a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং গদ্যের বাক্য বিন্যাসকে সুশৃঙ্খল ও প্রাঞ্জল করার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য শৈল্পিক রূপ লাভ করে এবং সাধারণ মানুষের বোধগম্য ও প্রাঞ্জল হয়ে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৯ শতকের বাংলা প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও সমাজসংস্কারক হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত। তাঁর প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি প্রকাশিত হয় ১৮৪৭ সালে, যা বাংলা গদ্যের বিকাশে একটি মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত গদ্য রচনা যা বাংলা গদ্যের প্রাথমিক বিকাশকে শক্তিশালী করেছে। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি প্রখ্যাত গদ্য গ্রন্থ যা সংস্কৃত নাটক অবলম্বনে রচিত এবং বাংলা গদ্যের সাবলীল রূপ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে স্বীকৃত কারণ তাঁর রচনার মাধ্যমেই বাংলা গদ্য পূর্ণতা লাভ করে। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি এবং ছোটগল্প ও উপন্যাসের আধুনিক রূপকার, গদ্যের জনক নন। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত, গদ্যের জনক নন। D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং বাংলা গীতিকবিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্য লেখার জনক হলেন বিদ্যাসাগর, আর উপন্যাস লেখার জনক হলেন বঙ্কিমচন্দ্র। এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গদ্যের জনক এবং উপন্যাসের জনক নিয়ে প্রশ্ন আসে। তাই বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্রের অবদানের ক্ষেত্রগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0