুঝতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০-২০০ কি.মি — এই গতিবেগ অনেক কম এবং এটি সাধারণত সাধারণ সামুদ্রিক ঢেউ বা ছোট ঝড়ের বাতাসের গতির সাথে তুলনীয়। B) ৩০০-৪০০ কি.মি — এই গতিবেগ মাঝারি মানের সামুদ্রিক ঝড়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও গভীর সমুদ্রের সুনামির প্রকৃত গতির চেয়ে অনেক কম। C) ৭০০-৮০০ কি.মি — এই গতিবেগ গভীর সমুদ্রে সুনামি তরঙ্গের স্বাভাবিক ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রমাণিত পরিমাপ। D) ৯০০-১০০০ কি.মি — এই গতিবেগ বাণিজ্যিক জেট বিমানের গতির সমান এবং গভীর সমুদ্রে সুনামির স্বাভাবিক গড় গতির চেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুনামি শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ বন্দরের ঢেউ। - গভীর সমুদ্রে সুনামির গতি থাকে জেট বিমানের মতো অর্থাৎ ঘন্টায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা, গতিবেগ বা ক্ষয়ক্ষতির সাল ও স্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - ২০০৪ সালের সুনামির তারিখ এবং এর কারণ সম্পর্কিত তথ্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a ঢাকায়
b খুলনায়
c নারায়ণগঞ্জে
d চাঁদপুরে
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁদপুরে ১. কেন সঠিক: - ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট চাঁদপুরে অবস্থিত যা দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। - নদীমাতৃক বাংলাদেশের মৎস্যজীবীদের আধুনিক প্রশিক্ষণ দিতে এবং মৎস্য চাষের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্ব বিবেচনা করে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছে। - স্থান: চাঁদপুর জেলাটি নদী বন্দর ও মৎস্য উৎপাদনের জন্য ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে জেলেরা ও উদ্যোক্তারা আধুনিক প্রযুক্তিতে মাছ চাষ করে দেশের আমিরাতের চাহিদা পূরণে অবদান রাখছেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত এবং মৎস্য সম্পদ নিয়ে গবেষণার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: মেরিন ফিশারি একাডেমী ব্যাখ্যা: এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত এবং সমুদ্রগামী মৎস্য শিকার ও নেভিগেশনের ওপর পেশাদার প্রশিক্ষণ প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকায় — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও এই নির্দিষ্ট ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়। B) খুলনায় — খুলনা অঞ্চলে মৎস্য ও চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র থাকলেও ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এই জেলায় অবস্থিত নয়। C) নারায়ণগঞ্জে — নারায়ণগঞ্জ একটি বিখ্যাত বন্দর ও শিল্পাঞ্চল হলেও এখানে এই প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নেই। D) চাঁদপুরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় মৎস্য খাতের উন্নয়নে কাজ করছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদপুরকে বলা হয় মাছের রাজা ইলশার বাড়ি, তাই ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট চাঁদপুরে অবস্থিত—এভাবে মনে রাখতে পারেন। - গবেষণা কেন্দ্র ময়মনসিংহে এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চাঁদপুরে—এই পার্থক্যটি পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৎস্য ও কৃষিভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অবস্থান প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও সংশ্লিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ধারণা লাভ করতে পারে।
a ৩ কোটি
b ৩.৫ কোটি
c ৪ কোটি
d ৪.৫ কোটি
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৫ কোটি ১. কেন সঠিক: - সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক লবণাক্ততা ও ভাঙন দেখা দেবে। - এর ফলে ২০৫০ সাল নাগাদ প্রায় তিন কোটি পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ জলবায়ু শরণার্থীর ঝুঁকিতে পড়বে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও নিচু বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে শীর্ষে রয়েছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: উপকূলীয় এলাকার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোর দিকে চলে আসায় মারাত্মক জনমিতিক ও সামাজিক সংকট তৈরি হচ্ছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন ও উপকূলীয় জনপদ ব্যাখ্যা: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে এবং উপকূলের মানুষ নিয়মিত জলোচ্ছ্বাসের শিকার হচ্ছে। উদাহরণ ২: সাতক্ষীরা ও ভোলা জেলার ভাঙন ব্যাখ্যা: এসব জেলার বিস্তীর্ণ জনপদ নদীভাঙন ও লবণাক্ততার কারণে মানুষের বসতি ও কৃষিজমি হারাচ্ছে, যা জলবায়ু উদ্বাস্তুর প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ কোটি — এটি বর্তমান বা আংশিক অনুমানের চেয়ে কম সংখ্যা, যা পূর্ণাঙ্গ পূর্বাভাসকে নির্দেশ করে না। B) ৩.৫ কোটি — এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক জলবায়ু প্রতিবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক পরিসংখ্যান। C) ৪ কোটি — এই সংখ্যাটি বিভিন্ন জলবায়ু প্রাক্কলনে সামান্য বেশি ধরা হয়েছে এবং প্রচলিত গ্রহণযোগ্য তথ্যের সঙ্গে মেলে না। D) ৪.৫ কোটি — এটি অতিরিক্ত বা অতিরঞ্জিত প্রাক্কলন যা বর্তমান ভৌগোলিক ও জনসংখ্যা মডেলের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু শরণার্থীর সংখ্যা মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিনের পরে আরও আধা কোটি বা পাঁচ যোগ করা। - বাংলাদেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বললেই তিন দশমিক পাঁচ কোটি শরণার্থীর এই বহুল প্রচলিত পরিসংখ্যানটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলবায়ু পরিবর্তন ও ভৌগোলিক প্রভাব সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে বৈশ্বিক উষ্ণতা, কার্বন নিঃসরণ এবং প্যারিস চুক্তির বাংলাদেশ সম্পর্কিত লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৯০ শতাংশ
b ৯৪ শতাংশ
c ৯৮ শতাংশ
d ৯৯.৯৭ শতাংশ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯৯.৯৭ শতাংশ ১. কেন সঠিক: - পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং এর ভেতরের আবহাওয়া চক্র সচল রাখার জন্য প্রায় সম্পূর্ণ শক্তিই সূর্য থেকে আসে। - সূর্য থেকে প্রাপ্ত মোট শক্তির সামান্য অংশ বাদে বাকি প্রায় সবটুকুই বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠকে প্রভাবিত করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশ কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এখানে সূর্যের আলো সরাসরি পড়ে। - প্রাকৃতিক সম্পদ: সৌর শক্তির প্রাচুর্য থাকায় বাংলাদেশে বর্তমানে সোলার প্যানেল বা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে সোলার হোম সিস্টেম। ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের আলো থেকে সরাসরি শক্তি সংগ্রহ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সোলার ইরিগেশন পাম্প। ব্যাখ্যা: এটি কৃষিকাজে সেচ দেওয়ার জন্য সূর্যের শক্তি ব্যবহার করে, যা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯০ শতাংশ — এটি সঠিক নয় কারণ সূর্য থেকে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ এর চেয়ে অনেক বেশি। B) ৯৪ শতাংশ — এটি ভুল পরিসংখ্যান এবং বায়ুমণ্ডলের শক্তির হিসাবের সঙ্গে মেলে না। C) ৯৮ শতাংশ — এটিও সঠিক নয় কারণ বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী শক্তির পরিমাণ আরও বেশি। D) ৯৯.৯৭ শতাংশ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত তথ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে বায়ুমণ্ডলে সূর্যের শক্তির অবদান প্রায় শতভাগের কাছাকাছি, অর্থাৎ ৯৯.৯৭ শতাংশ। - দশমিকের পরের সংখ্যা দুটি অর্থাৎ ৯৭ মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোল অংশে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - সৌর শক্তির ব্যবহার ও নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে এই মৌলিক তথ্যটি কাজে লাগে।
a ৩০%
b ৪০%
c ৫০%
d ৬০%
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০% ১. কেন সঠিক: বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন সংস্থার প্রাক্কলন অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় যে মোট বৈশ্বিক সাহায্য বা তহবিল বরাদ্দ করা হয়, তার ৩০% বাংলাদেশকে প্রদানের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ুঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়ায় অভিযोजन ও প্রশমন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক এই বিশেষ গুরুত্ব ও আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি লাভ করেছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনীতি: [প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা] বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সাইক্লোন, বন্যা ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয় এবং অর্থনীতি রক্ষায় বৈশ্বিক তহবিলের ওপর নির্ভর করে। তাৎপর্য ও ফলাফল: [প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা] এই আর্থিক সহায়তা উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ, সাইক্লোন শেল্টার তৈরি এবং লবণাক্ততা সহনশীল কৃষি উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লায়েন্ট রেজিলিয়েন্স ফান্ড ব্যাখ্যা: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব ও আন্তর্জাতিক সহায়তায় গঠিত তহবিল, যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী বদ্বীপ পরিকল্পনা, যার সফল বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০% — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বব্যাংকের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা তহবিলের নির্দিষ্ট অংশ বাংলাদেশকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। B) ৪০% — এই হারটি বিশ্বব্যাংকের জলবায়ু সাহায্য বরাفت বা প্রতিশ্রুত সুনির্দিষ্ট তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ৫০% — বাংলাদেশের জন্য বৈশ্বিক সাহায্যের অনুপাত ৫০% নির্ধারিত হয়নি কারণ এই তহবিল বিশ্বের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যেও বণ্টিত হয়। D) ৬০% — ৬০% হারটি অতিরিক্ত বেশি এবং এটি কোনো আন্তর্জাতিক জলবায়ু সংস্থার আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনে সমর্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত সাহায্যের পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটি ৩০% মনে রাখুন। বাংলাদেশের নদীমাতৃক ও ঝুঁকিপূর্ণ ভৌগোলিক অবয়বের কথা মাথায় রেখে এই নির্দিষ্ট অনুপাতটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশের অভিযোজন ক্ষমতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে বিশ্ব ব্যাংকের জলবায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন সূচক বা বাংলাদেশের প্রাপ্ত অন্যান্য অনুদান সম্পর্কিত প্রশ্নও হতে পারে।
a ৫০%
b ৫৮%
c ৬২%
d ৬৬%
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২% ১. কেন সঠিক: - সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার, যার বড় একটি অংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে অবস্থিত। - ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক জরিপ অনুযায়ী সুন্দরবনের প্রায় ৬২ শতাংশ অংশ বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে পড়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক সম্পদ: সুন্দরবন বিশ্বের সবচেয়ে বড় একক ম্যানগ্রোভ বন বা উপকূলীয় লবণাক্ত বনভূমি। তাৎপর্য ও ফলাফল: ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং এটি বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান আধার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশ। ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে। উদাহরণ ২: সুন্দরবনের ভারতীয় অংশ। ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের বাকি প্রায় ৩৮ শতাংশ অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫০% — এই মানটি সঠিক নয় কারণ সুন্দরবনের অর্ধেকের বেশি অংশ বাংলাদেশের সীমানায় অবস্থিত। B) ৫৮% — এই সংখ্যাটি সুন্দরবনের প্রকৃত বাংলাদেশী সীমানার সঠিক অনুপাত নির্দেশ করে না। D) ৬৬% — এই মানটি বেশি এবং সুন্দরবনের প্রকৃত ভৌগোলিক ভাগের সাথে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের প্রায় ষাট ভাগের বেশি অংশ অর্থাৎ ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে এবং বাকি আটত্রিশ শতাংশ ভারতে রয়েছে। ষাট এর ঘরে ৬২ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুন্দরবন কত সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায় তা মনে রাখা জরুরি। একই বিষয় থেকে সুন্দরবনের আয়তন বা সুন্দরবন কোন কোন জেলায় অবস্থিত তা নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a পুণ্ড্র
b তাম্রলিপ্ত
c গৌড়
d হরিকেল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র ১. কেন সঠিক: - পুণ্ড্র প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ ও নগরকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত। - মৌর্য ও গুপ্ত আমলের শিলালিপিতে এই জনপদের নাম ও এর প্রাচীন রাজধানী পুণ্ড্রবর্ধনের উল্লেখ পাওয়া যায়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - প্রাচীনকালে বাংলা বর্তমানের মতো একক কোনো অঞ্চল ছিল না, বরং বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল। - বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের সমন্বয়ে পুণ্ড্র জনপদ গঠিত হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল এবং এটি বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে প্রমাণিত। উদাহরণ ২: মৌর্য শাসনকাল ব্যাখ্যা: পুণ্ড্রবর্ধন যে মৌর্য সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল, তা মহাস্থানগড় থেকে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপিতে প্রমাণিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ। B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপদ হলেও সর্বপ্রাচীন নয়। C) গৌড় — এটি মধ্যযুগের বাংলার একটি অত্যন্ত বিখ্যাত রাজধানী ও জনপদ, যা প্রাচীনতম নয়। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল এবং পুণ্ড্রর পরে গড়ে উঠেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন জনপদ মনে রাখার কৌশল হলো এই যে পুণ্ড্র মানেই প্রাচীনতম বা প্রথম জনপদ। - বর্ণানুক্রমিকভাবে প দিয়ে পুণ্ড্র এবং প্রাচীন এই মিল মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন জনপদের বর্তমান অবস্থান বা রাজধানী সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী কোথায় ছিল, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a আলমগীরনামা
