a প্রাচীন যুগ
b মধ্য যুগ
c অন্ধকার যুগ
d আধুনিক যুগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্য যুগ ১. কেন সঠিক: - 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিখ্যাত রচনা। - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যটি এই সীমার মধ্যেই অষ্টাদশ শতাব্দীতে রচিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর নদীয়া রাজমাজারের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি হিসেবে এই কাব্য রচনা করেন। - এটি মূলত তিন ভাগে বিভক্ত, যথা অন্নদামঙ্গল বা অন্যদেবী মাহাত্ম্য, বিদ্যাসুন্দর এবং মানসিংহ বা ভবানন্দ মজুমদার অংশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি বা রাধা-কৃষ্ণের প্রেম বিষয়ক প্রাচীনতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রধান ধারা এবং এটিও মধ্যযুগের সময়সীমার মধ্যে রচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন যুগ — প্রাচীন যুগের সময়কাল ছিল ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল এবং এ যুগের একমাত্র প্রাপ্ত নিদর্শন চর্যাপদ। C) অন্ধকার যুগ — ঐতিহাসিকভাবে ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়, যেখানে কোনো সাহিত্যকর্মের সন্ধান মেলে না। D) আধুনিক যুগ — বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা ধরা হয় ১৮০০ সাল থেকে গদ্যচর্চার সূচনার মাধ্যমে। ৫. মনে রাখার টিপস: মঙ্গলকাব্য মানেই মধ্যযুগ এবং ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল অষ্টাদশ শতকের অর্থাৎ মধ্যযুগের শেষভাগের একটি বিখ্যাত সৃষ্টি। কোনো কবি যদি রাজা মহারাজার দরবারে কাব্য রচনা করে থাকেন, তবে তা সাধারণত মধ্যযুগের সাহিত্য হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে গণ্য করা হয় এবং তার উপাধি ছিল রায়গুণাকর। এই ধরনের প্রশ্ন পরীক্ষায় আসলে কাব্যের নাম এবং তার রচিত যুগ বা শতক ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0