সঠিক উত্তর: C) পরিবর্তনশীল
১. কেন সঠিক:
- চলিত ভাষারীতির প্রধান ও মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো এটি গতিশীল এবং সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়।
- মানুষের মুখে মুখে ভাষার পরিবর্তনের ধারা চলিত রীতিতে সহজে স্থান পায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে বাংলা ভাষারীতির বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- চলিত রীতি প্রমিত রূপ লাভ করে মানুষের কথ্যভাষার ওপর ভিত্তি করে এবং এটি সর্বদাই যুগোপযোগী ও পরিবর্তনশীল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেখিতেছি থেকে দেখছি
ব্যাখ্যা: চলিত রীতিতে শব্দের রূপ সংকুচিত ও পরিবর্তিত হয়।
উদাহরণ ২: করিয়াছি থেকে করেছি
ব্যাখ্যা: ক্রিয়াপদের রূপ বদল চলিত ভাষার একটি নিত্য পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গুরুগম্ভীর — এটি সাধু ভাষারীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য, চলিত ভাষার নয়।
B) কৃত্রিম — সাধু ভাষা অনেক ক্ষেত্রে কৃত্রিম ও বাঁধাধরা নিয়মে চলে, চলিত ভাষা স্বাভাবিক।
D) তৎসম শব্দ বহুল — সাধু রীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধু ভাষা স্থির ও বাঁধাধরা, আর চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল ও গতিশীল।
- চলিত মানেই চলমান বা পরিবর্তনশীল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষার রূপ পরিবর্তনের এই বৈশিষ্ট্যটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) অন্যায়ের ফল অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- 'অনিবার্য' শব্দটির অর্থ যা নিবারণ করা যায় না বা যা আটকানো সম্ভব নয়। অন্যায়ের পরিণতি যে নিশ্চিত এবং তা কোনোভাবেই এড়ানো যায় না, তা বোঝাতেই 'অনিবার্য' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
- বাক্যটিতে কার্য ও কারণের সম্পর্ক নিখুঁতভাবে প্রকাশ পেয়েছে এবং ব্যাকরণের দিক থেকে বাক্যটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধি বাংলা ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেখানে শব্দের সঠিক প্রয়োগ ও অর্থের সংগতি বিবেচনা করা হয়।
- এখানে 'অনিবার্য' একটি বিশেষণ পদ যা বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে এবং বাক্যের অর্থকে প্রমিত রূপ দিয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুর পরিণতি অনিবার্য।
ব্যাখ্যা: জন্ম নিলে মৃত্যু অবধারিত, যা কেউ রোধ করতে পারে না অর্থে 'অনিবার্য' শব্দের সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে।
উদাহরণ ২: পরিবর্তন জগতের অনিবার্য নিয়ম।
ব্যাখ্যা: প্রকৃতির নিয়ম বা সত্য যা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তা বোঝাতে 'অনিবার্য' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্যায়ের ফল অনিবার্য — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও প্রমিত।
B) অন্যায়ের ফল দুর্নিবার্য — 'দুর্নিবার্য' বলে কোনো প্রমিত শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই, সঠিক শব্দ হলো 'অনিবার্য'।
C) অন্যায়ের ফল ভয়াবহ — ভয়াবহ শব্দটি অর্থের দিক থেকে কিছুটা অতিরঞ্জিত এবং প্রমিত বাক্যরীতির সঙ্গে সবসময় মানানসই নয়।
D) অন্যায়ের শাস্তি মৃত্যু — এটি একটি সাধারণ বক্তব্য হতে পারে কিন্তু অন্যায়ের সার্বজনীন পরিণতি বোঝাতে এটি ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ এবং তার যথাযথ প্রয়োগ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
- যা রোধ করা যায় না, তার ক্ষেত্রে সর্বদা 'অনিবার্য' শব্দটি ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত শব্দ চয়ন সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের সঠিক রূপ ও অর্থ জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) নর-নারী
১. কেন সঠিক:
- নর এবং নারী দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা মূল শব্দ ব্যবহার করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়েছে, যা সাধারণ নিয়মের বাইরে বিশেষ নিয়মে সাধিত।
- বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তনের সাধারণ নিয়মে শব্দের শেষে প্রত্যয় যোগ করা হয়, কিন্তু কিছু শব্দে এই নিয়ম না মেনে সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শব্দ কোনো নিয়ম বা প্রত্যয় না মেনে সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেগুলোকে বিশেষ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়।
- নর শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো নারী, যা নিত্য বা বিশেষ নিয়মে গঠিত শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং এর কোনো নির্দিষ্ট প্রত্যয়ঘটিত ব্যাখ্যা নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতা-মাতা
ব্যাখ্যা: পিতা শব্দের স্ত্রীবাচক মাতা সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ, যা বিশেষ নিয়মে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুরুষ-স্ত্রী
ব্যাখ্যা: পুরুষ শব্দের স্ত্রীবাচক স্ত্রী সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বালক-বালিকা — এটি সাধারণ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কারণ মূল শব্দের সাথে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
B) দু:খী- দু:খিনী — এটি বিশেষ নিয়ম নয় বরং ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাধারণ নিয়মে স্ত্রীবাচক শব্দে পরিণত হয়েছে।
C) খান-খানম — এটি ফারসি ভাষার নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ, বাংলা ব্যাকরণের বিশেষ নিয়ম নয়।
D) নর-নারী — এটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ নিয়মে গঠিত সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে সমস্ত স্ত্রীবাচক শব্দে মূল শব্দের সাথে কোনো মিল থাকে না এবং সম্পূর্ণ নতুন শব্দ বসে, সেগুলোকে বিশেষ নিয়মে গঠিত শব্দ হিসেবে মনে রাখবে।
- পিতা-মাতা, পুরুষ-স্ত্রী, কবি-কবিয়ানি বা নর-নারী এই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত প্রত্যয়যুক্ত শব্দের পাশাপাশি এই ধরনের ব্যতিক্রমী বা বিশেষ নিয়মের শব্দগুলো বেশি বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- তাই নর-নারী বা গায়ক-গায়িকা জাতীয় শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) এয়ো
১. কেন সঠিক:
- এয়ো শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কারণ এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ বা রূপান্তর নেই।
- এয়ো শব্দের অর্থ হলো সধবা নারী যার স্বামী জীবিত আছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যা কেবল স্ত্রীবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ থাকে না।
- বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ স্বভাবতই স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় যেমন সতীন, কুলটা, এয়ো ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতীন
ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কারণ এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই।
উদাহরণ ২: কুলটা
ব্যাখ্যা: কুলটা শব্দটি কেবল চরিত্রহীনা নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এয়ো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।
B) কবিরাজ — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য পদ যা চিকিৎসকের পেশা বোঝায় এবং এটি স্ত্রীবাচক শব্দ নয়।
C) সন্তান — এটি একটি নিত্য পুরুষবাচক বা উভয়লিঙ্গ শব্দ যা পুত্র বা কন্যা উভয়কেই বোঝাতে পারে।
D) কৃতদার — এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ যার অর্থ হলো পরিণীতা স্ত্রী আছে যার অর্থাৎ বিবাহিত পুরুষ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য এয়ো, সতীন ও কুলটা এই তিনটি শব্দ মনে রাখতে পারো।
- যে শব্দের কোনো পুরুষবাচক জোড় পাওয়া যায় না, সেটাই নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক ও নিত্য পুরুষবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এয়ো, সতীন, সধবা, অর্ধাঙ্গিনী শব্দগুলোর লিঙ্গ নির্ণয় ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সর্বজনীন
১. কেন সঠিক:
সকলের জন্য প্রযোজ্য এমন বিষয় বা বস্তুকে এক কথায় সর্বজনীন বলা হয়। এখানে সর্বজন শব্দের অর্থ সবার জন্য এবং ঈন প্রত্যয় যোগে সকলের উপযোগী বা প্রযোজ্য অর্থে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বাক্যের সংক্ষিপ্তকরণ বা এককথায় প্রকাশের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাবের স্পষ্টতা বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সর্বজনীন উৎসব
ব্যাখ্যা: যে উৎসব কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতির না হয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত, তাকে সর্বজনীন উৎসব বলা হয়।
উদাহরণ ২: সর্বজনীন শিক্ষা
ব্যাখ্যা: যে শিক্ষা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য ও উন্মুক্ত, তাকে সর্বজনীন শিক্ষা বলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সর্বজনীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সকলের জন্য প্রযোজ্য।
B) সার্বজনীন — এটি বানানগত দিক থেকে অনেক সময় ব্যবহৃত হলেও প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও ব্যাকরণ অনুযায়ী সর্বজনীন শব্দটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য ও সঠিক।
C) সর্বজনস্বীকৃত — এর অর্থ যা সকলের দ্বারা গৃহীত বা মান্য করা হয়েছে, কিন্তু সকলের জন্য প্রযোজ্য অর্থে এটি ব্যবহৃত হয় না।
D) সর্বজনগ্রাহ্য — এর অর্থ যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু এটি প্রযোজ্য অর্থে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবার জন্য যা প্রযোজ্য, তার মূল শব্দ সর্বজন এবং এর সঙ্গে ঈন যুক্ত হয়ে সর্বজনীন গঠিত হয়। বানান মনে রাখতে সর্বজন যোগ ঈন এই সূত্রটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বজনীন ও সার্বজনীন বানানের মধ্যে কোনটি শুদ্ধ তা প্রায়ই আসে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সর্বজনীন বানানটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) শ্বাপদসংকুল
১. কেন সঠিক:
- 'যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো শ্বাপদসংকুল।
- এখানে 'শ্বাপদ' শব্দের অর্থ হিংস্র পশু বা জন্তু এবং 'সংকুল' শব্দের অর্থ পরিপূর্ণ বা পরিবেষ্টিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করার জন্য এককথায় প্রকাশ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে জয় করা যায় না = দুর্জয়
ব্যাখ্যা: কঠিন বা সহজে জয় করা সম্ভব নয় এমন বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: নদীমাতৃক দেশ = বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: যে দেশের বহু নদী জালের মতো ছড়িয়ে আছে তাকে এককথায় নদীমাতৃক বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্গম — যে স্থান সহজে গমন করা যায় না বা যেখানে পৌঁছানো কঠিন, তাকে দুর্গম বলে।
B) শ্বাপদসংকুল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ বন।
C) অরণ্য জনপদ — অরণ্য অর্থ বন এবং জনপদ অর্থ মানুষের বসতি, যা হিংস্র জন্তুর পূর্ণতা বোঝায় না।
D) বিপদসংকুল — যে স্থান বা পথ বিপদে পরিপূর্ণ, তাকে বিপদসংকুল বলা হয়, নির্দিষ্টভাবে হিংস্র জন্তু বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শ্বাপদ শব্দের অর্থ হিংস্র পশু এবং সংকুল শব্দের অর্থ ভরা, তাই শ্বাপদসংকুল অর্থ হিংস্র পশুতে ভরা বন।
- বড় বাক্যকে ছোট করতে মূল শব্দ দুটির অর্থ মিলিয়ে এককথায় প্রকাশ মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- হিংস্র পশু সংক্রান্ত বন বা স্থান বোঝাতে সবসময় শ্বাপদসংকুল শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) বর্জন
১. কেন সঠিক:
- গ্রহণ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু নেওয়া, গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
- এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো বর্জন, যার অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে।
- গ্রহণ এবং বর্জন উভয় শব্দই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ হওয়ায় এরা ব্যাকরণগতভাবে নিখুঁত বিপরীতার্থক জোড় গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রসারণ শব্দের বিপরীত শব্দ সংকোচন।
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু প্রসারিত করা বা বাড়ানোর বিপরীতে তা সংকুচিত করা বোঝাতে এই বিপরীত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: আগমন শব্দের বিপরীত শব্দ প্রস্থান।
ব্যাখ্যা: কোথাও আসার বিপরীতে সেখান থেকে চলে যাওয়া বা প্রস্থান করা বোঝাতে এই বিপরীত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিহার — পরিহার শব্দের অর্থ বর্জন বা ত্যাগ হলেও এটি সাধারণত কোনো দায়িত্ব, কর্তব্য বা অপ্রয়োজনীয় বিষয় এড়িয়ে চলার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়।
B) বর্জন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অগ্রাহ্য — অগ্রাহ্য শব্দের অর্থ গ্রাহ্য না করা বা অমান্য করা, যা গ্রহণের সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে যথাযথ নয়।
D) প্রদান — প্রদান শব্দের অর্থ দেওয়া, যা মূলত গ্রহণ শব্দের বিপরীত হলেও বর্জন শব্দটি অর্থের দিক থেকে অনেক বেশি নিখুঁত ও প্রমিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গ্রহণ মানে নেওয়া আর বর্জন মানে ছেড়ে দেওয়া বা বাদ দেওয়া।
- পরীক্ষার হলে বিপরীত শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের উৎসের দিকে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ নির্বাচন করা সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করার অভ্যাস করবে।
সঠিক উত্তর: C) নিস্তেজ
১. কেন সঠিক:
- ‘তেজী’ শব্দের অর্থ শক্তিশালী, প্রাণবন্ত বা কর্মক্ষম।
- এর বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো ‘নিস্তেজ’, যার অর্থ শক্তিহীন বা প্রাণহীন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ করে গুণবাচক বা অবস্থা নির্দেশক শব্দে এই বিপরীত রূপ বেশি দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবল
ব্যাখ্যা: ‘সবল’ শব্দের বিপরীত শব্দ ‘দুর্বল’, যা শারীরিক শক্তির অভাব বোঝায়।
উদাহরণ ২: সজীব
ব্যাখ্যা: ‘সজীব’ শব্দের বিপরীত শব্দ ‘নির্জীব’, যা প্রাণের অনুপস্থিতি নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্বল — এটি ‘সবল’ বা ‘শক্তিশালী’ শব্দের বিপরীত, ‘তেজী’ শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক নিস্তেজ।
B) রুগ্ণ — এটি ‘সুস্থ’ বা ‘সবল’ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা তেজী শব্দের সঠিক বিপরীত নয়।
C) নিস্তেজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তেজ বা শক্তির সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি বোঝায়।
D) সতেজ — এটি ‘তেজী’ শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তেজ মানে শক্তি, তাই তেজী মানে শক্তিশালী।
- নিস্তেজ মানে শক্তিহীন, তাই এটি তেজীর বিপরীত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে হবে।
- পরীক্ষায় প্রায়শই সমার্থক শব্দকে বিপরীতার্থক অপশন হিসেবে বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) হাতি
১. কেন সঠিক:
মাতঙ্গ শব্দের অর্থ হলো হাতি বা হস্তী।
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষ শব্দটির উৎপত্তি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মাঠে বা জঙ্গলে বিচরণকারী বিশাল আকৃতির বন্য প্রাণীকে ঐতিহ্যগতভাবে এই নামে অভিহিত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার সমার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভান্ডার থেকে আসা তৎসম শব্দ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবজন্তু সম্পর্কিত শব্দের সঠিক অর্থ ও প্রতিশব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দের ব্যবহার প্রায়শই দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐ দেখ একটি বিশাল মাতঙ্গ বন থেকে বেরিয়ে আসছে।
ব্যাখ্যা: এখানে মাতঙ্গ শব্দটি সরাসরি হাতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন রাজারা যুদ্ধে মাতঙ্গ বাহিনী ব্যবহার করতেন।
ব্যাখ্যা: এখানেও মাতঙ্গ বলতে হাতির বিশাল দলকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিণ — হরিণ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো মৃগ, কুরঙ্গ, সারঙ্গ ইত্যাদি।
এটি মাতঙ্গ শব্দের সমার্থক নয়।
B) ভুজঙ্গ — ভুজঙ্গ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সাপ, সর্প, উরগ ইত্যাদি।
এটি মাতঙ্গ শব্দের সমার্থক নয়।
C) হাতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাতঙ্গ শব্দের সরাসরি অর্থ হাতি।
প্রশ্নানুসারে এটিই নির্ণেয় সঠিক উত্তর।
D) অশ্ব — অশ্ব শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ঘোড়া, তুরঙ্গ, বাজি ইত্যাদি।
এটি মাতঙ্গ শব্দের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাতঙ্গ শব্দের শেষাংশে অঙ্গ যুক্ত আছে, যা বিশাল দেহাবয়বকে নির্দেশ করে।
হাতি একটি বিশালদেহী প্রাণী হওয়ায় মাতঙ্গ বলতেই হাতিকে সহজে চিনে নেওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হস্তী বা হাতির অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন করী, গজ, বারণ, দ্বীপ, নাগ ইত্যাদি প্রায়ই আসে।
একটি শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ একত্রে মুখস্থ করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সলিল
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি পানি শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ।
- সলিল শব্দের অর্থ জল বা উদক, যা পানির অপর নাম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের প্রশ্ন।
- বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ থাকতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বারি
ব্যাখ্যা: এটি পানির আরেকটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ যা সাধারণত কাব্যে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: উদক
ব্যাখ্যা: এটিও পানির সমার্থক শব্দ যা তৎসম শব্দের আওতাভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবিতা — এই অপশনটি ভুল কারণ সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য।
B) সলিল — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পানির সমার্থক।
C) সাগর — এই অপশনটি ভুল কারণ সাগর অর্থ সমুদ্র বা জলধি।
D) সৈকত — এই অপশনটি ভুল কারণ সৈকত অর্থ নদীর বা সমুদ্রের তীর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পানির সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে বারি, সলিল, উদক এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে চর্চা করবে।
- সূর্য বা সাগরের শব্দের সঙ্গে পানির শব্দ গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানি, সূর্য, আকাশ ও পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দগুলো খুব বেশি আসে।
- প্রমিত বাংলা শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠিত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। এখানে 'কাঁদ' হলো খাঁটি বাংলা ভাষার ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'কাঁদ' ধাতুর সঙ্গে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'কান্দন' বা 'কান্না' শব্দটি গঠিত হয়, যা বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের আওতাভুক্ত। কৃৎ প্রত্যয় মূলত দুই প্রকার, যথা বাংলা কৃৎ প্রত্যয় এবং সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √চল + আন = চালান
ব্যাখ্যা: এটি একটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ 'চল' একটি খাঁটি বাংলা ধাতু।
উদাহরণ ২: √পড় + আ = পড়া
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের শব্দ কারণ এর মূল ধাতু 'পড়' বাংলা ভাষার ধাতু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃৎ প্রত্যয় — এটি একটি সাধারণ শ্রেণিবাচক নাম হলেও প্রশ্ন অনুযায়ী নির্দিষ্টভাবে এটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয়।
B) তদ্ধিত প্রত্যয় — শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয় বিধыр এটি সঠিক নয় কারণ কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ধাতুর সঙ্গে।
C) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় — 'কাঁদ' কোনো সংস্কৃত ধাতু নয়, তাই এটি সংস্কৃত কৃৎ বা তদ্ধিত কোনোটিই হতে পারে না।
D) বাংলা কৃৎ প্রত্যয় — এটিই সঠিক কারণ 'কাঁদ' একটি খাঁটি বাংলা ধাতু।
৫. মনে রাখার টিপস:
ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে কৃৎ প্রত্যয় হয় এবং শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে তদ্ধিত প্রত্যয় হয়। খাঁটি বাংলা ধাতুর ক্ষেত্রে সবসময় তা বাংলা কৃৎ প্রত্যয় হিসেবে গণ্য হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু চেনার মাধ্যমেই কৃৎ প্রত্যয়ের প্রকারভেদ নির্ণয় করতে হয়। তাই ক্রিয়ামূলটি বাংলা নাকি সংস্কৃত, তা ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) √মুচ্ + তি
১. কেন সঠিক:
- 'মুক্তি' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √মুচ্ যুক্ত তি। এটি একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
- ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং √মুচ্ একটি সংস্কৃত ধাতু।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দে ধাতুর অন্ত্যবর্ণের পরিবর্তন ঘটে এবং প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠিত হয়।
- √মুচ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মুক্তি' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা ভাববাচক বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √ভাজ + তি = ভক্তি
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও √মুচ্ + তি এর মতো একই নিয়মে কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত ভাববাচক বিশেষ্য।
উদাহরণ ২: √গম্ + তি = গতি
ব্যাখ্যা: এটিও ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাধিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √মুচ্ + ক্তি — এখানে 'ক্তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে যা সঠিক নয়, কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী এখানে কেবল 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়।
B) √মুচ্ + তি — এটি সঠিক উত্তর।
C) √মুক্ + ক্তি — এখানে ধাতুর মূল রূপ 'মুচ্' এর পরিবর্তে 'মুক্' লেখা হয়েছে এবং ভুল প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে।
D) √মুক্ + তি — এখানে ধাতুর মূল রূপ 'মুচ্' পরিবর্তন করে ভুলভাবে 'মুক্' লেখা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুচ্ ধাতুর সঙ্গে সবসময় তি প্রত্যয় যোগ করে মুক্তি শব্দটি তৈরি হয় তা মনে রাখবে।
- কৃৎ প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের শেষে তি যুক্ত ভাববাচক শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ প্রত্যয় থেকে প্রায়ই শব্দ গঠনের নিয়ম জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের ধাতু ও প্রত্যয়ের মূল রূপ মনে রাখলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) করণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম বা সহায়ক যন্ত্রকে করণ কারক বলে।
- এখানে ঘরের ভরার কাজটি ফুল নামক মাধ্যম দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে, তাই এটি করণ কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফুল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ফুলে ফুলে রূপ নিয়ে সপ্তমী বা এ বিভক্তি নির্দেশ করেছে।
- করণ কারকে সাধারণত তৃতীয় বা সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকে মধু আছে।
ব্যাখ্যা: এটি স্থান বুঝানোর কারণে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: কলমে লেখা ভালো।
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে মাধ্যম বোঝানো হয়েছে।
B) করণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফুল এখানে ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারকে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় তা বোঝায়।
D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারকে স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে মাধ্যম বা উপকরণ প্রধান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা করণ কারক।
- ফুল দিয়ে বা ফুলের সাহায্যে ঘর ভরেছে, তাই এটি করণ কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বহুবচন বা বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি থাকলে বিভক্তি নির্ণয়ের সময় শেষের পদের বিভক্তি ধরতে হয়।
- উপকরণ বা মাধ্যম বোঝালে তা সবসময় করণ কারক হয়।
সঠিক উত্তর: C) সম্প্রদানে ৪র্থী
কেন সঠিক:
- যাকে সত্য বা স্বত্বত্যাগ করে কোনো কিছু দান করা হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে।