b আইন-ই-আকবরী
c আকবরনামা
d তুজুক-ই-আকবরী
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইন-ই-আকবরী ১. কেন সঠিক: - আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে বাংলা শব্দটির উৎপত্তি ও ব্যবহারের ইতিহাস সবচেয়ে বেশি ও বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - মুঘল সম্রাট আকবরের নবরত্নের একজন আবুল ফজল এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটি রচনা করেন এবং এতে সুবাহ বাংলার ভৌগোলিক সীমানা ও নামকরণের ইতিহাস তুলে ধরা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীনকালে বাংলা অঞ্চলটি বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল এবং কালক্রমে বঙ্গ নাম থেকেই বাংলা দেশ ও ভাষা নামের উৎপত্তি ঘটে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মুঘল আমলের বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক আবুল ফজল আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে বাংলার নামকরণের এই ঐতিহাসিক উৎস লিপিবদ্ধ করেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন-ই-আকবরী গ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি মুঘল আমলের প্রশাসনিক ও সামাজিক ব্যবস্থার পাশাপাশি বাংলার নামকরণের ঐতিহাসিক সত্যতা জানতে প্রধান দলিল হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: আবুল ফজলের রচনা ব্যাখ্যা: তার লেখা এই গ্রন্থ থেকে পরীক্ষার্থীরা মুঘল আমলের প্রশাসনিক কাঠامো এবং তৎকালীন বাংলার ভৌগোলিক পরিচিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমগীরনামা — এটি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলের ইতিহাস নিয়ে রচিত গ্রন্থ হলেও বাংলা নামের উৎপত্তির প্রধান উৎস এটি নয়। B) আইন-ই-আকবরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত। C) আকবরনামা — এটি সম্রাট আকবরের জীবন ও শাসনকালভিত্তিক ইতিহাস হলেও বাংলা নামের উৎপত্তি বিশদভাবে এখানে নেই। D) তুজুক-ই-আকবরী — এটি আকবরের আত্মজীবনী সংক্রান্ত প্রচলিত ভুল বা অন্য ধারার ঐতিহাসিক গ্রন্থ যার সঙ্গে এই প্রশ্নটি সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আইন ও ভাষা মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারেন যে আইন প্রণয়নের মতো প্রামাণিক দস্তাবেজ আইন-ই-আকবরীতেই বাংলা নামের উৎপত্তি সবচেয়ে জোরালোভাবে আইনগত বা প্রামাণিকভাবে এসেছে। মুঘল আমলের ঐতিহাসিক গ্রন্থগুলোর মধ্যে আকবরের আমলের প্রামাণিক দলিল হিসেবে আইন-ই-আকবরী নামটি বাংলা নামের উৎপত্তির জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাস এবং ঐতিহাসিক গ্রন্থভিত্তিক এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন আসতে পারে যে আইন-ই-আকবরী গ্রন্থের রচিয়তা কে অথবা মুঘল আমলে বাংলার নাম সুবাহ বাংলা হিসেবে কোথায় উল্লেখ আছে।
a শাহ সুজা
b শায়েস্তা খান
c মীর জুমলা
d সুবেদার ইসলাম খান
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শায়েস্তা খান ১. কেন সঠিক: - সুবেদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে লালবাগ দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন। - ঐতিহাসিক এই দুর্গটি তৎকালীন মুঘল স্থাপত্যরীতির এক অনন্য নিদর্শন এবং বাংলার মুঘল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে বাংলার সুবেদার হিসেবে শায়েস্তা খান দুই দফায় ঢাকায় শাসনকার্য পরিচালনা করেন এবং দুর্গটির নির্মাণকাজে তার পুত্র যুবরাজ মোহাম্মদ আজম শাহ সহায়তা করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: দুর্গটি মূলত মুঘল সামরিক কৌশল এবং প্রশাসনিক শক্তির প্রতীক হিসেবে নির্মিত হলেও পরিখার অপরিকল্পিত নকশা এবং অসমাপ্ত কাজ এটিকে ঐতিহাসিক এক রহস্যে পরিণত করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড় কাটরা ব্যাখ্যা: শায়েস্তা খানের আমলে নির্মিত আরেকটি বিখ্যাত মুঘল ইমারত, যা মুঘল আমলের স্থাপত্য ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব বহন করে। উদাহরণ ২: ছোট কাটরা ব্যাখ্যা: এটিও ঢাকার চকবাজার এলাকায় শায়েস্তা খানের শাসনামলে নির্মিত হয়, যা শিক্ষার্থীকে মুঘল আমলের নগর পরিকল্পনার ধারণা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবেদার ছিলেন, তবে তিনি লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেননি বরং তার শাসনামলে অন্য ইমারত তৈরি হয়েছিল। B) শায়েস্তা খান — সঠিক উত্তর। C) মীর জুমলা — তিনি বাংলার খ্যাতিমান মুঘল সুবেদার ও সেনাপতি ছিলেন, তবে তিনি লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেননি। D) সুবেদার ইসলাম খান — তিনি জাহাঙ্গীরনগর বা ঢাকার প্রথম মুঘল সুবেদার ছিলেন এবং রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেছিলেন, লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - লালবাগ দুর্গের সাথে শায়েস্তা খানের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে শায়েস্তা খানের আমলকে ঢাকার মুঘল স্থাপত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয়। - ভুল এড়াতে মনে রাখবেন মীর জুমলা ও ইসলাম খান অন্য সময়ের সুবেদার ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লালবাগ দুর্গের অপর নাম আওরঙ্গবাদ দুর্গ এবং এর ভেতরে পরী বিবির মাজার অবস্থিত। - এই টপিক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে দুর্গের নির্মাণকাজ কে শুরু করেন বা কোন নদীর তীরে অবস্থিত।
a ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
b ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ
c ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ
d ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ ১. কেন সঠিক: - বাংলার ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল ইংরেজি ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে এবং বাংলা ১১৭৬ বঙ্গাব্দে। - বাংলা সনের সাথে ৫৯৩ বা ৫৯৪ যোগ করে ইংরেজি সাল নির্ণয়ের প্রথার কারণে ১১৭৬ বঙ্গাব্দকে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণ ও দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার কারণে এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হয়েছিল। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই মন্বন্তরে বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ অনাহার ও মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যাখ্যা: রবার্ট ক্লাইভ প্রবর্তিত দ্বৈত শাসনের ফলে দেওয়ানি ক্ষমতা কোম্পানির হাতে আর নিজামত ক্ষমতা নওয়াবের হাতে ন্যস্ত হয়, যা দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ ছিল। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমি ও তৎকালীন সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলার ভয়াবহ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল। B) ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ — এটি ভুল অপশন কারণ এই সালে ব্রিটিশরা মীর কাশিমকে বাংলার নওয়াব হিসেবে বসিয়েছিল। C) ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ — এটি ভুল অপশন কারণ এই সালে রবার্ট ক্লাইভ মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করেছিলেন। D) ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ — এটি ভুল অপশন কারণ এই সালে বাংলার নওয়াব হিসেবে সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতাগ্রহণ করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা ১১৭৬ বঙ্গাব্দ থেকে 'ছিয়াত্তর' শব্দটি এসেছে এবং এর সাথে মিল রেখেই একে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়। ইংরেজি সাল ১৭৭০ মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে হবে যে পলাশীর যুদ্ধের তেরো বছর পর এই দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর কোন সনে হয়েছিল বা এর কারণ কী ছিল। এই টপিক থেকে দ্বৈত শাসন প্রবর্তক কে এবং এর ফলাফল কী ছিল সে সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
b ২ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
c ১৮ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
d ২০ জানুয়ারি ১৯৫২
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ ১. কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং পরদিন ৩১ জানুয়ারি এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়। - রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে দেশের সব রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য এই সর্বদলীয় পরিষদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দিন পল্টন ময়দানের জনসভায় উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করার পর ছাত্রসমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলো তীব্র প্রতিবাদ জানায়। - তারিখ ও স্থান: ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে ঢাকার বার লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠিত সভায় কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: এই পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব এবং এতে আওয়ামী মুসলিম লীগ, তমদ্দুন মজलिस ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একুশে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট, রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন এবং ১৪৪ ধারা ভঙ্গের ঐতিহাসিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে প্রথম গঠিত হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রাথমিক ধাপ, যা পরবর্তীতে ১৯৫২ সালে সর্বদলীয় রূপ নেয়। উদাহরণ ২: তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। ব্যাখ্যা: অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে এই সংগঠনটি ভাষা আন্দোলনের সূচনালগ্নে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত ও প্রকাশিত হয়। B) ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সভা ও পতাকা দিবস পালিত হয়েছিল। C) ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে ছাত্রনেতাদের উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। D) ২০ জানুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী হরতাল ও রাষ্ট্রভাষা দিবস পালনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণার জন্য ১৯৫২ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি সর্বদলীয় কমিটি গঠন করা হয়। - ১৯৪৮ সালের সংগ্রাম পরিষদ ছিল শুধু ছাত্রভিত্তিক, আর ১৯৫২ সালের সংগ্রাম পরিষদ ছিল রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে গঠিত সর্বদলীয় পরিষদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কে ছিলেন, তা প্রায়ই আসে। - ভাষা আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তারিখ যেমন ২৬ জানুয়ারি, ৩০ জানুয়ারি এবং ৩১ জানুয়ারির ঘটনাগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ১৯৭০ সালে
b ১৯৬৬ সালে
c ১৯৬৫ সালে
d ১৯৬৯ সালে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে ১. কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ খ্যাত ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়। - তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দাবি পেশ করে বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের পথ সুগম করেছিলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বৈষম্য এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শোষণের প্রতিবাদে এই দাবি উত্থাপিত হয়েছিল। তারিখ ও স্থান: পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি এই দাবি পেশ করা হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং পরে আওয়ামী লীগ ছয় দফাকে দলীয় কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করে। তাৎপর্য ও ফলাফল: ছয় দফা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটায় এবং পরবর্তীতে এটি ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি তৈরি করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ব্যাখ্যা: ছয় দফা আন্দোলনের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে পাকিস্তানি সরকার বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করে এই মামলা দায়ের করেছিল, যা পরে তীব্র গণআন্দোলনের মুখে প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। উদাহরণ ২: ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ব্যাখ্যা: ছয় দফার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাঙালির আন্দোলন শেষ পর্যন্ত ঊনসত্তরে গণ-অভ্যুত্থানের রূপ নেয়, যা থেকে পরীক্ষার্থী বুঝতে পারে কীভাবে একটি রাজনৈতিক দাবি ধীরে ধীরে গণআন্দlোলনে পরিণত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালে — এটি সাধারণ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক ঘূর্ণিঝড়ের বছর, ছয় দফা পেশের বছর নয়। B) ১৯৬৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯৬৫ সালে — এই বছর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ছয় দফা পেশের বছর নয়। D) ১৯৬৯ সালে — এই বছর ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং বঙ্গবন্ধুসহ অন্যান্য বন্দিরা মুক্তি লাভ করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছয় দফা মানে ছয়টি দাবি এবং এটি পেশ করা হয় ১৯৬৬ সালে। সালটি মনে রাখতে ছয় সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো, কারণ ১৯৬৬ সালে তিনটি ছয় রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ছয় দফা কে পেশ করেন এবং এটি কোথায় পেশ করা হয়েছিল। তাই লাহোর সম্মেলন এবং বঙ্গবন্ধুর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ইসলামাবাদের সামরিক সরকার পদত্যাগের আন্দোলন
b পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন
c প্রেসিডেন্ট ইয়াহহিয়ার পদত্যাগ আন্দোলন
d মার্শাল ‘ল’ পদত্যাগের আন্দোলন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের শুরু থেকেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার দাবিতে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশেই মূলত পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ও বেসরকারি অফিস, আদালত এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলে বাঙালি জাতি বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। - তারিখ ও স্থান: ৭ মার্চ ১৯৭১ সালে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রদান করা হয়েছিল। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই অসহযোগ আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপ হিসেবেই ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন এবং মুক্তির সংগ্রাম শুরু করার ঘোষণা দেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসহযোগ আন্দোলন ব্যাখ্যা: অসহযোগ আন্দোলনের সময় বাঙালিরা খাজনা ও ট্যাক্স দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল যা সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। উদাহরণ ২: ৭ মার্চের ভাষণ ব্যাখ্যা: এই ভাষণটি ছিল মূলত একটি অবরুদ্ধ জাতির মুক্তির সনদ এবং গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণের সুস্পষ্ট নির্দেশনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলামাবাদের সামরিক সরকার পদত্যাগের আন্দোলন — এটি সরাসরি সামরিক সরকার পতন নয়, বরং পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ অধিকার আদায়ের আন্দোলন ছিল। C) প্রেসিডেন্ট ইয়াহহিয়ার পদত্যাগ আন্দোলন — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির পদত্যাগের আন্দোলন ছিল না, বরং সামগ্রিক বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে ছিল। D) মার্শাল ‘ল’ পদত্যাগের আন্দোলন — সামরিক আইন প্রত্যাহার এই আন্দোলনের একটি দাবি থাকলেও সামগ্রিক আন্দোলনটি ছিল অসহযোগ আন্দোলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে ৭ মার্চের ভাষণের সময় পূর্ব পাকিস্তানে পূর্ণাঙ্গ অসহযোগ আন্দোলন চলছিল। - এই আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ৭ মার্চের ভাষণ এবং অসহযোগ আন্দোলনের পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a বেতার/রেডিওর মাধ্যমে
b ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
c টেলিগ্রামের মাধ্যমে
d টেলিভিশনের মাধ্যমে
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়্যারলেসের মাধ্যমে ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে এবং মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে। - গ্রেফতারের ঠিক আগে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে (মধ্যরাতের পর) বঙ্গবন্ধু ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ২৫ মার্চ কালরাতের গণহত্যা শুরু হওয়ার পরপরই বাঙালি জাতিকে রক্ষার্থে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। - তারিখ ও স্থান: ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালের প্রথম প্রহরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআরের ওয়্যারলেস ট্রান্সমিটার ব্যবহার করে এই বার্তা পাঠানো হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ঘোষণা দেন এবং ইপিআরের বাঙালি সদস্যরা ওয়্যারলেসের মাধ্যমে তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ওয়্যারলেস বার্তার মাধ্যমেই সারা দেশের মানুষ বুঝতে পারে যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে এবং তারা সশস্ত্র প্রতিরোধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ব্যাখ্যা: ২৬ মার্চ দুপুরে জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন, যা ওয়্যারলেস বার্তার পরিপূরক হিসেবে কাজ করেছিল। উদাহরণ ২: ২৬ মার্চের প্রথম প্রহর ব্যাখ্যা: ২৫ মার্চ মধ্যরাত অতিক্রান্ত হওয়ার পর ২৬ মার্চ শুরু হয়, তাই দাপ্তরিক ও আইনগতভাবে ২৬ মার্চই স্বাধীনতার ঘোষণা দিবস হিসেবে পালিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেতার/রেডিওর মাধ্যমে — ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে সরাসরি বেতার থেকে ঘোষণা প্রচার করা হয়নি, বরং দুপুরের পর কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তা করা হয়েছিল। C) টেলিগ্রামের মাধ্যমে — টেলিগ্রামের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো হলেও মূল তাৎক্ষণিক ঘোষণাটি ওয়্যারলেসের মাধ্যমেই বিভিন্ন স্থানে ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছিল। D) টেলিভিশনের মাধ্যমে — সে সময় তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন সামরিক নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং রাতের বেলা সম্প্রচার বন্ধ থাকায় সেখান থেকে ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, রাতের অন্ধকারে প্রথম বার্তা পাঠানো হয়েছিল ওয়্যারলেসে এবং পরের দিন তা মানুষের মুখে মুখে ও রেডিওতে ছড়িয়ে পড়ে। - ২৫ মার্চ মধ্যরাত মানেই ২৬ মার্চের প্রথম প্রহর, তাই এই সময়ের সঙ্গে ওয়্যারলেস যোগাযোগের বিষয়টি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে স্বাধীনতার ঘোষণা কোন মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল অথবা প্রথম প্রহরে কীভাবে পাঠানো হয়েছিল। - এই টপিক থেকে ঘোষণা পাঠকারী এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্নও প্রায়ই দেখা যায়।
a আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে
b ভাদ্র -আশ্বিন মাসে
c অগ্রহায়ন -পৌষ মাসে
d মাঘ-ফাল্গুন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অগ্রহায়ন -পৌষ মাসে ১. কেন সঠিক: - রোপা আমন ধান সাধারণত বর্ষাকালে রোপণ করা হয় এবং শীতকালে কাটা হয়। - বাংলা অগ্রহায়ণ ও পৌষ মাসে এই ধান সম্পূর্ণ পেকে যায় এবং কৃষকরা তা ঘরে তোলেন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি একটি প্রধান খাত এবং ধান প্রধান খাদ্যশস্য। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: আমন ধান মূলত তিন প্রকার, যথা ব্রডকাস্ট আমন, স্থানীয় রোপা আমন ও উচ্চ ফলনশীল রোপা আমন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ১৩৭0 সালের চাল উৎপাদন ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের কৃষিতে আমন ধান একটি প্রধান ফসল যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: উত্তরাঞ্চলের কৃষিজমি ব্যাখ্যা: উত্তরাঞ্চলে রোপা আমন কাটার পর ওই জমিতে রবি শস্য যেমন আলু ও সরিষা চাষ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে — এই সময় রোপা আমন ধান রোপণ করা হয়, কাটা হয় না। B) ভাদ্র -আশ্বিন মাসে — এটি মূলত আমন ধান বৃদ্ধির ও ফুল আসার সময়। D) মাঘ-ফাল্গুন — এই সময় সাধারণত বোরো ধান রোপণ বা রবি শস্য তোলার মৌসুম থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আমন ধান কাটার মাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো শীতের শুরুতে অর্থাৎ নতুন ধানের উৎসবে নবান্ন উদযাপনের মাস অগ্রহায়ণ ও পৌষ। - বর্ষায় রোপণ এবং শীতে কাটা হয় আমন ধান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের প্রধান তিনটি ধান ফসল হলো আউশ, আমন ও বোরো। - কোন মৌসুমে কোন ধান কাটা হয় তা কৃষিভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a দ্রাবিড়
b নেগ্রিটো
c ভোটচীন
d অষ্ট্রিক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অষ্ট্রিক ১. কেন সঠিক: - বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনের প্রধান উৎস হলো অষ্ট্রিক জাতিগোষ্ঠী, যা প্রাচীন বাংলার আদিম জনগোষ্ঠীর মূল ভিত্তি তৈরি করেছিল। - ইতিহাসবিদ ও নৃতাত্ত্বিকদের মতে, বাঙালি সংকর জাতি হলেও এর জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ অষ্ট্রিক বা নিষাদ জাতির রক্ত বহন করে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - প্রাচীনকালে বাংলার ভূখণ্ডে বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আগমন ঘটেছিল যাদের মধ্যে অষ্ট্রিক বা নিষাদ জাতি অন্যতম প্রধান। - আর্যদের আগমনের পূর্বে এই অঞ্চলে অষ্ট্রিকভাষী মানুষেরা বসতি স্থাপন করেছিল এবং কৃষিকাজ ও সমাজের ভিত্তি গড়ে তুলেছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁওতাল ও মুন্ডা জনগোষ্ঠী ব্যাখ্যা: অষ্ট্রিক জাতির সরাসরি বংশধর হিসেবে এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো বাংলার প্রাচীন নৃতাত্ত্বিক ধারার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার ব্যাখ্যা: আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত অনেক বাংলা শব্দ যেমন কুলা, গঞ্জ, টোপর ইত্যাদি অষ্ট্রিক ভাষা থেকে এসেছে যা বাঙালি সংস্কৃতির ওপর তাদের গভীর প্রভাব নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রাবিড় — প্রাচীন ভারতের সিন্ধু সভ্যতা ও দক্ষিণ ভারতের জনগোষ্ঠীর মূল অংশ হলেও এরা বাঙালি জাতির প্রধান অংশ নয়। B) নেগ্রিটো — এরা বাংলার অতি প্রাচীন আদিবাসী হলেও সংখ্যায় অত্যন্ত কম থাকায় প্রধান অংশ হতে পারেনি। C) ভোটচীন — তিব্বত ও চীন অঞ্চল থেকে আসা এই জাতিগোষ্ঠী উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের নৃতাত্ত্বিক গঠনে প্রভাব ফেললেও বাঙালির প্রধান অংশ নয়। D) অষ্ট্রিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক ও শারীরিক গঠনে এই গোষ্ঠীর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাঙালি মানেই অষ্ট্রিক মূলের সংমিশ্রণ। - প্রাচীন বাংলার আদি বসতি স্থাপনকারীদের প্রধান ধারা ছিল এই অষ্ট্রিক বা নিষাদ জাতিগোষ্ঠী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে নরগোষ্ঠীভিত্তিক প্রশ্ন আসলে মনে রাখতে হবে বাঙালি মূলত একটি সংকর জাতি।
a দেশ থেকে পোলিও নির্মূল
b HIV / AIDS নির্মূল করা
c যক্ষ্মা নির্মূল করা
d ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা ১. কেন সঠিক: - সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য ছিল বিশ্ব থেকে চরম ক্ষুধা ও দারিদ্র্য নির্মূল করা। - বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই লক্ষ্য অর্জনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সামাজিক উন্নয়ন: - বাংলাদেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্য বিমোচনে ধারাবাহিক অগ্রগতি অর্জন করেছে। - এই অর্জনের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কাজ চলছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ব্যাখ্যা: বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতার মতো কর্মসূচিগুলো ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করার সরকারের সরাসরি উদ্যোগ। উদাহরণ ২: ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম ব্যাখ্যা: গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে ক্ষুদ্রঋণ দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেশ থেকে পোলিও নির্মূল — এটি টিকাদান কর্মসূচির অংশ হলেও এমডিজি-র প্রধান লক্ষ্য ছিল না। B) HIV / AIDS নির্মূল করা — এটি স্বাস্থ্যসংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্ত হলেও মূল লক্ষ্য ছিল দারিদ্র্য বিমোচন। C) যক্ষ্মা নির্মূল করা — এটি রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির অংশ এবং স্বাস্থ্য খাতের নির্দিষ্ট লক্ষ্য। D) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা — এটি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারিত ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - এমডিজির শুরুতেই আসে পেটের ক্ষুধার কথা, তাই ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করাই হলো এর প্রথম লক্ষ্য। - স্বাস্থ্য বা শিক্ষা এর পরের ধাপে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এমডিজির পর বর্তমানে এসডিজি বাস্তবায়নের কাজ চলছে।
a ১২ তম
b ১৩ তম
c ১৪ তম
d ১৫ তম
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ তম ১. কেন সঠিক: - সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। - ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে এই সংশোধনী পাস হয় এবং ৩ জুলাই গেজেট প্রকাশিত হয়। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান ও আইন: এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ত্রয়েদশ সংশোধনী বাতিল করা হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এর ফলে দেশের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যস্ত হয় এবং দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা ফিরে আসে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০১১ সালের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ পুনর্বহাল করা হয়। উদাহরণ ২: ১৯৯৬ সালের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: এই সংশোধনীর মাধ্যমেই সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বৈধভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ তম — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৩ তম — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল। C) ১৪ তম — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৪ সালে সংবিধানের বেশ কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়, যার মধ্যে নারীদের সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি অন্যতম। D) ১৫ তম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সংশোধনীর মাধ্যমেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - তত্ত্বাবধায়ক সরকার আনায়ন করা হয়েছিল ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। - আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়েছিল পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পঞ্চদশ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোন সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তন করা হয়েছিল, এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a এক কক্ষ
