a Video Display Unit
b Video Device Unit
c Visual Display Unit
d Visual Device Unit
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Visual Display Unit কেন সঠিক: - VDU এর পূর্ণরূপ হলো Visual Display Unit যা কম্পিউটারের মনিটর বা প্রদর্শন যন্ত্রকে বোঝায়। - এটি কম্পিউটারের প্রসেস করা ডেটা ব্যবহারকারীর সামনে দৃশ্যমান রূপ প্রদর্শন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Video Display Unit — এই শব্দগুচ্ছ প্রযুক্তিগতভাবে কাছাকাছি মনে হলেও কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের প্রাতিষ্ঠানিক পূর্ণরূপে এটি ভুল। B) Device শব্দটি এখানে অনুপযুক্ত কারণ VDU কোনো সাধারণ যন্ত্র নয় বরং একটি নির্দিষ্ট প্রদর্শন ইউনিট। D) Device শব্দটি ব্যবহারের কারণে এই পূর্ণরূপটি প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক বা প্রমিত নয়। মনে রাখার টিপস: VDU এর ক্ষেত্রে Video এর বদলে Visual মনে রাখবেন কারণ মনিটর মূলত আমাদের চোখ বা ভিশন এর জন্য দৃশ্যমান ছবি দেখায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a পেয়ারা
b কলা
c পেঁপে
d জামরুল
0 214 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কলা কেন সঠিক: - অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী, মোহনবাঁসী ও বীটজব বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী কলার জাত। - এসব জাতের কলা তাদের সুস্বাদু স্বাদ এবং পুষ্টিগুণের জন্য কৃষকদের মাঝে ব্যাপকভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেয়ারা — পেয়ারার জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে কাঞ্চন, পিয়ারা ও মুক্তা উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। B) কলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) পেঁপে — পেঁপের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে রাজশাহী ও শাহী উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। D) জামরুল — জামরুলের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে থাই ও কাটিমন উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। মনে রাখার টিপস: অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী ও মোহনবাঁসী নামগুলো শুনলেই বুঝবেন এগুলো ঐতিহ্যবাহী কলার জাত।
a ইরান
b ইরাক
c মিশর
d সিরিয়া
0 167 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ব্যাবিলন নগরীতে এটি নির্মিত হয়েছিল, যার বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান ইরাকে। - এটি প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি এবং রাজা দ্বিতীয় নবূগদনিস্বারের শাসনামলে এটি নির্মিত হয় বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — এটি প্রাচীন পারস্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে ব্যাবিলন সভ্যতা গড়ে ওঠেনি। B) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর। C) মিশর — এটি প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার জন্মস্থান এবং পিরামিডের জন্য পরিচিত, ব্যাবিলনের উদ্যান এখানে ছিল না। D) সিরিয়া — এটি প্রাচীন লেভান্ট অঞ্চলের অংশ এবং এর ইতিহাস ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইরাকের প্রাচীন নাম মেসোপটেমিয়া, আর মেসোপটেমিয়ার বিখ্যাত নিদর্শন হলো ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান।
a শামীম সিকদার
b সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান
c হামিদুজ্জামান খান
d আব্দুস সুলতান
0 162 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হামিদুজ্জামান খান কেন সঠিক: - প্রখ্যাত ভাস্কর হামিদুজ্জামান খানের শিল্পকর্ম ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিক গেমসের আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে স্থান পায়। - তার এই শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিল্পকলার প্রতিনিধিত্ব করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামীম সিকদার — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও সিউল অলিম্পিকের এই প্রদর্শনীতে তার শিল্পকর্ম স্থান পায়নি। B) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান — তিনি এই নির্দিষ্ট অলিম্পিক প্রদর্শনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হামিদুজ্জামান খান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) আব্দুস সুলতান — তিনি এই আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে অংশ নেননি। মনে রাখার টিপস: সিউল অলিম্পিকে ভাস্কর্য প্রদর্শনের ক্ষেত্রে হামিদুজ্জামান খানের নাম মনে রাখবে।
a নিউইয়র্ক
b ওয়াশিংটন ডিসি
c জেনেভা
d হেগ
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়াশিংটন ডিসি কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বসংস্থা এবং এর মূল সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে অবস্থিত। - বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর একই শহরে অবস্থিত হওয়ায় এটি অর্থনীতি বিষয়ক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, আইএমএফের নয়। B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি আইএমএফের সঠিক সদর দপ্তর। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ডব্লিউটিও (WTO)-এর সদর দপ্তর। D) হেগ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)-এর সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: টাকা-পয়সা ও মুদ্রার হিসাব রাখার বড় সংস্থাগুলোর (বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ) সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a ইংরেজ
b পর্তুগিজ
c ফরাসি
d ডাচ