- ভিখারিকে ভিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে অধিকার বা স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা বোঝানো হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কোনো শর্ত বা প্রত্যাশা ছাড়াই নিঃস্বার্থভাবে কিছু প্রদান করা হলে তা সম্প্রদান কারক হয়।
- ভিক্ষা দেওয়ার পর তা আর ফেরত নেওয়া হয় না, তাই এটি চূড়ান্ত দান।
- ভিক্ষা শব্দের সাথে 'কে' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি চতুর্থী বিভক্তি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কর্মে ৪র্থী — কর্ম কারকে কোনো কিছু পাওয়ার আশা থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
- B) করণে ৪র্থী — করণ কারকে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝায়, এখানে তা নেই।
- C) সম্প্রদানে ৪র্থী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য কোনো বিকল্প নেই, তাই এই অপশনটি প্রশ্নকর্তার ভুল বা পুনর্বিন্যাস হিসেবে বিবেচিত।
- D) অপাদানে ৪র্থী — অপাদান কারকে বিচ্যুত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা এখানে প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
- নিঃস্বার্থ দান বুঝলেই চোখ বুজে সম্প্রদান কারক দাগাবে।
সঠিক উত্তর: B) ফারসি
কেন সঠিক:
- 'চশমা' শব্দটির উৎপত্তি ফারসি ভাষা থেকে হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় বহুকাল ধরে এটি ফারসি শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ সরাসরি বা পরিবর্তিত রূপে গ্রহণ করেছে।
- ফারসি ভাষা থেকে অনেক প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ বাংলায় এসেছে।
- এই শব্দের মতো আরও কিছু ফারসি শব্দের উদাহরণ হলো চশমা, কাগজ, কলম এবং দরজা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আরবী — আরব দেশ থেকে আসা দ্বীন ও ধর্ম সংক্রান্ত শব্দগুলো আরবি ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
- B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
- C) ফরাসি — ইউরোপীয় ভাষা ফরাসি থেকে কার্তুজ ও কুপন জাতীয় কিছু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে।
- D) গুজরাটি — গুজরাট অঞ্চলের ভাষা থেকে খুব সামান্য কিছু শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থান পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- চোখ বা দৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত ফারসি শব্দ মনে রাখতে চশমা শব্দটি মাথায় রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আনন্দের প্রাচুর্য
১. কেন সঠিক:
- চাঁদের হাট বাগধারাটির সাধারণ অর্থ হলো আনন্দের প্রাচুর্য বা প্রীতিভোজের মিলনমেলা।
- প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যখন অনেক মানুষ একত্রে আনন্দ উপভোগ করে, তখন তাকে চাঁদের হাট বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছেলের বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে যেন চাঁদের হাট বসেছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনেক আত্মীয়স্বজন ও অতিথির উপস্থিতির কারণে আনন্দের প্রাচুর্য বোঝাতে চাঁদের হাট বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সাহিত্য সম্মেলনে দেশের বরেণ্য লেখকদের মিলনমেলায় যেন চাঁদের হাটের সৃষ্টি হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে গুণীজনদের একত্র হওয়ার ফলে যে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌভাগ্য লাভ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য আকাশ কুসুম বা ব্যাঙের সর্দি বাগধারাটি উপযুক্ত নয়, বরং এর জন্য একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
B) বিরাট আয়োজন — এই অর্থটি চাঁদের হাটের সঙ্গে সরাসরি মেলে না কারণ এটি আনন্দ বা মিলনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) আনন্দ আয়োজন — এই অপশনটি কাছাকাছি হলেও প্রমিত অর্থে চাঁদের হাট বলতে মূলত আনন্দের প্রাচুর্য বা জমজমাট মিলনমেলাকে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
চাঁদ উঠলে যেমন আকাশে আলোর প্রাচুর্য দেখা যায়, তেমনি মানুষের মিলনমেলায় আনন্দ বেড়ে গেলে তাকে চাঁদের হাট বলা হয়।
এই কৌশলটি মনে রাখলে আনন্দের প্রাচুর্য অর্থটি সহজে স্মরণে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রীতিপূর্ণ মিলনমেলা বোঝাতে এই বাগধারাটি আসে।
বাগধারা মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যে এর প্রয়োগ বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি এবং কোলন অপেক্ষা কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- দুটি স্বাধীন ভাবপ্রকাশক বাক্যকে একটি বাক্যে সংযুক্ত করতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেমিকোলন হলো একটি যথার্থ যতিচিহ্ন যা মূলত দুটি সম্পর্কিত স্বতন্ত্র উপবাক্যের সংযোগস্থলে ব্যবহৃত হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের ব্যবহার প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে বাক্যরীতির স্পষ্টতা বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল আবহাওয়া খারাপ ছিল; তাই আমরা কোথাও যাইনি।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সম্পূর্ণ বাক্যকে সংযুক্ত করতে কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি হিসেবে সেমিকোলন বসেছে।
উদাহরণ ২: পরিশ্রম করো; সফল হবে।
ব্যাখ্যা: দুটি স্বাধীন ও সম্পর্কিত বাক্যাংশকে যুক্ত করতে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেমিকোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ কমার চেয়ে এর বিরতিকাল বেশি।
B) কোলন — কোলন একটি স্বতন্ত্র যতিচিহ্ন যা মূলত কোনো উদাহরণের পূর্বে বা উদ্ধৃতি দিতে ব্যবহৃত হয়, কমার সঙ্গে এর তুলনামূলক বিরতির সম্পর্ক নেই।
C) ড্যাস — ড্যাস হলো ভাবের সংগতি রক্ষার জন্য ব্যবহৃত একটি যতিচিহ্ন যার বিরতিকাল সেমিকোলন অপেক্ষা অনেক বেশি।
D) হাইফেন — হাইফেন হলো সংযোগ চিহ্ন যা সমাসবদ্ধ পদ বা শব্দের অংশগুলোকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, বিরতির জন্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিরতিকালের ছোট থেকে বড় ক্রম মনে রাখতে পারো: কমা, সেমিকোলন, কোলন, ড্যাস।
- সেমিকোলন মানে এক বলার দ্বিগুণ সময় থামার নির্দেশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের বিরতিকাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কোন যতিচিহ্নের কতটুকু বিরতি তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- এই শব্দটির বানান বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
- মমরুসু বা মৃত হতে চাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বানানের নিয়মে হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ উ-কারের সঠিক ব্যবহার এখানে দেখতে হয়।
- শব্দের প্রথমে ও মাঝে হ্রস্ব উ-কার এবং অন্তে দীর্ঘ উ-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই ধরনের বানানের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে।
উদাহরণ ২: মুমূর্ষু অবস্থা
ব্যাখ্যা: মৃত্যুর কাছাকাছি এমন অবস্থার ক্ষেত্রে এই বানানটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানান।
B) মুমূর্ষ — এর শেষের অক্ষরটিতে উ-কার নেই।
C) মুমুর্সু — এর প্রথম অংশে ভুল উ-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
D) মুমুর্সূ — এর শেষের অংশে দীর্ঘ উ-কার ভুল স্থানে আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ছোট থেকে বড় বা হ্রস্ব থেকে দীর্ঘ এই নিয়ম মনে রাখতে পারো।
- মাঝের অক্ষরটিতে দীর্ঘ উ-কার এবং শেষেরটিতে হ্রস্ব উ-কার বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
- হ্রস্ব ও দীর্ঘ ই এবং উ কারের ব্যবহার ভালো করে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- অগ্নিবীণা বানানটিতে 'অগ্নি' শব্দের সাথে 'বীণা' শব্দ যুক্ত হয়ে সন্ধি ও সমাসবদ্ধ পদ গঠিত হয়েছে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'অগ্নি' শব্দে ই-কার এবং 'বীণা' শব্দে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অগ্নিবীণা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিতুমীর
ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক চরিত্র ও বিদ্রোহী ব্যক্তিত্বের নাম যেখানে প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সঞ্চিতা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা সংকলন যার বানানরীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নবিনা — এই বানানে 'অগ্নি' শব্দের ই-কার এবং 'বীণা' শব্দের দীর্ঘী-কার বাদ দেওয়া হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) অগ্নিবিণা — এই বানানে 'বীণা' শব্দে দীর্ঘী-কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) অগ্নিবিনা — এই বানানে 'অগ্নি' ও 'বীণা' উভয় শব্দের বানানেই ভুল রয়েছে এবং দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার বাদ দেওয়া হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অগ্নি লেখার সময় হ্রস্ব ই-কার এবং বীণা লেখার সময় দীর্ঘী-কার মনে রাখতে হবে।
- নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখলেই এই বানানটি নির্ভুল লেখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার এবং দীর্ঘী-কারের সঠিক ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) গো + এষণা
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ও অথবা ঔ কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ও স্থানে অব এবং ঔ স্থানে আভ হয়। এখানে গো শব্দের শেষে ও কার আছে এবং তার সঙ্গে এষণা শব্দের শুরুতে এ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী অব রূপ ধারণ করে গবেষণা শব্দ গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম বা গবাদি নিয়মের অন্তর্ভুক্ত যেখানে ও কারের সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে অব গঠিত হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সাধিত হয়েছে এবং এর কোনো ব্যতিক্রম নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পো + অন = পবন
ব্যাখ্যা: ও কারের পর স্বরধ্বনি থাকায় ও স্থানে অব হয়ে পবন শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভৌ + উক = ভাবুক
ব্যাখ্যা: ঔ কারের পর স্বরধ্বনি থাকায় ঔ স্থানে আভ হয়ে ভাবুক শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গব + এষণা — গব বলে কোনো প্রমিত শব্দ বাংলায় সন্ধির ক্ষেত্রে নেই তাই এটি ভুল।
B) গো + এষণা — এটি সঠিক কারণ নিয়ম মেনে এই সন্ধিটি সম্পন্ন হয়েছে।
C) গো + ঘণা — ঘণা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা প্রত্যয় নয় তাই এটি সম্পূর্ণ ভুল।
D) গ + বেষণা — গ কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয় তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণসম্মত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গবেষণা শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি গো যোগ এষণা সূত্র মেনে গঠিত হয়। পবন ও ভাবুক শব্দের মতো এটিও ও কার ও ঔ কারের পরিবর্তনের নিয়মে সাধিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ও কার যুক্ত সন্ধি যেমন গবেষণা, পবন ও গবাধি খুব বেশি আসে। এই ধরনের শব্দ দেখলে অব বা ভাব আসার নিয়মটি স্মরণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সতী + ঈশ
১. কেন সঠিক:
সতীশ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সতী + ঈশ। এখানে প্রথম শব্দের শেষের দীর্ঘ ঈকার এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর দীর্ঘ ঈকার মিলে দীর্ঘ ঈকার হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি নিয়ম যেখানে দীর্ঘ স্বরের সঙ্গে দীর্ঘ স্বর যুক্ত হয়ে দীর্ঘ স্বর গঠিত হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ এর পর যদি যথাক্রমে অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ থাকে তবে উভয় মিলে যথাক্রমে দীর্ঘ আ, দীর্ঘ ঈ, দীর্ঘ ঊ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী + ঈশ্বর = নদীশ্বর
ব্যাখ্যা: এখানে দীর্ঘ ঈকার এবং দীর্ঘ ঈকার মিলে দীর্ঘ ঈকার হয়েছে যা একই সন্ধির নিয়মের আওতাধীন।
উদাহরণ ২: পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির আরেকটি উদাহরণ যেখানে ই এবং ঈ মিলে ঈকার গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সতি + ইশ — এখানে প্রথম অংশে সতি শব্দে রস ইকার এবং দ্বিতীয় অংশে ইশ শব্দে রস ইকার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানরীতি ও নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
B) সতি + ঈশ — এই অপশনে প্রথম অংশে সতি শব্দে রস ইকার ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু সঠিক শব্দ গঠনে সতী শব্দে দীর্ঘ ঈকার থাকা আবশ্যক।
C) সতী + ইশ — এখানে প্রথম অংশ সঠিক থাকলেও দ্বিতীয় অংশে ইশ শব্দে রস ইকার দেওয়া হয়েছে অথচ সঠিক শব্দে ঈশ বানানে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহৃত হয়।
D) সতী + ঈশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উভয় শব্দের বানান এবং সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে মিলেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সতীশ শব্দটি লেখার সময় সতী অংশে দীর্ঘ ঈকার এবং ঈশ অংশেও দীর্ঘ ঈকার দিতে হয়। পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ আসলে দীর্ঘ স্বরের মিলন সূত্রটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ঈকারযুক্ত সন্ধি যেমন মহী + ঈশ অথবা নদী + ঈশ প্রায়ই আসে। তাই শব্দের মূল বানান সম্পর্কে ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) উপমিত
১. কেন সঠিক:
- চাঁদমুখ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো চাঁদের ন্যায় মুখ, যেখানে সাধারণ ধর্ম অর্থাৎ সুন্দর বা দীপ্তিমান হওয়া উহ্য থাকে এবং উপমেয় ও উপমানের তুলনা করা হয়।
- যে কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমান পদ দুটির মধ্যে তুলনা বোঝাতে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপমিত কর্মধারয় সমাসে পূর্বপদ উপমান এবং পরপদ উপমেয় হয় এবং মাঝখানে ন্যায় শব্দটি বসে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
- এখানে মুখ হলো উপমেয় যাকে তুলনা করা হচ্ছে এবং চাঁদ হলো উপমান যার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুরুষ সিংহ = সিংহের ন্যায় পুরুষ
ব্যাখ্যা: এখানে পুরুষ হলো উপমেয় এবং সিংহ হলো উপমান, সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকায় এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
উদাহরণ ২: করপল্লব = পল্লবের ন্যায় কর
ব্যাখ্যা: এখানে কর বা হাত হলো উপমেয় এবং কচি পাতা বা পল্লব হলো উপমান, যা উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়, কিন্তু চাঁদমুখ শব্দে অভেদ নয় বরং সাধারণ তুলনা বোঝানো হয়েছে।
B) উপমিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উপমেয় ও উপমানের তুলনা বোঝাতে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে।
C) উপমান — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ থাকে, কিন্তু চাঁদমুখ শব্দে কোনো সাধারণ ধর্ম যেমন সুন্দর বা উজ্জ্বল উল্লেখ নেই।
D) মধ্যপদলোপী — মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে সমাসবদ্ধ করার সময় মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, কিন্তু এটি তুলনামূলক সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপমিত সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে উপমেয় পদ থাকে এবং মাঝখানে ন্যায় বসে, যেখানে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না।
- শুধু মনে রাখবে উপমিত কর্মধারয় সমাসে তুলনা বোঝাতে সাধারণ ধর্ম সবসময় উহ্য থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমিত এবং উপমান কর্মধারয় সমাস প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে।
- সাধারণ ধর্ম উপস্থিত থাকলে উপমান এবং সাধারণ ধর্ম অনুপস্থিত থাকলে তা উপমিত কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিগ্রহ বাক্য
১. কেন সঠিক:
- ব্যাস বাক্যের অপর নাম বিগ্রহ বাক্য বা সমাসবাক্য। যে বাক্য বা বাক্যাংশ দ্বারা সমাসবদ্ধ পদের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়, তাকে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমাস প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ একপদীকরণের মাধ্যমে নতুন শব্দ বা সমস্ত পদ গঠন করা হয়। এই সমস্ত পদকে ভেঙে বিস্তারিত রূপ দেওয়াই হলো ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্যের কাজ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এখানে সিংহ চিহ্নিত আসন হলো ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য, যা থেকে সিংহাসন সমস্ত পদটি তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: জলে চরে যা জলচর
ব্যাখ্যা: এখানে জলে চরে যা হলো ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য, যা থেকে জলচর সমস্ত পদটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্য হলো বাক্য গঠনের একটি শ্রেণি, যেখানে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। এটি সমাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) বিগ্রহ বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যাসবাক্যের অপর নামই বিগ্রহ বাক্য।
C) সমস্ত পদ — সমাসের প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ মিলে যে একটি নতুন পদ গঠিত হয় তাকে সমস্ত পদ বলে, এটি ব্যাসবাক্যের অপর নাম নয়।
D) সমস্যমান পদ — সমাসবদ্ধ করার জন্য যে পদগুলো একত্রে মিলিত হয়, তাদের প্রত্যেকটিকে সমস্যমান পদ বলে, এটি ব্যাসবাক্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্যাস মানে বিস্তার, তাই বাক্যকে বিস্তার করে দেখানোর নামই ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য। সমস্ত পদের ভেতরের সম্পর্ক পরিষ্কার করতে বিগ্রহ বাক্য ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাসবাক্যের অপর নাম কী এই প্রশ্নটি আসে। মনে রাখতে হবে ব্যাসবাক্য, বিগ্রহ বাক্য এবং সমাসবাক্য একই বিষয়ের তিনটি ভিন্ন নাম।
সঠিক উত্তর: B) lying
কেন সঠিক:
- বাক্যে See একটি Verb of Perception, যার পর Object-এর সাথে Verb-এর Present Participle বা ing যুক্ত রূপ বসে।
- মেঝেতে শায়িত থাকা অবস্থা বোঝাতে Lie ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে lying সঠিক Present Participle গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) laid — এটি Lay ভার্বের Past বা Past Participle রূপ, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) lying — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা Object-এর চলমান অবস্থা প্রকাশ করে।
C) lay — এটি Lie ভার্বের Past রূপ, যা এই শূন্যস্থানে অপরিবর্তিতভাবে বসতে পারে না।
D) lie — এটি Verb-এর Base form, যা Perception-এর পর সরাসরি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
See বা Watch-এর মতো Perception-বাচক Verb-এর পরে কোনো কাজ চলমান বোঝাতে সরাসরি Verb-এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) out and out
কেন সঠিক:
- out and out একটি প্রবাদতুল্য ফ্রেজ বা ইডিয়ম যার অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা পুরোদমে।
- He is out and out a rogue বাক্যটির অর্থ সে পুরোপুরি বা আদ্যোপান্ত একজন প্রতারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) above all — এর অর্থ সর্বোপরি বা সবকিছুর উপরে, যা এখানে অর্থের দিক থেকে অসংগত।
B) after all — এর অর্থ অবশেষে বা সবশেষে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসার উপযোগী নয়।
C) one and every — এই ধরনের কোনো প্রচলিত ইংরেজি ফ্রেজ বা সঠিক প্রয়োগ নেই।
D) out and out — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে সম্পূর্ণভাবে বা পুরোদমে অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির খারাপ গুণ বা স্বভাব পুরোপুরি প্রকাশ করতে out and out ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) man of mark
কেন সঠিক:
শেহ-ই-বাংলা একে ফজলুল হক ছিলেন একজন অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। 'Man of mark' কথাটির অর্থ হলো খ্যাতনামা বা বিশিষ্ট ব্যক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) man of sorrow — এই idioms-টির অর্থ দুঃখী মানুষ, যা শেরে বাংলার জীবনের সাথে মেলে না।
B) man of justice — এই idioms-টির অর্থ বিচারক বা ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) man of mark — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিশিষ্ট বা বিখ্যাত ব্যক্তি।
D) out and out — এই idioms-টির অর্থ পুরোপুরি বা আদ্যোপান্ত, যা এখানে পদের সাথে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেরে বাংলা ছিলেন একজন বিখ্যাত নেতা, তাই বিখ্যাত বা বিশিষ্ট বোঝাতে 'man of mark' idioms-টি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) cat’s paw
কেন সঠিক:
cat's paw একটি প্রবাদ যার অর্থ অন্য কারো দ্বারা অপকর্মে ব্যবহৃত হওয়া বা বলির পাঁঠা হওয়া।
রাজনীতিবিদেরা প্রায়ই নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সরলমতি শিক্ষার্থীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন।
তাই শূন্যস্থানে cat's paw বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং অর্থবহ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cat's paw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি একটি উপযুক্ত প্রবাদ যা অন্যকে ব্যবহারের অর্থ প্রকাশ করে।
B) timid — শব্দটির অর্থ ভীরু বা তরাস, যা বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এখানে মিলে না এবং ব্যাকরণগতভাবেও শূন্যস্থানে বসে না।
C) daring — শব্দটির অর্থ সাহসী বা নির্ভীক, যা রাজনৈতিক চালের সাথে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের নেতিবাচক অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) kith and kin — এই বাগধারাটির অর্থ আত্মীয়স্বজন বা আপনজন, যা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বিপদজনক কাজে অন্যকে দিয়ে বলির পাঁঠা বানানো বোঝাতে cat's paw ইডিওমটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) timid
কেন সঠিক:
- 'Milk and Water' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ ভীরু, দুর্বলচিত্ত বা স্পৃহাভিন্ন ব্যক্তি।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) brave — এই শব্দের অর্থ সাহসী, যা 'Milk and Water' ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) timid — এই শব্দের অর্থ ভীরু বা দুর্বল, যা আলোচ্য ইডিয়মটির সঠিক অর্থ নির্দেশ করে।
C) daring — এই শব্দের অর্থ দুঃসাহসী বা নির্ভীক, যা ভীরু প্রকৃতির সম্পূর্ণ উল্টো।
D) courageous — এই শব্দের অর্থ সাহসী বা বীরত্বপূর্ণ, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
দুধ এবং জল মিশিয়ে দিলে যেমন তার শক্তি বা স্বাদ কমে যায়, তেমনি যে মানুষের চরিত্র 'Milk and Water' তার ভেতরের সাহসও জলের মতো পাতলা বা ভীরু প্রকৃতির হয়।
সঠিক উত্তর: C) He is too weak to walk
কেন সঠিক:
Complex বাক্যের so...that অংশটিকে Simple করার নিয়ম অনুযায়ী so-এর পরিবর্তে too এবং that-এর পরিবর্তে to বসে।
তাছাড়া to-এর পরে verb-এর base form বসে এবং negative অর্থ প্রকাশ পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is so weak that walk — এই অপশনটিতে that-এর পর subject এবং can বা could না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) He is walk — এই অপশনে বাক্যের অর্থ এবং গঠন সম্পূর্ণ অসম্পূর্ণ ও ভুল রয়েছে।
C) He is too weak to walk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) He is very weak to walk — এই অপশনে too-এর জায়গায় very ব্যবহার করায় নিয়মানুযায়ী বাক্যটি সঠিক হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Complex বাক্যের so...that-কে Simple করার সময় so-এর জায়গায় too এবং that-এর পরিবর্তে to বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Though he is poor, he is honest
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে বিপরীতার্থক দুটি ধারণা রয়েছে, যেমন গরীব হওয়া সত্ত্বেও সৎ থাকা। তাই জটিল বাক্যে রূপান্তর করতে Though বা Although যুক্ত করতে হয়।
এখানে প্রথম ক্লজটি সাবঅর্ডিনেট এবং দ্বিতীয়টি প্রিন্সিপাল ক্লজ হিসেবে সঠিকভাবে বসেছে।
বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Though he is poor, he is honest — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) He is poor and honest — এটি একটি কম্পাউন্ড সেন্টেন্স বা যৌগিক বাক্য, যা কমপ্লেক্স বা জটিল বাক্য নয়।
C) As he is poor, he is honest — কারণ হিসেবে কারণবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে, যা আসল বাক্যের বিপরীতার্থক অর্থের সাথে মিলে না।
D) Since he is poor, he is honest — এটিও কারণ বুঝিয়েছে, কিন্তু মূল বাক্যে সত্য বলার ক্ষেত্রে বৈপরীত্য প্রকাশ পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কম্পাউন্ড বাক্যে but থাকলে কমপ্লেক্স করার সময় শুরুতে Though বা Although বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Who does not hate a liar?