b দুই বা দ্বিকক্ষ
c তিন কক্ষ
d বহুকক্ষ বিশিষ্ট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক কক্ষ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ আইনগতভাবে এক কক্ষবিশিষ্ট বা ইউনিক্যামারাল ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। - সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের (১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সংবিধান ও আইন: বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ গঠন ও এর আইনপ্রণয়ন ক্ষমতা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা থাকায় এখানে আইন পাস করার প্রক্রিয়া তুলনামূলক সহজ ও দ্রুত হয় এবং দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের মতো উচ্চকক্ষের বিরোধিতার মুখোমুখি হতে হয় না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ব্যাখ্যা: এটি শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এবং বিশ্বের অন্যতম একক আইনসভা ভবন যা লুই কান কর্তৃক নকশাকৃত। উদাহরণ ২: সংবিধানের অনুচ্ছেদ পরিবর্তন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা: এক কক্ষবিশিষ্ট এই সংসদ দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে সংবিধান সংশোধন করতে পারে যা এই সংসদের একক ক্ষমতার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক কক্ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধানে আইনসভার জন্য একটি মাত্র কক্ষের বিধান রাখা হয়েছে। B) দুই বা দ্বিকক্ষ — এটি ভুল কারণ ভারত, যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশে কোনো উচ্চকক্ষ বা সিনেট নেই। C) তিন কক্ষ — এটি ভুল কারণ সংসদীয় গণতন্ত্রে তিন কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার কোনো সাংবিধানিক অস্তিত্ব বাংলাদেশে নেই। D) বহুকক্ষ বিশিষ্ট — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের জন্য একাধিক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সংসদ একটিমাত্র কক্ষ নিয়ে গঠিত, তাই একে এক কক্ষ বা ইউনিক্যামারাল সংসদ বলা হয়। ভারতের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হলেও বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট, এই তুলনাটি মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা কত এবং সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ গঠিত হয়, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী বা এটি কোন দেশের আদলে গঠিত।
a ১৬২ টি
b ১১১ টি
c ৫১ টি
d ১০১ টি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১১ টি ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময় কার্যকর করা হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতের ভৌগোলিক সীমায় অবস্থিত বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল এবং বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অবস্থিত ভারতের ১১১টি ছিটমহল স্ব স্ব দেশের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির পর কুচবিহারের রাজা ও পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে কিছু ভূখণ্ডের মালিকানা জটিলতা থেকে ছিটমহল সমস্যার সূত্রপাত হয়। - ১৯৭৪ সালের ১৬ মে ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হতে দীর্ঘ সময় লেগেছিল। - ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকালে ২০১৫ সালের ৬ জুন ভারতীয় সংসদে সংবিধানের একশততম সংশোধনী পাসের মাধ্যমে এর পথ সুগম হয়। - এই বিনিময়ের ফলে দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে অবরুদ্ধ থাকা লাখো মানুষ তাদের নাগরিক অধিকার ফিরে পায় এবং দুই দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দহগ্রাম ও অঙ্গারপোতা ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত ছিটমহল যা তিনবিঘা করিডরের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৭৪ সালের ১৬ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬২ টি — এটি দুই দেশের মোট ছিটমহলের সংখ্যা নির্দেশ করে, যার মধ্যে ভারতের অভ্যন্তরে ছিল ৫১টি এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ছিল ১১১টি। B) ১১১ টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় ভারতের ঠিক এই কয়টি ছিটমহল অবস্হিত ছিল যা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। C) ৫১ টি — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি ভারতের ভৌগোলিক সীমায় অবস্হিত বাংলাদেশের ছিটমহলগুলোকে নির্দেশ করে। D) ১০১২ টি — এটি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর একটি সংখ্যা যা বাস্তবসম্মত নয় এবং দুই দেশের সীমান্ত চুক্তির সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশ পেল ১১১ আর ভারত পেল ৫১, এই সংখ্যা দুটি মনে রাখলে যেকোনো ছিটমহল সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব হবে। - মোট ১৬২টি ছিটমহলের মধ্যে ১১১টি বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় ছিল এবং ৫১টি ভারতের ভৌগোলিক সীমায় ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছিটমহল বিনিময়ের ফলে দীর্ঘদিনের মানচিত্রভিত্তিক জটিলতা দূর হয়েছে এবং দুই দেশের সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত হয়েছে। - একই বিষয় থেকে আরেকটি প্রশ্ন আসতে পারে যে, স্থল সীমান্ত চুক্তি কবে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করা হয় যার সঠিক উত্তর হলো ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই।
a ২২°৩০′ – ২০°-৩৪′ দক্ষিণ অক্ষাংশে
b ৮০°৩১′ – ৪০°-৯০′ দ্রাঘিমাংশে
c ৩৪°২৫° – ৩৮′ উত্তর অক্ষাংশে
d ৮৮°০১′ – ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৮°০১′ – ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণের জন্য অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশের মান জানা আবশ্যক। - বাংলাদেশ ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশের এবং ৮৮°০১′ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমান্ত: - অক্ষাংশগত বিস্তার: বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। - দ্রাঘিমাংশগত বিস্তার: বাংলাদেশ ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। - ভৌগোলিক তাৎপর্য: এই অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এর জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী প্রকৃতির। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্কটক্রান্তি রেখা ব্যাখ্যা: কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে, যার মান ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর। উদাহরণ ২: প্রমাণ সময় ব্যাখ্যা: ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশকে বাংলাদেশের প্রমাণ সময়ের জন্য বিবেচনা করা হয়, যা গ্রীনিচ মান সময়ের চেয়ে ছয় ঘণ্টা এগিয়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২°৩০′ – ২০°-৩৪′ দক্ষিণ অক্ষাংশে — বাংলাদেশ দক্ষিণ গোলার্ধে নয়, সম্পূর্ণভাবে উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। B) ৮০°৩১′ – ৪০°-৯০′ দ্রাঘিমাংশে — এই মানটি বাংলাদেশের প্রকৃত দ্রাঘিমািক সীমানার সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত। C) ৩৪°২৫° – ৩৮′ উত্তর অক্ষাংশে — এই মানটি বাংলাদেশের অক্ষাংশ সীমার বাইরে অবস্থিত এবং এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ অপশন। D) ৮৮°০১′ – ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে — এটি বাংলাদেশের পূর্ব দ্রাঘিমাংশের সঠিক ও প্রমিত মান। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশের অক্ষাংশ ২০ থেকে ২৬ ডিগ্রি এবং দ্রাঘিমাংশ ৮৮ থেকে ৯২ ডিগ্রির মধ্যে মনে রাখা সহজ। - মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধ ও পূর্ব গোলার্ধের একটি দেশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ কোন গোলার্ধে অবস্থিত তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলাদেশের সীমানা সংক্রান্ত প্রশ্ন থেকে এর উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের জেলার নামও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
a ১৯৭২ সাল
b ১৯৭৩ সাল
c ১৯৭৪ সাল
d ১৯৭৭ সাল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সাল ১. কেন সঠিক: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি বা জনমিতি পরিমাপ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। এই শুমারির মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সঠিক জনসংখ্যা, জনমিতি ও আর্থসামাজিক অবস্থা নিরূপণ করা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: জনসংখ্যা, জনগণনা ও জনমিতি: [জনমিতির ঐতিহাসিক সূচনা] ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: [বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের উদ্যোগে এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সহায়তায় এই শুমারি হয়] তারিখ ও স্থান: [১৯৭৪ সালের ১ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি সমগ্র বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি পরিচালিত হয়] তাৎপর্য ও ফলাফল: [১৯৭৪ সালের শুমারি অনুযায়ী যুদ্ধোত্তর স্বাধীন বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে সাত কোটি] ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: [১৯৮১ সালের দ্বিতীয় আদমশুমারি] ব্যাখ্যা: [স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম শুমারির পর দশকভিত্তিক গণনার ধারাবাহিকতায় ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়] উদাহরণ ২: [২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা] ব্যাখ্যা: [এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি, যার মাধ্যমে দেশের আধুনিক জনসংখ্যা ও গৃহের সঠিক পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে] ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ সাল — [এটি বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন ও প্রথম জাতীয় বাজেট ঘোষণার বছর, কোনো শুমারির বছর নয়] B) ১৯৭৩ সাল — [এটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের বছর, যা জনসংখ্যা গণনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়] C) ১৯৭৪ সাল — [এটি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হওয়ার সঠিক বছর] D) ১৯৭৭ সাল — [এটি জিয়াউর রহমানের শাসনকালে গণভোট ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের বছর, প্রথম শুমারির বছর নয়] ৫. মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৭৪ সংখ্যাটি মনে রাখলে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনসংখ্যা গণনার সালটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয় এবং সেসময়ের মোট জনসংখ্যা কত ছিল, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে দশকভিত্তিক শুমারি এবং সর্বশেষ ডিজিটাল শুমারি সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a রাখাইন
b মারমা
c পাঙন
d খিয়াং
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাঙন কেন সঠিক: পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মূল ধর্ম ইসলাম এবং তারা নিজেদের মুসলিম হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। এরা মূলত ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে আগত এবং বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করে। বাংলাদেশ তথ্য: বাংলাদেশের সংবিধানে দেশের সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ভাষার সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। পাঙন সম্প্রদায় শত শত বছর ধরে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাখাইন — রাখাইন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান ধর্ম বৌদ্ধ ধর্ম এবং তারা মূলত কক্সবাজার ও পটুয়াখালী অঞ্চলে বাস করে। B) মারমা — মারমা সম্প্রদায় বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী এবং তারা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে। C) পাঙন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয় বরং এই সম্প্রদায়ের মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী। D) খিয়াং — খিয়াং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ সাধারণত বৌদ্ধ বা খ্রিস্টধর্ম পালন করে থাকে। মনে রাখার টিপস: পাঙন মানেই প্রধান ধর্ম ইসলাম মনে রাখবে। মণিপুরী মুসলিমদের পাঙন বলা হয় এটি মাথায় রাখবে।
a পরিবিবি
b ইসলাম খান
c শায়েস্তা খান
d ঈশা খান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইসলাম খান ১. কেন সঠিক: সুবেদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করার পর শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ধোলাই খাল খনন করেছিলেন। এই খালটি বুড়িগঙ্গা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে বিভিন্ন এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পরবর্তীতে বালু নদীর সাথে মিলিত হয়েছিল যা নৌপথের বিস্তার ঘটিয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মুঘল সুবেদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থাপন করেন এবং নৌপথের নিরাপত্তা ও যাতায়াত সহজ করতে এই খাল খনন করেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ইসলাম খান চিশতি ছিলেন বাংলার প্রথম মুঘল সুবেদার যিনি বিদ্রোহী ভুঁইয়াদের দমন করে সমগ্র বাংলায় মুঘল শাসন সুদৃঢ় করেছিলেন। তাৎপর্য ও ফলাফল: ধোলাই খাল খননের ফলে তৎকালীন ঢাকার সাথে আশপাশের অঞ্চলের বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ হয় এবং বর্ষাকালে শহর রক্ষা পায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুড়িগঙ্গা নদী ব্যাখ্যা: ধোলাই খালটি বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে সংযুক্ত ছিল যা ঢাকার মুঘল আমlর জলপথ নেটওয়ার্কের একটি অংশ হিসেবে কাজ করত। উদাহরণ ২: লালবাগ কেল্লা ব্যাখ্যা: এটি পরবর্তী সুবেদারদের আমলে নির্মিত ঢাকার আরেকটি ঐতিহাসিক নিদর্শন যা তৎকালীন মুঘল স্থাপত্য ও নগরায়নের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিবিবি — পরিবিবি ছিলেন মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খানের কন্যা, যার আসল নাম ইরান দুখ্ত এবং তাঁর মাজার লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে অবস্থিত। B) ইসলাম খান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মুঘল আমলে ঢাকার যোগাযোগ ও নৌপথ উন্নয়নের জন্য ধোলাই খাল খনন করেছিলেন। C) শায়েস্তা খান — শায়েস্তা খান বাংলার বিখ্যাত সুবেদার ছিলেন যিনি তাঁর আমলের সুশাসনের জন্য পরিচিত হলেও ধোলাই খাল তিনি খনন করেননি। D) ঈশা খান — ঈশা খান ছিলেন বারো ভুঁইয়া প্রধান এবং বাকলার জমিদার যিনি মুঘলদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন বাংলার স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: ঢাকা রাজধানী হওয়ার পর প্রথম সুবেদার ইসলাম খান যাতায়াতের সুবিধার জন্য খাল খনন করেন। ইসলাম খান ও ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন একই সময়ের ঘটনা হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকার রাজধানী স্থানান্তর এবং প্রথম মুঘল সুবেদার কে ছিলেন তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে বাংলার প্রথম মুঘল রাজধানী কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছিল।

