a বাংলা
b বিদেশি
c সংস্কৃত
d অর্ধ-তৎসম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদেশি ১. কেন সঠিক: - 'লা' একটি বিদেশি উপসর্গ যা প্রধানত আরবি বা ফার্সি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে শব্দাংশ মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে এবং উৎসের ভিত্তিতে এটি বিদেশি উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - বিদেশি উপসর্গগুলো সাধারণত আরবি, ফার্সি, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করে শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাপাত্তা ব্যাখ্যা: এখানে 'পাত্তা' শব্দের পূর্বে 'লা' উপসর্গ যুক্ত হয়ে নিখোঁজ বা উধাও অর্থে নতুন শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: লাওয়ারিশ ব্যাখ্যা: এখানে 'ওয়ারিশ' বা উত্তরাধিকারী শব্দের পূর্বে 'লা' উপসর্গ যুক্ত হয়ে উত্তরাধিকারহীন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা — খাঁটি বাংলা উপসর্গ নির্দিষ্ট কয়েকটি যেমন অ, অঘা, অজ, অনা এবং এখানে 'লা' সেই তালিকায় পড়ে না। B) বিদেশি — এটি সঠিক কারণ 'লা' একটি বিদেশি ভাষার উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় ভিন্ন অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। C) সংস্কৃত — বাংলা ব্যাকরণে সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি নির্দিষ্ট করা আছে যার মধ্যে 'লা' উপসর্গটির কোনো অস্তিত্ব নেই। D) অর্ধ-তৎসম — অর্ধ-তৎসম শব্দ বা উপসর্গ বলতে যা বোঝায় 'লা' সেই উৎস থেকে আগত কোনো ব্যাকরণিক উপাদান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গগুলো মনে রাখার জন্য আরবি ও ফার্সি শব্দের তালিকা চর্চা করতে হবে। - 'লা' উপসর্গযুক্ত শব্দগুলো সাধারণত না বোধক বা অভাব অর্থ প্রকাশ করে যেমন লাজবাব বা লাখো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে তাই আরবি ও ফার্সি উপসর্গের তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি। - এই একই নিয়মে 'কম', 'দর', 'খাস' ইত্যাদি বিদেশি উপসর্গগুলোর উৎস ও ব্যবহার মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 179 0 0