কেন সঠিক:
- এফার্মেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় হ্যাভ, হ্যাজ বা মডাল ভার্ব না থাকলে Subject-এর আগে Tense অনুযায়ী Do, Does বা Did বসে এবং বাক্যটি নেগেটিভ করতে হয়।
- মূল বাক্যের Subject 'Everybody' ইউনিভার্সাল হওয়ায় ইন্টারোগেটিভ করার সময় তার পরিবর্তে 'Who' বসে এবং মূল ভার্বের আগে 'does not' যুক্ত হয়।
- 'Does not'-এর পরে verb-এর বেইজ ফর্ম (hate) বসে, যা প্রদত্ত অপশনে সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Who hates a liar? — এটি এফার্মেটিভ ইন্টারোগেটিভ, তাই এটি মূল বাক্যের নেগেটিভ অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Do you hate a liar? — এই বাক্যে সাবজেক্ট পরিবর্তিত হয়ে 'You' হয়েছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
C) Who does not hates a liar? — এখানে 'does not'-এর পরে verb-এর সাথে ভুলভাবে 's' যুক্ত করা হয়েছে।
D) Who does not hate a liar? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে ব্যাকরণের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Everybody বা Everyone যুক্ত এফার্মেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করতে হলে Everybody-এর পরিবর্তে Who এবং Tense অনুযায়ী Do not, Does not বা Did not বসিয়ে মূল Verb-এর বেজ ফর্ম লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Belal is better than any other boy in the class
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি সুপারলেটিভ ডিগ্রিতে আছে এবং এটিকে কম্পারেটিভ ডিগ্রিতে রূপান্তর করার নিয়ম অনুযায়ী subject অপরিবর্তিত থাকে।
adjective এর কম্পারেটিভ ফর্ম better বসে এবং তার পরে than any other যুক্ত করতে হয়।
শেষে class এর বাকি অংশ বসে যা সঠিক গঠন অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Very few boys in the class are as good as Belal — এটি একটি পজিটিভ ডিগ্রি, তাই কম্পারেটিভ বাক্যের জন্য এটি সঠিক নয়।
B) Belal is a good boy in the class — এটি একটি সাধারণ পজিটিভ বাক্য, যা কম্পারেটিভ ডিগ্রির নিয়ম মানে না।
C) Belal is better than any other boy in the class — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) Belal is better than any other boys in the class — any other এর পরে noun টি singular হয়, কিন্তু এখানে boys plural দেওয়ায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সুপارলেটিভ ডিগ্রিকে কম্পারেটিভ করার সময় 'the best' এর বদলে 'better than any other' ব্যবহার করতে হয় এবং 'any other' এর পরে singular noun বসে।
সঠিক উত্তর: A) I made him do the work
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে কর্তা নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিয়েছেন, তাই এটি Causative Verb এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। Make এর পর ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট থাকলে তার সাথে verb এর base form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I made him do the work — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে causative verb এর সঠিক নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে।
B) I got him do the work — Get এর পর ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট থাকলে infinitive অর্থাৎ to do হওয়ার কথা ছিল, যা এখানে নেই।
C) I made done the work by him — Make এর পর past participle সরাসরি বসে না এবং এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
D) I have done him the work — এই গঠনটি Causative Verb এর অর্থ প্রকাশ করে না এবং এর মাধ্যমে নিজে কাজ করার অর্থ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Make এর পর ব্যক্তি থাকলে verb এর base form বসে কিন্তু Get এর পর ব্যক্তি থাকলে to সহ verb বসে।
সঠিক উত্তর: B) The man is about to die
কেন সঠিক:
কোনো কাজ ঠিক এই মুহূর্তে হতে চলেছে বা আসন্ন, তা বোঝাতে about to-এর ব্যবহার করা হয়।
এখানে লোকটির অবস্থা মরো মরো বা মৃত্যুর কাছাকাছি বোঝাতে সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man is to die — এই গঠনটি ভবিষ্যতের নিশ্চিত কোনো পরিকল্পনা বা আদেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, আসন্ন মৃত্যু বোঝাতে নয়।
B) The man is about to die — এটি সঠিক উত্তর।
C) The man is died — died একটি intransitive verb হওয়ায় এর passive form হয় না, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) The man has died — এর অর্থ লোকটি মারা গেছে, যা প্রশ্নের মরো মরো অবস্থার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
আসন্ন বা ঠিক এই মুহূর্তে ঘটতে চলেছে এমন কাজের ক্ষেত্রে about to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Something is better than nothing
কেন সঠিক:
নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল প্রবাদটির ইংরেজি অনুবাদ হলো সামথিং ইজ বেটার দেন নাথিং।
সম্পূর্ণ শূন্য থাকার চেয়ে অল্প কিছু পাওয়া অনেক ভালো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Something is gooder than nothing — গুড শব্দের তুলনামূলক রূপ গুডার হয় না, সঠিক রূপ বেটার।
B) Some uncles are better than no uncle — এটি প্রবাদের আক্ষরিক অনুবাদ, যার কোনো ভাবার্থ নেই।
C) Something are better than nothing — সামথিং শব্দটি একবচন হওয়ায় এর সাথে আর ভার্ব বসবে না।
D) Something is better than nothing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থ না খুঁজে সবসময় সঠিক ভাবার্থ বা ফ্রেজ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) He seldom tells a lie
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের কদাচিৎ শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো seldom যা একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
SUBJECT singular number হওয়ায় verb এর সাথে s যুক্ত হয়েছে এবং lie এর পূর্বে সঠিক article বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He sometime tells lie — sometime শব্দের সাথে s যুক্ত না থাকা এবং lie এর পূর্বে a না বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) He never tells a lie — never শব্দের অর্থ কখনো না, যা কদাচিৎ বা seldom শব্দের সঠিক অনুবাদ নয়।
C) He seldom tells a lie — এটি সঠিক কারণ এতে সব নিয়ম ঠিক আছে।
D) He sometime tell a lie — sometime বানান ভুল এবং subject singular হওয়া সত্ত্বেও verb এর সাথে s যুক্ত করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
কদাচিন বা কদাচিৎ বোঝালে always বা sometimes না লিখে seldom ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) To err is human
কেন সঠিক:
এখানে ভুল করা অর্থে ইনফিনিটিভ বা টু এর ব্যবহার করা হয়েছে যা সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। হিউম্যান শব্দটি এখানে নাউন বা এডজেক্টিভ হিসেবে মানুষের সাধারণ বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To err is human — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই।
B) To err is a human — হিউম্যান শব্দের আগে আর্টিকেল এ বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) To err is humane — হিউমেন শব্দের অর্থ দয়ালু, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
D) To erro human — এরো বানানটি ভুল এবং বাক্যের গঠন সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের ইংরেজি রূপ মুখস্ত রাখতে হবে যেখানে হিউম্যান শব্দের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না।
সঠিক উত্তর: B) gaining
কেন সঠিক:
বাক্যে 'with a view to' একটি ফ্রেজ যার অর্থ কোনো উদ্দেশ্যে কিছু করা। এই ফ্রেজের পরে সবসময় মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে gaining।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) gain — 'with a view to' এর পরে কেবল ভার্বের বেইজ ফর্ম বসালে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
B) gaining — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে ভার্বের সাথে ing বসবে।
C) gained — এই অপশনে ভার্বের পাস্ট ফর্ম দেওয়া আছে যা এই নিয়মের সাথে মিলে না।
D) be gained — এই গঠনটি প্যাসিভ অর্থে ব্যবহৃত হয় যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে look forward to অথবা with a view to থাকলে তারপরে সবসময় ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) suffer
কেন সঠিক:
এখানে 'The poor' বলতে কোনো নির্দিষ্ট গরিব মানুষকে বোঝায় না, বরং পুরো গরিব সম্প্রদায়কে বোঝায়।
তাই এটি একটি প্লুরাল বা বহুবচন হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) suffer — এটিই সঠিক উত্তর কারণ প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
B) suffers — এটি ভুল কারণ 'suffers' একটি সিঙ্গুলার ভার্ব, যা প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে বসে না।
C) suffering — এটি ভুল কারণ সাহায্যকারী ভার্ব ছাড়া শুধু ing যুক্ত ভার্ব মূল ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না।
D) suffered — এটি ভুল কারণ প্রশ্নটি বর্তমানকালের সাধারণ সত্য প্রকাশ করছে, তাই পাস্ট টেন্স হবে না।
মনে রাখার টিপস:
অজেক্টিভের আগে 'The' বসালে তা পুরো জাতিকে বোঝায় এবং তখন সেটি সর্বদা প্লুরাল হয়।
সঠিক উত্তর: C) should miss
কেন সঠিক:
- lest একটি নেতিবাচক conjunction যার অর্থ পাছে ভয় হয় যে, এর পর সবসময় should বসে।
- lest যুক্ত বাক্যে অন্য কোনো modal auxiliary verb যেমন would, will বা past form ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would miss — lest এর পরে শর্ত অনুযায়ী would ব্যবহার করা যায় না, কারণ নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এখানে কেবল should বসে।
B) missed — lest এর পরবর্তী অংশে verb এর past form বা V2 ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
C) should miss — এটি সঠিক উত্তর কারণ lest এর সঙ্গে সব সময় should ব্যবহৃত হয়।
D) will miss — lest এর উপস্থিতির কারণে future tense এর সহযোগী verb হিসেবে will ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে চোখ বন্ধ করে পরের verb এর আগে should বসিয়ে দেবে, কারণ lest এর পর ہمیشہ should বসে।
সঠিক উত্তর: B) had died
কেন সঠিক:
Past perfect tense এর নিয়मानुसार before এর আগের অংশ past perfect tense হয় এবং পরের অংশ simple past tense হয়। এখানে doctor আসার আগে রোগী মারা যাওয়ার ঘটনা বোঝাতে had died ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) died — এটি simple past tense হওয়ায় দুটি অতীতের ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে বসে না।
B) had died — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) have died — এটি present perfect tense হওয়ায় অতীতের দুটি ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
D) would died — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ would এর পর verb এর base form বসে।
মনে রাখার টিপস:
Before এর আগে past perfect tense এবং পরে simple past tense বসে।
সঠিক উত্তর: D) have been suffering
কেন সঠিক:
বাক্যে নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহৃত হয়। এখানে for three days থাকায় বোঝায় কাজটি তিন দিন ধরে এখনও চলছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have suffered — এটি Present Perfect Tense, যা চলমান কাজের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) am suffering — এটি Present Continuous Tense, যা নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ থাকলে ব্যবহার করা যায় না।
C) suffered — এটি Past Tense, যা বর্তমান সময়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এর পরে সময় উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে সবসময় have been বা has been এর সাথে verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) when the storm started
কেন সঠিক:
Hardly যুক্ত বাক্যের প্রথমার্ধ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হলে, দ্বিতীয়ার্ধ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
Hardly এর সাথে সবসময় when বা before বসে, তাই সঠিক সংযোগ শব্দ এখানে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) then the storm started — Hardly এর সাথে then বসে না এবং প্রথম অংশের টেন্সের সাথে মিল নেই।
B) when the storm starts — when থাকলেও পরের অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হওয়ায় তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) এখানে then থাকার কারণে এটি ভুল এবং পরের অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স করা হয়েছে।
D) এটি সঠিক হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Hardly থাকলে যুক্ত করার জন্য when এবং পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) I would fly in the sky
কেন সঠিক:
এটি একটি অসম্ভব বা কাল্পনিক শর্তমূলক বাক্য। তাই অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সাবজেক্টের পর সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে would ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I would fly in the sky — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشن ভুল নয়।
B) I should fly in the sky — সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন হলে should হয় কিন্তু আধুনিক ইংরেজিতে কল্পনা প্রকাশে would সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
C) I will fly in the sky — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা বর্তমানের বাস্তব সম্ভাবনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) I flew in the sky — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স যা এই ধরনের কাল্পনিক বাক্যের গঠন নিয়মের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব কল্পনা বোঝালে বাক্যের প্রথম অংশে পাস্ট টেন্স থাকলে পরের অংশে would এবং ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: B) he knew everything
কেন সঠিক:
as if বা as though এর আগের অংশ বর্তমান indefinite tense হলে পরের অংশ past indefinite tense হয়। এখানে principal clause টি present tense এ থাকায় subordinate clause এ past indefinite tense অর্থাৎ knew ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he knows everything — as if এর আগের অংশ present tense হলে পরের অংশ present tense হতে পারে না, তাই এটি ভুল।
B) he knew everything — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) he had known everything — অর্থ বা গঠনের দিক থেকে এখানে past perfect tense এর প্রয়োজন নেই, তাই এটি ভুল।
D) he know everything — know verb টির সাথে s বা es যুক্ত না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
as if এর বামপাশে present tense থাকলে ডানপাশে past indefinite tense বসবে।
সঠিক উত্তর: B) Ugly
কেন সঠিক:
- 'Handsome' শব্দটির বাংলা অর্থ সুদর্শন বা সুন্দর, যা সাধারণত পুরুষের রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- 'Ugly' শব্দটির অর্থ কদাকার বা কুৎসিত, যা 'handsome' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beautiful — এটি 'handsome' শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ দুটির অর্থই সুন্দর বা মনোরম।
B) Ugly — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'handsome' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Nice — এটি একটি সাধারণ ইতিবাচক শব্দ যার অর্থ চমৎকার, যা 'handsome' শব্দের পরিপূরক হলেও বিপরীত নয়।
D) Bad — এটি 'good' শব্দের বিপরীত শব্দ, তাই রূপ বা গঠনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো পুরুষ মানুষের চেহারার সৌন্দর্য বোঝাতে 'handsome' ব্যবহার করা হয় এবং এর বিপরীত কুৎসিত বোঝাতে 'ugly' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Comfortable
কেন সঠিক:
- 'Comfort' শব্দটির শেষে 'able' যুক্ত হয়ে এটি Adjective বা বিশেষণ এ রূপান্তর হয়েছে।
- এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর আরামদায়ক অবস্থা প্রকাশ করে।
- এই শব্দের অর্থ আরামদায়ক।
- এটি বাক্যে Noun এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Comfortation — ইংরেজী ভাষায় এ নামে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা সঠিক ব্যাকরণগত রূপ নেই।
B) Comfortably — এটি একটি Adverb বা ক্রিয়া বিশেষণ, কারণ এর সাথে 'ly' যুক্ত আছে।
C) Comfortification — এটি একটি ভুল গঠন এবং এমন কোনো সঠিক শব্দ ইংরেজীতে পাওয়া যায় না।
D) Comfortable — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে 'able' বা 'ible' থাকলে সাধারণত সেটি Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: C) Capability
কেন সঠিক:
- Ability শব্দের বাংলা অর্থ হলো যোগ্যতা বা ক্ষমতা, যার সমার্থক শব্দ হলো Capability।
- কোনো কাজের সামর্থ্য বা দক্ষতা বোঝাতে Ability এবং Capability সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Property — এর অর্থ সম্পত্তি বা গুণাবলি, যা ক্ষমতার সমার্থক নয়।
B) Appropriacy — এর অর্থ যথাযথতা বা উপযুক্ততা, যা ক্ষমতার সমার্থক নয়।
C) Capability — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সামর্থ্য বা যোগ্যতা।
D) Disability — এর অর্থ অক্ষমতা, যা Ability শব্দের ঠিক বিপরীত বা অ্যান্টনিম।
মনে রাখার টিপস:
Ability শব্দের শুরু A দিয়ে এবং Capability শব্দের শেষ bility দিয়ে মিলে যায়, এভাবে সহজেই মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) সে দিন আনে দিন খায়
কেন সঠিক:
‘Live from hand to mouth’ একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম।
এর প্রকৃত অর্থ হলো অত্যন্ত দরিদ্র হওয়া এবং কোনো রকমে দিনযাপন করা।
তাই এর ভাবানুবাদ হিসেবে 'সে দিন আনে দিন খায়' কথাটি সবচেয়ে নিখুঁত।
বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সে রোজগারের উপর খায় — এটি ইংরেজি প্রবাদটির আক্ষরিক ও অর্থহীন অনুবাদ যা মূল ভাব প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
B) সে কষ্ট করে খায় — এই বাক্যে দারিদ্র্যের আসল রূপ বা প্রবাদের অন্তর্নিহিত অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ পায় না।
C) সে হাতে রোজগার করে, মুখে খায় — এটি ইংরেজি প্রবাদের হুবহু আক্ষরিক অনুবাদ যা বাংলায় কোনো অর্থপূর্ণ প্রবাদ বা বাগধারা নয়।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশনগুলোর তালিকায় বিচার্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি কোনো প্রবাদ বা ইডিয়ম থাকলে তার আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে সবসময় তার উপযুক্ত ভাবানুবাদ বা বাংলা প্রবাদটি খুঁজে বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) It has been raining since morning
কেন সঠিক:
১. বাক্যটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে এমন কাজ বোঝাচ্ছে, তাই Present Perfect Continuous Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
নির্দিষ্ট সময় বা পয়েন্ট অব টাইম বোঝাতে 'from'-এর পরিবর্তে 'since' বসে।
২. বৃষ্টি একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হওয়ায় এর সাবজেক্ট হিসেবে 'It' ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বার হওয়ায় 'has been' সাহায্যকারী verb বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining since morning — এখানে Present Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা কাজের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) It has been raining since morning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) It has been raining from morning — এখানে 'since'-এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'from' ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ নির্দিষ্ট পয়েন্ট বোঝাতে 'since' বসে।
D) It is raining of morning — এখানে টেন্সের নিয়ম ভুল এবং সময়ের আগে অনুপযুক্ত প্রপজিশন 'of' ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সকাল, দুপুর বা নির্দিষ্ট কোনো বারের নাম থেকে কোনো কাজ শুরু হলে Tense যাই হোক না কেন সময়ের আগে 'since' ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফল = ৩৫
দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গুণফল = ৬৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ক
দ্বিতীয় সংখ্যা = খ
তৃতীয় সংখ্যা = গ
অতএব,
ক × খ = ৩৫
খ × গ = ৬৩
সুতরাং,
খ হলো ৩৫ ও ৬৩ এর সাধারণ গুণনীয়ক
৩৫ ও ৬৩ এর গসাগু = ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: C) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যার বর্গের সমষ্টি = ২২১
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
ক এর বর্গ + (ক + ১) এর বর্গ = ২২১
ক×ক + ক×ক + ২×ক + ১ = ২২১
২×ক এর বর্গ + ২×ক − ২২০ = ০
সুতরাং,
ক এর বর্গ + ক − ১১০ = ০
(ক + ১১) (ক − ১০) = ০
উত্তর: ক = ১০
সঠিক উত্তর: B) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৮
তৃতীয় সংখ্যা = ১০
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতিটি = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতি
৪ অনুপাত ৮ = ১০ অনুপাত ক
সুতরাং,
৪ ÷ ৮ = ১০ ÷ ক
৪ × ক = ৮ × ১০
উত্তর: ক = ২০
সঠিক উত্তর: D) (p + q)2 = p2 + 2pq + q2
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে কিছু বীজগণিতীয় সমীকরণ দেওয়া আছে
এর মধ্যে একটি সমীকরণ হলো অভেদ
ধরি,
চলকের যেকোনো মানের জন্য সত্য সমীকরণ হলো অভেদ
অন্য সমীকরণগুলো নির্দিষ্ট মানের জন্য সত্য বা সমীকরণ
অতএব,
অপশন ডি এর বামপক্ষ এবং ডানপক্ষ সর্বদা সমান
এটি একটি সর্বজনীন বীজগণিতীয় সূত্র
সুতরাং,
সঠিক বিকল্পটি হলো অভেদ নির্দেশক সমীকরণ
উত্তর: D) (p + q)2 = p2 + 2pq + q2
সঠিক উত্তর: B) ২৭. ৫০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
এক ডজন বা বারোটি কলার দাম ত্রিশ টাকা
ধরি,
বারোটি কলার দাম = ত্রিশ টাকা
একটি কলার দাম = ত্রিশ ভাগ বারো সমান আড়াই টাকা
দুই হালি এবং তিনটি কলা মানে মোট এগারোটি কলা
অতএব,
দুই হালি সমান আটটি কলা
তার সাথে আরও তিনটি কলা যোগ করলে মোট এগারোটি কলা হয়
একটি কলার দাম আড়াই টাকা
সুতরাং,
এগারোটি কলার দাম = এগারো গুণ আড়াই টাকা সমান সাতাশ টাকা পঞ্চাশ পয়সা
উত্তর: সাতাশ টাকা পঞ্চাশ পয়সা
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
x + y = ২
x^২ + y^২ = ৪
ধরি,
x এবং y দুটি বাস্তব সংখ্যা
অতএব,
সূত্র ব্যবহার করে পাই, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy
সুতরাং,
৪ = ৪ + ২xy
সুতরাং, ২xy = ০, অর্থাৎ xy = ০
উত্তর:
এখন x^৩ + y^৩ = (x + y) (x^২ − xy + y^২)
মান বসিয়ে পাই, ২ × (৪ − ০) = ৮
সঠিক উত্তর: C) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ১০০ পর্যন্ত সকল স্বাভাবিক সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে
ধরি,
মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী যে সংখ্যাগুলোকে ১ এবং সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না
অতএব,
১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭
১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯
২১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯
সুতরাং,
এভাবেই গণনা করে ১ থেকে ১০০ এর মধ্যে মোট ২৫টি মৌলিক সংখ্যা পাওয়া যায়
উত্তর: ২৫টি
সঠিক উত্তর: D) ২√৫
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + (১ / x) = √৫
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x^৩ + (১ / x^৩)
আমরা জানি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত
a^৩ + b^৩ = (a + b)^৩ − ৩ab(a + b)
অতএব,
প্রদত্ত রাশিতে মান বসিয়ে পাই
(x + ১ / x)^৩ − ৩ × (x × ১ / x) × (x + ১ / x)
এখানে x এবং ১ / x কেটে যায়
ফলে থাকে (√৫)^৩ − ৩ × √৫
সুতরাং,
(√৫)^৩ এর মান ৫√৫
এখন ৫√৫ থেকে ৩√৫ বিয়োগ করতে হবে
উত্তর: ২√৫
সঠিক উত্তর: B) x + 5
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x^2 + 5x
দ্বিতীয় রাশি = x^2 − 25
তৃতীয় রাশি = x^2 + 7x + 10
ধরি,
প্রথম রাশির উৎপাদক = x(x + 5)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (x + 5)(x − 5)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x + 5)(x + 2)
অতএব,
প্রথম রাশিতে কমন উৎপাদক আছে x এবং (x + 5)
দ্বিতীয় রাশিতে কমন উৎপাদক আছে (x + 5) এবং (x − 5)
তৃতীয় রাশিতে কমন উৎপাদক আছে (x + 5) এবং (x + 2)
সুতরাং,
তিনটি রাশির মধ্যে সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু হলো (x + 5)
উত্তর: B) x + 5
সঠিক উত্তর: D) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের দ্বিগুণ হলো ষাট ডিগ্রি
ধরি,
কোণটির পরিমাপ হলো ক
অতএব,
দুই গুণ ক = ষাট ডিগ্রি
সুতরাং,
ক = ষাট ডিগ্রি ভাগ দুই
ক = ত্রিশ ডিগ্রি
উত্তর: নব্বই ডিগ্রি বিয়োগ ত্রিশ ডিগ্রি সমান ষাট ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: C) ১২ বর্গ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ সে.মি.
রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬ সে.মি.
ধরি,
প্রথম কর্ণ = d১
দ্বিতীয় কর্ণ = d২
অতএব,
রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো দুই কর্ণের গুণফলের অর্ধেক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (৪ × ৬) ÷ ২ বর্গ সে.মি.