মোট প্রশ্ন (20)

a ১৯৪৯
b ১৯৫০
c ১৯৪৫
d ১৯৪০
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৫ ১. কেন সঠিক: আরব বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অভিন্ন স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯৪৫ সালে আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে আরব জাতীয়তাবাদের উত্থান এবং ফিলিস্তিন ইস্যু এই সংস্থা গঠনের প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছিল। ২. আঞ্চলিক সংস্থা: সংস্থা: আরব লীগ (Arab League)। প্রতিষ্ঠা: ২২ মার্চ ১৯৪৫। সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর। সদস্যসংখ্যা: ২২টি আরব রাষ্ট্র। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওআইসি (OIC) ব্যাখ্যা: মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ রক্ষার আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে আরব লীগের আদলেই পরবর্তীতে ওআইসি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: জিসিসি (GCC) ব্যাখ্যা: আরব লীগের ভেতরে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো নিয়ে আরও নিবিড় অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য এই আঞ্চলিক জোট গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৯ — এই সালে আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বছর এটি এবং ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৯৫০ — এই সালে আরব লীগের কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন বা সংস্থা গঠনের ঘটনা ঘটেনি। D) ১৯৪০ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তীব্রতা বেশি ছিল এবং আরব লীগ গঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার ঠিক আগেই আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার মাসটি ছিল মার্চ এবং এর সদর দপ্তর মিসরের কায়রোতে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আরব লীগের প্রথম মহাসচিব ছিলেন মিসরের আবদুল রহমান পাশা। সংস্থাটির সদর দপ্তর তিউনিসে স্থানান্তরিত হয়েছিল কিছুকালের জন্য, তবে বর্তমানে এটি কায়রোতেই অবস্থিত।
a মেসিডোনিয়া
b আলজেরিয়া
c আলবেনিয়া
d ফ্রান্স
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেসিডোনিয়া ১. কেন সঠিক: মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট তৎকালীন উসমানীয় সাম্রাজ্যের কসোভা ভিলায়েতের স্কোপজে শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে এই শহরটি উত্তর মেসিডোনিয়া রাষ্ট্রের রাজধানী। জন্মসূত্রে তিনি আলবেনীয় বংশোদ্ভূত ছিলেন, তবে তার জন্মস্থান বর্তমান মেসিডোনিয়ার ভূখণ্ডে অবস্থিত হওয়ায় তাকে মেসিডোনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: উত্তর মেসিডোনিয়া বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। প্রেক্ষাপট: স্কোপজে শহরে জন্মগ্রহণের পর তিনি ভারতে চলে আসেন এবং মানবতার সেবায় জীবন উৎসর্গ করেন। উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে আর্তমানবতার সেবা এবং দরিদ্রদের অধিকার রক্ষা করাই ছিল তার জীবনের ব্রত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলবেনিয়া ব্যাখ্যা: মাদার তেরেসার বাবা-মা আলবেনীয় বংশোদ্ভূত ছিলেন এবং তার মূল শিকড় ছিল আলবেনিয়ায়। উদাহরণ ২: ভারত ব্যাখ্যা: তিনি ভারতে এসে মিশনারিজ অফ চ্যারিটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং কলকাতার মাটিতেই তার জীবনের দীর্ঘ সময় কাটান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেসিডোনিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাদার তেরেসার জন্মস্থান স্কোপজে বর্তমানে উত্তর মেসিডোনিয়ার রাজধানী। B) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং মাদার তেরেসার জন্মস্থানের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। C) আলবেনিয়া — তার পরিবার আলবেনীয় হলেও তিনি আলবেনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেননি, বরং বর্তমান মেসিডোনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। D) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি প্রধান দেশ এবং মাদার তেরেসার জন্ম বা আদি পরিচয়ের সঙ্গে এই দেশের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: মাদার তেরেসার জন্মস্থান নিয়ে প্রায়ই মেসিডোনিয়া এবং আলবেনিয়ার মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়। মনে রাখবেন তিনি জন্মেছেন মেসিডোনিয়ার স্কোপজেতে, কিন্তু তার রক্ত ও শিকড় ছিল আলবেনিয়ার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মাদার তেরেসা কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। তিনি ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
a মিশর
b ইরান
c ইরাক
d সিরিয়া
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিরিয়া ১. কেন সঠিক: আলেপ্পো শহরটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এটি প্রাচীনকাল থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: সিরিয়া, যার রাজধানী দামেস্ক এবং মুদ্রা সিরিয়ান পাউন্ড। প্রেক্ষাপট: ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া সিরীয় গৃহযুদ্ধের সময় আলেপ্পো শহরটি তীব্র লড়াই ও ধ্বংসযজ্ঞের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। গুরুত্ব: ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত এই প্রাচীন শহরটি ভূরাজনৈতিক সংঘাতে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দামেস্ক ব্যাখ্যা: এটি সিরিয়ার রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন অবিচ্ছিন্নভাবে বসতিপূর্ণ শহর। উদাহরণ ২: হোমস্ ব্যাখ্যা: আলেপ্পোর মতোই এটি সিরীয় গৃহযুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত আরেকটি প্রধান শহর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যার রাজধানী কায়রো এবং আলেপ্পো এখানে অবস্থিত নয়। B) ইরান — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি দেশ, যার রাজধানী তেহরান এবং এর সঙ্গে আলেপ্পোর ভৌগোলিক কোনো সম্পর্ক নেই। C) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার রাজধানী বাগদাদ এবং এটি সিরিয়ার প্রতিবেশী হলেও আলেপ্পো এর ভূখণ্ডে নেই। D) সিরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ আলেপ্পো এই দেশেরই একটি ঐতিহাসিক ও প্রধান শহর। ৫ মনে রাখার টিপস: আলেপ্পো শহরটি গৃহযুদ্ধের জন্য বিশ্বজুড়ে আলোচিত এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়ায় অবস্থিত। সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক এবং আলেপ্পো দুটোই দেশটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক শহর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল এবং বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহ থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। আলেপ্পো ছাড়াও সিরিয়ার প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নগরী পালমিরা বা লাতাকিয়া সম্পর্কে পরীক্ষাতে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ১৯৪১
b ১৯৪৫
c ১৯৪৮
d ১৯৪৯
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৫ ১. কেন সঠিক: - জাতিসংঘ (United Nations) আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রোধ এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিজয়ী শক্তিগুলোর উদ্যোগে এই সংস্থা গঠিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ বা United Nations (UN) - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর (সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন শেষে চার্টার স্বাক্ষরের পর) - সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র - প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত লিগ অব নেশনস ব্যর্থ হওয়ায় একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা, পারস্পরিক বন্ধুভাবাপন্ন সম্পর্ক তৈরি এবং মানবাধিকার রক্ষা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪৫ সালের সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন ব্যাখ্যা: এই সম্মেলনে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে জাতিসংঘের সনদ বা ইউ এন চার্টার চূড়ান্ত করেন। উদাহরণ ২: লিগ অব নেশনস ব্যাখ্যা: ১৯২০ সালে গঠিত এই সংস্থা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ রোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪১ — এই বছর আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় যা জাতিসংঘের রূপরেখা তৈরি করেছিল, কিন্তু জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) ১৯৪৫ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই বছরেই জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। C) ১৯৪৮ — এই বছর জাতিসংঘের মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা প্রচার করা হয়, এটি প্রতিষ্ঠার সাল নয়। D) ১৯৪৯ — এই বছর উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা বা ন্যাটো গঠিত হয়, জাতিসংঘ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯৪৫ সালে এবং এই একই বছরে বিশ্বশান্তির জন্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। - ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হিসেবে পালিত হয়, যা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় বা এটি কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশের সংখ্যা ছিল ৫১টি।
a ১৯৮২
b ১৯৮৫
c ১৯৮৪
d ১৯৮৩
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৫ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা অর্থাৎ সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে যাত্রা শুরু করে। - প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আঞ্চলিক জোটের প্রতিষ্ঠাকাল প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: সার্ক অর্থাৎ সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কোঅপারেশন। - প্রতিষ্ঠা: ৮ থেকে ৯ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে ঢাকা শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল। - উদ্দেশ্য: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসিয়ান বা এএসইএএন। ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক জোট যা ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার আরেকটি বড় উদাহরণ। উদাহরণ ২: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ। ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের দেশগুলোর একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট যা ১৯৯৩ সালে মা Maastricht চুক্তির মাধ্যমে বর্তমান রূপ লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮২ — এই সালে সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি বরং এই সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রাথমিক প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছিল। B) ১৯৮৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ঢাকা শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে সার্কের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে। C) ১৯৮৪ — এই সালে সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সচিবালয় বা আনুষ্ঠানিক রূপ লাভ করেনি বরং প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। D) ১৯৮৩ — এই সালে নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সার্কের ঘোষণা গৃহীত হলেও তা প্রতিষ্ঠাকাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সার্ক প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে এই কৌশল ব্যবহার করা যেতে পারে যে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এই জোটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। - সালটি মনে রাখতে সংখ্যাগুলো এভাবে মনে রাখা যায় যে আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার মোর্চা গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয় এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আঞ্চলিক এই সংস্থার সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত, যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
a জেনেভা
b ভিয়েনা
c ওয়াশিংটন
d প্যারিস