0 177 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ কেন সঠিক: - ১৫০০ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা সমুদ্রপথ আবিষ্কারের পর ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে তারাই প্রথম বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে। - ১৫১৮ সালে পর্তুগিজরা চট্টগ্রাম বন্দরে বাণিজ্যকভাবে প্রথম আগমন করে এবং বাংলায় তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজ — ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠনের মাধ্যমে ইংরেজরা পর্তুগিজদের অনেক পরে ১৬০০ শতকের শুরুতে বাংলায় আসে। B) পর্তুগিজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) ফরাসি — ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, যা পর্তুগিজদের অনেক পরে। D) ডাচ — নেদারল্যান্ডসের ডাচ বণিকরা সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বাংলায় বাণিজ্য বিস্তার করে, যা পর্তুগিজদের পরে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয়দের মধ্যে বাংলায় আসার ক্রম মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো প-ও-ই-ড-ফ অর্থাৎ প্রথমে পর্তুগিজ, ওলন্দাজ বা ডাচ, ইংরেজ এবং সবশেষে ফরাসি।
a ইতালি
b স্পেন
c তুরস্ক
d গ্রীস
0 165 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক কেন সঠিক: - প্রাচীন ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের আনাতুলিয়া অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ছিল। - হোমারের ইলিয়াড মহাকাব্যে বর্ণিত ট্রোজান যুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ, যার সঙ্গে ট্রয় নগরীর ঐতিহাসিক ভৌগোলিক অবস্থান মিলে না। B) স্পেন — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের দেশ, যা প্রাচীন ট্রয় নগরীর অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ দূরে অবস্থিত। C) তুরস্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) গ্রীস — গ্রিকরা ট্রয় আক্রমণ করলেও ট্রয় নগরী নিজে গ্রিসে নয়, বর্তমান তুরস্কের মাটিতে অবস্থিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ট্রয় নগরী নিয়ে বিখ্যাত যুদ্ধ হয়েছিল, যার নায়ক ছিলেন আকিলিস; আর এই ট্রয় বর্তমানে তুরস্কে অবস্থিত।
a রিয়াদ
b জেদ্দা
c দামেস্ক
d মক্কা
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেদ্দা কেন সঠিক: - ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) বর্তমান সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত। - ১৯৬৯ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জেদ্দায় এর প্রধান সচিবালয় পরিচালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী হলেও ওআইসি সচিবালয়ের অবস্থান এখানে নয়। B) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওআইসি সচিবালয় এই শহরে অবস্থিত। C) দামেস্ক — এটি সিরিয়ার রাজধানী এবং এর সঙ্গে ওআইসি সচিবালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। D) মক্কা — এটি পবিত্র নগরী হলেও ওআইসি সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ওআইসি সচিবালয় সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় অবস্থিত, রাজধানী রিয়াদে নয়।
a ড.রমেশচনদ্র মজুমদার
b ড.মাহমুদ হাসান
c ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
d স্যার এ এফ রহমান
0 285 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) স্যার এ এফ রহমান কেন সঠিক: - স্যার এ এফ রহমান হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি ও উপমহাদেশীয় উপাচার্য। - তিনি ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম বাঙালি বা উপমহাদেশীয় নন। B) ড. মাহমুদ হাসান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম উপমহাদেশের নাগরিক নন। C) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তবে প্রথম নন। D) স্যার এ এফ রহমান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: উপমহাদেশের মানুষ হিসেবে প্রথম রহমান সাহেব (স্যার এ এফ রহমান) ঢাবির উপাচার্য হন।
a কাশাভুবু
b প্যাট্রিক লুমুম্বা
c শোম্বে
d মবুতু
0 222 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্যাট্রিক লুমুম্বা কেন সঠিক: - প্যাট্রিক লুমুম্বা বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কঙ্গোর স্বাধীনতা অর্জনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের কারণে তাকে কঙ্গোর স্বাধীনতা ও মুক্তির আন্দোলনের চিরস্মরণীয় প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশাভুবু — জোসেফ কাশাভুবু কঙ্গোর প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে তিনি সরাসরি মুক্তির লড়াইয়ের প্রধান সংগ্রামী বা বিপ্লবী নেতা ছিলেন না। B) প্যাট্রিক লুমুম্বা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কঙ্গোকে বিদেশি শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। C) শোম্বে — মোইসে শোম্বে কঙ্গোর কাটঙ্গা প্রদেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছিলেন এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সঙ্গে যুক্ত থেকে লুমুম্বার বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখেছিলেন। D) মবুতু — মবুতু সিসে সেকো দীর্ঘকাল কঙ্গো শাসন করলেও তিনি লুমুম্বাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন এবং ঔপনিবেশিক শক্তির মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: কঙ্গোর মুক্তির লড়াই মানেই প্যাট্রিক লুমুম্বা, যিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক।
a আয়োডিন
b লৌহ
c ভিটামিন
d ক্যালসিয়াম
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লৌহ কেন সঠিক: - কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন বা লৌহ থাকে যা মানবদেহে রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। - এটি রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী একটি পুষ্টিকর শাক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়োডিন — আয়োডিন প্রধানত সামুদ্রিক মাছ, আয়োডিনযুক্ত লবণ ও শৈবালে বেশি থাকে, কচু শাকে এর পরিমাণ খুব কম। B) লৌহ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কচু শাকে অন্য যেকোনো উপাদানের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। C) ভিটামিন — কচু শাকে ভিটামিন এ, বি ও সি থাকলেও এই শাকটি মূলত লৌহের শ্রেষ্ঠ উৎস হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। D) ক্যালসিয়াম — ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও কচু শাকে ক্যালসিয়ামের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্ত শূন্যতা দূর করতে শাকসবজির মধ্যে কচু শাকের জুড়ি নেই কারণ এতে সবচেয়ে বেশি লৌহ থাকে।