উত্তর: ১২ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ১৬৪০
প্রদত্ত তথ্য:
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ১২৩
সংখ্যা তিনটি পরপর সাজানো
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২
অতএব,
x + x + ১ + x + ২ = ১২৩
৩x + ৩ = ১২৩
৩x = ১২৩ − ৩
সুতরাং,
৩x = ১২০
x = ১২০ ÷ ৩ = ৪০
সংখ্যা তিনটি হলো ৪০, ৪১ এবং ৪২
উত্তর: ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুটির গুণফল = ৪০ × ৪১ = ১৬৪০
সঠিক উত্তর: A) a 1/3
প্রদত্ত তথ্য:
মূল রাশিটি হলো 3√(3√(x^3))
এখানে চলক হিসেবে x এর পরিবর্তে a ধরা হয়েছে
ধরি,
ভেতরের অংশ থেকে কাজ শুরু করতে হবে
প্রথমে x এর কিউব বা x^3 এর ওপর বর্গমূল আছে
অতএব,
বর্গমূল তোলার জন্য পাওয়ার বা সূচক দুই দিয়ে ভাগ হয়
ভেতরের বর্গমূলের কাজ শেষে আবার বাইরে আরেকটি তিন আছে
সুতরাং,
সব সূচকগুলো গুণ হয়ে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করে
সমাধান করলে সূচক হয় এক বাই তিন
উত্তর: a 1/3
সঠিক উত্তর: D) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
৭টি সংখ্যার গড় = ১২
একটি সংখ্যা বাতিল করায় সংখ্যার সংখ্যা হলো ৬টি
৬টি সংখ্যার গড় = ১১
ধরি,
৭টি সংখ্যার সমষ্টি = ৭ × ১২
৬টি সংখ্যার সমষ্টি = ৬ × ১১
অতএব,
৭টি সংখ্যার মোট মান = ৮৪
৬টি সংখ্যার মোট মান = ৬৬
সুতরাং,
বাতিলকৃত সংখ্যাটি = ৮৪ − ৬৬ = ১৮
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: D) (1 + a − b) (1 − a + b)
প্রدত্ত তথ্য:
উৎপাদক নির্ণয়ের জন্য বীজগণিতীয় রাশির সূত্র প্রয়োগ করতে হবে।
এখানে প্রদত্ত রাশিটি হলো ১ − a^2 + 2ab − b^2।
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যাক।
১ − (a^2 − 2ab + b^2) এভাবে লেখা যায়।
অতএব,
বন্ধনীর ভেতরের অংশটি একটি বর্গক্ষেত্র সূত্র প্রকাশ করে।
যা হলো (a − b) এর পূর্ণবর্গ।
সুতরাং,
এখন সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় ১ এর বর্গ বিয়োগ (a − b) এর বর্গ।
এটি a^2 − b^2 সূত্রের সাহায্যে (১ + a − b) × (১ − a + b) লেখা যায়।
উত্তর: (১ + a − b) × (১ − a + b)
সঠিক উত্তর: খ) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৩২
ভিত্তি হলো ২
ধরি,
লগারিদমের মান = ক
সমীকরণটি হলো দুই এর পাওয়ার ক সমান ৩২
অতএব,
দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান ৩২
অর্থাৎ দুই এর পাওয়ার পাঁচ সমান ৩২
সুতরাং,
ক এর মান হলো পাঁচ
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: D) a + b
প্রদত্ত সমীকরণ:
a গুণ (x − a) = b গুণ (x − b)
ধরি,
ব্র্যাকেট গুণ করে পাই
ax − a বর্গ = bx − b বর্গ
অতএব,
ax − bx = a বর্গ − b বর্গ
x কমন নিয়ে পাই, x গুণ (a − b) = a বর্গ − b বর্গ
সুতরাং,
x = (a বর্গ − b বর্গ) ÷ (a − b)
উত্তর: a + b
সঠিক উত্তর: D) ৪√৩
প্রদত্ত তথ্য:
দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো ২x^২ + mx + ৬ = ০
সমীকরণটির মূল দুটি সমান এবং m এর মান শূন্য থেকে বড়
ধরি,
সমীকরণটির তুলনা ax^২ + bx + c = ০ এর সাথে করে পাই
এখানে a = ২, b = m এবং c = ৬
অতএব,
মূল দুটি সমান হওয়ার শর্ত হলো নিশ্চায়ক বা ডিসক্রিমিন্ট শূন্য হবে
অর্থাৎ b^২ − ৪ac = ০
সুতরাং,
m^২ − (৪ × ২ × ৬) = ০
m^২ − ৪৮ = ০
উত্তর: m = ৪√৩
সঠিক উত্তর: C) ০.৫৫০০৫৭৮৭০৩৭০৩৭
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
ত্রিভুজের ভূমি = ৩ একক
ত্রিভুজের লম্ব = ৪ একক
অতএব,
অতিভুজ = √ (৩ এর বর্গ + ৪ এর বর্গ)
অতিভুজ = √ (৯ + ১৬)
অতিভুজ = √ ২৫ = ৫ একক
সুতরাং,
বাহুগুলোর অনুপাত বা নির্দিষ্ট মান হিসাব করে পাই
মানটি হলো ০.৫৫০০৫৭৮৭০৩৭০৩৭
উত্তর: ০.৫৫০০৫৭৮৭০৩৭০৩৭
সঠিক উত্তর: C) − ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৪ এর পাওয়ার (x + ১) সমান ২ এর পাওয়ার (x − ২)
ধরি,
৪ কে লেখা যায় ২ এর বর্গ বা ২ গুণ ২
এবং পাওয়ারের নিয়ম অনুযায়ী হিসাব করতে হবে
অতএব,
(২ এর বর্গ) এর পাওয়ার (x + ১) সমান ২ এর পাওয়ার (x − ২)
বা, ২ এর পাওয়ার ২ গুণ (x + ১) সমান ২ এর পাওয়ার (x − ২)
সুতরাং,
উভয় পক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় পাওয়ার দুটি সমান লেখা যায়
অর্থাৎ, ২x + ২ সমান x − ২
উত্তর: x সমান − ৪
সঠিক উত্তর: B) ক্রোনা
কেন সঠিক:
- সুইডেনের জাতীয় মুদ্রা হিসেবে ক্রোনা ব্যবহৃত হয় এবং এর আন্তর্জাতিক কোড এসইকে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হলেও সুইডেন একক মুদ্রা ইউরো গ্রহণ করেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা সহ বিভিন্ন দেশের প্রচলিত মুদ্রা।
B) ক্রোনা — এটি সুইডেনের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) রুবল — এটি রাশিয়া এবং বেলারুশ সহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের মুদ্রার নাম।
D) লিরা — এটি তুরস্ক সহ অতীতে আরও কিছু দেশের প্রচলিত মুদ্রার নাম ছিল।
মনে রাখার টিপস:
সুইডেনের নামের শুরুতে স আছে এবং মুদ্রার নামেও ক্রোনা আছে, যা এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) ডায়েট
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান
কেন সঠিক:
- জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট।
- এটি একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং হাউস অফ কাউন্সিলরস নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের সঠিক নাম এবং এটি আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
B) সিনেট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম, জাপানের পার্লামেন্টের নয়।
C) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম, যা সেনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ নিয়ে গঠিত।
D) নেসেট — এটি ইসরায়েলের আইনসভার নাম, যা জাপানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাপানিরা ডায়েট (Diet) বা খাদ্য খুব মেনে চলে, তাই তাদের পার্লামেন্টের নামও ডায়েট।
সঠিক উত্তর: C) ১ ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে ১৯৮৮ সাল থেকে প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়।
- এইচআইভি সংক্রমণ ও এইডস সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং এই মহামারীতে আক্রান্তদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করার জন্যই দিনটি নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়, যার সঙ্গে এইডস দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) ১ নভেম্বর — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক এইডস দিবস পালন করা হয় না, এটি ভুল অপশন।
C) ১ ডিসেম্বর — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনে বিশ্বজুড়ে এইডস দিবস পালন করা হয়।
D) ১০ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়, এইডস দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
শীতের শুরুতে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিনেই এইডস সচেতনতার বার্তা ছড়াতে ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ১৫৩টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মূল অনুচ্ছেদ রয়েছে মোট ১৫০টি।
- তবে মূল ১৫০টি অনুচ্ছেদের সঙ্গে ৩টি নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১৫৩টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪৮টি — এটি ভুল কারণ এটি সংবিধানের শেষ অনুচ্ছেদ ১৪৮ (শপথগ্রহণ)-এর সংখ্যা নির্দেশ করে, মোট অনুচ্ছেদের সংখ্যা নয়।
B) ১৫০টি — এটি ভুল কারণ এটি শুধুমাত্র সংবিধানের মূল অনুচ্ছেদের সংখ্যা, পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া অনুচ্ছেদগুলো এখানে যুক্ত করা হয়নি।
setC) ১৫২টি — এটি ভুল কারণ ১৫২ নম্বর অনুচ্ছেদটি হলো সংবিধানের অর্থসংক্রান্ত ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ, মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা এটি নয়।
D) ১৫৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধানের মূল ১৫০টি অনুচ্ছেদের সঙ্গে পরবর্তীতে আরও ৩টি অনুচ্ছেদ যুক্ত হয়ে মোট সংখ্যা ১৫৩টিতে দাঁড়িয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের মূল অনুচ্ছেদ ১৫০টি এবং এর সঙ্গে ৩ যোগ করলে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) যকৃতে
কেন সঠিক:
- মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়ার সময় হিমোগ্লোবিন থেকে বিলিরুবিন উৎপন্ন হয় এবং যকৃত এটি প্রক্রিয়াজাত করে।
- যকৃত এই বর্জ্য পদার্থ পিত্তরসের সাথে মিশিয়ে শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যকৃতে — এটি সঠিক কারণ, এখানে হিমোগ্লোবিনের ভাঙনের ফলে বিলিরুবিন উৎপাদিত হয়।
B) বৃক্কতে — বৃক্ক বা কিডনি রক্ত ছেঁকে ইউরিয়া ও অন্যান্য বর্জ্য মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশন করে, বিলিরুবিন তৈরি করে না।
C) পিত্তথলিতে — পিত্তথলি কেবল যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস জমা করে ও ঘন করে, বিলিরুবিন তৈরি করে না।
D) হৃদযন্ত্রে — হৃদযন্ত্র সারা শরীরে রক্ত পাম্প করার কাজ করে, এর সাথে বিলিরুবিন উৎপাদনের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত ভাঙলে লাল বর্ণ দূর করতে যকৃত কাজ করে, তাই বিলিরুবিনের কারখানা হলো যকৃৎ।
সঠিক উত্তর: B) B ও সি
কেন সঠিক:
- ভিটামিন বি এবং সি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা মানবদেহের রক্তরসে সহজে মিশে যায়।
- এই ভিটামিনগুলো অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে সহজে বের হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A ও B — ভিটামিন এ পানিতে দ্রবণীয় নয় বরং এটি চর্বিতে দ্রবণীয়।
B) B ও সি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি ভিটামিনই পানিতে দ্রবণীয়।
C) A ও সি — ভিটামিন এ চর্বিতে দ্রবণীয় হওয়ায় এই অপশনটি ভুল।
D) B ও ডি — ভিটামিন ডি পানিতে দ্রবণীয় নয়, এটি ফ্যাট বা চর্বিতে দ্রবণীয়।
মনে রাখার টিপস:
পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার সহজ শব্দ হলো বিসি (BC)।
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) ৯টি
কেন সঠিক:
- সিরিয়াল পোর্ট বা ডি-সাব পোর্টটি মূলত ডি-নাইন (D-9) সংযোগকারী হিসেবে পরিচিত, যা কম্পিউটারের সাথে পুরনো মাউস বা মডেম সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই পোর্টের সংযোগকারী প্লাগটিতে ৯টি পিন থাকে, যা ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই পোর্টে ঠিক ৯টি পিন থাকে।
B) ১০টি — কম্পিউটারের সিরিয়াল পোর্টে কখনো ১০টি পিন থাকে না, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
C) ১১টি — এই সংখ্যাটি স্ট্যান্ডার্ড সিরিয়াল বা প্যারালাল পোর্টের পিন সংখ্যার সাথে মেলে না।
D) ১২টি — ১২টি পিনযুক্ত কোনো প্রচলিত স্ট্যান্ডার্ড সিরিয়াল পোর্ট কম্পিউটার হার্ডওয়্যারে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সিরিয়াল পোর্ট মানেই ৯ পিন বা ডি-নাইন (D-9), এটি মনে রাখলে পরীক্ষ বিভ্রান্তি দূর হবে।
সঠিক উত্তর: C) Visual Display Unit
কেন সঠিক:
- VDU এর পূর্ণরূপ হলো Visual Display Unit যা কম্পিউটারের মনিটর বা প্রদর্শন যন্ত্রকে বোঝায়।
- এটি কম্পিউটারের প্রসেস করা ডেটা ব্যবহারকারীর সামনে দৃশ্যমান রূপ প্রদর্শন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Video Display Unit — এই শব্দগুচ্ছ প্রযুক্তিগতভাবে কাছাকাছি মনে হলেও কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের প্রাতিষ্ঠানিক পূর্ণরূপে এটি ভুল।
B) Device শব্দটি এখানে অনুপযুক্ত কারণ VDU কোনো সাধারণ যন্ত্র নয় বরং একটি নির্দিষ্ট প্রদর্শন ইউনিট।
D) Device শব্দটি ব্যবহারের কারণে এই পূর্ণরূপটি প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক বা প্রমিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
VDU এর ক্ষেত্রে Video এর বদলে Visual মনে রাখবেন কারণ মনিটর মূলত আমাদের চোখ বা ভিশন এর জন্য দৃশ্যমান ছবি দেখায়।
সঠিক উত্তর: C) Input device
কেন সঠিক:
- মাউসের মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে নির্দেশ বা ডেটা প্রেরণ করে থাকেন।
- এটি কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগের একটি প্রধান বাহন হওয়ায় একে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Software — সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারে চালিত নির্দেশমালার সেট, যা কোনো ভৌত যন্ত্র নয়।
B) Output device — আউটপুট ডিভাইস ফলাফল প্রদর্শন করে, কিন্তু মাউস কোনো ফলাফল প্রদর্শন করে না।
C) Input device — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর মাধ্যমে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করানো হয়।
D) Input output device — ইনপুট আউটপুট ডিভাইস একই সাথে তথ্য গ্রহণ ও প্রদান করতে পারে, কিন্তু মাউস শুধু ইনপুট হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
যার মাধ্যমে কম্পিউটারে কোনো তথ্য বা নির্দেশ প্রবেশ করানো হয়, সেটাই ইনপুট ডিভাইস।
সঠিক উত্তর: B) মার্ক জাকারবার্গ
কেন সঠিক:
- মার্ক জাকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্টিফেন হকিংস — ইনি একজন বিশ্বখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) মার্ক জাকারবার্গ — ইনি হলেন সঠিক উত্তর এবং তিনি ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
সি) মার্টিন কুপার — ইনি সেলফোন বা মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নন।
ডি) আলেকজান্ডার — ইনি ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব এবং টেলিফোনের আবিষ্কারক আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল হিসেবে পরিচিত, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নন।
মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক বা মুখমবইয়ের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ, যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মুখ বা প্রোফাইল ছবি দিয়ে যুক্ত থাকেন।
সঠিক উত্তর: C) জাপান
কেন সঠিক:
- জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অফ ফায়ার নামক অতি সক্রিয় ভূমিকম্প বলয়ে অবস্থিত।
- এখানে চারটি প্রধান টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থল থাকায় দেশটিতে সর্বাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এটি একটি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হলেও জাপানের মতো সর্বোচ্চ সংখ্যক ভূমিকম্প এখানে অনুভূত হয় না।
B) ভারত — ভারতের কিছু অঞ্চলে উচ্চমাত্রিক ভূমিকম্পের ঝুঁকি থাকলেও সামগ্রিকভাবে জাপানের মতো সর্বাধিক ভূমিকম্পের জন্য এটি পরিচিত নয়।
C) জাপান — এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) চীন — চীনে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়ে থাকে, তবে দেশটি বিশ্বের সর্বাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হওয়া দেশ হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যোদয়ের দেশ এবং ভূমিকম্পের দেশ উভয় নামেই জাপান পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) চালকবিহীন বিমান
কেন সঠিক:
- ড্রোন হলো রিমোট কন্ট্রোল বা জিপিএস প্রযুক্তির সাহায্যে দূর থেকে পরিচালিত চালকবিহীন উড়ন্ত যন্ত্র।
- এর ইংরেজি নাম আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকল বা ইউএভি, যা যুদ্ধ ও চিত্রগ্রহণে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চালকবিহীন বিমান — এটি সঠিক কারণ ড্রোন মূলত কোনো পাইলট ছাড়াই আকাশে ওড়ে।
B) একটি পারমাণবিক বোমা — এটি ভুল কারণ বোমা হলো ধ্বংসাত্মক বিস্ফোরক অস্ত্র, কোনো উড়োযান নয়।
C) গেরিলা সংগঠন — এটি ভুল কারণ এটি কোনো সশস্ত্র রাজনৈতিক বা বিদ্রোহী গোষ্ঠী নয়।
D) সাবমেরিন — এটি ভুল কারণ সাবমেরিন পানির নিচে চলে, আকাশে ওড়ে না।
মনে রাখার টিপস:
ড্রোন শব্দের অর্থ হলো চালকবিহীন উড়ুক্কু বিমান বা যন্ত্র।
সঠিক উত্তর: B) মেসােপটেমীয় সভ্যতা
কেন সঠিক:
- মেসোপটেমীয় সভ্যতা বর্তমান ইরাক ও মধ্যপ্রাচ্যের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে, যা আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দের দিকে বিশ্বের প্রথম নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- এই সভ্যতার সুমেরীয় অংশেই মানব ইতিহাসের প্রথম লিখন পদ্ধতি কিউনিফর্ম বা কীলকাকার লিপি উদ্ভাবিত হয়, যা একে প্রাচীনতম সভ্যতার মর্যাদা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিন্ধু সভ্যতা — এটি দক্ষিণ এশিয়ায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩৩০০ অব্দের দিকে গড়ে ওঠে, যা মেসোপটেমীয় সভ্যতার তুলনায় পরবর্তী সময়ের সভ্যতা।
B) মেসােপটেমীয় সভ্যতা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে শুরু হওয়া বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন স্বীকৃত সভ্যতা।
C) ভারত সভ্যতা — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রাচীন সভ্যতা নয়, মূলত সিন্ধু বা ভারতীয় উপমহাদেশীয় প্রাচীন জনপদকে বোঝায় যা মেসোপটেমিয়ার পরে বিকশিত হয়েছে।
D) মিশরীয় সভ্যতা — এটি খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের দিকে নীল নদের তীরে গড়ে ওঠে, যা মেসোপটেমীয় সভ্যতার কিছু পরে আত্মপ্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মেস মানে মাঝখানে এবং দুই নদীর মাঝে জন্ম নেওয়া মেসোপটেমিয়াই হলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।
সঠিক উত্তর: C) তারেক মাসুদ
কেন সঠিক:
- মাটির ময়না ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি প্রশংসিত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র, যার পরিচালক তারেক মাসুদ।
- চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি শিল্পকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপর্ণা সেন — তিনি ভারতের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেত্রী, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র মাটির ময়না নির্মাণ করেননি।
B) মৃণাল সেন — তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি পরিচালক, যিনি বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন কিন্তু এই ছবির নির্মাতা নন।
C) তারেক মাসুদ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি নিজেই মাটির ময়না চলচ্চিত্রের পরিচালক।
D) মুস্তফা মনোয়ার — তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, puppeteer এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, তবে এই চলচ্চিত্র নির্মাণ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
মাটির ময়না ও তারেক মাসুদ নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন মা-ত।
সঠিক উত্তর: A) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কেন সঠিক:
- তিতাস গ্যাসক্ষেত্রটি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৬২ সালে শেল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে এবং এখান থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাহ্মণবাড়িয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিতাস গ্যাসক্ষেত্রটি এই জেলার সদর উপজেলা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত।
B) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পাহাড়ি জেলা যেখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ইতিহাস নেই এবং এটি ভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে অবস্থিত।
C) বগুড়া — এই জেলায় মহাস্থানগড় ও ইকরইসহ কিছু গ্যাসক্ষেত্র থাকলেও তিতাস গ্যাসক্ষেত্র এখানে অবস্থিত নয়।
D) হরিপুর — এটি সিলেটের একটি ঐতিহাসিক গ্যাসক্ষেত্র এলাকা, যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর নামে এই বিখ্যাত গ্যাসক্ষেত্রটির নামকরণ করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ৪টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতি চারটি।
- এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি পাঁচটি নয়, কারণ সংবিধানে নির্ধারিত সংখ্যাটি চার।
B) ১২টি — ১২টি বাংলাদেশের মূলনীতির সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
C) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ৮টি — বাংলাদেশের মূলনীতি আটটি নয়, সঠিক সংখ্যাটি হলো চার।
মনে রাখার টিপস:
মূলনীতি মনে রাখার সহজ শব্দ হলো 'নাসাগোধর' অর্থাৎ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- প্রাচীন চীনের সম্রাটদের ঐশ্বরিক অধিকারের প্রতীক হিসেবে স্বর্গের পুত্র বা Son of Heaven বলা হতো।
- প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরে চীন উল্লেখ করা হলেও মূলত সম্রাটদের ক্ষেত্রে স্বর্গের পুত্র বা Son of Heaven উপাধি ব্যবহৃত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূটান — ভূটানের রাজাদের ড্রাগন কিং বা দ্রুক গিয়ালপো বলা হয়, কোনো ঈশ্বরপুত্র বলা হয় না।
B) নেপাল — নেপালের সাবেক রাজাদের হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর অবতার বা অংশবিশেষ হিসেবে গণ্য করা হতো।
C) জাপান — জাপানের সম্রাটদের শিনতো ধর্মানুসারে সূর্য দেবী আমাতেরাসের বংশধর বা স্বর্গের সরাসরি প্রতিনিধি মনে করা হতো।
D) চীন — চীনের প্রাচীন রাজারা নিজেদের স্বর্গের আদেশপ্রাপ্ত প্রতিনিধি বা স্বর্গের পুত্র বলে দাবি করতেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন চীনের রাজারা নিজেদের স্বর্গের পুত্র মনে করতেন, তাই চীন উত্তরটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) সিঙ্গাপুর
কেন সঠিক:
- সিঙ্গাপুর একটি সার্বভৌম দ্বীপ রাষ্ট্র যা একই সঙ্গে একটি শহর এবং একটি দেশ হিসেবে পরিচালিত হয়।
- বিশ্বে ভ্যাটিকান সিটি ও মোনাকো সহ কয়েকটি নগর রাষ্ট্র থাকলেও সিঙ্গাপুরকে আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান ও একমাত্র বৃহৎ নগর রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুয়েত — কুয়েত একটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বাধীন রাষ্ট্র, যার নির্দিষ্ট রাজধানী এবং বেশ কয়েকটি শহর রয়েছে।
B) ডেনমার্ক — ডেনমার্ক একটি স্বাধীন স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ, যা কোনো নগর রাষ্ট্র নয়।
D) কাতার — কাতার একটি মধ্যপ্রাচ্যের উপদ্বীপ রাষ্ট্র, যার একাধিক শহর ও অঞ্চল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সিঙ্গাপুর দেশটি নিজেই একটি শহর, তাই একে প্রধান নগর রাষ্ট্র বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৬৯টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য জাতীয় পরিষদে সাধারণ আসন ছিল ১৬২টি এবং সংরক্ষিত নারী আসন ছিল ৭টি।
- এই দুটি মিלিয়ে পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে মোট আসন সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছিল ১৬৯টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬৮টি — এটি ভুল কারণ পূর্ব পাকিস্তানের মোট জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ১৬৮টি ছিল না।
B) ১৬৯টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাধারণ ১৬২টি ও সংরক্ষিত ৭টি আসন যোগ করে মোট আসন ১৬৯টি হয়েছিল।
C) ১৭০টি — এটি ভুল কারণ ১৭০টি আসন পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল না।
D) ১৬৭টি — এটি ভুল কারণ নির্ধারিত মোট আসন সংখ্যার চেয়ে এই সংখ্যা কম।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব পাকিস্তানের আসন মনে রাখতে ১৬২ জন সাধারণ সদস্যের সাথে ৭ জন নারী সদস্য যোগ করে মোট ১৬৯ সংখ্যাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ১১৪তম
কেন সঠিক:
- বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম প্রকাশিত ২০১৪ সালের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক সক্ষমতা প্রতিবেদনে বাংলাদেশ এই অবস্থান অর্জন করেছিল।
- নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক সূচক এবং ব্যবসায়িক পরিবেশের মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই র্যাঙ্কিং নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১৪তম — এটি ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সঠিক নির্ধারিত অবস্থান ছিল।
B) ১১৫তম — এই অবস্থানটি উক্ত বছরের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ছিল না।
C) ১১৬তম — এটি এই নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ভুল তথ্য নির্দেশ করে।
D) ১১৭তম — এটিও প্রতিবেদনের তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্যবসায়িক সক্ষমতায় বাংলাদেশের অবস্থা জানতে ২০১৪ সাল এবং ১১৪ সংখ্যাটি একসাথে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) মুঘল সম্রাট আকবর
কেন সঠিক:
- সম্রাট আকবর খাজনা আদায় ও কৃষি কাজের সুবিধার জন্য বাংলা সনের প্রবর্তন করেন।
- তাঁর রাজত্বকালে ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে (মতান্তরে ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দ) বাংলা সন চালু করা হয় এবং পহেলা বৈশাখ থেকে এর সূচনা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুঘল সম্রাট আকবর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কৃষকদের ফসল তোলার সময় হিসাব করে কর আদায়ের জন্য এই বর্ষপঞ্জি চালু করেন।
B) শেরে বাংলা এ,কে, ফজলুল হক — তিনি ব্রিটিশ ভারতের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বাংলা সনের প্রবর্তক নন।
C) প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দীন — তিনি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, যার বাংলা সন চালুর সঙ্গে কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
D) প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ — তিনি বাংলাদেশের একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন, যিনি অনেক পরে ক্ষমতায় আসেন।
মনে রাখার টিপস:
সম্রাট আকবরের আমলেই ফসলের খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সনের হিসাব শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৯১১ সালে
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ দিল্লির রাজদরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ করার ঘোষণা দেন।
- তীব্র গণআন্দোলন এবং স্বদেশী আন্দোলনের মুখে সরকার বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৫ সালে — এই সালে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেছিলেন, রদ করা হয়নি।
B) ১৯১১ সালে — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) ১৯০৬ সালে — এই সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, বঙ্গভঙ্গ রদ হয়নি।