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিয়েনা ১. কেন সঠিক: আইএইএ বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে। এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত হওয়ায় সঠিক উত্তরটি ভিয়েনা। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ। প্রতিষ্ঠা: ২৯ জুলাই ১৯৫৭ সাল। সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। উদ্দেশ্য: পারমাণবিক শক্তির সামরিক ব্যবহার রোধ করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ অন্যান্য শান্তিপূর্ণ কাজে এর ব্যবহার নিশ্চিত করা। গুরুত্ব: পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটি বাস্তবায়নে এই সংস্থা বিশ্বজুড়ে পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শনের কাজ করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিটোভো চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত অঞ্চল প্রতিষ্ঠার একটি চুক্তি যা আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে আইএইএর লক্ষ্যের সঙ্গে মিলে যায়। উদাহরণ ২: উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সংকট। ব্যাখ্যা: উত্তর কোরিয়া আইএইএর পরিদর্শকদের দেশ থেকে বহিষ্কার করার পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ধরনের সংকটের সৃষ্টি হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — জেনেভা সুইজারল্যান্ডের একটি শহর এবং এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলওর সদর দপ্তর। B) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আইএইএর সদর দপ্তর এবং এটি অস্ট্রিয়ায় অবস্থিত। C) ওয়াশিংটন — ওয়াশিংটন ডিসি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এটি বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর। D) প্যারিস — প্যারিস ফ্রান্সের রাজধানী এবং এটি ইউনেস্কো এবং ওইসিডির প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: পরমাণু শক্তি নিয়ে কাজ করে আইএইএ এবং এর ভিয়েনায় গান বা শিল্পকলার মতো সুন্দর পরিবেশের সঙ্গে পরমাণু গবেষণার সদর দপ্তর রয়েছে। জেনেভা বা ওয়াশিংটনের স্বাস্থ্য বা বাণিজ্যের সদর দপ্তরের সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আইএইএ কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর কোথায়, এই দুটি প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে অন্য প্রশ্ন হতে পারে যে আইএইএ কোন ক্ষেত্রের উন্নয়নে কাজ করে বা এর বর্তমান সদস্য কত।
a ভিয়েনা
b জেনেভা
c প্যারিস
d লন্ডন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা ১. কেন সঠিক: আন্তর্জাতিক রেড ক্রস বা ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেড ক্রস একটি মানবিক সংস্থা। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধাহত ও সংঘাতপীড়িত মানুষের সেবা করার জন্য এই সংস্থাটি জেনেভায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেড ক্রস বা আইসিআরসি প্রতিষ্ঠা: ১৮৬৩ সাল সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড উদ্দেশ্য: যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন রক্ষা এবং তাদের সহায়তা করা ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নোবেল শান্তি পুরস্কার ব্যাখ্যা: রেড ক্রস সংস্থাটি অসাধারণ মানবিক কাজের জন্য তিনবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। উদাহরণ ২: জেনেভা কনভেনশন ব্যাখ্যা: যুদ্ধবন্দী ও আহত সৈনিকদের সুরক্ষায় এই কনভেনশনের সঙ্গে রেড ক্রসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং ওপেকের সদর দপ্তর অবস্থিত এখানে। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং রেড ক্রস ও ডব্লিউএইচও এর সদর দপ্তর। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এখানে। D) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: মানবিক ও শান্তির কাজের বড় বড় সংস্থার সদর দপ্তর সাধারণত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় হয়ে থাকে। রেড ক্রস নামটি মনে রাখলে জেনেভা শহরের কথা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট প্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। এই সংস্থাটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মূল প্রবক্তা হিসেবে কাজ করে।
a লিও টলস্টয়
b ডেভিড রিকার্ডো
c কার্ল মার্কস
d জেন অস্টিন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিও টলস্টয় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো ‘War and Peace’ বা যুদ্ধ ও শান্তি উপন্যাসটির মূল রচয়িতা বিশ্বখ্যাত রুশ সাহিত্যিক কাউন্ট লিও টলস্টয়। - ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যিক উপন্যাসটিতে নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণ এবং রুশ সমাজের ওপর এর গভীর প্রভাব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - দেশ বা লেখক: রাশিয়া তথা বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক লিও টলস্টয়। - প্রেক্ষাপট: ১৮১২ সালের ফরাসি সেনাপতি নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণ এবং রাজপরিবারসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। - উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: উপন্যাসে যুদ্ধ ও শান্তির দ্বন্দ্বের মাধ্যমে মানুষের ভাগ, ইতিহাস এবং সমাজ জীবনের গভীর দর্শন তুলে ধরা হয়েছে। - প্রভাব: বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে এটি সর্বকালের অন্যতম সেরা উপন্যাস হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ও পঠিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনা কারেনিনা ব্যাখ্যা: এটিও লিও টলস্টয়ের অপর একটি বিশ্ববিখ্যাত উপন্যাস যা প্রেম, সমাজ ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট ব্যাখ্যা: এটি রাশিয়ান সাহিত্যের আরেকটি মাস্টারপিস যার রচয়িতা ফিওদর দস্তয়েভস্কি এবং পরীক্ষার্থীদের প্রায়ই টলস্টয় ও দস্তয়েভস্কির উপন্যাসের মধ্যে গুলিয়ে ফেলতে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিও টলস্টয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বিখ্যাত ‘War and Peace’ উপন্যাসের লেখক। B) ডেভিড রিকার্ডো — ইনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ক্লাসিক্যাল অর্থনীতিবিদ যিনি তুলনামূলক সুবিধার তত্ত্বের জন্য পরিচিত। C) কার্ল মার্কস — ইনি সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা এবং বিখ্যাত ‘ডাস ক্যাপিটাল’ ও ‘কমিউনিস্ট ইশতেহার’ গ্রন্থের রচয়িতা। D) জেন অস্টিন — ইনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক যিনি ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রি prejuডিকস’ উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাশিয়ান যুদ্ধের উপন্যাস মনে রাখতে টলস্টয় নামটি মাথায় রাখবে। - টলস্টয় মানেই রাশিয়া এবং যুদ্ধ ও শান্তির বিশাল এক মহাকাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বসাহিত্য ও বিখ্যাত লেখকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - এই প্রশ্ন থেকে লেখক ও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম মেলানোর প্রশ্নও আসতে পারে।
a ১২০
b ১৫
c ৭৭
d ২১
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০ ১. কেন সঠিক: NAM বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন শীতল যুদ্ধের সময় গড়ে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক মঞ্চ। এই জোটে বর্তমানে ১২০টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তৃতীয় বিশ্বের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: NAM বা Non-Aligned Movement বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন। প্রতিষ্ঠা: ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেড সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়। সদর দপ্তর: NAM-এর কোনো স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর নেই। প্রেক্ষাপট: শীতল যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দুই পরাশক্তির দ্বন্দ্ব থেকে দূরে থাকার নীতি নিয়ে এটি গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা করা এবং সদস্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জওহরলাল নেহরু, জোসিপ ব্রোজ টিটো এবং জামাল আবদেল নাসের। ব্যাখ্যা: এই তিন বিশ্বনেতা NAM প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। উদাহরণ ২: বান্দুং সম্মেলন ১৯৫৫। ব্যাখ্যা: ইন্দোনেশিয়ার এই সম্মেলন থেকেই জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের বীজ বপন করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমান NAM-এর মোট সদস্য দেশ ১২০টি। B) ১৫ — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৫ সংখ্যাটি অন্য কোনো সংস্থার সদস্য বা বিশেষ কমিটির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। C) ৭৭ — এই অপশনটি ভুল কারণ G-77 হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি অর্থনৈতিক ফোরাম যা জাতিসংঘের অধীনে কাজ করে। D) ২১ — এই অপশনটি ভুল কারণ ২১ সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংস্থার সদস্যসংখ্যা এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: NAM শব্দটি মাথায় রাখলে মনে রাখবে এটি শীতল যুদ্ধের নিরপেক্ষ দেশগুলোর জোট এবং এর সদস্য সংখ্যা হলো ১২০। জি-৭৭ এবং এনএএম দুটি সম্পূর্ণ আলাদা ফোরাম, তাই এগুলোর সদস্য সংখ্যা নিয়ে যেন বিভ্রান্তি না হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: NAM-এর প্রথম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত, বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে NAM-এর স্থায়ী সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত।
a বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়
b জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা
c জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
d যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা ১. কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে বিশ্বকে রক্ষা করা এবং ভবিষ্যতের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল লক্ষ্য নিয়ে ইয়াল্টা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনের অন্যতম প্রধান কূটনৈতিক সাফল্য ছিল একটি নতুন আন্তর্জাতিক শান্তি সংস্থা হিসেবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে মিত্র শক্তির শীর্ষ নেতাদের ঐকমত্যে পৌঁছানো। ২. আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ঐতিহাসিক ঘটনা: - সম্মেলন: ইয়াল্টা সম্মেলন বা ক্রিমিয়া সম্মেলন - তারিখ: ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ - স্থান: লিভাদিয়া প্যালেস, ইয়াল্টা, ক্রিমিয়া, সোভিয়েত ইউনিয়ন - সংশ্লিষ্ট পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট, যুক্তরাজ্য উইনস্টন চার্চিল এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন জোসেফ স্ট্যালিন - প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন শেষের পথে, তখন যুদ্ধোত্তর ইউরোপের পুনর্গঠন ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই তিন নেতা বৈঠকে মিলিত হন। - ফলাফল ও প্রভাব: সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনের পথ প্রশস্ত হয় এবং ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাম্বার্টন ওকস সম্মেলন ব্যাখ্যা: ইয়াল্টা সম্মেলনের আগে ১৯৪৪ সালে এই সম্মেলনে জাতিসংঘের একটি প্রাথমিক কাঠামো বা সনদ প্রস্তুত করা হয়েছিল, যা ইয়াল্টায় চূড়ান্ত রূপ পায়। উদাহরণ ২: সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন ব্যাখ্যা: ইয়াল্টা সম্মেলনের সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হিসেবে ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল এই সম্মেলন শুরু হয় এবং এখানেই জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয় — বিশ্বযুদ্ধের কারণ অনুসন্ধান এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল না, বরং যুদ্ধ শেষ করা এবং যুদ্ধোত্তর পৃথিবী পরিচালনা করাই ছিল প্রধান কাজ। B) জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা — জিব্রালটার প্রণালী ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে, যার সুরক্ষা ইয়াল্টা সম্মেলনের আলোচ্য বিষয় ছিল না। D) যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান — জার্মানির কাছ থেকে ক্ষতি আদায়ের কিছু আলোচনা হলেও যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থা ও জাতিসংঘ গঠনই ছিল এই সম্মেলনের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান লক্ষ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইয়াল্টা সম্মেলন মানেই যুদ্ধোত্তর বিশ্বশান্তি এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক রূপরেখা। - ১৯৪৫ সালের এই সম্মেলনে তিন নেতা বিগ থ্রি একত্রিত হয়েছিলেন মূলত জাতিসংঘ গঠনের পথ সুগম করতে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইয়াল্টা সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী তিন নেতাকে বিগ থ্রি বলা হয় এবং তাদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পটভূমি হিসেবে তেহরান, ইয়াল্টা ও পটসডাম সম্মেলনের ধারাবাহিকতা খুব ভালো করে পড়তে হবে।
a ভিয়েতনাম সংকট
b সাইপ্রাস সংকট
c কোরিয়া সংকট
d প্যালেস্টাইন সংকট
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কোরিয়া সংকট ১. কেন সঠিক: ১৯৫০ সালে কোরীয় যুদ্ধ শুরু হলে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটো প্রদানের কারণে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়। এই অচলাवस्था নিরসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অবশিং বা শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব পেশ করে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সংকট: ১৯৫০ সালের ২৫ জুন উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করলে কোরীয় যুদ্ধ শুরু হয়। প্রভাব: এই প্রস্তাবের মাধ্যমে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে শান্তি রক্ষা ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে বাড়তি ক্ষমতা প্রদান করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুয়েজ সংকট ব্যাখ্যা: ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের সময়ও শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাবের কার্যকারিতা প্রয়োগ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: হাঙ্গেরি সংকট ব্যাখ্যা: ১৯৫৬ সালের হাঙ্গেরি সংকটের সময় সোভিয়েত হস্তক্ষেপে নিরাপত্তা পরিষদের ব্যর্থতার পর সাধারণ পরিষদ এই প্রস্তাব ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েতনাম সংকট — এটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এতে এই প্রস্তাব সরাসরি ব্যবহৃত হয়নি। B) সাইপ্রাস সংকট — এটি গ্রিক ও তুর্কি সম্প্রদায়ের মধ্যকার জাতিগত সংঘাত যা ১৯৬০ এর দশকে তীব্র আকার ধারণ করে। ডি) প্যালেস্টাইন সংকট — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী ভূরাজনৈতিক ও আঞ্চলিক বিরোধ যা ১৯৪৮ সাল থেকে চলমান। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৯৫০ সালের কোরিয়া যুদ্ধ শুরুর পরই কেবল সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব আনা সম্ভব হয়েছিল। কোরিয়া সংকটের মাধ্যমেই নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতাকে পাশ কাটানোর এই অভিনব কূটনৈতিক পথ তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব বা Uniting for Peace Resolution জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন ৩৭৭ (ভি) নামেও পরিচিত। নিরাপত্তা পরিষদ ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদ কীভাবে শান্তি রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে, তা এই প্রশ্ন থেকে শেখা যায়।
a জুন ২০০১
b জুন ২০০০
c জুন ২০০২
d জুন ২০০৩
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জুন ২০০২ ১. কেন সঠিক: যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে অ্যান্টি ব্যালিস্টিক মিসাইল বা এবিএম চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয় ২০০২ সালের জুন মাসে। স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র ভারসাম্য বজায় রাখতে ১৯৭২ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি: চুক্তির নাম: অ্যান্টি ব্যালিস্টিক মিসাইল বা এবিএম চুক্তি। স্বাক্ষরের তারিখ: ২৬ মে ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। প্রেক্ষাপট: পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং দুই পরাশক্তির মধ্যে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য এই চুক্তি করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: নিজ দেশের ভূখণ্ড রক্ষায় সীমিত আকারের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্ট্র্যাটেজিক আর্মস লিমিটেশন টকস বা সল্ট চুক্তি। ব্যাখ্যা: স্নায়ুযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিত করার লক্ষ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস বা আইএনএফ চুক্তি। ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে মাঝারি পাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার একটি যুগান্তকারী চুক্তি ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুন ২০০১ — এই সময়ে জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসন এবিএম চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিলেও আনুষ্ঠানিক প্রত্যাহার সম্পন্ন হয় ২০০২ সালের জুন মাসে। B) জুন ২০০০ — এই বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং এবিএম চুক্তি বাতিলের বিষয়টি তৎকালীন নির্বাচনী প্রচারণায় প্রধান ইস্যু ছিল না। D) জুন ২০০৩ — এই সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র এবিএম চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করেনি কারণ এর এক বছর আগেই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র এবিএম চুক্তি থেকে সরে আসে জর্জ ডব্লিউ বুশ এর আমলে ২০০২ সালের জুনে। সালটি মনে রাখতে পারেন টু থাউজেন্ড টু অর্থাৎ ২০০২ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এবিএম চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং কত সালে যুক্তরাষ্ট্র এটি ত্যাগ করে, তা ভালোভাবে জেনে রাখা দরকার।
a ৮০ বিলিয়ন ডলার
b ১০০ বিলিয়ন ডলার
c ১৫০ বিলিয়ন ডলার
d ২০০ বিলিয়ন ডলার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০ বিলিয়ন ডলার ১. কেন সঠিক: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং অভিযোজনের জন্য উন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ড হলো এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রধান আর্থিক কৌশলগত হাতিয়ার। ২. জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ চুক্তি: সংস্থা: গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ড বা জিসিএফ হলো জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি এর একটি আর্থিক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠা: ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুন সম্মেলনে এই তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ২০১২ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়। সদর দপ্তর: দক্ষিণ কোরিয়ার ইঞ্চিয়ন শহরের সোংডো জেলায় এর সদর দপ্তর অবস্থিত। উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশগুলোর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: ২০১৫ সালের এই চুক্তিতে জলবায়ু তহবিল এবং আর্থিক প্রতিশ্রুতির বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: কপ সম্মেলন ব্যাখ্যা: প্রতিটি জলবায়ু সম্মেলনে উন্নত দেশগুলোর পক্ষ থেকে এই ১০০ বিলিয়ন ডলার তহবিল পুরোপুরি চালুর জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ বিলিয়ন ডলার — এটি গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ডের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) ১০০ বিলিয়ন ডলার — এটি জলবায়ু তহবিল হিসেবে দরিদ্র দেশগুলোর জন্য নির্ধারিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিশ্রুতির সঠিক পরিমাণ। C) ১৫০ বিলিয়ন ডলার — এই অংকটি গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ডের মূল প্রতিশ্রুতির সঙ্গে মেলে না। তাই এটি ভুল। D) ২০০ বিলিয়ন ডলার — এটি জলবায়ু তহবিলের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি এবং অতিরিক্ত প্রাক্কলন। ৫ মনে রাখার টিপস: জলবায়ু তহবিলের শতকোটি বা ১০০ বিলিয়ন ডলারের অংকটি মনে রাখতে শতক সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো। গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ডের সদর দপ্তর কোরিয়ায়, যা এশিয়ার একটি উন্নত অর্থনীতির দেশ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ডের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে তহবিলের প্রতিষ্ঠার সাল বা এর মূল লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে।
a প্রশাসক
b মহাপরিচালক
c মহাসচিব
d প্রেসিডেন্ট
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রশাসক ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি জাতিসংঘের বৈশ্বিক উন্নয়ন নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করে। এই সংস্থার প্রধান নির্বাহী বা শীর্ষ পদটিকে প্রচলিত নিয়মে প্রশাসক বা Administrator বলা হয়। ২. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি: সংস্থা: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা United Nations Development Programme (UNDP)। প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৫ সালের ২২ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মূল কাজ: বৈশ্বিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা এবং সংকট মোকাবেলায় দেশগুলোকে সহায়তা করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতিসংঘের মূল ৬টি অঙ্গসংস্থা। ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের অন্য প্রধান অঙ্গসংস্থাগুলোর প্রধানকে সাধারণত মহাসচিব বা প্রেসিডেন্ট বলা হয়, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। উদাহরণ ২: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ পদটিকে প্রেসিডেন্ট বলা হয়, যা ইউএনডিপির প্রশাসক পদের থেকে আলাদা এবং পরীক্ষার্থীদের এটি মনে রাখতে হবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশাসক — এই অপশনটি সঠিক কারণ ইউএনডিপির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দাপ্তরিক পদবি প্রশাসক। B) মহাপরিচালক — এটি ইউনেস্কো, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচওর মতো সংস্থার প্রধানের পদবি, ইউএনডিপির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) মহাসচিব — এটি জাতিসংঘ বা সার্কের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের পদবি, যা ইউএনডিপির শীর্ষ পদের জন্য সঠিক নয়। D) প্রেসিডেন্ট — এটি বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক আদালতের প্রধানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, ইউএনডিপির জন্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউএনডিপি বা উন্নয়ন কর্মসূচির প্রধান হলেন প্রশাসক এবং অন্য বড় সংস্থার প্রধান সাধারণত মহাসচিব বা মহাপরিচালক হন। প্রশাসক শব্দটি উন্নয়ন ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি মানানসই, যা ইউএনডিপির কাজের ধরনাকে ফুটিয়ে তোলে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউএনডিপির সদর দপ্তর কোথায় এবং এর শীর্ষ পদের নাম কী, তা বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। এই প্রশ্নটি থেকে জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা এবং তাদের প্রধানদের পদবির ভিন্নতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
a ভারত
b চীন
c মিয়ানমার
d আফগানিস্তান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন ১. কেন সঠিক: - চীন বিশ্বের সর্বাধিক অর্থাৎ ১৪টি দেশের সাথে স্থল সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে। - ভূরাজনৈতিক অবস্থানের কারণে এত বেশি দেশের সাথে স্থল সীমান্ত ভাগ করার দিক থেকে চীন ও রাশিয়া যৌথভাবে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২. ভূরাজনৈতিক তথ্য: - দেশ: গণপ্রজাতন্ত্রী চীন, এশিয়া মহাদেশের একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও সামরিক পরাশক্তি। - সীমান্ত: চীনের স্থল সীমান্ত প্রায় ২২ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ যা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ সীমান্ত রেখা। - প্রতিবেশী দেশ: মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার, ভারত, ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং কাজাখস্তান। - কৌশলগত গুরুত্ব: এত বেশি সীমান্ত থাকার কারণে চীনকে তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সাথে কূটনীতি ও সীমান্ত সুরক্ষায় অত্যন্ত সতর্ক কৌশল অবলম্বন করতে হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাশিয়া ব্যাখ্যা: রাশিয়ার সাথেও ১৪টি দেশের স্থল সীমান্ত রয়েছে যা চীনের সাথে যৌথভাবে সর্বোচ্চ সীমানার রেকর্ড ধরে রেখেছে। উদাহরণ ২: ভারত ব্যাখ্যা: ভারত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ এবং এটি স্থলপথে ৭টি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে যা চীনের অর্ধেক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারতের স্থল সীমান্ত রয়েছে ৭টি দেশের সাথে যা চীনের অর্ধেকেও কম। B) চীন — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি সর্বাধিক ১৪টি দেশের সাথে সীমান্ত যুক্ত। C) মিয়ানমার — মিয়ানমার ৫টি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে যা চীনের তুলনায় অনেক কম। D) আফগানিস্তান — আফগানিস্তান ৬টি দেশের সাথে স্থল সীমান্ত যুক্ত একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র। ৫. মনে রাখার টিপস: - সর্বাধিক সীমান্ত মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে এশিয়া মহাদেশের দুই বিশাল দেশ চীন এবং রাশিয়া প্রত্যেকে ১৪টি করে প্রতিবেশী দেশের সাথে যুক্ত। - কম দেশ মনে রাখার পরিবর্তে কেবল শীর্ষ অবস্থান অধিকারী দেশ দুটি মনে রাখলেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কোন দেশের সাথে কয়টি দেশের সীমান্ত রয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে রাশিয়া সম্পর্কিত প্রশ্ন বা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ কয়টি এমন প্রশ্নও আসতে পারে।
a The Lao People’s Democratic Republic
b Republic of Laos
c Kingdom of Laos
d Democratic Republic of Laos
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The Lao People’s Democratic Republic ১. কেন সঠিক: - লাওসের সাংবিধানিক ও সরকারি নাম হলো দ্য লাও পিপলস ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার আওতাভুক্ত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের আনুষ্ঠানিক নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়, যা সাধারণ ভূগোলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: লাওস হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র স্থলবেষ্টিত বা ল্যান্ডলকড দেশ। - রাজধানী ও মুদ্রা: লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়েন এবং মুদ্রা হলো লাও কিপ। - আঞ্চলিক জোট: লাওস দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ান এর অন্যতম সক্রিয় সদস্য রাষ্ট্র। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গণচীন ব্যাখ্যা: লাওসের মতো চীন দেশের সরকারি নামেও পিপলস রিপাবলিক কথাটি যুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: উত্তর কোরিয়া ব্যাখ্যা: উত্তর কোরিয়ার আনুষ্ঠানিক নাম ডেমোক্রেটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়া, যা রাষ্ট্রীয় নামকরণের ভিন্নতা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Lao People’s Democratic Republic — এটি লাওসের সঠিক ও দাপ্তরিক নাম। B) Republic of Laos — এটি লাওসের কোনো আনুষ্ঠানিক বা সাংবিধানিক নাম নয়। C) Kingdom of Laos — ১৯৭৫ সালের আগে লাওস রাজতন্ত্র ছিল, কিন্তু বর্তমানে এটি প্রজাতন্ত্র। D) Democratic Republic of Laos — এই নামে কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক অস্তিত্ব নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - লাওস নামের শেষে পিপলস ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক যুক্ত থাকে, যা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর নামকরণের সাধারণ বৈশিষ্ট্য। - স্থলবেষ্টিত দেশ হিসেবে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে লাওসের ভৌগোলিক অবস্থান মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লাওস কোন ধরনের রাষ্ট্র এবং এর রাজধানী কী, তা প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। - আসিয়ান জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নাম এবং তাদের রাজধানী সংক্রান্ত প্রশ্ন এখান থেকে হতে পারে।