D) ১৯৪০ সালে — এই সালে লাহোর প্রস্তাব পেশ করা হয়েছিল, যা বঙ্গভঙ্গের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯০৫ সালে কাটা (বঙ্গভঙ্গ) আর ১৯১১ সালে আঁটা (রদ)।
সঠিক উত্তর: A) পাল বংশ
কেন সঠিক:
- বাংলার ইতিহাসে পাল বংশ প্রায় চারশ বছর অর্থাৎ অষ্টম শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত রাজত্ব করেছিল।
- এটি ছিল বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘস্থায়ী কোনো রাজবংশের প্রথম ও দীর্ঘতম শাসনকাল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাল বংশ — এটি প্রায় চারশ বছর বাংলা শাসন করেছিল এবং গোপাল এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
B) সেন বংশ — সেন বংশ বাংলায় প্রায় একশ বছর শাসন করেছিল, যা পাল বংশের চেয়ে অনেক কম।
C) সুলতান বংশ — সুলতানদের শাসনকাল প্রায় দুশ বছরের বেশি ছিল, কিন্তু তা পাল বংশের মতো চারশ বছর স্থায়ী ছিল না।
D) উপরের কোনটি নয় — যেহেতু পাল বংশের শাসনকাল সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলার ইতিহাসে পাল রাজারা প্রায় চারশ বছর ধরে দীর্ঘ সময় ধরে রাজত্ব করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
- এই দ্বীপে প্রাকৃতিক প্রবাল, নারিকেল গাছ ও বৈচিত্র্যময় সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহেশখালী — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ, কোনো প্রবাল দ্বীপ নয়।
B) সেন্টমার্টিন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
C) দক্ষিণ তারপট্টি — এটি বঙ্গোপসাগরের একটি পলিদ্বীপ বা জেগে ওঠা চর মাত্র, প্রবাল দ্বীপ নয়।
D) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ এবং মেঘনা নদীর মোহনায় গঠিত পলিদ্বীপ।
মনে রাখার টিপস:
নারিকেলের জন্য বিখ্যাত এবং প্রবাল দিয়ে ঘেরা একমাত্র দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন।
সঠিক উত্তর: B) জাপান
কেন সঠিক:
- G-৮ বা শিল্পোন্নত আটটি দেশের জোটের একমাত্র এশীয় ও দেশীয় সদস্য হলো জাপান।
- বাকি সদস্য দেশগুলো মূলত উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোরিয়া — এটি G-৮ জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) জাপান — এটি G-৮ জোটের একমাত্র এশীয় সদস্য রাষ্ট্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) চীন — এটি বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি হলেও G-৮ জোটের সদস্য নয়।
D) মালয়শিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং G-৮ জোটের সদস্য তালিকাভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি এবং G-৮ এর একমাত্র প্রতিনিধি হলো জাপান।
সঠিক উত্তর: C) সম্প্রদানে ৪র্থী
কেন সঠিক:
- যাকে সত্য বা স্বত্বত্যাগ করে কোনো কিছু দান করা হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে।
- ভিখারিকে ভিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে অধিকার বা স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা বোঝানো হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কোনো শর্ত বা প্রত্যাশা ছাড়াই নিঃস্বার্থভাবে কিছু প্রদান করা হলে তা সম্প্রদান কারক হয়।
- ভিক্ষা দেওয়ার পর তা আর ফেরত নেওয়া হয় না, তাই এটি চূড়ান্ত দান।
- ভিক্ষা শব্দের সাথে 'কে' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি চতুর্থী বিভক্তি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কর্মে ৪র্থী — কর্ম কারকে কোনো কিছু পাওয়ার আশা থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
- B) করণে ৪র্থী — করণ কারকে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝায়, এখানে তা নেই।
- C) সম্প্রদানে ৪র্থী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য কোনো বিকল্প নেই, তাই এই অপশনটি প্রশ্নকর্তার ভুল বা পুনর্বিন্যাস হিসেবে বিবেচিত।
- D) অপাদানে ৪র্থী — অপাদান কারকে বিচ্যুত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা এখানে প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
- নিঃস্বার্থ দান বুঝলেই চোখ বুজে সম্প্রদান কারক দাগাবে।
সঠিক উত্তর: C) পরিবর্তনশীল
১. কেন সঠিক:
- চলিত ভাষারীতির প্রধান ও মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো এটি গতিশীল এবং সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়।
- মানুষের মুখে মুখে ভাষার পরিবর্তনের ধারা চলিত রীতিতে সহজে স্থান পায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে বাংলা ভাষারীতির বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- চলিত রীতি প্রমিত রূপ লাভ করে মানুষের কথ্যভাষার ওপর ভিত্তি করে এবং এটি সর্বদাই যুগোপযোগী ও পরিবর্তনশীল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেখিতেছি থেকে দেখছি
ব্যাখ্যা: চলিত রীতিতে শব্দের রূপ সংকুচিত ও পরিবর্তিত হয়।
উদাহরণ ২: করিয়াছি থেকে করেছি
ব্যাখ্যা: ক্রিয়াপদের রূপ বদল চলিত ভাষার একটি নিত্য পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গুরুগম্ভীর — এটি সাধু ভাষারীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য, চলিত ভাষার নয়।
B) কৃত্রিম — সাধু ভাষা অনেক ক্ষেত্রে কৃত্রিম ও বাঁধাধরা নিয়মে চলে, চলিত ভাষা স্বাভাবিক।
D) তৎসম শব্দ বহুল — সাধু রীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধু ভাষা স্থির ও বাঁধাধরা, আর চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল ও গতিশীল।
- চলিত মানেই চলমান বা পরিবর্তনশীল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষার রূপ পরিবর্তনের এই বৈশিষ্ট্যটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ফারসি
কেন সঠিক:
- 'চশমা' শব্দটির উৎপত্তি ফারসি ভাষা থেকে হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় বহুকাল ধরে এটি ফারসি শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ সরাসরি বা পরিবর্তিত রূপে গ্রহণ করেছে।
- ফারসি ভাষা থেকে অনেক প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ বাংলায় এসেছে।
- এই শব্দের মতো আরও কিছু ফারসি শব্দের উদাহরণ হলো চশমা, কাগজ, কলম এবং দরজা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আরবী — আরব দেশ থেকে আসা দ্বীন ও ধর্ম সংক্রান্ত শব্দগুলো আরবি ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
- B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
- C) ফরাসি — ইউরোপীয় ভাষা ফরাসি থেকে কার্তুজ ও কুপন জাতীয় কিছু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে।
- D) গুজরাটি — গুজরাট অঞ্চলের ভাষা থেকে খুব সামান্য কিছু শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থান পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- চোখ বা দৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত ফারসি শব্দ মনে রাখতে চশমা শব্দটি মাথায় রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আনন্দের প্রাচুর্য
১. কেন সঠিক:
- চাঁদের হাট বাগধারাটির সাধারণ অর্থ হলো আনন্দের প্রাচুর্য বা প্রীতিভোজের মিলনমেলা।
- প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যখন অনেক মানুষ একত্রে আনন্দ উপভোগ করে, তখন তাকে চাঁদের হাট বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছেলের বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে যেন চাঁদের হাট বসেছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনেক আত্মীয়স্বজন ও অতিথির উপস্থিতির কারণে আনন্দের প্রাচুর্য বোঝাতে চাঁদের হাট বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সাহিত্য সম্মেলনে দেশের বরেণ্য লেখকদের মিলনমেলায় যেন চাঁদের হাটের সৃষ্টি হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে গুণীজনদের একত্র হওয়ার ফলে যে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌভাগ্য লাভ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য আকাশ কুসুম বা ব্যাঙের সর্দি বাগধারাটি উপযুক্ত নয়, বরং এর জন্য একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
B) বিরাট আয়োজন — এই অর্থটি চাঁদের হাটের সঙ্গে সরাসরি মেলে না কারণ এটি আনন্দ বা মিলনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) আনন্দ আয়োজন — এই অপশনটি কাছাকাছি হলেও প্রমিত অর্থে চাঁদের হাট বলতে মূলত আনন্দের প্রাচুর্য বা জমজমাট মিলনমেলাকে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
চাঁদ উঠলে যেমন আকাশে আলোর প্রাচুর্য দেখা যায়, তেমনি মানুষের মিলনমেলায় আনন্দ বেড়ে গেলে তাকে চাঁদের হাট বলা হয়।
এই কৌশলটি মনে রাখলে আনন্দের প্রাচুর্য অর্থটি সহজে স্মরণে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রীতিপূর্ণ মিলনমেলা বোঝাতে এই বাগধারাটি আসে।
বাগধারা মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যে এর প্রয়োগ বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি এবং কোলন অপেক্ষা কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- দুটি স্বাধীন ভাবপ্রকাশক বাক্যকে একটি বাক্যে সংযুক্ত করতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেমিকোলন হলো একটি যথার্থ যতিচিহ্ন যা মূলত দুটি সম্পর্কিত স্বতন্ত্র উপবাক্যের সংযোগস্থলে ব্যবহৃত হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের ব্যবহার প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে বাক্যরীতির স্পষ্টতা বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল আবহাওয়া খারাপ ছিল; তাই আমরা কোথাও যাইনি।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি সম্পূর্ণ বাক্যকে সংযুক্ত করতে কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি হিসেবে সেমিকোলন বসেছে।
উদাহরণ ২: পরিশ্রম করো; সফল হবে।
ব্যাখ্যা: দুটি স্বাধীন ও সম্পর্কিত বাক্যাংশকে যুক্ত করতে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেমিকোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ কমার চেয়ে এর বিরতিকাল বেশি।
B) কোলন — কোলন একটি স্বতন্ত্র যতিচিহ্ন যা মূলত কোনো উদাহরণের পূর্বে বা উদ্ধৃতি দিতে ব্যবহৃত হয়, কমার সঙ্গে এর তুলনামূলক বিরতির সম্পর্ক নেই।
C) ড্যাস — ড্যাস হলো ভাবের সংগতি রক্ষার জন্য ব্যবহৃত একটি যতিচিহ্ন যার বিরতিকাল সেমিকোলন অপেক্ষা অনেক বেশি।
D) হাইফেন — হাইফেন হলো সংযোগ চিহ্ন যা সমাসবদ্ধ পদ বা শব্দের অংশগুলোকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, বিরতির জন্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিরতিকালের ছোট থেকে বড় ক্রম মনে রাখতে পারো: কমা, সেমিকোলন, কোলন, ড্যাস।
- সেমিকোলন মানে এক বলার দ্বিগুণ সময় থামার নির্দেশ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের বিরতিকাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কোন যতিচিহ্নের কতটুকু বিরতি তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- এই শব্দটির বানান বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
- মমরুসু বা মৃত হতে চাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বানানের নিয়মে হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ উ-কারের সঠিক ব্যবহার এখানে দেখতে হয়।
- শব্দের প্রথমে ও মাঝে হ্রস্ব উ-কার এবং অন্তে দীর্ঘ উ-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই ধরনের বানানের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে।
উদাহরণ ২: মুমূর্ষু অবস্থা
ব্যাখ্যা: মৃত্যুর কাছাকাছি এমন অবস্থার ক্ষেত্রে এই বানানটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমূর্ষু — এটি সঠিক বানান।
B) মুমূর্ষ — এর শেষের অক্ষরটিতে উ-কার নেই।
C) মুমুর্সু — এর প্রথম অংশে ভুল উ-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
D) মুমুর্সূ — এর শেষের অংশে দীর্ঘ উ-কার ভুল স্থানে আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ছোট থেকে বড় বা হ্রস্ব থেকে দীর্ঘ এই নিয়ম মনে রাখতে পারো।
- মাঝের অক্ষরটিতে দীর্ঘ উ-কার এবং শেষেরটিতে হ্রস্ব উ-কার বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।
- হ্রস্ব ও দীর্ঘ ই এবং উ কারের ব্যবহার ভালো করে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- অগ্নিবীণা বানানটিতে 'অগ্নি' শব্দের সাথে 'বীণা' শব্দ যুক্ত হয়ে সন্ধি ও সমাসবদ্ধ পদ গঠিত হয়েছে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'অগ্নি' শব্দে ই-কার এবং 'বীণা' শব্দে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অগ্নিবীণা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মোট বারটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিতুমীর
ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহাসিক চরিত্র ও বিদ্রোহী ব্যক্তিত্বের নাম যেখানে প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সঞ্চিতা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা সংকলন যার বানানরীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অগ্নবিনা — এই বানানে 'অগ্নি' শব্দের ই-কার এবং 'বীণা' শব্দের দীর্ঘী-কার বাদ দেওয়া হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) অগ্নিবিণা — এই বানানে 'বীণা' শব্দে দীর্ঘী-কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) অগ্নিবিনা — এই বানানে 'অগ্নি' ও 'বীণা' উভয় শব্দের বানানেই ভুল রয়েছে এবং দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার বাদ দেওয়া হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অগ্নি লেখার সময় হ্রস্ব ই-কার এবং বীণা লেখার সময় দীর্ঘী-কার মনে রাখতে হবে।
- নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখলেই এই বানানটি নির্ভুল লেখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার এবং দীর্ঘী-কারের সঠিক ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) গো + এষণা
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ও অথবা ঔ কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ও স্থানে অব এবং ঔ স্থানে আভ হয়। এখানে গো শব্দের শেষে ও কার আছে এবং তার সঙ্গে এষণা শব্দের শুরুতে এ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী অব রূপ ধারণ করে গবেষণা শব্দ গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম বা গবাদি নিয়মের অন্তর্ভুক্ত যেখানে ও কারের সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে অব গঠিত হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সাধিত হয়েছে এবং এর কোনো ব্যতিক্রম নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পো + অন = পবন
ব্যাখ্যা: ও কারের পর স্বরধ্বনি থাকায় ও স্থানে অব হয়ে পবন শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভৌ + উক = ভাবুক
ব্যাখ্যা: ঔ কারের পর স্বরধ্বনি থাকায় ঔ স্থানে আভ হয়ে ভাবুক শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গব + এষণা — গব বলে কোনো প্রমিত শব্দ বাংলায় সন্ধির ক্ষেত্রে নেই তাই এটি ভুল।
B) গো + এষণা — এটি সঠিক কারণ নিয়ম মেনে এই সন্ধিটি সম্পন্ন হয়েছে।
C) গো + ঘণা — ঘণা কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা প্রত্যয় নয় তাই এটি সম্পূর্ণ ভুল।
D) গ + বেষণা — গ কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয় তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণসম্মত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গবেষণা শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি গো যোগ এষণা সূত্র মেনে গঠিত হয়। পবন ও ভাবুক শব্দের মতো এটিও ও কার ও ঔ কারের পরিবর্তনের নিয়মে সাধিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ও কার যুক্ত সন্ধি যেমন গবেষণা, পবন ও গবাধি খুব বেশি আসে। এই ধরনের শব্দ দেখলে অব বা ভাব আসার নিয়মটি স্মরণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সতী + ঈশ
১. কেন সঠিক:
সতীশ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সতী + ঈশ। এখানে প্রথম শব্দের শেষের দীর্ঘ ঈকার এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর দীর্ঘ ঈকার মিলে দীর্ঘ ঈকার হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি নিয়ম যেখানে দীর্ঘ স্বরের সঙ্গে দীর্ঘ স্বর যুক্ত হয়ে দীর্ঘ স্বর গঠিত হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ এর পর যদি যথাক্রমে অ বা আ, ই বা ঈ, উ বা ঊ থাকে তবে উভয় মিলে যথাক্রমে দীর্ঘ আ, দীর্ঘ ঈ, দীর্ঘ ঊ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী + ঈশ্বর = নদীশ্বর
ব্যাখ্যা: এখানে দীর্ঘ ঈকার এবং দীর্ঘ ঈকার মিলে দীর্ঘ ঈকার হয়েছে যা একই সন্ধির নিয়মের আওতাধীন।
উদাহরণ ২: পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির আরেকটি উদাহরণ যেখানে ই এবং ঈ মিলে ঈকার গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সতি + ইশ — এখানে প্রথম অংশে সতি শব্দে রস ইকার এবং দ্বিতীয় অংশে ইশ শব্দে রস ইকার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানরীতি ও নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
B) সতি + ঈশ — এই অপশনে প্রথম অংশে সতি শব্দে রস ইকার ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু সঠিক শব্দ গঠনে সতী শব্দে দীর্ঘ ঈকার থাকা আবশ্যক।
C) সতী + ইশ — এখানে প্রথম অংশ সঠিক থাকলেও দ্বিতীয় অংশে ইশ শব্দে রস ইকার দেওয়া হয়েছে অথচ সঠিক শব্দে ঈশ বানানে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহৃত হয়।
D) সতী + ঈশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উভয় শব্দের বানান এবং সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে মিলেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সতীশ শব্দটি লেখার সময় সতী অংশে দীর্ঘ ঈকার এবং ঈশ অংশেও দীর্ঘ ঈকার দিতে হয়। পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ আসলে দীর্ঘ স্বরের মিলন সূত্রটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ঈকারযুক্ত সন্ধি যেমন মহী + ঈশ অথবা নদী + ঈশ প্রায়ই আসে। তাই শব্দের মূল বানান সম্পর্কে ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) উপমিত
১. কেন সঠিক:
- চাঁদমুখ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো চাঁদের ন্যায় মুখ, যেখানে সাধারণ ধর্ম অর্থাৎ সুন্দর বা দীপ্তিমান হওয়া উহ্য থাকে এবং উপমেয় ও উপমানের তুলনা করা হয়।
- যে কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমান পদ দুটির মধ্যে তুলনা বোঝাতে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপমিত কর্মধারয় সমাসে পূর্বপদ উপমান এবং পরপদ উপমেয় হয় এবং মাঝখানে ন্যায় শব্দটি বসে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
- এখানে মুখ হলো উপমেয় যাকে তুলনা করা হচ্ছে এবং চাঁদ হলো উপমান যার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুরুষ সিংহ = সিংহের ন্যায় পুরুষ
ব্যাখ্যা: এখানে পুরুষ হলো উপমেয় এবং সিংহ হলো উপমান, সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকায় এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
উদাহরণ ২: করপল্লব = পল্লবের ন্যায় কর
ব্যাখ্যা: এখানে কর বা হাত হলো উপমেয় এবং কচি পাতা বা পল্লব হলো উপমান, যা উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়, কিন্তু চাঁদমুখ শব্দে অভেদ নয় বরং সাধারণ তুলনা বোঝানো হয়েছে।
B) উপমিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উপমেয় ও উপমানের তুলনা বোঝাতে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে।
C) উপমান — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ থাকে, কিন্তু চাঁদমুখ শব্দে কোনো সাধারণ ধর্ম যেমন সুন্দর বা উজ্জ্বল উল্লেখ নেই।
D) মধ্যপদলোপী — মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে সমাসবদ্ধ করার সময় মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, কিন্তু এটি তুলনামূলক সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- উপমিত সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে উপমেয় পদ থাকে এবং মাঝখানে ন্যায় বসে, যেখানে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না।
- শুধু মনে রাখবে উপমিত কর্মধারয় সমাসে তুলনা বোঝাতে সাধারণ ধর্ম সবসময় উহ্য থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমিত এবং উপমান কর্মধারয় সমাস প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে।
- সাধারণ ধর্ম উপস্থিত থাকলে উপমান এবং সাধারণ ধর্ম অনুপস্থিত থাকলে তা উপমিত কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিগ্রহ বাক্য
১. কেন সঠিক:
- ব্যাস বাক্যের অপর নাম বিগ্রহ বাক্য বা সমাসবাক্য। যে বাক্য বা বাক্যাংশ দ্বারা সমাসবদ্ধ পদের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়, তাকে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমাস প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ একপদীকরণের মাধ্যমে নতুন শব্দ বা সমস্ত পদ গঠন করা হয়। এই সমস্ত পদকে ভেঙে বিস্তারিত রূপ দেওয়াই হলো ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্যের কাজ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এখানে সিংহ চিহ্নিত আসন হলো ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য, যা থেকে সিংহাসন সমস্ত পদটি তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ ২: জলে চরে যা জলচর
ব্যাখ্যা: এখানে জলে চরে যা হলো ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য, যা থেকে জলচর সমস্ত পদটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্য হলো বাক্য গঠনের একটি শ্রেণি, যেখানে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। এটি সমাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) বিগ্রহ বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যাসবাক্যের অপর নামই বিগ্রহ বাক্য।
C) সমস্ত পদ — সমাসের প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ মিলে যে একটি নতুন পদ গঠিত হয় তাকে সমস্ত পদ বলে, এটি ব্যাসবাক্যের অপর নাম নয়।
D) সমস্যমান পদ — সমাসবদ্ধ করার জন্য যে পদগুলো একত্রে মিলিত হয়, তাদের প্রত্যেকটিকে সমস্যমান পদ বলে, এটি ব্যাসবাক্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্যাস মানে বিস্তার, তাই বাক্যকে বিস্তার করে দেখানোর নামই ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য। সমস্ত পদের ভেতরের সম্পর্ক পরিষ্কার করতে বিগ্রহ বাক্য ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যাসবাক্যের অপর নাম কী এই প্রশ্নটি আসে। মনে রাখতে হবে ব্যাসবাক্য, বিগ্রহ বাক্য এবং সমাসবাক্য একই বিষয়ের তিনটি ভিন্ন নাম।
সঠিক উত্তর: B) করণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম বা সহায়ক যন্ত্রকে করণ কারক বলে।
- এখানে ঘরের ভরার কাজটি ফুল নামক মাধ্যম দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে, তাই এটি করণ কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফুল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ফুলে ফুলে রূপ নিয়ে সপ্তমী বা এ বিভক্তি নির্দেশ করেছে।
- করণ কারকে সাধারণত তৃতীয় বা সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকে মধু আছে।
ব্যাখ্যা: এটি স্থান বুঝানোর কারণে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: কলমে লেখা ভালো।
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে মাধ্যম বোঝানো হয়েছে।
B) করণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফুল এখানে ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারকে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় তা বোঝায়।
D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারকে স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে মাধ্যম বা উপকরণ প্রধান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা করণ কারক।
- ফুল দিয়ে বা ফুলের সাহায্যে ঘর ভরেছে, তাই এটি করণ কারক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বহুবচন বা বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি থাকলে বিভক্তি নির্ণয়ের সময় শেষের পদের বিভক্তি ধরতে হয়।
- উপকরণ বা মাধ্যম বোঝালে তা সবসময় করণ কারক হয়।
সঠিক উত্তর: A) অন্যায়ের ফল অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- 'অনিবার্য' শব্দটির অর্থ যা নিবারণ করা যায় না বা যা আটকানো সম্ভব নয়। অন্যায়ের পরিণতি যে নিশ্চিত এবং তা কোনোভাবেই এড়ানো যায় না, তা বোঝাতেই 'অনিবার্য' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
- বাক্যটিতে কার্য ও কারণের সম্পর্ক নিখুঁতভাবে প্রকাশ পেয়েছে এবং ব্যাকরণের দিক থেকে বাক্যটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধি বাংলা ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেখানে শব্দের সঠিক প্রয়োগ ও অর্থের সংগতি বিবেচনা করা হয়।
- এখানে 'অনিবার্য' একটি বিশেষণ পদ যা বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে এবং বাক্যের অর্থকে প্রমিত রূপ দিয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুর পরিণতি অনিবার্য।
ব্যাখ্যা: জন্ম নিলে মৃত্যু অবধারিত, যা কেউ রোধ করতে পারে না অর্থে 'অনিবার্য' শব্দের সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে।
উদাহরণ ২: পরিবর্তন জগতের অনিবার্য নিয়ম।
ব্যাখ্যা: প্রকৃতির নিয়ম বা সত্য যা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তা বোঝাতে 'অনিবার্য' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্যায়ের ফল অনিবার্য — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও প্রমিত।
B) অন্যায়ের ফল দুর্নিবার্য — 'দুর্নিবার্য' বলে কোনো প্রমিত শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই, সঠিক শব্দ হলো 'অনিবার্য'।
C) অন্যায়ের ফল ভয়াবহ — ভয়াবহ শব্দটি অর্থের দিক থেকে কিছুটা অতিরঞ্জিত এবং প্রমিত বাক্যরীতির সঙ্গে সবসময় মানানসই নয়।
D) অন্যায়ের শাস্তি মৃত্যু — এটি একটি সাধারণ বক্তব্য হতে পারে কিন্তু অন্যায়ের সার্বজনীন পরিণতি বোঝাতে এটি ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ এবং তার যথাযথ প্রয়োগ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
- যা রোধ করা যায় না, তার ক্ষেত্রে সর্বদা 'অনিবার্য' শব্দটি ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত শব্দ চয়ন সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের সঠিক রূপ ও অর্থ জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) √মুচ্ + তি