a ২
b ৩
c ৪
d ৫
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ১. কেন সঠিক: ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠে অবস্থিত ভার্সাই প্রাসাদে মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এই ঐতিহাসিক দিনে ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের মধ্যে মোট দুটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২. ঐতিহাসিক চুক্তি ও প্রেক্ষাপট: চুক্তির নাম: ভার্সাই চুক্তি ১৭৮৩ বা প্যারিস চুক্তি ১৭৮৩ তারিখ ও স্থান: ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, ভার্সাই প্রাসাদ, ফ্রান্স সংশ্লিষ্ট পক্ষ: গ্রেট ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস প্রধান উদ্দেশ্য: আমেরিকান বিপ্লব বা মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব স্বীকৃতি দেওয়া গুরুত্ব: এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রেট ব্রিটেন আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে এবং বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন পরাশক্তির জন্ম হয় ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারিস চুক্তি ১৭৮৩ ব্যাখ্যা: এই চুক্তিটি সাধারণত প্যারিস শান্তি চুক্তি নামেও পরিচিত, কারণ এর প্রাথমিক আলোচনা প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: ভার্সাই চুক্তি ১৯১৯ ব্যাখ্যা: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত ১৯১৯ সালের ভার্সাই চুক্তি আরেকটি বিখ্যাত চুক্তি, যা পরীক্ষার্থীদের ১৭৮৩ সালের চুক্তির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা থেকে সতর্ক করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৭৮৩ সালে ভার্সাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি এবং স্পেন ও ফ্রান্সের সঙ্গে ব্রিটেনের অপর চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। B) ৩ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ ১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, বরং দুটি প্রধান কূটনৈতিক দলিল চূড়ান্ত হয়েছিল। C) ৪ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ এই ঐতিহাসিক দিনে ভার্সাইয়ে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। D) ৫ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ পাঁচ সমঝোতা বা চুক্তি একসঙ্গে ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ভার্সাইয়ে স্বাক্ষরিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৭৮৩ সালের ভার্সাই চুক্তির সংখ্যা মনে রাখার সহজ উপায় হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের প্রধান শান্তি চুক্তি এবং ইউরোপীয় মিত্রদের চুক্তি মিলিয়ে মোট সংখ্যাটি ছিল দুই। ১৯১৯ সালের ভার্সাই চুক্তির সঙ্গে ১৭৮৩ সালের চুক্তি গুলিয়ে ফেলবেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আমেরিকান বিপ্লবের সমাপ্তি ঘটে ১৭৮৩ সালের ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে। এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত চুক্তি কতটি ছিল বা কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা জানতে চাওয়া হয়।
a ৯
b ১২
c ১৩
d ১৪
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ ১. কেন সঠিক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে বিখ্যাত চৌদ্দ দফা বা ফোরটিন পয়েন্ট পেশ করেন। এই চৌদ্দ দফা প্রস্তাবের শেষ তথা ১৪ নম্বর পয়েন্টে পারস্পরিক রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা নিশ্চিত করার জন্য সব দেশের অংশগ্রহণে একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক সংস্থা বা জাতিপুঞ্জ গঠনের কথা বলা হয়েছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর ভবিষ্যতে এ ধরনের যুদ্ধ রোধ এবং আন্তর্জাতিক বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের লক্ষ্যে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে শান্তি রক্ষা, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভার্সালিস চুক্তি ব্যাখ্যা: উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফার ওপর ভিত্তি করেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পরাজিত জার্মানির সঙ্গে ভার্সালিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। উদাহরণ ২: জাতিসংঘ ব্যাখ্যা: জাতিপুঞ্জ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ রোধে ব্যর্থ হলেও এর আদলেই পরবর্তীতে ১৯৪৫ সালে বর্তমান জাতিসংঘ গঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতির মূল ভিত্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — এই পয়েন্টে ইতালির সীমান্ত পুনর্গঠন এবং জাতিগত লাইন অনুযায়ী ইতালীয়দের সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। B) ১২ — এই পয়েন্টে অটোমান সাম্রাজ্যের তুর্কি অংশগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অন্যান্য জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের কথা বলা হয়েছিল। C) ১৩ — এই পয়েন্টে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম পোলিশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল যার সমুদ্রের প্রবেশাধিকার থাকবে। D) ১৪ — এই পয়েন্টে বিশ্বশান্তি বজায় রাখার জন্য একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক সংঘ বা জাতিপুঞ্জ গঠনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে, শেষ পয়েন্ট বা ১৪ নম্বর পয়েন্টেই বিশ্বশান্তির জন্য সবচেয়ে বড় সংগঠন অর্থাৎ জাতিপুঞ্জ গঠনের কথা বলা হয়েছিল। সংখ্যা ১৪ এবং আন্তর্জাতিক শান্তির এই বড় উদ্যোগটি সবসময় একসঙ্গে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত জাতিপুঞ্জ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২০ সালে এবং এর সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। এই প্রশ্নটি থেকে বিসিএস বা অন্যান্য পরীক্ষায় উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা কোন সালে পেশ করা হয় বা জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাব কোন দফায় ছিল, সে ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়।
a ১৮ এপ্রিল
b ২০ এপ্রিল
c ২২ এপ্রিল
d ২৪ এপ্রিল
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ এপ্রিল ১. কেন সঠিক: - ২২ এপ্রিল আন্তর্জাতিক মাতৃ বসুমতী দিবস বা International Mother Earth Day হিসেবে পালিত হয়। - পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ধরিত্রী রক্ষায় বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিবসটির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০৯ সালের ২২ এপ্রিল জাতিসংঘ এই দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয়। - প্রেক্ষাপট: ১৯৭০ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম আর্থ ডে বা ধরিত্রী দিবস পালনের মাধ্যমে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: আমাদের গ্রহের বাস্তুতন্ত্র রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী পৃথিবী নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টকহোম সম্মেলন ১৯৭২ ব্যাখ্যা: এটি ছিল পরিবেশ সুরক্ষায় প্রথম আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ যা বৈশ্বিক ধরিত্রী দিবস পালনের পথ প্রশস্ত করেছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ২০১৫ ব্যাখ্যা: ধরিত্রী রক্ষা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার একটি ঐতিহাসিক দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ এপ্রিল — এটি আন্তর্জাতিক স্মৃতিসৌধ ও ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়। B) ২০ এপ্রিল — এই তারিখে আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান পরিবেশ দিবস পালিত হয় না। C) ২২ এপ্রিল — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃ বসুমতী দিবস হিসেবে নির্ধারিত। D) ২৪ এপ্রিল — এটি জাতীয় ভোটার দিবস বা এজাতীয় অন্য কোনো স্থানীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - এপ্রিল মাসের শেষের দিকে ধরিত্রী বা পরিবেশ সম্পর্কিত দিবস পালিত হয়। - ২২ সংখ্যাটি মনে রাখলে এপ্রিল মাসের ২২ তারিখ সহজে স্মরণ রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক দিবসগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্নটি থেকে জাতিসংঘ ঘোষিত পরিবেশ দিবস এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
a ১৯০৩
b ১৮৬৯
c ১৮৮৯
d ১৮৫৪
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬৯ ১. কেন সঠিক: সুয়েজ খাল ১৮৬৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই কৃত্রিম সামুদ্রিক জলপথটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ২. ঐতিহাসিক পটভূমি ও গুরুত্ব: খ্রিস্টপূর্ব যুগ থেকেই এই অঞ্চলে খাল খননের চেষ্টা করা হলেও আধুনিক সুয়েজ খাল খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে। ফরাসি প্রকৌশলী ফের্দিনান্দ দ্য লেসেপস এই মেগা প্রকল্পের মূল উদ্যোক্তা ও প্রকৌশলী ছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেপ অব গুড হোপ রুট ব্যাখ্যা: সুয়েজ খাল চালুর আগে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হতো। উদাহরণ ২: পানামা খাল ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে যা ১৯১৪ সালে চালু হয় এবং বিশ্ব বাণিজ্যে বিপ্লব ঘটায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৩ — এই সালে সুয়েজ খাল চালু হয়নি, এটি রাইট ব্রাদার্সের প্রথম সফল বিমান উড্ডয়নের বছর। B) ১৮৬৯ — এই বছরটি সঠিক কারণ ১৭ নভেম্বর ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছিল। C) ১৮৮৯ — এই সালে সুয়েজ খাল চালুর কোনো ঘটনা ঘটেনি, এটি আইফেল টাওয়ার উদ্বোধনের বছর। D) ১৮৫৪ — এই বছরে সুয়েজ খাল খননের জন্য ফরাসি কোম্পানিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি বা কনসেশন দেওয়া হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল চালু হয় এবং একই বছরে মহাত্মা গান্ধী জন্মগ্রহণ করেন। এই দুটি ঐতিহাসিক ঘটনা পাশাপাশি মনে রাখলে সালটি সহজে স্মরণ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে এবং কোন দেশের জাতীয় নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। খালটি মিসরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত এবং এটি জাতীয়করণের ইতিহাসেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মোট প্রশ্ন (2)

a ১ জানুয়ারি
b ১১ জানুয়ারি
c ১৯ জানুয়ারি
d ২১ মার্চ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ জানুয়ারি কেন সঠিক: বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা জারি করে। দেশের প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার লক্ষে এই সময় নির্দিষ্ট তারিখটি নির্ধারণ করা হয়েছিল। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশের মোট আয়তন এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পাঁচশত সত্তর বর্গকিলোমিটার এবং ভৌগোলিক অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়। নদীমাতৃক ও ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর দেশ হওয়ায় বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে পরিচিত। সাইক্লোন, বন্যা ও নদীভাঙন এখানে নিয়মিত ঘটে এবং এর ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জানুয়ারি — এই তারিখে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫ জারি করা হয়নি কারণ এটি ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন। B) ১১ জানুয়ারি — এই তারিখেও এই নির্দিষ্ট নীতিমালাটি প্রকাশের কোনো আনুষ্ঠানিক সরকারি প্রজ্ঞাপন বা তারিখ নির্ধারিত ছিল না। C) ১৯ জানুয়ারি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই ২০১৫ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালাটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়। D) ২১ মার্চ — এই তারিখটি বসন্তকালের সাথে সম্পর্কিত এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রকাশের সাথে এর কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি নতুন বছর শুরুর ঠিক উনিশ দিন পর অর্থাৎ উনিশ জানুয়ারি ২০১৫ সালে এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালাটি জারি করা হয়েছিল।
a ঘূর্ণিঝড়
b চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
c সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন
d আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন কেন সঠিক: মহাসাগরের তলদেশে হঠাৎ টেকটনিক প্লেটের চলাচলের কারণে তীব্র ভূকম্পন সৃষ্টি হয়। এই আকস্মিক কম্পনের ফলে সমুদ্রের বিশাল জলরাশি উথলে উঠে ভয়াবহ সুনামির রূপ নেয়। ভৌগোলিক তথ্য: সুনামি মূলত জাপানি শব্দ যার অর্থ বন্দরের ঢেউ বা সমুদ্রের তলের ঢেউ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয় অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সুনামির ঘটনা ঘটে থাকে। সন দুই হাজার চৌদ্দ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি ছিল ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘূর্ণিঝড় — এটি বায়ুমণ্ডলের নিম্নচাপের ফলে সৃষ্টি হয় এবং এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাস হতে পারে কিন্তু তা সুনামি নয়। B) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — এই আকর্ষণের প্রভাবে সমুদ্রে জোয়ার ভাটা সৃষ্টি হয়, সুনামি নয়। C) সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত — এটি সুনামির একটি গৌণ কারণ হতে পারে তবে সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্পই সুনামির প্রধান এবং সবচেয়ে সাধারণ কারণ। মনে রাখার টিপস: সুনামির সাথে ভূকম্পন শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাই জলের নিচে ভূমিকম্প মানেই সুনামির সৃষ্টি।

মোট প্রশ্ন (0)