১. কেন সঠিক:
- 'মুক্তি' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √মুচ্ যুক্ত তি। এটি একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
- ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং √মুচ্ একটি সংস্কৃত ধাতু।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দে ধাতুর অন্ত্যবর্ণের পরিবর্তন ঘটে এবং প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠিত হয়।
- √মুচ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মুক্তি' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা ভাববাচক বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √ভাজ + তি = ভক্তি
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও √মুচ্ + তি এর মতো একই নিয়মে কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত ভাববাচক বিশেষ্য।
উদাহরণ ২: √গম্ + তি = গতি
ব্যাখ্যা: এটিও ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাধিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √মুচ্ + ক্তি — এখানে 'ক্তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে যা সঠিক নয়, কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী এখানে কেবল 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়।
B) √মুচ্ + তি — এটি সঠিক উত্তর।
C) √মুক্ + ক্তি — এখানে ধাতুর মূল রূপ 'মুচ্' এর পরিবর্তে 'মুক্' লেখা হয়েছে এবং ভুল প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে।
D) √মুক্ + তি — এখানে ধাতুর মূল রূপ 'মুচ্' পরিবর্তন করে ভুলভাবে 'মুক্' লেখা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুচ্ ধাতুর সঙ্গে সবসময় তি প্রত্যয় যোগ করে মুক্তি শব্দটি তৈরি হয় তা মনে রাখবে।
- কৃৎ প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের শেষে তি যুক্ত ভাববাচক শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ প্রত্যয় থেকে প্রায়ই শব্দ গঠনের নিয়ম জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের ধাতু ও প্রত্যয়ের মূল রূপ মনে রাখলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠিত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। এখানে 'কাঁদ' হলো খাঁটি বাংলা ভাষার ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
'কাঁদ' ধাতুর সঙ্গে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'কান্দন' বা 'কান্না' শব্দটি গঠিত হয়, যা বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের আওতাভুক্ত। কৃৎ প্রত্যয় মূলত দুই প্রকার, যথা বাংলা কৃৎ প্রত্যয় এবং সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √চল + আন = চালান
ব্যাখ্যা: এটি একটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ 'চল' একটি খাঁটি বাংলা ধাতু।
উদাহরণ ২: √পড় + আ = পড়া
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের শব্দ কারণ এর মূল ধাতু 'পড়' বাংলা ভাষার ধাতু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃৎ প্রত্যয় — এটি একটি সাধারণ শ্রেণিবাচক নাম হলেও প্রশ্ন অনুযায়ী নির্দিষ্টভাবে এটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয়।
B) তদ্ধিত প্রত্যয় — শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয় বিধыр এটি সঠিক নয় কারণ কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ধাতুর সঙ্গে।
C) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় — 'কাঁদ' কোনো সংস্কৃত ধাতু নয়, তাই এটি সংস্কৃত কৃৎ বা তদ্ধিত কোনোটিই হতে পারে না।
D) বাংলা কৃৎ প্রত্যয় — এটিই সঠিক কারণ 'কাঁদ' একটি খাঁটি বাংলা ধাতু।
৫. মনে রাখার টিপস:
ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে কৃৎ প্রত্যয় হয় এবং শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে তদ্ধিত প্রত্যয় হয়। খাঁটি বাংলা ধাতুর ক্ষেত্রে সবসময় তা বাংলা কৃৎ প্রত্যয় হিসেবে গণ্য হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু চেনার মাধ্যমেই কৃৎ প্রত্যয়ের প্রকারভেদ নির্ণয় করতে হয়। তাই ক্রিয়ামূলটি বাংলা নাকি সংস্কৃত, তা ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সলিল
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি পানি শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ।
- সলিল শব্দের অর্থ জল বা উদক, যা পানির অপর নাম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের প্রশ্ন।
- বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ থাকতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বারি
ব্যাখ্যা: এটি পানির আরেকটি সুপরিচিত সমার্থক শব্দ যা সাধারণত কাব্যে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: উদক
ব্যাখ্যা: এটিও পানির সমার্থক শব্দ যা তৎসম শব্দের আওতাভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবিতা — এই অপশনটি ভুল কারণ সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য।
B) সলিল — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পানির সমার্থক।
C) সাগর — এই অপশনটি ভুল কারণ সাগর অর্থ সমুদ্র বা জলধি।
D) সৈকত — এই অপশনটি ভুল কারণ সৈকত অর্থ নদীর বা সমুদ্রের তীর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পানির সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে বারি, সলিল, উদক এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে চর্চা করবে।
- সূর্য বা সাগরের শব্দের সঙ্গে পানির শব্দ গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানি, সূর্য, আকাশ ও পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দগুলো খুব বেশি আসে।
- প্রমিত বাংলা শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) হাতি
১. কেন সঠিক:
মাতঙ্গ শব্দের অর্থ হলো হাতি বা হস্তী।
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষ শব্দটির উৎপত্তি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মাঠে বা জঙ্গলে বিচরণকারী বিশাল আকৃতির বন্য প্রাণীকে ঐতিহ্যগতভাবে এই নামে অভিহিত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার সমার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভান্ডার থেকে আসা তৎসম শব্দ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবজন্তু সম্পর্কিত শব্দের সঠিক অর্থ ও প্রতিশব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দের ব্যবহার প্রায়শই দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐ দেখ একটি বিশাল মাতঙ্গ বন থেকে বেরিয়ে আসছে।
ব্যাখ্যা: এখানে মাতঙ্গ শব্দটি সরাসরি হাতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন রাজারা যুদ্ধে মাতঙ্গ বাহিনী ব্যবহার করতেন।
ব্যাখ্যা: এখানেও মাতঙ্গ বলতে হাতির বিশাল দলকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিণ — হরিণ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো মৃগ, কুরঙ্গ, সারঙ্গ ইত্যাদি।
এটি মাতঙ্গ শব্দের সমার্থক নয়।
B) ভুজঙ্গ — ভুজঙ্গ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সাপ, সর্প, উরগ ইত্যাদি।
এটি মাতঙ্গ শব্দের সমার্থক নয়।
C) হাতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাতঙ্গ শব্দের সরাসরি অর্থ হাতি।
প্রশ্নানুসারে এটিই নির্ণেয় সঠিক উত্তর।
D) অশ্ব — অশ্ব শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ঘোড়া, তুরঙ্গ, বাজি ইত্যাদি।
এটি মাতঙ্গ শব্দের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাতঙ্গ শব্দের শেষাংশে অঙ্গ যুক্ত আছে, যা বিশাল দেহাবয়বকে নির্দেশ করে।
হাতি একটি বিশালদেহী প্রাণী হওয়ায় মাতঙ্গ বলতেই হাতিকে সহজে চিনে নেওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হস্তী বা হাতির অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন করী, গজ, বারণ, দ্বীপ, নাগ ইত্যাদি প্রায়ই আসে।
একটি শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ একত্রে মুখস্থ করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) নিস্তেজ
১. কেন সঠিক:
- ‘তেজী’ শব্দের অর্থ শক্তিশালী, প্রাণবন্ত বা কর্মক্ষম।
- এর বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো ‘নিস্তেজ’, যার অর্থ শক্তিহীন বা প্রাণহীন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ করে গুণবাচক বা অবস্থা নির্দেশক শব্দে এই বিপরীত রূপ বেশি দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবল
ব্যাখ্যা: ‘সবল’ শব্দের বিপরীত শব্দ ‘দুর্বল’, যা শারীরিক শক্তির অভাব বোঝায়।
উদাহরণ ২: সজীব
ব্যাখ্যা: ‘সজীব’ শব্দের বিপরীত শব্দ ‘নির্জীব’, যা প্রাণের অনুপস্থিতি নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্বল — এটি ‘সবল’ বা ‘শক্তিশালী’ শব্দের বিপরীত, ‘তেজী’ শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক নিস্তেজ।
B) রুগ্ণ — এটি ‘সুস্থ’ বা ‘সবল’ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা তেজী শব্দের সঠিক বিপরীত নয়।
C) নিস্তেজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তেজ বা শক্তির সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি বোঝায়।
D) সতেজ — এটি ‘তেজী’ শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তেজ মানে শক্তি, তাই তেজী মানে শক্তিশালী।
- নিস্তেজ মানে শক্তিহীন, তাই এটি তেজীর বিপরীত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করতে হবে।
- পরীক্ষায় প্রায়শই সমার্থক শব্দকে বিপরীতার্থক অপশন হিসেবে বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) বর্জন
১. কেন সঠিক:
- গ্রহণ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু নেওয়া, গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
- এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো বর্জন, যার অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে।
- গ্রহণ এবং বর্জন উভয় শব্দই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ হওয়ায় এরা ব্যাকরণগতভাবে নিখুঁত বিপরীতার্থক জোড় গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রসারণ শব্দের বিপরীত শব্দ সংকোচন।
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু প্রসারিত করা বা বাড়ানোর বিপরীতে তা সংকুচিত করা বোঝাতে এই বিপরীত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: আগমন শব্দের বিপরীত শব্দ প্রস্থান।
ব্যাখ্যা: কোথাও আসার বিপরীতে সেখান থেকে চলে যাওয়া বা প্রস্থান করা বোঝাতে এই বিপরীত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিহার — পরিহার শব্দের অর্থ বর্জন বা ত্যাগ হলেও এটি সাধারণত কোনো দায়িত্ব, কর্তব্য বা অপ্রয়োজনীয় বিষয় এড়িয়ে চলার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়।
B) বর্জন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অগ্রাহ্য — অগ্রাহ্য শব্দের অর্থ গ্রাহ্য না করা বা অমান্য করা, যা গ্রহণের সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে যথাযথ নয়।
D) প্রদান — প্রদান শব্দের অর্থ দেওয়া, যা মূলত গ্রহণ শব্দের বিপরীত হলেও বর্জন শব্দটি অর্থের দিক থেকে অনেক বেশি নিখুঁত ও প্রমিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গ্রহণ মানে নেওয়া আর বর্জন মানে ছেড়ে দেওয়া বা বাদ দেওয়া।
- পরীক্ষার হলে বিপরীত শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দের উৎসের দিকে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ নির্বাচন করা সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করার অভ্যাস করবে।
সঠিক উত্তর: B) শ্বাপদসংকুল
১. কেন সঠিক:
- 'যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো শ্বাপদসংকুল।
- এখানে 'শ্বাপদ' শব্দের অর্থ হিংস্র পশু বা জন্তু এবং 'সংকুল' শব্দের অর্থ পরিপূর্ণ বা পরিবেষ্টিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করার জন্য এককথায় প্রকাশ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে জয় করা যায় না = দুর্জয়
ব্যাখ্যা: কঠিন বা সহজে জয় করা সম্ভব নয় এমন বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: নদীমাতৃক দেশ = বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা: যে দেশের বহু নদী জালের মতো ছড়িয়ে আছে তাকে এককথায় নদীমাতৃক বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্গম — যে স্থান সহজে গমন করা যায় না বা যেখানে পৌঁছানো কঠিন, তাকে দুর্গম বলে।
B) শ্বাপদসংকুল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ বন।
C) অরণ্য জনপদ — অরণ্য অর্থ বন এবং জনপদ অর্থ মানুষের বসতি, যা হিংস্র জন্তুর পূর্ণতা বোঝায় না।
D) বিপদসংকুল — যে স্থান বা পথ বিপদে পরিপূর্ণ, তাকে বিপদসংকুল বলা হয়, নির্দিষ্টভাবে হিংস্র জন্তু বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শ্বাপদ শব্দের অর্থ হিংস্র পশু এবং সংকুল শব্দের অর্থ ভরা, তাই শ্বাপদসংকুল অর্থ হিংস্র পশুতে ভরা বন।
- বড় বাক্যকে ছোট করতে মূল শব্দ দুটির অর্থ মিলিয়ে এককথায় প্রকাশ মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- হিংস্র পশু সংক্রান্ত বন বা স্থান বোঝাতে সবসময় শ্বাপদসংকুল শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) সর্বজনীন
১. কেন সঠিক:
সকলের জন্য প্রযোজ্য এমন বিষয় বা বস্তুকে এক কথায় সর্বজনীন বলা হয়। এখানে সর্বজন শব্দের অর্থ সবার জন্য এবং ঈন প্রত্যয় যোগে সকলের উপযোগী বা প্রযোজ্য অর্থে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বাক্যের সংক্ষিপ্তকরণ বা এককথায় প্রকাশের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাবের স্পষ্টতা বৃদ্ধি পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সর্বজনীন উৎসব
ব্যাখ্যা: যে উৎসব কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতির না হয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত, তাকে সর্বজনীন উৎসব বলা হয়।
উদাহরণ ২: সর্বজনীন শিক্ষা
ব্যাখ্যা: যে শিক্ষা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য ও উন্মুক্ত, তাকে সর্বজনীন শিক্ষা বলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সর্বজনীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সকলের জন্য প্রযোজ্য।
B) সার্বজনীন — এটি বানানগত দিক থেকে অনেক সময় ব্যবহৃত হলেও প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও ব্যাকরণ অনুযায়ী সর্বজনীন শব্দটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য ও সঠিক।
C) সর্বজনস্বীকৃত — এর অর্থ যা সকলের দ্বারা গৃহীত বা মান্য করা হয়েছে, কিন্তু সকলের জন্য প্রযোজ্য অর্থে এটি ব্যবহৃত হয় না।
D) সর্বজনগ্রাহ্য — এর অর্থ যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু এটি প্রযোজ্য অর্থে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবার জন্য যা প্রযোজ্য, তার মূল শব্দ সর্বজন এবং এর সঙ্গে ঈন যুক্ত হয়ে সর্বজনীন গঠিত হয়। বানান মনে রাখতে সর্বজন যোগ ঈন এই সূত্রটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বজনীন ও সার্বজনীন বানানের মধ্যে কোনটি শুদ্ধ তা প্রায়ই আসে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সর্বজনীন বানানটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) এয়ো
১. কেন সঠিক:
- এয়ো শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কারণ এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ বা রূপান্তর নেই।
- এয়ো শব্দের অর্থ হলো সধবা নারী যার স্বামী জীবিত আছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যা কেবল স্ত্রীবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ থাকে না।
- বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ স্বভাবতই স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় যেমন সতীন, কুলটা, এয়ো ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতীন
ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কারণ এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই।
উদাহরণ ২: কুলটা
ব্যাখ্যা: কুলটা শব্দটি কেবল চরিত্রহীনা নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এয়ো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।
B) কবিরাজ — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য পদ যা চিকিৎসকের পেশা বোঝায় এবং এটি স্ত্রীবাচক শব্দ নয়।
C) সন্তান — এটি একটি নিত্য পুরুষবাচক বা উভয়লিঙ্গ শব্দ যা পুত্র বা কন্যা উভয়কেই বোঝাতে পারে।
D) কৃতদার — এটি একটি পুরুষবাচক শব্দ যার অর্থ হলো পরিণীতা স্ত্রী আছে যার অর্থাৎ বিবাহিত পুরুষ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য এয়ো, সতীন ও কুলটা এই তিনটি শব্দ মনে রাখতে পারো।
- যে শব্দের কোনো পুরুষবাচক জোড় পাওয়া যায় না, সেটাই নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক ও নিত্য পুরুষবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এয়ো, সতীন, সধবা, অর্ধাঙ্গিনী শব্দগুলোর লিঙ্গ নির্ণয় ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নর-নারী
১. কেন সঠিক:
- নর এবং নারী দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা মূল শব্দ ব্যবহার করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়েছে, যা সাধারণ নিয়মের বাইরে বিশেষ নিয়মে সাধিত।
- বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তনের সাধারণ নিয়মে শব্দের শেষে প্রত্যয় যোগ করা হয়, কিন্তু কিছু শব্দে এই নিয়ম না মেনে সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শব্দ কোনো নিয়ম বা প্রত্যয় না মেনে সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেগুলোকে বিশেষ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়।
- নর শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো নারী, যা নিত্য বা বিশেষ নিয়মে গঠিত শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং এর কোনো নির্দিষ্ট প্রত্যয়ঘটিত ব্যাখ্যা নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতা-মাতা
ব্যাখ্যা: পিতা শব্দের স্ত্রীবাচক মাতা সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ, যা বিশেষ নিয়মে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুরুষ-স্ত্রী
ব্যাখ্যা: পুরুষ শব্দের স্ত্রীবাচক স্ত্রী সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বালক-বালিকা — এটি সাধারণ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কারণ মূল শব্দের সাথে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
B) দু:খী- দু:খিনী — এটি বিশেষ নিয়ম নয় বরং ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাধারণ নিয়মে স্ত্রীবাচক শব্দে পরিণত হয়েছে।
C) খান-খানম — এটি ফারসি ভাষার নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ, বাংলা ব্যাকরণের বিশেষ নিয়ম নয়।
D) নর-নারী — এটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ নিয়মে গঠিত সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে সমস্ত স্ত্রীবাচক শব্দে মূল শব্দের সাথে কোনো মিল থাকে না এবং সম্পূর্ণ নতুন শব্দ বসে, সেগুলোকে বিশেষ নিয়মে গঠিত শব্দ হিসেবে মনে রাখবে।
- পিতা-মাতা, পুরুষ-স্ত্রী, কবি-কবিয়ানি বা নর-নারী এই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত প্রত্যয়যুক্ত শব্দের পাশাপাশি এই ধরনের ব্যতিক্রমী বা বিশেষ নিয়মের শব্দগুলো বেশি বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- তাই নর-নারী বা গায়ক-গায়িকা জাতীয় শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) lying
কেন সঠিক:
- বাক্যে See একটি Verb of Perception, যার পর Object-এর সাথে Verb-এর Present Participle বা ing যুক্ত রূপ বসে।
- মেঝেতে শায়িত থাকা অবস্থা বোঝাতে Lie ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে lying সঠিক Present Participle গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) laid — এটি Lay ভার্বের Past বা Past Participle রূপ, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) lying — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা Object-এর চলমান অবস্থা প্রকাশ করে।
C) lay — এটি Lie ভার্বের Past রূপ, যা এই শূন্যস্থানে অপরিবর্তিতভাবে বসতে পারে না।
D) lie — এটি Verb-এর Base form, যা Perception-এর পর সরাসরি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
See বা Watch-এর মতো Perception-বাচক Verb-এর পরে কোনো কাজ চলমান বোঝাতে সরাসরি Verb-এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) It has been raining since morning
কেন সঠিক:
১. বাক্যটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে এমন কাজ বোঝাচ্ছে, তাই Present Perfect Continuous Tense ব্যবহৃত হয়েছে।
নির্দিষ্ট সময় বা পয়েন্ট অব টাইম বোঝাতে 'from'-এর পরিবর্তে 'since' বসে।
২. বৃষ্টি একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হওয়ায় এর সাবজেক্ট হিসেবে 'It' ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বার হওয়ায় 'has been' সাহায্যকারী verb বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining since morning — এখানে Present Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা কাজের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) It has been raining since morning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) It has been raining from morning — এখানে 'since'-এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'from' ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ নির্দিষ্ট পয়েন্ট বোঝাতে 'since' বসে।
D) It is raining of morning — এখানে টেন্সের নিয়ম ভুল এবং সময়ের আগে অনুপযুক্ত প্রপজিশন 'of' ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সকাল, দুপুর বা নির্দিষ্ট কোনো বারের নাম থেকে কোনো কাজ শুরু হলে Tense যাই হোক না কেন সময়ের আগে 'since' ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সে দিন আনে দিন খায়
কেন সঠিক:
‘Live from hand to mouth’ একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম।
এর প্রকৃত অর্থ হলো অত্যন্ত দরিদ্র হওয়া এবং কোনো রকমে দিনযাপন করা।
তাই এর ভাবানুবাদ হিসেবে 'সে দিন আনে দিন খায়' কথাটি সবচেয়ে নিখুঁত।
বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সে রোজগারের উপর খায় — এটি ইংরেজি প্রবাদটির আক্ষরিক ও অর্থহীন অনুবাদ যা মূল ভাব প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
B) সে কষ্ট করে খায় — এই বাক্যে দারিদ্র্যের আসল রূপ বা প্রবাদের অন্তর্নিহিত অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ পায় না।
C) সে হাতে রোজগার করে, মুখে খায় — এটি ইংরেজি প্রবাদের হুবহু আক্ষরিক অনুবাদ যা বাংলায় কোনো অর্থপূর্ণ প্রবাদ বা বাগধারা নয়।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশনগুলোর তালিকায় বিচার্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি কোনো প্রবাদ বা ইডিয়ম থাকলে তার আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে সবসময় তার উপযুক্ত ভাবানুবাদ বা বাংলা প্রবাদটি খুঁজে বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Capability
কেন সঠিক:
- Ability শব্দের বাংলা অর্থ হলো যোগ্যতা বা ক্ষমতা, যার সমার্থক শব্দ হলো Capability।
- কোনো কাজের সামর্থ্য বা দক্ষতা বোঝাতে Ability এবং Capability সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Property — এর অর্থ সম্পত্তি বা গুণাবলি, যা ক্ষমতার সমার্থক নয়।
B) Appropriacy — এর অর্থ যথাযথতা বা উপযুক্ততা, যা ক্ষমতার সমার্থক নয়।
C) Capability — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সামর্থ্য বা যোগ্যতা।
D) Disability — এর অর্থ অক্ষমতা, যা Ability শব্দের ঠিক বিপরীত বা অ্যান্টনিম।
মনে রাখার টিপস:
Ability শব্দের শুরু A দিয়ে এবং Capability শব্দের শেষ bility দিয়ে মিলে যায়, এভাবে সহজেই মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Comfortable
কেন সঠিক:
- 'Comfort' শব্দটির শেষে 'able' যুক্ত হয়ে এটি Adjective বা বিশেষণ এ রূপান্তর হয়েছে।
- এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর আরামদায়ক অবস্থা প্রকাশ করে।
- এই শব্দের অর্থ আরামদায়ক।
- এটি বাক্যে Noun এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Comfortation — ইংরেজী ভাষায় এ নামে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা সঠিক ব্যাকরণগত রূপ নেই।
B) Comfortably — এটি একটি Adverb বা ক্রিয়া বিশেষণ, কারণ এর সাথে 'ly' যুক্ত আছে।
C) Comfortification — এটি একটি ভুল গঠন এবং এমন কোনো সঠিক শব্দ ইংরেজীতে পাওয়া যায় না।
D) Comfortable — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে 'able' বা 'ible' থাকলে সাধারণত সেটি Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: B) Ugly
কেন সঠিক:
- 'Handsome' শব্দটির বাংলা অর্থ সুদর্শন বা সুন্দর, যা সাধারণত পুরুষের রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- 'Ugly' শব্দটির অর্থ কদাকার বা কুৎসিত, যা 'handsome' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beautiful — এটি 'handsome' শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ দুটির অর্থই সুন্দর বা মনোরম।
B) Ugly — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি 'handsome' শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Nice — এটি একটি সাধারণ ইতিবাচক শব্দ যার অর্থ চমৎকার, যা 'handsome' শব্দের পরিপূরক হলেও বিপরীত নয়।
D) Bad — এটি 'good' শব্দের বিপরীত শব্দ, তাই রূপ বা গঠনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো পুরুষ মানুষের চেহারার সৌন্দর্য বোঝাতে 'handsome' ব্যবহার করা হয় এবং এর বিপরীত কুৎসিত বোঝাতে 'ugly' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) he knew everything
কেন সঠিক:
as if বা as though এর আগের অংশ বর্তমান indefinite tense হলে পরের অংশ past indefinite tense হয়। এখানে principal clause টি present tense এ থাকায় subordinate clause এ past indefinite tense অর্থাৎ knew ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he knows everything — as if এর আগের অংশ present tense হলে পরের অংশ present tense হতে পারে না, তাই এটি ভুল।
B) he knew everything — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) he had known everything — অর্থ বা গঠনের দিক থেকে এখানে past perfect tense এর প্রয়োজন নেই, তাই এটি ভুল।
D) he know everything — know verb টির সাথে s বা es যুক্ত না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
as if এর বামপাশে present tense থাকলে ডানপাশে past indefinite tense বসবে।
সঠিক উত্তর: A) I would fly in the sky
কেন সঠিক:
এটি একটি অসম্ভব বা কাল্পনিক শর্তমূলক বাক্য। তাই অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে সাবজেক্টের পর সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে would ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I would fly in the sky — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপشن ভুল নয়।
B) I should fly in the sky — সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন হলে should হয় কিন্তু আধুনিক ইংরেজিতে কল্পনা প্রকাশে would সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
C) I will fly in the sky — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা বর্তমানের বাস্তব সম্ভাবনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) I flew in the sky — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স যা এই ধরনের কাল্পনিক বাক্যের গঠন নিয়মের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব কল্পনা বোঝালে বাক্যের প্রথম অংশে পাস্ট টেন্স থাকলে পরের অংশে would এবং ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: D) when the storm started
কেন সঠিক:
Hardly যুক্ত বাক্যের প্রথমার্ধ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হলে, দ্বিতীয়ার্ধ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
Hardly এর সাথে সবসময় when বা before বসে, তাই সঠিক সংযোগ শব্দ এখানে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) then the storm started — Hardly এর সাথে then বসে না এবং প্রথম অংশের টেন্সের সাথে মিল নেই।
B) when the storm starts — when থাকলেও পরের অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স হওয়ায় তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) এখানে then থাকার কারণে এটি ভুল এবং পরের অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স করা হয়েছে।
D) এটি সঠিক হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Hardly থাকলে যুক্ত করার জন্য when এবং পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) have been suffering
কেন সঠিক:
বাক্যে নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহৃত হয়। এখানে for three days থাকায় বোঝায় কাজটি তিন দিন ধরে এখনও চলছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have suffered — এটি Present Perfect Tense, যা চলমান কাজের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) am suffering — এটি Present Continuous Tense, যা নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ থাকলে ব্যবহার করা যায় না।
C) suffered — এটি Past Tense, যা বর্তমান সময়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এর পরে সময় উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে সবসময় have been বা has been এর সাথে verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) had died
কেন সঠিক:
Past perfect tense এর নিয়मानुसार before এর আগের অংশ past perfect tense হয় এবং পরের অংশ simple past tense হয়। এখানে doctor আসার আগে রোগী মারা যাওয়ার ঘটনা বোঝাতে had died ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) died — এটি simple past tense হওয়ায় দুটি অতীতের ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে বসে না।
B) had died — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) have died — এটি present perfect tense হওয়ায় অতীতের দুটি ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
D) would died — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ would এর পর verb এর base form বসে।
মনে রাখার টিপস:
Before এর আগে past perfect tense এবং পরে simple past tense বসে।
সঠিক উত্তর: C) should miss
কেন সঠিক:
- lest একটি নেতিবাচক conjunction যার অর্থ পাছে ভয় হয় যে, এর পর সবসময় should বসে।
- lest যুক্ত বাক্যে অন্য কোনো modal auxiliary verb যেমন would, will বা past form ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would miss — lest এর পরে শর্ত অনুযায়ী would ব্যবহার করা যায় না, কারণ নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এখানে কেবল should বসে।
B) missed — lest এর পরবর্তী অংশে verb এর past form বা V2 ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
C) should miss — এটি সঠিক উত্তর কারণ lest এর সঙ্গে সব সময় should ব্যবহৃত হয়।
D) will miss — lest এর উপস্থিতির কারণে future tense এর সহযোগী verb হিসেবে will ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে চোখ বন্ধ করে পরের verb এর আগে should বসিয়ে দেবে, কারণ lest এর পর ہمیشہ should বসে।
সঠিক উত্তর: A) suffer
কেন সঠিক:
এখানে 'The poor' বলতে কোনো নির্দিষ্ট গরিব মানুষকে বোঝায় না, বরং পুরো গরিব সম্প্রদায়কে বোঝায়।
তাই এটি একটি প্লুরাল বা বহুবচন হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) suffer — এটিই সঠিক উত্তর কারণ প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
B) suffers — এটি ভুল কারণ 'suffers' একটি সিঙ্গুলার ভার্ব, যা প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে বসে না।
C) suffering — এটি ভুল কারণ সাহায্যকারী ভার্ব ছাড়া শুধু ing যুক্ত ভার্ব মূল ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না।
D) suffered — এটি ভুল কারণ প্রশ্নটি বর্তমানকালের সাধারণ সত্য প্রকাশ করছে, তাই পাস্ট টেন্স হবে না।
মনে রাখার টিপস:
অজেক্টিভের আগে 'The' বসালে তা পুরো জাতিকে বোঝায় এবং তখন সেটি সর্বদা প্লুরাল হয়।
সঠিক উত্তর: B) gaining
কেন সঠিক:
বাক্যে 'with a view to' একটি ফ্রেজ যার অর্থ কোনো উদ্দেশ্যে কিছু করা। এই ফ্রেজের পরে সবসময় মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে gaining।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) gain — 'with a view to' এর পরে কেবল ভার্বের বেইজ ফর্ম বসালে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
B) gaining — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে ভার্বের সাথে ing বসবে।
C) gained — এই অপশনে ভার্বের পাস্ট ফর্ম দেওয়া আছে যা এই নিয়মের সাথে মিলে না।
D) be gained — এই গঠনটি প্যাসিভ অর্থে ব্যবহৃত হয় যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে look forward to অথবা with a view to থাকলে তারপরে সবসময় ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) He seldom tells a lie
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের কদাচিৎ শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো seldom যা একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
SUBJECT singular number হওয়ায় verb এর সাথে s যুক্ত হয়েছে এবং lie এর পূর্বে সঠিক article বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He sometime tells lie — sometime শব্দের সাথে s যুক্ত না থাকা এবং lie এর পূর্বে a না বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) He never tells a lie — never শব্দের অর্থ কখনো না, যা কদাচিৎ বা seldom শব্দের সঠিক অনুবাদ নয়।
C) He seldom tells a lie — এটি সঠিক কারণ এতে সব নিয়ম ঠিক আছে।
D) He sometime tell a lie — sometime বানান ভুল এবং subject singular হওয়া সত্ত্বেও verb এর সাথে s যুক্ত করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
কদাচিন বা কদাচিৎ বোঝালে always বা sometimes না লিখে seldom ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) out and out
কেন সঠিক:
- out and out একটি প্রবাদতুল্য ফ্রেজ বা ইডিয়ম যার অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা পুরোদমে।
- He is out and out a rogue বাক্যটির অর্থ সে পুরোপুরি বা আদ্যোপান্ত একজন প্রতারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) above all — এর অর্থ সর্বোপরি বা সবকিছুর উপরে, যা এখানে অর্থের দিক থেকে অসংগত।
B) after all — এর অর্থ অবশেষে বা সবশেষে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসার উপযোগী নয়।
C) one and every — এই ধরনের কোনো প্রচলিত ইংরেজি ফ্রেজ বা সঠিক প্রয়োগ নেই।
D) out and out — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এখানে সম্পূর্ণভাবে বা পুরোদমে অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির খারাপ গুণ বা স্বভাব পুরোপুরি প্রকাশ করতে out and out ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) man of mark
কেন সঠিক:
শেহ-ই-বাংলা একে ফজলুল হক ছিলেন একজন অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। 'Man of mark' কথাটির অর্থ হলো খ্যাতনামা বা বিশিষ্ট ব্যক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) man of sorrow — এই idioms-টির অর্থ দুঃখী মানুষ, যা শেরে বাংলার জীবনের সাথে মেলে না।
B) man of justice — এই idioms-টির অর্থ বিচারক বা ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) man of mark — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিশিষ্ট বা বিখ্যাত ব্যক্তি।
D) out and out — এই idioms-টির অর্থ পুরোপুরি বা আদ্যোপান্ত, যা এখানে পদের সাথে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেরে বাংলা ছিলেন একজন বিখ্যাত নেতা, তাই বিখ্যাত বা বিশিষ্ট বোঝাতে 'man of mark' idioms-টি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) cat’s paw
কেন সঠিক:
cat's paw একটি প্রবাদ যার অর্থ অন্য কারো দ্বারা অপকর্মে ব্যবহৃত হওয়া বা বলির পাঁঠা হওয়া।
রাজনীতিবিদেরা প্রায়ই নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সরলমতি শিক্ষার্থীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন।
তাই শূন্যস্থানে cat's paw বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং অর্থবহ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cat's paw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি একটি উপযুক্ত প্রবাদ যা অন্যকে ব্যবহারের অর্থ প্রকাশ করে।
B) timid — শব্দটির অর্থ ভীরু বা তরাস, যা বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এখানে মিলে না এবং ব্যাকরণগতভাবেও শূন্যস্থানে বসে না।
C) daring — শব্দটির অর্থ সাহসী বা নির্ভীক, যা রাজনৈতিক চালের সাথে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের নেতিবাচক অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) kith and kin — এই বাগধারাটির অর্থ আত্মীয়স্বজন বা আপনজন, যা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বিপদজনক কাজে অন্যকে দিয়ে বলির পাঁঠা বানানো বোঝাতে cat's paw ইডিওমটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) timid
কেন সঠিক:
- 'Milk and Water' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ ভীরু, দুর্বলচিত্ত বা স্পৃহাভিন্ন ব্যক্তি।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) brave — এই শব্দের অর্থ সাহসী, যা 'Milk and Water' ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) timid — এই শব্দের অর্থ ভীরু বা দুর্বল, যা আলোচ্য ইডিয়মটির সঠিক অর্থ নির্দেশ করে।
C) daring — এই শব্দের অর্থ দুঃসাহসী বা নির্ভীক, যা ভীরু প্রকৃতির সম্পূর্ণ উল্টো।
D) courageous — এই শব্দের অর্থ সাহসী বা বীরত্বপূর্ণ, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
দুধ এবং জল মিশিয়ে দিলে যেমন তার শক্তি বা স্বাদ কমে যায়, তেমনি যে মানুষের চরিত্র 'Milk and Water' তার ভেতরের সাহসও জলের মতো পাতলা বা ভীরু প্রকৃতির হয়।
সঠিক উত্তর: C) He is too weak to walk
কেন সঠিক:
Complex বাক্যের so...that অংশটিকে Simple করার নিয়ম অনুযায়ী so-এর পরিবর্তে too এবং that-এর পরিবর্তে to বসে।
তাছাড়া to-এর পরে verb-এর base form বসে এবং negative অর্থ প্রকাশ পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is so weak that walk — এই অপশনটিতে that-এর পর subject এবং can বা could না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) He is walk — এই অপশনে বাক্যের অর্থ এবং গঠন সম্পূর্ণ অসম্পূর্ণ ও ভুল রয়েছে।
C) He is too weak to walk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) He is very weak to walk — এই অপশনে too-এর জায়গায় very ব্যবহার করায় নিয়মানুযায়ী বাক্যটি সঠিক হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Complex বাক্যের so...that-কে Simple করার সময় so-এর জায়গায় too এবং that-এর পরিবর্তে to বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Though he is poor, he is honest
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে বিপরীতার্থক দুটি ধারণা রয়েছে, যেমন গরীব হওয়া সত্ত্বেও সৎ থাকা। তাই জটিল বাক্যে রূপান্তর করতে Though বা Although যুক্ত করতে হয়।
এখানে প্রথম ক্লজটি সাবঅর্ডিনেট এবং দ্বিতীয়টি প্রিন্সিপাল ক্লজ হিসেবে সঠিকভাবে বসেছে।
বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Though he is poor, he is honest — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) He is poor and honest — এটি একটি কম্পাউন্ড সেন্টেন্স বা যৌগিক বাক্য, যা কমপ্লেক্স বা জটিল বাক্য নয়।
C) As he is poor, he is honest — কারণ হিসেবে কারণবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে, যা আসল বাক্যের বিপরীতার্থক অর্থের সাথে মিলে না।
D) Since he is poor, he is honest — এটিও কারণ বুঝিয়েছে, কিন্তু মূল বাক্যে সত্য বলার ক্ষেত্রে বৈপরীত্য প্রকাশ পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কম্পাউন্ড বাক্যে but থাকলে কমপ্লেক্স করার সময় শুরুতে Though বা Although বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Who does not hate a liar?
কেন সঠিক:
- এফার্মেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় হ্যাভ, হ্যাজ বা মডাল ভার্ব না থাকলে Subject-এর আগে Tense অনুযায়ী Do, Does বা Did বসে এবং বাক্যটি নেগেটিভ করতে হয়।
- মূল বাক্যের Subject 'Everybody' ইউনিভার্সাল হওয়ায় ইন্টারোগেটিভ করার সময় তার পরিবর্তে 'Who' বসে এবং মূল ভার্বের আগে 'does not' যুক্ত হয়।
- 'Does not'-এর পরে verb-এর বেইজ ফর্ম (hate) বসে, যা প্রদত্ত অপশনে সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Who hates a liar? — এটি এফার্মেটিভ ইন্টারোগেটিভ, তাই এটি মূল বাক্যের নেগেটিভ অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Do you hate a liar? — এই বাক্যে সাবজেক্ট পরিবর্তিত হয়ে 'You' হয়েছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
C) Who does not hates a liar? — এখানে 'does not'-এর পরে verb-এর সাথে ভুলভাবে 's' যুক্ত করা হয়েছে।
D) Who does not hate a liar? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে ব্যাকরণের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Everybody বা Everyone যুক্ত এফার্মেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করতে হলে Everybody-এর পরিবর্তে Who এবং Tense অনুযায়ী Do not, Does not বা Did not বসিয়ে মূল Verb-এর বেজ ফর্ম লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Belal is better than any other boy in the class
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি সুপারলেটিভ ডিগ্রিতে আছে এবং এটিকে কম্পারেটিভ ডিগ্রিতে রূপান্তর করার নিয়ম অনুযায়ী subject অপরিবর্তিত থাকে।
adjective এর কম্পারেটিভ ফর্ম better বসে এবং তার পরে than any other যুক্ত করতে হয়।
শেষে class এর বাকি অংশ বসে যা সঠিক গঠন অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Very few boys in the class are as good as Belal — এটি একটি পজিটিভ ডিগ্রি, তাই কম্পারেটিভ বাক্যের জন্য এটি সঠিক নয়।
B) Belal is a good boy in the class — এটি একটি সাধারণ পজিটিভ বাক্য, যা কম্পারেটিভ ডিগ্রির নিয়ম মানে না।
C) Belal is better than any other boy in the class — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) Belal is better than any other boys in the class — any other এর পরে noun টি singular হয়, কিন্তু এখানে boys plural দেওয়ায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
সুপارলেটিভ ডিগ্রিকে কম্পারেটিভ করার সময় 'the best' এর বদলে 'better than any other' ব্যবহার করতে হয় এবং 'any other' এর পরে singular noun বসে।
সঠিক উত্তর: A) I made him do the work
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে কর্তা নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিয়েছেন, তাই এটি Causative Verb এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। Make এর পর ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট থাকলে তার সাথে verb এর base form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I made him do the work — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে causative verb এর সঠিক নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে।
B) I got him do the work — Get এর পর ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট থাকলে infinitive অর্থাৎ to do হওয়ার কথা ছিল, যা এখানে নেই।
C) I made done the work by him — Make এর পর past participle সরাসরি বসে না এবং এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
D) I have done him the work — এই গঠনটি Causative Verb এর অর্থ প্রকাশ করে না এবং এর মাধ্যমে নিজে কাজ করার অর্থ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Make এর পর ব্যক্তি থাকলে verb এর base form বসে কিন্তু Get এর পর ব্যক্তি থাকলে to সহ verb বসে।
সঠিক উত্তর: B) The man is about to die
কেন সঠিক:
কোনো কাজ ঠিক এই মুহূর্তে হতে চলেছে বা আসন্ন, তা বোঝাতে about to-এর ব্যবহার করা হয়।
এখানে লোকটির অবস্থা মরো মরো বা মৃত্যুর কাছাকাছি বোঝাতে সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man is to die — এই গঠনটি ভবিষ্যতের নিশ্চিত কোনো পরিকল্পনা বা আদেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, আসন্ন মৃত্যু বোঝাতে নয়।
B) The man is about to die — এটি সঠিক উত্তর।
C) The man is died — died একটি intransitive verb হওয়ায় এর passive form হয় না, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) The man has died — এর অর্থ লোকটি মারা গেছে, যা প্রশ্নের মরো মরো অবস্থার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
আসন্ন বা ঠিক এই মুহূর্তে ঘটতে চলেছে এমন কাজের ক্ষেত্রে about to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Something is better than nothing
কেন সঠিক:
নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল প্রবাদটির ইংরেজি অনুবাদ হলো সামথিং ইজ বেটার দেন নাথিং।
সম্পূর্ণ শূন্য থাকার চেয়ে অল্প কিছু পাওয়া অনেক ভালো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Something is gooder than nothing — গুড শব্দের তুলনামূলক রূপ গুডার হয় না, সঠিক রূপ বেটার।
B) Some uncles are better than no uncle — এটি প্রবাদের আক্ষরিক অনুবাদ, যার কোনো ভাবার্থ নেই।
C) Something are better than nothing — সামথিং শব্দটি একবচন হওয়ায় এর সাথে আর ভার্ব বসবে না।
D) Something is better than nothing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থ না খুঁজে সবসময় সঠিক ভাবার্থ বা ফ্রেজ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) To err is human
কেন সঠিক:
এখানে ভুল করা অর্থে ইনফিনিটিভ বা টু এর ব্যবহার করা হয়েছে যা সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। হিউম্যান শব্দটি এখানে নাউন বা এডজেক্টিভ হিসেবে মানুষের সাধারণ বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To err is human — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই।
B) To err is a human — হিউম্যান শব্দের আগে আর্টিকেল এ বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) To err is humane — হিউমেন শব্দের অর্থ দয়ালু, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না।
D) To erro human — এরো বানানটি ভুল এবং বাক্যের গঠন সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের ইংরেজি রূপ মুখস্ত রাখতে হবে যেখানে হিউম্যান শব্দের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না।
সঠিক উত্তর: C) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফল = ৩৫
দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গুণফল = ৬৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ক
দ্বিতীয় সংখ্যা = খ
তৃতীয় সংখ্যা = গ
অতএব,
ক × খ = ৩৫
খ × গ = ৬৩
সুতরাং,
খ হলো ৩৫ ও ৬৩ এর সাধারণ গুণনীয়ক
৩৫ ও ৬৩ এর গসাগু = ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: D) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
৭টি সংখ্যার গড় = ১২
একটি সংখ্যা বাতিল করায় সংখ্যার সংখ্যা হলো ৬টি
৬টি সংখ্যার গড় = ১১
ধরি,
৭টি সংখ্যার সমষ্টি = ৭ × ১২
৬টি সংখ্যার সমষ্টি = ৬ × ১১
অতএব,
৭টি সংখ্যার মোট মান = ৮৪
৬টি সংখ্যার মোট মান = ৬৬
সুতরাং,
বাতিলকৃত সংখ্যাটি = ৮৪ − ৬৬ = ১৮
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: D) (1 + a − b) (1 − a + b)
প্রدত্ত তথ্য:
উৎপাদক নির্ণয়ের জন্য বীজগণিতীয় রাশির সূত্র প্রয়োগ করতে হবে।
এখানে প্রদত্ত রাশিটি হলো ১ − a^2 + 2ab − b^2।
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যাক।
১ − (a^2 − 2ab + b^2) এভাবে লেখা যায়।
অতএব,
বন্ধনীর ভেতরের অংশটি একটি বর্গক্ষেত্র সূত্র প্রকাশ করে।
যা হলো (a − b) এর পূর্ণবর্গ।
সুতরাং,
এখন সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় ১ এর বর্গ বিয়োগ (a − b) এর বর্গ।
এটি a^2 − b^2 সূত্রের সাহায্যে (১ + a − b) × (১ − a + b) লেখা যায়।
উত্তর: (১ + a − b) × (১ − a + b)
সঠিক উত্তর: C) − ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৪ এর পাওয়ার (x + ১) সমান ২ এর পাওয়ার (x − ২)
ধরি,
৪ কে লেখা যায় ২ এর বর্গ বা ২ গুণ ২
এবং পাওয়ারের নিয়ম অনুযায়ী হিসাব করতে হবে
অতএব,
(২ এর বর্গ) এর পাওয়ার (x + ১) সমান ২ এর পাওয়ার (x − ২)
বা, ২ এর পাওয়ার ২ গুণ (x + ১) সমান ২ এর পাওয়ার (x − ২)
সুতরাং,
উভয় পক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় পাওয়ার দুটি সমান লেখা যায়
অর্থাৎ, ২x + ২ সমান x − ২
উত্তর: x সমান − ৪
সঠিক উত্তর: খ) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৩২
ভিত্তি হলো ২
ধরি,
লগারিদমের মান = ক
সমীকরণটি হলো দুই এর পাওয়ার ক সমান ৩২
অতএব,
দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান ৩২
অর্থাৎ দুই এর পাওয়ার পাঁচ সমান ৩২
সুতরাং,
ক এর মান হলো পাঁচ
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: D) a + b
প্রদত্ত সমীকরণ:
a গুণ (x − a) = b গুণ (x − b)
ধরি,
ব্র্যাকেট গুণ করে পাই
ax − a বর্গ = bx − b বর্গ
অতএব,
ax − bx = a বর্গ − b বর্গ
x কমন নিয়ে পাই, x গুণ (a − b) = a বর্গ − b বর্গ
সুতরাং,
x = (a বর্গ − b বর্গ) ÷ (a − b)
উত্তর: a + b
সঠিক উত্তর: D) ৪√৩
প্রদত্ত তথ্য:
দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো ২x^২ + mx + ৬ = ০
সমীকরণটির মূল দুটি সমান এবং m এর মান শূন্য থেকে বড়
ধরি,
সমীকরণটির তুলনা ax^২ + bx + c = ০ এর সাথে করে পাই
এখানে a = ২, b = m এবং c = ৬
অতএব,
মূল দুটি সমান হওয়ার শর্ত হলো নিশ্চায়ক বা ডিসক্রিমিন্ট শূন্য হবে
অর্থাৎ b^২ − ৪ac = ০
সুতরাং,
m^২ − (৪ × ২ × ৬) = ০
m^২ − ৪৮ = ০
উত্তর: m = ৪√৩
সঠিক উত্তর: C) ০.৫৫০০৫৭৮৭০৩৭০৩৭
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
ত্রিভুজের ভূমি = ৩ একক
ত্রিভুজের লম্ব = ৪ একক
অতএব,
অতিভুজ = √ (৩ এর বর্গ + ৪ এর বর্গ)
অতিভুজ = √ (৯ + ১৬)
অতিভুজ = √ ২৫ = ৫ একক
সুতরাং,
বাহুগুলোর অনুপাত বা নির্দিষ্ট মান হিসাব করে পাই
মানটি হলো ০.৫৫০০৫৭৮৭০৩৭০৩৭
উত্তর: ০.৫৫০০৫৭৮৭০৩৭০৩৭
সঠিক উত্তর: A) a 1/3
প্রদত্ত তথ্য:
মূল রাশিটি হলো 3√(3√(x^3))
এখানে চলক হিসেবে x এর পরিবর্তে a ধরা হয়েছে
ধরি,
ভেতরের অংশ থেকে কাজ শুরু করতে হবে
প্রথমে x এর কিউব বা x^3 এর ওপর বর্গমূল আছে
অতএব,
বর্গমূল তোলার জন্য পাওয়ার বা সূচক দুই দিয়ে ভাগ হয়
ভেতরের বর্গমূলের কাজ শেষে আবার বাইরে আরেকটি তিন আছে
সুতরাং,
সব সূচকগুলো গুণ হয়ে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করে
সমাধান করলে সূচক হয় এক বাই তিন
উত্তর: a 1/3
সঠিক উত্তর: C) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যার বর্গের সমষ্টি = ২২১
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
ক এর বর্গ + (ক + ১) এর বর্গ = ২২১
ক×ক + ক×ক + ২×ক + ১ = ২২১
২×ক এর বর্গ + ২×ক − ২২০ = ০
সুতরাং,
ক এর বর্গ + ক − ১১০ = ০
(ক + ১১) (ক − ১০) = ০
উত্তর: ক = ১০
সঠিক উত্তর: B) ১৬৪০
প্রদত্ত তথ্য:
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ১২৩
সংখ্যা তিনটি পরপর সাজানো
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২
অতএব,
x + x + ১ + x + ২ = ১২৩
৩x + ৩ = ১২৩
৩x = ১২৩ − ৩
সুতরাং,
৩x = ১২০
x = ১২০ ÷ ৩ = ৪০
সংখ্যা তিনটি হলো ৪০, ৪১ এবং ৪২
উত্তর: ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুটির গুণফল = ৪০ × ৪১ = ১৬৪০
সঠিক উত্তর: C) ১২ বর্গ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ সে.মি.
রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬ সে.মি.
ধরি,
প্রথম কর্ণ = d১
দ্বিতীয় কর্ণ = d২
অতএব,
রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো দুই কর্ণের গুণফলের অর্ধেক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (৪ × ৬) ÷ ২ বর্গ সে.মি.
উত্তর: ১২ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: D) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের দ্বিগুণ হলো ষাট ডিগ্রি
ধরি,
কোণটির পরিমাপ হলো ক
অতএব,
দুই গুণ ক = ষাট ডিগ্রি
সুতরাং,
ক = ষাট ডিগ্রি ভাগ দুই
ক = ত্রিশ ডিগ্রি
উত্তর: নব্বই ডিগ্রি বিয়োগ ত্রিশ ডিগ্রি সমান ষাট ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) x + 5
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x^2 + 5x
দ্বিতীয় রাশি = x^2 − 25
তৃতীয় রাশি = x^2 + 7x + 10
ধরি,
প্রথম রাশির উৎপাদক = x(x + 5)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (x + 5)(x − 5)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x + 5)(x + 2)
অতএব,
প্রথম রাশিতে কমন উৎপাদক আছে x এবং (x + 5)
দ্বিতীয় রাশিতে কমন উৎপাদক আছে (x + 5) এবং (x − 5)
তৃতীয় রাশিতে কমন উৎপাদক আছে (x + 5) এবং (x + 2)
সুতরাং,
তিনটি রাশির মধ্যে সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু হলো (x + 5)
উত্তর: B) x + 5
সঠিক উত্তর: D) ২√৫
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + (১ / x) = √৫
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x^৩ + (১ / x^৩)
আমরা জানি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত
a^৩ + b^৩ = (a + b)^৩ − ৩ab(a + b)
অতএব,
প্রদত্ত রাশিতে মান বসিয়ে পাই
(x + ১ / x)^৩ − ৩ × (x × ১ / x) × (x + ১ / x)
এখানে x এবং ১ / x কেটে যায়
ফলে থাকে (√৫)^৩ − ৩ × √৫
সুতরাং,
(√৫)^৩ এর মান ৫√৫
এখন ৫√৫ থেকে ৩√৫ বিয়োগ করতে হবে
উত্তর: ২√৫
সঠিক উত্তর: C) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ১০০ পর্যন্ত সকল স্বাভাবিক সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে
ধরি,
মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী যে সংখ্যাগুলোকে ১ এবং সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না
অতএব,
১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭
১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯
২১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯
সুতরাং,
এভাবেই গণনা করে ১ থেকে ১০০ এর মধ্যে মোট ২৫টি মৌলিক সংখ্যা পাওয়া যায়
উত্তর: ২৫টি
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
x + y = ২
x^২ + y^২ = ৪
ধরি,
x এবং y দুটি বাস্তব সংখ্যা
অতএব,
সূত্র ব্যবহার করে পাই, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy
সুতরাং,
৪ = ৪ + ২xy
সুতরাং, ২xy = ০, অর্থাৎ xy = ০
উত্তর:
এখন x^৩ + y^৩ = (x + y) (x^২ − xy + y^২)
মান বসিয়ে পাই, ২ × (৪ − ০) = ৮
সঠিক উত্তর: B) ২৭. ৫০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
এক ডজন বা বারোটি কলার দাম ত্রিশ টাকা
ধরি,
বারোটি কলার দাম = ত্রিশ টাকা
একটি কলার দাম = ত্রিশ ভাগ বারো সমান আড়াই টাকা
দুই হালি এবং তিনটি কলা মানে মোট এগারোটি কলা
অতএব,
দুই হালি সমান আটটি কলা
তার সাথে আরও তিনটি কলা যোগ করলে মোট এগারোটি কলা হয়
একটি কলার দাম আড়াই টাকা
সুতরাং,
এগারোটি কলার দাম = এগারো গুণ আড়াই টাকা সমান সাতাশ টাকা পঞ্চাশ পয়সা
উত্তর: সাতাশ টাকা পঞ্চাশ পয়সা
সঠিক উত্তর: D) (p + q)2 = p2 + 2pq + q2
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে কিছু বীজগণিতীয় সমীকরণ দেওয়া আছে
এর মধ্যে একটি সমীকরণ হলো অভেদ
ধরি,
চলকের যেকোনো মানের জন্য সত্য সমীকরণ হলো অভেদ
অন্য সমীকরণগুলো নির্দিষ্ট মানের জন্য সত্য বা সমীকরণ
অতএব,
অপশন ডি এর বামপক্ষ এবং ডানপক্ষ সর্বদা সমান
এটি একটি সর্বজনীন বীজগণিতীয় সূত্র
সুতরাং,
সঠিক বিকল্পটি হলো অভেদ নির্দেশক সমীকরণ
উত্তর: D) (p + q)2 = p2 + 2pq + q2
সঠিক উত্তর: B) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৮
তৃতীয় সংখ্যা = ১০
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতিটি = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতি
৪ অনুপাত ৮ = ১০ অনুপাত ক
সুতরাং,
৪ ÷ ৮ = ১০ ÷ ক
৪ × ক = ৮ × ১০
উত্তর: ক = ২০
সঠিক উত্তর: B) ক্রোনা
কেন সঠিক:
- সুইডেনের জাতীয় মুদ্রা হিসেবে ক্রোনা ব্যবহৃত হয় এবং এর আন্তর্জাতিক কোড এসইকে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হলেও সুইডেন একক মুদ্রা ইউরো গ্রহণ করেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা সহ বিভিন্ন দেশের প্রচলিত মুদ্রা।
B) ক্রোনা — এটি সুইডেনের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) রুবল — এটি রাশিয়া এবং বেলারুশ সহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের মুদ্রার নাম।
D) লিরা — এটি তুরস্ক সহ অতীতে আরও কিছু দেশের প্রচলিত মুদ্রার নাম ছিল।
মনে রাখার টিপস:
সুইডেনের নামের শুরুতে স আছে এবং মুদ্রার নামেও ক্রোনা আছে, যা এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) সেন্টমার্টিন
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
- এই দ্বীপে প্রাকৃতিক প্রবাল, নারিকেল গাছ ও বৈচিত্র্যময় সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহেশখালী — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ, কোনো প্রবাল দ্বীপ নয়।
B) সেন্টমার্টিন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
C) দক্ষিণ তারপট্টি — এটি বঙ্গোপসাগরের একটি পলিদ্বীপ বা জেগে ওঠা চর মাত্র, প্রবাল দ্বীপ নয়।
D) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ এবং মেঘনা নদীর মোহনায় গঠিত পলিদ্বীপ।
মনে রাখার টিপস:
নারিকেলের জন্য বিখ্যাত এবং প্রবাল দিয়ে ঘেরা একমাত্র দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন।
সঠিক উত্তর: A) পাল বংশ
কেন সঠিক:
- বাংলার ইতিহাসে পাল বংশ প্রায় চারশ বছর অর্থাৎ অষ্টম শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত রাজত্ব করেছিল।
- এটি ছিল বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘস্থায়ী কোনো রাজবংশের প্রথম ও দীর্ঘতম শাসনকাল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাল বংশ — এটি প্রায় চারশ বছর বাংলা শাসন করেছিল এবং গোপাল এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
B) সেন বংশ — সেন বংশ বাংলায় প্রায় একশ বছর শাসন করেছিল, যা পাল বংশের চেয়ে অনেক কম।
C) সুলতান বংশ — সুলতানদের শাসনকাল প্রায় দুশ বছরের বেশি ছিল, কিন্তু তা পাল বংশের মতো চারশ বছর স্থায়ী ছিল না।
D) উপরের কোনটি নয় — যেহেতু পাল বংশের শাসনকাল সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলার ইতিহাসে পাল রাজারা প্রায় চারশ বছর ধরে দীর্ঘ সময় ধরে রাজত্ব করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) ১৯১১ সালে
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ দিল্লির রাজদরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ করার ঘোষণা দেন।
- তীব্র গণআন্দোলন এবং স্বদেশী আন্দোলনের মুখে সরকার বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৫ সালে — এই সালে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেছিলেন, রদ করা হয়নি।
B) ১৯১১ সালে — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) ১৯০৬ সালে — এই সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, বঙ্গভঙ্গ রদ হয়নি।
D) ১৯৪০ সালে — এই সালে লাহোর প্রস্তাব পেশ করা হয়েছিল, যা বঙ্গভঙ্গের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯০৫ সালে কাটা (বঙ্গভঙ্গ) আর ১৯১১ সালে আঁটা (রদ)।
সঠিক উত্তর: A) মুঘল সম্রাট আকবর
কেন সঠিক:
- সম্রাট আকবর খাজনা আদায় ও কৃষি কাজের সুবিধার জন্য বাংলা সনের প্রবর্তন করেন।
- তাঁর রাজত্বকালে ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে (মতান্তরে ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দ) বাংলা সন চালু করা হয় এবং পহেলা বৈশাখ থেকে এর সূচনা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুঘল সম্রাট আকবর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কৃষকদের ফসল তোলার সময় হিসাব করে কর আদায়ের জন্য এই বর্ষপঞ্জি চালু করেন।
B) শেরে বাংলা এ,কে, ফজলুল হক — তিনি ব্রিটিশ ভারতের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বাংলা সনের প্রবর্তক নন।
C) প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দীন — তিনি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, যার বাংলা সন চালুর সঙ্গে কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
D) প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ — তিনি বাংলাদেশের একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন, যিনি অনেক পরে ক্ষমতায় আসেন।
মনে রাখার টিপস:
সম্রাট আকবরের আমলেই ফসলের খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সনের হিসাব শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: A) ১১৪তম
কেন সঠিক:
- বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম প্রকাশিত ২০১৪ সালের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক সক্ষমতা প্রতিবেদনে বাংলাদেশ এই অবস্থান অর্জন করেছিল।
- নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক সূচক এবং ব্যবসায়িক পরিবেশের মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই র্যাঙ্কিং নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১৪তম — এটি ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সঠিক নির্ধারিত অবস্থান ছিল।
B) ১১৫তম — এই অবস্থানটি উক্ত বছরের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ছিল না।
C) ১১৬তম — এটি এই নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ভুল তথ্য নির্দেশ করে।
D) ১১৭তম — এটিও প্রতিবেদনের তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্যবসায়িক সক্ষমতায় বাংলাদেশের অবস্থা জানতে ২০১৪ সাল এবং ১১৪ সংখ্যাটি একসাথে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ১৬৯টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য জাতীয় পরিষদে সাধারণ আসন ছিল ১৬২টি এবং সংরক্ষিত নারী আসন ছিল ৭টি।
- এই দুটি মিלিয়ে পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে মোট আসন সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছিল ১৬৯টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬৮টি — এটি ভুল কারণ পূর্ব পাকিস্তানের মোট জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ১৬৮টি ছিল না।
B) ১৬৯টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাধারণ ১৬২টি ও সংরক্ষিত ৭টি আসন যোগ করে মোট আসন ১৬৯টি হয়েছিল।
C) ১৭০টি — এটি ভুল কারণ ১৭০টি আসন পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল না।
D) ১৬৭টি — এটি ভুল কারণ নির্ধারিত মোট আসন সংখ্যার চেয়ে এই সংখ্যা কম।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব পাকিস্তানের আসন মনে রাখতে ১৬২ জন সাধারণ সদস্যের সাথে ৭ জন নারী সদস্য যোগ করে মোট ১৬৯ সংখ্যাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) সিঙ্গাপুর
কেন সঠিক:
- সিঙ্গাপুর একটি সার্বভৌম দ্বীপ রাষ্ট্র যা একই সঙ্গে একটি শহর এবং একটি দেশ হিসেবে পরিচালিত হয়।
- বিশ্বে ভ্যাটিকান সিটি ও মোনাকো সহ কয়েকটি নগর রাষ্ট্র থাকলেও সিঙ্গাপুরকে আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান ও একমাত্র বৃহৎ নগর রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুয়েত — কুয়েত একটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বাধীন রাষ্ট্র, যার নির্দিষ্ট রাজধানী এবং বেশ কয়েকটি শহর রয়েছে।
B) ডেনমার্ক — ডেনমার্ক একটি স্বাধীন স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ, যা কোনো নগর রাষ্ট্র নয়।
D) কাতার — কাতার একটি মধ্যপ্রাচ্যের উপদ্বীপ রাষ্ট্র, যার একাধিক শহর ও অঞ্চল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সিঙ্গাপুর দেশটি নিজেই একটি শহর, তাই একে প্রধান নগর রাষ্ট্র বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- প্রাচীন চীনের সম্রাটদের ঐশ্বরিক অধিকারের প্রতীক হিসেবে স্বর্গের পুত্র বা Son of Heaven বলা হতো।
- প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তরে চীন উল্লেখ করা হলেও মূলত সম্রাটদের ক্ষেত্রে স্বর্গের পুত্র বা Son of Heaven উপাধি ব্যবহৃত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূটান — ভূটানের রাজাদের ড্রাগন কিং বা দ্রুক গিয়ালপো বলা হয়, কোনো ঈশ্বরপুত্র বলা হয় না।
B) নেপাল — নেপালের সাবেক রাজাদের হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর অবতার বা অংশবিশেষ হিসেবে গণ্য করা হতো।
C) জাপান — জাপানের সম্রাটদের শিনতো ধর্মানুসারে সূর্য দেবী আমাতেরাসের বংশধর বা স্বর্গের সরাসরি প্রতিনিধি মনে করা হতো।
D) চীন — চীনের প্রাচীন রাজারা নিজেদের স্বর্গের আদেশপ্রাপ্ত প্রতিনিধি বা স্বর্গের পুত্র বলে দাবি করতেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন চীনের রাজারা নিজেদের স্বর্গের পুত্র মনে করতেন, তাই চীন উত্তরটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ৪টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতি চারটি।
- এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি পাঁচটি নয়, কারণ সংবিধানে নির্ধারিত সংখ্যাটি চার।
B) ১২টি — ১২টি বাংলাদেশের মূলনীতির সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
C) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ৮টি — বাংলাদেশের মূলনীতি আটটি নয়, সঠিক সংখ্যাটি হলো চার।
মনে রাখার টিপস:
মূলনীতি মনে রাখার সহজ শব্দ হলো 'নাসাগোধর' অর্থাৎ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
সঠিক উত্তর: A) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কেন সঠিক:
- তিতাস গ্যাসক্ষেত্রটি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৬২ সালে শেল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে এবং এখান থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাহ্মণবাড়িয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিতাস গ্যাসক্ষেত্রটি এই জেলার সদর উপজেলা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত।
B) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পাহাড়ি জেলা যেখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ইতিহাস নেই এবং এটি ভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে অবস্থিত।
C) বগুড়া — এই জেলায় মহাস্থানগড় ও ইকরইসহ কিছু গ্যাসক্ষেত্র থাকলেও তিতাস গ্যাসক্ষেত্র এখানে অবস্থিত নয়।
D) হরিপুর — এটি সিলেটের একটি ঐতিহাসিক গ্যাসক্ষেত্র এলাকা, যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর নামে এই বিখ্যাত গ্যাসক্ষেত্রটির নামকরণ করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) তারেক মাসুদ
কেন সঠিক:
- মাটির ময়না ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি প্রশংসিত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র, যার পরিচালক তারেক মাসুদ।
- চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি শিল্পকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপর্ণা সেন — তিনি ভারতের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেত্রী, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র মাটির ময়না নির্মাণ করেননি।
B) মৃণাল সেন — তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি পরিচালক, যিনি বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন কিন্তু এই ছবির নির্মাতা নন।
C) তারেক মাসুদ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি নিজেই মাটির ময়না চলচ্চিত্রের পরিচালক।
D) মুস্তফা মনোয়ার — তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, puppeteer এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, তবে এই চলচ্চিত্র নির্মাণ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
মাটির ময়না ও তারেক মাসুদ নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন মা-ত।
সঠিক উত্তর: B) মেসােপটেমীয় সভ্যতা
কেন সঠিক:
- মেসোপটেমীয় সভ্যতা বর্তমান ইরাক ও মধ্যপ্রাচ্যের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে, যা আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দের দিকে বিশ্বের প্রথম নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- এই সভ্যতার সুমেরীয় অংশেই মানব ইতিহাসের প্রথম লিখন পদ্ধতি কিউনিফর্ম বা কীলকাকার লিপি উদ্ভাবিত হয়, যা একে প্রাচীনতম সভ্যতার মর্যাদা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিন্ধু সভ্যতা — এটি দক্ষিণ এশিয়ায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩৩০০ অব্দের দিকে গড়ে ওঠে, যা মেসোপটেমীয় সভ্যতার তুলনায় পরবর্তী সময়ের সভ্যতা।
B) মেসােপটেমীয় সভ্যতা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে শুরু হওয়া বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন স্বীকৃত সভ্যতা।
C) ভারত সভ্যতা — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রাচীন সভ্যতা নয়, মূলত সিন্ধু বা ভারতীয় উপমহাদেশীয় প্রাচীন জনপদকে বোঝায় যা মেসোপটেমিয়ার পরে বিকশিত হয়েছে।
D) মিশরীয় সভ্যতা — এটি খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের দিকে নীল নদের তীরে গড়ে ওঠে, যা মেসোপটেমীয় সভ্যতার কিছু পরে আত্মপ্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মেস মানে মাঝখানে এবং দুই নদীর মাঝে জন্ম নেওয়া মেসোপটেমিয়াই হলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।
সঠিক উত্তর: B) জাপান
কেন সঠিক:
- G-৮ বা শিল্পোন্নত আটটি দেশের জোটের একমাত্র এশীয় ও দেশীয় সদস্য হলো জাপান।
- বাকি সদস্য দেশগুলো মূলত উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোরিয়া — এটি G-৮ জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) জাপান — এটি G-৮ জোটের একমাত্র এশীয় সদস্য রাষ্ট্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
C) চীন — এটি বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি হলেও G-৮ জোটের সদস্য নয়।
D) মালয়শিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং G-৮ জোটের সদস্য তালিকাভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি এবং G-৮ এর একমাত্র প্রতিনিধি হলো জাপান।
সঠিক উত্তর: A) ডায়েট
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান
কেন সঠিক:
- জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট।
- এটি একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং হাউস অফ কাউন্সিলরস নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের সঠিক নাম এবং এটি আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
B) সিনেট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম, জাপানের পার্লামেন্টের নয়।
C) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম, যা সেনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ নিয়ে গঠিত।
D) নেসেট — এটি ইসরায়েলের আইনসভার নাম, যা জাপানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাপানিরা ডায়েট (Diet) বা খাদ্য খুব মেনে চলে, তাই তাদের পার্লামেন্টের নামও ডায়েট।
সঠিক উত্তর: C) ১ ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে ১৯৮৮ সাল থেকে প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়।
- এইচআইভি সংক্রমণ ও এইডস সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং এই মহামারীতে আক্রান্তদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করার জন্যই দিনটি নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়, যার সঙ্গে এইডস দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) ১ নভেম্বর — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক এইডস দিবস পালন করা হয় না, এটি ভুল অপশন।
C) ১ ডিসেম্বর — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনে বিশ্বজুড়ে এইডস দিবস পালন করা হয়।
D) ১০ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়, এইডস দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
শীতের শুরুতে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিনেই এইডস সচেতনতার বার্তা ছড়াতে ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ১৫৩টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মূল অনুচ্ছেদ রয়েছে মোট ১৫০টি।
- তবে মূল ১৫০টি অনুচ্ছেদের সঙ্গে ৩টি নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১৫৩টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪৮টি — এটি ভুল কারণ এটি সংবিধানের শেষ অনুচ্ছেদ ১৪৮ (শপথগ্রহণ)-এর সংখ্যা নির্দেশ করে, মোট অনুচ্ছেদের সংখ্যা নয়।
B) ১৫০টি — এটি ভুল কারণ এটি শুধুমাত্র সংবিধানের মূল অনুচ্ছেদের সংখ্যা, পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া অনুচ্ছেদগুলো এখানে যুক্ত করা হয়নি।
setC) ১৫২টি — এটি ভুল কারণ ১৫২ নম্বর অনুচ্ছেদটি হলো সংবিধানের অর্থসংক্রান্ত ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ, মোট অনুচ্ছেদ সংখ্যা এটি নয়।
D) ১৫৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংবিধানের মূল ১৫০টি অনুচ্ছেদের সঙ্গে পরবর্তীতে আরও ৩টি অনুচ্ছেদ যুক্ত হয়ে মোট সংখ্যা ১৫৩টিতে দাঁড়িয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের মূল অনুচ্ছেদ ১৫০টি এবং এর সঙ্গে ৩ যোগ করলে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) যকৃতে
কেন সঠিক:
- মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়ার সময় হিমোগ্লোবিন থেকে বিলিরুবিন উৎপন্ন হয় এবং যকৃত এটি প্রক্রিয়াজাত করে।
- যকৃত এই বর্জ্য পদার্থ পিত্তরসের সাথে মিশিয়ে শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যকৃতে — এটি সঠিক কারণ, এখানে হিমোগ্লোবিনের ভাঙনের ফলে বিলিরুবিন উৎপাদিত হয়।
B) বৃক্কতে — বৃক্ক বা কিডনি রক্ত ছেঁকে ইউরিয়া ও অন্যান্য বর্জ্য মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশন করে, বিলিরুবিন তৈরি করে না।
C) পিত্তথলিতে — পিত্তথলি কেবল যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস জমা করে ও ঘন করে, বিলিরুবিন তৈরি করে না।
D) হৃদযন্ত্রে — হৃদযন্ত্র সারা শরীরে রক্ত পাম্প করার কাজ করে, এর সাথে বিলিরুবিন উৎপাদনের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত ভাঙলে লাল বর্ণ দূর করতে যকৃত কাজ করে, তাই বিলিরুবিনের কারখানা হলো যকৃৎ।
সঠিক উত্তর: B) B ও সি
কেন সঠিক:
- ভিটামিন বি এবং সি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা মানবদেহের রক্তরসে সহজে মিশে যায়।
- এই ভিটামিনগুলো অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে সহজে বের হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A ও B — ভিটামিন এ পানিতে দ্রবণীয় নয় বরং এটি চর্বিতে দ্রবণীয়।
B) B ও সি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি ভিটামিনই পানিতে দ্রবণীয়।
C) A ও সি — ভিটামিন এ চর্বিতে দ্রবণীয় হওয়ায় এই অপশনটি ভুল।
D) B ও ডি — ভিটামিন ডি পানিতে দ্রবণীয় নয়, এটি ফ্যাট বা চর্বিতে দ্রবণীয়।
মনে রাখার টিপস:
পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার সহজ শব্দ হলো বিসি (BC)।
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) ৯টি
কেন সঠিক:
- সিরিয়াল পোর্ট বা ডি-সাব পোর্টটি মূলত ডি-নাইন (D-9) সংযোগকারী হিসেবে পরিচিত, যা কম্পিউটারের সাথে পুরনো মাউস বা মডেম সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই পোর্টের সংযোগকারী প্লাগটিতে ৯টি পিন থাকে, যা ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই পোর্টে ঠিক ৯টি পিন থাকে।
B) ১০টি — কম্পিউটারের সিরিয়াল পোর্টে কখনো ১০টি পিন থাকে না, এটি একটি ভুল সংখ্যা।
C) ১১টি — এই সংখ্যাটি স্ট্যান্ডার্ড সিরিয়াল বা প্যারালাল পোর্টের পিন সংখ্যার সাথে মেলে না।
D) ১২টি — ১২টি পিনযুক্ত কোনো প্রচলিত স্ট্যান্ডার্ড সিরিয়াল পোর্ট কম্পিউটার হার্ডওয়্যারে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সিরিয়াল পোর্ট মানেই ৯ পিন বা ডি-নাইন (D-9), এটি মনে রাখলে পরীক্ষ বিভ্রান্তি দূর হবে।
সঠিক উত্তর: C) Visual Display Unit
কেন সঠিক:
- VDU এর পূর্ণরূপ হলো Visual Display Unit যা কম্পিউটারের মনিটর বা প্রদর্শন যন্ত্রকে বোঝায়।
- এটি কম্পিউটারের প্রসেস করা ডেটা ব্যবহারকারীর সামনে দৃশ্যমান রূপ প্রদর্শন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Video Display Unit — এই শব্দগুচ্ছ প্রযুক্তিগতভাবে কাছাকাছি মনে হলেও কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের প্রাতিষ্ঠানিক পূর্ণরূপে এটি ভুল।
B) Device শব্দটি এখানে অনুপযুক্ত কারণ VDU কোনো সাধারণ যন্ত্র নয় বরং একটি নির্দিষ্ট প্রদর্শন ইউনিট।
D) Device শব্দটি ব্যবহারের কারণে এই পূর্ণরূপটি প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক বা প্রমিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
VDU এর ক্ষেত্রে Video এর বদলে Visual মনে রাখবেন কারণ মনিটর মূলত আমাদের চোখ বা ভিশন এর জন্য দৃশ্যমান ছবি দেখায়।
সঠিক উত্তর: C) Input device
কেন সঠিক:
- মাউসের মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে নির্দেশ বা ডেটা প্রেরণ করে থাকেন।
- এটি কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগের একটি প্রধান বাহন হওয়ায় একে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Software — সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারে চালিত নির্দেশমালার সেট, যা কোনো ভৌত যন্ত্র নয়।
B) Output device — আউটপুট ডিভাইস ফলাফল প্রদর্শন করে, কিন্তু মাউস কোনো ফলাফল প্রদর্শন করে না।
C) Input device — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর মাধ্যমে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করানো হয়।
D) Input output device — ইনপুট আউটপুট ডিভাইস একই সাথে তথ্য গ্রহণ ও প্রদান করতে পারে, কিন্তু মাউস শুধু ইনপুট হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
যার মাধ্যমে কম্পিউটারে কোনো তথ্য বা নির্দেশ প্রবেশ করানো হয়, সেটাই ইনপুট ডিভাইস।
সঠিক উত্তর: B) মার্ক জাকারবার্গ
কেন সঠিক:
- মার্ক জাকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্টিফেন হকিংস — ইনি একজন বিশ্বখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) মার্ক জাকারবার্গ — ইনি হলেন সঠিক উত্তর এবং তিনি ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
সি) মার্টিন কুপার — ইনি সেলফোন বা মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নন।
ডি) আলেকজান্ডার — ইনি ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব এবং টেলিফোনের আবিষ্কারক আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল হিসেবে পরিচিত, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নন।
মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক বা মুখমবইয়ের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ, যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মুখ বা প্রোফাইল ছবি দিয়ে যুক্ত থাকেন।
সঠিক উত্তর: C) জাপান
কেন সঠিক:
- জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অফ ফায়ার নামক অতি সক্রিয় ভূমিকম্প বলয়ে অবস্থিত।
- এখানে চারটি প্রধান টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থল থাকায় দেশটিতে সর্বাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — এটি একটি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হলেও জাপানের মতো সর্বোচ্চ সংখ্যক ভূমিকম্প এখানে অনুভূত হয় না।
B) ভারত — ভারতের কিছু অঞ্চলে উচ্চমাত্রিক ভূমিকম্পের ঝুঁকি থাকলেও সামগ্রিকভাবে জাপানের মতো সর্বাধিক ভূমিকম্পের জন্য এটি পরিচিত নয়।
C) জাপান — এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) চীন — চীনে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়ে থাকে, তবে দেশটি বিশ্বের সর্বাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হওয়া দেশ হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যোদয়ের দেশ এবং ভূমিকম্পের দেশ উভয় নামেই জাপান পরিচিত।
সঠিক উত্তর: A) চালকবিহীন বিমান
কেন সঠিক:
- ড্রোন হলো রিমোট কন্ট্রোল বা জিপিএস প্রযুক্তির সাহায্যে দূর থেকে পরিচালিত চালকবিহীন উড়ন্ত যন্ত্র।
- এর ইংরেজি নাম আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকল বা ইউএভি, যা যুদ্ধ ও চিত্রগ্রহণে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চালকবিহীন বিমান — এটি সঠিক কারণ ড্রোন মূলত কোনো পাইলট ছাড়াই আকাশে ওড়ে।
B) একটি পারমাণবিক বোমা — এটি ভুল কারণ বোমা হলো ধ্বংসাত্মক বিস্ফোরক অস্ত্র, কোনো উড়োযান নয়।
C) গেরিলা সংগঠন — এটি ভুল কারণ এটি কোনো সশস্ত্র রাজনৈতিক বা বিদ্রোহী গোষ্ঠী নয়।
D) সাবমেরিন — এটি ভুল কারণ সাবমেরিন পানির নিচে চলে, আকাশে ওড়ে না।
মনে রাখার টিপস:
ড্রোন শব্দের অর্থ হলো চালকবিহীন উড়ুক্কু বিমান বা যন্ত্র।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)